Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’, মোদির সঙ্গে সেলফি পোস্ট আপ্লুত মাক্রঁর

    PM Modi: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’, মোদির সঙ্গে সেলফি পোস্ট আপ্লুত মাক্রঁর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক।’ শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলফি পোস্ট করে এমনই লিখলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। শুধু তাই নয়, পোস্ট করা ছবির নীচে ফরাসি, ইংরেজি এবং হিন্দিতে লেখা হয়েছে ওই ক্যাপশন।

    যৌথ বিবৃতি

    এদিকে, এদিন মাক্রঁর সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর উদযাপন করছি। এর আগের ২৫ বছরের মজবুত ভিত্তির ওপর ভিত্তি করে আগামী ২৫ বছরের রোডম্যাপ তৈরি করছি।” তিনি বলেন, “এজন্য সাহসী ও উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। ভারতের মানুষ নিজেদেরকে একটি উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্প নিয়েছে। এই যাত্রায় আমরা ফ্রান্সকে একটি প্রাকৃতিক অংশীদার মনে করি।”

    আত্মনির্ভর ভারত

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ক অনেকটাই বড়সড় ভূমিকা নিয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত ও মেক ইন ইন্ডিয়ার ক্ষেত্রে ফ্রান্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী।” তিনি বলেন, “সাবমেরিন হোক বা ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ, এক সঙ্গে আমরা শুরু আমাদের নয়, অন্যান্য বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের চাহিদাও পূরণ করতে চাই। আমি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানির জন্য ইন্ডিয়ান অয়েল ও ফ্রান্সের টোটাল কোম্পানির মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিকে স্বাগত জানাই। এটি আমাদের পরিচ্ছন্ন শক্তি পরিবর্তনের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে।”

    ফ্রান্সে ইউপিআই চালুর কথা ঘোষণা করেছে ভারত। এর পাশাপাশি ফ্রান্সে ভারতীয় দূতাবাসে চালু হচ্ছে ডিআরডিওর টেকনিক্যাল অফিস। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত যে ৩৬টি রাফাল অর্ডার দিয়েছে, তা সময়ে ডেলিভারি করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে ভারত ও ফ্রান্স। ভবিষ্যতে তাদের গ্রাউন্ড ব্রেকিং কো-অপারেশনকে প্রসারিত করবে।

    দুদিনের ফ্রান্স সফর শেষে শনিবার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) রওনা দেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উদ্দেশে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে এ ব্যাপারে একটি ট্যুইটও করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের একটি নয়া অধ্যায় শুরু করে ফ্রান্সকে বিদায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী এদিনই আবুধাবির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: ভারতীয় নৌসেনার জন্য আসছে ২৬টি ‘রাফাল এম’ যুদ্ধবিমান! ঘোষণা কেন্দ্রের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi In France: ‘বন্ধু’ মাক্রঁকে কী উপহার দিলেন মোদি? পেলেনই বা কী কী? দেখে নিন

    Modi In France: ‘বন্ধু’ মাক্রঁকে কী উপহার দিলেন মোদি? পেলেনই বা কী কী? দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi In France)! পেলেন সেদেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘লিজিয়ন অব অনার’। এছাড়াও সেদেশের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে গ্রহণ করলেন একাধিক উপহার। সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ, তাঁর স্ত্রী ব্রিজিট মাক্রঁ, প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্নে, ফরাসি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট ইয়ায়েল ব্রাউন পিভেট এবং ফরাসি সেনেটের প্রেসিডেন্ট জেরার লারচারকে এমন কিছু উপহার দিয়েছেন মোদি, যাতে রয়েছে ভারতীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া।

    কী কী উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর জন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী (Modi In France) উপহার স্বরূপ নিয়ে গিয়েছিলেন বাদ্যযন্ত্র সেতারের একটি রেপ্লিকা, যেটি পুরোপুরি চন্দনকাঠ দিয়ে তৈরি। ছোট্ট সেতারে খোদাই করা রয়েছে একটি সরস্বতী মূর্তি। দেবীর হাতেও রয়েছে একটি সেতার। এছাড়া ভগবান গণেশ এবং ভারতের জাতীয় পাখি ময়ূরের নকশা খোদাই করা রয়েছে সেটিতে। ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিজিটকে মোদি উপহার দিয়েছেন পোচমপল্লী সিল্ক ইক্কত শাড়ি। উজ্জ্বল গোলাপি রঙের সেই শাড়ি রয়েছে একটি দুর্দান্ত কারুকার্য খচিত চন্দনকাঠের বাক্সে। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্নে মোদির তরফ থেকে পেয়েছেন একটি মার্বেল ইনলে কাজ করা টেবিল। ফরাসি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট ইয়ায়েল ব্রাউন পিভেটকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী একটি হাতে বোনা কাশ্মীরি কার্পেট উপহার দিয়েছেন। ফরাসি সেনেটের প্রেসিডেন্ট জেরার লারচারকে হাতির মূর্তি উপহার দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। মূর্তিটি পুরোটাই চন্দনকাঠের তৈরি। ভারতীয় সংস্কৃতিতে হাতিকে শক্তি, প্রজ্ঞা এবং সৌভাগ্যের প্রতীক বলে ধরা হয়।

    কী কী উপহার পেলেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Modi In France) ফরাসি সরকারের তরফ থেকে একাধিক উপহার দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ফরাসি শিল্প-সাহিত্যের ছোঁয়া যেমন রয়েছে তেমনি দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কও স্থান পেয়েছে।

    ১) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ছবি

    প্রধানমন্ত্রীকে এদিন উপহার দেওয়া হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একটি ছবি। প্রসঙ্গত, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয় সেনার একটি অংশ ফ্রান্সের পক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক ফরাসি মহিলা শিখ জওয়ানকে ফুল উপহার দিচ্ছেন। ১৪ জুলাই ১৯১৬ সালে এই ছবিটি প্যারেডের সময় তোলা হয়েছিল। উল্লেখ্য প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলেছিল ১৯১৪-১৯১৮ পর্যন্ত।

    ২) একাদশ শতকের দাবার ঘুঁটি

    শার্লেমেন এর দাবার ঘুঁটিও এদিন প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এটা দুই দেশের কয়েকশো বছরের বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রতীক বলে মনে করা হয়। প্রদানমন্ত্রী মোদি নিজে একজন দাবা খেলার অনুরাগী।

    ৩) সাহিত্যের উপহার

    বিখ্যাত ফরাসি সাহিত্যিক মার্শেল প্রোউস্ট এর লেখা একটি উপন্যাসের সিরিজ প্রধানমন্ত্রীর (Modi In France) হাতে। ১৯১৩ থেকে ১৯২৭ সালের মধ্যে এই উপন্যাসগুলি প্রকাশিত হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটে গেলেও এখনও পর্যন্ত জেলায় জেলায় অশান্তি থামেনি। বৃহস্পতিবারই উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যে কোনও ধরনের অশান্তি ঘটলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই গভীর রাতে হাওড়ার (Howrah) আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটল। গণনার পর থেকেই আমতার ওই এলাকা উত্তপ্ত ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকা আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠল। এমনকী শাসক দলের নেতারা হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ বিরোধী দলের। বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হন। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না।

    ভয়াবহ সেই ঘটনার (Howrah) বিবরণ

    আমতা (Howrah) বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের কাঁকরোল গ্রামে বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়ের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আতঙ্কে গ্রামছাড়া এলাকার একাধিক পরিবার। বিজেপির আরও অভিযোগ, ঘরগুলোতে বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবশীরাই তাদের দরজার শিকল খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে। এই ঘটনায় কোনওক্রমে বাড়ির বাসিন্দারা বেরোতে পারলেও আগুনে পুড়ে মরেছে হাঁস, মুরগি সহ গবাদি পশু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জয়পুর থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা। অভিযোগ, ভোটে বিজেপির হয়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই হুমকি আসছিল। তৃণমূলের নেতারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু তারা তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করেই সেখানে বসবাস করছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল সত্যিই যে ঘরদোর জ্বালিয়ে দেবে, তাঁরা তা বুঝে উঠতে পারেননি।

    কী বলছে বিজেপি প্রার্থীর পরিবা (Howrah) ?

    ভূদেব রায় ও স্বপন রায় দুই ভাই। ভূদেবের স্ত্রী কল্পনা রায় ও স্বপনের স্ত্রী ঝুমা রায়। দুই জা বিজেপির হয়ে এবারে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অমরাগড়ি এলাকার ৪৩ ও ৩৭ নম্বর দুটি বুথ থেকে দুজনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। স্বপন রায় বলেন, স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা আমাদের ভোটে দাঁড়াতে বারণ করেছিল। আমরা তাদের বারণ উপেক্ষা করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। তারপর থেকেই আমাদের হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু সত্যিই যে তারা আমাদের ঘরে (Howrah) পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেবে, তা আমরা বুঝতে পারিনি।

    তীব্র নিন্দা শুভেন্দু অধিকারীর

    হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী বলেন, পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমা রায়ের বাড়ি (Howrah) কীভাবে পুড়েছে, সেই ছবি তিনি ট্যুইটারে পোস্ট করেছেন। তাঁর দাবি, গ্রামাঞ্চলে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার কয়েক হাজার বিরোধী দলের কর্মী। তাঁদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে গ্রামছাড়া করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    কী বলছে তৃণমূল?

    যদিও তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আমতা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সেলিমুল আলম জানান, যে জায়গায় ঘরগুলি আগুনে পুড়ে গেছে সেই জায়গা নিয়ে আইনি জটিলতা চলছিল। আইনি জটিলতা কাটাতে ইচ্ছে করে ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তৃণমূলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিসগড়ে কোল-ব্লক বিলি কেলেঙ্কারি (Coal Scam) মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ বিজয় দারদা (Vijay Darda)। দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে প্রাক্তন কয়লা সচিব এইচসি গুপ্তাকেও। এছাড়াও আরও পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার দোষী বলে ঘোষণা করে দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালত। এই আদালতের স্পেশাল জাজ সঞ্জয় বনশাল রায় ঘোষণা করেন। এ নিয়ে কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হল ১৩ জনকে। এদিন যাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, তাঁরা হলেন দেবেন্দর দারদা, আইএসএস অফিসার কেএস কোরফা এবং কেসি সামরিয়া। একটি বেসরকারি সংস্থার ডিরেক্টর মনোজ কুমার জয়সওয়ালও রয়েছেন। ষড়যন্ত্র, প্রতারণা এবং প্রিভেনশন অফ কোরাপশান অ্যাক্টে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের এদিন দোষী সাব্যস্ত করা হলেও, সাজা ঘোষণা হয়নি। সাজা ঘোষণা হবে ১৮ জুলাই।

    কোলব্লক বণ্টন বেআইনি

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালেই নিলাম না করে সরকারের মর্জিমাফিক কয়লার ব্লক (Coal Scam) বণ্টনকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল, ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু করে ২০১০ পর্যন্ত কয়লার যত ব্লক বণ্টিত হয়েছে, সব অবৈধ। ২০১২ সালের ক্যাগ রিপোর্টে প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার কোটি টাকার এই কেলেঙ্কারির খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    সেখানে নানা অনিয়মের কথা বলা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তের রিপোর্ট সন্তোষজনক না হওয়ায় সিবিআইকে খাঁচার তোতা বলে ভর্ৎসনা করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেও তদন্ত চালিয়ে যায় সিবিআই। তদন্তের শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই স্পেশ্যাল কোর্টও গঠন করে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ভুল তথ্য

    এদিন আদালত সাফ জানায়, দোষী সাংসদ (Coal Scam) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে ভুল তথ্য দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ওই সাংসদ তখন কোল পোর্ট ফোলিওর দায়িত্বে ছিলেন। এটা করা হয়েছিল ছত্তিসগড়ের একটি বেসরকারি সংস্থাকে ফতেপুরের ওই কোল-ব্লকটি পাইয়ে দিতে। ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৮ এর নভেম্বর পর্যন্ত গুপ্তা ছিলেন কয়লা সচিব। ইউপিএ সরকারের আমলে কোল-ব্লক বিলিতে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের ১২টি মামলা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    Arunachal Pradesh: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, বৃহস্পতিবার এই মর্মে প্রস্তাব পাশ করল ইউনাইটেড কংগ্রেসনাল সেনেটরিয়ার কমিটি। অরুণাচলে চিনা আগ্রাসনের নিন্দাও করা হয়েছে প্রস্তাবে। এদিন মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেন ওরেগেনের ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর জেফ মার্কলে, টেক্সাসের রিপাবলিকান সেনেটর জন করনিন এবং টেনেসির রিপাবলিকান সেনেটর বিল হ্যাগার্টি।

    ম্যাকমোহন লাইনকেই মান্যতা

    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘ভারত ও চিনের সীমান্তে থাকা ম্যাকমোহন লাইনকেই মান্যতা দেয় আমেরিকায়। তাই অরুণাচল প্রদেশ ভারতেই।’ চিনের দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে এই প্রস্তাব। তাতে বলা হয়েছে, ‘অরুণাচল প্রদেশের একটা বিরাট অংশ তাদের (ভারতে) ভূখণ্ড। ভারতের সেই ভূখণ্ডে ক্রমাগত আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে চিন।’ প্রস্তাবে এও বলা হয়েছে, ‘আমেরিকা সব সময় স্বাধীনতাকেই সমর্থন করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকা প্রতিটি দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বকে মান্যতা দেয়। কিন্তু চিন ঠিক এর উল্টো পথে হাঁটছে।‘

    অরুণাচল চিনের নয়, ভারতের

    সেনেটে চিন বিষয়ক কমিটির প্রধান জেফ মার্কলেও বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কমিটি এই প্রস্তাব পাশ করেছে এটা বোঝাতে যে অরুণাচল প্রদেশ যে ভারত সাধারণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এটা বোঝাতে। এই ভূখণ্ড পিপলস রিপাবলিক অফ চায়নার নয়। এবং এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমেরিকা এ ব্যাপারে ভারতকে সমর্থন ও প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে, যেমনটা আমেরিকা করে সমমনস্ক আন্তর্জাতিক সব দেশের ক্ষেত্রেই।”  

    সেনেটর জন করনিন বলেন, “সীমান্তে ভারত এবং চিনের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে। আমেরিকা সব সময় গণতন্ত্র রক্ষা করতে শক্তিশালী অবস্থান নেবে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলির সাহায্যেই এটা করা হবে।” তিনি বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ যে ভারতেরই, চিনের নয়, তা বোঝাতেই পাশ করা হয়েছে প্রস্তাব।” হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করিনে জিন পিয়ারে বলেন, “অরুণাচল প্রদেশকে (Arunachal Pradesh) দীর্ঘ দিন ধরেই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মেনে আসছে আমেরিকা। তাই সেখানে আগ্রাসনের কোনও চেষ্টাই আমরা মেনে নেব না।”

    আরও পড়ুুন: মণিপুর নিয়ে প্রস্তাব পাশ ইইউ পার্লামেন্টে, “ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন”, বলল বিদেশমন্ত্রক

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুর নিয়ে প্রস্তাব পাশ ইইউ পার্লামেন্টে, “ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন”, বলল বিদেশমন্ত্রক

    Manipur: মণিপুর নিয়ে প্রস্তাব পাশ ইইউ পার্লামেন্টে, “ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন”, বলল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর (Manipur) শান্ত হোক। সংখ্যালঘুদের জীবন হোক সুরক্ষিত। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে ইউরোপিয় ইউনিয়নের (EU) পার্লামেন্ট। জাতিগত ও ধর্মীয় হিংসা বন্ধে ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে আহ্বানও জানিয়েছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন পার্লামেন্ট। এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।

    অরিন্দম বাগচির ট্যুইট-বার্তা

    বৃহস্পতিবার মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি ট্যুইট-বার্তায় লেখেন, “ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এই ধরনের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটা ঔপনিবেশিক মানসিকতারই প্রতিফলন। আমরা দেখেছি, ইউরোপিয় সংসদ মণিপুর নিয়ে আলোচনা করেছে এবং একটি তথাকথিত জরুরি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।”  

    পার্লামেন্টে পেশ করা প্রস্তাব

    ইউরোপিয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টে ভারত, মণিপুরের পরিস্থিতি নামে একটি প্রস্তাব পেশ করে সোশ্যালিস্ট ও ডেমোক্র্যাটদের প্রগতিশীল জোট। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অবিলম্বে (Manipur) জাতিগত ও ধর্মীয় হিংসা বন্ধ করার ও সকল ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছে ইউরোপীয় সংসদ। মণিপুরের হিংসার স্বাধীন তদন্ত করার জন্য অনুমতিও চেয়েছে পার্লামেন্ট। বিবদমান সমস্ত পক্ষকে উসকানিমূলক বিবৃতি দেওয়া বন্ধ করতে, শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং উত্তেজনা প্রশমনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

    ইউরোপিয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলিকেও ভারতের কাছে মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। মণিপুরে (Manipur) ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে। প্রেস বিবৃতিতে ইইউ জানিয়েছে, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের কয়েকজন সদস্য দাবি তুলেছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মণিপুরের হিংসার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করতে দিক।

    আরও পড়ুুন: “আইফেল টাওয়ারেও মিলবে ইউপিআইয়ের সুবিধা”, বললেন মোদি

    হিন্দু মেইতি ও খ্রিস্টান কুকি জনজাতির মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মাস দুয়েকেরও বেশি সময় ধরে অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর। মেইতি সম্প্রদায়ের মানুষ থাকেন উপত্যকায়, কুকিরা পাহাড়ি এলাকায়। মেইতিরা নিজেদের তফশিলি উপজাতিভুক্ত করার দাবি জানান। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্য। যার জেরে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে বহু বাড়ি। মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “আইফেল টাওয়ারেও মিলবে ইউপিআইয়ের সুবিধা”, বললেন মোদি

    PM Modi: “আইফেল টাওয়ারেও মিলবে ইউপিআইয়ের সুবিধা”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে ইউপিআই (UPI) ব্যবহারের বিষয়ে সম্মত হয়েছে ভারত ও ফ্রান্স। আগামী দিনে, আইফেল টাওয়ারেও ইউপিআই ব্যবহার করা যাবে। বৃহস্পতিবার প্যারিসে প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, ইউপিআই ব্যবহার চালু হয়ে গেলে ভারতীয় পর্যটকরা ফ্রান্সে ভারতীয় মুদ্রায়ই অর্থ দিতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্সে ইউপিআই ব্যবহার করা গেলে, ভারতীয় মুদ্রাকে ইউরোয় বদলে নেওয়ার ঝামেলা থাকবে না। পর্যটকদের নগদ ব্যবহারের প্রয়োজনও ফুরোবে।

    ইউপিআই পেমেন্ট সিস্টেম

    ইউপিআই পেমেন্ট সিস্টেমে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমেই বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আর্থিক লেনদেন করা যায়। মোদি সরকারের আমলেই চালু হয় এই ব্যবস্থা। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া তার সদস্য ব্যাঙ্কগুলিকে নিয়ে একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই ব্যবস্থাটি চালু করেছিল। তারপর থেকে দেশে ব্যাপকভাবে এই পেমেন্টের ব্যবহার বেড়েছে।

    ইউপিআই নিয়ে আগ্রহ বিদেশেও

    করোনা অতিমারি পর্ব ও তার পরবর্তী সময়ে ভারতের (PM Modi) ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম ইউপিআই নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বিশ্বের বহু দেশ। ভারতে এই অর্থ প্রদান ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও। চলতি বছরই সিঙ্গাপুরের পেনাওয়ের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ইউপিআই। গত বছর ফ্রান্সের দ্রুত ও নিরাপদ অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম লিরার সঙ্গেও একই ধরনের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল এনসিপিআই। ইতিমধ্যেই নেপাল, ভুটান এবং আরব আমিরশাহিতে ইউপিআই পেমেন্ট সিস্টেম চালু হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে ইউপিআই পরিষেবাকে পৌঁছে দিতে আলোচনা চালাচ্ছে এনসিপিআই।

    আরও পড়ুুন: ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত মোদি

    এদিকে, ৪০ বছর (PM Modi) আগে তিনি যে ফরাসি ভাষা শিখতে গিয়েছিলেন, এদিন তা জানালেন প্রধানমন্ত্রী। একটি লালচে রংয়ের কার্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তিনি। গুজরাটের আমেদাবাদে কবি কানাইলাল মার্গে রয়েছে আলিয়ান্স ফ্রাঁসের একটি শাখা। ১৯৮১ সালের ৫ ডিসেম্বর ওই শাখায় ভর্তি হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেজন্য তাঁকে দিতে হয়েছিল ১২৫ টাকা। প্রসঙ্গত, দু দিনের সফরে ফ্রান্সে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর আমন্ত্রণে প্যারিসে গিয়েছেন তিনি। ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান লিজিয়ন অব অনার সম্মানে ভূষিত করেছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Flood Like Situation: যমুনার জলে ভাসছে দিল্লি, তরল তারিণী ঢুকে পড়ল মেট্রো টানেলেও

    Flood Like Situation: যমুনার জলে ভাসছে দিল্লি, তরল তারিণী ঢুকে পড়ল মেট্রো টানেলেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টি, তার সঙ্গে ব্যারাজ থেকে ছাড়া জল, জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত দিল্লি (Flood Like Situation)। বৃষ্টির জমা জলে এমনিতেই ভোগান্তির শেষ ছিল না রাজধানীর বাসিন্দাদের। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো বৃহস্পতিবার যমুনার জল উপচে ভাসল শহর। হু হু করে জল ঢুকে গেল মেট্রো টানেলে। তবে তার জেরে বন্ধ হয়নি রাজধানীর লাইফ লাইন। যদিও ট্রেন চলেছে শম্বুক গতিতে। মঙ্গলবার থেকেই বাড়ছিল যমুনার জল।

    ফুলেফেঁপে উঠেছে যমুনা

    বৃহস্পতিবার সন্ধে সাতটা নাগাদ যমুনার জলস্তর ছিল ২০৮.৬৬ মিটার, বিপদসীমার থেকে অন্তত তিন মিটার বেশি। হরিয়ানার হথিনীকুণ্ড ব্যারাজ থেকে ক্রমাগত জল ছাড়ায় যমুনার জল বাড়ছে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, হথিনীকুণ্ড থেকে জলছাড়া বন্ধ করতে পদক্ষেপ করুক কেন্দ্র। সে যাই হোক, ধারাবর্ষণ এবং যমুনার উপচে পড়া জল জমে গিয়ে শোচনীয় অবস্থা (Flood Like Situation) ময়ূর বিহার, মজনু কা টিলা, সিভিল লাইন্স, যমুনা বাজার, মদনপুর এবং খাদার এলাকার। কোথাও হাঁটু সমান, তো কোথাও কোমর সমান জল। যমুনা তীরবর্তী গীতা কলোনি, নিগম বোধ ঘাট সহ বিভিন্ন এলাকা কার্যত জলের তলায়।

    দুয়ারে যমুনা 

    জল চলে এসেছে দিল্লি বিধানসভার অদূরে। মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের বাসভবন থেকেও বানের জল (Flood Like Situation) খুব বেশি দূরে নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে দিল্লিতে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। উদ্ধারকার্যে নামানো হয়েছে এনডিআরএফ টিমকে। ইতিমধ্যেই ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে শহরের নিচু এলাকাগুলি থেকে সরানো হয়েছে নিরাপদ স্থানে। বন্যা পরিস্থিতির জেরে রবিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখা হচ্ছে স্কুল-কলেজ। জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সরকারি কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: নদীর ধারে ব্যালট! বিক্ষোভ বিজেপির, লাঠিচার্জ পুলিশের, উত্তপ্ত কুমারগঞ্জ

    যে কারণে ভাসছে দিল্লি, সেই একই কারণে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতেও। টানা বৃষ্টি এবং তিস্তা ব্যারাজের ছাড়া জলে প্লাবিত হওয়ার জোগাড় জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া এলাকা। বৃহস্পতিবার বিকেলের পর থেকে জলপাইগুড়ি শহরে ঢুকতে শুরু করেছে করলা নদীর জল। জলঢাকা নদীর সংরক্ষিত ও অসংরক্ষিত দুই এলাকায়ই জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। হাতিনালা উপচে পড়ে বানারহাটে সৃষ্টি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। নাগরাকাটায় ডায়না নদীর বাঁধ ভেঙে জল ঢুকছে গ্রামে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট উদ্ধার-কাণ্ড, কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট উদ্ধার-কাণ্ড, কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় রাস্তার নর্দমার পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যালট মামলায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি সিনহার এজলাসে। সেখানেই তিরস্কৃত হয় কমিশন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “পঞ্চায়েতে জিতলেই হাতে টাকা। আর সেই জন্যই এত দ্বন্দ্ব।” “রাস্তায় ব্যালট পড়ে থাকলে আর নির্বাচনের স্বচ্ছতা কোথায়?” প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার। বৈধ ব্যালট পেপার গণনার আগে কীভাবে সেগুলো গণনা কেন্দ্রের বাইরে গেল ২০ জুলাইয়ের মধ্যে হলফনামায় তা জানানোর নির্দেশও দিয়েছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৫ জুলাই।

    জাঙ্গিপাড়ার বিডিওকে তলব

    বুধবার জাঙ্গিপাড়ায় একটি রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয় শয়ে শয়ে বৈধ ব্যালট পেপার। ব্যালট পেপারগুলিতে সিপিএমের প্রতীকে ভোট দেওয়া ছিল। সেগুলি কুড়িয়ে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন হুগলির বাম নেতারা। রাস্তায় ব্যালট পেপার পড়ে থাকার কারণ জানতে চেয়ে জাঙ্গিপাড়ার বিডিওকে তলব করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। বৃহস্পতিবার বেলা ২টোয় আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। একই সঙ্গে তলব করা হয়েছিল পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসারকেও। ওই বুথের ভোটের দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন, তাঁদেরও নামের তালিকা চেয়েছিলেন বিচারপতি। গণনা কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ এবং ভিডিও ফুটেজও আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

    কমিশনের আইনজীবীকে তিরস্কার

    এদিন জাঙ্গিপাড়ার বিডিও আদালতে (Calcutta High Court) জানান, প্রিসাইডিং অফিসার জয়দেব দে-কে ব্যালটগুলি ইস্যু করা হয়েছিল। কিন্তু সই মিলছে না। পঞ্চায়েত রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব ছিল ভোটের দিন বিষয়টি খতিয়ে দেখার। কিন্তু তার পরে আর আমার কোনও দায়িত্ব নেই। এই বুথ থেকে সন্ত্রাসের কোনও খবর রিপোর্ট হয়নি। কমিশনের আইনজীবীকে তিরস্কার করেন বিচারপতি সিনহা। বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসারকে একজন আইনজীবী হিসেবে নয়, একজন নাগরিক হিসেবে বলুন তো, কী চলছে এটা? কীসের জন্য এত গোলমাল, গন্ডগোল? আসলে এটা একটা কাজ। জয় পেলে টাকা ইনকাম করার রাস্তা খুলে যাবে। তাই এত লড়াই। মামলার পাহাড় জমছে আদালতগুলোতে। কতগুলো ইলেকশন পিটিশনের সমাধান হয়েছে, তথ্য ঘেঁটে বলুন তো। প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতা থেকে বলুন।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি বিতর্ক, কেজরিওয়াল, সঞ্জয় সিংহকে হাজিরার নির্দেশ গুজরাটের আদালতের

    এর পরেই আইনজীবী (Calcutta High Court) বলেন, “এখনও কিছু প্রমাণিত নয়। ইলেকশন পিটিশন করতে হবে। এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়।” প্রত্যুত্তরে বিচারপতি সিনহা বলেন, “ভোট গণনার সময় গোছা গোছা ব্যালট পেপার রাস্তায় পাওয়া গেল, এরপরও বলছেন কিছু প্রমাণিত নয়! এটা বাড়াবাড়ি না? আপনাদের বিডিও স্বীকার করছেন এগুলো আসল ব্যালট, তার পরেও কিছু প্রমাণিত নয় বলে বিষয়টা লঘু করার চেষ্টা করছেন!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি বিতর্ক, কেজরিওয়াল, সঞ্জয় সিংহকে হাজিরার নির্দেশ গুজরাটের আদালতের

    Arvind Kejriwal: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি বিতর্ক, কেজরিওয়াল, সঞ্জয় সিংহকে হাজিরার নির্দেশ গুজরাটের আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ডিগ্রি নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক ও অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তার জেরে কেজরিওয়াল ও সাংসদ আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিংহের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই মামলায় ২৬ জুলাই ওই দুই আপ নেতাকে হাজিরার নির্দেশ দিল গুজরাটের একটি আদালত। এই মামালায় আজ, ১৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার তাঁদের হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এদিন কেজরিওয়ালের আইনজীবী আদালতে জানান, দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টি চলছে। তাই হাজির থাকতে পারলেন না কেজরিওয়াল। এর পরেই বিচারক তাঁদের আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন ২৬ জুলাই।

    কী জানিয়েছিল গুজরাট হাইকোর্ট? 

    কিছু দিন আগেই গুজরাট হাইকোর্ট জানিয়েছিল প্রধান নরেন্দ্র মোদির কোনও কলেজের ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই। প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ করতে সরব হওয়ায় কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়। পরে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পীযূষ পটেল ওই দুই আপ নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। রেজিস্ট্রারের দাবি, গুজরাট হাইকোর্টের নির্দেশের পর কেজরিওয়াল ও সঞ্জয় যে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন ও ট্যুইটারে পোস্ট করেছিলেন, তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাহানি হয়েছে। সেই মামলায়ই আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে গুজরাটের আদালত।

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা 

    প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুসারে, ১৯৭৮ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় (Arvind Kejriwal) থেকে স্নাতক হয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৩ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হন। এহেন শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন কেজরিওয়াল। তার পরেই চিফ ইনফরমেশন কমিশন একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই গুজরাট হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘বাদ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র’’! নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে সওয়াল মোদির

    মামলাকারীর পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার যুক্তি ছিল, “একজন ডক্টরেট ও একজন শিক্ষাগত যোগ্যতাহীন ব্যক্তির মধ্যে গণতন্ত্রে কোনও বিভাজন করা হয় না। এ ক্ষেত্রে জনগণের কোনও স্বার্থও জড়িত নয়। পরন্তু এতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার সঙ্গে তাঁর ডিগ্রির কোনও সম্পর্ক নেই। কারও শিশুসুলভ কৌতুহলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন পড়ে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share