Tag: Bengali news

Bengali news

  • Visva Bharati: আবেদনে সাড়া দেননি মুখ্যমন্ত্রী! ৩ কিমি রাস্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিশ্বভারতীর

    Visva Bharati: আবেদনে সাড়া দেননি মুখ্যমন্ত্রী! ৩ কিমি রাস্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামান্য তিন কিলোমিটার রাস্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানিয়েও সাড়া মেলেনি। এবার উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা ফেরত পাওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এর আগে বিশ্বভারতীর পক্ষ থেকে শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহ, ছাতিমতলা-সহ বিভিন্ন ঐতিহ্যপূর্ণ স্থানগুলির সামনে থেকে টোটো এবং বিভিন্ন খাবারের দোকানগুলিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। এদিন বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা, টোটোগুলিকে ছাতিমতলা ও উপাসনা গৃহসংলগ্ন স্থান থেকে সরিয়ে দেন। একইসঙ্গে শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহের সামনে থেকে সংগীত ভবন পর্যন্ত পর্যটকদের নিয়ে টোটোর যাতায়াতও নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। বিশ্বভারতীর এই পদক্ষেপ সঠিক বলে মনে করছেন শান্তিনিকেতনে ঘুরতে আসা পর্যটকদের একাংশ।

     চিঠিতে উপাচার্য কী লিখেছেন? (Visva Bharati)

    মূলত ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা রক্ষায় যান নিয়ন্ত্রণের জন্য ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি বিশ্বভারতীকে (Visva Bharati) দেওয়া হোক, এই মর্মে গত মাসেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাস্তা ফেরত চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, আবেদন জানিয়েও উত্তর না মেলায়, বিশ্বভারতীর পরিদর্শক তথা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি পাঠালেন উপাচার্য। ওই চিঠিতে উপাচার্য লেখেন, ‘আমরা রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে ২৫ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ চিঠি পাঠিয়ে বিশ্বভারতীর রাস্তা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্তরিক অনুরোধ করেছি, যদিও কোনও উত্তর নেই। তাই বিশ্বভারতীকে রাস্তাটি পুনরায় দিতে আপনার হস্তক্ষেপ ও প্রচেষ্টা প্ৰাৰ্থনা করছি। ঐতিহ্য রক্ষায় সহযোগিতা করেন।’

    প্রসঙ্গত, গত ১৭ সেপ্টেম্বর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। কবিগুরুর স্মৃতি বিজড়িত এই জায়গাকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করার পর খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়ে সমস্তমহলেই। তার আগে ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে বিশ্বভারতী (Visva Bharati) শান্তিনিকেতন পরিদর্শনে আসে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলেরই মতামতের ভিত্তিতে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকায় নাম ওঠে শান্তিনিকেতনের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Forest Man: “প্রকৃতির স্বভাবকে না মানলে উত্তর-পূর্ব ভারতও সিকিম হবে”, সতর্কবার্তা ‘ফরেস্ট ম্যানের’

    Forest Man: “প্রকৃতির স্বভাবকে না মানলে উত্তর-পূর্ব ভারতও সিকিম হবে”, সতর্কবার্তা ‘ফরেস্ট ম্যানের’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব ভারতও হতে পারে সিকিমের মতন হড়পা বানের শিকার। সময়ে যদি সঠিক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে সামনে ঘটতে পারে বড় বিপদ। প্রকৃতির স্বভাবকে না মানলে বিপর্যয়, বন্যা, হড়পা বান ইত্যাদি হতে পারে। উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রকৃতির ভারসাম্যের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। জলপাইগুড়িতে এসে সতর্ক করলেন পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত ‘ফরেস্ট ম্যান’ যাদব পায়েং (Forest Man)।

    কী বললেন ফরেস্ট ম্যান (Forest Man)?

    প্রকৃতির স্বভাবকে অমান্য করলে প্রকৃতিক বিপর্যয় ঘটবেই। নদীর জলে প্রকৃতি সুলভ ধারাকে বাঁধ দিয়ে বাধা প্রদান করলে, সিকিমের মত ঘটনা ঘটবেই। এমনই বিস্ফোরক মন্তব্যে প্রশাসনকে সতর্ক করলেন ফরেস্ট ম্যান (Forest Man)। জলপাইগুড়িতে পরিবেশ কর্মীদের এক অনুষ্ঠানে যোগদান করে ‘ফরেস্ট ম্যান’ যাদব পায়েং বলেন, “ সিকিম হল প্রত্যক্ষ উদাহরণ, যেখনে প্রকৃতিকে ধ্বংস করে বাঁধ নির্মাণ করেছে। অপরিকল্পিত ভাবে বাঁধ নির্মাণ করায় সিকিমে বন্যা বিপর্যয় ঘটেছে। এমন ঘটনা আগে হিমাচল প্রদেশেও ঘটেছে। এইরকম চলতে থাকলে উত্তর-পূর্ব ভারতে এমন বিপর্যয় ফের নামতে পারে। অসমের হাফলং স্টেশন তৈরি করতে গিয়ে প্রচুর বৃক্ষ কাটা হয়েছিল। আজ তার ফল ভোগ করছে অসম।”

    প্রকৃতিপ্রেমী ফরেস্ট ম্যান

    জলপাইগুড়িতে পরিবেশ ভাবনার উপর কাজ করেন ফরেস্ট ম্যান যাদব পায়েং। ২০১১ সালে ভয়াবহ বিষক্রিয়ায় করলা নদীর মাছ ক্রমশ কমে যাচ্ছিল। এই সময় থেকেই প্রকৃতিপ্রেমী নামক এক সংগঠন জলপাইগুড়িতে পরিবেশ রক্ষার কাজ শুরু করেছে। এই সংস্থার ডাকেই ‘ফরেস্ট ম্যান’, আজ বিশেষ অনুষ্ঠানে এসে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সেই সঙ্গে নদীতে মাছ ছাড়লেন এবং বৃক্ষরোপণ করলেন। ১৯৮০ সাল থেকে অসমের কলিকামুখের ঔনামুখ চাপরিতে অরণ্য গড়ে তোলেন তিনি। তাঁর সৃষ্ট সেই জঙ্গলে বর্তমানে শতাধিক হাতি, গণ্ডার সহ বেশ কিছু বন্যপ্রাণী রয়েছে। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘ফরেস্ট ম্যান অফ ইন্ডিয়া’ উপাধিতে ভূষিত করে। পরবর্তী কালে তাঁকে ভারত সরকার পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করে।

    বানভাসি সিকিম

    কয়েকদিন আগেই সিকেমে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বানভাসি হয় তিস্তানদী। জলের প্রবল গতির স্রোতে ভেসে গেছে নদীর পাড়ের এলাকা। মানুষের বাড়ি ঘর, দোকান, হোটেল, বাজার সব কিছু নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। মারা গেছেন অনেক মানুষ। এর প্রভাব পড়েছে তিস্তা সংলগ্ন জলপাইগুড়ি জেলাতেও। রোজ ভেসে আসছে মৃতদেহ। বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন এখনও। নিখোঁজ অনেকেই। জাতীয় সড়ক ভেঙে পড়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতি যাতে না ঘটে, তাই প্রকৃতি নিয়ে সতর্ক করলেন ফরেস্ট ম্যান (Forest Man)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train accident: রেলে কাটা পড়ে দুই খণ্ড দেহ, তবুও কথা বলছেন! তীব্র চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে

    Train accident: রেলে কাটা পড়ে দুই খণ্ড দেহ, তবুও কথা বলছেন! তীব্র চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেনের ধাক্কায় লাইনের কাটা পড়ার কথা প্রায়ই শোনা যায়। তবে এবার ট্রেনে কাটা (Train accident) পড়ার পরও অদ্ভূত ঘটনা ঘটল। শুনেই অবাক কাণ্ড! ট্রেনের ধাক্কায় কাটা পড়ে শরীর দুই টুকরো হয়ে গেছে। এই অবস্থায়ও দুর্ঘটনায়গ্রস্ত ব্যক্তি দিব্যি কথা বলেছেন। এলাকার মানুষ ঘটনাস্থলে এসে ভিড় জমান, এরপর তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। এই রেলে কাটার পরও বেঁচে থাকার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে মুর্শিদাবাদে।

    ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ থানার বাসুদেবপুর স্টেশনে। তবে ব্যক্তির পরিচয় কী তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। আশ্চর্য ব্যাপার যে রেলে কাটা পড়ার পরেও সেই ব্যক্তি বেঁচে রয়েছেন। খবর পেয়ে ওই স্থানে দ্রুত পুলিশ পৌঁছায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। 

    কীভবে ঘটল ঘটনা (Train accident)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনে চাপতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান রেলের লাইনে এক ব্যক্তি। জামালপুর থেকে কাটোয়াগামী ট্রেন ধরতে যাচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান তিনি। এরপর ট্রেনের চাকায় দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল ব্যক্তির দেহ। তাঁর কোমরের উপর দিয়ে চলে যায় রেলের চাকা। লাইনের একপাশে পড়ে যায় দুই পায়ের অংশ এবং অপর দিকে পড়ে যায় কোমরের উপরের অংশ। তবুও ব্যক্তি কথা বলছিলেন!

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    এই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি কামাল মণ্ডল বলেন, “ট্রেন স্টেশন থেকে ছেড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ পা ফস্কে স্টেশন থেকে লাইনে পড়ে যান। শরীর দুই খণ্ড (Train accident) হয়ে যায়। ট্রেন চলে গেলে, আমরা তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে, তাঁর কথাও শুনতে পাই। এরপর উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথেম স্থানীয় সামশেরগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে  যাওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতির কথা ভেবে তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। ওখানেই তাঁর বর্তমানে চিকিৎসা চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নিশিকান্ত মণ্ডল খুনের তদন্তে প্রশ্ন তুলে আন্দোলনের ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নিশিকান্ত মণ্ডল খুনের তদন্তে প্রশ্ন তুলে আন্দোলনের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনের অন্যতম নেতা নিশিকান্ত মণ্ডল খুনের ঘটনার মামলায় ৮ অভিযুক্ত বেকসুর খালাস পেয়েছেন। এবার এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিশিকান্তের পরিবারের লোকজন। নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari) এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন।

    কী বলেছেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    জমি আন্দোলনের নেতা নিশিকান্তের ছেলে সত্যজিৎ মণ্ডল বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। অনেকে আদালতের এই রায়ের জন্য নিশিকান্তের পরিবারের লোকজনের দিকে আঙুল তুলেছেন। অনেক সমালোচনাও শুনতে হয়েছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের। রবিবার নন্দীগ্রামের হরিপুরে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে সেই সত্যজিৎ মণ্ডলকে পাশে বসিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমালোচনার ঝড় সামলানোর চেষ্টা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জমি আন্দোলনে নিশিকান্তের ভূমিকা তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, ‘কামদুনি কাণ্ডের ওই রকম রায়ের পর এবার নিশিকান্ত মণ্ডল হত্যা মামলার অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস করে দেওয়া হল। যারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত ছিল। আদালতের এই রায়ের জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সাড়ে ৩ বছরের জেল খাটা এক তৃণমূল নেতার অঙ্গুলিহেলনে সবটা হয়েছে।’  তবে, আদালতের এই রায় মাথা পেতে নেওয়ার পক্ষে তাঁর মত নেই। বরং, সঠিক বিচারের জন্য তিনি বলেন, ‘আগামীদিনে আমার এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।’

    আন্দোলনের ডাক বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari)

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, হলদিয়া আদালতে রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন জানানো হবে। তার পর নিশিকান্তর পরিবারের তরফে কলকাতা আদালতে রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হবে। সেই সঙ্গে কালো পতাকা নিয়ে বৃহস্পতিবার ভাঙাবেড়া থেকে সোনাচূড়া বাজার পর্যন্ত ধিক্কার মিছিলের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু। ফলে, এই ইস্যুতে পথে নেমে সোচ্চার হওয়ার কথা বলেছেন বিরোধী দলনেতা। নিশিকান্ত মণ্ডলের ছেলে সত্যজিৎ মণ্ডলও এ দিন দাবি করেন, সঠিক ভাবে তদন্ত করা হলে এ রকম রায় হত না। উচ্চ আদালতে আমরা আপিল করব।

    সরকারি আইনজীবী কী বলেছিলেন?

    আদালতে রায় বের হওয়ার পর সরকারি আইনজীবী জানিয়েছিলেন, ‘উপযুক্ত সাক্ষ্যের অভাবে প্রায় ১৪ বছর ধরে মামলা চলার পর জমি আন্দোলন পর্বে তৃণমূল নেতা নিশিকান্ত মণ্ডল হত্যা মামলার ৮ অভিযুক্ত বেকসুর খালাস পেয়েছে। এমনকী, মৃত নিশিকান্তের পরিবারের লোকেরাও জোড়াল সাক্ষ্য দেননি।’ এসব নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছিল। নিশিকান্ত মণ্ডলের ছেলেকে পাশে বসিয়ে আদালতের রায় নিয়ে ঠিক কী অবস্থান তা জানিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj University: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রারের প্যাড ব্যবহার করে ভুয়ো নিয়োগপত্র, শোরগোল

    Raiganj University: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রারের প্যাড ব্যবহার করে ভুয়ো নিয়োগপত্র, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গ্রুপ সি পদে একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা জানে না। পরে, খোঁজ নিয়ে জানা যায় নিয়োগপত্রটি ভুয়ো। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে (Raiganj University)। ভুয়ো নিয়োগপত্র ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নিয়োগপত্রটি রীতিমত ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj University)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, (Raiganj University) রেজিস্ট্রার দূর্লভ সরকারের প্যাডে নিয়োগের তথ্য লিপিবদ্ধ রয়েছে। সেখানে রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর এবং সিল পর্যন্ত রয়েছে। যে নিয়োগপত্র ঘিরে এই বিতর্ক, সেখানে পবন মহলদার নামে একজনের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। ঠিকানার জায়গায় লেখা রয়েছে, বোগ্রাম, কর্ণজোড়া। তাঁকে গ্রুপ সি পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। ২৭ শে সেপ্টেম্বর এই নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়। বলা হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে নিয়োগ করতে হবে। অথচ এই ধরনের কোনও নিয়োগপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। স্বাভাবিকভাবে বিষয়টি সামনে আসতে কর্তৃপক্ষ চরম বিড়়ম্বনায় পড়েছে।

    কী বললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার?

    সামাজিক মাধ্যমেই বিষয়টি জানতে পেরেছেন রেজিস্ট্রার। পুরোটাই জাল বলে দাবী করেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই, পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। সোমবার সংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রেজিস্ট্রার বলেন, এই নিয়োগপত্রটি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এমন কেউ নিয়োগের আবেদন নিয়ে সশরীরে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Raiganj University) আসেননি। তবে, বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কারণ, কোনও চক্র এই কাজ করছে। যে বা যারা এর পিছনে রয়েছে তাদের খুঁজে বের করে তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। নাহলে এই ধরনের কাজ তারা আরও করবে। পুলিশকে সমস্ত বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশা করি, পুলিশ ঘটনার পূর্ণ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি আরও বলেন, এর আগেও পূর্ববর্তী উপাচার্যের আমলেও এমন ঘটনা ঘটেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বিদেশের দুর্গাপুজোয় এবারও পদ্মফুলের জোগান দিচ্ছে বীরভূম

    Birbhum: বিদেশের দুর্গাপুজোয় এবারও পদ্মফুলের জোগান দিচ্ছে বীরভূম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোয় বঙ্গ থেকে পদ্ম পাড়ি দিচ্ছে বিদেশে। বীরভূমের (Birbhum) আহমদপুরের বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামগুলি থেকে পদ্ম ফুল যাচ্ছে বিদেশে। তবে, তাদের চাষ করা পদ্ম বিদেশে যাচ্ছে, এতে যেমন গর্বিত পদ্মচাষিরা। অন্যদিকে, অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টিতে পদ্মচাষে ক্ষতিও হয়েছে এবছর। মিলছে না ন্যায্য মজুরি, আক্ষেপ পদ্মচাষি থেকে মহাজন সকলের।

    বীরভূম (Birbhum)  থেকে কোন কোন দেশে পাড়ি দিচ্ছে পদ্ম?

    গ্রাম বাংলার আনাচে কানাচে পুকুর, ছোট জলাশয় সর্বত্রই পদ্ম চাষ হয়ে থাকে। বীরভূমও (Birbhum) পদ্ম চাষের অনুকূল। আসছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। আর এই দুর্গাপুজোর উপকরণগুলির মধ্যে অন্যতম পদ্ম ফুল। বীরভূমের আহমদপুরের প্রত্যন্ত গ্রামগুলি থেকে এবার পদ্ম পাড়ি দিচ্ছে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্ত সহ বিদেশেও। এখান থেকে কলকাতা, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, মুম্বই প্রভৃতি জায়গায় পদ্ম যাচ্ছে। এমনকী, কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজোতেও মেট্রো শহরগুলি পদ্ম ফুল যায় বীরভূমের আহমদপুর থেকে।

    বিদেশে একটি পদ্মের কত দাম?

    তবে, এবার দুর্গাপুজোয় এখান থেকে পদ্ম যাচ্ছে আমেরিকা, জার্মানি, থাইল্যান্ড, জাপান, নেপাল, ভূটান প্রভৃতি দেশে। পদ্ম বিদেশে যাচ্ছে, এতে স্বাভাবিক ভাবেই আপ্লুত পদ্ম চাষিরা। পাশাপাশি তাদের আক্ষেপ, এবছর অনাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে পদ্ম চাষে। তাই পদ্ম বিদেশে গেলেও সেই অনুযায়ী দাম মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে লাভবান হচ্ছেন মজুতদারেরা। আর মুনাফা পাচ্ছেন না পদ্ম চাষিরা। এক একটি পদ্ম ফুল মাত্র আড়াই থেকে ৩ টাকায় পদ্ম চাষিদের কাছ থেকে কেনেন মহাজনেরা। সেই পদ্ম তারা দোকানে দেন ৫ থেকে ৬ টাকায়। দোকান থেকে এই বাংলায় এক একটি পদ্ম ফুল বিক্রি হয় ৭ থেকে ১০ টাকায়। বাংলার বাইরে মেট্রো শহরগুলিতে এক একটি পদ্মের দাম হয় ১৩ থেকে ১৫ টাকা, কোথাও ২০ টাকা। আর বিদেশে পাড়ি দিলেই সেই পদ্ম ২ থেকে ৫ ডলারে বিক্রি হয়। যা ভারতীয় মুদ্রায় ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত।

    পদ্মচাষিদের কী বক্তব্য?

    পদ্মচাষি ও মহাজনেরা বলেন, বীরভূমের (Birbhum) আহমদপুর থেকে প্রতি বছরই দূরে দূরে পদ্ম ফুল পাঠানো হয়। লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজোয় পদ্ম যায়। সবচেয়ে বেশি দুর্গাপুজোয় পদ্ম পাড়ি দেয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পদ্ম যাচ্ছে। আর আমেরিকা, জার্মানি, থাইল্যান্ড, জাপান, নেপাল ভূটানে পদ্ম যাচ্ছে। তবে, বাংলা থেকে বিদেশে পদ্ম পাড়ি দিলেও আমাদের মতো ফুল চাষিরা থাকেন সেই তিমিরেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Death: ডেঙ্গিতে মুর্শিদাবাদ-নদিয়ায় মৃত ২! টনক নড়ছে না প্রশাসনের, আতঙ্কিত রাজ্যবাসী

    Dengue Death: ডেঙ্গিতে মুর্শিদাবাদ-নদিয়ায় মৃত ২! টনক নড়ছে না প্রশাসনের, আতঙ্কিত রাজ্যবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পুজো, কিন্তু ডেঙ্গির ভয়াবহতা কমছে না। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ। রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue Death) নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রত্যেক দিন এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুও ঘটছে। অথচ প্রশাসনের হুঁশ নেই। সরকারের স্বাস্থ্য দফতর এবং পুরসভাগুলি কার্যত মুখে কুলুপ দিয়ে বসে রয়েছে বলে অভিযোগ। ডেঙ্গিতে মৃত্যু নিয়ে কোনও বক্তব্য যেমন নেই, তেমনি রোগ সংক্রমণ নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিষ্ক্রিয়। নেই কোনও সামজিক দায়িত্ব। তাই সাধারণ মানুষ অসন্তোষ প্রকাশ করছে প্রশাসনের নিরুদ্ধে।

    গত ৫ অক্টোবর নদিয়ায় মাত্র পনেরো বছরের এক কিশোরের ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়। বিষয়টি গতকাল প্রকাশ্যে এসেছিল। ইতিমধ্যে আজ মুর্শিদাবাদে আরও এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গিতে। রাজ্য জুড়ের ডেঙ্গির থাবায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়ে বার বার উঠছে প্রশ্ন।

    মুর্শিদাবাদে ডেঙ্গিতে মৃত্যু (Dengue Death)

    মুর্শিদাবাদের সুতি দফাহাট এলাকায় ডেঙ্গিতে (Dengue Death) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল বছর ৫০-এর আরতি সাহা নামে এক গৃহবধূর। জানা গেছে, গত ৩ দিন আগে শরীরে অসহ্য ব্যথা ও জ্বর নিয়ে আরতি সাহাকে মহিশাইল ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে পরিবার। স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রক্ত পরীক্ষার পর ধরা পড়ে ডেঙ্গি পজেটিভ। কিন্তু রোগীর অবস্থার অবনতি হতেই গতকাল স্থানান্তরিত করা হয় জঙ্গিপুর হাসপাতালে। এরপর গভীর রাতে চিকিইসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। এখনও শরীরে জ্বর ও ব্যথা নিয়ে মহিশাইল ব্লক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন গ্রামের বেশ কিছু মানুষ। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর ফলে পুজোর আগে নতুন ভাবে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লেও হেলদোল নেই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের। দেখা মেলেনি প্রশাসনের কোনও জনপ্রতিনিধিদের। তাই এলাকার মানুষ শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    নদিয়ায় কিশোরের মৃত্যু ডেঙ্গিতে

    সূত্রে জানা গেছে, নদিয়ার গাংনাপুরে পশ্চিম গোপীনগরের বাসিন্দা রনি দেবনাথের মৃত্যু হয় ডেঙ্গিতে (Dengue Death)। গত ৩ অক্টোবর তার ডেঙ্গি পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। শরীরে সেই সঙ্গে ছিল প্রচুর জ্বর। অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে চাকদা, এরপর বনগাঁ হাসপাতাল এবং শেষে বেলেঘাটা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। প্লেটলেট নামতে থাকায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যায়। আর এরপর মৃত্যু হয় তার।

    বেসরকারি সূত্রে খবর

    বেসরকারি সূত্রে জানা গেছে, গত জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজার জন মানুষ রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর সংখ্যা ৫৮। অধিকাংশ পুরসভা কোনও রকম হেল্প লাইন প্রকাশ করেনি। ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক ভেক্টর কন্ট্রোল কর্মীদের বদলে নতুন কর্মী নিয়োগ করেনি। ফলে ডেঙ্গি প্রতিরোধে লোকের অভাবে সঠিক ভাবে কাজ হচ্ছে না। প্রশাসনও সঠিক দায়িত্ব পালন করছে না বলে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার জোড়া দাপটে জেরবার! একসঙ্গে মোকাবিলা কীভাবে? 

    Dengue: ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার জোড়া দাপটে জেরবার! একসঙ্গে মোকাবিলা কীভাবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গির (Dengue) প্রবল শক্তিতে নাজেহাল রাজ্যবাসী। তার উপরে রয়েছে ম্যালেরিয়ার দাপট। আলাদা আলাদা ভাবে নয়। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, একসঙ্গে দুই মশাবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মশাবাহিত এই দুই রোগের জোড়া আক্রমণে নাজেহাল আক্রান্তরা। সময় মতো চিকিৎসা শুরু না করলে বিপদ মারাত্মক।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গির (Dengue) পাশপাশি এ বছর শক্তিশালী হয়েছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। বিশেষত কলকাতাতে এই সমস্যা আরও বেশি। তাই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার জোড়া আক্রমণের ঘটনাও কলকাতায় বেশি। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, সরকারি হোক বা বেসরকারি হাসপাতাল, জ্বরের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীর ৩০ শতাংশের ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়া একসঙ্গে হচ্ছে। বিশেষত বড়বাজার, গিরিশ পার্ক, শোভাবাজার, যাদবপুর, তালতলা, টালিগঞ্জের মতো এলাকায় ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ায় একসঙ্গে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। তাই এই সব এলাকা নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।

    কেন কলকাতায় ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ার জোড়া দাপট? 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এডিশ মশা ডেঙ্গি (Dengue) রোগ ছড়ায়। আর ম্যালেরিয়ার রোগ বহন করে অ্যানোফিলিস মশা। এডিশ মশা পরিষ্কার জলে জন্মায়। যেমন টব, বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক। আবার অ্যানোফিলিস মশা বড় জলা জায়গায় বংশবিস্তার করে। কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় জল জমে। কোথাও অল্প জল আবার কোথাও অপরিচ্ছন্ন এলাকা। ফলে, যে কোনও ধরনের মশার বংশবিস্তার সহজ। আর তাই কলকাতা জুড়ে মশার জোড়া দাপট। বৃষ্টি হলেই কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় জল জমে। বৃষ্টি থামলেও, জল নামতে কয়েক দিন চলে যায়। আবার কলকাতার অধিকাংশ পার্ক অপরিচ্ছন্ন থাকে। ফলে, ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? (Dengue)  

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তিন দিন জ্বর থাকলেই রক্ত পরীক্ষা জরুরি। অনেক সময়ই ডেঙ্গি (Dengue) আর ম্যালেরিয়ার আলাদা উপসর্গ বোঝা যায় না। শরীরের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যাওয়া, কাঁপুনি বা খিচুনি, হাত-পায়ে যন্ত্রণা, মাথাব্যথা, বমির মতো উপসর্গ হয়। ফলে, ডেঙ্গি নাকি ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত, তা বোঝা কঠিন হয়ে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর তিন দিন টানা থাকলে একসঙ্গে ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ার রক্ত পরীক্ষা জরুরি। তাহলে নিশ্চিত হওয়া সহজ হয়। পাশপাশি, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির চিকিৎসা উপসর্গভিত্তিক। কিন্তু ম্যালেরিয়ার নির্দিষ্ট ওষুধ রয়েছে। তাই ম্যালেরিয়ার দ্রুত চিকিৎসা সম্ভব। ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ায় একসঙ্গে আক্রান্ত হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, এক্ষেত্রে একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরির ঝুঁকি বেশি থাকে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: পুত্রকন্যা নয়, দেবী দুর্গা ঘটক পরিবারের পুজোয় আসেন জয়া-বিজয়ার সঙ্গে

    Durga Puja 2023: পুত্রকন্যা নয়, দেবী দুর্গা ঘটক পরিবারের পুজোয় আসেন জয়া-বিজয়ার সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমা আসছেন ঘরে ঘরে (Durga Puja 2023)। শিউলির গন্ধ আর কাশফুলের শুভ্রতায় প্রকৃতিও আহ্বান করতে প্রস্তুত ঘরের মেয়ে উমাকে। কৈলাস থেকে সপরিবারে আসছেন দেবী দুর্গা বাঙালির মন্দিরে মন্দিরে। কিন্তু মলানদিঘির ঘটক পরিবারের দেবী দুর্গা পুত্রকন্যাদের সঙ্গে নয়, দুই সখী জয়া-বিজয়ার সঙ্গে আসেন এবং চারদিন ধরে ধুমধামের সঙ্গে পূজিতা হন। কিন্তু এমন কেন? পুত্র-কন্যা নয়, দুই সখী জয়া-বিজয়া কেন? প্রশ্নের উত্তরে দুই প্রবীণ সদস্য গিরিজাশঙ্কর ভট্টাচার্য এবং শ্যামাচরণ ভট্টাচার্য বলেন, “দেবীর সৃষ্টির মধ্যেই এই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে। দেবীর সৃষ্টি হয় ধ্যানের মন্ত্রের মধ্য দিয়ে, সেই সময় তাঁর পুত্রকন্যাদের সৃষ্টি হয়নি। দেবী মহিষাসুর বধে যান তাঁর দুই সখী জয়া-বিজয়াকে নিয়ে। দেবীর রণংদেহী মূর্তির আরাধনা করা হয় তাই পুত্রকন্যাদের সঙ্গে নয়, তাঁর সঙ্গে থাকেন দুই সখী”।

    ভট্টাচার্য কীভাবে হয়ে গেল ঘটক?

    কাঁকসা থানার মলানদিঘির ঘটক পরিবার। আসলে এই পরিবারের আদি পদবী ছিল ভট্টাচার্য। হেতমপুরের মহারাজা মলানদিঘির ভট্টাচার্য পরিবারকে সংস্কৃত ভাষায় শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত হওয়ার জন্য ঘটক পদবী উপাধি হিসাবে দেন। সেই থেকেই এই পরিবার মলানদিঘির ঘটক পরিবার (Durga Puja 2023) নামেই পরিচিত। মলানদিঘির ঘটক পরিবার সংস্কৃত ভাষায় পণ্ডিত পরিবার। এই পরিবারের এক গর্বের ইতিহাস রয়েছ। শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত পরিবারের ইতিহাস গর্বে ভরিয়ে দেয় জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের। শ্যামাচরণ ভট্টাচার্যের পিতা ছিলেন কাব্যতীর্থ অন্নদাচরণ ভট্টাচার্য আর গিরিজাশঙ্কর ভট্টাচার্যের পিতা ছিলেন সপ্ততীর্থ বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য। বিদ্যাসাগর মহাশয় তখন বিধবা বিবাহ নিয়ে বিভিন্ন শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিতের কাছে মতামত নিচ্ছিলেন, সেই সময় বিদ্যাসাগর মহাশয় মলানদিঘির ঘটক পরিবারের বিখ্যাত শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত ন্যায়রত্ন তর্কালঙ্কার বিষ্ণুপদ ভট্টচার্য মহাশয়ের কাছে পরামর্শ চেয়ে চিঠি পাঠান। বিষ্ণুপদ ভট্টাচার্য শাস্ত্র ব্যাখ্যা করে বিদ্যাসাগর মহাশয়কে দেখান বিধবা বিবাহ হিন্দু শাস্ত্রমতে শাস্ত্রসম্মত। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার পত্রালাপ হয় উভয়ের মধ্যে। জানা গিয়েছে, সেই চিঠি আর এখন ঘটক পরিবারের হাতে নেই। পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক সেই চিঠিগুলি গবেষণার জন্য নিয়ে যান। কিন্তু তারপরে আর ফেরত দেননি তিনি। এভাবেই মহামূল্যবান চিঠি হাতছাড়া হয়ে যায় ঘটক পরিবারের সদস্যদের হাত থেকে।

    আনুমানিক ৪০০ বছরের পুরনো (Durga Puja 2023)

    মলানদিঘির ঘটক পরিবারের দেবী দুর্গা ঠিক কত বছরের, তা পরিবার সূত্রে বলা সম্ভব হয়নি। অনুমান ৪০০ বছরের কাছাকাছি তাঁদের পরিবারের এই দেবী দুর্গা। কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তারও কোনও ইতিহাস নেই বর্তমান প্রজন্মের কাছে। ঘটক পরিবারের দেবীর আরাধনা (Durga Puja 2023) সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পরিবারের দেবীর আরাধনায় শুদ্রজাত কোনও ব্যক্তির দান গ্রহণ করা হয় না। সপ্তমীর দিন নবপত্রিকা আনা হয়। পরিবারের নিজস্ব তালপাতার পুঁথি থেকে পাঠ করা হয় মন্ত্র। এই মন্ত্র আসলে ধ্যান মন্ত্র। মহাষ্টমীতে সন্ধীপুজোর আগে এক চক্রাকারের ভিতরে প্রাকৃতিক রঙে আটতি পদ্ম আকারের পাপড়ি আঁকা হয়। এই সময় তালপাতার পুঁথি থেকে ধ্যান মন্ত্র পাঠ করা হয়। এরপরে বলি দেওয়া হয় চালকুমড়ো এবং আখ। পুর্বে ঘটক ছাগবলির প্রথা ছিল। কিন্তু প্রায় ৫৫ বছর আগে অন্নদাচরণ ভট্টাচার্য এই ছাগবলি প্রথা তুলে দিয়ে চালকুমড়ো বলি প্রথা নিয়ে আসেন। পরিবারের গৃহবধূদের মধ্যে সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমীতে সিঁদুর খেলার প্রচলন আছে। সপ্তমীতে নবপত্রিকা আসার পরে, অষ্টমীতে বলির পরে এবং বিজয়াতে নিরঞ্জনের জন্য বরণের পরে। মহিলারা নবপত্রিকা নিরঞ্জনের পরে নবপত্রিকার ভিতরে থাকা হলুদ প্রসাদ হিসাবে গ্রহণ করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এবার ডায়মন্ডহারবার-মধ্যমগ্রামে সিবিআই হানা

    CBI: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এবার ডায়মন্ডহারবার-মধ্যমগ্রামে সিবিআই হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই সাতসকালে রাজ্যের ১২ জায়গায় সিবিআই (CBI) হানা দিয়েছিল। ফিরহাদ-মদন ছাড়াও একাধিক চেয়ারম্যান, প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বাড়িতে হানা দেন সিবিআই কর্তারা। এবার সেই পুর-নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্তে নেমে সিবিআই সোমবার সকালে পৌঁছে গেল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ডহারবারে। ডায়মন্ডহারবার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারপার্সন মীরা হালদারের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই। চলছে বেশ কিছু নথির খোঁজ। একইসঙ্গে মধ্যমগ্রাম পুরসভাতেও এদিন সিবিআই হানা দেয়। এর আগে ইডি এই পুরসভায় হানা দিয়েছিল।

    কেন সিবিআই হানা? (CBI)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে ডায়মন্ডহারবার পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় পুরসভার চেয়ারপার্সন ছিলেন মীরা হালদার। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওই নিয়োগ হয়েছিল বলে জানত পেরেছে তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর কাছে ওই নিয়োগ সংক্রান্ত নথির সন্ধানে গিয়েছে সিবিআই (CBI)। নিয়োগে মীরার কোনও ভূমিকা ছিল কি না, সে বিষয়ে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন চেয়ারপার্সন মীরার বাড়িতে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল। তাদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। বাড়িটি আধা সামরিক বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। মীরা হালদার বাড়িতেই ছিলেন। ফলে, নথি খোঁজার পাশাপাশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। অন্যদিকে, মধ্যমগ্রাম পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে দুদিন আগেই ইডি খাদ্যমন্ত্রীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল। পুরসভাতেও তাঁরা গিয়েছিলেন। এবার সেই তদন্তে সিবিআই ফের হানা দিলেন।

     প্রসঙ্গত, পুর-নিয়োগ মামলার তদন্ত করছে ইডি এবং সিবিআই। কয়েকদিন আগে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ সহ রাজ্যের ১২ টি জায়গায় একযোগে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তদন্তে নামে ইডি। কামারহাটি পুরসভা এবং বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে ইডি। পাশাপাশি আড়াই কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাটের হদিশ পায় তদন্তকারী আধিকারিকরা। এরপর সেই নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে রবিবার সিবিআই ১২টি জায়গায় হানা দেয়। হালিশহরের প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে কিছু নথি উদ্ধার করে নিয়ে যায় তদন্তকারী আধিকারিকরা। এবার অভিষেকের গড় ডায়মন্ডহারবার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারপার্সনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কী কী তথ্য উদ্ধার হয় তার দিকে তাঁকিয়ে রয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share