Tag: Bengali news

Bengali news

  • Durga Puja 2023: আউশগ্রামের কালিকাপুর রাজবাড়ির পুজোয় বোধন হয় ১৩ দিন আগে!

    Durga Puja 2023: আউশগ্রামের কালিকাপুর রাজবাড়ির পুজোয় বোধন হয় ১৩ দিন আগে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান রাজার দেওয়ান ছিলেন পরমানন্দ রায়। তিনি ৪০০ বছর আগে দেওয়ান ছিলেন রাজবাড়ির। রাজার সুনজরে পড়ায় তিনি কাঁকসার এক বড় অঞ্চলের জমিদারিত্ব পান। তখন তিনি সেখানে সমস্ত জঙ্গল কেটে বাড়ি বানিয়ে থাকতে শুরু করেন। তিনিই সেখানে তৈরি করেন দুর্গামন্দির থেকে পুকুর, বাগান, সমস্ত কিছুই। পরবর্তীকালে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের এই বাড়ি কালিকাপুর রাজবাড়ি নামে খ্যাতি অর্জন করে। কিন্তু একটা সময় এখানে সাতজন ভাই মিলে একত্রে পুজো (Durga Puja 2023) করতেন বলে সকলে এই পুজোটিকে সাত ভাইয়ের পুজো বলেই চেনেন।

    নবমীতে দেওয়া হত মহিষ বলি (Durga Puja 2023)

    এখানে একটি আটচালা মণ্ডপে পুজো হয়, যার তিনদিক ঘেরা। অতীতের সমস্ত রীতিনীতি মেনেই এখনও পুজো হয়ে থাকে এখানে। তবে সেই জৌলুস হারিয়েছে। কৃষ্ণনবমীতে পাঁঠাবলি দিয়ে দেবীর বোধন করা হয় এই পুজোতে। এছাড়া পুজোর মধ্যেও তিনদিন বলি দেওয়ার প্রথা আছে (Durga Puja 2023)। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত বলি হয় এই রাজবাড়িতে। আগে অবশ্য নবমীতে মহিষ বলি দেওয়া হত। কিন্তু বর্তমানে সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    একাধিক ছবির শ্যুটিং

    এই বাড়িতে একাধিক ছবির শ্যুটিং হয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গয়নার বাক্স ও গুপ্তধন রহস্য। এমনকি খণ্ডহর ছবি যা মৃণাল সেন পরিচালনা করেছিলেন, তারও শ্যুটিং হয়েছিল এখানে। অভিনয় করেছিলেন নাসিরউদ্দিন শাহ, শাবানা আজমি। এই বাড়ির আনাচে কানাচে রয়েছে একাধিক ইতিহাস। পুজোর (Durga Puja 2023) কটা দিন গ্রামের সমস্ত মানুষ এই পুজো দেখতে আসেন। এখনও সেখানে গেলেই সাত ভাইয়ের পুজোর গল্প শোনা যায়।

    সপ্তমীর দিন কলা বৌকে চতুর্দোলায় স্নান

    দুর্গাপুজোয় বোধন হয় পুজোর ১৩ দিন আগে। পুজোর (Durga Puja 2023) তিন দিন হয় ছাগবলিও। পূর্ব বর্ধমানের কালিকাপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় এ ধরনের বেশ কয়েকটি নিয়ম রয়েছে। প্রায় ৩৫০ বছর প্রাচীন এই পুজোর ঐতিহ্য আজও রয়ে গিয়েছে। কথিত, ৩৫০ বছর আগে এ পুজো শুরু করেন বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজার দেওয়ান পরমানন্দ রায়। সে ধারা বজায় রেখেছেন তাঁর অষ্টম পুরুষেরা। কর্মসূত্রে রাজ্যের বাইরে থাকলেও পুজোর সময় তাঁরা জড়ো হন কালিকাপুর রাজবাড়িতে। আজও যেখানে মহারাজ বিজয়চাঁদ এবং মহারাজ উদয়চাঁদের নামে ফি-বছর পুজো দেওয়া হয়। দুর্গাপুজোর প্রতি দিনই টেরাকোটার প্রাচীন একটি শিবের মূর্তি পুজো হয়। এই সপ্তমীর দিন কলাবৌকে চতুর্দোলায় করে স্নান করানো হয়। দুর্গাপুজোয় এক সময় প্রতি দিনই নাটক, যাত্রানুষ্ঠান হত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: ন’টি তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দেবীর আরাধনায় ব্রতী সারা মল্লভূমবাসী

    Durga Puja 2023: ন’টি তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দেবীর আরাধনায় ব্রতী সারা মল্লভূমবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামানের ৯টি তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে মল্লরাজ বংশের কুলদেবী মৃন্ময়ীর মন্দিরে সূচনা হল শারদীয়ার দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023)। এই পুজো বলিনারায়ণী রীতি মেনে হয়ে আসছে। তাই নবম্যাদি কল্পারম্ভে শুরু হয় পুজো। পটে আঁকা বড় ঠাকুরানি, মেজ ঠাকুরানি ও ছোট ঠাকুরানির পুজো এখানকার মুল বৈশিষ্ট্য। ৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে উনবিংশতম মল্লরাজ জগৎ মল্লের প্রতিষ্ঠিত এই পুজো এবার ১০২৭ বছরে পড়ল। এই পুজো মল্লভূম তথা বিষ্ণুপুরের রাজ পরিবারের ইতিহাসকে প্রতি বছর মনে করিয়ে দেয় প্রতিটি মল্লভূমবাসীকে। মল্লরাজাদের রাজ্যপাট না থাকলেও মল্লভূম তথা সারা বিষ্ণুপুরের বাসিন্দারা আজও এই পুজোয় মাতেন। রাজ পরিবারের সদস্যরা পুজোর আয়োজন করে আসছেন যথারীতি।

    কী জানালেন পরিবারের সদস্য? (Durga Puja 2023)

    মল্লরাজ পরিবারের অন্যতম সদস্য জ্যোতিপ্রকাশ সিংহ ঠাকুর বলেন, রাজ পরিবারের এই পুজোয় জৌলুস, জাঁকজমকের থেকেও প্রাধান্য দেওয়া হয় নিয়ম, নিষ্ঠার ওপর। আজও রাজ পুরোহিত মল্লভূমের হাজার বছরেরও প্রাচীন পুঁথি মেনে পুজো করে আসছেন। এখানকার রীতি অনুযায়ী মল্লভূমে আজ থেকেই সূচনা হয়ে গেল শারদ উৎসব অর্থাৎ দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2023)।

    কী জানালেন পরিবারের পুরোহিত? (Durga Puja 2023)

    মল্লরাজ পরিবারের পুরোহিত সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, জিতা অষ্টমীতেই এখানে দেবীর আবাহন হয় এবং নবম্যাদিকল্পে দেবীর পুজোর (Durga Puja 2023) সুচনা হয়। এই পুজোর আচার বলিনারায়ণী রীতি অনুযায়ী হয়ে থাকে। যার সঙ্গে অন্য কোনও পুজোর মিল নেই। এক সময় দেবী মৃন্ময়ীর পুজোর জৌলুস ছিল নজরকাড়া। এখানকার কামানের তোপধ্বনি শুনে সারা মল্লভূম জুড়ে সন্ধিক্ষণ নির্ণয়ের চল ছিল। এখনও নবম্যাদিকল্প থেকে সন্ধিক্ষণ পর্যন্ত কামানের তোপধ্বনির রেওয়াজ চালু আছে। তবে আগের বিশালাকার কামান ফাটানো হয় না। আকারে অনেক ছোট কামানের তোপ দাগা হয়। আজ নটি তোপধ্বনি দিয়ে দেবীর আরাধনায় ব্রতী হলেন সারা মল্লভূমবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বলেও কাজ করেনি পঞ্চায়েত! পুজোর খরচ বাঁচিয়ে রাস্তা করলেন এলাকাবাসী

    South 24 Parganas: বলেও কাজ করেনি পঞ্চায়েত! পুজোর খরচ বাঁচিয়ে রাস্তা করলেন এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া অনুদানের পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়েছে তৃণমূল সরকার। এই খাতে রাজ্য সরকার জলের মতো কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। অথচ যে রাস্তা ধরে মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে যাবেন দরশনার্থীরা সেই রাস্তা সংস্কারে নজর নেই এই সরকারের। ফলে, রাস্তা ভেঙে চৌচির হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় পুরসভা থেকে পঞ্চায়েত কারও কোনও হেলদোল নেই। এরকমই একটি বেহাল রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগী হলেন গ্রামবাসীরা। পুজোর খরচ কমিয়ে এবার চাঁদা তুলে বেহাল রাস্তা সংস্কার করলেন এলাকাবাসী। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) আসুতি-২ পূর্বপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) আসুতি-২ পূর্বপাড়া এলাকার রাস্তাটি অত্যন্ত খারাপ। রাস্তা সংস্কারে স্থানীয় পঞ্চায়েতের কোনও হেলদোল নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বৃষ্টি হলেই জমছে জল। জমা জলে দুর্ঘটনা ঘটছে। বারবার পঞ্চায়েতে অভিযোগ করেও কাজ হয়নি। তাই নিজেরা টাকা দিয়ে রাস্তা সারাইয়ের কাজ করছি। পুজোর খরচ বাঁচিয়ে আমরা রাস্তার কাজ করছি। পুজোর আনন্দ থেকে এই রাস্তাটা ঠিক করা জরুরি। আমাদের অনেকের ঘরে বয়স্ক মানুষ আছেন। রাস্তাটা ঠিক না হলে, মানুষটাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছেও তো যেতে পারব না। রাস্তার যা অবস্থা, একটা গাড়ি আসবে না। এক বছর না হয় কম আনন্দ করে পুজোর খরচের টাকা বাঁচিয়ে রাস্তা তৈরি করলাম। শুধু রাস্তা নয়, রাস্তার আলো পর্যন্ত নিজেদের খরচ করে লাগাতে হয়েছে। পঞ্চায়েত কোনও কাজেই এগিয়ে আসেন না। করের টাকা, ভোট সবই পায় পঞ্চায়েত। কিন্তু, তারা কোনও কাজ করে না।

    কী বললেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য?

    স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সুরজিৎ দত্ত বলেন, পঞ্চায়েতের তরফেও সবরকম পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ওই রাস্তাটা আমরা পঞ্চায়েত থেকে একবার করে দিয়েছিলাম। গত কয়েকদিনে টানা বৃষ্টির জন্য রাস্তায় জল জমে রাস্তা খারাপ করে দিচ্ছে। ওই রাস্তাটি আমরা ঢালাই করে দেব। তবে, এখনই বললে এখনই তো কাজ করা যায় না। বরাদ্দ করার পর কাজ হবে সেটা পুজোর আগে হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: আলিপুরদুয়ার সমবায়ে দুর্নীতির তদন্তে নেমে ‘প্রাণভোমরা’ হাতে এল সিবিআইয়ের, কী তা জানেন?

    CBI: আলিপুরদুয়ার সমবায়ে দুর্নীতির তদন্তে নেমে ‘প্রাণভোমরা’ হাতে এল সিবিআইয়ের, কী তা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায়ে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির তদন্তে নেমে ‘প্রাণভোমরা’ হাতে এল সিবিআইয়ের (CBI)। আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতির লোন রেজিস্টার পেয়ে গেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আলিপুরদুয়ার শহরে ঢাকেশ্বরী মোড়ে মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতির অফিস থেকে এই লোন রেজিস্টার উদ্ধার হয়েছে। এই তথ্য তদন্তে অনেকটাই সাহায্য করবে বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    কী রয়েছে লোন রেজিস্টারে? (CBI)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সিবিআই (CBI) কর্তাদের একটি বড় দল মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতির অফিসে যান। সমবায় সমিতির হিসাব রক্ষক রীনা স্যান্নাল ও সম্পাদিকা রুপা গুহ রায়কে নিয়ে সিবিআই কর্তারা সমবায় সমিতির অফিসে যান। পরে সেখানে সমবায়ের দুই লোন ক্লার্ক  সঞ্জীব দাস ও পঙ্কজ গুহ আচার্যকেও ডেকে পাঠায় সিবিআই। সেখানে প্রথমে অফিস বিল্ডিংয়ের মালিকের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই কর্তারা। তারপর চাবি এনে সমবায় সমিতির অফিসে ঢোকেন তাঁরা। সেখানে দীর্ঘক্ষণ তল্লাসি চালান সিবিআই আধিকারিকরা। অফিস থেকে লোন রেজিস্টার উদ্ধার করেন তদন্তকারিরা। সিবিআই সূত্রে দাবি করা হয়,  উদ্ধার লোন রেজিস্টারে এই সমবায় সমিতির ২০ বছরের কার্যকালের মধ্যে কাকে কতটাকা লোন দেওয়া হয়েছে তার সবই আছে। সেগুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই লোন রেজিস্টার থেকেই কারা কারা এই সমবায় থেকে ঋণ নিয়ে ঋণ শোধ করেননি সেই তালিকাও পেয়ে যাবেন সিবিআই কর্তারা।

    প্রথম অভিযোগকারীর কী বক্তব্য?

    গুরুত্বপূর্ণ এই নথি উদ্ধারের নিয়ে এই মামলায় প্রথম অভিযোগকারী আরটি আই কর্মী অলোক রায় বলেন, আমরা সিবিআই (CBI) তদন্তে আশাবাদী। এবার সিবিআইয়ের পদক্ষেপ করতে সুবিধে হবে। হাতে গরম প্রমাণ পেয়ে গিয়েছে সিবিআই। আমরা চাই টাকা উদ্ধার হোক। প্রতারিত গরীব মানুষেরা টাকা ফেরত পাক। প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ১৮ জানুয়ারি আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতির যাত্রা শুরু হয়। প্রায় ৫০ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় ২০২০ সালে এই সমবায় সমিতির ঝাঁপ বন্ধ হয়ে যায়। লোন রেজিস্টার খাতা পেয়ে সিবিআই কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন প্রতারিতরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার, ০৯/১০/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার, ০৯/১০/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) পুরনো ঋণ থেকে মুক্তি পাবেন।

    ২) চাকরি পরিবর্তনের কথা চিন্তা ভাবনা করে থাকলে তা আপাতত বাতিল করুন। 

    বৃষ

    ১) কাউকে কাজে সাহায্য করতে চাইলে মন থেকে করুন। তখনই এর দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    ২) আটকে থাকা কাজ পুরো করার জন্য ভাইদের পরামর্শ নিতে পারেন।

    মিথুন

    ১) কোন রোগ থাকলে তা বাড়তে পারে। এর ফলে দুশ্চিন্তিত থাকবেন।

    ২) সন্তানের তরফে আনন্দদায়ক সংবাদ শুনতে পাবেন। এর ফলে মনের বোঝা হাল্কা হবে।

    কর্কট

    ১) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা ও সান্নিধ্য পাবেন।

    ২) মায়ের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।
      
    সিংহ 

    ১) প্রেম জীবনে জীবনসঙ্গীর স্বাস্থ্যের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) নিজের মানসিকতার কারণে পথভ্রষ্ট হবেন। কিন্তু মা-বাবার পরামর্শে সমস্ত কাজ পুরো করতে সফল হবেন।

    কন্যা

    ১) ছাত্রছাত্রীদের পরিশ্রম করতে হবে। তখনই সাফল্য লাভ সম্ভব।

    ২) আর্থিক প্রকল্পে লগ্নি করবেন, এর ফলে আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    তুলা 

    ১) নতুন পথে হেঁটে আর্থিক লাভ অর্জন করতে পারেন।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়ের আগে সবদিক ভালোভাবে খতিয়ে দেখে নিন।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায়ে উন্নতির জন্য যে চেষ্টা করছেন, তাতে কোনও তাড়াহুড়ো করবেন না। তা না-হলে লোকসান হতে পারে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা শত্রুর সঙ্গে বিবাদ হলে, ধৈর্য ধরতে হবে আপনাদের।

    ধনু

    ১) আত্মীয়ের জন্য কিছু টাকার ব্যবস্তা করতে পারেন।

    ২) ছোট ব্যবসায়ীরা নগদ টাকার অভাব অনুভব করবেন।

    মকর

    ১) সন্তানের তরফে কাঙ্খিত ফলাফল পাবেন। যা আপনার আনন্দের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
     
    ২) কিছু অনাবশ্যক ব্য়য়ের মুখোমুখি হতে পারন। অনিচ্ছা সত্ত্বেও এই ব্যয় করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) বাড়ি ও চাকরির জন্য কোনও সিদ্ধান্ত নিলে তা ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করে নিন। তা না-হলে উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি হবে।

    ২) টাকা ধার নেওয়ার পরিকল্পনা করলে আজকের দিনটি তা এড়িয়ে যান। কারণ তা শোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

    মীন

    ১) সন্ধ্যাবেলা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাসিঠাট্টায় সময় কাটাবেন।

    ২) বাড়িতে কোনও পুজোর ব্যবস্থা করতে পারেন।

     

     

     
    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Sikkim Disaster: সিকিম বিপর্যয়ের পর তিস্তার চর এখন মরণফাঁদ! কেন জানেন?

    Sikkim Disaster: সিকিম বিপর্যয়ের পর তিস্তার চর এখন মরণফাঁদ! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমে বিপর্যয়ের পর (Sikkim Disaster) তিস্তার চর এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সিকিমের বিপর্যয়ে ভেসে গিয়েছে সেনা ছাউনি। মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে তিস্তার জলে ফ্রিজ, ঘরের আসবাবপত্রের সঙ্গে ভেসে এসেছে সেনাবাহিনীর প্রচুর পরিমাণে মর্টার শেল-সহ অন্যান্য গোলা বারুদ। ইতিমধ্যেই মর্টার শেল কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বিস্ফোরণে জলপাইগুড়ির ক্রান্তি ব্লকের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছে আরও ৬ জন।

    কেন তিস্তার চর মরণফাঁদ? (Sikkim Disaster)

    সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) সময়ে সিংতামে তিস্তা নদীগর্ভেই সেনাবাহিনীর ছাউনি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সেনাদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, অন্তত ২২ জন সেনা নিখোঁজ। তারমধ্যে সাতটি দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই সেনা ছাউনির সমস্ত গোলাবারুদ তিস্তার প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়েছে। গত ৬ অক্টোবর সেবক করোনেশন সেতু লাগোয়া আন্ধেরি ঝোরায় তিস্তার চরে নিজে থেকেই একটি মর্টার বিস্ফোরণ হয়। সেদিনই বরদাঙে সেনা ছাউনির খুব কাছেই বাগেখোলা নামে একটি পাহাড়ি ঝোরার কাছে বালির চরের ভিতর থেকে প্রথমে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। পরে আগুন বের হতে দেখে স্থানীয়দের অনুমান, ওই ঝোরার কাছেও সম্ভবত বালি চাপা পড়ে গিয়েছে কিছু গোলাবারুদ। ফলে, তিস্তার চরে এখন অনেক বিস্ফোরক মজুত রয়েছে, বালি চাপা পড়ে রয়েছে। চাপ পড়লেই বিস্ফোরণ ঘটবে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    সিকিমের বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) পর সেনা, সিআইডির বোমা বিশেষজ্ঞরা জলপাইগুড়ির ক্রান্তি এলাকা জুড়ে তল্লাশি চালিয়ে আরও ত্রিশটি বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করেছে। কিন্তু, বিপদ এখনও শেষ হয়নি। বিপদটা কতটা ভয়ানক, সেটা আঁচ করে সকলেই প্রচারে নেমেছেন। কিন্তু, কতদিন চলবে এই প্রচার তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে তিস্তার চর লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বহু মৎস্যজীবী তিস্তার উপরে ভরসা করে বেঁচে থাকেন। শীতে পরিযায়ী পাখিদের আবাসস্থল এই তিস্তার চর। বুনো হাতির পাল ডুয়ার্স থেকে তরাইয়ে এই তিস্তা পেরিয়েই যাতায়াত করে। সেনারা গোলা ছোড়ার অভ্যাস করার সময়ে অনেক কিশোর এই চরে ঘুরে বেড়ায় গুলির খোল উদ্ধার করার জন্য। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আমরা সবাইকে বলেছি, আপাতত তিস্তার চরে নামা যাবে না। কিন্তু, একটা সময়ে লোকে নামবেই। তখন দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে কি না সন্দেহ থাকছেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Two Male Leopards: রসিকবিলের পর্যটন কেন্দ্র হবে আরও আকর্ষণীয়, দ্রুত আসছে ২ পুরুষ চিতাবাঘ

    Two Male Leopards: রসিকবিলের পর্যটন কেন্দ্র হবে আরও আকর্ষণীয়, দ্রুত আসছে ২ পুরুষ চিতাবাঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মধ্যেই কোচবিহারের রসিকবিলে দুটি পুরুষ চিতাবাঘ (Two Male Leopards) আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আগে থেকে দুটি স্ত্রী চিতাবাঘ এখানে ছিল। তাদের নাম রিমঝিম এবং গরিমা। এবার তাদের একাকিত্ব এবং নিঃসঙ্গতা কাটবে বলে মনে করছেন অনেকেই। সেই সঙ্গে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল জু অথরিটির কাছে দুটি পুরুষ চিতাবাঘ চেয়ে এই অভয়ারণ্যের পর্যটন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। পর্যটন কেন্দ্রকে আকর্ষণীয় এবং বাঘের সংরক্ষণের জন্য এই প্রচেষ্টা বলে মনে করা হয়েছে।

    রসিকবিলে রয়েছে রিমঝিম-গরিমা (Two Male Leopards)

    এই রসিকবিল অভয়ারণ্য হল কোচবিহারের অসম সংলগ্ন একটি এলাকা। আলিপুরদুয়ার থেকে ৭৪ কিমি দূরে অবস্থিত। সেই সঙ্গে কামাক্ষ্যাগুড়ি রেলস্টেশন থেকে সাত কিলোমিটার দূরে এই স্থান। ফলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে খুব একটা অসুবিধা হবে না। ১৭০০ হেক্টরের বেশি জমি নিয়ে এই প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র। আটিয়ামোচর, রসিকবিল এবং নাগুরহাট এই তিনটি বিটকে ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্রে। দেশ-বিদেশ থেকে নানা বর্ণের পাখি এই রসিকবিলে আসে। এই পর্যটন কেন্দ্রের আকর্ষণীয় জন্তুদের মধ্যে হল হরিণ, অজগর, ঘড়িয়াল। তবে সবথেকে বেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে চিতাবাঘ। এনক্লোজারে এখানে রয়েছে দুটি স্ত্রী চিতাবাঘ। হাঁটু জঙ্গলে মুখ গুঁজে নিজেদের আড়াল করে রাখে তারা। আর তাই এই স্ত্রী চিতাদের (Two Male Leopards) জন্য পুরুষ চিতা নিয়ে আসার পরিকল্পনা চলছে।

    কোচবিহার বন দফতরের বক্তব্য

    ১৯৯৫ সালে কোচবিহারের তুফানগঞ্জে গড়ে ওঠে রসিকবিল প্রকৃতি পর্যটন কেন্দ্র। কোচবিহারের বন দফতরের এডিএডও বিজনকুমার নাথ বলেন, “ঠিক কবে চিতাবাঘ আসবে তা এখনি বলা সম্ভবপর নয়। নতুন বাঘের জন্য রসিকবিলের এনক্লোজারে নাইট শেল্টার বানানোর কাজ চলছে।” সেন্ট্রাল জু অথিরিটির অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না ঠিক কবে থেকে চিতাবাঘ (Two Male Leopards) আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Metro Service: পুজোয় বাড়তি ট্রেন চালাবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোও, জেনে নিন সময়সূচি

    Metro Service: পুজোয় বাড়তি ট্রেন চালাবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোও, জেনে নিন সময়সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো উপলক্ষে বাড়ানো হয়েছিল নর্থ-ইস্ট মেট্রো (Metro Service) পরিষেবার সময়সীমা। এবার বাড়ানো হল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবাও। পুজোর তিনদিন দুপুর থেকে মাঝরাত পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা চালু থাকবে মেট্রো পরিষেবা।

    মোট ৭২টি ট্রেন চলবে

    মেট্রোরেল সূত্রে খবর, সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীতে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় প্রতিদিন আপ-ডাউন মিলিয়ে ৩৬টি করে মোট ৭২টি ট্রেন চলবে। এই দিনগুলিতে সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে প্রথম সেক্টর ফাইভগামী মেট্রো ছাড়বে শিয়ালদহ থেকে। সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদহগামী শেষ মেট্রো রাত ১১টা ৪০ মিনিটে। শিয়ালদহ থেকে সেক্টর ফাইভের দিকে শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে। প্রথম মেট্রো থেকে শেষ মেট্রো দু’দিকেই ট্রেন চলবে ২০ মিনিট অন্তর।

    বিজয়া দশমীতে চলবে ৪৮টি

    মেট্রোরেলের (Metro Service) তরফে জানানো হয়েছে, পুজোর তিনদিন ৭২টি করে ট্রেন চললেও, বিজয়া দশমীতে চলবে ৪৮টি। ওই দিন দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে মেট্রো। পুজোর তিনদিনের মতো বিজয়া দশমীতেও প্রথম ট্রেন ছাড়বে দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে। সেক্টর ফাইভ থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে দুপুর ১২টায়। সন্ধ্যায় শিয়ালদহ থেকে সল্টলেকগামী শেষ ট্রেন ছাড়বে ৭টা ৩৫ মিনিটে। সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদহের দিকের শেষ ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। তবে পঞ্চমী ও ষষ্ঠীর দিন ট্রেনের সংখ্যা বাড়ছে না বলেই মেট্রো রেল সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুুন: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে ফিরহাদ-মদনের বাড়িতে সিবিআই হানা

    এদিকে, রবিবার মেট্রোর তরফে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে ইস্ট-ওয়েস্ট করিডরে পেপার বেসড কিউআর কোডযুক্ত টিকিট পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। আগামী ১১ তারিখ এই করিডরের শিয়ালদহ স্টেশন থেকে চালু হবে নয়া এই টিকিট। এই পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ সফল হবে এই করিডরের সম্পূর্ণ অংশেই ধীরে ধীরে বন্ধ করে দেওয়া হবে টোকেন। পরিবর্তে পুরো ইস্ট-ওয়েস্ট করিডরেই চালু করা হবে পেপার বেসড কিউআইর কোড যুক্ত টিকিট। তবে পরীক্ষামূলক পর্বে কাগজের টিকিটের পাশাপাশি চালু রাখা হবে টোকেনও।

    প্রসঙ্গত, বিনা টিকিটের যাত্রী ধরতে সাম্প্রতিক কালে তৎপর হয়েছে মেট্রো (Metro Service) কর্তৃপক্ষ। বিনা টিকিটের যাত্রী ধরতে এবার মেট্রোয় উঠছেন টিকিট পরীক্ষকও। সেই অভিযানে ধরা পড়েছে একের পর এক যাত্রী। অভিযোগ, এই যাত্রীর কম দূরত্বের ভাড়ার টোকেন কিনে বেশি দূরত্বে যাত্রা করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: হাতে আইফোন,পায়ে দামী জুতো, বাইক হাঁকিয়ে ত্রিপল নিতে হাজির বিডিও অফিসে!

    Nadia: হাতে আইফোন,পায়ে দামী জুতো, বাইক হাঁকিয়ে ত্রিপল নিতে হাজির বিডিও অফিসে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রিপল দেওয়ার কথা। বিডিও অফিস থেকে সেই ত্রিপল বিলি করার কথা ছিল। কিন্তু, প্রাপকদের পোশাক, চালচলন দেখে হতবাক হয়ে যান নদিয়ার (Nadia) করিমপুর-২ বিডিও অফিসের কর্মীরা। ত্রিপল বিলি স্থগিত করে দেওয়া হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    কয়েকদিনের বৃষ্টিতে যাদের বাড়ি, গোয়ালঘর ইত্যাদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ত্রাণ দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো নদিয়ার (Nadia) করিমপুর-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় পঞ্চায়েতের মাধ্যমে জানানো হয়েছিল। বিডিও অফিস থেকে সেই ত্রিপল বিলি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল বিডিও অফিসে ত্রিপল নেওয়ার প্রাপকের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। আর প্রাপকদের তালিকায় এমন অনেকে রয়েছে, যাদের হাতে আইফোন রয়েছে, কেউ দামী বাইক, পায়ে দামী জুতো, ব্রান্ডেড কোম্পানির জামাও অনেকে পড়ে রয়েছেন। কেউ আবার চার চাকা হাঁকিয়ে ত্রিপল নেওয়ার জন্য বিডিও অফিসে হাজির হয়েছেন। বিডিও অফিসের এক কর্মী বলেন, বহুদিন ধরেই এই বিডিও অফিসে রয়েছি। সামান্য ত্রিপল নেওয়ার জন্য যারা বিডিও অফিসে এসেছিলেন, তাঁদের ত্রাণের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। ফলে, এই অবস্থায় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রিপল বিলি করার কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ যাচাই করার পর প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়া হবে।

    কী বললেন করিমপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহকারি সভাপতি?

    নদিয়ার (Nadia) করিমপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহকারি সভাপতি সাজিজুল হক শা বলেন, গরিব মানুষদের ত্রিপল দেওয়ার জন্য বিডিও অফিসে শিবির করা হয়েছিল। সেখানে ত্রিপল নেওয়ার জন্য যারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তাঁদের দেখে আমরা তাজ্জব হয়ে গিয়েছিলাম। দেখে কাউকে গরিব পরিবারে লোকজন মনে হচ্ছিল না। কেন  তারা সামান্য ত্রিপল নেওয়ার জন্য এভাবে বিডিও অফিসে হাজির হলেন তা্ বুঝতে পারলাম না। অগত্যা আমি এ নিয়ে বিডিও সাহেবের সঙ্গে দেখা করে সমস্ত বিষয়টি বলি। আমাদের বৈঠকের পরে ঠিক হয়েছে, আবেদনপত্রগুলো সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে দিয়ে যাচাই করানোর পর ত্রাণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Purba Bardhaman: “সঠিক রিপোর্ট জমা দিলেই প্রকল্পের টাকা পেয়ে যাবে রাজ্য” সাফ জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Purba Bardhaman: “সঠিক রিপোর্ট জমা দিলেই প্রকল্পের টাকা পেয়ে যাবে রাজ্য” সাফ জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই, ইডি স্বনিয়ন্ত্রিত সংস্থা। বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই তারা তদন্তের কাজ করছে। তাই ভোটের রাজনীতির সঙ্গে তদন্তের কোনও সম্পর্ক নেই। পশ্চিমবঙ্গে নেতা-মন্ত্রীদের ঘরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে হাইকোর্টের নির্দেশে। বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলাটা একেবারেই মিথ্যা। পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) রায়নায় ঠিক এইভাবেই তৃণমূলকে কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি।

    হিসাব দিলেই টাকা মিলবে (Purba Bardhaman)

    কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি রায়নায় সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজ ও অন্যান্য প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার টাকা আটকে দিয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। অথচ, তিন বছরের বেশি সময় ধরে কেন্দ্র সরকারের কাছে এই কাজের রিপোর্ট জমা দেয়নি রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের তদন্তে এই সরকারের দুর্নীতি ধরা পড়েছে। সঠিক রিপোর্ট জমা দিলেই কেন্দ্র সরকার প্রকল্পের টাকা রাজ্যকে দিয়ে দেবে।” তিনি আরও বলেন, “বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসর আগে শেষ ৯ বছরে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যকে  ইউপিএ পরিচালিত কেন্দ্র সরকার যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছিল, এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসর পর, তার থেকে অনেক বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। এখনও পর্যন্ত আমাদের সরকার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ২ লাখ ৫ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা প্রদান করেছে। কাজেই বিজেপি সরকার, রাজ্য সরকারের প্রাপ্য অধিকার থেকে কখনই বঞ্চনা করে না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বার বার চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন হিসাব যত তাড়াতাড়ি দেবেন, পাওনা টাকা তত দ্রুত মিলবে। কিন্তু রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে  হিসেব নিয়ে কোনও উত্তর মেলেনি।”

    আর কী বললেন?

    বিজেপি সাংসদ পঙ্কজ চৌধুরি পূর্ব বর্ধমানে আরও বলেন, “এছাড়া করোনার সময় রাজ্যকে বিশেষ সাহায্য দেওয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকঠামোর বজায় রাখার চেষ্টা করছে কেন্দ্র সরকার। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তৃণমূলের নেতারা সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানোর অপচেষ্টা করছে। আন্দোলন, ধর্না গনতন্ত্রের অধিকার। যে কেউ আন্দোলন করতেই পারে। তবে বিজেপির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে কোনও লাভ নেই। প্রয়োজনে দেশের বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের কাছে গিয়ে যে কেউ ন্যায় চাইতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share