Tag: Bengali news

Bengali news

  • Maoists Surrender: ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ ১০৮ মাওবাদীর, উদ্ধার রেকর্ড পরিমাণ সামগ্রী

    Maoists Surrender: ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ ১০৮ মাওবাদীর, উদ্ধার রেকর্ড পরিমাণ সামগ্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের। বুধবার ছত্তিশগড়ের বস্তার জেলায় অন্তত ১০৮ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এদের সম্মিলিত মাথার মোট পুরস্কার মূল্য ছিল ৩.৯৫ কোটি টাকা। বিপুল পরিমাণ অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, একটি নকশাল ঘাঁটি থেকে একসঙ্গে এত টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার হওয়ার ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

    নকশাল ঘাঁটি থেকে উদ্ধার বিপুল নগদ, সোনা (Maoists Surrender)

    এদিন যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারা নিষিদ্ধ সংগঠন কমিউনিস্ট পার্ট অফ ইন্ডিয়া (মাওবাদী)-র দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটির সদস্য। তারা বস্তার জেলার সদর শহর জগদলপুরে আত্মসমর্পণ করে। বস্তার রেঞ্জের পুলিশের আইজি সুন্দররাজ পি জানান, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি নকশাল ঘাঁটি থেকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৩.৬১ কোটি টাকা নগদ, প্রায় ১ কেজি সোনা, ১০১টি অস্ত্র। এই অস্ত্রগুলির মধ্যে রয়েছে একে ৪৭ রাইফেল, ইনসাস রাইফেল, এসএলআর, লাইট মেশিনগান, .৩০৩ রাইফেল এবং ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার।

    ছত্তিশগড় পুলিশের বক্তব্য

    আত্মসমর্পণকারী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে রয়েছে ডিভিশনাল কমিটির সদস্য রাহুল তেলাম, পান্ড্রু কোভাসি ও ঝিত্রু ওয়াম (পশ্চিম বস্তার বিভাগ), রামধর ওরফে বীরু (পূর্ব বস্তার বিভাগ) এবং মল্লেশ (উত্তর বস্তার বিভাগ)। এছাড়াও ছিলেন পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (PLGA) ব্যাটেলিয়নের কমান্ডার মুচাকি এবং অন্ধ্র-ওডিশা সীমান্ত এলাকার ডিভিশনাল কমিটির সদস্য কোসা মান্দাভি। ছত্তিশগড় পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পুনা মার্গেম: রিহ্যাবিলিটেশন টু রিজুভেনেশন” কর্মসূচির আওতায় ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে বস্তার বিভাগীয় সদর দফতর জগদলপুরে এই ১০৮ জন মাওবাদী মূলধারায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হিংসা ত্যাগ করা এই ক্যাডারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নকশাল অস্ত্রভান্ডারের হদিশ মিলেছে।

    কী বলছেন উপমুখ্যমন্ত্রী

    ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বেও রয়েছেন। তিনি জানান, আত্মসমর্পণকারী ছ’জন ডিভিশনাল কমিটি সদস্যের মাথার ওপর প্রতি জনের জন্য ৮ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ছিল ৩ জন কোম্পানি প্লাটুন কমিটি কমান্ডার, ১৮ জন প্লাটুন পার্টি কমিটি সদস্য, ২৩ জন এরিয়া কমিটির সদস্য, ৫৬ জন সাধারণ পার্টির সদস্য। জেলাওয়াড়ি পরিসংখ্যানটি হল, বীজাপুরে ৩৭ জন, দান্তেওয়াড়ায় ৩০ জন, সুকমায় ১৮ জন, বস্তারে ১৬ জন, নারায়ণপুরে ৪ জন এবং কঙ্কেরে ৩ জন। পুলিশের মতে, মাওবাদীদের এই বিরাট সংখ্যায় আত্মসমর্পণ মাওবাদী মতাদর্শের প্রতি ক্রমবর্ধমান হতাশা এবং বস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র অভিযানের ফল।

    মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ

    পুলিশের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, গত ২৬ মাসে ছত্তিশগড়ে মোট ২,৭১৪ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৯ মার্চ পর্যন্ত বস্তার বিভাগেই আত্মসমর্পণ করেছে ২,৬২৫ জন। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেশে নকশালবাদের অবসানের জন্য ডেডলাইন দিয়েছেন চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এদিকে, বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির দু’জন সদস্য এখনও পলাতক। গত বছরের শুরুতে এই কমিটিতে ২১ জন সদস্য ছিল, যার মধ্যে ১৯ জনই আত্মসমর্পণ করেছে বা সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। ২০০০ সালের শুরুর দিকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিল ৪০-৪৫জন সদস্য।

    মাওবাদীদের নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা

    উপমুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্যে মাওবাদের অবসান হলে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে বস্তার অঞ্চল থেকে অধিকাংশ আধাসামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে পারে। বিধানসভায় বাজেট আলোচনায় তিনি বলেন, সরকার ৩১ মার্চ ২০২৬-কে সশস্ত্র মাওবাদীদের নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এরপর ধাপে ধাপে বাহিনী প্রত্যাহার করা শুরু হবে। উল্লেখ্য যে, এই বাজেটে পুলিশ বিভাগের জন্য ৭,৭২১.০১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসন ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩৮ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল বলেন, “সবাই চায় মাওবাদের অবসান হোক, এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক।” তাঁর প্রস্তাব, ৩১ মার্চ রাজ্যে মাওবাদ নির্মূলীকরণ উপলক্ষে বিধানসভার একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা যেতে পারে। আলোচনার শেষে ভোটাভুটিতে কাট মোশন ৩৭ বনাম ২৪ ভোটে খারিজ হয় এবং পরে বিধানসভা শর্মার দফতরগুলির বাজেট প্রস্তাব অনুমোদন করে।

     

  • Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) পুরী জেলার এক মা তাঁর মেয়েকে ফিরে পেতে সরকারের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর অভিযোগ, একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তাঁর মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারটি এই ঘটনাকে “লাভ জিহাদ” (Love jihad) বলে অভিহিত করেছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মেয়ের উদ্ধার চেয়ে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। মুসলিম যুবক কীভাবে নিজের পরিচয় গোপন রেখে প্রমের ফাঁদে ফেলে বিবাহের নামে অন্যত্র নিয়ে চলে যায় তার আরও একটি ঘটনার প্রমাণ মেলায় শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে।

    অনলাইন যোগাযোগ (Love jihad)

    অভিযোগকারী মা জানিয়েছেন, সাবির নামে এক যুবক নিজেকে বাঙালি পরিচয় দিয়ে অনলাইনে তাঁর মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে। ধীরে ধীরে আবেগপ্রবণ কথাবার্তার মাধ্যমে সে ১৬ বছর বয়সি ওই নাবালিকাকে পরিচয় গোপন রেখে প্রতারণা (Love jihad) করে সম্পর্কের জালে জড়ায়। এরপর প্রেম এবং বিয়ের কথা বলে পালিয়ে যায় অন্যত্র।

    নিখোঁজ ও প্রাথমিক খোঁজ

    মেয়েটি ২০২১ সালের ২৭ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। পরিবার পুরী (Odisha) পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেছে। তদন্তের এক পর্যায়ে জানা গিয়েছে মেয়েটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে রয়েছে। মা পুলিশের সাহায্যে সেখানে গেলেও অভিযুক্ত সাবির মেয়েটিকে নিয়ে সেখান থেকে অন্যত্র পালিয়ে যায়। মায়ের সাফ দাবি, প্রেমের ফাঁদে ফেলে পাচার (Love jihad) করা হয়েছে মেয়েকে এবং বর্তমানে সে বাংলাদেশে বন্দি অবস্থায় রয়েছে। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য ওড়িশা ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই।

    সীমান্ত পার ও নির্যাতন

    নিখোঁজ মেয়ের মা অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে তাঁর মেয়েকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। মেয়েটি মাঝেমধ্যে ফোনে যোগাযোগ করতে পারে এবং জানিয়েছে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন (Love jihad) চালানো হচ্ছে। তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। গত ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে মেয়ের সঙ্গে শেষবার মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল মায়ের।

    পুলিশের পদক্ষেপ

    পুরীর (Odisha) পুলিশ সুপার প্রতীক সিং জানিয়েছেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং সংশ্লিষ্ট হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। মেয়েটিকে নিরাপদে (Love jihad) ফিরিয়ে আনতে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • RSS: দেশজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারে হয়েছে সংঘের গৃহ সম্পর্ক অভিযান, বললেন সুনীল আম্বেকর

    RSS: দেশজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারে হয়েছে সংঘের গৃহ সম্পর্ক অভিযান, বললেন সুনীল আম্বেকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) গত এক বছরের কাজের পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে হরিয়ানার (Haryana) সমলখায় তিন দিনব্যাপী এক গুরুত্বপূর্ণ অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক শুরু হতে চলেছে। আগামী ১৩ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই বৈঠক। সংঘের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা ‘অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা’র (ABPS) এই বৈঠকে সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর সাংবাদিক সম্মেলন করে সংঘের এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত প্রকাশ করেছেন।

    বৈঠকের মূল বিষয়সমূহ (Haryana)

    সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, হরিয়ানায় (Haryana) আরএসএস-এর (RSS) এই বৈঠকে সংঘ এবং সংঘের বিবিধ সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। যেমন– সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত ছাড়াও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এবং আরএসএস-এর ৩২টি সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা এই বৈঠকে অংশ নেবেন। মোট ১,৪৮৭ জন প্রতিনিধি এতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    শতবর্ষ উদ্‌যাপন

    এবছর আরএসএস-এর (RSS) শতবর্ষ পূর্ণ হওয়ায়, উদ্‌যাপনের অঙ্গ হিসেবে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন— গৃহসম্পর্ক অভিযান, হিন্দু সম্মেলন, যুব সম্মেলন এবং সামাজিক সম্প্রীতি সভা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত, ‘গৃহসম্পর্ক’ অভিযানের মাধ্যমে তারা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে।

    শাখা বিস্তার

    গত এক বছরে সংঘের কাজের পরিধি বেড়েছে। সারা দেশে প্রায় ৬,০০০ নতুন শাখা (RSS) খোলা হয়েছে। বৈঠকে এই বৃদ্ধির বিশদ রিপোর্ট পেশ করা হবে।  সংঘের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর আরও বলেন, “এই বৈঠকে আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে এবং সংঘের প্রশিক্ষণ শিবির অর্থাৎ সংঘ (RSS) শিক্ষা বর্গ ও কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ নিয়ে রূপরেখা তৈরি হবে।”

    অনলাইন আগ্রহ

    জানুয়ারী ২০২৫ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৬,৪৪৫ জন মানুষ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরএসএস-এ যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    গুরু রবিদাস জয়ন্তী

    বৈঠকে গুরু রবিদাসের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন নিয়েও আলোচনা হবে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত বছরব্যাপী সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা (RSS) দেশজুড়ে তাঁর জীবন ও আদর্শ প্রচারের কর্মসূচি পালন করবেন। হরিয়ানার (Haryana) পানিপথ জেলার সমলখায় আরএসএস-এর এই বার্ষিক সভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে সংগঠনের ভবিষ্যৎ অভিমুখ এবং শতবর্ষের কর্মসূচিগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

  • Ramakrishna 600: “কর তম নাশ, অমনি দেখলাম সূর্য—উদয় হবা মাত্র চারদিকের অন্ধকার ঘুচে গেল!”

    Ramakrishna 600: “কর তম নাশ, অমনি দেখলাম সূর্য—উদয় হবা মাত্র চারদিকের অন্ধকার ঘুচে গেল!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    পূর্ণজ্ঞান—দেহ ও আত্মা আলাদা—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    “প্রথম প্রথম হৃদে বলেছিল,—হৃদের অণ্ডার (under) ছিলাম কি না—‘মার কাছে একটু ক্ষমতা চেও।’ কালীঘরে (Ramakrishna) ক্ষমতা চাইতে গিয়ে দেখলাম ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের রাঁড়—কাপড় তুলে ভড়ভড় করে হাগছে। তখন হৃদের উপর রাগ হল—কেন সে সিদ্ধাই চাইতে শিখিয়ে দিলে (Kathamrita)।”

    শ্রীযুক্ত রামতারণের গান—ঠাকুরের ভাবাবস্থা

    গান:

    আমার এই সাধের বীণে, যত্নে গাঁথা তারের হার ৷
    যে যত্ন জানে, বাজায় বীণে, উঠে সুধা অনিবার ॥
    তানে মানে বাঁধলে ডুরী, শত ধারে বয় মাধুরী ৷
    বাজে না আলগা তারে, টানে ছিঁড়ে কোমল তার ॥

    ডাক্তার (গিরিশের প্রতি)—গান এ-সব কি অরিজিন্যাল (নূতন)?

    গিরিশ—না, Edwin Arnold-এর thought (আর্নল্ড সাহেবের ভাব লয়ে গান)।

    রামতারণ প্রথমে বুদ্ধরচিত হইতে গান গাহিতেছেন:

    জুড়াইতে চাই, কোথায় জুড়াই,
    কোথা হতে আসি, কোথা ভেসে যাই।
    ফিরে ফিরে আসি, কত কাঁদি হাসি,
    কোথা যাই সদা ভাবি গো তাই ॥
    কর হে চেতন, কে আছে চেতন,
    কত দিনে আর ভাঙিবে স্বপন?
    কে আছে চেতন, ঘুমায়ো না আর,
    দারুণ এ-ঘোর নিবিড় আঁধার,
    কর তম নাশ, হও হে প্রকাশ,
    তোমা বিনা আর নাহিক উপায়,
    তব পদে তাই শরণ চাই ॥

    এই গান শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন।

    গান—কোঁ কোঁ কোঁ বহরে ঝড়।

    সূর্যের অন্তর্যামী দেবতাদর্শন

    এই গানটি সমাপ্ত হইলে ঠাকুর বলিতেছেন, “এ কি করলে! পায়েসের পর নিম ঝোল! —

    “যাই গাইলে (Kathamrita)—‘কর তম নাশ’, অমনি দেখলাম সূর্য—উদয় হবা মাত্র চারদিকের অন্ধকার ঘুচে গেল! আর সেই সূর্যের পায়ে সব শরণাগত হয়ে পড়ছে!”

    রামতারণ আবার গাইতেছেন:

    (১)   —   দীনতারিণী দূরিতবারিণী, সত্ত্বরজঃতমঃ ত্রিগুণধারিণী,
    সৃজন পালন নিধনকারিণী, সগুণা নির্গুণা সর্বস্বরূপিণী।

    (২)   —   ধরম করম সকলি গেল, শ্যামাপূজা বুঝি হল না!
    মন নিবারিত নারি কোন মতে, ছি, ছি, কি জ্বালা বল না ॥

    এই গান শুনিয়া ঠাকুর (Ramakrishna) আবার ভাবাবিষ্ট হইলেন।

    রাঙা জবা কে দিলে তোর পায়ে মুঠো মুঠো।

  • Election Commission: ১৪ মার্চের আগেই প্রত্যেকটা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ, বড় নির্দেশিকা কমিশনের

    Election Commission: ১৪ মার্চের আগেই প্রত্যেকটা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ, বড় নির্দেশিকা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে (Election Commission) সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্বাচন কমিশন এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য হল ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা। এই জন্য কমিশন অত্যন্ত তৎপর হয়ে নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১৪ মার্চের মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি বুথ বা পোলিং স্টেশন এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) রুট মার্চ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এলাকায় মুক্তভাবে প্রার্থী চয়ন করে নিজের ভোট নিজে দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি কমিশন ভীষণ ভাবে দায়বদ্ধ।

    এলাকা দখল (Election Commission)

    ভোটের (Election Commission) আবহে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যকে ঠেকাতে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, কেবল প্রধান রাস্তা নয়, বাহিনীর জওয়ানদের (Central Force) গ্রামের ভেতরের রাস্তা এবং গলিঘুঁজিতেও টহল দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। লক্ষ্য একটাই যাতে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন। বর্তমানে রাজ্যে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর ধাপে ধাপে আরও বাহিনী বৃদ্ধি করা হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কমিশনের কড়া নজরদারি

    জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে রুট মার্চের নিয়মিত রিপোর্ট কমিশনে পাঠানো হয়। বাহিনীর গতিবিধি এবং মানুষের প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী রণকৌশল ঠিক করা হবে। সেনা জওয়ান এবং কর্মী মিলিয়ে এক কোম্পানিতে ১০০ থেকে ১২০ জন করে সদস্য রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের জন্য আনুমানিক ৫০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন থাকবে, তাও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। মার্চের প্রথম দিকে ২৪০ কোম্পানি অর্থাৎ ২৮,৮০০ জন বাহিনী (Central Force) রাজ্যে চলে এসেছে। কলকাতায় আপাতত ৩০ কোম্পানি অর্থাৎ ৩,৬০০ জন বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। সোমবার এমনটাই জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর। এখন এলাকাগুলিকে (Election Commission) চেনানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কেন এই তৎপরতা?

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অতীতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন নির্বাচনে হিংসার অভিযোগ ওঠায় এবার কমিশন (Election Commission) আগেভাগেই কোমর বেঁধে নামছে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করাই এই ‘অপারেশন রুট মার্চ’-এর প্রধান উদ্দেশ্য। নির্বাচন কমিশন চাইছে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যের প্রতিটি কোণায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) উপস্থিতি জানান দিতে, যাতে ভোটাররা কোনও প্রকার ভয় বা চাপের ঊর্ধ্বে থেকে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    কোথায় কত বাহিনী?

    দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনায় তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট (Election Commission) মিলিয়ে বাহিনীর সংখ্যা হবে মোট ৫৮ কোম্পানি। মুর্শিদাবাদেও বাহিনীর সংখ্যা হবে ৫৮ কোম্পানি। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩৩ কোম্পানি এবং কলকাতায় ৩০ কোম্পানি মোতায়েন থাকবে। দুই ধাপে মিলিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, হুগলিতে ২৭ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি, নদিয়ায় ২২ কোম্পানি, হাওড়া এবং বীরভূমে ২১ কোম্পানি করে, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ২০ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। উত্তরবঙ্গে উত্তর দিনাজপুরে ১৯ কোম্পানি, মালদহে ১৮ কোম্পানি, পশ্চিম বর্ধমানে ১৭ কোম্পানি, দার্জিলিঙে ১৬ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৫ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৩ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ১১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়িতে ১০ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সংখ্যা হচ্ছে ৭ কোম্পানি এবং কালিম্পঙে ৪ কোম্পানি।

  • Santragachi: সাঁতরাগাছি থেকে খড়্গপুর হবে চতুর্থ লাইন, বাজেট অনুমোদন কেন্দ্রের, বাঁচবে সময়, কমবে যাত্রী ভোগান্তি

    Santragachi: সাঁতরাগাছি থেকে খড়্গপুর হবে চতুর্থ লাইন, বাজেট অনুমোদন কেন্দ্রের, বাঁচবে সময়, কমবে যাত্রী ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে রাজ্যে একাধিক রেল প্রকল্পের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “হলদিয়া ও কলকাতা বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহণ আরও সহজ হলে রাজ্যবাসী আরও বেশি করে সুবিধা পাবেন।” তাই সাঁতরাগাছি (Santragachi) থেকে খড়্গপুর পর্যন্ত একটি নতুন করে চতুর্থ লাইন রেললাইন তৈরি করার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই নিয়ে ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে।

    কত কিমি প্রকল্পের রেল (Santragachi)

    পণ্য পরিবহণে গতি আনতে পশ্চিমবঙ্গ (Santragachi) ও ঝাড়খণ্ডের মধ্যে দুটি বড় মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি এই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। বাস্তবায়িত হবে মোট ৪,৪৭৪ কোটি টাকা। পুরো কাজ হবে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘পিএম গতি শক্তি’ মাস্টার প্ল্যানের অংশ হিসেবে।  রেলমন্ত্রীর দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রকল্পের মোট রেল লাইনের বিস্তৃতি দৈর্ঘ্যে ১১১ কিলোমিটার। আনুমানিক খরচ হবে ২,৯০৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৫ বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা। এই রেল লাইনটি হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ওপর দিয়ে যাবে। এই পরিকাঠামোর প্রকল্পের অধীনে ১টি বড় ব্রিজ, ১৫টি মাঝারি ব্রিজ এবং ১০০টি ছোট ব্রিজ তৈরি করা হবে।

    কেন এই উদ্যোগ?

    দক্ষিণ-পূর্ব রেলে যাত্রীদের ভোগান্তি নতুন কিছু নয়। প্রায় রোজদিনই দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর শাখায় এই নিয়ে সমস্যা লেগেই থাকে। দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ-পূর্ব রেলের (Indian Railways) খড়গপুর শাখায় যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগ শোনা যায়। আসে প্রতিদিনই ট্রেন দেরি, অতিরিক্ত ভিড় এবং পরিষেবার অনিয়ম থেকে শুরু করে এরকম নানা বিষয়ে অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সাঁতরাগাছি (Santragachi) থেকে খড়্গপুরের মধ্যে ৩টি লাইন রয়েছে। প্রচণ্ড ট্রেনের চাপের কারণে প্রায়ই লোকাল ট্রেন দেরি করে চলে। এই চতুর্থ লাইন (Bengal-Jharkhand Rail) তৈরি হলে ট্রেনের গতিবেগ বাড়বে এবং লোকাল ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা উন্নত হবে। ট্রেন লেট হওয়ার সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, কলকাতা থেকে মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে। বিশেষ করে কলকাতা থেকে মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের মতো বড় শহরের সঙ্গে রেল যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। পাশাপাশি এই রুটে প্রচুর সাব-আরবান বা লোকাল ট্রেনও চলে। নতুন লাইন তৈরি হলে সেই ট্রেনগুলির জন্য অতিরিক্ত ক্যাপাসিটি তৈরি হবে, ফলে আশা করা হচ্ছে লোকাল পরিষেবা আরও নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠবে ।

    অর্থনৈতিক গুরুত্ব

    হলদিয়া ও কলকাতা (Bengal-Jharkhand Rail) বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহণ আরও সহজ হবে। জাতীয় সড়কের ধারে অবস্থিত বিভিন্ন সিমেন্ট ক্লাস্টার, শালিমার ও সাঁকরাইলের গুড শেড এবং কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলো এই প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর শাখায় নিত্যযাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে এবং মালবাহী ট্রেনের গতি বাড়াতে এই বড় উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে রেলমন্ত্রক।

    পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের মোট ৫টি জেলায় প্রকল্প

    পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের (Bengal-Jharkhand Rail) শিল্পাঞ্চলগুলিকে যুক্ত করতে নতুন লাইন ও ডাবলিংয়ের কাজ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গ (Santragachi) ও ঝাড়খণ্ডের মোট ৫টি জেলা এই প্রকল্পের অধীনে পড়বে। এর ফলে ভারতীয় রেলের মানচিত্রে নতুন করে ১৯২ কিলোমিটার পথ যুক্ত হবে। উপকৃত হবেন ৫,৬৫২টি গ্রামের মানুষ। আসানসোল এবং সীতারামপুর সংলগ্ন রেল করিডরকে আরও উন্নত করা হবে। পূর্ব ভারতের অন্যতম ব্যস্ত রেল রুট বলেই পরিচিত এই রুট। এই রুটে মূলত কয়লা, সিমেন্ট, লোহা পরিবহণ করা হয়। সাঁইথিয়া-পাকুর সেকশনে চতুর্থ রেললাইন নির্মাণ করা হবে। চতুর্থ রেললাইন তৈরি করা হবে সাঁতরাগাছি-খড়্গপুর সেকশনেও। নতুন ট্র্যাক তৈরি হলে খরচ বহুলাংশে কমে যাবে। গতি আসবে শিল্পক্ষেত্রে। এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Gyanesh kumar: ছাপ্পা নিয়ে এবার আরও কড়া কমিশন! সিসিটিভি বিকল হলেই বুথে পুননির্বাচনের সিদ্ধান্ত, জানালেন জ্ঞানেশ কুমার

    Gyanesh kumar: ছাপ্পা নিয়ে এবার আরও কড়া কমিশন! সিসিটিভি বিকল হলেই বুথে পুননির্বাচনের সিদ্ধান্ত, জানালেন জ্ঞানেশ কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি ফেরার আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভোট কীভাবে হবে, কমিশন কোন কোন বিষয়ে কতখানি নজরদারি করবে প্রয়োজনে ঠিক কতখানি কড়া সিদ্ধান্ত তিনি নেবেন সব কিছু স্পষ্ট করেছেন জ্ঞানেশ কুমার। গত ৯ এবং ১০ মার্চ দুই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh kumar)। বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়। রাজ্যের পরিস্থিতিতে জেল থেকে আসামীদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে কিনা সেই দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলেছেন্ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। রাজ্যের নির্বাচন (West Bengal Election 2026) অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে চান, এইনিয়ে কোনও প্রশ্নেই আপোষ করতে রাজি নন যে জ্ঞানেশ কুমার তাও সাফ করে জানিয়ে দিয়েছেন।

    সিসিটিভি বিকল হলেই পুনঃনির্বাচন (Gyanesh kumar)

    মুখ্যনির্বাচন কমিশনার সাংবাদিক সম্মেলনে জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh kumar) বলেন, “এবারে প্রতি বুথে থাকবে সিসিটিভি, ওয়েব কাস্টিং। শুধু বুথের ভিতরে নয় বুথের বাইরেও থাকবে, তবে যদি ক্যামেরাকে অকেজো করে বুথে ছাপ্পা বা ভোট লুট হয় তাহলে ওয়াকিবহাল হয়ে কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সিসিটিভি বিকল হলেই পুননির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বাইরে ঝামেলার ছবি দেখলে কমিশন সেই বুথে পুনঃনির্বাচিত (West Bengal Election 2026) ভাগ্য নির্ধারণ করবে।” বুথ জ্যাম। ভোট লুট। বাংলায় বিভিন্ন ভোটে এইসব অভিযোগের কথা বিরোধীরা বার বার নির্বাচন কমিশনকে জোর দিয়ে বলেছেন। বুথে সিসিটিভি বন্ধ করে বা ক্যামেরায় চুইং গাম সেঁটে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগে সরবও হন নেতারা। এইসব বন্ধে এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    ছাপ্পা হবে না!

    গতকাল জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh kumar) সাংবাদিক বৈঠকে বারবার এটা বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সবরকমই পদক্ষেপ করা হবে। তারপরও বুথে সিসিটিভি বিকল করে ছাপ্পা ভোট হলে, পুনর্নির্বাচনের পথে হাঁটা হবে বলে জানিয়ে দিলেন। ফলে রাজনৈতিক মহল বলছে, সিসিটিভি বন্ধ করে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গে বার বার একাধিক সময়ে উঠেছে। ফলে এবারের নির্বাচনে যে তা আর হবে না, সেই বার্তাই দিয়ে গেলেন জ্ঞানেশ কুমার।

  • Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের হরিশ্চন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউটে গিয়েছেন কখনও? গেলেই হয়তো দেখবেন, আপনার পাশ দিয়ে অতি সাধারণ পোশাক পরে সাইকেল চালিয়ে চলে গেলেন একজন মানুষ (Inspiring Story)। এই ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী  তিনি। আপনি ভাবতেই পারবেন না যে আপনি পৃথিবীর অন্যতম সেরা একজন পদার্থবিদের পাশ দিয়ে চলে গেলেন, কিংবা সেই সাইকেল চালানো মানুষটি একজন কোটিপতি। ইনি প্রফেসর অশোক সেন (Indian Scientist Ashoke Sen)। একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী যিনি নোবেল পুরস্কারের চেয়েও তিনগুণ বেশি অর্থমূল্যের একটি পুরস্কার পেয়েছেন, তবুও তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল জীবন যাপন করেন।

    কলকাতায় বেড়ে ওঠা অশোকের

    ১৯৫৬ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন অশোক। তাঁর বাবা ছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই তাঁদের পরিবারে বিজ্ঞানকে খুব সম্মান করা হত। ছোটবেলায় অশোক কোনও বিস্ময়কর প্রতিভাধর শিশু ছিলেন না, তিনি ছিলেন শুধুই কৌতূহলী। তিনি একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমের স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন, বোর্ডের পরীক্ষাও বাংলায় দিয়েছিলেন। কলেজে ওঠার পর তাঁকে পদার্থবিজ্ঞানের উত্তর ইংরেজিতে লেখা অনুশীলন করতে হয়, কারণ পরীক্ষাগুলি সেই ভাষায় হত। এটি সহজ ছিল না। তিনি ধীরে ধীরে শিখে নেন। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের কথা শোনেন, আইআইটি কানপুর। সেখানে যাওয়া মানে ছিল বাড়ি ছেড়ে অচেনা শহরে চলে যাওয়া, কিন্তু তাতে ছিল বড় সুযোগ। এক বন্ধুকে নিয়ে তিনি সেই ঝুঁকি নেন, ভর্তি হন আইআইটি কানপুরে। সেই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় তাঁর জীবন (Inspiring Story)।

    দেশের জন্য মন কাঁদে

    আইআইটির পাঠ চুকিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করেন, পরে গবেষণার জন্য গিয়েছিলেন বিশ্বের নামী গবেষণাগারগুলিতে। এর মধ্যে রয়েছে ফার্মিল্যাব এবং স্ট্যানফোর্ড। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য সুযোগ (Indian Scientist Ashoke Sen)। তিনি চাইলে আমেরিকায় মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরি নিয়ে স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে পারতেন। কিন্তু অশোকের মন কাঁদত ভারতের জন্য। তাই বিদেশে থাকার অনেক আকর্ষণীয় প্রস্তাব পাওয়া সত্ত্বেও, তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। আটের দশকের শেষ দিকে তিনি মুম্বইয়ের টাটা ইন্সটিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে তিনি আসেন প্রয়াগরাজের এই প্রতিষ্ঠানে। বড় শহরের কোলাহল থেকে দূরে তিনি পুরোপুরি গবেষণার কাজে ডুবে যান।

    স্ট্রিং থিওরি

    সেই সময় বিজ্ঞানীরা স্ট্রিং থিওরি নামে একটি জটিল তত্ত্ব নিয়ে লড়াই করছিলেন, যা মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়ম ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। নয়ের দশকে প্রফেসর সেনের কাজ ছিল যুগান্তকারী। তিনি নতুন ধারণা দেন, যার মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত ‘সেন কনজেকচার’-ও। এই ধারণা স্ট্রিং থিওরির বিভিন্ন রূপকে একসঙ্গে যুক্ত করতে সাহায্য করে (Indian Scientist Ashoke Sen)। তাঁর গবেষণা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে বিজ্ঞানীরা একে “সেকেন্ড সুপারস্ট্রিং রেভেলিউশন” বলে অভিহিত করেন (Inspiring Story)। সহজ কথায়, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মকেই নতুনভাবে লিখতে সাহায্য করেছেন অশোক। ২০১২ সালে প্রফেসর সেন একটি ফোন কল পান, যা যে কাউকে বিস্মিত করবে। তাঁকে ‘ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্সে’র প্রথম বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারের অর্থ? তিন মিলিয়ন ডলার। তুলনা করলে দেখা যায়, এটি নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যের প্রায় তিন গুণ। প্রতিদিন সাইকেল চালিয়ে অফিসে যাওয়া সেই অধ্যাপকই রাতারাতি হয়ে গেলেন কোটিপতি। সবাই ভাবল তাঁর জীবন বদলে যাবে। তিনি কি দামী গাড়ি কিনবেন? বড় বাড়ি বানাবেন? হয়তো বিলাসবহুল জীবন কাটাবেন?

    অচেনা অশোক

    কিন্তু তাঁরা অশোককে (Indian Scientist Ashoke Sen) চিনতেন না। তিনি পুরস্কারের বড় একটি অংশ দান করে দেন ছাত্রদের সাহায্য এবং ভারতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কল্যাণে। আর পরের দিনই তিনি আবার সাইকেলে চেপে তাঁর ছোট, সাধারণ অফিসে চলে যান। সেখানে তিনি আবার চক হাতে নেন এবং ব্ল্যাকবোর্ডে সমীকরণ লেখা শুরু করেন (Inspiring Story)। তাঁর কাছে আসল আনন্দ ছিল কাজের মধ্যেই, মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে সেই রহস্যের সমাধান করার নিঃশব্দ আনন্দে। লাখ লাখ ডলার ছিল শুধু একটি উপায়, যাতে তরুণ বিজ্ঞানীরা তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন । অশোকের গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। এমন এক পৃথিবীতে যেখানে মানুষ সম্পদ আর বাহাদুরি দেখাতেই ব্যস্ত, সত্যিকারের মহত্ত্ব প্রায়ই নীরব রূপে আসে। এটি এমন এক মানুষের মধ্যে দেখা যায়, যিনি চাইলে অনেক গাড়ির মালিক হতে পারতেন (Inspiring Story) কিন্তু বেছে নেন সাইকেল, যিনি পৃথিবীর যে কোনও বোর্ডরুমে বসতে পারতেন, কিন্তু বেছে নেন ধুলোমাখা একটি ব্ল্যাকবোর্ড (Indian Scientist Ashoke Sen)।

  • Ramakrishna 599: “ছোকরাদের অত ভালবাসি কেন, জান? ওরা খাঁটি দুধ, একটু ফুটিয়ে নিলেই হয়—ঠাকুর সেবায় চলে”

    Ramakrishna 599: “ছোকরাদের অত ভালবাসি কেন, জান? ওরা খাঁটি দুধ, একটু ফুটিয়ে নিলেই হয়—ঠাকুর সেবায় চলে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    ছোট নরেন প্রভৃতির ভাবাবস্থা — সন্ন্যাসী ও গৃহস্থের কর্তব্য

    গান সমাপ্ত হইল। ভক্তেরা অনেকে ভাবাবিষ্ট। নিস্তব্ধ হইয়া বসিয়া আছেন। ছোট নরেন ধ্যানে মগ্ন। কাষ্ঠের ন্যায় বসিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ছোট নরেনকে দেখাইয়া, ডাক্তারকে—এ অতি শুদ্ধ। বিষয়-বুদ্ধির লেশ এতে লাগে নাই।

    ডাক্তার নরেনকে দেখিতেছেন। এখনও ধ্যানভঙ্গ হয় নাই।

    মনোমোহন (ডাক্তারের প্রতি, সহাস্যে)—আপনার ছেলের কথায় বলেন, ‘ছেলেকে যদি পাই, বাপকে চাই না।’

    ডাক্তার—অই তো!—তাইতো বলি, তোমরা ছেলে নিয়েই ভোলো! (অর্থাৎ ঈশ্বরকে ছেড়ে অবতার বা ভক্তকে নিয়ে ভোলো।)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—বাপকে চাই না—তা বলছি না।

    ডাক্তার—তা বুঝিছি!—এরকম দু-একটা না বললে হবে কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমার ছেলেটি বেশ সরল। শম্ভু রাঙামুখ করে বলেছিল। ‘সরলভাবে ডাকলে তিনি শুনবেনই শুনবেন।’ ছোকরাদের অত ভালবাসি কেন, জান? ওরা খাঁটি দুধ, একটু ফুটিয়ে নিলেই হয়—ঠাকুর সেবায় চলে।

    “জোলো দুধ অনেক জ্বাল দিতে হয় — অনেক কাঠ পুড়ে যায়।

    “ছোকরারা যেন নূতন হাঁড়ি—পাত্র ভাল—দুধ নিশ্চিন্ত হয়ে রাখা যায়। তাদের জ্ঞানোপদেশ দিলে শীঘ্র চৈতন্য (Kathamrita) হয়। বিষয়ী লোকদের শীঘ্র হয় না। দই পাতা হাঁড়িতে দুধ রাখতে ভয় হয়, পাছে নষ্ট হয়!

    “তোমার ছেলের ভিতর বিষয়বুদ্ধি—কামিনী-কাঞ্চন—ঢোকে নাই।”

    ডাক্তার—বাপের খাচ্চেন, তাই! —

    “নিজের করতে হলে দেখতুম, বিষয়বুদ্ধি ঢোকে কি না।।

    সন্ন্যাসী ও নারীত্যাগ — সন্ন্যাসী ও কাঞ্চনত্যাগ 

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তা বটে, তা বটে। তবে কি জানো, তিনি বিষয়বুদ্ধি থেকে অনেক দূর, তা না হলে হাতের ভিতর। (সরকার ও ডাক্তার দোকড়ির প্রতি) কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ আপনাদের পক্ষে নয়। আপনারা মনে ত্যাগ করবে। গোস্বামীদের তাই বললাম — তোমরা ত্যাগের কথা কেন বলছো? — ত্যাগ করলে তোমাদের চলবে না — শ্যামসুন্দরের সেবা রয়েছে।

    “সন্ন্যাসীর পক্ষে ত্যাগ। তারা স্ত্রীলোকের চিত্রপট পর্যন্ত দেখবে না। মেয়েমানুষ তাদের পক্ষে বিষবৎ। অন্ততঃ দশহাত অন্তরে, একান্তপক্ষে একহাত অন্তরে থাকবে। হাজার ভক্ত স্ত্রীলোক হলেও তাদের সঙ্গে বেশি আলাপ করবে না।

  • Kolkata Port: ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পুনর্নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ব্যাসকিউল ব্রিজ

    Kolkata Port: ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পুনর্নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ব্যাসকিউল ব্রিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর তথা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টে (Kolkata Port) অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির নিদর্শন ‘ব্যাসকিউল ব্রিজ’-এর আমূল সংস্কার ও আধুনিকীকরণের জন্য ১১৭.৫৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে কেন্দ্র। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই সেতুটি বন্দরের পণ্য পরিবহণ এবং স্থানীয় যানচলাচলের ক্ষেত্রে একটি মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে।

    ঐতিহাসিক গুরুত্ব (Kolkata Port)

    বিশেষ ধরণের সেতুটি মাঝখান থেকে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে ওপরের দিকে উঠে যায়, যাতে নিচ দিয়ে বড় জাহাজ অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে। এটি কলকাতা বন্দরের (Kolkata Port) পুরাতন প্রকৌশল বিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন।

    আধুনিকীকরণ ও পণ্য পরিবহণে গতি

    দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে সেতুর যান্ত্রিক অংশে যে জরাজীর্ণ অবস্থা তৈরি হয়েছিল, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তার সম্পূর্ণ সংস্কার করা হবে। আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী যন্ত্রাংশ স্থাপনের মাধ্যমে এর স্থায়িত্ব বাড়ানো হবে। খিদিরপুর ডক (Kolkata Port) এলাকায় নির্বিঘ্নে পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য এই সেতুর কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কারের পর ভারী ট্রাক ও কন্টেইনার যাতায়াত আরও নিরাপদ ও দ্রুত হবে।

    কেন এই সংস্কার জরুরি?

    বন্দরে (Kolkata Port) জাহাজ চলাচলের সুবিধা এই সংস্করণের প্রধান লক্ষ্য। সেতুর যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করা হলে জাহাজ চলাচলের সময় সেতুটি দ্রুত খোলা ও বন্ধ করা সম্ভব হবে। শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ব্রিজের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। মোমিনপুর ও খিদিরপুর এলাকার যানজট কমাতে এবং বন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বাড়াতে এই আধুনিকীকরণ অপরিহার্য ছিল। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কলকাতা বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং একইসঙ্গে শহরের এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দীর্ঘকাল সচল থাকবে।

LinkedIn
Share