Tag: Bengali news

Bengali news

  • CEC ECS Bill: রাজ্যসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল

    CEC ECS Bill: রাজ্যসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিল (CEC ECS Bill)। মঙ্গলবার বিলটি পেশ হয়েছিল রাজ্যসভায়। সেখানেই পাশ হয় বিলটি। মার্চ মাসেই নির্বাচন কমিশন গঠনে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশে বলা হয়েছিল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সহ অন্য কমিশনার নিয়োগের দায়িত্বে থাকা কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতার সঙ্গে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিও।

    ধ্বনিভোটে পাশ বিল

    ওই কমিটি থেকে প্রধান বিচারপতির নাম বাদ দিতে অগাস্টেই বিল এনেছিল সরকার। সেই বিলেই কিছু সংশোধন করে এদিনই তা পেশ করা হয় সংসদে। ১৯৯১ সালের আইন অনুযায়ী এতদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের (CEC ECS Bill) নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও ধারা ছিল না। সেই আইন বদল করতেই পেশ করা হয় নয়া বিল। এদিন যা ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গেল সংসদের উচ্চকক্ষে।

    সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ পদে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। মামলার নিষ্পত্তি ঘটাতে গঠিত হয়েছিল বিচারপতি অজয় রাস্তোগী, কেএম জোসেফ, অনিরুদ্ধ বোস, সিটি রবিকুমার এবং হৃষিকেশ রায় – এই পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। সংবিধানের ৩২৪ নম্বর ধারার অধীনে এই বিষয়ে আইন প্রণয়ন করা অনিবার্য প্রয়োজনীয়তা বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। বেঞ্চ জানায়, “গণতন্ত্র জনগণের ক্ষমতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত… গণতন্ত্র সাধারণ মানুষের হাতে শান্তিপূর্ণ বিপ্লবকে সহজতর করে তুলবে। তবে সেজন্য নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হতে হবে। কোনও দুর্বল নির্বাচন কমিশন তাদের আসল দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। ক্ষমতা দখলই অনেক সময় রাজনৈতিক দলগুলির মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু গণতন্ত্রে সরকারের কার্যক্রম ন্যায়পরায়ণ হওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুুন: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সাত সকালেই আয়কর হানা

    এদিন সরকারের তরফে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। তিনি বলেন, “আগের আইনে কিছু দুর্বলতা ছিল। তাই তা বদলে নয়া আইনের প্রয়োজন ছিল। যে কেউই ভারতের নির্বাচন কমিশনার (CEC ECS Bill) হতে পারেন। কিন্তু সেই পদে বসার জন্য নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: টাকার গদিতে গড়াগড়ি দিচ্ছেন রাহুল! ভিডিও পোস্ট করে ধীরজ ইস্যুতে কংগ্রেসকে খোঁচা মোদির

    PM Modi: টাকার গদিতে গড়াগড়ি দিচ্ছেন রাহুল! ভিডিও পোস্ট করে ধীরজ ইস্যুতে কংগ্রেসকে খোঁচা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ সাহুর বাড়ি থেকে নগদ উদ্ধার হয়েছে ৩৫০ কোটি টাকা। পাশাপাশি তিন কেজি সোনাও উদ্ধার হয়েছে। এই বিপুল সম্পদ উদ্ধার নিয়ে গোটা দেশে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। টাকা উদ্ধারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কার্যত ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে কংগ্রেস। মঙ্গলবারই কংগ্রেসকে এ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন বিজেপির এক্স হ্যান্ডেল থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। যেখানে নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ‘মানি হাইস্ট’ সিরিজের ফুটেজে রাহুল গান্ধীর মুখ বসিয়ে দেখানো হয়েছে টাকার বিছানায় শুয়ে গড়াগড়ি খাচ্ছেন কংগ্রেস নেতা। এই ভিডিওটিকে রিপোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির ট্যুইট

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে লেখেন, “কংগ্রেস পার্টি থাকতে, ভারতে, আর কার ‘মানি হাইস্ট’ ফিকশনের প্রয়োজন? গত ৭০ বছর ধরে কংগ্রেসের চুরি কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে। সেই ধারা এখনও চলছে।”

    ৫ দিন ধরে আয়কর বিভাগের ৯টি দলের তল্লাশি

    প্রসঙ্গত, ধীরজ সাহুর সঙ্গে একাধিকবার রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গের মতো শীর্ষ কংগ্রেস নেতাদের হাত মেলানোর ছবি সামনে এসেছে। আবার ধীরজ সাহুর একটি ছবি ফেসবুক বেশ ভাইরাল হয়েছে। পোস্টে দেখা যাচ্ছে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে তিনি সাইকেল চালাচ্ছেন। যা নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে তুমুল সমালোচনা। কেউ কেউ লিখছেন, বাড়ির টাকাগুলো বের করলেই তো পেট্রোল কেনা যায়। ধীরজ শাহুর বাড়িতে আয়কর বিভাগের নয়টি দলকে পাঁচ দিন ধরে টাকা গুনতে হয়েছে। মাঝে মাঝে বিগড়ে গিয়েছে টাকা গোনার মেশিনও। এ নিয়ে আগেই ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। একটি দৈনিক পত্রিকার কাটিং-কে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, জনগণের থেকে লুট করা সমস্ত পয়সা ফেরত দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Soumitra Khan: মস্তক মুণ্ডন করা চাকরিপ্রার্থীর ছবি লোকসভায় তুলে ধরলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ

    Soumitra Khan: মস্তক মুণ্ডন করা চাকরিপ্রার্থীর ছবি লোকসভায় তুলে ধরলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার রাজপথে চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনকে লোকসভায় তুলে ধরলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Khan)। মহিলা চাকরিপ্রার্থীর মস্তক মুণ্ডনের ছবি তাঁর হাতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ (Soumitra Khan)। হাজার দিনেরও বেশি কলকাতার রাজপথে বসে রয়েছেন যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা। প্যানেলে নাম ওঠার পরেও মেলেনি চাকরি। এরই মধ্যে শনিবার এক মহিলা চাকরিপ্রার্থীর মস্তক মুণ্ডন করান আন্দোলন স্থলেই। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় সারা রাজ্যজুড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কুণাল ঘোষ ঘটনাস্থলে গেলেও তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন চাকরিপ্রার্থীরা।

    ট্যুইট বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    গতকালই এনিয়ে সামনে এসেছে সুকান্ত মজুমদারের ট্যুইট। এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে বালুরঘাটের সাংসদ লেখেন, ‘‘মানুষ জবাব দেবে, দিন গোনা শুরু করুন মাননীয়া। দিনের পর দিন যে অন্যায় করেছেন এবং অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়েছেন, কড়ায় গন্ডায় তার হিসেব হবে।’’

    বিজেপির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

    প্রসঙ্গত, গত শনিবারে এই ঘটনা ঘটে কলকাতার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। ইতিমধ্যে এই ঘটনাকে লজ্জাজনক আখ্যা দিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করে বিরোধী শিবির। বিজেপি আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে জানায় যে, বিরোধী দল হিসেবে তারা ক্ষমাপ্রার্থী। দলের মুখপাত্র শমিক ভট্টাচার্য সেদিনই বলেন, ‘‘মাথা ন্যাড়া করে প্রতিবাদের যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত এই ঘটনায় নিজে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা। এই সরকারের আমলে মেধাকে মর্যাদা দিয়ে কোনও পরিছন্ন নিয়োগ সম্ভব নয়।’’ মস্তকমুণ্ডন করা চাকরিপ্রার্থী রাসমণিদেবী বলেন, ‘‘অনেক প্রতিশ্রুতি পেয়েছি৷ আর পারছি না৷ আমাদের হাজার দিনের এই কষ্ট যেন মুখ্যমন্ত্রীর হৃদয় স্পর্শ করে৷ আমরা চাই উনি আমাদের কাছে আসুন৷’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: হাজার বছরেও সংস্কার করতে হবে না অযোধ্যার রাম মন্দির, টলবে না ভূমিকম্পেও!

    Ram Temple: হাজার বছরেও সংস্কার করতে হবে না অযোধ্যার রাম মন্দির, টলবে না ভূমিকম্পেও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদ্বোধনের দোরগোড়ায় অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Temple)। মন্দির নির্মাণ হয়েছে নাগারা স্টাইলে। নির্মাণ করছে চন্দ্রকান্ত ভাই সোমপুরা। গোলাপি স্যান্ড স্টোন দিয়ে তৈরি হয়েছে মন্দির। খোদাই করা হয়েছে রাজস্থানের মির্জাপুর ও বাঁশি-পাহাড়পুর থেকে আনা মার্বেল পাথর। ১৭ হাজার গ্রানাইট পাথরও ব্যবহার করা হয়েছে মন্দির নির্মাণে। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলেন, “এ পর্যন্ত ২১ লক্ষ কিউবিক ফিট গ্রানাইট, স্যান্ডস্টোন এবং মার্বেল পাথর ব্যবহার করা হয়েছে মন্দির নির্মাণে।”

    ভূমিকম্পে নড়বে না মন্দির

    মন্দির নির্মাণে স্টিল এবং সাধারণ সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়নি। চেন্নাই আইআইটির পরামর্শে মন্দিরের ভিত ১২ মিটার গভীর। ভিত ভরতে যে মাটি ব্যবহার করা হয়েছে, আঠাশ দিনের মধ্যেই তা পাথরে পরিণত হতে পারে। রাই জানান, যেভাবে মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছে, তাতে অন্ততপক্ষে হাজার বছর মন্দির সংস্কারের প্রয়োজন হবে না। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.৫ হলেও, ভিত নড়বে না মন্দিরের। মন্দিরের সিংহদুয়ার পেরিয়ে ভগবৎ দর্শনে যেতে পার হতে হবে ৩২টি সিঁড়ি। মন্দির নির্মাণে (Ram Temple) যেসব ইট-পাথর ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলি ১৯৯২ সালের আগে-পরে শিলাদান কর্মসূচিতে দিয়েছিলেন ভক্তরা। গত তিন দশক ধরে বিশ্বহিন্দু পরিষদ এগুলি অযোধ্যাক্ষেত্রে জমা করেছিলেন। মন্দির কমিটির তরফে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই গ্রাউন্ড ফ্লোরের কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে নির্মাণ কর্মীদের। কারণ ২২ জানুয়ারি এখানেই হবে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা।

    নির্মাণ কাজ শেষ হবে কবে?

    ফার্স্ট ও সেকেন্ড ফ্লোরের কাজ হবে দ্বিতীয় দফায়। এই দুই তলে থাকবে ৩৬০টি অতিকায় পিলার। এই পিলারগুলিতে থাকবে ম্যুরাল, খোদাই কার্য। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই দুই তলের কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে নির্মাণ কর্মীদের। ফার্স্ট ফ্লোরে হবে রাম দরবার। এখানকার প্রতিটি স্তম্ভে ২৫-৩০টি মূর্তি খোদাই করা হবে। মন্দির বাইরে নির্মাণ করা হবে মহর্ষি বাল্মীকি, বিশ্বামিত্র, নিষাদ, শাব্রি প্রমুখের সাতটি মন্দির। মন্দির নির্মাণের তৃতীয় দফার কাজ শেষ হবে ২০২৫ সালের মধ্যে। এই দফায়ই গড়ে উঠবে ওই সাতটি মন্দির। তৈরি হবে অডিটোরিয়াম, ব্রোঞ্জের ম্যুরাল ইত্যাদিও।

    আরও পড়ুুন: রামমন্দিরের উদ্বোধনে হাজির থাকছেন পর্দার রাম অরুণ গোভিলও

    রামলালার তিনটি মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। এরই একটি বসানো হবে মন্দিরের গর্ভগৃহে। বিগ্রহে প্রাণপ্রতিষ্ঠাও হবে ২২ জানুয়ারি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২৭ জানুয়ারি সকাল থেকে সর্বসাধারণের দর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দিরের দ্বার। রামলালার যে তিনটি বিগ্রহ তৈরি হয়েছে, তার একটি মাকরানা মার্বেল পাথরে তৈরি। আর বাকি দুটি তৈরি করা হয়েছে কৃষ্ণ শিলা থেকে। শিলাগুলির গুণমান যাচাই করতে পাঠানো হয়েছিল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ রক মেকানিক্সে। সেখান থেকে ছাড়পত্র মেলার পর মূর্তি নির্মাণ করতে বলা হয়েছে ভাস্করদের। তিনটি মূর্তিও ৫১ ইঞ্চি লম্বা। দেব দর্শন করতে হবে ২৫ ফুট দূর থেকে। ফি বছর রাম নবমীর দিন বেলা ১২টায় গর্ভগৃহে থাকা রামলালার কপালে পড়বে সূর্যালোক। মন্দির কমিটির দাবি, এই দৃশ্য দেখতেও রাম মন্দির (Ram Temple) দর্শনে আসবেন বহু অনুসন্ধিৎসু মানুষও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manik Bhattacharya: বাম আমলে হয়েছিলেন অধ্যক্ষ, তৃণমূলের সেই ‘মানিকে’র নিয়োগই অবৈধ, জানাল ইউজিসি

    Manik Bhattacharya: বাম আমলে হয়েছিলেন অধ্যক্ষ, তৃণমূলের সেই ‘মানিকে’র নিয়োগই অবৈধ, জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি গাছেরও খেয়েছেন, তলারও কুড়িয়েছেন! বাম জমানায় হয়েছিলেন কলেজের প্রিন্সিপাল। সেই তিনিই তৃণমূল জমানায় হয়েছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। ঘাসফুল প্রতীকে নদিয়ার পলাশিপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়ে বিধায়কও হয়েছেন। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় পরে অবশ্য সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। এহেন মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাম জমানায় ১৯৯৮ সালে অবৈধভাবে কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েছিলেন তিনি।

    কী বলছে ইউজিসি?

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের এই ‘মানিক’। জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন তিনি কলকাতার যোগেশচন্দ্র ল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। মানিককে ওই পদে অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। মানিকের নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়েছিল কিনা, তা জানতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে হলফনামা জমা দিতে বলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সেই হলফনাম জমা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। হলফনামায় জানানো হয়েছে, বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল মানিককে (Manik Bhattacharya)। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কলেজের অধ্যক্ষ হতে গেলে কোনও ব্যক্তিকে স্নাতকোত্তর স্তরে অন্তত ৫৫ শতাংশ নম্বর পেতে হয়। পিএইচডি কিংবা সমতুল্য কোনও কোনও যোগ্যতা থাকাও বাঞ্ছনীয়। এছাড়াও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ বছর পড়ানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এই সব যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও মানিক যোগেশচন্দ্র ল কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছিলেন।

    বেআইনিভাবে অধ্যক্ষ হয়েছিলেন!

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বর্তমানে রয়েছেন জলপাইগুড়ির সার্কিট বেঞ্চে। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় ফিরলে মামলাটি উঠবে শুনানির জন্য। সেই শুনানিতেই এই হলফনামা নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ জানাবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, দানিশ ফারুকি নামে যোগেশের এক ছাত্র অবৈধ নিয়োগ নিয়ে মামলা করেন হাইকোর্টে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলাকারীর বক্তব্য ছিল, যোগেশের প্রিন্সিপাল হিসেবে মানিকের নিয়োগ অবৈধ ছিল। প্রিন্সিপাল পদে বসার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও, ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। মামলাকারীর দাবি, যত দিন মানিক (Manik Bhattacharya) ওই কলেজের প্রিন্সিপাল হিসেবে বেতন নিয়েছিলেন, সেই বেতন তাঁর কাছ থেকে ফিরিয়ে নেওয়া হোক।

    আরও পড়ুুন: উদ্বেগের অবসান, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে মোহন যাদব, সিলমোহর বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: “জম্মু-কাশ্মীরকে অন্য রাজ্যগুলোর সমতুল করতেই ৩৭০ ধারা”, বললেন বিচারপতি কাউলও

    Supreme Court: “জম্মু-কাশ্মীরকে অন্য রাজ্যগুলোর সমতুল করতেই ৩৭০ ধারা”, বললেন বিচারপতি কাউলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়। সোমবার এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, সংবিধান মেনেই উপত্যকার বিশেষ মর্যাদা বাতিল হয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনের নির্দেশও দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    কী বললেন বিচারপতি কাউল?

    এদিনই ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে অন্য একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কাউল জানান, ১৯৮০ সাল থেকে জম্মু-কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। বিচারপতি কাউল বলেন, “ভূস্বর্গে রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্র নয় এমন কলাকুশলীদের দ্বারা যে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, তার তদন্তে যে নিরপেক্ষ ট্রুথ ও রিকনসিলিয়েশন কমিটি গড়া হয়েছে, আমি তা অনুমোদন করেছিলাম। ১৯৮০ সাল থেকে ওই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে চলেছে। সমন্বয় সাধনের যেসব পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে, আমি তাও অনুমোদন করি।”

    ‘ভূস্বর্গের ক্ষতগুলো নিরাময়ের প্রয়োজন’

    তিনি (Supreme Court) আরও বলেন, “সামনের দিকে এগোতে গেলে ভূস্বর্গের ক্ষতগুলো নিরাময়ের প্রয়োজন। সেখানকার বাসিন্দারা আন্তঃপ্রজন্মীয় ট্রমায় ভুগছেন। তাঁদের ক্ষত নিরাময় করতে গেলে প্রথমে জানতে হবে সেখানে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র নয় এমন কলাকুশলীদের দ্বারা যেসব হিংসার ঘটনা ঘটছে, সে সম্পর্কে।” বিচারপতি কাউল বলেন, “৩৭০ ধারার উদ্দেশ্যই ছিল, জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোর সমতুল করে তোলা। জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার অনুমোদনকে এভাবে দেখা ঠিক হবে না যে, এটা কোনও আলাদা অঙ্গরাজ্য।” তিনি বলেন, “৩৬৭ ধারা ব্যবহার করে ৩৭০ ধারার সংশোধন করার সময়ও আমি বলেছি, যখনও কোনও পদ্ধতি নিয়ে কোনও পরামর্শ দেওয়া হয়, তখন তা অনুসরণ করতে হয়। পিছনের দরজা দিয়ে সংশোধনী আনা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয় (Supreme Court)।”

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানি যোগ! ১০ দিনে ৫২জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ

    ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপ ঘটায় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার। যার জেরে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ পায়। এনিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়। সোমবার ওই মামলায় রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, ৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Yadav: উদ্বেগের অবসান, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে মোহন যাদব, সিলমোহর বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের

    Mohan Yadav: উদ্বেগের অবসান, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে মোহন যাদব, সিলমোহর বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মোহন যাদব (Mohan Yadav)। বিদায়ী সরকারের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন বছর আটান্নর মোহন। উজ্জ্বয়িনী দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। মোহন এই জেলা থেকে পর পর তিনবার বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। বিদায়ী সরকারে মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন শিবরাজ সিং চৌহান। সেই পদেই মোহনকে বসানোর সিদ্ধান্ত নিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    মোহন কাহিনি

    ১৯৬৫ সালে জন্ম মোহনের। ছাত্রাবস্থায়ই জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে। ২০১৩ সালে পদ্ম প্রতীকে জিতে প্রথমবার পা রাখেন বিধানসভায়। পাঁচ বছর পর ফের বিপুল ভোটে জয়ী হন মোহন। ২০২০ সালে শিবরাজ সিং চৌহানের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয় মোহনের। হন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী। দক্ষতার জেরে দ্রুত মোহন নজরে পড়ে যান বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ফের পদ্ম প্রতীকে জয়ী হন মোহন (Mohan Yadav)। বস্তুত তার পরেই মোহনের মাথায় যে মুখ্যমন্ত্রিত্বের তাজ উঠবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। সোমবার বিজেপির তরফে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে মোহনের নাম ঘোষণা করা হয়। তার পরেই মধ্যপ্রদেশজুড়ে খুশির হাওয়া। যদিও স্বভাব-বিনয়ী মোহন বলছেন, “আমি দলের একজন ছোট কর্মী। আমাকে এই সুযোগ দেওয়ায় দলকে ধন্যবাদ।” 

    শিবরাজের শুভেচ্ছা

    মুখ্যমন্ত্রী পদে মোহনের নাম ঘোষণা হতেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানান বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। মোহনের মাথায় হাত রেখে তাঁকে আশীর্বাদও করতে দেখা যায় চৌহানকে। মধ্যপ্রদেশের কুর্সিতে বিজেপি কাকে বসায়, তা নিয়ে জল্পনা চলছিলই। চর্চায় ছিল বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নাম। শেষমেশ সিলমোহর পড়ে মোহনের নামে। জানা গিয়েছে, মোহন আরএসএস ঘনিষ্ঠ। শিবরাজও আরএসএস ঘনিষ্ঠ। সঙ্ঘের তরফে তাঁকেই উত্তরসূরি বাছতে বলা হয়েছিল। তিনিই প্রস্তাব করেন মোহনের নাম। শিবরাজের বিরুদ্ধে দলের মধ্যেই পুঞ্জীভূত হচ্ছিল ক্ষোভ। তাছাড়া মোহন ওবিসি সম্প্রদায়ের। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রদেশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের কুর্সিতে মোহনকে বসিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মারল বিজেপি। একদিকে যেমন উজ্জ্বল ভাবমূর্তির মোহনকে বসিয়ে বিরোধীদের মাত দেওয়া গেল, তেমনি বার্তা দেওয়া হল ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষদেরও। মধ্যপ্রদেশের (Mohan Yadav) অনেক আসনেই নির্ণায়ক শক্তি যাঁরা।    

    আরও পড়ুুন: বিশ্বমানের শহর হিসেবে রামনগরীকে গড়ে তুলতে সরকারের ৮ নীতি কী কী?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Courts Verdict: ৩৭০ ধারা নিয়ে ‘সুপ্রিম’ রায়, কী বলছেন ভূস্বর্গের নেতারা?

    Supreme Courts Verdict: ৩৭০ ধারা নিয়ে ‘সুপ্রিম’ রায়, কী বলছেন ভূস্বর্গের নেতারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়। সোমবার এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Courts Verdict)। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, সংবিধান মেনেই উপত্যকার বিশেষ মর্যাদা বাতিল হয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনের নির্দেশও দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে খুশি বিজেপি নেতারা।

    কী বলছেন ভূস্বর্গের নেতারা?

    তবে ভিন্ন সুর ভূস্বর্গের বিজেপি-বিরোধী নেতাদের কণ্ঠে। কী বলছেন ভূস্বর্গের নেতারা? কাশ্মীরের রাজা হরি সিংহের ছেলে কংগ্রেস নেতা করণ সিংহ বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের একটি শ্রেণি এই রায়ে খুশি হননি। তাঁদের প্রতি আমার পরামর্শ, অনিবার্য রায় মেনে নিন। সুপ্রিম কোর্ট এই পদক্ষেপ বহাল রেখেছে। তাই এখন দেওয়ালে মাথা ঠোকা অর্থহীন।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা বলেন (Supreme Courts Verdict), “হতাশ হলেও লড়াই চলবে। এই জায়গায় পৌঁছতে বিজেপির কয়েক দশক লেগেছে। দীর্ঘ পথ চলার জন্য আমরাও প্রস্তুত।” প্রসঙ্গত, রবিবারই বারামুলার এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে ওমর আবদুল্লা বলেছিলেন, জম্মু-কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা পুনরুদ্ধারের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে লড়াই চলবে।

    কী বলছেন মুফতি, আজাদ?

    কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতিও। তিনি বলেন, “কাশ্মীরের মানুষ হার মানবে না, আশাও ছাড়বে না। আমাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে। এখানেই সব শেষ হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্ত ভারত ভাবনার পরিপন্থী।” কংগ্রেস ছেড়ে ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ আজাদ পার্টি গড়েছেন গুলাম নবি আজাদ। কাশ্মীরের এই নেতা বলেন, “এই রায় দুঃখজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক। কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ এই রায়ে খুশি নন, কিন্তু আমাদের গ্রহণ করতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ বৈধ! রায় সুপ্রিম কোর্টের, জানেন এই ধারার ইতিহাস?

    এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে ভূস্বর্গে। জম্মু-কাশ্মীরের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতির দাবি, গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে তাঁদের। যদিও আবদুল্লা ও মুফতির দাবি ভিত্তিহীন বলে দাবি জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার। তিনি বলেন, “একেবারেই ভিত্তিহীন দাবি। কোনও নেতাকেই গৃহবন্দি করে রাখা হয়নি। গুজব ছড়ানোর জন্যই এসব বলা হচ্ছে (Supreme Courts Verdict)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়কে স্বাগত জানালেন মোদি-শাহ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়কে স্বাগত জানালেন মোদি-শাহ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়”। সোমবার এই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। দেশের শীর্ষ আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখে আমাদের ভাইবোনেদের আশা-আকাঙ্খা, সমৃদ্ধি এবং ঐক্যের প্রতিধ্বনি এই রায়।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের যে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট, সেই সিদ্ধান্ত উনিশের ৫ অগাস্ট নিয়েছিল দেশের সংসদ। জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখে আমাদের ভাইবোনেদের আশা-আকাঙ্খা, সমৃদ্ধি এবং ঐক্যের প্রতিধ্বনি এই রায়। আমরা ভারতীয়রা, যে ঐক্যকে ভালবাসে এবং সবকিছুর ওপরে গুরুত্ব দেয়, এই ভাবনাকে তার গভীর জ্ঞান দিয়ে মান্যতা দিয়েছে শীর্ষ আদালত।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, “জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের প্রাণোচ্ছ্বল বাসিন্দাদের আমি এই বলে আশ্বস্ত করছি যে, আপনাদের স্বপ্নপূরণের যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, তা পূরণের কাজ চলছে। উন্নতির সুফল যে কেবল আপনাদের হাতে পৌঁছবে তা নয়, তার লভ্যাংশ ভোগ করবেন সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ। ৩৭০ ধারা আরোপের জেরে যাঁরা এতদিন ধরে দুঃখকষ্ট ভোগ করেছেন, তাঁরাও এর সুফল কুড়োবেন।“ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও লিখেছেন, “শীর্ষ আদালতের এই রায় কেবল একটি বৈধ রায় নয়, এটা একটা আশার আলো, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি এবং আরও শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার দলিল।” 

    রায়কে স্বাগত শাহেরও

    সুপ্রিম কোর্টের এই ঐতিহাসিক রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডেল তিনিও লিখেছেন, “ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে আমি সম্মান করি। ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট ৩৭০ ধারা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদিজি। তার পর জম্মু-কাশ্মীরে ফিরে এসেছে শান্তি এবং স্বাভাবিকতা। লাগাতার হিংসায় উপত্যকাবাসীর জীবনছন্দের যে তাল কেটে গিয়েছিল, সমৃদ্ধি এবং বিকাশ তাঁদের জীবনে নতুন অর্থ দিয়েছে। পর্যটনে সমৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে উন্নতি জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখবাসীর আয় বাড়িয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্টের রায় জানিয়ে (PM Modi) দিল, ৩৭০ ধারা বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা পুরোপুরি সাংবিধানিক।”

    আরও পড়ুুন: “৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়”, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: “৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়”, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: “৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়”, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়। রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত বৈধ।” সোমবার এই ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে মামলা চলছিল দেশের শীর্ষ আদালতে। সেই মামলায়ই এদিন রায় দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।

    ‘৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়’

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। উনিশের লোকসভা নির্বাচনেও ফের কেন্দ্রের রাশ যায় মোদির হাতে। তার পরেই ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার রদ করে কেন্দ্র। তার জেরেই মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। এদিন রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত জানায়, ৩৭০ ধারায় জম্মু ও কাশ্মীরকে যে বিশেষ অধিকার দেওয়া হয়েছিল, তা সাময়িক। কাশ্মীরের গণপরিষদ বাতিল হয়ে যাওয়ার পরেও রাষ্ট্রপতির ওই অনুচ্ছেদ বাতিল করার অধিকার ছিল। তাই যা হয়েছে, তা অসাংবিধানিক নয়।

    পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা

    জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা দিতেও কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। রাজ্যের মর্যাদা দিয়ে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেখানে বিধানসভা নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকেও এই মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পেলেও, লাদাখ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলই থাকবে বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। এই বেঞ্চই দ্বর্থ্যহীনভাবে জানিয়ে দেয়, কেন্দ্রের ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির সিদ্ধান্ত বৈধ। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা মনে করি, ভারতে অন্তর্ভুক্তির পর জম্মু-কাশ্মীরে কোনও অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব থাকে না।” আদালত জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতেই অঙ্গ। জম্মু-কাশ্মীরে যুদ্ধ পরিস্থিতি মাথায় রেখেই ৩৭০ ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এটা সাময়িক ব্যবস্থা। তাই এটি বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।

    আরও পড়ুুন: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! একে অপরের বিরুদ্ধে কী বললেন জানেন?

    নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। যাতে সবরকম পদক্ষেপ করা হয়, আমরা সেই নির্দেশ দিচ্ছি। জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যের তকমা যত দ্রুত সম্ভব ফিরিয়ে দিতে হবে।” প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের তরফে এর আগেও একাধিকবার জানানো হয়েছিল, জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। শুনানি (Supreme Court) চলাকালীন এদিন আরও একাবার তা জানিয়ে দিল কেন্দ্র।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share