Tag: Bengali news

Bengali news

  • TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল নেতাদের নিয়ে একী বললেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়?

    TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল নেতাদের নিয়ে একী বললেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এক সময় যারা সাইকেল চড়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন, তৃণমূল (TMC) নেতা হয়ে এখন চারচাকা নিয়ে ঘুরছেন। টালি বাড়ি থাকা শাসক দলের নেতা এখন অট্টালিকা হাঁকিয়েছে। বিরোধীরা বার বার শাসক দলের নেতাদের সম্পর্কে এই অভিযোগ করেন। এবার সেই বিরোধীদের অভিযোগকে মান্যতা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই দলীয় সভায় তিনি বলেছিলেন, দলে কিছু মানুষ খারাপ হতে পারে। তবে, সবাই খারাপ হতে পারে না। আমি চোর হতে পারি, কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চোর হতে পারে না। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার দলীয় নেতা কর্মীদের (TMC)  জীবনযাত্রা নিয়ে সতর্ক করলেন মন্ত্রী। খড়দহের বিলকান্দায় দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের এই মন্ত্রী বলেন,আমি ২৪ বছর প্রেসিডেন্ট হয়েও স্কুটার চালিয়েছি। আর আজকাল দেখি পাড়ার প্রেসিডেন্ট সেও একটা গাড়ি করে ফেলেছে। কোথা থেকে আসে, কে দেয় এই টাকা। এইটুকু ত্যাগ করলে তবেই না মানুষ ভালবাসবে। আমি চাইব, আমার সহকর্মী বন্ধুরা যারা দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছেন, তাঁরা ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে চরিত্রটাকে নষ্ট করবেন না।

    পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? TMC

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থীর জীবনযাত্রা দেখে ভোট দেওয়ার কথা বললেন খড়দহের বিধায়ক। তিনি বলেন, আবার একটা পঞ্চায়েত নির্বাচন আসছে। যাকে মনে হবে আপনারা ভোট দিয়ে জেতাবেন। কিন্তু, ভোটটা দিয়ে বাড়ি ঢুকে যাবেন না। খেয়াল রাখবেন  যাকে ভোট দিলেন তাঁর জীবনযাত্রা, চলাফেরা পাল্টে গেল কিনা। পঞ্চায়েত সদস্য হওয়ার কদিনের মধ্যেই বাড়ির চেহারা পাল্টাচ্ছে কিনা, বাড়িতে নতুন গাড়ি ঢুকলো কিনা, এগুলো দয়া করে দেখবেন। সাধারণ মানুষের কাজ নজর রাখা। শুধু ভোট দিয়ে দায়সারা নয়। আপনাকেও আপনার জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে বলে দলীয় নেতাদের (TMC)  সতর্ক করেন তিনি।

    সিপিএমকে তোপ দেগে কী বললেন মন্ত্রী? TMC

    সিপিএমকে আক্রমণ করে মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ছাত্রপরিষদ করার কারণে এন্ড্রুজ কলেজের একজনকে সুজন চক্রবর্তী সারা গায়ে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। আর এদের এখন লাফানো দেখে মনে হয় সবাই তিলক দিয়ে বৈষ্ণব হয়ে গিয়েছে। ৩৪ বছর ধরে কি অত্যাচার এরা করেছে, আমরা ভুলে যাইনি, বাংলার মানুষও ভুলে যায়নি। এখন সব বড় বড় কথা বলছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।+-

  • President Of India: বিশ্বভারতী ঘুরে অভিভূত দ্রৌপদী মুর্মু!  সমাবর্তনে কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    President Of India: বিশ্বভারতী ঘুরে অভিভূত দ্রৌপদী মুর্মু! সমাবর্তনে কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এলেন। ঘুরে দেখলেন। আর হিন্দি ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষায় বক্তব্য রেখে সকল পড়ুয়ার মন জয় করে নিলেন। রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  কাছ থেকে দেখে এবং তাঁর বক্তব্য শুনে অভিভূত পড়ুয়ারা। প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায়, অনসূয়া দে নামে পড়ুয়ারা বলেন, রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  এত কাছ থেকে দেখব ভাবতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলে-মেয়ের সংখ্যা সমান সমান জেনে তিনি খুশি হয়েছেন। মেয়েদের আরও এগিয়ে যাওয়ার তিনি বার্তা দিয়েছেন। আমরা খুব খুশি। এই প্রথম রাষ্ট্রপতি (President Of India)  বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে এলেন। রাষ্ট্রপতি (President Of India)  আসবেন বলে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের চত্বর কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল। নো ফ্লাইং জোন ছিল গোটা এলাকা। হেলিকপ্টারে নামার পর কনভয়ে করে  রাষ্ট্রপতি সোজা বিশ্বভারতী চলে যান। শান্তিনিকেতনে এসে প্রথমে রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় যান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) । সেখানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত চেয়ারে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিনি। সংগ্রহশালায় কবিগুরুর ব্যবহৃত সামগ্রী, পাণ্ডুলিপি, আঁকা ছবি তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন। ভিজিটর বুকে নিজের মতামতও লেখেন তিনি। পরে, বিশ্বভারতীর অন্যতম কলাভবন ঘুরে দেখেন দ্রৌপদী মুর্মু। কলাভবনে খোলা আকাশের নীচে নির্মিত ভাস্কর্যগুলি ঘুরে দেখেন তিনি। সেখান থেকে ছাতিমতলায় এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি তথা বিশ্বভারতীর পরিদর্শক দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) । তারপর আম্রকুঞ্জের জহর বেদীতে সমাবর্তনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সঙ্গে ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। প্রথা অনুযায়ী সপ্তপর্ণী (ছাতিম পাতা) তুলে দেন বিভিন্ন ভবনের অধ্যক্ষ ও বিভাগীয় প্রধানের হাতে। বিশ্বভারতীর তরফে রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  বিশ্বকবির একটি প্রতিকৃতি উপহার দেন উপাচার্য।

    সমাবর্তনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কী  বললেন রাষ্ট্রপতি? President Of India

    মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) বলেন,”সকল উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের আমার অভিবাদন। জীবনে সফল হও। আমি আপ্লুত বিশ্বের একজন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আমি পরিদর্শক। এটা আমার প্রাপ্তি। আমি গতকাল (সোমবার) গুরুদেবের বাড়িও ঘুরে দেখেছি। দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতার মাটিতে এসে আমি খুশি।” ছোটবেলায় শান্তিনিকেতনের কথা শুনতেন দ্রৌপদী মুর্মু, সেই স্মৃতিচারণও করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমি ছোটবেলায় শান্তিনিকেতনের কথা শুনতাম। শুনতাম এখানে গাছের তলায় পড়াশুনা করানো হয়। গুরুদেবের সময় থেকেই চলে আসছে। আমি আজ নিজে দেখলাম সেই শান্তিনিকেতন। খুব আনন্দিত। এক কথায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতীর শিক্ষা ও পরিবেশের প্রসংশায় পঞ্চমুখ ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত ঘনিষ্ঠকে পার্টি অফিসে মারধর করে বের করে দিলেন কাজল অনুগামীরা! কোথায় জানেন?

    Anubrata Mondal: অনুব্রত ঘনিষ্ঠকে পার্টি অফিসে মারধর করে বের করে দিলেন কাজল অনুগামীরা! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এখন তিহার জেলে রয়েছেন। এবারই প্রথম অনুব্রতহীন (Anubrata Mondal)  পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই এই জেলায় এবার সংগঠন দেখার রাশ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের হাতে নিয়েছেন। ২৪ মার্চ কালীঘাটে তিনি বীরভূম জেলার নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দলীয় নেতার বিরুদ্ধে মুখ খোলার জন্য কাজল শেখকে তৃণমূল নেত্রী ধমক দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে, কালীঘাটের মিটিং নিয়ে বীরভূমে শাসক দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে নানুরে দলীয় কার্যালয়ে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  ঘনিষ্ঠ সংখ্যালঘু সেলের নেতা রিঙ্কু চৌধুরীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে কাজল শেখের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের ওই নেতার জামাও ছিঁড়ে দেওয়া হয়। পরে, তাঁকে পাটি অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  অনুগামী এবং কাজল অনুগামীদের কোন্দল নিয়ে ফের সরগরম বীরভূমের রাজনীতি।

    ঠিক কী হয়েছিল? Anubrata Mondal

    এমনিতেই কাজল শেখের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বরাবরই দ্বন্দ্ব রয়েছে। কারণ, নানুর গণহত্যায় কাজল শেখের পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়। আর এই গণহত্যার নেপথ্যের নায়ক তত্কালীন বাম নেতা রানা সিংহ বলে কাজল শেখের অনুগামীদের দাবি। ফলে, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর কেষ্ট মণ্ডলের (Anubrata Mondal) হাত ধরে রানা সিংহ তৃণমূলে যোগ দেন। যেটা কাজল শেখ ভালোভাবে মেনে নেয়নি। প্রকাশ্যে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। কিন্তু, অনুব্রতের (Anubrata Mondal) ক্ষমতাবৃদ্ধি যত হয়েছে, কাজল শেখ তত দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। গরু পাচারকাণ্ডে কেষ্টর (Anubrata Mondal)  জেলযাত্রার পর থেকে বীরভূমে কাজল ফের স্বমহিমায়। তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশে তিনি কোর কমিটিতে ঠাঁই পান। ফলে, কাজলের অনুগামীরা এখন চাঙা। গোটা এলাকা তাঁরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  শনিবার দলীয় কার্যালয়ে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  ঘনিষ্ঠ সংখ্যালঘু সেলের নেতা রিঙ্কু চৌধুরী বসেছিলেন। সেখানে অন্যান্য কর্মীরাও ছিলেন। কালীঘাটের বৈঠক নিয়ে কার্যালয়ে আলোচনা হয়। সেই সময় তৃণমূলের নানুর ব্লকের সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য কার্যালয়ে ঢোকেন। তাঁর উপস্থিতিতে  বচসা শুরু হয়। এরপরই কাজল শেখের অনুগামীরা তাঁর উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল নেতা রিঙ্কু চৌধুরী? Anubrata Mondal

    দলীয় কার্যালয় থেকে জামা ছিঁড়ে বের করে দেওয়ার ঘটনায় দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে।  কারণ, রিঙ্কু অনুব্রত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাই, তাঁর উপর হামলা চালানোর অর্থ কেষ্ট মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)  কাজল অনুগামীরা আমল দিতে নারাজ তা প্রমাণ হয়ে গেল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। হামলার প্রসঙ্গে রিঙ্কু চৌধুরী বলেন, আমি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)  অনুগামী। আমি দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলাম। কাজল শেখ, সুব্রত ভট্টাচার্যরা বলল অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)  কোনও লোককে পার্টি অফিসে ঢুকতে দেওয়া হবে না। পার্টি অফিসে থাকতে পারবে না। এরপরই ওরা আমার উপর হামলা চালায়। মারধর করে জামা ছিঁড়ে আমাকে কার্যালয় থেকে বের করে দেয়।

    কী বললেন তৃণমূলের নানুর ব্লকের সভাপতি? Anubrata Mondal

    তৃণমূলের নানুর ব্লকের সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, মারধর করা হয়নি। এটা মিথ্যা অভিযোগ। রিঙ্কু পার্টি অফিসে এসে কালীঘাটের বৈঠক নিয়ে কর্মী-নেতাদের বিরুদ্ধে নানা প্ররোচনামূলক কথা বলতে থাকেন। আমাদের দলের কর্মীরা তাতে রেগে যায়। আমি রিঙ্কুকে কার্যালয় থেকে চলে যেতে বলি। কিন্তু, ও আমাকে মারধর করতে আসে। এটা দেখেই দলের ছেলেরা রেগে যায়। তারা পার্টি অফিস থেকে তাকে বের করে দেয়। তাঁকে কোনও মারধর করা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fish: গঙ্গায় মাছ ধরতেও তৃণমূলকে দিতে হচ্ছে তোলা! কোথায় জানেন?

    Fish: গঙ্গায় মাছ ধরতেও তৃণমূলকে দিতে হচ্ছে তোলা! কোথায় জানেন?

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নদীর তীরে বড় করে হোর্ডিং লাগানো রয়েছে। তাতে ফরমান দেওয়া হয়েছে গঙ্গা থেকে মাছ (Fish) ধরতে গেলেই দিতে হবে টাকা। বলা ভাল তোলা। ডিসপ্লে বোর্ডে কত পরিমাণ তোলা দিতে হবে তার উল্লেখ রয়েছে। জাল হিসেবে মাছের দাম প্রতি ২০ শতাংশ হারে টাকা দিলেই মাছ (Fish)  ধরা যাবে। মালদহের মানিকচক ঘাটে এই ঘটনা জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়়েছেন মত্স্যজীবারা। কারণ, জলকরের নামে তোলা নেওয়ার অভিযোগ। তোলা না দিলে জুটছে হুমকি! শতকরা ২০ থেকে ৩০ টাকা করে তোলা নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের একাংশের মদতেই এই কারবার চলছে বলে অভিযোগ। জেলা ও ব্লক প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন মানিকচকের মৎস্যজীবীরা।

    তোলা নেওয়া নিয়ে মত্স্যজীবীদের কী বক্তব্য? Fish

    ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন গঙ্গায় মাছ (Fish)  ধরতে মত্স্যজীবীদের কোনও কর দিতে হবে না। একই নির্দেশ দেয়  হাইকোর্ট। কিন্তু, কলকাতা হাইকোর্ট এবং রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা  বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তৃণমূলের ছত্রছায়াতে থাকা দালালরা অবাধে তোলাবাজি চালাচ্ছে। এই বিষয়ে মৎস্যজীবীরা ইতিমধ্যেই ব্লক প্রশাসন থেকে জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।    এক মত্স্যজীবী বলেন, গঙ্গায় জাল ফেলে প্রায় ৭ হাজার টাকার মাছ (Fish)  ধরেছিলাম। মাছ নিয়ে ঘাটে আসতেই তোলাবাজরা আমাদের থেকে টাকা দাবি করে। আমরা তা দিতে অস্বীকার করলে মাছ ও জাল সব কেড়ে নেয়। পরে, তাদের দাবি মতো টাকা দিয়ে ছাড়া পাই। মোথাবাড়ি ধীবর সমবায় সমিতির কর্মকর্তা পঞ্চানন মাহাত বলেন,  সরকারি নিলামে ১১ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৯৯ টাকায় আমি লিজ নিয়েছি। আমার কাছে জলকর আদায়ের বৈধ কাগজ আছে। সেই অনুযায়ী আমরা মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে জলকর নিচ্ছি। তবে, ২০ শতাংশ হারে নয়, ৫ শতাংশ হারে আমরা জলকর নিচ্ছি। ফলে, কোনও তোলাবাজি করছি না।

     বিজেপি নেতা গৌড় চন্দ্র মণ্ডল বলেন,  তোলা নেওয়া বন্ধ না হলে মৎস্যজীবীদের নিয়ে আন্দোলনে নামব। কারণ, যারা তোলা নিচ্ছে তাদের মাথার উপর তৃণমূল নেতাদের হাত রয়েছে। তাই, সরকারি নির্দেশকে অমান্য করার সাহস দেখাচ্ছে। অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, গঙ্গার উপরে মাছ (Fish)  ধরার ক্ষেত্রে কোন জলকর নেওয়া হয় না। গঙ্গা সবার। যারা ২০ টাকা, ৩০ টাকা করে জল কর আদায় করছেন তারা আইনবিরোধী কাজ করছেন। আমি ব্লক প্রশাসনকে এ বিষয়ে জানাব।    এ বিষয়ে মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া বলেন, গঙ্গায় মাছ (Fish)  ধরার ক্ষেত্রে মৎস্যজীবীদের কাউকে কোনও কর দিতে হবে না। যদি কেউ নেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ECL:  আসানসোলে ইসিএল কোলিয়ারির গাড়ি আটক করে বিক্ষোভে এলাকাবাসী, কেন জানেন?

    ECL: আসানসোলে ইসিএল কোলিয়ারির গাড়ি আটক করে বিক্ষোভে এলাকাবাসী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাত হলেই  গাড়ি করেই দিনের পর দিন পাচার হয়ে যেত ইসিএল (ECL) কোলিয়ারির জিনিসপত্র। বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকাবাসীর কাছে এই অভিযোগ আসছিল। বৃহস্পতিবার রাতে পাচার হওয়ার সময় এলাকার বাসিন্দারা জোটবদ্ধ হয়ে জিনিসপত্র সহ গাড়ি আটক করেন। আসানসোল ইসিএল (ECL)  এর সোদপুর এরিয়ার বন্ধ মাউদডি কোলিয়ারির এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, বন্ধ কোলিয়ারির বিভিন্ন সামগ্রী একটি পিকআপ ভ্যানে করে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছিল। সোদপুর গ্রামের বাসিন্দারা ওই পিকআপ ভ্যানটিকে আটক করেন। পরে, গাড়ি চালকের কাছে কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু, তিনি তা দেখাতে পারেননি। তখনই তাঁরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    কোলিয়ারির জিনিসপত্র পাচার নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী? ECL

    বন্ধ কোলিয়ারির জিনিসপত্র পাহাড়া দেওয়ার জন্য নিরাপত্তারক্ষী রয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দিনের বেলায় কেউ কয়লার গুঁড়ো নিতে আসলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের তাড়া করেন। আমরা পদক্ষেপকে প্রশংসা করছি। কিন্তু, রাতের অন্ধকারে গাড়ি ভরতি করে কোলিয়ারি ভিতর থেকে জিনিসপত্র সামগ্রী পাচার হয়ে যাচ্ছে, তা দেখার সময় নিরাপত্তারক্ষীদের নেই। আসলে ইসিএল (ECL)  কোলিয়ারির কর্তৃপক্ষের একাংশের মদতেই রমরমিয়ে এই  পাচার চলছে। গত কয়েকদিন ধরে দেদার জিনিসপত্র পাচার হয়ে যাচ্ছিল। এদিনও তারা গাড়ি করে জিনিসপত্র পাচার করার সময় ধরা পড়ে যায়। আমাদের বক্তব্য, গাড়ি করে যে সব জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা জরুরি কিছু নয়। তাই, দিনেরবেলায় নিয়ে গেলে কারও কোনও আপত্তি থাকত না। কিন্তু, রাতের অন্ধকারে এভাবে জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়াতে আমাদের সন্দেহ হচ্ছে।

    ইসিএল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য? ECL

    জিনিসপত্র নিয়ে গাড়ি পাচার করার সময় এলাকাবাসী দীর্ঘক্ষণ আটক করে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে আসেন ইসিএল (ECL)  কোলিয়ারির ম্যানেজার মহম্মদ একলাখ খান। তিনি বলেন, কোনও পাচার করার জন্য গাড়ি করে জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল না। নিয়ম মেনেই এই কোলিয়ারি থেকে আমাদের মেন অফিসে জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গাড়ির চালকের কাছে চালানো রয়েছে। এলাকাবাসী আমাদের ভুল বুঝে বিক্ষোভ দেখান। তবে, ম্যানেজারের বক্তব্য এলাকাবাসী মানতে চাননি। তাঁরা কুলটি থানার নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে গাড়িসহ জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road: রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের! কোথায় জানেন?

    Road: রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পথশ্রী প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাজ্য জুড়ে ঝাঁ চকচকে রাস্তা (Road) তৈরি করা হচ্ছে। এমনই দাবি তৃণমূল সরকারের। কিন্তু, বাস্তবে সেই উন্নয়নের ছিঁটেফোঁটা লাগেনি দক্ষিণ দিনাজপুরের  গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি 2 /১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এলাকায় বেহাল মাটির রাস্তা নিয়ে জেরবার এলাকাবাসী। জানা গিয়েছে, কার্গিল মোড় থেকে নয়াবাজার ঘাট ও নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কৃষ্ণচূড়া মোড় থেকে পশ্চিম যাদবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত মাটির রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে  বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে।  বর্ষার সময় এই মাটির রাস্তা (Road) দিয়ে হাঁটাচলা করা দায় হয়ে দাঁড়ায়। এরফলে নয়াপাড়া, যাদববাটি ,দক্ষিণ বেলবাড়ি, মোহিনীপাড়া সহ সংলগ্ন এলাকার কয়েক হাজার মানুষদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তা (Road) সংস্কার করার জন্য দরবার করেছি। কিন্তু, প্রশাসনের হেলদোল নেই। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই, আমরা জোটবদ্ধ হয়ে  এই বেহাল রাস্তা (Road) সংস্কারের দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছি। শুধু তাই নয় এলাকার কৃষ্ণচূড়া মোড়ে ভোট বয়কটের পোস্টারও লাগানো হয়। পোস্টারে লেখা রয়েছে, দীর্ঘদিনের বেহাল রাস্তা (Road) সংস্কার করা না হলে ভোট বয়কট করা হবে।

    কী বললেন শাসক দলের জনপ্রতিনিধিরা? Road

    ভোট বয়কটের বিষয় নিয়ে বেলবাড়ি 2 /১গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ঝর্ণা কর্মকার বলেন, ইতিমধ্যেই রাস্তার (Road) টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে চক্রান্ত করে পোষ্টার লাগিয়েছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। আমরা ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন করি। ফলে, সাধারণ মানুষ জানেন এসব পোস্টার দিয়ে বিভ্রান্ত করে কোনও লাভ হবে না। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মিঁয়া বলেন, নয়াবাজারের রাস্তার (Road) কাজের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি, অন্যান্য রাস্তার (Road) কাজ‌ও পঞ্চায়েত ভোটের আগে করা হবে।

    বেহাল রাস্তা নিয়ে কী বলছে বিজেপি নেতৃত্ব?

    গ্রামবাসীদের ভোট বয়কট প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে রাস্তার দাবিতে ভোট বয়কটের পোষ্টার দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনের ব্যর্থতা ও তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কোন্দলের কারণে রাস্তা সংস্কারের কাজ হয়নি। তবে, ভোট বয়কট গনতান্ত্রিক পদ্ধতি নয়, মানুষের গনতান্ত্রিক উপায়ে এই বঞ্চনার জবাব দিতে হবে।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • President Of India: বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে আসছেন রাষ্ট্রপতি, কার আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের?

    President Of India: বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে আসছেন রাষ্ট্রপতি, কার আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুড়ে সাজ সাজ রব। আর পাঁচদিন পর ২৮ মার্চ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মু আসছেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এই প্রথম রাজ্য সফরে আসছেন তিনি। তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কড়াকড়ি থাকবে। রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তায় কোনও ধরনের খামতি রাখতে নারাজ ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি, জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। সেই কারণে দেশের প্রথম নাগরিকের সফরের আগেই শান্তিনিকেতন সহ যে যে সম্ভাব্য জায়গায় তিনি যেতে পারেন, তা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। তবে, বিষধর সাপই এখন রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ। ফলে, নিরাপত্তার জন্য বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বনদপ্তরের  কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি শুক্রবার সাপ ধরায় পারদর্শী বন দপ্তরের একটি দল বিশ্বভারতী গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি সফরের বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়? President of India

    রাষ্ট্রপতির (President of India)  সফরকে ঘিরে তুঙ্গে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির নির্দেশে শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জে একটি বৈঠকও হয়। বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি (President of India)  যে সকল সম্ভাব্য জায়গাগুলিতে যেতে পারেন, তাও পরিদর্শন করেন আধিকারিকরা। রবীন্দ্র ভবন, রবীন্দ্র অতিথি গৃহ, বিনয় ভবন লাগোয়া হেলিপ্যাডও ঘুরে দেখেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। রাস্তার ধারে থাকা বিভিন্ন আগাছা ছেঁটে ফেলারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলেও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিষধর সাপ। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর পরিদর্শনের সময় সাপের উপদ্রবের বিষয়টির কথা আধিকারিকরা জানতে পারেন। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বভারতীতে বিষধর সাপের উপদ্রব রয়েছে। জঙ্গল ঘেরা লালবাঁধ, পম্পা লেকে বিষধর সাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পড়ুয়া থেকে শুরু করে অধ্যাপকরা। সেই কারণে রাষ্ট্রপতির সফর চলকালীন স্নেক ক্যাচার রাখার নির্দেশ দিয়েছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা।

     বিষধর সাপ নিয়ে কী বক্তব্য বনদপ্তরের? President of India

    বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্রভবনের অতিথিশালা, শ্যামলী, কোনার্ক, উদয়ন, লালবাঁধ, পম্পা লেক এই এলাকাগুলিতে প্রচুর ঝোঁপ-জঙ্গল রয়েছে। তার উপর সূর্যের আলো না পড়ায় স্যাঁতসেতে। তাই সাপের আশ্রয়স্থল। সাপের উপস্থিতি দেখেই ঘুম গিয়েছে রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের। সঙ্গে সঙ্গেই বন দপ্তরকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপরেই বনদফতরের আধিকারিকরা বিশ্বভারতীতে যান। এডিএফও শ্রীকান্ত ঘোষ বলেন, বুধবারই বন দফতরের টিম বিশ্বভারতীতে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। আমি নিজেও গিয়েছিলাম। উদয়ন, কলাভবনের বেশ কিছু জায়গায় সাপ আছে। ইতিমধ্যেই বন দপ্তরের একটা টিম বিশ্বভারতীতে পৌঁছে গেছে। যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার সব নেওয়া হবে। আজ থেকে রাষ্ট্রপতির (President of India)  সফর শেষ হওয়া পর্যন্ত বিশ্বভারতীতে থাকবে ওই দলটি। আমাদের দিক থেকে সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বঞ্চনা করেছে তৃণমূল সরকার! কেন বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    BJP: উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বঞ্চনা করেছে তৃণমূল সরকার! কেন বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ উত্তরবঙ্গের ব্যাপক উন্নয়ন করার স্বপ্ন দেখিয়ে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে গঠন করে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। আর সেই সঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়। নতুন দপ্তর গঠন করে এই দপ্তর উত্তরবঙ্গের শহর থেকে গ্রাম, প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য কাজ করবে। ফলে, উত্তরবঙ্গের মানুষের আর কোনও অভাব, অভিযোগ থাকবে না। আর উন্নয়নের সেই স্বপ্নফেরি করে মা মাটি মানুষের সরকার গত এক যুগ ধরে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। কিন্তু,বাস্তবে মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণা মতো কাজ হয়নি। এমনকী  সেভাবে উন্নয়ন যে হয়নি তা এই ১২ বছরে উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন হারে হারে বুঝতে পারছেন। আর উত্তরবঙ্গের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের সীমাহীন এই বঞ্চনার অভিযোগে আন্দোলনে নামতে চলেছে বিজেপি। বিজেপি (BJP)  বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ শিলিগুড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই উত্তরবঙ্গের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের আন্তরিকতার উদ্যোগের কথা বলুন না কেন বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও মিল নেই। রাজ্যের তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষ প্রতি সীমাহীন বঞ্চনা করে চলেছে আর সেটা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাজেটেই প্রতিফলিত হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনঘন উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

    উত্তরবঙ্গকে বঞ্চনা নিয়ে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক? BJP  

     গত কয়েক বছরের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বাজেটের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP)   বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, ২০১৯- ২০ সালে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর ৬০৭ কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করেছিল। তাতে খরচ হয়েছে ৪৪৬ কোটি টাকা । তারপরের আর্থিক বছরে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বরাদ্দ ছিল ৭১০ কোটি টাকা। আর কাজ হয়েছে মাত্র ২৪৬ কোটি টাকা।  ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষে বরাদ্দ হয়েছিল ৭৫৯ কোটি টাকা। সেই আর্থিক বছরে কাজ হয়েছে ১৭০ কোটি টাকা।  ২০২২-২৩ আর্থিক বর্ষে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ ছিল ৭৮২ কোটি টাকা। আর কাজ হয়েছে ৩০৮ কোটি টাকার। বাজেটে যা বরাদ্দ  হচ্ছে তার ২২ থেকে ৪০ শতাংশ মাত্র কাজ হচ্ছে। 

    উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে কী করছে কেন্দ্রীয় সরকার? BJP

    উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার উন্নয়নের বাজেটে যে পরিমাণ  অর্থ বরাদ্দ করে, তার থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ এই উত্তরবঙ্গের জন্য কেন্দ্রের বিজেপি (BJP)   সরকার বরাদ্দ করে বলে শঙ্করবাবু দাবি করেন। তিনি বলেন, বালাসন থেকে শালুগাড়া পর্যন্ত রাস্তাটি তৈরি হতে চলেছে কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতায়। তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৩০০ কোটি টাকা।  তাহলে এরপরেও কি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে কৃতিত্ব দাবি করবেন। উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর আন্তরিকতার কথা বলবেন? উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP)    লাগাতার আন্দোলনে নামবে। উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বঞ্চনার পুরোটাই আমরা মানুষের সামনে তুলে ধরব।

    বঞ্চনা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

     বিজেপি বিধায়কের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছে তৃণমূল। তুণমূলের দার্জিলিং জেলার ( সমতল) মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ করে চলেছে। তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। আর উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাইরে অন্যান্য দপ্তর যেমন, পূর্ত, সেচ, স্বাস্থ্য সহ বিভিন্ন দপ্তর থেকে যে ব্যাপক কাজ হচ্ছে সেই হিসেব কেন তুলে ধরছেন না বিজেপি (BJP)  বিধায়ক?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে একী বললেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা?

    BJP: পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে একী বললেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েতে এবার তৃণমূল গন্ডগোল করতে গেলে জনগন উপযুক্ত জবাব দেবে। কোনও বিশৃঙ্খলা তারা আর মেনে নেবে না। লাঠির বদলে পাল্টা লাঠি দেবে। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া জেলা আদালতে একটি মামলায় জামিন নিতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি (BJP) নেতা রাহুল সিনহা (Rahul Sinha) এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পুরুলিয়ার মানুষের মুড আমি দেখেছি। এখানকার মানুষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে রয়েছে। মানুষ এখন বিজেপির সঙ্গে রয়েছে। মানুষ চায়, নিরপেক্ষভাবে ভোট হোক। তাতে ভোটে যে জয়ী হবে হোক। তাই, তৃণমূল কংগ্রেস এবার আর ভোট লুঠ করতে পারবে না বলে প্রলাপ গুনছে। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে, গ্রাম বাংলা সব তাদের হাতছাড়া হয়ে যাবে। তাই, চারিদিকে বোমা মজুত করছে। হিংসাত্মক পঞ্চায়েত নির্বাচন করার তারা পরিকল্পনা নিয়েছে। তাই, আগেও বলেছি, এখনও বলছি, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন হোক। তাতে ভোটে যা ফল হবে তা আমরা মাথা পেতে নেব।

    বীরভূমের দায়িত্ব নিলেও ডুববে মমতা, কেন বললেন বিজেপি নেতা? BJP

    অনুব্রতহীন বীরভূমে এই প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচন হচ্ছে। এবার খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এই জেলার দায়িত্ব নিয়েছেন। সেই প্রসঙ্গে এদিন রাহুল সিনহা বলেন, বীরভূমের দায়িত্ব মমতা নিলেও পঞ্চায়েতে ভোট ডুববে। এরপর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আগে অভিষেক গোয়া এবং ত্রিপুরার নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন। দুই জায়গায় দলের ভরাডুবি হয়েছে। আসলে অনুব্রত আগে যখন বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, তখন তৃণমূলের অবস্থা সারা রাজ্যে ভাল ছিল। এখন তৃণমূলের বাজার খারাপ। মানুষের অভিশাপ কুড়াচ্ছে এই দল। তাই, অভিষেক, মমতা যে দায়িত্বে থাকুক না কেন, দলকে আর বাঁচাতে পারবে না। এমনকী জেল থেকে অনুব্রত মণ্ডল যদি ফিরেও আসেন তিনিও দলের ভরাডুবি আটকাতে পারবেন না।

    দুর্নীতির সঙ্গে টলিউডের যোগ নিয়ে কী বললেন রাহুল সিনহা? BJP

     নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত অয়ন শীল সিনেমা, সিরিয়ালে টাকা ঢালার বিষয়টি সামনে এসেছে। এবার সেই দুর্নীতির সঙ্গে টলিউডের যোগ নিয়ে মুখ খুললেন রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, অধিকাংশ দুর্নীতির সঙ্গে টলিউডের একটা অংশের যোগাযোগ রয়েছে। কারণ, দুর্নীতির টাকা লুকানোর সব থেকে সহজ জায়গা হচ্ছে সিনেমা। আর সিনেমার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা সাদা করার চেষ্টা হয়। কোটি কোটি টাকা হাওলার মাধ্যমে বিদেশে যায়।  সিবিআই, ইডি নজরে টলিউড আছে। তাই, যারা এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাদের অবশ্যই ইডি, সিবিআই-এর কাছে জেরার জন্য সম্মুখীন হতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda:  অবাককাণ্ড! মালদহের ইংরেজবাজারে মাটির নীচে খুঁড়ে কী মিলল?

    Malda: অবাককাণ্ড! মালদহের ইংরেজবাজারে মাটির নীচে খুঁড়ে কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ভবন তৈরির জন্য চলছিল মাটি খোঁড়ার কাজ। আর সেই কাজ করতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ শ্রমিকদের। মাটি খোঁড়ার সময় বেরিয়ে আসে  প্রাচীন আমলের পাথর। বুধবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদহ (Malda) ইংরেজবাজার এলাকায় আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মাটির তলা থেকে উদ্ধার হওয়া পাথরটি দেখতে অনেকটা ত্রিভুজ আকৃতির। পাথরের চারিদিকে নকশা কাটা, মাথার উপর ছোট গর্ত। আদালত চত্বরে এমন পাথর উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই তা দেখতে ভিড় জমে যায়। প্রথমে দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন, এই পাথর পতাকা উত্তোলনের জন্য ব্যবহার করা হত। কারণ, বর্তমান মালদহ জেলা আদালত চত্বর এক সময় নীলকর সাহেবদের নীলকুঠি ও অফিস ছিল। আবার অনেকের ধারণা এই পুরনো পাথরটি শিবলিঙ্গ। পাথরকে দেখে এদিন নানা মত উঠে আসে। যদিও প্রত্নতত্ত্ব গবেষক মোনালিসা লাহা বলেন, পাথরটি দেখে মনে হচ্ছে এটি পাল বা সেন আমলের। এই পাথরটি আসলে ভোটিভ স্তূপ। বৌদ্ধ ধর্মের নিদর্শন। মালদহের (Malda)  জগজীবনপুর গ্রামে বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার হয়েছে। তাই থেকে প্রমাণিত মালদহে বৌদ্ধদের অবস্থান ছিল। তাই, ভোটিভ স্তূপ উদ্ধার হওয়াও স্বাভাবিক। তবে, ইংরেজবাজার চত্বরে এই স্তূপ উদ্ধার হওয়ায় কিছুটা অবাক লাগছে। কারণ, এর আগে এই এলাকায় বৌদ্ধদের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    ভোটিভ স্তূপ কী? Malda

    বৌদ্ধ পণ্ডিত আচার্য বিনয়তোষ শাস্ত্রীর লেখা প্রামান্য গ্রন্থ ‘দ্য হিন্দু বুদ্ধিস্ট আইকোনোগ্রাফি’তে ভোটিভ স্তূপ এর বিবরণ রয়েছে। সাধারণত কোন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর দেহাবশেষের উপরে নির্মিত এই স্তূপে ১০০০ বা তারও বেশি সংখ্যকবার ভগবান বুদ্ধের নাম বা ছোট ছোট মূর্তি খোদিত থাকত। তাকে অনেকসময় চারটি পৃথক খাঁজকাটা অংশে বিন্যস্ত করা হত। উপরের চতুষ্কোণ অংশটিতে ঘিয়ের প্রদীপ বা ধূপ জ্বালানো হতো,তাকে ঘিরে প্রার্থণা করার প্রথাও ছিল। সাধারণভাবে ভোটিভ স্তূপকে প্রদক্ষিণ করলে পূণ্য হয়-এমন লোকবিশ্বাস প্রচলিত ছিল। নালন্দা-বিক্রমশীলা থেকে আরম্ভ করে সাঁচি-সারনাথ পর্যন্ত বিভিন্ন বৌদ্ধ ধর্মস্থানে প্রচুর ভোটিভ স্তূপের সন্ধান পাওয়া যায়। পাল শাসনকালে বৌদ্ধ প্রভাব অধ্যুষিত গৌড়বঙ্গ তথা মালদহ (Malda)  জেলায় ভোটিভ স্তূপ উদ্ধার বিরল হলেও অসম্ভব নয়-এমনই মত বিশেষজ্ঞ মহলের। আদালত চত্বরে উদ্ধার এই ইতিহাসের সংরক্ষণের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share