Tag: Bankura

Bankura

  • Bankura: এবার বন দফতর বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটাবে শুশুনিয়া পাহাড়ে

    Bankura: এবার বন দফতর বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটাবে শুশুনিয়া পাহাড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ায় (Bankura) ব্যাগ ভর্তি রাশি রাশি বোমা। এই বোমা হল “বীজ বোমা”। এই “বীজ বোমা” ফাটাতে বন বিভাগের কর্মীরা শুশুনিয়া পাহাড়ের পথ বেয়ে উঠছেন দলবেঁধে। সেখানে বোমা ফাটাবেন তাঁরা। পাহাড়ের সেই অংশটা পাথুরে, ফলে গাছ গজায়নি। এই অংশটা পাহাড়ের ন্যাড়া অঞ্চল হিসেবেই পরিচিত। এই ন্যাড়া অঞ্চলেই বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছে বন দফতর।

    কীভাবে বীজ বোমা ফাটানো হবে (Bankura)?

    আসলে অনেকটা বোমের মতো দেখতে এই গোলাকার মন্ড “বীজ বোমা”। যাকে বন দফতরের কথায় “বীজ বোমা” বলা হয়। এই “বীজ বোমা” তৈরী করা হয় বীজ, গোবর সার, এবং জৈব সার দিয়ে। এই সব কিছুর মিশ্রণে গোলাকার আকৃতির বল বানানো হয়। যা হুবহু দেখতে বোমার মতোই। এই বোমা ফাটিয়ে দেওয়ার পর সুর্যের আলো, বৃষ্টির জল পেলে এই বোমা থেকেই ঘটবে বীজের অঙ্কুরোদগম। ধীরে, ধীরে চারা বড়ো হয়ে বৃক্ষে পরিণত হবে৷ ফলে শুশুনিয়া (Bankura) পাহাড়ের ন্যড়া অঞ্চল ন্যাড়ার তকমা ঘুচিয়ে সবুজের সমারোহে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। এমনই টাই মনে করছেন বন দফতরের আধিকারিকরা।

    বন দফতরের বক্তব্য

    বন দফতরের ছাতনা রেঞ্জের আধিকারিক এষা বোস জানান, শুশুনিয়া (Bankura) পাহাড়ে সবুজ ফেরাতেই বন দফতর এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। পাহাড়ের যে জায়গাতে গাছপালা নেই, সেই জায়গাটা দিন দিন ক্রমশ্য ক্ষয়িষ্ণু হয়ে যাচ্ছে। মূলত ক্ষয়রোধ করার জন্য এই বীজ বোমার ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্ষাকালকেই নির্বাচন করে নিয়েছেন বন দফতর। ফলে বীজগুলি বৃষ্টির জল পেয়ে নতুন গাছ জন্মাবে। এই “বীজ বোমা”র মাধ্যমে ওই ক্ষয়িষ্ণু অঞ্চলে আকাশমণি, বাবলা সহ তিনটি গাছের বীজ ছড়ানো হচ্ছে। এর ফলে পাহাড়ের ন্যাড়া অঞ্চল সবুজ গাছে ভরে যাবে বলে আশাবাদী বন দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭০ জনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তুলে ওন্দা (Bankura) তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে ধর্নাতে বসলেন বহুল চর্চিত তৃণমূল সমর্থক প্রতিবাদী মহিলা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক প্রতারিত চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের হাতে ছিল তৃণমূলের দলীয় পতাকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। মূল অভিযোগ হল ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে’র বিরুদ্ধে।

    মূল দাবি কী (Bankura)?

    প্রতিবাদী তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই! আশিষ দে তৃণমূলের কলঙ্ক। ওন্দা (Bankura) ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তম কুমার বিটের সহযোগিতায় প্রতারিত প্রিয়ঙ্কা গোস্বামী, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আশিষ দে’র কাছ থেকে অর্ধেক টাকা ফেরত পেলেও বাকিরা এখনও পর্যন্ত ফেরত পাননি। তাই আজ তাঁরা ওন্দা তৃণমূল ব্লক পার্টি অফিসের সামনে টাকা ফেরত পেতে ধর্নাতে বসেছেন।

    পুলিশের কাছে আগেও অভিযোগ করেছিলেন

    প্রসঙ্গত রামসাগরের (Bankura) বাসিন্দা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামীর অভিযোগ ছিল, বর্তমানে ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে করোনা কালে ‘বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণা করেন’। এ বিষয়ে তিনি পুলিশেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে গত ১২ জুলাই রামসাগরে বাজারে তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী এবং তাঁর বন্ধুদের নিয়ে পিকনিক করছিলেন। আর সেই সময় আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দোলন পরামানিক সহ অন্যান্যরা তাঁদের উপর হামলা চালান। পরে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন। ওই ঘটনার পর গত ১৫ জুলাই ওন্দা ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দলীয় কর্মী দোলন পরামানিককে ওন্দা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক আশীষ দে ও দোলন পরামানিকের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য গত ১২ এপ্রিল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওন্দায় এলে আর্থিক প্রতারণার বিষয়টি তাঁর নজরেও এনেছিলেন এই প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নিম্নমানের খাবার, প্রতিবাদে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলালেন গ্রামবাসীরা

    Bankura: নিম্নমানের খাবার, প্রতিবাদে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলালেন গ্রামবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাটি ভুঁইভোড় গ্রামে। এলাকায় গ্রামবাসীরা প্রতিবাদ করলেন এবং এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল জেলায়। অবশেষে পুলিশ এসে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করল।

    কীভাবে ঘটল (Bankura)?

    নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার তৈরি করে পরিবেশনের অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীরা। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের ১৭৮ নং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ভুঁইফোড় উপরপাড়ায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে খাবার তৈরি করা হচ্ছিল। এই এরকম খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল অনেক বাচ্চা। একাধিকবার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জানানো হলেও তার কোনও সুরাহা হয়নি। তাই আজ গ্রামের মানুষ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা দিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন। উত্তেজিত গ্রামবাসীর এই প্রতিবাদে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নিম্নমানের খাবার এবং বিক্ষোভের ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় গঙ্গাজলঘাটি (Bankura) থানার পুলিশ। পরে পুলিশের আশ্বাসে গ্রামবাসীরা তালা খুলে দেন।

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য

    প্রতিবাদে এক গ্রামবাসী (Bankura) খোকন রায় বলেন, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বাচ্চাদের পড়াশুনা হয় না বললেই চলে। শুধু মাত্র খাবর দেওয়ার সময় আসে কর্মীরা। কিন্তু যে খাবার রান্না হয় তা খুব নিম্নমানের এবং বাচ্চাদের জন্য খাবারের যা পরিমাণ তাও খুব অল্প। সবজি নেই বললেই চলে। অনেক বাচ্চা মাঝে মাঝে খাবার খেয়েই অসুস্থ হয়ে যায়। তাই আজ আমরা তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ করলাম।

    অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য

    এই ঘটনায় অভিযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী শিপ্রা চ্যাটার্জি বলেন, গ্রামবাসীদের (Bankura) করা এই যাবতীয় অভিযোগ একদম মিথ্যা। এছাড়া তিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারণে সবজি বা অন্যান্য সামগ্রী আনতে না পারার কথাও স্বীকার করে নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: অভিষেকের কাছে নালিশের জন্য দলীয় কর্মীকে বেধড়ক মার, গ্রেফতার অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    TMC: অভিষেকের কাছে নালিশের জন্য দলীয় কর্মীকে বেধড়ক মার, গ্রেফতার অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) কর্মী ও তাঁর স্বামীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশিস দে ও তাঁর অনুগামী আর এক তৃণমূল নেতা দোলন প্রামাণিকের বিরুদ্ধে। বাঁকুড়ার ওন্দা থানা এলাকার রামসাগরের ঘটনা। আক্রান্ত কর্মীরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল নেতা আশিস দে সহ  দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শনিবার আদালতে তোলা হলে বিচারক দুজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    তৃণমূল (TMC) নেতার হামলা চালানোর কারণ কী?

    প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী নামে আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মী ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিস দে-কে করোনা মহামারির সময় ‘কাজ দেওয়ার নাম করে প্রায় ৯৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। তারপর সেখানে তিনি প্রতারিত হন। এবিষয়ে তিনি পুলিশেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনা তিনি বৃদ্ধার ছদ্মবেশে ওন্দায় গত ১২ এপ্রিল মাসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আশিস দে কে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার এবং শাস্তির দাবি জানিয়েছিলেন। সেই নালিশের বদল নিতেই পরে গত ১২ জুলাই ওন্দার রামসাগর বাজারে তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী ও বন্ধুরা মিলে পিকনিক করছিলেন। সেই সময় তৃণমূল নেতা আশিস দে, দোলন প্রামাণিক সহ অন্যান্যরা তাদের উপর হামলা চালায়। পরে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মী?

    প্রিয়ঙ্কা গোস্বামী বলেন, আশিস দে অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ। এই ধরনের মানুষ দলে থাকলে মানুষ আমাদের দল করবে না। অভিষেকের কাছেই সেটা নালিশ জানিয়েছিলাম। তাই, ওরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।

    কী বললেন ধৃত তৃণমূল (TMC) নেতা?

    ধৃত ওন্দা ব্লক তৃণমূলের (TMC) সাধারণ সম্পাদক আশিস দে’ বলেন, প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী ও তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন। ওই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনভাবেই যুক্ত নই। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক ?

    প্রসঙ্গত, এই আশিস দে এবার ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতির  রামসাগরের ৩৫ নম্বর আসনে ভোটে তৃণমূল (TMC) প্রার্থী হিসেবে লড়াই করে বিজেপি অঞ্জন নাগ চৌধুরির কাছে ৭৮৯ ভোটে হেরেছেন। এই দুর্নীতিবাজ নেতার ওপর মানুষের আস্থা নেই তা প্রমাণ হতেই আশিস দে কে গ্রেফতারের পথে হাঁটল বলে এলাকার রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। এদিকে ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা বলেন এই আশিস দে- কে আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল। এতদিন পর প্রশাসনের শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির ক্যাম্প অফিসে হামলা, কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপির ক্যাম্প অফিসে হামলা, কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার শালতোড়ার নেতাজি কলেজের ভোট গণনা কেন্দ্রে বিজেপির (BJP) ক্যাম্প অফিসে বিধায়কের সামনেই কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিজেপির লোকজনের গাড়ি এবং মোটর বাইক ভাঙচুর করা হয়। ইট, পাথর ছোড়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। কয়েকজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সামনে হামলা চালানো হলেও তারা কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    নিয়ম মেনেই বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থকরা গণনা কেন্দ্রে ছিলেন। আর গণনা কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে বিজেপির পক্ষ থেকে ক্যাম্প অফিস করা হয়। সেখানে বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি সহ বহু বিজেপি কর্মী-সমর্থক মজুত ছিলেন। ক্যাম্প অফিসের পাশে রাখা ছিল গাড়ি, একাধিক বাইক। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, আচমকা দল বেঁধে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর চড়াও হয়। আমাদের বেধড়ক পেটায়। আমাদের গাড়ি, বাইকে ভাঙচুর চালায়। ওরা কার্যত এলাকায় তাণ্ডব চালায়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    শালতোড়ার বিজেপি (BJP) বিধায়ক চন্দনা বাউরি বলেন, বিজেপির লোকজন গণনা কেন্দ্র থেকে ৪০০ মিটার দূরে ক্যাম্পে বসেছিলেন। আচমকা তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডা বাহিনী বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের ওপর চড়াও হয়। পুলিশের সামনেই হামলা চালানো হয়। বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায়  চন্দনা দেবী হামলার হাত থেকে বাঁচেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের শালতোড়ার ব্লক সভাপতি সন্তোষ মণ্ডল বলেন, চন্দনা বাউরির আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। আসলে বিজেপির (BJP) নিজেদের দলীয় কোন্দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে চাপাতে চাইছে। বরং ওরাই আমাদের কয়েকজনের ওপর হামলা করে। পাথর ছোঁড়ে। তৃণমূল এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। নিজেদের কোন্দল ঢাকতে তৃণমূলের উপর ওরা এখন দায় চাপাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train accident: ওন্দায় রেল দুর্ঘটনা, দুটি মালগাড়ির সংঘর্ষে লাইনচ্যুত ১৩টি বগি

    Train accident: ওন্দায় রেল দুর্ঘটনা, দুটি মালগাড়ির সংঘর্ষে লাইনচ্যুত ১৩টি বগি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) স্মৃতি এখনও টাটকা। এর মধ্যেই ফের রেল দুর্ঘটনা বাঁকুড়ার ওন্দায়। রবিবার ভোরে লুপ লাইনে দুটি মালগাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে একাধিক বগি। দুর্ঘটনার জেরে আদ্রা-খড়্গপুর শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়ে পড়ে।

    ঠিক কী করে ঘটল এই দুঘর্টনা (Train Accident)?

    স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোর ৪টে নাগাদ এই দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটে। দুর্ঘটনায় একজন চালক আহত হয়েছেন। ওন্দা স্টেশনের কাছে লুপ লাইনে একটি মালগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। সেই দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ির পিছনে ধাক্কা মারে বাঁকুড়ার দিক থেকে আসা অন্য একটি মালগাড়ি। দুঘর্টনার জেরে একটি ইঞ্জিন-সহ দুটি মালগাড়ির ১৩টি বগি লাইনচ্যুত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা চালকদের উদ্ধার করেন। এই সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ওন্দার রেল প্ল্যাটফর্ম ও সিগন্যাল রুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর থেকে আদ্রা-খড়্গপুর শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়ে পড়ে। একই লাইনে দুটি মালগাড়ি এসে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। কীভাবে এই সিগন্যাল বিভ্রাট ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীর কী বক্তব্য?

    শ্যামসুন্দর সিংহ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এদিন ভোরে আমি রেল লাইনের ধার দিয়ে যাচ্ছিলাম। একটি লাইনে মালগাড়ি দাঁড়িয়েছিল। আচমকা দেখি, সেই লাইনে একটি মালগাড়ি গিয়ে পিছনে ধাক্কা মারে। দুটি মালগাড়ির বহু বগি উল্টে যায়। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যাই। মালগাড়ির ইঞ্জিন থেকে ড্রাইভার সহ অন্য রেল কর্মীদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর পরই অন্যরাও ছুটে আসে। ট্রেনের চালক সহ অন্যরা ভয়ে কাঁপছিল। চোখের সামনে এই ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)  দেখে আমিও খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।

    কী বললেন রেলের আধিকারিক?

    রেল দুর্ঘটনার পর পরই দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের ডিআরএম মণীশ কুমার সহ পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। মণীশ কুমার বলেন, লুপ লাইনে মালগাড়ি দাঁড়িয়েছিল। সেখানে রেড সিগন্যাল ছিল। মালগাড়়ির চালক কোনওভাবে সেই সিগন্যাল না দেখেই লুপ লাইনে ট্রেনটি নিয়ে যায়। যার জেরে দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, ড্রাইভারের ভুলের জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। আপ লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হচ্ছে। তবে, ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল হতে সময় লাগবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের সভায় সায়ন্তিকার সামনে কালিয়াগঞ্জকাণ্ড নিয়ে কী বললেন রাজবংশী বধূ?

    TMC: তৃণমূলের সভায় সায়ন্তিকার সামনে কালিয়াগঞ্জকাণ্ড নিয়ে কী বললেন রাজবংশী বধূ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার ঝাঁটিপাহাড়িতে পঞ্চায়েতের তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের  নির্বাচনী সভায় লাগল কালিয়াগঞ্জের রাজবংশী কিশোরী ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার আঁচ। প্রকাশ্য জনসভায় সকলের সামনে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এক গৃহবধূ। যা দেখে সভায় উপস্থিত হওয়া কর্মী, সমর্থকরা হতবাক হয়ে যান। পরে, স্থানীয় নেতৃত্ব পরিস্থিতি সামাল দেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    শুক্রবার বাঁকুড়ার ঝাঁটিপাহাড়িতে নির্বাচনী প্রচার সভায় বক্তব্য রাখছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) রাজ্য সম্পাদিকা সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আচমকা  সংঘমিত্রা অধিকারী নামে এক গৃহবধূ সন্তান কোলে নিয়ে জনসভায় হাজির হবন। তিনি নিজেকে রাজবংশী হিসেবে পরিচয় দিয়ে কালিয়াগঞ্জ কাণ্ডের বিচার চেয়ে সায়ন্তিকার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছোঁড়েন, তিনি বলেন, দোষীরা যেন শাস্তি পায়। সেই বার্তা মুখ্যমন্ত্রীকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সায়ন্তিকার কাছে তিনি আর্জিও জানান। সায়ন্তিকা নির্বাচনী বক্তব্য থামিয়ে ওই গৃহবধূকে এই ঘটনায় সুবিচারের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। রাজবংশী ওই গৃহবধূ তবুও থামেননি।আরও জোর গলায় ছেড়ে তিনি তাঁর দাবিতে সরব হন। এই সময় ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন তৃণমূল কংগ্রেসের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী তথা ছাতনার জেলা পরিষদ প্রার্থী বিশ্বরূপা সেনগুপ্ত। তিনি সেই গৃহবধূর কাছে গিয়ে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। তাঁকে অনেক বুঝিয়ে তিনি তাঁকে শান্ত করেন।

    কী বললেন রাজবংশী ওই বধূ?

    সভা শেষ হওয়ার পর পরই সংবাদ মাধ্যমের সামনে রাজবংশী ওই গৃহবধূ বলেন, আমার বাড়ি কোচবিহার। আমি এখন এখানে থাকি। কালিয়াগঞ্জের ঘটনা আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছে। ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনা। মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে পুলিশের পোশাকে খুন করার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এখানকার চুনোপুঁটি তৃণমূল (TMC) নেতাদের বলে কিছু হবে না। তাই, সায়ন্তিকাকে সামনে অভিযোগ জানিয়েছি। আমার বিশ্বাস আমার এই দাবি দিদির কাছে পৌঁছে দেবেন সায়ন্তিকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি, বিক্ষোভ সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    Panchayat Election: বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি, বিক্ষোভ সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন। এবার ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই সংগঠনের আন্দোলনের আঁচ লাগল। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে  বিক্ষোভ দেখাল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। শুক্রবার বাঁকুড়া খ্রীশ্চান কলেজে ভোট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যৌথ মঞ্চের এই বিক্ষোভের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যেই এই ধরনের বিক্ষোভের জেরে চাপে পড়ে যান জেলার নির্বাচন দফতরের আধিকারিকরাও।

    কী বললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা?

    নির্বাচনের (Panchayat Election) দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সরব হয়েছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। জানা গিয়েছে, প্রথমে শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পর ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে, হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের পর আদালতের হুকুম মতোই বাহিনী চেয়ে পাঠিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিংহ। ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সব মিলিয়ে ৮২২ কোম্পানি চাওয়া হল। এরই মধ্যে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের  বাঁকুড়া জেলা কমিটির নেতা শ্যামল কর্মকার বলেন, আমরা প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে ভোট করার দাবি জানাচ্ছি। এর আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা আমাদের মোটেই সুখকর নয়। রাজকুমার রায় নামে এক ভোট কর্মী এর আগে খুন হয়েছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট পরিচালনা না করা হলে তাঁরা কেউই ভোট কেন্দ্রে যাবেন না বলেও তিনি হুমকিও দেন এদিন। তিনি বাকি সমস্ত ভোট কর্মীদের তাদের এই দাবিকে সমর্থনের আর্জিও জানান। সকলেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিতরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতেই সরব হন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: দৈহিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য চাই যোগাভ্যাস, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার

    Bankura: দৈহিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য চাই যোগাভ্যাস, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যরক্ষায় যোগাভ্যাস জরুরি’। বুধবার বাঁকুড়া (Bankura) স্টেশন সংলগ্ন মাঠে বিশ্ব যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের একথা বললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার। পাশাপাশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দিঘার সমুদ্র সৈকতে প্রাক্তন সেনা কর্মীদের নিয়ে যোগাভ্যাসের মধ্যে দিয়ে যোগ দিবস পালন করলেন। এছাড়াও বিজেপির সাংসদ, বিধায়করা রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করলেন। ২১ শে জুন বিশ্ব যোগ দিবস। শরীরী চর্চার মধ্যে দিয়ে কীভাবের সুস্থ এবং রোগমুক্ত থাকা যায়, সেই কথা মনে রেখেই বিশ্ব যোগ দিবস পালন করা হল এই দিনটিতে।

    কী বললেন ডাঃ সুভাষ সরকার

    যোগ দিবসের দিন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং বাঁকুড়ার (Bankura) সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার বলেন, এবছর বিশ্ব যোগ দিবসের থিম ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিউ ইয়র্কে, রাষ্ট্রসংঘের কার্যালয় থেকে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে তিনি জানান। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে যোগ দিবস নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভারতে এই যোগ দিবসকে, গত ৯ বছর ধরে, বিশ্ব যোগ দিবস হিসাবে পালন করা হচ্ছে। দেশের মানুষ যেমন এই যোগ দিবসে যোগদান করছেন, তেমনি বিদেশের মানুষও যোগ দিবসে, যোগের প্রয়োজনীয়তাকে গ্রহণ করছেন। তিনি আরও বলেন, যোগ আজকে ভারত থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই যোগ সাধনার মাধ্যমেই। ভারতীয় সংস্কৃতি কতটা পরিবেশ বান্ধব এবং প্রকৃতির অনুকুল, সেটা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে এই যোগ দিবসে ভেবে দেখা দরকার বলে মনে করেন তিনি। বিশ্ববাসীর শারীরিক সুস্থতা এবং মঙ্গল কামনায় এই যোগের ভূমিকা অত্যন্ত উপযোগী বলে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডাক্তার সুভাষ সরকার। দৈহিক সুস্থতা এবং মানসিক সুস্থতার জন্য প্রত্যেক দিন স্বল্প সময়ের জন্য যোগ অভ্যাস করা একান্ত প্রয়োজন। বিশ্ব যোগ দিবস ধীরে ধীরে সারা বিশ্বে এক সামজিক আন্দোলনের রূপ নিতে চলেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    যোগ দিবসে বিশেষ উপস্থিতি

    এই অনুষ্ঠানে বাঁকুড়া (Bankura) রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক স্বামী কৃত্তিবাসানন্দ মহারাজ যোগ দিবস পালনের সমাপনী ভাষণ দেন। মহারাজ বলেন, এই যোগ দিবসে যাঁরা যাঁরা অংশ গ্রহণ করেছেন, তাঁদের অনেক অভিন্দন জানাই। যোগের প্রয়োজনীয়তাকে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাঁরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের ভূমিকাকে বিশেষ ভাবে সাধুবাদ জানান মহারাজ। এছাড়াও সমাজের বিভিন্ন বর্গের মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের দৃশ্য চোখে পড়ে অনুষ্ঠানে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JEE Advanced: আইআইটি জয়েন্টে রাজ্যে প্রথম! সাগ্নিকের স্বপ্ন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া

    JEE Advanced: আইআইটি জয়েন্টে রাজ্যে প্রথম! সাগ্নিকের স্বপ্ন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জয়েন্টে অষ্টম স্থান পেয়ে খানিকটা মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল বাঁকুড়ার জুনবেদিয়ার সাগ্নিক নন্দীর। তবে, এবার জেইই অ্যাডভান্সড (JEE Advanced) পরীক্ষা অর্থাৎ আইআইটি জয়েন্টে সর্ব ভারতীয় স্তরে ৩৯ এবং রাজ্যে প্রথম স্থান পেয়ে সেই আক্ষেপ আর নেই তাঁর। তাঁর এই সাফল্যে বেজায় খুশি বাঁকুড়ার জুনবেদিয়া এলাকার তাঁর পরিবার ও প্রতিবেশীরা। পাড়ার ছেলের এই নজরকাড়া রেজাল্টের কথা এখন সবার মুখে মুখে ঘুরছে।

    কী বললেন সাগ্নিক?

    বাঁকুড়া শহরের বাঁকুড়া জিলা স্কুলের ছাত্র সাগ্নিক নন্দী। এই স্কুলেই তিনি ছোট থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। মাধ্যমিকে তিনি ৯৪.৫৭ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। উচ্চ মাধ্যমিকে পেয়েছিলেন ৯৬.৬০ শতাংশ নম্বর এবং জেইই মেইন পরীক্ষায় তাঁর র‍্যাঙ্ক ছিল ২৮৯। আর এরপরই বড় সাফল্য মিলল জেইই অ্যাডভান্সড (JEE Advanced) পরীক্ষায়। এই পরীক্ষায় তাঁর সর্ব ভারতীয় র‍্যাঙ্ক ৩৯। যার নিরিখে রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সাগ্নিক। এখন বাঁকুড়ার বাইরে রাজস্থানের কোটায় রয়েছেন তিনি। সেখান থেকে ফোনে সাগ্নিক বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম দেশে প্রথম ১০০ এর মধ্যে আমার র‍্যাঙ্ক থাকবে। তবে তা যে ৩৯ নম্বরে উঠে আসবে, এতটা ভাবিনি। ভালো লাগছে।’ এবার মুম্বইয়ে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়বেন তিনি। তাঁর ইচ্ছে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া।

    সাগ্নিকের এই সাফল্য নিয়ে কী বললেন তাঁর স্কুলের শিক্ষক?

    বাঁকুড়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণধন ঘোষ বলেন, খুবই মেধাবী এবং শান্ত প্রকৃতির ছাত্র সাগ্নিক। ঠান্ডা মাথার ছেলে। বরাবর পড়াশোনাটা ভালোভাবে করে আসছে। ছোট থেকে এই স্কুলে পড়েছে। জেইই  অ্যাডভান্সড (JEE Advanced) পরীক্ষায় তার এই সাফল্যে আমরা গর্বিত। আগামীতে ও আরও বড় হোক, এই কামনা করি।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    সাগ্নিকের বাবা আনন্দরঞ্জন নন্দী বলেন, ছেলের ইচ্ছে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়ার। আমরা চাইছি সে তার নিজের ইচ্ছে মতো পড়ুক। জেইই অ্যাডভান্সড (JEE Advanced) পরীক্ষায় ছেলে ভালো ফল করবে জানতাম। তবে, এত ভালো র‍্যাঙ্ক করায় আমরা খুশি। সাগ্নিকের সফলতার খবর পেয়ে তাঁর মা মন্দিরা নন্দী বলেন, রাজ্যে ছেলে সেরা হয়েছে। এতে খুবই ভালো লাগছে। তবে ও পরিশ্রমও কম করেনি। রোজ ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়ত। আর অবসর সময় পেলে একটু আধটু গল্পের বই পড়েছে। ছোট থেকেই গল্পের বই পড়ার নেশা সাগ্নিকের। ছেলের ইচ্ছে মুম্বইয়ে পড়াশোনা করার। আমরা চাই, তার স্বপ্ন পূরণ হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share