Tag: Bengali news

Bengali news

  • Panauti Jibe: প্রধানমন্ত্রীকে করা ‘পনৌতি’ মন্তব্যে পদক্ষেপ, রাহুলকে নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

    Panauti Jibe: প্রধানমন্ত্রীকে করা ‘পনৌতি’ মন্তব্যে পদক্ষেপ, রাহুলকে নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিপাকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ‘পনৌতি’ (অপয়া) ইস্যুতে (Panauti Jibe) রাহুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। তার প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। ২৫ নভেম্বরের মধ্যে রাহুলকে তাঁর বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    রাহুলের বেফাঁস মন্তব্য

    বিশ্বকাপের সবক’টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় টিম ইন্ডিয়া। কাপ হাতছাড়া হওয়ায় ভেঙে পড়েছিলেন ওই দলের সদস্যরা। ড্রেসিংরুমে গিয়ে তাঁদের সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার রাজস্থানের জালোরে এক জনসভায় ভারতের হার প্রসঙ্গে রাহুল বলেন, “আমাদের ছেলেরা ভালই খেলছিল। বিশ্বকাপও জিতে যেত। কিন্তু এই অপয়া (পনৌতি) সব শেষ করে দিল।” রাহুলের নিশানায় যে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    প্রধানমন্ত্রীকে পকেটমার আখ্যা!

    ওই সভায় রাহুল এও বলেছিলেন, “পকেটমাররা একা একা আসে না। সেখানে তিনজন থাকে। একজন সামনে থাকে, অন্যজন থাকে পিছনে। অন্য একজন থাকেন একটু দূরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজটা হল আপনার মনযোগটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার। তিনি টিভিতে আসেন, সামনে থাকেন। হিন্দু-মুসলিম, জিএসটি এবং নোটবন্দির মতো (Panauti Jibe) বিষয় তুলে তিনি জনগণের দৃষ্টি অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেন। এই সময়ের মধ্যে পিছন থেকে চলে আসেন আদানি, টাকা নিয়ে নেন।

    আরও পড়ুুন: নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গির্ট ওয়াইল্ডার্স হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী!

    রাহুলের এহেন মন্তব্যে তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করে বিজেপি। দ্বারস্থ হয় নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশনকে লেখা চিঠিতে বিজেপি লিখেছে, “একজন প্রধানমন্ত্রীকে পকেটমার ও পনৌতি বলাটা গ্রহণযোগ্য নয়। এটা রাজনৈতিক সৌজন্যের অবনমন। কাউকে পকেটমার বলাটা নিছক গালাগালি দেওয়া নয়, তাঁর সামাজিক সম্মান নষ্ট করা। যাঁর সম্পর্কে এই শব্দবন্ধ প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাঁকে সমাজের চোখে হেয় করা (Panauti Jibe)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Netherlands Elections: নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গির্ট ওয়াইল্ডার্স হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী!

    Netherlands Elections: নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গির্ট ওয়াইল্ডার্স হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। বিশ্বে তাঁর পরিচিতি উগ্র দক্ষিণপন্থী ও ইসলাম বিরোধী রাজনীতিবিদ হিসেবে। ইসলামের কড়া সমালোচনা ও কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে প্রায়ই খবরের শিরোনামে থাকেন এই ডাচ রাজনীতিবিদ। এহেন গির্ট ওয়াইল্ডার্সই হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের (Netherlands Elections) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

    কী বলছে এক্সিট পোল?

    সে দেশের সবকটি এক্সিট পোল বলছে, ওয়াইল্ডার্সের ‘পার্টি ফর ফ্রিডম’ই ডাচ পার্লামেন্ট নির্বাচনে সব চেয়ে বেশি আসন পেতে পারে। নেদারল্যান্ডস পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে আসন রয়েছে ১৫০। এর মধ্যে ওয়াইল্ডার্সের দল এবার ৩৫টি আসন পেতে পারে। যেহেতু তাঁর দলই হতে চলেছে একক বৃহত্তম দল, তাই ওয়াইল্ডার্সের নেতৃত্বেই হতে পারে জোট সরকার। ওয়াইল্ডার্স বলেন, “ফ্রিডম পার্টিকে এখন আর অবহেলা করা যাবে না। এখন আমরা দেশ চালাব। আমরা দেশ শাসন করতে চাই। ৩৫টি আসন দিয়েই আমরা দেশ শাসন করব। ৩৫টি আসন অনেক বড় বিষয় এবং অনেক বড় দায়িত্বও।” তিনি বলেন, ডাচ (Netherlands Elections) ভোটাররা তাঁদের আশার পূরণের পক্ষে কথা বলেছেন।”

    দ্বিতীয় স্থানে বামপন্থী জোট

    ওয়াইল্ডার্সের দলের পরেই থাকতে পারে বামপন্থী জোট। তারা পেতে পারে ২৫টি আসন। তৃতীয় স্থানে থাকতে পারে দিলান ইয়েলিসগোজের নেতৃত্বাধীন মধ্য-ডানপন্থী দল। আর চতুর্থ স্থানটি পেতে চলেছে পিটার ওমটজিগটের নয়া রাজনৈতিক দল। এই তৃতীয় ও চতুর্থ দলের সমর্থন নিয়েই সরকার গড়তে পারেন ওয়াইল্ডার্স। কারণ বামপন্থী জোটের নেতা ফ্রাঁ টিমারম্যানস সাফ জানিয়েছেন, ফ্রিডম পার্টির সঙ্গে কোনও সমঝোতায় যাব না।

    ওয়াইল্ডার্স ঘোরতর ইসলাম বিরোধী হিসেবে পরিচিত। নেদারল্যান্ডসে বসবাসকারী মরক্কোর নাগরিকদের নিয়ে বৈষম্যমূলক মন্তব্য করায় ২০১৬ সালে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। ইসলামের ধর্মগ্রন্থ কোরানকে তিনি হিটলারের ‘মাইন কাম্ফ’ গ্রন্থের সঙ্গে তুলনা করে সমালোচিত হন। ২০১৮ সালে হজরত মহম্মদকে নিয়ে কার্টুন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে চেয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য সেই পরিকল্পনা বাতিল করেন। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের প্রচারে গিয়েও মসজিদ এবং মাথার স্কার্ফ নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন ওয়াইল্ডার্স।

    আরও পড়ুুন: “স্বার্থসিদ্ধি করতেই আদানিদের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল রাজ্যের”, ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    তিনি অবশ্য এও বলেছিলেন, “নেদারল্যান্ডসে ইসলাম নিষিদ্ধ করার চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামনে রয়েছে। জীবনযাপনের উচ্চ ব্যয় মোকাবিলার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।” প্রসঙ্গত, ইসলাম বিরোধী মন্তব্য করার পর যখন ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন নূপুর, তখন তাঁকে সমর্থন করেছিলেন এই ডাচ রাজনীতিবিদ (Netherlands Elections)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rajouri Encounter: রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযানে শহিদ ২ ক্যাপ্টেন সহ ৪ সেনা জওয়ান, খতম লস্কর কমান্ডার

    Rajouri Encounter: রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযানে শহিদ ২ ক্যাপ্টেন সহ ৪ সেনা জওয়ান, খতম লস্কর কমান্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দিনে পড়ল রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযান। বুধবার থেকে জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরি (Rajouri Encounter) জেলার কালাকোট মহকুমার অন্তর্গত জঙ্গলে ঘেরা বাজিমাল অঞ্চলে চলছে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই (Army Terrorist Gunfight)। গতকাল ২ সেনা জওয়ানের মৃত্যুর খবর এসেছিল। এদিন শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪। এর মধ্যে সেনার ২ ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। রয়েছেন ২ জওয়ানও। অন্যদিকে, বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে লস্করের এক শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারও।

    কী জানিয়েছে সেনা?

    সেনার ১৬ কোরের (হোয়াইট নাইট) তরফে এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার কালাকোট এলাকার গুলাবগড় জঙ্গলে চিরুনি-তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনা, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সিআরপিএফ-কে নিয়ে গঠিত যৌথবাহিনী (Rajouri Encounter)। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয় বুধবার। সেই থেকে দুপক্ষের মধ্যে ভয়াবহ গুলি বিনিময় হচ্ছে। জঙ্গিদের ঘিরে ফেলা হয়েছে (Army Terrorist Gunfight)। মহিলা ও শিশুদের প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে আমাদের সেনা জওয়ানরা শহিদ দিয়েছেন। তাঁদের এই সাহসিকতা ও চরম বলিদানের ফলে অনেকের প্রাণ বেঁচেছে।

    শহিদ চার সেনা কর্মী

    সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সেনার চার জন শহিদ হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জন ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার এবং বাকি ২ জন হাভিলদার পদমর্যাদার। ২ অফিসারের মধ্যে একজন হলেন ৬৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ক্যাপ্টেন এমভি প্রাঞ্জল। অপরজন ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্সের ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত। ২ জওয়ানের মধ্যে একজনের নাম হাভিলদার মাজিদ। তিনও ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্স ইউনিটে অঙ্গ ছিলেন (Rajouri Encounter)। দ্বিতীয় জওয়ানের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এছাড়া, ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্স ইউনিটের এক মেজর পদমর্যাদার অফিসার আহত হয়েছেন। তাঁকে উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    খতম লস্কর কমান্ডার

    সেনা সূত্রে খবর, বাহিনীর গুলিতে এক পাক জঙ্গি-নেতা খতম হয়েছে। যা জানা যাচ্ছে, ওই জঙ্গির নাম কুয়ারি। আদতে পাকিস্তানের বাসিন্দা কুয়ারি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার। সেনা গোয়েন্দাদের দাবি, এই জঙ্গি-নেতা দীর্ঘদিন রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকায় (Rajouri Encounter) আত্মগোপন করেছিল। তার আগে, পাক-আফগান সীমান্তে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল এই নিহত জঙ্গি (Army Terrorist Gunfight)। আইইডি তৈরিতে পারদর্শী ছিল বলেও জানা গিয়েছে। ধাংরি ও কান্দি হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিল এই কুয়ারি। ওই হামলায় ৭ জন মারা গিয়েছিলেন। ১৪ জন আহত হয়েছিলেন। সেনা সূত্রে দাবি, এখনও ওই এলাকায় ২-৩ জন জঙ্গি রয়েছে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে তারা সেনাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তাদের ঘিরে ফেলা হয়েছে। 

    এখনও ফিকে হয়নি অনন্তনাগ…

    অনন্তনাগ অভিযানের কথা এখনও টাটকা। প্রায় ২ মাস আগে, অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ অঞ্চলে সেনা-জঙ্গির ভয়াবহ গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছিলেন ২ সেনা অফিসার— ১৯ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল মনপ্রীত, সেনা মেজর আশিস ধনচোক এবং জম্মু কাশ্মীর পুলিশের ডেপুটি সুপার হুমায়ুন ভাট। খতম হয়েছিল ২ জঙ্গিও। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Dilip Ghosh: ‘‘মমতা যতদিন রয়েছেন রাজ্যে শিল্প হবে না,’’ সাফ জানালেন দিলীপ ঘোষ

    Dilip Ghosh: ‘‘মমতা যতদিন রয়েছেন রাজ্যে শিল্প হবে না,’’ সাফ জানালেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর করা শিল্প সম্মেলন নিয়ে এবার কটাক্ষ শোনা গেল বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মুখে। সকালে প্রাতঃভ্রমণে বের হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এর আগে যে ৭ বার সম্মেলন হয়েছে, তার নিট ফল তো কিছু দেখতে পাচ্ছি না। উনি দুটি কুমির ছানা বারবার দেখান। তাজপুর বন্দর এবং দেউচা পাঁচামি। এখনও টেন্ডার পাল্টানো হচ্ছে। আদানি হাত তুলে নিয়েছে। আর কি কেউ করবে?’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করে মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদের আরও সংযোজন, ‘‘যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন ততদিন রাজ্যে শিল্পের সম্ভাবনা একেবারেই নেই।’’

    শিক্ষা থেকে শিল্প, কোনও পরিবেশই নেই রাজ্যে

    প্রসঙ্গত, বুধবারই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে দু’দিনের বাণিজ্য সম্মেলন শেষ হয়েছে। দিলীপ ঘোষ এখানেও প্রশ্ন তুলেছেন। বিজেপির (Dilip Ghosh) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির মতে, ‘‘বাণিজ্য সম্মেলনে কোন শিল্পপতি কত টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন, তা অবিলম্বে প্রকাশ করা উচিত মুখ্যমন্ত্রীর।’’ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ‘‘তৃণমূলের জমানায় রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে, শিক্ষা থেকে শিল্প কোনও পরিবেশই নেই এই রাজ্যে।’’ রাজ্যের শিল্পের পরিবেশ নিয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘এ রাজ্যে জীবন ও সম্পত্তির কোনও নিশ্চয়তা নেই। সেখানে শিল্প সম্মলেন করে কী হবে? কে আসবে রাজ্যে? আগে ইমেজ ঠিক করুক সরকার।’’

    ২৯ নভেম্বরের সভা নিয়ে কী বললেন দিলীপ?

    অন্যদিকে আগামী ২৯ নভেম্বর কলকাতাতে মহা সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বিভিন্ন সুবিধা থেকে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছে রাজ্যের শাসক দল। সেই বঞ্চিত উপভোক্তাদের নিয়েই ২৯ নভেম্বর সমাবেশ বিজেপির। এতে থাকার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। ইতিমধ্যে সভার অনুমতি নিয়ে শুরু হয়েছে জলঘোলা। কলকাতা পুলিশকে অনুমতি প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সভার অনুমতি বাতিল করতে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে রাজ্য সরকার। এ নিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার ভাবছে সভা আটকে, বিজেপিকে আটকে দেবে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। এভাবে গণতান্ত্রিক দেশে কাউকে আটকানো যায় না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “স্বার্থসিদ্ধি করতেই আদানিদের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল রাজ্যের”, ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “স্বার্থসিদ্ধি করতেই আদানিদের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল রাজ্যের”, ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর গড়তে আদৌ রাজি ছিল না আদানিরা। মন্দারমণিতে স্থলবন্দর গড়তে চেয়েছিল তারা। বুধ-সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করেছিলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। এর পর ফের বোমা ফাটাল বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “তাজপুরের জন্য আদানিদের আদৌ কোনও আগ্রহই ছিল না। অন্য স্বার্থসিদ্ধি করার জন্য রাজ্য সরকার ও আদানিদের সমঝোতা হয়েছিল।”

    শুভেন্দুর তোপ

    এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দুর দাবি, আদানিদের একটি সংস্থা এপিজেএল বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানির প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে বাংলাদেশে তা পাঠানোর জন্য চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা ছিল, ওই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠাতে গেলে খুঁটি ও তার নিয়ে যেতে হত মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা এলাকা দিয়ে। সেখানে বহু বছরের আম ও লিচু বাগান থাকায় কৃষকরা বেঁকে বসেছিলেন। শুভেন্দুর দাবি, এই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সঙ্গে আদানির সমঝোতা হয় এবং বিশ্ববাংলা শিল্প সম্মেলনে এসে আদানি মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তার পরে রাজ্য সরকারের পুলিশ নৃশংসভাবে আম ও লিচু চাষিদের প্রতিবাদ দমনে নেমেছিল বলে অভিযোগ।

    কী বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা? 

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আদানিরা কখনওই তাজপুরের প্রকল্প নিয়ে উৎসাহিত ছিল না। এখন স্বার্থ পূরণ এবং সেই সমঝোতা সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরে আদানিরা মনে হচ্ছে তাজপুর বন্দর থেকে সরে দাঁড়িয়েছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই প্রকল্পের জন্য নতুন উৎসাহী খুঁজতে নেমেছেন। প্রায় এক দশক ধরে এই তাজপুর নিয়ে তিনি বড় গলা করে প্রচার চালাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে এক বর্গ ইঞ্চির পরিকাঠামোও তৈরি করা হয়নি।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীকে ‘পনৌতি’ মন্তব্য, রাহুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    প্রসঙ্গত, জগন্নাথও প্রশ্ন তুলেছিলেন, “রাজ্য সরকার কি নিজের জমি অধিগ্রহণ নীতি বদলে ফেলেছে? মন্দারমণিতে স্থলবন্দরের জন্য আলাদা করে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে? নাকি পুরনো দরপত্রেই এই প্রকল্পের কাজ চলছে? এক প্রকল্পের দরপত্রে অন্য প্রকল্প কী করে হয়? প্রসঙ্গত, বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের (Suvendu Adhikari) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাজপুরে বন্দর নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘পনৌতি’ মন্তব্য, রাহুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘পনৌতি’ মন্তব্য, রাহুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবার বেফাঁস মন্তব্য করে খুইয়েছিলেন সাংসদ পদ। দলকে ফেলেছিলেন বিপাকে। ছোটাছুটি করেছিলেন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে। পরে অনেক কষ্টে ফিরে পেয়েছেন সাংসদ পদ। তবে তার পরেও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী যে নিজেকে এতটুকুও সংশোধন করেননি, তার প্রমাণ মিলেছে প্রধানমন্ত্রীকে ‘পনৌতি’ বলায়। রাহুলের এহেন মন্তব্যে বেজায় চটেছে বিজেপি (BJP)। এবার তারা দ্বারস্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। বুধবারই এ ব্যাপারে কমিশনে নালিশ করেছে মোদি-অমিত শাহের দল।

    রাহুলের বেফাঁস মন্তব্য

    টানা ১০টি ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। কাপ হাতছাড়া হওয়ায় ভেঙে পড়েছিলেন ওই দলের সদস্যরা। ড্রেসিংরুমে গিয়ে তাঁদের সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার রাজস্থানের জালোরে এক জনসভায় ভারতের হার প্রসঙ্গে রাহুল বলেন, “আমাদের ছেলেরা ভালই খেলছিল। বিশ্বকাপও জিতে যেত। কিন্তু এই অপয়া (পনৌতি) সব শেষ করে দিল।” রাহুলের নিশানায় যে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রাহুলের এহেন মন্তব্যে তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করে বিজেপি।

    রাহুলকে নিশানা বিজেপির 

    রাহুলের একটি ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “তাহলে এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে পনৌতি বলছেন রাহুল। এখানে ভণ্ডামিরও বেশি কিছু আছে। ৫৫ বছরের যে ব্যক্তি নিজে জীবনে একটা দিনও কাজ করেননি, যাঁর পরিবার দুর্নীতির মাধ্যমে পরজীবীর মতো দশকের পর দশক ধরে দেশকে শোষণ করেছে এবং যাঁদের সরকার আর্থিক দিক থেকে দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, সেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে যে এরকম কথা বলছেন, তা হতাশা ও মানসিক অস্থিরতার পরিচয় দিচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘শিল্পের নামে চলছে মোচ্ছব’’! বাণিজ্য সম্মেলনকে কটাক্ষ ডিএ আন্দোলনকারীদের

    রাহুলের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। কমিশনকে লেখা চিঠিতে বিজেপি লিখেছে, “একজন প্রধানমন্ত্রীকে পকেটমার ও পনৌতি বলাটা গ্রহণযোগ্য নয়। এটা রাজনৈতিক সৌজন্যের অবনমন। কাউকে পকেটমার বলাটা নিছক গালাগালি দেওয়া নয়, তাঁর সামাজিক সম্মান নষ্ট করা। যাঁর সম্পর্কে এই শব্দবন্ধ প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাঁকে সমাজের চোখে (BJP) হেয় করা।” প্রসঙ্গত, ‘মোদি’ পদবি নিয়ে কটাক্ষ করায় মাস কয়েকের জন্য সাংসদ পদ খুইয়েছিলেন রাহুল।

    কমিশন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mysterious Pneumonia: করোনার পর ফের মহামারি? চিনে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করল অজানা নিউমোনিয়া

    Mysterious Pneumonia: করোনার পর ফের মহামারি? চিনে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করল অজানা নিউমোনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার থেকেও ভয়ঙ্কর কোনও মহামারি কি ফের একবার থাবা বসাতে চলেছে? এমনই আশঙ্কা দানা বাঁধতে শুরু করেছে। সম্প্রতি, চিনে ছড়িয়ে পড়েছে এক রহস্যময় সংক্রমণ (Mysterious Pneumonia)। নিউমেনিয়ার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভিড় করছেন রোগীরা। এই ভাইরাসে বেশিরভাগ আক্রান্ত হচ্ছে চিনের স্কুল পড়ুয়ারা। ভাইরাসের প্রকোপ এতটাই বেশি যে ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিনের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলিকে। চিনের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, এই রহস্যময় নিউমোনিয়া (Mysterious Pneumonia) রোগ মূলত বেজিং এবং লিয়াওনিং প্রদেশে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেই ছড়িয়েছে। বেশ কয়েকটি স্কুলে শিক্ষকরাও আক্রান্ত হয়েছেন বলে দাবি ওই চিনা সংবাদমাধ্যমগুলির।

    রহস্যময় নিউমোনিয়ার লক্ষণ

    চিনের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, রহস্যময় এই নিউমোনিয়ার (Mysterious Pneumonia) লক্ষণগুলি হল— প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসে প্রদাহ এবং গায়ে-হাতে-পায়ে ব্যথা। অর্থাৎ কিনা করোনার সঙ্গে উপসর্গগুলির বেশ খানিকটা মিল রয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ খানিকটা কম বলেই জানা যাচ্ছে। স্কুলছাত্রদের মধ্যে সংক্রমণের প্রকোপ এতটাই বেশি হয়েছে যে একাধিক জায়গায় ক্লাস বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

    সংক্রমণের ওপর রিপোর্ট তৈরি করা সংস্থা কী বলছে?

    প্রোমেড নামের একটি সংস্থা রয়েছে। যারা বিশ্বের বিভিন্ন সংক্রমণগুলির ওপরে রিপোর্ট তৈরি করে এবং নজরদারি চালায়। এই সংস্থা শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসকে ‘অজানা নিউমোনিয়া’ (Mysterious Pneumonia) নাম দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই সংস্থা করোনা ভাইরাস মহামারি রূপ ধারণ করার আগে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরেই কোভিড ভাইরাস সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, অজানা নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত শিশুদের শরীরের জ্বর হচ্ছে এবং তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই অজানা রোগের বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে৷ হু চিনের কাছে এই অজানা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সংক্রমণের বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে৷

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের খুব কাছে উদ্ধারকারী দল, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা

    Uttarakhand Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের খুব কাছে উদ্ধারকারী দল, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডে আটকে পড়া শ্রমিকদের খুব কাছেই পৌঁছে গিয়েছে উদ্ধারকারী দল (Uttarakhand tunnel rescue)। বের করে আনা এখন সময়ের অপেক্ষা। বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে অ্যাম্বুল্যান্স। শ্রমিকদের জন্য সুড়ঙ্গের কাছাকাছি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের একটি দলকে তৈরি করে রাখা হয়েছে। ৪১ জন শ্রমিকের জন্য ৪১টি শয্যাও এখানে তৈরি করে রাখা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে হাজির হচ্ছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। সকালেই সেখানে পৌঁছেছেন উত্তরকাশির জেলাশাসক অভিষেক রুহেলাও। সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ সেখানে হাজির হন দিল্লি থেকে ৭ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। গতকালই রাত্রি এগারোটা নাগাদ ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে ‘ন্যাশনাল ভ্যাকসিন ভ্যান’। জানা গিয়েছে, এখানে বেশ কয়েক ধরনের ওষুধ এবং অন্যান্য জিনিসপত্র মজুদ করে রাখা হয়েছে (Uttarakhand tunnel rescue)।

    ফাইনাল স্টেজে উদ্ধারকাজ

    মঙ্গলবারে এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরার মাধ্যমে প্রথম প্রকাশ্যে আসে শ্রমিকদের ভিডিও। সেখানে তাঁদের বলতে শোনা যায় যে তাঁরা সুস্থ এবং স্বাভাবিক রয়েছেন। এর পাশাপাশি তাঁরা নিজেদের পরিবারকেও বার্তা দেন। ওই পাইপের মাধ্যমে যে ওয়াকি-টকি পাঠানো হয়, সে দিয়ে তাঁরা কথাও বলেন। একটা সময় মনে হয়েছিল যে শ্রমিকদের উদ্ধার (Uttarakhand tunnel rescue) করতে আরও হয়তো ১০-১২ দিন সময় লেগে যেতে পারে, কিন্তু সমস্ত বাধা পেরিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের ফাইনাল স্টেজে এনডিআরএফ-এর দল।

    সংবেদনশীল সম্প্রচারে গতকালই নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রে

    অন্যদিকে, গতকালই কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক ইতিমধ্যে প্রতিটি সংবাদমাধ্যমকে নির্দেশ দেয়, যে কোনও ধরনের চাঞ্চল্যপূর্ণ সম্প্রচার না করতে। যে কোনও ধরনের লাইভ টেলিকাস্ট অথবা টানেলের পাশে থেকে করা ভিডিও এগুলোকে সম্প্রচার করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। এর পাশাপাশি যখনই উত্তরকাশী (Uttarakhand tunnel rescue) বিষয় খবর করা হবে তখন যেন সেই খবর সংবেদনশীল না হয়। সেই রকমভাবেই তৈরি করতে হবে প্রতিবেদনের শিরোনাম ও ছবি। তার কারণ শিরোনাম এবং ছবি দেখে যেন শ্রমিক পরিবারের উদ্বিগ্ন না হয়। অবশেষে শ্রমিকদের প্রায় কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হল উদ্ধারকারীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BGBS 2023: তাজপুর নয়, আদানিরা তো বন্দর গড়তে চায় মন্দারমণিতে, দাবি বঙ্গ বিজেপির

    BGBS 2023: তাজপুর নয়, আদানিরা তো বন্দর গড়তে চায় মন্দারমণিতে, দাবি বঙ্গ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের (BGBS 2023) মঞ্চে তাজপুর বন্দরের দরপত্র নিয়ে ইচ্ছুকদের আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহুয়াকাণ্ডের জেরে এই বন্দর থেকে আদানি গোষ্ঠী হাত তুলে নিয়েছে বলে জল্পনা ছড়ায়। এর পরেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি।

    বিজেপির দাবি

    পদ্মশিবিরের দাবি, তাজপুরে বন্দর গড়ার প্রস্তাব আগেই নাকচ করে দিয়েছে আদানিরা। আদানি গোষ্ঠীর প্রধান গৌতম আদানির নজর রয়েছে মন্দারমণিতে। সেখানে স্থলবন্দর গড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে আদানিরা। সেই কাজও বেশ খানিকটা এগিয়েছে। বিজেপির প্রশ্ন, তাজপুরের বন্দর তৈরির কথা নতুন করে ঘোষণা করে মন্দারমণির প্রকল্পকে কি আড়াল করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? রাজ্য সরকারের জমি অধিগ্রহণ নীতি নিয়েও প্রশ্ন তোলে গেরুয়া শিবির।

    ‘মন্দারমণিতে জমি চিহ্নিত হয়েছে’

    বিজেপির (BGBS 2023) সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মন্দারমণিতে আদানিদের বন্দর গড়ার বিষয়ে আলোচনা বেশ খানিকটা এগিয়েছে। জুন-জুলাই মাসের দিকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন, আদানি গোষ্ঠী ও রাজ্য সরকারের তরফে জমি পরিদর্শনও করে আসা হয়েছে। অধিগ্রহণের জন্য জমি চিহ্নিতও করেছে সরকার। মন্দারমণির বন্দর প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।” এ সংক্রান্ত নথিও এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তুলে ধরেন জগন্নাথ। স্থলবন্দর গড়তে মন্দারমণিতে বিপুল পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। তবে এ ব্যাপারে এখনও রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। জগন্নাথের প্রশ্ন, “তবে কি সরকার এবার জমি অধিগ্রহণ নীতি বদলে ফেলেছে? আদানিদের সঙ্গে মন্দারমণি প্রকল্প নিয়ে এত রাখঢাক কেন?”

    আরও পড়ুুন: “ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে”, জি২০-র বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বলেন, “তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর লাভজনক হবে না বলে আদানিদের উপদেষ্টা সংস্থা ডিএইচআই আগেই জানিয়েছে। আদানিরাও তা রাজ্য সরকারকে জানিওয়েছে। জগন্নাথের প্রশ্ন, এসব জানা সত্ত্বেও কেন মমতা বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চে তাজপুরের কথা ঘোষণা করলেন? মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে অসত্য বলেও দাবি করেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক। বিজেপির দাবি, মুখে না বললেও, আদানিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে রাজ্য সরকার। গোপনে চলছে জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা (BGBS 2023)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে শহিদ দুই জওয়ান, চক্রব্যূহে আটকে ২ জঙ্গি

    Jammu and Kashmir: সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে শহিদ দুই জওয়ান, চক্রব্যূহে আটকে ২ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদী-নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে শহিদ এক মেজর সহ দুই জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে ভর্তি করা হয়েছে নিকটবর্তী সেনা হাসপাতালে। বুধবার সকালে কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় শুরু হওয়া ওই সংঘর্ষ চলছে এদিন সন্ধে পর্যন্ত (Jammu and Kashmir)। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এক জঙ্গিরও মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান। যদিও এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি নিরাপত্তা বাহিনী।

    চিরুনি তল্লাশি জঙ্গির খোঁজে

    জানা গিয়েছে, রাজৌরি জেলার ধর্মশালের বাজিমাল এলাকায় কয়েকজন জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর পায় নিরাপত্তা বাহিনী। নিজস্ব গোয়েন্দা মারফত খবর মেলায় এ ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন বাহিনীর কর্তারা। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এদিন সকালে এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের একটি দল। এর পরেই শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি (Jammu and Kashmir)। বেগতিক দেখে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাহিনী ও পুলিশ।

    তুমুল গুলির লড়াই 

    জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হন বাহিনীর দুই জওয়ান। এঁদের মধ্যে একজন মেজর। বুধবার সন্ধে পর্যন্তও গুলির লড়াই চলছে বলে খবর। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে এখনও আটকে রয়েছে দুই জঙ্গি। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তারা যাতে পালাতে না পারে, তাই ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে বাড়তি বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনীর অনুমান, এই হামলার জন্য দায়ী পাক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার সহযোগী ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’।

    আরও পড়ুুন: “ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে”, জি২০-র বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ফি বার শীতকালে প্রবল ঠান্ডার সুযোগ নিয়ে ভারতে জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। বছর কয়েক আগে ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা রদ করে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পর থেকে উপত্যকায় কমেছে জঙ্গি উপদ্রব। যদিও ভূস্বর্গে অশান্তি জারি রাখতে বদ্ধপরিকর পাকিস্তান। সেই কারণেই চলছে জঙ্গি অনুপ্রবেশ। যে জঙ্গিদের খতম করতে বদ্ধ পরিকর সেনা। তা করতে গিয়েই এদিন শহিদ হন দুই জওয়ান (Jammu and Kashmir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share