Tag: Bengali news

Bengali news

  • BJP Attacks Rajan: বলেছিলেন ভারতের জিডিপি পড়বে, হয়েছে উল্টো! রাজনকে তুলোধনা বিজেপির

    BJP Attacks Rajan: বলেছিলেন ভারতের জিডিপি পড়বে, হয়েছে উল্টো! রাজনকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জিডিপি বৃদ্ধি সংক্রান্ত তথ্য বুধবারই প্রকাশ পেয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে অর্থনীতির বৃদ্ধির হার ৭.২ শতাংশে পৌঁছেছে। এ নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনকে এক হাত নিতে (BJP Attacks Rajan) ছাড়েননি বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে রঘুরাম রাজনকে কটাক্ষ করার সম্পর্ক কী? আসলে গত বছর রঘুরাম রাজন মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘ভাগ্যক্রমে ২০২-২৩ অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৫% হতে পারে।’’ কিন্তু রঘুরাম রাজনের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে মিথ্যা প্রমাণ করে ভারতের জিডিপি বেড়েছে ৭.২%। এক বছর আগে রঘুরাম রাজনের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে (BJP Attacks Rajan) কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপি নেতৃত্ব। এনিয়ে ট্যুইট করেন অমিত মালব্য।

    কী লিখলেন অমিত মালব্য?

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর গত বছর রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভারত জোড়ো যাত্রাতে অংশ নিয়েছিলেন। সেই সময়ের একটি ভিডিও নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করেন অমিত মালব্য। দেখা যাচ্ছে রঘুরাম রাজন এবং রাহুল গান্ধী পরস্পর কথাবার্তা চালাচ্ছেন। ওই ট্যুইটে অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘রঘুরাম রাজন আজ থেকে এক বছর আগে ঠিক এই দিনে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলেন। কথা শুনে রাজনকে কখনও অর্থনীতিবিদ বলে মনে হচ্ছিল না। তিনি বলেন, ভারত খুবই ভাগ্যশালী হবে যদি ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে জিডিপির বৃদ্ধি ৫ শতাংশ হয়। কিন্তু আসল সত্য হল চলতি বছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৭.২ শতাংশ।

    মঙ্গলবারই আমেরিকাতে মনমোহন ও রাজন জুটিকে আক্রমণ শানান অর্থমন্ত্রী

    মঙ্গলবার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের School of international and public affairs এর মঞ্চ থেকে রঘুরাম রাজনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে দেখা যায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে। তাঁর নিশানা থেকে বাদ যাননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও। নির্মলা সীতারমন বলেন, ‘‘মনমোহন ও রাজনের জুটি একসঙ্গে ক্ষমতায় থাকাকালীনই দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলো সব থেকে খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছে।’’ ঋণ মঞ্জুর নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন নির্মলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ১০ জনের আসনে ১৭-২০ জন! পড়ুয়াদের নিয়ে বিপজ্জনকভাবে ছুটছে ‘পুলকার’

    Balurghat: ১০ জনের আসনে ১৭-২০ জন! পড়ুয়াদের নিয়ে বিপজ্জনকভাবে ছুটছে ‘পুলকার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যাত্রীবাহী বাস এবং ট্রেকারকে পুলকার হিসাবে ব্যবহার করছে বালুরঘাটের (Balurghat) বেশ কিছু বেসরকারি স্কুল। এরকমই গুরুতর অভিযোগ তুলে অভিভাবকরা বলছেন, পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে কারও কোনও মাথাব্যথা নেই। তাঁদের আরও অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ না করায় দিনের পর দিন এই প্রবণতা বেড়েই চলছে। যাত্রীবাহী বাস ও ট্রেকারগুলি একদিকে যেমন দ্রুতগতিতে  ছুটছে, তেমনই নেই পড়ুয়াদের কোনও নিরাপত্তা। পুলকার ব্যবহারের একাধিক নিয়ম মানতে প্রচুর টাকা গাড়ি ভাড়া বাবদ দিতে হয়। অভিযোগ, কম টাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বাস, ট্রেকার ভাড়া করে অভিভাবকদের কাছ থেকে মোটা টাকা মুনাফা লুটছে। বাস, ট্রেকারের পাশাপাশি প্রাইভেট ভাড়ার গাড়িগুলিও পুলকার হিসাবে দেদার ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত কড়া পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।

    ছোটখাট দুর্ঘটনাও ঘটছে (Balurghat)

    বালুরঘাট (Balurghat) শহর তো বটেই, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে পুলকার ব্যবহার করেন। সেই পুলকার নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। কোথাও যাত্রীবাহী বাস, কোথাও ট্রেকার, কোথাও ছোট চার চাকার ভ্যান অথবা ম্যাজিক গাড়িকে পড়ুয়াদের নিয়ে রাস্তায় ছুটতে দেখা যাচ্ছে। বেআইনি হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গাড়িকেও পুলকার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ১০ জনের আসনে ১৭-২০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নেই কোনও স্পিড লিমিট ডিভাইস। থাকলেও তা খুলে ফেলা হয়েছে। পড়ুয়াদের নিরাপত্তার জন্য সিট বেল্টের কোনও ব্যবস্থা নেই। কেয়ার টেকার তো দূর অস্ত, গাড়িগুলির ফিটনেস পর্যন্ত নেই। সিট বেহাল, চাকার অবস্থাও খারাপ। এই অবস্থায় দিনের পর দিন সেগুলি পড়ুয়াদের নিয়ে বেআইনি ভাবে চলেছে। যার জেরে কোথাও কোথাও ছোটখাট দুর্ঘটনাও ঘটছে।

    কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস (Balurghat)

    বেসরকারি স্কুলের একাংশ সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই চক্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে কয়েক বছর আগে পরিবহণ দফতর সরব হয়েছিল। তারা অভিযানেও নেমেছিল। পরে আর এনিয়ে তাদের কোনও সক্রিয়তা চোখে পড়েনি। ফলে অবস্থা যে কে সেই রয়ে গিয়েছে। অভিাবকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপ করা উচিত। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা (Balurghat) পরিবহণ দফতরের আধিকারিক সৌমিত্র বিশ্বাস বলেন, আমরা প্রায়ই অভিযান চালিয়ে থাকি। বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। স্কুল খোলা হলেই এনিয়ে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আগামী দিনেও এই বিষয় নিয়ে অভিযান চালানো হবে ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: নব জোয়ারে বন্ধ ভোটদান প্রক্রিয়া, অভিষেকের সামনেই কোন্দল প্রকাশ্যে

    Abhishek Banerjee: নব জোয়ারে বন্ধ ভোটদান প্রক্রিয়া, অভিষেকের সামনেই কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতের কোনও নির্বাচন নয়। পঞ্চায়েত ভোটে যোগ্য প্রার্থী ঠিক করার জন্য সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নির্দেশে নব জোয়ার কর্মসূচিতে চলছে ভোটগ্রহণ। স্বাভাবিকভাবে সেখানে বিরোধী দলের কারও থাকার কথা নয়। সকলেই তৃণমূল কর্মী। কিন্তু, ভোট দিতে এসে না দিয়ে চলে গেলেন ভোটাররা। ফলে, ভোট প্রক্রিয়া বানচাল হয়ে যায়। বুধবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে চারদিনের জেলা সফরে এসেছেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। বুধবার রাতে তিনি চণ্ডীপুরে পৌঁছান। তিনি চলে যাওয়ার পর পরই ক্যাম্পে নিয়ম মেনে দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে ভোটেগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু, ভোটাভুটি শুরু হওয়ার পর পরই চণ্ডীপুর বিধানসভার ১০ অঞ্চলের তৃণমূল কর্মীদের বড় অংশ ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। ভোট বয়কট করা তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, বুথ স্তর থেকে যে নাম ঠিক করা হয়েছিল, সেই নামের কোনও প্রার্থী তালিকায় নেই। একেবারে নতুন মুখ। প্রার্থী পরিবর্তন কারা করল? এভাবে প্রার্থী চাপিয়ে দেওয়ার ঘটনা আমরা মেনে নেব না। তাই, ভোট প্রক্রিয়া শুরু হলেও আমরা ভোট দিইনি। প্রার্থী ঠিক করা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বচসা চলে। আর ভোট না দেওয়ার কারণে চণ্ডীপুর বিধানসভার জলপাই-১, চৌখালি-২, বৃন্দাবনপুর-১, বৃন্দাবনপুর-২, ঈশ্বরপুর, ওসমানপুর, ব্রজলালচক, কুলবারি, দিবাকরপুর, নন্দপুর, বরাঘুনি সহ ১০ টি অঞ্চলের ভোট বন্ধ রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এমনিতেই এই চণ্ডীপুরে তৃণমূল বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর অনুগামীর সঙ্গে প্রাক্তন বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্যের অনুগামীর দ্বন্দ্ব নতুন নয়। এবার পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থী বাছাই নিয়ে এই কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল। যদিও এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কেউ মুখ খুলতে চাননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তপনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল দলটাই দুর্নীতিগ্রস্ত। অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নব জোয়ার কর্মসূচির শুরু থেকে বিশৃঙ্খলা। দলীয় কোন্দলের জেরে ভোট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আগামীদিনে এই কোন্দলের জেরে দলটাই শেষ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: নম্বরহীন প্লেটের গাড়িতে অবৈধভাবে মাটি পাচার, আটক ১

    Paschim Medinipur: নম্বরহীন প্লেটের গাড়িতে অবৈধভাবে মাটি পাচার, আটক ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাসপুরে (Paschim Medinipur) অবৈধভাবে মাটি তোলা ও মাটির গাড়ির দৌরাত্ম্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকায় বহুদিন ধরেই বেআইনি ভাবে মাটি খননের কাজ চলছে বলে এলাকার মানুষ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিল। আর সেই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি বোঝাাই গাড়ি আটক করল ভূমি ও রাজস্ব দফতর। পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার দাসপুর-১ ব্লকের মামুদপুর এলাকায় চলছিল অবৈধভাবে মাটি তোলার কাজ। ওই আধিকারিক জানান, অবৈধভাবে মাটি তোলা ও পাচারের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি বোঝাই গাড়িগুলির নথিপত্র যাচাই করা হয়। এরপর একটি গাড়ির বৈধ কাগজ না মেলায় সেটি আটক করা হয়েছে।

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ

    দাসপুরে (Paschim Medinipur) বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে মাটি তোলা ও পাচারের অভিযোগ আগেও উঠেছে। মাটি বোঝাই গাড়ির দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এই ঘটনা যে শুধু দাসপুরের এমনটা নয়, ঘাটাল মহকুমার ঘাটাল, চন্দ্রকোণাতেও এইরকম অবৈধভাবে মাটি তোলা ও পাচারের ঘটনা অনেক সময়েই দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। মাটি পাচারের সময় অনেক ক্ষেত্রেই নম্বরহীন প্লেটযুক্ত গাড়ি ব্যবহার করা হয়। অবৈধ মাটি পাচারের কাজে প্রচুর গাড়ির চলাচলে জন্য অতিষ্ঠ হয়ে উঠতে হচ্ছে পথচলতি মানুষকেও। মহকুমা জুড়েই অবৈধ মাটির গাড়ি দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাইছে এলাকার সাধারণ মানুষ। এখন দেখার দাসপুর ও বাকি জায়গাগুলিতে প্রশাসনের তরফে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়!

    প্রশাসনের ভূমিকা

    গ্রামবাসীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিককে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে দেখ যায়। এলাকার মানুষকে দাসপুর-১ ব্লকের (Paschim Medinipur)  ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক বলেন, এই অঞ্চল থেকে অবৈধভাবে মাটি তোলা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দোষী যারা, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: কাশ্মীরে সেনা এনকাউন্টারে খতম পাক-অনুপ্রবেশকারী

    BSF: কাশ্মীরে সেনা এনকাউন্টারে খতম পাক-অনুপ্রবেশকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে বিএসএফের (BSF) ছোড়া গুলিতে খতম পাক অনুপ্রবেশকারী। জানা গেছে, জম্মু-কাশ্মীরের সাম্বা সেক্টরে এই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে। সেনা সূত্রে খবর ওই পাক অনুপ্রবেশকারীকে বাধা দিলেও সে শোনেনি।

    ঘটনার বিবরণ…

    বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটা নাগাদ সাম্বা সেক্টরে পাকিস্তান সীমান্তে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর সেনা সূত্রে। ওই সীমান্তে পাকিস্তানের দিক থেকে আসা এক ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে পড়ে ভারতীয় সেনার। এই অনুপ্রবেশকারীকে বাধা দেয় বিএসএফ (BSF)। কিন্তু সে পাকিস্তানে ফেরত যাওয়ার চেষ্টা করে। বাধ্য হয়েই বিএসএফ (BSF) গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই পাক অনুপ্রবেশকারীর।

    আরও পড়ুন: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর, আহত অন্তত ৫৭ জন 

    ভারতীয় সেনার বিবৃতি…

    সেনার তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘‘আজ রাতে (১ জুন) বিএসএফ জওয়ানরা (BSF) সাম্বা এলাকায় পাকিস্তানের দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমানা পেরোনো এক অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে। তাকে থামানোর চেষ্টা করলে সে পাকিস্তানের বর্ডারের পেরিয়ে পালিয়ে যেতে থাকে। এই সময়ই ভারতীয় সেনা গুলি চালায় এবং অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যু হয়।’’

    সোমবার রাতেই জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে নিহত হন সার্কাস কর্মী

    সোমবারই জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয় এক সার্কাসকর্মীর। জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় ঘটে এই ঘটনা। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম দীপক কুমার। বাবার নাম মাসুক কুমার। উধমপুরের বাসিন্দা দীপক একটি সার্কাসদলে কাজ করতেন। তাঁকে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। জানা গেছে, অনন্তনাগের একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের সামনে তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়। গত মাসেই সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন জওয়ানের মৃত্যু ঘটে। নিকেশ হয় বহু জঙ্গিও। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, জি২০ সম্মেলন কাশ্মীরে হওয়ার খবর সামনে আসতেই পাক মদতে বাড়তে থাকে জঙ্গি কার্যকলাপ। উদ্দেশ্য বিশ্বের মঞ্চে ভারতকে অপদস্থ করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malware: নতুন ভাইরাস থেকে সাবধান! ফোনের সব তথ্য নিমেষে হ্যাক হয়ে যেতে পারে

    Malware: নতুন ভাইরাস থেকে সাবধান! ফোনের সব তথ্য নিমেষে হ্যাক হয়ে যেতে পারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীদের সামনে নতুন বিপদ (Malware)। সাম্প্রতিক একটি ম্যালওয়্যারের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেটি খুবই বিপজ্জনক। এই তথ্যটি পাওয়া গেছে কেন্দ্রের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা CERT-In এর তরফ থেকে। সূত্র অনুসারে, এই ম্যালওয়্যারের নাম ‘DAAM’। এটি ANDROID ব্যবহারকারীদের সমস্ত কিছু তথ্য ফোন থেকে হ্যাক করতে পারে। যেমন কল রেকর্ড, কন্ট্যাক্ট, এমনকী ক্যামেরা পর্যন্ত হ্যাক করতে সক্ষম। সব থেকে উদ্বেগজনক বিষয় হল, এই ম্যালওয়্যারটি একটি ডিভাইসে থাকা সমস্ত অ্যান্টি-ভাইরাল প্রোগ্রামকে বাইপাস করতে পারে নিজেই।

    কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এই ম্যালওয়্যার (Malware)?

    CERT-In এর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটি (Malware) সাধারণত কোনও থার্ড পার্টি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। একটি স্মার্টফোনে যেসব সিকিউরিটির বন্দোবস্ত থাকে, সেই সমস্ত ব্যবস্থাকে নিমেষের মধ্যে বাইপাস করে অ্যাটাক করছে এটি। ফলে আপনার ডিভাইসটি নিমেষেই খুব সহজে হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে এবং আপনার সমস্ত গোপন নথি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জিনিস চুরি, এমনকী ব্যাঙ্ক জালিয়াতি পর্যন্ত হচ্ছে।

    কী ক্ষমতা রয়েছে এই ম্যালওয়্যারের (Malware)?

    সাধারণত সবার ফোনে ব্যক্তিগত নথি, ব্যাঙ্ক ডিটেইলস সমস্ত কিছুই থাকে। সেগুলিকে অনায়াসে হ্যাকাররা এই ম্যালওয়্যারের (Malware) মাধ্যমে যেখানে খুশি বসে অ্যাক্সেস করতে পারে। তাছাড়াও হ্যাকাররা এর মাধ্যমে কল রেকর্ড থেকে শুরু করে আপনার ফোনে থাকা কন্ট্যাক্ট-এর হিস্ট্রির অ্যাক্সেস, আপনার যে কোনও অ্যাপ এবং ফোনের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন, স্ক্রিনশট, ফাইল আপলোড-ডাউনলোড, এসএমএস অ্যাক্সেস এবং আপনার ফোনে থাকা দুটি ক্যামেরাকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

    এর (Malware) থেকে বাঁচার উপায় কী?

    প্রথমত, আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, ফোনে এসএমএস-এর মাধ্যমে আসা কোনও সন্দেহজনক লিংককে যেন কোনওভাবেই ক্লিক না করা হয়।
    সন্দেহজনক কোনও ওয়েবসাইট (Malware) ব্রাউজ না করাই ভালো। 
    ফোনের মধ্যে আসা অযাচিত এবং অজ্ঞাত ই-মেইলগুলিকে ক্লিক করা এড়িয়ে চলতে হবে।
    আপনার ব্যাঙ্ক থেকে আসা এসএমএসগুলি ভালো করে যাচাই করুন। 
    অনলাইন এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেসেজের মাধ্যমে কোনওরকম গোপন তথ্য শেয়ার না করাই ভালো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে রণক্ষেত্র কল্যাণী, বোমাবাজি, জখম ৪

    TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে রণক্ষেত্র কল্যাণী, বোমাবাজি, জখম ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাতে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কল্যাণীর সগুনা পঞ্চায়েতের কাঁটাবেলে এলাকা। তৃণমূলের পার্টি অফিসের সামনেই বুথ সভাপতিকে ধরে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে সংখ্যালঘু সেলের নেতার বিরুদ্ধে। পাল্টা হামলার ঘটনাও ঘটে। ঘটনার জেরে এলাকায় বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর চালানো হয় দলীয় কার্যালয়ে। দুপক্ষের চারজন জখম হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    নব জোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নদিয়ায় আসছেন। কল্যাণীর সগুনায় তাঁর আসার কথা রয়েছে। সেই কর্মসূচি উপলক্ষে তৃণমূলের বুথ সভাপতি সাইফুল মণ্ডলের উদ্যোগে বুধবার রাতে কাঁটাবেলে তৃণমূল পার্টি অফিসে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। মিটিং চলাকালীন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি জাহাঙ্গির মণ্ডল দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এমনকী এলাকায় বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত তৃণমূলের বুথ সভাপতি সাইফুল মণ্ডল বলেন, “আসলে আমি নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। সেটা অনেকেই মেনে নিতে পারছে না। মিটিং চলাকালীন জাহাঙ্গিরের নেতৃত্বে হামলা হয়। মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। এলাকায় বোমাবাজি করে ওরা।” অন্যদিকে, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি জাহাঙ্গির মণ্ডল বলেন, “সাইফুলের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। বিজেপির মদতে ওরা এসব করছে। আমি সহ কয়েকজন কর্মী জখম হয়েছি। আমরা কোনও হামলা করিনি। বোমাবাজির অভিযোগ ঠিক নয়।”

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) অঞ্চল সভাপতি তারক চন্দ বলেন, “পার্টি অফিসে বসা নিয়ে গণ্ডগোল হয়েছিল। ভুল বোঝাবুঝি থেকে এসব হয়েছে। দলীয় কোন্দলের বিষয় নেই। তবে, আমাদের আরও সংযত হওয়া দরকার। দুপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রত্যেকে নিজেদের ভুল স্বীকার করেছে। ফলে, আর কোনও সমস্যা নেই। আমরা সকলেই একজোট হয়ে লড়াই করব।”

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা শুভাশিস বিশ্বাস বলেন, “তৃণমূলের (TMC) এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আজকের নয়। এই দল শুরু থেকেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সূত্রপাত। এই ঘটনা শুধু কাঁটাবেলের এলাকা জুড়ে নয়, গোটা রাজ্যজুড়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। দুর্নীতির জেরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। এই দলটি লুটের রাজত্ব চালাচ্ছে। এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: সরকারি অনুষ্ঠানেই ব্রাত্য, ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী

    Uttar Dinajpur: সরকারি অনুষ্ঠানেই ব্রাত্য, ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) সরকারি অনুষ্ঠানে ইসলামপুরের বিধায়ককে ব্রাত্য করে রাখার অভিযোগ উঠল। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ তৃণমূলের ওই বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁকে ব্রাত্য রেখে শুধুমাত্র ইসলামপুর পুরসভার পুরপিতাকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আর এই ঘটনায় জেলার রাজনীতিতে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কী ঘটেছিল উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ইসলামপুরে?

    বুধবার ইসলামপুর মহকুমা (Uttar Dinajpur) প্রশাসনের উদ্যোগে স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। আমন্ত্রিত ছিলেন উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক, ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার, পুরপিতা, বিডিও এবং মহকুমা যুব আধিকারিক সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আধিকারিকরা। তবে সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাঁকে আমন্ত্রণই জানাননি মহকুমা প্রশাসক, এমনটাই অভিযোগ করেন ইসলামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। সরকারি অনুষ্ঠানে বিধায়ককে আমন্ত্রণ না জানানোর ঘটনায় জোর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

    তৃণমূলের বিধায়ক বনাম উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) জেলা সভাপতি

    বেশ কিছু দিন ধরে ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা (Uttar Dinajpur) সভাপতির বিবাদ চরমে উঠেছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ডের নবজোয়ার যাত্রায় যাননি বিধায়ক। বিধায়কের এই ভূমিকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে আসার পর দলের নেতাদের মধ্যে বিবাদ মিটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। বিধায়কের অভিযোগ ছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশের পর কেবলমাত্র নামেই বিধায়কের বাড়িতে গিয়েছিলেন জেলা সভাপতি। আবার সূত্রে জানা যায়, বিধায়ক জেলা সভাপতির উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছিলেন। বিধায়কের সেই শর্তের মান্যতা দেওয়া জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের পক্ষে কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের দুই নেতার বিবাদ এবার প্রশাসনের কাজের উপর পড়ল বলে মনে করছে রাজনীতিকদের একাংশ।

    মহকুমা শাসকের বিরুদ্ধে ইসলামপুর বিধায়কের ক্ষোভ

    বুধবার বিধায়ককে বাইরে রেখেই ইসলামপুর স্টেডিয়ামে খেলার উদ্বোধন হল। মহকুমা (Uttar Dinajpur) প্রশাসনের এহেন ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। তিনি জানান, মহকুমা শাসক একজন আইএএস অফিসার। উন্নয়নের কথা বললেই, তিনি আইন দেখান। সরকারি অনুষ্ঠানে বিধায়ককে আমন্ত্রণ না জানানো কোন আইনে আছে? তাঁকে চক্রান্ত করেই সরকারি অনুষ্ঠানে ব্রাত্য রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন এই তৃণমূলের বিধায়ক।

    মহকুমা শাসকের বক্তব্য

    অন্যদিকে, ইসলামপুরের মহকুমা (Uttar Dinajpur) শাসক মহঃ আব্দুল শাহিদ বলেন, স্টেডিয়ামের উদ্বোধন আগেই হয়েছিল। আজ একটি মাত্র ফুটবল খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরপর বড় কোনও খেলার প্রতিযোগিতা হলে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েই করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mango: গরমে পাতে দেদার পাকা আম? ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য কি বাড়তি ঝুঁকি?

    Mango: গরমে পাতে দেদার পাকা আম? ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য কি বাড়তি ঝুঁকি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমকাল মানেই তাপমাত্রার পারদ চড়বে, এটাই স্বাভাবিক! থাকবে হাঁসফাঁস করা অস্বস্তিও। কিন্তু গরমকালের রোদ্দুরের সঙ্গে উচ্চারিত হয় সুস্বাদু নানা আমের (Mango) নামও! সকালের জলখাবার হোক কিংবা রাতের খাবার, শেষ পাতে থাকে পাকা আম! খাদ্যরসিক অধিকাংশ বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের ফল হল আম। তবে, বাঙালির বাড়ছে ডায়াবেটিস। কম বয়স থেকেই অনেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের জন্য কি বিপদ বাড়াচ্ছে পাকা আম!

    আম (Mango) কি ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বিপজ্জনক? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আমে থাকে গ্লুকোজ, অর্থাৎ শর্করা। তাই ডায়াবেটিস থাকলে অতিরিক্ত আম (Mango) খেলে বিপদ বাড়তে পারে। নিয়মিত অনেকেই চারবেলা খাওয়ার পরে পাকা আম খান। সেক্ষেত্রে খুব দ্রুত রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা থাকে। তাই একটু নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়া দরকার বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ, যদি দিনে একটি আম খাওয়া হয়, তাহলে কিন্তু বিপদের ঝুঁকি কম। তাঁরা জানাচ্ছেন, আমে শর্করা থাকলেও, তার পরিমাণ মারাত্মক নয়। অর্থাৎ, আলু বা চিনিতে যে পরিমাণ শর্করা থাকে, আমে কিন্তু সেই পরিমাণ থাকে না। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তদের আলু বা চিনি খাওয়ার ক্ষেত্রে যতখানি নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি, আমের ক্ষেত্রে ততটা না হলেও ক্ষতি নেই। তবে, অবশ্যই পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া দরকার।

    কোন কোন রোগ মোকাবিলায় আম (Mango) সাহায্য করে? 

    শুধুই স্বাদ আর গন্ধে নয়। পাকা আমের উপকারও তাকে অন্য ফলের থেকে এগিয়ে রাখছে। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, আমের উপকার অনেক। নিয়মিত একটি পাকা আম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত, যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য পাকা আম খুব উপকারী। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যাদের ডায়বেটিস আছে, তাদের মধ্যে অনেকের উচ্চ রক্তচাপ থাকে। তাই তারা পাকা আম (Mango) খেলে, সেটা শরীরের পক্ষে ভালো। আবার গর্ভবতী মায়েদের জন্য পাকা আম খুব ভালো। আমের পুষ্টিগুণ প্রচুর। তাছাড়া আমে আয়রন রয়েছে। তাই গর্ভবতীদের জন্য বাড়তি উপকারী হিসেবে এই ফল কাজ করে। তাছাড়া, রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ায় ভুক্তভোগীদের জন্য আম খুব উপকারী। আমে থাকে ফাইবার, কপার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম। আম মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে। তাই শিশুদের জন্য আম খুব উপকারী ফল। 
    তবে, আমে বাড়ে ওজন। তাই স্থূলতার সমস্যায় ভুগলে আম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। তাছাড়া, অতিরিক্ত আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। কারণ, আমে ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ম্যাগনেসিয়ামের মতো একাধিক উপাদান থাকে। আম হজম করতে সময় লাগে। দিনে একাধিক আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, আমে (Mango) ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেটের মতো উপাদান থাকলেও প্রোটিন থাকে না। আমে মাত্র ১ শতাংশ প্রোটিন। তাই জলখাবার হোক বা দুপুর বা রাতের খাবারে আম খেলে, সঙ্গে থাকুক কোনও প্রোটিন যুক্ত খাবার। অর্থাৎ, একটা আম খেলে অবশ্যই সঙ্গে একটি সিদ্ধ ডিম, কিংবা ডাল, পনির বা সোয়াবিনের মতো খাবার থাকতে হবে। তবেই ব্যালান্স ডায়েট হবে। হজমেও অসুবিধা হবে না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত একটি আম শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু গরম শেষেই ফুরিয়ে যাবে, এই ভেবে দিনে একাধিক আম খেলে তৈরি হতে পারে নানান শারীরিক সমস্যা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    PM Modi: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) প্রায়ই বলেন, ‘‘আমাদের দুটি অপরিসীম শক্তি আছে। একটি হল জনসংখ্যা এবং অপরটি গণতন্ত্র। পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে বেশি যুবক এখন রয়েছেন ভারতে। সরকার সম্পূর্ণভাবে এই শক্তিকে কাজে লাগাতে চায়।’’ জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ রূপায়ণের ফলে দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার খোলনলচে বদলে গেছে। জাতীয় শিক্ষানীতিকে তৈরি করা হয়েছে ভারতীয় সভ্যতার ভিত্তির ওপর এবং বেশি জোর দেওয়া হয়েছে ছাত্রদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর। পরিসংখ্যান বলছে, গত ৯ বছরে রেকর্ড সংখ্যায় আইআইটি, আইআইএম, মেডিক্যাল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সারা দেশ জুড়ে স্থাপিত হয়েছে। অন্যদিকে এখনও অবধি ১ কোটি ৩৭ লক্ষ যুবক স্কিল ইন্ডিয়ার বিভিন্ন ট্রেনিং নিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কৌশল বিকাশ যোজনার মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই রোজগার মেলার আয়োজন করেছে। ১০ লক্ষেরও বেশি প্রার্থীকে বিভিন্ন দফতরের নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। দেশের যুবসমাজকে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদানে উৎসাহ দিতে আনা হয়েছে অগ্নিপথ প্রকল্প। কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি খুব স্পষ্ট। কর্মসংস্থান তৈরির বদলে ছোট বড় উদ্যোগপতি নির্মাণ করতে চায় কেন্দ্র। যাতে বর্তমান যুবসমাজ চাকরিমুখী হওয়ার থেকে চাকরিদাতা হতে পারে। এই উদ্দেশ্যে স্টার্ট আপ প্রজেক্ট কেন্দ্রীয় সরকার শুরু করে ২০১৬ সাল থেকে।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক, যুব সমাজের জন্য মোদি সরকারের (PM Modi) প্রয়াস  

    ১) দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে যুব অ্যাথলেটিকদের তুলে আনা হচ্ছে খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রচেষ্টার ফল ভারত দেখেছে টোকিও অলিম্পিকে, ২০২১ সালে। এর ফলে অলিম্পিকে ৭টি মেডেল পায় ভারত।

    ২) প্রায় ৪০ বছর পরে জাতীয় শিক্ষানীতিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হল। শিক্ষাকে সময়োপযোগী এবং কর্মমুখী করে তোলার এক অনবদ্য প্রয়াস মোদি সরকারের।

    ৩) যুব উদ্যোগপতি বানাতে স্টার্ট আপ প্রজেক্ট  চালু করা হয়েছে ২০১৬ সাল থেকেই।

    ৪) ১ কোটি ৩৭ লক্ষ যুবককে প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনার অধীনে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে।

    ৫) গত ৯ বছরে নতুন সাতটি আইআইএম চালু করা হয়েছে।

    ৬) প্রধানমন্ত্রী শ্রী যোজনার আওতায় ১৪,৫০০ স্কুলকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো হয়েছে।

    ৭) ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ২৩ লক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ চাকরি তৈরি করা গেছে, স্টার্ট আপ প্রজেক্টের মাধ্যমে।

    ৮) অধিক সংখ্যায় AIIMS তৈরি হয়েছে। বর্তমানে দেশে যার সংখ্যা ২৩টি।

    ৯) ৭ টি নতুন আইআইটি তৈরি হয়েছে। সারা দেশে আইআইটির সংখ্যা এখন ২৩। প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে দেশে স্থাপিত হয়েছিল ১৬ টি আইআইটি। অন্যদিকে ২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে স্থাপিত হয়েছে ৭ টি আইআইটি।

    ১০) পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মেডিক্যালে আসন সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৪৬৬। অন্যদিকে বিগত ৯ বছরে মেডিক্যালে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে ৬৯ হাজার ৬২৩। বর্তমানে মোট আসন সংখ্যা ১ লক্ষ ৫২ হাজার ১৩৯।

    ১১) পরিসংখ্যান বলছে, সারা দেশে ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৬৪১ টি মেডিক্যাল কলেজ ছিল। ৯ বছরের মোদি সরকারের জমানায় কলেজের বাড়ানো হয়েছে ৭০০টি। বর্তমানে দেশে মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা ১,৩৪১।

    ১২) সারা দেশে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৭২৩ টি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। মোদি জমানায় গত ৯ বছরে আরও ৩৯০ টি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১,১১৩।

    ১৩) ক্রীড়া ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে দেশের কমনওয়েলথ গেমসে (২০২২) ৬১টি মেডেল এনেছেন আমাদের যুব ক্রীড়াবিদরা।

     

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share