Tag: Bengali news

Bengali news

  • Jagadish Shettar: কংগ্রেস ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টার

    Jagadish Shettar: কংগ্রেস ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস ছেড়ে ফের নিজের পুরনো শিবির বিজেপিতে ফিরলেন কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টার (Jagadish Shettar)। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পার উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। প্রসঙ্গত, লিঙ্গায়েত জনগোষ্ঠীর এই প্রভাবশালী নেতা জগদীশ শেট্টার।

    কী বললেন লিঙ্গায়েত নেতা? 

    কন্নড় রাজনীতিতে ফের গেরুয়া শিবিরে ফিরে জগদীশ শেট্টার (Jagadish Shettar) বলেন, ‘‘আমি আবার নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে কাজ করার জন্য উন্মুখ। উনি জাতির জন্য অনেক কিছু করছেন। তাই বিজেপিতে ফিরে এলাম।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘অতীতে দল আমাকে অনেক দায়িত্ব দিয়েছে। কিছু সমস্যার কারণে আমি কংগ্রেস পার্টিতে গিয়েছিলাম। গত ৮-৯ মাসে বিজেপিতে অনেক আলোচনা হয়েছে। কর্নাটকের বিজেপি নেতা-কর্মীরা আমাকে বিজেপিতে ফিরে আসতে বলেছিলেন। ইয়েদুরাপ্পাজি এবং বিজয়েন্দ্রজিও চেয়েছিলেন আমি বিজেপিতে ফিরে আসি। নরেন্দ্র মোদিজিকে ফের প্রধানমন্ত্রী হতে হবে, এই বিশ্বাস নিয়েই ফের বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি।’’

    পারিবারিকভাবে শেট্টাররা জনসঙ্ঘের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন

    প্রসঙ্গত, গত বছরই এপ্রিলে কর্নাটকে বিধানসভা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেসময়ই বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে গিয়েছিলেন শেট্টার। হুবলি-ধারওয়াড় কেন্দ্রের ছ’বারের বিধায়ক ছিলেন তিনি। কিন্তু ২০২৩ সালের ভোটে টিকিট না পেয়ে সেসময় বিজেপি ছাড়েন তিনি। কংগ্রেসের কাছে টিকিট পেলেও গেরুয়া শিবিরের কাছে পরাস্ত হন জগদীশ (Jagadish Shettar)। জল্পনা রটে, কংগ্রেস তাঁকে বিধান পরিষদ থেকে জিতিয়ে আনবে এবং মন্ত্রী করবে। কিন্তু তা হয়নি।

    আবার এও শোনা গিয়েছিল, লোকসভা ভোটে হুবলি থেকে নির্বাচিত ক্যাবিনেট মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশির বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হতে পারে শেট্টারকে। কিন্তু এসব জল্পনার মাঝেই কংগ্রেস ছাড়লেন তিনি। পারিবারিকভাবে শেট্টাররা প্রথম থেকেই জনসঙ্ঘের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শেট্টারের কাকা সদাশিব ১৯৬৭ সালের হুবলি কেন্দ্র থেকে জনসঙ্ঘের প্রার্থী হিসাবে জিতেছিলেন। তাঁর বাবা এসএস শেট্টারও ছিলেন হুবলি শহরের মেয়র। দক্ষিণ ভারতের প্রথম জনসঙ্ঘের নেতা হিসাবে মেয়র হয়েছিলেন তিনি। শেট্টারের বিজেপিতে ফেরা নিয়ে বৃহস্পতিবার ইয়েদুরাপ্পা বলেন, ‘‘লোকসভা ভোটের আগে শেট্টার যোগ দেওয়ায় আমাদের শক্তিবৃদ্ধি হল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day: দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, ওয়ার মেমোরিয়ালে পুষ্পাঞ্জলীও দিলেন

    Republic Day: দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, ওয়ার মেমোরিয়ালে পুষ্পাঞ্জলীও দিলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ৭৫তম সাধারণতন্ত্র দিবস (Republic Day)। দিল্লির রাস্তায় শক্তি প্রদর্শন করবে সেনাবাহিনী । আকাশে চক্কর কাটবে যুদ্ধবিমান। এবারের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির থাকবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। ইতিমধ্যে কর্তব্যপথে হাজির হয়েছেন প্রধানমন্ত্র নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু। সকালেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লির কর্তব্যপথে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁকেও স্বাগত জানান নরেন্দ্র মোদি।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    সকালেই দেশবাসীকে ৭৫তম সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “সকল দেশবাসীকে সাধারণতন্ত্র দিবসের (Republic Day) শুভেচ্ছা, জয় হিন্দ।” প্রসঙ্গত গতকালই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। ভারতকে গণতন্ত্রের জননী বলে নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

    ওয়ার মেমোরিয়ালে পুষ্পাঞ্জলী প্রধানমন্ত্রীর

    প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে পুষ্পাঞ্জলি দেন। তাঁকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। 

    আরও পড়ুন: মিঠুন, উষা, রতন কাহার সমেত বাংলা থেকে কারা পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান?

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট মাক্রঁর

    ভারতবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) শুভেচ্ছা জানালেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁ। এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি তিনি। গতকালই জয়পুরে এসে পৌঁছেছেন মাক্রঁ। এ দিন সকালে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, আমার প্রিয় বন্ধু নরেন্দ্র মোদি ও ভারতের সকল নাগরিককে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানাই। এখানে আসতে পেরে অত্যন্ত খুশি ও গর্বিত আমি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Report: জ্ঞানবাপীর স্থানে আগে বড় হিন্দু মন্দির ছিল, দাবি প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের

    Gyanvapi Report: জ্ঞানবাপীর স্থানে আগে বড় হিন্দু মন্দির ছিল, দাবি প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীতে জ্ঞানবাপী মসজিদের জায়গায় আগে একটি হিন্দু মন্দির ছিল৷ ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের (এএসআই) রিপোর্টে (Gyanvapi Report) নাকি মন্দিরের অস্তিত্বের কথা বলা হয়েছে। মামলায় হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন সাংবাদিক সম্মেলন করে বৃহস্পতিবার এএসআই-এর জারি করা রিপোর্টটি প্রকাশ্যে আনেন ৷ তিনি বলেন, ‘‘এএসআই-এর রিপোর্ট বলছে, মসজিদ তৈরির সময় কিছু বদল আনা হয়েছিল কাঠামোয়। সামান্য বদল এনে একই পিলার ও প্লাস্টার ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন কাঠামো তৈরি করতে হিন্দু মন্দিরের পিলারের চরিত্রে সামান্য বদল আনা হয়েছিল।’’

    ৩৪টি লিপির হদিশ মিলেছে, যা হিন্দু মন্দিরের গায়ে লেখা থাকতো

    মসজিদের গায়ে ৩৪টি লিপির হদিশ মিলেছে, প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের গায়ে এগুলি লেখা থাকতো বলে জানা গিয়েছে। এনিয়ে হিন্দু পক্ষের আইনজীবী আরও বলছেন, ‘‘এএসআই রিপোর্ট (Gyanvapi Report) বলছে, বর্তমান ও প্রাচীন কাঠামোয় বেশ কয়েকটি লিপি নজরে এসেছে। সাম্প্রতিক সমীক্ষা চালানোর সময় এ রকম ৩৪টি লিপির হদিশ মিলেছে। প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের গায়ে সেই সব লিপি খোদাই করা হয়েছিল। পরে সেই সব পাথর নতুন কাঠামো তৈরিতে কাজে লাগানো হয়। সেই সব লিপিতে জনার্দন, রুদ্র এবং উমেশ্বর এই দেবতার নাম পাওয়া গিয়েছে।’’

    ডিসেম্বর মাসেই আদালতে  জমা পড়ে রিপোর্ট

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ ডিসেম্বর বারাণসী জেলা আদালতে মুখবন্ধ খামে বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ করেছিল এএসআই। তার পরেই হিন্দুত্ববাদী পক্ষের তরফে সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলায় (Gyanvapi Report) আদালত নির্দেশ দেয়, জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা’র রিপোর্ট হিন্দু এবং মুসলিম পক্ষকে দেওয়া হবে। এর পরেই সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে এই দাবি করলেন হিন্দু পক্ষের আইনজীবী।

     

    আরও পড়ুন: মিঠুন, উষা, রতন কাহার সমেত বাংলা থেকে কারা পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Padma Awardees: মিঠুন, উষা, রতন কাহার সমেত বাংলা থেকে কারা পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান? 

    Padma Awardees: মিঠুন, উষা, রতন কাহার সমেত বাংলা থেকে কারা পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের চিরাচরিত পরম্পরা রয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে পদ্ম সম্মান (Padma Awardees) ঘোষণার। চলতি বছরে ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই ঘোষণা হল পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা। পশ্চিমবঙ্গ থেকে পদ্মসম্মান কারা পাচ্ছেন?

    বাংলা থেকে পদ্মভূষণ প্রাপকদের তালিকা

    পদ্মভূষণ (Padma Awardees)  সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীরাজনীতিবিদ সত্যব্রত মুখোপাধ্যায় (মরণোত্তর)
    সংগীতশিল্পী ঊষা উত্থুপ।

    বাংলা থেকে পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকা

    নেপাল সূত্রধর- পুরুলিয়ার খ্যাতনামা এই প্রয়াত শিল্পী পাঁচ দশক ধরে ছৌনাচের মুখোশ তৈরি করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান রেখেছেন। তাঁকে মরোনোত্তর পদ্মশ্রী (Padma Awardees)  সম্মান দেওয়া হচ্ছে।

    সনাতন রুদ্র পাল– প্রতিমা নির্মাণে প্রখ্যাত নাম সনাতন রুদ্র। তাঁর তৈরি দুর্গা প্রতিমা দেশ-বিদেশে খ্য়াতি অর্জন করেছে। তিনি চলতি বছরে পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান।

    রতন কাহার-‘বড় লোকের বিটি লো’ গান একসময় উছতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের মুখে মুখে ঘুরতো। গানের স্রস্টা সেই রতন কাহার এবারে পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান। তাঁর কণ্ঠে মুগ্ধ অনেকেই।

    দুখু মাঝি – পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি ব্লকের সিন্দরি গ্রামের আদিবাসী পরিবেশবিদ দুখু মাঝি জনমানসে ‘গাছদাদু’ নামেই বেশি পরিচিত। সাইকেলে চেপে নতুন-নতুন জায়গায় গিয়ে ন্যাড়া জমিতে প্রতিদিন গাছ বসান। সেভাবেই ৫,০০০-র বেশি গাছ বসিয়ে ফেলেছেন।

    এছাড়াও পদ্মশ্রীর (Padma Awardees)  তালিকা দেখে নিন একনজরে:-

    পার্বতী বড়ুয়া- ভারতের প্রথম মহিলা মাহুত

    চামি মুর্মু – প্রখ্যাত উপজাতীয় পরিবেশবিদ

    সাংথানকিমা – মিজোরামের সমাজকর্মী

    জগেশ্বর যাদব – আদিবাসী কল্যাণ কর্মী

    গুরবিন্দর সিং – সিরসার দিব্যাং সমাজকর্মী

    সত্যনারায়ণ বেলেরি – কাসারগোড়ের ধান চাষি

    কে চেল্লাম্মল – আন্দামানের জৈব চাষী

    হেমচাঁদ মাঞ্জি – নারায়ণপুরের মেডিসিন প্র্যাক্টিশনার

    ইয়ানুং জামোহ লেগো – অরুণাচল প্রদেশের ভেষজ ওষুধ বিশেষজ্ঞ

    সোমান্না – মাইসুর থেকে উপজাতীয় কল্যাণ কর্মী

    সর্বেশ্বর বসুমাতারী – চিরাং এর আদিবাসী কৃষক

    প্রেমা ধনরাজ – প্লাস্টিক সার্জন ও সমাজকর্মী

    উদয় বিশ্বনাথ দেশপান্ডে – আন্তর্জাতিক মল্লখাম্ব কোচ

    ইয়াজদি মানেকশা ইতালিয়া – মাইক্রোবায়োলজি সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ।

    শান্তিদেবী পাসওয়ান ও শিবন পাসওয়ান- গোন্ডা শিল্পের শিল্পী

    অশোক কুমার বিশ্বাস- তিকুলি শিল্পের জন্য তিনি খ্যাত

    বালাকৃষ্ণ বিতিল- ঘত ৬ দশক ধরে কথাকলির জন্য তিনি খ্যাত।

    গোপীনাথ সাঁই- কৃষ্ণলীলা পারফরম্যান্সের জন্য তিনি খ্যাতনামা।

    এছাড়াও পদ্মশ্রী পাচ্ছেন, স্মৃতিরেখা চাকমা, নারায়ণ ইপি, ওমপ্রকাশ শর্মা, বদ্রপান্না এম, ভগতপ্রধান, মচিহান সাসা, জর্ডন লেপচা, জানকীলাল, গাদ্দাম সামাইয়াহ, দাসারি কোন্দাপ্পা, বাবুরাম যাদবরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: জয়পুরে রোড শো মোদির, দোসর প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি মাক্রঁ

    PM Modi: জয়পুরে রোড শো মোদির, দোসর প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি মাক্রঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজস্থানের জয়পুরে রোড-শো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। দু’ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। মোদি ও মাক্রঁর যুগলবন্দি দেখতে রাস্তার দু’পাশে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। জনতার উদ্দেশে হাত নাড়েন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। রোড-শোর পুরো রাস্তাটায় তাঁদের ওপর পুষ্পবৃষ্টি করে জনতা।

    যন্তর-মন্তরে মাক্রঁ

    রোড-শোর পরে দুই রাষ্ট্রপ্রধান চলে যান হওয়া মহল দর্শন করতে। ১৭৯৯ সালে তৈরি হয় এই মহল। জয়পুরের রয়্যাল সিটি প্যালেসেই রয়েছে এই মহল। এখানে বসেই বায়ুসেবন করতেন রাজ পরিবারের সদস্যরা। রোড শো শুরুর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট চলে আসেন জয়পুরের যন্তর-মন্তরে। সেখানে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। দু’জনেই দু’জনকে শুভেচ্ছাও জানান। তার পরেই তাঁরা চলে যান যন্তর-মন্তর দর্শনে। ২০১০ সালের জুলাই মাসে যন্তর-মন্তরকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে ইউনেসকো। যন্তর-মন্তর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মহারাজ সাওয়াই জয় সিংহ। এটি একটি বিখ্যাত সোলার অবজার্ভেটরি।

    অম্বর দুর্গে মাক্রঁ

    জয়পুরের অম্বর দুর্গ আগেই দেখেছিলেন মাক্রঁ।  সেখানে উপস্থিত স্কুল পড়ুয়াদের সঙ্গেও আলাপ করেন তিনি। অম্বর দুর্গেই তিনি সাক্ষাৎ করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। রাজস্থানের উপ মুখ্যমন্ত্রী দিয়া কুমারীও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। ছবি তুলতে দিয়া কুমারী ও জয়শঙ্করের সঙ্গে পোজও দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। পায়ে হেঁটে পুরো রাজপ্রাসাদটি ঘুরে দেখেন মাক্রঁ। জানেন দুর্গের ইতিহাস। রাজস্থানী পেন্টিং এবং শিল্পকীর্তিরও প্রশংসা করেন মাক্রঁ। অম্বর দুর্গ যাঁরা তৈরি করেছিলেন, সেই সব শিল্পীদেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি এবার মাক্রঁ। শুক্রবার নয়াদিল্লির অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। প্রসঙ্গত, ফ্রান্সই একমাত্র দেশ, যেখান থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন সে দেশের ৫ জন রাষ্ট্রপ্রধান। যদিও এসেছেন ছ বার (একজন প্রেসিডেন্ট এসেছিলেন দু’ বার)। গত বছর ১৪ জুলাই বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফ্রান্সে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত বছরই ঠিক হয়, প্রজাতন্ত্র দিবসেব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হবে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে। সেই মতো জানানো হয় আমন্ত্রণ। এ বছর ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্তি (PM Modi)।

      

    আরও পড়ুুন: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতির তদন্ত করবে সিবিআই, জানালেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Draupadi Murmu: ‘গণতন্ত্রের জননী’ ভারত, প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি

    Draupadi Murmu: ‘গণতন্ত্রের জননী’ ভারত, প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন হবে সারা দেশজুড়ে। রীতি অনুযায়ী বৃহস্পতিবারই প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। তাঁর ভাষণে ভারতকে ‘গণতন্ত্রের জননী’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, “দেশ এখন অমৃতকালের সূচনায় রয়েছে। এটা পরিবর্তনের সময়। দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি আমরা। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রত্যেক নাগরিকের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।”

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ছেড়ে কেন হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন রাহুল, কী কারণ?

    ভাষণে উঠে এল রাম মন্দির প্রসঙ্গও

    রাষ্ট্রপতির (Draupadi Murmu) প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে উঠে এল অযোধ্যার রাম মন্দির প্রসঙ্গও। সোমবারই বালক রামের মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “এটি একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের সময়কাল।” তিনি আরও বলেন, “চলতি সপ্তাহের গোড়ায় আমরা নতুন রাম মন্দিরে ভগবান রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হতে দেখেছি, যা ঐতিহাসিক।”

    ভারত রত্ন পাচ্ছেন কর্পূরী ঠাকুর

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে ভারতরত্ন পাচ্ছেন কর্পূরী ঠাকুর। এদিন দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পূরী ঠাকুরের কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। সমাজের উন্নয়নে ও জনকল্যাণে কার্পুরি ঠাকুরের অবদানের কথা উল্লেখ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। চলতি বছরেই পাশ হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল। সংসদের মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের বিষয়টিও এদিন প্রজাতন্ত্রের ভাষণে তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। মহিলাদের ক্ষমতা প্রদান, শাসন প্রক্রিয়াকে আরও ভাল করতে সাহায্য করবে বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত, এদিনই সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। পুলিশ, দমকল, হোমগার্ড, সিভিল ডিফেন্স ও কারেকশনাল সার্ভিস মিলিয়ে মোট ১১৩২ জনকে সাহসিকতা এবং অন্যান্য সার্ভিস মেডেল দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতির তদন্ত করবে সিবিআই, জানালেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতির তদন্ত করবে সিবিআই, জানালেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতি মামলার তদন্ত করবে সিবিআই। দু’ মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। ডিভিশন বেঞ্চের স্থগিতাদেশ কেন মানা হবে না, বৃহস্পতিবার পর্যবেক্ষণে তাও জানিয়েছেন তিনি।

    সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ

    মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতি মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির নজিরবিহীন মন্তব্য-পাল্টা মন্তব্যের সাক্ষী থেকেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ঘটনার সূত্রপাত এদিন সকালে। মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। পরে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে করা সিবিআইয়ের এফআইআরও খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “মেমোররেন্ডাম আপিল বা সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের কপি ছাড়া কীভাবে ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিল? এর আগে এমন কোনও উদাহরণ বা এই হাইকোর্টের নিয়মে কি তা রয়েছে এমন কিছু দেখাতে পারবেন?”

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ

    তাঁর নিজের নির্দেশ বহাল রাখার পাশাপাশি আরও বলেন, “তাঁর এই নির্দেশের কপি কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছেও পাঠানো হবে।” বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আরও জানান, বিচারপতি সৌমেন সেন একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। তাই দেশের শীর্ষ আদালতের উচিত তাঁর সমস্ত নির্দেশ খারিজ করা। তাঁর মন্তব্য, “এই মামলায় রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা ব্যক্তির মতো আচরণ করছেন বিচারপতি সেন। কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।”

    আরও পড়ুুন: মমতার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! অনুব্রত-কাজল অনুগামীদের সংঘর্ষ

    বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে কেন ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হবে না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “কেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দু’ বছর ধরে তাঁর বদলি হচ্ছে না? অন্য বিচারপতিদের তো বদলি হয়ে গিয়েছে। কে তাঁকে বাঁচাচ্ছে? আমি দেশের প্রধান বিচারপতিকে এটা দেখার জন্য অনুরোধ করব।” বিচারপতি (Justice Abhijit Gangopadhyay) গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এফআইআর খারিজের যে নির্দেশ বিচারপতি সেন দিয়েছেন, সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে দিয়েছেন। তাই সেটা বৈধ নয়। সিবিআইয়ের উচিত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Gallantry Awards: সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে স্বাক্ষর রাষ্ট্রপতির, কারা পাচ্ছেন?

    Gallantry Awards: সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে স্বাক্ষর রাষ্ট্রপতির, কারা পাচ্ছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস। সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে (Gallantry Awards) স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। পুলিশ, দমকল, হোমগার্ড, সিভিল ডিফেন্স ও কারেকশনাল সার্ভিস মিলিয়ে মোট ১১৩২ জনকে সাহসিকতা এবং অন্যান্য সার্ভিস মেডেল দেওয়া হবে।

    তালিকায় কারা?

    সাহসিকতার জন্য যে ২৭৭ জনকে পুরস্কার দেওয়া হবে, এঁদের মধ্যে ১১৯ জন মোতায়েন ছিলেন মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায়, জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলে ছিলেন ১৩৩ জন। অন্যান্য অঞ্চলে ছিলেন ২৫ জন। ২৭৭ জনের মধ্যে বিরল সাহসিকতার (Gallantry Awards) জন্য রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাবেন দু’জন। বাকি ২৭৫ জন পাচ্ছেন সাহসিকতার পুরস্কার। যাঁরা সাহসিকতার মেডেল পাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিএসএফের দু’জনও। বিএসএফের ১৫তম কঙ্গো কনটিনজেন্টে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

    আরও পাবেন যাঁরা

    সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারের মধ্যে রয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ৭২ জন কর্মীও। মহারাষ্ট্রের ১৮ জন পুলিশ কর্মী, ছত্তিশগড়ের ২৬ জন, ঝাড়খণ্ডের ২৩ জন, ওড়িশার ১৫ জন, দিল্লির ৮ জন, সিআরপিএফের ৬৫ জন, এসএসবির ১৫ জন পুলিশ কর্মীও রয়েছেন এই তালিকায়। বাকি পুরস্কার প্রাপকরা অন্যান্য রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং সিএপিএফের।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ছেড়ে কেন হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন রাহুল, কী কারণ?

    আগে সাহসিকতার (Gallantry Awards) জন্য পুরস্কার দেওয়া হত ১৬টি বিভাগে। সেগুলিকে মিশিয়ে এখন চারটি বিভাগ করা হয়েছে। এগুলি হল, প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি, মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি, প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস এবং মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস। এই কাঠামোয় এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে পুরস্কৃত করা হবে ১১৩২ জনকে। প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস পুরস্কার দেওয়ার হয় বিশেষ কোনও ডিস্টিংগুইশড রেকর্ড সার্ভিসের জন্য। মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস পুরস্কার দেওয়া হয় মূল্যবান কোনও সার্ভিস যাতে রিসোর্স এবং কর্তব্যের প্রতি ডিভোশন রয়েছে।

    প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হবে ১০২টি। পুলিশ সার্ভিসে দেওয়া হবে ৯৪টি পুরস্কার। দমকলে দেওয়া হবে ৪টি। সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড সার্ভিসে দেওয়া হবে ৪টি পুরস্কার। মেরিটোরিয়াস সার্ভিসে ৭৫৩টি পুরস্কারের মধ্যে ৬৬৭টি দেওয়া হবে পুলিশ সার্ভিসে, দমকলে ৩২টি, সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড বিভাগে ২৭টি এবং কারেকশনাল সার্ভিসে ২৭টি পুরস্কার (Gallantry Awards) দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bharat Jodo Nyay Yatra: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ছেড়ে কেন হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন রাহুল, কী কারণ?

    Bharat Jodo Nyay Yatra: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ছেড়ে কেন হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন রাহুল, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’য় (Bharat Jodo Nyay Yatra) বেরিয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার সেই যাত্রা পৌঁছেছিল কোচবিহারে। এখানে বক্সিরহাটে সংক্ষিপ্ত সভা ও জেলা সদরে রোড-শো করেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন রাহুল। তবে কেন তিনি হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন, সে ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনাটি ঘিরে ক্রমেই চড়ছে জল্পনার পারদ। কংগ্রেসের একটি সূত্রে খবর, আগামী রবিবার ফের বাংলায় আসতে পারেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি। সেক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে যাত্রা পথের। রুট থেকে বাদ পড়তে পারে উত্তরবঙ্গের দুই জেলার অংশ বিশেষ।

    রাহুলকে স্বাগত কংগ্রেসের

    এদিন বক্সিরহাটে রাহুলকে স্বাগত জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী, মহিলা কংগ্রেসের সদস্য পূজা রায়চৌধুরী, এআইসিসি সদস্য বিশ্বজিৎ সরকার সহ দলের (Bharat Jodo Nyay Yatra) অন্য নেতানেত্রীরা। বক্সিরহাটের পর রাহুলের যাওয়ার কথা ছিল তুফানগঞ্জে, প্রাতরাশ করতে। রাত্রিবাস করার কথা ছিল ফালাকাটায়। কিন্তু রাহুল ও তাঁর ‘ন্যায় যাত্রা’র সঙ্গীরা বক্সিরগঞ্জ থেকে ফেরেন কোচবিহার শহরে। শহর ও লাগোয়া এলাকার রেলগুমটি, মা ভবানী, সদর বাজার, রাজবাড়ি গেট, খাগড়াবাড়ি হয়ে রাজারহাট পর্যন্ত রোড-শো করেন রাহুল।

    ইন্ডিয়া জোট

    তিনি বলেন, “বিজেপি-আরএসএসের অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতেই ইন্ডিয়া জোট তৈরি হয়েছে। দেশজুড়ে অন্যায় হচ্ছে বলেই আমাদের এই ‘ন্যায় যাত্রা’।” দুপুর দুটো নাগাদ দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন সোনিয়া-তনয়। এআইসিসির সম্পাদক রণজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, “আগামী রবিবার সকাল ৮টায় আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায় পূর্ব নির্ধারিত ক্যাম্প সাইটে আসবেন রাহুল। সেখান থেকে আবার যাত্রা শুরু করবেন তিনি।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভার ঢাকে কাঠি! কেন দেশের মানুষ মোদিকে পছন্দ করেন? নয়া থিম সং বিজেপির

    কী কারণে দিল্লি ফিরলেন রাহুল? কংগ্রেস সূত্রে খবর, প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান রয়েছে শুক্রবার। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাহুল। পরের দিন দিল্লিতে রয়েছে একটি দলীয় অনুষ্ঠান। সেখানেও যোগ দেবেন তিনি। তাই তার পরের দিন আসবেন বাংলায়। গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অন্য একটি সূত্রে খবর, ফালাকাটার পরিকাঠামো রাহুলের রাত্রিবাসের উপযুক্ত নয় বলেই রাজ্য কংগ্রেস নেতাদের জানিয়েছিলেন রাহুলের দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন যাঁরা, তাঁরা। তার পরেই প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয় (Bharat Jodo Nyay Yatra)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: লোকসভার ঢাকে কাঠি! কেন দেশের মানুষ মোদিকে পছন্দ করেন? নয়া থিম সং বিজেপির

    PM Modi: লোকসভার ঢাকে কাঠি! কেন দেশের মানুষ মোদিকে পছন্দ করেন? নয়া থিম সং বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। আজ ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ঠিক এই আবহে বৃহস্পতিবারই বিজেপির তরফে একটি গান প্রকাশ করা হল। গানের নির্যাস, ‘‘কেন জনগণ প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে পছন্দ করেন এবং তাঁকে বারবার নির্বাচিত করেন?’’ ২ মিনিট ১০ সেকেন্ডের এই গানটির নামও দেওয়া হয়েছে ‘তাবহি তো সব মোদি কো চুনতে হ্যায়’। গানের মধ্যেই রয়েছে ‘স্বপ্নে নেহি হকিকত বুনতে হ্যায়, ইস লিয়ে তো সব মোদি (PM Modi) কো চুনতে হ্যায়’ এই নতুন স্লোগানও।

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা লঞ্চ করেন এই গান

    বৃহস্পতিবার এই স্লোগানটি আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা, ২৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভা এবং একইসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপির থিম সং এর লঞ্চ হওয়াতেই লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করে দিল গেরুয়া শিবির। গোটা মিউজিক ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে কিভাবে প্রধানমন্ত্রী কোটি কোটি ভারতীয় স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করেছেন। প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছে রাম মন্দিরের। মিলেছে ৫০০ বছরের সংঘর্ষের সাফল্য। রাম মন্দিরের স্বপ্ন রূপ পেয়েছে বাস্তবে, একইভাবে দেশের কয়েক কোটি মানুষের পাকা বাড়ির স্বপ্ন পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রান্নার গ্যাসও বাড়ি বাড়ি সাপ্লাই দিয়েছেন তিনি। ভারত বিশ্বের পঞ্চম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ বিগত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের উন্নয়নের মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। এরই প্রতিফলন দেখা গেল বিজেপির ওই থিম সং-এ।

     

    বন্দে ভারত থেকে চন্দ্রযান, সবকিছুই রয়েছে এই থিম সং-এ

    গানটি শুরুতেই বর্ণনা করা হয়েছে কংগ্রেস আমলে দেশের কী বেহাল অবস্থা হয়েছিল। কীভাবে উন্নয়নের গতি থমকে গিয়েছিল। এরপরেই দেশবাসী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) নির্বাচিত করেন। বাড়ি, বিদ্যুৎ, জল, গ্যাসের সংযোগ, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থানের মতো যাবতীয় প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী পূরণ করেছেন। আত্মপ্রচারের বদলে প্রধানমন্ত্রী যে কাজকেই প্রাধান্য দেন সে কথা বলা হয়েছে ওই গানে। এবং বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্র নেতারাও তাঁর কথা শোনেন, তারও উল্লেখ করা হয়েছে ওই গানে। দ্রুতগতির বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এর পরিষেবা থেকে শুরু করে চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যও স্থান পেয়েছে গানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share