Tag: Bengali news

Bengali news

  • Himachal Pradesh: ভোটের আগেই মাত কংগ্রেসকে! হিমাচল প্রদেশে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    Himachal Pradesh: ভোটের আগেই মাত কংগ্রেসকে! হিমাচল প্রদেশে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) ভোটের ঢের আগেই প্রতিপক্ষ কংগ্রেসকে (Congress) মাত দিল বিজেপি (BJP)! বুধবার পদ্ম শিবির প্রকাশ করল প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা। এই দফায় ৬২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। এঁদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন মহিলাও। বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি এই তালিকা অনুমোদনও করেছে।

    জানা গিয়েছে, এদিন যে ৬২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে তফশিলি জাতির প্রার্থী রয়েছেন ১১ জন। তফশিলি উপজাতি প্রার্থী রয়েছেন ৮জন। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতাকে।এদিন যে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁদের দুই তৃতীয়াংশই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ।

    গত বিধানসভা নির্বাচনে হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) যাঁরা জয়ী হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যেও ১১ জনকে এবার প্রার্থী তালিকায় রাখা হয়নি। খোদ মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর এবার লড়বেন সেরাজ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। মাণ্ডি থেকে লড়বেন অনিল শর্মা। আর উনা কেন্দ্র থেকে লড়বেন সতপাল সিং সট্টি। চৌরা কেন্দ্র থেকে লড়বেন হংসরাজ। মানালি কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ সিং ঠাকুর। বানজার কেন্দ্রে পদ্ম প্রার্থী সুরেন্দর শৌরি। এবার টিকিট পাননি হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রেমকুমার ধুমল। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন তিনি। প্রেমকুমার অনুরাগ ঠাকুরের বাবা। অনুরাগ মোদি মন্ত্রিসভার মন্ত্রী। অনুরাগের শ্বশুর গুলাব সিংকেও এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। গত বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন তিনিও।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে হবে, হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে আপ মন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    এদিকে, আসন বদলে দেওয়া হয়েছে দুই মন্ত্রীর। এঁরা হলেন শিমলার বিধায়ক সুরেশ ভরদ্বাজ ও নুরপুরের বিধায়ক রাকেশ পাঠানিয়া। মন্ত্রী মহেন্দ্র সিংয়ের বদলে টিকিট দেওয়া হয়েছে তাঁর ছেলে রজত ঠাকুরকে। ধরমপুর কেন্দ্রেই লড়বেন তিনি। হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh) বিধানসভার আসন সংখ্যা ৬৮। সোমবারই বৈঠকে বসেছিল বিজেপির সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। ওই কমিটিতে আলোচনার পরেই চূড়ান্ত করা হয় প্রার্থী তালিকা। প্রসঙ্গত, নভেম্বরের ১২ তারিখে নির্বাচন হবে হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh)। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ অক্টোবর। ভোট গণনা হবে ৮ ডিসেম্বর। গত নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। তারা পেয়েছিল ৪৪টি আসন। আর প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ২১টি আসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: গোহারা হারলেন থারুর, কংগ্রেসের রাশ খাড়গের হাতে

    Mallikarjun Kharge: গোহারা হারলেন থারুর, কংগ্রেসের রাশ খাড়গের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গো হারা হারলেন শশী থারুর। কংগ্রেস (Congress) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে শেষ হাসি হাসলেন প্রবীণ নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। বুধবার বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে স্বাধীনতা-উত্তর গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির ৩৬তম সভাপতি নির্বাচিত হলেন খাড়গে। এই ঘটনায় দু দশক পরে কোনও এক অ-গান্ধী সভাপতি পেল কংগ্রেস।

    উনিশের ভোটে বিজেপির কাছে হারের কারণে কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী (Rahul gandhi)। দলের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হন সোনিয়া গান্ধী। শারীরিক অসুস্থতার কারণে দলের হাল ধরতে রাজি হননি সোনিয়া। তাই হয় নির্বাচন। লড়াইয়ের ময়দানে হাজির শশী থারুর এবং মল্লিকার্জুন খাড়গে। খাড়গে হাইকমান্ডের প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৯৭টি ভোট। আর শশী থারুর পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৭২টি ভোট।

    প্রসঙ্গত, এর আগে শেষবার কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন হয়েছিল ২০০০ সালে। সেবার সোনিয়ার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের নেতা জিতেন্দ্র প্রসাদ। সোনিয়ার কাছে মুখ থুবড়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে জিতেন্দ্র প্রসাদের থেকে ঢের বেশি ভোট পেয়েছেন থারুর। যদিও জয়ের মুখ দেখেননি। জয়ের পরে দলের নয়া প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শশী।  যদিও নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিলেন থারুর। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্যস্তরের নেতা কিংবা দলের শীর্ষ নেতাদের কাছ থেকে তিনি কোনও সহযোগিতা পাচ্ছেন না। কোনও কোনও রাজ্য তাঁকে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। বুধবার, ভোটের ফল প্রকাশের দিনও থারুর উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব এবং তেলঙ্গানায় গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন।

    এদিকে, খাড়গের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন কংগ্রেসের একটা বড় অংশ। এদিন ভোটের ফল ঘোষণার ঢের আগেই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, আমার ভূমিকা নির্ধারণ করবেন কংগ্রেস সভাপতি…খাড়গেজিকে জিজ্ঞাসা করুন। বর্তমানে রাজ্য সভায় বিরোধী দলনেতা খাড়গে। হিন্দি এবং ইংরেজিতে দুর্দান্ত ভাষণ দেন তিনি। রাজ্যসভার দায়িত্ব সামলেছেন দক্ষ হাতে। কংগ্রেসের ভাঙা নৌকার হাল কত শক্ত হাতে ধরতে পারেন তিনি, এখন তাই দেখার।  

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯৬ শতাংশ, শেষ হাসি হাসবেন কে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Cattle Smuggling Case: গরু পাচার মামলায় কেরিম খানকে জেরা সিবিআইয়ের, হানা অনুব্রতর দিদির বাড়িতেও

    Cattle Smuggling Case: গরু পাচার মামলায় কেরিম খানকে জেরা সিবিআইয়ের, হানা অনুব্রতর দিদির বাড়িতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারের পর ফের বুধবার। গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আবদুল কেরিম খানকে (Abdul Kerim Khan) তলব করেছিল সিবিআই (CBI)। সেই মতো মঙ্গলবার শান্তিনিকেতনে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে এক প্রস্ত জেরা করা হয় কেরিম খানকে। বুধবার ফের তাঁকে নথিপত্র নিয়ে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেন তদন্তকারীরা। সেই মতোই এদিন হাজিরা দেন তিনি। বুধবার দুপুর পর্যন্ত তাঁকে জেরা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) তদন্তে নেমে অনুব্রতকে গ্রেফতারের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেরিমের বাড়িতে ঘণ্টা পাঁচেক ধরে তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। গত কয়েক বছরে সম্পত্তির পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়িয়েছেন কেরিম। বোলপুরে তাঁর ৪ কোটি টাকার বাড়ি নজরে রয়েছে গোয়েন্দাদের। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায়ও অভিযুক্ত তিনি। সেই মামলারও তদন্ত করছে সিবিআই।

    এদিকে, বুধবারই বোলপুরে তিন ব্যাঙ্কের আধিকারিককে পূর্ব পল্লির গেস্ট হাউসে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে তলব করা হয়েছে। এই ব্যাঙ্কগুলি হল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এবং অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক। এদিনই অনুব্রতর লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে বিশদ জানতে তাঁদের জেরা করা হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদের অনেক আগেই বোলপুরের একাধিক বেসরকারি ব্যাঙ্কের বেশ কয়েকজন কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন সিবিআই কর্তারা।

    আরও পড়ুন: ৮ বছরে আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    অন্যদিকে, গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সেই সূত্রেই মঙ্গলবার তাঁর দিদি শিবানী ঘোষের বাড়িতে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শিবানী অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষের মা। তাঁর আর একটি পরিচয় হল তিনি শিব-শম্ভু রাইস মিলের মালিক। বাঁধগড়া এলাকায় ১০-১২ বিঘে জমির ওপর রয়েছে এই রাইস মিল। জায়গাটি লিজ নেওয়া হয়েছে শিবানীর নামে। এদিন তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। রাজা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান। তাঁর দাবি, রাইস মিলের জায়গাটি যে তাঁর মায়ের নামে, তা তিনি নিজেই জানতেন না। যদিও কেরিমকে তলব করলেও, বুধবারও শিবানীকে তলব করেননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Debraj Chakraborty: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    Debraj Chakraborty: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের (CBI) তলব পেয়ে মঙ্গলবার সল্টলেকের সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর ও বিধাননগরের মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty)। এদিন সকাল সোয়া ১১টা নাগাদ তিনি সিবিআই দফতরে হাজির হন। তার পরেই শুরু হয় জেরা। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় টানা প্রায় দু ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয় তাঁকে। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে দেবরাজ বলেন, আবার ডাকলে আসব।  

    দেবরাজের (Debraj Chakraborty) অন্য একটি পরিচয়ও রয়েছে। তিনি তৃণমূল বিধায়ক তথা কীর্তন শিল্পী অদিতি মুন্সির স্বামী। উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূল সভাপতি পদেও রয়েছেন দেবরাজ। ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হন দমদম পার্কের বিজেপি কর্মী প্রসেনজিৎ দাস। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার তলব করা হয়েছিল দেবরাজকে। দেবরাজের আগে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় জেরা করা হয়েছিল তৃণমূলের আর এক বিধায়ক পরেশ পালকেও।

    আরও পড়ুন:সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ২০২১ সালের ২ মে দমদম পার্কের হরিচাঁদ পল্লির বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাস খুন হন। তিনি বিজেপি কর্মী ছিলেন বলে দাবি পরিবারের। বাড়ির পাশ থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। প্রসেনজিৎকে খুনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দেবরাজের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই সিবিআই তলব করে দেবরাজকে। করা হয় জেরাও। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে দেবরাজ (Debraj Chakraborty) বলেন, যা যা প্রশ্ন করা হয়েছিল, সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। যা যা জানতে চেয়েছেন, সবটা জানিয়েছি। পরবর্তী সময়ে ডাকলে আবার আসব। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তদন্তের মুখোমুখি হয়েছি। প্রসেনজিতের ঘটনা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, এটা এক দেড় বছর আগের ঘটনা। কী ঘটেছিল ঠিক মনে নেই। তবে যে কোনও মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক। সিবিআই তদন্ত করছে। কী ঘটেছিল, তা তদন্তে উঠে আসবে। যদি পরিবারকে কোনও সহযোগিতা করতে পারি, পাশে থাকব। প্রসঙ্গত, প্রসেনজিৎ খুনের ঘটনায় এফআইআরে নাম ছিল না দেবরাজের (Debraj Chakraborty)। পরে সিবিআই তদন্তে উঠে আসে তাঁর নাম। তার জেরেই করা হয় তলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Congress prez poll: কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯৬ শতাংশ, শেষ হাসি হাসবেন কে?

    Congress prez poll: কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯৬ শতাংশ, শেষ হাসি হাসবেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (Congress prez poll)। সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ পর্ব। চলে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। কংগ্রেসের (Congress) সাড়ে ৯ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি ভোট দেন। গত চব্বিশ বছরে এই প্রথম গান্ধী (Gandhi) পরিবারের বাইরের কাউকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করতে চলেছেন কংগ্রেসের ভোটাররা। এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং শশী থারুর। দলের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীর উত্তরসূরি হিসেবে এঁদের মধ্যেই একজনকে বেছে নিতে হয়েছে কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের।

    প্রদেশ কংগ্রেসের প্রতিনিধির সংখ্যা ৯ হাজার ৯১৫ জন। তাঁর মধ্যে ভোট দিয়েছেন সাড়ে ৯ হাজারের কিছু বেশি। ভোট হয়েছে কাগজের ব্যালটে। কংগ্রেসের সেন্ট্রাল ইলেকশন অথরিটি চেয়ারম্যান মধুসূদন মিস্ত্রি নয়াদিল্লিতে এ খবর জানান। ভোটের ফল বেরবে ১৯ অক্টোবর, বুধবার। এই দিনটির জন্যই অপেক্ষা করেছিলেন বলে জানান সোনিয়া গান্ধী। এদিন ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটির জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট ছিলেন সোনিয়াই। পরে ওই পদে বসানো হয় রাহুল গান্ধীকে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয় কংগ্রেস। তার পরেই প্রেসিডেন্ট পদে ইস্তফা দেন রাহুল। অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফের দলের হাল ধরেন সোনিয়া।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস নির্বাচন প্রহসন! তোপ অমিত মালব্যর, কী বললেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান?

    এদিন উৎসবের মেজাজে ভোট (Congress prez poll)  হয়েছে বলে জানিয়েছেন মধুসূদন মিস্ত্রি। তাঁর দাবি, ভোটে হয়েছে অবাধ, সুন্দর এবং স্বচ্ছ। তিনি বলেন, সব চেয়ে খুশির খবর হল দেশের প্রতিটি রাজ্যেই পোলিং বুথ হয়েছিল। অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেনি। এটা একটা বড় প্রাপ্তি। ভোট হয়েছে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণভাবে। মিস্ত্রি বলেন, ভোট নিয়ে কারও কোনও অভিযোগ থাকার কথা নয়। কারণ ভোট হয়েছে গোপন ব্যালটে। তাই কেউই জানতে পারবেন না, কে কাকে ভোট দিয়েছেন। তিনি জানান, পুরো ভোটগ্রহণ পর্ব ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জনার্দন দ্বিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন হচ্ছে। সবাই নিজেদের পছন্দমতো ভোট দিচ্ছেন। 

    এদিন ভোটগ্রহণ (Congress prez poll) পর্ব শুরুর সময় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী শশী থারুর বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী। কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ রয়েছে দলীয় কর্মীদের হাতেই। পরে অন্য এক প্রসঙ্গে নিজেকে ‘পরিবর্তনের প্রার্থী’ হিসেবে অভিহিত করেন থারুর। খাড়গে না থারুর, শেষ হাসি হাসেন কে, এখন তাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Cyclone: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! নিশানায় কি বাংলা? 

    Cyclone: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! নিশানায় কি বাংলা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone) ভ্রুকুটি! হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণ আন্দামান সাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। এরই প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। নিম্নচাপটি পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রূপে অবস্থান করবে। তবে তা ভয়ঙ্কর রূপ নেবে কিনা, তা এখনও জানা যায়নি।

    বিদায় নিয়েছে বর্ষা। বর্ষা এবং নিম্নচাপের বৃষ্টি জোড়া ফলায় মাটি হয়েছে বাঙালির এবারের দুর্গোৎসব। পুজোর আগে তো বটেই, পুজোর দিনগুলিতেও কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্রই। দুর্গাপুজো বৃষ্টির জলে ভেসে যাওয়ার কালীপুজোর কথা ভেবে আশায় বুক বেঁধেছিলেন আম বাঙালি। তবে ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। এবং সেই বঙ্গোপসাগরে।

    মঙ্গলবার দুপুরে আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও লাগোয়া এলাকায় যে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে, মঙ্গলবার সেটি অবস্থান করছে উত্তর আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন এলাকায়। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এটাই পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে। দক্ষিণ-পূর্ব ও সংলগ্ন পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে সেই নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, সম্ভাব্য ওই নিম্নচাপ ক্রমশ আরও পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। শনিবার সকালে মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেটির। পরবর্তীকালে তা আরও শক্তিশালী হয়ে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone) জন্ম হতে পারে।

    আরও পড়ুন: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) সুপার সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে বলে ইতিমধ্যেই জল্পনা ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। তবে সেটি সুপার সাইক্লোন হবে না। সোমবার আলিপুরে আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, এই ঘূর্ণিঝড় থেকে সুপার সাইক্লোন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    সম্ভাব্য ওই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone) প্রভাব বাংলায় কতটা পড়বে কিংবা ওই ঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ কী হবে, তা এখনও জানানো হয়নি আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে। এখানকার এক আধিকারিক বলেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় কোন পথে এগোবে এবং তার তীব্রতা কত হবে, সেটা নিয়ে এখনও মন্তব্য করার সময় আসেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Umar Khalid: উমর খালিদের জামিন খারিজ, দিল্লির হিংসার ঘটনায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    Umar Khalid: উমর খালিদের জামিন খারিজ, দিল্লির হিংসার ঘটনায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমর খালিদের (Umar Khalid) জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লি হিংসা (Delhi Riots) মামলায় গ্রেফতার হন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নেতা উমর খালিদ। ইউএপিএ (UAPA) এবং অস্ত্র আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ২৪ মার্চ ট্রায়াল কোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। এর পরেই দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হন উমর খালিদ। মঙ্গলবার সেখানেও হতাশ হতে হল তাঁকে। এদিন খারিজ হয়ে গেল তাঁর জামিনের আবেদন। দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ খারিজ করে দেয় তাঁর জামিনের আবেদন।

    এদিন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রজনীশ ভাটনগর রায় দিতে গিয়ে বলেন, জামিনের আবেদনের কোনও মেরিট আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। তাই জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হল। ২০২০ সালে গ্রেফতার হন উমর খালিদ (Umar Khalid)। জামিনের আবেদনে তিনি বলেন, হিংসায় কোনও দুষ্কৃতীর ভূমিকা তাঁর ছিল না, ষড়যন্ত্রের যোগও ছিল না। অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যা রয়েছে।  জামিনের আবেদনে উমর খালিদ (Umar Khalid) বলেন, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অমরাবতীতে তিনি যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, সেই বক্তৃতায় তিনি বিপ্লব কথাটির উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই বিপ্লব শব্দটি কোনও হিংসাত্মক কথা নয় কিংবা হিংসায় উসকানি দেয় না।

    আরও পড়ুন: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    যদিও দিল্লি পুলিশ তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেন। পুলিশের দাবি, খালিদ (Umar Khalid) যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, তা খুব হিসেব কষেই। তার জেরেই  বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, কাশ্মীর, মুসলমানদের দমনের অভিযোগ, সিএএ এবং এনআরসির মতো ইস্যুগুলি লালিতপালিত হয়। পুলিশের যুক্তি, হিংসার ঘটনা ঘটেছিল দু দফায়। প্রথমটি ২০১৯ সালে। আর দ্বিতীয়টি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। হিংসার সময় ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় রাস্তা অবরোধ, পুলিশ কর্মীদের ওপর আক্রমণ এবং আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানদের ওপর আক্রমণ এবং অ-মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় হিংসার ঘটনা ঘটে। মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া সম্মিলনীতে হাজির করাতে হবে অনুদান পাওয়া ক্লাবগুলিকে, সরকারি নির্দেশে সরব শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া সম্মিলনীতে হাজির করাতে হবে অনুদান পাওয়া ক্লাবগুলিকে, সরকারি নির্দেশে সরব শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বোমা ফাটালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর (CM) বিজয়া সম্মিলনীতে যেসব ক্লাব ৬০ হাজার করে টাকা পেয়েছিল, তাদের ওই সম্মিলনীতে হাজির করাতে হবে বলে বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং জেলাশাসক (DM)! সরকারি একটি পদে বসে জেলাশাসক এমন নির্দেশ দিতে পারেন কিনা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    বামেদের হঠিয়ে ২০১১ সালে রাজ্যের তখতে বসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল (TMC) সরকার। তার পরেই একের পর এক অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে রাজ্য সরকারের নাম। রাজ্য সরকারের এহেন অনিয়মের অভিযোগে বারংবার সরব হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার এরকমই একটি ন্যক্কারজনক ঘটনার কথা ট্যুইট করে জানালেন শুভেন্দু। ট্যুইটবার্তায় শুভেন্দু জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকরা তাঁদের অধস্তন এডিএম, এসডিও এবং বিডিওদের প্রতি এক নির্দেশিকা জারি করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, দুর্গাপুজো উপলক্ষে যেসব ক্লাবকে ৬০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে, ওই সব ক্লাবের সদস্যদের আগামিকাল শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া সম্মিলনীতে বাধ্যতামূলকভাবে হাজির করাতে হবে। সরকারি পদে বসে জেলাশাসকের মতো একজন পদাধিকারী এহেন নির্দেশ দিতে পারেন কিনা, তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

    তবে প্রশ্ন উঠলেই বা কী হবে? এমন নজির রয়েছে আরও। এবং তা তুলে ধরেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীই (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে সাজ সাজ রব। বিরোধী নেত্রী থাকার সময় উত্তরবঙ্গের একটি রিসর্টে গিয়েছিলেন তিনি। রিসর্টটি উত্তর ২৪ পরগনার মহেশতলার বিধায়ক তৃণমূলের দুলাল দাসের। ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এই রিসর্ট সংস্কার করা হয়েছে সরকারি অর্থ ব্যয়ে। সাজানো হয়েছে রিসর্ট চত্বর। রিসর্টে যাওয়ার রাস্তাও ঢেলে সাজানো হয়েছে। শুভেন্দুর দাবি, এসবই হয়েছে সরকারি টাকা খরচ করে। মুখ্যমন্ত্রী যেতে পারেন ভেবে সরকারি টাকায় একটি বেসরকারি রিসর্ট সাজানো যায় কিনা, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। রিসর্ট বিতর্কের রেশ মেলানোর আগেই এবার জেলাশাসকদের বার্তা নিয়ে সরব হলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।   প্রসঙ্গত, এর আগে মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া সম্মিলনীকে কর্পোরেট সম্মিলনী বলে কটাক্ষ করেছিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেছিলেন, এই ধরনের কর্পোরেট সম্মিলনীর কোনও মূল্য সাধারণ মানুষের কাছে নেই। এই ধরনের সম্মিলনীতে সাধারণ মানুষ থাকে না। এখানে থাকে শুধু তোলামূল পার্টির সদস্য আর পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Uniform Civil Code: বিঘ্নিত হচ্ছে জাতীয় ঐক্য, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    Uniform Civil Code: বিঘ্নিত হচ্ছে জাতীয় ঐক্য, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) প্রথম হলফনামা পেশ করল কেন্দ্রীয় সরকার। হলফনামার স্বপক্ষে নানা যুক্তি প্রদর্শন করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, বিভিন্ন আইনের জেরে বিঘ্নিত হচ্ছে জাতীয় ঐক্য। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ব্যক্তিগত আইন পরিত্যাগ করে।

    বিভিন্ন আবেদনকারী ব্যক্তিগত আইনের (Personal Law) অভিন্নতা জানতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন দেশের শীর্ষ আদালতে। সেই কারণেই সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দেয় কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে ছটি আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়, আবেদনকারী লুবনা কুরেশি এবং ডোরিস মার্টিন আইন কার্যকর করতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেন জনস্বার্থ মামলা।

    এদিন কেন্দ্রের তরফে পেশ করা হলফনামায় দাবি করা হয়েছে, দেশে একাধিক আইন জাতীয় ঐক্য বিঘ্নিত করছে। ফলে ঐক্যের প্রশ্নে দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (Uniform Civil Code) প্রয়োজন রয়েছে। সংবিধানের ৪৪ নম্বর ধারার অধীনে রয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। এখানে ধর্ম, লিঙ্গ নির্বিশেষে ডিভোর্স, দত্তক, অভিভাবকত্ব, উত্তরসূরি নির্বাচন, উত্তরাধিকার, বিয়ের বয়স, ভরণপোষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে বলা হয়েছে।

    এর আগে গোটা দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) লাগু করা যায় কিনা, তা জানতে চেয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে আদালতে যেসব আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলির উত্তর দেওয়ার জন্যও আবেদন জানানো হয়েছিল কেন্দ্রের কাছে। আবেদনকারীরা জানিয়েছিলেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে বরাবরই ধর্মীয় তুষ্টির চশমায় দেখা হয়।

    আরও পড়ুন: বন্দিদশা ঘুঁচল না সাইবাবার, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে থাকতে হবে জেলেই

    ভারতে চালু রয়েছে ব্যক্তিগত আইন। এই আইন বলে কয়েকটি ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ আলাদা আলাদা  সুবিধা ভোগ করেন। সেই কারণেই গোটা দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালুর ওপর জোর দেয় কেন্দ্র। সেই কারণেই এদিন হলফনামায় দাবি করা হয়েছে, একাধিক আইন বিঘ্নিত করছে জাতীয় ঐক্যকে। তাই প্রয়োজন রয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর। আদালত সংসদকে কোনও আইন তৈরি কিংবা কার্যকর করার নির্দেশ দিতে পারে না বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রকের তরফে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • WB Panchayat Election: নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! হাওড়া পুরসভার ভোট কবে?

    WB Panchayat Election: নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! হাওড়া পুরসভার ভোট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের গোড়ায়ই হতে পারে পঞ্চায়েত নির্বাচন (WB Panchayat Election)। যদি নিতান্তই জানুয়ারিতে ভোট করানো না যায়, তাহলে সেক্ষেত্রে ভোট হবে মার্চের শেষ কিংবা এপ্রিলের প্রথমে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission) সূত্রেই এ খবর মিলেছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ, আসন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ, বুধবারই ওই তালিকা প্রকাশ করে দেবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ভোট হবে রাজ্য পুলিশ দিয়ে। এদিকে, হাওড়া পুরসভার ভোটও হতে পারে আগামী বছরেই।

    রাজ্য প্রশাসনের একটি অংশ জানুয়ারিতেই ভোট (WB Panchayat Election) করানোর পক্ষপাতী। শীতে নিতান্তই সম্ভব না হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দরুণ ভোট পর্ব শুরু হবে না মার্চের তৃতীয় সপ্তাহের আগে। সেক্ষেত্রে ভোট হবে এপ্রিলের গোড়ায়। কারণ পরীক্ষা শেষ হলে তবেই মাইক বাজিয়ে প্রচারে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। তবে ঠিক কবে ভোট হবে, তা জানা যাবে আর কিছু দিন পরে। এদিকে, দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন (WB Panchayat Election) ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসক, বিরোধী সব শিবিরই। তৃণমূল নেতাদের জেলায় জেলায় গিয়ে জনসংযোগ বাড়াতে বলা হয়েছে। শীঘ্রই জেলা সফর শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপিও। ২০ জনের একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করেছে পদ্ম শিবির। জেলাগুলিতে নিয়োগ করা হয়েছে পর্যবেক্ষক।

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    রাজ্যে এর আগে পঞ্চায়েত ভোট (WB Panchayat Election) হয়েছিল ২০১৮ সালে। সেবারও ভোট হয়েছিল রাজ্য পুলিশ দিয়ে। সেবার ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম। বিরোধীদের অভিযোগ, সন্ত্রাসের কারণে সেবার ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। বিরোধীদের দাবি, রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বাচন হলে অবাধ ভোট হবে না। ফের সৃষ্টি হবে অশান্তির বাতাবরণ। সেই আবহে কীভাবে নিরপেক্ষ ভোট হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদের একাংশ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে (WB Panchayat Election) রাজ্যের বহু আসনে প্রার্থী দিতে পারেননি বিরোধীরা। বিশেষত অনুব্রত মণ্ডলের বীরভূমে। তবে অনুব্রত এখন জেলে। ভোট পর্যন্ত তিনি ছাড়া না পেলে বীরভূমেও প্রার্থী দিতে পারবেন বিরোধীরা। এদিকে, নতুন বছরে ভোট হতে পারে হাওড়া পুরসভায়ও। মেয়াদ শেষেও নির্বাচন না হওয়ায়  পুরসভা চলছে প্রশাসক দিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share