Tag: Bengali news

Bengali news

  • Suvendu Adhikari: যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা ঘোষণা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Mesi Mess Case)। শুভেন্দু বলেন, “যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তাঁদের সবাইকে সম্পূর্ণ আইনি সহায়তা দেবে বিজেপি।” দর্শকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর এবং গ্রেফতারির সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদও করেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ধৃতদের সম্পূর্ণ লিগ্যাল সার্পোট দেবে বিজেপি। আমাদের আইনজীবীরা এই তথাকথিত ভুয়ো এফআইআরগুলিতে স্থগিতাদেশ চাইবেন। জামিন করানো থেকে শুরু করে আইনি লড়াই, সব দিকেই বিজেপি পাশে থাকবে। এ নিয়ে আমরা একটি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করেছি।”

    মেসিকাণ্ডের জের (Suvendu Adhikari)

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মেসিকাণ্ডের জেরে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী যে বেশ বেকায়দায়, তাও জানান জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু। তবে রাজ্যের সাদা কাগজে সই করা পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যে মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে চাইছেন, সে কথাও জোর গলায় জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা কোনও অপরাধ করেননি। তাঁরা টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছেন। অনেকেই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত ও উচ্চশিক্ষিত। অথচ যাঁরা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হল না।” তাঁর প্রশ্ন, “মেসিকে প্রথমে ২৫ কোটি টাকা অগ্রিম দিয়েছে কে? এতে তো পুরো দলটাই জড়িত (Suvendu Adhikari)।”

    ঢুকতে বাধা রাজ্যপালকেও

    এদিকে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পর এবার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া হল না রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। এদিন বেলা ১২টা নাগাদ (Mesi Mess Case) স্টেডিয়ামে পৌঁছন শুভেন্দু। সেখানে তাঁকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর কিছুক্ষণ আগেই অবশ্য রাজ্যের তৈরি করা সিট-এর পদস্থ পুলিশ কর্তারা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে ফিরে যান। তার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টেডিয়ামের গেট। অগত্যা সঙ্গী বিধায়কদের নিয়ে স্টেডিয়ামের বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বলেন, “আমরা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করে দেওয়া কমিটিই মানি না। সেই কারণেই আদালতে গিয়েছি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ঘরে মামলা রয়েছে। আমরা চাই রাজ্য সরকারের প্রভাবমুক্ত তদন্ত কমিটি। মূল অভিযোগ তো রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেই। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ছিল পুলিশের। সেই পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ। অভিযোগ ক্রীড়া দফতরের বিরুদ্ধেও।” তিনি বলেন, “গেট বন্ধ তো রাজ্যপালকেও করে দিয়েছিল। রাজ্যপালকে যদি করতে পারে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকেও করতে পারে।” তিনি বলেন (Mesi Mess Case), “ওঁরা নিজেরাই দরজা বন্ধ করে পালিয়ে গিয়েছেন (Suvendu Adhikari)।”

  • S Jaishankar: ভারত-ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী, জেরুজালেমে জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত-ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী, জেরুজালেমে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগেই ইজরায়েলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Netanyahu) সঙ্গে টেলিফোনে কথাও হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। মোদির পরে এবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বার্তা দিলেন, দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার।

    নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক (S Jaishankar)

    মঙ্গলবার সন্ধেয় জেরুজালেমে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই আলোচনা হয় প্রযুক্তি, অর্থনীতি, দক্ষতা ও প্রতিভা, সংযোগ এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে। নেতানিয়াহু-জয়শঙ্করের এই বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আত্মবিশ্বাসী ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আঞ্চলিক রাজনীতি এবং গাজা-সহ একাধিক বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে ভারত ও ইজরায়েলের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে (S Jaishankar)।

    বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক

    নেতানিয়াহুর পাশাপাশি দু’দিনের এই ইজরায়েল সফরে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় বন্ডি বিচে চলা ইহুদিদের হানুকা উৎসবে গুলি বর্ষণ এবং তার জেরে মৃত্যুর ঘটনার তীব্র নিন্দেও করেছেন জয়শঙ্কর। তিনি এও জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত এবং ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক জোট হয়ে লড়াই করবে দুই দেশই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে শীঘ্রই ভারতে আসতে পারেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। দু’দিনের এই ইজরায়েল সফরে জয়শঙ্কর দেখা করবেন ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগর সঙ্গেও। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই ভারত সফর করে গিয়েছেন (Netanyahu) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

    জয়শঙ্করের বক্তব্য

    এদিনের বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই সমর্থন করে না ভারত। এ বিষয়ে ভারত ও ইজরায়েল দুই দেশই জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে। বন্ডি বিচে হানুকা উৎসব চলাকালীন যে জঙ্গি হামলা হয়েছে, তা নিয়ে গভীরভাবে শোকাহত ভারত। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দে করি।” মনে রাখতে হবে, অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে যে নরসংহার চলেছে, তাতে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জন ইহুদির। হামলা চালিয়েছিল দুই বন্দুকবাজ (S Jaishankar)। এদের একজন আবার জন্মসূত্রে ভারতীয়। তার নাম সাজিদ আক্রম। আর এক আততায়ী নবিদ আক্রম তারই ছেলে। সে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। বাবা-ছেলের এই কীর্তিতে অবাক হায়দরাবাদে থাকা সাজিদের আত্মীয়-পরিজনেরা।

    সাজিদ বৃত্তান্ত

    সাজিদ জন্মসূত্রে ভারতীয়। তবে কাজের খোঁজে বছর আঠাশ আগে সে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। তেলঙ্গনা পুলিশ জানিয়েছে, সাজিদ যখন ভারতে ছিল, তখন তার বিরুদ্ধে অপরাধের কোনও অভিযোগ ওঠেনি। ভারত থেকেই বিকম পাশ করার পর ১৯৯৮ সালে পড়ুয়া ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যায়  (Netanyahu)সে। সেখানেই বিয়ে করে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করে সাজিদ। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। এই ছেলেও ছিল ওই দুই বন্দুকবাজের তালিকায়। সূত্রের খবর, অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পর থেকে ভারতের সঙ্গে ক্রমশ যোগাযোগ কমতে থাকে সাজিদের। দূরত্ব তৈরি হয় তার পরিবারের সঙ্গেও। ২০১৭ সালে বাবার মৃত্যুর পর শেষকৃত্যেও যোগ দেয়নি সাজিদ কিংবা তার ছেলে-মেয়ে-স্ত্রী। ২০২২ সালে কোনও এক বিশেষ প্রয়োজনে একবার ভারতে এসেছিল সাজিদ। তার পর আর ভারতমুখো হয়নি সে কিংবা তার পরিবার। তবে সাজিদের কাছে ছিল ভারতীয় পাসপোর্ট। যদিও তার ছেলে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। সম্প্রতি পিতা-পুত্র ফিলিপিন্স ঘুরে এসেছিল বলেও খবর (S Jaishankar)।

    জয়শঙ্করের ইজরায়েল সফর

    এহেন আবহে জয়শঙ্করের ইজরায়েল সফর এবং পরে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। বৈঠক শেষে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, তাঁর ইজরায়েল সফরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি ভারতের যে সমর্থন রয়েছে, তাও আরও একবার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এর আগেও একাধিকবার ইজরায়েল সফর করেছেন জয়শঙ্কর। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “আমাদের অভিবাসন-সংক্রান্ত বোঝাপড়ার ফলে আজ ইজরায়েলে ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। তাঁদের কিছু সমস্যা আছে, যেগুলির প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। আশা করি, আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই দিকটিকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।” বৃহত্তর কৌশলগত আলোচনা প্রসঙ্গেও সেই সময় জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “আমাদের কৌশলগত সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলেও, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক (Netanyahu) বিষয়গুলিতে মতবিনিময় অত্যন্ত মূল্যবান। এমন কিছু বহুপাক্ষিক উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলিতে আমাদের উভয় দেশেরই গভীর আগ্রহ রয়েছে (S Jaishankar)।”

  • PM Modi: “একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি”, ইথিওপিয়ার সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি”, ইথিওপিয়ার সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পারা আমার জন্য এক বিরাট সম্মানের মুহূর্ত। সিংহের দেশ ইথিওপিয়ায় এসে সত্যিই ভালো লাগছে। আমি এখানে নিজেকে একেবারে ঘরের মতো অনুভব করছি। কারণ ভারতে আমার নিজ রাজ্য গুজরাটও সিংহের আবাসভূমি।” এক নাগাড়ে কথাগুলি বলে চললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার ইথিওপিয়ার সংসদের (Ethiopia Parliament) যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য যে, এটি ছিল বিশ্বের ১৮তম সংসদ যেখানে ভাষণ দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পরেই তিনি বলেন, “আমি ইথিওপিয়ায় নিজেকে ঘরের মতো অনুভব করছি। কারণ ইথিওপিয়া এবং আমার নিজের রাজ্য গুজরাট দুই জায়গায়ই সিংহের আবাসভূমি।”

    ইথিওপিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রশংসা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদি ইথিওপিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রশংসা করেন এবং ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ভারতের জাতীয় সংগীত ও ইথিওপিয়ার জাতীয় সঙ্গীত—উভয়ই মানুষকে তাদের মাতৃভূমি নিয়ে গর্ব করতে প্রাণিত করে। তিনি বলেন, “আপনাদের সংসদ, আপনাদের জনগণ এবং আপনাদের গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে আমি বন্ধুত্ব, সদ্ভাবনা ও ভ্রাতৃত্বের শুভেচ্ছা নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ এবং ইথিওপিয়ার জাতীয় সঙ্গীত—উভয়েই আমাদের ভূমিকে ‘মা’ হিসেবে উল্লেখ করে। এগুলি আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের প্রতি গর্ববোধ জাগায় এবং মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে প্রাণিত করে।”

    ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান

    এদিন ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘দ্য গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া’ গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি বিনীতভাবে এবং করজোড়ে ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গতকাল আমিও ‘গ্রেট অনার নিশান অব ইথিওপিয়া’ গ্রহণ করে সম্মানিত হয়েছি। ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে করজোড়ে এবং বিনয়ের সঙ্গে আমি এই পুরস্কার গ্রহণ করছি (PM Modi)।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ২৮তম আন্তর্জাতিক সম্মান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি বিশ্বের আস্থার প্রতিফলন এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান মর্যাদাকে তুলে (Ethiopia Parliament) ধরে। একই সঙ্গে এটি ভারত ও ইথিওপিয়ার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক শক্তিশালী প্রতীক।

    বিদেশি বিনিয়োগকারী

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইথিওপিয়ায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভারতীয় সংস্থাগুলি অন্যতম বৃহৎ। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ভারত ও ইথিওপিয়া—উভয়েরই একে অপরের কাছ থেকে শেখার এবং একে অপরকে দেওয়ার মতো অনেক কিছু রয়েছে।” তিনি বলেন, “ইথিওপিয়ায় ভারতীয় সংস্থাগুলি অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী। তারা বিভিন্ন খাতে ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে এবং ৭৫ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। আমরা ভারত–ইথিওপিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারত ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে বলেন, দুই দেশের বন্ধন কেবল বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ইথিওপিয়ার (PM Modi) মুক্তি আন্দোলনে ভারতীয় সৈন্যদের অংশগ্রহণের কথাও তুলে ধরেন।

    মনন ও চেতনায়ও একে অপরের সঙ্গে উষ্ণতা ভাগ করে নেয়

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ইথিওপিয়া শুধু জলবায়ুতেই নয়, মনন ও চেতনায়ও একে অপরের সঙ্গে উষ্ণতা ভাগ করে নেয়। প্রায় ২ হাজার বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা বিশাল সমুদ্র পেরিয়ে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন। ভারত মহাসাগর পেরিয়ে ব্যবসায়ীরা মশলা ও সোনা নিয়ে যাত্রা করতেন, কিন্তু তাঁরা শুধু পণ্য নয়—ভাবনা ও জীবনযাপনের ধরণও আদান-প্রদান করতেন। আদ্দিস ও ধোলেরা মতো বন্দরগুলি কেবল বাণিজ্যকেন্দ্রই ছিল না, বরং (Ethiopia Parliament) সভ্যতার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিল। আধুনিক যুগে আমাদের সম্পর্ক এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে, যখন ১৯৪১ সালে ইথিওপিয়ার মুক্তির সংগ্রামে ভারতীয় সৈন্যরা ইথিওপিয়ানদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন (PM Modi)।”

    প্রসঙ্গত, ভারত সফরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যখন এসেছিলেন, তখন প্রোটোকল ভেঙে তিনি নিজের গাড়িতেই তাঁকে সঙ্গে নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার সেই রকমই ছবি দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে। জর্ডনের রাজার পর এদিন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলিও প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এসেছিলেন ভারতে। তার পরেই (Ethiopia Parliament) মোদিকে নিজের গাড়িতে তুলে নিয়ে রওনা দেন হোটেলের উদ্দেশে (PM Modi)।

  • India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে ঢাকায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (India Visa Centre) বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল ভারত। বুধবার দুপুর ২টো থেকে এই ভিসা কেন্দ্রটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Security Situation)। বাংলাদেশের ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে কবে বা কতক্ষণ পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে, তা ওই বিবৃতিতে বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, যে সব ভিসা আবেদনকারী বুধবারের জন্য স্লট বুক করেছিলেন, তাঁদের জন্য নয়া তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি চলছে (বাংলাদেশে), তার পরিপ্রেক্ষিতে আপনাদের অবগত করা যাচ্ছে যে, আজ দুপুর ২টো থেকে আইভিএসি জেএফপি ঢাকা বন্ধ থাকবে। তবে কী ধরনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব (India Visa Centre)

    ঘটনাচক্রে বুধবারই দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে তলব করেছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের একাংশের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লার ভারত বিরোধী বক্তৃতার প্রেক্ষিতেই এই তলব। সম্প্রতি হাসনাত তাঁর বক্তৃতায় সেভেন সিস্টার্সকে (ভারতের উত্তর-পূর্বের ৭ রাজ্য) ভারতের মানচিত্র থেকে আলাদা করে দেওয়ার ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের উদ্বাস্তুদের (Security Situation) আশ্রয় দেওয়ার কথাও বলেন। তার পরেই ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে ভারত। তার জেরেই বিদেশমন্ত্রক ডেকে পাঠায় দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে (India Visa Centre)।

    ভারতের ভিসাকেন্দ্র

    পদ্মা পারের দেশে ভারতের ভিসাকেন্দ্রটি রয়েছে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণটি ঠিক কী, তা নিয়ে যেমন নয়াদিল্লির তরফে কিছু জানানো হয়নি, বলা হয়নি ভিসা কেন্দ্রের তরফেও, তেমনিই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস প্রশাসনের তরফেও এই বিষয়ে এখনও কিছু বলা হয়নি। তাই বুধবার দুপুর পর্যন্তও জানা যায়নি, ঠিক কী কারণে আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হল ফিউচার পার্কের ভিসা কেন্দ্রটি। এর ঠিক এক দিন আগেই নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশন সে দেশের স্বাধীনতা স্মরণে বিজয় দিবস পালন করেছিল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাই কমিশনার হামিদুল্লাহ দ্বিপাক্ষিক (Security Situation) সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আমাদের যৌথ স্বার্থের মধ্যেই নিহিত। আমরা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এই অঞ্চলে সমৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য (India Visa Centre)।”

    ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সদ্য গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ সোমবার বলেছিলেন, যদি নয়াদিল্লি তাঁর দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তবে ঢাকার উচিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এবং ওই অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলিকে সমর্থন করা। আবদুল্লাহ দাবি করেছিলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, কারণ ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তারা সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের ওপর নির্ভরশীল। এদিকে, মঙ্গলবার অসমের কাছাড় জেলায় ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ চলাচল ঠেকাতে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ জারি করেছে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন চরমপন্থী তৎপরতা এবং অনুমতিহীন সীমান্ত পারাপার রোধ করতেই জেলা প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে।

    মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ

    জেলার সীমান্তবর্তী এক কিলোমিটার এলাকায় সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে সুরমা নদী এবং নদীর উঁচু পাড় বরাবর রাতের বেলায় যাতায়াতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুরমা নদীতে নৌ-চালনা ও মাছ ধরার ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে (India Visa Centre)। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। ওই দিনই একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। এই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই বাংলাদেশে ঘটতে শুরু করেছে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। সে দেশের বিভিন্ন নেতার মুখে শোনা যাচ্ছে ভারতবিরোধী নানা বক্তব্যও। এহেন আবহে বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে দৃশ্যতই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নয়াদিল্লির। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, অশান্তও ততই (Security Situation) বাড়তে থাকবে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। এমনই আশঙ্কা করে সম্প্রতি একটি বিবৃতিও জারি করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম থাকা দেড় কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি! প্রত্যেককেই কি নোটিশ পাঠাবে কমিশন?

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম থাকা দেড় কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি! প্রত্যেককেই কি নোটিশ পাঠাবে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকা। কমিশনের (Election Commission) তরফে বলা হয়েছে তালিকায় প্রকাশিত মোট ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জনের ক্ষেত্রে তথ্যে গোলমাল রয়েছে। ফলে তালিকায় অসঙ্গতি থাকলেই যে আবার হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে এমনটাও নয়। কমিশনের আবার জানিয়েছে, অসঙ্গতি থাকলেই নোটিশ যে পাঠানো হবে এমনটাও নয়। তবে অসঙ্গতির প্রেক্ষিত এবং পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ার কারণে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে।

    কী কী ক্ষেত্রে অসঙ্গতি (SIR)?

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট সংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জনের প্রকাশ (SIR) করা হলেও সংখ্যাটা শেষ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৬ হাজারের আশেপাশে থাকতে পারে। তবে চেক হওয়ার পর কিছুটা কমতে পারে। ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে যাদের নাম নেই, এমন ২৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩০ জনের নামে অসঙ্গতি রয়েছে। যাদের বয়স ৪৫ বছরের বেশি এমন ১৯ লক্ষ ৩৯ হাজার ২৫০ জনের ক্ষেত্রেও অসঙ্গতি রয়েছে। বাবার নামে অসঙ্গতি রয়েছে এমন ৮৫ লক্ষ ১ হাজার ৪৮৬ জনের ক্ষেত্রে গোলমাল রয়েছে। বাবার বয়স নিয়ে ধন্দ রয়েছে এমন ভোটারের সংখ্যা ১৯ লক্ষের বেশি। তার মধ্যে ১০ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯৮১ জন ভোটারের ক্ষেত্রে বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক মাত্র ১৫ বছর। একই ভাবে বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক ৫০ বছর এমন ভোটারের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৭৫। এগুলিকে তথ্য দিয়ে যাচাই করবে কমিশন।

    সবচেয়ে বেশি কোথায় বাদ পড়েছে?

    কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে হেয়ারিংয়ে (SIR) ডাকা মানে নাম বাদ পড়বে এমন বিষয় নয়। যাদের ডাকা হবে তাদের ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য ডাকা হচ্ছে। যাদের নথি সংক্রান্ত সমস্যা থাকবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিতে পারবে না তাদের নাম বাদ যাবে। একইভাবে যদি কেউ ভুয়ো তথ্য দিয়ে থাকে তাহলে শাস্তির মুখে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম খসড়ায় ভোটার তালিকায় বাতিল হয়েছে। শতাংশের হারে সব থেকে কম বাদ গেছে পূর্ব মেদিনীপুরের। যার শতাংশ ৩.৩১ শতাংশ। আর সব থেকে বেশি নাম বাদ গেছে উত্তর কলকাতায়। যার শতাংশের হার ২৫.৯২ শতাংশ।

  • PM Modi: দুই দেশের বন্ধুত্বের মাইল ফলক! ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: দুই দেশের বন্ধুত্বের মাইল ফলক! ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইথিওপিয়ার (Ethiopia) সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হলেন নরেন্দ্র মোদি। সেদেশের রাজধানী আদিস আবাবায় সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এই সম্মানিত পুরস্কারের নাম “দ্য গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া”। নরেন্দ্র মোদি হলেন প্রথম ভিনদেশি রাষ্ট্রনেতা যিনি এই পুরস্কার পেলেন। মোদির এই সম্মান প্রাপ্তিকে অভিনন্দন জানিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, “এটা হল ভারত এবং ইথিওপিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বের একটি মাইল ফলক সম্মান।”

    কূটনৈতিক সম্পর্কের সাফল্যের (PM Modi)

    ত্রিদেশীয় সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে ইথিওপিয়ায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিজের দেশের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি। ইথিওপিয়ার সম্মান ধরে এখনও পর্যন্ত ২৮টি দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের প্রাপক হলেন নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মানে ভূষিত হওয়ায় মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ পুরস্কার হল ইথিওপিয়ার মহাসম্মানের প্রতীক। এই সম্মানে ভূষিত হওয়ার জন্য তাঁকে অনেক অনেক অভিন্দন জানাই। এই সম্মান নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দ্বারা বিদেশি সম্মানের বিশ্ব নেতৃত্বের বিশেষ সম্মান। ভারতের আন্তর্জাতিক বিশ্বে লাগাতার কূটনৈতিক সম্পর্কের মাত্রাকে সাফল্যের বড় পদক্ষেপ হিসেবে ভাবা হয় এই পুরস্কারকে।”

    মোদির এই সম্মানকে বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “ইথিওপিয়ার এই সম্মান ওই দেশের সবথেকে বড় পুরস্কার। বিশ্ব জুড়ে ভারতীয়দের কাছে এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। গ্লোবাল সাউথের প্রতি এই সম্মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্লোবাল সাউথের প্রতি অটল প্রতিশ্রুতি এবং বন্ধুত্বের প্রতীক। বিশ্ব মঞ্চে এই সম্মান অত্যন্ত গর্বের প্রতীক। এই সম্মান ১৪০ কোটি ভারতীয়দের জন্য অত্যন্ত গর্বের।”

    প্রত্যেক দেশবাসীর উদ্দেশে এই সম্মান

    সম্মান (Ethiopia) পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “এই মাত্র আমাকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং সমৃদ্ধশালী সভ্যতার দেশ থেকে এই সম্মান পাওয়া আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত ভারতীয়দের হয়ে আমি এই সম্মান গ্রহণ করছি। এই সম্মানের সঠিক উত্তরসূরী অসংখ্য ভারতীয়। আমি প্রত্যেক দেশবাসীর উদ্দেশে এই সম্মান অর্পণ করলাম। এই সম্মানের জন্য আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলির প্রতিও আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় আমরা জি২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন আপনি আমাকে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাই আপনার আমন্ত্রণকে স্বীকার করেছি। প্রথম সুযোগেই এই সুযোগ আমি হাতছাড়া করতে পারিনি।”

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আর ভোট ব্যবধান নেই”, এসআইআর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আর ভোট ব্যবধান নেই”, এসআইআর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরে খসড়া তালিকা প্রকাশ হতেই ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই আবহে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাঁর সাফ কথা, “নিবিড় সংশোধনীর খসড়া ভোটার তালিকা (SIR) প্রকাশিত হওয়ার পর তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির খুব বেশি পার্থক্য রইল না। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চূড়ান্ত তালিকায় আরও বাদ যাবে।” বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। ফলে ভোটের বিচারে তৃণমূলের সঙ্গে ভোটের ফারাক খব কম, ফলে এসআইআরে মৃত, ঠিকানা বদল বা একাধিক জায়গায় নাম এবং জাল ভোটারদের নাম বাদ গেলে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে বিরাট প্রভাব ফেলবে। আর তাহলেই বাজিমাত করবে বিজেপি।

    ব্যবধান ছিল ২১ লক্ষ (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু এদিন বলনে, “২০২৪ এর লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোট ব্যবধান ছিল ২১ লক্ষ। আমরা পেয়েছিলাম ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ২৭ হাজার। আর ওরা ২ কোটি ৭৫ লক্ষের আশপাশে। অর্থাৎ ৪১ লক্ষের মতো ভোটারের গ্যাপ ছিল। সরাসরি লড়াইয়ে সিপিএম, কংগ্রেস ভোট কাটার কাজটা করে। মূলত, তৃণমূল ভার্সেস-বিজেপির যে লড়াই বাংলায় হচ্ছে তাতে আমাদের সঙ্গে ওদের তফাৎ ২১ লক্ষ। ৫৮ লক্ষ ভোট বাদ দেওয়ার মধ্যে থেকে প্রমাণ হয়েছে বিজেপির সঙ্গে ওদের কোনও তফাৎ এই মুহূর্তে নেই। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR) বেরলে আরও তালিকা বাদ যাবে। আগে যে বাদ যাওয়ার সংখ্যা বলেছিলাম তার থেকেও বাড়বে।”

    কোথায় কোথায় দেখা যাবে তালিকা?

    গত ২০২৪ সালের লোকসভায় তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২১ লক্ষ। এখন তা কমে গিয়েছে। এসআইআরের ফলে তৈরি হওয়া খসড়া তালিকা দেখা যাচ্ছে স্থানীয় বুথ, পঞ্চায়েত অফিস, পুরসভা দফতর, মহকুমা শাসক, জেলা শাসক, বিডিও-র অফিসে। সর্বত্র লিস্ট (SIR) দেখা যাবে। এছাড়াও ন্যাশনাল ভোটার সার্ভিস পোর্টালে ভোটার তালিকায় পাওয়া যাবে। তবে আগামী বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অবশ্য বিশেষ ভাবে আশাবাদী।

  • Ramakrishna 535: “কল্পতরুর কাছে গিয়ে প্রার্থনা করতে হয়, তবে ফল পাওয়া যায়,—তবে ফল তরুর মূলে পড়ে”

    Ramakrishna 535: “কল্পতরুর কাছে গিয়ে প্রার্থনা করতে হয়, তবে ফল পাওয়া যায়,—তবে ফল তরুর মূলে পড়ে”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীরামকৃষ্ণ ও গৃহস্থের মঙ্গলকামনা—রজোগুণের চিহ্ন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বিরক্ত হইয়া—ওই এক তোমাদের কথা;—সকল লোকের শক্তি কি সমান হতে পারে? বিভুরূপে তিনি সর্বভূতে এক হয়ে আছেন বটে, কিন্তু শক্তিবিশেষ!

    “বিদ্যাসাগরও ওই কথা বলছিল,—‘তিনি কি কারুকে বেশি শক্তি কারুকে কম শক্তি দিয়েছেন?’ তখন আমি বললাম—যদি শক্তি ভিন্ন না হয়, তাহলে তোমাকে আমরা কেন দেখতে এসেছি? তোমার মাথায় কি দুটো শিং বেরিয়েছে?”

    ঠাকুর গাত্রোত্থান করিলেন। ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে উঠিলেন। পশুপতি সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যুদগমন করিয়া দ্বারদেশে পৌঁছাইয়া দিলেন।

    পাপ ও পরলোক—মৃত্যুকালে ঈশ্বরচিন্তা—ভরত রাজা 

    “আমাদের কি বিকার যাবে!’—‘আমাদের আর কি হবে’–‘আমরা পাপী’—এ-সব বুদ্ধি ত্যাগ করো। (নন্দ বসুর প্রতি) আর এই চাই—একবার রাম বলেছি, আমার আবার পাপ!”

    নন্দ বসু—পরলোকে কি আছে? পাপের শাস্তি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তুমি আম খাও না! তোমার ও-সব হিসাবে দরকার কি? পরলোক আছে কি না — তাতে কি হয় — এ-সব খবর!

    “আম খাও। ‘আম’ প্রয়োজন,—তাঁতে ভক্তি—”

    নন্দ বসু—আমগাছ কোথা? আম পাই কোথা?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—গাছ? তিনি অনাদি অনন্ত ব্রহ্ম! তিনি আছেনই, তিনি নিত্য! তবে একটি কথা আছে—তিনি ‘কল্পতরু—’

    “কালী কল্পতরু মূলে রে মন, চারি ফল কুড়ায়ে পাবি!

    “কল্পতরুর কাছে গিয়ে প্রার্থনা করতে হয়, তবে ফল পাওয়া যায়,—তবে ফল তরুর মূলে পড়ে,—তখন কুড়িয়ে লওয়া যায়। চারি ফল,—ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ।

    “জ্ঞানীরা মুক্তি (মোক্ষফল) চায়, ভক্তেরা ভক্তি চায়,—অহেতুকী ভক্তি। তারা ধর্ম, অর্থ, কাম চায় না।

    “পরলোকের কথা বলছ? গীতার মত,—মৃত্যুকালে যা ভাববে তাই হবে। ভরত রাজা ‘হরিণ’ ‘হরিণ’ করে শোকে প্রাণত্যাগ করেছিল। তাই তার হরিণ হয়ে জন্মাতে হল। তাই জপ, ধ্যান, পূজা এ-সব রাতদিন অভ্যাস করতে হয়, তাহলে মৃত্যুকালে ঈশ্বরচিন্তা আসে—অভ্যাসের গুণে। এরূপে মৃত্যু হলে ঈশ্বরের স্বরূপ পায়।

    “কেশব সেনও পরলোকের কথা জিজ্ঞাসা করেছিল। আমি কেশবকেও বললুম, ‘এ-সব হিসাবে তোমার কি দরকার?’ তারপর আবার বললুম, যতক্ষণ না ঈশ্বরলাভ (Kathamrita) হয়, ততক্ষণ পুনঃ পুনঃ সংসারে যাতায়াত করতে হবে। কুমোরেরা হাঁড়ি-সরা রৌদ্র শুকুতে দেয়; ছাগল-গরুতে মাড়িয়ে যদি ভেঙে দেয় তাহলে তৈরি লাল হাঁড়িগুলো ফেলে দেয়। কাঁচাগুলো কিন্তু আবার নিয়ে কাদামাটির সঙ্গে মিশিয়ে ফেলে ও আবার চাকে দেয়!”

  • Bondi Beach Attacker: বন্ডি বিচে হামলা, পাকিস্তানের হয়ে গুলি চালিয়েছিল হায়দরাবাদের সাজিদ!

    Bondi Beach Attacker: বন্ডি বিচে হামলা, পাকিস্তানের হয়ে গুলি চালিয়েছিল হায়দরাবাদের সাজিদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সিডনির বন্ডি বিচে সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির ভ্রমণ ইতিহাস সম্পর্কে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলির কথাই কবুল করে নিল পাকিস্তান। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে জানায়, চলতি মাসের শুরুতে অভিযুক্তরা রাওয়ালপিন্ডিতেই ছিল। ইসলামাবাদ থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ছিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিরা “নন-স্টেট অ্যাক্টর কালচারাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে”র অংশ হিসেবে রাওয়ালপিন্ডিতে ছিল। তাদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছিল “স্পেশাল গেস্টস অব দ্য এস্টাবলিশমেন্ট” শ্রেণির অধীনে।

    গণগুলিবর্ষণ (Bondi Beach Attacker)

    এদিকে, ভারতের তেলঙ্গনা পুলিশ বন্ডি বিচে সংঘটিত গণগুলিবর্ষণের ঘটনাকে ঘিরে একটি প্রেস নোট জারি করেছে। এতে অভিযুক্তদের পরিচয় ও ভারতের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচনা করার পর বহু প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতেই এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর সিডনির বন্ডি বিচে হনুক্কা উৎসব চলাকালীন এই গণগুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে ১৫ জন নিহত হন এবং দুই হামলাকারীর মধ্যে একজন নিহত হয়।

    সাজিদ আক্রম

    হামলাকারীদের পরিচয় হিসেবে ৫০ বছর বয়সি সাজিদ আক্রম এবং তার ২৪ বছর বয়সি ছেলে নবীদ আক্রমের নাম উঠে আসে। প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলেছে যে হামলাকারীরা আইএসআইএসের মতাদর্শে প্রাণিত হয়েছিল। ওই নোটেই বলা হয়েছে, সাজিদ আক্রম ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা ছিল। সে সেখানে বিকম পাশ করে কাজের খোঁজে ১৯৯৮ সালের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি দেয়। পরবর্তীকালে সে ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত মহিলা মিস ভেরা গ্রসোর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। স্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ায়ই বসবাস করতে শুরু করে সে। এই দম্পতির দুই সন্তান, একজন ছেলে নবীদ আক্রম, যে হামলাকারীদের একজন, এবং এক কন্যা। সাজিদের কাছে রয়েছে ভারতীয় পাসপোর্ট, নবীদ অষ্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

  • PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত ও জর্ডন। সোমবার স্বাক্ষরিত হয়েছে ওই চুক্তি। এর প্রধান লক্ষ্য হল নবায়নযোগ্য শক্তি, জলসম্পদ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো (PM Modi)। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন আম্মান আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মতো শক্তিও ভারত-নেতৃত্বাধীন বড় বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই চুক্তিগুলি জর্ডন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দু’দিনের সরকারি সফরের সময় চূড়ান্ত হয়।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (PM Modi)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত ফলের তালিকা অনুযায়ী, এই মউগুলির মধ্যে রয়েছে নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে যৌথ কাজ, পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে ‘টুইনিং’ চুক্তি, ২০২৫–২০২৯ সময়কালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির নবায়ন, এবং ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে বৃহৎ জনসংখ্যাভিত্তিক ডিজিটাল সমাধান ভাগাভাগি সংক্রান্ত একটি ইচ্ছেপত্র।

    জর্ডনের ইচ্ছে

    আন্তর্জাতিক সৌর জোট, গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স এবং দুর্যোগ-সহনশীল পরিকাঠামো জোটে যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছে জর্ডন। অন্যদিকে, ভারত আম্মানের আল হুসেইন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে স্থাপিত ইন্ডিয়া–জর্ডন সেন্টার অব এক্সেলেন্সকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছে। এখানে তিন বছরের মধ্যে ১০ জন মাস্টার ট্রেনারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের বৈঠকের সময়ই এই অগ্রগতির কথা সামনে আসে। বৈঠকে দুই নেতা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং পরমাণু সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে তিনি একটি আট দফা দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই আট দফা দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানান। এতে বাণিজ্য ও অর্থনীতি, সার ও কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, পরিকাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজ, অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ—এই ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের ছবি শেয়ার করে লেখেন, “আম্মানে মহামান্য রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রাণবন্ত ভারত–জর্ডন সম্পর্ক গড়ে তুলতে তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ বছর আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছি। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ভবিষ্যতের দিনে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে (PM Modi)।”

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে এই ফলাফলগুলির তালিকা শেয়ার করেন। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ফলাফলগুলি ভারত-জর্ডন অংশীদারিত্বের এক অর্থবহ সম্প্রসারণের প্রতীক। নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আমাদের সহযোগিতা পরিচ্ছন্ন প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু দায়বদ্ধতার প্রতি উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে টুইনিং চুক্তি ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে আদান-প্রদানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবন ভাগ করে নেওয়া জর্ডনের ডিজিটাল রূপান্তরকে সাহায্য করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থাকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)।”

LinkedIn
Share