Tag: Bengali news

Bengali news

  • Durga Puja 2023: পাঁচথুপির সিংহবাহিনী বাড়ির দুর্গাপুজোয় নবমীতে হয় মহিষ বলি

    Durga Puja 2023: পাঁচথুপির সিংহবাহিনী বাড়ির দুর্গাপুজোয় নবমীতে হয় মহিষ বলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়ূরাক্ষী নদীর তীরে একটি ছোট্ট গ্রাম, নাম তার পাঁচথুপি। এই গ্রামের অন্যতম প্রধান উৎসব হল সিংহবাহিনী বাড়ির দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023)। শোনা যায়, এই পুজো সাতশো বছরের পুরনো। এই গ্রামে ২২ টি দুর্গাপুজো হত, তার মধ্যে ষোলটি পারিবারিক। এদের বংশধরদের কাছ থেকে জানা যায়, ১৩৪৯ বঙ্গাব্দে এই মন্দিরটির নির্মাণ করেন হরিপদ ঘোষ হাজরা। তারপর জমিদার পরিবারের ষষ্ঠ পুরুষ দেবী দাস ঘোষ হাজরা আনুমানিক ১৭ শতকে হুগলি জেলার পাণ্ডুয়া থেকে অষ্টধাতু নির্মিত দেবী সিংহ বাহিনীকে প্রতিষ্ঠা করেন।

    ১২৫ ফুট উঁচু সুদৃশ্য মন্দির

    যে মন্দিরে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়, সেটি ১২৫ ফুট উঁচু সুদৃশ্য এবং ত্রিতল বিশিষ্ট। মন্দিরের প্রথম দুটি তল অষ্টকোণ বিশিষ্ট, দোতলায় হচ্ছে মূল মন্দিরটি। আর তৃতীয় তলটি অষ্টকোণ বিশিষ্ট সরু হয়ে চূড়ার সৃষ্টি করেছে। সেই চূড়ার উপরে আমলোক এবং পতাকা দণ্ড। অষ্টধাতু নির্মিত দেবী এই পরিবারের গৃহদেবতা, যেটি প্রতিদিন পুজো (Durga Puja 2023) করা হয়। বাড়ির বর্তমান সদস্যরা জানিয়েছেন, অষ্টধাতুর মূর্তির সঙ্গে দুর্গোৎসবে মাটির প্রতিমা দেবী দুর্গা পূজিতা হন। এখানে বোধনের আগের দিন জীতাষ্টমী থেকে পুজোর সূচনা হয় এবং দশমীর দিনে প্রতিমা নিরঞ্জন।

    চতুর্দশীর দিন মায়ের পুজো শেষ (Durga Puja 2023)

    অতীতে জমিদারি প্রথা অনুযায়ী দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হলেও আজ তা সবই অতীত। সপ্তমীর দিন মধ্যরাত্রিতে পুজো হয়। বিশেষত্ব ঢাক-কাঁসর না বাজিয়ে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়। যদিও পুজোপাঠ সার্ত্যক মতে হয়, তবুও প্রতিদিন পায়েস ভোগ দেওয়া হয়। এছাড়া পুজোর চার দিন দেবীর পুজোপাঠের জন্য সমস্ত নতুন পিতলের বাসন ব্যবহার করা হয়। এই বাসন প্রতিদিনই নতুন দেওয়া হয় বলে জানান বাড়ির সদস্যরা। এই সিংহবাহিনীর পুজোয় (Durga Puja 2023) অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি করে ছাগ বলি হয়, নবমীর দিন এখানে মহিষ বলির প্রচলন আছে। দশমী পুজোর বিসর্জনের পর বাড়িতে এসে অপরাজিত পুজো অনুষ্ঠিত হয়। চতুর্দশীর দিন মায়ের পুজো শেষ হয়। ওইদিনও ছাগ বলি হয়। এই পুজোকে কেন্দ্র করে পরিবারের সকল সদস্য, এমনকি যাঁরা বাইরে থাকে, সবাই একত্রে মিলিত হন। শুধু তাই নয়, এই পুজোকে কেন্দ্র করে পারিপার্শ্বিক গ্রামের লোকজনের ভিড় থাকে সব সময়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: আমফানের পর চার বছর ধরে ক্লাস চলছে গাছতলায়! ঘুম ভাঙেনি প্রশাসনের

    South 24 Parganas: আমফানের পর চার বছর ধরে ক্লাস চলছে গাছতলায়! ঘুম ভাঙেনি প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে শাসক দলের নেতারা বারবার বলেন ‘উন্নয়ন রাস্তায়’। কিন্তু উন্নয়ন কতটা কঙ্কাল সার শূন্য, তার বাস্তব চিত্র চোখে পড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগণার (South 24 Parganas) নামখানার এক প্রত্যন্ত স্কুলে। প্রায় চার বছর ধরে কখনও গাছ তলায়, কখনও ভাঙা স্কুলের বাইরের দালানে, আবার কখনও রান্না ঘরের বারান্দায় চলছে পড়াশুনা। ছাত্রদের কোনও ক্লাসের ঘর নেই!। প্রশাসনের কাছে বার বার জানিয়েও কোনও সুরাহা মেলেনি। প্রশাসন নির্বিকার, এলাকায় দেখা মেলে না নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের।

    আমফানের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় ত্রাণের ত্রিপল, চাল, ঘরের টাকা, প্রয়োজনীয় ঔষধের টাকা চুরির অভিযোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। এলাকার উন্নয়নের টাকায় তৈরি হয়েছে তৃণমূল নেতাদের বাড়িঘর-গাড়ি। কেউ বানিয়েছেন লাভ বাড়ি আবার কেউ তৈরি করেছেন সুবিশাল জাহাজ বাড়ি। কিন্তু এই উন্নয়নের জোয়ারে চাপা পড়ে গেছে সরকারি স্কুলঘর। এখনও তৈরি হলনা ছাত্রছাত্রীদের জন্য ক্লাস ঘর। তাই এলাকার মানুষ, স্কুল ঘর তৈরি নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিলেন।

    নেই স্কুল ঘরের কোনও চাল (South 24 Parganas)!

    দেখতে দেখতে আমফান ঝড়ের চার বছর পূর্ণ হয়ে গেল। আমফানে উড়েছে স্কুলের চাল, নেই ঘরের মধ্যে বসে ক্লাস করার মতন উপযুক্ত পরিবেশ। স্কুলের বেহাল দশা নিয়ে প্রশাসন নির্বিকার। ছাত্রছাত্রীরা কখনও গাছ তলায়, কখনো ভাঙা স্কুলের দালানে বসে কষ্ট করে পড়াশুনা করে। এইরকম বেহাল পরিস্থিতির শিকার হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার নামখানা ব্লকের দ্বারিক নগর ভিআই লেলিন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ও শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। দ্বারিক নগর এলাকার এই স্কুলটির সকালে আইসিডিএস অর্থাৎ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং বেলা ১১ টা থেকে এসএসকে অর্থাৎ শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনা হয়। স্কুলের পাশে রয়েছে ১২ ফুট বাই ১৪ ফুট একটি রান্নাঘর, রান্না ঘরের সামনে রয়েছে একটি ছোট্ট বারান্দা, আর সেই বারান্দার মাপ বড়জোর ৬ফুট বাই ১৪ ফুট।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    আমফান ঝড়ে মূল স্কুলটির (South 24 Parganas) টিনের চাল উড়ে যায়। আর তারপর থেকে আজও ২০২৩ -এর অক্টোবরে এসে গেলেও স্কুলের কোনও সংস্কার হয়নি। এলাকাবাসী তাপসী নাইয়া বলেন, “স্কুলের ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীদের গাছ তলায় বসে পড়াশুনা করতে হয়। বৃষ্টিবাদল হলে ভাঙা স্কুলের বারান্দায় বসে পড়াশোনা সারতে হয় তাদের।” এছাড়া আরও এক ছাত্রের অভিভাবক সম্ভু দাস বলেন, “স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার লিখিত দিয়েও কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। আন্দোলন করে এখনও পর্যন্ত সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়নি।”

    স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার বক্তব্য

    এসএসকে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা উষাবাজ (South 24 Parganas) বলেন, “গত কয়েক মাস আগে স্কুল সারাই করার জন্য লোক এলেও, গ্রামের লোকজন বা অভিভাবকরা এই কাজ করতে দেননি। গ্রামের লোকজনের দাবি পাকাপোক্ত কংক্রিটের ছাদ করতে হবে। কারণ সিমেন্টের টিনে তৈরি বাড়িতে তাঁদের ভরসা নেই। এই কথা সমর্থন করেছেন নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিষেক দাস, তবে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, “কিছুদিনের মধ্যেই চেষ্টা করবেন যাতে স্কুলের কাজ করা যায়।”

    কিন্তু প্রশ্ন হল বিগত দিনেও প্রশাসন একইভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আবার প্রতিশ্রুতি! এবার কি প্রতিশ্রুতি মত কাজ হবে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Joyrambati: জয়রামবাটিতে মা সারদার স্মৃতিধন্য মাতৃ মন্দির, ঘুরে আসতে পারেন একদিনেই

    Joyrambati: জয়রামবাটিতে মা সারদার স্মৃতিধন্য মাতৃ মন্দির, ঘুরে আসতে পারেন একদিনেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারপুকুর থেকে মাত্র ৬-৭ কিমি দূরে আর একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক অন্যতম পবিত্র স্থান হল বাঁকুড়া জেলার জয়রামবাটি। এখানেই এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সকলের “মা”, মা সারদামণি। ১৮৫৩ সালের ২২ ডিসেম্বর (মৃত্যু ২০ জুলাই, ১৯২০, উদ্বোধন কার্যালয়, কলকাতা) রামচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং শ্যামাসুন্দরী দেবীর ঘর আলো করে জন্ম নেন তাঁদের প্রথম সন্তান সারদা মুখোপাধ্যায়। যদিও প্রথমে তাঁর নাম “সারদা” ছিল না। জন্মানোর পর প্রথমে তাঁর নাম রাখা হয়েছিল “ক্ষেমঙ্করী”। পরে সেই নাম পাল্টে “সারদা” রাখা হয়। তাঁর পরের ভাই-বোনদের নাম ছিল যথাক্রমে কাদম্বিনী (বোন), প্রসন্ন কুমার, উমেশ চন্দ্র, কালীকুমার, বরদাপ্রসাদ এবং অভয়চন্দ্র (ভাই)। কথিত আছে, সারদা মায়ের জন্মের (Joyrambati) আগে নাকি তাঁর বাবা এবং মা, দুজনেই দিব্যদর্শনে দেখেছিলেন যে স্বয়ং মহাশক্তি তাঁদের ঘরে তাঁদের কন্যা হয়ে জন্মগ্রহণ করতে চলেছেন।

    মা সারদার স্মৃতিতে মাতৃ মন্দির (Joyrambati)

    শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সঙ্গে সারদামণির বিবাহ হয় সারদার বাল্য বয়সেই। আর তার পর থেকে তিনি প্রত্যেকটি মুহূর্তে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে গেছেন ঠাকুরকে। হয়ে উঠেছিলেন সকলের “মা”। হয়ে উঠেছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্ঘজননী। এই জয়রামবাটিতে মা সারদার স্মৃতিতে গড়ে তোলা হয়েছে মাতৃ মন্দির (Joyrambati)। মন্দিরের শিল্পশৈলীও অপূর্ব। অভ্যন্তরে রয়েছে মা সারদার মর্মর মূর্তি। এই মাতৃ মন্দির দর্শন করে দেখে নিন কাছেই শিহর গ্রামে শান্তিনাথ মহাদেবের মন্দির।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Joyrambati)

    যাতায়াত–কলকাতা থেকে জয়রামবাটির দূরত্ব প্রায় ১১৫-১২০ কিমি। প্রতিদিন বাস যাচ্ছে কলকাতার ধর্মতলার শহিদ মিনার বাসস্ট্যান্ড থেকে। আবার কামারপুকুরের মতোই তারকেশ্বর অবধি ট্রেনে এসে সেখান থেকে বাসেও আসা যায় এই জয়রামবাটি (Joyrambati)। থাকা-খাওয়া–কামারপুকুরের মতোই জয়রামবাটিও সকালে এসে সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যায় ফিরে আসা যায় কলকাতায়। আবার বেশিরভাগ মানুষই এক যাত্রায় ঘুরে নেন জয়রামবাটি এবং কামারপুকুর। আর জয়রামবাটিতে থাকতে চাইলে থাকার জন্য রয়েছে মাতৃ মন্দির যাত্রী নিবাস। যোগাযোগ–অধ্যক্ষ, শ্রীমাতৃমন্দির, বাঁকুড়া-৭২২১৬১। এছাড়াও আছে বিবেকানন্দ মিশনের অতিথিশালা। যোগাযোগ–সেক্রেটারি, রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন, ৭  রিভার সাইড রোড, বারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগনা। এছাড়াও এখানে রয়েছে কয়েকটি বেসরকারি হোটেল ও লজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarpukur: সহস্রদল পদ্মের ওপর শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মর্মর মূর্তি! পুজোয় ঘুরে আসুন কামারপুকুর

    Kamarpukur: সহস্রদল পদ্মের ওপর শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মর্মর মূর্তি! পুজোয় ঘুরে আসুন কামারপুকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের এক অন্যতম জনপ্রিয় এবং পবিত্র হিন্দু তীর্থস্থান হুগলি জেলা ছোট্ট, সুন্দর এবং গ্রাম্য পরিবেশে অবস্থিত “কামারপুকুর” (Kamarpukur)। শুধুমাত্র ভক্তজনদের নয়, সাধারণ পর্যটকদের কাছেও অন্যতম প্রিয় স্থান এই কামারপুকুর। বিশেষ করে যাঁরা গাছ-গাছালির ছায়ায় ঢাকা সবুজের গালিচায় বসে দু-দণ্ড সময় কাটাতে চান, তাঁদের কাছে এক আদর্শ জায়গা হল এই কামারপুকুর।

    শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মভিটে (Kamarpukur)

    অবশ্য কামারপুকুরের খ্যাতি সম্পূর্ণ অন্য কারণে। এখানে, এই মাটিতেই ১৮৩৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছিলেন যুগাবতার শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। এখানে রয়েছে শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের স্মৃতিতে গড়ে তোলা মন্দির। মন্দিরের অভ্যন্তরে রয়েছে সহস্রদল পদ্মের ওপর বসা শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মর্মর মূর্তি। মন্দিরের শিল্পশৈলীও দেখার মতো। প্রতিদিন ভোর ৪ টের সময় এখানে হয় মঙ্গলারতি। ফাল্গুন মাসে ঠাকুরের আবির্ভাব তিথিতে এখানে বিশেষ পুজো হয়। সেই দিন এখানে এই বিশেষ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। রীতিমতো মেলার চেহারা নেয় সেদিন এই কামারপুকুর। এছাড়াও দেখে নেওয়া যায় রঘুবীর মন্দির, যুগী শিবমন্দির, ঠাকুরের ভিটেবাড়ি, তাঁর ভিক্ষামাতা ধনী কামারনির বাড়ি প্রভৃতি। এখান থেকে সামান্য কিছু দূরে শিহর গ্রামে রয়েছে শ্রী রামকৃষ্ণর নিত্য সহচর ও ভাগ্নে হৃদয়ের বাড়ি। যেতে পারেন প্রায় দেড় কিমি দূরে বিশালাক্ষী মন্দিরটি দর্শন করতেও। আবার ইচ্ছে হলে ঘুরে নেওয়া যায় কাছেই সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসে বর্ণিত সেই বিখ্যাত “গড় মান্দারণ”ও (Kamarpukur)।

    কীভাবে যাবেন, থাকার কী ব্যবস্থা? (Kamarpukur)

    কলকাতা থেকে কামারপুকুরের দূরত্ব প্রায় ১১০ কিমি। কলকাতার ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি বাস যাচ্ছে। যেতে সময় লাগে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা। আবার তারকেশ্বর অবধি ট্রেনে এসে সেখান থেকে বাসেও আসা যায় কামারপুকুর। এখানে সকালে এসে সারাদিন ঘুরে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায় কলকাতায়। আবার কেউ যদি এখানে একটি রাত কাটাতে চান, তবে থাকতে পারেন শ্রী রামকৃষ্ণ মঠের অতিথি নিবাসে। এর জন্য যোগাযোগ করতে হবে এই ঠিকানায়>অধ্যক্ষ, শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ, কামারপুকুর, হুগলি-৭১২৬১২। এছাড়াও আছে দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের অতিথিশালা (ফোন-০৩২১১  ২৪৪৬৬২)। এছাড়াও এখানে রয়েছে কয়েকটি বেসরকারি হোটেল ও লজ (Kamarpukur)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: প্রধানের কাছে ত্রিপল চেয়ে তৃণমূল কর্মীর জুটল মার, শাসক দলের কীর্তি দেখে তাজ্জব এলাকাবাসী

    Murshidabad: প্রধানের কাছে ত্রিপল চেয়ে তৃণমূল কর্মীর জুটল মার, শাসক দলের কীর্তি দেখে তাজ্জব এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের প্রধানের কাছে ত্রিপল চাইতে গিয়ে এরকম ভয়ানক পরিণতি হবে তা স্বপ্নেও ভাবেননি মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরদিঘি ব্লকে গোবর্ধনডাঙা এলাকার বাসিন্দা শিলু মণ্ডল। যারা ভোট দিয়ে পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় এনেছিলেন, সেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে দলের পঞ্চায়েত প্রধানের নেতৃত্বে এভাবে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটবে তা এলাকার মানুষও ভাবেননি। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টির কারণে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) গোবর্ধনডাঙা অঞ্চলের কয়েকটি মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তরা স্থানীয় তৃণমূল কর্মী শিলু মণ্ডলকে বিষয়টি জানান। তিনি প্রধানকে ফোন করে ত্রিপলের জন্য আবেদন জানান। প্রধানের স্বামী স্বপন হাঁসদা ফোন তুলে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এতে দুপক্ষের মধ্যে বচসা হয়। এরপরই প্রধান ও তাঁর স্বামী দলবল এনে ওই তৃণমূল কর্মীকে পাড়ার সকলের সামনে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁর স্ত্রী মমতা মণ্ডল স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও বেধড়ক পেটানো হয়।

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর কী বক্তব্য?

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী শিলু মণ্ডল বলেন, সামান্য ত্রিপলের জন্য এভাবে প্রধান দলবল নিয়ে এসে হামলা চালাবে তা ভাবতে পারিনি। এলাকার মানুষের জন্য আমি কাজ করেছি। এটাই আমার অপরাধ। যাদের ভোট পেয়ে তৃণমূল বোর্ড গঠন করল তারা এভাবে হামলা চালাল। দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।

    অভিযুক্ত প্রধানের কী বক্তব্য?

    পঞ্চায়েত প্রধান পার্বতী হাঁসদা বলেন, আমি টোটো করে বাড়ি ফিরছিলাম। রাস্তা আটকে আমাকে ওরা ত্রিপল চাওয়ার কথা বলে। আমি পঞ্চায়েতে আবেদন জানাতে বলি। কিন্তু, ওরা তা না শুনে আমার উপর চড়াও হয়। আমার স্বামী বাধা দিতে গেলে তাঁকে ওরা মা়রধর করে। আসলে ওরা মদের ঠেক চালায়। আমি তার প্রতিবাদ করেছিলাম বলে ওরা এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Influenza: ইনফ্লুয়েঞ্জা হলেই বাড়ছে শ্বাসনালীর সংক্রমণ! শিশুদের জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তা কেন?

    Influenza: ইনফ্লুয়েঞ্জা হলেই বাড়ছে শ্বাসনালীর সংক্রমণ! শিশুদের জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তা কেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া কিংবা টাইফয়েডের মতো জটিল জ্বরের পাশপাশি বর্ষার মরশুমে রাজ্যবাসীকে জেরবার করছে ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza)। সপ্তাহভর বৃষ্টি চলেছে। কিন্তু চলতি সপ্তাহ থেকেই বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। ফলে, আবহাওয়ার অনেকটাই বদল হয়েছে। তাপমাত্রার এই দ্রুত ওঠানামার সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আদ্রতা। কখনও শীত ভাব, আবার কখনও ঘাম ঝরছে! আর এর জেরেই ইনফ্লুয়েঞ্জা শক্তি বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই বর্ষায় ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস শুধু সর্দি-কাশি আর জ্বরের ভোগান্তিতেই শক্তি ক্ষয় করছে না। শ্বাসনালীর জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করছে।

    কাদের ভোগান্তি বেশি? (Influenza) 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গত দু’সপ্তাহে ফের বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জার (Influenza) দাপট। সর্দি-কাশি আর জ্বরের সমস্যা বাড়ছে। তবে, এর সঙ্গে যা বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে, তা হল শ্বাসনালীর সংক্রমণ। কাশি, শ্বাসকষ্ট, গলাব্যথা এমনকি ফুসফুসের নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস থেকে। বিশেষত, শিশুদের জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তা বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিশুদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে। বিশেষত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ইনফ্লুয়েঞ্জার পরে বেশ কয়েক সপ্তাহ শ্বাসনালীর সংক্রমণ হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তাদের হাঁপানির মতো উপসর্গও দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, জ্বর না কমলে নিউমোনিয়ার ঝুঁকিও থাকছে। তাই পাঁচ বছরের কম বয়সীদের জন্য বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই মনে করছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? (Influenza) 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গরম বাড়তেই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ, আবহাওয়ার এই পরিবর্তনেই শরীরে দ্রুত ভাইরাসঘটিত জ্বরের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এই সময় একেবারেই এসি চালানো উচিত নয়। বিশেষত, শিশুরা যে ঘরে রাতে ঘুমোবে, তাতে লাগাতার এসি চালানো একদম চলবে না। কারণ, এতে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ঘুমনোর সময় শিশুকে হালকা চাদরে গা ঢেকে দেওয়া দরকার বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে ঠান্ডা লাগার ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি, জ্বর হলে একেবারেই অবহেলা করা চলবে না। প্রথম দিন থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খেতে হবে। যাতে কোনও সংক্রমণ বাড়াবাড়ি হতে না পারে। পাশপাশি ইনফ্লুয়েঞ্জায় (Influenza) আক্রান্তরা সকালে দুধে মধু মিশিয়ে খেলে দ্রুত উপকার পাবেন বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মধু সর্দি-কাশিতে বিশেষ উপকার দেয়। আর দুধ শরীরের দুর্বলতা দ্রুত কাটাতে সাহায্য করে। আর এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদাও পূরণ হয়। তাছাড়া গলায় অসুবিধা কমাতে এবং শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে দশ-বারো বছরের শিশুদের গোলমরিচ গুঁড়ো করে তুলসী পাতার সঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: বারুইপুরের ঘোষবাড়ির দুর্গাপুজোয় এসেছিলেন তৎকালীন বড়লাট লর্ড ক্যানিং

    Durga Puja 2023: বারুইপুরের ঘোষবাড়ির দুর্গাপুজোয় এসেছিলেন তৎকালীন বড়লাট লর্ড ক্যানিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমিদারি প্রথা চলে গিয়েছে। কিন্তু আজও জমিদারি প্রথার রীতি বহন করে ১৪১ বছর ধরে দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) হয়ে আসছে বারুইপুরের রামনগরের ঘোষবাড়িতে। ইংরেজ আমলে তৎকালীন বড়লাট লর্ড ক্যানিং ছিলেন জমিদার নরেন ঘোষের অতি ঘনিষ্ঠ। তাই ক্যানিং যাওয়ার পথে দুর্গাপুজোয় এসেছিলেন লর্ড ক্যানিং। পুজোয় কয়েক ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন তিনি। ছাগ বলি প্রথা বন্ধ হয়ে গেলেও নিয়ম করে আখ, চালকুমড়ো বলি হয়ে আসছে পুজোয়। অষ্টমীর দিন ঘোষবাড়ির পুজোয় নিরামিষ আহার খেতেই ভিড় জমান গ্রামের লোকজন, এমনই বললেন পরিবারের প্রবীণ সদস্য মলয় ঘোষ।

    ইংরেজ আমলে ঘোষবাড়িতে দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023)

    রামনগরের ঘোষ বাড়ির প্রথম জমিদার ছিলেন কৈলাস ঘোষ। তাঁর নামানুসারে বাড়ির নাম কৈলাস ভবন। কৈলাসবাবুর ছেলে নরেন ঘোষ ইংরেজ আমলে ঘোষবাড়িতে দুর্গাপুজো শুরু করেন। বাড়ির দুর্গা দালানে এখন চলছে প্রতিমা তৈরির জোর প্রস্তুতি। কয়েকদিন পরেই সাজ সাজ রব পড়ে যাবে জমিদার বাড়িতে। কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন ঘোষ পরিবারের সদস্যরা। সবাই পুজোর কয়েকদিন মিলিত হয়ে যান ঘোষবাড়ির দুর্গা দালানে (Durga Puja 2023)। আগে ষষ্ঠীর দিন রাঁধুনি সোনা ঠাকুরের কচু, দেশি চিংড়ির ঝোল রান্না খেতে প্রচুর মানুষের সমাগম হত। অষ্টমীর দিন এখনও নিরামিষ লুচি, ফুলকপির ডালনা খেতে গ্রামের মানুষজন আসেন। তবে সংখ্যা কিছুটা কমেছে। সপ্তমী থেকে দশমী চালকুমড়ো বলি হয়। সন্ধি পুজো দেখতেই আশপাশের গ্রামের মহিলারাও জড়ো হয়ে যান।

    বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে পুজো (Durga Puja 2023)

    প্রবীণ সদস্য মলয় ঘোষ বলেন, ইরেজ আমলে বারুইপুর থেকে ক্যানিং যাওয়ার রাস্তা ছিল মাটির। তাই ক্যানিং যাওয়ার সময় বড়লাট লর্ড ক্যানিং তাঁর ফিয়ট গাড়ি বাড়ির পিছনে রেখে দিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে ক্যানিং যেতেন। পূর্বপুরুষ নরেন ঘোষের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় দুর্গাপুজোয় তিনি বাড়িতে এসে পুজো দেখেওছিলেন। এছাড়া প্রায় সময়ই ইংরেজ সাহেবরা তাঁদের গাড়ি রাখার জন্য আসতেন বাড়িতে। পরিবারের আর এক সদস্য প্রিয়জিত সেন বলেন, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে আমাদের পুজো (Durga Puja 2023) হয়ে আসছে। জমিদারি প্রথার রীতি মেনেই বিসর্জনের দিন কাঁধে করেই ঢাক ঢোল বাজিয়ে মাকে নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ির পুকুরে। সেই পুকুর হেদুয়ার পুকুর বলে এলাকায় পরিচিত। এই পুকুরেই ইংরেজ সাহেবরাও স্নান করতে আসতেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Crocodile: মাঝরাতে দুয়ারে দাঁড়িয়ে ওটা কী! ১০ ফুটের কুমির দেখে থ কালনাবাসী

    Crocodile: মাঝরাতে দুয়ারে দাঁড়িয়ে ওটা কী! ১০ ফুটের কুমির দেখে থ কালনাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাড়ার মধ্যে রাস্তায় থাকা সরমেয়রা তারস্বরে চিৎকার করছিল। মাঝ রাতে পাড়ায় চোর ঢুকেছে ভেবে অনেকে বাড়ির দরজা খুলে বেরিয়ে আসেন। অনেকে আবার সারমেয়দের চিৎকার থামাতে ঘর থেকে বের হন। একেবারে পাড়ার রাস্তার মধ্যে ১০ ফুট লম্বা কুমির (Crocodile) দেখে এলাকাবাসী তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন। সারমেয়দের সঙ্গে মাঝরাতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসা লোকজনও প্রচণ্ড চিৎকার করতে থাকেন। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রাস্তাতে কুমির দেখে হতবাক হয়ে পড়েন। সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Crocodile)

    এমনিতেই কয়েকদিন আগে অগ্রদ্বীপের কালিকাপুর ফেরিঘাট খুলতে এসে অভিজিৎ হালদার নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা গঙ্গার চরে ১২ ফুট লম্বা কুমিরকে শুয়ে থাকতে দেখেছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই কুমির দেখতে ভিড় উপচে পড়েছিল। পরে, বন দফতর এসে কুমিরটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এর আগেও গঙ্গার ধারে কুমির আসা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল। এই সব ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার কালনায় পাড়়ার মধ্যে কুমির (Crocodile) ঢুকে যাওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। রাত দেড়টা নাগাদ পালপাড়ায় কুমির দাপিয়ে বেড়ানোর খবর জানাজানি হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ভয়ে দরজা, জানলা লাগিয়ে ঘরবন্দি হয়ে বসে থাকেন। আর অনেকেই সারা রাত জেগে রাত পাহাড়া দিয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এতদিন গঙ্গায় কুমির (Crocodile) দেখা গিয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু, এভাবে বাড়ির দরজায় এতবড় কুমির হাজির হবে তা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। কালনার বন দফতরের কর্মী, পুলিশ প্রশাসন এসে দড়ি দিয়ে এলাকাটি ঘিরে দেয়। রাত ভর ভিড় ছিল। সকাল হতেই পিল পিল করে মানুষ কুমির দেখতে ভিড় করে। তবে, এই ঘটনার পর থেকে এই এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সন্ধ্যা নামলেই ভয়ে কেউ আর বাড়়ির বাইরে বের হওয়ার সাহস দেখাবে না। প্রশাসনের অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার।

    বন দফতরের কী বক্তব্য?

    বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি জানার পরই কুমিরটিকে (Crocodile) উদ্ধার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কীভাবে কুমির লোকালয়ে এল তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। আমরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: কান্দির দত্ত পরিবারের পুজোয় অন্ন নয়, মাকে ৩ দিনই দেওয়া হয় লুচি ভোগ

    Durga Puja 2023: কান্দির দত্ত পরিবারের পুজোয় অন্ন নয়, মাকে ৩ দিনই দেওয়া হয় লুচি ভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির জজান গ্রামে দত্ত পরিবারের দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) এবার ১৮৫ বর্ষে পদার্পণ করল। কথিত আছে, তৎকালীন সময়ে প্রাণকৃষ্ণ দত্ত নামে এক বণিক ভরতপুরের ময়ূরাক্ষী নদীর তীরে দেবী দশভূজার স্বপ্ন দেখতে পান। তারপরই তিনি এই দুর্গাপুজো শুরু করেন। সেই সময় থেকে এই ২০২৩ সাল পর্যন্ত উমা বন্দনায় মেতে ওঠে গোটা জজান গ্রাম সহ পারিপার্শ্বিক গ্রামগুলি।

    মা দুর্গার বাহন নৃসিংহ (Durga Puja 2023)

    মা দুর্গার বাহন আমরা জানি সিংহ। কিন্তু এখানে মা দুর্গার বাহন নৃসিংহ বা নরসিংহ অবতার। সাবেকি মূর্তিতে প্রথম থেকেই এই দেবীকে পুজো করার রীতি চলে আসছে বলে জানান অসিতকুমার দত্ত। এই পুজোয় আজ পর্যন্ত বনেদিয়ানার ছাপ (Durga Puja 2023) স্পষ্ট। পুজোকে কেন্দ্র করে দত্ত বাড়ির সঙ্গে এলাকার মানুষের উদ্দীপনা থাকে দেখার মতো। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বোধনের দিন থেকে নবমীর দিন পর্যন্ত প্রতিদিন দু’বেলা করে টেকরা বাজে। তাঁদের দাবি, এই ধরনের বাজনা অনেক জায়গায় দেখতেই পাওয়া যাবে না। টেকরা এক ধরনের বাজনা, ওর সঙ্গে থাকে সানাই।

    কোনও অন্ন ভোগের ব্যবস্থা নেই (Durga Puja 2023)

    এই দুর্গাপুজোয় কোনও অন্ন ভোগের ব্যবস্থা নাই। সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমী- দু’বেলা মাকে লুচি ভোগ এবং ওর সঙ্গে সাত রকম ভাজা দেওয়া হয়। এখানের পুজো পুরোপুরি বৈষ্ণব মতে হয়। প্রবীর দত্ত নামে এক সদস্য জানান, মায়ের পুজোর এই তিন দিন মা দুর্গাসহ সাত জনকে প্রতিদিন শরবত দেওয়া হয়। তিনি বলেন, কোনও অতিথি বাড়িতে এলে আমরা যেমন প্রথমেই তাঁকে শরবত দিই, ঠিক তেমনি মা বাড়িতে আসার কারণে তাঁদেরকে শরবত দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, বিসর্জনের (Durga Puja 2023) সময় ৩০-৪০ জন মানুষ কাঁধে করে মাকে নিয়ে যাবেন। তারপর সর্বমঙ্গলা মন্দিরের সামনে পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সেচমন্ত্রী থাকাকালীন বন্যা নিয়ন্ত্রণে আরামবাগের জন্য কাজ করতে দেয়নি’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সেচমন্ত্রী থাকাকালীন বন্যা নিয়ন্ত্রণে আরামবাগের জন্য কাজ করতে দেয়নি’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলমগ্ন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে খানাকুল ও পুরশুড়া এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কোথাও দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করে তাদের অভাব অভিযোগ শোনেন, আবার কোথাও ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন দুর্গতদের হাতে। আর এর মাঝেই বন্যা দুর্গতদের প্রতি বঞ্চনা করা হচ্ছে বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি।

    বন্যা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari)

    এদিন প্রথমে পুরশুড়ার দিগরুই ঘাট এলাকায় যান তিনি। সেখানে দুর্গতদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেওয়ার পর খানাকুলের হানুয়া এলাকায় যান তিনি। সেখানেও পথসভা পাশাপাশি দুর্গতদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি জলমগ্ন এলাকায় গিয়ে জলে নেমে জলবন্দি মানুষদের সঙ্গেও কথা বলন। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, রাজ্য সরকার চায় খানাকুল ও পুরশুড়ায় বন্যা হোক। কোটি কোটি টাকা বাঁধ সংস্কারে খরচ না করে ভোটের সময় মানুষের হাতে অল্প টাকা তুলে দিলেই ভোট পাবে বলে মনে করে বর্তমান শাসক দল। আর সেই কারণেই কোথাও কোনও সংস্কার হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এমনকী এই দুর্যোগে রাজ্য নেতাদের কারও দেখা নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, তৃণমূল সাংসদ খানাকুলে বন্যা মানুষদের বিস্কুট দিতে গিয়েছিলেন সেখানের লোক তাকে তাড়া করেছিলেন।

    মমতা-অভিষেককে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

     আরামবাগের পুরশুড়ার দিগড়ুইঘাটে বন্যা কবলিত দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করতে এসে বিরোধী দোলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, আমাকে সিবিআই যখন ডেকেছিল আমি গিয়েছিলাম, কিন্তু, ভাইপোর মতো হাইকোর্টে আমি যাইনি। তিনি আরও বলেন, মুখমন্ত্রীর অনেক হেলিকপ্টার আছে তাও তিনি একবারও বন্যা দুর্গতদের দেখতেও আসেননি। এছাড়াও আমি সেচমন্ত্রী থাকাকালীন আমাকে বন্যা নিয়ন্ত্রণে আরামবাগ মহকুমার জন্য কিছু কাজ করতে দেয়নি। মূলত, নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি আক্রমণ করলেন। রাজ্য সরকার ভোট পাওয়ার জন্য ইচ্ছে করেই আরামবাগে নদীগুলি নিয়ে কিছু কাজ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়াও বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলে তাদের জিজ্ঞাসা করেন, সরকারি কোনো সাহায্য পেয়েছেন কিনা।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share