Tag: Bengali news

Bengali news

  • Air India Flight: দিল্লিগামী বিমানে মাঝ-আকাশে আসনের পাশেই মলত্যাগ, গ্রেফতার যাত্রী

    Air India Flight: দিল্লিগামী বিমানে মাঝ-আকাশে আসনের পাশেই মলত্যাগ, গ্রেফতার যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত কাণ্ড এয়ার ইন্ডিয়ায় (Air India Flight)! একের পর এক আজব ঘটনার সাক্ষী থাকছে এয়ার ইন্ডিয়া’র বিমানের যাত্রীরা। এবার এক যাত্রী মাঝ আকাশে বিমানের শৌচাগার ব্যবহার না করে আসনের পাশেই মলত্যাগ করেছেন বলে অভিযোগ। প্রস্রাব করা এবং থুতু ফেলার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত যাত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আবার কাজের সময়সীমা শেষ, তাই আর বিমান চালাবেন না বলে, ৩৫০ জন যাত্রীকে ককপিটে ছেড়ে চলে গেলেন এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলট।

    ‘অভব্যতা’র অভিযোগ

    মুম্বই থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India Flight) বিমানে নিজের সিটের পাশেই মলত্যাগ করার অভিযোগ উঠেছে এক যাত্রীর বিরুদ্ধে। প্রস্রাব করে থুতুও নাকি ফেলেছেন তিনি। গত ২৪ জুন মুম্বই থেকে দিল্লির দিকে যাচ্ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার এআইসি ৮৬৬ বিমান। সেখানেই ছিলেন রাম সিং। তাঁর আসনের নম্বর ১৭এফ। অভিযোগ, বিমানের আসনের ৯ নম্বর সারির কাছে তিনি প্রস্রাব, মলত্যাগ করেন। থুতুও ফেলেন। তাঁর আচরণে অসঙ্গতি দেখে বিমানকর্মীরা ওই যাত্রীকে প্রথমে মৌখিক ভাবে সতর্ক করেন। পরে তাঁকে অন্য যাত্রীদের থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়।যাত্রীর আচরণের কথা পাইলটকে জানানো হয়। বিমান সংস্থাকেও খবর দেওয়া হয় তৎক্ষণাৎ। দিল্লি বিমানবন্দরে নামতেই এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে নিরাপত্তারক্ষীদের পাঠিয়ে ওই যাত্রীকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশে খবর দেন এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। পুলিশ গ্রেফতার করে ওই যাত্রীকে। জানা গেছে, ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪, ৫১০ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ১২ বছর পর পঞ্চায়েত প্রচারে মমতা! ‘‘বিজেপির কৃতিত্ব’’, বললেন সুকান্ত

    ককপিট ছাড়লেন পাইলট

    রবিবার লন্ডন থেকে দিল্লি আসার এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India Flight) বিমানটি দিল্লিতে অবতরণের সময় খারাপ আবহাওয়ার সম্মুখীন হয়। এরফলে জরুরি অবতরণ করতে হয় রাজস্থানের জয়পুর এয়ারপোর্টে। নির্ধারিত সময় অনুসারে, রবিবার ভোর চারটে নাগাদ দিল্লি পৌঁছনোর কথা যদি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটির। কিন্তু দিল্লির আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় জয়পুরে নামতে হয়। জয়পুরে আপৎকালীন অবতরণের দু’ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর দিল্লি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে দিল্লি যাত্রার ছাড়পত্র পাওয়া যায়। তখনই বিমান চালাতে অস্বীকার করেন পাইলট। বিমানে ছিলেন ৩৫০ জন যাত্রী। পাইলটের দাবি, তাঁর ডিউটির সময়  পেরিয়ে গিয়েছে, এরপর বিমান চালাতে তিনি অপারগ। পাইলটের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্ষেত্রে সত্যিই পাইলটের কাজের সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল, বিকল্প ব্যবস্থা রাখা উচিৎ ছিল কোম্পানির। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ১২ বছর পর পঞ্চায়েত প্রচারে মমতা! ‘‘বিজেপির কৃতিত্ব’’, বললেন সুকান্ত

    Panchayat Election 2023: ১২ বছর পর পঞ্চায়েত প্রচারে মমতা! ‘‘বিজেপির কৃতিত্ব’’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন পর পঞ্চায়েতের প্রচারে ময়দানে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) প্রচারে উত্তরবঙ্গে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এটাই বিজেপির সাফল্য দাবি, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। তিনি বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচনে মমতার প্রচারে নামাই রাজ্যে বিজেপির ক্রমবর্ধমান শক্তিকে বৈধতা দিয়েছে।

    কঠোর বিরোধিতার মুখে তৃণমূল

    রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেছেন, এই তৃণমূল কংগ্রেস গত ২০২১-এর ২ মের পর বলেছিল বিজেপি রাজ্য থেকে হারিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেত্রী ১২ বছর পর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ( Panchayat Election 2023) জন্য প্রচারে নামতে বাধ্য হচ্ছেন। সেখানে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে বিজেপি রাজ্যে কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। সুকান্তের কথায়, “১২ পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চায়েতের প্রচারে নেমেছেন। তার মানে এমন একটা বিরোধিতা আমরা বিরোধী দল হিসাবে তৈরি করতে পেরেছি যাতে তাঁকে রাস্তায় নামতে হয়েছে। এ তো রাজ্য সভাপতি হিসাবে আমার এবং আমাদের টিমের সাফল্য।” সুকান্ত আরও বলেন, “তৃণমূলনেত্রী পঞ্চায়েতের প্রচার শুরু করেছেন উত্তরবঙ্গ থেকে। যেখানে এমনিতেই তৃণমূলের দফারফা হয়ে রয়েছে।”

    সোমবার কোচবিহার থেকে পঞ্চায়েতের প্রচার কর্মসূচি শুরু করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দিদির সভা রয়েছে জলপাইগুড়িতে। সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন,মুখ্যমন্ত্রীর পতন শুরু হবে উত্তরবঙ্গ থেকে। তৃণমূল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারের সময় সম্ভাব্য হিংসার বিষয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত। তিনি বলেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত গুণ্ডারা বিজেপিকে ভয় দেখাতে আরও হিংসার আশ্রয় নিতে পারে। তবে তিনি দলের নেতা কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, বিজেপি এতে ভয় পাবে না, তৃণমূলকে উপযুক্ত জবাব দেবে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশটাই চোর’’, ভোটপ্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    দিলীপ ঘোষের দাবি

    ২০১৮-র পঞ্চায়েতে একচ্ছত্র আধিপত্য নিয়ে জিতেছিল তৃণমূল। প্রায় ৩৩ শতাংশ আসন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিল শাসকদল। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বিজেপির সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও পঞ্চায়েত নির্বাচনী প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অংশগ্রহণকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ( Panchayat Election 2023) তাঁর অংশগ্রহণ ফলাফল নিয়ে উদ্বেগের কারণেই হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশটাই চোর’’, ভোটপ্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশটাই চোর’’, ভোটপ্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির আরামবাগ মহকুমার পুরশুড়ার পশ্চিমপাড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে শাসক দল তৃণমূলকে একহাত নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি নাম করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশকে চোর বলে তীব্র কটাক্ষ করেন।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ‘‘জেলাশাসককে কাজে লাগিয়ে আরামবাগ লোকসভা ভোটে কারচুপি করে জিতেছে তৃণমূল। চুরি করা ওদের অভ্যাস। গোটা পরিবারটাই চোর। ভাইপো চোর, ভাইপোর বউ চোর, ভাইপোর শালি চোর, ভাইপোর বাবা চোর, ভাইপোর মা চোর, গরু চোর, কয়লা চোর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশ চোর।’’ 

    শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লজ্জা নেই। ওনার পুলিশ রাজবংশী মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে মাঝ রাত্রে গুলি করে খুন করেছে। উনি একবারও শোক প্রকাশ করেননি। তাই ওনার লজ্জা থাকা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী সম্পর্কে বলছেন, গুলি চললে সরকার ও পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। গুন্ডাদের মতো কথাবার্তা। জেন্ডার চেঞ্জ করে কি বলা যায়, গুন্ডিদের মতো কথাবার্তা।’’

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, যাকে ইচ্ছা চড়থাপ্পড় মেরে দেবেন। আমি বলছি, কেষ্টর মতো অবস্থা হবে। কেষ্টকে বলেছিল আমি (পড়ুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আছি। যারা অপকর্ম করবে তাদের অবস্থা কেষ্টর মতো হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাইপো ছাড়া কারও জন্য নয়। আমি এই কথা বলে দিলাম।’’ 

    এদিন কংগ্রসে-সিপিএমকেও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “ডোমজুড়ে গুলি-বোমার লড়াই। রাজ্য জুড়েই সন্ত্রাস, গুলি, বোমা চলছে। কংগ্রেস ও সিপিএমের নেতা রাহুল গান্ধী ও সীতারাম ইয়েচুরি যোগাযোগ করুক। পাটনায় শান্তি চুক্তি পড়েও কেন বোমা গুলি চলছে?’’

    নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকতকে সাদা পায়রা ওড়ানোর পরামর্শ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    ভাঙড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকত মোল্লাকে সাদা পতাকা ও সাদা পায়রা নিয়ে গ্ৰামে গ্ৰামে মিছিল করার পরামর্শ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় এক জনসভায় এসে নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকত মোল্লার সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে একথা বললেন বিজেপি নেতা ।

    পঞ্চায়েতের মনোনয়ন পর্ব ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। আইএসএস ও শাসকদলের সংঘর্ষে মারা গেছে দু পক্ষেরই বেশ কয়েকজন কর্মী। শান্তির রফাসূত্র খুঁজতে ইতিমধ্যেই ভাঙড় পরিদর্শন করেছেন রাজ্যপাল। আইএসএফ প্রধান নওশাদ সিদ্দিকি ও তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ভাঙড়ের সংঘর্ষ নিয়ে একাধিকবার পরস্পর বিরোধী অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সোমবার বিধানসভায় বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি ও বিধায়ক শওকত মোল্লা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসিমুখে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন তৈরি করেছে।।

    এই প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন জাঙ্গিপাড়ার এক সভামঞ্চ থেকে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘এই উদ্যোগটা ভালো। তবে দুজনে যদি ভাঙড়ের গ্ৰামে গ্ৰামে গিয়ে  শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন তাহলে ভালো হয়। ঠান্ডা ঘরে বসে, নিরাপদ জায়গায় বসে এটা করবেন না। কারণ দু পক্ষের লোকই মারা গেছে। সব গরীব মানুষ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Group C Scam: গ্রুপ সি নিয়োগ সংক্রান্ত ‘ফাইল’ উধাও! সিবিআইকে জানাল বিকাশ ভবন

    Group C Scam: গ্রুপ সি নিয়োগ সংক্রান্ত ‘ফাইল’ উধাও! সিবিআইকে জানাল বিকাশ ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দফতর থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত নথির খোঁজ মিলছে না। গ্রুপ-সি-র (Group C Scam) মামলায় সিবিআই বিকাশ ভবনের কাছে কিছু তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছিল। কিন্তু সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দিল পর্ষদ।  সিবিআই সূত্রে খবর, তাদের বলা হয়েছে, ওই ফাইলটি পর্ষদের কাছে নেই। বেশ কয়েক মাস ধরেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পর্ষদের এই জবাবে বিস্মিত সিবিআই।

    কীভাবে হারাল ফাইল? 

    নিয়োগ দুর্নীতির (Group C Scam) তদন্তে নেমে সিবিআইয়ের হাতে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য এসেছে। বিভিন্ন সময়ে নানা তথ্য যাচাই করে স্কুল সার্ভিস কমিশন বা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কিংবা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের থেকে বিভিন্ন নথি চেয়েছে সিবিআই। এমনকী প্রয়োজনে একাধিক আধিকারিকের সঙ্গে কথাও বলেছে তারা। সেই মতোই তদন্তের স্বার্থে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পর্ষদের থেকে চেয়ে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ নথি হারিয়ে যাওয়ায় অবাকই হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে খবর,  শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ হাতে পেয়েছিলেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা। যার ভিত্তিতেই কমিশনের কাছে সেই সংক্রান্ত নথি চেয়ে পাঠান তাঁরা। কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ নথি কীভাবে উধাও হল, কে সেই তথ্যগুলি সংরক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন তা সব কিছুই এবার খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের উন্নয়ন, মঙ্গলের শক্তি হল ভারত-মার্কিন বন্ধুত্ব! অভিমত মোদির

    পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে পারে সিবিআই

    সিবিআই সূত্রে খবর, কমিশন গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়েছে নির্দিষ্ট একটি ফাইল দফতরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এক বছর ধরে তার খোঁজ মেলেনি। এমনকী ফাইলটি খুঁজে পেতে বিধাননগর উত্তর থানায় জেনারেল ডাইরিও করা হয়। কিন্তু এরপরও ওই ফাইলের খোঁজ নেই। সিবিআইকে এমনটাই জানিয়েছে কমিশন।  যেহেতু বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, সেই কারণে সিবিআই এবার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারে। খতিয়ে দেখা হবে ফাইলটি খোঁজার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল থানা থেকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: লোকসভা, বিধানসভার পর এবার লক্ষ্য জেলা পরিষদ দখল, আলিপুরদুয়ারে ঝাঁপাল বিজেপি

    BJP: লোকসভা, বিধানসভার পর এবার লক্ষ্য জেলা পরিষদ দখল, আলিপুরদুয়ারে ঝাঁপাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত লোকসভা এবং বিধানসভার পর গেরুয়া শিবিরের কাছে এবার পাখির চোখ আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের ১৮ টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই এবার প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি (BJP)। ২০১৮ সালে একটিমাত্র আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে ছিল ১৭ টি আসন। যদিও গেরুয়া শিবিরের নেতাদের অভিযোগ, ২০১৮ সালে ভোট  লুট হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি?

    বিজেপির (BJP) শক্ত ঘাঁটি আলিপুরদুয়ার জেলায় গত লোকসভা ভোটে বিজেপির সাংসদ জন বারলা জয়ী হয়ে পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জেলার পাঁচটি বিধানসভা আসনের সবকটিতে জয়ী হন বিজেপির প্রার্থীরা। জেলার বিধায়ক সব বিজেপির দখলে থাকলেও জেলার উন্নয়নের কাজে রাজ্য থেকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বারবার অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন বিজেপির সাংসদ ও বিধায়করা। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদ ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের মাধ্যমেই সরাসরি মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ থাকায়, এবারে গেরুয়া শিবির জেলা পরিষদকে টার্গেট করে ময়দানে নেমেছে। জেলা পরিষদ দখল হলেই অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি দখলে আসবে। বিজেপির এক বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল শাসক দলে নাম লেখালেও তাঁর সঙ্গে দলের কোনও অনুগামী, এমনকী কার্যকর্তারাও কেউ দল ছাড়েননি। বিজেপির জেলা সভাপতি ভূষণ মোদক বলেন, এবারে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হবেন বিজেপি প্রার্থীরা। তাঁরাই বোর্ড গঠন করবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    লোকসভা ও বিধানসভা ভোটেও পরপর ধাক্কা খেয়ে শাসকদল  ঘুরে দাঁড়াতে ভোট ময়দানে ঝাঁপিয়েছে। আলিপুরদুয়ারে নিচু তলার বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থক থেকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিজেপির প্রতি ঝোঁক একটা রয়ে গিয়েছে। ফলে, শাসক দলের উন্নয়নকে হাতিয়ার করে যতই প্রচার চালাক না কেন, শেষ পর্যন্ত মানুষের ভোট কার বাক্সে যায়, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, বিজেপির সাংসদ-বিধায়কদের কার্যকলাপ দেখে বিরক্ত জেলার মানুষ। তাই ভোটে ওদেরকে মোক্ষম জবাব দেবেন ভোটাররা। জেলা পরিষদ তৃণমূলেরই দখল থাকবে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ৯ বছরে ১৩টি সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানের অধিকারী নরেন্দ্র মোদি! দেখুন তালিকা

    Narendra Modi: ৯ বছরে ১৩টি সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানের অধিকারী নরেন্দ্র মোদি! দেখুন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে তাঁর ক্ষমতায় আসা। ‘আবকি বার মোদি সরকার’ স্লোগান সেসময় সারা ভারতে বিজেপির সুনামি তুলেছিল। ২০১৯ সালে ফের প্রত্যাবর্তন। ২০২৩ সালে ৯ বছরে পা রেখেছে মোদি সরকার (Narendra Modi)। এই সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন ১৩ টি আন্তর্জাতিক সম্মান। 

    পিরামিডের দেশে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান

    সোমবারই মিশর সফর সেরে দেশে ফিরেছেন নরেন্দ্র মোদি। রবিবারই মিশরের রাষ্ট্রপতি আব্দেল ফতেহ এল-সিসি সেদেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর মুকুটে জুড়েছে ‘অর্ডার অফ দ্য নাইল’ সম্মান। মিশরের সর্বোচ্চ এই নাগরিক সম্মান সেদেশের জনজীবনে অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, রাজ পরিবারের সদস্যরা যেমন পান তেমনি বিদেশি নাগরিকরাও পেয়ে থাকেন। মিশর সরকার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘এই সম্মানের অধিকারীরা চিরস্মরণীয় থাকবেন।’ প্রসঙ্গত, ২৬ বছর পর ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রী মিশর সফরে গিয়েছিলেন।

    বিগত ৯ বছরে মোদির মুকুটে জুড়েছে ১৩ আন্তর্জাতিক সম্মান, একনজরে দেখে নেব সেগুলি    

    ১) কমপ্যানিয়ন অফ দ্য অর্ডার অফ লোগোহু: পাপুয়া নিউ গিনি দ্বীপরাষ্ট্রের এই সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান নেরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) পান ২০২৩ সালের মে মাসে। 

    ২) কমপ্যানিয়ন অফ দ্য অর্ডার অফ ফিজি: মোদিকে বিশ্বনেতা স্বীকৃতি দিয়ে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান দেয় ফিজি। ২০২৩ সালের মে মাসে এই সম্মান প্রাপ্ত হন মোদি।

    ৩) এবাকল অ্যাওয়ার্ড: ২০২৩ সালের মে মাসে রিপাবলিক অফ পালাউ-এর এই সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান মোদি পান সেদেশের রাষ্ট্রপতি সুরাঞ্জেল এস হুইপসের হাত থেকে।

    ৪) অর্ডার অফ দ্য ড্রুক গ্যালপো: ভুটানের এই সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান মোদি পান ২০২১ সালে।  

    ৫) লিজিয়ন অফ মেরিট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর তরফ থেকে এই সম্মান মোদি পান ২০২০ সালে।    
        
    ৬) কিং হামাদ অর্ডার অফ দ্য রেনেসাঁ: বাহারিনের এই সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান  মোদি পান ২০১৯ সালে।
        
    ৭) অর্ডার অফ দ্য ডিস্টিনগুইজড রুল অফ নিশান ইজউদ্দিন: মালদ্বীপের এই সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান মোদি পান ২০১৯ সালে।
        
    ৮) অর্ডার অফ সেন্ট অ্যান্ড্রু অ্যাওয়ার্ড: রাশিয়ার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান মোদির মুকুটে আসে ২০১৯ সালে।

    ৯) অর্ডার অফ জায়েদ অ্যাওয়ার্ড: আরবের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান মোদি পান ২০১৯ সালে।

    ১০) গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ দ্য পালেস্তাইন অ্যাওয়ার্ড:  পালেস্তাইনের এই সর্বোচ্চ সম্মান মোদি পান ২০১৮ সালে।

    ১১) স্টেট অর্ডার অফ গাজি আমির আমানুল্লা খান: আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ এই নাগরিক সম্মান প্রধানমন্ত্রী পান ২০১৬ সালে।

    ১২) অর্ডার অফ আব্দুল-আজিজ আল সৌদ: সৌদি আরবের অমুসলিমদের সর্বোচ্চ এই সম্মান মোদি পান ২০১৬ সালে

    ১৩) ২০২৩ সালের জুন মাসে পেলেন মিশরের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘অর্ডার অফ দ্য নাইল’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CV Ananda Bose: “আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করুন,” রাজীব-রাজ্যপাল বৈঠকে বার্তা আনন্দ বোসের

    CV Ananda Bose: “আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করুন,” রাজীব-রাজ্যপাল বৈঠকে বার্তা আনন্দ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করুন। ভোটে অশান্তি কোনওভাবেই যেন বরদাস্ত করা না হয়। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে সমস্ত পদক্ষেপ করতে হবে। কমিশনের যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা থাকে।” রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    রাজভবনে রাজীব

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই অশান্ত হয়েছে রাজ্য। মনোনয়নপত্র পেশ-পর্বে রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ৭ জন (প্রশাসনের দাবি ৫ জন)। রাজ্যজুড়ে হিংসার আবহে রাজীবকে তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে রাজভবন এড়িয়ে যান রাজীব। এর পরেই নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রাজীবের যোগদান রিপোর্ট ফেরত পাঠিয়ে দেন রাজ্যপাল। তার পরেই রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ রাজভবনে যান রাজীব। বের হন ঘণ্টা দুয়েক পর।

    রাজ্যপালের বার্তা

    এদিন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)-রাজীব বৈঠকে নির্বাচন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি কী কী নেওয়া হয়েছে, রাজ্যপালকে তা বিশদে অবগত করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। তার পরেই রাজীবকে রাজ্যপালের বার্তা, “আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করুন।” রাজীবকে রাজ্যপাল আরও বলেন, “রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে পদক্ষেপ করতে হবে। কোথাও গন্ডগোলের অভিযোগ পাওয়া গেলেই ব্যবস্থা নিতে হবে। মানুষ যেন নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভোটাররা যেন বাধা না পান। অভিযোগ পেলেই গুরুত্বের সঙ্গে তা খতিয়ে দেখতে হবে। রাজভবন কোনও রিপোর্ট চাইলে তাও দিতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: মোদির মুকুটে নয়া পালক, পিরামিডের দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচনের কাজে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যাতে ঠিকঠাক কাজে লাগানো হয়, সে কথাও রাজীবকে জানিয়ে দেন রাজ্যপাল। স্পর্শকাতর বুথে বাড়তি নজর দেওয়ার কথাও বলেছেন। রাজ্যে হিংসার আবহে রাজভবনে খোলা হয়েছিল পিস রুম। সেখানে যেসব অভিযোগ জমা পড়েছে, এদিনের বৈঠকে সেসব নিয়েও আলোচনা হয়। তবে এদিন যে রাজীবকে তিনি তলব করেননি, তা সাফ জানিয়ে দেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনারকে ডাকিনি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেই বৈঠকের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আমি জানিয়েছিলাম, পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কমিশনারের সঙ্গে কথা বলতে চাই। তিনি যদি আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তিনি যে কোনও দিন আসতে পারেন। আজও আসতে পারেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আপনি ভারতীয়দের হিরো ”, মোদিকে সম্বোধন মিশরের প্রবাসী ভারতীয়দের

    PM Modi: “আপনি ভারতীয়দের হিরো ”, মোদিকে সম্বোধন মিশরের প্রবাসী ভারতীয়দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি ভারতীয়দের হিরো। ” রবিবাসরীয় দুপুরে মিশরে (Egypt) এহেন সম্ভাষণে ভূষিত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এর ঠিক আগে আগেই প্রধানমন্ত্রীকে মিশরের সর্বোচ্চ সম্মান ‘অর্ডার অফ দ্য নাইলে’ ভূষিত করেছেন সে দেশের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফতেহ আল সিসি। প্রথম কোনও ভারতীয় হিসেবে এই সম্মান পেলেন মোদি। প্রসঙ্গত, গত ২৬ বছরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন নীলনদের দেশে।

    মোদি ম্যানিয়া

    দু দিনের সফরে মিশরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানাতে শনিবার কায়রো বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা ম্যাডবাউলি। হোটেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান প্রবাসী ভারতীয়রা। ছিলেন মিশরীয়রাও। শাড়ি পরিহিতা এক তরুণী মোদির উদ্দেশে গেয়ে ওঠেন, ইয়ে দোস্তি, হাম নেহি তোড়েঙ্গে। রবিবার মিশরের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের প্রধনমন্ত্রী (PM Modi)। পরে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেই তাঁকে ভারতের হিরো বলে স্বাগত জানান তাঁরা।

    তরুণীর মুখে শোলের গান

    প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমগ্র ভারতই প্রত্যেকের হিরো। দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করেন। তাই এগোচ্ছে দেশ।” তিনি বলেন, “এটা আপনাদের কঠোর পরিশ্রমের ফল। আপনাদের তপস্যার ফল এটি।” এদিন প্রধানমন্ত্রী বোহরা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও দেখা করেন। গুজরাটের এই সম্প্রদায়ের মানুষের দানেই সংস্কার করা হয়েছে একাদশ শতকের আল হাকিম মসজিদ। এই সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নিবিড় সম্পর্ক। এদিন ভারতের জাতীয় পতাকা নেড়ে, মোদি, মোদি ধ্বনি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মিশরের প্রবাসী ভারতীয়রা। জেনা নামে এক মিশরীয় তরুণী ভারতের ট্র্যাডিশনাল পোশাক শাড়ি পরেছিলেন। মোদির উদ্দেশে গেয়েছিলেন, ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেই তোড়েঙ্গে’।

    আরও পড়ুুন: মোদির মুকুটে নয়া পালক, পিরামিডের দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

    মিশরীয় এক তরুণীর মুখে হিন্দি সিনেমা ‘শোলে’র বিখ্যাত গান শুনে বিস্মিত প্রধানমন্ত্রী। জেনা তাঁকে বলেন, “আমি কখনও ভারতে যাইনি। তবে একটু একটু হিন্দি জানি।“ আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেউ বুঝতে পারবে না তুমি ভারতের মেয়ে নাকি মিশরের।” ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লেখেন, “মিশরে প্রবাসী ভারতীয়দের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে আমি আপ্লুত। তাঁদের সমর্থন এবং ভালবাসা আমাদের দেশের প্রতি চিরকালীন বন্ধন। মিশরীয়রা যে ভারতের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরছেন, তাও উল্লেখযোগ্য।”          

    এদিন মিশরের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। মিশরের প্রেসিডেন্টই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। চলতি বছর নয়াদিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট। সেই সময়ই মোদিকে মিশরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি। সেপ্টেম্বরে ফের একবার মিশরের রাষ্ট্রপতি আসবেন ভারতে। এবার ভারতের নেতৃত্বে হচ্ছে জি-২০ সম্মেলন। ওই সম্মেলনে মিশরের রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকবেন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Barrackpore: ময়না তদন্তের রিপোর্টে চিকিৎসকের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন, মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য

    Barrackpore: ময়না তদন্তের রিপোর্টে চিকিৎসকের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন, মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে (Barrackpore) চিকিৎসক প্রজ্ঞাদীপা হালদারের মৃত্যু রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাঁর ময়না তদন্তের রিপোর্ট পুলিশের কাছে জমা পড়ল। রিপোর্ট অনুযায়ী তাঁর শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন, না তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে পুলিশ আধিকারিকরা ধন্দে রয়েছেন। কারণ, একজন আত্মহত্যা করলে তাঁর শরীরে এত আঘাতের চিহ্ন থাকতে পারে না। ফলে, পুলিশ আধিকারিকরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

    কী বললেন প্রজ্ঞাদীপার মা?

    ঘটনার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা ঝর্না হালদার। মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে বলে মেনে নিতে পারছেন না তিনি। ইতিমধ্যেই বারাকপুরের (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে সুবিচারের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে মেয়েকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশ আধিকারিকদের তিনি জানান।

    খোঁজ নেই চার বাংলাদেশির

    ১৯ জুন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কৌশিক সর্বাধিকারীর ঘরের ভিতর থেকে প্রজ্ঞার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বাড়ির সিলিং অনেক উঁচুতে। সেখানে কী করে ওই মহিলা চিকিৎসক কাপড় ঝোলালেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চিকিৎসকের মৃত্যুর দিনই সন্ধ্যায় চার বাংলাদেশি বন্ধুর সঙ্গে কৌশিক বারাকপুরের (Barrackpore) একাধিক দ্রষ্টব্য স্থান পরিদর্শন করেছিলেন। তাঁদের একটি গেস্ট হাউসে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তবে, ২০ জুন মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকে বাংলাদেশি চার বন্ধুর খোঁজে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশি চারজনের খোঁজ মেলেনি। তাদের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারী অফিসাররা। কৌশিক শুধু পুলিশকে বলেছেন, ওই চার বাংলাদেশি আমার পরিচিত বন্ধু। আমি তাদের বারাকপুরের (Barrackpore) বিভিন্ন জায়গা ঘুরিয়ে দেখিয়েছি। শনিবারই বিকেলের পর ফরেন্সিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। যে ঘরের মধ্যে থেকে চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই ঘরের ভিতর থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় তারা। কলকাতায় কৌশিকের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। তিনি প্রজ্ঞার সঙ্গে একত্রবাসে থাকতেন। এই ঘটনার পর সুইসাইড নোটে নাম থাকায় সেনা চিকিৎসক কৌশিক সর্বাধিকারীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তবে, এখনও পর্যন্ত তাঁর স্ত্রী এবং সন্তানরা কেউ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। উলটে পুলিশই তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bridge Collapse: তিন সপ্তাহের মধ্যে দু’বার, বিহারে ফের ভাঙল নির্মীয়মাণ ব্রিজ

    Bridge Collapse: তিন সপ্তাহের মধ্যে দু’বার, বিহারে ফের ভাঙল নির্মীয়মাণ ব্রিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফারাক মাত্র তিন সপ্তাহের। তার মধ্যেই ফের ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ ব্রিজ (Bridge Collapse)। বিহারের (Bihar) খাগাড়িয়া জেলার ঘটনায় চাঞ্চল্য। শনিবার দুর্ঘটনার সময় ব্রিজে কেউ না থাকায় মৃত্যুর কোনও খবর নেই। জখমও হননি কেউ। ব্রিজটি তৈরি হচ্ছিল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে। তাই সেতুটি কীভাবে ভেঙে পড়ল তা জানতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন এনএইচএআই কর্তৃপক্ষ।

    ভাঙল ব্রিজ

    সপ্তাহ তিনেক আগে খাগাড়িয়া জেলায় গঙ্গা নদীর ওপর ভেঙে পড়েছিল নির্মীয়মাণ ব্রিজ। এদিন দুপুরে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে মেচি নদীর ওপর নির্মীয়মাণ ব্রিজের পিলারের একটি অংশ। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার প্রজেক্ট ডিরেক্টর অরবিন্দ কুমার বলেন, এদিন মেচি নদীর ওপর নির্মীয়মাণ একটি ব্রিজের পিলার ভেঙে পড়ে। পাটনা থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব ৪০০ কিমি। এনএইচ ৩২৭-ই-র ওপর নির্মীয়মাণ ওই ব্রিজটি (Bridge Collapse) কিষানগঞ্জ ও কাটিহারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ব্রিজটির পিলার গাঁথাইয়ের সময় শ্রমিকের ভুলের জন্যই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    স্বপ্ন ভাঙল নীতীশের!

    এর আগে বিহারে ব্রিজ ভেঙে পড়েছিল ৪ জুন। ভাগলপুরে আগুইয়ানি-সুলতানগঞ্জ সংযোগকারী নির্মীয়মাণ ব্রিজটি ভেঙে পড়েছিল হুড়মুড়িয়ে। প্রথমে সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে, কয়েক সেকেন্ড পর ভেঙে পড়ে গোটা ব্রিজটাই। সেদিনও হতাহতের কোনও খবর ছিল না। গত বছরও ভেঙে পড়েছিল নির্মীয়মাণ এই ব্রিজটি (Bridge Collapse)। ফের কাজ শুরুর পর আবারও ঘটে দুর্ঘটনা। আগুইয়ানি থেকে সুলতানগঞ্জ পর্যন্ত যোগাযোগকারী এই সেতু মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের স্বপ্নের প্রকল্প।

    আরও পড়ুুন: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, মৃত ৩, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এদিনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিহার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন। রাজ্যের সমস্ত ব্রিজের স্ট্রাকচারাল অডিটের ওপর জোর দিয়েছে তারা। সম্পূর্ণ এবং নির্মীয়মাণ সব ব্রিজেরই স্ট্রাকচারাল অডিট করানো প্রয়োজন বলে মনে করে অ্যাসোসিয়েশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
LinkedIn
Share