Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ration Distribution Case: হাওয়ালার মাধ্যমে ৭৫০ কোটি টাকা পাচার করেছিলেন তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয়!

    Ration Distribution Case: হাওয়ালার মাধ্যমে ৭৫০ কোটি টাকা পাচার করেছিলেন তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওয়ালার মাধ্যমে ৭৫০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই বিপুল পরিমাণ টাকারই ০.৫ শতাংশ পেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা তথা বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় প্রথম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে (Ration Distribution Case) এমনই জানিয়েছে ইডি।

    সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট ইডির (Ration Distribution Case)

    মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে এই চার্জশিট জমা দেয় ইডি। তাতেই নাম রয়েছে শঙ্করের। রয়েছে তাঁর কোম্পানির নামও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির দাবি, জ্যোতিপ্রিয়র বিপুল পরিমাণ টাকা, বিদেশি মুদ্রায় রূপান্তরিত করে শঙ্কর ০.৫ শতাংশ করে কমিশন পেয়েছেন। সেখান থেকেই কোটি টাকা রোজগার করেছেন তিনি। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Ration Distribution Case) ৫ জানুয়ারি শঙ্করের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই রাতেই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের এই নেতাকে। এই গ্রেফতারির দু’ মাসের মাথায় এদিন দ্বিতীয় চার্জশিট পেশ করল ইডি।

    কী রয়েছে চার্জশিটে?

    চার্জশিটটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৮৩। তাতে শঙ্করের পাশাপাশি রয়েছে তাঁর চারটি কোম্পানির উল্লেখও। চার্জশিটে বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর টাকা বিদেশি মুদ্রায় রূপান্তরিত করতে সাহায্য করেছেন শঙ্কর। তার বদলে পেয়েছেন কমিশন। জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে যে শঙ্করের যোগাযোগ ছিল, তা প্রথম থেকেই দাবি করেছিল ইডি। হাসপাতাল থেকে মেয়েকে লেখা জ্যোতিপ্রিয়র চিঠিতেও শঙ্করের উল্লেখ ছিল বলেও দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

    আরও পড়ুুন: “হিংসামুক্ত নির্বাচন করতে হবে”, রাজ্যকে নির্দেশ রাজীব কুমারের

    এদিন ইডি যে চার্জশিট জমা দিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ২০১১ সাল (এই বছরই ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল) থেকে ২০২২ সালের মধ্যে হাওয়ালার মাধ্যমে সাড়ে সাতশো কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। কমিশন বাবদ তারই ০.৫ শতাংশ পেয়েছিলেন শঙ্কর। ইডির অভিযোগ, বিদেশে শঙ্কর লেনদেন করেছেন ২০ হাজার কোটি টাকা। এই টাকার মধ্যে অন্তত ৯ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা জ্যোতিপ্রিয়র।

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Ration Distribution Case) মামলায় ইডি প্রথম চার্জশিট পেশ করে গত ১২ ডিসেম্বর। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তবে তদন্তে সেই টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও দাবি করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফার চার্জশিটে জানা গেল বিদেশে পাচার হওয়ার টাকার পরিমাণ ৭৫০ কোটি টাকা (Ration Distribution Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ABVP: সন্দেশখালিকাণ্ডে বিধানসভা অভিযানকে ঘিরে এবিভিপি-পুলিশ সংঘর্ষ, ধুন্ধুমার

    ABVP: সন্দেশখালিকাণ্ডে বিধানসভা অভিযানকে ঘিরে এবিভিপি-পুলিশ সংঘর্ষ, ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি (ABVP) আজ সারা দেশব্যাপী মমতা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ প্রদর্শন করল। একই সঙ্গে নির্যাতিতাদের ন্যায় বিচারের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা অভিযানকে ঘিরে এবিভিপি-পুলিশের ব্যাপক ধুন্ধুমার বাধে। সেই সঙ্গে করা হয় পুলিশের লাঠি এবং গ্রেফতার। একই ভাবে দেশের বড় বড় শহরগুলির মধ্যে দিল্লির বঙ্গভবন, রাজস্থানের ভিলওয়ারা, গুজরাটের আমেদাবাদ, লখনউ, ইন্দোর, হিমাচলের কৌশাম্বি, একাধিক জায়গার বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে বাংলার নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে মমতার কুশপুতুল দাহ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    বিধানসভায় ঘেরাও (ABVP)

    এই রাজ্যের বিধানসভার সামনে দক্ষিণবঙ্গ এবিভিপির তরফ থেকে ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়। এই অভিযানের সময় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) কেন্দ্রীয় স্তরের নেতা-নেত্রীরা যোগদান করে। দলের জাতীয় সম্পাদক শিবাঙ্গী কারওয়াল এবং শালিনী বর্মা নেতৃত্ব দেন। প্রথমে সংগঠনের কর্মীরা সুবোধ মল্লিক স্কয়ারে জমায়েত হয়। এরপর মিছিল করে বিধানসভার দিকে এগোলে পুলিশ বিনা প্ররোচনায় লাঠিচার্জ এবং গ্রেফতার করে বলে অভিযোগ ওঠে। এবিভিপির দাবি, মোট ৪১ জন মহিলা কর্মীদের গ্রেফতার করা হয় এবং ব্যাপক মারধর করা হয়। সন্দেশখালির নিপীড়িত মানুষের অধিকার এবং ন্যায় বিচারের দাবি করা হয়। উল্লেখ্য এই সন্দেশখালি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আজ। পালটা সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার দ্রুত শুনানির আর্জি করলে তা খারিজ হয়ে যায়। অবশেষে আজই মামলা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

    দেশ ব্যাপি বিক্ষোভ

    হিমাচলের কৌশাম্বিতে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) পক্ষে থেকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। শহরের প্রাণ কেন্দ্রে রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করে এবিভিপির সমর্থকরা। অপর দিকে ইন্দোরে জেলা শাসকের দফতরের বাইরে পশ্চিমবঙ্গে ঘটা নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ জানিয়ে প্রতিবাদ করে।  সেই সঙ্গে নিপীড়িত মহিলাদের আর্থিক সাহায্যের দাবি রাখে। আবার উত্তরপ্রদেশের লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্দেশখালিতে গণধর্ষণের বিরুদ্ধে এবিভিপি সমর্থকরা আন্দোলনে রাস্তায় নামে। আমেদাবাদের গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুতুল জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানায়। দেশ জুড়ে ব্যাপক গণ আন্দোলনের ডাক দেয় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: “হিংসামুক্ত নির্বাচন করতে হবে”, রাজ্যকে নির্দেশ রাজীব কুমারের

    Lok Sabha Election 2024: “হিংসামুক্ত নির্বাচন করতে হবে”, রাজ্যকে নির্দেশ রাজীব কুমারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নির্বিঘ্নে নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ব্যবস্থা করুক রাজ্য।” মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা ও ডিজি রাজীব কুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই নির্দেশ দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। তিনি বলেন, “হিংসামুক্ত নির্বাচন করতে হবে। এই বিষয়টাকে নিশ্চিত করতে হবে। ভয়মুক্ত হয়ে যাতে প্রত্যেকে উৎসবের মেজাজে ভোট দিতে পারেন।”

    কড়া হাতে হিংসা দমন

    নির্বাচন পূর্ববর্তী ও নির্বাচনোত্তর পর্যায়ের হিংসাকে কড়া হাতে দমন করা হবে বলেও জানান তিনি। রাজীব বলেন, “কোনওরকম সন্ত্রাস বরদাস্ত করা হবে না। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে।” তিনি বলেন, “একটা বিষয়ই সুনিশ্চিত করে বলে দিতে চাই, কোনওভাবেই নির্বাচনে কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। টাকার খেলাও বরদাস্ত করা হবে না। ভোটার উৎসবের মেজাজে ভোট দেবেন, এ ব্যাপারে প্রশাসন ও আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছি, জেলাশাসক, পুলিশ সুপার যেন তাঁদের অধঃস্তনদের এক্ষেত্রে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন। যদি তাঁরা করেন তো ভালো, না হলে আমরা তাঁদের দিয়ে করিয়ে নেব।”

    “সিটিজেন্স ভিজিলেন্সের”

    রাজীব বলেন, “সিটিজেন্স ভিজিলেন্সেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আপনি আপনার অভিযোগ ছবি তুলে কিংবা লিখে পাঠিয়ে দেবেন। লোকেশন আমরাই খুঁজে নেব। কোথাও বুথে, ভোটকেন্দ্রে কোনও অনিয়ম হচ্ছে কিনা, তা দেখলেই আমাদের জানান।” তিনি জানান, যেসব ভোটারের ৪০ শতাংশের বেশি শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তাঁদের ঘর থেকে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে (Lok Sabha Election 2024)। বয়স্কদের ক্ষেত্রেও এই সুবিধা দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূল আর বেশিদিন থাকবে না’’, ইস্তফা দিয়েই হুঙ্কার অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী সব রাজ্যেই গিয়েছে। গোটা দেশে যত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়েছে, তার মাত্র ১০ শতাংশ বাংলায় এসেছে।” বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে যে কোনও পক্ষপাতিত্ব নেই, তাও জানিয়ে দিয়েছেন রাজীব। বলেন, “রাজ্য পুলিশ অবশ্যই থাকবে। রাজ্য পুলিশেরই প্রাথমিক ও প্রথম দায়িত্ব নির্বাচনে নিরাপত্তা ও শান্তি সুনিশ্চিত করা।” বিভিন্ন নির্বাচনে অশান্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আশা করছি, এবার সেরকম কিছু হবে না। যদি হয়, তাহলে জেলা প্রশাসনই বিষয়টি দেখে নেবে। যদি না দেখে, তাহলে আমরা জেলা প্রশাসনকে দিয়েই ব্যাপারটা দেখিয়ে নেব (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Manipur: মণিপুরে ২৫৯ অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠাল সরকার, উঠছে এনআরসি-র দাবি

    Manipur: মণিপুরে ২৫৯ অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠাল সরকার, উঠছে এনআরসি-র দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৩ মে থেকে ২৫৯ জন মায়ানমারের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠিয়েছে মণিপুর (Manipur) সরকার, এক বিবৃতিতে একথা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। জানা গিয়েছে, এই সমস্ত অনুপ্রবেশকারীরা কোনও রকম নথিপত্র ছাড়াই মণিপুরে প্রবেশ করেছিলেন। চান্দেল, চুরাচাঁদপুর, কামজং প্রভৃতি সীমান্ত দিয়েই অবৈধভাবে প্রবেশ করেন এই অনুপ্রবেশকারীরা। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং যিনি সে রাজ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বটেন, বিধানসভায় এক প্রশ্নের জবাবে এই কথাগুলি বলেন। অশান্তির আবহে মণিপুরে (Manipur) উঠতে শুরু করেছে এনআরসি-এর দাবিও।

    মণিপুরে উঠছে এনআরসি-র দাবি

    প্রসঙ্গত, মায়ানমারের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন কংগ্রেসের বিধায়ক লোহেশর সিং। উল্লেখ্য, মায়ানমারে গৃহযুদ্ধের আবহে সেদেশের ৬,৭৪৫ জন নাগরিক বর্তমানে ভারত-মায়ানমার সীমান্তে উদ্বাস্তু শিবিরে রয়েছেন। যাঁদের মধ্যে অসংখ্য নারী এবং শিশুরাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মণিপুরে (Manipur) এমন অনুপ্রবেশের কারণেই গত ১ মার্চ সে রাজ্যের বিধানসভাতে তাংখুল নাগা নামের এক বিধায়ক এনআরসি-র দাবি তোলেন। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, মণিপুরের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা স্বার্থে সেখানে এনআরসি খুবই প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। জনবিন্যাসের ভারসাম্য বজায় রাখতেই এনআরসি প্রয়োজন সে রাজ্যে এবং এই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছে মণিপুরের (Manipur) সরকার। রাজ্যের একাধিক রাজনৈতিক সংগঠন ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠিও লিখেছেন এনআরসি করার বিষয়ে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলকে টেক্কা! যাদবপুরে প্রচার শুরু বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মণিপুরকে ১০টি ‘কিউআরএফ ভেহিক্যল’ বরাদ্দ কেন্দ্রের

    অন্যদিকে, মণিপুরের (Manipur) এমন অশান্তির আবহে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি বজায় রাখতে দশটি ল্যান্ড মাইন্ড নিরোধক ‘কুইক রিঅ্যাকশন ফাইটিং ভেহিক্যল’ বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। ১০টির মধ্যে ৭টি ভেহিক্যল রাজ্যে চলেও এসেছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মণিপুরে শান্তি ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগী হয়েছেন বলে খবর। এই যানবাহনগুলি নিরাপত্তা রক্ষীদের প্রভূত সাহায্য করবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের। এবং যে কোনও দুর্গম জায়গাতে এবং সন্ত্রাস কবলিত এলাকাতে সহজেই নিরাপত্তারক্ষীরা পৌঁছাতে পারবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, আজই শাহজাহানকে হস্তান্তর, বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, আজই শাহজাহানকে হস্তান্তর, বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডের মামলার (Sandeshkhali Case) তদন্তভার তুলে দেওয়া হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। এদিনই বিকেল সাড়ে ৪টের মধ্যে ধৃত শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। গত পাঁচ জানুয়ারি ইডির আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সিট গঠনের যে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ, তাও খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ন্যাজোট ও বনগাঁ থানার তিনটি অভিযোগের তদন্তভার সিবিআইকে হস্তান্তরের নির্দেশও রাজ্য পুলিশকে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। জানা গিয়েছে, এই মামলার তদন্ত করবে স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্ত নিয়ন্ত্রিত হবে সিজিও কমপ্লেক্স থেকেই।

    সিবিআই তদন্তের দাবি ছিল (Sandeshkhali Case) বিজেপির

    প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে প্রথম থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবি করে আসছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কলকাতা হাইকোর্টের সদ্য প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও বলেন, “সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Case) সিবিআই তদন্তই হওয়া উচিত।” পঞ্চান্ন দিন গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর শেষমেশ গত বৃহস্পতিবার মিনাখাঁর বামনপুকুর এলাকা থেকে শাহজাহানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে রাখা হয় সিআইডি হেফাজতে। শাহজাহানকে গ্রেফতার করার দিনই ইডি জানিয়েছিল, তারা দ্রুত হেফাজত চাইবে শাহজাহানের। ইডিও প্রথম থেকেই দাবি করেছিল, সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার দেওয়া হোক সিবিআইকে। কলকাতা হাইকোর্টে তারা এ ব্যাপারে আবেদনও করেছিল।

    প্রাক কথন

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা (পরে বহিষ্কার করা হয়) শাহজাহানের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির দুই কর্তা। শাহজাহানের অনুগামীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। তার পরেই গা ঢাকা দেয় শাহজাহান। প্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা করেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হন শাহজাহান। তার পরেই তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূল আর বেশিদিন থাকবে না’’, ইস্তফা দিয়েই হুঙ্কার অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Case) আক্রান্ত হওয়ার পরেই ইডি হাইকোর্টে জানিয়েছিল, রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই তাদের। তথ্য বিকৃতির আশঙ্কাও করেছিল তারা। আদালতে ইডির আইনজীবী বলেছিলেন, “সন্দেশখালিরকাণ্ডের তদন্ত করানো হোক সিবিআই বা কোনও নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে।” ইডির সেই দাবিকেই এদিন মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ (Sandeshkhali Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিয়ে ‘সেবাকেন্দ্র’ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিয়ে ‘সেবাকেন্দ্র’ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অবশ্য বক্তব্য ওটা ‘সেবাকেন্দ্র’। এলাকায় মানুষের বক্তব্য, “আমাদের অভাব, অভিযোগ এবং সমস্যার কথা জানাবো ওই কেন্দ্রে।” তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারে জনজীবন বিপন্ন সন্দেশখালির মানুষের। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ তীব্র হয়েছে। এবার মানুষের এই আন্দোলনের রাশকে ধরে রাখতে এই ঘর ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য সন্দেশখালির যে যে মানুষের জমি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে সেই জমিকে ফেরানোর কাজ শুরু করেছে তৃণমূল প্রশাসন। তাই লোকসভা ভোটের আবহে বিরোধী দলনেতা তিন মাস ঘর ভাড়া নিয়ে এলাকায় থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। এই এলাকায় এখন বিজেপির সংগঠনকে মজবুত করাই একমাত্র লক্ষ্য।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    সন্দেশখালির স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, “শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আমাদের প্রতিবেশী হলে আমরা খুব খুশি হবো। আমাদের আতঙ্ক অনেকটাই কম হবে। আমাদের সকল সুবিধা অসুবিধার কথা তাঁকে জানাতে পারব। তাঁর এই পদক্ষেপ শুনে আমরা অনেকটাই আশ্বস্ত হয়েছি।” জানা গিয়েছে এই এলাকার পুকুরপাড়া এলাকায় থাকবেন শুভেন্দু। আবার সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল বলেন, “সন্দেশখালির মাটিতে বিজেপিকে আরও শক্তিশালী করতে শুভেন্দু অধিকারী এই পরিকল্পনা নিয়েছেন। আমরা তিন মাসের জন্য বাড়িটি নিচ্ছি।”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    সন্দেশখালিতে ঘরভাড়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “ওখানে বাদল দাসের বাড়িতে সেবাকেন্দ্র করা হয়েছে। আমরা ভাড়া নিয়েছি। নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকা এবং তাঁদের আইনি সহযোগিতা করার জন্য এই সেবাকেন্দ্র খোলা হয়েছে।” অপর দিকে ঘর ভাড়া নিয়ে আদি তৃণমূল নেতা বাদল দাস বলেন, “আমি এক সময় এলাকায় তৃণমূল করতাম। সেই সঙ্গে একটি ভয় কাজ করছে। তবে এখন আমরা ভয়কে জয় করেছি। আমাদের একটাই সুর ছিল, পার্টি যে যাই করি, আন্দোলন সবাইকার। আমি এলাকার মানুষের চাহিদা বুঝে বাড়ি ভাড়া দিচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মৃত কেরলের বাসিন্দা, জখম আরও ২ ভারতীয়

    Israel-Hamas War: ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মৃত কেরলের বাসিন্দা, জখম আরও ২ ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের ওপর (Israel-Hamas War) ক্ষেপণাস্ত্র হানা। আর তাতেই প্রাণ হারালেন এক ভারতীয়। জখম হয়েছেন আরও দু’জনও এদেশের নাগরিক। জানা গিয়েছে, সোমবারই ইজরায়েলের উত্তর সীমান্তের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। লেবানন থেকে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েল।  ইজরায়েলের মার্গালিয়ট নামক স্থানে একটি কৃষিজমিতে ওই মিসাইল আছড়ে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার ১১ টা নাগাদ হয়েছে।

    সন্দেহ হিজবুল্লা জঙ্গি গোষ্ঠীকে

    এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় না স্বীকার করেনি। তবুও হামলার নেপথ্যে রয়েছে লেবাননের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লা, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel-Hamas War) শুরু হয় ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে। তখন থেকেই হামাসের পাশে দাঁড়ায় হিজবুল্লা। ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তারা আগেও করেছে।

    মৃত ও আহতরা ভারতের কেরলের বাসিন্দা

    ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় (Israel-Hamas War) মৃত্যু হয়েছে কেরলের বাসিন্দা পটনিবিন ম্যাক্সওয়েল নামের এক ব্যক্তির। তিনি আদতে কেরলের কোল্লামের  বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। বাকি যে দু’জন জখম হয়েছেন তাঁরাও কেরলের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের নাম জোসেফ জর্জ এবং পল মেলভিন। ইজরায়েরেলে সংবাদ সংস্থাগুলি জানিয়েছে, ওই দু’জনের মুখে এবং দেহের একাংশে চোট রয়েছে। এখনও তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইজরায়েলের আধিকারিকদের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘মুখ ও শরীরে আঘাতের কারণে জর্জকে পেটাহ টিকভার বেইলিনসন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর অপারেশন সফল হয়েছে, সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি।’’

    কী বলছেন হিজবুল্লা প্রধান?

    হিজবুল্লা অবশ্য হামাস-ইজরায়েল (Israel-Hamas War) যুদ্ধের জন্য আমেরিকাকেই দায়ী করেছে। হিজবুল্লা প্রধানের মতে,  ‘‘গাজা এবং সেখানকার মানুষের উপর এই আগ্রাসনের জন্য দায়ী একমাত্র আমেরিকা। ইজরায়েল ওদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি অস্ত্রমাত্র।’’ উত্তর ইজরায়েলে একাধিক বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লা। প্রত্যাঘাত করে ইজরায়েলও।

    আরও পড়ুুন: “একটাও বোমাবাজির কথা যেন শুনতে না হয়”, সাফ কথা কমিশনের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি-বৈজয়ন্তীমালা সাক্ষাৎ, রাজনীতিতে ফিরছেন কিংবদন্তী অভিনেত্রী?

    PM Modi: মোদি-বৈজয়ন্তীমালা সাক্ষাৎ, রাজনীতিতে ফিরছেন কিংবদন্তী অভিনেত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিংবদন্তী অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার চেন্নাই পৌঁছে বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিংবদন্তী অভিনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি যে আপ্লুত, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদি-বৈজয়ন্তীমালা সাক্ষাৎ

    সাক্ষাতের ছবি শেয়ার করেছেন এক্স হ্যান্ডেলে। লিখেছেন, “চেন্নাইয়ে বৈজয়ন্তীমালাজির সঙ্গে দেখা করে দারুণ আনন্দ পেলাম। তিনি সদ্য পদ্মবিভূষণে ভূষিত হয়েছেন এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অনুকরণীয় অবদানের জন্য গোটা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।” সম্প্রতি প্রবীণ অভিনেত্রী হেমা মালিনীও বৈজয়ন্তীমালার বাড়িতে গিয়ে দেখা করে এসেছেন। ইনস্টাগ্রামে সেই ছবি শেয়ারও করেছেন হেমা। সাক্ষাতের সময় হেমার পরনে ছিল সবুজ স্যুট। আর বৈজয়ন্তীমালা পরেছিলেন হলুদ শাড়ি।

    বৈজয়ন্তীমালা সকাশে হেমা 

    পোস্টের নীচে হেমা লিখেছেন (PM Modi), “আমার জীবনের সব চেয়ে স্মরণীয় দিন। আমি আমার রোল মডেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। গতকাল চেন্নাইয়ে বৈজয়ন্তীমালার পরিবারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছি। তিনি এখনও প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর, তাঁর মধ্যে রয়েছে নাচের ছন্দও। তিনি নৃত্য নিয়ে কথা বলেন, নাচ নিয়েই বেঁচে থাকেন। তাঁর একটি দীপ্তি রয়েছে। অনেক বছর আগেও আমি যেমন তাঁকে শ্রদ্ধা করতাম, এখনও তা-ই করি। চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় নিয়ে একটা নস্ট্যালজিক আলোচনাও হয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। এই সুন্দরী মহিলার সঙ্গে সাক্ষাৎ একটা বিরাট মুহূর্ত। তিনি ভেতরে ও বাইরে সমানভাবে সুন্দরী।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীকে ফের খুনের হুমকি! কী বলল দুর্বৃত্ত?

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে বৈজয়ন্তীমালাকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। এটি হল ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান। এদিকে, বৈজয়ন্তীমালার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষতকে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ বলতে রাজি নন রাজনীতির কারবারিরা। তাঁদের বক্তব্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বৈজয়ন্তীমালাকে দক্ষিণের কোনও রাজ্যে পদ্ম-প্রার্থী করা হতে পারে। বৈজয়ন্তীমালা আদতে রাজনীতির লোক না হলেও, ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন। ১৯৮৪ সালে তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জনতা পার্টির নেতা ইরা সেঝিয়ান। ইরাকে ধরাশায়ী করে সেবার বিজয়মাল্য গলায় উঠেছিল (PM Modi) বৈজয়ন্তীমালার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ‘আদিত্য’র মহাকাশ যাত্রার দিনই ধরা পড়ে ক্যান্সার, কেমন আছেন ইসরো প্রধান?

    ISRO: ‘আদিত্য’র মহাকাশ যাত্রার দিনই ধরা পড়ে ক্যান্সার, কেমন আছেন ইসরো প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসরো প্রধান (ISRO) এস সোমনাথ আক্রান্ত মারণ রোগ ক্যান্সারে। টারম্যাক মিডিয়া হাউস নামের এক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন তিনি। আরও জানা গিয়েছে, তাঁর অসুস্থতার খবর যেদিন তিনি জানতে পারেন, সেদিনই ভারতের সূর্য মিশনকে সফল করতে মহাকাশের উদ্দেশে রওনা দেয় ইসরোর আদিত্য এল১। গত ৩ মার্চ প্রকাশিত হয়েছে ইসরো প্রধানের এই সাক্ষাৎকার। যাইহোক বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন বলেই জানা গিয়েছে। চারদিন মাত্র হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরে, ফের তিনি নিয়মিতভাবে ইসরোর কাজে যোগ দেন।

    সাক্ষাৎকারে কী বললেন ইসরো প্রধান?

    সাক্ষাৎকারে ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেন, ‘‘যখন চন্দ্রযান ৩ মিশন (ISRO) লঞ্চ হয়েছিল, সেদিনই কিছুটা অস্বস্তি বোধ হয় স্বাস্থ্যের দিক থেকে। যদিও সেটা আমার কাছে স্পষ্ট ছিল না সেই সময়। আমার স্পষ্ট ধারণা ছিল না এই রোগ নিয়ে সেই সময়।’’ এরপরেই সাক্ষাৎকারে ইসরো প্রধান জানান, যেদিন সূর্য অভিযানে আদিত্য এল১-এর সফল উৎক্ষেপণ হয়, সেদিনই তিনি জানতে পারেন যে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। তিনি আরও জানিয়েছেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর, কেবল তাঁর জন্যই নয়, বরং তাঁর পরিবারের জন্যও একটি বড় ধাক্কা ছিল। এই খবরে হতভম্ব হয়ে যান ইসরো প্রধানের বন্ধুরাও। ইসরো (ISRO) প্রধানের মতে, ‘‘এই সময়কালে পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা এবং বন্ধুরা।’’

    ক্যান্সারের চ্যালেঞ্জ নিয়েই চলছে একের পর এক মিশনের কাজ 

    জানা গিয়েছে, গত ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর আদিত্য এল১ মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেয়। সেই দিনই পেটের অস্বস্তি নিয়ে রুটিন চেক আপে যান এস সোমনাথ। তখনই ডাক্তারদের থেকে জানতে পারেন এই মারণ রোগের কথা। মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখে তাঁকে জানানো হয় যে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। ইসরো প্রধানের বুঝতে পারেন ক্যান্সারের মতো চ্যালেঞ্জকে সঙ্গে নিয়েই সফল করতে হবে ইসরোর মিশনগুলিও। উল্লেখ্য, এরপরও একের পর বড় মিশনের কাজ করে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি, ইসরো গগনযানের বেছে নিয়েছে মহাকাশচারীদের। ইসরো (ISRO) প্রথমবারের জন্য নভশ্চর পাঠাতে চলেছে মহাশূন্যে। ইসরো প্রধানের নেতৃত্বে যখন সফল হচ্ছে একের পর এক মিশন তখনই সামনে এল এমন দুঃসংবাদ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: গ্রামের নাম বদলালেই কড়া শাস্তি, বিল পাশ মণিপুর বিধানসভায়

    Manipur Violence: গ্রামের নাম বদলালেই কড়া শাস্তি, বিল পাশ মণিপুর বিধানসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতিগত সমীকরণের কথা মাথায় রেখে দ্রুত বদলে নেওয়া হচ্ছে গ্রামের নাম। হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুরবাসীর (Manipur Violence) এহেন প্রবণতায় রাশ টানল মণিপুর সরকার। সাফ জানিয়ে দিল, জাতিগত সমীকরণের কথা ভেবে কোনও জায়গার নাম বদলানোর চেষ্টা হলে কারাদণ্ড হতে পারে তিন বছর পর্যন্ত। দু লাখ টাকা জরিমানাও হতে পারে।

    বিধানসভায় পাশ নয়া বিল 

    এই মর্মে বিধানসভায় বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহের সরকার। রাজ্যপাল স্বাক্ষর করলেই বিলটি পরিণত হবে আইনে। বিলটির নাম ‘মণিপুর নেম অফ প্লেসেস বিল ২০২৪’। বিলটিতে (Manipur Violence) বলা হয়েছে, জাতিগত সমীকরণের প্রেক্ষিতে কোনও জায়গার সরকারি নাম বদলের চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি-সহ দোষীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।

    অশান্ত মণিপুর

    গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে গত বছর আচমকাই অশান্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। মণিপুরে একাধিক উপজাতির বাস। এর মধ্যে মূল দ্বন্দ্ব মেইতেইদের সঙ্গে কুকিদের। এ রাজ্যের জনসংখ্যার সিংহভাগই মেইতেই সম্প্রদায়ের। আর জো-কুকিরা রয়েছেন ৪০ শতাংশ। মেইতেইরা মূলত বাস করেন ইম্ফল উপত্যকায়। পাহাড়ি অঞ্চলে বাস করেন জো-কুকি সহ অন্য জনগোষ্ঠীর মানুষ। গত বছর ৩ মে জনজাতি ছাত্র সংগঠন অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরের মিছিলকে ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত। তফশিলি জাতির মর্যাদার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন মেইতেইরা।

    আরও পড়ুুন: ‘পুলিশ-প্রশাসন আমাদের কথা শোনে না’, দলীয় সভায় সুব্রত বক্সির কাছে নালিশ জেলা তৃণমূল নেতার

    তার পরে রাজ্য সরকারকে মেইতেইদের তফশিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছিল মণিপুর হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধিতায় পথে নামে ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর’। এই মিছিলকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষ বাঁধে। যার জেরে খুন হন বহু মানুষ। জখমও হন বহু মানুষ। ভিটে ছেড়ে অন্যত্র চলে যান লোকজন। পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও নামানো হয়। তার পরেও মণিপুরে নেভেনি অশান্তির আগুন। জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে একের পর এক বাড়ি। পরে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে শান্তি ফেরে চিত্রাঙ্গদার দেশে। তার পরেই জাতিগত সমীকরণের কথা মাথায় রেখে দ্রুত বদলে ফেলা হচ্ছে গ্রামের নাম। মণিপুরবাসীর এই প্রবণতা রুখতেই নয়া বিল পাশ করল মণিপুর সরকার (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share