Tag: Bengali news

Bengali news

  • NIA Alert: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা, মোদি স্টেডিয়াম ওড়ানোর হুমকি-ইমেল এনআইএ-কে! দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি

    NIA Alert: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা, মোদি স্টেডিয়াম ওড়ানোর হুমকি-ইমেল এনআইএ-কে! দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রাণনাশের হুমকি-চিঠি পাঠানো হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র কাছে। এর পরই দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি (NIA Alert) করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।

    কী বলা হয়েছে হুমকি-ইমেলে?

    ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছুদিন আগে এনআইএ-র কাছে একটি হুমকি-ইমেল পাঠানো হয়। চিঠিতে অবিলম্বে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই-এর মুক্তির দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৫০০ কোটি টাকা দিতে হবে বলেও দাবি করা হয়েছে। চিঠি অনুযায়ী, এটা না করলে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা (Threat to PM Modi) করা হবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশ তথা বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম— আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে ওই ইমেলে (NIA Alert)। 

    হুমকি-চিঠির জেরে সতর্কতা বৃদ্ধি

    হুমকি-চিঠি পাঠানো হয় এনআইএ-র মুম্বই দফতরে। এর পরই সঙ্গে সঙ্গে এনআইএ-র তরফে যোগাযোগ করা হয় মুম্বই পুলিশের সঙ্গে। চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পুলিশকে অবগত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা যেহেতু জড়িত এবং চিঠিতে যেহেতু তাঁর প্রাণনাশের হুমকি (Threat to PM Modi) দেওয়া হয়েছে, তাই কালক্ষেপ না করে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত সকল গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ করে এনআইএ (NIA Alert)। তাদের পুরো বিষয়টার ‘ব্রিফ’ দেওয়া হয়। পাশাপাশি গুজরাট পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে এআইএ সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

    ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর নিরাপত্তায় জোর

    একইসঙ্গে, ক্রিকেট স্টেডিয়াম উড়িয়ে দেওয়ার হমকিকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশে এই মুহূর্তে চলছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। আর বলা বাহুল্য, নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়াম হল সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। ফলে, যে কোনও ধরনের নাশকতামূলক হামলার চেষ্টা ও তার সম্ভাবনার বিষয়টিকে চূড়ান্ত গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই হুমকি-চিঠি প্রাপ্তির পরই, দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুধু নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম নয়, মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে সহ বিশ্বকাপের সবকটি স্টেডিয়ামের সুরক্ষা-বলয় আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। নিরাপত্তাকে আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে (NIA Alert)। 

    চিঠির উৎস কোথায়? খোঁজ করছেন গোয়েন্দারা

    ২০১৪ সাল থেকে জেলে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। তবে, অভিযোগ, জেলের ভিতর থেকেই সে তার নেটওয়ার্ক সক্রিয় রেখেছে। তার বিরুদ্ধে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালাকে হত্যার মামলা চলছে। মুসওয়ালার উপর হামলার দায় স্বীকার করেছিল বিষ্ণোই। তার আগে, বলিউড তারকা সলমন খানকেও হত্যার হুমকি দিয়েছিল এই গ্যাংস্টার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুমকি চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, হিন্দুস্তানে সব কিছু পাওয়া যায়, এবং তারা সেই সব জিনিস কিনেও ফেলেছে। তাদের দাবি, যতই সুরক্ষা বাড়ানো হোক, কেউ নিস্তার পাবে না। হুমকি-চিঠির (Threat to PM Modi) উৎস খুঁজতে দেশের সবকটি নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে কাজ করছে (NIA Alert)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nobel Prize 2023: ইরানি মেয়েদের স্বাধীনতার দাবিতে লড়তে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত নার্গিস, ‘শান্তি’র প্রলেপ নোবেল পুরস্কারে  

    Nobel Prize 2023: ইরানি মেয়েদের স্বাধীনতার দাবিতে লড়তে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত নার্গিস, ‘শান্তি’র প্রলেপ নোবেল পুরস্কারে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ব্যক্তিগত বহু ক্ষতি স্বীকার করে নার্গিস তাঁর লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। নারীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের বিরুদ্ধে, সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা ও অধিকারের পক্ষে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।” নোবেল (Nobel Prize 2023) কমিটির তরফে এই কথাগুলি যাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনিই এবার পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার। শুক্রবার যখন তাঁর নাম ঘোষণা করা হল, তখনও তিনি বন্দি রয়েছেন ইরানের গারদে। এই মহীয়সী নারীর পুরো নাম নার্গিস মোহম্মাদিই।

    নার্গিস মোহম্মাদিই

    ১৯৭২ উত্তর-পশ্চিম ইরানের জানজানে জন্ম নার্গিসের। ফিজিক্স নিয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর পড়েন ইঞ্জিনিয়ারিং। যোগ দিয়েছিলেন চাকরিতে। পরে চলে আসেন সাংবাদিকতায়। হয়ে যান সেন্টার ফর ইউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারের সদস্য। এই সময় তিনি ইরানের মহিলাদের পড়াশোনা, পোশাক মায় সার্বিক স্বাধীনতার প্রশ্নে সোচ্চার হন। ইরানের পর্দানসীন সমাজ তাঁর এই ‘বিপ্লব’ ভাল চোখে দেখেনি। যার পরিণতিতে আজও ভোগ করতে হচ্ছে নিদারুণ অত্যাচার।

    ইরান সরকারের অত্যাচার 

    ইরানি মহিলাদের সার্বিক স্বাধীনতার দাবিতে সরব হওয়ায় নার্গিসকে ১৩ বার গ্রেফতার করেছে ইরান সরকার (Nobel Prize 2023)। এর মধ্যে পাঁচবার দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। জীবনের মূল্যবান ৩১টা বছর কেটেছে কারান্তরালে। এখনও মেলেনি কাঙ্খিত মুক্তি। ১৫৪ বার চাবুক মারা হয়েছে তাঁকে। তা সত্ত্বেও ইরানি-নারী মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন নার্গিস, সেখান থেকে এক চুলও সরে আসেননি। যার জেরে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত করা হল তাঁকে। এদিন নোবেল কমিটির তরফে নার্গিসের নাম ঘোষণা করে বলা হয়, “ব্যক্তিগত বহু ক্ষতি স্বীকার করে নার্গিস তাঁর লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। নারীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা ও অধিকারের পক্ষে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।”

    নোবেল পুরস্কার পাওয়ার খবরে নার্গিসের কী প্রতিক্রিয়া জেলবন্দি থাকায় তা জানা যায়নি। তবে তাঁর ভাই হামিদ্রেজা মোহাম্মদি বলেন, “আমার মনে হয়, এর ফলে ইরানের অবস্থা কিছুটা হলেও, ভাল হবে। ওখানকার অবস্থা ভয়ঙ্কর। যাঁরা প্রতিবাদী, আন্দোলনকারী, তাঁরা খুনও হয়ে যেতে পারেন ওখানে। নার্গিসের এই খবরে (Nobel Prize 2023) আমি খুশি।

    আরও পড়ুুন: রোগীর রক্তচাপ মাপছেন সিভিক ভলান্টিয়ার! রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কটাক্ষ সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: “প্রয়োজনে সিবিআইকে তদন্তভার দিতে পারি”, আইন কলেজকাণ্ডে মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Justice Abhijit Gangopadhyay: “প্রয়োজনে সিবিআইকে তদন্তভার দিতে পারি”, আইন কলেজকাণ্ডে মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এটা একটা বৃহত্তর ষড়যন্ত্র। তদন্ত করে দেখতে হবে। প্রয়োজনে সিবিআইকে তদন্তভার দিতে পারি।” যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল কলেজের অধ্যক্ষ ও অধ্যাপকের বেআইনি নিয়োগ মামলায় এমনই মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। বৃহস্পতির পর ফের শুনানি হয় শুক্রবারে। তখনই সিবিআই তদন্তের ইঙ্গিত দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    অপসারণের নির্দেশ বিচারপতির

    ইউজিসি নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকায় বৃহস্পতিবার ওই ল কলেজের অধ্যক্ষ সুনন্দা ভট্টাচার্য গোয়েনকা এবং অধ্যাপক অচিনা কুন্ডুকে অপসারণের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ইউজিসি নির্ধারিত যোগ্যতা তাঁদের নেই। তিনি বলেন, ওই দুই ব্যক্তি যদি তাঁদের যোগ্যতা সম্পর্কে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন, তাহলে পুনর্বহাল করা হবে।

    গুরুতর অভিযোগ শিক্ষা দফতরেরও

    সুনন্দা ও অচিনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে রাজ্যের শিক্ষা দফতরও। একুশ, বাইশ এবং তেইশ সালে তাঁদের বেতন বন্ধ ও বিভাগীয় তদন্তের জন্য কলেজের গভর্নিং বডিকে সুপারিশ করেছিল শিক্ষা দফতর। গভর্নিং বডি সেই সুপারিশ কার্যকর করেনি। আদালত (Justice Abhijit Gangopadhyay) নিযুক্ত স্পেশাল অফিসারের দাবি, গভর্নিং বডির সভাপতির উদ্দেশে সুপারিশপত্র পাঠানো হলেও, তা পৌঁছত সচিবের হাতে। সুনন্দা ছিলেন গভর্নিং বডির বর্তমান সচিব।

    আরও পড়ুুন: রোগীর রক্তচাপ মাপছেন সিভিক ভলান্টিয়ার! রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    এদিনের শুনানিতে অচিনার অপসারণের নির্দেশ বহাল রাখেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, কলেজে শিক্ষকতার জন্য ইউজিসির নির্ধারিত যোগ্যতা তাঁর নেই। তাই তাঁর অপসারণের নির্দেশ বহাল থাকবে। রাজ্যের ও পুলিশের রিপোর্ট দেখার পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এ তো তিনজনে (মানিক ভট্টাচার্য, সুনন্দা এবং অচিনা) মিলে যা খুশি করেছেন। অন্দরমহলে রাজা ধন ছড়াচ্ছেন আর কুড়োচ্ছে কে? রানি। তিনজন কলেজ চালাতেন। তিনজন মিলেই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

    ওই অধ্যক্ষ কীভাবে বেতন পেতেন, তা জানতে কলেজ সার্ভিস কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।  এদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশে স্পেশাল অফিসার অর্ক কুমার নাগ বৃহস্পতিবার রাতে এসে পুলিশ নিয়ে কোর্ট অর্ডারে অধ্যক্ষের ঘরে তালা ঝুলিয়ে সিল করে দিয়ে চলে যান। তাঁর রুমের দরজায় সাঁটিয়ে দেওয়া হয় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) অর্ডারের কপি। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই ল কলেজের সদ্য অপসারিত অধ্যক্ষ সুনন্দা ভট্টাচার্য গোয়েনকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রোগীর রক্তচাপ মাপছেন সিভিক ভলান্টিয়ার! রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: রোগীর রক্তচাপ মাপছেন সিভিক ভলান্টিয়ার! রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি পেশায় সিভিক ভলান্টিয়ার। যান শাসনের কাজে লাগানো হয় এই সিভিক ভলান্টিয়ারদের। ইদানিং লাগানো হচ্ছে হাসপাতালের প্রহরায়ও। এহেন এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে দেখা গেল রোগীর রক্তচাপ মাপতে! এ ছবি কোনও বেসরকারি হাসপাতালের নয়, সরকারি এক হাসপাতালের।

    ‘এগিয়ে বাংলার নিদর্শন’!

    এক্স হ্যান্ডেলে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে রোগী পরিষেবার এই ভিডিও পোস্ট করে এমনই দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সুকান্ত বলেন, “তৃণমূলের এগিয়ে বাংলার বিস্ময়কর নিদর্শন। এই ছবিই বলে দিচ্ছে কেমন বিশ্বমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা দেয় তৃণমূল সরকার।” ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। 

    ‘রাজ্যবাসীর জীবন নিয়ে খেলছেন মুখ্যমন্ত্রী’

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যবস্থা বলে কিছু নেই। সেই কারণে সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে রক্তচাপ মাপানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মানুষদের জীবন নিয়ে খেলছেন। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করেও গরিব মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। সঠিক পরিষেবা পাচ্ছেন না। বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হতে পারছেন না। এভাবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে (Sukanta Majumdar)।

    হাসপাতালের সিএমওএইচ বলেন, “হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে অনেক ক্ষেত্রেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজে লাগানো হচ্ছে। প্রশাসনের নির্দেশেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজে লাগানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ডাক্তারদের সাহায্য করতে প্রেসার মাপার যন্ত্র এগিয়ে দিয়েছেন ওই সিভিক ভলান্টিয়াররা।”

    আরও পড়ুুন: কামদুনি গণধর্ষণ মামলায় ফাঁসির সাজা রদ হাইকোর্টে, ‘‘রাজ্যের গাফিলতি’’, দাবি পরিবারের

    কুশমণ্ডি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অমিত দাস বলেন, “অতি উৎসাহবশত ওই দুই সিভিক ভলান্টিয়ার এ কাজ করেছে। কাজটি মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। এটা তাদের কাজও নয়।” দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, “আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি ওই সিভিক ভলান্টিয়াররা সাহায্য করেছেন। তাঁরা চিকিৎসা করেননি। চিকিৎসকের কাজে শুধু সাহায্য করেছেন। এই ঘটনা (Sukanta Majumdar) মানবিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Kamduni Gangrape Case: কামদুনি গণধর্ষণ মামলায় ফাঁসির সাজা রদ হাইকোর্টে, ‘‘রাজ্যের গাফিলতি’’, দাবি পরিবারের

    Kamduni Gangrape Case: কামদুনি গণধর্ষণ মামলায় ফাঁসির সাজা রদ হাইকোর্টে, ‘‘রাজ্যের গাফিলতি’’, দাবি পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্ন আদালত ফাঁসির সাজা শুনিয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) ফাঁসির বদলে আমৃত্যু কারাদণ্ড ঘোষণা করল কামদুনি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দোষী সইফুল আলি ও আনসার আলির। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ নিম্ন আদালতে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আমিন আলিকে বেকসুর খালাস করে দিয়েছে। নিম্ন আদালতে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়েছিল ইমানুল ইসলাম, আমিনুর ইসলাম ও ভোলানাথ নস্করকে। ১০ বছর জেল খাটায় এরা খালাস পেয়েছে হাইকোর্ট থেকে।

    কামদুনিকাণ্ড

    ২০১৩ সালের ৭ জুন কলেজ থেকে ফেরার পথে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে ধর্ষণ করে খুন করা হয় এক ছাত্রীকে। দোষীদের চরম সাজার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। নিম্ন আদালতের বিচারক রায় দিতে গিয়ে জানিয়েছিলেন, এমন নৃশংস অপরাধ বন্ধ করতে সমাজকে কড়া বার্তা দেওয়া প্রয়োজন, যাতে এই ধরনের অপরাধকে আড়াল করা না হয়। তিনি বলেছিলেন, “এমন অপরাধের প্রবণতা অঙ্কুরেই বিনাশ করা প্রয়োজন। তা না হলে এই অপরাধ সমাজে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে।” নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয় অভিযুক্তদের পরিবার।

    কী বললেন নির্যাতিতার ভাই?

    হাইকোর্টের রায়ে রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবকেই দুষছেন ধর্ষিতার ভাই। তিনি বলেন, “আমরা বিচার পেলাম না। রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাব ও গাফিলতিতে এই রায় হল। রাজ্য সরকারের ১৪ জন আইনজীবী এই মামলা লড়তে অস্বীকার করেছেন। যার ফলে আজ ধর্ষকদের সাজা মকুব হল। একজন বেকসুর খালাস পেল। এরা এলাকায় গিয়ে আবার তাণ্ডব করবে। আমরা এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমাদের লড়াই জারি থাকবে।” 

    কী বললেন মৌসুমি-টুম্পা? 

    কামদুনিকাণ্ডের পর এই আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা মৌসুমি কয়াল ও টুম্পা কয়াল। এদিন দোষী সাব্যস্তদের সাজা কমিয়ে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কামদুনি। রায় শোনার পর বিচারপতিদের এজলাসে যাওয়ার পথে রাস্তায়ই বসে পড়ে কাঁদতে থাকেন তাঁরা। অজ্ঞান হয়ে যান মৌসুমি। কিছুক্ষণ পরে ফেরে চেতনা। তাঁদের সঙ্গে এদিন রাস্তায় বসে পড়েন কামদুনির ধর্ষিতার পরিবার-পরিজনেরা। পরে পুলিশ এসে সেখান থেকে তুলে দেয় তাঁদের।

    আরও পড়ুুন: “রাজভবনের বাইরে ১৪৪ ধারা থাকার কথা”, অভিষেকের ধর্নাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    রায়ের প্রতিক্রিয়ায় মৌসুমি বলেন, “আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাব। নির্ভয়াকাণ্ডের আইনজীবীর সাহায্য নেব। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে দরবার করব। কিন্তু দোষীদের সাজা আদায় না হওয়া পর্যন্ত থামব না।” রায় (Calcutta High Court) শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন টুম্পাও। তিনি বলেন, “আজ প্রমাণ হল আমাদের রাজ্যে কোনও বিচার নেই। একের পর এক মায়ের কোল খালি হচ্ছে। মেয়েদের নিরাপত্তা নেই।” কাঁদতে কাঁদতে তাঁর প্রশ্ন, “দোষীদের কেন ছেড়ে দেওয়া হল?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit shah: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ”, দাবি শাহের, নয়া রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ   

    Amit shah: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ”, দাবি শাহের, নয়া রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ। আমরা একে সমূলে উৎপাটন করব।” শুক্রবার ট্যুইট-বার্তায় কথাগুলি বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। রাজধানীর বিজ্ঞান ভবনে অতিবামপন্থা দমন নিয়ে এদিন একটি পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন শাহ। পরে ট্যুইট-বার্তায় তিনি জানিয়ে দেন, নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ। শাহ ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে, উপমুখ্যমন্ত্রী দেবন্দ্র ফড়নবীশ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এঁদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুণ্ডা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই, কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী দেবু সিং চৌহান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।

    রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ

    বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, নকশালবাদী কার্যকলাপ বন্ধ করতে রোডম্যাপ তৈরি করবে কেন্দ্রীয় সরকার (Amit shah)। নকশালবাদীদের দমন করতে এ পর্যন্ত যেসব পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ নকশালবাদ দমনে নজর দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। ২০১৫ সালে গ্রহণ করা হয় অতিবামপন্থা দমনে জাতীয় নীতি।

    নকশাল অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নে জোর

    নকশাল অধ্যুষিত এলাকার উন্নয়নে একটি কর্মসূচিও গ্রহণ করেছে বিজেপি সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ১৭ হাজার ৬০০ কিমি দীর্ঘ একটি রাস্তা তৈরির অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টিও। নকশাল অধ্যুষিত এলাকায় বসানো হয়েছে মোবাইল টাওয়ার। খোলা হয়েছে পোস্টঅফিস, ব্যাঙ্ক এবং এটিএম। এই সব এলাকায় একলব্য মডেলের আবাসিক স্কুল খোলার ওপরও জোর দিয়েছে মোদি সরকার।

    এদিকে, সন্ত্রাসবাদের প্রতি এতটাই নির্দয় মনোভাব নিতে হবে, যাতে দেশে আর নতুন করে কোনও জঙ্গি সংগঠন গড়ে না ওঠে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে তৃতীয় সন্ত্রাস-বিরোধী সম্মেলনের উদ্বোধন করতে গিয়ে এই নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে এনআইএ। সেখানেই সন্ত্রাসবাদ দমনে কঠিন দাওয়াই প্রয়োগ করার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Newsclick: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

    Newsclick: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে কয়েকজন সাংবাদিকের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চালানোয় (Newsclick) মোদির সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন দেশবাসীর একাংশ। তবে তদন্তকারী সংস্থা যে নিছক সন্দেহের বশে ওই সাংবাদিকদের বাড়িতে হানা দেয়নি, তার প্রমাণ মিলেছে দিন দুই আগে। দিল্লি পুলিশের দাবি, “গোপন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, প্রবীর পুরকায়স্থ, নেভিল রায় সিংঘম এবং সিংঘমের মালিকানাধীন সাংহাই ভিত্তিক এক সংস্থার চিনা কর্মচারীর মধ্যে কিছু ইমেল চালাচালি হয়েছিল। সেই ইমেলগুলি থেকে জানা গিয়েছে, কাশ্মীর ও অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ নয় বলে দেখাতে চেয়েছিলেন তাঁরা।”

    প্রবীর নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক

    প্রসঙ্গত, প্রবীর নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। চিনের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে চিন-পন্থী প্রচার করার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশের স্পেশাল সেলের দাবি, “এঁদের এই ধরনের প্রচেষ্টা থেকে বোঝা (Newsclick) গিয়েছে, তামাম বিশ্বে তাঁরা কাশ্মীর এবং অরুণাচল প্রদেশকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে দেখানোর ষড়যন্ত্র করেছিল। ভারতের উত্তর সীমান্তে অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা এবং কাশ্মীর ও অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের মানচিত্রের অংশ নয় বলে দেখানোর এই চেষ্টা, ভারতের একতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টার শামিল।”

    বিদেশি তহবিল চুরির দাবি পুলিশের

    পুলিশের দাবি, বিদেশি তহবিল চুরি করেছেন প্রবীর ও তাঁর সহযোগীরা। বিদেশি তলবিলের অছিলায় তাঁরা পেয়েছিলেন ১১৫ কোটিরও বেশি টাকা। স্পেশাল সেলের দাবি, ২০১৮ ও ২১ সালের মধ্যে চিনপন্থী এক মার্কিন ধনকুবের চিনের হয়ে প্রচার করার জন্য ২৮.২৯ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। পুলিশের আরও দাবি, গৌতম নাভালাখা নিউজক্লিকের একজন শেয়ারহোল্ডার। তিনি ভারত বিরোধী ও বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন। নিষিদ্ধ নকশাল সংগঠনগুলির প্রতি তাঁর সক্রিয় সমর্থন রয়েছে। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের এজেন্ট গুলাম নবি ফাইয়ের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: সীমাহীন দুর্নীতি একশো দিনের কাজে, ২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?

    পুলিশের আরও দাবি, কোভিড অতিমারির সময় দেশকে কোভিডমুক্ত করতে (Newsclick) ভারত সরকার যেসব পন্থা অবলম্বন করেছিল, তাকে খাটো করে দেখানোর জন্য মিথ্যে গল্প প্রচার করা হয়েছিল ওই নিউজ পোর্টালে। ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়ও কারচুপি করার চেষ্টা করেছিলেন অভিযুক্তরা। এজন্য পিপলস অ্যালায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড সেকুলারিজম নামে এক গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিলেন তাঁরা। দিল্লি পুলিশ জেনেছে, নেভিল, প্রবীর এবং অমিত চক্রবর্তী (নিউজক্লিকের এইচআর প্রধান) এঁদের একে (Newsclick) অপরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে”, কংগ্রেস সরকারকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর  

    PM Modi: “রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে”, কংগ্রেস সরকারকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত পাঁচ বছরে কংগ্রেস সরকার এক কদমও এগোয়নি। এখানে চব্বিশ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে।” ভোটমুখী রাজস্থানে গিয়ে সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে এই ভাষায়ই নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের যোধপুরে সরকারি এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই হাতিয়ার করেন সে রাজ্যের কংগ্রেসের দুর্নীতিকে।

    লাল ডায়েরির প্রসঙ্গ

    তিনি বলেন, “লাল ডায়েরির কথা শুনেছেন? লোকে বলে যে ওই ডায়েরিতে কংগ্রেসের দুর্নীতির সব কথা লেখা রয়েছে। আমাকে বলুন, ডায়েরির গোপনীয়তা কি প্রকাশ্যে আসা উচিত নয়? …অসাধুদের কি শাস্তি দেওয়া উচিত নয়? …কংগ্রেস সরকার কি ডায়েরির গোপনীয়তা প্রকাশ্যে আসতে দেবে? সত্য প্রকাশ্যে আনতে গেলে আপনাদের বিজেপি সরকার গঠন করতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রাজস্থানের উন্নয়নের জন্য তাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। কিন্তু এখানকার অবস্থা বেদনাদায়ক…দুর্নীতি ও হিংসার ক্ষেত্রে কংগ্রেস রাজস্থানকে দেশের শীর্ষে নিয়ে এসেছে। নারী ও দলিতদের প্রতি অত্যাচারের ক্ষেত্রে রাজস্থানকে এক নম্বরে পরিণত করেছে। কংগ্রেস মাদক ব্যবসাকে ছাড় দিয়েছে।”

    ‘স্বাস্থ্যই রয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়’

    তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারের কাছে আপনার স্বাস্থ্যই রয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়। একদিকে আমরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা দিচ্ছি এবং অন্য দিকে আমরা রেকর্ড সংখ্যায় আধুনিক হাসপাতাল তৈরি করছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের প্রতি কংগ্রেসের কোনও আগ্রহ নেই। তারা কেবল ভালবাসে ভোটব্যাঙ্ক।” তিনি বলেন, “রাজস্থানকে উন্নয়নশীল দেশের ইঞ্জিন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বিজেপি। পর্যটনে রাজস্থানকে ১ নম্বর রাজ্য করার অঙ্গীকার করছে বিজেপি। বিজেপি যদি রাজস্থানে সরকার গড়ে, তাহলে পর্যটনে রাজ্যটি হবে এক নম্বর।”

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। সরকারি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মোদির ওপর ওঁর অনেক ভরসা রয়েছে। সেজন্য ওঁর মনে হয়েছে, মোদি আসছেন, সব হয়ে যাবে। আমিও ওঁকে বলছি, আপনি বিশ্রাম করুন। এবার আমরা সামলে নেব।”

    আরও পড়ুুন: সাত লক্ষে টাইপিস্ট, ৪ লাখে ড্রাইভার! জানেন পুরসভায় চাকরি বিক্রির রেট?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর’! এক লোনক হ্রদ ফেটে সিকিমে ভয়াবহ অবস্থা (Sikkim Disaster)। তিস্তা নদীতে আসা হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে সবকিছু (Sikkim Flood Situation)। তছনছ হয়েছে ছবির মতো সুন্দর উত্তর সিকিম। হড়পা বানে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। নিখোঁজ শতাধিক। সিকিম যখন এই বিপর্যয় মোকাবিলায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই আরেকটি বিপর্যয়ের আশঙ্কা ঘনাচ্ছে এই পাহাড়ি-রাজ্যে। 

    সাকো চো হ্রদ ফাটার আশঙ্কা!

    মঙ্গলবার গভীর রাতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের লোনক হ্রদের হিমবাহ বিস্ফোরিত হয়ে বানভাসী হয়ে যায় চুংথামের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর পর বুধবার ভোরে তিস্তা নদীর জল বেড়ে বানভাসী হয় সংলগ্ন এলাকা। প্রায় দোতলা বাড়ি সমান জল উঠে যায়। ভয়াল তিস্তার গ্রাসে তলিয়ে যান শতাধিক মানুষ (Sikkim Disaster)। এরই মধ্যে উত্তর সিকিমে আরেকটি হ্রদ ফাটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। জানা যাচ্ছে, সিকিমের মানগান জেলায় রয়েছে সাকো চো হ্রদ। সেই হ্রদ ফেটে বিপর্যয় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ছাঙ্গু উপত্যকা থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হ্রদের দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৩ কিলোমিটার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আশঙ্কা সত্যি হলে সিকিমের বুকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

    আরও পড়ুন: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    সরানো হচ্ছে স্থানীয়দের

    জানা গিয়েছে, এই হ্রদটিও হিমাবহের জল থেকে তৈরি। গত কয়েক দিনে এই হ্রদেরও জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, বৃদ্ধি পেয়েছে জলের তাপমাত্রাও। কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে আগে থেকেই এই এলাকার বাসিন্দাদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন (Sikkim Flood Situation)। মাইকিং করে বাসিন্দাদের সরানোর হচ্ছে। গ্যাংটক জেলার সিংটামের গোলিতার এলাকা, মানগন জেলার ডিকচু এলাকা, রংপো আইবিএম এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই মানুষজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ

    এই মুহূর্তে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) মধ্যে দিয়ে চলছে সিকিম। মেঘভাঙা বৃষ্টি-হ্রদ ফাটা-হড়পা বান— এই সব মিলিয়ে এখন বিধ্বস্ত এই পার্বত্য রাজ্য। তার ওপর, এখনও কয়েকদিনে সিকিমে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ফলে, এখনই যে নিস্তার মিলছে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে, যে কোনও প্রাণহানির ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্ক সিকিম প্রশাসন। বন্য-বিধ্বস্ত চার জেলায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করল সিকিমের শিক্ষা দফতর। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়োং, গ্যাংটক, নামচি ও মঙ্গন জেলার সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পর্যটকদের আসতে মানা সিকিম প্রশাসনের

    সিকিমের মূল আয়ের উৎস হল পর্যটন। ছবির মতো সুন্দর সিকিমে বছরভর পর্যটকদের যাতায়াত। বিশেষ করে, ছুটি বা পুজোর মরশুমে সিকিমে উপচে পড়ে ভিড়। সিকিমজুড়ে থাকে পর্যটকদের ঢল। কিন্তু, বর্তমান সিকিমের পরিস্থিতি (Sikkim Flood Situation) একেবারে উল্টো। পুরো লন্ডভন্ড। তছনছ। বিধ্বস্ত। এই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সিকিমের পর্যটন দফতরের তরফে পর্যটকদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, এখন যাঁরা সিকিমে বেড়াতে আসার পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা যেন তা বাতিল করেন। পর্যটকদের জন্য এখন অনুকূল পরিস্থিতি নেই। ছাঙ্গু এবং নাথু লা যাওয়ার উপরেও অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে (Sikkim Disaster)।

    এখনও সাত হাজার পর্যটক আটকে সিকিমে!

    এদিকে, সিকিমে এখনও আটকে রয়েছেন কয়েক হাজার পর্যটক (Sikkim Flood Situation)। সূত্রে খবর, সিকিমে এখনও মোট সাত হাজার পর্যটক রয়েছেন যার মধ্যে ২ হাজার পর্যটক বাংলার। যোগাযোগের মূল রাস্তা ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ তিস্তার করালগ্রাসে তলিয়ে যাওয়ায় ফিরতে বিস্তর সমস্যায় পড়ছেন পর্যটকরা। অনেকে এখন গ্যাংটক থেকে রানিপুল, পেডং, লাভা, গোরুবাথান হয়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। তার ওপর উত্তর সিকিমে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা পুরো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। যোগাযোগের ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। উত্তর সিকিমের লাচেন, লাচুং সহ এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের কপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারের কাজ শুরু হবে বলে শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সেখানে সেনা পৌঁছে গেছে (Sikkim Disaster)। 

    আরও পড়ুন: সিকিমের বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ল পাহাড়ের পর্যটনেও! হু হু করে বাতিল হচ্ছে বুকিং

    হেল্পলাইন নম্বর চালু পুলিশ-সেনার

    উত্তর সিকিম এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। সেখানে জল বা বিদ্যুতের সরবরাহ নেই। চরম অসহায় অবস্থায় হোটেলে আটকে রয়েছেন পর্যটকরা। মোবাইলের নেটওয়ার্ক না থাকায় তাঁরা যোগাযোগও করতে পারছেন না। আটকে পড়া পর্যটকদের পরিবার-পরিজনদের জন্য হেল্পলাইন চাল করল সিকিম সরকার (Sikkim Disaster)। সিকিম পুলিশের হেল্পলাইনগুলো হল, ০৩৫৯২-২০২৮৯২, ০৩৫৯২-২২১১৫২ এবং ৮০০১৭৬৩৩৮৩। এছাড়াও ০৩৫৯২-২০২০৪২ নম্বরে ফোন করেও সাহায্য পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে হেল্পলাইন চালু করেছে সেনাও। উত্তর সিকিমের বাসিন্দাদের জন্য এই হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫০৮৮৭৭৭৪ এবং পূর্ব সিকিমের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫৬৯৯১৮৯৫।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nobel Prize 2023: স্বীকৃতি মিলল ‘ফস মিনিমালিজম’-এর, সাহিত্যে নোবেল পেলেন নরওয়ের জন ফস

    Nobel Prize 2023: স্বীকৃতি মিলল ‘ফস মিনিমালিজম’-এর, সাহিত্যে নোবেল পেলেন নরওয়ের জন ফস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘না বলা কথাকে কণ্ঠ দিয়েছে তাঁর নাটক এবং অননুকরণীয় গদ্য।” তাই ২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize 2023) পেলেন সাহিত্যিক ও নাট্যকার জন ফস। সুইডেনের নোবেল অ্যাকাডেমি পুরস্কারের জন্য নাম ঘোষণা করেছে নরওয়ের এই বাসিন্দার।

    ‘ফস মিনিমালিজম’

    অ্যাকাডেমির তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “নরওয়ের ভাষা নিনর্স্কে লিখেছেন তিনি। নাটক, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, শিশু সাহিত্য, অনুবাদ সহ একাধিক জঁর নিয়ে লেখালেখি করেছেন তিনি। যে সব নাট্যকারের নাটক এখন পৃথিবীতে সব থেতে বেশি অভিনীত হয়, তাঁদের মধ্যে ফস একজন। তাঁর গদ্যও বহুল জনপ্রিয়।” সাহিত্যজগতে ফসের লিখন শৈলী ‘ফস মিনিমালিজম’ নামে খ্যাত।

    ফসের লড়াই ছিল কঠিন

    অক্টোবর মাস হল নোবেলের (Nobel Prize 2023) মাস। এর আগে চিকিৎসা বিজ্ঞান ও পদার্থবিদ্যায় নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয় সাহিত্যে নোবেল প্রাপকের নাম। নোবেল পুরস্কারের প্যানেলভুক্তদের নাম সাধারণত গোপন রাখা হয়। ফসের নাম ঘোষণার পর জানা গিয়েছে ফসকে কঠিন লড়াই লড়তে হয়েছে চিনের লেখক ক্যান ঝিউ এবং কেনিয়ার লেখক নগুগি ওয়া থিয়ঙ্গওর সঙ্গে। প্রসঙ্গত, গত বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন ফরাসি লেখক অ্যানি আরনো।

    আরও পড়ুুন: খেলার মাঠেও প্রতারণা চিনের! নীরজদের ইচ্ছা করে হারিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, অভিযোগ ভারতের

    ডিনামাইটের আবিষ্কারক তথা সুইডেনের ব্যবসায়ী আলফ্রেড নোবেলের উইল মেনে ১৯০১ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize 2023) প্রথম দিকে সাহিত্য, বিজ্ঞান ও শান্তির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হত এই পুরস্কার। পরে সুইডিশ সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অর্থনীতির ক্ষেত্রেও পুরস্কার দিতে শুরু করে। ভারতীয় টাকায় পুরস্কার মূল্য ৮ কোটি টাকারও বেশি। নোবেল পুরস্কার নিয়ে অবশ্য বিতর্ক কম হয়নি। ২০১৬ সালে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল গায়ক-গীতিকার বব ডিলানকে। তা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল ব্যাপক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share