Tag: Bengali news

Bengali news

  • Tour and Travel: বেড়ানোর ইচ্ছায় সাধের বাড়ি বিক্রি করে এখন ভাড়া বাড়িতে! কেন জানেন?

    Tour and Travel: বেড়ানোর ইচ্ছায় সাধের বাড়ি বিক্রি করে এখন ভাড়া বাড়িতে! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথাতেই আছে, ইচ্ছের দাম লক্ষ টাকা। স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? আর সেই স্বপ্ন পূরণ হলে তো আরও আনন্দের ব্যাপার। কিন্তু স্বপ্ন পূরণ করার প্রচেষ্টায় যদি সেটি জীবনের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে কী হবে? ঠিক এই রকমই এক ঘটনা ঘটেছে আমেরিকার বাসিন্দা এক মহিলা কেরি উইটম্যান-এর সাথে। নিজের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য তিনি তাঁর বাড়ি বিক্রি করে মাথার ছাদ পর্যন্ত হারিয়েছেন। আর তাঁর এই ঘটনাটি (Tour and Travel) গোটা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে হু-হু করে। কিন্তু কী এমন ঘটেছে যে তাঁকে এই দিনের মুখোমুখি হতে হয়েছে?

    কী এমন ঘটেছে? (Tour and Travel) 

    আমেরিকার বাসিন্দা কেরি উইটম্যান গত বছর একটি বিজ্ঞাপন দেখেন, যেখানে একটি ক্রুজে চড়ে বিশ্বের ১৪৮ টি দেশ ঘুরে দেখার কথা বলা হয়। সেখান থেকেই শুরু হয় কেরি উইটম্যানের স্বপ্ন পূরণের ইচ্ছা। ৩ বছর ধরে চলবে এই ক্রুজ ভ্রমণ। সমস্তটা জলপথের মাধ্যমেই বিশ্বের ১৪৮ টি দেশে পৌঁছানো হবে, এমনটাই জানানো হয়েছিল বিজ্ঞাপনে। আর এই সমস্ত ভ্রমণের জন্য ভ্রমণকারীর ১ লক্ষ ডলারের প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছিল ক্রুজ কোম্পানির তরফ থেকে। কিন্তু সেই মুহূর্তে কেরি উইটম্যানের কাছে অত টাকা না থাকায় তিনি তাঁর নিজের বাড়ি বিক্রি করে ৩২ হাজার ডলার অগ্রিমের বিনিময়ে (ভারতীয় মুদ্রায় ২৬ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৮৪ টাকা) একটি টিকিট কাটেন। তিনি এই ভেবে তাঁর সিদ্ধান্তে এগিয়ে যান যে, আগামী ৩ বছর ধরে চলবে এই ভ্রমণ। এই তিন বছর তিনি তাই জাহাজেই কাটিয়ে দেবেন এবং সেই জাহাজ থেকেই অফিসের অনলাইন কাজও করতে পারবেন। আবার পরবর্তীতে ভ্রমণ (Tour and Travel) শেষে নিজে অন্য বাড়ি কিনে বসবাস করবেন.

    এবারই আসল বিপত্তি

    বহু বছর থেকেই ক্রুজে চড়ে বিশ্ব ভ্রমণের (Tour and Travel) ইচ্ছা তাঁর। কিন্তু তাঁর এই স্বপ্ন হঠাৎই দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। ২০২২ সালে স্বপ্ন পূরণ করতে বাড়ি বিক্রি করে ওই টাকা তিনি ‘লাইফ অ্যাট সি ক্রুজ’ কোম্পানিতে জমা করেন। কোম্পানির তরফ থেকে জানানো হয়, আগামী ১লা নভেম্বর ইস্তানবুল থেকে যাত্রা শুরু করবে ক্রুজটি। কিন্তু সেই তারিখ বদলে যায় হঠাৎ। জানানো হয়, সেই ভ্রমণের তারিখটি পরিবর্তন হয়ে ১১ তারিখ হবে। দুর্ভাগ্যবশত আবার পরিবর্তন হয় এই তারিখ ৩০ তারিখে। আবার পরবর্তীতে কোম্পানি জানায়, এই যাত্রাটি আর হচ্ছে না, বাতিল করা হয়েছে। ক্রুজটির নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় এটি বাতিল করা হয়।

    বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছেন

    আর এবারেই মাথায় হাত পড়ে কেরি উইটম্যানের। ইতিমধ্যে তিনি তাঁর বাড়ি বিক্রি করে ফেলেছেন। মাথা গোঁজার ঠাঁই পর্যন্ত নেই। কোম্পানির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কয়েক মাসের মধ্যে সমস্ত টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ততদিন উইটম্যান একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছেন। তাঁর দেওয়া টিকিটের (Tour and Travel) অগ্রিম ৩২ হাজার ডলার হাতে পাওয়া এখনও অনিশ্চিত। হয়তো একই বলে অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantiniketan: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! সবুজ সংকেত বিশ্বভারতীর

    Shantiniketan: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! সবুজ সংকেত বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা আয়োজিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর পূর্বপল্লির মাঠেই। তিন বছর বাদে আবারও পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষ মেলা। দিন দুয়েক আগেই জেলা প্রশাসনের তরফে মাঠ চেয়ে বিশ্বভারতীর কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফে পূর্বপল্লির মাঠ পৌষমেলার জন্য জেলা প্রশাসনকে দেওয়ার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। তাই মনে করা হচ্ছে সব কিছু ঠিক থাকলে তিন বছর বাদে ফের পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরতে চলেছে শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা। তবে এতদিন অবধি এই মেলা পরিচালনা করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ আর তার আহ্বায়ক ছিল শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। তবে, এই বছর পূর্বপল্লির মাঠে মেলা আয়োজিত হলে এবারও জেলা প্রশাসন পরিচালনা করবে।

    বিশ্বভারতীর কাছে মাঠ চেয়ে আবেদন প্রশাসনের (Shantiniketan)

    ২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের কারণে মেলা হয়নি। তার পরবর্তী দুই বছর বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী মেলা করেননি, এমন অভিযোগ উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। তারই বিকল্প হিসেবে বোলপুরের ডাকবাংলা ময়দানে মেলা করেছে জেলা প্রশাসন। এই বছর বিদ্যুৎ চক্রবর্তী ৮ নভেম্বর উপাচার্য রূপে তাঁর মেয়াদ শেষ করেন। তারপরেই শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) পূর্বপল্লির মাঠে মেলা হবে এমনটাই ভেবেছিলেন অনেকে। তবে, প্রথমে বিশ্বভারতীর তরফে সময় ও পরিকাঠামোর অভাবে পূর্বপল্লির মাঠে মেলা করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারপর জেলা প্রশাসনের তরফে বৈঠক করে বিশ্বভারতীর কাছে মাঠ চেয়ে আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনেই সাড়া দিয়েছে বিশ্বভারতী।

    মেলা নিয়ে বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    বিশ্বভারতীর কর্মসচিব অশোক মাহাত বলেন, ‘পৌষমেলা হোক আমরা চেয়েছিলাম। কিন্তু, মেলাকে ঘিরে সমস্ত তিক্ততার অবসান চেয়েছিলাম। পাশাপাশি, অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে কতকগুলি বিষয় বিবেচনার জন্য বলেছি।’ জানা গিয়েছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “খেলার মাঠ খেলা ছাড়া অন্য কাজে নয়, ঘোষণা করুন মুখ্যমন্ত্রী”, চ্যালেঞ্জ বিজেপি বিধায়কের

    Siliguri: “খেলার মাঠ খেলা ছাড়া অন্য কাজে নয়, ঘোষণা করুন মুখ্যমন্ত্রী”, চ্যালেঞ্জ বিজেপি বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) প্রশাসনিক বৈঠকের দিন চ্যালেঞ্জের মুখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুরে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক হচ্ছে। খেলা বন্ধ করে খেলার মাঠকে এভাবে ব্যবহার করার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে সোমবার রাতে গ্রেফতার হন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। মধ্যরাত নাগাদ শিলিগুড়ি থানা থেকে মুক্তি পান তিনি। মুক্তি পেয়েই খেলার মাঠকে খেলার জন্য ব্যবহার করার ঘোষণার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন বিজেপি বিধায়ক।

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক করার প্রতিবাদে প্রথম থেকেই সরব হন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সোমবার সন্ধ্যায় ধর্নায় বসেন বিধায়ক। পুলিশ তাঁকে টেনে হিঁচড়ে থানায় নিয়ে যায়। রাত পর্যন্ত  শিলিগুড়ি (Siliguri) থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতাকর্মীরা। শেষ পর্যন্ত মধ্যরাত নাগাদ শঙ্কর ঘোষ ও তাঁর অনুগামীদের ছেড়ে দেয় পুলিশ। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, আমি সন্ত্রাসবাদী নই, আমি খেলোয়াড়। যেভাবে শয়ে শয়ে পুলিশ, জলকামান, কমব্যাট ফোর্স ইত্যাদি নামিয়ে এই ধর্না আটকানোর চেষ্টা হয়েছে তা দেখে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এটা জানাতে চাই যে, কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে ফুটবল, ক্রিকেট লিগ খেলে আমি বড় হয়েছি। আমি সন্ত্রাসবাদী নই। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আবেদন রেখেছিলাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সরকারি কর্মসূচি না করে, আপনি আপনার কর্মসূচি অন্য জায়গায় করুন। খেলার মাঠকে বাঁচতে দিন।

     মুখ্যমন্ত্রীকে কী চ্যালেঞ্জ জানালেন বিজেপি বিধায়ক?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) স্টেডিয়াম নিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলনের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে শঙ্কর ঘোষ বলেন, “মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী আপনি কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের মাঠ থেকে সরকারি ঘোষণা করুন যে খেলার মাঠ খেলা ছাড়া অন্য কাজে ব্যবহৃত হবে না। তা না হলে আপনার কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর উত্তরবঙ্গের সমস্ত মাঠ সুরক্ষার দাবি নিয়ে খেলোয়াড়, ক্রীড়াপ্রেমী এবং নাগরিকদেরকে নিয়ে রাস্তায় আরও বড়সড় প্রতিবাদে নামবো।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: যাদবপুরের ছায়া রায়গঞ্জে! সিনিয়রদের বেধড়ক মারে অচৈতন্য মেডিক্যাল পড়ুয়া

    Raiganj: যাদবপুরের ছায়া রায়গঞ্জে! সিনিয়রদের বেধড়ক মারে অচৈতন্য মেডিক্যাল পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের যাদবপুরের ছায়া রায়গঞ্জে (Raiganj)। এবার রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের একাংশকে শারীরিক ও মানসিক নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠল তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। ঘটনার রীতিমতো আতঙ্কিত নিগৃহীত পড়ুয়ারা। তাদের ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj)

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাগিং কাণ্ড ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র‍্যাগিং রুখতে নড়েচড়ে বসেছিল সরকার থেকে শুরু করে প্রশাসন। কিন্তু তার পরেও মাঝে মধ্যেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে সিনিয়রদের দ্বারা জুনিয়রদের নিগ্রহের ঘটনা। এবার এমনই অভিযোগ উঠল রায়গঞ্জ (Raiganj) মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে। এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের একাংশ সিনিয়রদের বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে সরব হন। ৩ ডিসেম্বর হস্টেল ক্যাম্পাসে একটি বার্থ ডে পার্টির সেলিব্রেশন ঘিরে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। নিগৃহীত মেডিক্যাল পড়ুয়াদের অভিযোগ, তাঁরা ওই দিন এক সহপাঠীর বার্থ ডে সেলিব্রেট করছিলেন। তখনই সিনিয়র অর্থাৎ তৃতীয় বর্ষের কিছু পড়ুয়া তাঁদের বকাঝকা করে। তখনকার মতো ঝামেলা মিটে গেলেও ওই ইস্যুতেই ৮ ডিসেম্বর গভীর রাতে তাদের ডেকে পাঠান সিনিয়ররা। অভিযোগ, এরপরই জুনিয়রদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। মারধর পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ। সিনিয়রদের নির্যাতনের প্রতিবাদে জুনিয়ররা জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানান। দোষীদের শাস্তির দাবিতে কলেজ ক্যাম্পাসে জোটবদ্ধ হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

    নির্যাতিত ছাত্র কী বললেন?

    কোমল মীনা নামের এক জুনিয়র ছাত্র বলেন, সিনিয়ররা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। আমি অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলাম। পরে, জল ঢেলে আমাকে সুস্থ করে আবার নির্যাতন করা হয়। আমাদের আবার মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। যার জেরে আতঙ্কিত রাজস্থানের বাসিন্দা এই মেডিক্যাল পড়ুয়া। নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন তিনি। ঘটনায় রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন ছাত্রীরাও। রিয়া সিং নামের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী বলেন, ওই ঘটনার পর আমরা আতঙ্কে হস্টেলে থাকতে পারছি না। আমাকে উদ্দেশ্য করে নানা কুমন্তব্য করা হচ্ছে।

    অভিযোগ অস্বীকার তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ার

    জুনিয়রদের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রিষভ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ছাত্রছাত্রীরা কলেজে নেশা করে। কলেজের পঠন-পাঠনের পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে, পাল্টা অভিযোগ এনেছেন তিনি। এ বিষয়ে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন ।

    ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কী বললেন?

    এ ঘটনায় রায়গঞ্জ (Raiganj) মেডিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডঃ বিদ্যুৎ বন্দোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ট্রাম বন্ধ করার আর্জিতে ক্ষোভ প্রকাশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির

    Calcutta High Court: ট্রাম বন্ধ করার আর্জিতে ক্ষোভ প্রকাশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ার মধ্যে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাম পরিষেবা শুরু হয় কলকাতাতেই। এবার সেই ট্রামকেই বন্ধ করে দেওয়ার আর্জিতে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন খোদ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। এই ইস্যুতে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court)। এর পাশাপাশি হাইকোর্ট এদিন আরও জানিয়েছে যে ট্রাম বন্ধ নিয়ে কলকাতা পুলিশ একা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

    ট্রাম বন্ধ করতে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, শহরে ট্রাম চলাচল বন্ধ করার আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয় আগেই। সোমবারই এই মামলার শুনানি ছিল এবং সেখানে কলকাতা পুলিশ ট্রাম চালানোর বিরোধিতা করতে শুরু করে। তার কারণ হিসেবে তারা যানজটকে তুলে ধরে এবং ট্রামের যে ধীরগতি সেটাকেও কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়। যদিও কলকাতা পুলিশ তথা রাজ্য সরকারের এই জবাবে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘ট্রাম কর্তৃপক্ষ শুধু ট্রাম বিক্রি করতে বসে রয়েছেন? কর্মচারীদের বেতন দেওয়া বা কী ভাবে পুনরায় যাত্রী পরিষেবা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে কোনও চিন্তাভাবনাই নেই তাঁদের?’’

    আধুনিক মানের গড়ে তুলতে ট্রামকে

    কলকাতা হাইকোর্ট এদিন আরও জানায় যে ট্রাম চালানোর বিষয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। দরকার পড়লে পিপিপি মডেলের মতো কিছু ভাবতে বলেছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। ট্রামের আধুনিকীকরণের জন্য তৈরি হবে একটি কমিটিও। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি এদিন বলেন, ‘‘ট্রাম রাজ্যের ঐতিহ্য। তাকে রক্ষা করতে হবে। অহেতুক তর্কবিতর্ক না করে গঠনমূলক আলোচনা প্রয়োজন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কীভাবে ট্রামকে আধুনিক করা যায়, সে কথা ভাবতে হবে। অত্যাধুনিক ট্রাম করতে হবে যাতে প্রবীণ বা পুরনো যাত্রীরা নয়, যুবক-যুবতীরা ট্রামে চড়ার আকর্ষণ বোধ করেন।’’ এছাড়াও কমিটি দেখবে, ট্রাম পরিষেবা পুনরায় কীভাবে ভালোমতো চালু করা যায়। কলকাতা পুলিশের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে তারাই। রাজ্য আগামী দিনে আদালতকে ফলপ্রসূ কিছু জানাবে, এমনটাই আশা কলকাতা হাইকোর্টের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Article 370: ৩৭০ ধারা বিচ্ছিন্নতাবাদকেই প্রশয় দিচ্ছিল, রাজ্যসভায় জানালেন অমিত শাহ

    Article 370: ৩৭০ ধারা বিচ্ছিন্নতাবাদকেই প্রশয় দিচ্ছিল, রাজ্যসভায় জানালেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই বেরিয়েছে ৩৭০ ধারা (Article 370) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়। কেন্দ্রের সিন্ধান্ত যে অসাংবিধানিক নয়, তা সাফ জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। এর পরেই ‘সুপ্রিম রায়’কে হাতিয়ার করে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করলেন অমিত শাহ। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যসভায় বলেন, ‘‘৩৭০ ধারাই কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রশ্রয় দিচ্ছিল।’’ তবে অমিত শাহ যে শুধুমাত্র মুসলিম সম্প্রদায়কে আক্রমণ করেননি, সেটাও তিনি নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন। তিনি জানিয়েছেন, মুসলিমরা বেশি সংখ্যায় রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর ছাড়াও এরকম অনেক রাজ্য রয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনও রকমের সন্ত্রাসবাদ নেই কারণ ৩৭০ ধারাই (Article 370) সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দিচ্ছিল।

    খুশি নয় কংগ্রেস

    অমিত শাহ এদিন কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আজকের রায়ে হয়তো কংগ্রেস নেতারা খুশি নন এবং তাঁরা প্রকাশ্যেই বলছেন যে তাঁরা এই রায়ের সঙ্গে একমত নন। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370) তুলে নেয় মোদি সরকার। এর পর থেকেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অজস্র মামলা জমা হতে থাকে সুপ্রিম কোর্টে। সব মামলাগুলিকে এক করে সোমবার রায়দান করে শীর্ষ আদালত। এদিন কাশ্মীর ইস্যুতে নেহরু সরকারকেও তুলোধনা করেন অমিত শাহ।

    কাশ্মীরে ভুল করেছিলেন নেহরু

    সোমবার রাজ্যসভায় শাহ বলেন, ‘‘কাশ্মীর ইস্যুতে যে দুটি বড় ভুল করেছিলেন, তা স্বীকার করে নিয়েছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহরু।’’ এরপর অমিত শাহ নেহরুর একটি উদ্ধৃতি পড়তে শুরু করেন। সেটি হল, ‘‘সংঘর্ষবিরতি চুক্তি করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, সেটা ভালো মনে হয়েছিল। কিন্তু এই বিষয়টা আমরা ঠিক ভাবে সামলাতে পারিনি। পরিস্থিতিটা বুঝতে পারিনি। আরও কিছুটা ভাবনা-চিন্তা করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’’ প্রসঙ্গত, নেহরুর আমলে পাকিস্তান যুদ্ধের সময়ই ভারতীয় সেনা যদি আর ২ দিন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকত, তাহলে গোটা উপত্যকা ভারতের হত বলে এদিন রাজ্যসভায় শাহ জানান। শাহ দাবি করেন, তিনি যে উদ্ধৃতি পড়েছেন, সেটা বলেছিলেন স্বয়ং নেহরু। তার পরেই বিরোধীদের নিশানা করে বলেন, ‘‘এবার তো ওঁর কথা মেনে নেবেন… মানবেন যে উনি ভুল করেছিলেন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১২/১২/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১২/১২/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি ব্যবসা থাকলে বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা। 

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীর সঙ্গে বিবাদে সংযত থাকুন।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান। 

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    সিংহ

    ১) খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা। 

    কন্যা

    ১)কোনও নিকটাত্মীয়ের চক্রান্তে সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে। 

    তুলা

    ১) মনে দুর্বুদ্ধির উদয় হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের সুযোগ।

    ২) আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভাল সময়।

    মকর

    ১) বিষয়সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    কুম্ভ

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথা নিয়ে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কিছু কেনার জন্য খরচ বাড়তে পারে। 

    মীন

    ১) ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভাল।

    ২)সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনে হাজির থাকছেন পর্দার রাম অরুণ গোভিলও

    Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনে হাজির থাকছেন পর্দার রাম অরুণ গোভিলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাকি রয়েছে আর মাত্র এক মাস। ইতিমধ্যে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যে সমস্ত বিশিষ্ট জন্য উপস্থিত থাকবেন তাদের তালিকা তৈরি করা হয়ে গেছে। রাম মন্দিরের অতিথি তালিকায় রয়েছেন পর্দার রাম অভিনেতা অরুণ গোভিল। সূত্রের খবর, আমন্ত্রিতের তালিকায় রয়েছেন পর্দার সীতা দীপিকা চিখলিয়াও। এক সাক্ষাৎকারে অরুণ গোভিল বলেন, “হ্যাঁ আমি আমন্ত্রণ পেয়েছি। এ এক বিরাট মুহূর্ত, খুশির মুহূর্ত এবং সুবর্ণ সুযোগ।” 

    কারা আমন্ত্রিত?

    আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন, অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে অক্ষয় কুমার, কঙ্গনা রানাউত, সুনীল গাওস্কর, শচীন তেন্ডুলকর, রতন টাটা, বিরাট কোহলি, মুকেশ অম্বানী, গৌতম আদানির মতো ব্যক্তিত্ব। আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও অন্যান্য রাজনীতিবিদ। সেই তালিকায় যুক্ত হলেন অরুণ গোভিল। আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা মোট ৪ হাজার।

    গর্ভগৃহের ছবি প্রকাশ্যে 

    ইতিমধ্যে শনিবারে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, মন্দিরের গর্ভগৃহের দুটি ছবি পোস্ট করেছেন। জানা গিয়েছে, সেখানেই রামলালার মূর্তিকে প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি প্রতিষ্ঠার দিনে মোট ৫০ টি দেশের আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। পুজোর পরে বিগ্রহের চক্ষুদানও করা হবে। পুজোয় যজমানের ভূমিকায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রামলালার তিনটি মূর্তি তৈরীর কাজ বর্তমানে চলছে এবং পাথর আনা হয়েছে কর্ণাটক ও রাজস্থান থেকে।  রামলালার মূর্তি তৈরীর কাজ করে চলেছেন গণেশ ভাট, অরুণ যোগীরাজ এবং সত্যনারায়ণ পান্ডে। জানা গিয়েছে, উপরের অংশের ৭০টি পিলারের ভাস্কর্যের কাজ এখনও বাকি রয়েছে। দক্ষিণ দিকের বেসমেন্টের কাজ বর্তমানে শেষ হয়েছে। জানা গিয়েছে, রামলালা অবস্থান করবেন গর্ভগৃহে। সেই গর্ভগৃহ নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আবার সমগ্র রাম মন্দির জুড়ে থাকবে আলোর মালা, সেই আলোকসজ্জার কাজও প্রায় শেষ হয়ে এসেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিজেপির ধর্নাকেও ভয়! বিধায়ককে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গেল পুলিশ, কেন জানেন?

    Siliguri: বিজেপির ধর্নাকেও ভয়! বিধায়ককে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গেল পুলিশ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়ির বিধায়ক বিজেপির শঙ্কর ঘোষকে টেনে হিঁচড়ে থানায় নিয়ে গেল পুলিশ। এই ঘটনায় এদিন সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে (Siliguri) রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিধায়কের নিশর্ত মুক্তির দাবিতে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব ও কার্যকর্তারা শিলিগুড়ি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান।

    কেন পুলিশের এই পদক্ষেপ? (Siliguri)  

    ১২ডিসেম্বর, মঙ্গলবার কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক আগেই ঘোষণা হয়েছে। এজন্য গত ৪ ডিসেম্বর থেকে কাঞ্চনজঙ্গা স্টেডিয়ামে শিলিগুড়ি (Siliguri) ফুটবল লিগ স্থগিত রাখা হয়েছে। মাঠ খুড়ে তৈরি হয়েছে সভামঞ্চ। খেলা বন্ধ করে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক করার  প্রথম থেকেই প্রতিবাদে সরব হন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তার প্রতিবাদে প্রশাসনের তরফে কোনও সাড়া না মেলায় তিনি সিদ্ধান্ত নেন সোমবার বিকেল চারটা থেকে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার শেষ পর্যন্ত তিনি হাশমি চক এলাকায় ধর্নায় বসেন। সেই মতো বিজেপি বিধায়ক ও তাঁর সমর্থকরা প্লাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পুলিশ গিয়ে বিক্ষোভকারীদের উঠিয়ে দেন। পরে, বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ধর্নাস্থল গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন, সেই সময় বিধায়ক ও তাঁর সমর্থকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাধে পুলিশের। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজেপি বিধায়কের অনুগামীদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তার প্রতিবাদে শঙ্কর ঘোষ রাস্তায় বসে পড়লে পুলিশ তাঁকে টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম খেলার মাঠ। সেখানে খেলা হবে।  কিন্তু খেলা বন্ধ করে দিয়ে সেখানে বার বার রাজনৈতিক সভা ও বাণিজ্যিক জলসা করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করেও কাজ হয়নি। তাই এদিন শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রাণ কেন্দ্র হাসমি চকে বিক্ষোভ অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী গণতন্ত্রকে হত্যা করে পুলিশকে দলদাসে পরিণত করেছে। এবার খেলাকে ধ্বংস করতে নেমেছেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: আবাস যোজনায় বাড়ি পিছু তৃণমূল নেতাদের দাবি ১০ হাজার টাকা! অভিযোগ শুনল কেন্দ্রীয় টিম

    Birbhum: আবাস যোজনায় বাড়ি পিছু তৃণমূল নেতাদের দাবি ১০ হাজার টাকা! অভিযোগ শুনল কেন্দ্রীয় টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনার দুর্নীতির তদন্ত করতে রাজ্যের একাধিক জেলায় পরিদর্শনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বীরভূম জেলায় গত কয়েকদিন ধরেই রয়েছে এই টিম। রবিবার বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের সিয়ান মুলুক গ্রাম পঞ্চায়েতের ডিহিপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা। পরিদর্শনে গিয়ে আবাস যোজনার বাড়ি করা নিয়ে নানা অভিযোগ শুনলেন তাঁরা।

    দিতে হয়েছে তৃণমূল নেতাদের টাকা (Birbhum)

    শনিবার বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি থেকে কেন্দ্রীয় দলটি বোলপুরে ফিরে আসে। এরপর দুই সদস্যের দল ডিহিপাড়ায় যায়। ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০ ও ২০২১-২২-এই তিন অর্থবর্ষে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় তৈরি হওয়া বাড়িগুলি কাদের নামে এসেছিল, প্রাপকেরা সেই বাড়ি পেয়েছেন কি না, গ্রামবাসীরা বাড়ি তৈরির সম্পূর্ণ অর্থ পেয়েছেন কি না, বাড়িতে শৌচালায় আছে কি না, তা করে দিতে কোনও টাকা দিতে হয়েছে কি না-এমন নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে থাকেন কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের বিডিও সত্যজিৎ বিশ্বাস, বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নোডাল অফিসার তন্ময় পালিত-সহ বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকেরা। এখানেই গ্রামবাসীদের একাংশ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের কাছে আবাস যোজনার বাড়ি না-পাওয়ার অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে জানান, আবাস যোজনার বাড়ি করার সময়ে এলাকায় তৃণমূল নেতাদের টাকা দিতে হয়েছে। টাকার পরিমাণও তাঁরা বলে দেন। গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, আবাস যোজনা বাড়ি পাওয়ার জন্য প্রায় তাঁদের বাড়ি পিছু ১০,০০০ টাকা করে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দিতে হয়েছে। এক উপভোক্তা বলেন, টাকা না দিলে বাড়ি হবে না বলেছিল। তাই বাধ্য হয়ে তখন আমরা বাড়ির জন্য টাকা দিয়েছি। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে আমরা জানিয়েছি। জানা গিয়েছে, এর পর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি বাহিরি পাঁচশোয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট শিমুলিয়া গ্রামটিও পরিদর্শন করেন।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    সিয়ান মুলুক এলাকার তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি শেখ আনউয়ারুল ইসলাম বলেন, আমি কিছু দিন আগে অঞ্চল সভাপতি দায়িত্বে এসেছি। আগে কী হয়েছে বলতে পারব না। তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমা জানা নেই। তবে সত্যিই যদি এমন অভিযোগ থেকে থাকে তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডল বলেন, গ্রামবাসীরা বাস্তবটাই তুলে ধরেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের কাছে। কারণ, তৃণমূল টাকা ছাড়া কোনও কাজই করে না। এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share