Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 274: “তুমি সাকারবাদীদের সঙ্গে মেশো!—তুমি পৌত্তলিক, সরল না কলে ঈশ্বরের কৃপা হয় না”

    Ramakrishna 274: “তুমি সাকারবাদীদের সঙ্গে মেশো!—তুমি পৌত্তলিক, সরল না কলে ঈশ্বরের কৃপা হয় না”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ১৯শে সেপ্টেম্বর

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও শ্রীযুক্ত রাধিকা গোস্বামী

    পূর্বকথা—কেশব সেনের বাটীতে নিরাকারের ভাব—বিজয় গোস্বামীর সঙ্গে এঁড়েদর গদাধরের
    পাঠবাড়িদর্শন—বিজয়ের চরিত্র

    “আবার কেশব সেনের বাড়ি গিয়ে আর এক ভাব হল। ওরা নিরাকার নিরাকার করে;—তাই ভাবে বললুম, ‘মা এখানে আনিসনি, এরা তোর রূপ-টুপ মানে না’।”

    সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে এই সকল কথা শুনিয়া গোস্বামী (Ramakrishna) চুপ করিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—বিজয় এখন বেশ হয়েছে।

    “হরি হরি বলতে বলতে মাটিতে পড়ে যায়!

    “চারটে রাত পর্যন্ত কীর্তন, ধ্যান এই সব নিয়ে থাকে। এখন গেরুয়া পরে আছে। ঠাকুর-বিগ্রহ দেখলে একেবারে সাষ্টাঙ্গ!

    “চৈতন্যদেবের পটের সম্মুখে আবার সাষ্টাঙ্গ!”

    গোস্বামী (Kathamrita)—রাধাকৃষ্ণ মূর্তির সম্মুখে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—সাষ্টাঙ্গ! আর আচারী খুব।

    গোস্বামী—এখন সমাজে নিতে পারা যায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সে লোকে কি বলবে, তা অত চায় না।

    গোস্বামী—না, সমাজ তাহলে কৃতার্থ হয়—অমন লোককে পেলে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আমায় খুব মানে।

    “তাকে পাওয়াই ভার। আজ ঢাকায় ডাক, কাল আর এক জায়গায় ডাক। সর্বদাই ব্যস্ত।

    “তাদের সমাজে (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজে) বড় গোল উঠেছে।”

    গোস্বামী—আজ্ঞা, কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তাকে বলছে, ‘তুমি সাকারবাদীদের সঙ্গে মেশো!—তুমি পৌত্তলিক।’

    “আর অতি উদার সরল। সরল না কলে ঈশ্বরের কৃপা হয় না।”

    মুখুজ্জেদিগকে শিক্ষা—গৃহস্থ, “এগিয়ে পড়”—অভ্যাসযোগ 

    এইবার ঠাকুর (Kathamrita) মুখুজ্জেদের সঙ্গে কথা কহিতেছেন। জ্যেষ্ঠ মহেন্দ্র ব্যবসা করেন কাহারও চাকরি করেন না। কনিষ্ঠ প্রিয়নাথ ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। এখন কিছু সংস্থান করিয়াছেন। আর চাকরি করেন না। জ্যেষ্ঠের বয়স ৩৫/৩৬ হইবে। তাঁহাদের বাড়ি কেদেটি গ্রামে। কলিকাতা বাগবাজারের তাঁহাদের বসতবাটী আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—একটু উদ্দীপন হচ্চে বলে চুপ করে থেকো না। এগিয়ে পড়। চন্দন কাঠের পর আরও আছে—রূপার খনি, সোনার খনি!

    প্রিয় (সহাস্যে)—আজ্ঞা, পায়ে বন্ধন—এগুতে দেয় না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—পায়ে বন্ধন থাকলে কি হবে?—মন নিয়ে কথা।

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • PM Modi: কাতারের আমিরের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর, কী বিষয়ে হল আলোচনা?

    PM Modi: কাতারের আমিরের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর, কী বিষয়ে হল আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাতারের (India Qatar Ties) আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবারের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই নেতা ভারত ও কাতারের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মূল লক্ষ্য হল বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শক্তি এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক, যা দুই দেশের মধ্যে গভীর ও ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে। জানা গিয়েছে, তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়সমূহ নিয়ে মতামত বিনিময় করেছেন।

    ভারত সফরে কাতারের আমির (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, দুদিনের ভারত সফরে এসেছেন কাতারের আমির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণেই তিনি ভারতে এসেছেন। এনিয়ে তিনি দুবার এলেন ভারতে। এর আগে কাতারের আমির ভারত সফরে এসেছিলেন ২০১৫ সালের মার্চ মাসে। কাতার ও ভারতের বন্ধুত্ব খুবই নিবিড়। মোদি জমানায় সেই সম্পর্কের আরও উন্নতি হয়েছে। ভারত চায় পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে। উদ্দেশ্য, জ্বালানির চাহিদা পূরণ করা। সেক্ষেত্রে কাতারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাতার থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পায় নয়াদিল্লি। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ১৪.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    কাতারের আমিরকে এদিন ভাই বলে সম্বোধন করে এক্স হ্যান্ডেলে সেই ছবি পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে কাতারের আমিরকে স্বাগত জানানোর ছবি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আমার ভাই কাতারের আমির এইচএইচ শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলাম (PM Modi)।”

    এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল লিখেছেন, “ভারত-কাতার, যা আরও শক্তিশালী করছে গভীর ও ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি আজ হায়দ্রাবাদ হাউসে বিস্তৃত আলোচনা করেছেন। উভয় নেতা ভারত-কাতার সম্পর্ককে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যার মধ্যে বাণিজ্য, শক্তি, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে (India Qatar Ties) সম্পর্কের ওপর ফোকাস থাকবে। তারা পারস্পরিক আগ্রহের আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে মত বিনিময়ও করেছেন (PM Modi)।”

  • Mahakumbh: ৫৩ কোটি মানুষ স্নান সেরেছেন মহাকুম্ভে, জানালেন যোগী আদিত্যনাথ

    Mahakumbh: ৫৩ কোটি মানুষ স্নান সেরেছেন মহাকুম্ভে, জানালেন যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মহাকুম্ভে (Mahakumbh) ভক্ত সংখ্যা ৫৩ কোটি ছাড়িয়েছে, সোমবারই একথা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। প্রসঙ্গত ১৩ জানুয়ারি যে মহাকুম্ভ শুরু হয়েছে তা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য প্রতিদিনই কোটি কোটি মানুষ পবিত্র স্নান সারছেন গঙ্গা-যমুনা এবং অন্তঃসলিলা সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে। পরিসংখ্যান বলছে, গত রবিবারই মহাকুম্ভে পবিত্র স্নান সেরেছেন ১.৩৬ কোটি ভক্ত। শুধুমাত্র ভারত নয়, বিদেশ থেকেও বিপুলসংখ্যক ভক্তরা (Mahakumbh) আসছেন।

    কী বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী?

    এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়ার সাক্ষাৎকারে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ (Mahakumbh) আমাদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। এখনও পর্যন্ত এটি পৃথিবীর বৃহত্তম আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে (Mahakumbh) পরিণত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৫৩ কোটি ভক্ত ত্রিবেণীর পবিত্র সঙ্গমে পবিত্র স্নান করেছেন এবং এই প্রক্রিয়া আগামী নয় দিন ধরে চলবে।’’ যোগী আদিত্যনাথ আরও বলেন, ‘‘প্রথমবারের জন্য শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এদেশে ধর্ম সম্মান পেয়েছে। ৫০০ বছরের অপেক্ষার অবসান হয়েছে। ভগবান রামচন্দ্র অযোধ্যায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।’’

    মহাকুম্ভে স্নান সারছেন শিখরাও

    ১৪৪ বছর পরে মহাকুম্ভ (Mahakumbh) অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রয়াগরাজে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ। সেখানে জাতি বর্ণ নির্বিশেষে সব মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। ধনী, দরিদ্র, রাজনৈতিক নেতা থেকে বিদেশি কূটনীতিক সবার মেলবন্ধন দেখা যাচ্ছে প্রয়াগরাজে। সম্প্রতি, দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি থেকে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান থেকে বড় ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানি সেরেছেন পবিত্র স্নান। মহাকুম্ভে শিখ সম্প্রদায় মানুষদেরও ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং তাঁরাও সেখানে হাজির হয়েছেন পুণ্য অর্জনের আশায়। প্রচুর শিখ ধর্মাবলম্বী মানুষ তাঁরা পবিত্র স্নান সারছেন। গত ২৯ জানুয়ারি সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়েছিল মহাকুম্ভে। সেই সময় মৌনী অমাবস্যায় কোটি কোটি ভক্ত জড়ো হয়েছিলেন প্রয়াগ্ররাজে। সেদিনই পবিত্র স্নান সারে দমদামি তাকশাল নামের একটি শিখ সংগঠনের প্রধান হরনাম সিং ধুমমা। এরপরেই তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, শিখ সম্প্রদায়ের রীতি হল মহাকুম্ভে অংশগ্রহণ করা এবং উদাসীন ও নির্মল আখড়া কুম্ভে অংশগ্রহণ করেছে।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘বিধানসভাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবেন মুখ্যমন্ত্রী’’, মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘বিধানসভাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবেন মুখ্যমন্ত্রী’’, মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বিধায়করা নাকি সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেছেন। এই অভিযোগে গত সোমবারই বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ ৪ জন বিধায়ককে। তখনই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার অধিবেশন বয়কট করে বিধানসভার বাইরে ধর্না করবেন তাঁরা। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) অতীত মনে করালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন ২০০৬ সালে মমতার নেতৃত্বে বিধানসভা ভাঙচুরের ঘটনাও মনে করান শুভেন্দু।

    বিধানসভাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবেন মুখ্যমন্ত্রী

    শুভেন্দু বলেন, ‘‘এই বিধানসভাকে একসময়ে কলুষিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইনিই ২০০৬ সালের নভেম্বর মাসে বিধানসভার সদস্য না হয়েও এখানে ঢুকে সব আসবাব ভেঙেছিলেন। এই মুখ্যমন্ত্রী ২০০৫ সালের অগাস্ট মাসে লোকসভায় ডেপুটি স্পিকারকে কাগজ আর চাদর ছুড়ে মেরেছিলেন। আর আজ এই মুখ্যমন্ত্রীই বিধানসভা থেকে লাইভ করছেন। এদিকে বিধানসভায় বিরোধী দলের নেতাই নেই।’’ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) খোঁচা, ‘‘সরকার যেমন চালান, দল যেমন চালান, পরিবারের সম্পত্তি হিসেবে এই বিধানসভাকেও নিজের সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করেন।’’ সাসপেনশন নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘এটা হচ্ছে তৃণমূলের এক ধরনের নিত্যকর্ম। আসলে ওরা ভয় পেয়েছে এবং ইচ্ছে করে তাঁকে বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড করেছে।’’

    গোটা রাজ্যে একনায়কতন্ত্র চালাতে চান মমতা

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, গোটা রাজ্যে একনায়কতন্ত্র চালাতে চান মমতা। তাঁর কটাক্ষ, ‘‘পাঠাগার কমিটি থেকে শুরু করে পুজো কমিটি, শ্মশান কমিটি সব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাই।’’ বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘‘২০১১ সালের পর থেকে রাজ্যকে এমনিতেই শেষ করে দিয়েছেন মমতা। এখন শুধু নিজের রাজত্ব কায়েম করার ইচ্ছে রয়েছে মমতার।’’ শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের মদতেই বাংলায় জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত।

    স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ নিয়ে কী বললেন?

    স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘এই নিয়ে পাঁচবার আমাকে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস পাঠানো হলো। ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা। ওরা হিন্দু দেবদেবীর সম্মান, হিন্দুদের আওয়াজে ভয় পেয়েছে। তৃণমূল রাজনৈতিক দল নয়, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। আতঙ্ক থেকে সম্প্রীতির কথা বলেছে। সরস্বতী পুজোর জন্য কেন হাইকোর্টে যেতে হবে? কেন মূর্তি ভাঙা হবে?’’

  • Rahul Gandhi: নিষিদ্ধ চিনা ড্রোন নিয়ে রাহুল গান্ধীর কেরামতি! শিল্পমহলে ছিছিক্কার

    Rahul Gandhi: নিষিদ্ধ চিনা ড্রোন নিয়ে রাহুল গান্ধীর কেরামতি! শিল্পমহলে ছিছিক্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দলকে ফাঁসালেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)! ভারতের ড্রোন শিল্পের সমালোচনা করতে গিয়ে একটি পোস্টে তিনি ব্যবহার করলেন নিষিদ্ধ চিনা ড্রোন (Banned Chinese Drone)। তার পর আর যায় কোথায়! দেশজুড়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন গান্ধী পরিবারের এই উত্তরসূরি।

    রাহুলের সমালোচনা (Rahul Gandhi)

    রাহুলের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ড্রোন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার (DFI) প্রেসিডেন্ট স্মিত শাহ। তিনি বলেন, “দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন ড্রোন শিল্পকে অস্বীকার করে চিনা ডিজেআই ড্রোন প্রদর্শন করা কেবল অন্যায় নয়, বিভ্রান্তিকরও।” ডিজেআই ড্রোন তৈরি করে একটি চিনা কোম্পানি। ডিজেআই টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড নামের ওই সংস্থাটি রয়েছে শেনঝেন, গুয়াংডং-এ। এক্স হ্যান্ডেলে শাহ লেখেন, “ডিজেআই ড্রোন ২০২২ সাল থেকে ভারতে নিষিদ্ধ। তবুও রাহুল গান্ধীকে এরই একটি নিয়ে কাজ করতে দেখা গিয়েছে।” তাঁর প্রশ্ন, “এই ড্রোনটা কীভাবে এল? এটি ব্যবহারের আগে বৈধ অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা।”

    ভারতের ড্রোন

    শাহ (Rahul Gandhi) বলেন, “ভারতের ড্রোন শিল্প এখনও বিকাশমান। এখানে এখনও অনেক কাজ বাকি। তবে বাস্তব সমাধান না দিয়ে বিস্তৃত বক্তব্য দিলে আদতে কোনও কাজ হয় না। শিল্প নেতৃবৃন্দ, গবেষক এবং নীতিনির্ধারকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই বাস্তব অগ্রগতি তৈরি করছে।” তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী ড্রোন চালানোর বিষয়ে আইনগত উদ্বেগ উত্থাপন করেছেন। জানতে চেয়েছেন তার কি বৈধ রিমোট পাইলট সনদ আছে এবং ড্রোন কি ডিজিটালস্কাইতে রেজিস্টার্ড ছিল, যেমনটা ভারতের ড্রোন নিয়ম ২০২১ অনুসারে প্রয়োজন”। ড্রোন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার  প্রেসিডেন্টের আরও প্রশ্ন, “তাঁর বাসস্থান এবং অফিস সম্ভবত একটি সীমাবদ্ধ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। ড্রোন ওড়ানোর আগে তিনি কি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেয়েছিলেন? এই নিয়মগুলি কি তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, নাকি তিনি সহজেই উপেক্ষা করেছেন?”

    মোহনদাস পাই পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত। তিনি ইনফোসিসের প্রাক্তন সিএফও এবং বোর্ড সদস্য। তিনি বলেন, “ভারত আজ বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম শিল্প উৎপাদনকারী দেশ, ২য় বৃহত্তম স্টিল উৎপাদক, ২য় বৃহত্তম সিমেন্ট, ৩য় বৃহত্তম অটোমোবাইল উৎপাদক, বৃহত্তম ২ডাব্লু উৎপাদক, ২য় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদক, ৩য় বৃহত্তম শক্তি উৎপাদক (Banned Chinese Drone)। এর মধ্যে অধিকাংশই হয়েছে গত ১০ বছরে (Rahul Gandhi)।”

  • RSS: দিল্লি বিজয় সম্পন্ন, এবার বিহারে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে উদ্যোগী আরএসএস

    RSS: দিল্লি বিজয় সম্পন্ন, এবার বিহারে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে উদ্যোগী আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) নিবিড় প্রচারের সুফল কুড়িয়েছে বিজেপি। দিল্লি, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্র হয়েছে পদ্মময়। এবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের পাখির চোখ বিহার। চলতি বছর হওয়ার কথা বিহার বিধানসভার নির্বাচন (Bihar Assembly Polls)। সেখানে বিজেপিকে সাহায্য করতে তাই কোমর বেঁধে নামছেন সংঘের নেতারা।

    দিল্লি জয়ে আরএসএসের ভূমিকা (Bihar Assembly Polls)

    উল্লেখ্য যে, আরএসএসকে জেতাতে দিল্লির প্রতিটি প্রান্তে ৫০ হাজারেরও বেশি সভা করেছে আরএসএস। বিজেপিকে ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে ভোটারদের। বিহারের পাশাপাশি আরএসএসের নজর পশ্চিমবঙ্গের দিকেও। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সাফল্য নিশ্চিত করতে মিশন ত্রিশূল হাতে নিয়েছে আরএসএস। এই মিশনে একটি কৌশল গঠিত হয়েছে তিনটি মূল বিষয়কে কেন্দ্র করে।

    বিহার বিধানসভা নির্বাচন

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র আট মাস বাকি। এখন থেকেই মাঠে নেমে পড়েছে আরএসএস (RSS)। শুরু করে দিয়েছে বিজেপিকে জেতাতে যাবতীয় প্রস্তুতি। সূত্রের খবর, আরএসএস তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ দিচ্ছে। এগুলি হল, গোপান সমীক্ষার মাধ্যমে অসন্তুষ্ট ভোটার ও প্রধান সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা, নির্বাচনী প্রচারের মূল বিষয় ঠিক করতে সব চেয়ে প্রভাবশালী ইস্যুগুলি নির্ধারণ করা এবং এই ইস্যুগুলির ভিত্তিতে বিজেপির জন্য নির্বাচনী সুবিধা ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা। আরএসএসের এই সমীক্ষা কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। এজন্য আরএসএসের বিস্তৃত শাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে বিহারজুড়ে শাখার সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে, যাতে তৃণমূল পর্যায়ে সংযোগ আরও দৃঢ় করা যায়।

    বিহারে পদ্ম ফোটাতে চেষ্টার কসুর করছে না আরএসএস। ভালো ফলের জন্য বিহারকে উত্তর ও দক্ষিণ দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে। মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে আরএসএসের সভা। সেখানে দুর্বল ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলিকে শক্তিশালী করতে একটি ব্যাপক বুথ-স্তরের সমীক্ষা পর্যালোচনা করা হবে। বিহার এমন একটি রাজ্য যেখানে বিজেপি কখনও এককভাবে সরকার গঠন করেনি। সেই কারণেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে আরএসএস। আরএসএস সক্রিয়ভাবে কৌশলও তৈরি করছে। সেই কৌশল কাজে লাগিয়েই বিহারে (Bihar Assembly Polls) এবার বাজিমাত করতে চাইছে আরএসএস (RSS)।

  • Piyush Goyal: আগামী ৫ বছরে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়ে হবে দ্বিগুণ! কী বলছেন পীযূষ গোয়েল?

    Piyush Goyal: আগামী ৫ বছরে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়ে হবে দ্বিগুণ! কী বলছেন পীযূষ গোয়েল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (India US Relation) দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে ও আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে একটি শক্তিশালী বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে মোদি (Piyush Goyal)

    সম্প্রতি দু’দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সময় ভারত ও আমেরিকা ঘোষণা করেছিল, ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ পারস্পরিক সুবিধাজনক, বহু-ক্ষেত্রভিত্তিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির প্রথম পর্ব নিয়েও আলোচনা হবে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী (Piyush Goyal) বলেন, “আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে একটি শক্তিশালী বাণিজ্য চুক্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, আমরা বাণিজ্যের পরিমাণ ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    তিনি বলেন, “এই চুক্তি নিয়ে উচ্ছ্বসিত দুই দেশের ব্যবসায়ীরা।” চুক্তিতে পণ্য, পরিষেবা এবং বিনিয়োগ সম্পর্কিত অধ্যায় থাকবে কিনা তা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “ওই দেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী এখনও এ ব্যাপারে কোনও কিছু নিশ্চিত করেননি। ওঁরা নিশ্চিত করার পর আমরা আলোচনা করব এবং তারপরই আমরা পরবর্তী পন্থা নির্ধারণ করতে পারব।” তিনি জানান, একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে দুটি বাণিজ্যিক অংশীদার তাদের মধ্যে বাণিজ্য হওয়া সর্বাধিক সংখ্যক পণ্যের ওপর শুল্ক সম্পূর্ণভাবে বাতিল করে বা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে। এছাড়াও, তারা পরিষেবার বাণিজ্য প্রচার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করে।

    প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে দুই দেশ একটি ক্ষুদ্র বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছিল। তবে জো বাইডেন প্রশাসন এ ধরনের চুক্তির পক্ষে না থাকায় এটি স্থগিত করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পণ্য ও পরিষেবা বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৯০.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওই বছরে আমেরিকায় ভারতের পণ্য রফতানির পরিমাণ ছিল ৮৩.৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর আমদানি ছিল ৪০.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই সেবার ভারতের অনুকূলে ৪৩.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন (India US Relation) ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি, যার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে (Piyush Goyal)।

  • Jharkhand: রাজ্যে ঢুকছে বাংলাদেশের জঙ্গিরা, সতর্কতা জারি ঝাড়খণ্ডের এটিএসের

    Jharkhand: রাজ্যে ঢুকছে বাংলাদেশের জঙ্গিরা, সতর্কতা জারি ঝাড়খণ্ডের এটিএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বাংলাদেশের জঙ্গিরা ঢুকছে। তারা পাকুড়ে (Jharkhand) নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রশিক্ষণও দিয়েছে। পরে ফের সীমান্ত পার হয়ে ফিরে গিয়েছে (JMB)। এই মর্মে উচ্চস্তরের সতর্কতা জারি করেছে ঝাড়খণ্ড অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড বা এটিএস। হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশে বাড়বাড়ন্ত হয়েছে জঙ্গি সংগঠনগুলির। সেগুলিই ভারতে ঢুকে অশান্তি জিইয়ে রাখার চেষ্টা করছে।

    গোয়েন্দা তথ্য (Jharkhand)

    এটিএসের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর জঙ্গি আবদুল মামুন পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান হয়ে ভারতে প্রবেশ করে। চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি সে পাকুড়ে পৌঁছেছে। সেখানে থাকার সময় সে ডুবরাজপুরের ইসলামি দাওয়া সেন্টারে জেএইচএ ইন্ডিয়ার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে। ১৫ জন স্থানীয় নিয়োগপ্রাপ্তকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেয়। গোয়েন্দা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর মামুন ৭ জানুয়ারি ধুলিয়ান রুট দিয়েই আবার বাংলাদেশে ফিরে যায়।

    এটিএসের সতর্কবার্তা

    জানা গিয়েছে, এটিএস (JMB) সমস্ত জেলার পুলিশ সুপার এবং ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলদের নির্দেশ দিয়েছে, যাতে তারা কার্যকর গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে এবং সম্ভাব্য হুমকির মোকাবিলায় কঠোর প্রতিরোধমূলক ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে (Jharkhand)। এটিএসের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলি আঞ্চলিক রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে ভারতে তাদের কার্যকলাপ প্রসারিত করার চেষ্টা করছে।গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর জেএমবি সহ চরমপন্থী সংগঠনগুলি ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গের মতো ভারতীয় রাজ্যগুলিতে অনুপ্রবেশ করে ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র করছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, পাকুড়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৫ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এটিএসের নজরদারিতে পাকুড়ের নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির কিছু ব্যক্তির যোগাযোগের খবর পাওয়া গেছে। এরা জঙ্গি প্রশিক্ষণ কার্যকলাপে জড়িত রয়েছে বলে সন্দেহ পুলিশের। সাহেবগঞ্জ ও পাকুড়ে, সাঁওতাল পরগনা অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যেখানে আগে জেএমবি সক্রিয় ছিল, সেখানে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত গোপন কর্মী ও সমর্থকদের সন্ধান করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারির ব্যবস্থাও (JMB) করা হয়েছে এটিএসের তরফে (Jharkhand)।

  • Bangladesh: মৌলবাদীদের বাধায় বন্ধ হচ্ছে একের পর এক উৎসব, উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ

    Bangladesh: মৌলবাদীদের বাধায় বন্ধ হচ্ছে একের পর এক উৎসব, উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূসের বাংলাদেশে (Bangladesh) বন্ধ হচ্ছে একের পর এক উৎসব। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় একটি উৎসব বন্ধ করা হয়েছে। এরপরেই বন্ধ করা হয় ‘ঢাকা মহানগর নাট্য উৎসব’। জানা গিয়েছে, ওই অনুষ্ঠানটি ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মৌলবাদীদের বাধার মুখে শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন আয়োজকরা। প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার উত্তরায় বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সবরকম প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এক্ষেত্রে মৌলবাদীদের বাধার মুখে আয়োজকরা এই অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    মৌলবাদীদের বাধার মুখে উৎসব (Bangladesh)

    প্রসঙ্গত, ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) পহেলা ফাগুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস একসঙ্গেই পালিত হয়। তবে ইউনূস জমানায় এই দুই উৎসবকে ঘিরে সারাদেশে ওই এই ধরনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এসব অনুষ্ঠান আয়োজনে মৌলবাদীরা বাধা দিলেও মোকাবিলার ক্ষেত্রে ইউনূস সরকারের উল্লেখযোগ্য কোনও ভূমিকাই দেখা যায়নি। গত ৫ অগাস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে এরকম ঘটনা ঘটছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগ, তৌহিদী জনতা নামে একটি মৌলবাদী সংগঠন এগুলো করছে। এর পাশাপাশি, অভিযোগ উঠেছে হেফাজতে ইসলাম নামের অন্য একটি সংগঠনের বিরুদ্ধেও।

    মহিলা সমিতির নাট্য উৎসব বাতিল

    গত শনিবারই ঠিক বিকাল ৫টা নাগাদ ঢাকার (Dhaka) মহিলা সমিতির উদ্যোগে ‘ঢাকা মহানগর নাট্য উৎসব’-এর উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। জানা গিয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই নাট্য উৎসব চলার কথা ছিল। কিন্তু ঠিক এক দিন আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় মহিলা সমিতিতে কিছু মৌলবাদী লোক এসে হামলা করার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। তাই সবরকমের প্রস্তুতি থাকার পরও তা কার্যকর করা যায়নি। আন্তজার্তিক সংবাদ সংস্থাকে এমনটাই জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    কী বললেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক (Bangladesh)

    অনুষ্ঠানের অন্যতম আহ্বায়ক ঠান্ডু রায়হান জানিয়েছেন, গত দুই মাস ধরে ৮৫টি নাট্যদলের কর্মীরা এই উৎসবের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের সকল আয়োজন যখন প্রায় সম্পন্ন, তখনই ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির কর্মীদের কাছে রমনা থানা থেকে ফোন আসে এবং এই উৎসব বন্ধ করতে বলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নাট্যোৎসব আপাতত স্থগিত ঘোষণা করেন। এরপরে মহিলা সমিতির সদস্যরা থানার ওসির সঙ্গে গিয়ে দেখা করেন এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা চেয়ে থানায় একটি আবেদনপত্র জমা দেন। তবে এর কোনও সুরাহা হয়নি।

    মৌলবাদীদের নির্দেশে চলছে পুলিশ

    থানার পুলিশ কর্তার সঙ্গে দেখা করার পরে উৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব কামাল আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘ওসি সাহেব সব শুনে আশ্বস্ত করেন। বলেন, আমরা চাই উৎসবগুলো হোক। কিন্তু একটু অসুবিধা আছে, একটা নাটক বাদ দিতে হবে।’’ এরপরেই কামাল আহমেদ বলেন, ‘‘থানার ওই কর্মকর্তা ‘পায়ের আওয়াজ পায়’ নামের নাটকটি বন্ধের কথা বলেছিলেন। উনি কেন এখানে ওই নাটক বাদ দিয়ে বাকিগুলো করতে বললেন, তা আমাদের কাছে পরিষ্কার না। কিন্তু মনে হল, উনি কোথাও থেকে কোনও নির্দেশনা পেয়ে এরকম একটি মন্তব্য করছেন।’’

    নিরাপত্তার কথা ভেবে বাতিল উৎসব

    কামাল আহমেদ আরও বলেন, ‘‘সবগুলো দল মিলে প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু একটি দলকে বাদ দিয়ে বাকিরা অংশগ্রহণ করবে এটা হতে পারে না।’’ উৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব কামাল আহমেদ বলেন, ‘‘তাঁদের টিম রমনা থানা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেশ কয়েকজনের একটি ‘মব’ থানায় ঢুকে এবং ধমক-টমক দিয়ে গালাগালসহ মহিলা সমিতির কর্মকর্তাকে উৎসব বন্ধ করার জন্য চাপ দেয়। এমন পরিস্থিতিতে মহিলা সমিতি ভয় পেয়ে যায়। তাই তাঁরা তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার কথা ভেবে রাতেই অনুষ্ঠান বাতিল করেন।’’

    পুলিশের বিবৃতি

    গত শনিবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি বিবৃতি দেয়। সেখানে তারা আবার ওই নাটক বন্ধ নিয়ে পুলিশের ভূমিকার কথা অস্বীকার করে। বিবৃতিতে তারা বলে, ‘‘ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের পক্ষ থেকে উক্ত নাট্যোৎসব বন্ধ করা বা স্থগিত করা সম্পর্কে কোনও নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি। যেকোনও ধরনের সৃজনশীল ও শৈল্পিক কর্মকাণ্ডকে আমরা সবসময় উৎসাহিত করে থাকি। কী কারনে আলোচ্য নাট্যোৎসব স্থগিত হয়েছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। উক্ত নাট্যোৎসব ঘিরে যে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’’

    চট্টগ্রামের সিআরবি মাঠে বাতিল আবৃত্তি সংগঠনের অনুষ্ঠান

    অন্যদিকে, শনিবার চট্টগ্রামের সিআরবি মাঠে একটি আবৃত্তি সংগঠন প্রমার উদ্যোগে বসন্ত উৎসব হওয়ার কথা ছিল। এই মাঠের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়ার দায়িত্ব ছিল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের। প্রথমে অনুমতি দিলেও পরে তা বাতিল করে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের সভাপতি রাশেদ হাসান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘সিআরবিতে সারাদিনের অনুমতি ছিল তাদের। শনিবার সকাল দশটা থেকে সাড়ে বারোটা পর্যন্ত সকালের অধিবেশন হয়। দুপুরের বিরতির পর পরবর্তী অধিবেশন তিনটায় শুরু করার কথা ছিল। এমন সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে কল করে আয়োজকদের বলেন, আমরা এই অনুষ্ঠানের অনুমতি দিতে পারব না।’’ অনুমতি বন্ধের কোনও কারণ অবশ্য জানাতে পারেননি বাংলাদেশের রেল কর্তৃপক্ষ।

    উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ

    একের পর এক এভাবে অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ার বিষয়ে উদ্বিগ্ন সেদেশের নাগরিকরাও। সমাজ মাধ্যমে অনেকেই উৎসব বন্ধের খবরগুলি শেয়ার করে সরকারের সমালোচনাও করেছে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক (Bangladesh) জোবাইদা নাসরীন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘এগুলো কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। ধারাবাহিক ঘটনা।’’ নাগরিক সমাজের একাংশের মতে, ‘‘যা ঘটছে, তা অপরিকল্পিত বা অরাজনৈতিক না। একটি বিশেষ ধর্মান্ধ গোষ্ঠী এগুলো করছে। অথচ কারা করছে, কী প্রক্রিয়ায় করছে, সে বিষয়ে রাষ্ট্রীয় কোনও বক্তব্য এবং পদক্ষেপ নেই।’’ বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের মতে, ‘‘ইউনূস সরকারের কোনওরকম বক্তব্য যে নেই, এটিও রাজনীতির-ই অংশ। সরকার কোনও জায়গায় কথা বলছে, কোন জায়গায় কথা বলছে না। সরকার কাদের বিরুদ্ধে কথা বলছে, কাদের বিরুদ্ধে কথা বলছে না। এগুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে। মৌলবাদীদের প্রতি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও আস্কারা রয়েছে। এমন ধরনের হুমকি, অনুষ্ঠান বন্ধ, এগুলো অন্তত তিন মাস ধরে চলছে।’’ নাগিক সমাজের একাংশের মতে, এইসব অনুষ্ঠান বন্ধ করা মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ওপর আঘাত।

  • Sheikh Hasina: ‘‘ইউনূস ও তাঁর মিত্রদের ছাড়া হবে না’’, দেশে ফিরে বিচার করার হুঁশিয়ারি হাসিনার

    Sheikh Hasina: ‘‘ইউনূস ও তাঁর মিত্রদের ছাড়া হবে না’’, দেশে ফিরে বিচার করার হুঁশিয়ারি হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) সোমবার দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘‘অপেক্ষা করুন। আমি দেশে ফিরব। ফিরে ইউনূসদের (Muhammad Yunus) অনাচার, অত্যাচারের বিচার করব।’’ হুঁশিয়ারি দিয়ে আওয়ামি লিগ নেত্রী বলেন, ‘‘ইউনূস ও তাঁর মিত্রদের ছাড়া হবে না।’’ সোমবার রাতে দিল্লি থেকে আওয়ামি লিগের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘দায়মুক্তি’ নামের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় নিহত পুলিশ কর্মীর স্ত্রীদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন হাসিনা

    তিনি বলেন, ‘‘আমাদের পুলিশ বাহিনীর কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চারশো থানায় পুলিশদের ভিতরে রেখে হামলা চালানো হয়েছে। থানা লুট করেছে হামলাকারীরা। অন্তঃসত্ত্বা মহিলা কনস্টেবলদেরও ছাড়েনি এই ঘাতকরা। যারা মানুষের জীবন রক্ষা করার জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করে তাদের হত্যা করেছে এই ইউনূস সরকার। আমি দেশে ফিরব, আমাদের শহিদদের প্রতিশোধ নেব।’’ চার পুলিশ কর্মীর স্ত্রী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে জানান, কী নৃশংসভাবে তাঁদের স্বামীকে পিটিয়ে, কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। চারজনই প্রধানমন্ত্রীকে জানান, তাঁরা অর্থ কষ্টের মধ্যে আছেন। তাঁদের একজন থাকেন শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) দেশের বাড়ি গোপালগঞ্জে। তিনি বলেন, ‘‘আমার থাকার জায়গা নেই।’’ এমন সময় হাসিনা তাঁর দলকে নির্দেশ দেন, নিহত পুলিশ কর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে।

    আমার ওপর অনেকবার হামলা হয়েছে

    শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) আরও বলেন, ‘‘আমার ওপর অনেকবার হামলা হয়েছে। প্রতিবারই আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়েছে। ৫ অগাস্ট ফের আমাকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেদিনও আল্লাহ যখন বাঁচিয়েছেন তখন নিশ্চয়ই আমাকে দিয়ে বড় কোনও কাজ করাবেন।’’ আওয়ামি লিগ নেত্রীর মতে, ‘‘বঙ্গবন্ধুকে খুনের সময় আমি দেশে ছিলাম না। দেশে ফেরার অবস্থা ছিল না। পরে দেশে ফিরে আইন করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করেছি। জুলাই-অগাস্টে আন্দোলনের সময় যারা খুন-সন্ত্রাস করেছে এবারও দেশে ফিরে তাদের বিচার করব। ইউনূস ও তাঁর মিত্রদের ছাড়া হবে না। সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় তুলব।’’

    দেশ জঙ্গিদের হাতে চলে গিয়েছে

    এদিন ভার্চুয়াল কলে শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) বলেছেন, ‘‘উনি (ইউনূস) বলেছেন, উনি রাষ্ট্র চালাতে ব্যর্থ। ওনার কোনও অভিজ্ঞতা নেই। আমার কথা হচ্ছে, যিনি নিজেই বলছেন আমার দেশ চালানোর অভিজ্ঞতা নেই। ওনার অযোগ্যতার ফলে বিচারালয়ে হামলা, গণভবনে হামলা হয়েছে। ৬ মাসের ওপর হয়ে গেলেও দেশ জঙ্গিদের হাতে চলে গিয়েছে। এখন শুরু হয়েছে অপারেশন ডেভিল হান্ট। কে ডেভিল, কাকে খুঁজছে সে? ছেলেকে না পেলে মাকে হত্যা করছে। আজকে ওরা দেশটাকে জঙ্গির দেশে পরিণত করেছ। ইউনূসকে এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় নিতে হবে। ওনারও বিচার হবে। আমি দেশ ফিরলে প্রত্যেককে যতটা সম্ভব সাহায্য করবে। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ চলবে না।’’

LinkedIn
Share