Tag: Bengali news

Bengali news

  • Dilip Ghosh: ‘‘কাউন্সিলর-এমএলএ-এমপিরা খুব টাকা খাচ্ছে, আর…’’ গার্ডেনরিচকাণ্ডে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘কাউন্সিলর-এমএলএ-এমপিরা খুব টাকা খাচ্ছে, আর…’’ গার্ডেনরিচকাণ্ডে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গার্ডেনরিচের বেআইনি নির্মীয়মাণ বহুতল ভেঙে পড়ায় মারা গিয়েছেন ৫ জন। আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মনে করা হচ্ছে নিচে এখনও চাপা পড়ে আছেন ৭ জন। মোট ২৩ জন ধ্বংসস্তূপের তলায় আটকে পড়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন মেদিনীপুরের সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রতিদিনকার মতো সোমবারও নিউটাউনের ইকো পার্কে প্রাতর্ভ্রমণে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বেআইনি বিল্ডিং ডেভেলপমেন্ট খুব হচ্ছে। আর কাউন্সিলর, এমএলএ ,এমপিরা খুব টাকা খাচ্ছে।’’

    যে কিনছে তার পুরো জীবনটাও কাটাতে পারবে না, মাঝখানে ভেঙে পড়বে

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘লোকাল নেতারাও টাকা খাচ্ছে। এখানে ব্রিজ ভেঙে পড়ে, নির্মীয়মাণ ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ে এখন বিল্ডিং ভেঙে পড়ছে। এই যে দুর্নীতি হচ্ছে, যেখানে অর্ধেক টাকা দিয়ে দিতে হচ্ছে লোকাল নেতা ও কাউন্সিলরদের। ফলে কোনও মতে ইট-বালি দিয়ে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে বাড়ি। যে কিনছে তার পুরো জীবনটাও কাটাতে পারবে না, মাঝখানে ভেঙে পড়বে।’’ রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির (Dilip Ghosh) আরও মন্তব্য, ‘‘এই যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এর পিছনে রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি। সেই জন্য সরকারকে সতর্ক হতে হবে। এগুলো তদন্ত হওয়া দরকার আছে। নতুন নতুন ফ্ল্যাট-বিল্ডিং যেগুলো তৈরি হচ্ছে, বেশিরভাগ অবস্থা এরকম আছে।’’

    আতঙ্কিত স্থানীয়রা

    রবিবার রাত ১২টা নাগাদ নির্মীয়মান বহুতলের একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১৫ জন। তার মধ্যে ৬ জন ভর্তি রয়েছে আইসিইউতে। তাদের মধ্যে ২ জন নাবালকও রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জলাভূমি ভরাট করে একের পর এক নির্মাণ গজিয়ে উঠেছে। ৩ ফুট সংকীর্ণ রাস্তাতেও গড়ে উঠছে বহুতল নির্মাণ। এই ঘটনায় কলকাতার পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। দুর্ঘটনার পরে অভিঘাত এসে পড়ে পাশের বাড়িগুলির উপরেও। পাশাপাশি বাড়িগুলোরও ছাদের একাংশ ভেঙে যায়। দেওয়ালে ফাটলও ধরেছে। এর ফলে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vladimir Putin: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রেকর্ড জয় পুতিনের, শোনা গেল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারি

    Vladimir Putin: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রেকর্ড জয় পুতিনের, শোনা গেল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ছ’বারের জন্য রুশ প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসতে চলেছেন ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। ৮৭.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের মস্কোর মসনদে এলেন তিনি। পুতিনের জয়ের ধারে কাছেও দেখা যাচ্ছে না নিকটতম বাম প্রতিদন্দ্বীকে। ওই বাম প্রার্থীকে পেতে দেখা যাচ্ছে মাত্র ৪ শতাংশ ভোট। সোভিয়েট-পরবর্তী রাশিয়ায় প্রথম এত বিপুল ব্যবধানে জয়ী হলেন তিনি। জেতার পরে পুতিন যদি প্রেসিডেন্ট পদে মেয়াদ পূরণ করতে পারেন, তবে রাশিয়ার ২০০ বছরের ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদি শাসক হিসাবে প্রথম স্থানে থাকবেন তিনি। ভেঙে যাবে জোসেফ স্ট্যালিন এবং লিওনিদ ব্রেজনেভের টানা ২৪ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড। জয়ের পরেই পুতিন দিলেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারিও।

    জেতার পরে নিজের ভাষণে কী বললেন পুতিন? 

    জেতার পরে নিজের ভাষণে পুতিন (Vladimir Putin) বলেন, ‘‘আমার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য দেশের সমস্ত নাগরিককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এটা কোনও ব্যাপার নয় কে কতটা আমাদের ভয় দেখাতে চায়। আমাদের দমন করে রাখতে চায়। অতীতে যারা আমাদের চেতনা এবং ইচ্ছাকে দমন করে রাখতে চেয়েছে, ইতিহাসে তারা কেউ সফল হতে পারেনি। ভবিষ্যতেও তারা সফল হবে না। কখনওই না।’’

    হুঁশিয়ারি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের

    তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারিও শোনা গেল তাঁর গলায়। মার্কিন নেতৃত্বে চলা পশ্চিমী রাষ্ট্রজোট ‘নেটো’র সঙ্গে রাশিয়ার সংঘাতের কোনও সম্ভাবনা রয়েছে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে পুতিন (Vladimir Putin) জানিয়েছেন, আধুনিক বিশ্বে সবই সম্ভব। রুশ সংবাদমাধ্যমকে পুতিন বলেন, “এটা সকলের কাছেই স্পষ্ট যে, তেমন হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে এক ধাপ দূরে থাকা হবে। আমি মনে করি খুব কম মানুষই তেমনটা চাইবেন।” প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে পরমাণু যুদ্ধের হুমকিও শোনা গিয়েছিল পুতিনের গলায়। তিনি বলেছিলেন, ‘‘রাশিয়া কারিগরি এবং কৌশলগত দিক থেকে পরমাণু যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’’ ২০২২ সাল থেকেই চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে ব্রিটিশ এবং ফরাসি সেনারাও রয়েছেন বলে দাবি করেছেন পুতিন। তাঁর আরও দাবি, নেটোর অধিকাংশ সেনাই রুশ সেনার ‘প্রতিরোধে’র সামনে মারা যাচ্ছেন।

    ২০১৮ সালে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জেতেন পুতিন

    রাশিয়ায় তিন দিন ধরে চলেছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। গতকাল রবিবারই তা শেষ হয়েছে। সোমবার সামনে এল ফলাফল। এর আগে ২০১৮ সালে রাশিয়াতে এই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল। সেবার সাড়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন পুতিন। তবে পুতিন (Vladimir Putin) সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভোটে জালিয়াতি ও বিরোধীদের ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও ওঠে সেবার। সম্প্রতি, জেলবন্দি পুতিন বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু হয়। এনিয়েও অভিযোগে কাঠগড়ায় তোলা হয় পুতিনকে। সেই আবহেই এল পুতিনের বিপুল জয়ের খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশভাগের সময় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতাশ হয়েছিলেন, তাঁদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে।” সিএএ নিয়ে আমেরিকার প্রতিক্রিয়ার প্রত্যুত্তরে এ কথাই বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। গত সোমবার সন্ধ্যায় দেশজুড়ে লাগু হয়েছে সিএএ। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করতে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আমেরিকাও। জো বাইডেনের দেশ এ বিষয়ে প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। বাইডেন প্রশাসনের সেই প্রতিক্রিয়ারই জবাব দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

    আমেরিকাকে বার্তা জয়শঙ্করের (S Jaishankar)

    সিএএ লাগু হওয়ার পর ভারতের নীতি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন এ দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গার্সেটি। তার প্রেক্ষিতেই নাম না করে আমেরিকাকে একহাত নিয়েছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “আমারও নীতি রয়েছে। দেশভাগের সময় যেসব মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন, সেই সব মানুষের জন্যই সিএএ।” সিএএতে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারও জবাব দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেবল আমাদের দেশে নয়, অন্য দেশেও ধর্ম ও জাতির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।”

    সিএএ-র ক্ষমতা

    জয়শঙ্কর বলেন, “আমি কারও নীতি বা গণতন্ত্রের আদর্শ নিয়ে কিছু বলছি না। কিন্তু আমার মনে হয়, আমাদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে অনেকের সঠিক ধারণা নেই। বিশ্বের অনেক জায়গা থেকে এমন অনেক মন্তব্য করা হচ্ছে, তা শুনে মনে হচ্ছে ভারতে কোনওদিন দেশভাগ হয়নি। দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তাদের (আমেরিকার) গণতন্ত্রে যে অসম্পূর্ণতা রয়েছে, তা নিয়ে আমি প্রশ্ন তুলছি না। তাদের নীতি কিংবা নীতির অভাব নিয়েও তো আমি প্রশ্ন করছি না। আমাদের দেশের ইতিহাস কতটা তারা বুঝেছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করছি না।” তিনি বলেন, “আপনি যদি বিশ্বের বিভিন্ন অংশের মন্তব্য শোনেন (সিএএ নিয়ে), তাহলে মনে হবে ভারতে কখনও দেশভাগের মতো ঘটনা ঘটেনি।” এর পরেই বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুুন: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবে মাত্র কাঠি পড়েছে লোকসভা নির্বাচনের ঢাকে। রাজনীতির কারবারিরা ব্যস্ত কোন দল কত আসন পাবে, তার চুলচেরা হিসেব নিকেশ করতে। অথচ ক্ষমতায় ফিরে আগামী ১০০ দিনে কী কী কাজ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করতে হবে, মন্ত্রীদের তার রোডম্যাপ তৈরি করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত মোদি (PM Modi)

    লোকসভা নির্বাচনে এবারও যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই ক্ষমতায় ফিরবে, সে ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন সময় তাঁকে তা বলতেও শোনা গিয়েছে। সূত্রের খবর, সেই কারণেই মন্ত্রীদের রোডম্যাপ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কেবল একশো দিনের রোডম্যাপ নয়, রবিবার মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে আগামী পাঁচ বছর কী কী কাজ করা হবে, তারও রোডম্যাপ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) দিয়েছেন তাঁদের। সরকারি নীতিগুলি কীভাবে বাস্তবে রূপদান করা যায়, তা নিয়েও মন্ত্রকের অফিসারদের সঙ্গে কথা বলতে মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্দেশ

    এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে সরকারি নীতিগুলি কীভাবে কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে প্রত্যেক মন্ত্রী আলোচনা করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে। তার পরেই প্রত্যেক মন্ত্রীকে তৈরি করতে হবে একটি করে রোডম্যাপ। আগামী পাঁচ বছরে কীভাবে কাজ করবে তাঁদের মন্ত্রক, সেই বিষয়টিই বিস্তারিত তুলে ধরা হবে এই রোডম্যাপে।

    সতীর্থ মন্ত্রীদের এই নির্দেশের পাশাপাশি নির্বাচনের নির্ঘণ্টও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পাঠিয়েছে মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ মার্চ জারি হতে পারে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম বিজ্ঞপ্তি। লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। ভোট হবে ১০২টি কেন্দ্রে।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার ঢের আগেই দলীয় নেতাদের ৩৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি ৩০টি আসন পেতে হবে এনডিএর অন্যান্য শরিকদের। বাংলায় লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। এর সবক’টিই যাতে বিজেপির ঝুলিতে যায়, বাংলা সফরে এসে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সেই টার্গেটও ঠিক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata News: খোদ মেয়রের এলাকায় নির্মীয়মাণ বেআইনি বহুতল ভেঙে হতাহত বহু, সরব শুভেন্দু

    Kolkata News: খোদ মেয়রের এলাকায় নির্মীয়মাণ বেআইনি বহুতল ভেঙে হতাহত বহু, সরব শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার রাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল কলকাতার (Kolkata News) গার্ডেনরিচে। নির্মীয়মাণ বহুতলের একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই ঘটনায় মৃত ২ এবং আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১৫ জন। তার মধ্যে ৬ জন ভর্তি রয়েছে আইসিইউতে। তাদের মধ্যে ২ জন নাবালকও রয়েছে। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ২ জনই মহিলা। তাঁদের নাম  সামা বেগম ও হাসিনা খাতুন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জলাভূমি ভরাট করে একের পর এক নির্মাণ গজিয়ে উঠেছে। ৩ ফুট সংকীর্ণ রাস্তাতেও গড়ে উঠছে বহুতল নির্মাণ। এই ঘটনায় কলকাতার পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শুভেন্দুর তোপ ফিরহাদকে

    বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন, ‘‘গার্ডেনরিচের (Kolkata News) ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ তলা বাড়ি ভেঙে পড়েছে। ওই এলাকা মেয়র ও পুরমন্ত্রীর তথাকথিত দুর্গ বলে পরিচিত। হতাহতর সংখ্যা নিয়ে একের পর এক ফোন আসছে। দুর্গতদের উদ্ধারে অবিলম্বে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী পাঠান।’’ রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও কলকাতার সিপি-কে ট্যাগ করে এই পোস্ট করেন শুভেন্দু।

    আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা

    দুর্ঘটনার (Kolkata News) পরেই রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। চেষ্টা হয় ক্রেন এনে সিমেন্টের বড় বড় চাঙড় সরানোর। তবে সংকীর্ণ গলিপথের শেষপ্রান্তে যন্ত্রপাতি নিয়ে পৌঁছোনো যায়নি। রাত দুটো থেকে কাজ শুরু করে এনডিআরএফ। তাদের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে কংক্রিটের চাঁই কেটে কেটে উদ্ধার করার চেষ্টা করা হয়। ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ চাপা পড়ে আছেন কিনা সেটাও দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পরে অভিঘাত এসে পড়ে পাশের বাড়িগুলির উপরেও। পাশাপাশি বাড়িগুলোরও ছাদের একাংশ ভেঙে যায়। দেওয়ালে ফাটলও ধরেছে। এর ফলে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ‘জাতীয় পুনরুত্থানে রাম মন্দির’, প্রস্তাব পাশ নাগপুরে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠকে

    RSS: ‘জাতীয় পুনরুত্থানে রাম মন্দির’, প্রস্তাব পাশ নাগপুরে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগপুরে অনুষ্ঠিত আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠকে ‘জাতীয় পুনরুত্থানে রাম মন্দির’ প্রস্তাব গৃহীত হল। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণ বিশ্বের ইতিহাসে সোনালী অধ্যায়ে লেখা থাকবে।’’ ওই প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ‘‘শত বছরেরও বেশি সময় ধরে হিন্দু সমাজের সংঘর্ষ এবং আত্মত্যাগের ফলে নির্মাণ সম্ভব হয়েছে রাম মন্দিরের।’’

    রাম মন্দির আন্দোলনে যুক্ত প্রত্যেককে সম্মান জানানো হয়েছে 

    প্রস্তাবে রাম মন্দির আন্দোলনে সমাজের সেই সমস্ত ব্যক্তিকে সম্মান জানানো হয়েছে, যাঁরা রাম মন্দির নির্মাণের আন্দোলনে কোনও না কোনওভাবে যুক্ত ছিলেন (RSS)। যেমন, আইন বিশেষজ্ঞ, সংবাদমাধ্যম, গবেষক প্রভৃতি। এর পাশাপাশি স্মরণ করা হয়েছে আন্দোলন করতে গিয়ে যাঁরা নিজের প্রাণ বলিদান দিয়েছেন তাঁদেরকেও। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘‘অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা (RSS) তাঁদের প্রত্যেককে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে যাঁরা এই আন্দোলন করতে গিয়ে নিজের জীবন আহুতি দিয়েছেন।’’

    প্রস্তাবে স্থান পেয়েছে অক্ষত চাল বিতরণ কর্মসূচি 

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগে অক্ষত চাল দেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় আরএসএস (RSS)। সেই কর্মসূচির সাফল্যও স্থান পেয়েছে প্রস্তাবে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘‘সমগ্র সমাজ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন রাম মন্দিরের অক্ষত চাল বিতরণের অনুষ্ঠানে। লক্ষ লক্ষ রামভক্ত সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন কোটি কোটি পরিবারের সঙ্গে গ্রাম এবং শহর মিলিয়ে।’’

    দেশ এবং দেশের বাইরে দীপোৎসব অনুষ্ঠান

    প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ‘‘২২ জানুয়ারি ভারতবর্ষ এবং দেশের বাইরেও প্রতিটি প্রান্তে দীপোৎসব অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গৈরিক ধ্বজ প্রত্যেক বাড়িতে উড়েছে। মন্দির এবং ধর্মস্থান গুলিতেও দেখা গিয়েছে একই চিত্র।’’ প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে অযোধ্যা সাক্ষী থেকেছে বিশ্বের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক নেতাদের অংশগ্রহণে। এর পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রের এবং অন্য বিশ্বাসের মানুষরাও সেদিন এসেছেন অযোধ্যায়।’’

    রাম মন্দিরের নির্মাণ সমাজে একটি সম্প্রীতির পরিবেশ নির্মাণ করতে পেরেছে

    ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণ সমাজে একটি সম্প্রীতির পরিবেশ নির্মাণ করতে পেরেছে।’’-এমনটাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে। এর পাশাপাশি রাম মন্দিরের উদ্বোধন জাতীয় জীবনকে সংগঠিত করতে পেরেছে বলেও মত রাখা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। শ্রী রামচন্দ্রের মূল্যবোধের উপর নির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধন ভারতবর্ষের জাতীয় পুনরুত্থানের সূচনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। পাশাপাশি প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণের মাধ্যমে সমাজ বিদেশি শাসনের সময়ে যেভাবে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগত সেখান থেকেও বেরিয়ে আসতে পেরেছে।’’

    ভগবান রামচন্দ্র সকলের কাছে প্রেরণার স্রোত 

    ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, ‘‘ভগবান রামচন্দ্র সকলের কাছে প্রেরণার স্রোত। ভগবান রামচন্দ্রের সুশাসন সারা পৃথিবী জুড়ে খ্যাত। রাম রাজ্যের নীতি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।’’ অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার মতে, ‘‘ভগবান রামের আদর্শ থেকে সকলকে প্রেরণা নেওয়া দরকার। সমাজের মধ্যে ধর্মের মূল্যবোধ জেগে ওঠা দরকার। আত্মত্যাগ, বিচারবোধ, সদিচ্ছা, সততা- এই সমস্ত কিছুই প্রতিফলিত হয় ভগবান শ্রী রামের জীবনে।’’

    ঘোষণা ৬ সহ-সরকার্যবাহের

    নাগপুরে অনুষ্ঠিত আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভায় ফের একবার সরকার্যবাহ পদে নির্বাচিত হলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে। এর পাশাপাশি তিনি ৬ জন সহ-সরকার্যবাহকে নিয়োগও করেন ২০২৪ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত সাংগঠনিক বর্ষে। ২০২১ সালের প্রতিনিধি সভার বৈঠকে সহ-সরকার্যবাহ ছিলেন ৫ জন। এবারে তা বেড়ে ৬ হল। ৬ জন সহ-সরকার্যবাহ হলেন— কৃষ্ণ গোপাল, সি আর মুকুন্দ, অরুণ কুমার, রাম দত্ত চক্রধর, অতুল লিমায়ে এবং অলোক কুমার। মনমোহন বৈদ্য এর আগে সহ-সরকার্যবাহের দায়িত্বে ছিলেন, প্রতিনিধি সভার বৈঠকে তাঁকে দায়িত্ব মুক্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shiboprosad Mukherjee: এই প্রথম কোনও বাঙালি পরিচালকের ছবি সংসদে প্রদর্শিত হবে, আপ্লুত শিবপ্রসাদ

    Shiboprosad Mukherjee: এই প্রথম কোনও বাঙালি পরিচালকের ছবি সংসদে প্রদর্শিত হবে, আপ্লুত শিবপ্রসাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে একাধিক ছবি অবশ্য দেখানো হয়েছে রাজ্যসভা বা লোকসভায়। এবার এই প্রথম কোনও বাঙালি পরিচালকের সিনেমা প্রদর্শিত হবে রাজ্যসভায়। সংসদের লাইব্রেরি বিল্ডিংয়ে এই ছবি দেখানো হবে। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shiboprosad Mukherjee) এবং নন্দিতা রায়ের প্রথম হিন্দি ছবি ‘শাস্ত্রী বিরুদ্ধ শাস্ত্রী’ দেখানো হবে রাজ্যসভায়।

    অভিনয়ে কে কে আছেন (Shiboprosad Mukherjee)?

    এই সিনেমা ইতিমধ্যেই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটি ওয়েব প্ল্যাটফর্ম মায় ওটিটি-তেও দেখা যাচ্ছে। এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন, মিমি চক্রবর্তী, নীনা কুলকার্ণি, মনোজ জোশি, শিব পণ্ডিত, কবীর পাওয়ার এবং আরও অনেকে। শিবপ্রসাদ-নন্দিতার মতো, এই ছবির হাত ধরে, প্রথমবার হিন্দি ছবিতে ডেবিউ হয়েছে মিমি চক্রবর্তীরও। তবে ছবিতে প্রধান চরিত্রের ভূমিকায় রয়েছেন পরেশ রাওয়াল। আগামী ২৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ রাজ্যসভায় দেখানো হবে ‘শাস্ত্রী বিরুদ্ধ শাস্ত্রী’। জানা গিয়েছে শিবপ্রসাদের (Shiboprosad Mukherjee) উইন্ডোজ প্রযোজনার এই ছবিটি বাংলা ‘পোস্ত’ সিনেমার হিন্দি সংস্করণ। সৌমিত্রের জায়গায় অভিনয় করেছেন পরেশ রাওয়াল।

    কী বললেন শিবপ্রসাদ

    সিনেমার বাঙালি পরিচালক শিবপ্রসাদ (Shiboprosad Mukherjee) বলেছেন, “আমার বন্ধু দেবাশীষ অনেক দিন যাবৎ দিল্লিতে থাকেন, ওঁর অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল সংসদে এই সিনেমা দেখানো হোক। আমার প্রথম হিন্দি সিনেমা মানুষের ভালোবাসা এবং উৎসাহে ধন্য হয়েছে। একবার মুম্বইতে চিত্র পরিচালক মাজিদ মাজিদির সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। তিনি আমাকে বলেছিলেন সিনেমা হল নদীর মতো বয়ে চলা একটি প্রবাহ। সিনেমা নিজের দর্শক নিজেই খুঁজে নেয়। এই সিনেমার ক্ষেত্রে তাই ঘটেছে।”

    পরেশ রাওয়ালের বক্তব্য

    সিনেমায় প্রধান চরিত্রের অভিনেতা পরেশ রাওয়াল সিনেমার পরিচালক শিবপ্রসাদকে (Shiboprosad Mukherjee) বলেছেন, “এই সুন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ সিনেমায় আমাকে কাজের সুযোগ দিয়েছেন তার জন্য আপনাকে আমি ধন্যবাদ জানাই। পরিচালক হিসাবে আপনার জীবনের সাফল্য কামনা করি। এই সিনেমায় আমি কাজ করতে না পারলে হয়তো আমার জীবন অসম্পূর্ণ থাকত। সিনেমায় অত্যন্ত সুন্দর বার্তাবহ পরিমণ্ডল নির্মাণ করেছেন। আপনাকে শ্রদ্ধা এবং সম্মান জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদিকে দেখতে বিদ্যুতের টাওয়ারে, “দয়া করে নেমে আসুন”, অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: মোদিকে দেখতে বিদ্যুতের টাওয়ারে, “দয়া করে নেমে আসুন”, অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এসেছেন। সর্বত্র ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই রব। অগত্যা প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখবেন বলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  বেশ কয়েকজন তরতরিয়ে উঠে পড়লেন সমাবেশস্থল আলোকিত করতে যে অস্থায়ী টাওয়ার বানানো হয়েছিল, তাতে। ঘটনাটি নজরে পড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। নেমে আসতে বললেন অত্যুৎসাহী দলীয় কর্মী-সমর্থকদের। প্রধানমন্ত্রীর এই তৎপরতার জন্য এড়ানো গেল বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    রবিবার সন্ধ্যায় অন্ধ্রপ্রদেশের পালনাডু জেলায় এনডিএ-র প্রজাগালমে (যৌথ সমাবেশ) যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) মঞ্চে ওঠা মাত্রই তাঁকে দেখতে অস্থায়ী টাওয়ারে উঠে পড়েন বেশ কয়েকজন। টাওয়ার ভেঙে পড়ার পাশাপাশি তড়িদাহতও হতে পারতেন ওঁরা। নজরে পড়া মাত্রই বক্তৃতা থামাতে বলেন জন সেনা সভাপতি পবন কল্যাণকে। মাইকের সামনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরে আপনারা ওখানে কী করছেন? ওখানে বিদ্যুতের তার রয়েছে। আপনাদের জীবন আমাদের কাছে অত্যন্ত দামী। দয়া করে নেমে আসুন। সংবাদ মাধ্যমের লোকজন আপনাদের ফোটো তুলে নিয়েছেন। এবার তো নেমে আসুন। এখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আপনারা (পুলিশ) দয়া করে এসব লক্ষ্য করুন। যদি কোনও অঘটন ঘটে, সেটা আমাদের পক্ষে বেদনাদায়ক হবে।”

    অন্ধ্রে সমীকরণ

    এর পরেই দেখা যায়, বাধ্য ছাত্রের মতো টাওয়ার থেকে একে একে নামছেন ওই দলীয় কর্মীরা। টাওয়ার খালি হতেই নিজের আসনে ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। ফের বলতে শুরু করেন জন সেনা সভাপতি। ১০ বছর আগে এন চন্দ্রবাবু নাইডুর হাত ধরে অন্ধ্রপ্রদেশে পা রাখে বিজেপি। ১৪-র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে নির্বাচনে যায় চন্দ্রবাবুর দল টিডিপি। পরে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মর্যাদার দাবিতে মতানৈক্যের জেরে ২০১৮ সালে বিজেপি সঙ্গ ত্যাগ করে টিডিপি। তার পরের নির্বাচনে একলা চলো নীতি নেয় টিডিপি। গোহারা হারে চন্দ্রবাবুর দল। তার পর ফের বিজেপির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত এনটি রামা রাওয়ের জামাই চন্দ্রবাবু। টিডিপির পাশাপাশি বিজেপির হাত ধরেছে জন সেনাও (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Polls 2024: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

    Assembly Polls 2024: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদ্যি বেজে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। দেশজুড়ে নির্বাচন হবে সাত দফায়। এই সময়ের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Polls 2024) হবে উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্যে। এই রাজ্যগুলি হল, অরুণচল প্রদেশ ও সিকিম। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হবে ২ জুন। রবিবার এই খবর জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগে ঠিক ছিল, লোকসভা নির্বাচনের ফল যেদিন ঘোষণা হবে, সেই ৪ জুন ফল ঘোষণা হবে এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেরও। পরে ঠিক হয়, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশের ফল প্রকাশ করা হবে দুদিন (Assembly Polls 2024) আগেই।

    এগিয়ে এল ফল প্রকাশের দিন (Assembly Polls 2024)

    কেন এই দুই রাজ্যের ফল প্রকাশের দিন এগিয়ে আনা হল? জানা গিয়েছে, এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হবে ২ জুন। ৪ জুন ফল ঘোষণা হলে, পরিস্থিতি দাঁড়াবে এই যে দু’দিন রাজ্যে বিধানসভাই থাকবে না। এই পরিস্থিতি এড়াতেই ফল ঘোষণার দিন এগিয়ে আনা হয়েছে। দু’তারিখই ফল ঘোষণা করা হলে রাজ্য বিধানসভাহীন হল, এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না। কারণ সেদিনই বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে যাবে।

    নির্বাচন কবে?

    তবে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন এগিয়ে নিয়ে আসা হলেও, লোকসভা নির্বাচনের যে সূচি এ রাজ্যের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে, তার হেরফের হবে না। ১৯ এপ্রিল শুরু হয়ে যাবে লোকসভা নির্বাচন। ভোট হবে সাত দফায়। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হবে। অরুণাচল প্রদেশে লোকসভার আসন ২টি। আর সিকিমে রয়েছে একটি। এই তিন আসনেই ভোট হবে ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফায়। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও হবে এই দিনই।

    আরও পড়ুুন: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    ২০১৪-র বিধানসভা নির্বাচনে অরুণাচল প্রদেশে সরকার গড়ে কংগ্রেস। পরে মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু সিংহভাগ বিধায়ককে নিয়ে যোগ দেন বিজেপিতে। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিজেপি। আর উনিশের নির্বাচনে সিকিমে পঁচিশ বছরের মুখ্যমন্ত্রী পবনকুমার চামলিংয়ের দল সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে গদিচ্যুত করে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চার প্রধান প্রেম সিংহ তামাং (Assembly Polls 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড কমিশনের

    Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bond) নম্বর প্রকাশ্যে আনতে হবে। সেই মতো রবিবার নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড করল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছিল প্রথম দফার কিছু তথ্য।

    দ্বিতীয় দফায় কোন তথ্য প্রকাশ (Electoral Bond) 

    দ্বিতীয় দফায় যে তথ্য আপলোড করা হয়েছে, তা থেকে জানা যাচ্ছে কত টাকার নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে, তা থেকে কতগুলি বন্ড ভাঙিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি ইত্যাদি। বন্ড কেনার তারিখ, বন্ডের সংখ্যা, এসবিআইয়ের কোন শাখা থেকে বন্ড কেনা হয়েছিল, সেই বন্ড কোন রাজনৈতিক দল ভাঙিয়েছে, সব তথ্যই আপলোড করা হয়েছে কমিশনের তরফে দেওয়া দ্বিতীয় দফার তথ্যে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ১২ মার্চ মুখবন্ধ খামে নির্বাচন কমিশনের হাতে এসব (Electoral Bond) তথ্য তুলে দিয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    মমতার দলের আয় কত?

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে সব চেয়ে বেশি আয় হয়েছে সর্বভারতীয় দল বিজেপির। আঞ্চলিক দল হওয়া সত্ত্বেও বন্ড বাবদ রোজগারের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনী বন্ড থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল আয় করেছে ১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর একটি সর্বভারতীয় দল কংগ্রেস। নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে লাভবান হয়েছে আরও কয়েকটি আঞ্চলিক দল।

    আরও পড়ুুন: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এসবিআইকে বিভিন্ন বন্ডের ইউনিক নম্বর জানাতে বলেছে। যাতে করে দল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে পারে। মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি জানিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে তারা কোনও অনুদান পায়নি। সিপিএম এবং সিপিআইও জানিয়েছে, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কোনও অনুদান পায়নি তারা। তামিলনাড়ুর শাসক দল ডিএমকে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে পেয়েছে ৬৫৬.৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে লটারি কিং সান্তিয়াগো মার্টিনের সংস্থা ফিউচার গেমিংয়ের দেওয়া ৫০৯ কোটি টাকাও। কংগ্রেস জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে এসবিআই যে তথ্য দিয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনবে তারা। কংগ্রেসের গোয়া ইউনিট জানিয়েছে, ভাস্কো দা গামা ভিত্তিক কোম্পানি ভিএম সালগাওকরের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা অনুদান (Electoral Bond) পেয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share