Tag: Bengal news

Bengal news

  • Subhranshu Roy: বারাকপুরে ছত্রখান তৃণমূল, দলেরই দুই বিধায়ককে তুলোধনা করলেন মুকুলপুত্র

    Subhranshu Roy: বারাকপুরে ছত্রখান তৃণমূল, দলেরই দুই বিধায়ককে তুলোধনা করলেন মুকুলপুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং-এর পাশে দাঁড়িয়ে জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম এবং বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীকে হুঁশিয়ারি দিলেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায় (Subhranshu Roy)। তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে ২০১৯ সালের আগে বীজপুরের বিধায়ক কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভ্রাংশু। সোমনাথ-সুবোধ জুটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুকুলপুত্র। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ঠিক কী বলেছেন মুকুলপুত্র? (Subhranshu Roy)

    ৩০ জানুয়ারি কাঁচড়াপাড়ার বাবু ব্লকে রক্তদান শিবিরের মঞ্চ থেকে সাংসদ অর্জুন সিং-কে নিশানা করেছিলেন দুই বিধায়ক। শুধু তাই নয়, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ নিয়েও তাঁরা সরব হয়েছেন। ২০২৪ সালে আগের মতো তাণ্ডব চালালে তাঁর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ পথে নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এই দুই বিধায়কের নিশানায় ছিলেন মূলত অর্জুন সিং। দুই বিধায়কের বক্তব্য রাখার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বুধবার তাঁর জবাব দিলেন বীজপুর কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক তথা কাঁচড়াপাড়ার উপ-পুরপ্রধান শুভ্রাংশু রায় (Subhranshu Roy)। তিনি অর্জুন সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাত ধরে সাংসদ তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাই, তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার অর্থ দলীয় নেতৃত্ব তাঁরা চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর নাম না করে মুকুলপুত্র বলেন, যিনি বা যারা ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর তাণ্ডবের কথা বলছেন, তাঁরা তখন কোন দলে ছিলেন। তাঁর বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, বীজপুরের বর্তমান বিধায়ক তখন তো বিজেপিতে ছিলেন। অপরদিকে নাম না করেই জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকেও আক্রমণ করেন শুভ্রাংশু। তিনি বলেন, যিনি বড় বড় কথা বলছেন। তিনি তো তৃণমূল সম্পর্সে কিছুই জানেন না। আর ২০১৯ সালের উন্নয়নের কথা বলছেন, তার আগে তাহলে উন্নয়ন হয়নি। আমি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলছি, দল অনুমতি দিলে আমি তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইয়ে প্রস্তুত। আর তিনি দুই বিধায়ককে পরামর্শ দেওয়ার ঢঙে বলেন, যা বলার দলের অভ্যন্তরে বলা উচিত। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র রাজ্য জুড়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ বা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স হানা দিয়ে মুর্শিদাবাদ ও হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, জাল নথির সাহায্যে শ’য়ে শ’য়ে সিম কার্ড বানিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি পাচার করা হত। এই সব সিম কার্ড দিয়ে প্রতারকরা প্রতারণা (Fraud) করত বলে তদন্তকারী আধিকারিকদের ধারণা।

    বহু ভুয়ো সিমকার্ড উদ্ধার (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার সীমন্তবর্তী এলাকা তো বটেই, সেই সঙ্গে জেলার সদর বহরমপুরেও জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছু যুবক সামনে সিম কার্ড, মোবাইলের দোকান কিংবা অনলাইনে ব্যবসা খুলে আড়ালে চালাচ্ছে জালিয়াতির ব্যবসা। আর ভুয়ো সিম কার্ড দিয়ে চলত প্রতারণা (Fraud)। মুর্শিদাবাদ ও হুগলির বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দেয় এসটিএফ। মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানা এলাকা থেকে নইমুল ইসলাম ও আবদুল আজিমকে, ভগবানগোলা থানা এলাকা থেকে কাওশার শেখ এবং দৌলতাবাদ থানা এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কামরুজ্জামান ও দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া এলাকার বাসিন্দা আস্তিক মণ্ডল এবং হুগলির জাঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয় সুরেশ দে এবং রমেশ জানাকে। ধৃতরা প্রত্যেকেই জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানাত বলে পুলিশের দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কয়েকশো ভুয়ো সিম কার্ড, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন, জাল নথি-সহ একাধিক বৈদ্যুতিন যন্ত্র।

    হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণা!

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্ত্র দিয়ে যেমন জাল নথি বানানোর কাজ করা হত, তেমনই ওটিপি পাচার করা হত দেশের বাইরে। ধৃতরা দেশে ও বিদেশের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণার (Fraud) কাজ করত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ওই জালিয়াতির সঙ্গে দেশের গোপন তথ্যপাচার করা হত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের একটা অংশের বিরোধ রয়েছে। প্রকাশ্যেই দলের সাংসদ আবু তাহের সহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে তিনি মুখ খুলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের রোষে পড়েন। শুক্রবার কালীঘাটে বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো বেশি কথা বলার জন্য ধমক দেন। কিন্তু, বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি ফের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই সুর চড়িয়েছেন। এবার তাঁর সরাসরি আঙুল অভিষেকের অফিসের দলীয় এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

     অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, ‘কোনও চ্যাং-ব্যাং, ২৭-২৮ বছরের ছেলেরা ৬০, ৬২, ৭০ বছরের নেতৃত্বকে অবহেলা করবে, তাঁদের কর্তৃত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ করবে, ভুল ট্রিটমেন্ট করা, মূল্যায়ন করা, মেনে নেওয়া যায় না। সেটা আমি সব মানব না!’ এসব বলার পাশাপাশিই অভিষেকের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘অভিষেক সত্যিই যোগ্য নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন। তিনি শুধু ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ নন। পাশাপাশি তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। মমতার পরেই তাঁকে মানি। নবীনদের মধ্যে যদি প্রতিভা থাকে, তাঁরা নেতৃত্ব দিতেই পারেন। যেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর নাম করে তাঁর অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন। নিজে নিজের ব্লক সভাপতি ঠিক করে দিচ্ছেন। তা হলে আমাদের রাজনীতি করার মানে কী? অভিষেককে আমি নেতা মানি। তাঁর হুইপ মানতেও রাজি। কিন্তু, তাঁর নাম করে কেউ অনৈতিক কাজ করবে, সেটা মানা সম্ভব নয়। তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করতে গিয়ে বলেন, দলনেত্রী মমতা আমাকে দায়িত্ব দিলে লোকসভা ভোটে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে দু’লক্ষ ভোটে হারিয়ে দেখিয়ে দেব।’

    মমতার ধমক নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    শুক্রবার দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো সকলের সামনেও হুমায়ুনকে ধমক দেন। সেই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন,’ ধমকের কোনও বিষয় নয়। প্রবাদবাক্য রয়েছে, শাসন করার অধিকার তাঁরই থাকে যিনি ভালবাসেন। সোহাগ করতে জানেন। দিদি আমাকে স্নেহ করেন। তাই কোনও সময়ে ভুল করলে বকুনিও দেন। আমি মনে করি, গুরুজনের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। রাজনীতির ময়দানে তিনি গুরুজন। তাঁর কথায় কিছু মনে করি না। তাঁর প্রতি বলার কিছু নয়। যোগ্য নেতৃত্ব বলে মনে করি।’ এরপরই তিনি চেনা ঢঙে বলেন, ‘আমাকে চমকিয়ে-ধমকিয়ে লাভ নেই। আমি বহিষ্কার বা ওই ধরনের শাস্তির ভয় পাই না। তাঁর কথায়, দল ছাঁটাইয়ে প্রস্তুত আছে। কিন্তু দল ছাঁটাই করবে কি না দলকে ভাবতে হবে। ছাঁটাই করলে কোথায় রাস্তা খুঁজতে হয়, সঠিক মূল্যায়ন করতে হয় আমি জানি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Tiger: বক্সায় পায়ের ছাপ মিলল বাঘ মামার! বসানো হল একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা

    Bengal Tiger: বক্সায় পায়ের ছাপ মিলল বাঘ মামার! বসানো হল একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে অন্য আরেকটি নতুন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের (Bengal Tiger) পায়ের ছাপ মিলেছে। আর এই পায়ের ছাপ পাওয়ার পরেই এই বনাঞ্চলে একাধিক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বন দফতর। ইতিমধ্যেই বাঘের হদিশ পেতে বন দফতরের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

    একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছে (Bengal Tiger)

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে একটি পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ রয়্যাল বেঙ্গলের (Bengal Tiger) ছবি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়ে। ক্যামেরায় এই ছবি ধরা পড়ার কয়েকদিন আগে থেকেই এই বাঘের পায়ের ছাপ পেয়েছিল বন দফতর। সেই ছাপ নিয়ে হইচইও হয়েছিল। পায়ের ছাপ দেখেই সম্ভাব্য গতিপথে ট্র্যাপ ক্যামেরা বসিয়েছিল বন দফতর। আর তার পরেই ট্র্যাপ ক্যামেরায় ২৮ ডিসেম্বর রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছবি ধরা পড়ে। তার দুই দিন পর ৩১ ডিসেম্বর ফের ওই একই বাঘের আরেকটি ছবি ক্যামেরা বন্দি হয়। এবারও পায়ের ছাপ দেখে সম্ভাব্য গতিপথে একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা বসিয়েছে বন দফতর। সেই ক্যামেরা কোনও ভালো ফল দিতে পারে কি না এখন সেই অপেক্ষায় বক্সা বাঘ বন কর্তৃপক্ষ।

    বন দফতরের আধিকারিক কী বললেন? (Bengal Tiger)

    বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন পায়ের ছাপ যে অন্য নতুন একটি বাঘের তা পরীক্ষা করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে, এবারের নতুন বাঘের পায়ের (Bengal Tiger) ছাপ আগের বাঘের পায়ের ছাপের প্রায় একই আকারের বলে জানিয়েছেন বন দফতরের কর্তারা। জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর ট্র্যাপ ক্যামেরায় বক্সাতে বাঘের ছবি ধরা পড়েছিল। তারপর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে দুই দিনের ব্যবধানে পর পর একই বাঘের দুটো ছবি ক্যামেরা বন্দি হয়। চলতি বছরের শুরুতেই আরও একটি নতুন বাঘের পায়ের ছাপ মেলায় বক্সাতে একাধিক বাঘের উপস্থিতি রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। রাজ্যের বন্যপ্রাণ বিভাগের প্রধান মুখ্য বনপাল দেবল রায় বলেন, অন্য আরেকটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের ছাপ মিলেছে। তার পর যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার তা আমরা নিয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Tiger: ফের বক্সায় দেখা মিলল বাঘমামার! নতুন বছরে ভিড় বাড়ল পর্যটকদের

    Bengal Tiger: ফের বক্সায় দেখা মিলল বাঘমামার! নতুন বছরে ভিড় বাড়ল পর্যটকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সপ্তাহের মধ্যে বক্সার জঙ্গলে বন দফতরের পাতা ক্যামেরায় দুবার ধরা পড়ল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের (Bengal Tiger) ছবি। গত ২৮ ডিসেম্বরের পর বন দফতরের পাতা ক্যামেরায় ফের ধরা পড়েছে ৪ বছর বয়সী একটি বাঘের ছবি। বার বার বাঘ দেখতে পাওয়ার কারণে বক্সায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যেও একটা উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    বাঘ দেখতে বক্সায় ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের! (Bengal Tiger)

    নতুন বছরের শুরুতে এমনিতেই জয়ন্তী, বক্সা পাহাড় সর্বত্র পর্যটকদের ভিড় থাকে। দীর্ঘ বছর পর ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ বাঘের ছবি বন দফতরের পাতা ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল। এবছর বন দফতরের পাতা ক্যামেরায় বাঘের একাধিক ছবি ধরা পড়ায় এ নিয়ে পর্যটকদের মধ্যে উৎসাহ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। অনেকেই বক্সার জঙ্গলে ভ্রমণে এসে বাঘের (Bengal Tiger) দর্শন মিলতে পারে বলে আশায় রয়েছেন। পরিবহণ দফতরের পক্ষ থেকে পর্যটকদের জন্য বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাতে পর্যটকদের ভিড়ও বাড়ছে। যদিও বাঘের গতিবিধি নজরে আসতেই অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করেছেন বন দফতরের আধিকারিকরা। যত্রতত্র জঙ্গলের ভেতরে পর্যটকদের না দাঁড়ানোর পরামর্শ দেওয়া, বাইক নিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ না করা, স্থানীয় বনবস্তির বাসিন্দাদের গবাদি পশু নিয়ে জঙ্গলে না যাওয়ার পরামর্শও তাঁরা দিচ্ছেন।

    পর্যটকদের কী বক্তব্য?

    বাঘে-মানুষের সংঘাত এড়াতে বন দফতরের সতর্কতা তো থাকবেই, তাই বলে পর্যটকরা জঙ্গল ঘুরতে এসে বাঘ না দেখে ফিরে যাবেন, সেটাও তাঁরা মানতে পারছেন না। তাই, চার চাকা, নিজস্ব গাড়িতে চেপে হোক আর সাফারি করেই হোক, জঙ্গলের ভেতরে বাঘের (Bengal Tiger) বিচরণের উপরেই তীক্ষ্ণ নজর থাকছে পর্যটকদের। পর্যটকদের বক্তব্য, ‘জানালার কাচের ভেতর থেকে দূরের জঙ্গলে এক ঝলক বাঘের মুখ দর্শন করার জন্য চোখের পাতা নামাতে পারছি না।’ বাঘ দর্শনের আশায় পর্যটকরা ভিড় করলেও সেই আশা মঙ্গলবার পর্যন্ত অধরাই রয়েছে। বাঘমামার দেখা কবে মিলবে সেই আশায় রয়েছেন পর্যটকরা।

    বন দফতরের কর্তা কী বললেন?

    বক্সার জঙ্গলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার (Bengal Tiger) যে অবাধে বিচরণ করছে, এ ব্যাপারে নিশ্চিত বন দফতরের কর্তারাও। রাজ্য বন দফতরের পিসিসিএফ (বন্যপ্রাণ) দেবল রায় বলেন, দিনের আলোয় একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছবি বক্সার পাওয়া গিয়েছে। কদিন আগেও যে বাঘের ছবিটি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল, দুটি ছবিই একই বাঘের হতে পারে। নতুন বছরের শুরুতে পর্যটকদের কাছে খুশির খবর। তাই, বাঘ দেখতে ভিড়ও বাড়ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সামনের বছর শহিদ দিবসে চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন’, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সামনের বছর শহিদ দিবসে চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন’, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহিদ স্মরণে শুক্রবার বিজেপি এবং তৃণমূলের আলাদা সভা ছিল নন্দীগ্রামে। কিন্তু বিজেপির সভা শেষ করতে পুলিশি তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ওই সভায় হাজিরও ছিলেন। তবে, বিজেপির সভা কিছুটা দীর্ঘয়িত হওয়ার অভিযোগ তুলে মঞ্চ থেকে কর্মীদের তাড়া করে নামিয়ে দেয় পুলিশ। শহিদ বেদি থেকে মালাও সরিয়ে দেওয়া হয়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Suvendu Adhikari)  

    ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর ‘সূর্যোদয়’ অভিযানের ডাক দিয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন শাসকদল সিপিএম। রক্তাক্ত অভিযানে প্রাণ গিয়েছিল জমি আন্দোলনের একঝাঁক নেতা-কর্মীর। এখনও বেশ কয়েকজনের হদিশ মেলেনি। তারপর থেকেই প্রতি বছর এই দিনটিতে নন্দীগ্রামের করপল্লিতে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শুভেন্দু দলে যোগ দেওয়ার পর থেকে বিজেপিও এখন এই কর্মসূচি করে। গত বছর এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এবার অবশ্য পরিস্থিতি ছিল শান্ত। সূত্রের খবর, তৃণমূল-বিজেপির সঙ্গে পুলিশের বৈঠকে প্রথমে সভা করার অনুমতি চায় বিজেপি। সেই মতো শুক্রবার সকাল ৮টায় করপল্লিতে শহিদ বেদিতে স্মরণসভার আয়োজন করার কথা তাদের। এরপর ৯টা নাগাদ সভায় যোগ দেওয়ার কথা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। ১০টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা। ৯টা ৪৫ মিনিটে যান শুভেন্দু। যার জেরে সভা দীর্ঘায়িত হয়। শহিদ স্মরণে ভাষণ শেষ হতেই পুলিশ তৎপর হয়ে বিজেপি কর্মীদের তাড়া করে সরিয়ে দেয়। এমনকী মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এমনকী, এরপরে  শহিদ বেদিতে থাকা ফুলের মালা দ্রুত খুলে ফেলা হয়। পরে, সেখানে তৃণমূল শহিদ স্মরণ কর্মসূচি পালন করে। যদিও সময় মতো সভা শেষ না করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। পুলিশ ইচ্ছাকৃত বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করতে এসব করেছে, অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।

    তৃণমূল নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    ভাষণের শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘এবার আমাদের হাইকোর্টে যেতে হয়নি। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী নামাতে হয়নি। ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। আর পরের বছর যখন শহিদ স্মরণ হবে, তখন পশ্চিমবাংলায় আর এই চোরগুলো থাকবে না। ২৪ সালের ১০ নভেম্বর যখন শহিদ দিবস হবে, চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন। আপনাদের কথা দিয়ে গেলাম’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: হাওড়া থেকে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে স্মৃতি ইরানি, চুটিয়ে জনসংযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Smriti Irani: হাওড়া থেকে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে স্মৃতি ইরানি, চুটিয়ে জনসংযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে হাওড়া থেকে গৃহ সম্পর্ক অভিযান শুরু করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে জগৎবল্লভপুরে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হাওড়ার রাজাপুর দক্ষিণ বাড়িতে বিজেপি কর্মী পলাশ মালিকের বাড়ি থেকে গৃহ সম্পর্ক অভিযান শুরু করেন। এই উপলক্ষ্যে গ্রামের ওই কর্মীর বাড়িতে সকাল থেকেই রান্নাবান্না সহ অতিথি আপ্যায়নের বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই দুপুরে পাত পেড়ে খান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    এরপর স্মৃতি (Smriti Irani) যেন পরিবারের মেয়ে-বউদের সঙ্গে মিশে গেলেন। মাটিতে বসে স্মৃতির সঙ্গে খেলেন দলের হাওড়ার নেতারাও। তাই সকাল থেকে রান্নাবান্না চলছিল পলাশ মালিকের বাড়িতে। ভাত, ডাল, বেগুনি, পটল চিংড়ি, শুক্তো, সর্ষে ইলিশ, রুই মাছের কালিয়া, চাটনি, পাঁপড়। আর শেষ পাতে ছিল মিষ্টি। খেতে বসার আগে দলের জেলার নেতাদের থালায় করে খাবার পরিবেশনও করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই উপলক্ষ্যে পরিবারের মহিলা সদস্যা রুমা মালিক বলেন, আমরা তফশিলি সম্প্রদায়ের মানুষ। আমাদের বাড়িতে মন্ত্রী আসবেন, কল্পনা করতে পারিনি। আমরা খুবই খুশি। তাঁর জন্য আমরা ঘরে বাঙালি খাবারের আয়োজন করেছি। 

    গ্রাম থেকে মাটি সংগ্ৰহ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani)

    মা-কাকিমা সকলে মিলে আমরা রান্নার আয়োজন করেছি। আরেক মহিলা সদস্যা সুচিত্রা হাজরা বলেন, বাঙালি রান্নার আয়োজন আমরা করেছি। খুবই আনন্দিত যে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani) তিনি আমাদের মতো গরিবের বাড়িতে এলেন। পনেরো বছর হল এখানে দক্ষিণ বাড়িতে এসেছি। কিন্তু এত বড় মাপের কোনও মন্ত্রী আমাদের গ্রামে আসেনি। বিশেষ করে আমাদের বাড়িতে উনি আসছেন। এটা ভেবেই আমরা খুব আনন্দিত। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি হাওড়ার জগৎবল্লভপুর সহ চামরাইল, জগদীশপুর বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। পার্টি কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক, তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসম্পর্ক স্থাপন করেন। আমার মাটি আমার দেশ সম্পর্ক অভিযানের কর্মসূচি হিসেবে গ্রাম থেকে মাটি সংগ্ৰহ করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: অতি ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তর ভারত! বন্ধ স্কুল, বাতিল ট্রেন, মৃত ২৪

    Heavy Rain: অতি ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তর ভারত! বন্ধ স্কুল, বাতিল ট্রেন, মৃত ২৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতি ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) কারণে উত্তর ভারতে ২৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। বৃষ্টির কারণে দিল্লি সংলগ্ন অঞ্চলে সোমবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুলগুলি। অন্যদিক হিমাচলে সোম ও মঙ্গলবার বন্ধ থাকবে স্কুলগুলি। হিমাচলে এখনও অবধি ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বাতিল করা হয়েছে উত্তর ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৭টি ট্রেন। হিমাচলের ১০টি জেলায় ধসের কারণে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। শেষ তিন দিনে হিমাচলের ছোট-বড় সাতশোর বেশি রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে ধসের কারণে। 

    বর্ষা ঢোকার পর থেকেই ধস নামতে শুরু করে উত্তর ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে

    বর্ষা ঢোকার পর থেকেই হিমাচল, উত্তরাখণ্ডে ব্যাপক ধস নামতে শুরু করে। একাধিক জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে যায় ধসের কারণে। দিন কয়েক আগেই হড়পা বানের কারণে উত্তরাখণ্ডে ভেসে যায় একটি সেতু। অতি ভারী বৃষ্টিতে জম্মু-কাশ্মীরে বন্যার সতর্কতাও জারি করে প্রশাসন। মাঝখানে পরিস্থিতির অবনতি হলে বন্ধ করে দেওয়া হয় অমরনাথ যাত্রাও। প্রবল বর্ষণে (Heavy Rain) উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যে জনজীবন সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত। দিল্লিতে যমুনা নদী এবং মধ্যপ্রদেশের নর্মদা নদী আপাতত ফুঁসছে বলে খবর রয়েছে। এমন অবস্থায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে নদী তীরবর্তী স্থানগুলিতে। মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে নর্মদা নদীর জল বাড়ায় চারজন মানুষ আটকে পড়েন। তাঁদের ড্রোনের মাধ্যমে খাদ্য সমেত অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠায় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা। রবিবারও রাজস্থান সমেত উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যে ভারী বর্ষণের খবর মিলেছে। হিমাচল প্রদেশেও একাধিক নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। বিপাশা নদীর বন্যার কারণে ৬ জন মানুষ আটকে পড়েন। পরে তাঁদের সে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর থেকে উদ্ধার করা হয়। হিমাচলের একাধিক জনবহুল অঞ্চলে হাঁটু পর্যন্ত জল জমার খবর পাওয়া গিয়েছে।

    ৫০ বছরে রেকর্ড বৃষ্টি উত্তর ভারতে

    ইতিমধ্যে অতি ভারী বর্ষণের (Heavy Rain) ফলে উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যের করুণ চিত্র দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যে। কোথাও জলে ভাসছে গাড়ি, তো কোথাও বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েছে জল। হাওয়া অফিস বলছে, সাম্প্রতিক অতীতে দিল্লিতে অতি ভারী বর্ষণের এমন নজির দেখা যায়নি। শেষবার এমন প্রবল বর্ষণ দিল্লিতে হয়েছিল ১৯৮২ সালের জুলাইতে। হরিয়ানার আম্বালায় রবিবার বৃষ্টি হয়েছে ৩২২ মিমি। অন্যদিকে দিল্লিতে এর পরিমাণ ১৫৩ মিমি। বিগত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে হিমাচলে বৃষ্টি হয়েছে ১৩৫ মিমি। পাঞ্জাব হরিয়ানা সমেত সব রাজ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই রাজ্যগুলিতে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

    Panchayat Vote: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে হুমকি দিতে আসে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী। খবর পেয়েই ছুটে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ধাওয়া করেন দুষ্কৃতীদের। চম্পট দেয় তারা। স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হতেই এলাকায় অস্ত্র হাতে দাপাচ্ছে। বিরোধী প্রার্থীদের বাড়ি বয়ে খুনের হুমকি দিচ্ছে। এদিন বিডিও অফিসেও যান সুকান্ত। অভিযোগ, শাসক দলের কর্মীরা ১৪৪ ধারা ভেঙে জোর করে তুলে এনে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করায়।

    কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের সুকদেবপুর অঞ্চলে বিজেপি প্রার্থী (Panchayat Vote) হয়েছেন রূপালী রায়। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা মতো এদিনই মনোনয়ন তোলার শেষ দিন। এদিন রূপালী রায়ের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী মনোনয়ন তোলার জন্য হুমকি দিতে আসে। তারা নম্বরহীন গাড়ি ও বাইকে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। এই খবর পেয়েই এলাকায় ছুটে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ দলের লোকজন। তাঁদের দেখে পালিয়ে যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে ছুটে আসে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘সুকদেবপুর অঞ্চলে দিনে রাতে দুষ্কৃতীরা এসে হামলা চালাচ্ছে। আমরা খবর পেয়ে আসি। এসে দেখি কিছু দুষ্কৃতী হাতে লাঠি নিয়ে আছে। পাশাপাশি তারা একটি চারচাকা গাড়ি ও দুটি মোটর বাইক নিয়ে আসে। যার মধ্যে একটির নাম্বার নেই। দুষ্কৃতীরা আমাদের প্রার্থীর স্বামীকে খুন করার হুমকি দেয় ও মনোনয়ন তুলে নেবার জন্য জোর করে। আমরা ওদেরকে ধরার জন্য ধাওয়া করি। ওরা আমাদের দেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ সময়মতো আসেনি। আমরা পুলিশকে বলছি এই গাড়িটিকে চেক করতে।’’ অন্যদিকে বিডিও অফিসে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করাতে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে সুকান্ত বলেন, ‘‘তৃণমূলের হার্মাদরা আমাদের প্রার্থীদের গ্রামে গ্রামে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তারা নিজেই আমাদের প্রার্থীদের গাড়ি করে তুলে নিয়ে এসে ১৪৪ ধারা অমান্য করে বিডিও অফিসে ঢুকে মনোনোয়ন প্রত্যাহার করাচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ করেছি। হাতেনাতে ধরেছিলাম এক তৃণমূল নেতাকে। সেই নেতা ক্যামেরার সামনে বলেছে, আমি তৃণমূলের যুব সভাপতি, আমি ১৪৪ ধারার মধ্যে ঢুকতে পারি। আমরা আজ বিডিওকে বলেছি, যদি এর উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলন করব।’’

    কী বলছেন বিজেপি প্রার্থী রূপালী রায়?

    এই বিষয়ে বিজেপির প্রার্থী রুপালি রায় বলেন, ‘‘তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাকে এসে ভয় দেখাচ্ছে আমাকে প্রার্থী হতে দেবে না। ভোট হবার পর আমাদের বাড়িতে থাকতে দেবে না বলছে। মনোনয়ন তোলার জন্য তারা জোর করছে।’’ অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থীর স্বামী রতন রায় বলেন, ‘‘আমার স্ত্রী বিজেপির প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছে, একারণে দিনে-রাতে তৃণমূলের কর্মীরা আমাদের এসে  হুমকি দিচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • West Bengal Weather: বর্ষার অনুকূল পরিবেশ দক্ষিণবঙ্গে! কবে নামবে বৃষ্টি?

    West Bengal Weather: বর্ষার অনুকূল পরিবেশ দক্ষিণবঙ্গে! কবে নামবে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর। মাঝে মধ্যে ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাত স্বস্তি নিয়ে এলেও তা ক্ষণস্থায়ী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হওয়াতে অস্বস্তি বাড়ছে। কবে আসবে বর্ষা? রাজ্যবাসী উদগ্রীব চাতক পাখির মতোই। উল্লেখ্য, ৮ জুন বর্ষা প্রবেশ করেছে কেরলে।

    বঙ্গে কবে ঢুকছে বর্ষা? (West Bengal Weather)

    দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর দেখা কবে মিলবে বঙ্গে? আশার কথা শোনাচ্ছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের কর্তারা। তাঁদের মতে, ‘‘১৯ থেকে ২২ জুনের বর্ষা প্রবেশ করতে পারে বঙ্গে।’’ কিন্তু কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে? আবহবিদদের কথায়, ‘‘প্রাক বর্ষার আবহাওয়া রাজ্য জুড়ে দেখা যাচ্ছে। তাপপ্রবাহ যেমন চলছে, তেমনি বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতও হচ্ছে মাঝে সাঝে, যা বর্ষা আসার পূর্বাভাস।’’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘কেরলে বর্ষা ঢোকার এক সপ্তাহ পরে সাধারণত তা বাংলায় আসে। তবে হিসাব সব সময় যে মিলবে, এমনটা নয়।’’ কেরলে ঢোকার পরে মৌসুমি বায়ু হিমালয়ে ধাক্কা খেয়ে ফেরে রাজ্যের ওপর দিয়ে। প্রথমে ভিজতে থাকে উত্তরবঙ্গ, পরে দক্ষিণবঙ্গ। এমনিতে কেরলে বর্ষা ঢোকে ১ জুন। তবে প্রতিবার এমন নিয়ম মানে না মৌসুমি বায়ু। গত বছর সময়ের আগেই ঢুকেছিল বর্ষা (২৯ মে)। ২০২১ সালে বর্ষা ঢুকেছিল ৩ জুন। ২০২০ সালে অবশ্য ক্যালেন্ডার অনুসরণ করেই কেরলে বর্ষা ঢুকেছিল। আবার ২০১৯ সালে চলতি বছরের মতোই ৮ জুন দেশে বর্ষা ঢুকেছিল।

    উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যে ঢুকেছে বর্ষা (West Bengal Weather)

    উত্তরবঙ্গে বর্ষা ইতিমধ্য়ে প্রবেশ করেছে বলেও জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। তাদের মতে, আপাতত দার্জিলিং সহ কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার জেলাগুলিতে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে। তবে মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতাও দিয়েছেন আবহবিদরা। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। যেমন পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পশ্চি মবর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। রয়েছে বন্যার সতর্কতাও! সব মিলিয়ে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় জর্জরিত রাজ্যবাসী। ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ির কিছু অংশে। পার্বত্য এলাকার দুই জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে টানা বৃষ্টির জেরে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। একটানা ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের নিচু এলাকাগুলিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে (West Bengal Weather)। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

    আরও পড়ুন: বীরভূমে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত বিরোধীরা, কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share