Tag: Bengal news

Bengal news

  • Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণ শিবিরে (Jan Kalyan Shibir) সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তাই শিবিরের মেয়াদ আরও একদিন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার ফলতা থেকে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিনই শিবিরের শেষ দিন ছিল। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবারও রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবির চালু থাকবে।

    মেয়াদ বাড়ল জনকল্যাণ শিবিরের (Jan Kalyan Shibir)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা এক জায়গা থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, সরকারের লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পদ্ধতিতে প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। তিনি জানান, ১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক জায়গায় সময়ের অভাবে পর্যাপ্ত শিবির করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ লাইন পড়ছে এবং প্রচুর মানুষ পরিষেবা নিতে শিবিরে ভিড় করছেন। সেই কারণেই শিবিরের মেয়াদ একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শিবিরে ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, জনকল্যাণ শিবিরে মোট ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার তথা সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এসে দেশের যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি (Suvendu Adhikari) জানান, গ্রামীণ এলাকার স্বল্প আয়ের পরিবারগুলি এই প্রকল্পের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১০০ ইউনিটে ৩০ হাজার টাকা, ২০০ ইউনিটে ৬০ হাজার টাকা এবং ৩০০ ইউনিটে ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাবেন। এজন্য জনকল্যাণ শিবিরে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েছে অ-লক্ষ্মীরাও!

    অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে প্রায় সাড়ে চার হাজার পুরুষ এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষ বেআইনিভাবে ওই প্রকল্পের টাকা তুলেছেন। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গত ৩ জুন অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ২৮ লাখ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫ লাখ মহিলা এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছেন। তাঁদের তথ্য যাচাই করে পোর্টালে আপলোডও করা হয়েছে (Jan Kalyan Shibir)। আগামী ২২ জুন প্রথম রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করবে পদ্ম সরকার। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “যুবসমাজ, সরকারি কর্মী, শিক্ষিত চাকরিপ্রার্থী এবং কৃষকদের জন্য একাধিক নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

    ফলতার জন্য বিশেষ ঘোষণা

    এদিকে, ফলতায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ফলতাকে আদর্শ বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে এসইজেডে শিল্পতালুক গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলতা গ্রামীণ হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। মহিলা কলেজ, দমকল কেন্দ্র তৈরির অনুমোদন, ফলতা থানাকে আরও শক্তিশালী করা এবং মহিলাদের জন্য (Suvendu Adhikari) পৃথক হেল্পডেস্ক চালুর পাশাপাশি অতিরিক্ত মহিলা পুলিশকর্মী নিয়োগের কথাও ঘোষণা করেন (Jan Kalyan Shibir) পদ্ম সরকারের প্রধান শুভেন্দু অধিকারী।

     

  • Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি অভিষেকের ওপরই নির্ভর করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গেই থাকুন। আর যদি তাঁর থেকে দূরে সরে আসেন, তাহলে আমি আপনার পাশে আছি।” বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata TMC Rebellion)। মমতার হাতে গড়া সাধের তৃণমূলে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় এমনিতেই শ্যাম রাখি না কূল দশা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    ‘ভাইপো কালচারে’র জের! (Mamata TMC Rebellion)

    এহেন আবহে কল্যাণের এই হুমকি বার্তায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতারা। তৃণমূলে ‘ভাইপো কালচার’ শুরুর পর থেকেই বইতে শুরু করেছিল অশান্তির চোরাস্রোত। তবে সে সবকে কোনওদিনই পাত্তা দেননি (Kalyan Banerjee) দলনেত্রী। উল্টে সাপ এবং ব্যাঙ-দু’পক্ষকেই তাঁবে রাখতে একের পর এক ‘গেম’ খেলে গিয়েছেন তিনি। তবে তাতে যে বিশেষ কাজ হয়নি, তার প্রমাণ মিলল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গাড্ডায় পড়তেই। ভেঙে দু’খান হয়ে গেল কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার ‘কারিগর’ মমতার দল।

    অভিষেককে নিশানা কল্যাণের

    এদিন কল্যাণ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর পরিবর্তে অন্য আইনজীবী নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে ‘ভাতিজা’র বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তিনি জানান, একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর তিনি যে অভিষেকের হয়ে কোনও মামলায় সওয়াল করবেন না, তাও জানিয়ে দেন এই তৃণমূল সাংসদ। অভিষেককে নিশানা করে কল্যাণ বলেন, “ওঁর অহংকারী মনোভাবের কারণেই দলের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উনি কাউকেই সম্মান করতে জানেন না।” তিনি জানান, দলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, মমতা এখনও ফোন করেননি। তবে তিনি যে তৃণমূলের অন্যান্য সাংগঠনিক ও আইনি বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন, তাও জানিয়ে দিয়েছেন এই আইনজীবী নেতা।

    ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে

    এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। গত তিনদিনে পদত্যাগ করেছেন রাজ্যসভার তিন সাংসদ। বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ চিক বরাইক। ৮ জুন ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। আর ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব। প্রকাশ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাঁকে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনও সংযুক্তির জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বুধবার দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন (Mamata TMC Rebellion) অভিষেক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন। বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, লোকসভায় ২০ জন সাংসদ পৃথক আসন বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। এ থেকেই (Kalyan Banerjee) স্পষ্ট, তৃণমূলের ছত্রখান হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

  • CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ ঘিরে তদন্তে আরও তৎপর হল সিআইডি (CID)। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে তলব করার পাশাপাশি মামলার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এক ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে এই দলে রয়েছেন এক ডিএসপি, দুই ইনস্পেক্টর এবং আরও কয়েকজন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    সইকাণ্ডে সিট গঠন সিআইডির

    সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে সম্প্রতি সোনারপুরে হেনস্তার ঘটনার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি নির্ধারিত দিনে উপস্থিত থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সিট গঠনের সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারী মহলের একাংশ। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করেই আলাদা তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করাই এই দলের মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বাহারুল ইসলাম এবং কুণাল ঘোষের কাছেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন

    বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। গত ৬ মে কালীঘাটে তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয় এবং উপস্থিত বিধায়কেরা হাত তুলে সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। তবে সেই সময় বিধানসভায় জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পূর্ণ করা হয়নি। পরবর্তীতে ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় শপথগ্রহণের সময় বিধায়কদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়। এরপর ১৯ মে কালীঘাটে আরেকটি বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সই নেওয়া হয়। অভিযোগ, ওই স্বাক্ষরের ভিত্তিতেই ৭০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল।

    গণস্বাক্ষরে জালিয়াতির সন্দেহ…

    বিধানসভার সচিবালয় নথি যাচাই করতে গিয়ে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরে অসঙ্গতি খুঁজে পায়। দুটি পৃথক নথিতে স্বাক্ষরের অমিল ধরা পড়ায় জালিয়াতির সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর বিধানসভার সচিব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, কারা স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিলেন, কী পরিস্থিতিতে নথি প্রস্তুত হয়েছিল এবং কোনও স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল কি না। প্রয়োজনে আরও কয়েকজন বিধায়ক ও দলের নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলেও সূত্রের দাবি। এদিকে, গোটা ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর সম্ভাব্য হাজিরার আগেই সিট গঠন হওয়ায় স্পষ্ট, মামলার তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সিআইডি।

  • Suvendu on Mamata-Abhishek Security: শুভেন্দুর প্রথম বড় নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত! মমতা পাচ্ছেন বিশেষ সুরক্ষা, কমছে অভিষেকের নিরাপত্তা

    Suvendu on Mamata-Abhishek Security: শুভেন্দুর প্রথম বড় নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত! মমতা পাচ্ছেন বিশেষ সুরক্ষা, কমছে অভিষেকের নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে ধারাবাহিকভাবে একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। প্রথমে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক, তারপর জেলাশাসক এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। শীর্ষ পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা করেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে রাজনীতিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে তিনি নির্দেশ দেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান নিরাপত্তা বলয় একই রকম বহাল থাকবে। তবে একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রী এও জানান, যাঁদের বাস্তবিক নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, তাঁদের জন্য অপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র প্রভাব বা মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় কেন করা হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই সিদ্ধান্তের জেরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মমতার নিরাপত্তায় গুরুত্ব

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন, যাতায়াত এবং জনসভা বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁকফোকর বা গাফিলতি যেন না থাকে, সে বিষয়েও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করছে। বিশেষ করে ভোটপর্বের পর শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় রাজ্যের হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। শুভেন্দুর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর নিরাপত্তা একই রকম বহাল থাকবে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যাতে কোনো রকম শিথিলতা বা ওঁর প্রতি কোনো অসম্মান না হয়, তা দেখার জন্য আমি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি। এই সম্মান ওঁর প্রাপ্য।’’

    অভিষেকের নিরাপত্তায় কাটছাঁট

    অন্যদিকে, একই সময়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বলয়ে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, তাঁর জন্য বরাদ্দ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিশেষ পাইলট কারের সুবিধা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ হিসেবে যে নিরাপত্তা প্রটোকল প্রযোজ্য, ভবিষ্যতে অভিষেকের ক্ষেত্রেও সেই ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা বলয়ে ছিলেন অভিষেক। তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই তাঁর নিরাপত্তা ধাপে ধাপে কমানো শুরু হয়। সোমবার বিকেলেই এই সংক্রান্ত প্রশাসনিক নির্দেশিকা জারি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী নয়, পাইলট কারের সুবিধাও তুলে নেওয়া হচ্ছে। এতদিন অভিষেকের সঙ্গে পাইলট কার চলতে দেখা গেলেও সরকারি নির্দেশের পর আর সেই সুবিধা থাকবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনেই তাঁর নিরাপত্তা পুনর্গঠন করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি।

    শুভেন্দুর ইতিবাচক বার্তা

    ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিষেকের নিরাপত্তা বলয়ে কাটছাঁট শুরু হয়। তৃণমূল সরকারের আমলে কড়া নিরাপত্তায় মোড়া থাকত ক্যামাক স্ট্রিট এলাকা। কিন্তু সরকার বদলের পর প্রথমেই তাঁর দফতরের সামনে থেকে পুলিশ প্রহরা তুলে নেওয়া হয়। পরে বাড়ির সামনের নিরাপত্তাও কমানো হয়। শান্তিনিকেতনে তাঁর বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশের স্ক্যানার-সহ অন্যান্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম। শুধু অভিষেক নন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের নিরাপত্তাতেও পরিবর্তন আসে। ১৮৮এ, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁর বাড়ির সামনে থাকা অতিরিক্ত নিরাপত্তা কমানো হয়। রাজ্যে পালাবদলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর বাড়ির গলির মুখে থাকা ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ সরিয়ে দেওয়া হয়, পরে লালবাজারের তরফেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করা হয়। রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি শুভেন্দু অধিকারীর এই সম্মান প্রদর্শনকে ইতিবাচক বলেই দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। প্রশাসনিক স্তরে এই নির্দেশ জারি করে তিনি যেমন সৌজন্য ও পরম্পরার বার্তা দিয়েছেন, তেমনই স্পষ্ট করেছেন যে রাজ্যে ভিভিআইপি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতের কোনও স্থান থাকবে না।

  • CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা (Census) প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, অবিলম্বে কেন্দ্রের নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে এবং প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতিও শুরু হবে।

    মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    এই ঘোষণা করতে গিয়েই আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৬ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া-র দফতর থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছিল, যেখানে রাজ্যে আসন্ন জনগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু সেই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল সরকার সংবিধান এবং রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছিল, যাতে মহিলাদের সংরক্ষণ কার্যকর না হয়। আজ মন্ত্রিসভা অবিলম্বে ওই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছে।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই জনগণনা?

    ভারতে সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা হয়। শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। ২০২১ সালের জনগণনা কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে স্থগিত হয়ে যায়। এরপর এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে সেই প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।

    জনগণনা শুধুমাত্র জনসংখ্যা গণনার বিষয় নয়, এর উপর নির্ভর করে—

    • ● কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা
    • ● খাদ্য নিরাপত্তা ও রেশন বণ্টন
    • ● স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অবকাঠামো পরিকল্পনা
    • ● নগরায়ণ ও আবাসন নীতি
    • ● ভবিষ্যতের নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation)
    • ● মহিলাদের সংরক্ষণ ইস্যুতে রাজনৈতিক তাৎপর্য
    • ● বিরোধী রাজ্যগুলি এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে!

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই সিদ্ধান্তকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে নয়, রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও তুলে ধরতে চাইছে নতুন সরকার। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হওয়া নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম অনুযায়ী লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে হলে নতুন জনগণনা এবং পরবর্তী ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া জরুরি। এই কারণেই জনগণনা বিলম্বিত হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছিল। বিজেপির অভিযোগ, বিরোধী শাসিত কিছু রাজ্য পরোক্ষে এই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছে।

    কী কী প্রস্তুতি শুরু হবে?

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর জেলাশাসক, ব্লক প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় শুরু করবে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে যে কাজগুলি শুরু হতে পারে—

    • ● প্রশাসনিক সীমানা ও ওয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্য আপডেট
    • ● বাড়ি তালিকাকরণ (House Listing)
    • ● তথ্য সংগ্রহের জন্য ফিল্ড স্টাফ ও এনুমেরেটর প্রস্তুতি
    • ● ডিজিটাল ডেটা সংগ্রহের অবকাঠামো গড়ে তোলা
    • ● জেলা ও পুরসভা স্তরে সমন্বয় বৈঠক

    রাজ্য প্রশাসনের একাংশ জানিয়েছে, ক্যাবিনেট অনুমোদনের পর থেকেই বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে।

    নতুন সরকারের প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বিজেপি সরকারের এটি অন্যতম প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। সরকার ইতিমধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু এবং কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় বাড়ানোর মতো বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল জনগণনা। নতুন সরকার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা কেন্দ্রের নীতি ও প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের সঙ্গে দ্রুত সামঞ্জস্য স্থাপন করছে।

    এখনও স্পষ্ট নয় সময়সূচি

    যদিও জনগণনা শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি।

    এখনও জানা যায়নি—

    • ● বাড়ি তালিকাকরণ কবে শুরু হবে
    • ● মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কবে হবে
    • ● জনগণনা প্রক্রিয়া শেষ করতে কত সময় লাগবে

    তবে সরকারি সূত্রের দাবি, কেন্দ্রের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয়ের পর বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

  • Daily Horoscope 28 January 2025: অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 28 January 2025: অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন খুব ভালো কাটতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন।

    ২) ব্যবসায় ভালো লাভের সময়।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    কর্কট

    ১) অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে।

    ২) আয়ের দিক থেকে দিনটি ভালো।

    ৩) ব্যবসায় লাভ।

    সিংহ

    ১) কোনও ভাল কাজ না হওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) নতুন চাকরির চেষ্টা করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) রাজনীতির লোকেদের জন্য ভালো খবর আসতে পারে।

    ২) সারা দিন ব্যস্ত থাকতে হবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    তুলা

    ১) কাজ নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) পাওনা আদায় নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) নিজের বাক্যে সংযম রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১) কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে ব্যয় কমানোর আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ২) দূরে কোথাও ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ৩) হতাশ হবেন না কোনওভাবে।

    কুম্ভ

    ১) অতিরিক্ত কথায় বাড়িতে বিবাদ।

    ২) শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) সাবধানে চলাফেরা করুন।

    মীন

    ১) শরীরে যন্ত্রণা হতে পারে।

    ২) প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে শিখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের জনগণের কাছে খোলা চিঠি লিখলেন ৬৮৫ জন বিশিষ্ট ভারতীয়

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের জনগণের কাছে খোলা চিঠি লিখলেন ৬৮৫ জন বিশিষ্ট ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) জনগণের কাছে খোলা চিঠি লিখলেন ৬৮৫ জন বিশিষ্ট ভারতীয়। চিঠিতে তাঁদের শান্তি ও বন্ধুত্বের পথে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। চিঠিতে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ, তাঁদের সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং তাঁদের দেশ ছেড়ে (Bangladesh) চলে যেতে বাধ্য করার জন্য অবিলম্বে জবরদস্তি বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। চিঠিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ১৩৯ জন অবসরপ্রাপ্ত আমলা (এর মধ্যে রয়েছেন ৩৪ জন রাষ্ট্রদূত), ৩০০ জন উপাচার্য, ১৯২ জন প্রাক্তন সামরিক অফিসার এবং নাগরিক সমাজের ৩৫ জন গণ্যমান্যরাও।

    কী লেখা হয়েছে চিঠিতে? (Bangladesh Crisis)

    চিঠিতে বলা হয়েছে, ভারতের জনগণ বাংলাদেশের অবনতিশীল পরিস্থিতিকে ক্রমবর্ধমান শঙ্কার সঙ্গে দেখেন এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে একটি নৈরাজ্যের পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে দেশ জুড়ে জোরপূর্বক পদত্যাগের একটি প্যাটার্ন অনুসরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ (পুলিশ সহ), শিক্ষা জগৎ এমনকি সংবাদমাধ্যমও। পুলিশ বাহিনী এখনও পূর্ণ শক্তিতে দায়িত্বে ফিরে আসেনি এবং সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি এবং পুলিশের ক্ষমতা দেওয়া সত্ত্বেও, স্বাভাবিকতা এখনও ফিরে আসেনি। চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ভারতে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। কারণ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে ধুয়ে দিয়েছিলেন অম্বেডকর স্বয়ং, কী লিখেছিলেন পদত্যাগপত্রে?

    বাংলাদেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি

    বাংলাদেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন সে দেশের দেড় কোটি শক্তিশালী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। এর (Bangladesh Crisis) মধ্যে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের পাশাপাশি রয়েছে শিয়া, আহমদিয়া এবং অন্যান্যরা। চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে এই বলে যে, বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতি সীমান্তের ওপারে ছড়িয়ে পড়তে পারে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে ব্যাহত করতে পারে এবং ভারতে গুরুতর আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, আমরা আশা করি যে এটি বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের জনগণকে শান্তি, বন্ধুত্ব এবং বোঝাপড়ার পথে এক সঙ্গে চলতে সাহায্য করবে (Bangladesh), যা বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাদের টিকিয়ে রেখেছে (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Dr Ambedkar: কংগ্রেসকে ধুয়ে দিয়েছিলেন অম্বেডকর স্বয়ং, কী লিখেছিলেন পদত্যাগপত্রে?

    Dr Ambedkar: কংগ্রেসকে ধুয়ে দিয়েছিলেন অম্বেডকর স্বয়ং, কী লিখেছিলেন পদত্যাগপত্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলমান তোষণের রাজনীতি করে দীর্ঘদিন কেন্দ্রের গদি আঁকড়ে পড়েছিল কংগ্রেস। তাতে দেশের কী উপকার হয়েছে, তা বলবে উন্নয়নের হাল। তবে তোষণের রাজনীতি করে যে কংগ্রেস এবং সেই দলের একটি বিশেষ পরিবার আখের গুছিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। কংগ্রেসের এই তুষ্টিকরণের রাজনীতি আজকের নয়, চলে আসছে সেই নেহরুর (Jawaharlal Nehru) আমল থেকে। আজ যে অম্বেডকরকে (Dr Ambedkar) নিয়ে এত হইচই করছে কংগ্রেস, সেই অম্বেডকরও স্বয়ং দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিরুদ্ধে উগরে দিয়েছিলেন এক রাশ ক্ষোভ। যার প্রমাণ অম্বেডকরের পদত্যাগ পত্র। সেই পত্রেই স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে বস্তুত তুলোধনা করে দিয়েছিলেন দেশের প্রথম আইনমন্ত্রী।

    নেহরু সরকারের উদাসীনতা (Dr Ambedkar)

    স্বাধীন ভারতের প্রথম মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী ছিলেন অম্বেডকর। ১৯৫০ সালের ১০ অক্টোবর আইনমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন অম্বেডকর। সেই পত্রেই গভীর হতাশা প্রকাশ করেছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী। তাঁর হতাশার কারণ তফশিলি জাতির প্রতি নেহরু সরকারের উদাসীনতা। অম্বেডকরের এই বিবৃতিটি অমর হয়ে রয়ে গিয়েছে ‘ডঃ বাবাসাহেব অম্বেডকর: রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস’, বইতে। বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৯ সালের ১৪ এপ্রিল, অম্বেডকরের জন্মদিনে। বইটি প্রকাশ করে মহারাষ্ট্র সরকার। বইয়ের ১৪ তম খণ্ডের দ্বিতীয় অংশ থেকে প্রাপ্ত দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের নির্যাস, “আমি ভাবছি, ভারতের তফশিলি জাতির অবস্থার সঙ্গে বিশ্বের অন্য কোনও কিছুর সমান্তরাল উদাহরণ আছে কিনা। আমি এমন কিছু খুঁজে পাচ্ছি না। কিন্তু তবুও, তফশিলি জাতির জন্য কেন কোনও স্বস্তি দেওয়া হয় না?”  নেহরু (Jawaharlal Nehru) সরকারের মুসলিমদের প্রতি মনোভাব এবং তফশিলি জাতির প্রতি আচরণের তুলনা টেনে তিনি বলেছিলেন, ‘‘সরকার মুসলিমদের সুরক্ষার বিষয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করে, তা তুলনা করুন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর পুরো সময় এবং মনোযোগ মুসলিমদের সুরক্ষায় নিবেদিত করেছেন।’’

    প্রধানমন্ত্রীর কাছেও মাথা নত করি না

    সংখ্যালঘুদের অধিকারের সুরক্ষার প্রতি সমর্থন প্রকাশ করতে গিয়ে অম্বেডকর দৃঢ়ভাবে বলেছিলেন, “আমি কারও কাছে, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও মাথা নত করি না ভারতীয় মুসলমানদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেওয়ার আকাঙ্ক্ষায়, যখন এবং যেখানে তাদের প্রয়োজন হয়।” এর পরেই তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন। বলেছিলেন, “কিন্তু আমি জানতে চাই, মুসলমানরাই কি একমাত্র গোষ্ঠী যাদের সুরক্ষার প্রয়োজন? তফশিলি জাতি, তফশিলি জনজাতি এবং ভারতীয় খ্রিস্টানদের কি সুরক্ষার প্রয়োজন নেই? এদের জন্য তিনি কী চিন্তা করেছেন? যতদূর আমি জানি, কিছুই নয়। অথচ এই গোষ্ঠীগুলিরই মুসলমানদের তুলনায় অনেক বেশি যত্ন এবং মনোযোগের প্রয়োজন।” কংগ্রেস ও নেহরুর বিরুদ্ধে তাঁর তোপ, “নেহরু তাঁর পুরো সময় এবং মনোযোগ মুসলমানদের সুরক্ষায় নিবেদিত করেছেন।”

    তফশিলি জাতির মানুষদের উদ্বেগে জোর

    অম্বেডকর প্রাক স্বাধীনতা পর্বে এবং সংবিধান প্রণয়নের সময় তফশিলি জাতির মানুষদের সম্মুখীন হওয়া উদ্বেগের ওপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি (Dr Ambedkar) বলেছিলেন, “ব্রিটিশরা তফশিলি জাতিগুলোর জন্য সংবিধানিক সুরক্ষার ব্যাপারে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে পিছিয়ে গিয়েছিল। তফশিলি জাতিগুলির কোনও ধারণা ছিল না যে এই বিষয়ে গণপরিষদ কী করবে।” তিনি জানান, এই সময় তিনি তফশিলি জাতিগুলির অবস্থার ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে জমা দেওয়ার জন্য। পরে এটি জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, এই আশায় যে নবগঠিত সংসদ তাদের দুর্দশা মোকাবিলা করবে। তফশিলি জাতিগুলির সুরক্ষার জন্য সংবিধানিক বিধানগুলির ব্যাপারে তাঁর দ্বিধা থাকা সত্ত্বেও, তিনি সেগুলিকে আন্তরিক বিশ্বাসে গ্রহণ করেছিলেন, এই বিশ্বাসে যে সরকার দৃঢ় সংকল্পের সঙ্গে কাজ করবে।

    আরও পড়ুন: “কংগ্রেস অম্বেডকর-বিরোধী, সংরক্ষণ-বিরোধী, সংবিধান-বিরোধী”, সংসদে তোপ শাহের

    অম্বেডকরের আক্ষেপ

    অপরিবর্তিত অবস্থার জন্য আক্ষেপ করেছিলেন অম্বেডকর (Dr Ambedkar)। বলেছিলেন, “আজকের দিনে তফশিলি জাতির অবস্থা কী? যতদূর আমি দেখি, এটি আগের মতোই রয়েছে। সেই একই পুরনো অত্যাচার, একই পুরনো শোষণ, একই পুরনো বৈষম্য, যা আগে ছিল, তা এখনও আছে এবং সম্ভবত আরও খারাপ আকারে।” অসংখ্য উদাহরণের মাধ্যমে তিনি জাতিভিত্তিক নির্যাতনের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। বিশেষত দিল্লির নিকটবর্তী এলাকাগুলিতে, যেখানে তফশিলি জাতিভুক্ত ব্যক্তিরা তাঁদের বিরুদ্ধে বৈষম্য এবং পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ নিয়ে তাঁর কাছে এসেছেন। তিনি বলেন, “আমি শত শত ঘটনার কথা বলতে পারি যেখানে দিল্লি ও আশপাশের তফসিলি জাতির মানুষরা তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনি নিয়ে আমার কাছে এসেছেন। এঁরা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, যাঁরা তাঁদের অভিযোগ নথিভুক্ত করতে অস্বীকার করেছে এবং তাঁদের কোনও সাহায্য করেনি।”

    পক্ষপাতের বিষয়টির খাপ খুলে দিয়েছে

    অম্বেডকরের আবেগপূর্ণ ও ধারালো বিবৃতি তফশিলি জাতির প্রতি চরম অবহেলা ও পদ্ধতিগত পক্ষপাতের বিষয়টির খাপ খুলে দিয়েছে। কংগ্রেসের (Jawaharlal Nehru) অগ্রাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি প্রতিশ্রুতি নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। বিজেপির দাবি, কংগ্রেস পার্টি নিজেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করে। তারা বিআর অম্বেডকরের প্রতিকৃতি ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে। যা আসলে ভণ্ডামির নামান্তর (Dr Ambedkar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: অম্বেডকরকে অশ্রদ্ধা কংগ্রেসের, প্রতিবাদে সাংসদ প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ বিজেপির

    BJP: অম্বেডকরকে অশ্রদ্ধা কংগ্রেসের, প্রতিবাদে সাংসদ প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিআর অম্বেডকরকে নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করে হইচই ফেলে দিয়েছে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি। তাঁর পদত্যাগও দাবি করেছ রাহুল গান্ধীর দল। এরই প্রতিবাদে বুধবার সংসদ প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেপি (BJP) সাংসদরা।

    বিজেপির প্রতিবাদ (BJP)

    তাঁরা আওয়াজ তোলেন, ‘বাবাসাহেব অম্বেডকরজির অপমান সহ্য করা হবে না’। সাংসদদের হাতে যে ব্যানার ছিল, তাতে লেখা, ‘অম্বেডকর আমাদের পথ দেখিয়েছেন, কংগ্রেস বিভ্রান্ত করেছে’। বিজেপির এই প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং। গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে তিনি বলেন, “তাঁরা সবাই ভারতরত্ন পেয়েছেন, কিন্তু অম্বেডকরকে দেননি।” গিরিরাজ বলেন, “কংগ্রেস পার্টি বাবাসাহেবকে অসম্মান করার জন্য সবচেয়ে বড় পাপী। পুরো পরিবার ভারতরত্ন নিয়েছে, কিন্তু বাবাসাহেবকে দেয়নি। কংগ্রেস পার্টির উচিত ২৪ ঘণ্টা উপবাস করা এবং তাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য নীরব থাকার শপথ নেওয়া।”

    আরও পড়ুন: “কংগ্রেস অম্বেডকর-বিরোধী, সংরক্ষণ-বিরোধী, সংবিধান-বিরোধী”, সংসদে তোপ শাহের

    রাজীব রঞ্জন সিংয়ের প্রতিক্রিয়া

    জেডিইউ সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং বলেন, “শুধু (BJP) মল্লিকার্জুন খাড়্গে নন, পুরো কংগ্রেস পার্টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃত করে নেতিবাচক প্রচার করছে।” তিনি বলেন, “অমিত শাহ উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে কংগ্রেস বাবাসাহেব অম্বেডকরের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেছে।” তিনি বলেন, “মল্লিকার্জুন খাড়্গে শুধু একটা অংশ। পুরো কংগ্রেস পার্টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তৃতা বিকৃত করছে নেতিবাচক প্রচার করতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোকসভায় উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে কংগ্রেস ভীমরাও অম্বেডকরকে অসম্মান করেছে। পন্ডিত নেহরু সংরক্ষণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ছিলেন। ভীমরাও অম্বেডকর ভারতরত্ন পেয়েছিলেন বিজেপির শাসনে।”  

    কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের তাঁর পদত্যাগের দাবির প্রতিক্রিয়ায় শাহ বলেন, “এটা কংগ্রেস পার্টির ভবিষ্যতের ওপর কোনও প্রভাব ফেলবে না। আমার পদত্যাগের পরেও কংগ্রেস পার্টি আগামী ১৫ বছর বিরোধী দলেই থাকবে (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • India China Relation: “বেজিংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ যোগাযোগ বজায় রাখতে ইচ্ছুক দিল্লি”, বললেন ডোভাল

    India China Relation: “বেজিংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ যোগাযোগ বজায় রাখতে ইচ্ছুক দিল্লি”, বললেন ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বেজিংয়ের সঙ্গে বাস্তবসম্মত পদ্ধতিতে ফলপ্রসূ যোগাযোগ বজায় রাখতে ইচ্ছুক নয়াদিল্লি।” বুধবার ভারত-চিন বৈঠক শেষে কথাগুলি বললেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। তিনি বলেন, “সীমান্ত (পড়ুন, ভারত-চিন) সমস্যার চূড়ান্ত সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালাবে দুই দেশ।”

    কী বললেন ডোভাল? (India China Relation)

    বুধবার বেজিংয়ে অনুষ্ঠিত ২৩তম ভারত ও চিনের বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই উপস্থিত ছিলেন। ডোভাল বলেন, “গত পাঁচ বছরে উভয় পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় সীমান্ত অঞ্চলের প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলির সঠিকভাবে সমাধান হয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত বাস্তবসম্মত পদ্ধতিতে চিনের সঙ্গে ফলপ্রসূ যোগাযোগ বজায় রাখতে ও সীমান্ত সমস্যার চূড়ান্ত সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে ইচ্ছুক।”

    চিনের বিবৃতি

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, ওয়াং ই চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজানে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের উল্লেখ করে বলেছেন, ‘‘এ বছরের অক্টোবর মাসে প্রেসিডেন্ট জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি কাজানে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন, যেখানে তাঁরা সীমান্ত অঞ্চলের প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলি সমাধানে চিন ও ভারতের অগ্রগতিকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন এবং চিন-ভারত সম্পর্কের উন্নয়ন ও বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন।’’

    আরও পড়ুন: “কংগ্রেস অম্বেডকর-বিরোধী, সংরক্ষণ-বিরোধী, সংবিধান-বিরোধী”, সংসদে তোপ শাহের

    দুই দেশের নেতারা কৌশলগত এবং দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চিন-ভারত সম্পর্ককে দেখার ওপর জোর দিয়েছেন, এবং একটি সঙ্কটময় মুহূর্ত থেকে চিন-ভারত সম্পর্ককে পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের দিকনির্দেশ স্পষ্ট করেছেন। চিনা বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আগামী বছর চিন ও ভারতের (India China Relation) মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপিত হবে। গত ৭০ বছরে চিন-ভারত সম্পর্কের উত্থান-পতন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, উভয় পক্ষের সবচেয়ে মূল্যবান অভিজ্ঞতা হল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশের নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনা মেনে চলা, একে অপরকে সঠিকভাবে বোঝার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা করা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতিতে (Ajit Doval) অটল থাকা এবং আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে মতপার্থক্য সঠিকভাবে মোকাবিলা করা (India China Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share