Tag: Bengali news

Bengali news

  • Shantiniketan: পৌষমেলার প্লট বুকিং নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি! কী হয়েছে জানেন?

    Shantiniketan: পৌষমেলার প্লট বুকিং নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি! কী হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনে (Shantiniketan) পৌষমেলার প্লট বুকিংয়ের জন্য চারগুণ ফি নেওয়া হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছিলেন। এটা নিয়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ ছিল। সেই ক্ষোভের মধ্যে এবার যোগ হল প্লট বুকিং নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Shantiniketan)

    পৌষমেলায় শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) পূর্বপল্লির মাঠে প্লট বুকিংয়ে জিএসটি নম্বর ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে রাজ্য ও কেন্দ্রের জিএসটি। এছাড়া, পৌষমেলার স্টলের জন্য প্লট বুকিংয়ের টাকা সরকারের কোন খাতে জমা পড়ছে কোন সদূত্তর নেই। অথচ, এই প্রথম পূর্বপল্লির মাঠে পৌষমেলা করছে রাজ্য সরকার।  ২০১৯ সালে শেষবার শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লীর মাঠে হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। তারপর থেকে আর হয়নি মেলা। তবে বোলপুর ডাকবাংলো মাঠে ২০২১ ও ২২ সালে বিকল্প পৌষমেলা করেছিল রাজ্য সরকার। এবার উপাচার্য হিসাবে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ শেষ হতেই সকলে মনে করেছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পৌষমেলা করবে। কিন্তু, রাজ্য সরকার মেলা করার জন্য বিশ্বভারতীর কাছে পৌষমেলার মাঠ চেয়ে আবেদন করে। দীর্ঘ টালবাহানার পর মাঠ দেয় বিশ্বভারতী।

    ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ২০১৯ সালের পর পূর্বপল্লির মাঠে হচ্ছে পৌষমেলা। তবে এই মেলার আয়োজক রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যের শুরু হয়ে গিয়েছে মেলার স্টলের জন্য প্লট বুকিং। আর এই প্লট বুকিং নিয়ে ব্যপক দুর্নীতি হচ্ছে। আর জিএসটি নম্বর ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে জিএসটি। শুধু স্টেট জিএসটি নয়, সেন্ট্রাল জিএসটিও নেওয়া হচ্ছে। অথচ কোনও জিএসটি নম্বর নেই, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এমনকী, রাজ্য সরকার মেলা করলেও সরকারের কোন খাতে এই প্লট বুকিংয়ের টাকা জমা পড়ছে তার উল্লেখ নেই। ব্যবসায়ীরা যথারীতি জিএসটি নম্বর ছাড়াই জিএসটি দিয়ে প্লট বুক করছে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ডাকবাংলো মাঠে বিকল্প পৌষমেলায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। তারপরেই পূর্বপল্লির পৌষমেলার প্লট বুকিং নিয়ে ব্যবসায়ীরা দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  •  Bardhaman: পাত্রী উধাও, বন্ধ ফোন! ছাদনাতলার বদলে পাত্র সোজা থানায়

     Bardhaman: পাত্রী উধাও, বন্ধ ফোন! ছাদনাতলার বদলে পাত্র সোজা থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাত্রী উধাও, বিয়ে করতে গিয়ে বর বিপাকে। রবিবার শীতের রাতে বিয়ে করতে যাওয়ার কথা ছিল বরের। পাত্রীপক্ষকে ফোন করলে জানা গেল, ফোন বন্ধ! বর বুঝলেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পূর্ব বর্ধমানের (Bardhaman) কাটোয়ার ফেরিঘাটে দাঁড়িয়েছিলেন বর। অবশেষে ছাদনাতলার বদলে পাত্র সোজা থানায় গেলেন। সেই সঙ্গে বর বললেন, “এমন ভাবে প্রতারিত হব, স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। কেন এমন ঘটল বুঝতে পারছি না। পুলিশকে জানিয়েছি। তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।”

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Bardhaman)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাত্র অর্থাৎ বর নদিয়ার কালীগঞ্জের বালিয়াদাঙা-ফরিদপুরের বসিন্দা। পাত্রের নাম নয়ন ঘোষ। যে পাত্রীর সঙ্গে বিবাহ হবে সেই পাত্রী জানিয়েছেন বিয়ে হবে কাটোয়ার (Bardhaman) এক আত্মীয়ের বাড়িতে। আর সেই মতোই পাত্র নয়ন ঘোষ পরিবারের আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুবান্ধব সহ ১৫ জনকে নিয়ে কাটোয়ার গোয়ালপাড়ার ঘাটে নামেন। তারপর থেকেই কন্যার এবং বাড়ির লোকজনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফোন সুইচ অফ হয়ে যায়।

    বরের অভিযোগ কী

    নদিয়ার বাসিন্দা বর নয়ন ঘোষ কাটোয়াতে (Bardhaman) বিয়ে করতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে বলেন, “বিয়ে করতে যাওয়ার পথে যেখানেই পৌঁছেছি সেখানেই কন্যার বাড়ির লোকজনকে ফোন করি। যতবার ফোন করি ঠিক ততবারই বলা হয় লোক পাঠাচ্ছি। এই ভাবে তিন ঘণ্টা কেটে গেলেও কেউ নিতে আসেনি। অবশেষে ধৈর্য হারিয়ে কন্যাকে ফোন করলে দেখা যায় ফোন বন্ধ। এরপর থানায় গিয়ে অভিযোগ করি।”

    কীভাবে বিবাহ ঠিক হয়েছিল?

    স্থানীয় (Bardhaman) সূত্রে জানা গিয়েছে রাজস্থানের জয়পুরের সোনার গহনা তৈরির কাজ করতেন নয়ন ঘোষ। তাঁর সঙ্গে মুর্শিদাবাদের এক সহকর্মী সোমনাথ ঘোষের মাধ্যমে বর্ধমানের দত্ত পাড়ার এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর সেখান থেকে তাঁদের আলাপ এবং তারপরে প্রেমও হয়। মাঝে মাঝে তাঁদের দেখা হতো। তরুণীর কথা মতো রবিবার বিয়ে ঠিক করা হয় তাদেরই এক আত্মীয়ের বাড়িতে। এরপরই ঘটে বিপত্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ‘অনেক মধু আছে, তাই দাঁড়়াতে চাইছেন’, দলীয় বিধায়ককে কেন বললেন চিরঞ্জিৎ?

    North 24 Parganas: ‘অনেক মধু আছে, তাই দাঁড়়াতে চাইছেন’, দলীয় বিধায়ককে কেন বললেন চিরঞ্জিৎ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলেরই এক বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের সেলিব্রিটি বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী। দলীয় বৈঠকে প্রকাশ্যে তাঁর ক্ষোভের কথা জানালেন বারাসতের বিধায়ক। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas) তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?(North 24 Parganas)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের সভা কক্ষে ১৪ ডিসেম্বর তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক ছিল। সেখানে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বারাসতের বিধায়ককে নিয়ে বেশ কিছু অনুযোগ করেছেন অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। তিনি শীর্ষ নেতৃত্বকে জানান, বারাসতে নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। সেখানকার নাগরিকরা নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারছেন না। পরিষেবা দেওয়ার মত জনপ্রতিনিধি বা নেতা সেখানে নেই। এতে নাগরিকরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। এতে সার্বিকভাবে তৃণমূলেরই ক্ষতি হচ্ছে। যদিও পরে বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামীকে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, যা বলার কোর কমিটির আলোচনায় বলব।

    নারায়ণ গোস্বামীকে নিয়ে এ কী বললেন চিরঞ্জিৎ?

    রবিবার উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলা গ্রন্থমেলায় এসে নারায়ণ গোস্বামী প্রসঙ্গে চিরঞ্জিৎ বলেন, আমায় মমতা যদি আর না দাঁড় করায় (বিধানসভা ভোটে), তা হলে হয়ত ও (নারায়ণ) ঢুকবে। তাই এক পা এগিয়ে রাখল।  বারাসত কেন্দ্রই পছন্দের নারায়ণের? তিনি তো এমনিতেই বিধায়ক। চিরঞ্জিতের ব্যাখ্যা, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে তাঁর কেন্দ্র থেকেই ভোটে লড়তে চেয়েছিলেন নারায়ণ। নারায়ণ হয়তো চাইছেন ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বারাসত থেকে দাঁড়াতে। তাই হয়ত নেতৃত্বের কাছে এ সব বলছেন। বারাসতে অনেক ব্যবসায়ী আছে। এখানে অনেক মধু আছে। তাই এখান থেকে দাঁড়াতে চায় ও।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    শাসকদলের বিধায়ক বনাম বিধায়কে এই দ্বন্দ্বে কটাক্ষের সুযোগ হাতছাড়া করেনি গেরুয়া শিবির।  বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়ের বলেন, তৃণমূল নিজেদের গোষ্ঠীকোন্দলে জেরবার। মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক দুর্নীতিকাণ্ডে জেলে। এ দিকে বিধায়ক বিধায়ককে আক্রমণ করছেন। এর ‘ফল’ লোকসভা নির্বাচনে পাবে তৃণমূল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir Ayodhya: বাংলার মৃৎশিল্পী জামালউদ্দিনের তৈরি শ্রীরামের মূর্তি বসবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    Ram Mandir Ayodhya: বাংলার মৃৎশিল্পী জামালউদ্দিনের তৈরি শ্রীরামের মূর্তি বসবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০০ বছরের রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সাফল্য রূপে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের গগনস্পর্শী মন্দির (Ram Mandir Ayodhya)। আগামী ২২ জানুয়ারির পুণ্য তিথিতে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু রামচন্দ্রের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হবে। আবার এই মন্দিরে বসতে চলেছে বাংলায় তৈরি হওয়া ১৬ ফুটের শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি। প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তিকে নিজের হাতে তৈরি করেছেন উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের মৃৎশিল্পী মহম্মদ জামালউদ্দিন এবং তাঁর ছেলে শিল্পী বিট্টু। এই কাজে এলাকায় মৃৎশিল্পীদের তীব্র উচ্ছ্বাস।

    মৃৎশিল্পী জামালের বক্তব্য (Ram Mandir Ayodhya)

    দত্তপুকুরের মৃৎশিল্পী মহম্মদ জামালউদ্দিন বলেন, “আমাদের নিজের পরিশ্রমে তৈরি প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি, অযোধ্যার মন্দিরে স্থাপন করা হবে এটা আমাদের কাছে ভীষণ আনন্দের বিষয়। আমি অত্যন্ত সাধারণ মুসলমান। আমার জীবনের অঙ্গ হল মূর্তি নির্মাণ করা। আমরা সব কিছুর উর্ধে উঠে দেশের জন্য কাজ করব। শ্রীরামের দুটি মূর্তি তৈরি করেছি। একটি মূর্তি আট মাস আগে পাড়ি দিয়েছে অযোধ্যায় (Ram Mandir Ayodhya)। আরেকটি মাস দেড়েক আগে পাঠানো হয়েছে। মূর্তি বানিয়ে পারিশ্রমিক হিসাবে ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পেয়েছি। মন্দির কমিটি জানিয়েছেন আগামী সপ্তাহে বাসানো হবে মূর্তি দুটি।”

    কীভাবে পেলেন মূর্তি নির্মাণের বরাত?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জামালের বাড়িতে মূর্তি নির্মাণের কারখানা রয়েছে। জামাল জানিয়েছেন, মূর্তি বানানোর কাজ শিখে হায়দ্রাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটিতে অনেক দিন কাজ করেছেন জামাল। পরে নিজের বাড়িতেই কারখানাকে আরও বড় করে মৃৎশিল্পের পসার বৃদ্ধি করেছেন তিনি। ফাইবার দিয়ে দুর্গা, কালী সহ নানান দেবদেবীর মূর্তি তৈরি করা হতো কারখানায়। সেই তাঁর সঙ্গে ছেলেও কাজ শেখেন। গত পাঁচ বছর ধরে নানা রাজ্যে তাঁদের তৈরি মূর্তি পাঠিয়েছেন। গত দুই বছর আগে উত্তর প্রদেশের এক বন্ধু তাঁকে শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি (Ram Mandir Ayodhya) বানানোর কথা জানিয়েছিলেন জামালকে। এরপর শ্রীরাম মন্দির ট্রাস্টের কর্মকর্তা আসেন দত্তপুকুরে। মূর্তি দুটি কেমন হবে সেই নকশা দিয়ে যান তাঁরা। ফলে দত্তপুকুরে যশোর রোডের দুই ধারের ছোট ছোট কারখানা চালানোর মৃৎ শিল্পীরা ব্যাপক আশার আলো দেখছেন।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি তুহিন মণ্ডল বলেন, “রাম রাজত্বে মানুষের কর্মই প্রাধান্য পেয়েছিল। রাম মন্দিরের (Ram Mandir Ayodhya) নির্মাণেও একই সাফল্য লক্ষ্য করা গেল।” অপর দিকে তৃণমূলের বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী কুর্নিশ জানিয়েছেন শিল্পী জামালকে। তিনি বলেছেন, একজন প্রকৃত শিল্পীর পরিচয় দিয়েছেন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: অনেক কিছু লুকানোর চেষ্টা করছে এসএসসি, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: অনেক কিছু লুকানোর চেষ্টা করছে এসএসসি, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় চলছে সারারাজ্যে। তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রী-বিধায়ক বর্তমানে জেলে রয়েছেন। সোমবার এসএসসি-এর বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে ফের অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ওএমআর সিটে কারসাজি, নিয়োগে অনিয়ম নিয়ে এদিন এসএসসিকে কার্যত ভর্ৎসনাও করে কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ২০ ডিসেম্বর। ওই দিন এসএসসিকে একাধিক বিষয়ে হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    হাইকোর্টে এসএসসির তৃতীয় রিপোর্ট

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এটা ছিল এসএসসি-এর জমা দেওয়া তৃতীয় রিপোর্ট। এবারেও এসএসসির রিপোর্টে সন্তুষ্ট হল না হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সাব্বার রশিদির ডিভিশন বেঞ্চে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। এখানে এসএসসি সম্পর্কে কড়া মন্তব্য করেন দুই বিচারপতি। আদালতে নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে হলফনামা জমা দিয়েছিল এসএসসি। কিন্তু সেখানেও বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ যে কিছু লুকোতে চাইছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এবং নিজেদের অবস্থান এখনও স্পষ্ট করতে পারেনি এসএসসি। এমনটাই মত দুই বিচারপতির। বিচারপতি (Calcutta High Court) দেবাংশু বসাক এদিন প্রশ্ন করেন, ‘‘এটা শুধুমাত্র নবম এবং দশমের নিয়োগের জন্য হলফনামা। এসএসসির গ্রুপ ডি ও গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগের হলফনামা কোথায়? এসএএসসির বাছাই কমিটি থাকা সত্ত্বেও কেন নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম হল?’’ বিচারপতি বসাক এদিন আরও বলেন, ‘‘বলতে বাধ্য হচ্ছি আপনারা অনেক কিছু লুকানোর চেষ্টা করছেন।’’

    আগেই ধরা পড়ে ৯৫২ জন চাকরিপ্রার্থীর ওএমআর শিটে অনিয়ম 

    প্রসঙ্গত সিবিআই তদন্তের ভিত্তিতে এবং হাইকোর্টের নির্দেশে নবম-দশমের নিয়োগে ৯৫২ জনের সুপারিশপত্র বাতিল করা হয়। জানা যায় ওই ৯৫২ জনের ওএমআর সিটে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়ে এবং তা স্বীকারও করে নেয় এসএসসি। বিচারপতি (Calcutta High Court) বসাকের এনিয়ে মন্তব্য, ‘‘এসএসসি বাছাই প্রক্রিয়া হয়েছে। ওএমআরশিট ম্যানিপুলেশন, গ্রুপ জাম্পিং এবং সুপারিশ ছাড়াই নিয়োগ পাওয়া নিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের অবস্থান কী, তা আমরা জানতে চাই। হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Swarveda Temple: ‘‘স্বরভেদ মন্দির ভারতের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ক্ষমতার আধুনিক প্রতীক’’, বললেন মোদি

    Swarveda Temple: ‘‘স্বরভেদ মন্দির ভারতের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ক্ষমতার আধুনিক প্রতীক’’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার বারাণসীর স্বরভেদ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন মন্দির উদ্বোধনের পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘স্বরভেদ (Swarveda temple) মন্দির ভারতের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ক্ষমতার আধুনিক প্রতীক।’’ প্রসঙ্গত বিশ্বের বৃহত্তম ধ্যান মন্দির হতে চলেছে এই স্বরভেদ মন্দির। এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘বেদ, উপনিষদ, রামায়ণ, গীতা, মহাভারত প্রভৃতি ধর্মগ্রন্থগুলির আধ্যাত্মিক শিক্ষাকেও অত্যন্ত সুন্দরভাবে চিত্রায়িত করা হয়েছে মন্দিরের দেওয়ালে। সাধুসন্তদের মার্গদর্শনে কাশীর সাধারণ মানুষ সর্বদাই উন্নতি এবং আধুনিকতায় নতুন উচ্চতা ছুঁয়ে চলেছে। তার উদাহরণ হল স্বরভেদ মন্দির।’’ প্রসঙ্গত, নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে দুই দিনের সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পাশাপাশি এখানে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রাতেও অংশগ্রহণ করতে দেখা যাবে প্রধানমন্ত্রীকে। এদিন মন্দির উদ্বোধনে তাঁর সঙ্গে অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও।

    স্বরভেদ নামকরণের মানে কী?

    স্বরভেদ (Swarveda temple) শব্দটি আসলে স্ব ও বেদ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। স্ব শব্দের অর্থ আত্মা এবং বেদ শব্দের অর্থ জ্ঞান। জ্ঞান বা আত্মজ্ঞান যে জিনিসের দ্বারা পাওয়া যায় তাকেই বলে স্বরভেদ। এই মন্দিরে নির্দিষ্ট কোনও দেবতার পুজো হবে না। তার পরিবর্তে ধ্যান করে আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন আগ্রহীরা। এই মন্দিরকে ধ্যানের পীঠস্থানও বলা যেতে পারে। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বারাণসী শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে উমরাহাতে অবস্থিত এই মন্দির। প্রসঙ্গত, এখানকার ‘সদগুরু সাদাফল দেব বিহঙ্গম যোগ সংস্থা’  এই মন্দির (Swarveda temple) নির্মাণ করেছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম যোদ্ধা ছিলেন মহর্ষি সাদাফল দেবজি মহারাজ। তাঁরই লেখা পুস্তক থেকে এই মন্দিরের এমন নামকরণ হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তিনি বিহঙ্গম ধ্যানের প্রতিষ্ঠাতা।

    মন্দিরের খুঁটিনাটি

    এই মন্দির সাততলার হতে চলেছে। তিন লাখ বর্গফুট এলাকা জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে এই মন্দির। মন্দির তৈরি হয়েছে মাকরানা মার্বেল দিয়ে। মন্দিরের মাথায় রয়েছে ১২৫টি পাপড়ি (পদ্মের গম্বুজ)। ১৫ জন ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৬,০০ শ্রমিক এই বিশাল মন্দির তৈরি করেছেন। আধুনিক আলোর মালায় এই মন্দিরের (Swarveda temple) সৌন্দর্য আরো বেশি ফুটে উঠছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ভোট পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত বিজেপি কর্মীর পাশে সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: ভোট পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত বিজেপি কর্মীর পাশে সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ক্ষতিগ্রস্ত এক বিজেপি কর্মীর পাশে দাঁড়ালো বিজেপি। ক্ষতিগ্রস্ত বিজেপি কর্মী পেশায় আখের রস বিক্রেতা ছিলেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) গঙ্গারামপুরের নন্দনপুরের ক্ষতিগ্রস্ত দলীয় কর্মীর হাতে নতুন আখের রস তৈরির মেশিন তুলে দেন। ব্যবসার নতুন সরঞ্জাম পেয়ে আখের রস বিক্রেতা সুকান্ত মজুমদারকে ভগবান রামের সঙ্গে তুলনা করলেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Sukanta Majumdar)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বিধানসভা ভোটের পরবর্তী সময়ে বিজেপি করার অপরাধে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের নন্দনপুর এলাকার আখের রস বিক্রেতা সুদীপ তরফদার নামে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ওই বিজেপি কর্মীর বাড়ির উপর হামলা চালায়। ওই দলীয় কর্মীর সাইকেল এবং ব্যবসায়িক সামগ্রী আখের রস তৈরির মেশিন লুট করে। স্বাভাবিকভাবেই ওই ব্যবসায়ী আর্থিক সমস্যায় পড়েন। ক্ষতিগ্রস্ত বিজেপি কর্মীর আর্থিক সমস্যার কথা মাথায় রেখে  বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁর হাতে আখের রস তৈরির নতুন মেশিন তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    ক্ষতিগ্রস্ত বিজেপি কর্মী কী বললেন?

    এই বিষয়ে ওই আখের রস বিক্রেতা সুদীপ তরফদার বলেন, আমি এই আখের রস মেশিন সামগ্রী পেয়ে খুশি। আমি আবার নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে পারব। গত বিধানসভা ভোটের সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমার বাড়িতে এসে হামলা চালায়। আখের রস তৈরির করার মেশিনটি লুট করে। বিষয়টি জানার পর আমাকে ব্যবসা করার জন্য নতুন মেশিন কিনে দিয়েছেন আমাদের সাংসদ। তিনি প্রভু রামের মতো আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এতে চরম উপকৃত হয়েছি।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিজেপি কর্মীদের সবসময় পাশে রয়েছি। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ক্ষতিগ্রস্ত দলীয় কর্মী তথা আখের ওই রস বিক্রেতার হাতে নতুন মেশিন তুলে দেওয়া হয়। নতুন করে ব্যবসা শুরু করে তিনি আগের মতো ব্যবসা করতে পারবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IAF Jet Crash: নিজের জীবনের বিনিময়ে কয়েকশো গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচালেন বায়ুসেনার পাইলট অভিমন্যু

    IAF Jet Crash: নিজের জীবনের বিনিময়ে কয়েকশো গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচালেন বায়ুসেনার পাইলট অভিমন্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের জীবনের বিনিময়ে কয়েকশো গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচালেন বায়ুসেনার এক জওয়ান (IAF Jet Crash)। দেরাদুনের বাসিন্দা ৩৩ বছরের অভিমন্যু রাই বায়ুসেনার স্কোয়াড্রন লিডার ছিলেন। গত মাসে হায়দরাবাদ এয়ারপোর্টের ট্রেনিং অ্যাকাডেমি থেকে একটি ট্রেনার জেট নিয়ে আকাশে ওড়েন অভিমন্যু। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটিতে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। অভিমন্যু বুঝতে পারেন যে দুর্ঘটনা আসন্ন। সে সময় বিমানটি একটি গ্রামের উপরে ভেঙে পড়তে পারতো যার ফলে প্রাণ যেত অসংখ্য নিরীহ মানুষের। অভিমন্যুর সামনে বিকল্প ছিল যে লাফ দিয়ে বিমান থেকে নেমে পড়া কিন্তু সেটা হলে বিমান (IAF Jet Crash) ওই গ্রামেই ভেঙে পড়তো। তাই বিমানটিকে অন্যত্র নিয়ে যান অভিমন্যু। কিছুক্ষণের মধ্যেই জেট বিমানটি ভেঙে পড়ে এতে মারা যান তিনি।

    অভিমন্যুর কাজকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন বায়ুসেনার আধিকারিকরা

    তাঁর এই কাজকে কুর্নিশ জানিয়েছেন বায়ু সেনার (IAF Jet Crash) আধিকারিকরা, তাঁরা বলছেন, ‘‘নিজের জীবন দিয়ে কয়েকশো গ্রামবাসীর প্রাণ বাঁচালেন অভিমন্যু। জানা গিয়েছে, অভিমন্যুর স্ত্রী অক্ষতা রাই তিনিও বায়ুসেনার একজন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার। এর পাশাপাশি অভিমুন্য রাইয়ের পুরো পরিবারই সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর বাবা বিমান বাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন বলে জানা গিয়েছে। হায়দরাবাদেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় তাঁর সে সময় হাজির ছিলেন তাঁর সহকর্মীরা।

    ভিভিআইপি-দের পাইলট ছিলেন অভিমন্যু

    জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী সহ ভিভিআইপিদের বিমান চালানোর জন্য ৯ জন পাইলটের যে টিম ছিল সেখানকারই একজন ছিলেন অভিমন্যু। নিজের ব্যাচমেট ও জুনিয়রদের সঙ্গে অভিমন্যুর খুব ভালো সম্পর্ক ছিল বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে অভিমন্যুর মা বলেন, ‘‘গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনকে অগ্রাধিকার (IAF Jet Crash) দিয়েছিল সে, না হলে সে সহজেই বিমান থেকে বের হয়ে যেতে পারত। নিজের নামকে সার্থক করেছে সে।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, অনুপ্রেরণামূলক সিনেমা দেখতেই পছন্দ করতেন অভিমন্যু। ঘটনার আগের দিন রাতেই তিনি ‘শ্যাম বাহাদুর’ ছবিটি দেখেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tanuja: মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি বলিউড অভিনেত্রী কাজলের মা তনুজা, ভক্ত মহলে উদ্বেগ

    Tanuja: মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি বলিউড অভিনেত্রী কাজলের মা তনুজা, ভক্ত মহলে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ হয়ে মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি বলিউড অভিনেত্রী কাজলের মা তনুজা (Tanuja)। সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেলে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে রয়েছেন। উল্লেখ্য, তাঁকে ২০১৮ সালে শেষ ‘সোনার পাহাড়’ বাংলা ছায়াছবিতে কাজ করতে দেখা গিয়েছে।

    জুহু হাসপাতাল সূত্রে কী খবর (Tanuja)?

    মুম্বই জুহু হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী তনুজা (Tanuja) বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়েছেন। তাঁকে চিকিৎসকদের নজরে রাখা হয়েছে। তবে সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তিনি এখন ভালো রয়েছেন, চিন্তার তেমন কোনও কারণ নেই। তাঁর পরিস্থিতি আপাতত স্থিতিশীল।

    বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন তনুজা

    চলচ্চিত্র পরিচালক কুমারসেন সমর্থ এবং অভিনেত্রী শোভনা সমর্থের মেয়ে হলেন তনুজা সমর্থ (Tanuja)। ১৯৭৩ সালে চিত্র পরিচালক সমু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তনুজার। তাঁদের দুই কন্যাসন্তান কাজল এবং তানিশা। ১৯৫০ সাল থেকে ‘হামারি বেটি’ সিনেমা দিয়ে কাজের শুরু তনুজার। ১৯৬০ সালে নিজের মা শোভনার ‘ছাবিলি’ সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন তনুজা। এছাড়াও ১৯৬১ সালে ‘হামারি ইয়াদ আয়েগি’ ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। অভিনয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

    বাংলা সিনেমাতেও কাজ করেছেন তনুজা

    তনুজা (Tanuja) হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি বাংলা সিনেমায়ও অনেক কাজ করেছেন। ১৯৬৩ সালে উত্তম কুমারের সঙ্গে ‘দেয়া নেয়া’ ছবিতে অভিনয় করেন। এরপর ১৯৬৭ সালে ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’, ১৯৬৯ সালে ‘তিন ভুবনের পারে’ এবং ‘প্রথম কদম ফুল’, ১৯৭০ সালে ‘রাজকুমারী’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয় করে প্রচুর দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি। এছাড়াও ‘বাহারে ফির ভি’, ‘জুয়েল থিফ’, ‘হাতি মেরে সাথী’ ‘মেরে জীবন সাথী’-সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করে সম্মানিত হয়েছেন। তবে ১৯৬৭ সালের ‘জুয়েল থিফ’ সিনেমায় সহ অভিনেত্রী হিসাবে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন তিনি। আবার ১৯৬৯ সালে ‘প্যায়সা ইয়া পেয়ার’ ছবির জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান তনুজা। তাঁর অসুস্থতায় ভক্ত মহলে উদ্বেগের ছায়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: এ যেন পাকা ধানে মই! জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের জমি, মাথায় হাত চাষিদের

    Arambagh: এ যেন পাকা ধানে মই! জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের জমি, মাথায় হাত চাষিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অকাল বৃষ্টির পর এবার ক্যানেলে হঠাৎ ছাড়া জল। যার জেরে জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের ধান জমি। ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা ফসলের। যার জেরেই ক্ষোভ জমছে চাষিদের মধ্যে। একদিকে হঠাৎ জল ছাড়ায়, অন্যদিকে ক্যানেল সংস্কার না করায় এই পরিস্থিতি বলে অভিযোগ কৃষকদের। যদিও তাদের কোনও গাফিলতি নয়, পাল্টা সেচ দফতরের উপর দায় চাপিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত আরামবাগ (Arambagh) পৌরসভা। ঘটনাটি ঘটেছে এই পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের বাদলকনা এলাকায়।

    চাষিরা কী বললেন? (Arambagh)

    আরামবাগের (Arambagh) বাদলতনা এলাকার মাঠের উপর দিয়েই বয়ে গেছে ক্যানেল ও খাল। একটি খাল রক্ষনাবেক্ষণ করে আরামবাগ পৌরসভা, আর অপরটি সেচ দফতর। কিন্তু, কৃষকদের অভিযোগ, দুটি ক্যানেল দীর্ঘ দিন ধরেই সংস্কার হয়নি। আবর্জনায় মজে গেছে। তার জেরেই জল নিকাশি হয় না ঠিক মতো। আর সেই কারণেই জমিতে ক্যানেলের জল উপচে ঢুকছে। মাঠের অর্ধেক ফসল তোলা হয়নি। জলমগ্ন হয়ে পরেছে ধান জমিতে। জলমগ্ন জমি থেকে ধান ছেঁকে পাড়ে তুলছেন। চাষিদের বক্তব্য, ফসলের এত বড় ক্ষতির দায় কে নেবে। ফসল নষ্ট হয়ে গেলো ঋণ শোধ হবে কী করে? জলপাওয়া ধান বাজারে বিক্রি করতে গেলে বাজার মূল্য অনেক কম হবে। ফসলের এই ক্ষতি পূরণের জন্য সরকার যদি কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হব। কৃষকদের প্রশ্ন, পৌরসভা হোক বা সেচ দফতর কেন এতদিন ধরে খাল সংস্কার করেনি? কেনই বা হঠাৎ করে মাঠের ধান ওঠার আগেই জল ছেড়ে দেওয়া হল? এই ক্ষতিপূরণ কে দেবে?

    ডিভিসি-কে দায়ী করল পুর কর্তৃপক্ষ

    আরামবাগ (Arambagh) পৌরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভান্ডারী বলেন, জমিতে জল ঢোকার জন্য ডিভিসি দায়ী। কাউকেই না জানিয়ে ডিভিসি জল ছেড়ে দেওয়ায় এই বিপত্তি হয়েছে। পাশাপাশি পৌরসভার রক্ষনাবেক্ষনে যে খাল রয়েছে তাও সংস্কার করার কাজ চলছে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, সব জায়গাতেই তো কাটমানি খাচ্ছে শাসক দলের নেতা-নেত্রীরা। এখানেও হয়তো কোনও ঘটনা ঘটেছে যার জেরে খাল সংস্কার হয়নি। আমরা ক্ষমতায় আসার পর অন্নদাতা কৃষকদের জন্য কোনও সমস্যা রাখবো না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share