Tag: Bengali news

Bengali news

  • Arambagh: গ্রামের রাস্তায় গাড়ি নিয়ে যেতে তৃণমূল পঞ্চায়েতকে দিতে হচ্ছে টোল ট্যাক্স, ক্ষোভ

    Arambagh: গ্রামের রাস্তায় গাড়ি নিয়ে যেতে তৃণমূল পঞ্চায়েতকে দিতে হচ্ছে টোল ট্যাক্স, ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলা পরিষদের রাস্তায় টোল আদায় করছে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত। আর সেই টোল নেওয়ার প্রতিবাদেই সরব হয়েছেন গাড়িচালক ও মালিকরা। ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) তিরোল পঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)  

    আরামবাগের (Arambagh) তিরোল পঞ্চায়েত এলাকায় শিয়ালি থেকে বাইশ মাইল পর্যন্ত দীর্ঘ ৬-৭ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করে হুগলি জেলা পরিষদ। কিন্তু, হঠাৎ করেই সেই রাস্তায় গাড়ি চলাচল করার জন্য বসানো হয় গ্রাম পঞ্চায়েতের টোল ট্যাক্স। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে বিভিন্ন যানবাহন। অভিযোগ, বালির ট্রাক্টর, ধানের গাড়ি সহ মাল বোঝাই গাড়ি থেকে নেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা করে টোল ট্যাক্স। কিন্তু, এখানেই গাড়ি মালিক ও চালকদের আপত্তি। তাঁদের বক্তব্য, গাড়ির জন্য সরকারকে ট্যাক্স দেওয়ার পরেও আবার কেন ট্যাক্স দিতে হবে? তাছাড়াও জেলা পরিষদের রাস্তায় কেন পঞ্চায়েত তাদের ইচ্ছা মতো ট্যাক্স নেবে? সেই সব অভিযোগ তুলে তিরোল পঞ্চায়েতের মাদরা এলাকায় বেশ কয়েকবার এই টোল বসানোর পরে পঞ্চায়েতের ওই টোল কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। যার জেরে ওই রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখেন গাড়ির মালিকেরা। তাঁদের দাবি, যতক্ষণ পর্যন্ত এই জোরজুলুম বন্ধ না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাস্তা গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। যদিও পরে খবর পেয়ে আরামবাগ থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    পঞ্চায়েত প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    তিরোল পঞ্চায়েতের প্রধান বিলকিস বেগম বলেন, ওই রাস্তা জেলা পরিষদের হলেও রক্ষণাবেক্ষণ করে পঞ্চায়েত। তাই ওই রাস্তা মেরামতের জন্য সমস্ত নিয়ম মেনেই টোল নেওয়া হচ্ছে। কোনও বেআইনি কাজ করা হচ্ছে না।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, জেলা পরিষদের রাস্তায় উপর টোল বসানোর কোনও আইন নেই। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এটা তোলা তোলার একটি কল। এটা কোনও পঞ্চায়েত টোল বসায়নি। এই টোল বসিয়েছেন পঞ্চায়েতের প্রধান। ব্যক্তিগতভাবে তোলা তোলার জন্য এসব করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gita Chanting in Kolkata: ‘গীতাপাঠ’-এর পোস্টারে গেরুয়া বসনে মোদি, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

    Gita Chanting in Kolkata: ‘গীতাপাঠ’-এর পোস্টারে গেরুয়া বসনে মোদি, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫দিন পরেই গীতার শ্লোকের ধ্বনিতে (Gita Chanting in Kolkata) মুখরিত হবে কলকাতা। গমগম করবে ব্রিগেড। হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ইতিমধ্যে গেরুয়া বসন পরিহিত প্রধানমন্ত্রীর ছবিও সামনে এসেছে। ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠে’র কর্মসূচিতে তাঁর ছবি দিয়েই পোস্টার করেছেন আয়োজকরা। প্রসঙ্গত, আধ্যাত্মিকতা প্রধানমন্ত্রীর জীবনের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ওইদিন পুরীর শঙ্করাচার্য নিশ্চলানন্দ সরস্বতী এবং দ্বারকার শঙ্করাচার্য সদানন্দ সরস্বতীও উপস্থিত থাকবেন।

    চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

    এক লাখেরও বেশি মানুষের উপস্থিতি, ৬০ হাজারেরও বেশি শঙ্খধ্বনিতে গীতাপাঠ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নামও নথিভুক্ত করতে চলেছে। উদ্যোক্তাদের এখন আর ব্যস্ততার শেষ নেই। চলছে অন্তিম মুহূর্তের প্রস্তুতি। এত বড় আয়োজনে যেন কোনও খামতি না (Gita Chanting in Kolkata) থাকে, সেদিকেই নজর রয়েছে আয়োজকদের। ২৪ ডিসেম্বরের ওই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা হিসেবে নিরন্তর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। রয়েছে অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ, সংস্কৃতি সংসদ, মতিলাল ভারত তীর্থ সেবা মিশন এরকম একাধিক সংগঠন।

    আয়োজনের খুঁটিনাটি

    আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, মোট ৩টি মঞ্চ থাকবে। তার মধ্যে মূল মঞ্চ অর্থাৎ যেখানে বিশেষ অতিথিরা বসবেন (Gita Chanting in Kolkata) সেটি হবে ৯৬ ফুট চওড়া এবং ৪০ ফুট লম্বা। মূল মঞ্চের পিছন দিকে থাকবে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ অফিস। মঞ্চের বাঁ দিকে আরেকটি মঞ্চ থাকবে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন সাধু-সন্তদের সঙ্গে। সেই মঞ্চ হবে ৮২ ফুট লম্বা, ১০০ ফুট চওড়া। এছাড়াও আর একটি ছোট মঞ্চ তৈরি হচ্ছে। সেখানে গান হবে। নজরুলগীতি দিয়েই শুরু হবে অনুষ্ঠান। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য বাস ও লরিতে সওয়ার হয়ে আসবেন অংশগ্রহণকারীরা (Gita Chanting in Kolkata)। রেলের কাছে আয়োজকরা ১৩টি অতিরিক্ত ট্রেন চালাতে আবেদনও জানিয়েছেন। আগের দিন যাঁরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হবেন, তাঁদের জন্য বিগ্রেডে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অন্যদিকে কলকাতা এবং তৎসংলগ্ন স্থানগুলির বিভিন্ন মঠ ও মন্দিরেও থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে অংশগ্রহণকারীদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভায় স্মোককাণ্ড, রাজ্যগুলির কাছে নিরাপত্তা প্রধানের নাম চাইল কেন্দ্র

    Parliament Security Breach: লোকসভায় স্মোককাণ্ড, রাজ্যগুলির কাছে নিরাপত্তা প্রধানের নাম চাইল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ হামলার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গত ১৪ ডিসেম্বরে সমস্ত রাজ্য সরকারগুলির মুখ্যসচিবদের চিঠি পাঠিয়েছিল। এই চিঠিতে রাজ্যগুলির তরফ থেকে সংসদে নিরাপত্তা প্রধানের নাম চাওয়া হয়েছে। ১০ লাইনের ওই চিঠিতে রাজ্যের যোগ্য আইপিএস অফিসারদের নাম প্রস্তাব আকারে পাঠাতে বলেছে (Parliament Security Breach) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই নাম জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। গোয়া, মিজোরাম এবং অরুণাচল প্রদেশ, এই তিন রাজ্যে এখনও পর্যন্ত চিঠি পাঠানো হয়নি। তবে সমস্ত কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের প্রশাসনিক প্রধানদের কাছেও এই চিঠি গিয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, সংসদে নিরাপত্তা প্রধানের পদে ছিলেন ১৯৯৭ ব্যাচের উত্তর প্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস রঘুবীর লাল। গত অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়েই তাঁকে নিজ রাজ্যে বদলি করা হয়। সেই থেকে ওই পদে একজন অফিসারকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে খবর।

    ১৩ ডিসেম্বরের ঘটনা নতুন কিছু নয়

    গত ১৩ ডিসেম্বর সংসদে রং বোমা নিয়ে হামলা নতুন কিছু নয়। এর আগেও একাধিকবার ঘটেছে এমন ঘটনা। তথ্য বলছে, ১৯৮৩ সালে স্লোগান দিতে দিতে রাজ্যসভার এক সাংসদের চেম্বার লক্ষ্য করে চটি ছুড়েছিল এক দর্শক। রাজ্যসভায় স্লোগান দিতে দিতে লিফলেটও ছুড়েছিল এক দর্শক। ১৯৯১ থেকে ৯৪ সালের মধ্যেও একাধিকবার দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে (Parliament Security Breach) অধিবেশন কক্ষে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল।

    স্পিকার ওম বিড়লার চিঠি

    সংসদে হানার (Parliament Security Breach) পরেই গড়া হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। সেই কমিটি বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে। এনিয়ে সাংসদদের চিঠিও লিখেছেন স্পিকার ওম বিড়লা। সাংসদদের পাঠানো চিঠিতে ওম বিড়লা লিখেছেন, “১৩ ডিসেম্বর সংসদে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে সাংসদদের সাসপেন্ড করার ঘটনাটি জুড়ে দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক।” তিনি জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে সাংসদদের অশালীন আচরণের প্রশংসা দেশবাসী করে না। সংসদের শৃঙ্খলা ও সম্মান রক্ষার্থেই সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে জানিয়ে স্পিকারের বার্তা, “আশা করি, ভবিষ্যতে সংসদের গরিমা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেবেন সাংসদরা।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Unknown Gunmen: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের হানায় পাকিস্তানে খতম লস্কর জঙ্গি হাবিবুল্লা

    Unknown Gunmen: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের হানায় পাকিস্তানে খতম লস্কর জঙ্গি হাবিবুল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বন্দুকবাজদের (Unknown Gunmen) হামলায় মৃত্যু হল পাকিস্তানের এক লস্কর জঙ্গির। জানা গিয়েছে, হাবিবুল্লা নামের ওই সন্ত্রাসবাদী, যে কিনা ভোলা খান ওরফে খান বাবা নামেও পরিচিত ছিল, লস্কর-ই-তৈবার রিক্রুটমেন্ট সেলে কাজ করত।

    উরি-পুলওয়ামা হামলায় জড়িত

    শনিবার সন্ধ্যায়, অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের (Unknown Gunmen) হামলায় সে নিহত হয়। অসমর্থিত সূত্রের খবর, খাইবার পাখতুনখোয়া জেলার টঙ্ক এলাকায় হাবিবুল্লা তার বেশ কয়েকজন সহযোগী সমেত কোথাও একটা যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন বন্দুকবাজ তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহত লস্কর-ই-তৈবার এই সন্ত্রাসবাদী পুলওয়ামা এবং উরি, এই দুই জায়গাতেই সেনাবাহিনীর উপর যে ভয়ঙ্কর হামলা হয়, তাতে অভিযুক্ত ছিল। জানা যাচ্ছে, হাবিবুল্লা ছিল ইমরান খানের দল পিটিআই-এর নেতা তথা প্রাক্তন পাক সাংসদ দাবর খান কুন্দির আত্মীয়।

    ২৩তম জঙ্গি নিকেশ

    জানা গিয়েছে, হাবিবুল্লার হত্যার খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ছুটে আসে ওই জায়গায়। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, হাবিবুল্লার মৃত্যু হল পাকিস্তানে ২৩তম জঙ্গি নিকেশের ঘটনা। পাকিস্তানে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের (Unknown Gunmen) হাতে সন্ত্রাসবাদীদের মৃত্যুর ঘটনা বেশ কয়েক মাসে বেড়েই চলেছে। এবার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়াতে ঘটল ফের সন্ত্রাসবাদীদের ওপর হামলা। পাকিস্তানে জেলবন্দি এক জঙ্গির খাবারে দিন কয়েক আগে বিষ মেশানো হয়। ওই ঘটনার একমাস না যেতেই ফের বন্দুকবাজদের হামলায় সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুর খবর সামনে এল।

    সম্প্রতি গুলি করে হত্যা করা হয় আদনান নামের জঙ্গিকে

    কয়েকদিন আগেই আদনান আহমেদেরকে নিকেশ করা হয়। সে ছিল হাফিজ সঈদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ২৬/১১ এর মূল চক্রী হল হাফিজ সঈদ। আদনানকে বাড়ির সামনেই গুলি করা হয়। প্রসঙ্গত, গতকাল সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে পোস্ট হতে থাকে যে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ১৯৯২ সালের মুম্বই বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড দাউদ ইব্রাহিমের। রবিবার পাকিস্তানের ইন্টারনেট (Unknown Gunmen) মাঝখানে বন্ধ হয়ে গেলে এটি আরও বৃহত্তর আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১৯/১২/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১৯/১২/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নিজের অজান্তেই এমন কিছু কাজ করবেন, যাতে সকলের প্রীতি লাভ করবেন।

    ২) বন্ধুরা আপনাকে ঠকাতে পারেন।

    বৃষ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) ভ্রমণের ব্যাপারে বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা। 

    কর্কট

    ১) অশান্তি থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ব্যবসায় বাড়তি লাভ আসতে পারে।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    কন্যা

    ১) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ২) ব্যবসায় সমস্যার পরিমাণ বাড়তে পারে।

    তুলা

    ১) দাম্পত্য জীবনে অশান্তির সময়।

    ২) স্ত্রীর জন্য মায়ের সঙ্গে বিবাদ ও মনঃকষ্ট।

    বৃশ্চিক

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ধনু

    ১) ব্যবসায় অশান্তি হতে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    মকর

    ১) শারীরিক কারণে ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না। 

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাল থাকবে।

    কুম্ভ

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ নিয়ে চিন্তা।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    মীন

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: তারাপীঠ মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢুকে আর ছবি তুলতে পারবেন না ভক্তরা, জারি হল নোটিশ

    Tarapith: তারাপীঠ মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢুকে আর ছবি তুলতে পারবেন না ভক্তরা, জারি হল নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধক বামাক্ষ্যাপার অন্যতম সিদ্ধপীঠ এই তারাপীঠ। বীরভূমের তারাপীঠ (Tarapith) স্টেশন কিংবা রামপুরহাট স্টেশন থেকে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যায় এই তারাপীঠ মন্দিরে। প্রত্যেকদিন এই তারাপীঠে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে। বছরের বিশেষ বিশেষ দিনে ভক্তদের সেই ভিড় পেরিয়ে যায় কয়েক লক্ষ। তারাপীঠ মন্দির থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সাধক বামাক্ষ্যাপার জন্মভিটে। সেখানেও দর্শনার্থীদের ভিড় জমে। এবার তারা মায়ের মন্দিরে ভক্তদের পুজো দিতে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করতে চলেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    মন্দিরের গর্ভগৃহে ছবি তোলা নিষেধ (Tarapith)

    এবার তারাপীঠ (Tarapith) আসতে গেলে ভক্তদের বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। তারাপীঠ মন্দিরে এসে পুজো দেওয়ার পর মায়ের সঙ্গে একটা ছবি তোলার ইচ্ছে সকল ভক্তের থাকে। তবে, ১৮ ডিসেম্বর সোমবার থেকে ভক্তদের সেই ইচ্ছায় নিষেধাজ্ঞা জারি হতে চলেছে। তারাপীঠ তারামাতা সেবাইত সংঘ এবং মন্দির কমিটির তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, সেখানে জানানো হয় মা তারার গর্ভগৃহে ছবি তোলা এবং মায়ের সঙ্গে ছবি তোলা (সেলফি) সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এছাড়াও কোনও সহকারি পূজারী ও দর্শনার্থীদের স্মার্টফোন নিয়ে মন্দির চত্বরে প্রবেশ করা যাবে না। ছবি তুলতে তুলতে কোনও পূজারী অথবা দর্শনার্থী গর্ভগৃহে যেতে করতে পারবেন না।

    তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি কী বললেন?

    এই বিষয়ে তারাপীঠ (Tarapith) মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, যত দিন যাচ্ছে ততই তারাপীঠ চত্বরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। সেই কারণেই দর্শনার্থীদের যাতে লাইন দিয়ে পুজো দিতে সময় কম লাগে তারজন্য কিছু নতুন নিয়ম জারি করা হয়েছে। মায়ের সঙ্গে ছবি তোলার পাশাপাশি মা তারাকে অঞ্জলি দেওয়ার ক্ষেত্রেও কিছু নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এবার থেকে মা তারাকে দর্শন করার পরেই সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। ভক্তদের সুবিধার্থে এমন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ফল খেয়ে বিপত্তি! অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ১১ জন শিশু, কী করে হল জানেন?

    Dakshin Dinajpur: ফল খেয়ে বিপত্তি! অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ১১ জন শিশু, কী করে হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেলার সময় ফল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল একই গ্রামের ১১ জন শিশু। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলার হরিরামপুর ব্লকের গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের বলদু গ্রামে। বর্তমানে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসুস্থ শিশুরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dakshin Dinajpur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) হরিরামপুর ব্লকের বলদু গ্রামে খেলা করছিল একদল বাচ্চা। যেখানে তারা খেলা করছিল, সেখানে কয়েকটি গাছ রয়েছে। তারমধ্যে একটি গাছ থেকে এক শিশু ফল পেড়ে খায়। তার ওই ফল খাওয়া দেখে বাকীরাও ওই গাছ থেকে ফল খায়। ফল খাওয়ার পর তারা ফের খেলায় মত্ত হয়ে যায়। ঘণ্টা দুয়েক পড়ে একজন বমি করা শুরু করে। এরপরই বাড়ির লোকজন ছুটে আসে। ততক্ষণে বাকি শিশুরা বমি, পায়খানা করা শুরু করে। কয়েকজন অজ্ঞানও হয়ে যায়। অসুস্থ শিশুদের প্রথমে হরিরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছিল। পরে, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে নিয়ে আসা হয় গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত শিশুরা সুস্থ রয়েছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, শিশুরা খেলার সময় বিষাক্ত কোনও ফল খেয়ে এই বিপত্তি হয়েছে। এই ঘটনায় চরম আতঙ্কিত পরিবারের লোকজন। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, ওই গাছের পাশে তারা প্রতিদিন খেলা করে। কোনওদিন এরকম ঘটনা ঘটেনি। এদিন গাছের ফল খেয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা আতঙ্কে রয়েছি।

    হাসপাতালের সুপার কী বললেন?

    এই বিষয়ে গঙ্গারামপুর হাসপাতালের সুপার বাবুসোনা সাহা বলেন, ওই ১১ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে তারা আপাতত তারা সুস্থ রয়েছে। তাদেরকে আরও দুদিন হাসপাতালে নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের সাঁইথিয়ায় বিজেপির কিষাণ মোর্চার সভায় রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্য সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “ভারতবর্ষ মূলত কৃষকদের অবদানে চলছে। বর্তমান রাজ্যের শাসক গোষ্ঠীর জন্য যেভাবে কৃষকরা বঞ্চিত, লাঞ্চিত হচ্ছেন, তার জন্য আমরা একের পর এক কর্মসূচি নিয়েছি। অবিলম্বে এমএসপি অনুয়ায়ী ধান ক্রয় করতে হবে। কোনও বাটা বাদ দেওয়া যাবে না। কোনও কাটমানি খাওয়া যাবে না।” তিনি আরও সমালোচনা করে বলেন, “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে।”

    কী বলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)  বলেন, “আপনারা জানেন অনুব্রত মণ্ডল চোর মণ্ডল। তিনি চালকল মালিকের সঙ্গে সাম্রাজ্য খাড়া করেছিলেন। বালু, বাকিবুর আর কেষ্ট যখন বাইরে ছিল, তখন রাজের ২৯ লক্ষ চাষি সমবায় সমিতি, রাইস মিল এবং কিষাণ মান্ডির মাধ্যমে ধান ক্রয়ের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু এবার ১১ লক্ষ রেজিস্ট্রেশন হল৷ কেন? বাকি ১৮ লক্ষ কোথায় গেল? কেন্দ্রের পাঠানো ৫ হাজার কোটি টাকা চুরি করেছে এই সরকার। আপনাদের আমি কথা দিতে পারি এক-দেড় বছরের মধ্যে বিজেপি সরকার করবে। আর এই অরূপ মণ্ডলকে (গোঘাট থানার পুলিশ অফিসার) ওই চাষির বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পা ধুয়ে জল খাওয়াবো।”

    বাংলার চাষিরা ফসল বীমার টাকা পাননি

    সভায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ফসল বিমা নিয়ে বলেন, “২০১৯ সালের নির্বাচনে ১৮ টা লোকসভার আসন বিজেপি জেতার পর মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা থেকে বের করে নিয়েছেন। পরিবর্তে বাংলার ফসল বিমা যোজনা করেছে। যার কোনও টাকা বাংলার চাষিরা পাননি। আয়ুষ্মান ভারতের বদলে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করেছে৷ ওই ভুয়ো স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা কেউ পান না। প্রাধানমন্ত্রী ৩৬০০ টাকা বস্তা সারে ২৪০০ টাকা ভর্তুকি দিয়েছেন। এখানে তৃণমূল এবং পুলিশ মিলে একসঙ্গে কালোবাজারে সব সার বিক্রি করছে। পোস্টপোল ভায়োলেন্সের আসামীরা এখনও জেলে যায়নি৷ তাদের জেলে দেখতে চাই।”

    বিচার ব্যবস্থাকে আক্রমণ করছেন মমতা

    বীরভূমের সভায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বিচারব্যবস্থার পক্ষে বলেন, “বিচার ব্যবস্থাকে আক্রমণ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার ব্যবস্থা এগিয়ে এসেছে ৷ কোন রাজ্যে আছেন আপনারা? হাইকোর্টের বিচারপতি রাজেশ বিন্দল, বিচারপতি কৌশিক চন্দ্র, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কিভাবে অশ্রাব্য ভাষায় আক্রমণ করেছেন মমতা এবং ভাইপো। আবার সম্প্রতি বিচারপতি অমৃতা সিনহার আইন মেনে জবাব সওয়াল শুনে সিআইডি দিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছেন মমতা সরকার। কীভাবে বিচারপতিদের আক্রমণ করা হচ্ছে দেখুন। এমনকী তাঁর পরিবারের উপর আক্রমণ করে নিরাপত্তারক্ষী প্রত্যাহার করেছে তৃণমূল সরকার। আমি সুপ্রিম কোর্টের কাছে মঞ্চ থেকে আবেদন করছি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: জোড়া খুনের ঘটনায় উধাও সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Uttar Dinajpur: জোড়া খুনের ঘটনায় উধাও সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উধাও হয়ে গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশের ভূমিকায় অত্যন্ত বিরক্ত প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েত ভোট কেন্দ্রের বুথে লাগানো হয়েছিল সিসিটিভি। নজরদারিতে হয়েছে ভোট গ্রহণ পর্ব। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে (Uttar Dinajpur) ভোটের দিনেই খুন হয়েছিলেন দুই রাজনৈতিক কর্মী। আজ সোমবারে হাইকোর্টে এই জোড়া খুনের মামলায় আদতে সিসিটিভির ফুটেজ দিতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। এর ফলেই পুলিশকে আদলাতের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল। উল্লেখ্য, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের সময় মনোনয়ন থেকে ভোটদান এবং ফলাফলের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু খুন, হত্যা এবং ভোট লুটের মামলা হাইকোর্টে গেছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Uttar Dinajpur)?

    আদলাত সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুরের (Uttar Dinajpur) জগির বস্তিতে ভোটের দিন খুন হয়েছিল দুই ভাই। একজন ছিলেন জমির উদ্দিন তৃণমূল কর্মী এবং অপর আরেক জন ছিলেন সামসুর হক কংগ্রেস সমর্থক। ভোটের দিনে বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় তাঁদের। এই খুনের ঘটনায় আদালতে পুলিশ জানিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ হারিয়ে গিয়েছে। অথচ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে পুলিশের তদন্ত করার নির্দেশ ছিল। পুলিশ নামে মাত্র তদন্ত করেছে। ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করার কথা বললেও পুলিশ তা করতে পারেনি। আদলাতের বক্তব্য ঠিক এমনটাই। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আদালত মামলায় গোপন জবানবন্দী নেওয়ার কথা বললেও খুনে যারা অভিযুক্ত তাদেরকেই সাক্ষী করেছে পুলিশ। রাজনীতির একাংশের মানুষের বক্তব্য পুলিশ দুষ্কৃতীদের হয়ে কাজ করছে।

    আদলাত কী বলেছে?

    ইসলামপুরের গোয়ালপুকুরের (Uttar Dinajpur) নির্বাচনের দিনে খুনের ঘটনায় পুলিশকে তীব্র সমালোচনা করে হাইকোর্টের বিচারপতি বলেন, “ভোটের দিনে দুই ভাইয়ের খুন হতে হয়েছিল। আর পুলিশ বলছেন দুই পক্ষের মধ্যে গোলমালে মারা গিয়েছেন! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আর কিছু বলার নেই।” বিচারপতি আরও জিজ্ঞেস করেন, “গোপন জবানবন্দী নেওয়া হয়েছে কিনা?” উত্তরে উকিল বলেন বয়ান নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পালটা বিচারপতি বলেন, “মৃত পরিবারের বক্তব্যকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কাজ করছে পুলিশ। পুলিশ নিজের ইচ্ছেতে গল্প সাজিয়েছেন।” বর্তমানে পুলিশ সুপারকে তদন্তের ভার দিলেও সিসিটিভি ফুটেজ আদৌ উদ্ধার হবে কিনা তা এখনও সংশয়ের বিষয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha: তুমুল বিশৃঙ্খলা ও অসংসদীয় আচরণ! লোকসভা ও রাজ্যসভায় একই দিনে সাসপেন্ড ৬৭ সাংসদ

    Loksabha: তুমুল বিশৃঙ্খলা ও অসংসদীয় আচরণ! লোকসভা ও রাজ্যসভায় একই দিনে সাসপেন্ড ৬৭ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অসংসদীয় আচরণের অভিযোগ বিরোধী সাংদদের বিরুদ্ধে। লোকসভা (Loksabha) ও রাজ্যসভা এদিন চরম বিশৃঙ্খলা সাক্ষী থাকল, যার নেপথ্যে কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। লোকসভার স্মোককাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই বলেছিলেন যে এনিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার, বিতর্কের চেয়ে। প্রসঙ্গত, গত ১৩ ডিসেম্বর ঘটনার পরেই উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিও গঠন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তারপরেও বিরোধী সাংসদদের এহেন আচরণে উঠছে প্রশ্ন। সোমবার স্মোককাণ্ড নিয়ে তুমুল হই-হট্টগোল শুরু করেন বিরোধী সাংসদরা। আর এ কারণেই ৩৩ জন লোকসভার সাংসদকে (Loksabha) এবং ৩৪ জন রাজ্যসভার সাংসদকে চলতি শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হল। যার মধ্যে রয়েছেন বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। এই হিসেবে দুটি কক্ষ মিলিয়ে একই দিনে সাসপেন্ড করা হল ৬৭ সাংসদকে।

    তৃণমূলের ৯ সাংসদ সাসপেন্ড

    এরাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নয় সাংসদও রয়েছেন তালিকায়। নারদাকাণ্ডে অভিযুক্ত সৌগত রায় তো রয়েছেন, পাশাপাশি কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরূপা পোদ্দারদেরও সাসপেন্ড করা হয়েছে বিশৃঙ্খল আচরণের জন্য। অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর ডিএমকে সাংসদ দয়ানিধি মারণ ও টিআর বালুকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতি দাবি করেন লোকসভায় (Loksabha)। কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ঘটনার দিনই সিআরপিএফের শীর্ষ আধিকারিককে মাথায় রেখে কমিটি তৈরি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বাড়ানো হয়েছে সংসদের (Loksabha) নিরাপত্তা। গ্যালারি এবং ভবনের মাঝখানে বসানো হচ্ছে পুরু কাচের দেওয়াল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  নিজের করণীয় কাজ তো করেছেন। অমিত শাহের কাজই তো তাঁর সবচেয়ে বড় বিবৃতি। তারপরে আলাদা করে বিবৃতির প্রয়োজন কি রয়েছে? এমনটাই প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলের।

    ইস্যু নেই বিরোধীদের!

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, ‘‘কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো কোনওরকম ইস্যু পাচ্ছে না। বছর ঘুরলে লোকসভা ভোটও রয়েছে। তাই লোকসভার স্মোককাণ্ডকেই রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে চলতি শীতকালীন অধিবেশন কে পন্ড করতে চাইছে তারা।’’ প্রসঙ্গত, আজকের ৩৩ জনকে নিয়ে মোট ৪৭ জন লোকসভার সদস্যকে বিভিন্ন ইস্যুতে শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share