Tag: Bengali news

Bengali news

  • CBI Raid: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    CBI Raid: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ হাতে পেয়ে সোমবার ভোরেই মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার খোঁজ মিলল দ্বিতীয় মোবাইলেরও। ১৪ এপ্রিল সিবিআইয়ের নজর এড়িয়ে তৃণমূল বিধায়ক দুটি মোবাইল বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। শুক্রবার রাত থেকে ওই পুকুরের জল বের করার কাজ শুরু হয়। মোবাইল উদ্ধার করা কী সম্ভব, তা নিয়ে তিনদিন ধরে চর্চা হয়েছে। সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরাও তিনটে পাম্প নামিয়ে পুকুর থেকে জল তোলার উদ্যোগ নেন। আর এই কাজে হাত লাগিয়েছিলেন স্থানীয় শ্রমিক এবং মত্স্যজীবীরা। রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পুকুরের ভিতর থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে, বাকী আরও একটি মোবাইলের খোঁজে নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়। সেই মতো সিবিআই (CBI Raid) ফের পুকুর থেকে মোবাইল খোঁজার উদ্যোগ নেয়। অবশেষে আরও একটি মোবাইলও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখন পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্কের খোঁজে পুকুরে জোরদার তল্লাশি চলছে। বিস্তারিত আসছে।

    কার খোঁজে পুকুরে ফের তল্লাশি?

    শুক্রবার বেলা ১২ টা নাগাদ সিবিআই (CBI Raid)  বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে হানা দেয়। দিনভর চলে তল্লাশি। তৃণমূল বিধায়ককে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। শুক্রবার বিকেলের দিকে সিবিআই আধিকারিকদের নজর এড়িয়ে তৃণমূল বিধায়ক তাঁর দুটি মোবাইল এবং পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দেন। এরপরই সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা মোবাইলের খোঁজে পুকুরে জল বের করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নামানো হয় তিনটি পাম্প। শনিবার সকালের মধ্যে জল অনেকটাই কমে যায়। প্রথমদিকে ৪ জন শ্রমিক এবং একজন মত্স্যজীবী মোবাইল খোঁজার কাজ শুরু করেন। কিন্তু, তা পর্যাপ্ত নয় বলে শ্রমিকের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়। পুকুরে নামানো হয় জেসিবি। রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ প্রথম ফোনটি উদ্ধার হয়। তবে, এই ফোনটি সম্ভবত বিধায়কের নিজের নয়। সেটি বিধায়কের স্ত্রীর ফোন। আর মোবাইলের সঙ্গে রবিবার পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছিল দুটি বোয়াল, ২২টি কই মাছ, ৩০টি শিঙি, দুটি শোল মাছ। পরে, দ্বিতীয় মোবাইলের খোঁজে পুকুরে ২২ জন শ্রমিককে নামানো হয়। তারমধ্যে সঞ্জীব বাগদি নামে এক শ্রমিকের হাতেই দ্বিতীয় মোবাইলটি ওঠে। পুকুরের মধ্যে মোবাইলের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক ফেলেছিলেন। তার খোঁজে পুকুরে নতুন করে ফের তল্লাশি শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Strike: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসীদের ডাকা বনধে জনজীবন স্তব্ধ! বন্ধ দোকানপাট, রাস্তায় নামল না বাসও

    Strike: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসীদের ডাকা বনধে জনজীবন স্তব্ধ! বন্ধ দোকানপাট, রাস্তায় নামল না বাসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসী সংগঠনের ডাকা বাংলা বনধে (Strike) সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ভালোই প্রভাব পড়েছে। বেসরকারি বাস রাস্তায় নামেনি। এমনকী রাস্তায় কেউ বাইক নিয়ে বের হলে আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযানের সদস্যদের রোষের মুখে পড়তে হয়েছে। এক বাইক আরোহীকে চড় মারতেও দেখা গিয়েছে। সরকারি বাস রাস্তায় নামলেও বনধ সমর্থনকারীরা তাতে বাধা দেন। সবমিলিয়ে এদিন বনধের (Strike) জেরে দুই দিনাজপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

    বনধে (Strike) কেমন সাড়া মিলল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়?

    ৭ ই এপ্রিল বালুরঘাটে তিন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটানোর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন আদিবাসীরা। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া তিন আদিবাসী মহিলাকে ভর সন্ধ্যায় প্রকাশ্য রাস্তায় দণ্ডি কাটিয়ে তৃণমূলে ফেরানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে জেলা মহিলা তৃণমূল সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিলেও খুশি নয় আদিবাসীরা। তাকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে সোমবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বনধের (Strike) ডাক দেয় আদিবাসীদের সংগঠন আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান। এদিন সকাল থেকেই বালুরঘাটে হিলি মোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বনধ সমর্থকরা। সকাল থেকে সরকারি বাস চললেও অবরোধের জেরে বন্ধ হয়ে যায় সমস্ত যান চলাচল। সকাল থেকেই দোকানপাট, বেসরকারি বাস বন্ধ রয়েছে। এদিকে বনধের (Strike) কারণে এদিন সকাল থেকেই বালুরঘাট পাবলিক বাসস্ট্যান্ড থেকে বেসরকারি যান চলাচল করছে না। সরকারি বাস চলাচল শুরু হলেও তা আটকে দেন আন্দোলনকারীরা। এদিকে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বনধ (Strike) সমর্থনকারীরা পিকেটিং করেন। জোর করে যাতায়াত করতে চাওয়ায় এক মোটরবাইক আরোহীকে থাপ্পড় মারে বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। মূল গেট দিয়ে ঢুকতে বাধা পেয়ে দ্বিতীয় গেট দিয়ে পুলিশি ঘেরাটোপে প্রশাসনিক ভবনে ঢোকানো হয় জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণাকে। বনধ সফল করতে সবরকমভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। বনধের জেরে জেলার জনজীবন স্তব্ধ হয়ে পড়ে।

    কী বললেন আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযানের নেতা?

    আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযানের নেতা হেমন্ত মুর্মু বলেন, দণ্ডিকাণ্ডে পুলিশ প্রশাসন লোক দেখানো দুজনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু, আমাদের দাবি, মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে। সেই দাবিতে আমাদের এই বনধ (Strike)। এদিন বনধে জেলায় ভালো প্রভাব পড়েছে। দাবিপূরণ না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    বনধে (Strike) উত্তর দিনাজপুরে কতটা প্রভাব পড়ল?

    আদিবাসীদের ডাকা ১২ ঘণ্টার বনধে (Strike) মিশ্র প্রভাব পড়ল উত্তর দিনাজপুর জেলায়। জেলা সদর রায়গঞ্জে বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ করে আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান। রায়গঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি মোড় ও শহরের প্রবেশপথ কসবা মোড়ে দু জায়গায় পথ অবরোধ করেন আদিবাসীরা। এদিন বনধ সফল করতে সকাল থেকে পথে নামেন আদিবাসীরা। রায়গঞ্জের কসবা মোড়ে শুরু হয় বনধ সমর্থকদের জাতীয় সড়ক অবরোধ। ফলে, যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়। শিলিগুড়ি মোড়েও শুরু হয় অবরোধ। মাদল, ধামসা ও তিরধনুক নিয়ে শিলিগুড়ি মোড়ে অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা। দফায় দফায় আলোচনা চললেও কোনও লাভ হয়নি। বনধের (Strike) জেরে স্তব্ধ হয়ে যায় রায়গঞ্জ শহর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: চাকরির জন্য বেঁধে দিতেন রেট! বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    CBI: চাকরির জন্য বেঁধে দিতেন রেট! বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে গত দুদিন ধরে চলছে সিবিআই (CBI) তল্লাশি। মোবাইলের খোঁজে পুকুরের জল তুলে চলছে তল্লাশি। ইতিমধ্যে একটি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে। আরও একটি মোবাইলের খোঁজে তল্লাশি চলছে। সিবিআই (CBI) তল্লাশি চালানোর সময় বিধায়কের বাড়ি থেকে দুবস্তা অ্যাডমিট কার্ড উদ্ধার হয়। সেসবই চাকরিপ্রার্থীদের অ্যাডমিট। উদ্ধার হওয়া নথিতে পাঁচ জেলার চাকরিপ্রার্থীর তালিকা উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করল সিবিআই (CBI)। সেই তালিকায় মুর্শিদাবাদ জেলা ছাড়াও মালদহ, দুই দিনাজপুর ও নদিয়া জেলার চাকরিপ্রার্থীদের নাম পাওয়া গিয়েছে। প্রার্থীদের নামের তালিকার ফটোকপি রয়েছে।

    তৃণমূল বিধায়কের কাছে বিভিন্ন চাকরির দর ঠিক করা ছিল, কত জানেন?

    কোন পদে চাকরির জন্য আবেদন করা হচ্ছে, তা দেখে নিয়ে সেইমতো টাকা নেওয়া হত। তৃণমূল বিধায়ক এর জন্য নির্দিষ্ট রেট ঠিক করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথি থেকে মিলেছে কোন পদে চাকরির জন্য কত টাকা নিয়েছেন জীবন সাহা। জানা গিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির জন্য দর ছিল ১০-১২ লক্ষ টাকা। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র ক্ষেত্রে দর ছিল ১০ ও ৮ লক্ষ টাকা। নবম ও দশম শ্রেণীর জন্য মাথপিছু নেওয়া হয়েছে ১৫-১৭ লক্ষ টাকা। আর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য মাথাপিছু দর ধার্য ছিল ২০-২২ লক্ষ টাকা।

    বিধায়কের নামে কত সম্পত্তি আছে জানেন?

    মুর্শিদাবাদের একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন তৃণমূল বিধায়ক। এরপর ১৯৯২ সালে সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে ইতিহাস নিয়ে স্নাতক হন। বিশ্বভারতী থেকে তিনি  স্নাতকোত্তর পাশ করেন। পৈতৃক সম্পত্তি প্রচুর থাকলেও, গত কয়েকবছরে বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল চোখে পড়ার মতো। জীবনকৃষ্ণের বাবার বরাবরই প্রচুর সম্পত্তি ছিল। বিঘার পর বিঘা জমি, একাধিক বাড়ি, তেলের কল রয়েছে। তবে, দ্বিতীয় বিয়ে করার পর ছেলে জীবনকৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। আর বিধায়কের মায়ের সম্পত্তিও কিছু কম ছিল না। প্রায় তিন বিঘা জমির উপর বাড়ি,  ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা সবই ছিল তাঁর মায়ের নামে। বর্তমানে একটি স্কুলের শিক্ষক জীবনকৃষ্ণ সাহা। তবে বিধায়ক হওয়ার পর স্কুলে যেতে হয় না। স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রচুর সম্পত্তি কিনেছেন জীবনকৃষ্ণ। কান্দিতে রয়েছে একটি রাইস মিল। রয়েছে ৪ বিঘা জমি। কান্দি হাইস্কুলের পিছনে রয়েছে বিধায়কের একটি পুকুর ও গ্যাসের গোডাউন। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত মুর্শিদাবাদের কৌশিক ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন জীবনকৃষ্ণ। তাঁর বাড়ির আশেপাশে কম করে ৩৫ বিঘা জমি রয়েছে বিধায়কের। শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বীরভূমেও প্রচুর সম্পত্তি কিনেছিলেন জীবনকৃষ্ণ। সাঁইথিয়া পুরসভা এলাকায় ৫ কাঠা জায়গা রয়েছে তাঁর। লাউতোর এলাকায় মোট ২৪ কাঠা জায়গা বিধায়কের নামে। সাঁইথিয়া তালতলা মোড়ে একটি রাইস মিল রয়েছে। এছাড়া সাঁইথিয়া শহরে পৈতৃক বাড়ি মিলিয়ে ৪ টি বাড়ি রয়েছে তাঁর। এখনও পর্যন্ত এই যা সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে তাঁর মূল্য দুশো থেকে তিনশো কোটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপি নেত্রীর ছেলেকে নগ্ন করে বেধড়ক মার ও মাথার চুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ! কেন এই নির্যাতন?

    BJP: বিজেপি নেত্রীর ছেলেকে নগ্ন করে বেধড়ক মার ও মাথার চুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ! কেন এই নির্যাতন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোটেলের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার মাশুল! চুরির অপবাদ দিয়ে মোবাইল কেড়ে বিজেপি (BJP) নেত্রীর ছেলেকে নগ্ন করে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, মাথার চুল কেটে নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ। ১৪ এপ্রিল রাতে এমনই অমানবিক ঘটনা ঘটেছে দুর্গাপুরের মুচিপাড়া এলাকায়। আক্রান্ত রাজীব ভট্টাচার্য্য নামে ওই যুবক সুবিচারের দাবিতে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাঁকসা থানার পুলিশ। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজীব ভট্টাচার্য্য দুর্গাপুর পুরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ধোবিঘাট এলাকার বাসিন্দা। তার মা সুমনা ভট্টাচার্য বিজেপি-র (BJP) আসানসোল সাংগঠনিক জেলার মহিলা মোর্চার সহ সভাপতি। বছরখানেক ধরে রাজীববাবু দুর্গাপুরের মুচিপাড়ার এক হোটেলে কাজ করতেন। সম্প্রতি অন্য একটি হোটেলে ভালো মাইনের সুযোগ পাওয়ায় ওই কাজ তিনি ছেড়ে দেন। নতুন ওই হোটেলের কাজে তিনি যোগও দেন। পুরানো ওই হোটেলের মালিক আই কার্ড, ব্যাগ, ডায়েরি ফেরত দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। সেইমতো ১৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় মুচিপাড়ার ওই হোটেলে দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি (BJP) নেত্রী যান। অভিযোগ, সেখানে সব ফেরত দেওয়ার পর, আচমকা হোটেল মালিক হিরন্ময় দাস ও তাঁর ছেলে রাজীববাবুকে মারধর শুরু করেন। টেনে হিঁচড়ে হোটেলের পিছনে নিয়ে যান। সেখানে চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মোবাইল কেড়ে হোটেলের কয়েকজন কর্মীকে দিয়ে তাঁকে নগ্ন করে নির্মমভাবে মারধর শুরু করা হয়। রাজীববাবুর ভাই বাঁচাতে গেলে, তাঁকেও মারধর করা হয়। বিজেপি (BJP) নেত্রীর সামনেই এই ঘটনা ঘটে। তিনি রাস্তায় এসে আর্তনাদ করেন। কিন্তু, বাইরের লোককে হোটেলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রাজীববাবুকে তালাবন্ধ করে রাখা হয়। রাজীববাবুর মাথার চুল কেটে  অমানবিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ।

    ছেলেকে মারধর করা নিয়ে কী বললেন বিজেপি (BJP) নেত্রী?

    বিজেপি (BJP) নেত্রী তথা আক্রান্ত রাজীববাবুর মা সুমনা ভট্টাচার্য বলেন, আমার সামনেই হোটেল মালিক ছেলের ওপর নির্যাতন চালায়। ছেলের মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়। এই ঘটনা নিয়ে পুলিশে খবর দিই। মলানদিঘি ফাঁড়ির পুলিশ এসে ছেলেকে উদ্ধার করে। অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে থানায় অভিযোগ দায়ের করি।

    কী বললেন অভিযুক্ত হোটেলের মালিক?

    যদিও এবিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেন হোটেল মালিক হিরন্ময় দাস। তিনি বলেন, হোটেলের গেটের বাইরে চুরি করার বিষয় জানতে পেরে জনতা মারধর করেছে। চুল কেটে দিয়েছে। আমি উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: চাকরির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা! ধৃত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া যুবকসহ পাঁচজন

    Fraud: চাকরির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা! ধৃত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া যুবকসহ পাঁচজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম সঞ্জয় দাস। বাড়ি রানাঘাট। কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত পড়েছিল সে। তারপর আর পড়াশুনা করতে পারেনি। তাতে কী হয়েছে? রীতিমতো গ্যাং তৈরি করে অনলাইনে প্রতারণার (Fraud) ফাঁদ পেতে বসে সে। আর সেই ফাঁদে পা দিলেই চাকরির টোপ দিয়ে মগজধোলাই করে চলত প্রতারণা (Fraud)। এইভাবে তার রোজগার হত লক্ষ লক্ষ টাকা। সব কিছুই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু, এই প্রতারকদের হাতে প্রতারিত (Fraud) হয়ে এক যুবক মগড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে নদিয়ার রানাঘাট থেকে ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের নাম চন্দন রায়, সৌগত বৈরাগী, অর্ণব বিশ্বাস, সৈকত গঙ্গোপাধ্যায় এবং সঞ্জয় দাস।

    কী ভাবে চলত প্রতারণা (Fraud)?

    প্রতারণার জন্য সঞ্জয় দামি মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপ ব্যবহার করত। বেসরকারি ব্যাঙ্কের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেসবুক-সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে কর্মখালির বিজ্ঞাপন দিত সে। সেই জালে পা দিলেই প্রতারণার (Fraud) শিকার হতে হত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ফর্ম ফিলআপের জন্য অল্প টাকা নেওয়া হত। তারপর ‘রেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে বলে আরও কয়েক হাজার টাকা নেওয়া হত। সে সব মিটলে চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার নাম করে কয়েক লক্ষ লক্ষ  টাকা হাতিয়ে নেওয়া হত। তাদের কাছ থেকে মোট ৮টি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, নগদ ৪০ হাজার টাকা এবং বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে। ১৪ এপ্রিল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে, চুঁচুড়া আদালতে তোলা হলে ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    কী বললেন হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার?

    হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, এর আগেও একবার কলকাতা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এই চক্র। ত্রিবেণীর মনোজিৎ সাউ নামে এক যুবক এবং তাঁর স্ত্রী আর্থিক প্রতারণার (Fraud) শিকার হয়েছেন বলে গত ১ ফেব্রুয়ারি মগরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁদের ঠকিয়ে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। এরপরই আমরা তদন্ত শুরু করি। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা রয়েছে তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI Raid: পুকুর থেকে উদ্ধার একটি মোবাইল, তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে কোন ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই?

    CBI Raid: পুকুর থেকে উদ্ধার একটি মোবাইল, তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে কোন ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সেই পুকুরের দিকে শুধু এলাকাবাসী নয়, রাজ্যের মানুষের নজর ছিল। ওই পুকুরের জল তুলে মোবাইল উদ্ধার করা কী সম্ভব, তা নিয়ে শনিবার দিনভর চর্চা হয়েছে। সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরাও তিনটে পাম্প নামিয়ে পুকুর থেকে জল তোলার উদ্যোগ নেন। আর এই কাজে হাত লাগিয়েছিলেন স্থানীয় ৪ জন শ্রমিক এবং একজন মত্স্যজীবী। দুদিন ধরে টানা কাজ করার পর রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পুকুরের ভিতর থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আরও একটি মোবাইল পুকুরে রয়েছে বলে সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা আশঙ্কা করছেন। সেই মোবাইলের খোঁজে এদিন সকাল থেকে পুকুরে তল্লাশি চলছে।

    মোবাইল উদ্ধারের পর কী করল সিবিআই (CBI Raid)?

    শুক্রবার বেলা ১২ টা নাগাদ সিবিআই তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আচমকা হানা দেয়। বাড়িতে চলে তল্লাশি। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বিধায়ককে। আর সিবিআইয়ের (CBI Raid) নজর এড়িয়ে কীভাবে কৌশলে নিজের দুটি মোবাইল পুকুরে তৃণমূল বিধায়ক ফেলেছিলেন? কীভাবে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন? এদিন তৃণমূল বিধায়ককে বাড়ির ছাদে তুলে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে সিবিআই (CBI Raid)। এমনকী পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলটি বিধায়ককে দেখিয়ে সনাক্ত করেন সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা।  আর পুনর্নির্মাণের সমস্ত কিছু সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা ভিডিও রেকর্ডিং করে রাখেন। সেই সংক্রান্ত নথিতে তৃণমূল বিধায়ককে স্বাক্ষর করানো হয়।

    পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলে তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা কী বললেন?

    প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইলে হার্ডওয়্যার যদি ঠিকঠাক থাকে, তথ্য পেতে কোনও সমস্যা হবে না। আর মোবাইল চালু অবস্থায় কাদায় ফেলা হলে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মোবাইলে একাধিক আইসি ও ইন্টার্নাল স্টোরেজ নষ্ট হয়ে গেলে তা থেকে তথ্য উদ্ধার করা বেশ কষ্টকর। তবে, জানা গিয়েছে, মোবাইল জলে ডুবে থাকলেও ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মোবাইল থেকে তথ্য পেতে খুব বেশি সমস্যা হয় না। এক্ষেত্রে ঘটনাস্থলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উদ্ধার হওয়া মোবাইল খতিয়ে দেখছেন। আরও একটি মোবাইল কখন উদ্ধার হয় সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • The Ghost:  অবাককাণ্ড! ভূতের আরাধনা কোথায় হয় জানেন?

    The Ghost: অবাককাণ্ড! ভূতের আরাধনা কোথায় হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূত (The Ghost) ! “নেই, নেই” হাজার বার বলার পরেও দিব্যি চলে আসে অদ্ভূত সব ভূতের (The Ghost) গল্প। মামদো ভূত, মেছো ভূত, গেছো ভূত, গলাকাটা ভূত ইত্যাদি কতোই না তার রকমফের। পেত্নি, শাকচুন্নি, ডাইনি ইত্যাদি স্ত্রী ভূতও নাকি আছে বলা হয়। গল্প শুনলেই গা ছমছমে করে। আর দুর্বল মনের মানুষ হলে তো কথাই নেই। “ভূতে ধরেছে” রটতে না রটতেই হুলস্থুল কাণ্ড ঘটে যায়। তারপর সেই ভূত (The Ghost) তাড়াতে ওঝা ডাকা হয়। ওঝার কেরামতি নিয়েও ঘটে যায় আরও কত কাণ্ড। কিন্তু কখনও কি শুনেছেন ভূতের পুজোর কথা? তাও আবার যে সে ভূত (The Ghost) নয়, ভয়ংকর ও বিশাল চেহারার ‘গলাকাটা’ ভূতের পুজোর কথা? এ হেন ভূতবাবাজিকে তুষ্ট করতে তাঁকে রীতিমতো সম্মান, শ্রদ্ধা জানিয়ে পুজো করা হল এবারও।

    কেমন চেহারা এ ভূতের (The Ghost)?

    প্রায় পনেরো ফুট লম্বা হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে থাকা এক ভূত (The Ghost)। ডান হাতটা কিছুটা ওপরের দিকে তোলা। আর বাঁ পা যেন একটু বেশি প্রসারিত। মুখ তার আকাশপানে। তবে মাথা নেই। ধড় অংশের শুরুতেই সাদা-কালোয় মায়াবী দুটো চোখ দু পাশে। বাম, ডান যেদিক থেকেই আপনি তাঁকে দেখুন না কেন, মনে হবে যেন আপনার দিকেই তাকিয়ে। বুক ও পেটের অংশে উন্নত নাক, লকলকে জিভ, ধবধবে সাদা দাঁতের পাটি। গায়ের রং কুচকুচে কালো। শরীরের নিচের অংশ মেয়েলি ‘ঘের’ জাতীয় লাল টুকটুকে বস্ত্রে ঢাকা। আলতা রাঙানো হাত ও পা। আর বুকের ওপর থেকে ঝোলানো লাল রঙের কাগজের মালা।

    কোথায় হয় এমন গলাকাটা ভূতের (The Ghost) পুজো ?

    নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া তালতলায় বৈশাখের পয়লাতে এবারও হল এমন ভয়াল চেহারার ভূতের (The Ghost) আরাধনা। হ্যাঁ, বাংলার বিখ্যাত তাঁতশাড়ির আঁতুরঘর যেখানে, সেই ফুলিয়ায়। তবে কোনও তান্ত্রিক বাড়ির নিভৃত কোণে নয়। ভূতের পুজো হল একদম খোলা আকাশের নিচে, হাজার হাজার লোকের মাঝে। কিন্তু, হস্তচালিত তাঁতযন্ত্রের নিত্যদিনের খটাখট শব্দের মাঝে কী করে সেখানে পৌঁছাল এমন ভূত? গল্পটা শোনা যাক ভূতপুজোর আয়োজক বাড়ির অন্যতম কর্তা প্রকাশ বসাকের মুখে। প্রকাশ বললেন, প্রতি বছর আমাদের পরিবারের শরিকি সদস্যদের উদ্যোগে ভূতের (The Ghost) পুজোর আয়োজন করা হয় ঠিকই। কিন্তু, এ পুজো এখন গ্রামের বহু মানুষের পুজো হয়ে গিয়েছে। সেই অর্থে বলা যায় সর্বজনীন। গ্রামের কচিকাঁচা থেকে শুরু করে বয়স্ক সদস্য, এমনকি গ্রামের মহিলারাও এ পুজোর আয়োজনে হাত লাগান। প্রকাশ আরও বলেন, ওপার বাংলার টাঙ্গাইল জেলার বামুন কুইচা গ্রামে বাড়ি ছিল আমাদের পূর্ব পুরুষের। ফি বছর বাংলা নববর্ষের দিনে এমন ভূতের (The Ghost) পুজো করতেন আমাদের ঠাকুরদাদা বা তাঁর বাবারা। স্বাধীনতার পর আমাদের বাবা-জেঠারা পরিবার নিয়ে এপার বাংলার ফুলিয়ায় এসে বসবাস শুরু করেন। খুব সম্ভবত ষাটের দশকে ওপার বাংলার পারিবারিক সেই ভূতের পুজো এখানকার বাড়িতেও শুরু করেছিলেন আমার জেঠু দুলাল বসাক। এরপর আমাদের শরিকি পরিবারের সব সদস্য তো বটেই, দেখতে দেখতে গ্রামের লোকজনও আমাদের এই পুজো আয়োজনের শরিক হয়ে গিয়েছেন। আমাদের এখানকার বাড়ির গায়ে নিজস্ব শিবমন্দির আছে। সেই শিবের গাজনে আমরা যাঁরা সন্ন্যাসী হই, তাঁরাই গলাকাটা ভূতের মূল সেবক।

    কেন এমন ভূতের (The Ghost) পুজো ?

    প্রকাশের বক্তব্য, “বাড়ির বয়স্কদের কাছে শুনেছি, বাড়ির কচিকাঁচারা যাতে ভূতের (The Ghost) ভয় না পায় এবং পরিবারের সবার যাতে মঙ্গল হয়, সেজন্য বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এই পুজো শুরু করেছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষরা। স্থানীয় বাসিন্দা সত্তরোর্ধ্ব হরিপদ বসাক বলেন, আমরা এই দেবতাকে কেউ বলি ‘বড় দেবতা’, আবার কেউ বলি ‘কবন্ধ ভূত’। প্রকাশদের পরিবারের গৃহ দেবতা মহাদেব। তাই চৈত্র শেষের দু দিনে ওদের বাড়ির মন্দিরে ঘটা করে নীল পুজো হয় আর গাজনের সন্ন্যাসীরা প্রথা মেনে দেবাদিদেব মহাদেবকে তুষ্ট করেন। মহাদেবের সঙ্গে ভূতও (The Ghost) থাকেন বলে গাজনের সন্ন্যাসীরা ভূতকেও সন্তুষ্ট করা শুরু করেছিলেন। রামায়ণেও এমন কবন্ধ ভূতের (The Ghost) পুজোর কথা উল্লেখ আছে বলে দাবি জানান হরিপদবাবু।

    ভূত (The Ghost) দেবতা থাকেন কতক্ষণ ?

    মূলত একদিনের পুজো। পুজো ঘিরে বসে মেলাও। তবে অক্ষয় তৃতীয়া পর্যন্ত তো বেটেই, গোটা বৈশাখ মাস জুড়েই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ উঁকি দেন এই লৌকিক দেবতাকে প্রণাম জানাতে। খোলা আকাশের নিচে দেবতা শুয়ে থাকেন বলে বৃষ্টি নামলেই মৃন্ময় এ দেবতার  অঙ্গহানি শুরু হয়। তবে, অনেক ঝড়বৃষ্টির পরে বছর শেষেও ওই জায়গায় থেকে যায় মাটির স্তুপ। পরের বছর সেই মাটির ঢিবিতে আবারও মাটি লাগিয়ে এবং রং করে ফের গড়া হয় বড় দেবতাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bengali New Year: অন্যরকম নববর্ষ পালন! প্রকৃতিরক্ষায় যজ্ঞের আয়োজন গেরুয়া শিবিরের

    Bengali New Year: অন্যরকম নববর্ষ পালন! প্রকৃতিরক্ষায় যজ্ঞের আয়োজন গেরুয়া শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রভাত ফেরি, নাচ-গান সহ নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রাস্তাজুড়ে আলপনা। এরকম নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শনিবার সকাল থেকেই বর্ষবরণ (Bengali New Year) উৎসবে মেতে উঠেছিল শিলিগুড়ি। প্রচলিত এই ছন্দের বাইরে গিয়ে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন শিলিগুড়িতে একটু অন্যরকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল গেরুয়া শিবির। উত্তরবঙ্গের জল-জঙ্গল এবং প্রকৃতিকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে এদিন বিশাল যজ্ঞের আয়োজন করে গেরুয়া শিবির। 

    যজ্ঞ দেখতে ভিড় প্রচুর মানুষের

    বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন (Bengali New Year) সকাল থেকেই কালীবাড়িগুলিতে ভিড় ছিল ভালোই। ব্যবসায়ীরা নতুন খাতার পুজো দিতে লম্বা লাইন দেন। সেখানে শিলিগুড়ির প্রাচীন আনন্দময়ী কালীবাড়িতে আলাদা করে নজর কাড়ে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের উদ্যোগে আয়োজিত এই যজ্ঞ অনুষ্ঠান। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটির নেতৃত্ব। এই যজ্ঞ দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় করেন। শঙ্কর ঘোষ বলেন, উত্তরের প্রকৃতি আমাদের গর্ব। তা রক্ষা করা আমাদের সকলের কর্তব্য৷ সেই সচেতনতা সকলের মধ্যে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই যজ্ঞের আয়োজন। এই দিনটিতে উৎসবে মাতোয়ারা মানুষের মনে নিজের প্রাকৃতিক সম্পদ, নদী, জঙ্গলকে রক্ষার তাগিদ জাগ্রত করাটা এই অনুষ্ঠানের একটি দিক। যাতে বছরের প্রথম দিন থেকেই প্রতিটি মানুষ নিজের নিজের এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ বাঁচানর জন্য সচেতন হন,, শপথ গ্রহণ করেন। এই বার্তা দিতেই আমরা এদিন হোম-যজ্ঞ করি।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ?

    এক প্রশ্নের উত্তরে শঙ্করবাবু বলেন, বন আইন, পরিবেশ আইন-কোনও কিছুর তোয়াক্কা না করে উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে যেখানে সেখানে হোটেল, রিসর্ট, বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স তৈরি হয়েই চলেছে। এতে বন্যপ্রাণীরা বিপন্ন হয়ে পড়ছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্যও বিনষ্ট হচ্ছে। তিস্তা নদীতে ক্র্যাসার নামিয়ে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে পাথর তুলে পাচার করা হচ্ছে। এভাবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এর প্রতিবাদেই আমি উত্তরবঙ্গের বন ও নদী বাঁচাতে আন্দোলনে নেমেছি। নববর্ষের প্রথম দিন (Bengali New Year) এদিনের যজ্ঞ তারই একটি অঙ্গ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Accident Death: বর্ষশেষে মর্মান্তিক ঘটনা, নাগরদোলার বিয়ারিংয়ে চুল জড়িয়ে মৃত্যু তরুণীর

    Accident Death: বর্ষশেষে মর্মান্তিক ঘটনা, নাগরদোলার বিয়ারিংয়ে চুল জড়িয়ে মৃত্যু তরুণীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বাংলার মানুষ যখন আনন্দে আত্মহারা, ঠিক তখনই বাঁকুড়ায় ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। নতুন বছরের নতুন সূর্যোদয় দেখা হল না এক তরুণীর। বর্ষশেষে চড়কের মেলায় গিয়েছিল ওই তরুণী। উঠেছিল একটি নাগরদোলায়। কিন্তু এই ওঠাই যে তার শেষ ওঠা হবে, তা কে জানত! নাগরদোলার পিলার ও বিয়ারিংয়ে চুল জড়িয়ে প্রায় ২০ ফুট উপর থেকে নিচে পড়ে মৃত্যু (Accident Death) হল তার। আনন্দ-উৎসব মুহূর্তে পরিণত হল বিষাদে। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত ওই তরুণীর নাম প্রিয়ঙ্কা বাউরি। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কলকাতায়। যদিও পথেই তার জীবনের যবনিকা নেমে আসে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার এক্তেশ্বরের গাজন মেলায়। ওই তরুণীর বাড়ি সানবাঁধা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাদুল গ্রামে। কয়েকজনের সঙ্গে সে এসেছিল ওই মেলায়। যদিও অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, নাগরদোলায় ওঠার পর তরুণী নাকি সেলফি তুলছিল। আর তখনই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। উল্লেখ্য, বীরভূমের মেলায় একইভাবে নাগরদোলায় চেপে সেলফি তুলতে গিয়ে জখম হয়েছিলেন এক যুবক। এক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে কিনা, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ওই নাগরদোলার যান্ত্রিক ত্রুটিবিচ্যুতি ছিল কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানিয়েছেন, নাগরদোলায় চড়া অবস্থায় ওই তরুণীর চুল ছিল খোলা। সেই খোলা চুলই নাগরদোলার বিয়ারিংয়ে জড়িয়ে যায়। ফলে ঝুলতে থাকে ওই তরুণী। এরকম একটা অবস্থায় থাকার ফলে মাথার খুলিও উপড়ে যায় (Accident Death)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণীর বাবা হিমঘরের কর্মী ছিলেন। এই ঘটনা শোনার পরই তার পরিবার তো বটেই, শোকে মূহ্যমান গোটা গ্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rainganj: ফিল্মি কায়দায় দিনের বেলায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানে সর্বস্ব লুঠ করল দুষ্কৃতীরা, কোথায় জানেন?

    Rainganj: ফিল্মি কায়দায় দিনের বেলায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানে সর্বস্ব লুঠ করল দুষ্কৃতীরা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেবারে ফিল্মি কায়দায় দিনে দুপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতি। শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার  রায়গঞ্জ (Raiganj) শহরের এনএস রোডের একটি সোনার দোকানে। দিনের বেলায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে এভাবে ডাকাতির ঘটনায় শহরের (Raiganj) ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার পর পরই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে গিয়েছে। দোকানের মালিক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কী ভাবে সোনার দোকানে ঢুকল দুষ্কৃতীরা?

    নববর্ষের জন্য সোনার দোকানে অলংকারে ঠাসা ছিল। এদিন দোকান খোলার পর পরই দুজন ক্রেতা সেজে ভিতরে ঢোকে। কিছুক্ষণ পর আরও তিনজন আসে। পরে, আগ্নেয়াস্ত্র বের করে স্বমূর্তি ধরে তারা লুঠপাট চালায়। দোকানের কর্মী জীবেশ ভৌমিক বলেন, প্রথমে দুজন ক্রেতার মতোই দোকানে আসে। ফলে, আমরা অলংকার দেখানোর জন্য তাদের জিজ্ঞাসা করি। সঙ্গে সঙ্গে  আগ্নেয়াস্ত্র বের করে আমাদের সবাইকে এক জায়গায় আসতে বলে। আমাদের কাছে থেকে মোবাইল কেড়ে নেয়। তাদের সহযোগিতা করতে বলে। আমরা যদি তা না করি তবে আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।  দুজনে এসব কথা বলতে বলতে আরও তিনজন ভিতরে ঢোকে। সকলেই হিন্দিতে কথা বলছিল। আর যার কাছে মোবাইল পায়, কেড়ে নিয়ে ভেঙে দেয়। আমাদের সকলের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ওরা দোকানের জিনিসপত্র লুঠ করতে থাকে। আমাদের দোতলা নিয়ে গিয়ে ক্যান্টিনের মধ্যে আটকে রেখে ওরা চলে যায়। আমরা ৪৫ মিনিট সেখানে ভয়ে সিঁটিয়ে থাকি। এরমধ্যে তারা সর্বস্ব লুঠ করে চম্পট দেয়।  ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। দোকানের কর্মীদের সঙ্গে তারা কথা বলে।

    দিনের বেলায় সোনার দোকানে ডাকাতি নিয়ে কী বললেন চেম্বার অফ কমার্সের সাধারণ সম্পাদক?

     উত্তর দিনাজপুর চেম্বার অফ কমার্সের সাধারণ সম্পাদক শংকর কুন্ডু বলেন, শহরে (Raiganj) এই ধরনের ঘটনা এর আগে কোনওদিন ঘটেনি। আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের কাছে খুবই আতঙ্কের। দিনের বেলায় সোনার দোকানে সবকিছু লুঠ করে নিয়ে পালাল। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share