Tag: Bengali news

Bengali news

  • WWE Wrestler died: মাত্র ৩০ বছরেই মৃত্যু প্রাক্তন ডব্লুডব্লুই চ্যাম্পিয়ন সারা লি-র

    WWE Wrestler died: মাত্র ৩০ বছরেই মৃত্যু প্রাক্তন ডব্লুডব্লুই চ্যাম্পিয়ন সারা লি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রীড়া বিনোদন জগতে নক্ষত্রপতন। মাত্র ৩০ বছর বয়সে মৃত্যু হল ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্ট (ডব্লুডব্লুই) এর প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন সারা লির। সারার মৃত্যুর খবর দেন তাঁর মা টেরি লি। ডব্লুডব্লুইর জগতে অত্যন্ত পরিচিত নাম সারার মৃত্যুতে শোকের ছায়া। সারা লির মা টেরি লি  সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, অত্যন্ত বেদনার সঙ্গে আপনাদের জানাতে চাই, আমাদের খুব প্রিয় সারা আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। আমরা বেদনাহত। এই শোকের মুহূর্তে আমাদের পরিবারের পাশে থাকুন।

    কিন্তু ঠিক কী কারণে সারার মৃত্যু হল, তা জানা যায়নি। তাঁর কি অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হল? প্রশ্ন উঠছে।সারার মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে টুইট করেছে ডব্লুডব্লুইও।ডব্লুডব্লুই এর অফিসিয়্যাল সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন ‘সারা লির মৃত্যুর খবরে ডব্লুডব্লুই শোকাহত। ‘টাফ এনাফ’-এর প্রাক্তন বিজয়ী হিসেবে লি ক্রীড়া বিনোদন দুনিয়ার সবার কাছেই অনুপ্রেরণা। সারা, তোমার অভাব অনুভূত হবে।

    [tw]


    [/tw]

    ২০১৫-য় সারা জিতেছিলেন ডব্লুডব্লুই রিয়্যালিটি প্রতিযোগিতার সিরিজ ‘টাফ এনাফ’। এই প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করার পরেই সারার নাম ছড়িয়ে পড়ে। বাড়তে থাকে তাঁর ভক্তের সংখ্যা।আচমকা সারার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্রীড়মহলে। সারা পরিচিত ছিলেন তাঁর অত্যন্ত হাসিখুশি মেজাজের কারণেও। অন্যের বিপদে সারাকে সব সময়ই পাশে পাওয়া যেত বলেও বলছেন তাঁর গুণমুগ্ধরা।

    আরও পড়ুন: কাতার বিশ্বকাপের পরেই অবসর নেবেন লিওনেল মেসি! কী বললেন তিনি?

    ২০১৫-য় সারা ‘টাফ এনাফ’-এর ষষ্ঠ সিজনে চ্যাম্পিয়ন হন। তার পরের বছর, ২০১৬-য় সারা কেরিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলেন। অগস্টে ডাবলস ম্যাচেও নেমেছিলেন রিংয়ে। সঙ্গী ছিলেন লিভ মর্গান। তাঁদের মোকাবিলা ছিল আলিয়া ও বিলির বিরুদ্ধে।

    শুধু রিংয়েই নয়, সারার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল সমাজমাধ্যমের পাতায় পাতায়। তাঁর দেওয়া যে কোনও ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ত চার দিকে। তা নিয়ে চলত আলোচনা, চর্চা। ২০১৭-এর ৩০ ডিসেম্বর বিয়ে করেন সারা। বিয়ে করেন অনেক দিনের সঙ্গী কুস্তিগির ওয়েস্টিন ব্লেক। দু’জনের তিনটি সন্তান আছে। 

     

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Sara Lee (@saraann_lee)

    সারা নিজের সাম্প্রতিক সমাজমাধ্যম পোস্টটি করেছিলেন মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টা আগে। সেখানে সারা লিখেছিলেন, ‘শেষ পর্যন্ত স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করে পর পর দু’দিন জিমে ফিরে আসতে পেরে খুব ভাল লাগছে। প্রথম সাইনাস সংক্রমণ আমার জীবনকে বিধ্বস্ত করে ফেলেছিল।’

    [insta]

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Sara Lee (@saraann_lee)


    [/insta]

    জানা গিয়েছে, মিশিগানের আদি বাসিন্দা সারার সঙ্গে ‘টাফ এনাফ’ প্রতিযোগিতায় নামার জন্য ডব্লুডব্লুইর সঙ্গে আড়াই লক্ষ ডলারের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু পরের বছরই সেই চুক্তি ভেঙে বেরিয়ে আসেন সারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার (Barack Obama) স্ত্রী মিশেল ওবামাকে আবার হোয়াইট হাউসে (White House) দেখতে চাইলেন জাভেদ আখতার। একেবারেই মজা করে নয়। আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির টুইটার পোস্টের নীচে মন্তব্য বাক্সে যথেষ্ট দৃঢ় ভাবেই বলিউডের গীতিকার লিখলেন, ‘‘ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চাইছে।’’ কিন্তু ঠিক কী কারণে এ কথা বললেন জাভেদ, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তাঁর মন্তব্য দেখেও তা বোঝা সম্ভব হয়নি। কিছু দিনের মধ্যে মিশেলের লেখা বই ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’(The Light We Carry) প্রকাশিত হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ছেলেকে ‘ডিভোর্স’ দিতে চাওয়ায় নৃশংসভাবে পুত্রবধূকে খুন করলেন মার্কিন প্রবাসী ভারতীয়! 

    ওই বইয়ের প্রচারে আমেরিকার কয়েকটি শহরে সফর করবেন তিনি। টুইটারে মিশেলের ওই সফর সংক্রান্ত একটি পোস্টের নীচে জাভেদ লেখেন, ‘‘মাননীয়া মিশেল ওবামা (michelle obama), আমি আপনার কোনও অল্পবয়সি পাগল ভক্ত নই। আমি ৭৭ বছরের এক জন কবি-লেখক। আমার ধারণা, প্রত্যেক ভারতীয়ই আমায় চেনেন। ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব বিবেচনা করুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চায়। এই দায়িত্ব আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন না।’

    [tw]


    [/tw]

    জাভেদ আখতারের (javed akhtar) এই ট্যুইট আসার পর থেকেই সোস্যাল মিডিয়ায় হাস্যরসাত্মক মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, জাভেদ আখতার এটা আবার কে?

    [tw]


    [/tw]

    আরেক জন লিখেছেন আপনি জ্ঞানী বলে এখন আমেরিকার প্রাক্তন ফাস্ট লেডিকেও জ্ঞান দিচ্ছেন।

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও কিন্তু মিশেল ওবামাকে ট্যাগ করে একটি পোস্ট করেছিলেন জাভেদ আখতার। সেই সময় তিনি মিশেলকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন।বরাবরই মিশেল ওবামাকে সুযোগ্য নেত্রী বলে মনে করেন জাভেদ আখতার। সে কথা নিজেই জানিয়েছেন অতীতে। বর্তমানে আমেরিকার শাসকের আসনে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরাই। জো বাইডেন (Joe Biden) এবং কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নেতৃত্বেই চলছে আমেরিকা।

    মিশেল ওবামা বরাবরই বাইডেনের উপর ভরসা রেখেছেন। ২০২০ সালে জো বাইডেন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন, তখন মিশেল ওবামা বলেন, যখনই নেতৃত্ব অথবা সান্ত্বনার আশায় আশায় আমরা হোয়াইট হাউসের দিকে তাকাই তখনই শুধু হতাশা, বিশৃঙ্খলা, ভেদাভেদ এবং সহানুভূতির অভাবই নজরে আসে। নিজের তৈরি এক অসম্ভব জগতে বাস করেন ট্রাম্প। আজ রাতে আমার কোনও একটি কথা যদি মনে রাখতে হয়, তাহলে একটাই বিষয়ে আবার বলতে চাইব।

    আপনাদের যদি মনে হয়, বর্তমান পরিস্থিতির থেকে আর খারাপ হওয়ার কিছু নেই, তাহলে বিশ্বাস করুন আরও খারাপ দিন দেখতে হতে পারে যদি না এবারের নির্বাচনে কোনও ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি। এই বিশৃঙ্খলা শেষ করার যদি কোনও উপায় এখনও থেকে থাকে, তাঁর নাম জো বাইডেন। বাইডেনকে ভোট দিন… এর উপরে আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৫ নভেম্বর মিশেলের ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’ বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তার আগে ওয়াশিংটন ডিসি, আটলান্টা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেসে সফর করবেন মিশেল। ওই সফরে আমেরিকার (America) প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির সঙ্গী হতে চলেছেন গেইল কিং, এলিজাবেথ আলেকজান্ডার, কোনান ও ব্রায়েনের মতো তারকারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
     
  • Kamal Haasan: চোল রাজত্বকালে হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না, দাবি অভিনেতা কমল হাসানের

    Kamal Haasan: চোল রাজত্বকালে হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না, দাবি অভিনেতা কমল হাসানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জাতীয় পুরস্কার জয়ী দক্ষিনী অভিনেতা কমল হাসানের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক। দক্ষিণ ভারতের চোল রাজাদের আমলে হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না বলে বিস্ফোরক দাবি করেন কমল হাসান। মণি রত্নমের (Mani Ratnam) ‘পোন্নিয়িন সেল্ভান ১’(Ponniyin Selvan) মুক্তি পেয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে। ঐশ্বর্যা রাই ও বিক্রম অভিনীত সে ছবি দর্শকের মন কাড়লেও ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলেছে দক্ষিনপন্থীরা। তামিল পরিচালক ভেত্রিমারানের দাবি, চোল সাম্রাজ্যের প্রথম রাজা প্রথম রাজ রাজ চোল হিন্দু রাজা ছিলেন না।ওই সময় ছিল বৈনাবরণ, শিভম এবং সামানাম। কিন্তু ব্রিটিশরা অজ্ঞতার কারণে হিন্দু প্রতিশব্দটি নিয়ে আসেন।খ্রিস্টীয় ৮ শতকের এক জন শাসককে হিন্দু বলা আদৌ যুক্তিযুক্ত কি না, প্রশ্ন তুলেছেন ভেত্রিমারান। এই বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয় নয়া বিতর্ক। তামিল পরিচালক ভেত্রিমারানের (Vetrimaaran) যুক্তির সমর্থনে বলতে গিয়ে এই কথা বলেন কমল হাসান।

    [tw]


    [/tw]

    পোন্নিয়িন সেল্ভান ১ সিনেমাটির মূল গল্পটি আবর্তিত হয়েছে  চোল সাম্রাজ্য (Chola Empire) এবং সিংহাসন দখল ঘিরে। রাষ্ট্রকূটদের উপর চোল যুবরাজ আদিত্য কারিকলনের আক্রমণ দিয়ে গল্পের সূত্রপাত। যুদ্ধ শেষে যুবরাজ আদিত্য (বিক্রম) নিজের অন্যতম বিশ্বস্ত সেনাপতি ভান্থিয়াথেবন (কার্থি)-কে গুপ্তচর হিসাবে পাঠিয়ে দেন, চোল রাজ্যের উপর কাদের কুনজর রয়েছে তা খুঁজে বার করতে। সেখান থেকেই আস্তে আস্তে খুলতে থাকে ছবির জট। গল্পের মাঝে আসেন যুবরাজ আদিত্যের ভাই যুবরাজ পনিয়ন সেলভান (জয়ম রবি)। গল্প যত গড়ায় ততই বোঝা যায়, বাইরের শত্রুর থেকে ভিতরের শত্রুর সংখ্যা বেশি। চোল বংশ ছাড়া আরও কিছু দক্ষিণ ভারতীয় রাজবংশের উল্লেখ রয়েছে এই ছবিতে। তাদের অধিকাংশই চোলদের শত্রু। তবে চোলদের সব সময়েই হিন্দু শাসক হিসাবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে এ ছবিতে।

    এই ছবি দেখার পর জাতীয় পুরস্কার জয়ী তামিল পরিচালক ভেত্রিমারান আরও বলেন, ক্রমাগত আমাদের প্রতীকগুলি ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে।ইতিমধ্যেই তিরুভালুভারে গৈরিকীকরণের চেষ্টা চালিয়েছে তাঁরা। এটা কখনই বরদাস্ত করা যায় না। সিনেমা এমন এক মাধ্যম যা সকলের কাছে তথ্য পৌঁছে দেয়। ঠিক হলে ঠিক, ভুল হলে ভুল। আর রাজনীতির কাজ কিন্তু ইতিহাস সুরক্ষিত করা, যেটা আমরা ভুলতে বসেছি। তাঁর এই বক্তব্যে খেপে ওঠেন বিজেপি নেতা এইচ রাজা। তিনি বলেন, ভেত্রিমারানের মতো ইতিহাসে দখল নেই আমার। তবু রাজ রাজের তৈরি দুটি চার্চ এবং দুটি মন্দিরের কথা আমি বলতে পারি। নিজেকে তিনি শিবপদ সেকারন নামে পরিচয় দিতেন। তিনি হিন্দু নন এর পরও? তা হলে ঠিক কী?”

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই অভিনেতা কমল হাসান বলেন চোলরাজ রাজ রাজ চোলের আমলে হিন্দু ধর্ম বলে কোনও ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না। বইনবম, শিবম এবং সমনাম এই তিন গোষ্ঠীকে এক ছাতার তলায় এনে পরবর্তীকালে হিন্দু বলে চিহ্নিত করেছিলেন ব্রিটিশেরা। তাঁরা জানতেন না কোনটার উচ্চারণ কি। যেমন থুথুকুন্ডিকে করেছিলেন তুতিকোরিন।

    আরও পড়ুন: মুক্তি পেয়েছে ‘আদিপুরুষ’- এর টিজার, মুগ্ধ দর্শক

    প্রসঙ্গত, খ্রীষ্টপূর্ব ৩০০ শতাব্দীতে চোল রাজবংশের উত্থান দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে এক অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কেবল রাজনৈতিক সংহতি নয়, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশের ক্ষেত্রেও চোল রাজাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ।আদি-মধ্যযুগে ভারতের রাজবংশগুলির মধ্যে চোল বংশ অন্যতম।চোল রাজবংশের প্রথম নথিভুক্ত উল্লেখ পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে লিখিত সম্রাট অশোকের শিলালিপিতে।  এই রাজবংশের শাসন খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। বিজয়ালয় (৮৫০-৮৭১ খ্রিঃ) ছিলেন চোল বংশের প্রথম রাজা। তিনি পল্লবরাজা নৃপতুঙ্গের অধীন সামন্ত নৃপতি ছিলেন। পল্লবরাজের হয়ে তিনি তাঞ্জোর অধিকার করেন। তাঁর পুত্র প্রথম আদিত্যও (৮৭১-৯০৭ খ্রিঃ) পাণ্ডাদের বিরুদ্ধে শ্রীপুরামবিয়ামের যুদ্ধে পল্লবরাজাকে সাহায্য করেন। পরিবর্তে পল্লবরাজ অপরাজিত বর্মন তাঞ্জোরের ওপর আদিত্যের অধিকার স্বীকার করে নেন। এইভাবে তিনি ক্ষুদ্র চোলরাজ্যের ভিত্তিপ্রস্তর হয়।

    চোলবংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন প্রথম রাজরাজ চোল। তাঁর সুদক্ষ পরিচালনায় চোলরাজ্য সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছিল। ‘তাঞ্জোর লিপি’ থেকে তাঁর সামরিক কৃতিত্ব সম্পর্কে জানা যায়। তিনি শৈব ধর্মাবলম্বী  হলেও অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তাঞ্জোরের বিখ্যাত রাজরাজেশ্বর মন্দির (Raj Rajeshwara Temple) তারই কীর্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Arun Bali dies on Myasthenia Gravis disease :মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস নামক বিরল রোগের আক্রান্তে মারা গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অরুন বালি

    Arun Bali dies on Myasthenia Gravis disease :মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস নামক বিরল রোগের আক্রান্তে মারা গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অরুন বালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন ৭৯ বয়সী অভিনেতা অরুন বালি। মুম্বইয়ে তাঁর নিজের বাসভবনে মারা গেলেন তিনি।তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত অনুগামী সহ বলিউড মহল। আজ মুক্তি পেল তাঁর শেষ ছবি ‘গুডবাই’ (Goodbye)।এই ছবিতে অভিনয় করেছেন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। জনপ্রিয় সিরিয়াল স্বাভিমানে কুনওয়ার সিং চরিত্রের জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করে এছাড়াও বলিউডের ব্লকবাস্টার হিট ছবি থ্রি ইডিয়টসে (3 idiots) অভিনয় করেছেন। এছাড়াও কেদারনাথ, পিকে, পানিপথের মতো বিখ্যাত সিনেমাতে কাজ করেছেন। এই বছরের শুরুতেই অভিনেতা মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস (Myasthenia gravis) নামক এক বিরল নিউরোমাসকুলার রোগে ভুগছিলেন। তাঁর ছেলে অঙ্কুশ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তার বাবার দুই তিন দিন ধরে মুড স্যুইং (Mood Swing) করছিল।

    নিউরোমাসকুলার ডিজিজ মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস রোগটি আসলে কি?

    এক জনপ্রিয় জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতি বছর সারা পৃথিবীতে প্রায় ৭ লক্ষেরও বেশী মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই রোগে শরীরের পেশী দূর্বল হয়ে আসে তবে এটি পেশীর রোগ নয়। এই রোগে স্নায়ুর সঙ্গে পেশীর সংযোগস্থাপনে সমস্যা দেখা যায়। ফলে মস্তিকের নির্দেশ পেশী অবধি পৌঁছতে পারে না।

    আরও পড়ুন: চোল রাজত্বকালে হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না, দাবি অভিনেতা কমল হাসানের 

    মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিসের লক্ষণ:

    • দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া বা ডবল ডবল দেখতে পাওয়া।
    • পেশীতে দূর্বলতা
    • হাত পা অবশ হয়ে আসা
    • ঘাড় ব্যথা
    • শ্বাসকষ্ট
    • রোগীর শারীরিক স্থিতি যখন তখন বদলে যেতে পারে। দিনের শুরুতে ভালো থাকলেও কাজ শুরু করার পর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হতে পারে।

    কাদের মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি?

    মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস পুরুষ এবং মহিলা উভয়কেই প্রভাবিত করে। যদিও অল্পবয়সী প্রাপ্তবয়স্ক মহিলারা (40 বছরের কম) এবং বয়স্ক পুরুষদের (60 বছরের বেশি) এই রোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, এটি শৈশব সহ যে কোনও বয়সে হতে পারে। মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস জিনগত নয় বা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস কি নিরাময় করা যায়?

    মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিসের কোনো নিরাময় নেই, তবে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এর লক্ষণ ও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Digital Rupee of RBI: ডিজিটাল রুপি কী?  আরবিআই-এর প্রস্তাবিত ডিজিটাল রুপি সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য

    Digital Rupee of RBI: ডিজিটাল রুপি কী?  আরবিআই-এর প্রস্তাবিত ডিজিটাল রুপি সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র যে ডিজিটাল কারেন্সি (Digital Currency) আনতে চলেছে,২০২২-২৩ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের (Nirmala Sitharaman) কথায় তা আরও স্পষ্ট হয়েছিল। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছিলেন, ‘ডিজিটাল রুপি’ (Digital Rupee) নামে এক ডিজিটাল মুদ্রা   জারি করবে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI)।

    অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকেই দেশের মানুষ দিন গুনছিল রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency) আসার অপেক্ষায়।

    শুক্রবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই পরীক্ষামূলক ভাবে (পাইলট প্রকল্প) ‘ই-রুপি’(E rupee) চালু করতে চলেছে তারা। বিষয়টি নিয়ে একটি খসড়া পত্র প্রকাশ করে তাদের দাবি, প্রাথমিক ভাবে শুধু বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ওই মুদ্রা ব্যবহার করা যাবে। তবে লক্ষ্য, এর হাত ধরে আগামী দিনে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ এবং সুরক্ষিত করে গড়ে তোলা। সেই সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা আটকানো। আর বি আই আরও জানিয়েছেন, ভারতের ডিজিটাল মুদ্রাকে বলা হবে ‘ই- রুপি’ বা ‘e₹’। আর্থিক লেনদেনের কোনও পদ্ধতিকে বদলে বা বিকল্প হিসাবে নয়, লেনদেনের অপর একটি পদ্ধতি হিসাবে আনা হবে এই ডিজিটাল মুদ্রা। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে (Digital Economy) আরও মজবুত করবে এই ডিজিটাল মুদ্রা।

    ডিজিটাল রুপি কি?

    আইবিআইয়ের তরফে জারি করা এই ডিজিটাল রুপি মূলত ভারতের সরকারি মুদ্রার এক ডিজিটাল টোকেন হিসেবে ব্যবহৃত হবে। আরবিআই (RBI) এই ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করবে ও যাবতীয় ব্যবস্থাপনা করবে। ২০২২ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেছিলেন, ব্লক চেন এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলবে আরবিআইয়ের ডিজিটাল রুপি। তবে, আরবিআই কীভাবে ডিজিটাল রুপি বাস্তবায়ন করতে চলেছে এবং এটি কী ধরনের ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করতে চলেছে তা এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।

    [tw]


    [/tw]

    নির্মলা স্পষ্ট বলেছিলেন, নেট মাধ্যমে ব্যবহৃত ক্রিপ্টোকারেন্সি ভারতে ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে গণ্য হবে না। ওই তকমা পাবে শুধু সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি (সিবিডিসি)। ভবিষ্যতে যা আনার দায়িত্ব রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের।আরবিআই এ দিন খসড়া পত্রে জানিয়েছে, বর্তমান অর্থ ব্যবস্থায় চালু থাকা সাধারণ মুদ্রার বিকল্প আনা তাদের উদ্দেশ্য নয়। বরং ডিজিটাল টাকাকে সাধারণ নোটের পরিপূরক করে তোলার চেষ্টা চলছে। যাতে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রবর্তন করা যায়। যার সুবিধা নিতে পারবে সকলে।

    আরও পড়ুন: ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাংক, কত হল জানেন?

    ভারতে যখন প্রাইভেট ক্রিপ্টোকারেন্সি নিষিদ্ধ করা নিয়ে তুমুল জল্পনা ছড়িয়েছে, ঠিক সেই সময়েই আরবিআই বাজারে নিয়ে আসছে নতুন এই ডিজিটাল মুদ্রা । যদিও ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলির উপর এখনই কোনও নিষেধাজ্ঞা আনেনি কেন্দ্র সরকার। তবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, এই ক্রিপ্টোর ট্রেডিং এবং এনএফটির মতো ভার্চুয়াল ডিজিটাল সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয়ের উপর ৩০ শতাংশ কর চাপানো হবে। আপাতভাবে সরকারের যা দৃষ্টিভঙ্গি, তাতে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারত সরকার চায় মানুষ এই ক্রিপ্টোকারেন্সির বদলে স্বদেশি ডিজিটাল রুপি (Indigenous Digital Rupee) ব্যবহার করুক।

    অতীতে ক্রিপ্টো নিয়ে বার বার সাবধান করেছেন আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। এই পরিস্থিতিতে ভারতের ই-রুপি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। একাংশের দাবি, এটা ভবিষ্যতে দেশে আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থার নকশাই বদলে দিতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chandrayaan 2 found Sodium On Moon: চাঁদে প্রথম সোডিয়ামের সন্ধান পেল চন্দ্রযান ২

    Chandrayaan 2 found Sodium On Moon: চাঁদে প্রথম সোডিয়ামের সন্ধান পেল চন্দ্রযান ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের (Moon) পৃষ্ঠে থাকা প্রচুর সোডিয়ামের (Sodium) সন্ধান পেল ভারতের চন্দ্রযান ২। ২০১৯ সাল থেকে চাঁদের চারপাশে ঘোরাফেরা করছে চন্দ্রযান ২। এই প্রথমবারের মতো চাঁদে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ম্যাপ করেছে এটি। নতুন এই অনুসন্ধান চাঁদের উপরিভাগ-এক্সোস্ফিয়ারের (Exosphere) মিথস্ক্রিয়া গবেষণা আরও এক ধাপ এগিয়ে দেবে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বা ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, চন্দ্রযান-২ অরবিটারের এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার (X-ray spectrometer) এই প্রথম চাঁদে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়ামের অনুসন্ধান করেছে। যদিও চন্দ্রযান-১-এর এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স স্পেকট্রোমিটারের (C1XS) এক্স-রেতে এর সাহায্যে এর আগেও সোডিয়ামের উপস্থিতি চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে চন্দ্রযান-২-র লার্জ এরিয়া সফট এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার বা CLASS এর সাহায্যে সোডিয়ামের উপস্থিতি আরও ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: নাসার ধাক্কা মারা বিশাল গ্রহাণুটি ভেঙ্গে গিয়ে মহাকাশে ধুলোর সৃষ্টি করেছে 

    চাঁদের উপর ভেসে বেড়ানো ধূলিকণার মধ্যে সোডিয়ামের কিছু পরমাণুর উপস্থিতিকে লক্ষ্য করার পরই বৈজ্ঞানিকেরা চাঁদে সোডিয়ামের উপস্থিতি থাকতে পারে বলে ধারণা করেছিলেন। সোডিয়াম পরমাণুগুলি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির বিকিরণের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে সহজে বেরিয়ে আসছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

    আরও পড়ুন: নাসার আর্টেমিস মিশনের সামনে ফের বাধা, চিন্তা বাড়াচ্ছে ‘হ্যারিকেন’ 

    তাঁরা আরও জানিয়েছেন, চন্দ্রযান-২ চাঁদের পৃষ্ঠে থাকা সোডিয়ামের একটি বৈচিত্রও খুঁজে পেয়েছে,মহাকাশে পরমাণুর ক্রমাগত বেরিয়ে আসাকে ব্যাখ্যা করবে। এছাড়াও, যে অঞ্চলটিতে সোডিয়াম পাওয়া গিয়েছে সেটি চাঁদের বিশুদ্ধ বায়ুমণ্ডলে। এই অঞ্চলটি বায়ুর পরিমাণ এতটাই কম যে, সেখানে পরমাণুগুলি খুব কমই মিলিত হয়। ইসরো উল্লেখ করেছে, ‘এক্সোস্ফিয়ার’ নামে অভিহিত এই অঞ্চলটি চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে শুরু করে মহাকাশের কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

    [tw]


    [/tw] 

    চন্দ্রযান-২ এর আগে আবিষ্কার করেছিল যে চাঁদের আয়নোস্ফিয়ারের প্লাজমা ঘনত্ব (Plasma Density) রয়েছে। ২০১৯ সালের ২২ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ করেছিল ইসরো। ৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অরবিটার থেকে বিক্রমের ল্যান্ড করার কথা ছিল। কিন্তু অবতরণের শেষ ধাপে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়েছিল বিক্রম। হার্ড ল্যান্ডিং করেছিল বিক্রম। যদিও অরবিটারটি এখনও প্রদক্ষিণ করে চলেছে চাঁদকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Blood Sugar Diet: ব্লাড সুগার কমানোর জন্য সাতটি খাদ্য

    Blood Sugar Diet: ব্লাড সুগার কমানোর জন্য সাতটি খাদ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে গবেষণা করলে দেখা যায় প্রতেকটি ঘরে অন্তত একজন করে সুগারে আক্রান্ত রোগী রয়েছে। সুগার এখন মহামারী আকার ধারন করেছে। এটি এমন একটি রোগ যা মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।যেহেতু রোজকার জীবনযাত্রা, কাজ এবং খাওয়া-দাওয়া প্রভাব ফেলে সুগারের উপর তাই বেশিরভাগেরই প্রশ্ন সুগার হলে কী খাওয়া উচিত। কারণ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল রোজকার ডায়েটে রাশ টানা। ডায়াবেটিসের সুর্নিদিষ্ট কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। কেন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন তার সঠিক কারণও জানা নেই। অগ্ন্যাশয় থেকে পরিমাণ মতো ইনসুলিন তৈরি না হলে তখনই বাড়ে সমস্যা। কারণ তখন অতিরিক্ত শর্করা (Sugar) আর শোষণ করতে পারে না শরীর, ফলে রক্তে তার পরিমাণ বাড়তেই থাকে। শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে ইনসুলিন হরমোন। এই হরমোনের কার্যকারিতা ঠিক না থাকলেই সেখান থেকে একাধিক সমস্যা আসে। নিয়ম করে রক্ত পরীক্ষা করা, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনমত ওষুধ খাওয়া জরুরি। তবে এর পাশাপাশি খাবার আর পানীয় ঠিকমতো না খেলে কিন্তু এই রোগের হাত থেকে রেহাই নেই।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকাল ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন। চিকিৎসকরা সবসময় ডায়াবিটিস (Diabates) রোগীদের খাবারের প্রতি যত্ন নেওয়ার কথা বলেন। আপনারও যদি ডায়াবিটিস থাকে তাহলে এখনই খাদ্যাভ্যাসের দিকে যত্ন নিন, তাই জেনে নিন রোজকার ডায়েটে কী কী সবজি রাখলে ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ হবে সহজেই। কোন কোন সবজি খেতে হবে জেনে নিন।

    ​শশা(Cucumber)

    শসা খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। গরমের সময় শশা খুবই উপকারী। আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় শসার রায়তাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। শশা ডায়াবিটিস বা সুগারের সমস্যা প্রতিরোধ করে। শশায় যে বিশেষ উপাদান রয়েছে তা রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যদি ১০০ গ্রাম শশার রস খালি পেটে রোজ সকালে খালি পেটে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে সহজেই।

     

    চিয়া এবং শণের বীজ (Chia and flax seeds)

    যারা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য চিয়া বীজ এবং শণের বীজ দারুন কার্যকরী। ফাইবার সমৃদ্ধ এবং কার্বোহাইড্রেট যুক্ত চিয়া বীজ শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে খুব কার্যকর হতে পারে।শণের বীজ নেই রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণের উন্নতিতে সহায়ক।

    গাজর (Carrot)

    গাজরে ভিটামিন এ এবং অনেক খনিজ পাওয়া যায়।কোলেস্টেরল এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গাজর খুব ভালো সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজরের মধ্যে থাকা পটাশিয়ামই এর মূল কারণ। গাজরে ক্যালরি খুব কম, ফ্যাট বার্ন হয় সহজেই। যার ফলে ওজন কমানো যায় সহজেই।এছাড়াও গাজরের মধ্যে থাকা পটাসিয়াম শরীরের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে, পাশাপাশি বাড়ায় ইমিউনিটি। গাজরের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, কে, বি ৬, পটাসিয়াম ও ফসফরাস। যা নানা রোগের জীবাণু ও ব্যাকটিরিয়ার হাত থেকে বাঁচায় শরীরকে। তাই প্রতিদিন সকালে ঘাম ঝরানোর পর যদি কাঁচা গাজর খাওয়া যায়। শরীর থেকে ধীরে ধীরে অতিরিক্ত শর্করা বেরিয়ে যাবে।

    বাদাম এবং বাদামের মাখন(Nuts and nut butter)

    গবেষণায় দেখা গেছে যে বাদামের মতো বাদাম এবং চিনাবাদাম এবং তা দিয়ে তৈরি বাদামের মাখন রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস আছে এমন ব্যক্তিদের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিয়া বীজের মতো, বাদামে থাকে ফাইবার এবং  কার্বোহাইড্রেট।

    ব্রকলি (Broccoli)

    নিউট্রিশন রিসার্চের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত ব্রকলি খেলে শরীরের মোট কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে খাদ্যতালিকায় ব্রকলির মতো ব্রাসিকা শ্রেণীর সবজি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।

    ডিম(Egg)

    আপনি যদি ডিম খান তবে এটি আবার আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুব সহায়ক হতে পারে। ডিম স্বাস্থ্যকর চর্বির একটি বড় উৎস, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।কুসুমে বেশিরভাগ পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তাই এটি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না।

    মটরশুটি এবং মসুর ডাল(Beans and lentils)

    মসুর ডালকে বলা হয় ভিটামিনের ভাণ্ডার। এই মটরশুটিতে ভিটামিন ছাড়াও রয়েছে খনিজ, মাইক্রো এবং ম্যাক্রো উপাদান।মসুর ডাল কেবল পুষ্টি সমৃদ্ধ নয়, মসুর ডাল এবং মটরশুটি রক্তে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করে শুধু শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নয় ডায়াবেটিসের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে এই ডাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • 5g Launch: দেশে ৫ জির সূচনা, ভারতে বসে ইউরোপে গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী

    5g Launch: দেশে ৫ জির সূচনা, ভারতে বসে ইউরোপে গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের এক নয়া যুগের (New Era) সূচনা হল। ষষ্ঠীর শুভদিন আজই ভারতের টেলিকম প্রযুক্তিতে নয়া অধ্যায়ের সূচনা হল। দিল্লীর প্রগতি ময়দানের একটি প্রদর্শনী থেকে ভারতে ৫ জি (5g net) পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর মাধ্যমেই ভারতে যোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত খুলে গেল দেশে।

    আরও পড়ুন: দেশজুড়ে ফাইভ জি পরিষেবার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর, জেনে নিন এই বিষয়ে কিছু তথ্য

    প্রধানমন্ত্রী ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস (India Mobile congress) ২০২২ অনুষ্ঠান থেকেই ভারতে ৫জি পরিষেবা শুরু করার জন্য সিলমোহর দিলেন। ৫জি এর আনুষ্ঠানিক লঞ্চের (5g launch) আগে ৫জি প্রযুক্তি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করার জন্য টেলিকম অপারেটর প্যাভিলিয়নে বসে দিল্লি থেকে ইউরোপে (Europe) গাড়ি চালালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সেই ছবিটি ট্যুইট করে লিখেছেন ভারত বিশ্বকে চালাচ্ছে।

    [tw]


    [/tw] 

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী (Telecom minister)  অশ্বিনী বৈষ্ণব ও ভারতের প্রথম সারির শিল্পপতি তথা রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani)। আজ প্রধানমন্ত্রীকে ৫জি প্রযুক্তির বিভিন্ন দিকগুলি তুলে ধরে ভারতের প্রথম সারির ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া সংস্থাগুলি। রিলায়েন্স জিও স্টলে শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি এবং আকাশ আম্বানি ৫ জি সম্পর্কে নানা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করান। এরপর এয়ারটেল (Airtel), ভোডাফোন আইডিয়া, সি ডট সহ অন্য আরও সংস্থাগুলির স্টলে যান প্রধানমন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    কৃষিক্ষেত্রে শক্তিশালী ড্রোন থেকে শুরু করে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial intelligence) সাহায্যে সাইবার থ্রেট ডিটেকশন ইত্যাদি ৫জির নানা উপকারিতা প্রত্যক্ষ করেন মোদিজী।

    কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, এই দিনটি স্বর্নাক্ষরে লিপিব্দধ থাকবে। এই টেলিকমই হল ডিজিটাল ইন্ডিয়ার জয়যাত্রার সোপান।

    [tw]


    [/tw] 

    মুকেশ আম্বানি জানিয়েছেন আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে জিওর ৫ জি পরিষেবা সারা ভারতে বিস্তারলাভ করবে। তিনি আরও বলে ভারতে ভারতীয় মোবাইল কংগ্রসের পাশাপাশি এশিয়ান মোবাইক কংগ্রেস বা বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেস করা উচিত।

    [tw]


    [/tw]

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Heart Disease Prevention: হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত খাদ্য

    Heart Disease Prevention: হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত খাদ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন না হলে একটা বয়সের পর থাবা বসাতে পারে হৃদরোগ। বিশেষ করে উচ্চরক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবিটিস থাকলে এই বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমরা এতখানিই অসচেতন যে, একটা বয়সের পর আমাদের বেশির ভাগের মধ্যেই হৃদরোগজনিত কোনও না কোনও সমস্যা দেখা দেয়। আমাদের পরিবর্তিত জীবনযাত্রা, অত্যধিক ব্যস্ততা, মানসিক চাপ এগুলিও কিন্তু হৃদরোগের কারণ হতে পারে।হৃদযন্ত্র (Heart) সুস্থ রাখার জন্য কিছু খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এই খাবারগুলি সম্পর্কে জেনে নিন এখানে—

    গোটা শস্য- গোটা শস্যের মধ্যে তিনটি পুষ্টিসমৃদ্ধ অংশ রয়েছে- জীবাণু, এন্ডোস্পার্ম এবং ব্রান। সাধারণ ধরনের গোটা শস্যের মধ্যে রয়েছে গোটা গম, বাদামি চাল, ওটস (Oats) রাই, বার্লি, বাকউইট এবং কিনোয়া। পরিশোধিত শস্যের তুলনায় এই শস্যে ফাইবার বেশি থাকে। যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে খাদ্যতালিকায় আরও গোটা শস্য অন্তর্ভুক্ত করা হার্টের স্বাস্থ্যের উপকারী।

    আরও পড়ুন: ওজন কমাতে চান? ডায়েটে অবশ্যই রাখুন এই সাতটি খাবার

    বিনস- প্রতিদিন আধকাপ বিনস (Beans) খাওয়া উচিত। এতে উপস্থিত ফলেট, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। আবার এতে উপস্থিত ফাইবার কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার পরিমাণ কম করে।

    অলিভ অয়েল- এই তেলও হৃদযন্ত্রের সুস্থতার জন্য অধিক কার্যকরী। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের কোষ রক্ষা করে। এটি কোলেস্টেরলের (Cholesterol) পরিমাণ কম করতে সাহায্য করে।

    আখরোট- ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টে (Anti oxidant) সমৃদ্ধ আখরোট (Walnut) হৃদযন্ত্রকে সুষ্ঠু ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। এর ফলে হৃদরোগের সম্ভাবনাও কমে।

    কাঠবাদাম- এতে উপস্থিত ভিটামিন ই, ফাইবার ও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। হৃদয় সুস্থ আকৃতি ধরে রাখার জন্য এই উপাদানগুলি অত্যন্ত জরুরি। কাঠবাদাম (Almond) শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম করতে সাহায্য করে।

    সোয়া- সোয়া প্রোটিন কোলেস্টেরলের স্তর কমিয়ে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। এক কাপ সোয়ায় ৮ গ্রাম হেল্দি ফাইবার থাকে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা জিমে যান, তাঁরা সোয়া সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পূর্বে চিকিৎসকদের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন।

    কমলালেবু- কমলালেবুতে (Orange Fruit) উপস্থিত ফাইবার কোলেস্টেরল মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। দু কাপ কমলালেবুর রস রক্তবাহিকার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। এটি পুরুষদের মধ্যে রক্তচাপের সমস্যাকেও কম করে।

    বেরি- অ্যান্টি অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ বেরি (Berry) হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বৃদ্ধি করে। এটি শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Indian origin family murder: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরিবারের শিশু সহ ৪ জনকে খুন

    Indian origin family murder: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরিবারের শিশু সহ ৪ জনকে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA) ভারতীয় বংশোদ্ভূত (Indian Origin) চার সদস্য সহ যার মধ্যে একটি আট মাসের ছোট্ট শিশুটির পরিবার বেশ কিছুদিন ধরেই নিখোঁজ ছিল। বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার মার্সেড কাউন্টিতে একটি বাগান থেকে ওই শিশু কন্যা সহ পরিবারের চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে আট মাসের ওই শিশুটির নাম আরুহি ধেরি। শিশুটির মা বছর ২৭ এর জসলিন কৌর এবং তার বাবা বছর ৩৬ এর যশদীপ সিংকে একটি ট্রাকিং কোম্পানি থেকে অপহরণ করেছিল। ক্যালিফোর্নিয়ার (California) পুলিশ জানিয়েছে শিশুটির কাকা আমনদীপ সিংকে (Amandeep Singh)ও অপহরণ করা হয়েছিল। বাগানের কাছের একজন খামার কর্মী মৃতদেহগুলি দেখতে পান।প্রাথমিক তদন্তে মার্কিন পুলিশের অনুমান, অপহরণের পরদিনই এই পরিবারকে খুনের চেষ্টা করা হয়। যদিও ক্যালিফোর্নিয়ার শেরিফের (California sheriff) দাবি, মুক্তিপণ আদায়ের জন্যেই অপহরণ করা হয়েছিল।

    পুলিশ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে জসদীপ এবং আমনদীপ তাদের হাত বাঁধা । কয়েক সেকেন্ড (Second) পর শিশু ও তার মাকে অপহরণকারীর সঙ্গে ভবন থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। ঘটনাস্থল ত্যাগ করার আগে পরিবারের চার সদস্যকে একটি ট্রাকে নিয়ে যাওয়া হয়।

    পরিবারকে অপহরণ করার একদিন পর, পুলিশ সন্দেহভাজন অপহরণকারী 48 বছর বয়সী যিশু ম্যানুয়েল সালগাদো – কে হেফাজতে নিয়েছিল। সালগাদো বর্তমানে একটি হাসপাতালে সুস্থ হয়ে উঠছেন। মার্সেড কাউন্টি পুলিশ বলেছে যে সালগাদোর পরিবার পুলিশদের সাথে যোগাযোগ করেছে এবং জানিয়েছে যে সে তার অপরাধ স্বীকার করেছে।

    গত কয়েক মাসে একাধিকবার হেনস্থার (Harassment) শিকার হয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়রা। গত ২১ অগাস্ট ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেমন্টে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। অভিযোগকারী জয়নারায়নানের দাবি, ওই দিন আচমকাই তেজিন্দর সিং নামে এক ব্যক্তি তাঁকে দেখে বর্ণবিদ্বেষমূলক (Racist) মন্তব্য করতে শুরু করেন।সেই ঘটনা মোবাইল ফোনে রেকর্ড করেন তিনি। প্রায় ৮ মিনিটের ওই  ভিডিওতে অভিযুক্তকে জয়নারায়নানের উপর অন্তত দু’বার থুতু ছেটাতে দেখা গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, তাঁকে ‘নোংরা হিন্দু’ এবং ‘বিরক্তিকর কুকুর’ বলেও মন্তব্য করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। পাশাপাশি, মাংস না খাওয়ার জন্যও কুমন্তব্যের মুখে পড়তে হয় জয়নারায়নানকে। রেস্তোরাঁয় অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে মার্কিন পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি অভিযোগকারীর থেকে ঘটনার video সংগ্রহ করেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share