Tag: Bengali news

Bengali news

  • Friedrich Merz: বদলের হাওয়া জার্মানিতেও, সাধারণ নির্বাচনে জয়ী রক্ষণশীলরা, পরবর্তী চ্যান্সেলর কে?

    Friedrich Merz: বদলের হাওয়া জার্মানিতেও, সাধারণ নির্বাচনে জয়ী রক্ষণশীলরা, পরবর্তী চ্যান্সেলর কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হার স্বীকার করে নিলেন জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ। রবিবার রক্ষণশীল বিরোধী দলের নেতা ফ্রেডরিখ মার্জকে (Friedrich Merz) অভিনন্দনও জানান তিনি। জনমত সমীক্ষার ফল বলছে, জার্মানির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি স্পষ্ট পরিবর্তন হয়েছে। মার্জকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “সামাজিক গণতান্ত্রিক দলের জন্য এটি একটি তিক্ত নির্বাচনী ফল। এটি একটি নির্বাচনী পরাজয়ও। নির্বাচনী ফলের জন্য অভিনন্দন (Exit Polls)।”

    ২১তম সাধারণ নির্বাচন (Friedrich Merz)

    রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে জার্মানির ২১তম সাধারণ নির্বাচন। ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছিল সকাল ৮টায়। শেষ হয় সন্ধ্যা ছটায়। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই প্রাথমিক নির্বাচনী সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নির্বাচনে ফ্রেডরিখ মার্জের দল ক্রিশ্চিয়ান গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন জয়ী হয়েছে। তবে অতি ডানপন্থীদেরও উত্থান ঘটেছে। নির্বাচনে রক্ষণশীল ক্রিশ্চিয়ান গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন দল ২৯ শতাংশ, কট্টরবাদী জার্মানির জন্য বিকল্প দল ১৯.৫ শতাংশ, সামাজিক গণতান্ত্রিক দল ১৬ শতাংশে এগিয়ে রয়েছে। পরিবেশবাদী সবুজ দল ১৩.৫ শতাংশ এবং বাম দল দ্য লিঙ্কে ৮.৬ শতাংশে এগিয়ে রয়েছে।

    কোন দলের ঝুলিতে কত ভোট

    বিরোধী রক্ষণশীল সিডিইউ/সিএসইউ জোট ২৮.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে, জেডডিএফ পাবলিক ব্রডকাস্টারের প্রকাশিত এক্সিট পোল অনুযায়ী (Exit Polls)। চরম ডানপন্থী অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি ২০ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে এসেছে, যা জাতীয় নির্বাচনে তাদের সর্বোচ্চ ফল। সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তাদের সব চেয়ে খারাপ ফল করেছে। তারা ভোট পেয়েছে মাত্র ১৬.৫ শতাংশ। এই ফল জটিল জোট আলোচনার জন্য মঞ্চ তৈরি করেছে। মের্জ আরও শক্তিশালী নেতৃত্বের ধরন ও মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিভক্ত রাজনৈতিক পরিবেশে তাকে একটি জোট গঠন করতে হবে।

    রফতানি নির্ভর অর্থনীতি

    কোয়ালিশন আলোচনা চলাকালীন শোলৎজ হয়তো তত্ত্বাবধায়ক ভূমিকায় পদে থাকতে পারেন। এটি টানা দুবছর অর্থনৈতিক সংকোচনের পর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার চেষ্টাকে বিলম্বিত করতে পারে। জার্মানির রফতানি নির্ভর অর্থনীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের নিরাপত্তার সম্পর্ক এই অনিশ্চয়তাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। জনমত সমীক্ষায় অভিবাসনের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়েছে বলে বোঝা যাচ্ছে। এটি ২০১৫ সালের থেকে আলাদা, যখন জার্মানি বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে স্বাগত জানিয়েছিল। এএফডি এই পরিবর্তনকে কাজে লাগিয়ে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে। যদিও তারা কোয়ালিশনের আলোচনার বাইরে রয়েছে (Friedrich Merz)।

    এএফডির উত্থান

    এএফডির উত্থান শাসনকে জটিল করে তুলেছে। যদিও তাদের এখনই সরকারে প্রবেশের সম্ভাবনা নেই, তবে তাদের ক্রমবর্ধমান সমর্থন ভবিষ্যতের নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলাফলটি এমন একটি সরকার গঠনে অবদান রাখতে পারে যা জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে নীতিগুলি এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। রক্ষণশীল নেতা মার্জ জার্মানির পরবর্তী চ্যান্সেলর হতে চলেছেন। কারণ জাতীয় নির্বাচনে তার দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যেটিক ইউনিয়ন (CDU) সব চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে। এই জয় জার্মান রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নির্দেশ করে। কারণ তাঁর দল বর্তমান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজের মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (SPD)-কে পরাজিত করেছে।

    জয়ী সিডিইউ/সিএসইউ জোট

    এদিকে, শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, সিডিইউ/সিএসইউ জোট রবিবার জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। এর জেরে ফ্রেডরিখ মার্জকে দেশের পরবর্তী চ্যান্সেলর হওয়ার পথে এগিয়ে রেখেছে। ২৮.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে মের্জের সংরক্ষণশীল দল কট্টর-ডানপন্থী অল্টারনেটিভ ফর জার্মানিকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। তারা রেকর্ড ভোট পেয়েছে ২০ শতাংশ। তবে এই জয় সত্ত্বেও মের্জের জন্য একটি স্থিতিশীল জোট গঠন করা একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, তার নেতৃত্ব এমন একটি সময়ে শুরু হচ্ছে যখন জার্মানি কয়েক দশকের সব চেয়ে জটিল অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি। এদিন মার্জ সমর্থকদের উদ্দেশে প্রতিশ্রুতি দেন, জার্মানি আবারও স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য নেতৃত্ব পাবে (Exit Polls)।

    মার্জ জার্মানির ঋণ সীমা পর্যালোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, যা একটি সাংবিধানিক নিয়ম যা সরকারি ঋণ গ্রহণের সীমা নির্ধারণ করে। সমর্থকদের যুক্তি, এই নিয়মে পরিবর্তন আনা হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনৈতিক আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (Friedrich Merz)। জার্মানির এক মহিলা ভোটার বলেন, “নির্বাচনের ফল কেমন হবে, তা আগে থেকেই পরিষ্কার ছিল। আমি নিজে অবশ্য মার্জকে পছন্দ করি না। কিন্তু অভিবাসী ইস্যুতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন এবং এএফডিকে ঠেকাতে পারবেন। দি লিংক বিরোধী দল নির্বাচিত হওয়ায় আমি খুশি।”

  • Mahakumbh: ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ অমৃত স্নান, জোরকদমে প্রস্তুতি যোগী সরকারের, বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল

    Mahakumbh: ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ অমৃত স্নান, জোরকদমে প্রস্তুতি যোগী সরকারের, বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। শেষ হচ্ছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি মহা শিবরাত্রির দিন। যোগী আদিত্যনাথ নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকার মহা শিবরাত্রির স্নানের জন্য ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর (Yogi Adityanath) নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের মুখ্য সচিব মনোজ কুমার সিং এবং পুলিশের ডিজি প্রশান্ত কুমার মহাকুম্ভ (Mahakumbh) নগর পরিদর্শন করেছেন। সেখানকার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। অন্যদিকে, এই শেষ পুণ্যস্নানে যেন ভক্তদের যাতে কোনওরকমের অসুবিধা না হয় সেদিকে তাকিয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতীয় রেলও।

    কী বললেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উত্তরপ্রদেশের ডিজি প্রশান্ত কুমার বলেন, ‘‘আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যবস্থা করছি যাতে তীর্থযাত্রীদের কোনওরকম অসুবিধা না হয়। ট্রাফিক কন্ট্রোল কিভাবে করা হবে, ভিড় নিয়ন্ত্রণ কিভাবে করা হবে এবং তীর্থযাত্রীরা সহজেই কীভাবে পুণ্যস্নান করতে পারবেন, সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া চলছে। আমরা মনে করি, আমাদের এই চেষ্টায় ভক্তদের কোনও রকমের অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে না।’’

    সমাজমাধ্যমে কড়া নজর যোগী সরকারের

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ সরকার ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমের দিকেও কড়া নজর রেখেছে। যাতে সেখানে মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) নিয়ে কোনও রকমের গুজব না ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে ডিজি প্রশান্ত কুমার সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘ইতিমধ্যে ৫০টা এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যারা ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে মহাকুম্ভ সম্পর্কে এবং গুজব ছড়াচ্ছে নানা রকম, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চাই।’’ মুখ্যসচিব ও পুলিশের ডিজি সেখানকার ভক্তদের সঙ্গে কথাও বলেন। সরকারের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ (Mahakumbh) যা শুরু হয়েছিল ১৩ জানুয়ারি থেকে, তা একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে চলছে। প্রতিদিনই এক কোটি ভক্ত পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণ করছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন সাধু-সন্ন্যাসী। তাঁরা বিভিন্ন আখড়া থেকে এসেছেন সনাতন ধর্মের।’’

    বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারতীয় রেল

    কুম্ভের শেষ পুন্যস্নান ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থা করছে ভারতীয় রেলও। পুণ্যার্থীদের ভিড়ের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করল রেল। বিশেষ করে জংশনগুলিতে নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উত্তর রেলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে। প্রয়াগরাজ, বারাণসী, দীনদয়াল উপাধ্যায়-সহ একাধিক স্টেশনে পুণ্যার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে?’’ বাংলায় এনআরসি-র দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে?’’ বাংলায় এনআরসি-র দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলায় এনআরসি চালুর দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সম্প্রতি ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে নানা কথা বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে জঙ্গিযোগের উদাহরণ দিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বেআইনি ভোটার রয়েছে। না হলে শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে? তিনি বলেন, উত্তরাখণ্ডে, গুজরাটে এনআরসি হয়েছে।মহারাষ্ট্র শুরু করেছে। এনডিএ শাসিত রাজ্যে এনআরসির কাজ চলেছে।’’

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে আমি তো মনে করি সমস্ত দল মিলে এনআরসির দাবি তোলা দরকার। আসুন না সবাই মিলে বলে… উত্তরাখণ্ড করেছে, গুজরাট করেছে, অন্য স্টেট করছে, মহারাষ্ট্র শুরু করেছে কাজ। আপনাকে আমি জিজ্ঞাসা করছি, শাদ রাদি ভোট দিল কীভাবে! হরিহরপাড়া থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ অসম, বাংলার পুলিশ নয়, সে দুবার ভোট দিল। বাংলাদেশের জঙ্গি সে দুবার ভোট দিল কীভাবে? স্বাভাবিকভাবে এই রাজ্যে অবৈধ ভোটার আছে। এখানে নির্বাচন কমিশনের কোনও ভূমিকা নেই।’’

    গতকাল রবিবার ভবানীপুরে হাজির ছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    গতকাল রবিবার অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সম্মেলন করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। সেখানেই হাজির ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এখানেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘সমস্ত দল মিলে এনআরসি-র (NRC) দাবি করা উচিত। ভারতীয় নাগরিক হলেই ভোটার লিস্টে নাম উঠবে। আধার কার্ড থাকবে। এটাই করুন না। উত্তরাখণ্ড করেছে, গুজরাট করেছে, মহারাষ্ট্র শুরু করেছে। অন্য রাজ্যও করছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি এই কাজ শুরু করেছে। আমাদের বাংলা বর্ডারিং স্টেট। আমাদের পাশেই বাংলাদেশ-নেপাল-ভূটান। আমরা এনআরসি করে কে ভারতীয় নাগরিক আর কে নয় তা চিহ্নিত করে দিই।’’ প্রসঙ্গত, বিজেপি অনেক দিন ধরেই দাবি করছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের এখানে ভোটার লিস্টে নাম তুলে দিচ্ছে তৃণমূল। এবার সেই ইস্যুতে ফের একবার সরব হলেন শুভেন্দু।

  • Daily Horoscope 24 February 2025: ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তা দূর হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 24 February 2025: ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তা দূর হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) তবে আজকের দিনটি ব্যয় বেশি হবে।

    ৩) জীবন সঙ্গীর সঙ্গে বেশি করে সময় কাটান।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) ভাগ্যের সঙ্গ পাওয়ায় নিজের কাজ সহজে পূর্ণ করতে পারবেন।

    ৩) আবহাওয়াজনিত অসুস্থতার কারণে মন ব্যাকুল হবে।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি আয় বৃদ্ধি করবে।

    ২) সামাজিক কাজকর্মে আপনাদের রুচি থাকবে।

    ৩) মান-সম্মান বাড়বে।

    কর্কট

    ১) আশপাশের পরিবেশ আনন্দে ভরপুর থাকবে।

    ২) একের পর এক সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) নতুন গাড়ি কেনার ইচ্ছাপূরণ হতে পারে।

    সিংহ

    ১) কাজ করলে সুফল পাবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

    ৩) ব্যবসায় আপনার লাভ হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ ফলদায়ী।

    ২)  অনলাইন কাজ করেন যাঁরা, তাঁরা কোনও বড়সড় অর্ডার পেতে পারেন।

    ৩) আমদানি ভালো হবে।

    তুলা

    ১) আজ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবেন।

    ২)  ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তা দূর হবে।

    ৩) রাজনীতিতে কর্মরত জাতকরা আজ কোনও বড়সড় পদ লাভ করতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি ঠিকঠাক থাকবে।

    ২) চাকরিজীবী জাতকরা অধিক চাপের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) কাজে মনোনিবেশ করুন।

    ধনু

    ১) প্রেমীর সঙ্গে রোম্যান্টির মুহূর্ত কাটাবেন।

    ২) ভুল বোঝাবুঝির কারণে ভাইদের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে পারে, তা দূর করার চেষ্টা করতে হবে।

    ৩) চতুর বুদ্ধির প্রয়োগ করে কর্মক্ষেত্রে শত্রুদের সহজে পরাজিত করতে পারবেন।

    মকর

    ১) সামাজিক ক্ষেত্রে কর্মরত তাঁদের আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) পরিবারে সম্মান বাড়বে।

    ৩) কোনও নতুন পদ পেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১)  আজকে আনন্দে ভরপুর থাকবে।

    ২) জীবনসঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি সমস্ত দুশ্চিন্তা দূর হবে।

    ২) কোনও কাজ সম্পন্ন হওয়ায় আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

    ৩) নতুন কিছু করার চিন্তাভাবনা করে থাকলে তা এবার সম্পন্ন হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 278: “যৌবনকাল হইতে তাঁহার বৈরাগ্যের ভাব—কোথায় সাধু, কোথায় ভক্ত, খুঁজিয়া বেড়ান”

    Ramakrishna 278: “যৌবনকাল হইতে তাঁহার বৈরাগ্যের ভাব—কোথায় সাধু, কোথায় ভক্ত, খুঁজিয়া বেড়ান”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ১৯শে সেপ্টেম্বর

    হাজরা মহাশয়

    হাজরা মহাশয় এখানে দুই বৎসর আছেন (Kathamrita)। তিনি ঠাকুরের জন্মভূমি কামারপুকুরের নিকটবর্তী সিওড় গ্রামে প্রথম তাঁহাকে দর্শন করেন, ১৮৮০ খ্রী:। এই গ্রামে ঠাকুরের (Ramakrishna) ভাগিনেয়, পিসতুতো ভগিনী হেমাঙ্গিনী দেবীর পুত্র, শ্রীযুক্ত হৃদয় মুখোপাধ্যায়ের বাস। ঠাকুর তখন হৃদয়ের বাটীতে অবস্থিতি করিতেছিলেন।

    সিওড়ের নিকটবর্তী মরাগোড় গ্রামে হাজরা মহাশয়ের নিবাস। তাঁহার বিষয়-সম্পত্তি, জমি প্রভৃতি একরকম আছে। পরিবার, সন্তান-সন্ততি আছে। একরকম চলিয়া যায়। কিছু দেনাও আছে, আন্দাজ হাজার টাকা।

    যৌবনকাল হইতে তাঁহার বৈরাগ্যের ভাব—কোথায় সাধু, কোথায় ভক্ত, খুঁজিয়া বেড়ান। যখন দক্ষিণেশ্বর-কালীবাড়িতে প্রথম আসেন ও সেখানে থাকিতে চান ঠাকুর (Kathamrita) তাঁহার ভক্তিভাব দেখিয়া ও দেশের পরিচিত বলিয়া, ওখানে যত্ন করিয়া নিজের কাছে রাখেন।

    হাজরার জ্ঞানীর ভাব। ঠাকুরের ভক্তিভাব ও ছোকরাদের জন্য ব্যাকুলতা পছন্দ করেন না। মাঝে মাঝে তাঁহাকে মহাপুরুষ বলিয়া মনে করেন। আবার কখনও সামান্য বলিয়া জ্ঞান করেন।

    তিনি ঠাকুরের (Ramakrishna) ঘরের দক্ষিণ-পূর্বের বারান্দায় আসন করিয়াছেন। সেইখানেই মালা লইয়া অনেক জপ করেন। রাখাল প্রভৃতি ভক্তেরা বেশি জপ করেন না বলিয়া লোকের কাছে নিন্দা করেন।

    তিনি আচারের বড় পক্ষপাতী। আচার আচার করিয়া তাঁহার একপ্রকার শুচিবাই হইয়াছে। তাঁহার বয়স প্রায় ৩৮ হইবে।

    হাজরা মহাশয় ঘরে প্রবেশ করিলেন। ঠাকুর (Kathamrita) আবার ঈষৎ ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন ও কথা কহিতেছেন।

    ঈশ্বর প্রার্থনা কি শুনেন? ঈশ্বরের জন্য ক্রন্দন কর, শুনবেন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাজরার প্রতি)—তুমি যা করছ তা ঠিক,—কিন্তু ঠিক ঠিক বসছে না।

    “কারু নিন্দা করো না—পোকাটিরও না। তুমি নিজেই তো বল, লোমস মুনির কথা। যেমন ভক্তি প্রার্থনা করবে তেমনি ওটাও বলবে—‘যেন কারু নিন্দা না করি’।”

    হাজরা—(ভক্তি) প্রার্থনা করলে তিনি শুনবেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—এক—শো—বার! যদি ঠিক হয়—যদি আন্তরিক হয়। বিষয়ী লোক যেমন ছেলে কি স্ত্রীর জন্য কাঁদে সেরূপ ঈশ্বরের জন্য কই কাঁদে?

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • Jharkhand: ভালোবাসা মানে না সীমা! ফিলিপাইনের কনে, ভারতের বর, বিবাহ হল রাঁচিতে

    Jharkhand: ভালোবাসা মানে না সীমা! ফিলিপাইনের কনে, ভারতের বর, বিবাহ হল রাঁচিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায়ই শোনা যায় যে ভালোবাসার কোনও সীমানা থাকে না। ভালোবাসা মুক্ত। সত্যিকারের ভালোবাসার সামনে বাধা হয়না জাত-পাত সংস্কৃতি ও ভাষা। সম্প্রতি এমনই একটি গল্প সামনে এসেছে। যেখানে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে দুটি মন। ফিলিপাইনের ইরা ফ্রান্সিসকা বার্নাসোল এবং ঝাড়খণ্ডের পীতাম্বর কুমার সিং প্রেমে পড়েন। এরপরেই তাঁরা নিজেদের বাড়িতে জানান বিষয়টি। বাড়ির লোক রাজি হওয়াতে তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। রাঁচিতেই (Jharkhand) সম্পন্ন হয় এই বিবাহ অনুষ্ঠান। জানা গিয়েছে, তাঁদের প্রথমে কোর্ট ম্যারেজ সম্পন্ন হয়। ইরা (Filipino Bride) এখানে পীতাম্বর ও ইরার বন্ধুরাও হাজির ছিলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এনিয়ে খবরও প্রকাশিত হয়। এই দম্পতি রাঁচির হিনুতে রেজিস্ট্রি অফিসে নিজেদের বিবাহ নথিভুক্ত করেন। এরপর সেখানকার আধিকারিক তাঁদের ম্যারেজ সার্টিফিকেটও দেন।

    কী বললেন ম্যারেজ অফিসার (Jharkhand)?

    ম্যারেজ রেজিস্ট্রার বাল্মীকি সাহু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘ফিলিপাইনের বাসিন্দা ইরা এবং রাঁচির (Jharkhand) ধুরভার বাসিন্দা পীতাম্বর কুমার সিং আমাদের অফিসে কোর্ট ম্যারেজের জন্য আবেদন করেছিলেন। আমরা আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। এরপর তাঁদের একটি ম্যারেজ সার্টিফিকেটও দিয়েছি।’’

    দুবাইয়ে কাজ করতেন পীতাম্বর

    জানা যায়, পীতাম্বর দুবাইয়ের একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। সেখানেই তাঁর পরিচয় হয় ইরার সঙ্গে। এরপরেই দুজনে প্রেমে পড়েন। তারপরেই বিবাহের সিদ্ধান্ত নেন (Jharkhand)। পীতাম্বর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার পরিবার প্রথমে বিয়ে নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল কিন্তু আমি পরিবারকে রাজি করাতে পেরেছিলাম। এরপর আমি একদিন ইরাকে রাঁচিতে নিয়ে এসেছিলাম। পরে ইরার পরিবারও এসেছিল। আমাদের পরিবার ও ইরার পরিবার মিলে বিয়ের দিন ঠিক করে।’’

    আনন্দের সঙ্গে পালন বিবাহ অনুষ্ঠান

    নিজেদের বিবাহ অনুষ্ঠান (Jharkhand) খুবই আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করেন ইরা ও পীতাম্বর। হিন্দু রীতিতে তাঁদের বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ভারতীয় পোশাকে সেজেছিলেন ইরা। একেবারে নিঁখুত ভারতীয় কনের পোশাক পরেছিলেন। এনিয়ে পীতাম্বর বলেন, ‘‘আমরা আনন্দিত। আমাদের ভালোবাসা পরিণতি পেয়েছে। এজন্য আমরা সত্যিই আনন্দিত। আমার ও ইরার পরিবারকে ধন্যবাদ আমাদের সম্পর্ককে মেনে নেওয়ার জন্য।’’

  • Pakistan Airport: চিনা সহায়তায় নির্মিত পাক বিমানবন্দর, ওঠানামা করছে না বিমান, নেই যাত্রী, বাড়ছে রহস্য

    Pakistan Airport: চিনা সহায়তায় নির্মিত পাক বিমানবন্দর, ওঠানামা করছে না বিমান, নেই যাত্রী, বাড়ছে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় পাকিস্তানের (Pakistan Airport) বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিমানবন্দরটি নির্মিত হয়েছে পাকিস্তানের কাছের বন্ধু চিনের সহায়তায়। বিমানবন্দরটি বেলুচিস্তান প্রদেশের গদরে অবস্থিত। প্রায় ২৪০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত বিমানবন্দরে এখনও পর্যন্ত তবে বাণিজ্যিকভাবে বিমান চলাচল শুরু হয়নি। এতেই দানা বেঁধেছে রহস্য। কেন নির্মাণ করা হল চিনের সহায়তায় এত বড় বিমান বন্দর? কী উদ্দেশ্য রয়েছে এর পিছনে? কূটনৈতিকভাবে ভারতের উদ্বেগ বাড়াতেই কি এমন সিদ্ধান্ত নিল চিন-পাকিস্তান? এমন প্রশ্নও তুলছেন কেউ কেউ। প্রকল্পটি চিন-পাকিস্তান সিপিইসি (চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর প্রকল্প)-র অধীনে নির্মিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    উদ্বোধনের দিনে করাচি থেকে উড়ে যায় প্রথম বিমান

    এদিকে, এই নতুন গদর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (Pakistan Airport) মাধ্যমেই পাকিস্তান ও চিনের সংযোগ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গদর পাকিস্তানের একটি বন্দর শহর। যার মাধ্যমে চিন ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরে যাতায়াত আরও ভালোভাবে বাড়াতে পারবে। চিনা মিডিয়া গ্রুপ এবিষয়ে জানিয়েছে, গতমাসে উদ্বোধনের দিন পাকিস্তান আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইট PIA503 করাচি থেকে ১১ টা ১৪ মিনিটে গদর বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল। যেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি আধিকারিক যাত্রীদের স্বাগত জানান এবং অবতরণের সময় প্রথম ফ্লাইটটিকে ওয়াটার স্যালুটও দেওয়া হয়।

    অত্যাধুনিক বিমানবন্দর (Pakistan Airport)

    চিনা (China) সংবাদমাধ্যম আরও জানিয়েছে, এই বিমানবন্দরটিতে 4F গ্রেডের অত্যাধুনিক সুবিধা রয়েছে। একইসঙ্গে ওই বিমানবন্দরটিতে বড় যাত্রীবাহী বিমান পরিচালনা করার জন্য ডিজাইনও করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ইরানের চাবাহার বন্দর থেকে কয়েক ঘণ্টার দূরত্বেই অবস্থান কছ রয়েছে গদর বন্দর। ইরানের এই চাবাহার বন্দর পরিচালনা করে ভারত। এই বন্দরে অনেককিছু বিনিয়োগও করা হয়েছে। এই আবহে পাকিস্তানের এই নয়া বিমানবন্দর নির্মাণের ফলে, ওই অঞ্চলে ভারতীয় কোম্পানিগুলির জন্য কড়া প্রতিযোগিতা এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে এখনও বাণিজ্যিকভাবে বিমান (Pakistan Airport) চলাচল শুরু না হওয়ায় সন্দেহ দানা বাঁধছে এই বিমান বন্দর তৈরির আসল কারণ নিয়ে।

  • PM Modi: ‘‘এত কাদা ছোড়া হয়, তবু মানুষ আমাদের ভোট দেন’’, মোদি-ট্রাম্পের প্রশংসায় মেলোনি

    PM Modi: ‘‘এত কাদা ছোড়া হয়, তবু মানুষ আমাদের ভোট দেন’’, মোদি-ট্রাম্পের প্রশংসায় মেলোনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যতই কাদা ছোড়া হোক, শেষ পর্যন্ত ভোটে জেতেন তাঁদের মতো নেতারাই। উদারপন্থীদের আক্রমণ শানিয়ে এমনই দাবি করলেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের কথা। মেলোনির দাবি, দক্ষিণপন্থী নেতাদের উত্থানে হতাশ হয়ে পড়ছেন উদারপন্থীরা। বিশেষত, দ্বিতীয়বার ট্রাম্প মসনদে বসতেই। তবে এখানেই রক্ষণশীলদের জয়রথ থামবে না বলেও জানিয়েছেন মেলোনি। প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবারই মেলোনি ভার্চুয়ালভাবে হাজির ছিলেন ওয়াশিংটনে ‘কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্স’ (সিপিএসি)-এ। সেখানেই এই কথাগুলি বলতে শোনা যায় তাঁকে। ইতালিতে তাঁর বিরোধীরাই অবশ্য মেলোনির এই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন।

    কী বললেন মেলোনি

    মেলোনির কথায়, ‘‘নয়ের দশকে বিল ক্লিন্টন, টোনি ব্লেয়ার যখন বামপন্থী, উদারনীতির নেটওয়ার্ক তৈরি করেন, রাষ্ট্রনেতার খেতাব পান তাঁরা। কিন্তু আজকের দিনে ট্রাম্প, মেলোনি, হাভিয়ের অথবা মোদি (PM Modi) ভাষণ দিতে গেলে, গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করা হয়। এই হল বামপন্থীদের দ্বিচারিতা। এসব এখন আর গায়ে লাগে না। আশার কথা হল, মানুষও আর ওদের মিথ্যাচারে কান পাতেন না। এত কাদা ছোড়া হয় আমাদের দিকে, তার পরও মানুষ আমাদেরই ভোট দেন।’’

    ট্রাম্পের জয়ে বামপন্থীরা ঘাবড়ে গিয়েছে

    তাঁর (Giorgia Meloni) কথায়, ‘‘ট্রাম্পের জয়ে বামপন্থীরা ঘাবড়ে গিয়েছে। ওদের বিরক্তি হিস্টিরিয়ায় পরিণত হয়েছে। রক্ষণশীলেরা জিতছেন বলে নয়, বিশ্বজুড়ে তাঁরা হাত মেলাচ্ছেন বলেই বামপন্থীদের সমস্যা।’’ যদিও মেলোনি এদিন আশা প্রকাশ করেছেন যে, ট্রাম্পের আমলে আমেরিকা এবং ইউরোপ পরস্পরের আরও কাছাকাছি আসবে। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসে ট্রাম্প যখন শপথ নিয়েছিলেন, তখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত দেশগুলির মধ্যে একমাত্র ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনিই তাতে যোগ দিয়েছিলেন। এ বার সিপিএসি-তে মেলোনি বক্তব্য রাখলেন। এই আবহে তাঁকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি উদারপন্থীরা। এই সম্মেলনে যোগদান থেকে নিজেকে বিরত রেখেছেন ফ্রান্সের ন্যাশনাল র‌্যালি (আরএন) পার্টির নেতা জর্ডন বারডেল্লা। সিপিএসি-র এই সম্মেলনকে ‘নব্য নাৎসি জমায়েত’ বলেও কটাক্ষ করছেন উদারনৈতিকরা।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নয়া দল গঠনের উদ্যোগ, শীর্ষ পদে কারা, মতান্তর নেতাদের মধ্যেই

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নয়া দল গঠনের উদ্যোগ, শীর্ষ পদে কারা, মতান্তর নেতাদের মধ্যেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে নয়া দল (New Party) গঠিত হতে চলেছে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। নতুন দলের নাম ঘোষণা হওয়ার কথা ২৬ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে গঠিত হবে দল। দলের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হওয়ার আগেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। কে কোন পদে বসবেন, কার পদের গুরুত্ব কতটা, তা নিয়ে এখনও ঐক্যমত্যে পৌঁছতে পারেননি নেতারা। সূত্রের খবর, সমঝোতাসূত্র বের করতেই বাড়ানো হচ্ছে শীর্ষ পদের সংখ্যা। প্রথমে ঠিক ছিল শীর্ষ পদে থাকবেন চারজন। পরে সেটাই বাড়িয়ে করা হয় ছয়। সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে বলেই সূত্রের খবর।

    ক্রমেই বাড়ছে শীর্ষ পদের সংখ্যা (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নয়া দলে শীর্ষপদ থাকতে পারে ১০ থেকে ১২টি। তবে তা নিয়েও একমত হতে পারেননি যাঁরা দল গঠন করছেন, তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, শীর্ষ পদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নয়া দলে আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, মুখপাত্র এবং মুখ্য সংগঠক এই চারটি শীর্ষপদ থাকবে বলে প্রথমে ঠিক ছিল। পরে বাড়ানো হয় আরও দুটি পদ – জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব। আরও দুটি মুখপাত্রের পদ সৃষ্টি করা হতে পারে বলে খবর। জানা গিয়েছে, হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, নতুন দলে তাঁরা যাতে কম গুরুত্ব না পান, তা নিশ্চিত করতেই বাড়ানো হচ্ছে দলের শীর্ষপদের সংখ্যা। বুধবার দলের সদস্যদের যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানেই প্রস্তাব পাশ হয় শীর্ষ পদ বৃদ্ধির সংখ্যা (Bangladesh Crisis)।

    কে কোন পদে

    প্রথমে যে চারটি শীর্ষ পদ ঠিক করা হয়েছিল, তাতে আহ্বায়ক পদে বসানো হয়েছে ইউনূস প্রশাসনের অন্যতম উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, সাধারণ সচিব পদে থাকবেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র পদে বসানো হয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক সারসিজ আলম ও হাসনাত আবদুল্লা। বাকি পদে কারা থাকবেন, পদের সংখ্যাই বা বাড়ানো হবে কিনা, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, নয়া দল গঠনের নেপথ্যে রয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। তবে তিনি কোন পদে (New Party) বসবেন, আদৌ তিনি কোনও পদে থাকবেন কিনা, তা এখনও জানা যায়নি (Bangladesh Crisis)।

  • BJP: ‘এক দেশ, এক ভোট’ নিয়ে প্রচারে বঙ্গ বিজেপি, রবিতে সভা কলকাতায়, সোমে শিলিগুড়ি

    BJP: ‘এক দেশ, এক ভোট’ নিয়ে প্রচারে বঙ্গ বিজেপি, রবিতে সভা কলকাতায়, সোমে শিলিগুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এক দেশ, এক ভোট’ (One Nation One Vote) নিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হল জনমত তৈরির কাজ। বিজেপি (BJP) সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসলের বৈঠকেই স্থির হয়েছে, যে সমস্ত পঞ্চায়েতে এবং পুরসভার ওয়ার্ডে বিজেপির নিজস্ব জনপ্রতিনিধি রয়েছে, সেগুলিতে টিম তৈরি করে এক দেশ এক ভোটের প্রচার করা হবে। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই যা শুরু হয়েছে। দিন কয়েক আগে এই রাজ্যে পা রেখে হাওড়ায় প্রথম সম্মেলন করে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন প্রসাদ।

    আজ সম্মেলন ভবানীপুরে (BJP)

    এরপরে আজ অর্থাৎ রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সম্মেলন করছেন বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। তবে এই সম্মেলন সরাসরি বিজেপির ব্যানারে হচ্ছে না। এর পরিবর্তে বিজেপি প্রভাবিত নানা সংগঠনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আসলে এই সম্মেলনগুলির মাধ্যমে এক দেশ এক ভোটের গুরুত্ব মানুষকে বোঝাতে চাইছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এক দেশ এক ভোট খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত নির্বাচনী খরচ কমানোর ক্ষেত্রে তো বটেই। এবার এই কথাগুলিই পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বোঝাতে চায় বিজেপি। তার জন্যই এধরনের জন আন্দোলনের প্রয়োজনীতা রয়েছে বলে বোঝানো হচ্ছে।

    এই ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে জন আন্দোলন করতে চায় বিজেপি

    এবার এই ইস্যুতে জন আন্দোলন করতে চায় বিজেপি (BJP)। সেভাবেই জনমত গঠন করতে চাইছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। সেই লক্ষ্যে পরিকল্পনা শুরু করেছে বিজেপি। গোটা দেশের বাছাই করা কয়েকজন নেতৃত্বকে নিয়ে গত সোমবার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসলরা। সোমবার দলের কেন্দ্রীয় দফতর ৬ দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে এই পরিকল্পনা বৈঠক করেন বিজেপি নেতৃত্ব। তারপরেই একেবারে মাঠে নেমে শুরু কাজ। জানা গিয়েছে, আগামীকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি সোমবারই শিলিগুড়িতে দলের বৈঠকে যোগ দিতে চলেছেন সুনীল বনসল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছাব্বিশের প্রস্তুতিতে কোনও খামতিই রাখতে ছাইছে না গেরুয়া ব্রিগেড। সূত্রের খবর, ‘বাজেট টক’ শীর্ষক এক সভাতেই যোগ দিতে শিলিগুড়ি আসছেন সুনীল বনসল। দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হবে ওই বৈঠকে। সেখানে উঠে আসবে এই ইস্যু। সুনীল বনসলের সভা নিয়ে বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের দাবি, “ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় সরকার বদল হবে। আমরা তাঁর প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

LinkedIn
Share