Tag: Bengali news

Bengali news

  • Khalistani Separatists: এবার আমেরিকার গুরুদ্বারে খালিস্তানপন্থীদের হাতে হেনস্থার শিকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত

    Khalistani Separatists: এবার আমেরিকার গুরুদ্বারে খালিস্তানপন্থীদের হাতে হেনস্থার শিকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কটল্যান্ডের পর এবার মার্কিন মুলুক। ফের খালিস্থানপন্থী জঙ্গিদের (Khalistani Separatists) হাতে হেনস্থার শিকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। নিউ ইয়র্কের হিকসভিল গুরুদ্বারের ভেতর তরণজিৎ সিং সান্ধুকে হেনস্থা করেছে তারা। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা তরণজিতের বিরুদ্ধে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জর ও পান্নুনকে হত্যার অভিযোগ এনেছে।

    তরণজিৎকে হেনস্থা

    দিন কয়েক আগে ওই গুরুদ্বারে প্রার্থনা করতে গিয়েছিলেন তরণজিৎ। প্রার্থনা শেষে তারানজিৎকে ঘিরে ধরে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। তরণজিৎকে ধাক্কাধাক্কিও করা হয়। ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে হেনস্থার এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিজেপির মুখপাত্র আরপি সিং খালসা। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন ব্যক্তি ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ঘিরে রেখেছে। সেই সময় একজনকে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে বলতে শোনা যাচ্ছে, নিজ্জর খুন ও পান্নুনকে হত্যার ষড়যন্ত্রে দায়ী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। বিজেপি মুখপাত্র জানান, হেনস্থার (Khalistani Separatists) নেতৃত্বে ছিল মার্কিন খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হিম্মত সিং। সারের গুরুদ্বারের সভাপতি ও কানাডায় খালিস্তানের সমর্থনে আয়োজিত গণভোটের সমন্বয়কারী হিম্মত।

    নিজ্জর খুনে কাঠগড়ায় ভারত

    ১৯ জুন কানাডায় এক গুরুদ্বারের সামনেই গুলি করে খুন করা হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরকে। সে খালিস্তান টাইগার ফোর্সের প্রধান ছিল। খালিস্তানপন্থী আর এক জঙ্গি গুরপন্তবন্ত সিং পান্নুনের ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র মতাদর্শ প্রচারের দায়িত্ব ছিল টাইগার ফোর্সের ওপর। পান্নুনকে খুনের ষড়যন্ত্রে জড়িত সন্দেহে ভারতকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান মার্কিন গোয়েন্দারা। তার আগে নিজ্জর খুনে কানাডা সরকার অভিযোগের আঙুল তুলেছিল ভারতের দিকে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদে দাঁড়িয়ে ভারতকেই দোষারোপ করেছিলেন। তার পরেই তলানিতে গিয়ে ঠেকে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। এবার খোদ বন্ধু দেশে হেনস্থার শিকার হলেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। এখন দেখার, এই ঘটনায় কী পদক্ষেপ করে জো বাইডেন প্রশাসন।

    আরও পড়ুুন: ‘শাহি সমাবেশ’কে সফল করাই পাখির চোখ রাজ্য বিজেপির, নেওয়া হচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ

    প্রসঙ্গত, অক্টোবর মাসে স্কটল্যান্ডের একটি গুরুদ্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন ব্রিটেনে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম ডোরাইস্বামী। সেই সময় খালিস্তানপন্থীরা ভারত বিরোধী স্লোগানও দিতে থাকে। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের হেনস্থার শিকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। ঘটনাস্থল এবার আমেরিকা (Khalistani Separatists)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Uttarkashi Tunnel: বের করা হল আটকে থাকা বিকল ড্রিলিং মেশিনের অংশ, আটক শ্রমিকরা বেরোবেন কবে?

    Uttarkashi Tunnel: বের করা হল আটকে থাকা বিকল ড্রিলিং মেশিনের অংশ, আটক শ্রমিকরা বেরোবেন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই মার্কিন অগার ড্রিলিং মেশিন বিকল হয়ে পড়েছিল। এর ফলে উত্তরকাশির সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel) আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারকাজে ফের বাধার সম্মুখীন হতে হয় উদ্ধারকারী দলকে। তবে সুখবর শোনা গেল সোমবার সকালে। আমেরিকান যন্ত্রের ভাঙা টুকরোগুলি যেখানে আটকে ছিল সেগুলি সোমবারে সকালেই সরানো গিয়েছে। এরপর ম্যানুয়াল ড্রিলিং শুরু হবে। যার অর্থ হল, শাবল গাঁইতি হাতে খোড়ার কাজ চলবে।

    উলম্বভাবে খননও চলছে

    পাশাপাশি, ভার্টিক্যাল ড্রিলিংও শুরু হয়েছে। অর্থাৎ উলম্বভাবে খনন (Uttarkashi Tunnel) করে যে পদ্ধতিতে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয় সেই পদ্ধতিতে কাজ চলছে। রিপোর্ট বলছে, প্রায় কুড়ি মিটার পর্যন্ত গর্ত ইতিমধ্যেই করে ফেলেছে উদ্ধারকারী দল। এই গতিতে কাজ চলতে থাকলে বৃহস্পতিবারের মধ্যেই তা সম্পন্ন হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে শাবল এবং গাঁইতি দিয়ে খুঁড়তে শুরু করলে তা অনেকদিন সময় লাগতে পারে। তার কারণ অগার মেশিন দিয়ে যে গর্ত করা হয়েছে সেখানে একজন শ্রমিকই ঢুকে কাজ চালাতে পারবেন। তিনি বেরিয়ে এলে অপরজন ঢুকতে পারবেন। অগার মেশিন ভেঙে যাওয়ার ফলে ওই যন্ত্রাংশটি (Uttarkashi Tunnel) সুড়ঙ্গতে এমন ভাবে আটকে যায় যে তা বের করা খুব সহজ কাজ ছিল না। তবে সোমবার সকালেই এই কাজকে সম্ভব করেছে উদ্ধারকারী দল। সোমবার উদ্ধারকাজ পরিদর্শন করতে উত্তরকাশিতে আসার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রধানসচিব পিকে মিশ্র এবং উত্তরাখণ্ডের মুখসচিব এসএস সান্ধুর।

    কেমন আছেন শ্রমিকরা?

    গত ১২ নভেম্বর থেকে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গের মধ্যে শ্রমিকরা রয়েছেন সুস্থই। খাবার সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ইদানিং তাঁদের জন্য পাঠানো হচ্ছে বেরি ও অন্যান্য ফল। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মনোবিদরাও। সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) মাত্র ৪১ মিটার ফাঁকা জায়গায় আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁরা যাতে মনোবল হারিয়ে না ফেলেন, তাই সুড়ঙ্গে পাঠানো হয়েছে লুডো, দাবা এবং তাস। শ্রমিকরা সেখানে চোর-পুলিশও খেলছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভিড়ে ঠাসা সভায় খুদে ‘ভারতমাতা’, “দেশের যুবকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে শিশুটি”, মন্তব্য মোদির

    PM Modi: ভিড়ে ঠাসা সভায় খুদে ‘ভারতমাতা’, “দেশের যুবকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে শিশুটি”, মন্তব্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাবেশে ভিড় করেছেন কয়েক লক্ষ আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা। এই ভিড়েই মিশে রয়েছেন বিজেপির স্থানীয় স্তরের নেতা-কর্মীরাও। মঞ্চে তখন ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। হঠাৎই তাঁর চোখ গেল এক খুদের দিকে। ভারতমাতার সাজে সজ্জিত ওই খুদে নেড়ে চলেছেন জাতীয় পতাকা।

    ‘ওয়েল ডান বেটা’

    শিশুটির উদ্দেশে হাত নাড়েন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘ওয়েল ডান বেটা’। প্রধানমন্ত্রীর মুখে এই শব্দবন্ধ শুনে জনতার চোখ তখন মঞ্চের মধ্যমণিকে ছেড়ে চলে গিয়েছে খুদে ‘ভারতমাতা’র দিকে। ২৯ নভেম্বর রয়েছে তেলঙ্গনা বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের প্রচারেই গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তেলঙ্গনার ক্ষমতায় রয়েছে ভারত রাষ্ট্রীয় সমিতি। কেসিআরের এই দলকে এদিন তুলোধনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সময়ই তাঁর চোখ পড়ে শিশুটির দিকে। তার পরেই প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আবেগমথিত মন্তব্য, “ওয়েল ডান বেটা”। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই শিশুটি তিরঙ্গা নিয়ে নাড়ছে। দেখুন, ও ভারতমাতা সেজে এসেছে। দেশের প্রত্যেক যুবকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে এই বাচ্চাটি।”

    ভারত রাষ্ট্র সমিতিকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    এর পর ফের তিনি আক্রমণ শানান রাজ্যের শাসক দলকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ, ভারত যখন খেলনা রফতানিতে নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে, তখন ভারত রাষ্ট্র সমিতি ব্যস্ত নির্মলের খেলনা শিল্পকে ধ্বংস করতে। আমরা ক্ষমতায় এলে, এই শিল্পের পুনরুজ্জীবনে প্রচার শুরু করব।” প্রসঙ্গত, এই নির্মল জেলার খেলনা শিল্প এক সময় দেশ তো বটেই, বিদেশেও সমাদৃত হত।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তেলঙ্গনায় আমাদের একটা সরকার রয়েছে, যারা ফার্মহাউসে বাস করেন। অথচ গরিবদের ঘরবাড়ি দেন না। কেসিআর (তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী) গরিবদের শত্রু। তাই তাঁদের ঘরবাড়ি পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছেন। কিন্তু আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, যেই না তেলঙ্গনায় বিজেপি সরকার গড়বে, তার পরে পরেই বাড়ি দেওয়া হবে গরিবদের। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ। এটা মোদির (PM Modi) গ্যারেন্টি।” প্রসঙ্গত, বাকি চার রাজ্যের সঙ্গেই ৩ নভেম্বর ফল ঘোষণা হবে তেলঙ্গনা বিধানসভা নির্বাচনেরও।  

    আরও পড়ুুন: ‘শাহি সমাবেশ’কে সফল করাই পাখির চোখ রাজ্য বিজেপির, নেওয়া হচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Gujarat: শীতকালে গুজরাটে অকাল শিলাবৃষ্টি! বজ্রাঘাতে ২০ জনের মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    Gujarat: শীতকালে গুজরাটে অকাল শিলাবৃষ্টি! বজ্রাঘাতে ২০ জনের মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাবিবার গুজরাটে (Gujarat) অকাল বৃষ্টিপাত। তীব্র শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাতে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল শিলাবৃষ্টির কারণে রাস্তাগুলি সাদা হয়ে গিয়েছে। প্রচুর সম্পত্তিও নষ্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গুজরাটের রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “খারাপ আবহাওয়া এবং অকাল বজ্রবৃষ্টির কারণে ব্যাপক প্রাকৃতিক সম্পত্তি, প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।”

    প্রশাসনের বক্তব্য (Gujarat)

    গুজরাট (Gujarat) রাজ্য সরকারের প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, “আরব সাগরে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে রবিবার রাজ্যজুড়ে খুব খারাপ প্রভাব ফেলেছে। গতকাল ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ঝড় হয়। রাজ্যের জরুরি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী রাত ১১ পর্যন্ত প্রাকৃতিক বিপর্যয় চলার কথা সুনিশ্চিত করেছে। মানুষের প্রাণহানি ছাড়াও ব্যাপক ভাবে গবাদি পশুপাখি এবং গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এলাকার রাস্তায় শিলাবৃষ্টির কারণে সাদা বরফের টুকরোয় ভরে যায়। সরকার এই প্রাকৃতিক বৃষ্টিপাতের দ্বারা কবলিত মানুষকে উদ্ধার কাজে দ্রুত নেমে পড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী দুর্যোগ কবলিত মানুষকে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে। মোরবি জেলার সেরামিক শিল্পের উপর খারাপ প্রভাব ফেলেছে বৃষ্টিপাত। কারখানার কাজ বন্ধ করা হয়েছে।”

    কোন জেলায় মৃত্যু হয়ছে?

    গুজরাটের (Gujarat) রাজ্য এমারজেন্সি অপারেশন সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “অকাল প্রাকৃতিক বজ্রপাত সহ বৃষ্টিপাতের কারণে রাজ্যে মোট ২০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দাহোদ জেলায় চারজনের, বারুচ জেলায় তিনজনের মৃত্যু হয়। এছাড়াও আমেদাবাদ, আমরোলি, বানসকাঁথা, বোটাদ, খেদা, মেহসানা, পঞ্চমহল, সবরকাঁথা, সুরাট, সুরেন্দ্রনগর এবং দ্বারকায় একজন করে মোট ১৩ জন মানুষের মৃত্যু ঘটেছে।” সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, “২৫২টি মহকুমার মধ্যে ২৩৪টি মহকুমায় বৃষ্টিপাত হয়। সুরাট, সুরেন্দ্রনগর, খেদা, তাপি, বারুচ এবং আমরোলি জেলায় মোট ১৬ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ থেকে ১১৭ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।”

    কী জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর?

    আমেদাবাদের (Gujarat) আবহাওয়া দফতরের নির্দেশক মনোরমা মোহান্তি বলেছেন, “বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস শুধুমাত্র রবিবারের জন্য ছিল। কিন্তু এর প্রভাব সোমবার পর্যন্তও থাকবে। তবে সোমবারের পর থেকেই এই বৃষ্টিপাত হ্রাস পাবে এবং মঙ্গলবারে আকাশ পরিষ্কার হবে। তবে দক্ষিণ গুজরাট এবং সৌরাষ্ট্র জেলার কিছু অংশে বৃষ্টিপাত সাময়িক ভাবে বজায় থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DY Chandrachud: “কেউ যেন আদালতে যেতে ভয় না পান”, সংবিধান দিবসে বার্তা চন্দ্রচূড়ের

    DY Chandrachud: “কেউ যেন আদালতে যেতে ভয় না পান”, সংবিধান দিবসে বার্তা চন্দ্রচূড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেউ যেন আদালতে যেতে ভয় না পান।” রবিবার ৭৫তম সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কথাগুলি বলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। দেশের শীর্ষ আদালতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, বিচারপতি সঞ্জয় কাষান কওল, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।

    প্রধান বিচারপতির বার্তা

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “কেউ যেন কোর্টে যেতে ভয় না পান। আর কোনও উপায় না থাকলে তবেই আদালতে আসবেন, এমনটা যেন না হয়। বরং আমি চাইব, সব শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মানুষ যেন কোর্ট সিস্টেমের ওপর ভরসা রাখতে পারেন। সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টাই আমাদের করতে হবে।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “গত সাত দশকে সুপ্রিম কোর্ট জনতার আদালত হিসেবে কাজ করেছে। হাজার হাজার মানুষ কোর্টের দরজায় আসেন ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায়। ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে, বেআইনি গ্রেফতারি রুখতে ক্রীতদাসের অধিকার রক্ষায়, জনজাতিদের জমির অধিকার সুরক্ষিত করতে আদালতের দ্বারস্থ হন নাগরিকেরা। এঁরা সকলেই আদালতের দ্বারস্থ হন ন্যায় বিচারের আশায়।”

    ‘সেতুবন্ধনের কাজ করে মিডিয়া রিপোর্ট’

    এর পরেই তিনি বলেন, “কেউ যেন কোর্টে যেতে ভয় না পান। কোর্টের শুনানির মিডিয়া রিপোর্টিং কোর্টরুমের কাজকর্মের সঙ্গে জনতার সেতুবন্ধন করে দেয়।” শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud) বলেন, “আমাদের দেশে সুপ্রিম কোর্টের একটা মৌলিক জায়গা রয়েছে। এখানে প্রধান বিচারপতিকে স্রেফ একটা চিঠি লিখেই গড়িয়ে দেওয়া যায় সাংবিধানিক মেশিনারির চাকা। এক সময় যেটা পোস্টকার্ডে হত, আধুনিক যুগে এখন সেটাই হয় ই-মেইল মারফত।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনাদের বিশ্বাসটাই আমাদেরও বিশ্বাসের জায়গা। তাই আমরা চাই, আপনারা যেন আদালতে আসতে কখনওই ভয় না পান।” তিনি বলেন, “আমরা যখন বলি আমরা সংবিধান গ্রহণকে সম্মান করি, তখন আমরা আসলে বিশ্বাস করি, সাংবিধান আছে এবং তা নিরলসভাবে কাজও করে চলেছে।”

    আরও পড়ুুন: ধর্মতলার সভায় আসছেন শাহ, লাখো মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি বিজেপির

    এদিন একটি ই-এসসিআর পোর্টালেরও উদ্বোধন হয়। এই পোর্টালে হিন্দিতে জানা যাবে সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন রায় সম্পর্কে। এই রায়গুলি যাতে পঞ্জাবি, বাংলা, ওড়িয়া, উর্দু সহ দেশের বিভিন্ন ভাষায় পড়তে পারা যায়, তার ব্যবস্থাও করতে বলেন প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: ধর্মতলার সভায় আসছেন শাহ, লাখো মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি বিজেপির

    Amit Shah: ধর্মতলার সভায় আসছেন শাহ, লাখো মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৯ নভেম্বর ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে সভা করবে বিজেপি। ফি বছর এই এলাকায়ই একুশে জুলাই সমাবেশ করে তৃণমূল। পুলিশ অনুমতি না দিলেও, দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরেই জোর কদমে শুরু হয়েছে সভার প্রস্তুতি। ধর্মতলার এই সভায় যোগ দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। বুধবার দুপুরেই নামবেন কলকাতা বিমানবন্দরে। সভা সেরে উড়ে যাবেন দিল্লিতে।

    শাহের রুটম্যাপ

    গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ দিল্লির ৬এ কৃষ্ণ মেনন মার্গ থেকে বেরোবেন শাহ। ১১টা নাগাদ চড়বেন বায়ুসেনার বিমানে। অবতরণ করবেন ১টা ১৫ মিনিটে। পথেই সারবেন মধ্যাহ্নভোজ। বিমানবন্দর থেকে কপ্টারে চড়ে শাহ যাবেন রেসকোর্সে। সেখান থেকে পৌনে ২টো নাগাদ ধর্মতলায় সভামঞ্চে পৌঁছবেন তিনি। সভা শেষে ৩টে নাগাদ ভায়া রেসকোর্স হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পৌঁছবেন কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে রওনা দেবেন দিল্লির উদ্দেশে। জানা গিয়েছে, সভা শুরু হবে বেলা ১২টা থেকে। রাজনৈতিক নাটক, গান, আবৃত্তি, রাজ্য নেতৃত্বের বক্তব্য শেষে শুরু হবে শাহের (Amit Shah) ভাষণ।

    লাখো মানুষের সমাবেশ 

    প্রথমে সভা নিয়ে আদালতের অনুমতি এবং পরে শাহের সম্মতি মেলায় আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। ইতিমধ্যেই জেলা সফর শুরু করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার বাঁকুড়ার কোতুলপুরে সভা করেন তিনি। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ থেকেও যাতে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা ধর্মতলার এই সমাবেশে যোগ দিতে পারেন, সেজন্য ট্রেনও বুক করা হচ্ছে। বঙ্গ বিজেপির এক নেতার কথায়, লাখো মানুষের সমাবেশ করা হবে। দলের নিচুতলার নেতা-কর্মীরা যেভাবে উজ্জীবিত তাতে সমাবেশে ব্যাপক ভিড় হবে।

    আরও পড়ুুন: প্রকাশ্যে এলোপাথাড়ি কোপ, পাল্টা চলল গুলি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    প্রসঙ্গত, ধর্মতলায় বিজেপির এই সভা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। পুলিশের কাছে দু বার আবেদন করেও অনুমতি মেলেনি সভার। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। আদালত সভার অনুমতি দেওয়ার পর শুরু হয়েছে সভার প্রস্তুতি। বিজেপি সূত্রে খবর, মঞ্চ হবে ত্রিস্তরীয়। একটি মঞ্চে দলীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি নিহত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের বসার ব্যবস্থা থাকবে। অন্য একটি মঞ্চ থেকে ভাষণ দেবেন সভার মধ্যমণি অমিত শাহ (Amit Shah)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Australia T20: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে ৪৪ রানে জয়ী ভারত

    India vs Australia T20: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে ৪৪ রানে জয়ী ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ধরাশায়ী হয়েছিল রোহিত শর্মার ভারত। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে (India vs Australia T20) জয়ী হল ভারত। রবিবার প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারত। ভারতের স্কোর হয় ২৩৫। অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৩৬ রানের টার্গেট বেঁধে দেয় ভারত।

    ভারতের স্কোর ২৩৫

    রবিবাসরীয় সন্ধেয় ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ভারত করে ২৩৫ রান। ভারতের তরফে অর্ধশতরান করেন যশস্বী, ঈশান ও ঋতুরাজ। শেষের দিকে ঝড় তুলেছিলেন রিঙ্কু সিংহ। ৯ বলে তিনি করেন ৩১ রান। থাকেন অপরাজিত। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় পেল ভারত। তিরুবনন্তপুরম আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে কিউদের ৪৪ রানে পরাস্ত করল সূর্যকুমারের দল। টস করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান স্কিপার ম্যাথু ওয়েড। টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান তিনি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ের গতিতে খেলতে থাকে ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়।

    মাঠ দাপাল ভারত 

    মাত্র (India vs Australia T20) ২৩ বলে এই ওপেনার জুটি করে ৫০ রান। এদিন ১৪.১ ওভারে ১৫০ রান করে টিম ইন্ডিয়া। তার পরেই ২৯ বলে ফের অর্ধশত রান করেন ঈশান কিষান। ৫২ বলে অবশ্য আউট হয়ে যান ঈশান। তাঁকে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন মার্কুয়াস স্টয়নিস। ভারতের এই জয়ের জেরে টি২০ সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সূর্যকুমারের দল। ২০ ওভারে ৯ উইকেট খুইয়ে ১৯১ রানেই থমকে যেতে হয় টিম অস্ট্রেলিয়াকে। স্টয়নিসের উইকেটটি নেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার মুকেশ কুমার। অক্ষর পটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান তিনি। অক্ষর পটেল নিয়েছেন ম্যাক্সওয়েলের উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে তিনটি উইকেট নেন নাথান এলিস। আর মার্কাস নেন একটি। প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে এটিই ভারতের সর্বাধিক স্কোর। টি২০ আন্তর্জাতিক সেরার তালিকায় এই ইনিংস থাকছে পঞ্চম স্থানে।

    আরও পড়ুুন: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    টিম ইন্ডিয়ায় অলরাউন্ডার তথা স্কিপার হার্দিক পান্ডের অভাব চোখে পড়ছিল প্রথম থেকেই। গোড়ালিতে চোট পেয়ে ম্যাচ থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে ভারত করে ৩ উইকেটে ২৪০ রান। গত বছর অক্টোবরে গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারত করে ৩ উইকেটে ২৩৭ রান। এই খেলায় ১৬ রানে জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া (India vs Australia T20)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কেসিআর কেবল তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি যত্নবান”, তেলঙ্গনা সরকারকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “কেসিআর কেবল তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি যত্নবান”, তেলঙ্গনা সরকারকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তেলঙ্গানায় আমাদের একটা সরকার রয়েছে যিনি ফার্ম হাউসে থাকেন। অথচ তিনি গরিবদের বাড়ি দেন না।” রবিবার ভোটমুখী তেলঙ্গনায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তেলঙ্গনায় ক্ষমতায় রয়েছে কেসিআরের ভারত রাষ্ট্র সমিতি। এদিন সে রাজ্যে দাঁড়িয়ে কেসিআরের নেতৃত্বাধীন সরকারকে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী।

    কেসিআরকে নিশানা মোদির 

    তিনি বলেন, “কেসিআর নেতৃত্বাধীন সরকার গরিবদের শত্রু।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তেলঙ্গানায় আমাদের একটা সরকার রয়েছে যিনি ফার্ম হাউসে থাকেন। অথচ তিনি গরিবদের বাড়ি দেন না। কেসিআর গরিবদের শত্রু। তাঁদের বাড়ি আটকে রেখেছেন। কিন্তু আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তেলঙ্গনায় বিজেপি সরকার গড়লেই দ্রুত গরিবদের বাড়ি দেওয়া হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।” তিনি বলেন, “তেলঙ্গনার দরিদ্রদের জন্য বিজেপি যত্নবান। কিন্তু ভারত রাষ্ট্র সমিতির সরকার রাজ্যে গরিবদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজগুলি থমকে দিয়েছে।”

    নিজামাবাদে টার্মারিক সিটি

    এদিন নির্মলে রাজনৈতিক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা তেলঙ্গনায় ন্যাশনাল টারমারিক বোর্ড গঠনর কথা ঘোষণা করেছি। বিজেপির ইস্তেহারে বিজেপি নিজামাবাদে টার্মারিক সিটি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এখানকার হলুদকে জিআই ট্যাগ দেওয়া হবে। এতে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন এ রাজ্যের হলুদ চাষিরা।” নির্মলে খেলনা শিল্প ধ্বংসের জন্যও কেসিআর নেতৃত্বাধীন সরকারকে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি (PM Modi) বলেন, “আজ, ভারত যখন খেলনা রফতানির ক্ষেত্রে নয়া রেকর্ড গড়ছে, তখন ভারত রাষ্ট্র সমিতির সরকার নির্মলে সেই খেলনা শিল্প ধ্বংস করছে। আমরা যদি তেলঙ্গনার ক্ষমতায় আসি, তাহলে আমরা নির্মলে খেলনা শিল্প পুনরুজ্জীবনে প্রচার শুরু করব।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তেলঙ্গনার সরকার রাজ্যবাসীকে ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি।”

    আরও পড়ুুন: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    তেলঙ্গনা বিধানসভার নির্বাচন হবে ৩০ নভেম্বর। শাসক দল ছাড়াও লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, টিআরএস এবং কয়েকটি আসনে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির পার্টি। গত দশ বছর ধরে তেলঙ্গনা শাসন করেছে কেসিআরের দল। তবে এবার তাদের জয় অনায়াস হবে বলে মনে করছেন না অতি বড় ভোট বিশেষজ্ঞও। নির্বাচনের মুখে বেশ কিছু বিধায়ক কেসিআরের দল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন কংগ্রেসে। ৩ ডিসেম্বর বাকি চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে ফল ঘোষণা হবে ১১৯ আসন বিশিষ্ট (PM Modi) তেলঙ্গনা বিধানসভারও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • China Outbreak: চিনে বাড়ছে সংক্রমণ, ভারতে হাসপাতাল ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের  

    China Outbreak: চিনে বাড়ছে সংক্রমণ, ভারতে হাসপাতাল ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে (China Outbreak) ফের লাগাম ছাড়া করোনা সংক্রমণ। জিরো কোভিড নীতি শিথিল করতেই বাড়বাড়ন্ত সংক্রমণের। এখনই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সে দেশে মৃত্যু হতে পারে অন্তত ২১ লক্ষ মানুষের। চিনের করোনা সংক্রমণ নিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে আমেরিকার তরফেও।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিবের চিঠি

    এমতাবস্থায় করোনা সংক্রমণ নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের ওপর নজরদারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা সংক্রমিতদের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ওপর জোর দেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ চিঠিতে বলেছেন, সম্প্রতিই জাপান, আমেরিকা, রিপাবলিক অব কোরিয়া, ব্রাজিল ও চিনে যে হারে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়ছে, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে আইএনএসএসিওজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট চিহ্নিত করতে জিনোম সিকোয়েন্সিং করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কী বলেছে কেন্দ্র

    স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বলা হয়েছে হাসপাতাল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে প্রস্তুতি কী রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে (China Outbreak)। হাসপাতালে বেড, জরুরি ওষুধপত্র, মেডিক্যাল অক্সিজেন, অ্যান্টিবায়োটিক্স, টেস্টিং কিটস, পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট ইত্যাদি ব্যবস্থা কেমন রয়েছে, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রক ‘অপারেশনাল গাইডলাইনস ফর রিভাইজড সারভিলিয়েন্স স্ট্র্যাটেজি ইন দ্য কনটেক্সট অফ কোভিড ১৯’ কার্যকর করার পরামর্শও দিয়েছে। চলতি বছরের প্রথম দিকে যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সমস্যা এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তান যেন হিন্দুদের বধ্যভূমি, ফের ভাঙা হল মন্দির

    জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের দিকে জোর দিতে ওয়ান হেলথ জাতীয় সার্বিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। এক্ষেত্রে অতিমারির সময় দেশে যেভাবে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে, সে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে দাবি করা হয়, প্রাথমিক, মাঝারি ও সর্বোচ্চ স্তরে, পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য পরিষেবা শক্তিশালী করার দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারত যে প্রস্তুত, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আশ্বাস, অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সহ শ্বাসযন্ত্রের যে ধরনের সংক্রমণ চিনা প্রশাসনের চিন্তা বাড়াচ্ছে, তাতে ভারতের চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে ঢিলেমি দেওয়ার জায়গাও নেই (China Outbreak)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modis Security Breach: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ, পঞ্জাবে সাসপেন্ড ৭ পুলিশ কর্মী

    PM Modis Security Breach: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ, পঞ্জাবে সাসপেন্ড ৭ পুলিশ কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিঘ্নিত হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা (PM Modis Security Breach)। তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে। তা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা চলে আসেন প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ের সামনে। বছর দুয়েক আগের সেই ঘটনার জেরে সাসপেন্ড করা হল পঞ্জাবের এসপি গুরবিন্দর সিংহকে। কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগেই সাসপেন্ড করা হয়েছে পঞ্জাব পুলিশের এই কর্তাকে।

    নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন গুরবিন্দর

    গত বছর ৫ জানুয়ারি পঞ্চাবে একটি নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে একটি ফ্লাইওভারে প্রায় ২০ মিনিটে আটকে পড়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। কৃষকদের বিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে আটকে থাকতে হয় পুরো সময়টা। ঘটনার জেরে বিজেপি নেতারা তৎকালীন চরণজিৎ সিং চান্নি সরকারকে (কংগ্রেস) নিশানা করেন। ওই সময় ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন গুরবিন্দর। তিনি তখন ফিরোজপুরের এসপি ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত।

    কী বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট

    দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তার গলদ বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলে লজ্জার মুখে পড়তে হতে পারে ভারতকে। কেন প্রধানমন্ত্রীর কনভয় (PM Modis Security Breach) থামাতে হল, কীভাবেই বা বিক্ষোভকারীরা তাঁর কনভয়ের সামনে চলে এল, সে ব্যাপারে তদন্তের জন্য কমিটিও গঠন করে দেশের শীর্ষ আদালত। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত চলার পর ১৮ নভেম্বর রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরে রিপোর্ট পেশ করেন পঞ্জাবের ডিজিপি। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই দিন তিনেক আগে সাসপেন্ড করা হয় গুরবিন্দরকে। যদি খবরটি প্রকাশ্যে আসে শনিবার। উল্লেখ্য, বর্তমানে গুরবিন্দর কর্মরত ছিলেন পঞ্জাবের বাথিন্ডা জেলায়।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল পার্টি অফিসের পিছনে বোমা বিস্ফোরণ! উড়ল কিশোরের হাতের আঙুল

    গত বিধানসভা নির্বাচনে পঞ্জাবে গোহারা হারে কংগ্রেস। ক্ষমতায় আসে ভগবন্ত মানের নেতৃত্বে আপ সরকার। কর্তব্যে গাফিলতির জন্য আরও ছজন পুলিশকর্মীকেও সাসপেন্ড করেছে মান সরকার। গুরবিন্দর ছাড়াও যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন, ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার পারসন সিংহ এবং জগদীশ কুমার, ইনসপেক্টর যতীন্দর সিং এবং বলবিন্দর সিংহ, সাব ইনসপেক্টর যশবন্ত সিংহ এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনসপেক্টর রমেশ কুমার। রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরই এঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। এই সাত পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে পেশ করা হয়েছে চার্জশিটও (PM Modis Security Breach)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share