Tag: Bengali news

Bengali news

  • Assembly Election 2023: মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি! ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

    Assembly Election 2023: মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি! ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে (Madhya Pradesh Election 2023) ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩০। এর মধ্যে ১১৯টি পেয়ে তখতে ফিরতে চলেছে পদ্মশিবির। ইন্ডিয়া টিভি সিএমএক্স সমীক্ষার দাবি এমনই।

    মধ্যপ্রদেশের ফল

    ১৭ নভেম্বর বিধানসভা নির্বাচন হবে মধ্যপ্রদেশে। ২০১৮ সালে বিজেপি পেয়েছিল ১০৯টি আসন। সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, গত বারের চেয়ে এবার অন্তত ১০টি আসন বেশি পাবে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দল। গত নির্বাচনে কংগ্রেস যত সংখ্যক আসন পেয়েছিল, এবার তা আরও কমে যাবে। ওই নির্বাচনে নির্দল এবং স্থানীয় ছোট দলগুলি মিলিয়ে মোট ৭টি আসন পেয়েছিল। এবার আসন কমবে তাদেরও। মাত্র ৪টি আসনে জয়ী হতে পারে তারা।

    কোথায় কত আসন

    রাজধানী ভোপালে ২৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ১৬টি (Madhya Pradesh Election 2023)। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ৮টি আসন। বাঘেলখণ্ড এলাকায় রয়েছে ৫১টি আসন। এর মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ২৯টি আসন, কংগ্রেস ২১টি। মালওয়ার এলাকায় ৪৬টি আসনের মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রে জয়ী হতে পারেন বিজেপি প্রার্থীরা। কংগ্রেস পেতে পারে ১৮টি আসন। নিমার এলাকায় ২৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ১২টি, কংগ্রেসের দখলে যেতে পারে ১৫টি আসনের রাশ। চম্বল এলাকায় রয়েছে ৩৪টি আসন। এর মধ্যে গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ১৫টি, আর কংগ্রেস পেতে পারে ৩৪টি আসন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মহুয়া উদ্ধত, এথিক্স কমিটির উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেন’’, অভিযোগ প্যানেল সদস্যার

    রাজস্থানেও এবার ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি (Madhya Pradesh Election 2023)। টাইমস নাও-নবভারত ও ইটিজির সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, মরুরাজ্যে উড়তে চলেছে গেরুয়া নিশান। রাজস্থান বিধানসভার আসন সংখ্যা ২০০। সমীক্ষা বলছে, এর মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ১১৪টি থেকে ১২৪টি আসন। এ রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। তারা পেতে পারে ৬৮-৭৮টি আসন। আপ, আরএলপি সহ অন্য দলগুলি পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। জানা গিয়েছে, এখনই নির্বাচন হলে এ রাজ্যে বিজেপি পেতে পারে মোট ভোটের ৪৩.৮০ শতাংশ। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ৪১.৯০ শতাংশ ভোট। বাকি দলগুলি পেতে পারে ১৪.৩০ শতাংশ ভোট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mahua Moitra: ‘‘মহুয়া উদ্ধত, এথিক্স কমিটির উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেন’’, অভিযোগ প্যানেল সদস্যার

    Mahua Moitra: ‘‘মহুয়া উদ্ধত, এথিক্স কমিটির উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেন’’, অভিযোগ প্যানেল সদস্যার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের এথিক্স কমিটির বৈঠকে শিষ্টাচারের সমস্ত মাত্রা লঙ্ঘন করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। এমনই অভিযোগ করলেন কমিটির অন্যতম সদস্যা অপরাজিতা সারঙ্গি। শুধু তাই নয় এথিক্স কমিটিকে উদ্দেশে এমন কিছু আপত্তিকর শব্দ মহুয়া প্রয়োগ করেন যা প্রকাশ্যে বলতে পারেননি অপরাজিতা সারেঙ্গি। প্রসঙ্গত, ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া, এই অভিযোগের ভিত্তিতে মহুয়াকে তলব করে সংসদের এথিক্স কমিটি। বৃহস্পতিবার এথিক্স কমিটির সেই বৈঠক থেকে হঠাৎই বেরিয়ে আসতে দেখা যায় মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। তখন সংবাদমাধ্যমকে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সংসদ জানান যে তাঁকে ব্যক্তিগত এবং অনৈতিক প্রশ্ন করা হয়েছে।

    কী বলছেন বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গি?

    মহুয়ার এই দাবি যে সঠিক নয় এবং তিনি যে সত্য কথা বলছেন না তা বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির কথাতেই স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘‘মহুয়া সব ধরনের শিষ্টাচারের মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। আমরা মহুয়াকে (Mahua Moitra) ডেকে পাঠিয়েছিলাম। তাঁর সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কথা ছিল। দর্শন হীরানন্দানি যে হলফনামা দিয়েছিলেন, তাঁর উপর ভিত্তি করেই শুধু প্রশ্ন করেছিলেন কমিটির চেয়ারম্যান। তাই সীমা ছাড়ানোর বা হলফনামার বাইরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।’’

    মহুয়ার ঔদ্ধত্য

    প্রসঙ্গত মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে দেশের সংবাদমাধ্যম থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ, সংবাদমাধ্যমকে দু পয়সার সাংবাদিক বলে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন। এতে তাঁকে বয়কট করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। মহুয়ার ঔদ্ধত্য যে একেবারেই বদলায়নি তা ফের এথিক্স কমিটির কথাতেই পরিষ্কার হল। বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির মতে, ‘‘হাবেভাবে খুবই উদ্ধত ছিলেন তিনি। খুবই রুক্ষ ছিলেন। তিনি ভুয়ো বক্তব্য তৈরি করে দেশের মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন। নিজেকে হেনস্থার শিকার হিসাবে তুলে ধরেছেন।’’  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal Earthquake: মধ্যরাতে নেপালে বিধ্বংসী ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা একশোর বেশি

    Nepal Earthquake: মধ্যরাতে নেপালে বিধ্বংসী ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা একশোর বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মধ্যরাতে নেপালে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে বলে খবর। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন ১৪০ জন। শুক্রবার রাত ১১টা ৩২ মিনিট নাগাদ নেপালের এই ভূমিকম্পের কারণে দুলে ওঠে রাজধানী দিল্লিও। কম্পন অনুভূত হয় কলকাতাতেও। কলকাতা থেকে ভূমিকম্পের উৎসস্থলের দূরত্ব ৯২৫ কিমি এবং দিল্লি থেকে ২৫৩ কিমি। বেশ কয়েক সেকেন্ড ধরেই কম্পন (Nepal Earthquake) অনুভূত হয়।

    তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাড়িগুলি

    ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলি জানাচ্ছেm ভূমিকম্পের অভিঘাতের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে শুরু করে বাড়িগুলি। তাতে চাপা পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। বহু বাড়িতে চওড়া ফাটল দেখা দিয়েছে। বর্তমানে সব থেকে বেশি মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, রুকুম পশ্চিম থেকে। সেখানে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে নেপালের এই ভূমিকম্পে (Nepal Earthquake) সেদেশের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল শোক প্রকাশ করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে লেখা হয়, ‘‘শুক্রবার রাত ১২টা নাগাদ জাজারকোটের ভূমিকম্পের কারণে হওয়া মৃত্যু এবং ক্ষয়ক্ষতির জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল। উদ্ধারকাজ এবং ত্রাণের জন্য তিনটি নিরাপত্তা সংস্থা ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।’’

    গত ১ মাসে নেপালে ৪ বার ভূমিকম্প 

    এটাই প্রথম নয় বিগত এক মাসের মধ্যে এই নিয়ে ৪ বার ভূমিকম্প কেঁপে উঠল নেপাল। গত ২২ অক্টোবর ভূমিকম্প হয় রাজধানী কাঠমান্ডুতে। সে সময় রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.১। ভূমিকম্পের (Nepal Earthquake) কেন্দ্রস্থল ছিল তখন নেপালের ধাদিং জেলায়। এর ঠিক দুদিন পরে আবার ভূমিকম্প হয় নেপালে। তখন মাত্রা ছিল ৪.১। আবার গত ৩ অক্টোবরও দুলে উঠেছিল নেপাল। অর্থাৎ পরপর চারবার ভূমিকম্প হল বিগত একমাসে নেপালে। নেপালের ভূমিকম্পে প্রভাব পড়ে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্ণৌ সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়। নেপাল হল পৃথিবীর ১১তম ভূমিকম্প প্রবণ রাষ্ট্র।

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ভূমিকম্প

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বীরভূমে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওই উৎসস্থল ছিল ঝাড়খণ্ডের দুমকা। বীরভূম বেশ কিছু এলাকা কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে (Nepal Earthquake)। আবার পশ্চিমবঙ্গে গত ২ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ইত্যাদি জায়গায়। তখন ভূমিকম্পের উৎস ছিল মায়ানমার। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৫.১।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rice Mill: “খাদ্য দফতরের আধিকারিকের প্রতারণায় বন্ধ হয়েছে চালকল”, বিস্ফোরক মালিক

    Rice Mill: “খাদ্য দফতরের আধিকারিকের প্রতারণায় বন্ধ হয়েছে চালকল”, বিস্ফোরক মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৮ সালে বন্ধ হয়ে যায় ৬০ বছরের পুরাতন চালকল (Rice Mill)। খাদ্য দফতরের আধিকারিকের প্রতারণায় চালকল বন্ধ হয়েছে বলে অভিযোগ। চালকলের মালিক জানিয়েছেন, একদিকে মূলত আর্থিক প্রতারণা এবং অপর দিকে প্রশাসনিক চাপের কারণেই চালকল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই অভিযোগে তীব্র শোরগোল হুগলির গোঘাটে।

    প্রধান অভিযোগ কী (Rice Mill)?

    ২০১৭ সালে খানাকুলের ঘোষপুর-রামপ্রসাদ সিপিসি ক্যাম্প থেকে কৃষকদের ধান কিনেছিল খাদ্য দফতর। কিন্তু সেই ধান হরগৌরী রাইস মিলের (Rice Mill) গোডাউনে পাঠায়। মিলের কম্পিউটারে ১৫০০ মেট্রিক টন ধান দেওয়া হয় বলে তথ্য লোড করা হয়েছিল। এরপর চাপ এবং ভয় দেখিয়ে বিক্রির কাগজে সই করিয়ে নেয় খাদ্য দফতরের এক আধিকারিক। এমনকী ২৫০ মেট্রিক টন চালের টাকা খাদ্য দফতর আটকে দিয়েছিল। ফলে  টাকা না পাওয়ায় বিষয় নিয়ে মিল কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা করে। আর তার ফলেই আর্থিক অভাবে রাইস মিল বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।

    চালকল মালিকের বক্তব্য

    হুগলির হরগৌরি চালকলের (Rice Mill) মালিক আশিসকুমার মণ্ডল বলেন, “পুরোপুরি খাদ্য দফতরের আধিকারিক প্রতারণা করেছে। যিনি পারচেজ অফিসার, তিনি ধান নিয়ে বাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে কোনও টাকা আমরা পাইনি। অথচ ধান আমার নামে ইস্যু দেখিয়েছেন। পুলিশ নিজে চার্জশিটে লিখেছে বিষয়টি। আমাকে সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে, সবকিছুতে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে। খাদ্য দফতরের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। আজ বন্ধ আমাদের রাইস মিল।”

    মহাকুমা কন্ট্রোলারের বক্তব্য

    বিষয়টি নিয়ে মহকুমা কন্ট্রোলার অজিত মাইতি বলেন, “খাদ্য দফতরের ধান রাখার কোনও জায়গা নেই, যা কেনা হয় সব ধান রাইস মিলে চলে যায়। ২০১৭ সালে আমি ছিলাম না। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। তাই মন্তব্য করব না।”

    আরামবাগে মোট ১২০ টি রাইস মিল রয়েছে। বেশ কিছু মিল আর্থিক অনটনে ভুগছে। খাদ্য দফতরের প্রাক্তন মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন ইতিমধ্যে। ফলে খাদ্য দফতরের কর্মীরা কোন উদ্দেশ্যে রাইস মিলগুলির (Rice Mill) সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা করছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UNESCO: কোঝিকোড় ‘সাহিত্যের শহর’, গোয়ালিয়র ‘সঙ্গীতের শহর’! বিশেষ স্বীকৃতি ইউনেস্কোর

    UNESCO: কোঝিকোড় ‘সাহিত্যের শহর’, গোয়ালিয়র ‘সঙ্গীতের শহর’! বিশেষ স্বীকৃতি ইউনেস্কোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দুটি শহরকে বিশেষ সম্মানের তক্‌মা ঘোষণ করল ইউনেস্কো (UNESCO)।  এই ঘোষণায় ভারতের মুকুটে আরও এক জোড়া পালক যুক্ত হল। কেরলের কোঝিকোড় শহরকে ‘সাহিত্যের শহর’ এবং মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রকে ‘সঙ্গীতের শহর’ বলে বিশেষ ঘোষণা করল ইউনেস্কো। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এই খুশির খবর প্রকাশ করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    সাহিত্যের শহর কোঝিকোড়

    ইউনেস্কো (UNESCO) কেরলের কোঝিকোড় শহরকে সাহিত্যের শহর বলে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেছে। এই শহর হল প্রাণবন্ত সাহিত্যের কেন্দ্রভূমি। কেরল ইনস্টিটিউট অফ লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের একটি প্রস্তাবেই ২০২২ সাল থেকে সাহিত্য কৃতিত্বের দিকে যাত্রা শুরু করে। কোঝিকড় কর্পোরেশনের প্রচেষ্টায় চেক রিপাবলিক দেশের প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে ২০১৪ সালেও বিশেষ সম্মান লাভ করেছিল এই শহর। প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক ছাত্রী লুদমিলা কোলোচোয়া তাঁর এক গবেষণায় কোঝিকোড়ের সাহিত্য বিষয়ে তথ্য প্রদান করেন। তুলনামূলক আলোচনায় দেখা গিয়েছে, প্রাগের তুলনায় কঝিকোড় শহরে ৫০০টির বেশি গ্রন্থাগার এবং ৭০টির বেশি প্রকাশক মিলে সাহিত্য নির্মাণের ভিত্তি নির্মাণ করেছে। বার্ষিক কেরল সাহিত্য উৎসবে বই প্রকাশের সংখ্যা বিচারে এই শহরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

    সঙ্গীতের শহর গোয়ালিয়র

    মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র এই শহরটিকে ইউনেস্কো (UNESCO) ‘সঙ্গীতের শহর’ বলে বিশেষ মর্যাদা প্রদান করেছে। এই শহরের সঙ্গীত চর্চার একটি দীর্ঘ পরম্পরা রয়েছে। সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন, বালিতি বাওরার মতো ব্যক্তিত্ব গোয়ালিয়র সঙ্গীত ঘরানার মাত্রা সৃষ্টি করেছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “আমরা খুব গর্বিত যে সঙ্গীত চর্চায় গোয়ালিয়র বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এই শহর কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী তানসেন এবং বালিতি বাওরার জন্মভূমি। ভারতের প্রাচীন হিন্দুস্থানী সঙ্গীত চর্চার অন্যতম পীঠস্থান।”

    উল্লেখ্য, বিশ্বের ১০০টি দেশের ৩৫০টি শহরকে সৃজনশীল কারুশিল্প, লোকশিল্প, নকশা, চলচ্চিত্র, সাহিত্য, মিডিয়া আর্টস এবং সঙ্গীত বিষয়ে সম্মানিত করেছে ইউনেস্কো। আগামী ৫ জুলাই ২০২৪ সালে পর্তুগালের ব্রাগায় এক বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে উক্ত দেশগুলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Puri Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথদেবের মহাপ্রসাদের মূল্য একলাফে বেড়ে ৩ গুণ! ভক্তমহলে অসন্তোষ

    Puri Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথদেবের মহাপ্রসাদের মূল্য একলাফে বেড়ে ৩ গুণ! ভক্তমহলে অসন্তোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর শ্রী জগন্নাথ মহাপ্রভুর (Puri Jagannath Temple) মহাপ্রসাদের দাম এক লাফে তিন গুণ বৃদ্ধি বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, অনেক দিন ধরেই মহাপ্রভুর প্রসাদের দাম বৃদ্ধি করা হবে বলে জানা যাচ্ছিল। কিন্তু এবার এই প্রসাদের দাম বৃদ্ধি হয়েছে। এই নিয়ে ভক্ত মহলের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে। তবে অধিকাংশ ভক্ত মহলে নতুন দাম নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে, বলে এমনটাই জানা গিয়েছে।

    প্রভু জগন্নাথের প্রসাদের নতুন মূল্য কত?

    পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে (Puri Jagannath Temple) প্রসাদের দাম নিয়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। জগন্নাথ মন্দিরে গত সপ্তাহেও মহাপ্রসাদের প্লেট পিছু দাম ছিল ১০০ টাকা। কিন্তু বর্তমানে সেই প্রসাদের মূল্য হয়েছে ৩০০ টাকা। ফলে প্লেট পিছু প্রসাদের দাম বৃদ্ধি হল এক লাফে ৩ গুণ। অপর দিকে মহাপ্রভু জগন্নাথের স্পেশাল মহাপ্রসাদের মূল্য ছিল ৩০০ টাকা। এবার তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াল ৫০০ টাকা। স্পেশাল প্লেটের প্রসাদের মধ্যে থাকত ভাত, ডাল, ডালমা, বেসর, মহুরা ও সাগা।

    জগন্নাথ ভক্তের প্রতিক্রিয়া (Puri Jagannath Temple)

    জগন্নাথ মন্দিরের মহাপ্রসাদের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আক্ষেপের বহিঃপ্রকাশ করেন জগন্নাথ ভক্তরা। কটক থেকে আগত এক ভক্ত বলেন, “প্রভুর প্রসাদের দাম এতটা বৃদ্ধি পেয়েছে আমি আগে কখনও দেখিনি। দরিদ্র ভক্তদের পক্ষে এতো মূল্য দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করা কীভাবে সম্ভব? সবার তো আর আর্থিক অবস্থা সমান নয়। প্রসাদের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে আরও ভাবনাচিন্তা করা প্রয়োজন।” অপর দিকে জয়পুর থেকে আগত এক জগন্নাথ ভক্ত, প্রসাদের মূল্য বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

    সেবায়েত সংগঠনের বক্তব্য

    জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Jagannath Temple) মহাপ্রসাদের বিষয় নজরে রাখেন মহাসুয়া নিজোগ বা সেবায়েত সংগঠন। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে সচিব নারায়ণ মহাসুয়া বলেন, “মহাপ্রসাদের দাম বাড়ানো হয়েছে এটা ঠিক। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা আমাদের কাছ থেকে প্রসাদ কিনে ভক্তদের অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে। আর তাই এই দাম, তারাই ধার্য করেছে। তবে মন্দির কমিটিকে এই বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।” দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, মন্দির সংলগ্ন পুরীর আনন্দ বাজারে মহাপ্রসাদ বিক্রির প্রবাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam Case: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র কনভয়ে থাকত ব্যবসায়ী বাকিবুরের গাড়ি! বিস্ফোরক দাবি ইডির

    Ration Scam Case: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র কনভয়ে থাকত ব্যবসায়ী বাকিবুরের গাড়ি! বিস্ফোরক দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় (Ration Scam Case) জ্যোতিপ্রিয়-বাকিবুর যোগের চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কনভয়ের মধ্যেই থাকত পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের গাড়ি।

    ঝুলি থেকে বেরল বেড়াল

    মঙ্গলবার ইডির আধিকারিকরা জেরা করেছিল জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অমিত দে-কে। তার পরেই বের হয় ঝুলি থেকে বেড়াল। তদন্তকারীরা জেনেছেন, খাদ্য দফতরে গিয়ে জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে প্রায়ই বৈঠক করতেন বাকিবুর। মন্ত্রিমশাইয়ের নির্দেশেই রেশন ডিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বাকিবুর। অমিতের মোবাইল থেকেও কথা হত বাকিবুরের সঙ্গে। এদিকে, আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসা নিয়ে হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। ৮ নভেম্বর পর্যন্ত পিছল মামলার শুনানি। তাই কমান্ড হাসপাতালে মন্ত্রিমশাইয়ের চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা রইল না ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কেবল বাকিবুর এবং জ্যোতিপ্রিয়ই এই কেলেঙ্কারিতে যুক্ত, তা নয়। তৎকালীন খাদ্য দফতরে কর্মরত একাধিক সরকারি আধিকারিক এবং আমলাও কাঠগড়ায় (Ration Scam Case)।

    কেলেঙ্কারির সুতোয় টান

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে প্রথমে গ্রেফতার করা হয় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে। তাঁকে জেরা করতেই উঠে আসে জ্যোতিপ্রিয়র নাম। গত বৃহস্পতিবার টানা ১৮ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানো হয় জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে। করা হয় জিজ্ঞাসাবাদও। শুক্রবার ভোরে গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পরে তোলা হয় আদালতে। বিচারক তাঁকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। রায় শুনে আদালতেই জ্ঞান হারান জ্যোতিপ্রিয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সোমবার রাত ১০টা নাগাদ মন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় ইডি। পরের দিন জেরা করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রি করেছে দল’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা

    এদিনই জেরা করা হয় মন্ত্রীর দুই প্রাক্তন আপ্ত সহায়ককে। এঁদেরই একজন হলেন অমিত। তিনিই জানান, বাকিবুরের সঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার কথা। এর আগেও মন্ত্রীর সঙ্গে বাকিবুরের ঘনিষ্ঠতার কথা জেনেছে ইডি। তারা জেনেছে, তিনটি শেল কোম্পানির মাধ্যমে নয়ছয় করা হয়েছে রেশন কেলেঙ্কারির টাকা। এই কোম্পানিগুলিতে ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরের পরিবারের সদস্যরা (Ration Scam Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Rain Forecast: শুক্র-শনিতে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ, কোন কোন জেলায় বৃষ্টি হবে জানেন?

    Rain Forecast: শুক্র-শনিতে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ, কোন কোন জেলায় বৃষ্টি হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যালেন্ডার বলছে হেমন্তকাল। সকাল সন্ধ্যায় হালকা শীতের আমেজ। বৃহস্পতিবার সকালে অবশ্য উধাও হয়ে গিয়েছিল এই আমেজ। আকাশের মুখভার। শুক্র ও শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত (Rain Forecast)।

    বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সমুদ্রে উপকূল লাগোয়া এলাকায় একটি বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তাই প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। তাই বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। জানা গিয়েছে, এই হৈমন্তিক আমেজ বেশি দিন স্থায়ী হবে না। ৭ তারিখের পর নেমে যাবে রাতের তাপমাত্রা। মৌসম ভবন জানিয়েছে, এই ক’দিন অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে থাকবে ঠান্ডার আমেজ।

    বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

    কেবল দক্ষিণ নয়, বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায়ও। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে। উত্তরের বাকি জেলাগুলিতে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও, বৃষ্টি হবে না। দক্ষিণবঙ্গের একদিন আগেই রাতের তাপমাত্রা অনেকটাই নামতে পারে উত্তরবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গেও বইবে পূবালি হাওয়া। তার জেরে পড়বে ঠান্ডা। হাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে। শুষ্ক থাকবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার আবহাওয়া।

    আরও পড়ুুন: এথিক্স কমিটির প্রশ্নবাণের চাপ! মাঝপথেই বেরিয়ে গেলেন মহুয়া, কী প্রতিক্রিয়া নিশিকান্তের?

    শনিবার দক্ষিণবঙ্গে কিছুটা কমবে বৃষ্টির দাপট। সেদিন হালকা বৃষ্টির (Rain Forecast) পূর্বাভাস রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর এবং দুই বর্ধমানে। সেদিন অবশ্য শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায়। জানা গিয়েছে, আগামী কয়েকদিন বাড়বে পূবালি হাওয়ার দাপট। তার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে ঢুকবে জলীয় বাষ্প। সেই কারণে আগামী কয়েক দিন কোথাও আংশিক, কোথাও আবার মেঘলা আকাশ থাকবে রাজ্যের উপকূল ও উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতে (Rain Forecast)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’, কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’, কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসা হলে সাধারণ মানুষের কী হবে? কার্যত এই ভাষায় রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রয়োজনে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে শোকজ করার দাবিও তোলেন বিজেপির এই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ। ‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’ দিলীপের এই কটাক্ষে  তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্য জুড়ে। কার্যত মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রাজ্যের বেহাল অবস্থা বর্ণনা করলেন। 

    কী বললেন দিলীপ (Dilip Ghosh)?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর কতটা বেহাল এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “এসএসকেএম রাজ্যের অন্যতম নামী সরকারি হাসপাতাল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসা ভুলভাল হলে রাজ্যের মানুষের কী হবে?” রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর মমতার হাতে, তাই দিলীপের তির যে মুখ্যমন্ত্রীর দিকে ছিল তা বলার অবকাশ রাখে না।

    পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “কেউটে হোক আর কেঁচো হোক, সাহস থাকলে বার করুন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের হাতে পুলিশ, সিআইডি আছে। এখন এইগুলিকে তৃণমূল সরকার ব্যবহার করছে নিজেদের দোষ চাপা দেওয়ার জন্য। সিপিএমকে শুধু হুমকি দিয়ে গিয়েছেন কিন্তু একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেননি। উল্টে তৃণমূলের চোরেরাই জেলে যাচ্ছে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে হাতিয়ার দিলীপের(Dilip Ghosh)

    বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন করে এসএসকেএমের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার কথা বলেন। পায়ের চোটের কারণে একমাস চলাফেরা করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার পায়ের সংক্রমণ সেপটিক টাইপের হয়ে গিয়েছিল। হাতে স্যালাইন চ্যানেল করে রাখা হয়েছিল। বিছানা থেকে উঠতে পারিনি।” নিজের কালীঘাটের বাড়ি থেকেই প্রশাসনিক কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অপর দিকে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই, নিজের দফতরের কাজ নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। আর এই একই কথা বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মুখে শোনা গেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cash For Query Case: এথিক্স কমিটির প্রশ্নবাণের চাপ! মাঝপথেই বেরিয়ে গেলেন মহুয়া, কী প্রতিক্রিয়া নিশিকান্তের?

    Cash For Query Case: এথিক্স কমিটির প্রশ্নবাণের চাপ! মাঝপথেই বেরিয়ে গেলেন মহুয়া, কী প্রতিক্রিয়া নিশিকান্তের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এথিক্স কমিটির প্রশ্নবাণের (Cash For Query Case) মুখে পড়ে জিজ্ঞাসাবাদ-পর্বের মাঝ পথে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূল (TMC) নেত্রী তথা বাংলার সাংসদ মহুয়া মৈত্র। টাকা নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে ২ নভেম্বর তাঁকে তলব করেছিল এথিক্স কমিটি। বৃহস্পতিবার বেলা এগারোটা নাগাদ এথিক্স কমিটির সামনে হাজির হন তিনি। প্রথম দফায় মহুয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে। কিছুক্ষণের বিরতির পর ফের শুরু হয়েছিল জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব।

    দুটি প্রশ্ন

    সূত্রের খবর, মহুয়ার কাছে মূলত দুটি প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করা হয়। এক, ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানিকে তিনি সংসদের লগ-ইন আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন কিনা, আর দুই, বিদেশ থেকে মোট ৪৭ বার ওই আইডি-পাশওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করা হয়েছে কিনা। কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ব্যবসায়ী হীরানন্দানির কাছে টাকা ও দামি দামি উপহার নিয়ে (Cash For Query Case) সংসদে প্রশ্ন করেছিলেন তিনি। সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ, মহুয়া তাঁর সংসদের আইডি দিয়েছিলেন হীরানন্দানিকে। এ প্রসঙ্গে এথিক্স কমিটির প্রধান বিনোদ সোনকর বলেন, “সংসদের লগ-ইন আইডি সাংসদ বাদ দিয়ে অন্য কারও ব্যবহার করা গুরুতর অপরাধ। যে অভিযোগ উঠেছে, সংসদের ইতিহাসে তা নজিরবিহীন।”

    ২ লাখি ব্যাগ মহুয়ার

    এদিন লাল শাড়ি, চোখে দামি সানগ্লাস এবং তিনটি ব্যাগ নিয়ে এথিক্স কমিটির সামনে হাজির হন মহুয়া। এগুলির মধ্যে একটি ছিল ‘লুই ভ্যুতো’র মতো নামী ব্র্যান্ডের ব্যাগ। একটি ল্যাপটপ ব্যাগও ছিল। ‘লুই ভ্যুতো’র এই হাতব্যাগটির দাম ভারতীয় টাকায় ২ লক্ষেরও বেশি। এই ব্যাগটি নিয়ে একবার সংসদেও এসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। একবার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে যখন সংসদে সরব হয়েছিলেন তৃণমূলেরই কাকলি ঘোষদস্তিদার, তখন দামী ওই হাতব্যাগটি লুকিয়ে ফেলেছিলেন মহুয়া। বিজেপির দাবি, সেদিন নামী ব্র্যান্ডের মূল্যবান ওই ব্যাগটি লজ্জায় লুকিয়ে ফেলেছিলেন সাংসদ।

    এদিকে, এথিক্স কমিটি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদ-পর্বের (Cash For Query Case) দ্বিতীয়ার্ধে চেয়ারম্যানের প্রশ্নের মুখে পড়ে বেরিয়ে চলে যান মহুয়া। পড়ে যান সাংবাদিকদের সামনে। সাংবাদিকদের প্রশ্নে মেজাজ হারান কৃষ্ণনগরের সাংসদ। এভাবে এথিক্স কমিটির বৈঠকে ছেড়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা নজিরবিহীন বলেও ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    আরও পড়ুুন: ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রি করেছে দল’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা

    নিশিকান্ত বলেন, “দর্শন হীরানন্দানি তাঁর হলফনামায় যে অভিযোগ এনেছেন, লোকসভার এথিক্স কমিটিকে তা নিয়ে প্রশ্ন করতেই হত মহুয়াকে। অভিযোগের সব প্রমাণ আমি দিয়েছি। কোনও শক্তিই মহুয়াকে রক্ষা করতে পারবে না।” বৈঠক ছেড়ে মহুয়ার বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একজন অনগ্রসর নেতা এথিক্স কমিটির নেতৃত্ব দেওয়ায় বিরোধী সাংসদরা অসন্তুষ্ট। তাই এমনটা করেছেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share