Tag: Bengali news

Bengali news

  • Indian Railways: ‘‘মোদি জমানায় সাড়ে ৩ লাখ চাকরি হয়েছে রেলে’’, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Indian Railways: ‘‘মোদি জমানায় সাড়ে ৩ লাখ চাকরি হয়েছে রেলে’’, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান থেকে দারিদ্র দূরীকরণ। মোদি সরকারের নানা সাফল্য নিয়েই চলছে বিজেপির মহা জনসম্পর্ক কর্মসূচি। বিগত ৯ বছর ধরে মোদি সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির লক্ষ্য। দেশের সংসদ ভবনেও মোদি জমানায় উন্নয়নের কথা তুলে ধরছেন সরকারের মন্ত্রীরা। বিগত ৯ বছরে রেলে (Indian Railway) কত চাকরি হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে এদিন রাজ্যসভায় অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘২০১৪ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৩ লাখ ৫০ হাজার ২০৪ জনের চাকরি হয়েছে ভারতীয় রেলে (Indian Railway)। এখনও অবধি চাকরির প্রক্রিয়া চলছে ১ লাখ ৪০ হাজার প্রার্থীর। এঁদের নিয়োগ শীঘ্রই সম্পূর্ণ হবে’’। চলতি বছরে জুন মাস অবধি ১৮ হাজার প্রার্থীর চাকরি হয়েছে বলেও জানান রেলমন্ত্রী। এদিন রাজ্যসভায় অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদিজি ঘোষণা করেছেন ১০ লাখ চাকরির কথা। তাতে সব থেকে বড় ভূমিকা রয়েছে ভারতীয় রেলের (Indian Railway)।”

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    রাজ্যসভায় লিখিত বিবৃতি পেশ রেলমন্ত্রীর

    রাজ্যসভায় এদিন লিখিত বিবৃতিতে রেলমন্ত্রী জানান, ভারতীয় রেল হচ্ছে দেশের সব থেকে বড় সংস্থা। কাজে ইস্তফা, কর্মচারীদের অবসর, রেল কর্মচারীদের মৃত্যুর মতো একাধিক কারণে প্রতিনিয়ত শূন্যপদ বাড়ছে ভারতীয় রেলে। শূন্যপদ যেমন বাড়ছে, তেমনি সেগুলো রেলবোর্ডের ভর্তির পরীক্ষার মাধ্যমে পূরণ করাও হচ্ছে সময় মতো। কানপুর আইআইটির প্রাক্তনী অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও বলেন, ‘‘১০ হাজার কিংবা ২০ হাজার নিয়োগপত্র দেওয়ার পরেও কতজন বড়াই করে প্রচার করে যে, বড় নিয়োগ হয়েছে! কিন্তু এখানে আমরা ভারতীয় রেলে (Indian Railway) অনেক বেশি কর্মসংস্থান দিতে পেরেছি। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শূন্য পদ যেমন বাড়ছে, তেমন নিয়োগও হচ্ছে। ’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার, ০৬/০৬/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার, ০৬/০৬/২০২৩)

    মেষ

    ১) আর্থিক অভাব কিছুটা থাকবে।

    ২) পরিবারের কিছু সদস্যের অভাব পরিলক্ষিত হবে। 

    বৃষ

    ১) কাজ ও ব্যবসায় কোনও স্থায়িত্ব থাকবে না। কিন্তু তা সত্ত্বেও কাজের মাধ্যমে লাভ হবে। 

    ২) দুপুরের পর পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    মিথুন

    ১) ব্যয় অনুযায়ী আয় হবে। 

    ২) ধর্মীয় কাজে আগ্রহ বাড়বে। তবে ব্যস্ততার কারণে অধিক সময় দিতে পারবেন না।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় প্রত্যাশার চেয়ে কম কাজ হবে। 

    ২)  টাকাপয়সা নিয়ে খুব বেশি তাড়াহুড়ো করবেন না আজ। 

    সিংহ 

    ১) কাজ ও ব্যবসায় সময় কম দেবেন। সন্ধ্যার পর কোনও সংবাদ আপনার ব্যাকুলতা বৃদ্ধি করবে।

    ২)  কিন্তু তা সত্ত্বেও পুরো দিন কোনও না-কোনও কাজ সম্পন্ন করতে ব্যস্ত থাকবেন।

    কন্যা

    ১) পরিজনদের সহযোগিতা লাভের ফলে মানসিক শান্তি পাবেন এই রাশির জাতক।

    ২) বন্ধুদের সহযোগিতা লাভ করতে পারেন।

    তুলা 

    ১) কর্মক্ষেত্রে নতুন লাভজনক চুক্তি লাভ করবেন।

    ২) কোনও না-কোনও স্থান থেকে অর্থ আগমন সম্ভব হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) বিশেষ লগ্নির মাধ্যমে অর্থ আগমন সম্ভব। আকস্মিক ব্যয় বৃদ্ধির ফলে চিন্তিত থাকবেন।

    ২)  কোনও বিশেষ ব্যক্তির জন্য ব্যয় করা থেকে পিছু হটবেন না।  

    ধনু

    ১) বাড়ির কোনও সদস্যের অপ্রয়োজনীয় কথায় বিবাদ বাধবে এবং শান্ত পরিবেশও অশান্ত হবে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে অর্থাভাব অনুভূত হবে। দিনের শুরুতে পারিবারিক পরিবেশ উন্নত করার চেষ্টা করবেন।

    মকর

    ১)  চাকরিজীবী জাতকদের জন্য ভালো দিন। কাজে সহকর্মীদের সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) সামাজিক কাজে আগ্রহ বাড়বে।

    কুম্ভ

    ১) দুপুরের পর আলস্য বাড়বে। পারিবারিক পরিবেশ পরিবর্তনশীল থাকবে।

    ২) আবশ্যক কাজ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।

    মীন

    ১) আর্থিক সম্পন্নতা বজায় থাকবে। ব্যয় বাড়বে। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সংখ্যা কম থাকবে, তা সত্ত্বেও কাজে বিলম্ব হবে না।

    ২) চাকরিজীবীরা অধিকাংশ কাজ ফেলে রাখবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: অধীরের সভার প্রচার করতে গিয়ে আক্রান্ত মহিলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Murshidabad: অধীরের সভার প্রচার করতে গিয়ে আক্রান্ত মহিলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার আনুমানিক রাত নটা নাগাদ মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরে রাস্তার উপর তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী এক মহিলাকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ওই মহিলাকে এমন ভাবে মারধর করা হয়, তাঁর ডান হাতের আঙুল থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। মহিলাকে মারধর করার জন্য তৃণমূলের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলছে, রাজ্যে মহিলাদের সুরক্ষা কোথায়?

    রানিনগরে (Murshidabad) কী হয়েছিল?

    আগামী কয়েকদিনের মধ্যে রানিনগরে (Murshidabad) কংগ্রেসের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সভায় কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি থাকবেন বলে ওই মহিলা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারও করেন। আর তার পরেই তৃণমূলের নাজমুল সহ আরও অনেক নেতা তাঁকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। 

    আক্রান্ত মহিলার বক্তব্য

    আহত মহিলার দাবি, কিছুতেই তিনি এই রাস্তা থেকে সরবেন না, যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রশাসন (Murshidabad) তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আটক করছে। সেই সঙ্গে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় শুয়ে থাকবেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কোনও প্রশাসন নেই। সভার প্রচারকে কেন্দ্র করে শহরে মিছিল করা হবে বলে আমি কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানাই। আর তার পরেই তাঁর উপর এই আক্রমণ হয় বলে তিনি জানান। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যারা আমার উপর আক্রমণ করেছে, তাদের মধ্যে আমি নাজমুলকে চিনি, সে তৃণমূল করে। আর যারা সাথে ছিল তাদেরকেও চিনি আমি। কিন্তু নাম জানি না।

    প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ

    রানিনগরের (Murshidabad) শেখপাড়ায় ওই ঘটনা এলাকার ব্যবসায়ীদের আতঙ্কিত করে তুলেছে। রাতে রাস্তায় লোকজন বেরোতে ভয় পাচ্ছেন। এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, পুলিশ কী সহযোগিতা করবে! আমাদেরকেই পুলিশকে সহযোগিতা করতে হয়। পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। সেই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিন মহিলারা মার খাচ্ছে, ধর্ষিতা হচ্ছে। কিন্তু মহিলাদের উপর আক্রমণ চলছে, অথচ প্রশাসনের কোনওরকম ভ্রুক্ষেপ নেই। বিরোধী রাজনৈতিক দলের বক্তব্য, এরপরও কী করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এখনও আইন আছে! উনি কোন চশমা ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গের আইন ব্যবস্থাকে জাগ্রত রেখেছেন, সেটাই প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভাটপাড়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল তুঙ্গে, বল গড়াল পুলিশ কমিশনারের কোর্টে

    TMC: ভাটপাড়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল তুঙ্গে, বল গড়াল পুলিশ কমিশনারের কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলা নেতৃত্বের হস্তক্ষেপেও মিটল না ভাটপাড়া পুরসভার তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার এই কোন্দল বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের অফিস পর্যন্ত গড়াল। ভাটপাড়ার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সত্যেন রায়ের বিরুদ্ধে ২৪ জন কাউন্সিলর এদিন পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। মাসখানেক আগেই সত্যেনবাবুর স্ত্রী পুলিশ কমিশনারের কাছে স্বামীর উপর হামলা হওয়ার আশঙ্কা করে চিঠি দিয়েছিলেন। সত্যেনবাবুর উপর হামলা হওয়ার পর তিনিও পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ২৪ জন কাউন্সিলর এসে পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    অভিযোগ জানিয়ে কী বললেন তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলররা?

    কয়েকদিন আগে ভাটপাড়া পুরসভার ভিতরেই অর্জুন ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর সত্যেনবাবুকে বেধড়ক পেটানো হয়েছিল। সেই ঘটনার জের জেলা তৃণমূলের কার্যালয় পর্যন্ত গড়িয়েছিল। সুবিচার চেয়ে সত্যেনবাবু জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। এমনকী নিজে কাউন্সিলর থেকে পদত্যাগ করার হুমকি দেন। সাংসদ অর্জুন সিং কাউন্সিলর হামলার ঘটনায় সত্যেনবাবুর পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকী দল কোনও ব্যবস্থা না নিলে জগদ্দল, কাঁকিনাড়ার মতো ঘটনা ঘটবে বলে হুমকি দিয়েছিলেন। এই ঘটনায় চরম বিড়ম্বনায় পড়ে তৃণমূল নেতৃত্ব। বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেছিলেন, খুব শীঘ্রই ভাটপাড়ায় গিয়ে সমস্যার সমাধান করব। তার আগেই ফের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। এদিন ভাটপাড়া পুরসভার ২৪ জন কাউন্সিলর দল বেঁধে পুলিশ কমিশনারের কাছে পুলিশি হয়রানি এবং সত্যেন রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। তাঁদের বক্তব্য, সত্যেনবাবু আমাদের নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছেন। পুরসভাকে নানা ভাবে বদনাম করছেন। পুরসভার উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন। তাই, আমরা পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ করলাম।

    কী বললেন সাংসদ অর্জুন সিং?

    এই বিষয়ে তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর সত্যেনবাবু বলেন, আমিও আগে অভিযোগ করেছি। পুলিশ দুপক্ষের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। ২৪ জন কাউন্সিলরের পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানানো প্রসঙ্গে অর্জুন সিং বলেন, আমাদের দলের জেলা সভাপতি তাপস রায়। পুলিস কমিশনার তো জেলা সভাপতি নয়। তাহলে তাঁর কাছে কেন এসব অভিযোগ জানাতে গেলেন, আমি বলতে পারব না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Accident: দুর্ঘটনার পর ৪ দিন পার, এখনও খোঁজ নেই রাজ্যের ৪ পরিযায়ী শ্রমিকের

    Coromandel Accident: দুর্ঘটনার পর ৪ দিন পার, এখনও খোঁজ নেই রাজ্যের ৪ পরিযায়ী শ্রমিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার বালেশ্বরে দুর্ঘটনার (Coromandel Accident) কবলে পড়েছিল করমণ্ডল এক্সপ্রেস। ভাতারের খোকনের পরিবারের লোকজন শনিবার সকালে খবর পান, ট্রেনটি দুর্ঘটনায় পড়েছে। আর তাই তড়িঘড়ি তাঁরা খোকনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বারবার যোগাযোগ করেও ফোন সুইচড অফ আসে। কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি তাঁর। অপর দিকে, দুর্ঘটনার চারদিন পরেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বীরভূমের কনকপুর গ্রামের তিন যুবকের। উদ্বিগ্ন এঁদের সবার পরিবারের সদস্যরা।

    দুর্ঘটনায় (Coromandel Accident) নিখোঁজ পূর্ব বর্ধমানের ১ রাজমিস্ত্রি

    এক চিলতে বাড়ির মধ্যেই স্ত্রী ও দুই নাবালক সন্তানকে নিয়ে বসবাস। সংসারের অভাব মেটাতে ও বাড়ি তৈরি করার জন্য কেরলে রাজমিস্ত্রির কাজের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ভাঁটাকুল গ্রামের বাসিন্দা শেখ খোকন। দুর্ঘটনার (Coromandel Accident) দিন অর্থাৎ শুক্রবার সকাল আটটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। শালিমার স্টেশনে ট্রেনে চেপে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা। ট্রেনেই বাড়ির তৈরি খাবার খাচ্ছেন তিনি, এ কথা জানিয়েছিলেন খোকন। সব কিছু স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু পথেই ঘটল বিপত্তি।

    পরিবারের দুশ্চিন্তা

    স্বামীর সন্ধান না পেয়ে শনিবার রাতেই ওড়িশার বালেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দেন খোকনের স্ত্রী বুলটি বিবি সহ আত্মীয়-স্বজনরা। প্রায় চারদিন অতিক্রান্ত। দুর্ঘটনার (Coromandel Accident) পর এখনও খোঁজ নেই খোকনের। বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ। বাবার ছবি হাতে নিয়ে কান্নাকাটি করছে দুই নাবালক সন্তান। শোকার্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রতিবেশীরা রান্না করা খাবার বাড়িতে দিয়ে যাচ্ছেন। আদৌ কি খোকন বাড়ি ফিরবেন! নাকি তাঁর কোনও দুঃসংবাদ আসবে! এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার। পরিবারের দাবি, গ্রামে কোনও কাজকর্ম নেই, বাড়িতে আর্থিক অনটন। পেটের তাগিদেই কেরলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন খোকন। স্ত্রীর কানের দুল স্বর্ণকারের কাছে বন্ধক রেখে সেই টাকা নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন খোকন। এখন তাঁর অপেক্ষায় দিন গুনছেন পরিবারের সদস্যরা।

    দুর্ঘটনায় (Coromandel Accident) বীরভূম থেকে নিখোঁজ আরও ৩  

    করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার (Coromandel Accident) চারদিন পরেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না পাইকর থানার কনকপুর গ্রামের তিন যুবকের। দুর্ঘটনার দিন শালিমার থেকে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে উঠে চেন্নাইয়ে শ্রমিকের কাজ করতে যাচ্ছিলেন সানাউল সেখ, রফিকুল সেখ ও শান্ত সেখ। ট্রেন দুর্ঘটনার পর থেকে তাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকী তাঁদের সঙ্গে থাকা মোবাইলেও যোগাযোগ করতে পারছেন না পরিবারের লোকজন। উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। তবে তাঁদের খোঁজে ইতিমধ্যেই বালেশ্বর পৌঁছেছেন আত্মীয়রা কিন্তু সেখানে গিয়েও খোঁজ মেলেনি। এদিকে নিখোঁজ শ্রমিকদের বাড়ি গিয়ে সমবেদনা জানান মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: পরিবারের একমাত্র রোজগেরের প্রাণ গেল ট্রেন দুর্ঘটনায়, দুই সন্তানকে নিয়ে অসহায় স্ত্রী

    Train Accident: পরিবারের একমাত্র রোজগেরের প্রাণ গেল ট্রেন দুর্ঘটনায়, দুই সন্তানকে নিয়ে অসহায় স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামে কোনও কাজ নেই। দিনের পর দিন হাতে কাজ না থাকায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরের বেগুয়াখালির স্বপন প্রামাণিক। পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতেই ভিন রাজ্যে কাজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। করমণ্ডল এক্সপ্রেস ধরে তিনি কেরল যাচ্ছিলেন। বালেশ্বরের কাছে ঘটে সেই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)। তারপর থেকে স্বপনবাবুর কোনও খোঁজ মিলছিল না। পরিবারের লোকজন স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দরবার করেছেন। কিন্তু, কেউ তাঁর হদিশ দিতে পারেনি। রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর আসে। তাঁর মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। সোমবার মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।

    কী বললেন স্বপনবাবুর ছেলে?

    স্ত্রী, দুই সন্তান মিলে চারজনের ভরা সংসার ছিল। এক চিলতে মাটির বাড়িতে থাকতেন তাঁরা। দুই ছেলের নাম শুভদীপ প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক। শুভদীপের বয়স ১৭ বছর। সে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ে। আর সুমনের বয়স ১৩ বছর। সে অষ্টম শ্রেণীতে পড়়ে। এতদিন লোকের জমিতে চাষ করেই সংসার চালাতেন স্বপনবাবু। স্বপনবাবুর বড় ছেলে শুভদীপের বক্তব্য, বাবার এক পরিচিত কেরলে কাজ করেন। তিনি বাবাকে কেরলে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বাবা প্রথমে যেতে রাজি হয়নি। কিন্তু, সংসারের হাল দেখে বাবা মত বদলায়। বাইরে গিয়ে ভালো রোজগার করে এনে আর যাবে না বলেছিল। কিন্তু, ট্রেনে চাপার কয়েক ঘণ্টা পরই আমরা দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পাই। তারপর থেকে বাবার কোনও খোঁজ পাইনি। এদিন বাবার মৃত্যুর খবর পাই।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, স্বপনবাবু পরিবারে একমাত্র রোজগেরে ছিলেন। অন্যের জমিতে কাজ করে তাঁর সংসার চলত। কিন্তু, এই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) পর কী করে সংসার চলবে তা নিয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারণ, আর ওর পরিবারে রোজগার করার মতো এখন কেউ নেই। ছেলেরা ছোট। এই বিষয়ে প্রশাসন উদ্যোগী না হলে ওই সংসারটি একেবারে ভেসে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: ধাক্কা খেল রাজ্য! বামেদের জোড়া কর্মসূচির অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    Kolkata High Court: ধাক্কা খেল রাজ্য! বামেদের জোড়া কর্মসূচির অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বামেদের জোড়া কর্মসূচির অনুমতি দিল হাইকোর্ট। একটি বারাসতের কাছারি মাঠে, অন্যটি হাওড়ার কাজিপাড়ায়। কাছারি মাঠে মঙ্গলবার সভার সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিল সিপিএম। কিন্তু পরে তা বাতিল করা হয়। এ নিয়ে মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। হাইকোর্টে রাজ্য সরকারের আইনজীবীর বক্তব্য, এডিএম ভুল করে ওই অনুমতি দিয়েছেন। সব প্রস্তুতি নেওয়ার পরে সভায় আপত্তি সঠিক নয় বলে মনে করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং সোমবার তিনি ওই সভার অনুমতি দেন। প্রসঙ্গত, এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর সভা নিয়েও জল গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। নন্দীগ্রামের সভা, চন্দ্রকোণা, পটাশপুর থেকে বাঁকুড়ার সিমলাপাল-বিভিন্ন ক্ষেত্রে সভার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তখন কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) দ্বারস্থ হয়ে সেই কর্মসূচির অনুমতি নিয়ে আসে বিজেপি। এবার সেই একই পথে হেঁটে অনুমতি নিয়ে এল বামেরাও।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    বারাসতের কাছারি মাঠের সভা

    রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানান, এডিএম ভুল করে অনুমতি দিয়ে ফেলেছিলেন। যে মাঠে সভার জন্য আবেদন করা হয়েছে, তার পাশেই বারাসত আদালত। জেলা শাসকের চত্বরও বটে। ২০১৭ সাল থেকে এই মাঠে কোনও সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলেও জানান রাজ্য সরকারের আইনজীবী। কিন্তু একবার যে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেই সভার আবেদন বাতিল করা উচিত নয় বলেই মনে করেন রাজাশেখর মান্থা।

    হাওড়ার কাজিপাড়ার মিছিল

    অন্যদিকে কাজিপাড়ায় বামফ্রন্টের একটি মিছিল হওয়ার কথা মঙ্গলবার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিছিলের অনুমতি ১৮ মে-ই দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে প্রশাসন অনুমতি দিলেও পরে জানিয়ে দেওয়া হয়, মাঠ সংস্কারের কাজ চলছে। তাই সভা বাতিল করতে হবে। এ নিয়ে মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। হাওড়া সিপিএমের ওই সভার অনুমতি দিয়ে বিচারপতি মান্থা এদিন জানান, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল, মিটিং করার অধিকার আছে। তাই সিপিএম হাওড়ায় মিছিল করতে পারবে। শর্তসাপেক্ষে তিনি এদিনের মিছিলের অনুমতি দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    PM Modi: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৬

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৯ বছরে ভারতবর্ষের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার (PM Modi)। ১৪০ কোটি মানুষের দেশে করোনা মোকাবিলা করা ছিল যথেষ্টই চ্যালেঞ্জের কাজ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেখানে সম্পূর্ণভাবে সফল হয়েছে মোদি সরকার। রিপোর্ট বলছে, এখনও অবধি ২২০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ পৌঁছেছে সাধারণ মানুষের কাছে। ২০১৮ সালে মোদি সরকার চালু করে আয়ুষ্মান ভারত। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জন আরোগ্য যোজনা হল পৃথিবীর বৃহত্তম স্বাস্থ্য বিমা স্কিম। এর আওতায় ২২ কোটি মানুষ সুবিধা পাবেন বলে জানা গেছে। সরকার চালু করেছে ই-সঞ্জীবনী প্রকল্প, যা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখিয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ কোটি মানুষ তাঁদের বাড়ির দরজায় স্বাস্থ্য পরিষেবা পাচ্ছেন।

    মোদি সরকারের জমানায় সারা দেশে চালু হয়েছে ৯,০০০ জন ঔষধি কেন্দ্র, যা দেশের ৭০০ জেলাতে রমরমিয়ে চলছে। এই কেন্দ্রগুলি থেকে ৫০ শতাংশ ছাড়ে ওষুধ পাচ্ছেন মানুষজন। মোদি সরকারের জমানায় চালু হয়েছে ইন্দ্রধনুস প্রকল্প, যেখানে প্রায় সাড়ে চার কোটি শিশু এবং দেড় কোটি গর্ভবতী মহিলাকে বারোটি রোগ প্রতিরোধের ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। ডাক্তারি পড়াশোনার ক্ষেত্রেও নতুন মোড়ের সন্ধান মিলেছে মোদি জমানায়। বহু সরকারি কলেজ স্থাপন যেমন হয়েছে, তেমনই বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলির উচ্চ ফি এবং আসন ভর্তিতে দুর্নীতি কমানো গেছে গত ৯ বছরে। মোদি জমানায় গত ৯ বছরে অনেক রাজ্যে তৈরি হয়েছে এইমস এবং পাশাপাশি নতুন মেডিক্যাল কলেজ। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে অসমে প্রথম স্থাপিত হয়েছে এইমস।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদি (PM Modi) জমানায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কী কী নতুন বদল এসেছে

    ১) আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় সারা দেশে হাসপাতালগুলিতে আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় সাড়ে চার কোটি।

    ২) আয়ুষ্মান ভারতের ১.৫৯ লক্ষ সেন্টার তৈরি হয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

    ৩) ৯,৩০৪ টি জন ঔষধি কেন্দ্র চলছে দেশের ৭০০ রও বেশি জেলায়। যেখানে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ ছাড়ে ওষুধ পাচ্ছেন মানুষজন।

    ৪) মিশন ইন্দ্রধনুস প্রকল্পে ৫.৬৫ কোটি গর্ভবতী মা এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

    ৫) বিগত ৯ বছরে দেশে স্থাপিত হয়েছে ১৫টি নতুন এইমস এবং ২২৫টি মেডিক্যাল কলেজ।

    ৬) করোনা মোকাবিলায় ২২০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ সম্পন্ন হয়েছে সারা দেশ জুড়ে।

    ৭) ৩৭ কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় আনা হয়েছে।

    ৮) সাধারণ মানুষের ২৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি লাভ হয়েছে জন ঔষধি কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে। যেখানে জনগণ অনেক কম মূল্যে জীবনদায়ী ওষুধ পেয়েছেন।

    ৯) ২০১৪ সালের পর থেকে সারা দেশে মেডিক্যালে আসন বাড়ানো হয়েছে ৬৯ হাজার ৬৬৩টি।

    ১০) করোনাকালীন সময়ে ২০২০ মার্চ পর্যন্ত ১৪ টি ল্যাবরেটরি ছিল করোনা পরীক্ষার জন্য, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩,৩৯০ টি।

    ১১) করোনার সময় প্রতিদিন ২০ লক্ষ করে পিপিই কিট তৈরি করতে পেরেছে সরকার।

    ১২) মার্চ ২০২০ অবধি সারা দেশে আইসিইউ বেড ছিল ২,১৬৮টি, বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার।

     

    আরও পড়ুন: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Paschim Medinipur: তৃণমূলের নবজোয়ার শেষ হতেই জেলায় শুরু বিজেপির জনসম্পর্ক অভিযান

    Paschim Medinipur: তৃণমূলের নবজোয়ার শেষ হতেই জেলায় শুরু বিজেপির জনসম্পর্ক অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচি শেষ হতেই ময়দানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি এবং দলের কার্যকর্তারা। রবিবার থেকেই একাধিক জায়গায় কর্মসূচি করছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সামনেই পঞ্চায়েত এবং লোকসভার ভোট। আর তাকে লক্ষ্য করেই ময়দানে নেমে পড়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। বিজেপি এবার শুরু করে দিল জনসম্পর্ক অভিযান।

    পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) কোথায় গেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    রবিবার কেশিয়াড়িতে জনসম্পর্ক সভা করেন সুকান্ত মজুমদার। তারপরই সোমবার সকালে ডেবরার (Paschim Medinipur) পিংলা ব্লক এলাকায় বিশেষ জনসম্পর্ক অভিযান করেন তিনি। গত ন-বছরে কেন্দ্রীয় সরকারের নানাবিধ প্রকল্প এবং সুবিধার কথা তিনি সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে বলার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।

    কী বলেন সুকান্ত মজুমদার?

    রাজ্য সরকারের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে পিংলায় (Paschim Medinipur) সুকান্ত মজুমদার বলেন, কাকু হোন বা ডাকু হোন, বাঁচবে না কেউ। মুখে কুলুপ দেন আর কুলপি নিন, যাই করে থাকুন না কেন, কীভাবে কথা বের করতে হয়, সিবিআই-ইডি সব জানে। সব কথা প্রকাশ পাবে, গোপনে কিছুই থাকবে না। সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন গোটা দেশে ৫৪০ টির বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সেই সঙ্গে ১৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং ৮০০ টির বেশি ঘটনায় লাইনচ্যুত হয় রেল। মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের পদত্যাগ দাবি করছেন! কিন্তু তার আগে তো ডবল ডবল পদত্যাগ করা উচিত মুখ্যমন্ত্রীর। কারণ রাজ্যে ডবল ডবল চাকরি হয়নি। এই প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু আরও বলেন, এই মুখ্যমন্ত্রীর সময়েই জ্ঞানেশ্বরী রেল দুর্ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু এই দুর্ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট সামনে আসতে দেননি তিনিই। এর কারণ, মূলচক্রী মাওবাদী নেতা ছত্রধর মাহাতো এখন তাঁরই দলের লোক। ঠিক এই ভাবেই জনসম্পর্ক অভিযানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অগ্নিবাণ নিক্ষেপ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Board: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Primary Board: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ‘কনফিডেন্সিয়াল সেকশন’ বলে পরিচিত ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’-র বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, পর্ষদের বাইরে এমন এক সংস্থাকে কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলে অভিহিত করা যায় না। আইনে পর্ষদের (Primary Board) হাতে এই ধরনের কোনও ক্ষমতা দেওয়া আছে কিনা, তাও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি ওএমআর শিট মূল্যায়নকারী একটি সংস্থা। ২০২০ সালে প্রাথমিকে নিয়োগের একটি মামলার শুনানি ছিল সোমবার। সেখানেই এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। তিনি এদিন এও জানান, আলাদা করে বাইরের কোম্পানিকে দিয়ে তথ্য যাচাই করা যায় না।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় ৮ জুন রুজিরাকে সিজিও-তে তলব ইডি-র

    এর আগেও বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসে ২০১৪ সালের টেস্ট সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মানিক ভট্টাচার্যকে ভর্ৎসনা করে বলেছিলেন, কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলে যার উল্লেখ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (Primary Board) করছে, সেই এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির সঙ্গে মানিক ভট্টাচার্যের ঠিক কী সম্পর্ক ছিল? কেন এই সংস্থাকে কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলা হচ্ছে, এদিন তাও জানতে চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও পর্ষদ এদিন এর কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

    প্রসঙ্গ সুজয়কৃষ্ণ……

    এই মামলার শুনানিতেই চলে আসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের গ্রেফতারি প্রসঙ্গও। বিচারপতির বক্তব্য, “কোন ভদ্র না অভদ্র গ্রেফতার হয়েছেন, তা নিয়ে ভাবিত নই। কিন্তু ‘কনফিডেন্সিয়াল সেকশন’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্ষদের হাতের বাইরে থাকা উচিত নয়।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় একাধিক উল্লেখযোগ্য নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘটককে দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডি-র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share