Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: ঢোলবাদকদের সঙ্গে ঢোল বাজালেন মোদি, ভাইরাল ভিডিও

    PM Modi: ঢোলবাদকদের সঙ্গে ঢোল বাজালেন মোদি, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) নাগপুরে গিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন ঢোলবাদকরা। তাঁরা ঢোলও বাজাচ্ছিলেন। আচমকাই তাঁদের সঙ্গে ভিড়ে যান স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই অনভ্যস্ত হাতে বাজাতে শুরু করেন ঢোল। সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার হয়েছে ট্যুইটারে। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীকে ঢোল বাজাতে দেখা গিয়েছে। টেক্সটে লেখা, মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ঐতিহ্যের স্বাগতম।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস…

    এদিন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, নাগপুর এবং বিলাসপুরের মধ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা হল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই ট্রেনের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।

    এদিন নাগপুর মেট্রোর প্রথম দফার যাত্রার সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি প্রথম মেট্রোয় চড়েনও। নাগপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন, নাগপুর মেট্রোর প্রথম দফার উদ্বোধনে আমি নাগপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানাই। দুটি মেট্রোর যাত্রার সূচনা করলাম। মেট্রোয় চড়লাম। মেট্রোর যাত্রা আরামদায়ক। মেট্রো ভ্রমণের সময় প্রধানমন্ত্রীকে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলতে দেখা যায়। সে ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি। এদিন নাগপুর মেট্রোর দ্বিতীয় দফার শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেই এ খবর জানানো হয়েছে। এখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) চলে যাবেন গোয়া।  

     

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি না ফস্কা গেরো? শুরু হল প্রাইমারি টেট (Primary TET)। আজ, রবিবার গোটা রাজ্যের হাজার দেড়েক পরীক্ষা কেন্দ্রে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর আগের টেট হয়েছিল পাঁচ বছর আগে। স্বাভাবিকভাবেই এদিন বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় ছিল পরীক্ষার্থীদের। পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে শেষ হয়, তাই বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। কোনও রকম ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যাবে না বলে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে। কেবল অ্যাডমিট কার্ড, পেন ও পরিচয় পত্র নিয়েই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা গার্ড দিচ্ছেন, তাঁদেরও প্রথমে চেকিং করে পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। টিনের বাক্সে থাকা প্রশ্নপত্র বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে কড়া নিরাপত্তায়।

    এদিন পরীক্ষা (Primary TET) শুরু হয় বেলা ১২টায়। পরীক্ষার্থীদের ১১টার মধ্যেই পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছিল। তবে যেহেতু এ ব্যাপারে কোনও লিখিত নির্দেশ ছিল না, তাই কোনও কোনও পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের প্রথমে ঢুকতে বাধা দেওয়া হলেও, পরে অবশ্য দেওয়া হয়। সিল করা খামে দুটি করে ওএমআর শিট দেওয়া হয়েছে এদিন। একটি শিট উত্তরপত্র হিসেবে জমা দেবেন পরীক্ষার্থীরা। অন্য শিটটি তাঁরা নিয়ে যাবেন বাড়ি।

    বিক্ষিপ্ত অশান্তি…

    বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবরও এসেছে বিভিন্ন জেলা থেকে। বোলপুরে একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে কর্তৃপক্ষের তরফে পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ রাখার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়নি। ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁরা পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে রাস্তা অবরোধও করেন। দ্রুত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রের তরফে চাকরি প্রার্থীদের ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। তার পরেই উঠে যায় অবরোধ। শুরু হয় পরীক্ষা। ধূপগুড়িতে আবার ব্যাগ রাখা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষাকেন্দ্রের কোথাও ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৪ টেট উত্তীর্ণদের নম্বরের তালিকা প্রকাশ পর্ষদের

    এদিকে, টেট দিতে এসে ঠিকানা বিভ্রাটের অভিযোগ উঠল কলকাতার বিষ্ণুপুর থানার পৈলানে। অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষা কেন্দ্রের ঠিকানা ভুল থাকার অভিযোগ তুলে বিষ্ণুপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ৫০ জন পরীক্ষার্থী। তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের পরীক্ষা কেন্দ্র সোদপুরে। এর পরেই পুলিশের একটি ভ্যান ওই পরীক্ষার্থীদের নিয়ে রওনা দেয় সোদপুরের উদ্দেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের ‘বুলডোজার থিয়োরি’র প্রয়োগ এবার কাশ্মীরেও (Kashmir)! সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বাড়ি বানিয়েছিল কুখ্যাত এক জঙ্গি (Terrorist)। সে জইশ কমান্ডার (Jaish Commander)। নাম আশিক নেঙ্গরু। পুলওয়ামা জেলার রাজপোরা এলাকায় নিউ কলোনিতে আস্ত একটা দ্বিতল বাড়ি বানিয়েছিল সে। শনিবার বুলডোজার চালিয়ে বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

    সন্ত্রাসবাদীর তালিকায়…

    কেন্দ্রের সন্ত্রাসবাদীর তালিকায় নাম রয়েছে কাশ্মীরের বাসিন্দা আশিকের। একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত সে। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার আশিক নেঙ্গরুর হাত রয়েছে বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, এহেন আশিকের একটি দোতলা বাড়ি ছিল নিউ কলোনিতে। বাড়িটি অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে সরকারি জমির ওপর। এদিন বাড়িটি ভেঙে দেয় প্রশাসন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আশিক (Jaish Commander) জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশে সাহায্য করে। এলাকায় নানা সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মেও জড়িত সে। কাশ্মীরে সে একটি সন্ত্রাস সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম করতে ব্যাপক প্রচারও চালাচ্ছে। পাকিস্তানে বসেই এসব করছে সে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর পঁয়ত্রিশের এই কুখ্যাত জঙ্গি কোনওভাবে সপরিবারে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। সেখান থেকেই সন্ত্রাস সংগঠিত করছে।

    আরও পড়ুন: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    জম্মু-কাশ্মীরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। ভেঙে দেওয়া হয়েছে বিধানসভা। পরিণত করা হয়েছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। উপত্যকা থেকে বাতিল করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পরেই সন্ত্রাস দমনে কোমর কষে নামে কেন্দ্র। জঙ্গিদমনের অংশ হিসেবেই সেপ্টেম্বর ও চলতি ডিসেম্বরে বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে খতম করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। যার জেরে উপত্যকায় ক্রমেই ফিরছে কাঙ্খিত শান্তি। আগামী বছর জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করাতে পারে কেন্দ্র। সেজন্য চলছে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ। এমতাবস্থায় নিউ কলোনিতে খোঁজ মেলে আশিকের বাড়ির। জানতে পারে বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে সরকারি জমি দখল করে। তার পরেই বাড়িটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

    প্রসঙ্গত, জঙ্গিযোগের অভিযোগে মাঝেমধ্যেই প্যালেস্টাইনে বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয় ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকারও কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের অবৈধভাবে গড়ে তোলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয় বুলডোজার চালিয়ে। এবার সেই একই পন্থা অবলম্বন করল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Assam: ফেব্রুয়ারিতে দু দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা অসম সরকারের, কেন জানেন?

    Assam: ফেব্রুয়ারিতে দু দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা অসম সরকারের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের চাপে সময় দেওয়া যাচ্ছে না বাবা-মাকে। কর্মসূত্রে অনেকেই থাকেন দূর-দুরান্তে। বাবা-মা আগলে বসে থাকেন ভিটে। তাই দূরত্ব বাড়ছে মা বাবার সঙ্গে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য চলতি বছর থেকে সরকারি কর্মীদের জন্য দু দিনের বিশেষ ক্যাজুয়েল লিভের ব্যবস্থা করেছে অসমের (Assam) বিজেপি (BJP) সরকার। আগামী বছরও মিলবে ছুটি। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানিয়ে দিয়েছে অসম সরকার। এ বছর ছুটি ছিল জানুয়ারিতে (January)। আগামী বছর ছুটি মিলবে ফেব্রুয়ারিতে। ফেব্রুয়ারির ৯ এবং ১০ তারিখ এই দু দিন ছুটি। কর্মীরা চাইলে ওই দু দিন ছুটি না নিয়ে অন্য সময় নিতে পারেন।

    অসমই প্রথম?

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ছুটি দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। তবে এ দেশে এর চল নেই বলেই মনে হয়। অসমই প্রথম রাজ্য যারা এটা চালু করেছে। চলতি বছর মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য অসমে ছুটি দেওয়া হয়েছিল ৬ ও ৭ জানুয়ারি। অনেক কর্মী ওই দিনই ছুটি নিয়েছেন। অনেকে আবার অন্য ছুটির সঙ্গে এই দু দিন জুড়ে দিয়ে দীর্ঘায়িত করে নিয়েছেন ছুটির তালিকা। সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই যে দু দিনের বিশেষ ছুটি, সেই ছুটি দিনের দিন না নিয়ে শনি-রবিবারের সঙ্গে জুড়ে দিয়েও নেওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে মা-বাবার সঙ্গে কাটানোর জন্য মিলবে টানা চারদিন। এই বিশেষ ছুটি পেতে গেলে কীভাবে আবেদন করতে হবে, তা একটি স্পেশাল ওয়েব পোর্টাল মারফত জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মহিলাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অসম মহিলা কমিশনের নোটিশ মুসলিম সাংসদকে

    ২০২১ সালে অসমের (Assam) ক্ষমতায় আসে হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। ওই বছরই ১৫ই অগাস্টের অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বলেছিলেন, সরকারি কর্মীরা যাতে মা-বাবা এবং শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন, তাই দু দিনের বিশেষ ছুটি দেওয়া হবে। পরে মন্ত্রিসভা সায় দেয় এই প্রস্তাবে। তার পরেই চলতি বছর ছুটি দিয়ে দেওয়া হয় জানুয়ারির ৬ এবং ৭-এ। হিমন্ত জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং পুলিশের ডিজি ছাড়া এই ছুটি সবাই পাবেন। এমনকী মন্ত্রীরাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • G20: জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন পুতিন! কী বললেন তাঁর মুখপাত্র?

    G20: জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন পুতিন! কী বললেন তাঁর মুখপাত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর ইন্দোনেশিয়ার (Indonesia) বালিতে হয়েছিল জি ২০ (G20) সম্মেলন। এই সম্মেলনে সবাই হাজির থাকলেও, ছিলেন না রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। খবর ছড়ায়, অসুস্থ থাকায় ওই সম্মলনে গরহাজির ছিলেন তিনি। তবে ইন্দোনেশিয়ায় অনুপস্থিত থাকলেও, ভারতে (India) যে জি ২০ সম্মেলন হবে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে, তাতে উপস্থিত থাকতে পারেন পুতিন। তবে সব কিছু নির্ভর করছে পুতিনের নিজের ওপর। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র নিজেই এ খবর জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ভারতে জি ২০ সম্মলন শুরু হবে সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখে। শেষ হবে তার পরের দিন।

    শ্বেতলানা লুকাস বলেন…

    পুতিনের মুখপাত্র শ্বেতলানা লুকাস বলেন, আমি আশা করি, অবশ্যই (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট) যাবেন। তবে এটা একান্তভাবেই স্থির করবেন তিনি স্বয়ং। আগামী সম্মেলন এখনও এক বছর দেরি। তাই আমি এখনই এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে পারছি না। তবে আমার মনে হয়, তাঁর যাওয়ার সমস্ত রকম সম্ভাবনা রয়েছে। লুকাস বলেন, জি ২০ সম্মেলন নিয়ে কোনও ইভেন্ট এড়াবে না রাশিয়া। প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়ায় জি ২০ সম্মেলনে পুতিন উপস্থিত না থাকলেও, সে দেশের তরফে হাজির ছিলেন বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।

    আরও পড়ুন: ‘ভারতকে নিয়ে কৌতুহলী বিশ্ব’, জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদল বৈঠকে বললেন মোদি

    জি ২০ সম্মেলন উপলক্ষে আগামী বছর দেশজুড়ে দুশোটির মতো ইভেন্টের আয়োজন করতে চাইছে নয়াদিল্লি। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, প্রতিটি ইভেন্টেই রাশিয়া যোগ দেবে বলেও জানান পুতিনের মুখপাত্র। লুকাস বলেন, আমরা একটিও ইভেন্ট মিস করব না। সেটা ওয়ার্কি গ্রুপের বৈঠক হোক কিংবা সেমিনার অথবা কনফারেন্স। তিনি বলেন, এটার রাশিয়ার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নিয়ে তার পজিশন বুঝিয়ে দেওয়া, মতামত ব্যক্ত করা এবং অন্যান্য দেশ কী তুলে ধরছে, তা খুঁটিয়ে দেখা।

    এদিকে, ২০০০ সাল থেকে প্রতি বছর ভারত-রাশিয়ার যে বাৎসরিক সম্মেলন হয়, এবার তা হচ্ছে না। ফি বার এই সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। এবার দু তরফেই শিডিউলের সমস্যার জেরে হচ্ছে না ওই সম্মেলন। সূত্রের খবর, নিউক্লিয়ার হুমকির জেরে হচ্ছে না মোদি-পুতিন বৈঠক। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। দুই দেশের দুই প্রধান মুখোমুখি হতে পারছেন না স্রেফ শিডিউলের সমস্যার জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • G20: বাংলায় জি ২০-র প্রস্তুতি বৈঠক, জানুন কবে, কোথায়

    G20: বাংলায় জি ২০-র প্রস্তুতি বৈঠক, জানুন কবে, কোথায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি ২০-র (G20) সভাপতিত্ব করার দায়িত্ব বর্তেছে ভারতের (India) ওপর। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) হাতে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। এই জি ২০-র সম্মেলন হবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে। সেই উপলক্ষে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হবে নানান অনুষ্ঠান। তামাম বিশ্বের ১৫০টি দেশের প্রতিনিধি যোগ দেবেন ওই সম্মেলনে। পাঁচটি সেক্টরে বৈঠক রাখা হয়েছে। জি ২০ বৈঠকে এই সেক্টরগুলি নিয়ে আলোচনা করবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা।  

    কবে, কোথায়…

    গোটা দেশের সঙ্গে এই বাংলায়ও হবে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান। এখানে বিভিন্ন স্তরের চারটি বৈঠক হবে। জানুয়ারির ৯-১১ বৈঠক হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিয়টে ওই বৈঠক হবে। এর পরের বৈঠক হবে ফেব্রুয়ারিতে। ওই মাসের ৮-৯ তালিখে বৈঠকে বসবে এনগেজমেন্ট গ্রুপ। এই বৈঠকটিও হবে কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিয়টে। এর পরের মাসে বাংলায় কোনও বৈঠক নেই। বৈঠক রয়েছে তার পরের মাসে। এপ্রিলের ৩-৫ তারিখে বৈঠক হবে শিলিগুড়িতে। এই বৈঠকটিও হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের। এ রাজ্যে এর পরের বৈঠকটি হবে জুলাইয়ে। ওই মাসের ১৭-১৮ তারিখে ফের হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। এই বৈঠকটিও হবে কলকাতায়। জুলাই মাসের ১৯ তারিখে আরও একটি বৈঠক হবে কলকাতায়। এটি মিনিস্ট্রিয়াল মিটিং। উল্লেখ্য, জি ২০ (G20) সম্মেলন উপলক্ষে আগামী বছর দেশজুড়ে দুশোটির মতো ইভেন্টের আয়োজন করতে চাইছে নয়াদিল্লি। তার মধ্যেই রয়েছে এগুলি।

    আরও পড়ুন: জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন পুতিন! কী বললেন তাঁর মুখপাত্র?

    জি২০ সফল করতে দিন কয়েক আগে সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সর্বদলীয় এই বৈঠকটি হয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজু জনতা দল সুপ্রিমো নবীন পট্টনায়েক, সিপিআইএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ বিভিন্ন দলের প্রধানরা। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি-২০ সম্মেলনের আসর বসেছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনেই আগামী বছর জি-২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। জি ২০-র (G20) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Weather Change: তাপমাত্রার পারদ হঠাৎ কমল, ভাইরাস ঘটিত জ্বর-কাশি এড়াতে কী করবেন?

    Weather Change: তাপমাত্রার পারদ হঠাৎ কমল, ভাইরাস ঘটিত জ্বর-কাশি এড়াতে কী করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শুরুতে তাপমাত্রার পারদ নামলেও, হঠাৎ যেন ছন্দপতন। আবহাওয়া বদলে (Weather Change) গেল। শীতের দাপট অনেকটাই কম। শনিবার রাত থেকেই আবার গুমোট ভাব। বাড়ছে তাপমাত্রা (Tempareture)। আর আবহাওয়ার এই হঠাৎ বদলেই বাড়বে বিপদ। এমনটাই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা (Doctors)।

    শীতের শুরুতে সর্দি-কাশি, ভাইরাস ঘটিত জ্বরে ভোগান্তি হয় শিশুদের। বয়স্করাও নানান সমস্যায় ভোগেন। তার উপরে যাঁদের শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের পরিস্থিতি অনেক সময়ই উদ্বেগজনক হয়। আর আবহাওয়ার এই আচমকা বদলে তাঁদের শারীরিক অবস্থা আরও জটিল হতে পারে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বাড়তি নজর দিতে হবে। সামান্য সতর্কতা অবলম্বন করলে বড় বিপদ এড়ানো যেতে পারে।

    টিকাকরণ জরুরি…

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, শিশুদের সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় টিকাকরণ জরুরি। যদি কোনও টিকা বিশেষত হাম, রুবেলা ভাইরাসের টিকা নেওয়া বাকি থাকে, তাহলে অবশ্যই নিতে হবে। দেরি করা যাবে না। পাশপাশি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন নিতে হবে। তাপমাত্রার তারতম্যে শিশুরা খুব দ্রুত বিভিন্ন ভাইরাস ঘটিত জ্বরে আক্রান্ত হয়। সেখান থেকে নিউমোনিয়ার মতো রোগেও কাবু হয়। তাই নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলে শিশুদের নিউমোনিয়ার ভয়াবহতা থেকে বাঁচানো যাবে। বড় বিপদ এড়ানো যাবে। শিশুদের মতো বয়স্করাও ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন সময় মতো নিলে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমবে।

    টিকাকরণ ছাড়াও সাধারণ কিছু সতর্কতার দিকেও জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ, হঠাৎ গরম লাগলেও বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ফ্যান চালানো চলবে না। কিন্তু একেবারেই গরমের পোশাক বর্জন করে বাইরে যাওয়াও চলবে না। এতে ভাইরাস ঘটিত জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাছাড়া, যাঁদের ধুলো থেকে অ্যালার্জি হয়, তাঁদের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, এই রকম আবহাওয়ায় শুষ্কভাব বাড়ে। ফলে বাতাসে ধুলোর পরিমাণও বেড়ে যায়। ফলে, নিয়মিত স্কুল কিংবা বাইরে গেলে ধুলো থেকে অ্যালার্জি হতে পারে।

    আরও পড়ুন: হামকে আসন্ন বিপদ ঘোষণা করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    খাবারের ক্ষেত্রে একটু বাড়তি নজরদারি দিতে বলছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ, এই সময়ে নানান মেলা হয়, অনেকেই বেড়াতে যায়। কিন্তু শিশুদের কোনও ভাবেই আইসক্রিম কিংবা ঠাণ্ডা পানীয় দেওয়া চলবে না। তাছাড়া অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। এতে নানান সমস্যা বাড়বে। পেটের অসুখ এড়িয়ে চলতে জরুরি কম মশলার খাবার খাওয়া। শীতে অনেকেই নানান বাইরের খাবার খান। কিন্তু অতিরিক্ত চটজলদি খাবারে রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষত শিশুদের অনেক সময়েই শীতে বাইরের খাবার থেকে অ্যালার্জি হয়। হাতে-পায়ে লাল র‌্যাশ বের হয়, জ্বর হয়। তাই শরীরে কোনও রকম অ্যালার্জি দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    খাবারের পাশপাশি জল পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এই আবহাওয়া শুষ্ক। তাই শরীরে জলের চাহিদা বাড়বে। জল পর্যাপ্ত না খেলে ডিহাইড্রেশনের মতো বিপদও ঘটতে পারে। তাছাড়া ভাইরাস ঘটিত জ্বরের থেকে মুক্তি পেতেও পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। তবে, চিকিৎসকেরা বলছেন, জ্বর টানা তিন দিন থাকলে অবশ্যই রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে। শীতের পারদ কমতেই কিন্তু ডেঙ্গির আশঙ্কা বাড়তে পারে। মশাবাহিত রোগের দাপট এড়িয়ে গেলে চলবে না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা করে কী ধরণের জ্বর হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Airport: তিনটি নয়া বিমানবন্দর পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, কোথায় কোথায় জানেন?

    Airport: তিনটি নয়া বিমানবন্দর পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, কোথায় কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনটি নয়া বিমানবন্দর (Airport) পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। অন্তর্দেশীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়াতেই চালু হচ্ছে এই তিনটি বিমানবন্দর। এই তিনটি বিমানবন্দর হবে বার্নপুর, কোচবিহার এবং কলাইকুন্ডায়। গোটা ভারতে রয়েছে ৭০টি বিমানবন্দর। এর মধ্যে রয়েছে দুটি ওয়াটার এয়ারোড্রোম এবং ন’ টি হেলিপোর্ট।

    উদান…

    সিভিল অ্যাভিয়েশন মন্ত্রক চালু করেছে রিজিয়নাল কানেক্টিভিটি স্কিম। নাম দেওয়া হয়েছে উড়ে দেশ কা আম নাগরিক (UDAN)। আম জনতা যাতে সস্তায় বিমান ভ্রমণ করতে পারেন, তাই এই স্কিম চালু করা হয়েছে। চারবার নিলাম হওয়ার পর ৪৫৩টি রুট চালু হয়েছে। এর মধ্যে যুক্ত হয়েছে ৭০টি এয়ারপোর্ট, দুটি ওয়াটার অ্যারোড্রোম এবং ৯টি হেলিপোর্টও। জানা গিয়েছে, ২.১৫ লক্ষেরও বেশি উদান ফ্লাইট অপারেট করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত এই ভ্রমণ উপভোগ করেছেন ১.১ কোটি যাত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন

    কোচবিহারে বিমানবন্দর (Airport) প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। তবে রয়ে গিয়েছে জটিলতা। কোচবিহার বিমানবন্দরের লাইসেন্স নবীকরণ হবে না বলেও জানা গিয়েছিল। ওই বিমানবন্দর চালু করতে উদ্যোগী হয় রাজ্য সরকার। কলাইকুন্ডায় সেনাবাহিনীর বিমান ওঠানামা করে। এবার সেখানে হচ্ছে আস্ত একটি বিমানবন্দর। কারণ কলাইকুন্ডায় যেখানে সেনাবাহিনীর বিমান ওঠানামা করে, সেটি খড়্গপুরের কাছেই। এই খড়্গপুর রেলশহর নামে পরিচিত। জায়গাটি মিনি ইন্ডিয়া নামেও পরিচিত। তাই এখান থেকে বিমান পরিষেবা চালু হবে আদতে লাভবান হবেন স্থানীয়রাই।

    বার্নপুরেও বিমানবন্দর (Airport) চালুর দাবি দীর্ঘদিনের পুরানো। এটাও রেলশহর। এখানেও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের মানুষ বসবাস করেন। তাই এখানে বিমানবন্দর হলে আদতে উপকৃত হবেন স্থানীয়রা। ঘুরে দাঁড়াবে এলাকার অর্থনীতিও। ভারত সরকার এই স্কিমে বরাদ্দা করেছে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকায় আনসার্ভড এবং আন্ডারসার্ভড এয়ারপোর্ট বা এয়ারস্ট্রিপগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করা যাবে। ২০২৪ সালের মধ্যে এগুলিকে সংস্কার কিংবা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Bharat Jodo Yatra: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন  

    Bharat Jodo Yatra: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জোড় যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) বেরিয়েছেন কংগ্রেস (Congress) সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এই যাত্রা নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। যে যে রাজ্যের ভিতর দিয়ে এই পদযাত্রা গিয়েছে, সেই সেই রাজ্যেই রাহুলের ছায়ার মতো তাঁকে অনুসরণ করেছে বিতর্ক। অতি সম্প্রতি সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও একটি বিতর্ক।

    যত কাণ্ড কোটায়…

    সম্প্রতি রাহুলের ভারত জোড় যাত্রার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। তাতে দেখা যায়, রাজস্থানের কোটায় এক ফার্ম হাউসে গিয়েছেন রাহুল ও তাঁর দলবল। ফার্ম হাউসের ছাদে বসে রাহুল ও অন্য কংগ্রেস নেতারা চা ও স্ন্যাক্স খাচ্ছিলেন। সেই সময় ওই ফার্ম হাউসের মালকিনকে বাড়ির বাইরে থাকতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। মিনিট চল্লিশেক বাড়ির বাইরেই ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। আর কংগ্রেস নেতা কর্মীরা মজেছিলেন চায়ে। ভিডিও ফুটেজটি ৭ ডিসেম্বরের। কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, রাহুলের নিরাপত্তার কারণে হয়তো নিরাপত্তারক্ষীরা একাজ করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু’ পার্সিয়ান শব্দ! কংগ্রেস নেতার ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    জানা গিয়েছে, রাহুলের ৩ হাজার ৫৭০ কিমি দীর্ঘ ভারত জোড় যাত্রা (Bharat Jodo Yatra) ঝালওয়ার থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পৌঁছেছে রাজস্থানে। সেখানে যাত্রার দ্বিতীয় দিনে কোটায় টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা পদযাত্রা করেন রাহুল। ক্ষণিক বিশ্রামের জন্য ৫২ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর গোপালপুরা গ্রামের লাদপুরা পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট অশোক মিনার ফার্ম হাউসে ওঠেন। সেখানেই কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন তাঁরা। খান চা ও স্ন্যাক্স। রাহুল বাড়িতে যাওয়ার আগে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন অশোকের মা ঊর্মিলা।

    আরও পড়ুন: গুজরাতসহ গোটা দেশকে ধ্বংস করেছে কংগ্রেস, প্রচার মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদি

    রাহুলরা যখন চা খাচ্ছিলেন, তখনই ফিরে আসেন তিনি। ব্যস। তার পর আর বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। বাধা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। রাহুল ওই খামারবাড়িতে ছিলেন মিনিট চল্লিশেক। এই পুরো সময়টা ঊর্মিলাকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বাড়ির বাইরে। রাহুলের ভারত জোড় যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) পা মিলিয়েছিলেন নর্মাদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী মেধা পাটকর। তা নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। রাহুলের পদযাত্রায় মেধা শামিল হওয়ায় কড়া সমালোচনা করেছিল বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • NJC Bill: রাজ্যসভায় পেশ ন্যাশনাল জুডিশিয়াল বিল, কী আছে প্রস্তাবিত আইনে?

    NJC Bill: রাজ্যসভায় পেশ ন্যাশনাল জুডিশিয়াল বিল, কী আছে প্রস্তাবিত আইনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছে ৭ ডিসেম্বর, বুধবার। চলবে এ মাসেরই ২৯ তারিখ পর্যন্ত। শুক্রবার তৃতীয় দিনে রাজ্যসভায় পেশ হয় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল ২০২০। এটি একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল। (NJC Bill) বিলটি পেশ করেন বিজেপির রাজস্থানের সাংসদ। এদিন রাজ্যসভায় একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল পেশ করেন সাংসদ সিপিএমের (CPM) বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যও (Bikash Ranjan Bhattacharya)।

    বিলের বক্তব্য…

    সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টগুলির বিচারপতিদের নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করতেই আনা হয়েছে বিলটি (NJC Bill)। বিলটিতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন গঠনের। এই কমিশনই রেকমেন্ড করবেন কে হবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, কারা হবেন বিচারপতি, হাইকোর্টের বিচারপতিই বা কারা হবেন। এদিন ধ্বনিভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর পেশ করা হয় ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন বিল (national judicial commission bill) ২০২২। প্রস্তাবিত আইনটির উদ্দেশ্য হল, একটি জুডিশিয়াল স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করা। বিচারকদের দায়িত্ব দেওয়া। একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সমীচিন মেকানিজম তৈরি করা যাতে করে সুপ্রিম কোর্ট কিংবা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে যদি অসদাচরণ অথবা অদক্ষতার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তদন্তের কাঠামো তৈরি করা। কোনও বিচারপতিকে সরিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদের আলোচনা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরার বিষয়টিও প্রস্তাব করা হয়েছে ওই বিলে।

    আরও পড়ুন: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    সিপিএম সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের (Bikash Ranjan Bhattacharya) ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন বিল (NJC Bill) ২০২২ এর বিরোধিতা করেন আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা। তাঁর যুক্তি, ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশনের যে ধারণা, সেই বিষয়টি তিনবার বিবেচনা করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতিদের স্বাধীনতায় গুরুত্ব দিয়ে তিনবারই সেটি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চাড্ডা বলেন, আমরা এমন একটা কাজ করার চেষ্টা করছি, যা সাংবিধানিকভাবে অসম্ভব। আম আদমি পার্টির সাংসদ বলেন, আমার মতে বর্তমানে বিচারপতিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে যে কলেজিয়াম প্রথা রয়েছে, তা ভালভাবেই চলছে। এই প্রথায় কিছু ইমপ্রুভমেন্ট করার সুযোগও থাকতে পারে। যা বিচারব্যবস্থার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে করা যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share