Tag: Bengali news

Bengali news

  • Primary TET: প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই-ইডি যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary TET: প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই-ইডি যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক (Primary TET) নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই (CBI)-ইডি (ED) যৌথ তদন্তের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেন তিনি। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার ভিত্তিতে হওয়া ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত করবে ইডি-সিবিআই। পর্ষদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব কীভাবে এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকে দেওয়া হল, তাও খতিয়ে দেখবে এই দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা। ২০১৪ সালের টেটের উত্তরপত্র মূল্যায়ন করার বরাত পায় এই কোম্পানি। এই কোম্পানিকে কনফিডেনশিয়াল সেকশন বলে অভিহিত করে কমিশন।

    প্রাথমিক (Primary TET) নিয়োগ কেলেঙ্কারি…

    মানিক ভট্টাচার্য সহ পর্ষদের তৎকালীন অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই। আদালত জানিয়েছে, প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি-সিবিআই। ওই অ্যাডহক কমিটিতে ৮০ বছর বয়সী এক মহিলা রয়েছেন। তাঁকে অবশ্য হেফাজতে নিতে পারবে না এই দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা। আদালতের আরও নির্দেশ, নতুন করে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত করতে হবে। ২০ এপ্রিলের মধ্যে ইডি এবং সিবিআই পৃথকভাবে হাইকোর্টে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে। এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, বোমা বাঁধতে পারলে কি বাড়তি নম্বর পাওয়া যায়? বীরভূমে পেটো বাঁধলে কত নম্বর পাওয়া যায়?

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক (Primary TET) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মামলাকারীরা অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন বিভাগে বরাদ্দ নম্বরের থেকে বেশি নম্বর দিয়েছে পর্ষদ। অযোগ্য প্রার্থীদের বহু জায়গায় বরাদ্দ নম্বরের থেকেও বেশি নম্বর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পাঠক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপের জন্য কোনও নম্বর পাননি কেউ। তখনই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অন্য ক্ষেত্রে তো বরাদ্দের থেকে বেশি নম্বর দেওয়া হয়েছে, এখানে নম্বর দেওয়া হয়নি কেন? বোমা বাঁধতে পারলে কি বাড়তি নম্বর পাওয়া যেত? বীরভূমে পেটো বাঁধলে কত নম্বর পাওয়া যেত?

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নেমে একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে রয়েছেন বাগদার চন্দন মণ্ডল ওরফে সৎ রঞ্জন। গ্রেফতার করা হয়েছে হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে। তিনি আবার নাম নেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের। এই হৈমন্তী গোপাল দলপতির দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী। তাঁর নাম প্রকাশ্যে আসার পর অবশ্য খোঁজ মেলেনি হৈমন্তীর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • Tripura Election: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    Tripura Election: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে (Tripura Election) প্রার্থী দিতে পেরেছিল মাত্র ২৮টিতে। তার পরেও ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব দেখতে শুরু করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল (TMC)। শেষমেশ নোটার (NOTA) চেয়েও কম ভোট পেয়ে ফের একবার মুখ পোড়াল মা মাটি মানুষের দল। ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্যে কার্যত অস্তিত্বহীন হয়ে গেল মমতার দল।

    ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন (Tripura Election)…

    ২০১৮ সাল থেকে ত্রিপুরা জয়ের লক্ষ্যে নেমেছে তৃণমূল। সে বছর বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র ২৪টি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছিল ঘাসফুল শিবির। সেবার সব মিলিয়ে তারা পেয়েছিল ৬ হাজার ৯৮৯টি ভোট। এবার ২৮টি আসনে লড়ে ঘাসফুল আঁকা ঝুলিতে ভোট জুটেছে সাকুল্যে ২১ হাজারের কিছু বেশি। ত্রিপুরা পুরনির্বাচনেও জনমত যাচাইয়ের চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। মুখ পুড়েছিল সেবারও। আমবাসা পুর পরিষদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জিতেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। তবে দিন দুই পরে তিনিও ভিড়ে যান বিজেপিতে। ২০২২ সালের জুনে ত্রিপুরার চার বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনেও প্রার্থী দিয়েছিল মমতার দল। চারটিতেই বাজেয়াপ্ত হয় জামানত।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরায় জয়ী বিজেপি, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়ে মুখ পোড়াল তৃণমূল

    অথচ এবার ত্রিপুরা (Tripura Election) জয়ের লক্ষ্যে প্রথম থেকেই মাটি কামড়ে পড়েছিল তৃণমূল। প্রয়াত সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা দেব কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হয় ত্রিপুরার। ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব ব্যানার্জি বিজেপি ঘুরে ফের তৃণমূলে ফিরলে ব্যাপক বিক্ষোভ হয় ঘরে-বাইরে। ছুঁচো গিলতে রাজীবকে ‘পুনর্বাসন’ দেওয়া হয় ত্রিপুরায়। ত্রিপুরা যাতায়াত করতে শুরু করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরায় পদযাত্রা করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। তার পরেও ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্যে খাতা খুলতে পারেনি তৃণমূল নেত্রীর দল।

    প্রত্যাশিতভাবেই তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির ত্রিপুরা রাজ্য সহ সভাপতি রথীন্দ্র বোস ট্যুইট-বার্তায় বলেন, ত্রিপুরায় নোটার থেকেও কম ভোট পাওয়ার জন্য তৃণমূলকে নৈতিক জয়ের শুভেচ্ছা। মনে হচ্ছে প্রার্থীরা নিজেরাও তৃণমূলকে ভোট দেয়নি। সমবেদনা জানাতে একটি ফুটবল ও হুইল চেয়ার দিতে হবে। তৃণমূলকে (Tripura Election) নিশানা করার সুযোগ হাতছাড়া করেনি বঙ্গ বিজেপিও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফেসবুকে লেখেন, মা ত্রিপুরেশ্বরীর আশীর্বাদে ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনে নোটার কাছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে পরাজিত হল সর্বভারতীয় তোলামুল পার্টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     

     

  • Guinnes Book Winner SIDDIKA PARVIN: গিনেস বুক জয়ী বিশ্বের দীর্ঘকায় মহিলা সিদ্দিকা পারভিন এখন কেমন আছে, জানেন কী?

    Guinnes Book Winner SIDDIKA PARVIN: গিনেস বুক জয়ী বিশ্বের দীর্ঘকায় মহিলা সিদ্দিকা পারভিন এখন কেমন আছে, জানেন কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সাত ফুট ৮ ইঞ্চির দীর্ঘকায় মহিলা সিদ্দিকা পারভিনকে (Siddika Parvin) মনে পড়ছে। কয়েক বছর আগে পৃথিবীর একমাত্র দীর্ঘকায় মহিলা হিসেবে গিনেস বুকে নাম তুলে রাতারাতি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তিনি। তাঁকে নিয়ে অনেক হইচইও হয়েছিল। তবে, এখন সে সব শুধু অতীতের ধূসর স্মৃতি মাত্র। বছর আটেক আগেও গ্রামের রাস্তার ধূলো উড়িয়ে শাসক এবং বিরোধী দলের নেতা নেত্রীরা তাঁর বাড়ি বয়ে এসে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু, কেউ কথা রাখেনি।

    কেমন আছেন সিদ্দিকা পারভিন?

    পৃথিবীর একমাত্র অতিকায় মহিলা হিসেবে গিনেস বুকে স্বীকৃতি পাওয়া সিদ্দিকা পারভিন এখন অসুস্থ। দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি ব্লকের শ্রীরামপুর গ্রামে তিনি থাকেন। বাড়ি বলতে ভাঙাচোরা এক চিলতে ঘর। এখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৩ বছর। এই বয়সেও তিনি ঠিকমতো নড়তে চড়তে পারেন না। আজ পর্যন্ত জোটেনি দিন গুজরানের কোনও সরকারি ভাতা। হয়নি আধার কার্ডও। বিরল রোগে তিনি আক্রান্ত। কিন্তু, তাঁর চিকিত্সা করানোর বিষয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। এক সময় নেতা, মন্ত্রীর সুপারিশে দলীয় কর্মী পরিবেষ্টিত হয়ে সিদ্দিকার চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তখন কিছুটা চিকিত্সা হয়েছিল। তারপর দিল্লি থেকে সেই যে বাড়িতে ফিরেছিলেন তিনি, আর তাঁর কেউ খোঁজ রাখেনি। এখনও তিনি সুস্থ নন। সোজা হয়ে এখন তিনি হাঁটতে পারেন না। ক্ষোভে সকলের সাথে ঠিক ভাবে কথা বলাও প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন অভিমানী সিদ্দিকা।

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৩ বছর বয়সে সিদ্দিকার পিটুইটারি গ্রন্থিতে টিউমারের সমস্যা তৈরি হয়। তাঁর চেহারা দীর্ঘ হতে থাকে। পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে তাঁর খাবারের চাহিদা। রোজ প্রায় দু’কেজি চালের ভাত খাওয়ার চাহিদা মেটাতে হিমসিম খেতে হয় গরিব পরিবারটিকে। তারপর থেকে ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এহেন তেত্রিশ পেরনো সিদ্দিকাকে নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় দিন কাটচ্ছে তার দিনমজুর বাবা আফাজুদ্দিন ও তার মা মানসুরা বিবির। তাঁদের বক্তব্য, তাঁদের মেয়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা কেউ করল না। এবার অন্তত একটি ভাতার ব্যবস্থা কেউ করে দিলে ভাল হয়। ভবিষ্যতে সিদ্দিকার অল্প হলেও নিশ্চিত সংস্থান থাকে। আর সেই দিনের পথ চেয়ে বসে রয়েছেন সিদ্দিকা ও তাঁর পরিবার ।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • Tripura Election: ত্রিপুরায় জয়ী বিজেপি, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়ে মুখ পোড়াল তৃণমূল

    Tripura Election: ত্রিপুরায় জয়ী বিজেপি, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়ে মুখ পোড়াল তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশা মতোই ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে (Tripura Election) জয়ী বিজেপি। একটি আসনও না পেয়ে মুখ পুড়িয়েছে তৃণমূল (TMC)। বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটে পর্যন্ত ১৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি (BJP)। এগিয়ে রয়েছে আরও ৫৪টি আসনে। হাজারের কিছু বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন ত্রিপুরার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। টাউন বড়দোয়ালি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। নোটার থেকেও কম ভোট পাওয়ায় তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি ত্রিপুরা বিজেপির সহ সভাপতি রথীন্দ্র বোস। এদিকে ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্যে সরকার গড়ার পথে এগোতেই আগরতলায় পার্টি অফিসে ভিড় করেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র প্রমুখ। ৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভার সিংহভাগ আসন বিজেপির ঝুলিতে গেলেও, ১৩টি আসনে জয় পেয়েছে ত্রিপুরার রাজকুমারের দল তিপ্রা মথা। বাম-কংগ্রেস জোট পেয়েছে ১৪টি আসন।

    ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন (Tripura Election)…

    এদিন সকালে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে আসেন মানিক। তার পর কার্যত নিজেকে গৃহবন্দি করে ফেলেন ত্রিপুরার (Tripura Election) বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। সারাক্ষণ চোখ রেখেছিলেন টিভির পর্দায়। তারপর যখন নিজের জয়ের খবরটা পেলেন, তখন বাড়ির সবাইকে নিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন মানিক। জয়ের পরেই রাজ্যবাসীর কাছে তাঁর আবেদন, ভোটের ফল যাই হোক না কেন, কোনও অশান্তি, গোলমাল করা চলবে না। রাজ্যে বজায় রাখতে হবে শান্তির পরিবেশ। দলের জয়ের খবর আসতেই বেরিয়ে পড়েন পার্টি অফিসের দিকে। সেখানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ও বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্রকে নিয়ে আবির খেলায় মেতে ওঠেন মানিক। একে অপরকে লাড্ডুও খাইয়ে দেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: সাগরদিঘিতে গোহারা তৃণমূল, বিপুল ভোটে জয়ী কংগ্রেস

    প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া থাকা সত্ত্বেও কোন জাদুবলে সম্ভব হল ত্রিপুরা (Tripura Election) জয়? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্রিপুরায় পালাবদলের পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের জমানায় তীব্র হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া। নির্বাচনের মাত্র ৯ মাস আগে বিপ্লবকে সরিয়ে দিয়ে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানিককে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে দেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাতেই বদলে যায় পাশার দান।

    বিপ্লবের রাজত্বকালে ত্রিপুরা বিজেপিতে জন্ম হয় একাধিক গোষ্ঠীর। যা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। মন্ত্রিসভা রদবদল করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। যদিও তার পরেও বিপ্লবের বিরুদ্ধে ধূমায়িত হতে থাকে ক্ষোভের আগুন। মানিক মুখ্যমন্ত্রী হতেই আমূল বদলে যায় ছবিটা। সেই কারণেই ত্রিপুরার কুর্সিতে ফের আসীন হতে চলেছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Tmc: চাঁচলের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে একী অভিযোগ?

    Tmc: চাঁচলের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে একী অভিযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ চাকরি নয়, এবার দলীয় পদ বিক্রির অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। কোনও বিরোধী দলের অভিযোগ নয়। অভিযোগ করছেন খোদ তৃণমূলেরই নেতা। যে সে নেতা নন, তিনি মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য। নাম মহম্মদ সামিউল ইসলাম। অভিযুক্ত চাঁচলের বিধায়ক( Tmc Mla) নীহার রঞ্জন ঘোষ।

    পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে। তৃণমূলের (tmc) বেআব্রু চেহারা ততই প্রকট হচ্ছে। মালদহের চাঁচলে তৃণমূলের দলীয় কোন্দল এবার প্রকাশ্যে। তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য এবং দলীয় বিধায়কের বিবাদ তুঙ্গে। সম্পর্ক এতটাই তলানিতে ঠেকেছে, একে অপরের বিরুদ্ধে দলীয় পদ বিক্রির অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগ করেই থামেননি। রীতিমতো চিঠি দিয়েছেন কালীঘাটে। বিধায়কও দলীয় নেতার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ছাড়েননি। তাঁর দাবি, প্রকাশ্যে তোলাবাজি বন্ধ করেছেন বলেই তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে।

    বিধায়কের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    কয়েকজন ঠিকাদার নিয়ে দল পরিচালনা করছেন চাঁচলের বিধায়ক( Tmc Mla) নীহার রঞ্জন ঘোষ। এমনকী তিনি অর্থের বিনিময়ে পদও বিক্রি করছেন। এমনই অভিযোগ আনলেন তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য মহম্মদ সামিউল ইসলাম। তিনি দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Avishek Banerjee) কাছেও এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। গত বিধানসভা ভোটের পর থেকেই দুজনের কাজিয়া চলছে। অভিযোগ, চাঁচলের নিজের দাপট বজায় রাখতেই দলীয় প্রার্থীকেই হারাতে চেয়েছিলেন। ফলে, বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর জেলা পরিষদের এই সদস্যকে তিনি কাছে ভিড়তে দেননি। দুজনের মধ্যে দূরত্ব কমাতে হস্তক্ষেপ করতে হয় জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকেও। খবর জানতেন কালীঘাটও। মালদহের প্রশাসনিক সভাতেও মুখ্যমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। তবে, পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, চাঁচল কার দখলে থাকবে তা নিয়ে দুজনের বিবাদ তুঙ্গে। তার ফলেই এই চিঠি এবং পাল্টা বিবৃতি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ভালো অবস্থাতে যে তৃণমূল কংগ্রেস নেই তা পরিষ্কার। দুপক্ষ সক্রিয় অপর গোষ্ঠীর প্রার্থীদের হারাতে।

    প্রকাশ্যে একনেতা আরেক নেতার বিরুদ্ধে মুখ খোলায় ক্ষুব্ধ মালদহ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে।

    কার হাতে পঞ্চায়েতের টিকিট দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে, কে কত বেশি কাট মানি নিতে পারবে এই নিয়েই তৃণমূলে বিবাদ, কটাক্ষ বিজেপির। উত্তর মালদহ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, তৃণমূলে গোষ্ঠী কোন্দল চরম আকার নিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, ততই তাদের গোষ্ঠী কোন্দল বেড়ে চলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে কে টিকিট দিতে পারবে, কে কাটমানির বেশি ভাগ বাটোয়ারা পাবে, এই নিয়ে এদের মধ্যে গন্ডগোল। মানুষ আর ওদের সঙ্গে নেই। পঞ্চায়েত নির্বাচন আসলেই তা টের পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Sagardighi By Election: সাগরদিঘিতে গোহারা তৃণমূল, বিপুল ভোটে জয়ী কংগ্রেস

    Sagardighi By Election: সাগরদিঘিতে গোহারা তৃণমূল, বিপুল ভোটে জয়ী কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে (Sagardighi By Election) ধরাশায়ী তৃণমূল (TMC)। ঘাসফুল প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় ২৩ হাজার ভোটে হারালেন বাম সমর্থিত কংগ্রেস (Congress) প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে একটি আসনও পায়নি বাম-কংগ্রেস জোট। তবে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ায় বিধানসভায় খাতা খুলল কংগ্রেস। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ৫০ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থী সুব্রত সাহা। তাঁর প্রয়াণে শূন্য হয়েছিল আসনটি। সেই আসনেই গোহারা হারল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    সাগরদিঘি উপনির্বাচন (Sagardighi By Election)…

    সাগরদিঘি উপনির্বাচনে (Sagardighi By Election) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ৯ জন প্রার্থী। যদিও মূল লড়াই হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস, তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহার মধ্যে। এদিন গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন। গণনা শেষে দেখা যায় তৃণমূল প্রার্থীকে ২২ হাজার ৯৮০ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। বাইরন জয়ী হতেই অকাল হোলিতে মেতে ওঠেন সাগরদিঘির বাম ও কংগ্রেস কর্মীরা। বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের কার্যালয়ের সামনে বাজি পোড়াতে থাকেন কংগ্রেস কর্মীরা।

    তৃণমূল আমাকে কিনতে পারবে না…

    সাগরদিঘি কেন্দ্রে জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন বাইরন। ফল ঘোষণার ঢের আগেই তিনি বলেছিলেন, জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমি জয়ী হব। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, পরিবর্তন হবে সাগরদিঘি থেকেই। এদিন দুপুর পৌনে তিনটে নাগাদ বাইরনকে জয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তারপরেই বাইরন বলেন, লিখে রেখে দিন, তৃণমূল আমাকে কিনতে পারবে না। দরকারে তৃণমূলকে কিনে নেব।

    আরও পড়ুুন: নির্বাচনী বন্ডে তৃণমূলের ঝুলিতে কত কোটি টাকা এসেছে জানেন?

    দলীয় প্রার্থীর জয়ে (Sagardighi By Election) দৃশ্যতই খুশি কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে অধীর বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন হলে তো প্রভাব পড়বে। যদি পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলায় থাকবেই না। এটাই তার প্রমাণ। তিনি বলেন, তৃণমূল ভোট লুঠের জন্য ক্রিমিনালদের জড়ো করেছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী সেই চেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে। বাম-কংগ্রেস কর্মীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে ভোট করেছে। অধীর বলেন, এখানকার সংখ্যালঘুরা বুঝিয়ে দিয়েছেন দ্বিচারিতাকে কীভাবে ধাক্কা দিতে হয়। খেলা এখনও অনেক বাকি আছে। 

    রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যের নানা কেলেঙ্কারিতে তৃণমূলের জড়িয়ে পড়াটা ভালো চোখে দেখেননি ভোটাররা। তার ফলেই ৫০ হাজারে জেতা আসনে প্রায় ২৩ হাজার ভোটে হারতে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
  • ADR: নির্বাচনী বন্ডে তৃণমূলের ঝুলিতে কত কোটি টাকা এসেছে জানেন?

    ADR: নির্বাচনী বন্ডে তৃণমূলের ঝুলিতে কত কোটি টাকা এসেছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের মোট আয়ের ৯৬ শতাংশেরও বেশি অর্থ এসেছিল নির্বাচনী বন্ড থেকে। এই হিসেবে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে বিজেপিকেও ছাপিয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। নির্বাচনী বন্ড থেকে অর্থ পাওয়া মানে কর্পোরেট সংস্থা বা বড় প্রতিষ্ঠানের থেকে আসা চাঁদা। এই চাঁদার বেশিরভাগই এসে জমা হয়েছে তৃণমূলের (TMC) ঝুলিতে।

    এডিআর (ADR)…

    নির্বাচন নিয়ে গবেষণা করে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস, সংক্ষেপে এডিআর (ADR)। বৃহস্পতিবার ২০২১-২২ অর্থবর্ষে জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলির আয়-ব্যয়ের খতিয়ান প্রকাশ করেছে এই সংস্থা। তাতেই দেখা গিয়েছে, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের বছরে আয়ের নিরিখে তৃণমূল ছিল বিজেপির (BJP) পরেই। কংগ্রেসকে তৃতীয় স্থানে ঠেলে দিয়েছে তৃণমূল। আগের অর্থবর্ষের তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তৃণমূলের আয় বেড়েছিল প্রায় ৬৩৩ শতাংশ। এই আয়ের ৯৬ শতাংশেরও বেশি অর্থ এসেছিল নির্বাচনী বন্ড থেকে। বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচনী বন্ডের বেশিরভাগ চাঁদাই বিজেপির ঝুলিতে যাচ্ছে। এডিআরের রিপোর্টে কিন্তু প্রকাশ, সিংহভাগ চাঁদা গিয়েছে তৃণমূলের ঝুলিতে।

    আরও পড়ুুন: নির্বাচন কমিশনকে ‘কলঙ্ক’মুক্ত করতে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    জানা গিয়েছে, অরুণ জেটলি যখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন, তখন নির্বাচনী বন্ড (ADR) চালু করে মোদি সরকার। ওই সময় নির্বাচনী বন্ডে স্বচ্ছতা আনার দাবি করেছিল তৃণমূল। তাদের দাবি ছিল, কোন কর্পোরেট সংস্থা কোন দলকে চাঁদা দিচ্ছে, তা আনা হোক তথ্যের অধিকার আইনের আওতায়। এডিআরের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে বিজেপির মোট আয় ছিল প্রায় ১৯১৭ কোটি টাকা। তৃণমূলের আয় ছিল ৫৪৫.৭৫ কোটি টাকা। আর কংগ্রেসের আয় ছিল ৫৪১.২৭ কোটি টাকা। এই টাকার শতকরা ৭৪ ভাগ অর্থই খরচ করে ফেলেছে কংগ্রেস। যদিও অর্ধেক টাকা খরচ করতে হয়নি বিজেপি এবং তৃণমূলকে। নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে আয়েও কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দিয়েছে তৃণমূল। ওই অর্থবর্ষে এই খাতে বিজেপি আয় করেছে ১০৩৩ কোটি টাকা। তৃণমূলের আয় ছিল ৫২৮ কোটি টাকা। আর কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ২৩৬ কোটি টাকা। এডিআরের (ADR) ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, দেশের আটটি জাতীয় দলের সম্মিলিত আয় ৩,২৮৯.৩৪ কোটি টাকা। এর ৫৮.২৮ শতাংশই গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     

     

  • Chief Election Commissioner: নির্বাচন কমিশনকে ‘কলঙ্ক’ মুক্ত করতে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Chief Election Commissioner: নির্বাচন কমিশনকে ‘কলঙ্ক’ মুক্ত করতে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। নির্বাচন কমিশনকে ‘কলঙ্ক’ মুক্ত করতে ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, এখন থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগে আর একাধিপত্য থাকবে না কেন্দ্রের। তার বদলে এঁদের নিয়োগ করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM), বিরোধী দলনেতা ও প্রধান বিচারপতির যৌথ কমিটি। নির্বাচনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই রায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner)…

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি কে এম জোসেফের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার প্রধান বিরোধী দল ও প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে একটি কমিটি গড়তে হবে। এই কমিটির সুপারিশ মেনেই নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি। যদি কখনও লোকসভায় বিরোধী দলনেতা পদে কেউ না থাকেন, তাহলে বৃহত্তম বিরোধী দলের নেতাকেই এই কমিটিতে নেওয়া হবে।

    শীর্ষ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Chief Election Commissioner) এবং আরও দুই নির্বাচনী আধিকারিক যাঁরা দেশজুড়ে ভোটের দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের নিয়োগ করা হবে নয়া নিয়মে। তিন সদস্যের প্যানেলের অনুমোদন নিয়ে তাঁদের নিয়োগ করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি।

    আরও পড়ুুন: সংগঠনের বিস্তার প্রয়োজন, পরিকল্পনা করতে পানিপথে তিনদিনের বৈঠকে আরএসএস

    বিচারপতি কে এম জোসেফের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন অবশ্যই স্বচ্ছ হওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশনকে সেই স্বচ্ছতা বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এও বলা হয়েছে, গণতন্ত্রে স্বচ্ছ নির্বাচন হওয়া জরুরি। নাহলে তার ফল ধ্বংসাত্মক হতে পারে। সেই কারণে সিবিআই প্রধান নিয়োগের পদ্ধতিতেই নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে আদালতের রায়ে। প্রসঙ্গত, এতদিন প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ মেনে এই তিন আধিকারিককে নিয়োগ করতেন রাষ্ট্রপতি। সাধারণত প্রাক্তন আমলাদেরই নিয়োগ করা হয় এই পদে।

    পাঁচ সদস্যের যে সাংবিধানিক বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন, সেই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি কেএম জোসেফ, বিচারপতি অজয় রাস্তোগী, বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু, বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি সিটি রবিকুমার। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, যতদিন না নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সংসদে কোনও আইন তৈরি হচ্ছে, ততদিন এই পদ্ধতি বজায় থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • RSS: সংগঠনের বিস্তার প্রয়োজন, পরিকল্পনা করতে পানিপথে তিনদিনের বৈঠকে আরএসএস

    RSS: সংগঠনের বিস্তার প্রয়োজন, পরিকল্পনা করতে পানিপথে তিনদিনের বৈঠকে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালে শতবর্ষপূর্তি আরএসএসের (RSS)। এই উপলক্ষে গোটা দেশে এক লক্ষ শাখা খোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্য পূরণ হতে আরও কিছুটা বাকি। তার ওপর আগামী বছরই রয়েছেন মহারণ। লোকসভা নির্বাচন। বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরানো প্রয়োজন। সামনেই ৬টি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এসবের জন্য চাই সঠিক পরিকল্পনা। বিরোধীদের মাত দিতে তৈরি করা প্রয়োজন সঠিক রণকৌশল। এই রণকৌশল স্থির করতেই চলতি মাসের ১২-১৪ তারিখ পর্যন্ত হরিয়ানার পানিপথে বৈঠকে বসতে চলেছে আরএসএসের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক গোষ্ঠী অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা (Akhil Bharatiya Pratinidhi Sabha)।

    আরএসএস (RSS)… 

    গত বছর আরএসএসের বৈঠকে গোটা দেশে এক লক্ষ শাখা খোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে খোলা হয়েছে ৮০ হাজার কেন্দ্র। আরএসএসের শতবর্ষপূর্তি হবে ২০২৫ সালে। তার আগেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এই যে বাকি ২০ হাজার শাখা কীভাবে খোলা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হবে তিনদিনের ওই বৈঠকে। বৈঠকে যোগ দেবেন প্রায় ১৪০০ কর্মী।

    বুধবার আরএসএসের (RSS) মুখপাত্র সুনীল আম্বেকর বলেন, গত এক বছরের কার্যকলাপের রিভিউ হবে তিনদিনের ওই সভায়। ২০২৩-২৪ সালের পরিকল্পনা ও রণকৌশলও ছকা হবে। আরএসএস সূত্রে খবর, কর্মকর্তা তৈরি করা এবং তাঁদের প্রশিক্ষণ নিয়েও আলোচনা হবে। সুনীল বলেন, আগামী বছর আরএসএসের শতবর্ষ উৎসব শুরু হতে চলেছে। তাই শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানের রূপরেখা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে সেখানে। আরএসএসের এই তিনদিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত সহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। আরএসএসের একটি সূত্রের খবর, বৈঠকে দেশে হিন্দুত্বের বিকাশ, মুসলিমদের ভূমিকা, ধর্মান্তকর ছাড়াও বিলগ্নিকরণের মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুুন: ‘ভবিষ্যতের শহরের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়া জরুরি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    আরএসএস (RSS) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, পানিপথের এই সভা থেকেই রাজ্যওয়াড়ি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে আগামী এক বছর সংঘের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। এই সভায় বাংলা থেকে ৮৬ জন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতে পারেন। এর মধ্যে তিনটি প্রান্ত থেকে ৩২ জন প্রতিনিধি এবং ৫৪ জন বিভাগীয় কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। প্রসঙ্গত, বাংলায় শাখার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত স্বয়ং। তবে তাতেই থেমে থাকতে রাজি নন আরএসএস কর্তারা। এবার প্রতিটি ওয়ার্ডে, প্রতিটি পঞ্চায়েতে সংগঠনের বিস্তার চান তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • PM Modi: ‘ভবিষ্যতের শহরের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়া জরুরি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘ভবিষ্যতের শহরের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়া জরুরি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের উন্নয়নে ভারত (India) সার্কুলার অর্থনীতিকে প্রধান ভিত্তি করছে। বুধবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, যদি এই পন্থা আগে অবলম্বন করা হত, তাহলে দেশের বিভিন্ন শহরে পাহাড় প্রমাণ জঞ্জাল জমত না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শহরের আবর্জনার ৭৫ শতাংশই প্রসেস করা হচ্ছে। ২০১৪ সালে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ১৪-১৫ শতাংশ। তিনি বলেন, সুপরিকল্পিত শহরগুলি দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে যদি দেশের ৭৫টি শহরেও সুপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা হত, তাহলে বিশ্বের দরবারে ভারতের ভাবমূর্তি অন্যরকম হত। তিনি বলেন, ভারতে দ্রুত নগরায়ন হচ্ছে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়ে তোলা খুবই জরুরি।

    মোদি (PM Modi) বলেন…

    এদিন বাজেট-উত্তর ওয়েবমিনারে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। আলোচনার বিষয় ছিল ‘আরবান ডেভেলপমেন্ট উইথ ফোকাস অন প্ল্যানিং’। তিনি জানান, আবর্জনা প্রসেস করা হলে অনেক সুযোগেরই দ্বার খুলে যায়। কারখানাগুলো এগুলোকে কাজে লাগাতে পারে। দেশবাসীর কাছে তাঁর আবেদন, এই জাতীয় স্টার্টআপগুলিকে সমর্থন করুন। বলুন, বড় কাজ করছেন। তিনি বলেন, কোনও কোনও শহরে ব্যবহৃত জলও কারখানার কাজে লাগানো হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরবান প্ল্যানিং আমাদের শহরগুলির ভাগ্য নির্ধারন করে। এবং এই সমস্ত সুপরিকল্পিত শহর ভারতের ভাগ্য নির্ধারণ করে। তিনি বলেন, আমাদের নয়া শহরগুলি অবশ্যই জঞ্জালমুক্ত হবে। নিশ্চিত জল মিলবে। জলবায়ু সহনশীল হবে।

    আরও পড়ুুন: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    শহুরে পরিকাঠামোর ওপর বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোর ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। দোতলা, তিনতলা শহর গড়ার পরিকল্পনা করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ভারতের ভবিষ্যতের শহরগুলির পরিকল্পনা হওয়া উচিত অন্যভাবে। সেগুলি যেমন গঠনশৈলির দিক থেকে অনন্য হবে, তেমনি হবে জিরো লিক্যুইড ডিসচার্জ মডেল, নেট পজিটিভিটি অফ এনার্জি, এফিসিয়েন্সি অফ ল্যান্ড ইউজ, ট্রানজিট করিডরস। জনগণের সেবায় নিয়োজিত হবে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স। শহরে খেলার মাঠ এবং সাইকেল চলাচলের জন্য আলাদা রাস্তা গড়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পর থেকে গ্রামের উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি জোর দিয়েছেন শহরের উন্নয়নের দিকেও। যার জেরে আধুনিক বিশ্বে ভারতের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     

     

     

LinkedIn
Share