Tag: Bengali news

Bengali news

  • Cancer: খাদ্যাভ্যাসের বদল কমাতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি? কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা? 

    Cancer: খাদ্যাভ্যাসের বদল কমাতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি? কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে দুশ্চিন্তার কারণ ক্যান্সার। উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও অবহেলা, দেরিতে চিকিৎসা শুরু করা ইত্যাদির জেরে ক্যান্সার বিপদ বাড়ায়! তবে, আধুনিক জীবনযাপন ক্যান্সারের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাই ক্যান্সার রুখতে তাঁরা খাবারের উপরই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা? 

    ক্যান্সার নিয়ে গবেষণাকারী এক আন্তর্জাতিক সংস্থা সম্প্রতি এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে জানানো হচ্ছে, ভারত সহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মোট মৃত্যুহারের বড় অংশের কারণ ক্যান্সার। গলা, মুখ, ফুসফুস, অন্ত্র সহ দেহের একাধিক জায়গায় ক্যান্সারের অন্যতম কারণ খাদ্যাভ্যাস। কারণ, কী খাবার খাওয়া হচ্ছে, কত পরিমাণে তা শরীরে যাচ্ছে, এসবের জন্য নানান শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়।

    কোন ধরনের খাবার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যে কোনও ধরনের প্রিজারভেটিভ ফুড ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। যেমন পিৎজা, বার্গার, হটডগ জাতীয় খাবার একেবারেই অস্বাস্থ্যকর বলে জানাচ্ছেন ক্যান্সার গবেষকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের প্রিজারভেটিভ খাবারে মাংস বা মাছের যে পুর দেওয়া হয়, সেখানে যে রাসায়নিক মেশানো হয়, তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
    এছাড়া অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার শরীরের জন্য ক্ষতিকর। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বিরিয়ানি, মোগলাই বা চাউমিন জাতীয় ফাস্ট ফুড নিয়মিত খেলে, সেটাও শরীরে নানা রোগের কারণ হয়। কারণ, এই ধরনের খাবারে শরীরে স্থূলতা বাড়ে। তাছাড়া, কোলেস্টেরলের সমস্যা বাড়ায়! তাই এই ধরনের খাবার ঝুঁকি বাড়ায়।

    কোন দশ খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে? 

    ওই আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে, নিয়মিত কিছু খাবার খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। গবেষকরা জানাচ্ছেন, ক্যান্সার হলে এই খাবার খেলেই সুস্থ হয়ে ওঠা যাবে, এ ধারণা ভুল। কিন্তু এমন কিছু খাবার আছে, যার পুষ্টিগুণ ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। 
    নিয়মিত কিসমিস কমাতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কিসমিসে যে ধরনের মিনারেল থাকে, তা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত তাঁরা শিশুদের নিয়মিত অন্তত পাঁচটি কিসমিস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাতে শিশুদের হজম ক্ষমতা বাড়বে ও অন্ত্র সুস্থ থাকবে বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। 
    সব্জি বিশেষত পালং শাক নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে থাকে পর্যাপ্ত ভিটামিন। তাই এই ভিটামিন শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে।
    ভিনিগারে ভিজিয়ে রাখা আপেল ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্য করে বলেও চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন। 
    যে কোনও রান্নায় রসুন ও হলুদ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। ওই গবেষণায় বলা হচ্ছে, এই দুই মশলা শরীরে একাধিক রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষত, হলুদে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান। তাই হলুদ বিশেষ উপকারী। 
    যে কোনো ধরনের লেবু যেমন পাতিলেবু, কমলালেবু নিয়মিত একটা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম যা ত্বক ও হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই নিয়মিত লেবু খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। 
    রান্নায় নারকেল তেলের ব্যবহার ক্যান্সার রুখতে সাহায্য করে বলে জানাচ্ছে ওই গবেষণা। তবে, তেল খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ, নারকেল তেলের বেশি ব্যবহার আবার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাছাড়া অলিভ অয়েলের ব্যবহার শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে বলেও ওই গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। 
    ভুট্টা (কর্ন) বা ওটস জাতীয় দানাশস্য ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে শরীরের ওজন বাড়ে না। আবার প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট শরীর পায়। তাই এই ধরনের দানাশস্য খুব উপকারী।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hul Diwas: ৩০ জুন ‘হুল’ দিবস! জানুন সাঁওতাল বিদ্রোহের ইতিহাস

    Hul Diwas: ৩০ জুন ‘হুল’ দিবস! জানুন সাঁওতাল বিদ্রোহের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন ব্রিটিশ শক্তির ভিত কেঁপে উঠেছিল সাঁওতাল বিদ্রোহে। এই আন্দোলনের ধ্বনি ছিল ‘হুল’ (Hul Diwas), যার আক্ষরিক অর্থ বিদ্রোহ। ফি বছর ৩০ জুন পালিত হয় ‘হুল দিবস’। একই পরিবারের ছয় ভাইবোনের (সিধু, কানু, বিরসা, চাঁদ, ভৈরব, আর দুই বোন ফুলমণি এবং ঝানু মুর্মু ) নেতৃত্বে এই জনজাতি আন্দোলন শুধুমাত্র ভারত নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। ‘সাঁওতাল বিদ্রোহ’ এক দৃষ্টান্তও বটে। শাসকের শোষণ, অত্যাচার, বঞ্চনার বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে অধিকার চাওয়ার এই সংগ্রাম আজও প্রেরণার স্রোত। সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। তার আগে ১৮৫৫ তে এই বিদ্রোহ ব্রিটিশ ভারতের প্রথম সশস্ত্র সংগ্রাম বলে মনে করেন অনেক ঐতিহাসিক।

    কেন অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন সহজ, সরল সাঁওতালরা?

    সহজ, সরল জনজাতিদের জল-জঙ্গলের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে থাকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। ভূমির ওপর কর চাপায় তারা। যা আদায় করত কোম্পানির লেঠেল বাহিনী। এছাড়া সাঁওতাল রমণীদেরও খারাপ নজরে দেখা হত। যা কখনও মেনে নিতে পারেনি সাঁওতালরা। বঞ্চিত ক্ষোভ পূঞ্জীভূত হতে হতে তা বিদ্রোহের আকার নেয়। বর্তমান ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার ভাগনাদিহির মাঠে শুরু হয় জমায়েত। গবেষকদের মতে, আশপাশের চারশোর বেশি গ্রামের সাঁওতাল সেদিন জড়ো হয়েছিলেন অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে। সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকে। ঐতিহাসিকদের মতে, সেদিন জমায়েত হয়েছিল প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি জনজাতি সমাজের মানুষজন। শুধুমাত্র ইংরেজ নয়, পাশাপাশি স্থানীয় জমিদার ও মহাজনরাও সাঁওতালিদের ওপর জোর-জুলুম ও অত্যাচার চালাত। সেখানেই প্রাপ্য দাবি ছিনিয়ে নিতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন জনজাতির বীর সন্তানরা। এরপরেই শুরু হয় যুদ্ধ। বিদ্রোহের থেকে যুদ্ধ বলাই ভালো। কারণ ব্রিটিশ সেনাকে সেদিন নামতে হয়েছিল বীর জনজাতিদের বিরুদ্ধে লড়তে। ‘হুল’ ‘হুল’ ধ্বনিতে সেদিন আকাশ-বাতাস কেঁপে উঠেছিল বর্তমান ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, বাংলার পুরুলিয়া প্রভৃতি এলাকার।

    ভাগনাদিহি থেকে কলকাতার অভিমুখে সশস্ত্র পদযাত্রা

    সিধু-কানুর নেতৃত্বে ভাগনাদিহি থেকে কলকাতার অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করে প্রায় ৩০ হাজার সাঁওতাল। পরবর্তীকালে দেশ অনেক গণপদযাত্রার সাক্ষী থেকেছে। কিন্তু আজ থেকে ১৬৮ বছর আগে অধিকারের দাবিতে এমন পদযাত্রা যে কোনও স্বাধীনতাকামী মানুষের মনকে নাড়া দেয়। ঐতিহাসিকদের মতে, পদযাত্রার সময় অত্যাচারী দারোগা মহেশাল দত্ত ছয়-সাতজন সাঁওতাল নেতাকে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করে। এরপর ব্রিটিশ পুলিশ সিধু ও কানুকে গ্রেফতার করতে উদ্যত হলে বিক্ষুব্ধ সাঁওতাল বিপ্লবীরা ৭ জুলাই পাঁচকাঠিয়া নামক স্থানে মহাজন কেনারাম ভগত, মহেশাল দত্ত সহ ইংরেজ পক্ষের ১৯ জনকে হত্যা করেন এবং সেখানেই সাঁওতাল বিদ্রোহের আগুন প্রজ্বলিত হয়। গবেষকরা বলছেন, এরপর টানা আট মাস ধরে চলে সাঁওতাল বিদ্রোহ। দাপট, শৌর্য, বীরত্বে তখন ওই অঞ্চলগুলিতে শেষ হয় ব্রিটিশ আধিপত্য। ২১ জুলাই কাতনা গ্রামে ইংরেজ বাহিনী বিপ্লবীদের কাছে পরাজয় স্বীকার করে। রণে ভঙ্গ দেয় ব্রিটিশরা।

    জুলাই মাসেই বীরভূম জেলার তৎকালীন জনপদ নাগপুর বাজার ধ্বংস করে বিদ্রোহীরা। অভিযোগ, সেখানে সাঁওতাল জনগণকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য দেওয়ার পরিবর্তে অত্যাচার করা হত। ১৮৫৫ সালের অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সিধু-কানুর বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার ‘অস্বা সামরিক আইন’ (অস্ত্রশস্ত্র বহনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা) জারি করে। কিন্তু আন্দোলনের সামনে এখানেও পিছু হঠতে হয় ব্রিটিশদের। ১৮৫৬ সালের ৩ জানুয়ারি সামরিক আইন প্রত্যাহার করে তারা। আট মাসব্যাপী বিদ্রোহের শেষ পর্যায়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইংরেজদের সঙ্গে লড়াইয়ে সিধু নিহত হন এবং বিপ্লব সংগঠিত করার অপরাধে কানু মুর্মুকে ফাঁসি দেওয়া হয়। বিদ্রোহের অন্যতম বীরাঙ্গনা ফুলমণি মুর্মুকে ব্রিটিশ সেপাইরা নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করে তাঁর লাশ রেললাইনে ফেলে রেখে যায়, এমনটাই মত কোনও কোনও গবেষকদের। আজও এই বীরাঙ্গনা জনজাতি সমাজে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

    সাঁওতাল বিদ্রোহ (Hul Diwas) আমাদের সামনে এক দৃষ্টান্ত। যা স্মরণ করায় অন্যায়ের শিকার হয়ে সারাজীবন মাথা নিচু করার থেকে, মাথা উঁচু করে প্রতিবাদ অনেক সম্মানের, অনেক মর্যাদার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: রায়দিঘিতে বিজেপির বুথ সভাপতিকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: রায়দিঘিতে বিজেপির বুথ সভাপতিকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে তৃণমূলী তাণ্ডব শুরু হয়েছে। রাজ্যে এখন প্রধান বিরোধী শক্তি হচ্ছে বিজেপি। সেই বিজেপির (BJP) প্রার্থী এবং দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটছে জেলায় জেলায়। এবার বিজেপির বুথ সভাপতিকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি বিধানসভার বামুনের চক ১২৭ নম্বর বুথে। জখম বিজেপি কর্মীর নাম দেবাশিস হালদার। ইতিমধ্যেই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়দিঘি বিধানসভার খাঁড়াপাড়া এলাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন বিজেপির (BJP) বুথ সভাপতি দেবাশিস হালদার। সেই সময় কয়েক জন তৃণমূল কর্মী তাঁকে ঘিরে ধরে প্রথমে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে, রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে জখম ওই বুথ সভাপতিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর পর এলাকা ছেড়ে পালায় হামলাকারীরা।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মী?

    বিজেপির (BJP) বুথ সভাপতি দেবাশিসবাবু বলেন, বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূলের ছেলেরা আমাকে ঘিরে ধরে। বিজেপি না করার জন্য চাপ দেয় তারা। পঞ্চায়েতে হারলে বা জয়ী হলেও হামলা চালানো হবে এবং স্ত্রীর শাঁখা ভাঙার হুমকি দেওয়া হয়। আমি আপত্তি করলেই ওরা আমায় রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটায়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। হাতে, পায়ে গুরুতর চোট লাগে।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    স্থানীয় বিজেপি (BJP) প্রার্থী বিভাস কাজি বলেন, তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ নেই। ওরা সেটা বুঝে গিয়েছে। বিজেপির পক্ষেই এবার জনমত যাবে, এই আশঙ্কা করেই ওরা আমাদের দলীয় কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করছি। আর এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে, তাদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যুব তৃণমূলের সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বাপি হালদার বলেন, বিজেপি (BJP) নাটক করছে। এই ধরনের হামলার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। নিজেরা হারবে জেনে আগাম এসব সন্ত্রাসএর মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমাদের দলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছেে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: পঞ্চায়েত ভোটের মুখে আইসি বদল নন্দীগ্রামে! কী বলছেন শুভেন্দু?

    Nandigram: পঞ্চায়েত ভোটের মুখে আইসি বদল নন্দীগ্রামে! কী বলছেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের মুখে নন্দীগ্রামের (Nandigram) আইসি সুমন রায় চৌধুরিকে ছুটিতে পাঠাল রাজ্য। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হল জেলা ডিআইবি দফতরের কাশীনাথ চৌধুরিকে। আজই তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে নন্দীগ্রামের (Nandigram) আইসি সুমন রায় চৌধুরি ১৫ দিনের ছুটি চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। কাশীনাথ চৌধুরি আগেও নন্দীগ্রাম থানার দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    ভোটের আগে আইসি বদলে প্রশ্ন

    ভোটের আগেই এই আইসি বদলকে ঘিরে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। রাজনৈতিক মহলেও পড়ে গিয়েছে শোরগোল। এক্ষেত্রে নির্বাচন শান্তিতে সম্পন্ন হবে কি না, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই নন্দীগ্রাম রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলেছে। এখানেই পরাস্ত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের বিরুদ্ধে শাসক দলের হয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে বার বার সরব হয়েছেন নন্দীগ্রামের (Nandigram) বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।
    এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে হাইভোল্টেজ এলাকা বলে চিহ্নিত নন্দীগ্রাম। বিরোধীদের উপর হামলার বার বার অভিযোগ আসছে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বার বার অভিযোগ তুলেছেন, রাজ্য সরকার পুলিশকে কাজে লাগিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করে চলেছে। বিরোধীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে বলেও সরব শুভেন্দু। শান্তিপূর্ণ ভোটের আবেদন জানাচ্ছেন বিরোধীরা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে পুলিশের এই পরিবর্তনে কি শান্তিতে ভোট হবে বাংলা তথা নন্দীগ্রামে।

    আইসি বদল নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    এই ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘কোনও লাভ হবে না। এই আইসি ওদের ক্যাডার ছিল। এগুলো করে কোনও লাভ নেই। থানার টেবিল-চেয়ার-কম্পিউটার সব আমার সঙ্গে আছে। থানার প্রতিটা ইট আমার সঙ্গে আছে। ফলে কোনও একজন ব্যক্তিকে বদলে, এখানে কেন, কোথাও কোনও সুবিধা হবে না। আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি পুলিশ নির্ভর রাজনীতি করি না। পুলিশ নির্ভর রাজনীতি করে চোর তোলামূল। তাদের লাগে পুলিশ। আমাদের লাগে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Murder: ২০ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর মৃত বিজেপি কর্মীর স্ত্রীর

    BJP Murder: ২০ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর মৃত বিজেপি কর্মীর স্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবং-এর বলপাইতে বিজেপির বুথ সভাপতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের (BJP Murder) প্রায় ছয় ঘণ্টা পর সবং থানায় খুনের লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন মৃতের স্ত্রী বৈশালী সামন্ত। বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ সহ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব মৃতের স্ত্রীকে এদিন থানায় নিয়ে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করান। খুনের ঘটনায় মোট ২০ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, মৃত বিজেপির বুথ সভাপতি ও তাঁর পরিবারকে বার বার খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সাদা থান পরানোর হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়, এমনটাই দাবি মৃতের স্ত্রীর। তিনি আরও জানিয়েছেন, স্বামীকে ছেড়ে দেওয়ার কাতর আকুতি-মিনতি করে তৃণমূলের হাতে-পায়ে ধরলেও তারা ছাড়েনি, উপরন্তু তাঁকে লাথি মেরে সরিয়ে দেয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কী বললেন ভারতী ঘোষ?

    থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর এদিন বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ বলেন, ‘‘এই পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। শাসক দলের পক্ষ থেকে বার বার বলা হতে থাকে পঞ্চায়েতে যেন মনোনয়ন না করা হয়।’’ এদিন পুলিশকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ। তাঁর মতে, ‘‘পুলিশের কাছে বার বার নিরাপত্তার দরবার করলেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি সবং থানা।’’ এদিন কলকাতা হাইকোর্টে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

    কী বলছে বিজেপি জেলা নেতৃত্ব?

    বিজেপির দাবি, সবং-এর বলপাই ৯ নম্বর অঞ্চলের বুথ সভাপতি দীপক সামন্তকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির (BJP) তরফে অভিযোগ আনা হয়েছে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, ‘‘ঝুলন্ত মৃতদেহ (BJP Murder) উদ্ধার হয়নি। তাঁকে খুন করা হয়েছে। ২০২১ সালের ২ মে, আমরা যখন বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাই, তখন থেকে এঁর চাষ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এঁর ওপর প্রচণ্ড অত্যাচার করা হয়েছে। আমরা মানবাধিকার কমিশনে জানিয়েছি। আমাদের কাছে সেই সংক্রান্ত সমস্ত আবেদনপত্র আছে। এখনও পর্যন্ত তাঁর জমি আটকে রাখা হয়েছে, চাষ করতে দেওয়া হয়নি। তিন-চার দিন আগে আমাদের নেতারা যখন ওখানে প্রচারে গিয়েছিল, তখন উনিও সেই প্রচারে ছিলেন। এরপর তাঁকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হয়, যদি তিনি তৃণমূলে না আসেন, তা হলে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। ওনার স্ত্রীকে পর্যন্ত সাদা থান পরানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সেই ভিডিও আমাদের কাছে আছে। গত ২৫ তারিখ উনার বাবা মারা গেলে দাহ পর্যন্ত করতে দেওয়া হয়নি। এরপর এলাকার তৃণমূল নেতা তাঁর বাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। তারপরই উদ্ধার হল দেহ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার, ৩০/০৬/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার, ৩০/০৬/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) মানসিক শান্তি লাভ করবেন। কোনও বয়স্ক ব্যক্তির সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে আপনার পক্ষে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

    বৃষ

    ১)  দুপুর নাগাদ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কোনও সুসংবাদ পেতে পারেন। ধন লাভের সংযোগ তৈরি হচ্ছে। 

    ২) রাতে বন্ধুদের সঙ্গে কোনও মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। 

    মিথুন

    ১)  ব্যবসার কারণে চিন্তিত থাকবেন। ব্যবসায় কিছু প্রতিকূল পরিস্থিতির সংশোধন করতে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। 

    ২) আজ পরিবারের মধ্যে বাবা ও অফিসে আধিকারিকদের সাহায্যে লাভ ও আনন্দের সুযোগ পাবেন।

    কর্কট

    ১) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে কেনাকাটা করতে যেতে পারেন। 

    ২) সন্ধ্যাবেলা মায়ের সঙ্গে বিচারধারার মতভেদ দেখা দিতে পারে। 

    সিংহ 

    ১) সন্ধ্যাবেলা পরিজনদের সঙ্গে হাসিঠাট্টা করে কাটাবেন। স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। 

    ২) খাওয়া-দাওয়ায় সাবধানতা অবলম্বন করুন।

    কন্যা

    ১) সরকারি চাকরিজীবীরা লাভ ও উন্নতির সুযোগ পাবেন। আধিকারিকদের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখুন।  

    ২) আজ সারাদিন শুভ ও মাঙ্গলিক কাজে ব্যস্ত থাকবেন।

    তুলা 

    ১) শিক্ষা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করবেন। জ্ঞান বৃদ্ধি হবে। 

    ২) পরিবারের কোনও সদস্যের স্বাস্থ্য সমস্যা আপনার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকা কাজ ভাইদের সহযোগিতায় পূর্ণ করবেন। 

    ২) রাতের বেলা বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দে কাটাবেন।

    ধনু

    ১) সন্ধ্যাবেলা ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভব করবেন। 
     
    ২) আদালতে সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা চললে আজ সেই বিষয়ে অনুকূল সংবাদ পাবেন। 

    মকর

    ১) ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি অনুকূল। 

    ২) আর্থিক পরিস্থিতি আগের চেয়েও বেশি মজবুত হবে। 

    কুম্ভ

    ১) জীবনসঙ্গীর স্বাস্থ্য দুর্বল হওয়ায় চিন্তিত হতে পারেন। অসুস্থতার কারণে অর্থ ব্যয় হবে।  

    ২) প্রেম জীবনের জন্য দিন ভালো। অবসাদ দূর হবে।

    মীন

    ১) ব্যবসার গতি বাড়ায় ব্যস্ততা বজায় থাকবে। মনে আনন্দ জাগবে।

    ২) ছাত্রছাত্রীরা মানসিক ও বৌদ্ধিক যোগ্যতার দ্বারা লাভান্বিত হবেন।   

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: বারাকপুরে চিকিৎসক প্রজ্ঞার রহস্যমৃত্যুকাণ্ডে সিবিআিই তদন্তের দাবি পরিবারের

    CBI: বারাকপুরে চিকিৎসক প্রজ্ঞার রহস্যমৃত্যুকাণ্ডে সিবিআিই তদন্তের দাবি পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসক প্রজ্ঞাদীপা হালদারের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশি তদন্তে খুশি নয় পরিবার। তাই, এই খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল পরিবারের লোকজন। প্রজ্ঞাদীপার পক্ষের আইনজীবী বৃহস্পতিবার লিটন মৈত্র বলেন, পুলিশি তদন্তে আমরা খুশি নয়। এই খুনের ঘটনার আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। সোমবারই হাইকোর্টে এই মর্মে আবেদন জানানো হবে। ফলে, এই খুনের তদন্তের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে বলে পরিবারের লোকজনের দাবি। তাঁদের বক্তব্য, তদন্তে নানাভাবে প্রভবিত করা হয়েছে। ফলে, সঠিক তদন্ত হচ্ছে না। সিবিআই (CBI) তদন্ত একমাত্র পথ।

    আটদিনের পুলিশ হেফাজত সেনা চিকিৎসকের

    এদিনই প্রজ্ঞাকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া সেনা চিকিৎসক কৌশিক সর্বাধিকারীকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন প্রথম প্রজ্ঞাদীপার পরিবারের পক্ষ থেকে আইনজীবীকে আদালতে দাঁড় করানো হয়। মূলত, এই ঘটনায় পুলিশ ৩০৬ ধারা দিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল। এবার প্রজ্ঞার আইনজীবী আদালতে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে ৩০২ ধারা যুক্ত করার আবেদন জানান। কৌশিকের আইনজীবী সুদীপ মৈত্র পাল্টা বলেন, প্রজ্ঞা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তাঁকে কেউ মারধর করেনি। তিনি নিজেই শরীরে আঘাত করেছেন। দুই পক্ষের কথা শুনে বিচারক ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। প্রজ্ঞার আইনজীবী এদিন বলেন, যে চিকিৎসক প্রজ্ঞার ময়না তদন্ত করেছিলেন, তাঁকে সেনার এক আধিকারিক ফোন করেছিলেন। ফলে, প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে তা প্রমাণ। সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানাল পরিবারের লোকজন। অন্যদিকে, কৌশিকের বিরুদ্ধে সেনা দফতরের পক্ষ থেকে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারী অফিসারের মতে, কর্নেল কৌশিক সর্বাধিকারী এবং প্রজ্ঞা লিভ- ইন  করলেও তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়ে ছিল। তাই, প্রজ্ঞার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য ক্রমশ্য ঘনীভূত হচ্ছে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল কৌশিক সর্বাধিকারীর ঘরের ভিতর থেকে প্রজ্ঞার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তিনি প্রজ্ঞার সঙ্গে লিভ-ইনে থাকতেন। এই ঘটনার পর সুইসাইড নোটে নাম থাকায় সেনা চিকিৎসক কৌশিক সর্বাধিকারীকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দক্ষিণেশ্বরে তৃণমূল যুব নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, বেধড়ক মার, অভিযুক্ত দলের অন্য গোষ্ঠী

    TMC: দক্ষিণেশ্বরে তৃণমূল যুব নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, বেধড়ক মার, অভিযুক্ত দলের অন্য গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে তৃণমূলের (TMC) যুব নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি। পরে, লোহার রড, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণেশ্বর থানার আড়িয়াদহ এলাকায়। আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতার নাম অরিত্র ঘোষ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে বেলঘরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, একটি গণ্ডগোল হয়েছে। গুলি চলার কোনও প্রমাণ নেই। সমস্ত ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বৃহস্পতিবার যুব তৃণমূল (TMC) নেতা অরিত্র ঘোষ বাইকে চেপে অফিসে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। কিন্তু, যুব তৃণমূল নেতার গায়ে লাগেনি। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর হামলাকারীরা তাঁকে ঘিরে ধরে রাস্তায় ফেলে মারধর করে। লোহর রড, বাঁশ দিয়ে যুব তৃণমূল নেতাকে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। হামলার জেরে তাঁর হাত-পা ভেঙে গিয়েছে। হামলার অভিযোগ তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠী জয়ন্ত সিং ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC)?

    আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতা অরিত্র ঘোষ বলেন, আমি বাইকে করে অফিসে যাচ্ছিলাম। বাড়ি থেকে বেরোনোর পরেই জয়ন্ত সিংহ এবং তাঁর দলের লোকেরা আমাকে গুলি করে। গুলিটা পায়ের ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। আমি বাইক থেকে পড়ে যাই। তার পর ওরা আমাকে রড, লাঠি দিয়ে আধ ঘণ্টা ধরে মারে। আমি চাই প্রশাসন এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিক।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, ঘটনার কথা আমি শুনেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও বিষয় নেই। স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলব। দলগত কিছু হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, অরিত্র আমাদের দলের কর্মী। ওর নামে কোনও অভিযোগ নেই। প্রকাশ্যে দিবালোকে পর পর দুরাউন্ড গুলু চলেছে। পুলিশের ভুমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন করতে শুরু করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: তৃণমূল-নির্দল সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মালদা, ৮টি বাড়ি ভাঙচুর, দুটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

    Malda: তৃণমূল-নির্দল সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মালদা, ৮টি বাড়ি ভাঙচুর, দুটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল এবং বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মালদার (Malda) ইংরেজ বাজারের ফুলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নগরিয়া গ্রাম। দুই পক্ষের একাধিক কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। বাড়িতে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। পরে, পুলিশ গিয়েছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    মালদার (Malda) ইংরেজ বাজারের ফুলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ১২টি আসন রয়েছে। এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা জাহিদুল শেখের গোষ্ঠীর লোকেরা সমস্ত আসনে টিকিট পেয়েছে। অপরদিকে লাকি আলির গোষ্ঠীর কেউ এবার গ্রাম পঞ্চায়েতে টিকিট পাননি। জাহিদুল এবং লাকি আলি দুজনেই তৃণমূলের দাপুটে নেতা। স্বাভাবিকভাবে লাকি আলির কেউ টিকিট না পাওয়ায় তাঁরা কেউ নির্দলে, কেউ বা আবার কংগ্রেসের চিহ্নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই দুই নেতার এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় আটটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। দুটি বাড়িতে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়। পরে, এলাকায় টহল দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিরোধীদের চক্রান্তেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মালদা (Malda) জেলার নেতা দুলাল সরকার। তিনি বলেন, সবাই প্রার্থী হতে চাইছে। যারা সেই সুযোগ পায়নি, তাদের বিরোধীরা মদত দিচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ রয়েছে। জনতার রায় শাসক দলের পক্ষেই যাবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা অম্লান ভাদুড়ি বলেন, এটা তৃণমূলের নিজস্ব বিষয়। নিজেদের মধ্যে ওরা লড়াই করছে। পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের কোন্দল প্রকট আকার ধারণ করেছে। আর এই গণ্ডগোলের জন্য সাধারণ মানুষের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় তা দেখার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন রাখব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • US Airport: বিকল সামনের চাকা! জরুরি অবতরণ বিমানের, প্রাণ রক্ষা ৯৬ যাত্রীর

    US Airport: বিকল সামনের চাকা! জরুরি অবতরণ বিমানের, প্রাণ রক্ষা ৯৬ যাত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্পের জন্য রক্ষা পেল ৯৬ জন যাত্রী সমেত একটি বিমান। আকাশপথে কোনও গোলযোগ ছিলনা। বিপত্তি দেখা গেল ল্যান্ডিং এর সময়। রানওয়েতে নামার সময় কোনও ভাবেই খুললই না সামনের চাকা। প্রসঙ্গত বিমানের ভাষায় একে ল্যান্ডিং গিয়ার বলে। সেই অবস্থাতেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিমান নামাতে হল পাইলটকে। এর জেরে যাত্রী মহলে শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার শার্লট ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (US Airport)। বিমানবন্দরের আধিকারিকরা যদিও জানিয়েছেন, এর ফলে কেউ হতাহত হননি। তবে যাত্রীদের আতঙ্ক যেন কিছুতেই কাটছে না।

    বুধবার সকালেই ঘটে এই বিপত্তি

    জানা গিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে ৯৬ জন যাত্রী নিয়ে আটলান্টা থেকে নর্থ ক্যারোলাইনায় উদ্দেশে উড়ে যায় ডেল্টা এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭১৭ বিমান। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় স্থানীয় শার্লট ডগলাস বিমানবন্দরে (US Airport) নামার সময়েই। বিমানবন্দরে নামার সময় পাইলট লক্ষ্য করেন সামনের ‘ল্যান্ডিং গিয়ারে’ কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। 

    কীভাবে অবতরণ?

    বিমানবন্দরের এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলকে সমস্যার কথা জানান তিনি। এর পাশাপাশি, জরুরি অবতরণের জন্য অনুমতিও চান পাইলট। শেষমেশ মেলে অনুমতিও। সবুজ সঙ্কেত পেতেই পাইলট বিমানটিকে রানওয়ে বরাবর নামিয়ে আনেন খুব সন্তর্পণে। রানওয়ের মাটি ছুঁতেই বিমানের সামনের অংশ ঘষটে ঘষটে এগোতে থাকে। এর ফলে ঝাঁকুনি শুরু হয় বিমানের অভ্যন্তরে। যাত্রীদের যাতে নিরাপদে বিমান থেকে বার করে আনা যায়, তাই আগে ভাগেই সব কিছু প্রস্তুতি রেখেছিল কর্তৃপক্ষ। বিমানটি কোনও ভাবে থামতেই যাত্রীদের তড়িঘড়ি বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। মার্কিন দেশের উড়ান প্রশাসন দ্য ফেডেরাল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share