Tag: Bengali news

Bengali news

  • RSS: আরএসএস-এর শিবিরগুলির প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে এল বেশ কিছু পরিবর্তন

    RSS: আরএসএস-এর শিবিরগুলির প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে এল বেশ কিছু পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS), তাদের প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। চলতি বছরেই এই পরিবর্তনগুলি সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ শিবিরে কার্যকর হবে, এমনটাই জানিয়েছেন আরএসএসের সর্বভারতীয় সহ সরকার্যবাহ মনমোহন বৈদ্য। প্রসঙ্গত, সারা বছর ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রশিক্ষণ শিবির চালায় আরএসএস। দেশগঠনে যুব সমাজকে শারীরিক এবং বৌদ্ধিক দু’ভাবেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এবার সেই পদ্ধতিতেই এল বদল।

    কী বললেন মনমোহন বৈদ্য? 

    শুক্রবার নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভাকে সামনে রেখে একটি সাংবাদিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন মনমোহন বৈদ্য। মনমোহন বৈদ্য জানিয়েছেন, বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যাবে প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে। বদল আনা হয়েছে ৭ দিনের প্রাথমিক শিক্ষা বর্গে, ২০ দিনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-প্রথম বর্ষে, ২০ দিনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-দ্বিতীয় বর্ষে এবং ২৫ দিনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-তৃতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণ শিবিরে।

    কী কী বদল এল প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে? 

    মনমোহন বৈদ্য আরও জানিয়েছেন, নতুন কর্মীদের জন্য তিনদিনের প্রাথমিক বর্গের একটি অনুষ্ঠান রাখা হচ্ছে। এরপরের প্রশিক্ষণ শিবির হবে ১৫ দিনের, যেটার আগে নাম ছিল ২০ দিনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-প্রথম বর্ষ। পাশাপাশি সঙ্ঘের দ্বিতীয় শিক্ষাবর্ষ এবং তৃতীয় শিক্ষাবর্ষে (RSS) নামেরও পরিবর্তন হতে চলেছে। দ্বিতীয় শিক্ষা বর্ষকে এবার থেকে বলা হবে ‘কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ-১’ এবং তৃতীয় বর্ষকে বলা হবে ‘কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ-২’। তৃতীয় বর্ষে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বিভিন্ন ব্যবহারিক বিষয়গুলির উপরে এবং পাঁচ দিন কর্মীদের মাঠে নেমে কাজ করারও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সঙ্ঘের বিষয়বস্তুগুলিতেও পরিবর্তন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মনমোহন বৈদ্য।

    আরএসএস-এ যোগদানে আগ্রহী যুবসমাজ

    মনমোহন বৈদ্য আরও জানিয়েছেন, ভারতের বিপুল যুবসমাজ বর্তমানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্গে যোগদানে আগ্রহী হয়েছে এবং তার প্রশিক্ষণ শিবির গুলিতেও আসার জন্য আবেদন জানাচ্ছে। প্রতিবছরই ১৫ থেকে ১৭ হাজার নতুন যুবক সঙ্ঘের প্রথম শিক্ষা বর্গে যোগদান করে। এবং ১ লাখেরও বেশি সংখ্যক যুবক প্রাথমিক শিক্ষা বর্গে (RSS) অংশগ্রহণ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: জলদস্যুদের কবলে বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার করল ভারতের নৌবাহিনী

    Indian Navy: জলদস্যুদের কবলে বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার করল ভারতের নৌবাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমালিয়া উপকূলে বাংলাদেশি জাহাজের উপরে জলদস্যুদের হামলা রুখল ভারত। এর পাশাপাশি জাহাজে থাকা সমস্ত নাবিকদেরও উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে ভারতের নৌবাহিনী (Indian Navy)। বাংলাদেশের পতাকা লাগানো জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লা’ কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। কিন্তু মাঝ পথেই হঠাৎ জলদস্যুদের আক্রমণের শিকার হয়ে ওই জাহাজ। আটক করা হয় জাহাজে থাকা সকল নাবিকদেরও। খবর পেয়েই অপারশেনে নামে ভারতের নৌবাহিনী। উদ্ধার করা হয় জাহাজকে।

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট নৌবাহিনীর

    এই উদ্ধারকাজের বর্ণনা নিজেদের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy)। সেখানে লেখা হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী বাংলাদেশের জাহাজকে জলদস্যুদের কবল থেকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে। খবর মেলে, জলদস্যুদের হামলার মুখে পড়েছে বাংলাদেশি জাহাজ। দ্রুততার সঙ্গে ভারতীয় নৌবাহিনীর তরফ থেকে একটি যুদ্ধজাহাজকে সেখানে পাঠানো হয়। তারপরেই চলে উদ্ধার কাজ।

    মার্চের প্রথমেই আরও ১ বাণিজ্যিক জাহাজ উদ্ধার

    তবে এটাই নতুন কিছু নয়, মার্চ মাসের প্রথমেই ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy) এডেন উপসাগরের একটি পণ্যবাহী জাহাজের উপর আগুন লেগে গেলে সেখান থেকেও ২১ জন নাবিককে উদ্ধার করে। জানা যায়, জলদস্যুদের মিসাইল হামলার জেরে ওই জাহাজে আগুন লেগে গিয়েছিল। ওই উদ্ধারকৃত নাবিকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ভারতীয়ও ছিলেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালেই এমভি আবদুল্লা নামের ওই বাংলাদেশি জাহাজকে সোমালিয়ার জলদস্যুরা আটক করে।

     

  • CAA: সিএএ ভারতের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’, মার্কিন উদ্বেগ ‘অযৌক্তিক’, জানাল নয়াদিল্লি

    CAA: সিএএ ভারতের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’, মার্কিন উদ্বেগ ‘অযৌক্তিক’, জানাল নয়াদিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সোমবারই সিএএ (CAA) চালু করেছে মোদি সরকার। এনিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে আমেরিকাকে। সিএএ ভারতে কীভাবে প্রয়োগ করা হবে, সেদিকে ওয়াশিংটন নজর রাখবে বলে জানিয়েছিল তারা। আমেরিকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্রের এই বিবৃতির পরে জবাব দিল নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে ওয়াশিংটনের এই বিবৃতিকে ‘অযৌক্তিক’ বলা হয়েছে। সিএএ ভারতের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলেও উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি।

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র?

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র শুক্রবার এবিষয়ে জানিয়েছেন, সিএএ (CAA) প্রসঙ্গে আমেরিকার বিবৃতি ‘অযৌক্তিক, ভুল তথ্য দ্বারা পরিচালিত এবং ভুল জায়গায় প্রযুক্ত’। নিজের বিবৃতির পক্ষে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, ‘‘সিএএ মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। তা কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। এই আইনে মানুষের রাষ্ট্রহীনতা, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষার কথা বলে। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি এবং মানবাধিকারের প্রতি দীর্ঘস্থায়ী দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে তৈরি। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন এবং পারসিক সম্প্রদায়ের যে সমস্ত মানুষ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের নিরাপদ আশ্রয় দেয় সিএএ।’’ বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আরও বলেছেন, ‘‘আমরা মনে করছি, আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রক সিএএ নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তা ভুল তথ্য দ্বারা পরিচালিত, ভুল জায়গায় প্রযুক্ত এবং অযৌক্তিক।’’

    কী বলেছিল আমেরিকা?

    বৃহস্পতিবার আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট-এর মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছিলেন, ‘‘গত ১১ মার্চ ভারত সরকার সিএএ (CAA) নিয়ে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, আমরা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই আইন কী ভাবে প্রণয়ন করা হচ্ছে, আমরা তার দিকে নজর রেখেছি। ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং আইনে সব সম্প্রদায়ের সমান অধিকার মৌলিক গণতান্ত্রিক নীতি।’’ শুক্রবার দুপুরে তারই জবাব দিল নয়াদিল্লি।

    সিএএ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই, আগেই জানিয়েছে সরকার

    ভারত সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে সিএএ নিয়ে মুসলিম নাগরিকদের ভীতির কারণ নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও মুসলিমকেই তাড়ানো হবে না। বিরোধীদের নিশানা করে শাহ জানিয়েছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি অহেতুক ভীতির পরিবেশ তৈরি করছে। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করছে। এছাড়াও ভারত সরকার একটি প্রেস বিবৃতিতে ভারতীয় মুসলিম সমাজকে আশ্বস্ত করে জানিয়ে দিয়েছে, সিএএ-র (CAA) ফলে তাঁদের নাগরিকত্বে কোনও প্রভাব পড়বে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Petrol Diesel Prices: রান্নার গ্যাসের পর এবার সস্তা পেট্রল-ডিজেলও, কী বলছে জনতা?

    Petrol Diesel Prices: রান্নার গ্যাসের পর এবার সস্তা পেট্রল-ডিজেলও, কী বলছে জনতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রান্নার গ্যাসের দাম কমানো হয়েছিল আগেই। এবার এক ধাক্কায় দাম কমে গেল পেট্রল ও ডিজেলের (Petrol Diesel Prices)। এই দুই জ্বালানির দাম লিটার পিছু ২ করে কমিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, আজ ১৫ মার্চ, শুক্রবার সকাল ছ’টা থেকেই প্রযোজ্য গিয়েছে পেট্রল ডিজেলের নয়া দাম। জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় খুশি আমজনতা।

    সস্তা হল জ্বালানি

    বৃহস্পতিবার কলকাতায় পেট্রলের দাম ছিল লিটার প্রতি ১০৬.৩ পয়সা। ডিজেলের দাম ছিল ৯২.৭৬ টাকা। কেন্দ্র দুই জ্বালানিরই দাম কমিয়ে দেওয়ায় শুক্রবার থেকে পেট্রল বিক্রি হচ্ছে লিটার পিছু ১০৪.০৩ টাকায়। ডিজেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ৯০.৭৬ টাকায়। পেট্রল-ডিজেলের দাম কমানো (Petrol Diesel Prices) নিয়ে এদিন ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “পেট্রল ও ডিজেলের দাম ২ টাকা কমিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও একবার প্রমাণ করেছেন যে, কোটি কোটি ভারতীয় পরিবারের কল্যাণ ও তাঁদের সর্বোত্তম সুবিধা দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য।”

    কী বলছে সরকার?

    ট্যুইট করা হয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফেও। লেখা হয়েছে, “কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে ডিজেল চালিত ৫৮ লাখের বেশি ভারী গাড়ি, ৬ কোটি চার চাকা গাড়ি ও ২৭ কোটি দু চাকার মালিকদের খরচ অনেকটা কমিয়ে দেবে। এর ফলে লাভবান হবে একাধিক সেক্টর।” প্রসঙ্গত, শেষবার পেট্রল ডিজেলের দাম কমেছিল ২০২২ সালের ২২ মে। এর ঠিক ৬২২ দিন পরে ফের কমল এই দুই জ্বালানির দাম। জ্বালানির দরের ওপর থেকে কেন্দ্র শুল্ক কমিয়ে নেওয়ায় সস্তা হল পেট্রল-ডিজেল।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির দুয়ারে সন্দেশখালি! নির্যাতনের করুণ কাহিনি শোনালেন ১১ জন

    নিত্য প্রয়োজনীয় এই দুই জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় খুশি আমজনতা। ছাত্তারপুরের পেট্রল পাম্পের এক কর্মী বলেন, “জ্বালানির দাম কমানোয় মোদি সরকারকে ধন্যবাদ। জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে একটা উত্তেজনা দেখা গিয়েছে। মানুষ ভিড় করছেন পেট্রল পাম্পগুলিতে।” দিল্লির এক বাইক চালক বলেন, “সরকার জ্বালানির দাম (Petrol Diesel Prices) কমানোয় খুব খুশি হয়েছি। মানুষ এতে উপকৃত হবেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Dakshin Dinajpur: বাণগড়কে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিরাট অনুদানের ঘোষণা

    Dakshin Dinajpur: বাণগড়কে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিরাট অনুদানের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলার গঙ্গারামপুরে অবস্থিত ঐতিহাসিক স্থান বাণগড়কে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে অনুমোদন কেন্দ্র সরকারের। শুক্রবার বালুঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার জানান, “বাণগড়কে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ (আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া) ২ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে।” এর ফলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাণগড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠলে জেলায় পর্যটকদের ভিড় বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। জেলায় আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    ইতিহাস গবেষকদের মতামত (Dakshin Dinajpur)

    অপরদিকে জেলার (Dakshin Dinajpur) ইতিহাস গবেষক সমিত ঘোষ ও ইতিহাসবিদ সুকুমার সরকার বলেন, “বাণগড়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। এখানে কুশান, শুঙ্গ, মৌর্য, গুপ্ত, পাল এবং মুসলিম আমল সহ সাতটি স্তর খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। এর রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি এখানে আরও গবেষণার ফলে ইতিহাসের অনেক অজানা তথ্য উঠে আসবে। এখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলে রাজ্য এবং দেশের মানুষ, এক‌ই স্থানে বিভিন্ন যুগের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে ছুটে আসবেন। ছাত্রছাত্রী, গবেষক এবং অধ্যাপকেরা ভীষণভাবে উপকৃত হবেন। বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের প্রচেষ্টায় বাণগড়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক অনুমোদন দিয়েছে বলে একই মন্তব্য করেন গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায়। ভোটের চমক হোক, আর যাই হোক, বাণগড়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে ভারতীয় প্রত্নতত্ব বিভাগের প্রায় তিন কোটি টাকা অনুমোদনে আশার আলো দেখছেন জেলার ইতিহাসবিদ, ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ।

    সুকান্তের বক্তব্য

    এই বিষয়ে বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমাদের জেলার ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র বাণগড়। আজকে আনন্দের সাথে জানাচ্ছি স্বাধীনতার পর বাণগড়ে অনেক খননকার্য হয়েছিল আগে, এখন তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বহুবার জেলা থেকে চেষ্টা করার পর কিছু করা যায়নি। আজকে জেলাবাসীর জন্য সুখবর কেন্দ্রের আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে ২ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা বাণগড়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও জেলা (Dakshin Dinajpur) তৃণমূলের পক্ষ থেকে এটিকে রাজনৈতিক চমক বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। তৃণমূল জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, “পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠলে জেলার ভালো খবর। তবে প্রশাসনিকভাবে আমরা জানতে না পেরে সুকান্তবাবুর মুখ থেকে জানতে পারছি। আমরা মনে করি লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক চমক দিতেই তা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের আগে তিন দিনের সম্মেলনে আরএসএস, আলোচ্যসূচি কী জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের আগে তিন দিনের সম্মেলনে আরএসএস, আলোচ্যসূচি কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠি পড়তে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) ঢাকে। তার আগে নাগপুরে আরএসএসের তিন দিনের সম্মেলন শুরু হয়ে গেল ১৫ মার্চ, শুক্রবার। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন দেশের দেড় হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি। নাগপুরের রেসিমবাগ এলাকায় স্মৃতি ভবন কমপ্লেক্সে ১৫-১৭ হবে অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা। সংঘ প্রভাবিত ৩২টি সংগঠন এবং কিছু গোষ্ঠী যোগ দেবেন এই সভায়।

    সম্মেলনের আলোচ্যসূচি

    আরএসএসের প্রতিনিধি সভায় সংগঠনের ভিত আরও মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। আগামী বছরের কার্যক্রম নিয়েও হতে পারে আলোচনা। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কথা হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলি নিয়ে পাস হতে পারে (Lok Sabha Elections 2024) রেজ্যুলিউশন। আলোচনায় উঠে আসতে পারে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের প্রসঙ্গও। আলোচনা হতে পারে সন্দেশখালি ইস্যু নিয়েও। উপস্থিত নেতাদের কাছে এ ব্যাপারে ফিডব্যাকও নেওয়া হবে। আরএসএসের পশ্চিমবঙ্গের শাখার কাছ থেকে এ ব্যাপারে ডিটেইলড রিপোর্টও চাওয়া হতে পারে।

    সন্দেশখালি নিয়ে রিপোর্ট 

    সন্দেশখালির বিষয়টি যে আরএসএসের সম্মেলনে উঠবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন সংগঠনের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেছিলেন, “সন্দেশখালি এখন নারী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন যা দেশ দেখেছে। সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা যারা এই অঞ্চলে কাজ করে, এবং প্রান্ত প্রচারক, যাঁরা সম্মেলনে উপস্থিত হবেন  তাঁরাই ঠিক কী হয়েছিল, সে সম্পর্কে আমাদের ব্রিফ করবেন। আমরা এই আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করব। আরএসএস কীভাবে নির্যাতিতদের সমর্থন করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হবে।” সম্মেলনে উঠবে কৃষক বিক্ষোভের প্রসঙ্গও। এই বিষয়ে ফিডব্যাক দেবে আরএসএসের পাঞ্জাব ইউনিট।

    আরও পড়ুুন: ১৭-য় থামবে তৃণমূল! বাংলায় বিজেপি পাবে ২৫ আসন, দাবি ‘নিউজ ১৮’-এর সমীক্ষায়

    আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে আরএসএসের এই সম্মেলনে। সেটি হল, উপজাতির মানুষদের ধর্মান্তকরণ। এই বিষয়ে রিপোর্ট দেবে সংঘ অনুমোদিত বনবাসী কল্যাণ আশ্রম। মণিপুরের হিংসা নিয়েও আলোচনা হবে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কীভাবে দেশের অন্যান্য রাজ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তা নিয়েও হবে আলোচনা। লোকসভা নির্বাচনের আগে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা ভোটারদের দোরে দোরে যাবেন বলেও নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। জনগণকে তাঁদের ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন করবেন এই স্বেচ্ছাসেবকরা (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Santiago Martin: নির্বাচনী বন্ডে সব চেয়ে বেশি টাকা দিয়েছেন সান্তিয়াগো, তিনি কে জানেন?

    Santiago Martin: নির্বাচনী বন্ডে সব চেয়ে বেশি টাকা দিয়েছেন সান্তিয়াগো, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়শি দেশ মায়ানমারে তিনি গিয়েছিলেন শ্রমিকের কাজে। সেখান থেকেই তিনি হয়েছেন লটারি কিং। সেই সান্তিয়াগো মার্টিনের (Santiago Martin) সংস্থাই নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে সব চেয়ে বেশি টাকা দান করেছে। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সান্তিয়াগোর সংস্থা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে দিয়েছে ১ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে লটারি কিংয়ের কেরামতি!

    কে এই সান্তিয়াগো? (Santiago Martin)

    সান্তিয়াগো (Santiago Martin) একটি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট চালান। এই ট্রাস্টের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গনে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। ভারতে ফেরেন ১৯৮৮ সালে। শ্রমিকের কাজ করে যে টাকা জমিয়েছিলেন, তা দিয়ে তামিলনাড়ুতে শুরু করেন লটারি ব্যবসা। পরে তাঁর এই ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ে কেরল, কর্নাটক এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে। পরে নেপাল ও ভুটানেও ছড়িয়ে পড়ে তাঁর লটারি ব্যবসা। উত্তর-পূর্বে সরকারি লটারি স্কিমগুলি পরিচালনার ভারও নিয়েছিলেন সান্তিয়াগো। লটারি ব্যবসার টাকা তিনি বিনিয়োগ করেন নির্মাণ শিল্প, রিয়েল এস্টেট, বস্ত্র এবং হোটেল ব্যবসায়। অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন অফ লটারি ট্রেড অ্যান্ড অ্যালায়েড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্টও তিনি। তাঁরই প্রচেষ্টায় ওয়ার্ল্ড লটারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হয়েছে ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড। এটাই তাঁর সংস্থার নাম।

    সান্তিয়াগোর (Santiago Martin) সংস্থায় তল্লাশি!

    যে ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসকে ‘দাতা’র ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে, সেই সংস্থার বিরুদ্ধেই তহবিল তছরুপ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৯ সালে এই অভিযোগের তদন্তে নামে ইডি। তার আগে সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। চার্জশিটে বলা হয়েছিল, সান্তিয়াগো মার্টিন (Santiago Martin) ও তাঁর সংস্থা ২০০৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০১০ সালের অগাস্ট পর্যন্ত পুরস্কার বিজয়ীর টিকিটের সংখ্যা বাড়িয়ে ৯১০ কোটি টাকা ক্ষতি করেছে সিকিম সরকারের। সিবিআই চার্জশিট পেশ করার পরেই তদন্ত শুরু করে ইডি। গত মে মাসে সংস্থার কোয়েম্বত্তুর ও চেন্নাইয়ের অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। ৯৬৬ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কিনেছে হায়দরাবাদের মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এই তালিকায় রয়েছে ভারতী এয়ারটেল, ইন্ডিগো, আইটিসি সহ একাধিক সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘গলাকাটা দামে বিক্রি হয়েছে চাকরি’’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Prasar Bharati: নিউজ সার্ভিস চালু প্রসার ভারতীর, বিনামূল্যে মিলবে কপিরাইট-ফ্রি খবরাখবর

    Prasar Bharati: নিউজ সার্ভিস চালু প্রসার ভারতীর, বিনামূল্যে মিলবে কপিরাইট-ফ্রি খবরাখবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংবাদমাধ্যম থেকে সংবাদসংস্থায় রূপান্তরিত হচ্ছে প্রসার ভারতী। নাম রাখা হচ্ছে PB-SHABD. যার সম্পূর্ণ নাম ‘Prasar Bharati-Shared Audio Visuals for Broadcast and Dissemination.’ প্রতিটি দেশেরই এমন সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা থাকে। যেমন চিনের রয়েছে জিনহুয়া। রাশিয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে ইতার-তাস। ভারতের ক্ষেত্রে প্রথমবার এমনটা হতে চলেছে। বর্তমানে ভারতের রয়েছে পিটিআই। এবার সেই সরণীতে প্রবেশ করল প্রসার ভারতীও। যে কোনও সংবাদমাধ্যমকে বর্তমানে পিটিআই/এএনআই প্রভৃতি সংবাদসংস্থা থেকে টাকার বিনিময়ে খবর কিনতে হয়, প্রসার ভারতীর (Prasar Bharati) ক্ষেত্রে তা নিখরচায় মিলতে চলেছে। এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।

    সংবাদমাধ্যমের নাম নথিভুক্ত থাকতে হবে

    তবে যে সমস্ত সংবাদমাধ্যম গুলি নিজেদের নাম প্রসার ভারতীতে নথিভুক্ত করাবে, তারাই পাবে কেবল এই সুবিধা। খবর, ছবি, অডিও, ভিডিও— সবটাই পাওয়া যাবে এবার থেকে প্রসার ভারতীর (Prasar Bharati) সৌজন্যে। যে কোনও প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়া এই সুবিধা নিতে পারবে। সোশ্যাল মিডিয়ার চ্যানেলগুলিও এর আওতায় থাকবে। সকলেই প্রসার ভারতীর ওয়্যারড-নিউজ সার্ভিসের সৌজন্য খবরাখবর সংগ্রহ করতে পারবে। একেবারে নিখরচায়। এমনকী, প্রসার ভারতীকে কোনও ক্রেডিট বা কৃতজ্ঞতা স্বীকার অথবা সৌজন্য দিতে হবে না।

    আরও পড়ুন: ‘আবকি বার-৪০০ পার’ হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরের, বলছে নিউজ১৮-র সমীক্ষা

    কী বলছেন অনুরাগ ঠাকুর?

    নিজের বিবৃতিতে অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, প্রসার ভারতীর (Prasar Bharati) এই কপিরাইট-ফ্রি ব্যবস্থায় নাম নথিভুক্ত করতে পারবে যে কোন টিভি চ্যানেল, সংবাদপত্র। এর পাশাপাশি ডিজিটাল মিডিয়াগুলিও যে কোনও ধরনের ছবি-ভিডিও-অডিও সমস্তটাই নিতে পারবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বিগত বছরগুলিতে প্রসার ভারতী অনেক বড় নিউজ নেটওয়ার্কের পরিণত হয়েছে। বর্তমানে অন্যান্য প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সঙ্গে সেগুলি শেয়ার করতে চান তাঁরা। প্রসার ভারতীর বর্তমান সিইও গৌরব দ্বিবেদী জানিয়েছেন, তাঁরা এমন একটি মিডিয়া সংস্থা তৈরি করতে চলেছেন, যেখানে প্রসার ভারতীর খবরগুলি অন্য সংবাদমাধ্যমও পাবে।

    আরও পড়ুুন: ‘সরকারি চাকরির মূল্য শুনলে চমকে যাবেন’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কী বললেন বিচারপতি সিনহা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: বাংলায় সিএএ-র লাভের কড়ি ঘরে তুলবে বিজেপি, বলছে ‘ইন্ডিয়া টিভি’-র সমীক্ষা

    Lok Sabha Elections 2024: বাংলায় সিএএ-র লাভের কড়ি ঘরে তুলবে বিজেপি, বলছে ‘ইন্ডিয়া টিভি’-র সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। সোমবারই লাগু হয়েছে সিএএ (CAA)। লোকসভা নির্বাচনে এর কেমন প্রভাব পড়বে, তা জানতে সমীক্ষা চালিয়েছিল ইন্ডিয়া টিভি সিএনএক্স (India TV-CNX Opinion Poll)। কী উঠে এল সমীক্ষায়?

    ভোটে সিএএ-র প্রভাব কতটা

    জানা গিয়েছে, সিএএ (CAA) লাগু হওয়ায় ৬২ শতাংশ মানুষ মনে করছেন বিজেপি লাভবান হবে। ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন ২৪ শতাংশ মানুষ। ১৪ শতাংশ মানুষ বলছেন, তাঁরা কিছু বলতে পারবেন না। সিএএ লাগু হওয়ার ফলে মেরুকরণ হবে বলে মনে করছেন ৭২ শতাংশ মানুষ। ২০ শতাংশ মানুষ মনে করছেন নির্বাচনে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। ৬ শতাংশ মানুষ কোনও মতামত দেননি। ২ শতাংশ মানুষ বলছেন, মুসলমানরা এবার মোদিজির ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে পারবেন।

    জ্বালাময়ী ভাষণে উদ্বেগ

    সিএএ (Lok Sabha Elections 2024) লাগু হওয়ায় ৬৫ শতাংশ মুসলমান জানাচ্ছেন তাঁরা উদ্বিগ্ন। দু’ শতাংশ মানুষ জানাচ্ছেন, তাঁরা উদ্বিগ্ন নন। কিছু বলতে চাননি ৩৩ শতাংশ মানুষ। আবার অধিকাংশ হিন্দু ভোটার মনে করছেন, সিএএ নিয়ে মুসলমানদের ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে এক শ্রেণির রাজনৈতিক দল। সিএএ (CAA) নিয়ে মুসলমানদের ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে মনে করছেন ৩৫ শতাংশ হিন্দু। কিছু সংখ্যক মৌলানার জ্বালাময়ী মিথ্যে ভাষণের জন্য সিএএ নিয়ে মুসলামানরা ভয় পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ২১ শতাংশ হিন্দু ভোটার। ১২ শতাংশ মানুষ এ ব্যাপারে কোনও মতামত দেননি।

    মতুয়া-মহলে জোর প্রভাব সিএএ-র (CAA)

    মতুয়া অধ্যুষিত বাংলায় সিএএ-র কী প্রভাব পড়বে, তাও জানতে চেয়েছিলেন সমীক্ষকরা। কারণ বাংলার প্রায় ৭০টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্ণায়ক শক্তি মতুয়ারাই। তাই রাজ্যে লোকসভার বেশ কিছু আসনে মতুয়া ভোটাররা যে ফ্যাক্টর, তা বলাই বাহুল্য। সমীক্ষায় (India TV-CNX Opinion Poll) জানা গিয়েছে, হাওড়া এবং বর্ধমান-পূর্বে তৃণমূলের শক্তি বেশি। এই দুই লোকসভা কেন্দ্রে এক সময় বিজেপি দুর্বল ছিল। কিন্তু, সিএএ (CAA) লাগু হওয়ার পর হাওয়া-বদল হতে শুরু হয়েছে এখানেও। সমীক্ষায় দাবি, এই দু’জায়গাতেও পদ্ম শিবির জোর টক্কর দেবে তৃণমূলকে। বর্ধমান-দুর্গাপুর এবং বোলপুরে এগিয়ে বিজেপি। এই দুই কেন্দ্রে সিএএ-র ফসল কুড়োবে গেরুয়া শিবির। এই একই কারণে মতুয়া অধ্যুষিত বনগাঁ, রানাঘাট ও কৃষ্ণনগরে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা বেশি।

    আরও পড়ুুন: ‘সরকারি চাকরির মূল্য শুনলে চমকে যাবেন’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কী বললেন বিচারপতি সিনহা?

    প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধেয় দেশে লাগু হয়েছে সিএএ (CAA)। এনিয়ে মুসলমানদের ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে অভিযোগ সর্বভারতীয় মুসলিম জামাতের সভাপতি মৌলানা শাহাবউদ্দিন রাজভিরও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও বলেছেন, ভোট ব্যাঙ্ক অটুট রাখতে বিরোধীরা খেলছে সিএএ তাস। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সিএএ নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না, নাগরিকত্ব দেবে (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনে ‘আবকি বার-৪০০ পার’ গেরুয়া শিবিরের, বলছে ‘নিউজ ১৮’-এর সমীক্ষা

    Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনে ‘আবকি বার-৪০০ পার’ গেরুয়া শিবিরের, বলছে ‘নিউজ ১৮’-এর সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) হতে চলেছে বিজেপির জয়জয়কার। দাবি করল ‘নিউজ ১৮ মেগা ওপিনিয়ন পোল’ (News 18 Mega Opinion Poll)। ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হতে চলেছে। এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ৪০০ আসনেরও বেশি সংখ্যা নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য মসনদে বসতে চলেছে। বিজেপি একাই জিতবে ৩৫০ আসন। সমীক্ষা (Opinion Poll) অনুযায়ী, মোট ভোটের পঞ্চাশ শতাংশ পেতে চলেছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট। এটা উঠে এসেছে সমীক্ষায়। ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত ২১ রাজ্যে চলেছে এই সমীক্ষা। জানা গিয়েছে, ৫৪৩ টির মধ্যে ৫১৮টি লোকসভা আসনে চালানো হয় এই সমীক্ষা।

    এনডিএ জোট পেতে চলেছে ৪১১ আসন

    সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই সমীক্ষা হল দেশের সবথেকে বড় ওপিনিয়ন পোল। ৫৪৩ আসনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেতে চলেছে ৪১১ আসন। বিজেপি একার ক্ষমতাতেই জিততে (Lok Sabha Election 2024) চলেছে ৩৫০ আসন এবং অন্যান্য এনডিএ শরিকরা, যার মধ্যে রয়েছে বিহারের জনতা দল ও তেলেগু দেশম পার্টি, এরা জিতবে ৬১ আসন।

    ‘হিন্দি হার্ট লাইন’-এ রেকর্ড ভোট

    ওই সমীক্ষা (Opinion Poll) অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে ‘হিন্দি হার্ট লাইন’-এ রেকর্ড ভোট পেতে চলেছে বিজেপি। এবং গেরুয়া ঝড়ে কার্যত সেখানে উড়ে যাবে বিরোধীরা। উত্তরপ্রদেশের ৮০-এর মধ্যে ৭৭টি আসনে দখল করতে চলেছে এনডিএ জোট। মধ্যপ্রদেশে এনডিএ পেতে চলেছে ২৮টি আসন। ছত্তিশগড়ের এনডিএ জোট পেতে চলেছে ১০টি আসন। বিহারে বিজেপি-নীতীশের জোট (Lok Sabha Election 2024) পাবে ৩৮টি আসন। ঝাড়খণ্ডে বিজেপি পাবে ১২টি আসন।

    বাংলায় ২৫ আসন বিজেপির 

    দক্ষিণ ভারতের কর্নাটকে বিজেপি জোট পেতে চলেছে ২৫টি আসন। ওড়িশাতে ১৩টি আসন জিততে চলেছে তারা। এবং অভূতপূর্ব নির্বাচনী ফলাফল হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। এখানে ২৫টি আসনে বিজেপি জিতবে বলে দেখা যাচ্ছে। ওই সমীক্ষা (Opinion Poll) অনুযায়ী, দক্ষিণ ভারতের তেলঙ্গানায় ৮টি আসনে জিতবে এনডিএ জোট, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৮টি আসনে বিজেপি জোট জিততে চলেছে। গুজরাটে এবারেও সবগুলি আসনই পেতে চলেছে বিজেপি। মোদি রাজ্যের ২৬টি আসনই যাচ্ছে গেরুয়া শিবিরের ঝুলিতে। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে বিজেপি জোটের ঝুলিতে (Lok Sabha Election 2024) আসবে ৫টি আসন। কেরালাতে এনডিএ জোট পাবে দুটি আসন।

    ‘ইন্ডি’ জোট পাবে ১০৫ আসন 

    নিউজ ১৮-র এই সমীক্ষায় (News 18 Mega Opinion Poll) আরও দেখা যাচ্ছে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডি’ জোট পেতে চলেছে মাত্র ১০৫ আসন। এর মধ্যে কংগ্রেস ৫০ আসন ডিঙোতে পারছে না। তারা ৪৯ আসনেই থেমে যাচ্ছে। সমীক্ষা (Opinion Poll) অনুযায়ী, ২০১৪ সালের পর এটাই হতে চলেছে কংগ্রেসের সবথেকে খারাপ ফল। অন্যদিকে যে দলগুলি ইন্ডি বা এনডিএ (Lok Sabha Election 2024) কোনও জোটেই নেই, সেই সমস্ত দলগুলি অর্থাৎ এআইএডিএমকে বা ডিএমকে, বহুজন সমাজবাদী পার্টি, ভারত রাষ্ট্র সমিতি, বিজেডি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস এরা সবাই মিলে ২৭ আসন পেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share