Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh Violence: হাদির পর নাহিদ ঘনিষ্ঠের মাথায় গুলি, ভোটের আগে সংঘর্ষে উত্তাল ইউনূসের বাংলাদেশ

    Bangladesh Violence: হাদির পর নাহিদ ঘনিষ্ঠের মাথায় গুলি, ভোটের আগে সংঘর্ষে উত্তাল ইউনূসের বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট। তার আগে রাজনৈতিক প্রচার এবং সংঘর্ষে (Bangladesh Violence) উত্তাল গোটা দেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের রাজত্বে দেশের আইন শৃঙ্খলা এখন তালানিতে ঠেকেছে। এনসিপি-সহ একাধিক দলের নেতারা কট্টরপন্থী জেহাদি সংগঠন জামাতের খাতায় নাম লেখাতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সোমবার আরও এক ভারত বিদ্বেষী এনসিপি দলের নেতার মাথাকে লক্ষ্য করে গুলি করার অভিযোগে ফের একবার উত্তাল হয়ে উঠেছে খুলনা। দেশে যে আইনের শাসন নেই এবং জনগণের জীবন-সম্পত্তি চরম সঙ্কটের মুখে তাও আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে বিশ্বের দরবারে।

    হাসপাতালে ভর্তি (Bangladesh Violence)

    এনসিপি নেতা তথা প্রাক্তন উপদেষ্টা ইউনূস ঘনিষ্ঠ নাহিদ ইসলামের কাছের নেতা হলেন মোতালেব শিকাদার (Student Leader)। তিনি এনসিপির শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা। তাঁকে সোমবার ১২ টা নাগাদ সোনাডাঙার একটি বাড়িতে ঢুকে দুষ্কৃতীরা গুলি করে। বর্তমানে এই নেতা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তবে দলের তরফে জানানো হয়েছে কিছু দিনের মধ্যেই এখানে শ্রমিকদের নিয়ে একটি বিরাট সম্মলেনের আয়োজন হবে, আর ঠিক তার আগে এই ঘটনা জনমনে অত্যন্ত আতঙ্ক এবং উদ্বেগের (Bangladesh Violence) সৃষ্টি করেছে।

    পুলিশ পরিদর্শকের বক্তব্য

    সোনাডাঙা থানার পরিদর্শক আনিমেষ মণ্ডল বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’-কে জানিয়েছেন, মোতালেবকে (Student Leader) গুলি করেছে কয়েকজন দুষ্কৃতী। আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর মাথার সিটি স্ক্যান করতে অন্য আরেকটি কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসিনা বিরোধী এবং ভারত বিরোধী অন্যতম মুখ নাহিদ। আসন্ন নির্বাচনে তাঁর প্রার্থী হওয়ার কথা। ফলে নির্বাচনে রাজনৈতিক লড়াই এবং সংঘর্ষ (Bangladesh Violence) এখন চরমে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ।

    নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ

    বাংলাদেশে নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হয়েছে গত ১২ ডিসেম্বর থেকে। চলবে এই মাসের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই আবহেই গত ১২ ডিসেম্বর মাথায় গুলি লাগে ইনকিলাব মঞ্চের কট্টর ভারত বিরোধী নেতা ওসমান হাদির। ইউনূসের প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যায় হাদিকে কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ছয়দিন চিকিৎসার পর মৃত্যু হয় হাদির। এরপর থেকেই সারা বাংলাদেশ জুড়ে কট্টর মৌলবাদী এবং জামাত সমর্থকরা অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং হিন্দু নিধন শুরু করে। ফলে পরিস্থিতির বিচারে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের একাংশ অত্যন্ত চিন্তা ব্যক্ত করেছেন। রাজনৈতিক হত্যা (Bangladesh Violence) এবং অশান্তির জেরে দেশের নির্বাচন কতটা নির্বিঘ্নে হওয়া সম্ভব, তাও এখন একটা বড় প্রশ্ন।

    পাক ঘনিষ্ঠ ইউনূস

    তবে ডক্টর মহম্মদ ইউনূস প্রথম থেকেই এনসিপির (Student Leader) নেতাদের নয়নের মণি করে রেখেছেন। একই ভাবে আবার প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সঙ্গীরা ভারতের তুলনায় পাকিস্তানকে বেশি কাছের বলে মনে করেন। ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করার মন্তব্যকে তীব্র সমর্থন করেন। ইউনূস নিজেও পাকিস্তানের আইএসআইকে নিজের লেখা বইয়ে ভারতের মানচিত্র এবং সার্বভৌমকে ক্ষুণ্ণ করেছেন। তা নিয়ে ভারতও অত্যন্ত কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছিয়ে। সবটা মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন গৃহযুদ্ধে মত্ত।

  • Gujarat: গরু জবাই করতে অস্বীকার! কুপিয়ে হত্যা আদিবাসী হিন্দু যুবককে

    Gujarat: গরু জবাই করতে অস্বীকার! কুপিয়ে হত্যা আদিবাসী হিন্দু যুবককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু জবাই করতে অস্বীকার! এরপর উত্তেজিত মুসলিম জনতা আদিবাসী হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে খুন করেছে। ঘটনা ঘটেছে গুজরাটের (Gujarat) নভসারির দাভেলে। মৃতের নাম দীপক কালিদাস রাঠোড়, ইতিমধ্যে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে। তাতেই স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে এলাকার মুসলিম যুবকেরা ব্যাপক ভাবে ওই আদিবাসী যুবককে মারধর করে এবং এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। এই ঘটনাই প্রমাণ করে ভারতের বাইরে শুধু নয়, ভারতের অভ্যন্তরেও হিন্দু (Hindu Tribal Youth Kill) নির্যাতন লাগাতার চলছে।

    দীপকের প্রতি চরম অসন্তোষ (Gujarat)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দীপক যখন কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন, তখনই রাস্তায় এই ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ শুরু করেছে। তবে এই মৃত্যুর মামলায় খুনের ধারা যুক্ত করা হয়েছে। দীপক প্রায় একবছর আগে দাভেল (Gujarat) গ্রামের বাসিন্দা শওকত উসমান একলওয়ায়ার বাড়িতে কাজ করতেন। কাজের জন্য ঠিকঠাক বেতন দেওয়া হতো না এবং বারবার গরু জবাই করার জন্য চাপ দেওয়া হতো দীপককে। তবে তিনি তা করতে অস্বীকৃতি জানান এবং চাকরিও ছেড়ে দেন। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর, তিনি গরু-মহিষ লালন-পালন করে জীবিকা নির্বাহের কাজ শুরু করেন। তবে পরিবারের দাবি, কাজ না করার বিষয়ে শওকত উসমান ভীষণ ভাবে ক্ষুব্ধ ছিলেন। দীপকের প্রতি চরম অসন্তোষ ছিল এবং শেষে তাঁকে হত্যা (Hindu Tribal Youth Kill) করে।

    কুড়াল বের করে তাঁর উপর আঘাত

    মৃত্যুর আগে, দীপকের একটি ভিডিও বিবৃতি রেকর্ড করা। সেখানে স্পষ্ট ভাবে দীপক বলেন, “গরু জবাই করার কাজ না করায়, আমাকে দীর্ঘ দিন ধরে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এরপর আমার সঙ্গে শত্রুতা শুরু হয়। একাধিকবার আক্রমণও করা হয়।” তবে খুনের দিন ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬:৩০ টার দিকে দীপক কাজ শেষ করে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন, ঠিক সেই সময় রাস্তার ধারে একটি কবরস্থানের কাছে তাঁকে ঘিরে ধরে কিছু মুসলিম যুবক। এরপর তাঁর পথ আটকে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে চলে গালিগালাজ। মৃত্যুর হুমকিও বারবার দেওয়া হয়েছিল। নিচু জাতের মানুষ উল্লেখ করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজও দেওয়া হয়। পুলিশের (Gujarat) এফআইআরে হাসান শওকত একলওয়ায়া এবং হুসেন মোহাম্মদ একলওয়ায়া সহ বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত মুসলিম যুবকের নাম আক্রমণকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমে হুসেন এবং অন্যান্যরা দীপককে চেপে ধরে, এরপর অপর দিকে হাসান সাইকেল থেকে একটি কুড়াল বের করে তাঁর উপর আঘাত করে। কুড়ালের আঘাতে দীপকের বুকে এবং পায়ে গুরুতর ক্ষত হয়ে যায়। ব্যাপক পরিমাণে রক্তক্ষরণও (Hindu Tribal Youth Kill) হয়।

    ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের

    দীপক সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে তাঁর স্ত্রী, বাবা এবং অন্যান্য গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে (Gujarat) ছুটে আসেন । এরপর স্থানীয়দের জড়ো হতে দেখে আক্রমণকারীরা পালিয়ে যায়। শেষে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ডাকা হয় এবং দীপককে গুরুতর অবস্থায় নভসারী সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ কিছুক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দীপকের (Hindu Tribal Youth Kill) জবানবন্দি রেকর্ড করে। চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থার অবনতি ঘটে এবং পরে তিনি হাসপাতালেই মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর, পুলিশ এফআইআর-এ ৩০২ (হত্যা) ধারা যুক্ত করে।

    আগেও গরুর মাংস নিয়ে বিতর্ক

    দাভেল (Gujarat) এর আগে ২০২৩ সালে গরুর মাংস নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসে। মারোলি পুলিশ আহমেদ মোহাম্মদ সুজানের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলেন। সেখানে গ্রামে একটি স্ন্যাকস্‌ সেন্টার চালাতেন অভিযুক্ত। অভিযানে জানা গিয়েছে মুরগি ও খাসির মাংসের সিঙ্গারার আড়ালে গরুর মাংস ভর্তি করে বিক্রি করতেন। খোদ পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জানিয়েছে, এই সুজান প্রায় চার বছর ধরে গরুর মাংসের সিঙ্গারা বিক্রি করছিলেন। গ্রামের মুসলিম এবং আশেপাশের এলাকার হিন্দু উভয়ই গরুর মাংসের সিঙ্গারা খেয়েছিল। না জানিয়ে জোর করে গরুর মাংস খাওয়ানো এবং ধর্ম ভ্রষ্টের কুচক্রান্তের দায়ে আহমেদ মোহাম্মদ সুজানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এলাকার হিন্দু জনমানসের মনে প্রবল পরিমাণে অসন্তোষ এবং ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এরপর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

  • Srinivasa Ramanujan: আজ জাতীয় গণিত দিবস, চিনে নিন ভারতের বিস্ময়কর প্রতিভা রামানুজনকে

    Srinivasa Ramanujan: আজ জাতীয় গণিত দিবস, চিনে নিন ভারতের বিস্ময়কর প্রতিভা রামানুজনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু গণিত প্রতিভার (Maths Genius) জন্মভূমি এই ভারত। এখানেই জন্মেছিলেন শ্রীনিবাস রামানুজনও (Srinivasa Ramanujan)। ১৮৮৭ সালের ২২ ডিসেম্বর কে শ্রীনিবাস আইয়েঙ্গার ও কোমলতাম্মালের ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন রামানুজন। শৈশব থেকেই গণিতের প্রতি তাঁর দারুন ঝোঁক। নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার বদলে মন্দিরের মণ্ডপে বসে গণিতের সমস্যা সমাধান করতেন তিনি। শোনা যায়, গণিতের কোনও সমস্যার সমাধান করতে না পারলে তিনি তাঁর উত্তর খুঁজে পেতেন স্বপ্নের মধ্যেই। গণিতের প্রতি তাঁর এই অগাধ ভালোবাসার জন্যই স্কুলের অন্যান্য বিষয়গুলিতে তিনি প্রায়ই ফেল করতেন। মাত্র তেরো বছর বয়সেই রামানুজন জটিল উপপাদ্য আবিষ্কার করতে শুরু করেন। সেগুলি লিপিবদ্ধ করতেও শুরু করেন। কাগজ দুষ্প্রাপ্য ছিল বলে তিনি স্লেটে সমস্ত গণনা করে নিতেন। খাতায় লিখে রাখতেন কেবল গুরুত্বপূর্ণ ফল ও গণিতের সারাংশ।

    চাকরির সন্ধানে রামানুজন (Srinivasa Ramanujan)

    ১৯০৯ সালে রামানুজন বিয়ে করেন জানকীঅম্মলকে। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি চাকরির সন্ধান করতে শুরু করেন। এই সময়েই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় ভারতীয় গণিত সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ভি রামস্বামী আয়ারের। তিনি চাকরি করতেন রাজস্ব দফতরে। সেখানেই চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন রামানুজন। রামানুজনের খাতার বিষয়বস্তু দেখে তিনি বিস্মিত হয়ে যান। তরুণ প্রতিভার অসাধারণ ক্ষমতা আঁচ করে আয়ার রামানুজনকে মাদ্রাজের বিভিন্ন গণিতবিদ বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ১৯১২ সালের ১ মার্চ রামানুজন মাদ্রাজ পোর্ট ট্রাস্টের প্রধান হিসাবরক্ষকের দফতরে চাকরি পান। তাঁর বস স্যার ফ্রান্সিস স্প্রিং ও সহকর্মী নারায়ণ আয়ার তাঁকে গণিতচর্চা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করতে থাকেন।

    কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা

    ১৯১৩ সালের জানুয়ারি মাসে রামানুজন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জিএইচ হার্ডিকে একটি চিঠি লেখেন। প্রথমে পাঠানো সূত্রগুলির কয়েকটি হার্ডি বুঝতে পারলেও, বাকিগুলির জটিলতা দেখে সেগুলিকে তাঁর অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়েছিল। তবে রামানুজন প্রেরিত ৯ পৃষ্ঠার পাণ্ডুলিপি গভীরভাবে অধ্যয়ন করার পর তিনি নিশ্চিত হন যে কাজগুলি সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং মৌলিক। তিনি বুঝতে পারেন, এত গভীর উপপাদ্য কেবলই কল্পনার ফল হতে পারে না। বহু বোঝানো ও মাতৃআশীর্বাদ লাভের পর অবশেষে ১৯১৪ সালে রামানুজন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন (Srinivasa Ramanujan)।

    রয়্যাল সোসাইটির ফেলো

    বিদেশে রামানুজন অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করেন। রয়্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন তিনি। রামানুজন হলেন দ্বিতীয় ভারতীয় এবং সর্বকনিষ্ঠদের অন্যতম, যিনি এই সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯১৮ সালের ১৩ অক্টোবর তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজের ফেলো নির্বাচিত হওয়া প্রথম ভারতীয় হন। দুর্ভাগ্যবশত, যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার ফলে তাঁর স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। ১৯১৯ সালেই তাঁকে ফিরতে হয় নিজের গ্রামে। ১৯২০ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে প্রয়াত হন গণিতের এই বিস্ময় প্রতিভা (Maths Genius)।

    গাণিতিক অবদান

    রামানুজনের গাণিতিক অবদান তাঁর মৃত্যুর বহু পরেও টিকে রয়েছে এবং আজও বিশ্বজুড়ে গবেষকদের বিস্মিত ও অনুপ্রাণিত করে চলেছে। গণিতে প্রায় কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও, তিনি সম্পূর্ণভাবে স্বশিক্ষিত হয়ে বিষয়টির ওপর অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছিলেন (Srinivasa Ramanujan)। রামানুজন ছিলেন আক্ষরিক অর্থেই এক ধর্মপ্রাণ হিন্দু। তিনি তাঁর সব আবিষ্কারের কৃতিত্ব দিতেন পারিবারিক আরাধ্য দেবী নামগিরির মহালক্ষ্মীকে। তিনি বলেছিলেন, “আমার কাছে কোনও সমীকরণের কোনও অর্থ নেই, যদি তা ঈশ্বরের কোনও ভাবনার প্রকাশ না হয়।” প্রাতিষ্ঠানিক কোনও শিক্ষা সেই অর্থে ছিল না রামানুজনের। তবুও তিনি আবিষ্কার করেছিলেন সংখ্যা তত্ত্ব, যুগান্তকারী অবদান রেখেছিলেন অনন্ত ধারা এবং কন্টিনিউড ফ্র্যাকশনের ক্ষেত্রে। তাঁর সূত্র ও ধারণাগুলি আজও গণিত ও পদার্থবিদ্যার বিভিন্ন শাখায় ব্যবহৃত হয়। তিনিই প্রথম ‘পাই’য়ের মান বের করে চমকে দেন বিশ্বকে (Maths Genius)।

    ‘জাতীয় গণিত দিবস’

    বর্তমানে কুম্ভকোনামের সরঙ্গপাণি সন্নিধি স্ট্রিটে অবস্থিত তাঁর পৈতৃক বাড়িটিতে তাঁর স্মরণে একটি জাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে। তাঁর জন্মদিন ২২ ডিসেম্বর। তামাম ভারতে দিনটি পালিত হয় ‘জাতীয় গণিত দিবস’ হিসেবে। তিনি ছিলেন এমন এক প্রতিভা, যিনি কেবল অসীমকে বোঝেননি, বরং অসীমের সঙ্গেই একাত্ম হয়ে গিয়েছিলেন। গণিত জগৎ আজও তাঁর কাছে গভীরভাবে ঋণী। বোধহয়, সেই কারণেই সুইডেন এবং জার্মানির মতো দেশগুলিতেও প্রতি বছর এই ভারতীয় প্রতিভাকে সম্মান জানাতে গাণিতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় (Srinivasa Ramanujan)। আর্যভট্ট ও বরাহমিহিরের ঢের পরেও যে রামানুজন এবং তাঁর কালজয়ী তত্ত্বসমূহ আজও বিশ্ব গণিতকে পথ দেখিয়ে চলেছে, এই গৌরব ভারতবাসীদের জন্য গর্বের বিষয় বই কি (Maths Genius)!

  • Indian Defence: ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির উন্নতি, কৌশলগত বিকাশের বার্তা কেন্দ্রের

    Indian Defence: ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির উন্নতি, কৌশলগত বিকাশের বার্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা রফতানি দু’টি দেশের মধ্যে সাধারণ কোনো বাণিজ্যিক লেনদেন (Indian Defence) নয়। এটি আসলে কৌশলগত সম্পর্কের এক বার্তা, যার মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা, প্রযুক্তি ও রাজনৈতিক অভিপ্রায় প্রকাশ পায়। কোনও (Strategic Development) দেশ যখন সামরিক সরঞ্জাম কেনে, তখন প্রকৃতপক্ষে সে একটি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের সূচনা করে। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ, সহায়তা ও কার্যকরী সমন্বয়ের বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রতিরক্ষা রফতানি একটি দেশের কৌশলগত পরিসরকেও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে।

    ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি খাতে প্রবেশ (Indian Defence)

    এই প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি খাতে প্রবেশ করা ছিল অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজার নানা কারণে জটিল। নিষেধাজ্ঞা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, তার মধ্যে অন্যতম। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় স্লোগান ও বক্তব্যের চেয়ে স্থিতিশীলতা ও বাস্তব সক্ষমতাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ২০১৪ সালের পর ভারতীয় প্রতিরক্ষা পণ্যের রফতানিতে এই পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা যায়। অতিরিক্ত প্রচার বা আদর্শগত বক্তব্য ছাড়াই নরেন্দ্র মোদির সরকার ধীরে ধীরে নিজেকে একটি বিশ্বাসযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ক্রমবর্ধমান প্রবণতা মূলত বিশ্বাসযোগ্যতার শক্ত ভিত্তির ওপরেই ধাপে ধাপে গড়ে উঠছে। প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রধান শক্তিধর দেশগুলির মধ্যে রয়েছে বিরাট ব্যবধান। বিশ্বজুড়ে সামরিক উপস্থিতির কারণে আমেরিকা ৯৬৮.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করে শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চিন। প্রতিরক্ষা খাতে এই দেশ ব্যয় করে ৩১৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি ভারতের ৮৩.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতিরক্ষা ব্যয়ের প্রায় চার গুণ বেশি (Strategic Development)।

    ভারত বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ প্রতিরক্ষা ব্যয়কারী দেশের মধ্যে রয়েছে

    এই বিরাট পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ভারত বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ প্রতিরক্ষা ব্যয়কারী দেশের মধ্যে রয়েছে। চিন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক কম বাজেট নিয়ে কাজ করলেও, ভারত একটি অত্যন্ত কঠিন ও সংবেদনশীল ভূ-রাজনৈতিক অঞ্চলের মোকাবিলা করছে (Indian Defence)। এই প্রধান শক্তিগুলির মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ব্যবধান জার্মানি দিয়ে শুরু হয়ে প্রথমে রাশিয়া এবং শেষে ভারতে এসে দাঁড়ায়। মাথাপিছু প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ক্ষেত্রে চিত্রটি অবশ্য সম্পূর্ণ আলাদা। আমেরিকায় প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হয় প্রায় ২,৯০০ মার্কিন ডলার, জার্মানি ও রাশিয়ায় এই ব্যয় প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই ১,০০০ ডলারের বেশি। বিপুল জনসংখ্যার কারণে চিনের মাথাপিছু প্রতিরক্ষা ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম, প্রায় ২২১ মার্কিন ডলার। ভারতের ক্ষেত্রে এই ব্যয় মাত্রই ৫৯.৬ মার্কিন ডলার, যা ওই সব দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। তা সত্ত্বেও পরিসংখ্যান থেকে এটা স্পষ্ট যে, উন্নত দেশগুলির তুলনায় অনেক কম ব্যয় সত্ত্বেও ভারত কীভাবে তার প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি এবং প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে পারছে (Indian Defence)।

    জিডিপির শতকরা হার

    প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় সাধারণত জিডিপির শতকরা হারে পরিমাপ করা হয়। এই সূচকটি একটি দেশ তার সামগ্রিক সম্পদের তুলনায় জাতীয় নিরাপত্তাকে কতটা অগ্রাধিকার দেয় (Strategic Development), তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। রাশিয়া তার জিডিপির ১৮.৯ শতাংশ ব্যয় করে প্রতিরক্ষা খাতে। এর পরেই রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা ব্যয় করে জিডিপির ৯ শতাংশেরও বেশি। আর প্রতিরক্ষা খাতে ভারত ব্যয় করে জিডিপির ৭.৬৩ শতাংশ। চিনের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫.০৬ শতাংশ এবং জার্মানিতে ৩.৯৩ শতাংশ। মাথাপিছু প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হওয়া সত্ত্বেও, কৌশলগত প্রয়োজন মেটাতে ভারত সরকার এই ক্ষেত্রে যে শক্তিশালী ও তুলনামূলকভাবে বেশি চেষ্টা করছে, তার প্রমাণ মেলে সরকারি পরিসংখ্যানেই।

    ধীরগতির পর্ব এখন অতীত

    এদিকে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি ছিল প্রায় নগণ্য। এর প্রধান কারণ ছিল কঠোর নীতিনির্ধারণ ও এমন ক্রয়ব্যবস্থা, যা কেবলমাত্র অভ্যন্তরীণ বাজারকেন্দ্রিক ছিল। সেই ধীরগতির পর্ব এখন অতীত (Indian Defence)। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩,৬২২ কোটি টাকা। তবে এখানে সংখ্যার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি এখন আর অ্যাডহক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় না। অস্থায়ী ছাড়পত্র ব্যবস্থার পরিবর্তে চালু হয়েছে একটি সুসংহত ও শক্তিশালী রফতানি ব্যবস্থা। ইলেকট্রনিক লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে ছাড়পত্র প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। এতে অনায়াস হয়েছে রফতানি প্রক্রিয়া।

    ৮০টি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি ভারতের

    জানা গিয়েছে, ভারত এখন ৮০টি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ রফতানি করতে শুরু করেছে, যা ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং এসব ব্যবস্থার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও প্রতিরক্ষা রফতানি ধারাবাহিক ও স্থিতিশীল হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রমাণ করে যে (Strategic Development) এই বিক্রি কোনও চাপের ফলে নয়, বরং বাস্তব প্রয়োজন থেকেই চালিত হচ্ছে। এই সন্ধিক্ষণটি সেই মুহূর্তকে চিহ্নিত করে, যখন ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি প্রান্তিক অবস্থান থেকে মূলধারায় প্রবেশ করেছে (Indian Defence)।

  • Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাড়া বাড়াচ্ছে রেল (Indian Railways)। তবে তাতে আমজনতার কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ লোকাল ট্রেনের ভাড়া (Train Fares) বাড়ছে না, মান্থলির ভাড়াও থাকছে অপরিবর্তিত। ভাড়া বাড়ছে কেবল দূরপাল্লার যাত্রিবাহী ট্রেনের। দূরপাল্লার যাত্রায় ভাড়ার নয়া কাঠামো প্রকাশ করে রেল জানিয়েছে, নতুন ভাড়া কার্যকর হবে বড়দিনের পরের দিন, ২৬ ডিসেম্বর থেকে।

    নয়া ভাড়া কাঠামো (Indian Railways)

    রেল সূত্রে খবর, ভাড়া বাড়ছে দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। এসি, নন-এসি এই দুই শ্রেণির সংরক্ষিত টিকিটের ভাড়া বাড়ছে। এটি নির্ধারিত হবে কিলোমিটারের ভিত্তিতে। অসংরক্ষিত টিকিটের ভাড়াও বাড়ছে, তবে সে ক্ষেত্রে থাকছে নির্দিষ্ট নিয়ম। জানা গিয়েছে, নতুন কাঠামো অনুযায়ী, দূরপাল্লার ট্রেনে সাধারণ শ্রেণিতে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রা করলে অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হবে না। তবে তার পর প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে। দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেসে (নন-এসি) প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত ভাড়া অনুযায়ী, নন-এসিতে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের অতিরিক্ত ১০ টাকা করে গুণতে হবে। এসির টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে (Indian Railways)। রেল কর্তাদের আশা, চলতি বছরে নয়া ভাড়া কাঠামোয় রেল অতিরিক্ত প্রায় ৬০০ কোটি টাকা রোজগার করবে।

    ট্রেনের ভাড়া

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এই নিয়ে দু’বার দূরপাল্লার ট্রেনের ভাড়া বাড়াল রেল। গত জুলাইয়েও কিলোমিটার পিছু ভাড়া বেড়েছিল দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। সেবার অবশ্য দূরপাল্লার ট্রেনের নন-এসি দ্বিতীয় শ্রেণীর টিকিটের (অসংরক্ষিত টিকিট) ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে আধ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছিল। একই সিদ্ধান্ত হয়েছিল স্লিপার এবং প্রথম শ্রেণির অসংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রেও। নন-এটি সংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বাড়িয়েছিল রেল। আর এসির ক্ষেত্রে বাড়ানো (Train Fares) হয়েছিল কিলোমিটার পিছু দু’পয়সা করে। বড়দিনের পর থেকে ফের প্রায় সেই একই হারে বাড়ছে রেলের ভাড়া (Indian Railways)।

  • UGC: আবারও ৩ জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল ইউজিসি

    UGC: আবারও ৩ জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা (Fake Universities)। কেন্দ্র প্রতিবছরই তার তালিকা প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও তিন ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। এই প্রতিষ্ঠানগুলি হল, দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন, কর্নাটকের সর্বভারতীয় শিক্ষাপীঠ, এবং মহারাষ্ট্রের ন্যাশনাল ব্যাকওয়ার্ডস কৃষি বিদ্যাপীঠ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) (UGC) জনগণের স্বার্থে এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে জারি করেছে সতর্কবার্তা। কমিশনের মতে, এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই সরকারি কোনও অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছে ইউজিসি (UGC)

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মতে, এই প্রতিষ্ঠানগুলি আইনগত ক্ষমতা ছাড়াই ডিগ্রি দিচ্ছে, যা আদতে লঙ্ঘন করছে ইউজিসি আইন, ১৯৫৬। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই সংস্থাগুলির দেওয়া কোনও ডিগ্রি উচ্চশিক্ষা, সরকারি নিয়োগ বা বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বৈধ বলে গণ্য হবে না। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে যে, স্বীকৃতিহীন প্রতিষ্ঠান  থেকে পাওয়া ডিগ্রির কোনও আইনগত স্বীকৃতি নেই। এই ধরনের ডিগ্রিধারীরা দেশে কিংবা – উভয় ক্ষেত্রেই উচ্চশিক্ষা বা চাকরির জন্য আবেদন করেও প্রত্যাখ্যাত হতে পারেন। ভর্তি হওয়ার আগে যে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির অবস্থা যাচাই করে নিতে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির অবস্থা যাচাই করে নেওয়া যেতে পারে। সরকারি এই ওয়েবসাইটে স্বীকৃত এবং ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা প্রকাশ করা হয়।

    জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা

    তিনটি জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার একেবারে ওপরে রয়েছে দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন। নামের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা শিক্ষার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ইউজিসি আইন, ১৯৫৬-এর ধারা ২(এফ) বা ধারা ৩-এর অধীনে স্বীকৃত নয়। ইউজিসির মতে, এই প্রতিষ্ঠানের কোনও বিষয়েই ডিগ্রি দেওয়ার কোনও আইনগত ক্ষমতা নেই। তাই শিক্ষার্থীদের সেখানে ভর্তি না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে (Fake Universities)। কারণ এই প্রতিষ্ঠান থেকে ইস্যু করা যে কোনও ডিগ্রি অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে। শুধু তাই নয়, ওই ডিগ্রি অ্যাকাডেমিক বা পেশাগত স্বীকৃতির জন্য অযোগ্য বলেও বিবেচিত হবে (UGC)। ওই তালিকার দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে কর্নাটকের তুমকুরের সর্বভারতীয় শিক্ষাপীঠ।তুমকুর জেলার দেবানুর মেইন রোডে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টিও চলছে বেআইনিভাবে। ইউজিসি জেনেছে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনও বিধিবদ্ধ অনুমোদন ছাড়াই বেআইনিভাবে ডিগ্রি দিচ্ছে। এটি ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ এর অধীনে স্বীকৃত নয়। সর্বভারতীয় কারিগরি শিক্ষা পরিষদ বা অন্য কোনও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনও এর নেই। তাই এই প্রতিষ্ঠানের দেওয়া সার্টিফিকেট এবং ডিগ্রি চাকরি কিংবা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হবে না। ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার তৃতীয় নম্বরে রয়েছে মহারাষ্ট্রের ন্যাশনাল ব্যাকওয়ার্ড কৃষি বিদ্যাপীঠ। এই প্রতিষ্ঠানটি মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলার আক্কলকোট তালুকার তাদওয়াল গ্রামে অবস্থিত (UGC)।

    ইউজিসি আইন, ১৯৫৬

    ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনও আইনি অনুমোদন ছাড়াই ডিগ্রি দিয়ে আসছে। এটি ইউজিসি আইনের ধারা ২(এফ) এবং ধারা ৩-এর আওতায় স্বীকৃত নয় এবং এআইসিটিই বা অন্য কোনও বিধিবদ্ধ সংস্থার সঙ্গেও এর কোনও সংযোগ নেই। তাই এই প্রতিষ্ঠানে যাঁরা পড়াশোনা করছেন, তাঁদের এই মর্মে সতর্ক করা হয়েছে যে কোনও বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় বা নিয়োগকর্তা তাঁদের ডিগ্রিকে মান্যতা দেবে না (Fake Universities)। ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান আইন। এই আইন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বীকৃতি দেওয়া, শিক্ষার মান নির্ধারণ করা এবং শিক্ষাদান ও গবেষণার গুণমান নিশ্চিত করার ক্ষমতা ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের হাতে ন্যস্ত। কেবলমাত্র ধারা ২(এফ)-এর অধীনে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা ধারা ৩ অনুযায়ী “ডিমড-টু-বি বিশ্ববিদ্যালয়” হিসেবে ঘোষিত প্রতিষ্ঠানই আইনত নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় বলতে পারে এবং ডিগ্রি দিতে পারে। এই ধরনের স্বীকৃতি ছাড়া পরিচালিত যে কোনও প্রতিষ্ঠানকে অননুমোদিত বলে গণ্য করা হয়। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় ভুয়া বা অননুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে সতর্কবার্তা জারি করা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও ইউজিসিকে দিয়েছে এই আইন (UGC)।

    রাজ্যভিত্তিক ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা

    প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইউজিসি তাদের সরকারি ওয়েবসাইটে রাজ্যভিত্তিক ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা প্রকাশ করে। এই তালিকায় এমন সব প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলির আইনগত স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় শব্দটি ব্যবহার করে রীতিমতো ‘কারবার’ চালিয়ে যাচ্ছে। পরিদর্শন বা অভিযোগের মাধ্যমে নতুন তথ্য সামনে এলে কমিশন নিয়মিতভাবে এই তালিকা আপডেট করে। আর্থিক ও শিক্ষাগত ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে ভর্তি হওয়ার আগেই এই তালিকা দেখে (Fake Universities) নিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন ইউজিসি কর্তৃপক্ষ (UGC)।

  • Ramakrishna 539: “নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন; গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী, শ্যাম রাসরসবিহারী”

    Ramakrishna 539: “নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন; গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী, শ্যাম রাসরসবিহারী”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই

    গণুর মার বাড়িতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ঠাকুর (Ramakrishna) বলিতেছেন, “এর উপরেই বস না। আই আমি লিচ্ছি।” এই বলিয়া আসন গুটাইয়া লইলেন। ছোকরারা গান গাহিতেছে:

    কেশব কুরু করুণাদীনে কুঞ্জকাননচারী
    মাধব মনোমোহন মোহন মুরলীধারী।
    (হরিবোল, হরিবোল, হরিবোল, মন আমার) ॥
    ব্রজকিশোর, কালীয়হর কাতরভয়ভঞ্জন,
    নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন;
    গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী।
    শ্যাম রাসরসবিহারী।
    (হরিবোল, হরিবোল, হরিবোল, মন আমার) ॥

    গান—এস মা জীবন উমা—ইত্যাদি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—আহা কি গান!—কেমন বেহালা!—কেমন বাজনা!

    একটি ছোকরা ফ্লুট বাজাইতেছিলেন। তাঁহার দিকে ও অপর আর আকটি ছোকরার দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করিয়া বলিতেছেন। “ইনি ওঁর যেন জোড়।”

    এইবার কেবল কনসার্ট বাজনা হইতে লাগিল। বাজনার পর ঠাকুর আনন্দিত হইয়া বলিতেছেন, “বা! কি চমৎকার!”

    একটি ছোকরাকে নির্দেশ করিয়া বলিতেছেন, “এঁর সব (সবরকম বাজনা) জানা আছে।”

    মাস্টারকে বলিতেছেন,—এঁরা সব বেশ লোক।”

    ছোকরাদের (Ramakrishna) গান-বাজনার পর তাহারা ভক্তদের বলিতেছে—“আপনারা কিছু গান!” ব্রাহ্মণী দাঁড়াইয়া আছেন। তিনি দ্বারের কাছ থেকে বলিলেন, গান এরা কেউ জানে না, এক মহিমবাবু বুঝি জানেন, তা ওঁর সামনে উনি গাইবেন না।

    একজন ছোকরা — কেন? আমি বাবা সুমুখে গাইতে পারি।

    ছোট নরেন (উচ্চহাস্য করিয়া) — অতদূর উনি এগোননি!

    সকলে হাসিতেছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ব্রাহ্মণী আসিয়া বলিতেছেন,—“আপনি ভিতরে আসুন।” শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন (Kathamrita), “কেন গো!”

    ব্রাহ্মণী—সেখানে জলখাবার দেওয়া হয়েছে; যাবেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এইখানেই এনে দাও না।

    ব্রাহ্মণী—গণুর মা বলেছে, ঘরটায় একবার পায়ের ধুলা দিন, তাহলে ঘর কাশী হয়ে থাকবে, — ঘরে মরে গেলে আর কোন গোল থাকবে না।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna), ব্রাহ্মণী ও বাড়ির ছেলেদের সঙ্গে অন্তঃপুরে গমন করিলেন। ভক্তেরা চাঁদের আলোতে বেড়াইতে লাগিলেন। মাস্টার ও বিনোদ বাড়ির দক্ষিণদিকে সদর রাস্তার উপর গল্প করিতে করিতে পাদচারণ করিতেছেন!

  • Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) পুরসভা নির্বাচনে (Local Body Election) ভারতীয় জনতা পার্টি আবারও বিরোধীদের ধরাশায়ী করে বাজিমাত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র চবনের নেতৃত্বে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট রাজ্যজুড়ে নিজেদের জয়কে অব্যাহত রাখল। সম্প্রতি কেরলেও পুর নির্বাচনে বিজেপির বিরাট জয় রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    ২১৪টি বেশি পুর সভাপতি পদে জয়

    মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) ২৮৮টি পুর পরিষদের মধ্যে, মহাযুতি ২১৪টিরও বেশি পুর সভাপতি পদে জয়লাভ করেছে। রাজ্যের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেছে বিজেপি। পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের বিধায়ক মহেশ লান্ডগে সমস্ত বিজয়ী (Local Body Election) প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই জনাদেশকে বিজেপির শাসন মডেল হিসেবে বিশেষ ভাবে উল্লেখও করেছেন। বিজেপি নেতা লান্ডগে বলেন, “উত্তর পুনে জেলা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করার সময়, দলের সাংগঠনিক শক্তি, পদাধিকারী ও কর্মীদের মধ্যে ঐক্য জয়ের জন্য বিশেষ ভাবে কার্যকারী ছিল। সরকারের উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার নানা বিষয়গুলিতে ভোট এবং ফলাফলে ব্যাপক প্রভাব ফলেছে। দলের প্রতিটি স্তরের সামগ্রিক প্রচেষ্টার কারণে নির্বাচনে জয়ের ধারা বজায় রাখতে সুবিধা হয়েছে।”

    ফলাফলের আরেকটি প্রধান আকর্ষণীয় দিক হল আলান্দি পুর নির্বাচনে বিজেপির নির্ণায়ক ফলাফল। এখানে ২১টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসন জয়ী হয়েছে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরসভার সভাপতি হিসেবে প্রশান্ত পোপট কুড়হাদের জয়কে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

    স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন জনগণ

    হিন্দুত্ব ও আদর্শের প্রতি বিজেপি সবসময় আনুগত্যশীল থাকে। ভোটারদের স্পষ্ট সমর্থন এবং বিজেপির নীতির প্রতি জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন (Local Body Election) ঘটেছে এই নির্বাচনে। লান্ডগে আরও বলেন, “রাজ্য জুড়ে মানুষ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। এই রায় আমাদের আরও বেশি বেশি করে কাজ করার শক্তি দেবে। আলান্দি থেকে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পর্যন্ত, আমরা সাধারণ নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এবং উন্নয়ন মূলক শাসনব্যবস্থা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

  • Lagnajita Chakraborty: ‘জয় মা’ গান গেয়ে মুসলিম নেতার হাতে হেনস্তার শিকার লগ্নজিতা! চাপে গ্রফতার অবশেষে

    Lagnajita Chakraborty: ‘জয় মা’ গান গেয়ে মুসলিম নেতার হাতে হেনস্তার শিকার লগ্নজিতা! চাপে গ্রফতার অবশেষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুরের (East Midnapore) ভগবানপুরের একটি বেসরকারি স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কলকাতার বিখ্যাত প্লেব্যাক গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে (Lagnajita Chakraborty) ভক্তিমূলক গান পরিবেশনের জন্য হেনস্থা এবং শারীরিকভাবে হয়রানি করা হয়। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের সংখ্যালঘু নেতা। ওই মুসলিম নেতা লগ্নজিতাকে ভক্তিমূলক গান গাওয়ায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এই ঘটনাটি থেকে তীব্র ভাবে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভারতে যদি ভক্তিমূলক গান গাইতে না দেওয়া হয়, তাহলে আর কোথায় গাইতে পারবেন শিল্পীরা? এই প্রশ্নই এখন রাজনীতির আঙ্গিনায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

    অকথ্য ভাষায় আক্রমণ (Lagnajita Chakraborty)

    বাংলার সঙ্গীত মহলে এক জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী হলেন লগ্নজিতা চক্রবর্তী (Lagnajita Chakraborty)। একটি বেসরকারি স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের পরিবেশনায় আমন্ত্রণ পেয়ে সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু লগ্নজিতার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানমঞ্চে দেবী চৌধুরানী ছবির একটি জনপ্রিয় গান ‘জয় মা’ গাওয়া শুরু করলে সেখান থেকেই ঝামেলা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঞ্চে গান শুরু করলে স্কুলের মালিক এবং তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের নেতা মেহেবুব মল্লিক বাধা দেন। এরপর মেহবুব অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। লগ্নজিতা বলেন, “যখন আমি ‘জয় মা’ গান শুরু করি তখন মালিক মেহবুব মল্লিক আমাকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেন। হুমকি দিয়ে বলেন, এতো কিছু হেয়েছে এবার ধর্ম নিরপেক্ষ গান করুন। তবে শুধু হট্টগোল নয়, আমাকে শারীরিক ভাবে হেনস্তাও করা হয়।”

    বিভাগীয় তদন্ত ওসির বিরুদ্ধে

    ঘটনার পরেই লগ্নজিতা (Lagnajita Chakraborty) এবং তাঁর বাদকেরা মঞ্চ থেকে নেমে পড়েন। এরপর ভগবানপুর থানায় (East Midnapore) সরাসরি অভিযোগ দায়ের করেন। তবে নির্যাতিতা গায়িকার অভিযোগ গ্রহণ না করে অনেক সময় ধরে থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলেছেন। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগেও সরব হয়েছেন লগ্নজিতা। ইতিমধ্যে জেলা শাসক মিতুন কুমার দে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় ওসি শাহেনশাহ হকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ ইতিমধ্যে অভিযযুক্ত মেহবুবকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং ভারতের বাইরে বিদেশে হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অবিরাম গতিতে হয়ে চলছে। আমাদের চোখের সামনেই বিশ্বের অনেক অঞ্চলে হিন্দু ধর্মের নিপীড়ন ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক বিশ্ব এই ধারাবাহিক আক্রমণগুলিকে উপেক্ষা করে আসছে। হিন্দু-বিরোধী ধর্মান্ধতা (Hindu Dharma) এবং কট্টরপন্থীদের দৌরাত্ম্য ব্যাপক আকার রূপ নিয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন হেনস্থার মতো নানা ঘটনা ঘটে চলছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের মতো নানা ঘটনায় হিন্দুরা নিজেদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ইসালাম বিরোধী গুজব রটিয়ে বাংলাদেশের এক হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    চলতি মাসে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য এই সাপ্তাহিক সারসংক্ষেপ এখানে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করব। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংকট কতটা ভয়াবহরূপ ধারণ করছে এই আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    দক্ষিণ ভারতে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    হাসান জেলার সাকলেশপুর তালুকের বেলাগোডু হোবলির চিক্কানায়াকানাহল্লি গ্রামে সরকারি ষড়যন্ত্রে জমি দখলের একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। শেখ মোহাম্মদ জাল রেকর্ডের মাধ্যমে সিদ্দাম্মা নামে এক তফসিলি জাতির মহিলার সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁকে জীবিত অবস্থায় মৃত ঘোষণা করে তাঁর জমি বেআইনিভাবে নিজের নামে হস্তান্তর করেছে দুর্বৃত্তরা।

    তিরুপতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) লক্ষ্য করে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি হাই-প্রোফাইল মামলা হয়েছে। তিরুমালা মন্দিরের কাছাকাছি সরকারি কলেজগুলিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সদস্যদের দ্বারা ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। শ্রীভেঙ্কটেশ্বর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষক প্রভাষক মাধবী এবং শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চ চাঙ্গাইয়া যীশু খ্রিস্টের প্রচারের জন্য শ্রেণীকক্ষকে রীতিমতো ব্যবহার করার অভিযোগ ব্যাপক ভাবে শোরগোল ফেলেছে। হিন্দু ছাত্রদের ধর্মান্তরের (Hindu Dharma) কৌশল থেকে রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিন্দু গোষ্ঠীগুলি ব্যাপক ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতন

    মহারাষ্ট্রের নান্দেরে একজন নিবেদিতপ্রাণ হিন্দু (Hindus Under Attack) কর্মী হর্ষ ঠাকুর বছরের পর বছর ধরে অবিরাম নির্যাতন সহ্য করেছেন। তিনি নিজে অনলাইনে ভয়াবহ বর্বর শারীরিক অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছেন। আবার রূপেশ দুবে মুম্বাইয়ের মীরা-ভায়ন্দর এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যক্তি। হিন্দু (Hindu Dharma) অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য তিনি এখন ভীম-মিম জোটের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে পুলিশের একটি অংশ ভীম-মিম জোটের পক্ষে কাজ করছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে রূপেশের মতো সমাজকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।

    এই রাজ্যে বেআইনি ধর্মান্তরকরণ এবং ইসলামি কট্টর মৌলবাদী কর্তৃত্বের সংগঠিত আরেকটি মামলায় পুলিশ একজন জাহাদি ধর্মগুরু মৌলভীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি গ্রামের এক মহিলাকে প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, জব্বার ওরফে হাফিজ ওরফে মৌলভী কেবল ধর্মান্তরকরণ নয়, তার বাইরে গিয়ে সরাসরি অবৈধ বিবাহকে সহজ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ইতিমধ্যে তাঁর নামেও একটি মামলায় দায়ের করা হয়েছে।

    হরিয়ানা-কর্নাটকে আক্রমণ

    হরিয়ানার যমুনানগরে জাতীয় মহাসড়কের বাহাদুরপুর গ্রামের কাছে একটি জনপ্রিয় নার্সারিতে ২৫ বছর বয়সী এক হিন্দু মহিলার (Hindus Under Attack) মাথাবিহীন এবং অর্ধ-উলঙ্গ দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে হতবাক করে দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা উমা নামে ওই মহিলা ১৩ বছর বয়সী এক ছেলের মাও ছিলেন। তবে নিজে খুনির সঙ্গে দুই বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন। স্বামী এবং পরিবার অনেক আগেই ত্যাগ করেছিলেন। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং অভিযুক্তের অন্য মহিলার সঙ্গে আসন্ন বিবাহের কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    স্কুলছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে কর্ণাটকের হাভেরি জেলায় এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে শিশুদের সুরক্ষায় স্থানীয় মানুষের সচেতন ভূমিকা তুলে ধরার দৃষ্টান্ত পাওয়া গিয়েছে। একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, সাভানুর শহরে, নাবালিকা মেয়েদের বারবার হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন সরকারি উর্দু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এলাকার সকল বাসিন্দারা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, সাহস দেন। এরপর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    পশ্চিমবঙ্গের কুলপি বিধানসভা কেন্দ্রের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় সিঙ্গির হাট মোড়ের কাছে বজরঙ্গবলী মন্দিরে শ্রী বজরঙ্গবলীর মূর্তির শিরোচ্ছেদ করার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সঙ্গে আক্রমণ করে মন্দিরের আরতির সরঞ্জাম এবং সাউন্ড সিস্টেমও ভাঙচুর করা হয়।

    বাংলাদেশে নির্যাতন

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত। ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পর হিন্দু নির্যাতন, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানোর মতো অজস্র ঘটনা ওই দেশে হিন্দুদের নির্মূল করার পক্ষে ঘটনা।

    ইসলাম ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় এক হিন্দু (Hindus Under Attack) যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তাঁর দেহকে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মন্তব্য ছিল ভুয়ো। পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, হত্যার আগে যুবককে লাঠি ও রড দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। আক্রমণকারীরা প্রমাণ মুছতে এবং ভয় সৃষ্টি করার জন্য দেহে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধই ঘটে হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) গোঁড়ামির কারণে। কট্টর মৌলবাদীদের নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে লুকিয়ে আছে এই বিদ্বেষের বীজ। পার্শ্ববর্তী ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট। আবার ভারতের মতো আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনসাধারণের মধ্যেও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থার আড়ালে ঘৃণামূলক অপরাধের প্রবণতা অনেক বেশি। প্রচলিত আইন এবং অভিযোগকে সূক্ষ্ম ভাবে বিচার না করলে হামলার মানসিকতা বোঝা সম্ভব নয়।

    আমরা সকল পাঠকদের অনুরোধ করছি যে, এই সময়ে আমরা যেসব হিন্দু-বিরোধী ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনাগুলিক উল্লেখ করতে পারিনি তাঁরা আমাদের কমেন্ট সেকশেনে গিয়ে মতামত এবং ঘটনার কথা উল্লেখ করুন। হিন্দু মানবাধিকার রক্ষায় আমরা সকলেই এক।

LinkedIn
Share