Tag: Bengali news

Bengali news

  • Petrol Diesel Under GST: জিএসটির আওতায় আসছে পেট্রোল-ডিজেল? কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    Petrol Diesel Under GST: জিএসটির আওতায় আসছে পেট্রোল-ডিজেল? কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কি পেট্রোল ও ডিজেলও চলে আসবে জিএসটির আওতায় (Petrol Diesel Under GST)? সোমবার বিকেল থেকে এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। এর কারণ কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর একটি মন্তব্য। সোমবার তিনি বলেন, পেট্রোল (Petrol) ও ডিজেলকে (Diesel) জিএসটির (GST) আওতায় আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র। একই সঙ্গে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন এই বলে যে, রাজ্যগুলি কেন্দ্রের এই প্রস্তাবে রাজি না-ও হতে পারে। কারণ মদ ও তেলের থেকে তাদের রাজস্বের একটি বড় অংশ আদায় হয়। মন্ত্রী বলেন, তবে যদি রাজ্য রাজি হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত।

    মন্ত্রী বলেন…

    পেট্রোল ডিজেলকে জিএসটির আওতায় (Petrol Diesel Under GST) নিয়ে আসা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, পেট্রোল-ডিজেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসতে গেলে রাজ্যগুলিকে রাজি হতে হবে। তিনি বলেন, যদি রাজ্য পদক্ষেপ করে, তাহলে আমরা প্রস্তুত। মন্ত্রী বলেন, আমরা বরাবরই প্রস্তুত রয়েছি। অন্তত আমি এমনটাই বুঝেছি। তবে কীভাবে এটি লাগু করা হবে, তা অন্য বিষয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা উচিত।

    হরদীপ সিং পুরী বলেন, এটা বোঝা কঠিন নয় যে তারা (রাজ্যগুলি) এ থেকে রাজস্ব আদায় করে। যে রাজস্ব পাচ্ছে, সে কেন সেটা ছাড়বে? তিনি বলেন, মদ ও জ্বালানি দুটি ক্ষেত্র যেখান থেকে তারা রাজস্ব আদায় করে। মন্ত্রী বলেন, এটা একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার যে মুদ্রাস্ফীতি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, ভারতের অনেক প্রতিবেশী দেশেই জ্বালানির দাম অত্যন্ত চড়া। তবে ভারতের প্রান্তিক এলাকায়ও জ্বালানি সহজলভ্য। তাঁর মতে, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের কারণেই এটা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অক্টোবরের জিএসটি সংগ্রহ প্রায় ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা, এযাবৎ কালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ

    ভারতে যে পেট্রোল ডিজেলের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় সস্তা, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মন্ত্রী। বলেন, গত এক বছরে উত্তর আমেরিকায় জ্বালানির দর বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। আর ভারতে এই বৃদ্ধির হার মাত্র ২ শতাংশ। তিনি বলেন, বিশ্বের কোথাও যদি কোনও উজ্জ্বল আলো দেখা যায়, তাহলে তা রয়েছে ভারতেই। এটা আমি বলছি না, বলছেন মর্গান স্ট্যানলি, আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rozgar Mela: আরও ৭১ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    Rozgar Mela: আরও ৭১ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজগার মেলা (Rozgar Mela) তরুণদের ক্ষমতা দিতে আমাদের একটা প্রচেষ্টা। তাঁরা যাতে দেশের উন্নতিতে অনুঘটক হয়ে উঠতে পারেন, তাই এই মেলা। মঙ্গলবার একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি নিয়োগপত্র (Appointment Letter) তুলে দেন ৭১ হাজার জনের হাতে।

    কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার…

    প্রধানমন্ত্রীর অফিস জানিয়েছে, এই কর্মসংস্থান মেলা (Rozgar Mela) তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) প্রতিশ্রুতি পূরণের একটি পদক্ষেপ। কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি হবে। যা আদতে দেশের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করতে প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করবে। যুবকদের কাছেও সুযোগের দোর খুলে দেবে।

    কর্মপ্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ, ৭১ হাজারেরও বেশি তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল। দেশের ৪৫টি শহর থেকে এই নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এটা হাজার হাজার পরিবারে খুশির খবর বয়ে আনবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত মাসে ধনতেরাসের সময় ৭৫ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, এই যে বিরাট রোজগার মেলা (Rozgar Mela) হচ্ছে, এটা প্রমাণ করে তরুণদের চাকরি দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্ভিস এক্সপোর্টের ক্ষেত্রে তামাম বিশ্বে ভারত একটি বড় শক্তি। তিনি জানান, বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ক্রমেই বিশ্বের ম্যানুফ্যাকচারিং হাউস হওয়ার পথে এগোচ্ছে।

    এদিন দেশের ৪৫টি শহর থেকে তরুণদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।এর মধ্যে বিভিন্ন রাজ্য থাকলেও, বাদ ছিল গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে। হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন হয়ে গেলেও, ফল বের হয়নি। আর গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন রয়েছে ডিসেম্বরের ১ ও ৫ তারিখে। সেই কারণে এই দুই রাজ্যে বলবৎ রয়েছে নির্বাচনী আচরণ বিধি।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসের প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই সমতুল প্রত্যাঘাত প্রয়োজন, বললেন মোদি

    জানা গিয়েছে, চলতি বছর জুন মাসে বিভিন্ন সরকারি দফতরকে প্রধামন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন ‘মিশন মোডে’ আগামী দেড় বছরের মধ্যে ১০ লক্ষ নিয়োগ করতে হবে। তারই অঙ্গ হিসেবে রোজগার মেলার (Rozgar Mela) মাধ্যমে সরকারি দফতরে শূন্যপদ পূরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mental Hospital: কেন্দ্রের বরাদ্দ পেলেও জুটছে না খাবার, মানসিক রোগীদের পরিষেবার উন্নতি নেই রাজ্যে

    Mental Hospital: কেন্দ্রের বরাদ্দ পেলেও জুটছে না খাবার, মানসিক রোগীদের পরিষেবার উন্নতি নেই রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ মাস খানেকের বাসিন্দা। আবার কেউ বছরের পর বছর পার হলেও থেকে গিয়েছেন। তবে, দিন কয়েকের মধ্যেই তাঁরা বুঝতে পারেন, ওষুধ পেলেও পথ্য তথৈবচ! দু’বেলা পেট ভরে খাবারও জোটে না। এদিকে একাধিক স্নায়ুর সমস্যার ওষুধ (Medicine) খাওয়ার জন্য দেহের ওজনও কমছে। শরীর সুস্থ রাখতে দরকার পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার। কিন্তু ভাতের সঙ্গে নিয়মিত ডিম আর ডালও দেওয়া হচ্ছে না।

    সরকারি মানসিক হাসপাতালের অবস্থা…

    রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি মানসিক হাসপাতালের (Mental Hospital) অবস্থা এই একরকম। প্রথমে কলকাতার পাভলভ মানসিক হাসপাতালে অভিযোগ উঠেছিল। অধিকাংশ রোগীর পরিজনের অভিযোগ ছিল, রোগীদের ঠিকমতো খেতে দেওয়া হয় না (State Deprives Mental Patients)। মানসিক সমস্যার জন্য স্নায়ুর একাধিক ওষুধ দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয় না। ফলে, রোগীরা শারীরিকভাবে খুব দুর্বল হয়ে পড়েন। এক রোগীর পরিজনের কথায়, “ছেলেকে যখন ভর্তি করেছিলাম ৭২ কেজি ওজন ছিল। কয়েক মাস হাসপাতালে থেকে যখন বাড়ি যাচ্ছে, তখন ৪২ কেজি ওজন হয়েছে। কিছুই খেতে দেয় না।”

    আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি হয়েছে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    পাভলভ কর্তৃপক্ষের একাধিক কাজে নানান অভিযোগ ওঠায় সম্প্রতি বদলি করা হয় পাভলভের সুপারকে। যদিও স্বাস্থ্য ভবনের সুপার বদলের নিদানেও পরিবর্তন হয়নি পরিস্থিতি। অন্তত রোগীর পরিজনদের এমনি অভিযোগ। পাভলভ মানসিক হাসপাতাল কোনও ব্যতিক্রম নয় বলেই জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁরা জানান, রাজ্যের অন্যান্য মানসিক হাসপাতালেও পরিষেবা অত্যন্ত নিম্নমানের (State Deprives Mental Patients)। শুধু খাবারের নয়। অনেক সময়ই মানসিক রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন কর্তব্যরত স্বাস্থ্য কর্মীরা। পর্যাপ্ত পরিষেবা তাঁরা পান না। আবার স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি, মানসিক হাসপাতালগুলোতে মারাত্মক কর্মীসঙ্কট। তাই অনেক রোগীকে একসঙ্গে দেখভাল করতে গিয়ে নানান সমস্যা হচ্ছে। স্বাস্থ্য ভবন অবশ্য এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে নারাজ। এক স্বাস্থ্য কর্তা বলেন, “পাভলভ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পরে সুপার বদল হয়েছে। তদন্ত কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। অন্য কোনও হাসপাতালেও কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে দফতর বিষয়টি দেখবে। “

    দেশ জুড়ে মানসিক রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য একাধিক প্রকল্প নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুধু হাসপাতালে ভর্তি মানসিক রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি করাই নয়, মানসিক রোগ নিয়ে চর্চার ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার এজন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ করেছে। এমবিবিএস কোর্স থেকেই যাতে চিকিৎসকেরা অবসাদ, মানসিক চাপ, বিষন্নতার মতো বিষয়গুলোর চিকিৎসায় বিশেষ পারদর্শী হয়ে, তার জন্য আলাদা ক্লাস নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। তাছাড়া, মানসিক রোগীদের চিকিৎসায় যাতে আর্থিক সমস্যা বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, তার জন্যও একাধিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে মানসিক রোগীদের ওষুধ ও খাবারের জন্য আলাদাভাবে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। পাশপাশি মানসিক রোগীদের দ্রুত সুস্থ করে তুলতে নানান সৃজনশীল প্রকল্পের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    দিন কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র আর্থিক বঞ্চনা করেছে। রাজ্যের প্রাপ্য অর্থ পাঠাচ্ছে না। তাই রাজ্যের একাধিক কাজ আটকে থাকছে। রাজ্যের উন্নতিতেও সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু রাজ্যবাসীর একাংশের প্রশ্ন, কেন্দ্র যে অর্থ পাঠাচ্ছে, তা ঠিকমতো ব্যবহার হচ্ছে তো? যে অর্থ আছে, তা ঠিক খাতে দেওয়া হচ্ছে? অন্তত মানসিক হাসপাতালের (Mental Hospital) ক্ষেত্রে তার সদ্ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • G 20 Summit: পুতিনকে দেওয়া মোদির বার্তাই হয়ে উঠল জি ২০-র মূল সুর!

    G 20 Summit: পুতিনকে দেওয়া মোদির বার্তাই হয়ে উঠল জি ২০-র মূল সুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এই যুগ যুদ্ধের নয়’। এই শব্দবন্ধ যিনি উচ্চারণ করেছিলেন, তিনি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইন্দোনেশিয়ার  বালিতে জি ২০ সম্মেলনে (G 20 Summit) ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রীর সেই বার্তাই হয়ে উঠল যৌথ ঘোষণার বিষয়। প্রসঙ্গত, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের (Ukraine Russia war) প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধ থেকে নিরস্ত করতে ওই বার্তা দিয়েছিলেন মোদি।

    জি ২০ সম্মেলন

    বালিতে হচ্ছে জি ২০ সম্মেলন (G 20 Summit)। উপস্থিত রয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁও। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অবশ্য হাজির হতে পারেননি এই সম্মেলনে। উপস্থিত হয়েছেন তাঁর দেশের প্রতিনিধি। দুদিনের সম্মেলন শেষে বুধবার করা হয় যৌথ ঘোষণা। সেখানেই শোনা যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কথার প্রতিধ্বনি।

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে কাজাখাস্তানের সমরখন্দে বসেছিল সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলন। ওই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোদি। ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনও। সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ব বৈঠকে কথা হয় মোদি-পুতিনের। সেখানেই ওঠে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও। তখনই, মোদি পুতিনকে বলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়।

    আরও পড়ুন: পদ্মের অপমান মানে হিন্দু সংস্কৃতির অসম্মান! জি-২০ লোগো বিতর্কে বিজেপি

    জি ২০ সম্মেলনের (G 20 Summit) যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা যেগুলি শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখে, সেগুলি মেনে চলা প্রয়োজন। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার কিংবা তা ব্যবহারের ভয় দেখানো কোনওটাই গ্রহণযোগ্য নয়। শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আলাপ-আলোচনা, কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনাও জরুরি। তার পরেই বলা হয়েছে, এই যুগ কোনওভাবেই যুদ্ধের নয়।

    ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় কাত্রা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা এই যুগ যুদ্ধের নয় উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের মনে অনুরণন তুলেছে। এটা বিভিন্ন দেশের মধ্যে দূরত্ব কমাতে অনেকটাই সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, এই যে ডকুমেন্ট তৈরি হয়েছে, তাতে মূল চালিকা শক্তির ভূমিকা পালন করেছে ভারত। প্রসঙ্গত, আগামী বছর ভারতে হবে জি ২০ সম্মেলন। বুধবার ভারতের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল সেই ভার। ঘোষণা করা হল পরবর্তী জি ২০ সম্মেলনের থিম। নয়া থিম হল, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • TMC Inner Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে ব্যাপক বোমাবাজি, উড়ল হাত, তপ্ত শিউলির কেশপুর

    TMC Inner Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে ব্যাপক বোমাবাজি, উড়ল হাত, তপ্ত শিউলির কেশপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের রক্তাক্ত বাংলা। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের (TMC Inner Clash) জেরে ফের সংঘর্ষ। সোমবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বীরভূমের সাঁইথিয়া। এবার ঘটনাস্থল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর (Keshpur)। বুধবার এই কেশপুরেরই চড়কা গ্রাম অশান্ত হয়ে ওঠে রাজ্যের শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে। হয় ব্যাপক বোমাবাজি। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন স্থানীয় এক তৃণমূল (TMC) কর্মী। তাঁর ডান হাতের কিছুটা অংশ উড়ে গিয়েছে।

    চলতে থাকে তাণ্ডব

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকালে আচমকাই চড়কা গ্রামে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূলের দুটি গোষ্ঠী (TMC Inner Clash)। শুরু হয় বোমাবাজি। মুড়িমুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে। ভয়ে ঘরে সেঁধিয়ে যায় গোটা গ্রাম। চলতে থাকে তাণ্ডব। বোমার ঘায়ে তৃণমূল কর্মী রফিকুল আলির ডান হাতের কিছুটা অংশ উড়ে যায়। তাঁকে প্রথমে ভর্তি করা হয় কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে এলাকায় যায় পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা।

    এদিন যে এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের (TMC Inner Clash) ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি রাজ্যের পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহার নির্বাচনী কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। মন্ত্রী বলেন, আজ দুপুর ১টায় কেশপুর বাজারে মহামিছিল হওয়ার কথা। তার আগে সিপিএম (CPM) এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সমর্থন করি না। কঠোরভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হবে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে পুলিশকে।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে ‘বিপজ্জনক’ ২৩৩ মাদ্রাসার হদিশ রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের, নবান্ন চুপ

    বারুদের স্তুূপে বাংলা, বলছে বিজেপি

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সাধারণ সম্পাদক দিলীপ ঘোষ বলেন, নরেন্দ্রপুর, সাঁইথিয়া থেকে কেশপুর। পুরো বাংলা বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। যাঁদের তৃণমূল কর্মী বলা হচ্ছে, তাঁরা আদতে গুন্ডা। তারাই ভোটে জেতাচ্ছে। তারাই রাজত্ব করছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বোমা-বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে আসছে, মানুষ আতঙ্কিত হচ্ছে। এর পরে মানুষ যাতে ভয়ে ভোট দিতে যেতে না পারেন, তার ব্যবস্থা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, সোমবার এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে উঠেছিল সাঁইথিয়া। সেখানেও তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের (TMC Inner Clash) জেরে হয় ব্যাপক বোমাবাজি। বোমার ঘায়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতার পা উড়ে যায়। জখম হয় এক নাবালকও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Indian Defence Ministry: চিনা আগ্রাসন রুখতে পূর্ব লাদাখে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত, জানেন?  

    Indian Defence Ministry: চিনা আগ্রাসন রুখতে পূর্ব লাদাখে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত, জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুখতে হবে চিনা আগ্রাসন। তাই ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষিত করতে পূর্ব লাদাখ সেক্টরে ৪৫০টি ট্যাঙ্ক ও ২২ হাজার সৈন্য মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Indian Defence Ministry)। ভারত (India) ও চিনের (China) মধ্যে রয়েছে প্যাংগং সো লেক। সূত্রের খবর, এই লেকে চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা করতেই ভারতীয় আর্মির কোর অফ ইঞ্জিনিয়াররা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পূর্ব লাদাখের (Ladakh Border) দু জায়গায় দুটি নয়া ল্যান্ডিং ক্র্যাফটস বসানো হবে। এর ফলে চিনা সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানো যাবে। মানুষ কিংবা জিনিস সীমান্ত পেরিয়ে যা-ই এদেশে আসুক না কেন, তা ধরা পড়বে। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই বাহিনীকে সে ব্যাপারের সতর্ক করে দেবে এই নয়া ব্যবস্থা। নয়া যে দুটি ক্র্যাফট বসানো হচ্ছে, সেগুলির প্রতিটি ৩৫ জন করে সেনা বহন করতে পারবে বলেও জানা গিয়েছে।

    স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা…

    স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়র ইন চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরপাল সিং বলেন, মরুভূমি সেক্টরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কোর অফ ইঞ্জিনিয়াররা ৩-ডি প্রিন্টেড স্থায়ী প্রতিরক্ষা নির্মাণে তৎপর হয়েছে। এই ব্যবস্থাগুলি পুরোপুরি পরীক্ষামূলক ছিল। তবে এই স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলি পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যে ছোট অস্ত্র থেকে টি-৯০ ট্যাঙ্কের মূল যে বন্দুক, সবগুলিকেই প্রতিরোধ করতে পারে। বিস্ফোরণের সময়ও কিছুই হবে না, অটল থাকবে। তিনি জানান, সব চেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এগুলি ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যে কোনও জায়গায় বসিয়ে দেওয়া যাবে। প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্যত্র সরিয়েও নিয়ে যাওয়া যাবে। তিনি জানান, পূর্ব লাদাখে ঠিক একই রকম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করা হচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে।

    আরও পড়ুন: এবার ট্রেনে চড়েই যাওয়া যাবে অরুণাচলের চিন সীমান্তে, কবে থেকে জানেন?

    চিন সীমান্তে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের পরিকাঠামোর উল্লেখ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্র জানায়, বর্তমানে ভারতে রয়েছে এমন নটি টানেল। এর মধ্যে একটি প্রায় ২ হাজার ৫৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটিই বিশ্বের সর্বোচ্চ বাইলেন টানেল। এছাড়া আরও ১১টি টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে ওই সূত্র। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মে মাস থেকেই লাদাখ সীমান্তে সেনা সমাবেশ বাড়িয়েছে চিন। ওই বছরই জুন মাসে ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনা সেনাদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়। তার পরেও ওই এলাকায় চিনা সেনা ক্রমেই বাড়িয়েছে তাদের নিয়ন্ত্রণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Mamata Banerjee: কেন্দ্রের টাকায় খয়রাতি, ‘দোষ’ ঢাকতে একশো দিনের প্রকল্প নিয়ে কী বললেন মমতা?

    Mamata Banerjee: কেন্দ্রের টাকায় খয়রাতি, ‘দোষ’ ঢাকতে একশো দিনের প্রকল্প নিয়ে কী বললেন মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার বলেছিলেন কেন্দ্রের টাকায় বয়েই গেছে! আর ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই ভোল বদল মুখ্যমন্ত্রীর। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়িতে বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভাবগম্ভীর ওই সরকারি অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, টাকা পেতে কি পায়ে ধরতে হবে? কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও আনেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, রাজ্যকে প্রাপ্য টাকাই দেওয়া হচ্ছে না।

    খয়রাতির সূত্রপাত…

    রাজ্যের কুর্সি দখল করতে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এর একটি হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। অভিযোগ, এই ভাণ্ডারে টাকা দিতে নানা প্রকল্পে দেওয়া কেন্দ্রের টাকা খরচ করা হচ্ছে। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একশো দিনের কাজের মতো বিভিন্ন প্রকল্প। তার পরেও প্রতিটি জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে চলেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, জিএসটির নামে রাজ্য থেকে টাকা তুলছে কেন্দ্র। যদিও রাজ্যের প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না।

    এদিনের অনুষ্ঠানের আগাগোড়াই কেন্দ্রকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার মানুষের পকেট কেটে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। মানুষকে বঞ্চনা করছে। আমাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যকে প্রাপ্য টাকাই দিচ্ছে না। একশো দিনের কাজের টাকা বাধ্যতামূলক। মমতা বলেন, আমি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছি। এবার কি পায়ে ধরতে হবে? আমাদের টাকা আমাদের দিতে হবে, নইলে গদি ছাড়তে হবে।

    কেন্দ্র গ্রামীণ রাস্তা তৈরির টাকা দিচ্ছে না বলেও এদিন অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গ্রামীণ রাস্তা তৈরির টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। আমাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আমরাও তো বন্ধ করে দিতে পারি। এর পরেই স্বভাবসুলভ ভঙ্গীতে মমতা বলেন, কেন তোমায় জিএসটি দেব? একশো দিনের টাকা ফিরিয়ে দাও, নইলে গদি ছেড়ে দাও। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার টাকা তুলে নিয়ে যাবে, আর আমাকে টাকা দেবে না, এটা হয় না। এটা মানুষকে প্রতারিত করা। তিনি বলেন, তাও আমার মনের জোর আছে। এটা কি জমিদারির টাকা? এটা মানুষের টাকা। তাঁর দাবি, একশো দিনের টাকা দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: ‘শান্তিকুঞ্জে’র সামনে ‘অশান্তি’ তৃণমূলের, সিবিআই চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    কেন্দ্রের পাশাপাশি এদিন মমতা (Mamata Banerjee) একহাত নেন বিজেপিকেও। তিনি বলেন, কিছু বিরোধী দল বাংলার উন্নয়ন চায় না, বিসর্জন চায়। তারা দিল্লিকে লিখে পাঠায় বাংলাকে টাকা দেবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এরকম চলতে থাকলে একদিন আমি তীর-ধনুক নিয়ে, ধামসা মাদল নিয়ে রাস্তায় নামতে বলব। আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা রাজ্য সরকার খয়রাতিতে খরচ করছে বলে অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। এনিয়ে তিনিই একাধিকবার চিঠি লিখেছেন কেন্দ্রকে। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী কি নিশানা করলেন তাঁকেই?

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TMC Inner Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বোমাবাজি, হাত-পা উড়ল যুবকের, থমথমে সাঁইথিয়া

    TMC Inner Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বোমাবাজি, হাত-পা উড়ল যুবকের, থমথমে সাঁইথিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুদের স্তূপে বীরভূম (Birbhum)! ফের একবার প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash)। আবারও ঘটল বোমাবাজির ঘটনা। ওই ঘটনায় এক নাবালক সহ জখম হয়েছেন দুজন। এলাকা দখলের জেরে এই ঘটনা, বলছেন স্থানীয়রাই। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১২জনকে। উদ্ধার হয়েছে ৩০টি তাজা বোমা। এলাকায় পুলিশ পিকেট। ভয়ে পুরুষ শূন্য গোটা গ্রাম। বীরভূমের সাঁইথিয়ার ওই ঘটনায় আতঙ্ক গোটা এলাকায়।

    বিবাদের কারণ…

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ দীর্ঘদিনের পুরানো। সোমবার বিকেলে আচমকাই প্রকাশ্যে চলে আসে তৃণমূলের সাঁইথিয়া ব্লক সভাপতি সাবের আলি ও ব্লক কার্যকরী সভাপতি তুষার মণ্ডলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash)। ঘটনাস্থল সাঁইথিয়ার ফুলুর পঞ্চায়েতের বহরাপুর গ্রাম। কোনও একটি কারণে এদিন দু পক্ষের বিবাদ চরমে ওঠে। প্রথমে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। পরে বাঁধে সংঘর্ষ। ঘটনার জেরে এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে। বোমার ঘায়ে জখম হন সাদ্দাম নামে এক যুবক। তাঁর ডান হাত এবং ডান পা উড়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সাঁইথিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। গুরুতর জখম অবস্থায় সাদ্দাম বলেন, আমার কাকাকে আটকে রেখেছিল তুষার মণ্ডলের লোকজন। ওরাই আমাকে বোমা মেরেছে।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের (TMC Inner Clash) জেরে যে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে, তাতে জখম হয়েছে মুজাফফর হোসেন নামে এক নাবালকও। তার সারা গায়ে বোমার আঘাতের ক্ষত। তাকেও প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। পরে দুজনকেই সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘পুলিশ কামড়ালে কি ভ্যাকসিন নিতে হবে?’’, পশ্চিম মেদিনীপুরের সভায় সুকান্ত

    পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা সবাই তৃণমূল (TMC) কর্মী। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা। অশান্তি এড়াতে এলাকায় চলছে পুলিশি টহলদারি। রয়েছে পুলিশ পিকেটও। ভয়ে গ্রাম ছেড়েছেন পুরুষরা। ফের অশান্তির আশঙ্কায় বাচ্চাদের হাত ধরে গ্রাম ছাড়ছেন মহিলারাও। মঙ্গলবার সকালেও অকুস্থলে গিয়ে দেখা গিয়েছে শুকনো রক্তের দাগ। পড়ে রয়েছে খালি বালতি। এই বালতি করেই বোমা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, কাটমানি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে তৃণমূলের এই গন্ডগোল নতুন নয়। প্রায়ই হয়। আগামীতে আরও বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     

     

     

  • Auto Expolsion: মেঙ্গালুরুতে যাত্রিবাহী অটোরিক্সায় বিস্ফোরণ জঙ্গি হামলা!  

    Auto Expolsion: মেঙ্গালুরুতে যাত্রিবাহী অটোরিক্সায় বিস্ফোরণ জঙ্গি হামলা!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের (Karnataka) মেঙ্গালুরুতে শনিবার বিস্ফোরণ ঘটে একটি চলন্ত অটোরিক্সায় (Auto Expolsion)। সেটি নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়, সাফ জানাল কর্নাটক পুলিশ। পুলিশের দাবি, গুরুতর কোনও ক্ষতির জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এই সন্ত্রাসের কাজটি করা হয়েছে। রবিবার কর্নাটক পুলিশের প্রধান প্রবীণ সুদ বলেন, পুলিশকে তদন্তে সহযোগিতা করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অর্গা জ্ঞানেন্দ্রও বলেন, তদন্তের কাজে পুলিশকে সাহায্য করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    ঠিক কী ঘটেছিল…

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ মেঙ্গালুরুর গারোদির কাছে আচমকাই একটি চলন্ত অটোয় বিস্ফোরণ (Auto Expolsion) হয়। সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় যাত্রিবাহী ওই অটোয়। গলগল করে ধোঁয়া বের হতে থাকে। আর্ত চিৎকার করতে থাকেন অটোচালক, যাত্রী সবাই। পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় উদ্ধার করা হয় অটোচালক ও যাত্রীদের। তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কর্নাটকের ডিজিপির দাবি, আপাতভাবে সাধারণ বিস্ফোরণের ঘটনা মনে হলেও, বাস্তবে তা নয়। তিনি বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়। গুরুতর কোনও ক্ষতির জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এই সন্ত্রাসের কাজটি করা হয়েছে। ট্যুইট বার্তায় তিনি বলেন, এবার এটা নিশ্চিত। বিস্ফোরণটা একেবারেই হঠাৎ কোনও দুর্ঘটনা নয়। জঙ্গি হামলা, সাংঘাতিক ক্ষতির চেষ্টায় এই কাজ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কর্নাটক রাজ্য পুলিশও এর গভীরে গিয়ে তদন্ত করছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু ছেলের সঙ্গে মেয়ের বাগদান, ইসলামপন্থীদের রোষের মুখে আমির খান

    কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অটো বিস্ফোরণে (Auto Expolsion) যিনি অগ্নিদগ্ধ হয়েছে, তিনি এখনও কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। পুলিশের তদন্তকারী দল সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এটি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। তিনি বলেন, আমরা পুরো ঘটনাটি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাকে জানিয়েছি। তারা মেঙ্গালুরুতে একটি দলও পাঠিয়েছে। কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এক দু দিনের মধ্যে নিশ্চিত তথ্য পেয়ে যাব। সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল থেকে একটি প্রেসারকুকার ও ব্যাটারি পাওয়া গিয়েছে। গুজব না ছড়ানোর আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • FIFA World Cup 2022: আজ শুরু কাতার বিশ্বকাপ, ভারত থেকে কখন খেলা দেখা যাবে জানেন?

    FIFA World Cup 2022: আজ শুরু কাতার বিশ্বকাপ, ভারত থেকে কখন খেলা দেখা যাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছরের অপেক্ষার অবসান। আজ, রবিবার শুরু হতে চলেছে ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2022)। এবার আয়োজক দেশ কাতার। এর আগেরবার বিশ্বকাপ হয়েছিল রাশিয়ায়, ২০১৮ সালে।

    কাতারই প্রথম…

    উল্লেখ্য যে, কাতারই প্রথম আরব দুনিয়ার কোনও দেশ, যারা আয়োজন করছে ফুটবল বিশ্বকাপের। বিশ্বকাপ উপলক্ষে লাখো লাখো ক্রীড়াপ্রেমী ভিড় জমাবেন মধ্য প্রাচ্যের এই দেশটিতে। এবার বিশ্বকাপে (World Cup) খেলছে ৩২টি দল। খেলা হবে ৬৪টি ম্যাচ। এই ৩২টি দেশের দলের মধ্যে থেকে সেরা হিসেবে বেছে নেওয়া হবে একটি মাত্র দেশকে। কাতারে যে ফুটবল মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে, তা ভারত থেকে লাইভ দেখা যাবে বিকেল সাড়ে ৩টেয়, সন্ধে সাড়ে ৬টায়, রাত সাড়ে ৮টায়, রাত সাড়ে ৯টায় এবং রাত্রি সাড়ে ১২টায়।  

    বিশ্বকাপের টেলিকাস্টিংয়ের ব্রডকাস্ট রাইটস কিনেছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ভায়াকম ১৮ মিডিয়া। খেলা সম্প্রচারিত হবে স্পোর্টস ১৮ চ্যানেলে। এই চ্যানেলটি এসডি এবং এইচডি লাইভ ব্রডকাস্ট দেখাবে। ধারা বিবরণী শোনা যাবে ইংরেজি এবং হিন্দিতে। যাঁরা ফোন কিংবা ল্যাপটপে ফিফা ওয়ার্ড কাপের ম্যাচগুলি দেখতে চান, তাঁরা লাইভ ম্যাচ দেখতে পাবেন রিলায়েন্স জিও সিনেমা অ্যাপে।

    আরও পড়ুন: কাতারে বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, হতাশ সুরাপ্রেমীরা

    ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের (FIFA World Cup 2022) উদ্বোধনী ম্যাচটি হবে কাতারের আল বায়াত স্টেডিয়ামে। ভারতীয় প্রমাণ সময় অনুযায়ী কাতারে খেলা শুরু হবে রাত্রি সাড়ে ৯টায়। তার আগে হবে বিরাট জাঁকজমক পূর্ণ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিটিএসের জুং কুক এবং মরক্কো-কানাডিয়ান অভিনেত্রী নোরা ফতেহি। গ্রুপ ম্যাচ শুরু হবে কাতার বনাম ইকুয়েডরের মধ্যে দিয়ে। এর পর থকে পর পর ম্যাচগুলি দেখা যাবে বিকেল সাড়ে ৩টেয়, সন্ধে সাড়ে ৬টায়, রাত্রি সাড়ে ৯টায় এবং রাত্রি সাড়ে ১২টায়। গ্রুপ স্টেজের শেষ আটটি ম্যাচ খেলা হবে ভারতীয় প্রমাণ সময় রাত্রি সাড়ে ৮টায়। গ্রুপ স্টেজের ম্যাচ শেষে জয়ী দলগুলি ১৬ রাউন্ডের খেলায় অংশ নিতে পারবে। এই রাউন্ডের খেলা শুরু হবে ডিসেম্বরের ৩ তারিখ থেকে। এখান থেকেই শুরু হবে নকআউট পর্বও। বিশ্বকাপের ((FIFA World Cup 2022)) কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা শুরু হবে ৯ ডিসেম্বর থেকে। এই খেলাগুলি হবে ভারতীয় প্রমাণ সময় রাত্রি সাড়ে ৮টা এবং রাত্রি সাড়ে ১২টায়। ডিসেম্বরের ১৮ তারিখে হবে ফাইনাল খেলা। খেলা শুরু হবে রাত্রি সাড়ে ৮টায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share