Tag: Bengali news

Bengali news

  • Rejinagar Industrial Area:  বুদ্ধদেবের আমলে শিলান্যাস, মমতার আমলেও খাঁ খাঁ করছে রেজিনগর শিল্পতালুক!

    Rejinagar Industrial Area: বুদ্ধদেবের আমলে শিলান্যাস, মমতার আমলেও খাঁ খাঁ করছে রেজিনগর শিল্পতালুক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় এক দশক অতিক্রান্ত! কিন্তু শিল্পের দেখা নেই রেজিনগর শিল্পতালুকে (Rejinagar Industrial Area)। বুদ্ধদেবের আমলে শিলান্যাস, মমতার আমলেও খাঁ খাঁ করছে রেজিনগর শিল্পতালুক। বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের পর আসার কথা ছিল ‘কৌশিস ই মিবিলিটি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর। ‘ই-বাস’ নির্মাণ কারখানা গড়ে তোলা হবে বলে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরও হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে কারখানার নির্মাণ কোথায়? এই বছর আবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হবে, কিন্তু শিল্পের দেখা কি সত্যিই মিলবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষের মনে। শিল্প নিয়ে রাজ্য সরকার কতটা ইচ্ছাশক্তি রাখে, তাও প্রশ্নের সম্মুখীন। তাই জেলার ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এবারের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মলনে সুযোগ পেলে বিষয়টি তুলে ধরবেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শিল্পতালুকে বিদ্যুৎ এবং জল নেই, জনমানুষের অভাব, খাঁ খাঁ করছে শিল্পতালুক। কারখানা হলে কিছু কর্মসংস্থান হত। তাই কবে কারখানা হয়, তাই এখন দেখার।

    মুর্শিদাবাদ জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের বক্তব্য 

    জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, “গত বারের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে রেজিনগর শিল্প তালুকে (Rejinagar Industrial Area) ই-বাস তৈরির কারখানার জন্য রাজ্য সরকারের সঙ্গে একটি কোম্পানির চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু এবছর আরও একটি সম্মেলন আসতে চলেছে, কারখানার কোনও দেখা মেলেনি। মুর্শিদাবাদ জেলার বহু মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছেন কাজের জন্য। জেলায় কোনও শিল্প নেই, তাই এই জেলায় শিল্প হলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হতো।”

    জেলা শিল্পকেন্দ্রের বক্তব্য (Rejinagar Industrial Area)  

    এই জেলার শিল্পকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার আহমোদুল্লা তালিব বলেন, “আগামী ২১-২২ নভেম্বর কলকাতায় বিশ্ববঙ্গ সম্মেলন হবে। দুই দিন দুই পর্বে আমাদের জেলার বিভিন্ন বিভাগের ৩০ জন উদ্যোগী ব্যবসায়ী উপস্থিত থাকবেন। জেলা কেন্দ্রে আগামী শনিবার এই নিয়ে একটি বৈঠক করা হবে।” আবার রেজিনগর প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, “আমি সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। রেজিনগর শিল্পতালুকে (Rejinagar Industrial Area) ই-বাস তৈরির কারখানার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।”

    জেলা প্রশাসনের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ জেলা প্রাশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০০৮ সালে তৎকালীন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রেজিনগরে ১৮৭ একর জমিতে শিল্পতালুকের শিলান্যাস করেছিলেন। সেই সময় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের সংস্থা ওয়েস্ট বেঙ্গল স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনকে। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছেই এই শিল্পতালুক (Rejinagar Industrial Area)।  কিন্তু তারপর আর কিছু এগোয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Infiltration In India: পাকিস্তানি মা-ছেলের ভারতে অনুপ্রবেশ, গ্রেফতার করল এসএসবি

    Infiltration In India: পাকিস্তানি মা-ছেলের ভারতে অনুপ্রবেশ, গ্রেফতার করল এসএসবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত টপকে ভারতে অনুপ্রবেশ (Infiltration In India) এবং সেই সঙ্গে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় পাকিস্তানের নাগরিক এক মা-ছেলেকে গ্রেফতার করল এসএসবি। সশস্ত্র সীমা বল অর্থাৎ এসএসবি সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার শিলিগুড়ি ব্লকের খড়িবাড়ি পানিট্যাঙ্কি এলাকায় ভারত-নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করলে ধরা পড়েন মা এবং ছেলে। এরপর তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তারপরেই গ্রেফতার করে দার্জিলিং পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, তাঁরা পাকিস্তানি নাগরিক, ধৃত মহিলার নাম শায়িস্তা হানিফ এবং ছেলের নাম মহম্মদ হানিফ।

    কীভাবে পৌঁছালেন শিলিগুড়িতে (Infiltration In India)?

    এসএসবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা বুধবার সকালে ভারত-নেপাল সীমান্তের কাকরভিটা থেকে মেচি নদীর উপর এশিয়ান হাইওয়ে হয়ে হেঁটে (Infiltration In India) পানিট্যাঙ্কি এলাকায় পৌঁছান। এরপর এসএসবি জওয়ানরা তাঁদের গ্রেফতার করে। তাঁদের তল্লাশি করলে পাকিস্তানি পাসপোর্ট এবং কিছু নথি পাওয়া যায়। এরপর জেরায় জানা যায়, পাকিস্তানের করাচি শহরের গহানমার স্ট্রিটের সারফা বাজারে তাঁদের মূল বাড়ি। বৃহস্পতিবার তাঁদের শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    সৌদি আরব থেকে কাঠমান্ডুতে আসেন

    ধৃত পাকিস্তানি মা-ছেলের (Infiltration In India) কাছ থেকে জানা গিয়েছে, তাঁরা প্রথমে পাকিস্তান থেকে সৌদি আরবে যান, এরপর সেখান থেকে গত ৫ নভেম্বর তাঁরা ভারত এবং কাঠমান্ডুতে আসার জন্য বিমানে টিকিট কেটেছিলেন। গত ১১ নভেম্বর তাঁরা সৌদি আরবের জেড্ডা বিমান বন্দর থেকে কাঠমান্ডুতে আসেন। তল্লাশিতে তাঁদের কাছ থেকে মোবাইল, দুটি সিমকার্ড, একটি মেমরি কার্ড, দুটি পেন ড্রাইভ, ১০ হাজার নেপালি টাকা, ১৬ হাজার ৩৫০ ভারতীয় টাকা এবং ৬ ইউরো, ১৬৬টি রিয়াল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    এই গ্রেফতারের পর দার্জিলিংয়ের পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ জানিয়েছেন, “আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে গ্রেফতার হওয়া মা এবং ছেলে হলেন পাকিস্তানের নাগরিক। তবে বেশ কিছু দিন ধরে তাঁরা সৌদি আরবে থাকছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগণায় তাঁর এক বোন আছেন, সেখানে যাওয়ার জন্য অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ (Infiltration In India) করেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: তৃণমূলের জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন দলীয় কর্মীরা, কেন জানেন?

    Cooch Behar: তৃণমূলের জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন দলীয় কর্মীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদীভাঙন কবলিত কোচবিহারের তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের বাসিন্দারা বাঁধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন বহুদিন ধরে। বৃহস্পতিবার সেখানে হাজির হন কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ চৈতি বর্মন বড়ুয়া। আর তাঁকে হাতের নাগালে পেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাসিন্দারা। তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা নিয়েই দলের টিকিটে জেতা কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তাঁরা স্লোগান দিতে শুরু করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    বৃহস্পতিবার কোচবিহারের (Cooch Behar) তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের মহিষকুচি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়ডাক নদী সংলগ্ন গেদারচর এলাকায় পরিদর্শনে যান তৃণমূল কংগ্রেসের তুফানগঞ্জ-২ ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ চৈতি বর্মন বড়ুয়া। সেখানে গেলে নিজের দলের কর্মীরাই চৈতিকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান। তাঁকে ঘিরে চলে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। সেই সময় ব্লক সভাপতিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য বাসন্তী বর্মনের বিরুদ্ধে। গোটা ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরে বক্সিরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চৈতিকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে যায়। পরে কর্মাধ্যক্ষ বলেন, কোনও বিক্ষোভ নয়। এলাকার মানুষ দাবিদাওয়ার বিষয় আমার কাছে তুলে ধরেছে।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীবাঁধের দাবি উঠলেও কর্মাধ্যক্ষকে কখনও এলাকায় দেখা যায়নি। কিন্তু সকাল থেকে অবৈধভাবে বালি পাচারের অভিযোগ ওঠার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এলাকায় হাজির হন। কী উদ্দেশ্য তাঁর? এই প্রশ্নকে সামনে রেখেই গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, নিজের নির্বাচনী এলাকায় অবৈধভাবে রায়ডাক নদী থেকে বালি পাথর পাচারের জেরে ভাঙছে নদীবাঁধ। আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। কিন্তু, কর্মাধ্যক্ষের তাতে কোনও হেলদোল নেই।

    বিক্ষোভ প্রসঙ্গে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    কোচবিহারের (Cooch Behar) তুফানগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক মালতী রাভা রায় বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকেই তৃণমূল নেতাদের কয়লা চোর, বালি চোর ও পাথর চোর বলেছি। এবার গ্রামবাসীরাও একই কথা বললেন। গ্রামের মানুষ যখন নেতাকে চোর বলছেন, তখন অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Firecrackers: লাগামহীন বাজির জেরে উৎসবের মরশুমে সিওপিডি-র সমস্যা বেড়েছে কয়েকগুণ!

    Firecrackers: লাগামহীন বাজির জেরে উৎসবের মরশুমে সিওপিডি-র সমস্যা বেড়েছে কয়েকগুণ!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উৎসবের মরশুমে প্রশাসনের তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন আগেই উঠেছিল। এবার সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হল ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজের (সিওপিডি) সমস্যা কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দীপাবলির পরেই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আর এতেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দুর্গাপুজোর পর থেকেই সর্দি-কাশির সমস্যায় অনেকে ভুগছিলেন। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু দীপাবলির পরে সিওপিডি-র সমস্যা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে। কলকাতা ও তার আশপাশের জেলায় এই রোগীর ভোগান্তি বাড়ছে। কলকাতার অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। এরপরে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে।

    কেন পরিস্থিতি বিপজ্জনক হতে পারে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সিওপিডি হল ফুসফুসের একাধিক সমস্যা। যার জেরে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। দীপাবলির সময় কলকাতা ও তার আশপাশের জেলায় অবাধে বাজি পোড়ানো হয়েছে। শব্দবাজি, আলোবাজির ধোঁয়ার জেরে বাতাসে দূষণের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে একাধিক শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা হচ্ছে। যাদের ধারাবাহিক সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা আরও জটিল হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে ফুসফুসের ধারাবাহিক সমস্যা বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। কারণ, শীতে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। তার উপর বাজির দাপট পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষত যাদের সিওপিডি রয়েছে, তাদের শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। 
    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, শিশুদের বিশেষ যত্ন জরুরি। যে সব শিশুরা হাঁপানির সমস্যায় ভোগে কিংবা যারা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে, তাদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। শ্বাসকষ্ট জনিত কোনও রকম সমস্যা হলেই অবহেলা করা যাবে না। প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

    কীভাবে মোকাবিলা সম্ভব? 

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, এই পরিস্থিতিতে যাদের সিওপিডি-র সমস্যা রয়েছে, মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। যাদের বাতাসের অতিরিক্ত ধোঁয়া আর ধূলিকণার জন্য বাড়তি সমস্যা তৈরি না হয়। পাশাপাশি সর্দি-কাশিতে যাতে ভোগান্তি না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ, সর্দি-কাশি সিওপিডি-র রোগীর বিপদ বাড়ায়। 
    ফুসফুস সুস্থ রাখতে খাবারেও খেয়াল রাখতে হবে বলে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাই তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত আপেল খাওয়া দরকার। আপেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। খনিজ থাকে। ফলে, ফুসফুস সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কলা নিয়মিত খেলে সিওপিডি-র রোগীদের সমস্যা কমবে বলেও জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ, তাঁরা জানাচ্ছেন, কলাতে থাকে পটাশিয়াম। যা ফুসফুস সক্রিয় রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। পেয়ারা আর লেবু জাতীয় ফল নিয়মিত খেলেও বিশেষ উপকার হবে। কারণ, এগুলোতে থাকে ভিটামিন সি, যা ফুসফুস সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kharagpur IIT: খড়্গপুর আইআইটিতে র‍্যাগিং! অভিযোগ পেয়ে চিঠি দিল ইউজিসি

    Kharagpur IIT: খড়্গপুর আইআইটিতে র‍্যাগিং! অভিযোগ পেয়ে চিঠি দিল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের জেরে এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্পাসে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। তার প্রভাবে গোটা রাজ্যের রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল। এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল খড়্গপুর আইআইটিতে (Kharagpur IIT)। দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রকে সারারাত ধরে করানো হল নাচ এবং খেলা। সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্তৃপক্ষের কাছে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ জমা পড়লে পুলিশের কাছে একটি মামলা রুজু করা হয়। ক্যাম্পাসের ছাত্রাবাসে যাতে কোনও আর অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কড়া করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    অভিযোগে কারও নাম নেই (Kharagpur IIT)

    রাজ্যের একমাত্র আইআইটিতে (Kharagpur IIT) র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ক্যাম্পাসে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরই আরও এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল খড়্গপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষকে। এবার ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ! যদিও অভিযোগ ঠিক কার বিরুদ্ধে এবং কে করেছেন অভিযোগ, দুটি বিষয়েই অভিযোগপত্রে নামের উল্লেখ নেই বলে জানা গিয়েছে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে হস্টেলগুলি পরিদর্শন করতে প্রতিষ্ঠানের ডিনদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে বিশেষ নোটিশ দিয়ে ১৬ হাজার পড়ুয়াকে সচেতন করা হয়েছে।

    ৩৪১, ৩২৩, ৫০৬, ৩৪ ধারায় মামলা (Kharagpur IIT)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩২৩, ৫০৬, ৩৪ নম্বর ধারায় পুলিশের কাছে মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রথমে অ্যান্টির‍্যাগিং-এর পোর্টালে অভিযোগ করা হয়, তারপর ইউজিসির তরফ থেকে একটি মেইল করে খড়্গপুর আইআইটিকে (Kharagpur IIT) জানানো হয় র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে। আর তারপরই আইআইটি থেকে পুলিশের কাছে খড়্গপুর টাউন থানায় মামলা দায়ের করা হয়। চতুর্থ এবং তৃতীয় বর্ষের ছাত্ররা, দ্বিতীয় বর্ষের তৃতীয় সেমেস্টারের এক ছাত্রকে সারারাত নাচ এবং খেলা করতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    খড়্গপুর টাউন থানার এক আধিকারিক বলেন, “আইআইটির (Kharagpur IIT) কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই আমরা মামলা দায়ের করেছি। এখন তদন্ত শুরু করেছি। অভিযোগের সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bagdogra: শুরু হচ্ছে বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কাজ, উদ্যোগী কেন্দ্র

    Bagdogra: শুরু হচ্ছে বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কাজ, উদ্যোগী কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাগডোগরা (Bagdogra) বিমানবন্দর নিয়ে বড়সড়় সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার সিদ্ধান্ত কার্যকর করার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়ে গেল। ডিসেম্বর মাসে বড়দিনের আগেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা খরচ করে বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কাজ ভূমিপুজো দিয়ে শুরু হতে চলেছে।

    বিমানবন্দরে কী উন্নয়নমূল কাজ করা হবে? (Bagdogra)

    বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান বিমানবন্দরের (Bagdogra) টার্মিনালের আয়তন সাড়ে আট হাজার বর্গমিটারের মতো। সকাল থেকে বিকাল অবধি বিমানবন্দর ভিড়ে ঠাসা থাকে। অনেকেই দাঁড়ানো বা বসার ঠিকঠাক জায়গা পান না। তাই, বিমানবন্দরের পরিকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে ১০৪ একরের মতো জমি অধিগ্রহণ এবং সমীক্ষা করে প্রথম পর্যায়ের ৯৫০.৪৫ কোটি টাকার নতুন টার্মিনাল ভবনের পরিকাঠামো উন্নয়নের টেন্ডার করা হয়েছে। প্রায় এক লক্ষ বর্গমিটারের নতুন টার্মিনাল ভবন এবং আধুনিক পরিকাঠামো তৈরি হবে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ‘এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া’ প্রথম বাগডোগরার নতুন বিমানবন্দরের নকশা এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য দেশের তো বটেই, এশিয়ার নামকরা একটি সংস্থাকে পরামর্শদাতা হিসাবে নিয়োগ করে। ডিসেম্বরে ভূমিপুজোর পরে, ২০২৪ সালের গোড়ায় কাজ শুরু করে তা ২০২৬ সালের পুজোর আগে শেষ হওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রক বাগডোগরার জন্য ১,৮৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছে। এই টেন্ডারে প্রথম পর্যায়ে ৯৫০.৪৫ কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার পর বাকি টাকা বরাদ্দ করা হবে।

    বিমানবন্দরের পরামর্শদাতা কমিটির চেয়ারম্যান কী বললেন?

    বাগডোগরা (Bagdogra) বিমানবন্দরের পরামর্শদাতা কমিটির চেয়ারম্যান তথা দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, ইতিমধ্যেই টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে কারা কাজ করবে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। ডিসেম্বরে ভূমি পুজো হচ্ছে। দিনক্ষণ দ্রুত ঠিক করা হবে। নতুন বছর থেকে পুরোদস্তুর কাজ চলবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলকে গুরুত্ব বুঝেই বিপুল পরিমাণ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: জয়নগরের পর আমডাঙা! প্রকাশ্যে বোমা মেরে তৃণমূলের প্রধানকে খুন করল দুষ্কৃতীরা

    North 24 Parganas: জয়নগরের পর আমডাঙা! প্রকাশ্যে বোমা মেরে তৃণমূলের প্রধানকে খুন করল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ভরসন্ধ্যায় খুন হলেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙা পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান রূপচাঁদ মণ্ডল। রাত ৮টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে আমডাঙা থানার সোনাডাঙা এলাকায়। তৃণমূলের প্রধানকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম অবস্থায় তড়িঘড়ি উদ্ধার করে পুলিশ আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই রূপচাঁদের মৃত্যু হয়। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে দাপুটে তৃণমূল নেতাকে প্রকাশ্যে খুন করার ঘটনা ঘটে। এক সপ্তাহের মধ্যে পর পর দুজন শাসক দলের নেতা খুন হওয়ার ঘটনায় রাজ্যে পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যাবেলা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার কামদেবপুর হাটে ছিলেন রূপচাঁদবাবু। আচমকা সেই সময় তাঁর কাছে একটা ফোন আসে। ফোন পাওয়া মাত্রই তিনি রাস্তা পার হতে যান। অভিযোগ, সেই সময় কেউ বা কারা তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। রাস্তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে বারাসতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান সাংসদ অর্জুন সিং, স্থানীয় বিধায়ক রফিকুর রহমান সহ একাধিক ব্লক নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, রাতেই জাতীয় সড়ক অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এই হামলার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল দায়ী, জমি বেচাকেনার ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে বিবাদের জেরে এই ঘটনা-এমনই অভিযোগ বিরোধীদের।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    খুনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের সব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এলাকায় কোনও গোষ্ঠীকোন্দলের বিষয় নেই।’ কিন্তু, কেন তাঁকে বোমা মারা হল, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কোনও কিছু বলতে পারেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kartik Puja: নবদম্পতির বাড়িতে কেন কার্তিক ফেলা হয়? জানুন দেব সেনাপতির পৌরাণিক কাহিনী

    Kartik Puja: নবদম্পতির বাড়িতে কেন কার্তিক ফেলা হয়? জানুন দেব সেনাপতির পৌরাণিক কাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবদম্পতির বাড়ির সামনে কার্তিক (Kartik Puja) রেখে এসেছে, এমন বন্ধু আমাদের পরিচিত মহলে নিশ্চয়ই রয়েছে। স্বয়ং মহাদেব-পুত্র তাঁদের বাড়িতে এসেছেন বলে কথা! গৃহকর্তা বা কর্ত্রীকে তাই পরপর চার বছর এই পুজো করতে হয়। কিন্তু বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুরই বা কেন রাখা হয়? নিছক মজার উদ্দেশ্যেই নবদম্পতির বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুর রাখা হয় না। এর মধ্যে লোকাচার রয়েছে। কী সেই লোকাচার? নবদম্পতির কোলে যেন কার্তিকের মতো পুত্র আসে। হঠাৎ কার্তিকের মতো পুত্রের আকাঙ্খা কেন? এর জন্য আমাদের জানতে হবে একটি পৌরাণিক আখ্যান।

    কার্তিকের পৌরাণিক কাহিনী

    পুরাণ অনুযায়ী, দেবাদিদেব মহাদেবের পুত্র হলেন দেব সেনাপতি কার্তিক (Kartik Puja)। তাঁর অপর নাম স্কন্দ। স্কন্দমাতা মানে হল কার্তিকের মাতা। দেবী পার্বতীর এই রূপেরই পুজো করা হয় নবরাত্রির পঞ্চমীর দিন। পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী, বজ্রাঙ্গ নামে এক অসুর রাজা ছিলেন। তিনি ছিলেন দিতির পুত্র। দেবতাদের রাজা ইন্দ্রকে বজ্রাঙ্গ সিংহাসনচ্যুত করে, বন্দি করেন। দেবতাদের প্রতি বজ্রাঙ্গের এই রোষ আসলে ছিল তাঁর প্রতিশোধ। কারণ ইতিপূর্বে দিতির অসংখ্য পুত্রকে মানে বজ্রাঙ্গের নিজ ভাইদের দেবতারা হত্যা করেছিল। বজ্রাঙ্গের হাতে বন্দি ইন্দ্রকে মুক্ত করতে আসেন ব্রহ্মা এবং কাশ্যপ মুনি। কাশ্যপ মুনি ছিলেন বজ্রাঙ্গের পিতা, অর্থাৎ দিতির স্বামী। ব্রহ্মা এবং কাশ্যপ মুনির অনুরোধে বজ্রাঙ্গ তখনকার মতো ইন্দ্রকে মুক্ত করেন। 

    দৈত্য হয়েও এমন দয়ার ভাব বজ্রাঙ্গের মধ্যে দেখতে পেয়ে ব্রহ্মা তাঁকে বরদান করতে ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন। বজ্রাঙ্গ তখন তপস্বী হওয়ার বর প্রার্থনা করলেন এবং বাকি জীবন যেন তিনি ধর্ম পথে চলতে পারেন, সেই আশীর্বাদ ব্রহ্মার কাছে চাইলেন। ব্রহ্মা তাঁর মানসকন্যা বরাঙ্গীর সঙ্গে বজ্রাঙ্গের বিবাহ দিলেন। বজ্রাঙ্গ এবং বরাঙ্গী বনের মধ্যে কুটির বানিয়ে ধর্মকর্ম করতে লাগলেন। বজ্রাঙ্গ তপস্যায় রত থাকতেন এবং বরাঙ্গী গৃহকর্ম সম্পাদন করতেন।

    একদিন দেবরাজ ইন্দ্র ওই কুটিরের পাশ দিয়ে যেতে যেতে বরাঙ্গীকে দেখতে পেয়ে পুরনো অপমানের বদলা নিতে চাইলেন। কখনও বানর সেজে, কখনও ভেড়া বা কখনও সাপ হয়ে কুটির লন্ডভন্ড করতে লাগলেন। ক্রন্দনরত অবস্থায় বরাঙ্গী তাঁর স্বামী বজ্রাঙ্গকে এসব বিষয়ে বললে, বজ্রাঙ্গ ব্রহ্মাকে স্মরণ করলেন। ব্রহ্মা প্রকট হয়ে বর দিতে চাইলে বজ্রাঙ্গ বললেন, ‘‘আমাকে এমন পুত্র দিন, যে দেবতাদের উপর অত্যাচার করতে সমর্থ হবে।’’ ব্রহ্মা বজ্রাঙ্গের মনোমত বরদান করলেন। বরাঙ্গীর গর্ভে জন্ম হল তারক নামের অসুরের‌।

    পরবর্তীতে তারকাসুরের উপর ব্রহ্মার বরদান ছিল যে- ‘‘একমাত্র শিবের বালকপুত্র ছাড়া, কারও হাতে তিনি হত হবেন না।’’ ব্রহ্মার বরদানে অজেয়, অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন তারকাসুর। কারণ তিনি জানতেন শিব কখনও বিবাহ করবেন না এবং ত্রিভুবনে ব্রহ্মার বরদানে তাঁকে হত্যা করতে পারে এমন ক্ষমতা কোনও দেবতা, মানুষ বা জীবজন্তুর নেই। তারকাসুর দেবলোক নিজের দখলে আনেন। দেবরাজ ইন্দ্র সিংহাসনচ্যুত হলেন। বিতাড়িত দেবতারা বুঝতে পারলেন শিবের বিয়ে দিতে পারলে তবে তাঁর পুত্রই তারকাসুরকে বধ করতে পারবেন।

    আয়োজন শুরু হল শিব-পার্বতীর বিবাহের। সেখানেও তারকাসুরের আক্রমণ হল। সেই সময় মাতা চন্দ্রঘন্টার রূপ ধারণ করে পার্বতী দেবী অসুরদের বিতাড়িত করেন। এরপর সুসম্পন্ন হয় শিব-পার্বতীর বিবাহ। জন্ম হয় কার্তিকের (Kartik Puja)। মাতা পার্বতী তখন হন স্কন্দমাতা অর্থাৎ কার্তিক জননী। দৈববাণী পেয়ে দেবরাজ ইন্দ্র কার্তিককে সেনাপতি নিযুক্ত করলেন। এক প্রবল যুদ্ধে কার্তিকের হাতে তারকাসুর হত হলেন। দেবতারা তাঁদের হৃত স্বর্গরাজ্য পুনরায় নিজেদের দখলে আনলেন। এমনটাই লেখা রয়েছে ‘স্কন্দপুরাণে’। শিব-পার্বতীর পুত্রের জন্মই হয়েছিল তারকাসুরের বধ এবং স্বর্গ রাজ্যে দেবতাদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য। তাই প্রতিটি সন্তান যেন ‘কার্তিক’ এর মতো হয় এই কামনায় বাড়ি বাড়ি পুজো হয় কার্তিকের।

    বাংলায় কার্তিক পুজো বেশ জনপ্রিয়

    বাংলায় কার্তিক পুজো (Kartik Puja) প্রায় সর্বত্রই হয়, এর মধ্যে হুগলির বাঁশবেড়িয়া এবং পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার কার্তিক পুজো  ব্যাপক জনপ্রিয়। এই দুই জায়গায় কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে উৎসবে মাতেন লাখ লাখ মানুষ। সুসজ্জিত আলোর মালা, মণ্ডপসজ্জার কারুকার্য, বিভিন্ন হিন্দু দেব-দেবীদের বিশালাকার প্রতিমার সঙ্গে থাকে নানা রকমের বাজনা। চলতি বছরে কাটোয়ার একাধিক পুজো মণ্ডপে আগের দিন থেকেই ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিউ আপনজন, জনকল্যাণের মতো ক্লাবগুলিতে এবারও থিমের পুজো লক্ষ্য করা যাবে। কাটোয়ার কার্তিক পুজো রাজ্যজুড়ে জনপ্রিয় কার্তিক লড়াই নামে। ১৭৫০ নাগাদ ধুমধাম করে কাটোয়াতে কার্তিক পুজোর সূত্রপাত হয় বলে জানা যায়। অন্যদিকে বাঁশবেড়িয়াতেও কার্তিক পুজোর বেশ ধুমধাম চোখে পড়ছে। যেমন, চলতি বছরে ৪৮ বর্ষে পদার্পণ করছে বাঁশবেড়িয়ায় অনির্বাণের জামাই কার্তিক পুজো। বিগত বছরগুলিতে একের পর এক দারুণ থিম নিয়ে এসেছে এই অনির্বাণ। আর এবার তাদের থিম নয়া সংসদ ভবন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Disaster: উত্তর সিকিমে ধ্বংসস্তূপের ওপর সেতু গড়ল সেনা, স্বাভাবিক হল যান চলাচল

    Sikkim Disaster: উত্তর সিকিমে ধ্বংসস্তূপের ওপর সেতু গড়ল সেনা, স্বাভাবিক হল যান চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের দুর্যোগে কার্যত ভেঙে পড়েছিল সিকিমের (Sikkim Disaster) সম্পূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। উত্তর সিকিমের অবস্থা সব থেকে খারাপ ছিল। গোটা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়ে উঠেছিল উত্তর সিকিম। স্থলপথে যোগাযোগও ছিল না সারা দেশের সঙ্গে। ৪৪ দিন পর অবশেষে সেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা গেল এবং এর পুরোটাই সম্পন্ন হল ভারতীয় সেনার উদ্যোগে এবং তত্ত্বাবধানে। ধ্বংসস্তূপের উপর সেতু তৈরি করল ভারতীয় সেনা। এর ফলে উত্তর সিকিমে যান চলাচল আবার স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে।

    বৃহস্পতিবারই সেনার তৈরি ব্রিজের উদ্বোধন 

    উত্তর সিকিমের (Sikkim Disaster) চুংথাং-এ সেনার তৈরি এই বেলি ব্রিজ উদ্বোধন হয়েছে বৃহস্পতিবারই। ইতিমধ্যে সেতুর উপর দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ত্রাণবাহী গাড়ি বিধ্বস্ত অংশে পাঠানোর কাজও শুরু হয়েছে। স্থলপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়াতে এতদিন আকাশ পথের মাধ্যমেই ত্রাণ পাঠানো হচ্ছিল। ধ্বংসস্তূপের উপর ব্রিজ নির্মাণের পরে সেনার তরফে বিবৃতিও সামনে এসেছে।

    গত ৩ অক্টোবর হড়পা বানে বিধ্বস্ত হয় সিকিম

    বৃহস্পতিবারই ভারতীয় সেনা জানিয়েছে, ত্রিশক্তি কর্পস এবং বিআরও-এর যৌথ প্রচেষ্টায় চুংথাং-এ এই বেলি ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ব্রিজটি ২০০ ফুট লম্বা। গত ৩ অক্টোবর হড়পা বানে বিধ্বংসী রূপ নেয় তিস্তা নদী। হড়পা বানের ফলে চারদিকে চলতে থাকে তাণ্ডবলীলা। সেই থেকেই কার্যত ভেঙে পড়েছিল উত্তর সিকিমের সমস্ত পর্যটন শিল্প। বাকি অংশগুলিতে সিকিমের (Sikkim Disaster) জনজীবন স্বাভাবিক হলেও উত্তর সিকিম কার্যত যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল এতদিন। তবে ব্রিজ উদ্বোধন হওয়ায় সেই অবস্থা কাটল। বৃহস্পতিবার সেনা নির্মিত সেতুর উদ্বোধন করেন সিকিমের সড়ক মন্ত্রী সমডুপ লেপচা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election 2023: কড়া নিরাপত্তায় সকাল ৭টায় শুরু হল মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ে ভোটগ্রহণ

    Assembly Election 2023: কড়া নিরাপত্তায় সকাল ৭টায় শুরু হল মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ে ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল ৭টায় শুরু হল মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিসগড়ে ভোটগ্রহণ (Assembly Election 2023)। মধ্যপ্রদেশের ২৩০টি আসনে এক দফাতেই নির্বাচন হচ্ছে। অন্যদিকে ছত্তিসগড়ে এটি দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এর আগে ছত্তিসগড়ে প্রথম দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ৭ নভেম্বর। মধ্যপ্রদেশে ৬৫ হাজার ৫৩৩ টি বুথে আজ ভোটগ্রহণ হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখানে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২,৫৩৩ জন প্রার্থী। তবে মূল লড়াই কংগ্রেস বনাম বিজেপি।

    মধ্যপ্রদেশে মোট ভোটার ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৮৩ হাজার

    জানা গিয়েছে, আটা বিধানসভা কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ১৭ হাজার ৩২ টি। মোট ভোটার ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৮৩ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ কোটি ৮৭ লাখ এবং ২ কোটি ৭১ লাখ মহিলা ভোটার। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার (Assembly Election 2023) রয়েছেন ১ হাজার ২৯২ জন।

    দ্বিতীয় দফার ভোটে সরকারি ছুটি ঘোষণা ছত্তিসগড়ে

    অন্যদিকে, প্রথম দফায় কুড়িটি আসনে ভোটগ্রহণ হওয়ার পরে ছত্তিসগড়ে এদিন ৭০ টি আসনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পুরোটাই বস্তার রিজিয়নের মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। একাধিক হামলার খবরও এসেছিল। সেই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছিলেন। অন্যদিকে আজ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ছত্তিসগড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তারও ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন। দুই রাজ্যে ভোটগণনা হবে আগামী ৩ ডিসেম্বর (Assembly Election 2023)। মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে গোষ্ঠী কলহে জেরবার কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের সঙ্গে লড়াই চলছে কংগ্রেস নেতা দ্বিগ্বিজয় সিং-এর। তাই এই দুই গোষ্ঠী এক হয়ে বিজেপিকে টক্কর দিতে পারবে কি? সেই প্রশ্ন উঠছে (Assembly Election 2023)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share