Tag: Bengali news

Bengali news

  • Union Budget: প্রকল্পের কাজ শেষ হলে তবেই টাকা পাবে রাজ্য, নয়া ভাবনার পথে মোদি সরকার

    Union Budget: প্রকল্পের কাজ শেষ হলে তবেই টাকা পাবে রাজ্য, নয়া ভাবনার পথে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, ফেল কড়ি, মাখো তেল। একথার দিন বোধহয় ফুরোতে চলেছে। এবার যা দাঁড়াতে চলেছে, তা হল আগে তেল মাখাতে হবে, তার পরেই মিলবে কড়ি। হেঁয়ালি ছেড়ে এবার আসল কথায় আসা যাক। কেন্দ্র-রাজ্য (Center- State) যৌথ প্রকল্পে এতদিন পর্যন্ত কাজ শুরু হওয়ার পরে পরেই মিলত অর্থ। তবে পরে দেখা যেত কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। অথচ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। এই পদ্ধতিতে বদল আনার চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্র (Union Budget)। জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা গ্রাম সড়ক যোজনার মতো যে সব কেন্দ্রীয় সাহায্যে চলা প্রকল্পে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারই অর্থ খরচ করে, তার মধ্যে বাছাই করা কিছু প্রকল্পে এই ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে মোদি সরকার। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে হলেও, পরে তা হয়ে যাবে পাকাপাকি।

    বাজেট…

    ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট (Union Budget) পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (nirmala sitharaman) বলেছিলেন, উন্নয়নের প্রয়োজনীয় অর্থ ঠিকভাবে খরচ করতে কিছু বাছাই করা প্রকল্পে অর্থ মঞ্জুরির পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে বদলানো হবে। কাজের অগ্রগতির বদলে কাজ শেষে ফল মেলার ভিত্তিতে টাকা দেওয়া হবে। কেন্দ্রের যুক্তি, এর ফলে রাজ্যগুলি যে কোনও প্রকল্পের সুফল মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে উৎসাহিত হবে। দ্রুত কাজ শেষ হবে। কেন্দ্রের পাঠানো অর্থ খরচ না করে রাজ্যগুলি বসে থাকে। সেই সমস্যাও দূর হবে। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রের ব্যাখ্যা, প্রাথমিকভাবে কাজ শুরুর জন্য রাজ্যকে পুঁজি হিসেবে কিছু অর্থ দেওয়া হবে। কিন্তু অধিকাংশ অর্থই মিলবে কাজের ফল মেলার পরে।

    আরও পড়ুুন: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পের (Union Budget) যে নাম দেবে, তা কোনওভাবেই বদলানো যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থসচিব। যে কোনও প্রকল্পে অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা অর্জনের মূল শর্ত দুটি। এক কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পের যে নাম দেবে, তা কোনওভাবেই বদলানো যাবে না। আর দুই, কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা পাওয়ার জন্য ওই প্রকল্পের জন্য একটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। রাজ্যের অর্থও সেই অ্যাকাউন্টে যাবে। এর ফলে সেই অ্যাকাউন্টে কেন্দ্র ও রাজ্য দু পক্ষই নজরদারি করতে পারবে। কোনওভাবেই সেই অর্থ রাজ্য অন্য কোনও প্রয়োজনে খরচ করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় অনেক প্রকল্পেরই নাম বদলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। এক খাতের অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Mohan Bhagwat: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঈশ্বরের (God) কাছে সকলের সমান কদর। জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই। সমাজে শ্রেণি তৈরি করেন পুরোরিতরাই, যা ভুল ছিল। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি আর কেউ নন স্বয়ং মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat), আরএসএস (RSS) প্রধান। রবিবার মুম্বইয়ের রবীন্দ্র নাট্য মন্দির মিলনায়তনে সাধক শিরোমণি রোহিদাসের ৬৪৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল এক অনুষ্ঠানের। এই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত। সেখানেই তিনি বলেন, ঈশ্বরের কাছে সকলের সমান কদর। জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই। সমাজে শ্রেণি তৈরি করেন পুরোরিতরাই, যা ভুল ছিল।

    ভাগবত উবাচ…

    সরসংঘ চালক বলেন, আমাদের সমাজের এই বিভেদের ফায়দা তোলে বহিঃশত্রুরা। সেই জন্যই বার বার আক্রমণ হয়েছে। বাইরে থেকে এসে আমাদের মধ্যেকার বিভেদকে কাজে লাগিয়ে ফায়দা তুলেছে কিছু মানুষ। ভাগবত বলেন, দেশের বিবেক এবং চেতনা সবই এক, শুধু মতামত ভিন্ন। অন্যান্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছাড়াই কোনও ব্যক্তির তাঁর নিজ ধর্ম পালন করা উচিত। তিনি বলেন, ধর্মীয় বার্তাগুলিকে পৌঁছে দেওয়ার পদ্ধতিগুলি ভিন্ন হলেও, বার্তাগুলি অভিন্ন।

    আরও পড়ুুন: “নোটার থেকেও কম ভোট পাবে তৃণমূল”, পিংলা সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    সরসংঘ চালক (Mohan Bhagwat) বলেন, যখন আমরা জীবিকা অর্জন করি, তখন সমাজের প্রতিও আমাদের একটা দায়বদ্ধতা থাকে। প্রতিটি কাজই সমাজের বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য করা হয়। তাঁর প্রশ্ন, তাহলে কীভাবে কোনও কাজ বড়, কোনও কাজ ছোট হতে পারে? ভাগবত বলেন, আমাদের নির্মাতার কাছে আমরা সবাই সমান। কোনও জাতি বা সম্প্রদায় ভেদ নেই। এই পার্থক্যগুলি তৈরি করেছিলেন আমাদের পুরোহিতরা। এর পরেই তিনি বলেন, দেশের বিবেক এবং চেতনা সব একই, শুধু মতামত ভিন্ন।  

    রোহিদাস যে অনেক উঁচু দরের সাধক, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সংঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, সাধক রোহিদাসের মর্যাদা তুলসীদাস, কবির এবং সুরদাসের চেয়েও বড়। তাই তাঁকে সাধক শিরোমণি বলা হয়। ভাগবত বলেন, তিনি (সাধক রোহিদাস) শাস্ত্রজ্ঞানে ব্রাহ্মণদের হারাতে পারেননি ঠিকই, তবে অনেকের হৃদয় স্পর্শ করতে পেরেছিলেন। সরসংঘ চালক বলেন, ধর্ম মানে শুধু পেট ভরানো নয়। নিজের কাজ করুন এবং আপনার ধর্ম মেনে তা করুন। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করুন। তার উন্নতির জন্য কাজ করুন। এটাই ধর্মের মূল কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Asia Cup: পাকিস্তানে হচ্ছে না এশিয়া কাপ, কোথায় হবে জানেন?

    Asia Cup: পাকিস্তানে হচ্ছে না এশিয়া কাপ, কোথায় হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানে (Pakistan) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এশিয়া কাপ (Asia Cup)। তবে এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের (ACC) চেয়ারম্যান জয় শাহ সাফ জানিয়ে দেন, পাকিস্তানে যাবে না ভারত। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে এবার হচ্ছে না এশিয়া কাপ। এশিয়া কাপ আয়োজনের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশারি। যদিও সূত্রের খবর, আয়োজক দেশের নাম চূড়ান্ত হবে মার্চে। শনিবার বাহরিনে জয় শাহ এবং পাক বোর্ডের চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি দেখা করেন। তার পরেই জানা যায়, এবারের এশিয়া কাপ হচ্ছে না পাকিস্তানে।

    জয় শাহ…

    গত অক্টোবরেই জয় শাহ জানিয়ে দিয়েছিলেন এশিয়া কাপ (Asia Cup) খেলতে ভারত পাকিস্তানে যাবে না। নিরপেক্ষ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া কাপ। তার পরেও এশিয়া কাপ আয়োজনের জেদ ধরে বসে থাকেন পার বোর্ডের চেয়ারম্যান। জয়ের সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে শনিবার জরুরি বৈঠকে ডাকেন তিনি। এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের সব দেশই উপস্থিত ছিল সেখানে। তখনই সিদ্ধান্ত হয়, এশিয়া কাপ এবার হচ্ছে না পাকিস্তানে।

    বোর্ডের এক কর্তা বলেন, সব দেশের উপস্থিতিতে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। আয়োজকদের নাম ঘোষণা মার্চ মাস পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানে যাবে না। তাই প্রতিযোগিতাকেই স্থানান্তরিত করা হবে। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, শুভমন গিলরা এ ধরনের প্রতিযোগিতায় না খেললে স্পনসররা কেউ এগিয়ে আসবে না।

    আরও পড়ুুন: বাজেটে রেকর্ড বরাদ্দ, অথচ জমি জটে আটকে রেল প্রকল্প, খরচ কীভাবে?

    বৈঠকের পর এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল এক বিবৃতিতে বলেছে, এসিসি আসন্ন এশিয়া কাপ (Asia Cup) ২০২৩ নিয়ে একটি গঠনমূলক আলোচনা করেছে। বোর্ড টুর্নামেন্টের সাফল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপারেশন, টাইমলাইন এবং অন্য যে কোনও সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। পরবর্তীতে এই বিষয়ে একটি আপডেট নেওয়া হবে। কাউন্সিলের সভা মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সাল পর্যন্ত এশিয়ান ক্রিকেটের জন্য ফিক্সচার নিশ্চিত করেছিল এসিসি এবং তারা বলেছিল যে এশিয়া কাপ ২০২৩ সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। ৫০ ওভারের টুর্নামেন্টের হোস্টিং রাইটস রয়েছে পাকিস্তানের কাছে। বিসিসিআইয়ের এক আধিকারিক বলেন, ভারতীয় দল কোনওভাবেই পাকিস্তানে যাবে না। তাই এশিয়া কাপই সরাতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Pervez Musharraf Death: দুবাইয়ের হাসপাতালেই প্রয়াত পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মুশারফ

    Pervez Musharraf Death: দুবাইয়ের হাসপাতালেই প্রয়াত পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মুশারফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিল আগেও একবার। তবে সেটা ছিল নিছকই গুজব। এবার আর গুজব নয়, নিখাদ সত্য। ৭৯ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মুশারফ (Pervez Musharraf Death)। মাস কয়েক ধরে ভর্তি ছিলেন দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট।

    পারভেজ…

    ১৯৪৩ সালের ১১ অগাস্ট অবিভক্ত ভারতের দিল্লিতে (Delhi) জন্ম পারভেজের। পরে পাকিস্তানে চলে যায় তাঁর পরিবার। করাচির সেন্ট প্যাট্রিকস হাইস্কুলে পড়াশোনা শেষে উচ্চশিক্ষার পাঠ নিতে যান লাহোরের ফোরম্যান ক্রিশ্চিয়ান কলেজে। কলেজের পাঠ চুকিয়ে পারভেজ যোগ দেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে। পরে হন সেনা প্রধান এবং শেষমেশ দেশের ক্ষমতা দখল। ১৯৯৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন পাকিস্তানের শাসক। ২০১৯ সালে দেশদ্রোহিতার দায়ে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয় তাঁকে। পরবর্তীকালে অবশ্য বাতিল হয় মৃত্যুদণ্ড।

    পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর দুবাইয়ের হাসপাতালে প্রয়াত হন প্রাক্তন পাক রাষ্ট্রপতি (Pervez Musharraf Death)। কার্গিল যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের অন্যতম মাথা ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ সালে পারভেজকে সেনাপ্রধান নিযুক্ত করেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তিনি সেনা প্রধান হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরেই বাসে করে লাহোরে গিয়েছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। তিনি যখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির চেষ্টা করছিলেন, সেই সময়ই কার্গিল সেক্টর দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল পাক সেনারা।

    আরও পড়ুুন: মার্কিন সমীক্ষা অনুযায়ী বিশ্বের জনপ্রিয় নেতাদের মধ্যে শীর্ষে নরেন্দ্র মোদি

    গত বছরের ১০ জুন পারভেজের (Pervez Musharraf Death) পরিবারের তরফে জানানো হয়েছিল, তিনি এমন রোগে ভুগছেন ও ভোগান্তির এমন স্তরে এসে পৌঁছেছেন যে তাঁর পক্ষে পুরোপুরি আরোগ্য লাভ করা আর সম্ভব নয়। তাঁর অর্গ্যান ম্যালফাংশন করছে। ভেন্টিলেশনেও সব সময় কাজ হচ্ছে না। সেই কারণে পারভেজের পরিবারের তরফে শুভাকাঙ্খীদের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এই বলে যে পারভেজ দুরারোগ্য রোগে ভুগলেও, তিনি যেন বাকি জীবনটুকু যন্ত্রণাবিহীনভাবে বেঁচে থাকতে পারেন, তাঁরা যেন সেই প্রার্থনা করেন ভগবানের কাছে। পাকিস্তানের তেহরিক-ই-ইনসাফের এক প্রবীণ নেতা ফাওয়াদ হুসেন ট্যুইট-বার্তায় লেখেন, মুশারফের মনে সব ক্ষেত্রে পাকিস্তানই ছিল অগ্রাধিকার। তাঁর চিন্তা ও দর্শন ছিল পাকিস্তানকেন্দ্রিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
  • Suvendu Adhikari: ‘শুধু আমলার স্ত্রীই নন, ভিক্টোরিয়ায় যেন অনুষ্ঠানের সুযোগ পান অন্য শিল্পীরাও’, রাজ্যপালকে আবেদন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘শুধু আমলার স্ত্রীই নন, ভিক্টোরিয়ায় যেন অনুষ্ঠানের সুযোগ পান অন্য শিল্পীরাও’, রাজ্যপালকে আবেদন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিক্টোরিয়া মেমরিয়ালে গানের অনুষ্ঠান করেছেন রাজ্যের আমলা মণীশ জৈনের স্ত্রী রুচিরা জৈন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যেহেতু এই স্মৃতি সৌধের ট্রাস্টির চেয়ারপার্সন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose), তাই তাঁর কাছেই আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর আর্জি, শুধু আমলার স্ত্রীই নন, ভিক্টোরিয়ায় যেন অনুষ্ঠানের সুযোগ পান অন্য শিল্পীরাও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শুভেন্দুর এই আবেদন আদতে রাজ্যপালের ওপর চাপ জারি রাখার কৌশল।

    সি ভি আনন্দ বোস…

    সি ভি আনন্দ বোসের আগে রাজ্যপাল পদে ছিলেন জগদীপ ধনখড়। পরে উপরাষ্ট্রপতি হয়ে চলে যান তিনি। তাঁর জায়গায় রাজ্যপাল পদে আসেন সিভি আনন্দ বোস। তার পরেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বঙ্গ বিজেপি। স্বপন দাশুগুপ্তের মতো নেতারা আগেই বলেছেন, জগদীপ ধনখড়ের বিকল্প খুঁজে পাওয়া ভার। তার পরেই সরস্বতী পুজোয় রাজ্যপালের বাংলা শেখার হাতে খড়ি অনুষ্ঠানে জয় বাংলা মন্তব্য নিয়ে শোলগোল পড়ে যায়। তৃণমূলেক বিঁধে রাজ্যপালের শব্দ চয়ন নিয়ে সতর্ক হওয়ারও পরামর্শ দিয়েছিলেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: ‘ক্ষমা চান, না হলে নবান্ন অভিযান হবে’, মতুয়া বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি পরিষদের 

    রুচিরার সঙ্গীতানুষ্ঠান নিয়ে ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, শ্রীমতি রুচিরা জৈন, শ্রী মণীশ জৈন (আইএএস) এর স্ত্রী, প্রধান সচিব, স্কুল শিক্ষা বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে অনুষ্ঠান করবেন। আমি মাননীয় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে অনুরোধ করব পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য গায়ক ও সঙ্গীতশিল্পীদের একই সুযোগ দেওয়ার জন্য।

    রাজ্যপালের প্রতি বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) আবেদন, ঐতিহ্যবাহী মেমরিয়ালের ট্রাস্টির চেয়ারপার্সন হিসেবে আশা করব এরপর ভিক্টোরিয়ায় পশ্চিমবঙ্গের প্রতিভাবান সঙ্গীতশিল্পীরাও অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাবেন। গান গাইতে পারবেন, ভাওয়াইয়া, চটকা, ভাদু, টুসু, জাওয়া, ঝুমুর, আলকাপ, বোলান, পাঞ্চালুর মতো লোকশিল্পীরাও। ভিক্টোরিয়ার মতো জায়গায় এঁরা নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পেলে উপকৃত হবেন। শুভেন্দুর অভিযোগ, বিভিন্ন কাগজে রুচিরা জৈনের গানের অনুষ্ঠানের প্রচারের খরচ জুগিয়েছেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Suvendu Adhikari: ‘ক্ষমা চান, না হলে নবান্ন অভিযান হবে’, মতুয়া বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি পরিষদের

    Suvendu Adhikari: ‘ক্ষমা চান, না হলে নবান্ন অভিযান হবে’, মতুয়া বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মতুয়া (Matua) সম্প্রদায়ের গুরুর নাম বিকৃত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেজন্য মালদহের গাজোলে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এবার এই দাবিতে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এই দুই বিজেপি নেতার অভিযোগ, গাজোলের একটি সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়ের আরাধ্য হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করেছেন মমতা। শনিবার নদিয়ার একটি জনসভায় এনিয়ে ফের সরব হন শুভেন্দু। আগামী সাত দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা না চাইলে নবান্ন অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু-শান্তনু।

    মতুয়া…

    আন্তর্জাতিক মতুয়া পরিষদের আহ্বায়ক সুকেশ চৌধুরী। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। সেই সময় মতুয়া পরিষদের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাত দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এই সময়সীমার মধ্যে তিনি ক্ষমা না চাইলে নবান্ন অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরাও।

    এদিন নদিয়ার সভা শেষে শান্তনু বলেন, শুধুমাত্র একটা সম্প্রদায়ের মানুষকে খুশি করার জন্য, ভোটব্যাঙ্কের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালদহের গাজোলে দাঁড়িয়ে হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম বিকৃতি করে উচ্চারণ করেছেন। তাঁকে এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। এর পরেই শুভেন্দুও বলেন, গাজোলে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মতুয়া সম্প্রদায়ের পথেই হাঁটতে হবে গোটা রাজ্যের মানুষকে। এর আগেও ট্যুইট করে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তখনও তিনি জানিয়েছিলেন, গুরুচাঁদের নাম বিকৃত করে মতুয়া ও নমঃশুদ্র সমাজকে অপমান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সারাজীবন মতুয়া সমাজকে ভোট ব্যাঙ্ক ভেবেছেন, মন থেকে সম্মান করেননি।

    আরও পড়ুুন: সবাই নাগরিক হলে ৭১- এর দলিল চায় কেন? সিএএ প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, গাজোলের একটি জনসভায় মতুয়াদের ধর্মগুরুর নাম ভুল বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে তখন থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা না চাইলে আন্দোলন হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সর্বভারতীয় মতুয়া মহাসংঘ। বিষয়টি নিয়ে পথে নামবেন বলে ঘোষণা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাও। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় বিক্ষোভেও শামিল হন মতুয়া সম্প্রদায়ের লোকজন। তৃণমূল ভোট চাইতে এলে মতুয়াদের লাঠি নিয়ে তৈরি থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় কর্নাটক (Karnataka) নির্বাচন। আস্তিন গুটিয়ে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের কো-ইনচার্জ করল বিজেপি। শনিবার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় এই নতুন দায়িত্ব। এর ঠিক একদিন আগে ইনচার্জ হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছিল আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। এদিনই কো-ইনচার্জ করা হয়েছিল তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাইকে। শনিবার তাঁর পাশাপাশি কো-ইনচার্জ করা হল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে।

    ভোটের বাদ্যি…

    চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাস নাগাদ হতে পারে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে যাতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে দল, সেজন্য চেষ্টার কসুর করছে না গেরুয়া শিবির। বিজেপির তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে দলের জাতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইনচার্জ করেছেন। ওই নির্বাচনের জন্য কো-ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এবং তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতি কে আন্নামালাইকে। এই নিয়োগ এখন থেকেই কার্যকর হচ্ছে। কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন যে আপাতত বিজেপির পাখির চোখ, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই।

    আরও পড়ুুন: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কর্নাটক (Karnataka) গিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে যাত্রায় হুবলিতে তিনি রোডশো করেন। প্রধানমন্ত্রীর ওই রোডশো দেখতে উপচে পড়েছিল ভিড়। তাঁর পরে পরেই কর্নাটক গিয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। নির্বাচন উপলক্ষে দলের প্রস্তুতি কেমন, তা দেখতেই তিনি গিয়েছিলেন কর্নাটক সফরে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখে কর্নাটক সফরে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি যাবেন দক্ষিণ কান্নাডা জেলার পুত্তুরে। সেখানে একটি কো-অপারেটিভ কনভেনশনে যোগ দেবেন তিনি। কর্নাটকের পদ্ম শিবিরের আশা, শাহ কর্নাটক সফরে এলেই চাঙা হয়ে উঠবে দল। মিটবে দলীয় অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলিও। যার জেরে দক্ষিণের এই রাজ্যে দল ফের ক্ষমতায় আসবে বলেও আশাবাদী তারা।

    প্রসঙ্গত, এর আগের এক জনসভায় কর্নাটককে (Karnataka) দক্ষিণের গেটওয়ে বলে সম্বোধন করেছিলেন শাহ। দক্ষিণের এই রাজ্যেই কেবল ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। দলীয় সংগঠন চাঙা করতে বিএস ইয়েদুরাপ্পাকে সরিয়ে বাসবরাজ বোম্বাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল দলের রাশ, ২০১৮ সালে। এই বিধানসভার আসন সংখ্যা ২২৪।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Hand Transplant: দেশে প্রথমবার হাত প্রতিস্থাপন, তরুণীকে নতুন জীবন দান মুম্বইয়ের হাসপাতালের

    Hand Transplant: দেশে প্রথমবার হাত প্রতিস্থাপন, তরুণীকে নতুন জীবন দান মুম্বইয়ের হাসপাতালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মগত ত্রুটির কারণে সম্পূর্ণ হয়নি হাতের গঠন। তা নিয়ে মনমরা হয়েছিলেন গুজরাটের (Gujarat) ভারুচের বাসিন্দা সামিয়া মনসুরি। বয়স যত বেড়েছে, ততই বেড়েছে বিড়ম্বনা। ১৮ বছর বয়স হতেই মিটল সমস্যা। জন্মদিনে কার্যত নতুন জীবন পেলেন ওই অষ্টদশী। আজ্ঞে, হ্যাঁ, যে ডান হাতের গঠন সম্পূর্ণ হয়েছিল না জন্মগত ত্রুটির কারণে, সেই হাতই প্রতিস্থাপন (Hand Transplant) করা হল। বিরল অস্ত্রোপচার করে ওই তরুণীর হাত প্রতিস্থাপন করে নজির সৃষ্টি করলেন মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

    সামিয়া…

    জন্ম থেকেই সামিয়ার ডান হাতের কনুই থেকে আঙুল পর্যন্ত হাড়, পেশি, স্নায়ু, রক্তবাহ সব কিছুই স্বভাবিকের তুলনায় আকারে ছোট। জন্মের পর থেকেই তাই তাঁর পরিবার তাঁকে নিয়ে ঘুরেছেন চিকিৎসকের দোরে দোরে। দেশের একাধিক হাসপাতালেও ঘুরেছেন শিশু সামিয়ার হাত ঠিক করার জন্য। কেউই আশার আলো দেখাতে পারেনি। শেষমেশ তাঁরা দ্বারস্থ হন মুম্বইয়ের গ্লোবাল হাসপাতালের। বেশ কয়েকটি কাউন্সেলিং সেশনের পর হাসপাতালের প্লাস্টিক, হ্যান্ড এবং রিকনস্ট্রাক্টিভ মাইক্রো সার্জন নীলেশ সতভাইয়ের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল সামিয়ার হাত প্রতিস্থাপন করতে রাজি হন। যদিও নাবালিকা হওয়ায় তাঁর হাত প্রতিস্থাপন (Hand Transplant) করা যায়নি।

    আরও পড়ুুন: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    জানুয়ারির ১০ তারিখে আঠারোয় পা দেন সামিয়া। তাঁর সম্মতি মেলার পর শুরু হয় অঙ্গদাতার খোঁজ। মিলেও যায়। ইন্দোরের বাসিন্দা ৫২ বছর বয়সি এক মহিলার পরিবার হাত দান করতে রাজি হন। টানা ১৩ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের শেষে নতুন জীবন ফিরে পান সামিয়া। বলেন, জন্মদিনে এটাই আমার কাছে সেরা উপহার। আমি এই মুহূর্তে পৃথিবীর সুখীতম মানুষ। বিসিএ নিয়ে পড়াশোনা করছেন সামিয়া। বলেন, বিসিএ, এমসিএ পড়ার পর পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে কাজ করতে চাই।

    চিকিৎসক নীলেশ সতভাই বলেন, জন্মগত ত্রুটির ক্ষেত্রে হাত প্রতিস্থাপনের (Hand Transplant) নজির চিকিৎসাশাস্ত্রে আর নেই। অস্ত্রোপচারের জটিলতা বোঝার জন্য এবং তাতে বৈধ সম্মতি দেওয়ার জন্য রোগীর বয়স ১৮ হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে। ওর ১৮তম জন্মদিনে আমরা ওকে প্রতিস্থাপনের জন্য নথিভুক্ত করি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
  • PACS: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    PACS: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কো-অপারেশনকে প্রোমোট করতে কেন্দ্রীয় বাজেটে নানা স্কিমের কথা উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি আর কেউ নন স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা কো-অপারেটিভ মন্ত্রী অমিত শাহ শনিবার বলেন, সম্প্রতি সংসদে যে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হয়েছে তাতে দু লক্ষ বহুমুখী প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি (PACS) রেজিস্ট্রেশন করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি পঞ্চায়েত ডেয়ারি কিংবা ফিশারি কো-অপারেটিভ সোসাইটি তৈরি নিশ্চিত করতে প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি তৈরি করা হয়েছিল।

    অমিত শাহ…

    এদিন ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে ন্যানো ইউরিয়া প্ল্যান্টের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দেন অমিত শাহ। প্ল্যান্টটি ইন্ডিয়ান ফার্মার্স ফার্টিলাইজার কো-অপারেটিভের। ওই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা কো-অপারেটিভ মন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, কো-অপারেশনকে প্রোমোট করতে কেন্দ্রীয় বাজেটে নানা স্কিমের কথা উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগে কো-অপারেশনের প্রোডাকশনের ওপর যে ২৬ শতাংশ কর ধার্য করা হত, এখন তা কমে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ফের রক্তাক্ত বাসন্তী! বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু ১ জনের, আহত ২

    তিনি বলেন, যে সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ও ফিশারি সোসাইটি নেই, সেগুলি পরীক্ষা করতে আমরা একটা কো-অপারেশন মন্ত্রক তৈরি করেছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কো-অপারেশন মন্ত্রক তৈরি করার পর আমরা গোটা দেশে কোথায় কোথায় কো-অপারেটিভ নেই তা জানতে ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করেছি। এই ব্যাঙ্ক থেকেই জানা যাবে কোথায় কোথায় প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি (PACS), মিল্ক কিংবা ফিশারি নেই। এর পরেই তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছর পরে দেখা যাবে দেশে এমন একটিও পঞ্চায়েত নেই যেখানে প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি নেই। কৃষিতে মাত্রতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কুফল সম্পর্কেও এদিন কৃষকদের সাবধান করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি কৃষকভাইদের বলতে চাই, জমিতে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে আদতে ক্ষতি হবে ফসলের। ক্ষতি হবে মাটিরও। তিনি বলেন, আপনি যদি প্রাকৃতিক ইউরিয়া ব্যবহার করেন তাহলে বাড়বে ফসলের উৎপাদন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
  • Captain Amrinder Singh: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড কংগ্রেস সাংসদ প্রীনীত কৌর, তিনি কে জানেন?

    Captain Amrinder Singh: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড কংগ্রেস সাংসদ প্রীনীত কৌর, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল সাংসদ কংগ্রেসের (Congress) প্রীনীত কৌরকে। তিনি বিজেপি (BJP) নেতা অমরিন্দর সিংয়ের (Captain Amrinder Singh) স্ত্রী। পঞ্জাবের পাতিয়ালা থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ তুলেছিল পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস হাইকমান্ড।

    সিদ্ধান্তের নেপথ্যে…

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং প্রীনীতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে চিঠি লেখেন হাইকমান্ডকে। চিঠিতে প্রীনীতের বিরুদ্ধে বিজেপিকে সাহায্য করার অভিযোগ করা হয়। পাতিয়ালার সাংসদকে দল থেকে সাসপেন্ড করার জন্য দলের ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন কমিটির কাছে আবেদনও করা হয়েছিল। তার পরেই দলের তরফে প্রীনীতকে শোকজ করা হয়। দল বিরোধী কাজের জন্য কেন তাঁকে সাসপেন্ড করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় শোকজ নোটিশে। তিন দিনের মধ্যে তাঁকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়। সেই সময়সীমার মধ্যে উপযুক্ত জবাব প্রীনীতের (Captain Amrinder Singh) তরফে না পেয়ে এদিন সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে।

    একুশের নভেম্বরে কংগ্রেস ছাড়েন অমরিন্দর। তিনি কংগ্রেস ছাড়লেও, তাঁর স্ত্রী প্রীনীত ছিলেন সোনিয়া গান্ধীর দলেই। দল ছাড়ার সময় অমরিন্দর আক্রমণ শানান গান্ধী পরিবারকে। এর পর পঞ্জাব লোক কংগ্রেস নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন অমরিন্দর। ২০২২ সালে পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট করে লড়লেও, ভরাডুবি হয় অমরিন্দরের দলের। তার পরেই বিজেপিতে যোগ দেন ক্যাপ্টেন। অবশ্য দল ছাড়েননি তাঁর স্ত্রী। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। পাতিয়ালা থেকে টিকিট পাবেন না ভেবে আগেভাগেই প্রীনীত বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন বলে অভিযোগ। তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share