Tag: Bengali news

Bengali news

  • South 24 Parganas: কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারল দলেরই লোকজন, কোন্দল প্রকাশ্যে

    South 24 Parganas: কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারল দলেরই লোকজন, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মী সমর্থককে বেধড়ক মার অন্য গোষ্ঠীর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর-১ নম্বর ব্লকের ঢোলা থানার ভগবানপুর এলাকায়। আর সেই সিসি টিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির।

    সিসি টিভি ফুটেজে কী দেখা হল? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভগবানপুর এলাকায় স্থানীয় একটি কাঠের মিলের মধ্যে কয়েকজন দুষ্কৃতী ঢুকে কাঠ মিলের কর্মীদেরকে বেধড়ক মারধর করে। সেই হামলার ছবি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সিসিটিভি ফুটেছে দেখা যাচ্ছে, একদল দুষ্কৃতী  ওই কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করছে। তবে, এই সিসিটিভি ফুটেজ এর সত্যদার যাচাই করেনি মাধ্যম নিউজ। ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুল রহমান মোল্লা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের প্রথমে কুলপি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হলে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক রঙ লেগেছে।

    পঞ্চায়েতে সিপিএমকে সমর্থন করার অপরাধে হামলা

    জখম তৃণমূল কর্মী নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুল রহমান মোল্লার বক্তব্য, আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের পুরনো কর্মী। দলে সন্মান, গুরুত্ব না পেয়ে পঞ্চায়েতে সিপিআইএমকে সমর্থন করেছিলাম। এটাই ছিল অপরাধ। তারজন্যই ভগবানপুর এলাকার তৃণমূলের সদস্য নইম সাহার ঘনিষ্ঠ মইমুর পিয়াদা ও তাঁর নেতৃত্বে দুষ্কৃতী বাহিনী আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল সদস্য নইম সাহার সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন, ‘নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুর রহমান মোল্লাই মইমুর পিয়াদাকে বেধড়ক মারধর করেছে। তিনিও গুরুতর জখম হয়ে ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’ তবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে ঢোলা থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে গোটা বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে ঢোলা থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murder: জোরে গান চালানোর প্রতিবাদ করায় গলায়, ঘাড়ে, পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে খুন

    Murder: জোরে গান চালানোর প্রতিবাদ করায় গলায়, ঘাড়ে, পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে জগদ্ধাত্রী পুজোর ভাসানের বক্স বাজানো নিয়ে বচসা, তার জেরেই খুন (Murder) হতে হলে তরতাজা যুবককে। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম সাহেব আলি (২২)। এই ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে চিংড়িঘাটা এলাকা। স্থানীয়রা দফায় দফায় অবরোধ করেন। ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত বিট্টু সরকারকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ মৃত সাহেব আলিকে গলায়, ঘাড়ে, পেটে, কাঁচি ঢুকিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এরপরে সাহেব আলিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত (Murder) বলে ঘোষণা করেন।

    বিপাকে পড়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসেন মন্ত্রী সুজিত বসু

    এরপর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা চিংড়িঘাটা এলাকা। রবিবার সকাল থেকেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা চিংড়িঘাটা এলাকা। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাতে থাকেন স্থানীয় মানুষজন।  নিজের বিধানসভাকেন্দ্রে এমন ঘটনা ঘটে যাওয়ায় কার্যত বিপাকে পড়েন মন্ত্রী সুজিত বসুও। তড়িঘড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামতে দেখা যায় তাঁকে। স্থানীয়দের সঙ্গে সুর মেলাতেও দেখা যায় মন্ত্রীকে। প্রকাশ্যেই মন্ত্রী ঘোষণা করেন, দোষীর শাস্তি হবে।

    মূল অভিযুক্ত বিট্টু সর্দারকে আটক করেছে পুলিশ

    এই ঘটনায় স্থানীয়রা জানান যে মূল অভিযুক্ত বিট্টু সর্দার, এলাকায় কুখ্যাত দুষ্কৃতী (Murder) বলেই পরিচিত। এর আগেও একাধিক দুষ্কৃতীমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার যোগ থাকার প্রমাণও মিলেছে। বার কয়েক জেলও খেটেছে সে। সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয় সে। জানা গিয়েছে, ঘটনার পরে বিট্টুর খোঁজ চালাতে থাকে পুলিশ। বিট্টুর বাড়িতেও চড়াও হয় স্থানীয় মানুষজন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিট্টুর স্ত্রীকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর পরেই বিট্টুকে একটি ট্যাক্সির ভিতরে আবিষ্কার করে স্থানীয়রা। উপস্থিত জনতা বিট্টুর ওপর চড়াও হয়। হাতের কাছে যা পাওয়া যায় তাই দিয়েই মারধর চলতে থাকে বিট্টুকে (Murder)। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে এবং হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘‘এর আগেও বিট্টুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তিনি জেল খেটেছেন। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। শনিবার রাতের ঘটনা স্বতন্ত্র। উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: নেই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, ব্যস্ত সড়কে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল স্ট্রেচারে করেই

    Purba Bardhaman: নেই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, ব্যস্ত সড়কে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল স্ট্রেচারে করেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে ফ্রিতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা থাকলেও রোগীর জন্য মেলেনি পরিষেবা। ব্যস্ত দ্রুতগামী সড়কে স্ট্রেচারে করে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। কালনা (Purba Bardhaman) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এমন অমানবিক ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। উঠছে হাসপাতাল প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ। অবশ্য হাসপাতাল অ্যাসিণ্ট্যাণ্ট জানান, এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নেবো।

    উল্লেখ্য, রাজ্যে একাধিকবার হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসার জন্য রোগীকে নিয়ে যাওয়া হোক অথবা রোগী মারা গেলে মৃতদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। বামানগোলা, কালিয়াগঞ্জ এবং জলপাইগুড়িতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা না দেওয়ার মতো অমানবিক নির্মম ঘটনার বিষয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে আগেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল।

    রোগীর পরিচয় (Purba Bardhaman)

    হাসপাতেলে এই রোগীর পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর বাড়ি মেমারি (Purba Bardhaman) থানার মহিষপুর এলাকায়। তাঁর নাম সাহার আলি মল্লিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎ আহত হন তিনি। মাথায় ব্যাপক আঘাত লাগে। এরপর ভর্তি করা হয় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ডাক্তার রোগীকে সিটি স্ক্যান করার কথা বলেন। এরপর রোগীকে হাসপাতাল থেকে বাইরে বের করে স্ট্রেচারে টেনে ব্যস্ততম রাস্তা দিয়ে স্ক্যান করতে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার ছবি ইতিমধ্যেও সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। প্রশ্ন ওঠে হাসপাতালে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা থাকলেও কেন রোগীর জন্য পরিষেবা দেওয়া হয়নি।

    রোগীর ছেলের বক্তব্য

    বৃদ্ধ রোগীর ছেলে সাবর আলি বলেছেন, “ডাক্তার সিটি স্ক্যানের কথা বললে বাবাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাই। কিন্তু হাসপাতালে (Purba Bardhaman) কোনও স্ক্যানের ব্যবস্থা না থাকায় বাইরে নিয়ে যেতে হয়। বাইরে নিয়ে যেতে বাবা টোটোতে উঠতে পারেননি। আবার আমার কাছে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যাওয়ার মতো টাকাও ছিল না। আবেদেন করে বিনামূল্যের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও আমরা পাইনি। তাই রাস্তায় স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাই বাবাকে।”

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (Purba Bardhaman) অ্যাসিণ্ট্যাণ্ট গৌতম বিশ্বাস বলেন, “যে পরীক্ষাগুলি দেওয়া হয়েছে তা এখানে করানো হয় না। রোগীর ক্ষেত্রেও পরীক্ষা বাইরে করতে যেতে হয়। তবে হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা দেওয়া হয়। কিন্তু এই রোগীর ক্ষেত্রে কেন এমন ঘটল জানিনা। খোঁজ নিয়ে বলবো। এমন ঘটনা আর যাতে না ঘটে সেই দিকে আমরা ব্যবস্থা নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatar: প্রকাশ্য সভায় বদলার নিদান তৃণমূল বিধায়কের মুখে, বিতর্ক

    Bhatar: প্রকাশ্য সভায় বদলার নিদান তৃণমূল বিধায়কের মুখে, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের সমাবেশ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো আগেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীদের উদ্দেশে। মূলত টার্গেট ছিল বিজেপি। তৃণমূল নেত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ৪ জনের বদলে ৮ জনকে জেলে ঢোকাবেন। এবার সেই সুরেই কার্যত সুর মেলালেন ভাতারের (Bhatar) তৃণমূল বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘বদল নয়, এবার বদলা চাইব’। তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

     ঠিক কী বলেছেন বিধায়ক? (Bhatar)

    ভাতাড়ের সিপিএমের পক্ষ থেকে ইনসাফ যাত্রা করা হয়েছিল। তার পাল্টা হিসাবে শুক্রবার ভাতারের (Bhatar) বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর নেতৃত্বে ভাতারের বলগোনা বাজার থেকে ভাতার বাজার পর্যন্ত একটি পদযাত্রা করা হয়। পদযাত্রা শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানগোবিন্দ অধিকারী বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমাদের নেত্রী সেদিন বলে দিয়েছেন, আমাদের চারজনকে জেলে ঢোকালে, আমরা আটজনকে ঢোকাবো। উনি আগে বলেছিলেন বদলা নয়, বদল চাই। কিন্তু এবার বদলা চাইব।’ এরপরেই সিপিএমকে নিশানা করে বিধায়ক বলেন, তোমরা কি করেছো সেটা তো আমরা জানি। এখনকার ১৯ বছরের যুবকরা জানে না তোমরা কি করেছো। কিন্ত, আমরা জানি, সেই হিসাব আমরা চাই।

    বাম আমলে সিপিএমের অত্যাচারের কথা স্মরণ করালেন তৃণমূল বিধায়ক

    ভাতারের (Bhatar) তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ২০১০ এর ১০ই জানুয়ারি বনপাস স্কুলের কাছে টোটন মল্লিককে মারা হয়েছিল বোম মেরে। পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী সে নিজের বোমাতেই নিজে মারা গিয়েছে। এরপর তিনি বলেন, ‘২০১১ সালের ৩০ শে জানুয়ারি তেঁতুলতলায় আমাকে গুলি করা হয়েছিল, তখন পুলিশগুলিটাকে বাজেয়াপ্ত করেছিল। এক পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম গুলিটা কি হল,যেটা বাজেয়াপ্ত করেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, বড় সাহেবের নির্দেশে গুলিটা দেখায়নি। ইনসাফ তো আমরা চাই, তোমরা কি চাইবে?’

    বামেদের পাশে লোক দেখে তৃণমূল আতঙ্কিত, সরব সিপিএম নেতৃত্ব

    সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য অচিন্ত্য মল্লিক বলেন, ‘বদলার রাজনীতি, স্বৈরাচারী রাজনীতি নিয়ে চলছে, তৃণমূল ভয় পেয়েছে বামেদের পাশে লোক দেখে তাঁরা আতঙ্কিত।’ তাঁর কথায়, ১২ বছর ধরে ইনসাফ চাইতে পারলো না,এখন বলছে ইনসাফ চায়। এসব আর ওদের মানায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “সন্ত্রাসবাদকে আমরা নির্মূল করে দিয়েছি”, ২৬/১১ হামলার ১৫ বছরে দৃপ্ত ঘোষণা মোদির

    Narendra Modi: “সন্ত্রাসবাদকে আমরা নির্মূল করে দিয়েছি”, ২৬/১১ হামলার ১৫ বছরে দৃপ্ত ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০৭ তম ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে শোনা গেল মুম্বইয়ের ২৬/১১ জঙ্গি হামলা প্রসঙ্গ। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলা হয় মুম্বইতে। এদিন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সেই হামলায় যাঁরা শহিদ হয়েছেন, তাঁদেরকে স্মরণ করেন। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে আমরা নির্মূল করে দিয়েছি”।

    সংবিধান দিবসে মোদির মুখে জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ

    এদিন তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) দেশবাসীকে সংবিধান দিবসের শুভেচ্ছাও জানান। প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতের সংবিধানকে গ্রহণ করা হয়েছিল। সে কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে সময়, পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সঙ্গে দেশ এগিয়ে চলেছে এবং সংবিধানকে নানা সময়ে সংশোধন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) তাঁর বক্তব্যে জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গও টেনে আনেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালে জরুরী অবস্থার সময় দেশের মানুষদের নাগরিকত্ব অধিকার সম্পূর্ণভাবে হরণ করেছিল তৎকালীন ইন্দিরা গান্ধী সরকার। সে প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ ৪৪ তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থার ভুলগুলিকে সংশোধন করা সম্ভব হয়েছে।’’ ৪৪ তম সংবিধান সংশোধনী করা হয় ১৯৭৮ সালে জনতা সরকারের আমলে।

    ২৬/১১ এর ভয়াবহ জঙ্গি হামলা

    পনেরো বছর আগে আজকের দিনেই ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার সাক্ষী থেকেছিল দেশের অর্থনৈতিক রাজধানী মুম্বই। ২৬ নভেম্বর ২০০৮ সালে আতঙ্কবাদী হামলায় কেঁপে ওঠে ভারতের বাণিজ্য নগরী। দশ জন সন্ত্রাসবাদীর দল হানা দেয় মুম্বইয়ের রেলস্টেশন, হোটেল সমেত জনবহুল স্থানগুলিতে। বাদ যায়নি হাসপাতালগুলিও। এই ঘটনাতে মারা যান ১৬৬ জন মানুষ এবং আহত হন ৩০০-এরও বেশি। তাজ এবং ওবেরয় হোটেল, ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ টার্মিনাস, নরিম্যান হাউস এই সমস্ত জায়গাগুলিতে চলে হামলা। ভারতীয়রা ছাড়াও হামলায় নিহত হন প্রচুর ইউরোপিয়ান এবং ইহুদি। একমাত্র জীবিত জঙ্গি হিসেবে ধরা পড়ে আজমল আমির কাসভ। ২০১০ সালের মে মাসে কাসভের ফাঁসির আদেশ হয়। ঠিক তার দু’বছর পরে পুনের জেলে কড়া নিরাপত্তায় কাশবের ফাঁসি কার্যকর হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: থানায় সটান হাজির শুভেন্দু, পুলিশের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলার হুমকি

    Suvendu Adhikari: থানায় সটান হাজির শুভেন্দু, পুলিশের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলার হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা থানার সামনে একের পর এক গাড়ি এসে থামল। গাড়ি থেকে নামলে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সঙ্গে ছিলেন দলীয় বিধায়ক। সোজার ঢুকে পড়লেন থানার ভিতর। শনিবার রাত দশটার ঘটনা। ঘটনাস্থল পূর্ব মেদিনীপুরের মারিশদা থানা। থানার ভিতরে এভাবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঢুকে পড়বেন তা আঁচ করতে পারেননি থানার ডিউটি অফিসার থেকে বড়বাবু। স্বাভাবিকভাবে সকলেই হকচকিয়ে যান।

    থানায় কেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  বাশগোড়াতে সভা ছিল। তার আগে বিকেল ৪টে নাগাদ সেখানকার মণ্ডল কমিটির সম্পাদক যুব নেতা রবীন মান্নাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে  কাজ করা হয়নি বলে অভিযোগ। একেবারে সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। দীর্ঘক্ষণ তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। এই ঘটনার খবর পেয়ে রাত প্রায় সাড়ে ১০টা নাগাদ দাসপুর থেকে কাঁথির বাড়ি ফেরার পথে মারিশদা থানায় ঢুকে পড়েন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন খেজুরির বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক-সহ ধৃত বিজেপি নেতার পরিজন ও একঝাঁক দলীয় সমর্থক। শুভেন্দু আসার খবরে মারিশদা থানার বাইরে ক্রমশ ভিড় জমাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। থানার সামনে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

    পুলিশকে অপহরণের মামলার হুমকি দিলেন শুভেন্দু

    গাড়ি থেকে নেমে থানার ভিতরে ঢুকে কর্তব্যরত ডিউটি অফিসারের কাছে দলীয় নেতার গ্রেফতারির ‘অ্যারেস্ট মেমো’ দেখতে চান বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। এর পরেই পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তাঁকে। সেই সময় পুলিশকে রীতিমতো ধমকের সুরে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশ ও আইনের বিভিন্ন ধারার উল্লেখ করে বিজেপি নেতার গ্রেফতারিকে ‘বেআইনি’ বলে দাবি করেন। তিনি সরাসরি পুলিশ আধিকারিককে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আপনি সুপ্রিম কোর্টের আইন অমান্য করে ক্রিমিনাল প্রসিডিওর ভায়োলেট করেছেন। আমি ওঁর (বিজেপি নেতার) স্ত্রীকে দিয়ে এখনই কিডন্যাপের (অপহরণ) অভিযোগ দায়ের করাব।’ সেই সময়েই পিছন থেকে এক পুলিশকর্মী কিছু বলতে গেলে তাঁকে থামিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য, ‘ডোন্ট ডিকটেট মি, ডিউটি অফিসার আমাকে বলুন। সিভিল ড্রেসে গিয়ে বাড়ির লোকের সই ছাড়া দলীয় কর্মীকে তুলে এনেছে। অ্যারেস্ট করেছে ৪টের সময়, এখন রাত সাড়ে ১০টা বাজে। আমি অ্যারেস্ট মেমো চেয়েছি। সেটা দিতে সাড়ে ছ’ঘণ্টা লাগে নাকি! ডিউটি অফিসার আর ওসির বিরুদ্ধে মামলা করব।’ এরপর তিনি থানার বাইরের বেঞ্চে বেশ কিছু সময় বসে থাকেন‘অ্যারেস্ট মেমো’ হাতে পাওয়ার দাবিতে। তবে পুলিশের তরফে কোনও কাগজ না পেয়ে অবশেষে রাত ১১টার আগেই তিনি মারিশদা থানা থেকে বেরিয়ে যান। যাওয়ার আগে পুলিশকে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘আপনারা আইপিসি-সিআরপিসি মানেন না। আপনাদের সঙ্গে তা হলে আদালতেই আমার দেখা হবে। এই মামলাটি অনেক দূর যাবে।’

    খেজুরি বনধের ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা

    থানা থেকে বেরিয়ে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘দলীয় নেতাকে গ্রেফতারের পর দীর্ঘ ৫ ঘন্টা তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। সব শেষে রাত প্রায় ১০টা নাগাদ মারিশদা থানায় থাকা কয়েক জন বিজেপির শুভানুধ্যায়ী আমাকে ম্যাসেজ করে জানান, এই থানায় রবীন মান্নাকে রাখা হয়েছে। আমি থানায় ঢুকে যেতেই ডিউটি অফিসার থরথর করে কাঁপছেন। এদের বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই আদালতে যাব। ধৃত নেতা স্ত্রীকে দিয়ে আমি রবিবার কাঁথি আদালতে কিডন্যাপের মামলা দায়ের করব। সোমবার হাইকোর্ট খুললে সেখানে আমি রিট পিটিশন দাখিল করব। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী সোমবার খেজুরি বনধ ডাকা হল।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dibyendu Adhikari: কনভয়ে ঢুকে পড়ল ট্রাক, কীভাবে রক্ষা পেলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী?

    Dibyendu Adhikari: কনভয়ে ঢুকে পড়ল ট্রাক, কীভাবে রক্ষা পেলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়ক ধরে গতিতে যাচ্ছিল গাড়ি। গাড়ির মধ্যে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই তথা তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী (Dibyendu Adhikari)। জাতীয় সড়কের মধ্যে  দুর্ঘটনার কবলে পড়ল সাংসদের গাড়ি। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের  মারিশদা থানা এলাকায়। বুকে এবং হাতে চোট পেয়েছেন সাংসদ। স্থানীয় নার্সিংহোমে চিকিৎসা করা হয়। তবে, এখন তিনি সুস্থ রয়েছেন।

    সাংসদের কনভয়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে ট্রাক (Dibyendu Adhikari)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হলদিয়া থেকে কাঁথির বাড়িতে ফিরছিলেন সাংসদ (Dibyendu Adhikari)। শনিবার সন্ধ্য ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দিঘা- নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কের মারিশদা লোকাল বোর্ড বাসস্টপের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁর গাড়ি। জানা গিয়েছে, মারিশদা থানা পার করে আসার পর সাংসদের গাড়ির পাশে আচমকা করেই একটা ১২ চাকার লরি চলে আসে। অতি দ্রুত গতিতে সাংসদের গাড়িকে ওভারটেক করে একেবারে তাঁদের গাড়ির সামনে চলে আসে। প্রচণ্ড গতিতে থাকা সাংসদের গাড়ি আচমকা থামিয়ে চালক নয়নজুলির দিকে কিছুটা গাড়িটি নামিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, নয়নজুলির দিকে গাড়িটি না নামালে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ লাগার সম্ভাবনা ছিল। তাতে আরও বড় বিপদ হতে পারত। চালকের উপস্থিত বুদ্ধিতেই বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল।

    কী বললেন সাংসদ?

    সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী (Dibyendu Adhikari) বলেন, চোখের সামনে বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেলাম। আচমকা ব্রেক কষার জন্য গাড়ির ভিতরেই আমি হুমড়ি খেয়ে পড়ি। বুকে, হাত চোট লাগে। তবে, ট্রাকটি আমাদের গাড়ি থেকে সামান্য দূরে ছিল। আমাদের গাড়ি থামিয়ে ডানদিকে নয়নজুলির দিকে না ঘোরালে বড় দুর্ঘটনা ঘটত। চালকের তৎপরতায় এটা সম্ভব হয়েছে।

    পুলিশ কী ব্যবস্থা গ্রহণ করল?

    পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রাকের পাশাপাশি একটি কুকুরও সাংসদের (Dibyendu Adhikari) গাড়ির সামনে চলে এসেছিল। ট্রাকটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রক্ষীরা উচ্চতম আধিকারিকের নজরে বিষয়টি এনেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Hindu Congress: বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজন হিন্দু দর্শন, জানালেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

    World Hindu Congress: বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজন হিন্দু দর্শন, জানালেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ককে শুরু হয়েছে বিশ্ব হিন্দু সম্মেলন (World Hindu Congress)। সেখানেই বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে হিন্দু দর্শনের প্রয়োজনীয়তার কথা নিজের বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন। প্রসঙ্গত, থাভিসিন নিজে হাজির থাকতে পারেননি সম্মেলনে। তাঁর পাঠানো লিখিত বক্তব্য পাঠ করা হয় বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর মতে, ‘‘হিন্দু দর্শন, অহিংসা, সত্য, সহ্য-ক্ষমতা এবং সম্প্রীতির কথা বলে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এবং একটি সুশৃঙ্খল সমাজ তৈরি করতে এগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’’ থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ওই লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনকে অনুষ্ঠিত করতে পেরে থাইল্যান্ড সম্মানিত এবং গর্বিত।

    ৬১ দেশ থেকে হাজির ২,২০০ প্রতিনিধি

    প্রসঙ্গত চলতি বছরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে হাজির ছিলেন ২,২০০ প্রতিনিধি। ৬১ দেশ থেকে এই প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। শিক্ষা, অর্থনীতি, গবেষণা, সাংবাদিকতা, রাজনীতি এই সমস্ত ক্ষেত্র থেকেই প্রতিনিধিরা হাজির ছিলেন। তিন দিন ধরে চলা বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে, হিন্দুদের সারা বিশ্বে যে ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে সে নিয়েই আলোচনা করেন বিভিন্ন প্রতিনিধিরা। এর আগে বিশ্ব হিন্দু সম্মেলন (World Hindu Congress) অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালে দিল্লিতে এবং ২০১৮ সালে শিকাগোতে।

    হাজির সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবতও

    প্রসঙ্গত প্রতি চার বছর অন্তর বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনের (World Hindu Congress) আয়োজন করা হয়। চলতি বছরের তা অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাইল্যান্ডের রাজধানীতে। বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনের (World Hindu Congress) উদ্যোগ নেয় ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’। গত শুক্রবার থেকে শুরু হয় সম্মেলন এবং  চলবে আজ ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত। বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবতও। নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘হিন্দু ধর্মে অনেক মত রয়েছে, উপাসনার পদ্ধতি রয়েছে, এবং এর প্রত্যেকটিই হল ধর্মের উদাহরণ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘হিন্দু ধর্মের সমস্ত সম্প্রদায়কে শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে।’’ বসুধৈব কুটুম্বকমের কথাও শোনা যায় মোহন ভাগবতের মুখে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্নকাণ্ডে এবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করবে সিবিআই। জানা গিয়েছে এমনই নির্দেশ রয়েছে লোকপালের। প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট মিললেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা দায়ের করা হবে কিনা। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে যখন তদন্ত চলবে তখন সিবিআই মহুয়াকে গ্রেফতার করতে পারবে না কিন্তু তথ্য খোঁজা এবং বিভিন্ন নথি পরীক্ষা তথা জিজ্ঞাসাবাদের মতো কাজগুলি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা করতে পারবে। তদন্ত যেহেতু লোকপালের নির্দেশ অনুযায়ী হচ্ছে, তাই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে ‘অ্যান্টি কোরাপশন বডি’র কাছে।

    আরও পড়ুুন: “সব খেয়েছে হাওয়াই চটি, আসল চোর মমতা” তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    দর্শন হিরানন্দানির হলফনামা

    প্রসঙ্গত, মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ সামনে আনেন ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্ররি অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ দেন। দুবাই কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে মোটা টাকা এবং অন্যান্য সুবিধার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া মৈত্র। শুধু তাই নয় তাঁর দিল্লির বাংলো সংস্কারের জন্য নগদ ২ কোটি টাকাও নিয়েছিলেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এর পাশাপাশি বিদেশ ভ্রমণের জন্যও টাকা নেন তিনি। এ কথা নিজের দেওয়া হলফনামাতে স্বীকারও করেন দুবাই -কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরা হিরানন্দানি।

    উচ্চাকাঙ্খী মহুয়া

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আক্রমণ এবং আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ৬৩টি প্রশ্নের মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই সাজিয়ে দিয়েছিল দর্শন হিরানন্দনির সংস্থা। ওই হলফনামায় হিরানন্দানি আরও দাবি করেন যে মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) ছিলেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং খুব দ্রুত তিনি জাতীয় স্তরে বিখ্যাত হতে চেয়েছিলেন। সেজন্য শর্টকাট পদ্ধতি হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ শুরু করেন। প্রসঙ্গত, মহুয়াকে পরবর্তীকালে এথিক্স কমিটি ডেকে পাঠালে, সেখানেও সাংসদের বিরুদ্ধে শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে প্যানেল।

    আরও পড়ুন: মরুরাজ্যে বিক্ষিপ্ত অশান্তি, রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়ল ৬৮ শতাংশ

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kochi: কেরলের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেস্ট চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে মারা গেলেন ৪ পড়ুয়া, আহত ৬৪

    Kochi: কেরলের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেস্ট চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে মারা গেলেন ৪ পড়ুয়া, আহত ৬৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে পদপিষ্ট হয়ে চারজন পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। এর পাশাপাশি ৬৪ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে কেরলের ‘কোচিন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’তে (Kochi) শনিবারই ফেস্ট-এর আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ। ফেস্ট শুরু হতেই কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি নামে। সেই সময়ে বিশ্ববিদ্য়ালয়ের মাঠে থাকা পড়ুয়ারা হুড়োহুড়ি করে ছুটতে শুরু করেন। তখনই অনেকে মাঠে পিছলে পড়ে যান এবং পদপিষ্ট হন। আহতদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। মৃত পরিচয় সামনে এসেছে। এঁরা হলেন,  অতুল থাম্বি, আন্না রুফতা, সারা থমাস, আলিউন জোসেফ। জানা গিয়েছে, আলিউনকে বাদ দিয়ে বাকি তিনজনই কোচিন (Kochi) ইউনিভার্সিটির সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের পড়ুয়া।

    কী জানাল প্রশাসন?

    প্রশাসনের সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন প্রায় দু হাজারের ওপর পড়ুয়া বিভিন্ন কলেজ থেকে হাজির হয়েছিলেন ফেস্টে। শিল্পী নিকিতা গান্ধীর গান শুরু হতেই বৃষ্টি নামে। তারপেরই এই ঘটনা ঘটে। কেরলের প্রশাসন জানিয়েছে, মাঠের (Kochi) যা ব্যবস্থা ছিল সেখানে দেড় হাজারের মতো মানুষের জমায়েত হতে পারতো কিন্তু তার থেকে অনেক বেশি লোক সেখানে উপস্থিত ছিল। যখন অনুষ্ঠান শুরু হয় তখন মাত্র ৬ জন মাত্র পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    কী জানালেন উপাচার্য?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, পি শংকরন জানিয়েছেন, প্রতিবছরই এরকম বার্ষিকী অনুষ্ঠান ছাত্রদের তরফ থেকে আয়োজন করা হয়। কোভিড পিরিয়ডের পর এটাই ছিল প্রথম অনুষ্ঠান। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি বসে কেরল সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠক। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রওনা হন কোচির উদ্দেশে। জানা গিয়েছে, কোচির (Kochi) সমস্ত হাসপাতালগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বেড খালি রাখতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share