Tag: Bengali news

Bengali news

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০২৬ সালের মার্চে ৯ বছর পূরণ হয়েছে তাঁর। রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন শাসনকাল। যোগীর মতো একজন নয়া শাসককে নিয়ে যে সন্দেহ ছিল, তা ধীরে ধীরে আধুনিক ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাসন-গল্পে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবক্ষয় ও প্রশাসনিক শিথিলতার জন্য পরিচিত একটি রাজ্য থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকারী এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদাহরণ হয়ে ওঠার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে একটি নির্দিষ্ট শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে পুলিশিং, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তি একসূত্রে গাঁথা হয়েছে।

    সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত (Uttar Pradesh)

    যোগী যখন মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন উত্তরপ্রদেশ সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত ছিল। মাফিয়া চক্রগুলি প্রায় নির্বিঘ্নে অপরাধ করত, জাতিগত হিংসাও ছিল রোজকার ঘটনা। নয়া সরকার এসব রুখতে দ্রুত পদক্ষেপ করে। তার জেরে অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের সম্পত্তি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, গ্যাংস্টার আইনের প্রয়োগ বাড়ে এবং পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয় বহু কুখ্যাত অপরাধী। সমালোচকরা একে “বুলডোজার ন্যায়বিচার” আখ্যা দেন এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিজেপি সমর্থকদের মতে, খুনের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, অপহরণ প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে এবং দস্যুবৃত্তি প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে।

    উন্নয়নের জোয়ার

    আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নও হয়েছে। প্রতিটি জেলায় সাইবার পুলিশ স্টেশন, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, ‘মিশন শক্তি’, অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড এবং সিসিটিভি-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মহিলাদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। ফলে উত্তরপ্রদেশ এখন আর বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না। ২০১৭ সালে রাজ্যের জিএসডিপি ছিল প্রায় ১৩ লাখ কোটি টাকা। এখানে পৌঁছতে স্বাধীনতার পর লেগেছিল ৭০ বছর। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৬ লাখ কোটি টাকা। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের লক্ষ্য ৪০ লাখ কোটি টাকার গন্ডি ছোঁওয়া। ভারতের অর্থনীতিতে রাজ্যের অংশ ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯.৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় প্রায় ৪৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.২ লাখ টাকারও বেশি।

    ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি

    ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট হয়েছে ৯.১২ লাখ কোটি টাকা। এটি রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঋণের হার কমিয়ে আনা হয়েছে এবং আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিটে ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ এখন ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের ৫৫ শতাংশের ‘মালিক’। পূর্বাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড-সহ একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে উত্তরপ্রদেশের এই অংশ ছাড়াবে ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালের আগে রামের দেশে ছিল মাত্র ২টি বিমানবন্দর। এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। এর মধ্যে আবার ৪টি আন্তর্জাতিক। মেট্রো পরিষেবা ৭টি শহরে চালু হয়েছে, চলছে দিল্লি-মিরাট র‍্যাপিড রেলও। গ্রামীণ সড়ক ও বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে ১০০ শতাংশ। জল জীবন মিশনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছেছে কোটি কোটি পরিবারে।

    সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র

    আখ চাষিদের বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এমএসপি ক্রয় ডিজিটাল করা হয়েছে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং কোটি কোটি কৃষক সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) প্রকল্পে ভাদোহির কার্পেট, মোরাদাবাদের পিতলশিল্প, বারাণসীর সিল্ক পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে ৩ লাখ কোটি টাকা সরাসরি মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন, গ্যাস সংযোগ ও স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ৯ লাখ কর্মপ্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। ১৫ লাখ যুবক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ২৫ লাখ শিক্ষার্থী ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন পেয়েছে। মেয়েদের জন্য স্কুটি প্রকল্প চালু হয়েছে। স্টার্টআপ সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    বিমারু থেকে বুমিং

    অযোধ্যার রাম মন্দির প্রকল্প বিশাল নগরোন্নয়ন ঘটিয়েছে। বারাণসী করিডোর ও মথুরা উন্নয়ন প্রকল্প ধর্মীয় পর্যটন বাড়িয়েছে। পর্যটন খাতে আয় প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ১০ লাখের কাছাকাছি। পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এখনও পশ্চিমাঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে। এই বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালের নির্বাচনই হবে প্রকৃত পরীক্ষা। সেই সময়ই জানা যাবে এই উন্নয়ন সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে। একসময় পিছিয়ে পড়া রাজ্য হিসেবে পরিচিত উত্তরপ্রদেশ এখন বড় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। জিএসডিপি তিনগুণ হয়েছে, উন্নত হয়েছে পরিকাঠামো, বেড়েছে কর্মসংস্থান। “বিমারু থেকে বুমিং”—এটি শুধু এখন আর স্লোগান নয়, গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিফলন।

     

  • Vikram Misri: ইরান যুদ্ধের আবহে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন বিক্রম মিশ্রি, কেন জানেন?

    Vikram Misri: ইরান যুদ্ধের আবহে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন বিক্রম মিশ্রি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন (US) সফরে যাবেন বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি (Vikram Misri)। সেখানে তিনি মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা পর্যালোচনা করা হবে, হবে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রভাব নিয়ে আলোচনাও। এটি বিশ্বজুড়ে বহু দেশকে প্রভাবিত করেছে।

    মিশ্রির ওয়াশিংটন সফর (Vikram Misri)

    মিশ্রি ৮ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ওয়াশিংটনে থাকবেন। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত শুরু হয়, তার পর এই প্রথম কোনও পদস্থ ভারতীয় কর্তা আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন। এই সফরটি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ফেব্রুয়ারি মাসের ওয়াশিংটন সফরের পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ধারাবাহিকতার অংশ বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।

    নজিরবিহীন চাপ

    মন্ত্রক জানিয়েছে, এই সফরটি ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণ পরিসর পর্যালোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যে সহযোগিতা চলছে, তাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগ। মিশ্রি মার্কিন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। উল্লেখ্য, এই সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন দুই দেশই সম্পর্ক স্থিতিশীল করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যার মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানি কেনার জন্য ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শাস্তিমূলক শুল্কও ছিল (Vikram Misri)। এর ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নজিরবিহীন চাপ সৃষ্টি হয়। গত মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সংঘাত বন্ধে নিজের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্পের বারবার দাবি সম্পর্ককে প্রভাবিত করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণা

    ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেন যে দুই দেশ একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির দিকে কাজ করছে এবং মার্কিন শুল্ক কমানো হয়েছে, যা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ তৈরি করেছে। প্রস্তাবিত এই বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো ইতিমধ্যে নির্ধারিত হয়েছে এবং মিশ্রির বৈঠকগুলিতে এটি আলোচনায় আসতে পারে (US)। প্রসঙ্গত, গত মাসের শেষ দিকে ট্রাম্প মোদিকে ফোন করে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, ভারত অঞ্চলে দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে এবং বৈশ্বিক স্বার্থে হরমুজ প্রণালী খোলা ও নিরাপদ রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    ভারত সংঘাত দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহও নিশ্চিত করতে চায় ভারত।  কারণ এটি দেশের খাদ্য, জ্বালানি ও সার নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে, পশ্চিম এশিয়ার সব গুরুত্বপূর্ণ পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সেখানে বসবাসরত এক (US) কোটিরও বেশি ভারতীয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে নয়াদিল্লি (Vikram Misri)।

     

  • Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, ২ শিশুর মৃত্যু, জখম মা

    Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, ২ শিশুর মৃত্যু, জখম মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুন জ্বলল মণিপুরের (Manipur) একাংশে। রাজ্যের পাঁচ জেলায় তিনদিনের জন্য মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করল সরকার। বিষ্ণুপুর জেলায় একটি বোমা বিস্ফোরণে (Rocket Attack) নিহত হয় দুই শিশু, জখম হন তাদের মা। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ ও হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে।

    ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ (Manipur)

    ৭ এপ্রিল জারি করা স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, থৌবল, কাকচিং এবং বিষ্ণুপুর জেলায়। মঙ্গলবার মধ্যরাতের কিছু পরে যেখানে হামলা হয়, সেই বিষ্ণুপুর জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ভুল তথ্য ও গুজব ছড়ানো রুখতে এবং জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে এমন কার্যকলাপ ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্দেশে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে সাময়িকভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত বা নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন এবং আজ, ৭ এপ্রিল দুপুর ২টা থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।

    ঘুমন্ত অবস্থায় নিহত ২

    মোইরাংয়ের ত্রোংলাওবি আওয়াং লেইকাই গ্রামে সন্দেহভাজন কয়েকজন জঙ্গি একটি বাড়িতে বিস্ফোরক ছুড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় নিহত হয় ৫ বছরের এক ছেলে ও ৬ মাসের এক কন্যাশিশু। জখম হন তাদের মা। প্রসঙ্গত, এই এলাকা মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে চলা উত্তেজনার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা একটি পেট্রোল পাম্পের কাছে দুটি তেলের ট্যাঙ্কার ও একটি ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেয়। স্থানীয় থানার সামনে টায়ার জ্বালানো হয়, ভাঙচুর করা হয় একটি অস্থায়ী পুলিশ পোস্ট। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী (Manipur)।

    কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর শিবিরে হামলা

    পরে জনতা বিষ্ণুপুর-চূড়াচাঁদপুর সীমান্তের কাছে পি জেলমোল পাহাড়ের পাদদেশে থাকা কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (CRPF) একটি শিবিরে হামলা চালায়। ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়, ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আধিকারিকরা জানান, গুলিচালনায় অন্তত ১৯ জন জখম হন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। হিংসার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন সাংবাদিকরাও। একটি খালের পাশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং এই ঘটনাকে ‘বর্বরোচিত কাজ’ এবং ‘মানবতার ওপর সরাসরি আঘাত’ বলে নিন্দে করেছেন। তিনি বলেন, “যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় কঠোরভাবে শাস্তি দেওয়া হবে। এই ধরনের (Rocket Attack) জঙ্গি কার্যকলাপ কোনও অবস্থায়ই সহ্য করা হবে না (Manipur)।”

    স্থানীয় বিধায়ক এনপিপির টিএইচ শান্তি সিংয়ের অভিযোগ, এই হামলা কুকি মাদক-পাচারকারীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। তিনি বলেন, “এই জঘন্য ঘটনা সন্ত্রাসবাদের চেয়ে কম নয়। এই ধরনের অমানবিক কাজ আমাদের সমাজে কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর কঠোর  নিন্দা হওয়া উচিত।” এই ঘটনায় ফের একবার এলাকায় নষ্ট হয়েছে শান্তি, ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে উপত্যকার বিভিন্ন জেলায় (Rocket Attack)।

     

  • West Asia Conflict: পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার-জ্বালানি মজুত রয়েছে, ইরান সঙ্কট নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে জানাল কেন্দ্র

    West Asia Conflict: পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার-জ্বালানি মজুত রয়েছে, ইরান সঙ্কট নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাত এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে এর ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রেক্ষিতে, ৬ এপ্রিল আন্তঃমন্ত্রকের তরফে আয়োজিত বৈঠকে পরিস্থিতি সম্পর্কে আপডেট জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। বিদেশমন্ত্রক, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক-সহ বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধিরা বিদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং দেশের ভেতরে জরুরি সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলি তুলে ধরেন। সরকার জানিয়েছে, তারা বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলি ও ইরানের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। শুধু তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

    খাদ্য নিরাপত্তা (West Asia Conflict)

    বৈঠকে আলোচিত প্রধান বিষয়গুলির একটি ছিল খাদ্য নিরাপত্তা। এ ব্যাপারে আধিকারিকরা আশ্বস্ত করেন, দেশে জরুরি পণ্যের কোনও ঘাটতি নেই। ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব অনুপম মিশ্র বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং খাদ্যশস্য সরবরাহ বজায় রাখতে আমরা কড়া নজর রাখছি। ১৯৫৫ সালের আবশ্যিক পণ্য আইন অনুযায়ী মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে নজরদারি করা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, এ বছর ডাল উৎপাদন বেশি হয়েছে এবং পর্যাপ্ত বাফার স্টক রাখা হয়েছে। পেঁয়াজ, আলু ও টমেটোর উৎপাদনও গত বছরের মতোই রয়েছে। তাই সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে।

    রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ

    মিশ্র বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি, যাতে কালোবাজারি ও মজুতদারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।   এটি মূল্য পর্যবেক্ষণ ও রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ অনায়াস করছে। ১৯১৫ নম্বর ভোক্তা হেল্পলাইন ১৭টি ভাষায় চালু রয়েছে।” খাদ্য দফতরের কর্তারা জানান, ভারতে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। জয়েন্ট সেক্রেটারি সি শিখা বলেন, “আমাদের কাছে গম ও চালের মজুত রয়েছে নির্ধারিত মানের তিনগুণ বেশি। গম প্রায় ২২২ লাখ মেট্রিক টন এবং চাল প্রায় ৩৮০ লাখ মেট্রিক টন—মোট ৬০২ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে।” তিনি জানান, এই মজুত সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট। ভোজ্য তেল এবং চিনির সরবরাহও স্থিতিশীল।

    দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক

    সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক তেলবাজার প্রভাবিত হলেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যৌথ সচিব সুজাতা শর্মা বলেন, “৩৫ দিনের বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কট চললেও, এলপিজির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আমদানি করা হয়েছে।” তিনি জানান, প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে। গত পাঁচ সপ্তাহে প্রায় ১৮ কোটি পরিবারের কাছে সিলিন্ডার পৌঁছানো হয়েছে। অনলাইন বুকিং ৯৭ শতাংশ এবং ৯০ শতাংশ সরবরাহ ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে হচ্ছে।

    ছোট সিলিন্ডার

    ছোট সিলিন্ডার সম্পর্কে তিনি বলেন, “পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। গ্রাহকরা নিকটস্থ ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে ৫ কেজির সিলিন্ডার কিনতে পারবেন।” তিনি জানান, ৫,৫০০-এর বেশি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ও রিফাইনারি কার্যকলাপ স্বাভাবিক রয়েছে। সরকার এলপিজি উৎপাদন বাড়াতে অতিরিক্ত উপাদান সরবরাহ এবং শুল্ক সমন্বয়ের মতো পদক্ষেপও নিয়েছে। দেশজুড়ে পেট্রোল পাম্প স্বাভাবিকভাবে চলছে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এলপিজি সরবরাহ ৭০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। গৃহস্থালির চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পিএনজি এবং সিএনজি সরবরাহও জোরদার করা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ইরান থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান হয়ে ১,৭৭৭ জন ভারতীয়কে সরিয়ে আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৯৫ জন ছাত্র এবং ৩৪৫ জন মৎস্যজীবিও রয়েছেন। মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। অতিরিক্ত সচিব অসীম মহাজন বলেন, “ভারতীয়দের নিরাপত্তা আমাদের অগ্রাধিকার। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম ও হেল্পলাইন চালু রয়েছে।” প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ৭.৩ লাখ যাত্রী ভারতে ফিরেছেন। আকাশপথে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকায় বিকল্প রুট ব্যবহার করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে ভারতীয় নাবিকরা নিরাপদে রয়েছেন। জাহাজমন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মুকেশ মঙ্গল বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতীয় জাহাজের ক্ষেত্রে কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি।” তিনি জানান, দুটি এলপিজি বহনকারী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার হয়েছে। বর্তমানে ১৬টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে ৪০০-এরও বেশি ভারতীয় কাজ করছেন।

     

  • Iran: আমেরিকা-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান, কী বলল তেহরান?

    Iran: আমেরিকা-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান, কী বলল তেহরান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান (Iran)। সোমবারই ওই প্রস্তাব নাকচ করা হয়। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছিল ওই প্রস্তাব (US Ceasefire Plan)। এর পরিবর্তে ইরান যুদ্ধে ইতি টানতে একটি ১০ দফা রূপরেখা প্রস্তাব করেছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ (IRNA) জানিয়েছে। এই পরিকল্পনায় তেহরানের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের শর্তাবলীও তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতে হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা, সাময়িক যুদ্ধবিরতির বদলে স্থায়ীভাবে শত্রুতা বন্ধ করা, এবং লেবাননে ইজরায়েলি সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ করা। এতে আমেরিকার সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ করার দাবিও জানানো হয়েছে।

    প্রস্তাবের গুরুত্বপূর্ণ দিক (Iran)

    এই প্রস্তাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল,  উত্তেজনা হ্রাসকে হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত করা। তেহরান জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে তারা এই কৌশলগত জলপথ ফের খুলে দেবে। শর্তগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতিটি জাহাজের জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলার ট্রানজিট ফি, ওমানের সঙ্গে আয় ভাগাভাগি, এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার ব্যবস্থা। ইরানের প্রস্তাব, এই আয় ক্ষতিপূরণের বদলে পুনর্গঠনের কাজে ব্যয় করা যেতে পারে। এর আগে ইরান আমেরিকার প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনাকে “অত্যধিক দাবি-সম্পন্ন” ও অবাস্তব বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তারা জানিয়েছে, তাদের শর্ত পূরণ হলেই কেবল আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব। এ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, সংঘাত দ্বিতীয় মাসে প্রবেশ করায় ইরান আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে (Iran)।

    মার্কিন অভিযানের বিষয়েও উদ্বেগ 

    তেহরান ইসফাহানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক একটি অভিযানের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এই অভিযানটি ইউরেনিয়াম দখলের উদ্দেশ্যেও হতে পারে। যদিও ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, এটি একটি ভূপাতিত এফ-১৫ বিমানের সঙ্গে যুক্ত এক সেনা সদস্যকে উদ্ধারের জন্য পরিচালিত হয়েছিল। ইরান সতর্ক করেছে, এই ধরনের পদক্ষেপ আস্থার সঙ্কট তৈরি করতে পারে (US Ceasefire Plan) এবং আলোচনাকে জটিল করে তুলতে পারে (Iran)। ইরানের বিদেশমন্ত্রক সতর্ক করে বলেছে, শক্তিশালী নিশ্চয়তা ছাড়া কোনও যুদ্ধবিরতি প্রতিপক্ষকে পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ দিতে পারে। তারা জোর দিয়ে বলেছে, যে কোনও চুক্তির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে শত্রুতার অবসান নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে, হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে নিরাপদ নৌ-যাতায়াত নিশ্চিত করতে অব্যাহত রয়েছে ওমানের সঙ্গে আলোচনা।

  • Supreme Court: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    Supreme Court: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিব (Chief Secretary) দুষ্যন্ত নারিয়ালাকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শুধু তা-ই নয়, ওইদিনের ঘটনার জন্য ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তাঁকে। মালদার কালিয়াচকের ঘটনার দিন মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের জল গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে, সোমবার ভার্চুয়াল শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। সেখানেই তীব্র ভর্ৎসনার শিকার হন নারিয়ালা। প্রসঙ্গত, ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ার দিন রাতেই রাজ্যের মুখ্যসচিব পদ থেকে সরানো হয় নন্দিনী চক্রবর্তীকে। তাঁর বদলে নয়া মুখ্যসচিব হন নারিয়ালা।

    রিপোর্ট পেশ এনআইএর (Supreme Court)

    গত বুধবার কালিয়াচকের ঘটনায় এদিন সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ। এনআইএর টিম যে তদন্ত করেছে, তার ওপর ভিত্তি করেই রিপোর্ট জমা করা হয়েছে। মুখবন্ধ খামে সেই রিপোর্ট জমাও পড়েছে শীর্ষ আদালতে। সেখানে স্থানীয় পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বলেও খবর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, যদি আরও অন্য কোনও ব্যক্তির যোগ থাকার প্রমাণ মেলে, অথবা অন্য কোনও দিক উন্মোচিত হয়, তাহলে এনআইএ প্রয়োজনে আরও এফআইআর দায়ের করতে পারে। কলকাতায় এনআইএ আদালতে তদন্তের বিষয় জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে শীর্ষ আদালতে।

    এনআইএকে হস্তান্তর করার নির্দেশ

    সুপ্রিম কোর্টের তরফে স্থানীয় পুলিশকে তদন্তের যাবতীয় কাগজ এবং এফআইআর অবিলম্বে এনআইএকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পুলিশকে সবরকম সাহায্য করতেও বলা হয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তার বিষয়ে আলাদা হলফনামা জমা দিয়েছে খোদ নির্বাচন কমিশন কমিশন (Chief Secretary)। এদিকে, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে দেওয়া হয়েছে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট। এদিন মুখ্যসচিবকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘কেন প্রধান বিচারপতির ফোন ধরেননি?’ মুখ্যসচিব জানান, তিনি দিল্লিতে কাজে গিয়েছিলেন। দুপুরে বিমানে ছিলেন তিনি। তাঁর ফোনে কোনও কল যায়নি (Supreme Court)। এরপর প্রধান বিচারপতি ফের বলেন, “আপনি মোবাইল নম্বর কেন শেয়ার করেননি? আপনার কাছে রাতে ফোন এসেছে, যখন আপনি প্লেন থেকে নেমে গিয়েছেন। আপনাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।”

    হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্যসচিবকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনাকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।” এই সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মুখ্যসচিবকে ভর্ৎসনা করে বলেন, “নিষ্ক্রিয়তারও একটা লিমিট থাকা উচিত।” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “শুধুমাত্র এই ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্য জায়গায়ও তাঁদের যেভাবে প্যাম্পার করা হচ্ছে তাতে সবকিছু ঠিকঠাক নেই। এই ঘটনা আপনি এবং আপনার প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতার প্রতিফলন। আপনার নিষ্ক্রিয়তার কারণেই নির্বাচন কমিশনকে ওই অবস্থায় পড়তে হয়েছে। আপনারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। কমিশনকে এই ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে আপনাদের নির্দেশ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই যোগাযোগের ঘাটতিই রাজ্যে এত সমস্যা ও অশান্তির সৃষ্টি করেছে। এটা আপনাদের কী ধরনের ক্রেডিবিলিটি (Chief Secretary)?”

    ‘নিজেকে একটু নীচে নামিয়ে আনুন’

    আইনজীবী লুথরা বলার চেষ্টা করেন যে ওই দিন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেই একটি বৈঠকে ছিলেন। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “দয়া করে এদের ডিফেন্ড করবেন না। এই ধরনের অত্যন্ত একগুঁয়ে আমলাতান্ত্রিক মনোভাব আমরা অন্যান্য রাজ্যেও দেখছি (Supreme Court)।” প্রধান বিচারপতি মুখ্যসচিবকে বলেন, “আপনার পদমর্যাদা এতটাই বেশি যে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতো ছোট মানুষরা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন না। দয়া করে নিজেকে একটু নীচে নামিয়ে আনুন, যাতে প্রধান বিচারপতির মতো সাধারণ নগণ্য মানুষরা অন্তত আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।”

    এদিন শুনানি হয়েছে ভার্চুয়ালি। সেই সময় আধিকারিকদের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “মুখ্যসচিব এবং অন্য আধিকারিকরা অনলাইনে উপস্থিত রয়েছেন। আমরা আশা করি, অফিসাররা এখন তাঁদের দায়িত্ব ভালোভাবে বুঝে গিয়েছেন। যে পরিস্থিতিতে তাঁদের সাড়া দেওয়া এবং হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে সাহায্য করা প্রত্যাশিত ছিল, তা তাঁরা করেননি।” আদালতের তরফে এনআইএকে (Chief Secretary) পরবর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ১৩ এপ্রিল (Supreme Court) ।

     

  • Varanasi kolkata: ৩৫,০০০ কোটি টাকার এক্সপ্রেসওয়ে, বারাণসী থেকে কলকাতার দূরত্ব ঘুচবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়

    Varanasi kolkata: ৩৫,০০০ কোটি টাকার এক্সপ্রেসওয়ে, বারাণসী থেকে কলকাতার দূরত্ব ঘুচবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসী ও কলকাতার (Varanasi Kolkata) মধ্যে যাতায়াতের সময়  কমিয়ে আনতে একটি বিশাল পরিকাঠামো প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকা (35000 Crore Expressway) ব্যয়ে নির্মিত হবে। এই নতুন এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সড়ক পথে বিহার, উত্তর প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বাংলার উপর দিয়ে নির্মিত হবে। শিল্পাঞ্চল, কাচামাল সরবরাহ এবং কর্মসংস্থানের বিরাট ক্ষেত্র খুলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সময় সাশ্রয়

    বর্তমানে বারাণসী থেকে কলকাতা (Varanasi Kolkata) সড়কপথে পৌঁছাতে প্রায় ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা সময় লাগে। এই এক্সপ্রেসওয়েটি চালু হলে সেই সময় কমে মাত্র ৬ থেকে ৭ ঘণ্টায় দাঁড়াবে। প্রায় ৬১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গের (35000 Crore Expressway) ওপর দিয়ে যাবে। এটি বারাণসীর কাছে চন্দৌলি থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমবঙ্গের উলুবেড়িয়ায় এসে শেষ হবে।

    আর্থিক বিনিয়োগ

    এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৩৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি ভারতমালা পরিযোজনার (Bharatmala Pariyojana) দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    এই এক্সপ্রেসওয়েটি (Varanasi Kolkata) কেবল যাত্রীদের সুবিধাই দেবে না, বরং পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবেও কাজ করবে। এর ফলে পণ্য পরিবহণ দ্রুত হবে এবং রাস্তার দুই পাশে নতুন শিল্প অঞ্চল (35000 Crore Expressway) গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    জমি অধিগ্রহণ ও অগ্রগতি

    প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। বিশেষ করে বিহার ও ঝাড়খণ্ড অংশে জমি চিহ্নিতকরণের কাজ অনেকটা এগিয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত (35000 Crore Expressway) হলে এটি হবে পূর্ব ভারতের অন্যতম দীর্ঘ এবং আধুনিক এক্সপ্রেসওয়ে, যা প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর (Varanasi Kolkata) মধ্যে বাণিজ্যিক ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।

  • Ramakrishna 617: “তাঁর কৃপা হলে জ্ঞানের অভাব থাকে না, মূর্খ বিদ্বান হয়, বোবার কথা ফুটে! তাই বলছি, বই পড়লেই পণ্ডিত হয় না”

    Ramakrishna 617: “তাঁর কৃপা হলে জ্ঞানের অভাব থাকে না, মূর্খ বিদ্বান হয়, বোবার কথা ফুটে! তাই বলছি, বই পড়লেই পণ্ডিত হয় না”

     শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    ভক্তসঙ্গে — শুধু পাণ্ডিত্যে কি আছে?

    সকলে বিশ্বাস করে ওই দোকানেই আসে, ভাবে এরা পরমভক্ত, কখনও ঠকাতে যাবে না। একদল খদ্দের এলে দেখত কোনও কারিগর বলছে ‘কেশব!’ (Ramakrishna) ‘কেশব!’ আর-একজন কারিগর খানিক পরে নাম করছে ‘গোপাল!’ ‘গোপাল!’ আবার খানিকক্ষণ পরে একজন কারিগর বলছে, ‘হরি’, ‘হরি’, তারপর কেউ বলছে (Kathamrita) ‘হর; হর!’ কাজে কাজেই এত ভগবানের নাম দেখে খরিদ্দারেরা সহজেই মনে করত, এ-স্যাকরা অতি উত্তম লোক। — কিন্তু ব্যাপারটা কি জানো? যে বললে, ‘কেশব, কেশব!’ তার মনের ভাব, এ-সব (খদ্দের) কে? যে বললে ‘গোপাল! গোপাল!’ তার অর্থ এই যে আমি এদের চেয়ে চেয়ে দেখলুম, এরা গরুর পাল। (হাস্য)

    যে বললে ‘হরি হরি’—তার অর্থ এই যে, যদি গরুর পাল, তবে হরি অর্থাৎ হরণ করি। (হাস্য) যে বললে, ‘হর হর!’—তার মানে এই—তবে হরণ কর, হরণ কর; এরা তো গরুর পাল! (হাস্য)

    “সেজোবাবুর সঙ্গে আর-একজায়গায় গিয়েছিলাম (Kathamrita); অনেক পণ্ডিত আমার সঙ্গে বিচার করতে এসেছিল। আমি তো মুখ্যু! (সকলের হাস্য) তারা আমার সেই অবস্থা দেখলে, আর আমার সঙ্গে কথাবার্তা হলে বললে, মহাশয়! আগে যা পড়েছি, তোমার সঙ্গে কথা কয়ে সে সব পড়া বিদ্যা সব থু হয়ে গেল! এখন বুঝেছি, তাঁর কৃপা হলে জ্ঞানের অভাব থাকে না, মূর্খ বিদ্বান হয়, বোবার কথা ফুটে! তাই বলছি, বই পড়লেই পণ্ডিত হয় না।”

    পূর্বকথা—প্রথম সমাধি—আবির্ভাব ও মূর্খের কণ্ঠে সরস্বতী

    “হাঁ, তাঁর কৃপা হলে জ্ঞানের কি আর অভাব থাকে? দেখ না, আমি মুখ্যু, কিছুই জানি না, তবে এ-সব কথা বলে কে? আবার এ-জ্ঞানের ভাণ্ডার অক্ষয় (Ramakrishna)। ও দেশে ধান মাপে, ‘রামে রাম, রামে রাম’, বলতে বলতে। একজন মাপে, আর যাই ফুরিয়ে আসে, আর-একজন রাশ ঠেলে দেয়। তার কর্মই ওই, ফুরালেই রাশ ঠেলে। আমিও যা কথা কয়ে যাই, ফুরিয়ে আসে আসে হয়, মা আমার অমনি তাঁর অক্ষয় জ্ঞান-ভাণ্ডারের রাশ ঠেলে দেন!

    “ছেলেবেলায় তাঁর আর্বিভাব হয়েছিল। এগারো বছরের সময় মাঠের উপর কি দেখলুম! সবাই বললে, বেহুঁশ হয়ে গিছলুম, কোন সাড় ছিল না। সেই দিন থেকে আর-একরকম হয়ে গেলুম। নিজের ভিতর আর-একজনকে দেখতে লাগলাম! যখন ঠাকুর পূজা করতে যেতুম, হাতটা অনেক সময় ঠাকুরের দিকে না গিয়ে নিজের মাথার উপর আসত, আর ফুল মাথায় দিতুম! যে ছোকরা আমার কাছে থাকত, সে আমার কাছে আসত না; বলত, তোমার মুখে কি এক জ্যোতিঃ দেখছি, তোমার বেশি কাছে যেতে ভয় হয়!”

    কলিকাতা বেনেটোলা নিবাসী ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পরমভক্ত শ্রীঅধরলাল সেনের বাটীতে শ্রীযুক্ত বঙ্কিমচন্দ্র চাটুজ্যের সহিত শ্রীশ্রীপরমহংসদেবের (Ramakrishna) দেখা হইয়াছিল। বঙ্কিমবাবু তাঁহাকে এই একবার মাত্র দর্শন করিয়াছিলেন।

  • West Bengal Assembly Elections: তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন, মমতার কপ্টারের কাছে ড্রোনকাণ্ডে স্বীকারোক্তি তিন ধৃতের!

    West Bengal Assembly Elections: তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন, মমতার কপ্টারের কাছে ড্রোনকাণ্ডে স্বীকারোক্তি তিন ধৃতের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেলিকপ্টারে করে তৃণমূলের প্রচারে যাচ্ছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই সময় তাঁর সেই কপ্টার ওড়ার সময় একটি উড়ন্ত ড্রোন দেখা যায় (West Bengal Assembly Elections)। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা বিহারের বাসিন্দা বলে খবর। রবিবার হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের সভায় উপস্থিত ছিলেন ওই তিনজন। ধৃতদের দাবি, তাঁরা তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের কাজই করছিলেন।

    কপ্টারের আগে আগে ড্রোন (West Bengal Assembly Elections)

    শনিবার মালদায় দলীয় প্রার্থীদের জন্য প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সময় সামসিতে মমতার হেলিকপ্টারের আগে আগে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ মমতা। হেলিকপ্টারে ওঠার সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “হেলিকপ্টারটা অ্যাক্সিডেন্টে ধ্বংস হয়ে যেত। কারা করছে এসব? পুলিশের নজর রাখা দরকার। যারা করেছে, তাদের আইডেন্টিফাই করা দরকার।” এটি ছাড়াও আরও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যাতে দেখা যায়, কপ্টারে ওঠার আগে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মমতা। আকাশে উড়ন্ত ড্রোনটিকে নিরীক্ষণ করছেন তিনি। সেই সময়ই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই ভিড়ের মধ্যে থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    ‘আমরা ড্রোন উড়িয়েছি’

    ধৃতেরা হল অঙ্কিতকুমার পাসোয়ান, শ্রীকান্ত মণ্ডল এবং নুর আখতার। হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের সভায় যোগ দিয়েছিল তারা। ধৃতদের একজন বলে, “হ্যাঁ আমরা ড্রোন উড়িয়েছি।” পাশের জনের দিকে আঙুল উঁচিয়ে সে বলে, “এ ওড়াচ্ছিল। জানত না। আমরা কাজ করছি, সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেনের জন্য। বারণ করেছিলাম (Mamata Banerjee)। আইডিয়া ছিল না। তাও বেস্ট ফুটেজের জন্য ড্রোন উড়িয়ে ফেলে।” ধৃতদের দাবি, তাঁরা তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন। তবে দলের তরফে এ নিয়ে কিছু জানানো হয়নি (West Bengal Assembly Elections)। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। গত ২৬ মার্চ দুর্যোগে আটকে পড়েছিল মমতার বিমান। প্রচার সেরে কলকাতায় নামার সময় আটকে পড়ে বিমানটি। কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে দুর্যোগ এত তীব্র আকার ধারণ করেছিল যে অবতরণ করতে না পেরে আকাশে চক্কর কাটতে থাকে বিমানটি। প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট ধরে সেই অবস্থায় আকাশে চক্কর কেটে শেষ পর্যন্ত মাটি ছোঁয় মমতার (Mamata Banerjee) বিমান।

    কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় বিপত্তি

    সেবার দুবরাজপুরে প্রচার সেরে অন্ডাল থেকে ছোট আকারের বিমানটিতে সওয়ার হন মমতা। কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় বিপত্তি দেখা দেয়। পরে দুই পাইলটের ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা। জানান, পাইলটরাই বিমানে সওয়ার সকলের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। সেই ঘটনার পরই কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রশ্ন ওঠে মমতার নিরাপত্তা নিয়েই (West Bengal Assembly Elections)।এদিকে, ধৃত তিনজন জানান, হরিশচন্দ্রপুরের তৃণমূল প্রার্থী মতিবুর রহমানের হয়ে প্রচার করেন তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যই ড্রোন উড়িয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ‘গরিবের বন্ধু’ বলে ফেসবুকে পরিচিত মতিবুর একজন ইনফ্লুয়েন্সারও। প্রচুর (Mamata Banerjee) ফলোয়ার রয়েছে তাঁর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক মিউজিক ভিডিও পাবলিশ হয় প্রতিদিনই। সেই মতিবুরের জন্য ভিডিও তৈরিতে ভালো শটের আশায় ড্রোন উড়িয়েছিল বলে স্বীকার করে ধৃতেরা।

    ‘আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না’

    যদিও মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতেই ড্রোন ওড়ানো হয়েছিল। পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ের সভায় মমতা বলেন, “আমি যখন মিটিং করে আসছিলাম মালদা থেকে। আমার হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ধাক্কা খেলে হেলিকপ্টারটা ধ্বংস হত। কারা ওড়াচ্ছিল? বিহারের তিনজন ধরা পড়েছে। টার্গেটটা কী? আমার জীবন কাড়ার জন্য? কেড়ে নিন, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু যতক্ষণ বেঁচে থাকব, আপনাদের বিরুদ্ধে গলা ফাটাব। আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না।” প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে এ রাজ্যে সভা করতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলার (Mamata Banerjee) চেষ্টা করেন। তবে এই ভিকটিম কার্ডের রাজনীতি বাংলার মানুষ ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছেন। এভাবে কমিশনের বিরুদ্ধ গালিগালাজ করা বাংলার সংস্কৃতি নয় (West Bengal Assembly Elections)।”

     

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-র রিপোর্ট পেশ, রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ শীর্ষ আদালতের

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-র রিপোর্ট পেশ, রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা (Malda) মোথাবাড়িতে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের ঘেরাও ও হেনস্থার ঘটনায় তদন্তপ্রক্রিয়া কতদূর এগোল, সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ২০২৬ সালের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শীর্ষ আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি রাজ্যের বিচার বিভাগীয় অফিসাররাই নিরাপদ না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বিচার ব্যবস্থার ওপর এই ধরনের আক্রমণ কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না।”

    ২২ জন  বুথ লেভেল অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ (Supreme Court)

    মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলের ২২ জন  বুথ লেভেল অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা। তাঁদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে অনুমান। বিচারকদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখেই এই রিপোর্ট তৈরি করছেন তদন্তকারীরা। ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে মোথাবাড়ির বিডিও অফিসে দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল সাতজন বিচারবিভাগীয় (Supreme Court) আধিকারিককে। শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে শারীরিক ভাবে হেনস্থাও করা হয়। তাঁদের মধ্যে নারী আধিকারিকরাও ছিলেন। ভিড়ের তান্ডবে তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। এই খবরটি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আসে। সেই সময় গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। দুষ্কৃতীদের একটা বড় অংশ স্থানীয় আইএসএফ, এমআইএম এবং তৃণমূলকর্মী বলে সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে।

    এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    এনআইএ-র আইজি সোনিয়া সিং (Sonia Singh IG NIA) ইতিমধ্যেই ২৫ পাতার একটি বিস্তারিত রিপোর্ট নিয়ে রাজধানী পৌঁছে গিয়েছেন। আজ, সোমবার সেই রিপোর্ট জমা পড়তে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। হামলার আগে-পরে ঠিক কী ঘটেছিল, প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল—সবটাই এখন সর্বোচ্চ আদালত তদন্ত করে দেখছে। মোথাবাড়ির ঘটনার দিন রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যারপরনাই অসন্তুষ্ট ছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্যের মুখ্য সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও জেলার এসপি, ডিএম-দের শো’কজ করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। প্রশ্ন উঠছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসআইআর (SIR)-এর কাজ করছেন যাঁরা, সেই বিচারকদের ঘিরে এরকম বিক্ষোভ হল কী করে? পরিস্থিতি কেন নিয়ন্ত্রণ করা গেল না? পুলিশ প্রশাসন কী করছিল? এই সব দিক খতিয়ে দেখে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-এর রিপোর্ট দেওয়ার কথা।সুপ্রিম কোর্ট এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-র হাতে। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ সূত্রে জানা গিয়েছে এটি কেবল একটি সাধারণ জনরোষ নয়, বরং বিচারব্যবস্থাকে ভয় দেখানোর একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হতে পারে।

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এসআইআর ইস্যুতে শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন যে, আদালত নিযুক্ত আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে রাজ্য প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনাকে ‘সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এনআইএ তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন। ঘটনার পেছনে কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। যদিও সুপ্রিম কোর্ট আগেই ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিল, প্রয়োজন পড়লে আদালত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

    কালিয়াচক ২ নম্বর বিডিও অফিসে কী ঘটেছিল?

    ঘটনার দিন বুধবার সকাল থেকেই জমায়েত শুরু হয়েছিল কালিয়াচক (Malda) ২ নম্বর বিডিও অফিসে। প্রথম সারিতে ছিলেন মহিলারা। আচমকা একসময় বিডিও অফিসের ভিতরেও ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের বের করে দেয়। কিন্তু তারপরেও তারা এলাকা ছাড়েননি! শেষে রাতে যখন বিচারকরা (Supreme Court) পুলিশের ঘেরাটোপে বেরোচ্ছেন, তখনও সেখানে দাঁড়িয়ে প্রচুর বিক্ষোভ দেখায় দুষ্কৃতীরা। সামাজিক মাধ্যমে সামনে আসা একাধিক ভিডিওতে এমন ছবি দেখা যায়।

    রাজ্য সরকারের অবস্থান

    অন্যদিকে, রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালিয়াচককাণ্ড প্রসঙ্গে (Malda) জানানো হয়েছে যে তারা যথাসাধ্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং বর্তমানে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং অভিযুক্তদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। মোথাবাড়ির ঘটনা নির্বাচন কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট এবং বিধানসভার নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকে এসআইআর, বিচারকদের হেনস্থার মতো ঘটনা আগামী বিধানসভার ভোটে  প্রভাব ফেলবে বলে মত প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল মহলের মানুষ। তবে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বিজেপির পক্ষে জনমত গঠন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share