Tag: Bengal news

Bengal news

  • Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ব্যাপক হয়রানি,  শিবিরে ভাঙচুর চালাল ক্ষুব্ধ জনতা

    Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ব্যাপক হয়রানি, শিবিরে ভাঙচুর চালাল ক্ষুব্ধ জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যবাসীর মধ্যে পৌঁছে দিতে দুয়ারে সরকার (Duare Sarkar) প্রকল্প নিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হল উপভোক্তাদের। ফলে শিবিরে ভাঙচুর চালালেন ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা। গোটা ঘটনায় বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের আগডিমটিখন্তি অঞ্চলের দিঘলবস্তি এলাকায়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল এদিন ?

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় দিঘলবস্তি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এদিন এই ক্যাম্প (Duare Sarkar) অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি সুবিধা পেতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই গ্রামবাসীরা হাজির হয়েছিলেন শিবিরে। কিন্তু সকাল সাড়ে দশটায় ক্যাম্প চালু হওয়ার কথা থাকলেও, বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ কর্মীরা ক্যাম্পে উপস্থিত হতে শুরু করেন। একেই সময়ের অনেক পরে কাজ চালু হয়, তার ওপর সরকারি প্রকল্পের আবেদনপত্র অপ্রতুল হওয়ায়, ফর্ম না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন দূরদূরান্ত থেকে আসা গ্রামবাসীরা। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    দিঘলবস্তি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই বাড়ি তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি আকবর আলির। সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতেই সকাল সকাল তিনি ক্যাম্পে হাজির হয়েছিলেন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও ক্যাম্প চালু না হওয়ায় সরকারি কর্মী ও স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। অন্যদিকে এদিন দেরি করে ক্যাম্প চালু ও ফর্ম না পেয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। এমনকী ক্যাম্পের আসবাবপত্রে ভাঙচুরও চালানো হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় শিবির চত্বরে। খবর পেয়ে ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শুরু হয় শিবিরের কাজকর্ম।

    কী বলছেন পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিনিধি ?

    যদিও কর্মীদের দেরীতে আসার কথা মেনে নিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম। তবে পর্যাপ্ত ফর্ম শিবিরে (Duare Sarkar) রয়েছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে ক্যাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লক অফিসের কর্মী সাগরাম সোরেন জানিয়েছেন, ক্যাম্পে পর্যাপ্ত ফর্ম আছে। বিভাগের নাম দেওয়া হয়নি বলে সমস্যায় পড়েছিলেন গ্রামবাসীরা। দ্রুত  বিভাগের নাম লিখে চিহ্নিতকরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mobile Phone: মোবাইলে আড়াই লাখের অর্ডার দিয়ে ফেলেছে মেয়ে! একরত্তিকে কী শাস্তি দিলেন মহিলা?

    Mobile Phone: মোবাইলে আড়াই লাখের অর্ডার দিয়ে ফেলেছে মেয়ে! একরত্তিকে কী শাস্তি দিলেন মহিলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র পাঁচ বছর। নাম লীলা ভ্যারিস্কো। আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস-এর বাসিন্দা সে। মায়ের সঙ্গে গাড়িতে চেপে ফিরছিল বাড়ি। চালকের আসনে বসে আছেন মা। আর মেয়ে পিছনে সিটে বসে মায়ের মোবাইল (Mobile Phone) নিয়ে খেলতে ব্যস্ত।

    কিন্তু কে জানত, মোবাইল (Mobile Phone) নিয়ে খেলতে খেলতেই মেয়ে এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ড বাধিয়ে ফেলবে! ঘটনাটা তখনই জানতে পারেননি মা। পরে বাড়ি ফিরে যখন মোবাইলের নানা জিনিস ঘাঁটাঘুঁটি করে দেখছেন, তখনই তাঁর নজর আটকে গেল একটি নামী অনলাইন কেনাবেচা সংস্থার অ্যাপে।  এ কী কাণ্ড! তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ডার চলে গেছে ওই সংস্থায়। তাও আবার এক-দু টাকার অর্ডার নয়। ডলারে যার অঙ্ক চার হাজারের কাছাকাছি। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। কিন্তু তিনি তো অর্ডার দেননি। তাহলে কী করে এমনটা হল। না, ধাঁধার মধ্যে তাঁকে বেশিক্ষণ থাকতে হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যই তিনি বুঝে যান, কী করে এমনটা ঘটেছে। ‘বাই নাউ’ বাটনে ক্লিক করে দিয়েছে তাঁর আদরের কন্যাসন্তানই। ব্যস, এবার হ্যাপা সামলাও।

    মোবাইল (Mobile Phone) কী অর্ডার দিয়েছে শুনবেন?

    বাচ্চাদের খেলনা ১০টি মোটরসাইকেল, একটি জিপ এবং মেয়েদের সাত নম্বর সাইজের কাউগার্ল জুতো। এসব দেখে তো মাথায় হাত মহিলার। রাতেই ফোন করে ফেললেন সংস্থার কাস্টমার কেয়ারে। কিন্তু তখন অনেকটা সময় দেরি হয়ে গিয়েছে। হলে অর্ডার করার সব জিনিস তখনই ক্যানসেল করা যায়নি। কারণ বেশ কিছু জিনিস ওই সংস্থা যখন ডেসপ্যাচ করে দিয়েছে। ভাবছেন, ওই মহিলা আদরের মেয়েকে দু’ঘা কষিয়ে দিয়েছেন, দিয়েছেন চরম শিক্ষা। কিন্তু না তেমনটা ঘটেনি। তিনি মেয়েকে কিছুই বলেননি। তাঁর মতে, তিনি তাঁকে শাস্তি দিতে চান না। এই ঘটনার পর ভবিষ্যতের জন্য সে চরম শিক্ষা পাক, সেটাই তিনি চেয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Horse Carriage: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    Horse Carriage: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অদম্য ইচ্ছাশক্তি। সঙ্গে সাহসও। এমনই দুই বৈশিষ্ট্যের যেন মেলবন্ধন বছর ৬৫ এর মোস্তাক আলি। ছোটবেলা থেকেই সংসারের জন্য লড়াই আর লড়াই। টমটম অর্থাৎ ঘোড়ার গাড়িই (Horse Carriage) তাঁর বন্ধু, জীবনসঙ্গী। তাই এলাকায় টমটম চালক হিসাবেই সুপরিচিত মোস্তাক।

    কলিয়াচকের (Kaliachak) ২ নম্বর ব্লকের পীরুটোলা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।  এই এলাকায় ৪টি ঘোড়ার গাড়ি দৌড়ায়। তার মধ্যে মোস্তাকেরটিই বেশি পরিচিত। কারণ এই বয়সেও (Old Age) তিনি অবিরাম একই কাজ করে চলেছেন উৎসাহের সঙ্গে। মুখে মৃদু হাসি, চোখেমুখে বয়সের ছাপ। তবুও যেন হার না মানা চরিত্র।

    এই মানুষটি তাঁর পেশা সম্পর্কে কী বলছেন?

    মোস্তাক আলি বলেন,  “ছোট থেকেই আমি এই কাজ করছি। অন্য কাজ আর কীই বা করব? তাই সাতপাঁচ না ভেবে এই কাজটিই আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত করতে চাই।” জানা গেল, তাঁর দৈনিক আয় ২০০ থেকে ৪০০ টাকা, যা আজকের বাজারে অনেক কম হলেও সাহস আর মনের জোরে টমটম চালক হিসাবেই রয়েছেন কলিয়াচকে। বললেন, এক সময় অনেক যাত্রী হত। কিন্তু আজকাল কমে গেছে। তাই দোকানহাটে মাল বহন করে যা আয় হয়, তাতেই সংসার (Family) চলে। তিনি জানান, এক সময় এই অঞ্চলে পাঁচশোর বেশি ঘোড়ার গাড়ি (Horse Carriage) ছিল। সেসব গাড়ি বৈষ্ণবনগর, মোথাবাড়ি, সাহাবাজপুর, গোলাপগঞ্জ, কালিয়াচক প্রভৃতি রুটে ছুটে বেড়াত। তিনি এখন মোথাবাড়ি, অচিনতলা সিলামপুর ও কালিয়াচক রুটে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়েই জীবিকার নির্বাহ করেন।

    এই বয়সেও অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা মোস্তাক

    এক সময় এই এলাকা সহ পশ্চিমবঙ্গের অনেক জায়গাতেই যোগাযোগের (Communication) মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হত এই টমটম। কিন্তু কালের নিয়মে তা আজ শেষের পথে। আজ এই এলাকায় ঘোড়ার গাড়ির সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪টিতে। তবুও এই বয়সে মনের জোর নিয়েই মোস্তাক তাঁর ঘোড়ার গাড়িকে (Horse Carriage) ছুটিয়ে নিয়ে চলেছেন কলিয়াচক জুড়ে। আজ ৬৫ বছর বয়সেও তিনি নিজে অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা। কখনও নিজের মনে মনে গান করে ছুটিয়ে নিয়ে চলেন তাঁর টমটম। আর এইসবই তাঁকে আরও উৎসাহ আর মনের জোর দেয় বলে দাবি মোস্তাকের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শুক্রবার শহরে আসছেন অমিত শাহ! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

    Amit Shah: শুক্রবার শহরে আসছেন অমিত শাহ! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে বঙ্গে পা রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে শাহের পূর্ণাঙ্গ সফরসূচী প্রকাশ করা হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শুক্রবার রাত সাড়ে ন টা নাগাদ শহরে আসবেন অমিত। দমদম বিমানবন্দর থেকে সোজা চলে যাবেন বাইপাসের ধারে একটি বিলাসবহুল হোটেলে। সেখানে রাত্রিযাপন করে পরদিন সকাল  সাড়ে দশটা নাগাদ নবান্নের উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: গোয়ায় নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, দেওয়া হল নতুন নাম

    নবান্নে বৈঠক

    আগামী শনিবার অমিত শাহের (Amit Shah) সেই বৈঠকে যোগ দেবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (CM Mamata Banerjee)। উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও সিকিম-এই পাঁচ রাজ্য নিয়ে গঠিত পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদ। আন্তঃরাজ্য সীমানার পাশাপাশি অন্তর্দেশীয় সীমান্তের নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনা হয় পরিষদের বৈঠকে। চার বছর আগে ২০১৮ সালে নবান্নে পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। দেশে কোভিড পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক বছর পর পর পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। আগামী ১৭ ডিসেম্বর হতে চলেছে সেই বৈঠক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, নবান্ন সভাগৃহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে হাজির থাকতে পারেন বিএসএফ ও CISF আধিকারিকরাও। বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে বিএসএফ, সিআইএসএফ, সিআরপিএফ সহ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির শীর্ষ আধিকারিকদেরও। 

    আরও পড়ুন: আজ শাহের দরবারে সুকান্ত! জানেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা রাজ্য বিজেপি সভাপতির?

    অন্য কাজ

    নবান্নে বৈঠক সেরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাবেন সল্টলেকে অ্যানথ্রোপলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার নতুন ভবনের উদ্বোধন করতে। প্রশাসনিক কাজে স্বল্প সময়ের জন্য শহরে এলেও কাজের ফাঁকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে সাংগঠনিক আলোচনা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ দিল্লি উড়ে যাবেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Suvendu Adhikari: ‘‘১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন, দেখুন কী হয়’’, নিশানায় রাজ্য! কীসের ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    Suvendu Adhikari: ‘‘১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন, দেখুন কী হয়’’, নিশানায় রাজ্য! কীসের ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন ধরেই ডিসেম্বর ডেড লাইনের কথা শোনা যাচ্ছে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের মধ্যে।  এরই মাঝে এবার ডিসেম্বরের তিনটি তারিখের উল্লেখ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বার্তা, ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজাম প্যালেসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন। দেখুন কী হয়। এই তিনটে দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েট এন্ড ওয়াচ।” যদিও এর থেকে বেশি কিছুই আর বলতে চাননি তিনি। তবে শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। 

    কী হতে পারে এই তিন দিন

    ১২ ডিসেম্বর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি দিল্লিতে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে করা আবেদনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার শুনানির কথা। ওই দিনই আবার হাজরায় সভা করবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ১৪ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্টে অনুব্রত (মণ্ডল) মামলার শুনানি আছে। ২১ ডিসেম্বর আবার কাথিঁতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা করে যাওয়ার মাঠে সভা করার কথা শুভেন্দুর। ওই তিন দিন রাজ্য রাজনীতিতে কী ঘটনা ঘটে সেই দিকে তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

    আরও পড়ুন: হাজরা ও কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীকে সভা করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই নয়াদিল্লি যেতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসার সম্ভাবনা তাঁর। সব ঠিক থাকলে ১৩ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে অমিত শাহের মুখোমুখি বৈঠকে বসতে পারেন শুভেন্দু। এই সফরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত, এদিনই কলকাতা হাইকোর্টে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে করা সব FIR-এর উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশে আপাতত হাইকোর্টে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ। তবে CBI তদন্ত করবে কি না পরে সিদ্ধান্ত জানাবে হাইকোর্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bengal Tuberculosis: কেন্দ্রের পরিকল্পনা মতো চলতে ‘ব্যর্থ’ রাজ্য! বাড়ছে টিবি রোগীর সংখ্যা

    Bengal Tuberculosis: কেন্দ্রের পরিকল্পনা মতো চলতে ‘ব্যর্থ’ রাজ্য! বাড়ছে টিবি রোগীর সংখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নিঃশব্দে হানা দিচ্ছে টিবি। করোনার থেকেও সে  শক্তিশালী। কেন্দ্রের পরিকল্পনা, প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ পেয়েও ঠিকমতো বাস্তবায়নের অভাবে রাজ্যবাসীর বিপদ বাড়ছে। রাজ্যে বাড়ছে টিবি রোগীর সংখ্যা। কেন্দ্রের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দু’বছরের মধ্যে দেশকে যক্ষ্মা রোগ মুক্ত করতে হবে। এর জন্য রোগী চিহ্নিতকরণ এবং ঠিকমতো সম্পূর্ণ চিকিৎসা করানোর দিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু বাস্তবে, এর কোনওটাই করতে পারছে না রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

    বাড়ছে রোগীর সংখ্যা

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছরে নভেম্বর মাস পর্যন্ত টিবি আক্রান্ত হয়ে ২৭৩০ জন রোগী মারা গিয়েছেন। প্রায় ১ লাখের বেশি টিবি রোগীকে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তবে, এটা লক্ষ্যমাত্রার জন্য যথেষ্ট নয় বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে রোগী চিহ্নিতকরণ সবচেয়ে কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালে ৬৫ শতাংশ রোগীর তথ্য স্বাস্থ্য দফতরে আসে না। ফলে, রোগীর সম্পূর্ণ চিকিৎসা হচ্ছে কিনা, সে নিয়েও প্রশ্ন থাকছে। ওই স্বাস্থ্য কর্তা জানান, চলতি বছরে ১৯,৫৮০ জন বেসরকারি হাসপাতালে টিবি চিকিৎসাধীন রোগীর তথ্য স্বাস্থ্য দফতরে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য কর্তাদের আশঙ্কা, চিকিৎসাধীন ব্যক্তির সংখ্যাটা তার থেকেও অনেক বেশি। তাই তারা একাধিকবার বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। সমস্ত তথ্য যাতে দ্রুত স্বাস্থ্য ভবনে পাঠানো হয়, সে বিষয়ে জানানোও হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মত

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এ রাজ্যে টিবির প্রধান চ্যালেঞ্জ অসম্পূর্ণ চিকিৎসা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যক্ষ্মা রোগী চিকিৎসা সম্পূর্ণ করান না। তাই প্রাথমিকভাবে সুস্থ হলেও পরবর্তীকালে ফের আক্রান্ত হন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাঁরা মারা যান। তাই রোগী চিহ্নিত করে রেকর্ড রাখার উপরে কেন্দ্র সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। শুধুমাত্র শহরের বড় হাসপাতাল নয়। গ্রামের একেবারে প্রাথমিক স্তরের স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে এই কাজ করার কথা বলেছে কেন্দ্র। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারবার টিবি মুক্ত ভারতের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তার জন্য কেন্দ্র প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দও করেছে। প্রত্যেক রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতি মাসে টিবি রোগীর হিসাব নির্ণয় করার জন্য। কিন্তু তারপরেও রাজ্য সরকারের ঢিলেঢালা মনোভাবের জন্য এ রাজ্যে টিবি সংক্রমণ বাড়ছে।

    আরও পড়ুন: ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান? খাদ্যতালিকায় রাখুন এই সাত সবজি

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শুধু সাধারণ মানুষ নন, এই রোগে চিকিৎসকেরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। রোগ চিহ্নিত হচ্ছে না। নভেম্বর মাসে শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালের এক চিকিৎসক পড়ুয়া টিবি আক্রান্ত হয়ে মারা যান।স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুধুমাত্র কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ৬ জন পড়ুয়া চিকিৎসক যক্ষ্মা আক্রান্ত হয়েছেন। রোগী চিহ্নিতকরণের কাজ দ্রুত তৎপরতার সঙ্গে করতে না পারলে এই রোগ মুক্তি সম্ভব নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    তবে টিবি মুক্তি প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারের সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বেসরকারি হাসপাতাল কেন সময় মতো তথ্য পাঠাচ্ছে না, যারা তথ্য পাঠাচ্ছেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে কেন স্বাস্থ্য দফতর কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না? সরকারি হাসপাতালে যাঁরা যক্ষ্মা চিকিৎসা করাতে আসছেন, তাঁরা সম্পূর্ণ চিকিৎসা করছে কি? সে বিষয় স্বাস্থ্য দফতর নিশ্চিত করতে পারছে কি? এই কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। তাঁদের বক্তব্য, পরিকল্পনা মাফিক কাজ চলছে। করোনা কালে টিবির বিষয়টি অবহেলা হয়েছিলো। কিন্তু এখন অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

  • Sealdah metro:  রাত পোহালেই উদ্বোধন শিয়ালদহ মেট্রোর, যাত্রী নিয়ে কবে থেকে ট্রেন চলবে জানেন?

    Sealdah metro:  রাত পোহালেই উদ্বোধন শিয়ালদহ মেট্রোর, যাত্রী নিয়ে কবে থেকে ট্রেন চলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। ১১ জুলাই, সোমবার উদ্বোধন হচ্ছে শিয়ালদহ মেট্রোর (Sealdah Metro)। উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। মেট্রো রেল সূত্রেই এমন খবর মিলেছে।

    শিয়ালদহ মেট্রো ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর (East West Metro) একটি অংশ। বর্তমানে এই রুটে আপাতত মেট্রো চলে ফুলবাগান থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, ১৪ জুলাই বৃহস্পতিরবার থেকে যাত্রী পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে শিয়ালদহ মেট্রোয়। ওই দিন থেকেই নিয়মিত ট্রেন চলবে শিয়ালদহ থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত। ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো পথে শিয়ালদহ স্টেশন জুড়ে যাওয়ায় এক লপ্তে মেট্রোয় যাত্রী সংখ্যা বেড়ে যাবে অনেকখানি।

    আরও পড়ুন : এবার রেল-সূত্রে ভারতের সঙ্গে বাঁধা পড়তে চলেছে ভুটানও?

    মেট্রো রেল সূত্রে খবর, শিয়ালদহ স্টেশনের উদ্বোধনের পরে একদিকে যেমন সুবিধা হবে যাত্রীদের, তেমনি অন্যদিকে আয় বাড়বে মেট্রোরও। যাত্রীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহে রয়েছে তিনটি প্ল্যাটফর্ম। স্টেশনে থাকছে ন’টি সিঁড়ি, ১৮টি এসক্যালেটর। পাঁচটি লিফটও থাকছে যাত্রীদের সুবিধার্থে। টিকিট কাউন্টার রয়েছে ২৭টি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি কাউন্টার তৈরি করা হয়েছে বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য। প্রসঙ্গত, শিয়ালদহে মেট্রোর লাইন রয়েছে মাটির ১৬.৫ মিটার গভীরে।    

    আরও পড়ুন : রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    ফি দিন শিয়ালদহ স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন কয়েক লক্ষ যাত্রী। এঁদের একটা অংশ এখন স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে সেক্টর ফাইভের বাস ধরে নিত্য গন্তব্যে পৌঁছান। এই যাত্রীদেরই একটা বড অংশ এবার যাতায়াত করবেন মেট্রো পথে। তাতে সময় লাগবে বেশ খানিকটা কম। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, ফুলবাগান থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ট্রেন চালিয়ে খুব একটা লাভ হচ্ছে না। তার কারণ ওই পথে যাত্রী সংখ্যা খুবই কম। তবে শিয়ালদহ স্টেশন চালু হয়ে গেলে যাত্রী সংখ্যা বেড়ে যাবে অনেকখানি। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, লাভের মুখও দেখা যাবে।

    এদিকে, শিয়ালদহ স্টেশন উদ্বোধন ঘিরে সারা যাবতীয় প্রস্তুতি পর্ব। রাত পোহালেই হবে উদ্বোধন। শোনা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সাত সকালে যাত্রী নিয়ে প্রথম ট্রেনটি ছাড়বে শিয়ালদহ থেকে। ডেস্টিনেশন, সেক্টর ফাইভ।

     

  • Birbhum: সিআইডি নয়, বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত করবে এনআইএ, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Birbhum: সিআইডি নয়, বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত করবে এনআইএ, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণে এনআইএ (NIA) তদন্তের নির্দেশ আদালতের। বিস্ফোরণ সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে দিতে সিআইডিকে (West Bengal CID) নির্দেশও দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। ঘটনায় ফের একবার মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের (Mamata Government)।

    সিবিআই থেকে ইডি বা এনআইএ – রাজ্যে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার তদন্তের দায়ভার পড়ছে কেন্দ্রীয় এই সব এজেন্সির হাতে। বছর তিনেক আগে এক মাসের ব্যবধানে বীরভূমে ঘটে যাওয়া জোড়া বিস্ফোরণের তদন্তভার এবার হাইকোর্টের নির্দেশে বর্তাল এনআইএ-র ওপর।

    বিস্ফোরণের প্রথম ঘটনাটি ঘটে ২০১৯ সালের ২৯ অগাস্ট, বীরভূমের সদাইপুরের রেঙ্গুনি গ্রামে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে উড়ে যায় জনৈক হাইতুন্নেশা খাতুনের গোয়ালঘরের চাল। এই ঘটনার জেরে বাতাসে লেগে থাকা বারুদের গন্ধ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই বিস্ফোরণের দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে। এবার ঘটনাস্থল বীরভূমের লোকপুরের গাংপুর। ২০ সেপ্টেম্বর স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু মণ্ডলের বাড়ির টিনের চাল উড়ে যায়। পুলিশের হাত ঘুরে দুই বিস্ফোরণের তদন্তভার যায় সিআইডির(CID) হাতে। আদালতের নির্দেশে পরে যে দায়িত্ব বর্তায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে।

    তদন্তভার পাওয়ার পরেও তদন্তের কাজ বিশেষ না এগনোয় রাজ্যকেই দুষতে থাকে এনআইএ। দ্বারস্থ হয় বিশেষ আদালতের। এরপর নথি দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেয় বিশেষ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। সেই মামলায়ই এই নির্দেশ দেয় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিভাস পট্টনায়কের ডিভিশন বেঞ্চ। নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের মন্তব্য, আইন অনুযায়ী এই ধরনের ঘটনা ঘটলে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ-কে একটা প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠায়। সেই রিপোর্ট বিবেচনা করে তদন্ত করা বা না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু এই দুই ঘটনার ক্ষেত্রে সেই রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। যেহেতু রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থার চেয়ে এনআইএ-র বিস্তৃতি আরও বেশি, সেজন্য ন্যায়-বিচারের স্বার্থে দুই মামলার তদন্তভার দেওয়া হল এনআইএ-কে।

     

  • Suvendu on Coal Trucks: ঝাড়খণ্ড সীমান্তে আটকে শতাধিক বৈধ কয়লার লরি, ‘ভাইপো ভ্যাট’ না দেওয়াতেই কি হেনস্থা? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu on Coal Trucks: ঝাড়খণ্ড সীমান্তে আটকে শতাধিক বৈধ কয়লার লরি, ‘ভাইপো ভ্যাট’ না দেওয়াতেই কি হেনস্থা? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তার পরেও নথিপত্র পরীক্ষার নামে আসানসোলের (asansol) কাছে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তে হেনস্থা করা হচ্ছে কয়লা বোঝাই গাড়ির (coal laden truck) চালকদের। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার রাতে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। ট্রাক চালকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (suvendu) অধিকারী। তাঁর প্রশ্ন, ‘ভাইপো ভ্যাট’ না দেওয়াতেই কি হেনস্থা করা হচ্ছে ট্রাক চালকদের।

    বেআইনি কয়লা পাচারে রাশ টানার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পশ্চিমবাংলা ও ঝাড়খণ্ড সীমানার ডুবুডি চেকপোস্ট এলাকায় কয়লা বোঝাই ট্রাক তল্লাশিতে পুলিশ অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। তার জেরে আসানসোল ঝাড়খণ্ড সীমানায় তিনদিন ধরে আটকে রয়েছে কয়লা বোঝাই লরি ও ডাম্পার। তার জেরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন চালকরা।

    সূত্রের খবর, তল্লাশিতে আটকে যাচ্ছে ইসিএল (ECL) ও বিসিসিএলের (BCCL) খনি থেকে আসা কয়লার লরিগুলিও। প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইসিএল ও বিসিসিএল কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে। তবে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর না এসে পৌঁছানোয় লরি নিয়ে ঠায় বসে থাকতে হচ্ছে চালকদের। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে রাহা খরচ। টান পড়েছে রসদে। বাধ্য হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন লরি চালকরা। সূত্রের খবর, চালকদের বিক্ষোভে কাজ হয়েছে। তিন দিন ধরে আটকে থাকা লরিগুলি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এসে দাঁড়িয়েছে আরও শ’দেড়েক লরি।

    ক্ষুব্ধ লরিচালকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, “ঝাড়খণ্ড ও আসামের মতো পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির লোডিং ইউনিটগুলি প্রভাবিত হচ্ছে। বৈধ অপারেশন করা হচ্ছে ভোগান্তি। এসব কি “ভাইপো ভ্যাট” আদায়ের জন্য? কেন্দ্রীয় সংস্থার তৎপরতায় পুরনো কূপগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় নতুন পথ তৈরি হচ্ছে?” 

    [tw]


    [/tw]

    কয়লা কেলেঙ্কারিতে (coal smuggling scam) নাম জড়িয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। এদিন নাম না করে ট্যুইট-বাণে শুভেন্দু তাঁকেই নিশানা করেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    এদিকে, কয়লা বোঝাই ট্রাক আটকে থাকায় টান পড়েছে জ্বালানির ভাঁড়ারে। কয়লার অভাবে উৎপাদন থমকে গিয়েছে রানিগঞ্জের বেঙ্গল পেপার মিলে। সমস্যায় পড়েছেন ওই মিলের শ’তিনেক শ্রমিক। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যাপ্ত কয়লার অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে উৎপাদন। কয়লার অভাবে সমস্যা দেখা দিয়েছে জামুড়িয়া শিল্পতালুকের বিভিন্ন ইস্পাত কারখানায়ও। মঙ্গলবার জামুড়িয়া শিল্পতালুকের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে আসানসোল-দুর্গাপুর (Asansol-Durgapur) পুলিশ কমিশনারেটে।  

     

LinkedIn
Share