Tag: Bengali news

Bengali news

  • IIT Kharagpur: আজকের খড়্গপুর আইআইটির পুরনো ভবন ছিল বিপ্লবীদের জন্য হিজলী জেল

    IIT Kharagpur: আজকের খড়্গপুর আইআইটির পুরনো ভবন ছিল বিপ্লবীদের জন্য হিজলী জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। বিপ্লবীদের উপর নির্মম অত্যাচারে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন তাঁর প্রশ্ন কবিতা। দেশকে স্বাধীন করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল একদল তরুণ তরুণী। আজ যেখানে আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur), সেখানেই ছিল বিপ্লবীদের বন্দিনিবাস। সশস্ত্র আন্দোলন হোক কিংবা অসহযোগ আন্দোলন, ব্রিটিশ পুলিশের হাতে বন্দি হতে হয়েছিল একাধিক স্বাধীনতার সংগ্রামীকে। বন্দি করা হয় হিজলী বন্দি নিবাসে। এই জেলের মধ্যে অন্যতম বন্দি ছিলেন বিপ্লবী সন্তোষ মিত্র।

    কার নামে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার?

    ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে আকৃষ্ট হন সন্তোষ মিত্র। তাঁর জন্ম ১৯০০ সালের ১৫ অগাস্ট এবং মৃত্যু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৩১। মাত্র ৩১ বছরের জীবন, দেশের স্বাধীনতার জন্য নিবেদন করেছিলেন। ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ফলে কারাদণ্ড হন। এছাড়াও শ্রমিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। ১৯২৩ সালে গুপ্ত বিপ্লবী দলের সঙ্গে যোগদান করে বিপ্লবী কর্মে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম করেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে। চট্টগ্রামে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দলেনের সময় গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করতেন বিপ্লবীদের। এরপর গ্রেপ্তার হলে তাঁকে হিজলী (IIT Kharagpur) জেলে পাঠানো হয়। কলকাতা শহরে আজকের দিনে সবথেকে বড় দুর্গা পুজো গুলির মধ্যে একটি পুজো হল, বিপ্লবী সন্তোষ মিত্রের নামাঙ্কিত পার্কের পুজো সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো।

    হিজলী জেল (IIT Kharagpur) এক ঐতিহাসিক পীঠস্থান

    ১৯৩১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাত্রি প্রায় সাড়ে নটা নাগাদ, নিরস্ত্র বন্দিদের উপর অতর্কিতে আক্রমণ চালায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনী। চালানো হয় গুলিও। নিরস্ত্র বন্দিদের উপর গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু হয় দুই বীর বিপ্লবীর। এই দুই বিপ্লবীরা হলেন সুভাষচন্দ্র বসুর সহপাঠী সন্তোষ মিত্র এবং মাস্টারদা সূর্যসেনের অনুগামী তারকেশ্বর সেনগুপ্ত। ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে নাইট উপাধি ত্যাগ করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। হিজলী (IIT Kharagpur) হত্যাকাণ্ডের পর রবীন্দ্রনাথ লিখলেন প্রশ্ন কবিতা, “ভগবান তুমি যুগে যুগে দূত পাঠায়েছ বারে বারে, দয়াহীন সংসারে।”

    আজকের আইআইটি খড়্গপুর

    এখন যেখানে খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) পুরনো ভবন, পরাধীন ভারতে সেখানেই ছিল হিজলি বন্দিনিবাস। অদূরে প্রথম মহিলা জেল। ১৬ সেপ্টেম্বরের সেই রাতে হিজলি বন্দি নিবাসে ‘পাগলা ঘন্টা’ বাজিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় ইংরেজ পুলিশ। খবর পেয়ে সুভাষচন্দ্র ও যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত হিজলিতে আসেন। হিজলি ও চট্টগ্রাম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ওই বছর ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় একটি সভা হয়। সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বর্তমানে আইআইটি নির্মিত হয়েছে বন্দিনিবাসের বিশাল ইমারতে। বর্তমান প্রজন্ম মনে রাখে না ইতিহাস, মনে রাখে না সংগ্রামের কালো দিনের কথা। স্বাধীনতা দিবসে ফের স্মৃতিতে অম্লান হিজলীর সেদিনের সেই কালো ঘটনার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • PM Modi: “শান্তির মাধ্যমেই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে”, মণিপুর প্রসঙ্গে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “শান্তির মাধ্যমেই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে”, মণিপুর প্রসঙ্গে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে উঠে এল মণিপুর প্রসঙ্গ। মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মণিপুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের উত্তরপূর্ব, বিশেষ করে মণিপুরে বিগত কয়েক দিন ধরে হিংসা হয়েছে। সেখানে মা-বোনদের সম্মানহানি হয়েছে। তবে কয়েকদিন ধরে সেখানে শান্তি ফিরেছে। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার শান্তি বজায় রাখার জন্য এবং সেখানকার সমস্যা মেটাতে এক সঙ্গে কাজ করবে। দেশবাসী মণিপুরের পাশে রয়েছে। শান্তির মাধ্যমেই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।”

    শান্তিতেই সমাধানের পথ 

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ ওঁদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। গোটা দেশ মণিপুরের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরা ওখানে (মণিপুরে) শান্তিপূর্ণ সমাধানের রাস্তা বের করব। আপনাদের আবেদন মণিপুরে শান্তি বজায় রাখুন। শান্তিতেই সমাধানের পথ বের হবে।” মণিপুরের (PM Modi) ঘটনা যে লজ্জাজনক, বাদল অধিবেশনেও লোকসভায় সেকথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “এই ঘটনায় গোটা দেশের মাথা নত হচ্ছে। মণিপুরে মা-বোনদের অসম্মান যারা করেছে, তারা রেহাই পাবে না। মহিলাদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। আমি দেশের সমস্ত মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাব, তাঁরা যেন রাজ্যে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখেন।”

    ‘মণিপুরে শান্তি ফিরে আসবেই’

    প্রধানমন্ত্রী এও বলেছিলেন, “অপরাধীকে কঠিনতম শাস্তি দেওয়ার জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার উভয়েই যা কিছু সম্ভব, তা করেছে। আমি মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই যে আগামী সময় মণিপুরে শান্তি ফিরে আসবেই। আমি মহিলা ও মণিপুরের কন্যা-সহ রাজ্যের সমস্ত মানুষকে বলতে চাই যে দেশ আপনাদের সঙ্গে রয়েছে।” 

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বার্তায় মাতঙ্গিনী হাজরা ও কনকলতা বড়ুয়ার নাম, জানুন তাঁদের ইতিহাস

    প্রসঙ্গত, মেইতেই ও কুকিদের সংঘর্ষের জেরে অশান্তির আগুন লাগে চিত্রাঙ্গদার দেশ মণিপুরে। তফশিলি জাতির মর্যাদা দেওয়ার (PM Modi) দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছিলেন মেইতেইরা। তার জেরেই ৩ মে শুরু হয় সংঘর্ষ। পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে বহু বাড়ি। মৃত্যুও হয়েছে শতাধিক মানুষের। জখমও হয়েছেন বহু মানুষ। ভাঙচুর, লুটপাটের মতো ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার পরেই ধীরে ধীরে আয়ত্ত্বে আসে পরিস্থিতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Violence: মণিপুর হিংসায় আরও ন’টি মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে, সব মিলিয়ে কত জানেন?

    Manipur Violence: মণিপুর হিংসায় আরও ন’টি মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে, সব মিলিয়ে কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর হিংসায় (Manipur Violence) আরও ন’টি মামলার তদন্তভার বর্তাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। সিবিআইয়ের আধিকারিকরা জানান, সব মিলিয়ে ১৭টি মামলার তদন্তভার পেল সিবিআই। তবে এই ১৭টি মামলায়ই সীমাবদ্ধ থাকবে না সিবিআই, আরও বেশ কয়েকটি মামলার তদন্তভারও পেতে পারে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। মহিলাদের প্রতি অপরাধ এবং যৌন নির্যাতনের ঘটনার তদন্তভারও দেওয়া হতে পারে সিবিআইকে। মণিপুরে সিবিআইয়ের হাতে যে আটটি মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে দুটি মহিলাদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ। আধিকারিকরা জানান, এর ওপর আরও ন’টি মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে তাঁদের। তাঁরা জানান, চূড়াচাঁদপুর জেলায় যৌন নির্যাতনের যে ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনার তদন্তভারও দেওয়া হতে পারে তাঁদের হাতে।

    চিত্রাঙ্গদার দেশে সিবিআই

    মণিপুরে (Manipur Violence) ঘটনার তদন্ত করাটা সিবিআইয়ের আধিকারিকদের কাছে খুবই জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ চিত্রাঙ্গদার দেশে যে হিংসার ঘটনা ঘটছে, তার শেকড় মূলত দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের গভীরে। তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে যাতে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ না ওঠে, তাই তদন্ত করতে গিয়ে আধিকারিকদের পা ফেলতে হচ্ছে সাবধানে। তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা যেসব নমুনা সংগ্রহ করেছে, পরীক্ষার জন্য সেগুলি পাঠানো হবে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে। মহিলা সংক্রান্ত যেসব মামলার তদন্তে নেমেছে সিবিআই, সেগুলিতে মহিলা আধিকারিকদের কাজে লাগানো হয়েছে। নির্যাতিত মহিলাদের বয়ান রেকর্ড এবং প্রশ্ন করার জন্যও কাজে লাগানো হচ্ছে ওই মহিলা আধিকারিকদের।

    আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    ৩ মে হিংসা শুরু হয় মণিপুরে (Manipur Violence)। মেইতেই এবং কুকিদের সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয় উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি এই রাজ্য। হিংসায় মৃত্যু হয়েছে ১৬০ জনের। জখমও হয়েছেন কয়েকশো। দীর্ঘদিন ধরে তফশিলি জাতির দাবি জানিয়ে আসছেন মেইতেইরা। এই নিয়েই শুরু হয় সংঘর্ষ। এদিকে, দোরগোড়ায় স্বাধীনতা দিবস। তার আগে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হল মণিপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, উপদ্রুত অঞ্চলে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলা-বারুদ। স্বাধীনতা দিবসে বনধের ডাক দিয়েছে উপত্যকার কয়েকটি সংগঠন। এক আধিকারিক বলেন, শনিবার চূড়াচাঁদপুরে পিস গ্রাউন্ডে স্বাধীনতা দিবসের রিহার্সাল হয়েছে। অংশ নিয়েছিল বিএসএফ, পুলিশ এবং অসম রাইফেলস।

    আরও পড়ুুন: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, দেওয়ালে ভারত-বিরোধী পোস্টার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Khalistan: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, দেওয়ালে ভারত-বিরোধী পোস্টার

    Khalistan: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, দেওয়ালে ভারত-বিরোধী পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের (Khalistan)। ভাঙচুর করা হল আস্ত একটা মন্দির। দেওয়ালে সাঁটিয়ে দেওয়া হল খালিস্তানের দাবি সম্বলিত পোস্টার। ঘটনাস্থল সেই কানাডা। এনিয়ে চলতি বছরে এ পর্যন্ত চারটি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করল খালিস্তানপন্থীরা।

    মন্দিরে হামলা

    কানাডার সারে এলাকায় রয়েছে লক্ষ্মী-নারায়ণের মন্দির। ব্রিটিশ কলম্বিয়া এলাকায় যে ক’টি পুরনো হিন্দু মন্দির রয়েছে, এই মন্দিরটি তার অন্যতম। শনিবার রাতে এই মন্দির ভাঙচুর করে খালিস্তানপন্থীরা। ভারত-বিরোধী স্লোগানও দিতে থাকে। সারে প্রশাসনের দাবি, খালিস্তানপন্থীরা লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দিরের দেওয়ালে খালিস্তানের দাবিতে পোস্টার সাঁটায়। জুনের ১৮ তারিখে মৃত্যু হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের। খালিস্তান (Khalistan) টাইগার ফোর্সের মাথা ছিলেন এই নিজ্জর। কানাডিয়ান আর্ম অফ শিখস ফর জাস্টিসেরও প্রধান ছিলেন তিনি। ১৮ জুন অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন তিনি। এই ঘটনায় ভারতের হাত দেখছে খালিস্তানপন্থীরা।  

    খালিস্তানপন্থীদের পোস্টার

    ওই ঘটনায় ভারতের কোনও ভূমিকা রয়েছে কিনা, তা জানতে কানাডা সরকারকে তদন্ত করার অনুরোধও করেছে খালিস্তানপন্থীরা। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, ওই রাতে মুখোশ পরা দুজন মন্দিরের দেওয়াল ও গেটে পোস্টার সাঁটাচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে স্বামী নারায়ণের মন্দিরে ভাঙচুর চালায় খালিস্তানপন্থীরা। মন্দিরটি রয়েছে ওন্টারিও এলাকায়। মিশিসুয়াগা এলাকায় একটি রাম মন্দিরেও হামলা চালায় খালিস্তানপন্থীরা। সেটা হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসে। জানুয়ারি মাসে ব্রাম্পটনে একটি হিন্দু মন্দিরের দেওয়াল বিকৃত করা হয়। ভারত-বিরোধী স্লোগানে ভরিয়ে দেওয়া হয় মন্দিরের দেওয়াল।

    আরও পড়ুুন: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি, কেউ থামাতে পারবে না”, গুজরাটের অনুষ্ঠানে বললেন শাহ

    কানাডায় খালিস্তানপন্থীদের (Khalistan) বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত। কেবল কানাডা নয়, আমেরিকা এবং ইংল্যান্ডেও ভারত বিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায় খালিস্তানপন্থীদের। কানাডায় খালিস্তানপন্থীদের কার্যকলাপের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ভারত। সে দেশে খালিস্তানপন্থীদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে নয়াদিল্লি। যদিও ভারতের দাবি নস্যাৎ করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, “কানাডা সব সময় সন্ত্রাসবাদের (Khalistan) বিরুদ্ধে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি, কেউ থামাতে পারবে না”, গুজরাটের অনুষ্ঠানে বললেন শাহ

    Amit Shah: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি, কেউ থামাতে পারবে না”, গুজরাটের অনুষ্ঠানে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি। কেউ আমাদের এই কাজ থেকে থামাতে পারবে না।” রবিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন গুজরাটের আমেদাবাদে তিনি সূচনা করেন তিরঙ্গা যাত্রার। সেখানেই শাহ বলেন, “স্বাধীনতার ৭৫ বছর চলছে। আমরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারিনি। কারণ তার আগেই ভারত স্বাধীনতা অর্জন করেছে। কিন্তু দেশের জন্য বাঁচা থেকে আমাদের কেউ থামাতে পারবে না।”

    তিরঙ্গাময় দেশ

    গত বছর স্বাধীনতা দিবসের কথাও মনে করিয়ে দেন শাহ। বলেন, “২০২২ সালে দেশে এমন কোনও বাড়ি ছিল না, যেখানে তিরঙ্গা ওড়েনি। যখন দেশের প্রতিটি বাড়িতে তিরঙ্গা ওড়ে, তখন গোটা দেশটাই তিরঙ্গাময় হয়ে ওঠে। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের’ সময় প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশের মধ্যে দেশপ্রেম বোধের বীজ বপন করেছেন।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট আজাদি কা অমৃত মহোৎসব শেষ হচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট থেকে ২০৪৭ সালে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত আমরা আজাদি কা অমৃত কাল উদযাপন করব। স্বাধীনতার ৭৫ বছর থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত ভারতকে প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা বাঁচব।”

    সীমান্তে পরিকাঠামো 

    প্রসঙ্গত, শনিবার দু দিনের গুজরাট সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কচ্ছে ভারত-পাক সীমান্তে পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি। দেশ রক্ষায় বিএসএফের ভূয়সী প্রশংসাও করেন শাহ। বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সীমান্তে সুরক্ষা ও পরিকাঠামোর উন্নতিকল্পে শাহ কোটেশ্বর এলাকায় বিএসএফের জন্য একটি আঘাটার শিলান্যাস করেন শাহ। চিড়িয়ামোড়-বিয়ারবেট লিঙ্ক রোডেরও উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। হরমি নালা এলাকায় একটি ওপি টাওয়ারেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: প্রত্যেক নাগরিককে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    আঘাটাটি তৈরি (Amit Shah) করতে খরচ হবে ২৫৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটি গড়ে উঠবে ৬০ একর জমিতে। ক্রিক এলাকায় ওয়াটার ভেসেল চালাতে এই জলাশয়টি ব্যবহার করা হবে। ক্রিক এলাকায় জলপথে নিরাপত্তা রক্ষার কাজেও লাগবে ওই আঘাটা। বিএসএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমি নালা এলাকায় যে ওপি টাওয়ার হচ্ছে, সেজন্য ব্যয় হবে তিন কোটি টাকা। এই টাওয়ার থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাবেন বিএসএফের জওয়ানরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Independence Day 2023: স্বাধীনতা দিবসে বিরাট অনুষ্ঠান, কী হবে লালকেল্লায় জানেন?

    Independence Day 2023: স্বাধীনতা দিবসে বিরাট অনুষ্ঠান, কী হবে লালকেল্লায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day 2023) এবারও লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা তুলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসবে’র বর্ষপূর্তি হচ্ছে। তাই এবার ১৫ অগাস্ট পালিত হবে ঘটা করে। এদিন পতাকা তোলার পর জাতীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত থাকবেন প্রায় ১৮০০ বিশেষ অতিথি।

    ‘জন ভাগীদারি’

    ‘জন ভাগীদারি’র অংশ হিসেবেই উপস্থিত থাকবেন এঁরা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ভাইব্র্যান্ট গ্রামগুলির সরপঞ্চ, ফারমার প্রডিউসার অর্গানাইজেশনস স্কিমের প্রতিনিধিরা এবং প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা, সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের শ্রম যোগীরা, খাদি কর্মীরা, সীমান্তে যাঁরা রাস্তা তৈরিতে যুক্ত ছিলেন তাঁরা, যাঁরা অমৃত সরোবর তৈরি করছেন তাঁরা, হর ঘর জল যোজনার কর্মীরা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, নার্স এবং মৎস্যজীবীরাও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। গোটা রাজধানীর ১২টি জায়গায় তৈরি করা হচ্ছে সেলফি পয়েন্ট।

    সেলফি প্রতিযোগিতা

    সরকারের (Independence Day 2023) তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে সেলফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। ১৫ থেকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত ওই সেলফি পাঠাতে হবে মাইগভ পোর্টালে। অংশগ্রহণকারীরা ১২টি সেলফি জোন থেকেই ছবি পাঠাতে পারবেন। সেই তুলেই তাঁরা আপলোড করবেন মাইগভ পোর্টালে। প্রতিটি সেলফি পয়েন্ট থেকে একজনকে নির্বাচন করা হবে। অর্থাৎ জয়ী হবেন ১২ জন। যাঁরা জয়ী হবেন, তাঁরা প্রত্যেকে ১০ হাজার করে টাকা পাবেন। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মেজর নিকিতা নায়ার এবং মেজর জাসমিন কাউর জাতীয় পতাকা তুলতে সাহায্য করবেন প্রধানমন্ত্রীকে। যেই না জাতীয় পাতাকা তোলা হয়ে যাবে, তখনই অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে।

    আরও পড়ুুন: প্রত্যেক নাগরিককে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Independence Day 2023) রবিবার তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে গিয়ে বদলে দিয়েছেন প্রোফাইল পিকচার। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ভারতের জাতীয় পতাকা। দেশবাসীকে ডিপির ছবি বদলে দেওয়ার আবেদনও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রচেষ্টায় সাহায্য করতেও নাগরিকদের কাছে আবেদন করেছেন তিনি। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনের স্পিরিট হিসেবে আসুন, আমরা বদলে ফেলি আমাদের ডিপির ছবিগুলি। এবং এই মৌলিক প্রচেষ্টায় সবাই শামিল হই। এভাবে নিজের দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করি।’ অগাস্টের ১৩-১৫ পর্যন্ত হর ঘর তিরঙ্গা প্রচারে অংশ নিতেও দেশবাসীকে আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Champions Trophy: এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতল ভারত, হকি দলকে শুভেচ্ছা জয় শাহের

    Asian Champions Trophy: এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতল ভারত, হকি দলকে শুভেচ্ছা জয় শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতল ভারত। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা হয়েছে চেন্নাইয়ে। সেখানে মালয়েশিয়াকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে দিয়েছে ভারতের হকি দল। এনিয়ে চারবার এই ট্রফি জিতল ভারত। প্রথম ১-৩ গোলে পিছিয়ে ছিলেন হরমনপ্রীতরা। পরে ৪-৩ ব্যবধানে ট্রফি ঝুলিতে ভরে ভারত। ভারতের এই জয়ে উচ্ছ্বসিত ক্রিকেট দুনিয়াও। বর্তমানে ভারতীয় দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজ খেলছে ভারত। শনিবার হয়েছে চতুর্থ টি-২০। ভারতের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন শুভমন গিল ও অর্শদীপ সিং। ফ্লোরিডা থেকে হকি টিমকে শুভেচ্ছা জানালেন শুভমন ও অর্শদীপ। বিসিসিআই এবং বোর্ড সচিব জয় শাহ-ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতীয় হকি দলকে।

    এভাবেও ফিরে আসা যায়!

    ১-৩ গোলে প্রথমে পিছিয়ে থাকলেও, পরে ৩-৩ সমতায় আনে ভারতীয় দল। সেলভান কার্তির অনবদ্য গোলে এগিয়ে যায় ভারত। ৪-৩ গোলে জয় পায় ভারতীয় হকি দল। ভারতীয় ক্রিকেট দলের তরফে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি হকি দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জয়।

    ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারতীয় হকি দলের অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী রইলাম। অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক এই জয়। শক্তিশালী মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ৪-৩ গোলে এই জয় চ্যাম্পিয়নদের সত্যিকারের চেতনাকে তুলে ধরে। অসাধারণ টিম ওয়ার্ক ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ভারতীয় দল সারা দেশকে গর্বিত করেছে। এই অনবদ্য জয়ের জন্য শুভেচ্ছা।”

    ‘ম্যাক্সিমাম টিম গোল অ্যাওয়ার্ড’

    গোটা টুর্নামেন্টে সব চেয়ে বেশি গোল করেছে ভারতই। সব মিলিয়ে ভারতের গোলের সংখ্যা ২৯। বিশেষজ্ঞদের মতে, গেমপ্ল্যান এবং খেলোয়াড়দের দক্ষতায় টুর্নামেন্ট জয় হয়েছে অনায়াস। টুর্নামেন্টে সব চেয়ে বেশি গোল করায় ভারত পাচ্ছে ‘ম্যাক্সিমাম টিম গোল অ্যাওয়ার্ড’। ভারত ‘ম্যাক্সিমাম টিম গোল অ্যাওয়ার্ড’ ঝুলিতে ভরলেও, ‘এমার্জিং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড’ গিয়েছে পাকিস্তানে। সে দেশের তরুণ প্রতিভা আবদুল শাহিদ পেয়েছেন ‘এমার্জিং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড’। ব্যতিক্রমী পারফর্মেন্সের জন্যই তিনি পাচ্ছেন এই পুরস্কার। মোট ছ’টি খেলায় তিনি গোল করেছেন দুটি। হকি ইন্ডিয়া প্রেসিডেন্ট দিলীপ তিরকে জানান, ভারতীয় পুরুষ হকি দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তিন লাখ করে টাকা দেওয়া হবে। সাপোর্ট স্টাফদের দেওয়া হবে দেড় লাখ করে টাকা।

    আরও পড়ুুন: প্রত্যেক নাগরিককে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India China Talks: ভারত-চিন মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা জানেন?

    India China Talks: ভারত-চিন মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে মুখোমুখি হতে চলেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সপ্তাহখানেক পরে দক্ষিণ আফ্রিকায় হবে ব্রিকস নেতাদের সম্মেলন। এই সম্মেলনেই সামনাসামনি দেখা হবে দুই রাষ্ট্রনেতার (India China Talks)। ঠিক তার আগেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগী হল দুই দেশ।

    বৈঠকে দুই দেশ

    সোমবার হতে চলেছে ভারত এবং চিন দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ের ১৯তম বৈঠক। সরকারি সূত্রেই এ খবর জানা গিয়েছে। ভারতের তরফে যে প্রতিনিধি দল এই বৈঠকে অংশ নেবে, তাতে থাকবেন ১৪ জন। এর মধ্যে রয়েছেন কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাশিম বালি। এর আগে দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠকটি হয়েছিল চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ২৩ তারিখে, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের আগে। দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ে যে অবিশ্বাসের (India China Talks) বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই হয়েছিল ওই বৈঠক।

    বৈঠকের আলোচ্য সূচি

    সরকারি সূত্রে খবর, সোমবারের বৈঠকে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে কীভাবে আস্থা ফেরানো যায়, কীভাবে সীমান্ত প্রোটোকল মেনে চলা যায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং বাফার জোনে সংঘর্ষ এড়াতে দুই দেশের কী করণীয়, এসব নিয়েই আলোচনা হবে এদিনের বৈঠকে। মাস চারেক আগেই বৈঠক হয়েছিল ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে। তারও আগে বৈঠক হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতাদের মধ্যে। তার পর হতে চলেছে সোমবারের বৈঠক।

    আরও পড়ুুন: যাদবপুরকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ২, ধৃতদের মধ্যে স্বপ্নদীপের রুমমেটও

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের ৯ ও ১০ তারিখে ভারতে আসার কথা চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতেই তিনি আসবেন ভারতে। তার আগে সীমান্তের অচলাবস্থা কাটাতে চাইছে নয়াদিল্লি ও বেজিং (India China Talks)। জুলাই মাসে দিল্লিতে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতা অজিত ডোভাল এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সেই বৈঠকে ডোভাল বলেছিলেন, নষ্ট হয়েছে দুই দেশের কৌশলগত বিশ্বাস, রাজনৈতিক সম্পর্ক। গত বছর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে হয়েছিল জি-২০-র বৈঠক। সেই বৈঠকে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি এবং জিনপিং। সীমান্তে অচলাবস্থা কাটাতে সেখানেও আলাদা করে বৈঠক করেছিলেন মোদি ও জিনপিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • ISRO Gaganyaan Mission: গগনযান মিশন সফলে সিরিজ পরীক্ষা ইসরোর, জানুন বিশদে

    ISRO Gaganyaan Mission: গগনযান মিশন সফলে সিরিজ পরীক্ষা ইসরোর, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সাফল্যের পালক ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, সংক্ষেপে ইসরোর (ISRO Gaganyaan Mission) মুকুটে! সফলভাবে শেষ করল ড্রোগ প্যারাশুটের পরীক্ষা। গগনযান মিশনের লক্ষ্যেই চালানো হল এই পরীক্ষা। ইসরো জানিয়েছে, সফল হয়েছে এই পরীক্ষা। ইসরোর আশা, গগনযান মিশন সফল হলে নভঃশ্চরদের নিরাপদে মহাকাশে নিয়ে যাওয়া ও ফিরে আসা যাবে। কোনও গতিশীল বস্তুর গতি এবং ভারসাম্য কমাতেও ড্রোগ প্যারাশুট মোতায়েন করা হয়। 

    বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে পরীক্ষা

    ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চণ্ডীগড়ের টার্মিনাল ব্যালিস্টিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির রেল ট্র্যাক রকেট স্লেড ড্রোগ প্যারাশুট ডিপ্লয়মেন্ট পরীক্ষা চালানো হয়েছে ইসরোর বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে। স্পেস সেন্টারটি রয়েছে তিরুবনন্তপুরমে। এডিআরডিই এবং ডিআরডিওর সহযোগিতায় এই সিরিজ পরীক্ষা করেছে ইসরো। ইসরো (ISRO Gaganyaan Mission) জানিয়েছে, শঙ্কু আকারের এই প্যারাশুটের ব্যাস ৫.৮ মিটার। জানা গিয়েছে, ড্রোগ প্যারাশুটের কার্যক্ষমতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে তিনটি আরটিআরএস টেস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসন্ন টেস্ট ভেহিক্যাল-ডিওয়ান মিশনে যুক্ত করার ক্ষেত্রে সেটি যে প্রস্তুত, তা বোঝা গিয়েছে।

    ১০টি প্যারাশুটের সাহায্য

    ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, গগনযান মিশন শেষ করে মহাকাশযানটি যখন পৃথিবীতে ফিরে আসবে, তখন ১০টি প্যারাশুটের সাহায্য নেওয়া হবে। প্রথমে খোলা হবে দুটি প্যারাশুট। পরে খোলা হবে আরও দুটি। মহাকাশযানের ভারসাম্য বজায় রাখতেই খোলা হবে দ্বিতীয় ধাপের দুই প্যারাশুট। তিন মহাকাশচারীর ব্যবহারের জন্য রয়েছে তিনটি প্যারাশুট। এই প্যারাশুটগুলিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা (ISRO Gaganyaan Mission) পালন করবে গগনযান অবতরণের ক্ষেত্রে।

    আরও পড়ুুন: প্রত্যেক নাগরিককে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    গগনযান মিশন হবে ইসরোর প্রথম মানববাহী মহাকাশ অভিযান। এই মিশন সফল হলে ভারত হবে চতুর্থ। ভারতের আগে থাকবে কেবল আমেরিকা, রাশিয়া ও চিন। কিছুদিন আগেই চন্দ্রযান ৩ পাঠিয়েছে ইসরো। ইতিমধ্যেই সেই যান প্রবেশ করেছে চাঁদের কক্ষপথে। যানটি ল্যান্ড করার কথা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। এই মেরুতে ল্যান্ড করতে হলে যানটিকে পেরতে হবে সব মিলিয়ে পাঁচটি ধাপ। ইতিমধ্যেই এর দুটি ধাপ পেরিয়ে গিয়েছে ইসরো প্রেরিত চন্দ্রযান ৩। বাকি তিন ধাপ পেরিয়ে গেলেই সফল হবে ইসরোর (ISRO Gaganyaan Mission) মিশন চন্দ্রযান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JP Nadda: হাওড়ায় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেপি নাড্ডা, কী করলেন?

    JP Nadda: হাওড়ায় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেপি নাড্ডা, কী করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনে বঙ্গে এসে বিজেপির ‘আমার মাটি আমার দেশ’ কর্মসুচীর অঙ্গ হিসাবে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের বাড়ি দেউলটি থেকে মাটি সংগ্রহ করলেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। শুক্রবার রাতেই কলকাতায় এসে পৌঁছান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বাংলা, বিহার, ঝাড়খণ্ড-সহ পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের জেলা পরিষদ সভাধিপতিদের নিয়ে হাওড়ার দেউলটির একটি হোটেলে এদিন সকালে একটি  কর্মশালার উদ্বোধন করেন নাড্ডা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে দুপুরে দেউলটিতে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মভিটে পরিদর্শনে আসেন জে পি নাড্ডা।

    ভিজিটার্স বুকে কী লিখলেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)?

    দেউলটিতে শরৎচন্দ্রের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। “আমার মাটি আমার দেশ” কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। সেই মাটি নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লির কর্তব্যপথ বাগানে। এদিন দেউলটিতে এসে শরৎচন্দ্রের বাসভবনে, সেখানকার লাইব্রেরি রুমে ঘুরে দেখেন তিনি। সেখানকার ভিজিটার্স বুকে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখে রাখেন তিনি। তিনি লেখেন ‘আজ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহান মানুষের নিবাস স্থানে আসতে পেরে নিজেকে খুবই সৌভাগ্য প্রাপ্ত মনে করছি। এই জায়গা থেকে অনেক প্রেরণা পেলাম।’ তিনি প্রথমে ওই বসতবাড়িতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন। এরপর তিনি ওই বাসভবন চত্বরে একটি আম গাছ রোপণ করেন। পরে, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রূপনারায়ণ নদীতীরে এই বাড়িতে যে কক্ষতে বসে তাঁর সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করেছিলেন সেই ঘর পরিদর্শন করেন। এরপর জেপি নাড্ডা আরেকটি কক্ষে গিয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত জিনিসগুলো পরিদর্শন করেন। পরে, ওই বাড়ির দোতলার ঘরগুলিও তিনি ঘুরে দেখেন। দোতলা বাড়ির বারান্দাতে উঠে উপস্থিত সমর্থক মানুষদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, অনুপম হাজরা, রাঁচির মেয়র আশা লাকড়া, অমিত মালব্য, বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সভাপতি অরুণ উদয় পাল চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিন সেখানে এক জাতীয় পতাকা বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন নাড্ডা। জে পি নাড্ডার সফর উপলক্ষে দেউলটির সামতাবেড়ে শরৎচন্দ্রের বসতবাড়ি এলাকাকে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। দুপুরে জে পি নাড্ডা সেখানে আসেন। ১.৪০ নাগাদ তিনি দেউলটি আসেন। প্রায় আধ ঘন্টা ছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share