Tag: Bengali news

Bengali news

  • CV Aanand Bose: রাজ্যের ৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে শোকজ রাজ্যপালের, কেন জানেন?

    CV Aanand Bose: রাজ্যের ৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে শোকজ রাজ্যপালের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাঁধল নবান্ন-রাজ্যপাল সংঘাত। রাজভবনে সাপ্তাহিক রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Aanand Bose)। সেই রিপোর্ট না পাঠানোয় রাজ্যের ৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে শো-কজ করলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য সিভি আনন্দ বোস। জানা গিয়েছে, ৪ এপ্রিল এবং ২৩ মে দু দফায় চিঠি দেওয়া হয় উপাচার্যদের। তার পরেও মেলেনি জবাব। তার জেরে এবার পাঠানো হল শো-কজ নোটিশ। কলকাতা, যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে এখনও চিঠি পাঠানো হয়নি বলেই খবর।

    রাজ্যপালের (CV Aanand Bose) নির্দেশিকা

    সম্প্রতি রাজভবনের (CV Aanand Bose) তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তাতে বলা হয়, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে আগে আচার্য তথা রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কী কাজ হচ্ছে, তা রিপোর্ট আকারে প্রতি সপ্তাহের শেষ কাজের দিনে, ইমেল করে রাজভবনকে জানাতে হবে। উপাচার্যরা যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরাসরি আচার্যের সঙ্গে টেলিফোন কিংবা ইমেলে কথা বলতে পারবেন।

    রাজ্যের প্রতিক্রিয়া

    রাজ্যপালের এহেন ‘আচরণ’ ভালভাবে নেয়নি নবান্ন। বিজ্ঞপ্তি প্রসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, রাজ্যপাল এই নির্দেশিকা জারি করতে পারেন কিনা, তা নিয়ে আমরা আইনজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলব। আশা করি, উনি ওই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেবেন। শিক্ষামন্ত্রীর সুরে সুর মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, উপাচার্যরা কাজ না করে সাপ্তাহিক রিপোর্ট দিতে যাবেন নাকি?  

    আরও পড়ুুন: ‘‘আজ সারা বিশ্ব জানতে চায়, ভারত কী ভাবছে!’’ দেশে ফিরে বললেন মোদি

    উপাচার্যদের কাছ থেকে কোনওরূপ সাড়াশব্দ না পেয়ে ২৩ মে ফের একবার তাঁদের চিঠি দেন রাজ্যপাল (CV Aanand Bose)। আগের নির্দেশিকার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলা হয়, সাপ্তাহিক রিপোর্ট দিতেই হবে। তার পরেও উপাচার্য সাপ্তাহিক রিপোর্ট পাঠাননি। এর পরেই ওই ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের শোকজ করেন রাজ্যপাল। এর আগে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, এটা আগের চিঠিরই পুনরাবৃত্তি। যা করার তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেই করা হবে। যে ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের শোকজ করা হয়েছে, সেগুলি হল, পুরুলিয়ার সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়, বারাসত স্টেট ইউনির্ভাসিটি, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, কাজি নজরুল এবং সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • G20: “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত”, বললেন জি২০-র প্রতিনিধিরা

    G20: “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত”, বললেন জি২০-র প্রতিনিধিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল জি২০-র (G20) তৃতীয় ট্যুরিজম ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। মঙ্গলবার শেষ হয় ওই বৈঠক। বুধবার সকালে বৃষ্টির মধ্যেই ভূস্বর্গ ঘুরে দেখতে বেরিয়ে পড়েন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন প্রায় ৬০ জন বিদেশি প্রতিনিধি। দিনের শুরুতেই জাবারওয়ান পর্বতমালাকে ব্যাকড্রপ করে যোগা করেন তাঁরা। তার পরেই চলে যান নিশাত গার্ডেন ঘুরে দেখতে। ডাল লেকের ধারে রয়েল স্পিং গল্ফ কোর্সও ঘুরে দেখেন ওই প্রতিনিধিরা। ট্যুইট-বার্তায় একথা জানান কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী স্বয়ং। 

    কাশ্মীর নিয়ে কী মত জি২০-র (G20) প্রতিনিধিদের?

    ভিনদেশিদের দেখে খুশি কাশ্মীরে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরাও। তাঁদের অনেককেই এই বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায়। এঁদের অনেকেই কাশ্মীরের ট্র্যাডিশনাল পোশাক পরেছিলেন। জি২০ শেরপা অমিতাভ কান্ত বলেন, “এটা একটা দারুন অভিজ্ঞতা। আন্তরিক (G20) আতিথেয়তা, উষ্ণ অভ্যর্থনা। আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। তাই আমরা কাশ্মীর দর্শন উপভোগ করলাম। আমরা কাশ্মীর দেখেছি এবং কাশ্মীরবাসীর ভালবাসা উপভোগ করেছি।”

    অভ্যাগতরা যে কাশ্মীরের অ্যাম্বাসাডর হবেন সে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখানে রয়েছে সুফি সংস্কৃতি। যেটা জি২০-র দর্শনের সঙ্গে মেলে। কাশ্মীরের সুফি মতবাদের সার কথাই হল, আমরা সবাই একই পরিবারের। আমরা একটা পরিবারের মতো থেকে জি২০ উপভোগ করেছি। প্রত্যেক প্রতিনিধি একটা মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে গিয়েছেন এবং তাঁরা প্রচুর পর্যটক নিয়ে ফিরবেন।”

    কাশ্মীর দেখা উচিত, কেন বললেন এ কথা?

    এদিন ডাল লেকের পাশে বুলেভার্ড রোডও ঘুরে দেখেন বিদেশি প্রতিনিধিরা। কেনাকাটা করতে চলে যান লালচকের পোলো মার্কেটে। সেই কারণে কাশ্মীরের ওই বাজার আধ ঘণ্টার জন্য (G20) বন্ধ করে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষের জন্য। ভারতে সিঙ্গাপুরের হাই কমিশনার সাইমন ওয়াং বলেন, “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত।”

    প্রসঙ্গত, শ্রীনগরের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রিটেন, আমেরিকায় এবং ইউরোপিয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    Manipur: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অশান্তি হয়েছিল মণিপুরের (Manipur) রাজধানী ইম্ফলে। অশান্তির সেই আগুন (Violence) ছড়িয়ে পড়ল মঙ্গলবারে। এবার অকুস্থল বিষ্ণুপুর জেলার ফউবাকচা এলাকা। আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে মোট ৭টি বাড়ি। ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। জখম হয়েছেন দুজন। অশান্তির আঁচ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তাই রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নতুন করে জারি করা হয়েছে কার্ফু। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ জানান, রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকার চুপ করে বসে নেই।

    মণিপুরে (Manipur) অশান্তির আগুন

    ৩ মে অশান্তি শুরু হয় মণিপুরে। সেই সময় যেসব জায়গায় সব চেয়ে বেশি উত্তেজনা ছড়িয়েছিল, সেগুলির মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুপুর ও চূড়াচাঁদপুর। এই বিষ্ণুপুরে আগে যে অশান্তি হয়েছিল, তখন মৃত্যু হয়েছিল এক সেনা জওয়ান ও পুলিশ কমান্ডোর। আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল বেশ কয়েকজনকে। সোমবার ইম্ফলে যে অশান্তি হয়, সেখানে নিউ লাম্বুলেন এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে। নিউ কেইথিলমানবি এলাকা থেকেও বন্দুক ও গুলি সহ গ্রেফতার করা হয় একজনকে। পুলিশের দাবি, এরা হিংসার সঙ্গে যুক্ত।

    শান্তি বজায় রাখার আর্জি

    মণিপুর (Manipur) সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিংহ জানান, মঙ্গলবার রাতের ঘটনায় কতজন হতাহত হয়েছেন, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। হিংসার ঘটনা রুখতে রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নতুন করে কার্ফু জারি করা হয়েছে। তবে দৈনন্দিন কাজের জন্য কিছু সময়ের জন্য কার্ফু শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, এদিনই মণিপুরের দুই সাংসদ দেখা করেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিংহের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন কুকি ও মণিপুর জনগোষ্ঠীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানান তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মণিপুরের (Manipur) স্পিয়ার কর্পসের তরফে জানানো হয়েছে, কাংচুক চিংখং জংশন এলাকায় মোবাইল ভেহিক্যাল চেক পোস্ট বসানো হয়েছিল। সেখানে একটি মারুতি অল্টো আটক করা হয় হয়। গাড়িটি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৫টি শটগান, ৫টি গ্রেনেড এবং ৩ কার্টন শটগানের বারুদ। গ্রেফতার করা হয়েছে তিনজনকে। তুলে দেওয়া হয়েছে পুলিশের হাতে।

    প্রসঙ্গত, মণিপুরের সিংহভাগ জনতা মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত। তফশিলি জনজাতি মর্যাদার দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরেই আন্দোলন করছেন তাঁরা। তাঁদের এই দাবির বিরোধিতা করে মিছিল বের করে অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর। সেখান থেকেই শুরু হয় অশান্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC: ব্লক সভাপতিকে গ্রেফতারের দাবিতে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করলেন তৃণমূল কর্মীরা, কেন জানেন?

    TMC: ব্লক সভাপতিকে গ্রেফতারের দাবিতে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করলেন তৃণমূল কর্মীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল দক্ষিণ দিনাজপুরে তপন ব্লক তৃণমূলের (TMC) সভাপতি অনাদি লাহিড়ীর বিরুদ্ধে। অনাদিবাবুর টাকা নেওয়ার সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার পর পরই ওই নেতা ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। এত কিছু ঘটনার পরও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব অনাদিবাবুর সঙ্গে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এমনকী তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়নি। এই সব ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ওই তৃণমূল (TMC) নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে তপন-মালদা রাজ্য সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে তপন থানার আজমতপুর এলাকায়। অবরোধকারীরাও সকলেই তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি অনাদিবাবু চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বহুজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। চাকরি না পাওয়ায় প্রতারণার শিকার আনোয়ার সরকার নামে এক যুবক, সম্প্রতি টাকা নেওয়ার সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রতারণার এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েও অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। টাকা নেওয়ার এই ঘটনায় তপন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য কায়েল সরেণ ক্ষুব্ধ। তাঁর নেতৃত্বে এলাকাবাসী এদিন আজমতপুর মোড়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন। এক অবরোধকারী তথা স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতা সুকুমার মণ্ডল বলেন, “আমরাও তৃণমূল করি। তৃণমূল দলে থেকে যারা অন্যায় করবে তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাঁড়াবো। দল ও প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব। আমরা দলকে বিষয়টি জানিয়েছি। দল আশ্বাস দিয়েও কোনও কাজ হয়নি। কারণ, এই ধরনের নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আগামীদিনে তারা বহু মানুষের আরও সর্বনাশ করবে”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • GDP: ‘ভারতের জিডিপি ছাড়িয়ে যেতে পারে ৭ শতাংশ’, বলছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর

    GDP: ‘ভারতের জিডিপি ছাড়িয়ে যেতে পারে ৭ শতাংশ’, বলছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি অর্থবর্ষে ভারতের (India) জিডিপি (GDP) ছাড়িয়ে যেতে পারে ৭ শতাংশ। অন্তত এমনই দাবি করেছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। বছরের প্রথম দিকেই চলতি আর্থিক বর্ষের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছিল ভারতের জিডিপি হতে পারে ৭ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বেসলাইন জিডিপি বৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর বলেন, সুদের হারে বৃদ্ধি ঠেকানো আমার হাতে নেই।

    জিডিপি (GDP) নিয়ে কী বললেন শক্তিকান্ত?

    তিনি বলেন, দেশে মুদ্রাস্ফীতি অনেকটাই কমেছে। কিন্তু এই সময়টা অনেকটাই চ্যালেঞ্জের। অবহেলার কোনও সুযোগ নেই। তিনি বলেন, দেশের ব্যাঙ্কগুলির ওপর ভরসা রয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের পরিস্থিতির তুলনায় ভারতের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা স্থিতিশীল এবং শক্তিশালী। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর বলেন, এই আর্থিক স্থিতিশীলতা (GDP) বজায় রাখতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সবরকমভাবে ব্যাঙ্কগুলিকে সাহায্য করছে। তিনি বলেন, ইস্পাত ও সিমেন্ট খাতে ব্যক্তিগত বিনিয়োগের বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    আরবিআইয়ের সাম্প্রতিক সমীক্ষা

    যা দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পের জন্য ভাল প্রমাণিত হতে চলেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর আরও বলেন, কৃষি খাত ভাল করেছে এবং সেবা খাতও ভাল করেছে। তবে সরকারের ক্যাপেক্স এবং পরিকাঠামোর জন্য খরচ আগের চেয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে। শক্তিকান্ত বলেন, আরবিআইয়ের সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুসারে উৎপাদন ক্ষেত্রে সক্ষমতার ব্যবহার প্রায় ৭৫ শতাংশ। কিন্তু একটি সিআইআই সমীক্ষা দেখায় যে এটি আরও বেশি।

    এদিন ২ হাজার টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত (GDP) প্রসঙ্গে শক্তিকান্ত বলেন, ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ২ হাজার টাকার নোটের চাহিদা ছিল সর্বাধিক। সেই সময় সার্কুলেশন হয়েছিল ৬.৭৩ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ এই চাহিদা কমে দাঁড়ায় ৩.৬২ লক্ষ কোটিতে। তিনি জানান, অন্যান্য নোট বাজারে অনেক বেশি ছেড়ে রাখা হয়েছে। তাই সমস্যা হবে না।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Karma Tirtha: পরিত্যক্ত কর্মতীর্থ স্টলগুলো দিয়ে দেওয়া হবে স্থানীয় ক্লাবগুলোকে! প্রশাসনিক নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

    Karma Tirtha: পরিত্যক্ত কর্মতীর্থ স্টলগুলো দিয়ে দেওয়া হবে স্থানীয় ক্লাবগুলোকে! প্রশাসনিক নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যবহৃত ও ফাঁকা পড়ে থাকা কর্মতীর্থর (Karma Tirtha) স্টলগুলোকে স্থানীয় ক্লাবগুলোর মধ্যে বণ্টন করার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে। 

    অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা কর্মতীর্থগুলি (Karma Tirtha) নিয়ে গত ২৬ এপ্রিল আলোচনা হয়েছিল নবান্নর প্রশাসনিক বৈঠকে। প্রশাসনিক সূত্র জানাচ্ছে, প্রায় প্রতিটি জেলায় বিপুল খরচ করে সরকার কর্মতীর্থ তৈরি করলেও সেগুলির বেশির ভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের কোনও আগ্রহই নেই। কারণ, দোকান-ব্যবসা করার জন্য নির্ধারিত এই পরিকাঠামোগুলি লাভজনক জায়গায় গড়ে ওঠেনি বলেই অভিযোগ। দীর্ঘ কাল ধরে পড়ে থাকা কর্মতীর্থগুলির পরিচালনার ভার সেই জন্যই এলাকার বিভিন্ন ক্লাবের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    এর পর গত ১০ মে রাজ্যের ক্ষুদ্র, কুটির ও বস্ত্র দফতরের তরফে রাজ্যের প্রধান সচিবকে চিঠি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রশাসনের চারটি দফতর যে কর্মতীর্থ (Karma Tirtha) পরিকাঠামো গড়ে তুলেছিল, তার বণ্টন ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে ক্ষুদ্র, কুটির ও বস্ত্র দফতরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, ৫০৩টি কর্মতীর্থে ১৮ হাজার ১৩০টি স্টল তৈরি করা হয়েছে। এরমধ্যে ১৭ হাজার ৩২০টি স্টল বিলি করা হয়েছে। বাকি খালি পড়ে রয়েছে ৮১০টি স্টল।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, নবান্নে হওয়া বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই অব্যবহৃত স্টলগুলোকে স্থানীয় ক্লাবগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হোক, যাতে সেগুলির ‘সঠিক’ ব্যবহার হয়। এই মর্মে রাজ্যের প্রধান সচিবকে যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য বলা হয়েছে দফতরের তরফে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন দানা বেঁধেছে বিতর্ক। বিরোধীদের প্রশ্ন, দোকান-সহ নানান ব্যবসা করার জন্য নির্মিত সেই সব অব্যবহৃত পরিকাঠামো স্থানীয় ক্লাবের হাতে গেলে আখেরে সেগুলো আর কতটা কর্মতীর্থ (Karma Tirtha) থাকবে? তাঁদের আশঙ্কা, নাম কর্মতীর্থ হলেও, জায়গাগুলো আদতে অকর্মস্থল বা অসামাজিক কাজের আখড়া হয়ে উঠবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: হাঁসখালিতে বিজেপি নেতা খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: হাঁসখালিতে বিজেপি নেতা খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপি (BJP) নেতাকে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার হাঁসখালি থানার পিপুলবেরিয়া এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম নকুল হালদার (৬০)। তিনি বিজেপির (BJP) পিপুলবেরিয়া বুথের সহ সভাপতি ছিলেন। বিজেপি নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বৃষ্টি হওয়ার সময় নকুলবাবু নিজের বেগুন জমিতে যান। কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তিনি না আসায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। এরমধ্যে এলাকারই কয়েকজন এসে খবর দেন, আমবাগানে তাঁর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গলায় গামছার ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ ঝুলছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হাঁসখালি থানার পুলিশ। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতার ছেলে?

    এ বিষয়ে প্রয়াত বিজেপি (BJP) নেতা নকুল হালদারের ছেলে রাজেশ হালদার বলেন, “আমার বাবাকে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করে বাবাকে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে। কারণ, আমার বাবা এই এলাকার সক্রিয় বিজেপি নেতা ছিল। তাই, ভোটের আগে বাবাকে সরিয়ে দিল তৃণমূল”। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই এলাকার বাসিন্দা নারায়ণ ঘোষ। তিনি বলেন, “নকুলবাবু এলাকার প্রথম সারির বিজেপি নেতা ছিলেন। যেহেতু সামনে পঞ্চায়েত ভোট, তাই নকুলবাবু থাকলে তৃণমূলরা ওই এলাকায় ভোট লুট করতে পারবে না। সেই কারণেই তৃণমূল দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি”।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    এ বিষয়ে বিজেপি (BJP) বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী বলেন, “যেহেতু সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন সেই কারণে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই খুন করেছে। তার কারণ তাঁর একটি পা ভাঙা রয়েছে। তাছাড়া অত নীচু একটি ডালে কীভাবে তিনি গলায় ফাঁস দিতে পারেন”।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূল নেতা সনৎ চক্রবর্তী বলেন, “ওই বিজেপি (BJP) নেতা খুনের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। আসলে এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কোন্দল দায়ী। আমরা এই ঘটনার প্রকৃত তদন্ত দাবি করছি”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বীরভূম বিস্ফোরণে এবার  গ্রেফতার  তৃণমূল নেতার ভাই

    Birbhum: বীরভূম বিস্ফোরণে এবার গ্রেফতার তৃণমূল নেতার ভাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) দুবরাজপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণের পর সিআইডির বোম্ব স্কোয়াডের তল্লাশি চলে এলাকায়। একইসঙ্গে তৃণমূলের ওই নেতার ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, বোলপুরের যজ্ঞনগর গ্রাম থেকে প্রায় ১৫ টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে বোমার খোঁজে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

    বীরভূমের (Birbhum) বিস্ফোরণে আরও এক গ্রেফতার

    কিছু দিন আগেই এগরা, বজবজ এবং তারপরে বীরভূমে (Birbhum) বাজি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ধরপাকড় এবং তল্লাশি চলছে রাজ্য জুড়ে। এবার দুবরাজপুরের তৃণমূল কর্মী শেখ সফিকের ভাই মরিলাল শেখকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হয়। বিস্ফোরণের পর থেকেই পলাতক ছিল এই তৃণমূল কর্মীর ভাই। তাঁর পরিবারের অনেকেই গা ঢাকা দিয়ে আছেন বলে জানা গেছে। এখনও দোষীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। দুবরাজপুরের ওই গ্রামে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।

    কীভাবে বীরভূমে (Birbhum) বিস্ফোরণ হয়েছিল?

    বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে তোলপাড় রাজ্য। ঘুম ছুটেছে পুলিশ প্রশাসনের। সেই সময় দুবরাজপুরের (Birbhum) পদুমা গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোড়াপাড়া গ্রামে শেখ সফিকের বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। শতাধিক তাজা বোমা মজুত ছিল চিলেকোঠার সিঁড়ি ঘরে। এই সফিক এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে পড়েছে তাঁর বাড়ির কংক্রিটের দেওয়াল। বিকট শব্দে প্রতিবেশী এক শিশু জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল গ্রামবাসীরা।

    বিস্ফোরণের পর পুলিশের ভূমিকা

    বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্তে নামে দুবরাজপুর থানার পুলিশ। আরও বোমা মজুত রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখার জন্য খবর দেওয়া হয় সিআইডি বোম্ব স্কোয়াডকে। বোলপুর (Birbhum) থেকে বোম্ব স্কোয়াডের প্রতিনিধিরা গিয়ে এদিন ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়৷ কংক্রিটের ভগ্নপ্রায় বাড়ির চারপাশে চলে তল্লাশি অভিযান। যদিও, কোনও তাজা বোমা মেলেনি। সবকটিই বিস্ফোরণ হয়ে গিয়েছে বলে খবর। তবে বিস্ফোরণ স্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে, বোলপুর থানার যজ্ঞনগর গ্রামে একটি ঝোপ থেকে তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। বোলপুরের এসডিপিও নিখিল আগরওয়াল ও আইসি সুমন্ত বিশ্বাসের নেতৃত্বে যজ্ঞনগর গ্রামে চলেছিল এই বিশেষ পুলিশি অভিযান। তবে এলাকার মানুষের অভিযোগ, পুলিশ আগে থেকে আরও তৎপর হলে বিস্ফোরণ এড়ানো যেত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের কাছে ‘হিন্দু বিরোধী’ তিন দাবি অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়ার!

    Congress: কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের কাছে ‘হিন্দু বিরোধী’ তিন দাবি অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক (Karnataka) বিধানসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস (Congress)। ২২৪ আসন বিশিষ্ট ওই বিধানসভায় কংগ্রেস পেয়েছে ১৩৫টি আসন। তার পরেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে হিন্দুত্ব বিরোধী বিভিন্ন সংগঠন। রাজ্যের নয়া সরকারের কাছে তাদের ‘আবদার’ও জানিয়েছে ওই সংগঠনগুলি। এই যেমন, অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়া। এই সংগঠনের বিরুদ্ধে দেশের একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত শুরু করতেই পাততাড়ি গুটিয়েছে। সম্প্রতি তারাই কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের কাছে একাধিক দাবি জানিয়েছে। যার মধ্যে তিনটিই হিন্দু-বিরোধী।

    কংগ্রেসের (Congress) কাছে দাবি

    ওই সংগঠনের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, গোহত্যার অনুমতি দিতে হবে। দিতে হবে ধর্মান্তকরণের অধিকারও। স্কুলে হিজাব পরায় যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা প্রত্যাহার করতে হবে এবং যেসব হিন্দু মুসলমানদের দোকান বয়কট করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ট্যুইট-বার্তায় অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়া কর্নাটক কংগ্রেসকে বলেছে, মানবাধিকার রক্ষায় এই তিনটি কাজকে প্রায়োরিটি দিতে হবে।

    হিজাব পরে স্কুলে যাওয়ার দাবি

    ওই সংগঠনের প্রথম (Congress) দাবি, স্কুলে হিজাব পরার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে। এই নিষেধাজ্ঞার জেরে মুসলমান মেয়েদের কাছে দুটি অপশন খোলা থাকছে। হয় তাকে ধর্মের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হতে হবে, নয়তো শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হবে। এতে তারা ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

    প্রসঙ্গত, কর্নাটকের স্কুলগুলিতে সে সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি নির্দিষ্ট পোশাক বিধি রয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা যখন স্কুলে আসে, পোশাক বিধি মেনে পোশাক পরেই তাদের স্কুলে আসতে হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে হাঠাৎই একদিন কয়েকজন মুসলমান ছাত্রী হিজাব পরে ক্লাসরুমে আসতে শুরু করে। বাধা দিলে, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয় তারা। ফলশ্রুতি হিসেবে, রাজ্যের সমস্ত প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় কোনও পোশাক পরে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত।

    ওই সংগঠনের দ্বিতীয় (Congress) দাবি হল, গোহত্যার অনুমতি দিতে হবে। দিতে হবে ধর্মান্তকরণের অনুমতিও। কর্নাটকে আইন করে দুটিই নিষিদ্ধ করা হয়। তাদের দাবি, তা না হলে সংখ্যালঘুদের ওপর ওই দুই আইনের অপব্যবহার হবে। ওই সংগঠনের তৃতীয় দাবিটি হল, যেসব হিন্দু মুসলমান দোকানদারদের বয়কট করছেন, তাঁদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Genocide: একাত্তরে বাংলাদেশের গণহত্যাকে আন্তজার্তিক স্বীকৃতি দিতে ঢাকায় ডাচ টিম

    Bangladesh Genocide: একাত্তরে বাংলাদেশের গণহত্যাকে আন্তজার্তিক স্বীকৃতি দিতে ঢাকায় ডাচ টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে পৃথক হওয়ার দাবিতে উত্তাল হয়েছিল সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান অধুনা বাংলাদেশ। এই সময় ‘অপারেশন সার্চলাইট’-র নামে সারা বাংলাদেশ জুড়ে গণহত্যা (Bangladesh Genocide) চালিয়েছিল পাকিস্তানি সেনা। মধ্যযুগীয় এই বর্বরতাকে লুকিয়ে রাখতে চেষ্টার কসুর করেনি পাকিস্তান। তবে গত বছরে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর হওয়া নরসংহারকে স্বীকৃতি দেয় আমেরিকার ‘লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন’ সংস্থা। আন্তর্জাতিকভাবে এই গণহত্যার স্বীকৃতি যে খুব তাড়াতাড়ি মিলবে এবার সেই দাবি করলেন নেদারল্যান্ডের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মানবাধিকার কর্মী হ্যারি ফান বোমাল। ইতিমধ্যে ঢাকাতে চলে এসেছে বোমালের নেতৃত্বাধীন ইউরোপের মানবাধিকার প্রতিনিধি দল। ২০ মে থেকে শুরু হয়েছে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের কাজ, চলবে ২৬ মে পর্যন্ত।

    বাংলাদেশ জেনোসাইড (Bangladesh Genocide) শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ঢাকায়

    বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন চলছে ঢাকাতে। সেখানে অংশ নিয়েছে নেদারল্যান্ডের প্রাক্তন মন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি মানবাধিকার দল। প্রাক্তন ডাচ মন্ত্রী বোমাল ছাড়াও ওই দলে রয়েছেন, রাজনীতি বিশেষজ্ঞ ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরামের ব্রিটেনের চেয়ারম্যান আনসার আহমেদ, নেদারল্যান্ডের চেয়ারম্যান বিকাশ চৌধুরি বড়ুয়া প্রভৃতি।

    সাংবাদিক সম্মেলনে কী বললেন প্রাক্তন ডাচ মন্ত্রী বোমাল

    ঢাকাতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে বোমাল বলেন, ‘‘আমেরিকার গণহত্যার স্বীকৃতি মিলেছিল ১০০ বছর পরে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা হবে না। কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের নরসংহার (Bangladesh Genocide) আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে। সেটা ১০ বছরের মধ্যেই পাবে।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ফের কালী মন্দিরে আগুন, পুড়ে ছাই প্রতিমা, দুষ্কৃতীরা অধরা

    ব্রিটেনের সংসদেও নিন্দা প্রস্তাব আনা হয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে

    ১৯৭১-এর গণহত্যা বিষয়ক আলোচনা ব্রিটেনের পার্লামেন্ট হয়েছে। সে দেশের সাংসদ পিটার শোরে এই নিন্দা প্রস্তাব এনেছিলেন। পাকিস্তানের এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার (Bangladesh Genocide) বিরুদ্ধে পরবর্তীকালে ব্রিটেনের ২৩৩ জন এমপি এই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চেয়ে প্রস্তাব পেশ করে।

    ১৯৭১ এর ইতিহাস

    পাকিস্তান থেকে পৃথক হওয়ার দাবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হয় আন্দোলন। আন্দোলনকে কড়া হাতে দমন করতে অপারেশন সার্চলাইটের নামে নরসংহার (Bangladesh Genocide) শুরু করে পাকিস্তানি সৈন্যরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বাংলাদেশের রাজাকাররাও। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ১ কোটিরও বেশি সে দেশের সংখ্যালঘু হিন্দু তখন সীমান্ত পেরিয়ে ভারত এসে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সব থেকে বেশি অবদান হিন্দুদের ছিল বলে মনে করেন গবেষকদের একাংশ। এনিয়ে বহু গবেষণামূলক লেখাও রয়েছে। গবেষক কালিদাস বৈদ্য সেসময় মুজিবর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাঁর লেখায় মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের ভূমিকা এবং ভারতের সহযোগিতার বিস্তৃত বিবরণ রয়েছে। কালিদাস বৈদ্যর লেখা বই থেকে জানা যায়, উদ্বাস্তু হিন্দুদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছিল ভারত সরকার। তৈরি হয়েছিল মুজিব বাহিনী।

    ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর নামে ঢাকার বিখ্যাত রমনা কালী মন্দিরকে ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেয় পাকিস্তানি সৈন্যরা। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, পাকিস্তানি সৈন্য এবং রাজাকাররা মনে করতে থাকে পূর্ব পাকিস্তান হিন্দু শূন্য হলেই, বিদ্রোহ দমন করা যাবে। তাই দমন পীড়ন হিন্দুদের ওপর সব থেকে বেশি হয়েছিল। সে দেশের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে ৩০ লক্ষ নিরীহ বাংলাদেশি মানুষকে সেদিন হত্যা (Bangladesh Genocide) করেছিল পাকিস্তান। বাদ যায়নি ছোট শিশু থেকে মহিলা কেউই। দু’লক্ষের ওপর মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে নামে ভারত। শেষপর্যন্ত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। গঠন হয় নতুন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share