Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 407: শ্রী রামকৃষ্ণের, বলরামের গৃহে আগমন এবং ভক্তদের সঙ্গে কথোপকথন

    Ramakrishna 407: শ্রী রামকৃষ্ণের, বলরামের গৃহে আগমন এবং ভক্তদের সঙ্গে কথোপকথন

    শ্রীরামকৃষ্ণ- এখানে থাকবেন।

    পরিবার- এসে কিছুদিন থাকব—নহবতে মা আছেন, তাঁর কাছেই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ তখন বলছেন—
    “তুমি যে বল, মরবার কথা—তাই ভয় হয়।”
    আবার পাশে গঙ্গা

    বসু, বলরাম মন্দিরে, গিরিশ মন্দিরে ও দেবেন্দ্র ভবনে ভক্তদের সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ।

    ১৮৮৫ সালের ১১ই মার্চ

    শ্রীরামকৃষ্ণের বলরামের গৃহে আগমন এবং তাঁর সঙ্গে নরেন্দ্র, গিরিশ, বলরাম, চুনিলাল, লাটু, মাস্টার, নারায়ণ প্রভৃতি ভক্তদের কথোপকথন ও আনন্দময় সময়।

    তিথি: ফাল্গুন কৃষ্ণ দশমী, নক্ষত্র: পূর্বাষাঢ়া,
    তারিখ: ২৯শে ফাল্গুন, বুধবার, ইংরেজি ১১ই মার্চ, ১৮৮৫।

    আজ আনুমানিক বেলা দশটার সময় শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর হতে বলরাম বসুর গৃহে (বলরাম মন্দিরে) আগমন করেন।
    সেখানে শ্রী শ্রী জগন্নাথের প্রসাদ গ্রহণ করেন।
    সঙ্গে ছিলেন লাটু প্রভৃতি ভক্ত।

    ধন্য বলরাম! তোমারই আলোয় আজ ঠাকুরের প্রধান কর্মক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
    কত নতুন নতুন ভক্তকে আকর্ষণ করে প্রেমের বন্ধনে বেঁধে ফেললেন!
    ভক্তদের সঙ্গে ছিলেন, গান গাইলেন—যেন শ্রীগৌরাঙ্গ শ্রীবাস মন্দিরে প্রেমের হাট বসিয়েছেন।

    দক্ষিণেশ্বরের কালীবাড়িতে বসে কাঁদতেন ঠাকুর।
    কোনও অন্তরঙ্গ ভক্তকে দেখবেন বলে ব্যাকুল হতেন।
    রাত্রে ঘুম হত না।
    মাকে বলতেন—
    “মা, ওর বড় ভক্তি। ওকে টেনে নাও মা।
    একবার এখানে এনে দাও।
    সে যদি নিজে না আসতে পারে, তবে মা, আমায় সেখানে নিয়ে চলো।
    আমি গিয়ে দেখে আসি।”

    এই কারণেই বলরামের বাড়িতে ছুটে ছুটে আসতেন।
    লোককে বলতেন—
    “বলরামের এখানে জগন্নাথের সেবা হয়। খুব শুদ্ধ।
    যখন আসেন, অমনি বলরামকে পাঠান—
    ‘নরেন্দ্রকে, ভবনাথকে, রাখালকে নিমন্ত্রণ করে নিয়ে এসো।
    এদের খাওয়ালে নারায়ণকে খাওয়ানো হয়।
    এরা সাধারণ কেউ নয়—এরা ঈশ্বরস্বরূপ।
    তাদের খাওয়ালে তোমার বড় উপকার হবে।”

  • Ramakrishna 406: ঠাকুর মাস্টারকে বলিলেন, “এদের জন্য আমি এত ব্যাকুল হই কেন?”

    Ramakrishna 406: ঠাকুর মাস্টারকে বলিলেন, “এদের জন্য আমি এত ব্যাকুল হই কেন?”

    তবে “ঈশ্বরের পথে যেতে যেও না”—এই কথা ছাড়া বাকি সব কথা শুনবি।
    “দেখি তোর হাত দেখি,”—এই বলিয়া ঠাকুর তারকের হাত দেখিতেছেন।
    হাত যেন খুব ভারি, মনোযোগ দিয়ে দেখিয়া একটু পরে বলিলেন,
    “একটু আড় আছে… কিন্তু ওটুকু কেটে যাবে। একটু প্রার্থনা করিস, আর এখানে একবার আসিস—ওটুকু চলে যাবে।”

    ঠাকুর জিজ্ঞাসা করিলেন:
    “কলকাতার বহুবাজারে বাসা তুই করেছিস?”
    তারক উত্তর দিল:
    “আমি আগে করিনি, তারা করেছিল।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ সহাস্যে বলিলেন:
    “তুই করেছিস—তাড়াতাড়ি, বাঘের ভয়ে!”
    (ঠাকুর কামিনীকে কি বাঘ বলিতেছেন?)

    তারক প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিলেন।

    ঠাকুর তখন ছোট খাটে শুয়ে ছিলেন, যেন ভাবিতেছেন তারকের কথা। হঠাৎ মাস্টার-কে বলিলেন,
    “এদের জন্য আমি এত ব্যাকুল হই কেন?”

    মাস্টার চুপ করিয়া আছেন, যেন কী উত্তর দিবেন ভাবিতেছেন।
    ঠাকুর আবার জিজ্ঞাসা করিলেন,
    “বল না!”

    এই সময় মোহিনী মোহনের পরিবার ঠাকুরের ঘরে আসিয়া প্রণাম করিলেন। ঠাকুর তাহাদের এক পাশে বসতে দিলেন।

    ঠাকুর তখন তারকের সঙ্গীর কথা মাস্টার-কে বলিতেছেন:
    “ওকেও কেন সঙ্গে আনলি?”
    মাস্টার বলিলেন:
    “রাস্তার সঙ্গী ছিল, অনেকটা পথ একসঙ্গে এসেছে, তাই সঙ্গে আনতে হয়েছে।”

    এই কথার মধ্যে হঠাৎ ঠাকুর মোহিনীর পরিবারকে উদ্দেশ করে বলিলেন,
    “অপঘাত মৃত্যু হলে পেত্নী হয়। সাবধান! মনকে বুঝাবি। এত কিছু দেখলি, শুনলি, শেষে কী—এই হলো?”

    মোহিনী এবার বিদায় গ্রহণ করিলেন। ঠাকুরকে ভূমিষ্ঠ হয়ে প্রণাম করিলেন, পরিবারও প্রণাম করিল।

    ঠাকুর ঘরের মধ্যে উত্তর দিকের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন।
    পরিবারটি মাথায় কাপড় ঢেকে আস্তে আস্তে ঠাকুরকে কিছু বলিতেছেন।

  • Chhattisgarh: মাও-দমনে ফের সাফল্য, আত্মসমর্পণ ১২ জন মাওবাদীর

    Chhattisgarh: মাও-দমনে ফের সাফল্য, আত্মসমর্পণ ১২ জন মাওবাদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনে (Maoist) ফের মিলল বড়সড় সাফল্য। আত্মসমর্পণ করল ১২ জন মাওবাদী। ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) দান্তেওয়াড়া জেলার নিরাপত্তা বাহিনী তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল। দান্তেওয়াড়ার এসপি গৌরব রাইয়ের সামনে আত্মসমর্পণ করে তারা। তাদের মধ্যে ৯ জনের মাথার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের জন্য ‘লোন ভারাতু’ (গোন্ডি ভাষায় এর অর্থ হল বাড়ি ফিরে আসার আবেদন)। যারা অস্ত্র সমর্পণ করে সমাজের মূলস্রোতে ফিরে এসেছে তাদের মধ্যে ৪ জন মহিলা মাওবাদীও রয়েছে।

    মাওবাদীদের মাথার দাম (Chhattisgarh)

    প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে আত্মসমর্পনকারীদের মধ্যে ৯ জনের মাথার মোট দাম ছিল সাড়ে ২৮ লাখ টাকা। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছে চন্দ্রান্না নামের এক প্রবীণ মাওবাদীও। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ৮ লাখ টাকা। ৮ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল অমিত ওরফে হুঙ্গার মাথারও। করুণা, দেবা কাওয়াসি, রাজেশ মাদকম, পাইকে ওয়্যাম, রাজু এবং মহেশ এদেরও মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মাওবাদীদের ফাঁপা আদর্শে বিরক্ত এবং দৈনন্দিন জীবনে বৈষম্যের শিকার হওয়ায় হতাশ হয়েছিল তারা। সেই কারণেই সমাজের মূলস্রোতে ফেরা।

    আত্মসমর্পণ করেছে ১০০৫ জন

    ছত্তিশগড় প্রশাসন সূত্রে খবর, বুধবারের আত্মসমর্পণের পর সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত আত্মসমর্পণ করেছে ১০০৫ জন মাওবাদী। এঁদের মধ্যে ২০০জনেরও বেশি মাওবাদীকে ধরতে ঘোষণা করা হয়েছিল মাথার দাম (Chhattisgarh)। এদিকে, বস্তারের অভ্যন্তরীণ অঞ্চল এবং নকশাল প্রভাবিত পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদী অভিযান আরও জোরদার করেছে। এনকাউন্টারে মারা গিয়েছে কিংবা নিরস্ত্র করা গিয়েছে ৪০০ এরও বেশি মাওবাদীকে।

    মাওবাদী দমন অভিযান চালানোর পাশাপাশি সরকারের নেওয়া কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা এবং মাও অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলছে। যার ফলে বনপার্টিদের (মাওবাদীরা জঙ্গলমহলে এই নামেই পরিচিত) সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাই প্রশাসনের কোনও গতিবিধি আর এখন জানতে পারছে না মাওবাদীরা। এর পাশাপাশি মাওবাদীদের অস্ত্র সমর্পণ করে সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার আহ্বানও জানানো হচ্ছে (Maoist) সরকারের তরফে। তার জেরেই দেশ ক্রমেই হচ্ছে মাওবাদী মুক্ত (Chhattisgarh)।

  • Vidyasagar University: তৃণমূল জমানায় ফের একবার স্বাধীনতা সংগ্রামীরা হয়ে গেলেন ‘সন্ত্রাসবাদী’

    Vidyasagar University: তৃণমূল জমানায় ফের একবার স্বাধীনতা সংগ্রামীরা হয়ে গেলেন ‘সন্ত্রাসবাদী’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশপ্রেমী বিপ্লবীরা সন্ত্রাসবাদী! তৃণমূল জমানায় ফের একবার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দেগে দেওয়া হল ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে। এর আগে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইতে ক্ষুদিরাম বসুকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ তকমা দিয়ে বিতর্কে (Controversy) জড়িয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। আর এবার খোদ বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Vidyasagar University) ইতিহাসের প্রশ্নপত্রে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তার পরেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ঘোর বিতর্ক। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস প্রশ্নপত্রে ভারতের মহান বিপ্লবীদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ স্রেফ একটা ভুল নয়, চরম অপমান। ইতিহাস বিকৃতির জঘন্য নজির।

    বিতর্কিত প্রশ্ন (Vidyasagar University)

    বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ পাতায় ১২ নম্বর প্রশ্নে লেখা হয়েছে, “মেদিনীপুরের তিনজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নাম কর যারা সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা নিহত হন?” শিক্ষাবিদদের মতে, প্রশ্নে যাঁদের উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরা হলেন ব্রিটিশ আমলে মেদিনীপুরের তিন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট – বার্জ, পেডি এবং ডগলাস। পেডিকে হত্যা করেছিলেন বিপ্লবী বিমল দাশগুপ্ত এবং জ্যোতিজীবন ঘোষ। ডগলাসকে হত্যা করেছিলেন প্রভাংশুশেখর পাল এবং প্রদ্যোৎকুমার ভট্টাচার্য। বার্জকে হত্যা করেছিলেন অনাথবন্ধু পাঁজা, মৃগেন্দ্রনাথ দত্ত, রামকৃষ্ণ রায়, নির্মলজীবন ঘোষ এবং ব্রজকিশোর চক্রবর্তী। এঁদের মধ্যে অনেকেই শহিদ হয়েছিলেন।

    ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা

    এই বিপ্লবীদের নামে আজও মেদিনীপুর শহরের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ। প্রশ্নপত্রের কথা প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মেদিনীপুরের বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, “এই সব ব্যক্তিরা শহিদ এবং দেশপ্রেমিক হিসেবেই পূজিত হয়ে আসছেন। তাঁদের সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত?” প্রশ্ন উঠছে (Vidyasagar University), “বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ কীভাবে এমন প্রশ্ন বা তার শব্দচয়ন অনুমোদন দিল? কীভাবে এমন একটি প্রশ্ন পরিষদের নজর এড়িয়ে ছাপা হল?” বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একাংশের মতে, প্রশ্নটি ভুল না ঠিক, তা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য ‘সন্ত্রাসবাদী’ শব্দচয়ন কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

    বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ। তাঁদের সাফ কথা, এই ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাইতে হবে। ভবিষ্যতে এমন ভুল যাতে না হয়, সেজন্য (Controversy) প্রতিজ্ঞা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উপযুক্ত ব্যবস্থাও নিতে হবে (Vidyasagar University)।

  • Earthquake: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নয়াদিল্লি, কম্পনের মাত্রা কত জানেন?

    Earthquake: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নয়াদিল্লি, কম্পনের মাত্রা কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠল নয়াদিল্লি (Delhi) ও সংলগ্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে কম্পন অনুভূত হয়েছে দিল্লিতে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৪। জাতীয় ভূতত্ত্ব পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, এদিন সকাল ৯টা ৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি হয়েছে।

    কম্পনের উৎসস্থল (Earthquake)

    কম্পনের উৎসস্থল ছিল দিল্লি থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে, হরিয়ানার ঝজ্জরে। কম্পনটি হয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ঝজ্জর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম প্রান্তের মেরঠ এবং শামলিতেও অনুভূত হয়েছে কম্পন। কম্পন টের পেয়েছেন হরিয়ানার সোনিপত ও হিসারের বাসিন্দারাও। দিল্লি সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশের নয়ডা ও হরিয়ানার গুরুগ্রামেও বহু সংস্থার অফিস রয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠেছে এই সব এলাকাও। ভয়ে অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন বিভিন্ন অফিসের কর্মীরা। রাজধানীর বাসিন্দারাও আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে চলে আসেন খোলা জায়গায়। যদিও এদিন বেলা সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। মেলেনি ক্ষয়ক্ষতির খবরও।

    সিসমিক জোনিং ম্যাপ

    সিসমিক জোনিং ম্যাপ (Earthquake) অনুযায়ী, ভারতকে চারটি সিসমিক জোন বা ভূমিকম্পন প্রবণ এলাকায় বিভক্ত করা হয়। এগুলি হল জোন ২, জোন ৩, জোন ৪ এবং জোন ৫। এই জোনগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হল জোন ৫। আর ঝুঁকি সব চেয়ে কম জোন ২-এ। দিল্লি পড়ে জোন ৪ এর আওতায়। তাই মাঝেমধ্যেই সেখানে দেখা দেয় ৫-৬ মাত্রার ভূমিকম্প। গত ফেব্রুয়ারি মাসেও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দিল্লি। তখনও কম্পনের মাত্রা ছিল ৪। ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ৫৯ শতাংশ এলাকায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে। ভূবিজ্ঞানীদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে দিল্লিতে ভূমিকম্প হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

    এদিকে, ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা দিয়েছে এনডিআরএফ। সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কভাবে সিঁড়ি ব্যবহার করে বাইরে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভূমিকম্প চলাকালীন যাঁরা গাড়ি চালান, তাঁদের খোলা জায়গায় (Delhi) দাঁড়িয়ে পড়ার পরামর্শও দেওয়া হয় (Earthquake)।

  • Guru Purnima 2025: আজ গুরুপূর্ণিমা, জানেন দিনটির তাৎপর্য? পালনই বা করেন কারা?

    Guru Purnima 2025: আজ গুরুপূর্ণিমা, জানেন দিনটির তাৎপর্য? পালনই বা করেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার, গুরুপূর্ণিমা (Guru Purnima 2025)। ফি বছর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিটি গুরুপূর্ণিমা হিসেবে পালিত (Rituals) হয়। সংস্কৃতে ‘গু’ শব্দের অর্থ ‘অন্ধকার’। ‘রু’ শব্দের অর্থ দূর করা। তাই ‘গুরু’ শব্দের অর্থ হল, ‘যিনি আমাদের মনের অন্ধকার দূর করেন’। গুরু আমাদের আত্মোপলব্ধি করতে সাহায্য করেন। এক অর্থে তাই গুরুপূর্ণিমা আসলে নিজেকে চেনার দিন। কেবল হিন্দুধর্ম নয়, বৌদ্ধধর্ম এবং জৈনধর্মেও গুরুপূর্ণিমার বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। বিশ্বের যে প্রান্তেই এই তিন ধর্ম সম্প্রদায়ের লোকজন রয়েছেন, তাঁরাই শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেন দিনটি। গুরুপূর্ণিমা পালন করেন শিখেরাও।

    গুরুপূর্ণিমার তিথি (Guru Purnima 2025)

    হিন্দুদের একটি অংশ আদিগুরু মানেন মহর্ষি বেদব্যাসকে। এই তিথিতেই জন্ম হয়েছিল তাঁর। তাই গুরুপূর্ণিমাকে অনেকে ব্যাস পূর্ণিমাও বলেন। এই ব্যাসদেব মহাভারতের রচয়িতা। বৈদিক জ্ঞানকে তিনিই ঋক, সাম, যর্জু এবং অথর্ববেদের চারটি খণ্ডে লিপিবদ্ধ করেন। এ বছর গুরুপূর্ণিমার তিথি শুরু হবে ১০ জুলাই, রাত ১টা ৩৬ মিনিটে, পূর্ণিমা ছাড়বে ১১ জুলাই রাত ২টো ৬ মিনিটে। হিন্দুদের বিশ্বাস, গুরুপূর্ণিমার দিনটি যে কোনও বিশেষ কাজ শুরু করার জন্য শুভ। এদিন বাড়িতে যে কোনও শুভ কর্ম করলে গৃহের উন্নতি হয়। ধর্মীয় কাজের জন্যও দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    শিবের দক্ষিণামূর্তি রূপ গুরুমূর্তি

    হিন্দুদের আর একটি মতে, শিবের দক্ষিণামূর্তি রূপকে গুরুমূর্তি বলা হয়। ব্রহ্মা-বিষ্ণু এবং সপ্তঋষি এই দিনটিতে মহাদেবের কাছ থেকে পরম জ্ঞান লাভ করেন। তাই শিবই হলেন আদি গুরু। হিন্দুদের পাশাপাশি দিনটি শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেন বৌদ্ধরাও। কথিত আছে, বুদ্ধদেব নৈরঞ্জনা নদীর তীরে বোধিবৃক্ষের নীচে বুদ্ধত্ব প্রাপ্ত হওয়ার পাঁচ সপ্তাহ পরে বুদ্ধগয়া থেকে সারনাথে চলে যান। সেখানে তিনি তাঁর পাঁচ পুরানো সঙ্গীকে প্রথম তাঁর বাণী প্রদান করেন। কারণ, বুদ্ধদেবের মনে হয়েছিল, ওই পাঁচজন তাঁর ধর্মের বাণী সহজে বুঝতে এবং আত্মস্থ করতে পারবেন। এই দিনটিতেই তিনি তাঁদের সেই জ্ঞান দিয়েছিলেন। তার ফলে ওই পাঁচজনও বুদ্ধত্ব প্রাপ্ত হন গুরুপূর্ণিমা তিথিতেই। বৌদ্ধরা অষ্টাঙ্গিক মার্গ পালন করেন। এই দিনে তাঁরা বিপাসনা পদ্ধতির মাধ্যমে সাধনা করেন গুরু নির্দেশিত পথে। নেপালে এই দিনটি শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়। এই দিনটি সে দেশে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়। এদিন শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের উপাদেয় খাবার, মালা এবং দেশীয় কাপড় দিয়ে তৈরি টপি নামক এক বিশেষ টুপি দিয়ে শিক্ষকদের শ্রদ্ধা জানান (Rituals)।

    গুরুপূর্ণিমা পালন করেন জৈনরাও

    গুরুপূর্ণিমা (Guru Purnima 2025) মর্যাদার সঙ্গে পালন করেন জৈনরাও। তাঁরা এই দিনটিকে পালন করেন ট্রিনোক গুহ পূর্ণিমা হিসেবে। জৈন ঐতিহ্য অনুসারে এই দিনে চতুর্মার শুরুতে চার মাসের বর্ষাকালের পশ্চাদপসরণে ভগবান মহাবীর চব্বিশতম তীর্থঙ্কর কৈবল্য প্রাপ্তির পর ইন্দ্রভূতি গৌতমকে, পরে গৌতম স্বামী নামে পরিচিত, একজন গণধরা, তাঁর প্রথম শিষ্য, এভাবেই তিনি নিজেই একজন ট্রিনোক গুহ হয়ে ওঠেন।

    ‘বর্ষাবাস’ পালন করেন সিংহলিরা

    সিংহলিরা এই  দিন থেকে ‘বর্ষাবাস’ পালন করেন, তাঁদের ক্যালেন্ডারে যখন বর্ষা আসে সেই অনুযায়ী। আর তাইল্যান্ডের বৌদ্ধরা একে বলেন ফানসা। জুলাই থেকে অক্টোবর অবধি শ্রদ্ধার সঙ্গে ‘বর্ষাবাস’ পালন করেন তাঁরা। ভিয়েতনাম, তিব্বত এবং কোরিয়ার বেশ কিছু বৌদ্ধ গোষ্ঠী এই সময় এক স্থান থেকে অন্যত্র যান না। মায়ানমারেও অনেকেই শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেন গুরু পূর্ণিমা।

    গুরুপূর্ণিমা পালন করেন শিখেরাও

    গুরুপূর্ণিমা (Guru Purnima 2025) পালন করেন শিখ ধর্মাবলম্বীরাও। এটি গুরু বা শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের দিন। শিখ ধর্মে গুরু বা শিক্ষককে ঈশ্বরের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গুরু পূর্ণিমার দিন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। এদিন গুরুদের কাছ থেকে জ্ঞান ও নির্দেশনা লাভের জন্য প্রার্থনা করা হয় (Rituals)। শিখদের আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হল গুরুপূর্ণিমা। এদিন থেকেই গুরুদের দেখানো পথে চলতে প্রাণিত হন শিখেরা। গুরু পূর্ণিমা শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি বৃদ্ধির একটি উপলক্ষ। এই দিনে শিখেরা এক সঙ্গে মিলিত হয়ে গুরুদের পূজা করে এবং তাঁদের শিক্ষাগুলি স্মরণ করে। গুরু পূর্ণিমার দিনে শিখেরা তাঁদের ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিব পাঠ করেন। গুরুদের জীবনী আলোচনা করেন এবং তাঁদের আদর্শে জীবন যাপন করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। গুরুপূর্ণিমা শিখদের জন্য একটি পবিত্র দিন (Rituals), যা তাদের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উন্নতির জন্য উৎসর্গীকৃত (Guru Purnima 2025)।

  • Microsoft: পাকিস্তান থেকে পাততাড়ি গুটোল টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট

    Microsoft: পাকিস্তান থেকে পাততাড়ি গুটোল টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ বছর ধরে ব্যবসা করার পর এবার পাকিস্তান থেকে পাততাড়ি গুটোল টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট (Microsoft)। ২০০০ সালে পাকিস্তানে কাজ শুরু করেছিল এই সংস্থা। যদিও এখানে কোনও দিনই মাইক্রোসফটের পূর্ণাঙ্গ কর্পোরেট অফিস ছিল না। তবে শাহবাজ শরিফের দেশে (Pakistan) এন্টারপ্রাইজ, শিক্ষা এবং সরকারি খাতে মাইক্রোসফটের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। সংস্থা পাততাড়ি গুটোনোয় আশঙ্কিত পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিও।

    শিক্ষাক্ষেত্রে মাইক্রোসফটের অবদান (Microsoft)

    শিক্ষাক্ষেত্রে মাইক্রোসফট সংস্থা উচ্চশিক্ষা কমিশন ও পঞ্জাব গ্রুপ অফ কলেজেসের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে যাতে মাইক্রোসফট টিমসের মতো প্লাটফর্মের মাধ্যমে ডিজিটার দক্ষতা প্রশিক্ষণ এবং দূরশিক্ষা দেওয়া যায়। পাকিস্তানের সরকারি খাতে মাইক্রোসফট ২০০টিরও বেশি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিগত সমাধান দিয়েছে। এর পাশাপাশি মাইক্রোসফট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং অনলাইন কোর্স করানোর মতো উদ্যোগেও জড়িত এই টেক জায়ান্ট। সেই সংস্থাই এবার ব্যবসা গুটোচ্ছে পাকিস্তান থেকে।

    কী বলছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন কান্ট্রি ম্যানেজার

    কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ মাইক্রোসফট পাকিস্তানের প্রাক্তন কান্ট্রি ম্যানেজার জাওয়াদ রহমান বলেন, সংস্থার এই সিদ্ধান্ত ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০০০ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জাওয়াদ। তিনি বলেন, মাইক্রোসফটের এই সিদ্ধান্তে একটি ইঙ্গিত স্পষ্ট, সেটি হল পাকিস্তানের বর্তমান পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে বড় সংস্থাগুলিকে। নিজের লিঙ্কডইন প্রোফাইলে তিনি লিখেছেন, এক অধ্যায়ের অবসান হল।

    ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের (Microsoft) প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভিও। তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ঘন ঘন সরকার পরিবর্তন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, অস্থিতিশীল মুদ্রার দর, জটিল বাণিজ্য নীতির কারণে পাকিস্তানে কাজ করতে অসুবিধা বোধ করছে বিভিন্ন সংস্থা।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইক্রোসফটের এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক সেক্টরের কাছে বড় ধাক্কা। যেখানে দেশে ঋণের বোঝা বেড়েই চলেছে, আর্থিক উন্নতির কোনও দিশা নেই, সেখানে মাইক্রোসফটের মতো বড় সংস্থার বিদায়ের সে দেশের অর্থনীতির হাল যে বেহাল হবে, তা বলাই বাহুল্য।

    জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে মাইক্রোসফট পাকিস্তানে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণের কথা ভেবেছিল। কিন্তু স্থিতাবস্থার অভাবে সংস্থাটি বিকল্প হিসেবে ভাবতে শুরু করে ভিয়েতনামকে। তার পর থেকেই আস্তে আস্তে পাকিস্তান (Pakistan) থেকে পাততাড়ি গুটোতে শুরু করে মাইক্রোটেক (Microsoft)।

  • Ramakrishna 405: শ্রী রামকৃষ্ণ তারকের প্রতি, সাধু — সাবধান! কামিনী কাঞ্চন থেকে সাবধান

    Ramakrishna 405: শ্রী রামকৃষ্ণ তারকের প্রতি, সাধু — সাবধান! কামিনী কাঞ্চন থেকে সাবধান

    তারক বিবাহ করিয়াছেন। বাপ-মা ঠাকুরের কাছে আসিতে দেন না। কলকাতায় বউবাজারের কাছে বাসা আছে — সেখানেই আজকাল প্রায় থাকেন। তারককে ঠাকুর বড় ভালবাসেন। সঙ্গে ছোকরাটি একটু তমোগুণী; ধর্ম বিষয়ক, ঠাকুরের সম্বন্ধে একটু ব্যঙ্গ ভাব। তারকের বয়স আন্দাজ বিংশতি বৎসর। কারও কাছে ঠাকুরকে ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন।

    শ্রী রামকৃষ্ণ তারকের বন্ধুর প্রতি —
    “একবার দেবালয়ে সব দেখে এসো না।”

    বন্ধু:
    “ও, সব দেখা আছে।”

    শ্রী রামকৃষ্ণ:
    “এনিই হেডমাস্টার?”

    বন্ধু:
    “ও।”

    ঠাকুর তারককে কুশল প্রশ্ন করিতেছেন, আর তাহাকে সম্বোধন করিয়া অনেক কথা কইতেছেন। তারক অনেক কথাবার্তার পর বিদায় গ্রহণ করিতে উদ্বুদ্ধ হইলেন। ঠাকুর তাহাকে নানা বিষয়ে সাবধান করিয়ে দিতেছেন।

    শ্রী রামকৃষ্ণ তারকের প্রতি: “সাধু — সাবধান! কামিনী কাঞ্চন থেকে সাবধান। মেয়ে-মানুষের মায়াতে একবার ডুবলে আর উঠবার জোর নাই। বিষালক্ষীর দোয়ায় যে একবার পড়েছে, সে আর উঠতে পারে না। আর এখানে এক-একবার আসবি।”

    তারক:
    “বাড়িতে আসতে দেয় না।”

    একজন ভক্ত:
    “যদি কারুর মা বলেন, ‘তুই দক্ষিণেশ্বরে যাস না’, যদি দিব্যি দেন, আর বলেন — ‘যদি যাস, তো আমার রক্ত খাবি!”

    শ্রী রামকৃষ্ণ বলেন — যে ‘মা’ ও কথা বলে, সে মা নয়; সে অবিদ্যারূপিণী। সেই মায়ের কথা না শুনলে কোনো দোষ নেই, কারণ সে মা ঈশ্বরলাভের পথে বাধা দেয়। ঈশ্বরের জন্য গুরুজনের বাক্য লঙ্ঘনে দোষ নেই। ভরত রামের জন্য কৈকেয়ীর কথা শোনেনি, গোপীরা কৃষ্ণ দর্শনের জন্য স্বামীদের মানা শোনেনি, প্রহ্লাদ ঈশ্বরের জন্য পিতার কথা মানেনি, বলি ভগবানের প্রীতির জন্য গুরু শুক্রাচার্যের কথা মানেনি, বিভীষণ রামকে পাওয়ার জন্য রাবণের কথা শোনেনি।

  • India: আফগানিস্তান সম্পর্কে খসড়া প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রইল ভারত

    India: আফগানিস্তান সম্পর্কে খসড়া প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রইল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় আফগানিস্তান সম্পর্কে একটি খসড়া প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রইল ভারত (India)। নয়াদিল্লির প্রতিনিধি সাফ জানিয়ে দেন, আগের মতো কাজ চালিয়ে যাওয়া পদ্ধতি সম্ভবত সেই ফল এনে দেবে না, যা বৈশ্বিক সম্প্রদায় আফগান (Taliban) জনগণের জন্য কল্পনা করে।

    জার্মানির খসড়া প্রস্তাব (India)

    রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৯৩। সেখানে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে গ্রহণ করা হয় জার্মানির প্রস্তাবিত একটি খসড়া প্রস্তাব। প্রস্তাবটি ১১৬টি ভোটে গৃহীত হয়। প্রস্তাবের বিরোধিতা করে  ২টি দেশ। ভোটদানে বিরত ছিল ১২টি দেশ। এর মধ্যে ছিল ভারতও।

    কেন ভোট দেয়নি ভারত

    কেন ভোটদানে বিরত ছিল ভারত? এর উত্তরে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত পার্বতনেনি হরিশ বলেন, “সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যে কোনও সুসংগঠিত নীতির মধ্যে নীতিগত উপকরণগুলির একটি সুষম সংমিশ্রণ থাকতে হবে — যেখানে ইতিবাচক আচরণকে উৎসাহ দেওয়া হবে এবং ক্ষতিকর কাজকর্মকে নিরুৎসাহিত করা হবে।” তিনি বলেন, “আমাদের দৃষ্টিতে শুধুমাত্র দণ্ডমূলক পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে কোনও কৌশল সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। রাষ্ট্রসংঘ এবং বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অন্যান্য সংঘাত-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও সূক্ষ্ম পন্থা গ্রহণ করেছে।” হরিশ বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।” তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ প্রচেষ্টা পরিচালিত হওয়া উচিত এমনভাবে যাতে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দ্বারা মনোনীত সত্তা ও ব্যক্তিবর্গ, আল কায়েদা ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠী, আইএসআইএল ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলি — যার মধ্যে লস্কর-ই-তৈবা এবং জৈশ-ই-মহম্মদের মতো গোষ্ঠী ও তাদের আঞ্চলিক পৃষ্ঠপোষকরা (Taliban) অন্তর্ভুক্ত — যাতে আর আফগানিস্তানের ভূখণ্ডকে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের জন্য ব্যবহার করতে (India) না পারে।” ভারতের নিশানায় যে পাকিস্তান, তা স্পষ্ট এই ইঙ্গিতেই।

    আঞ্চলিক সহযোগিতাকে স্বীকৃতি

    খসড়া প্রস্তাবটি আঞ্চলিক সহযোগিতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক অংশীদার এবং আঞ্চলিক সংস্থাগুলির অবদানকে আফগান জনগণের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরেছে। এর মধ্যে ভারতের, ইরানের ও তুরস্কের মতো দেশগুলির প্রদত্ত শিক্ষার সুযোগ এবং কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানে আফগান শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য আঞ্চলিক কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত। এই সুযোগগুলি আফগানিস্তানের ভবিষ্যতের প্রতি আঞ্চলিক ঐক্য ও বিনিয়োগের একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। প্রস্তাবটিতে তালিবানকে তাদের বন্ধু দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতা গড়ে তুলতে এবং এই বিষয়ে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতার সুবিধা নিতে প্রয়োজনীয় কাঠামো গঠনের আহ্বানও জানানো হয়েছে।

    এশিয়ার ‘ল্যান্ড ব্রিজ’

    প্রস্তাবটি আফগানিস্তানের সম্ভাব্য ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্ত করতে পারে। এছাড়া আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তঃআঞ্চলিক অর্থনৈতিক (Taliban) প্রক্রিয়ায় একীভূত হওয়াকেও স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে (India)। এটি আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, যেখানে দেশটি এশিয়ার একটি ‘ল্যান্ড ব্রিজ’ হিসেবে কাজ করেছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    ভারতের মানবিক সহায়তা দান

    এছাড়াও প্রস্তাবটিতে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশ ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে আঞ্চলিক সংযুক্তি প্রকল্পগুলির গুরুত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যেগুলি দেশটিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে নিতে যেতে পারে। হরিশ বলেন, “আফগানিস্তানে ভারতের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে মানবিক সহায়তা দান এবং আফগান জনগণের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ বাস্তবায়ন।” তিনি বলেন, “আমরা রাষ্ট্রসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা ও খেলাধুলোর মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে আফগান জনগণকে সাহায্য করা যায়। আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে ভারতের প্রতিশ্রুতি প্রমাণিত হয়েছে দেশের সকল প্রদেশজুড়ে ৫০০-রও বেশি উন্নয়ন সহযোগিতা প্রকল্পের মাধ্যমে (India)।”

    তালিবানের কাবুল দখল

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের (Taliban) অগাস্টে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখল করে তালিবান। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ভারত প্রায় ৫০,০০০ মেট্রিক টন গম, ৩৩০ মেট্রিক টনেরও বেশি ওষুধ ও টিকা, ৪০,০০০ লিটার কীটনাশক মালাথিয়ন এবং ৫৮.৬ মেট্রিক টন অন্যান্য জরুরি সামগ্রী সরবরাহ করেছে। ভারতের এই সাহায্য চরম সংকটে থাকা লাখো আফগানকে সাহায্য করেছে। রাষ্ট্রসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দফতর (UNODC)-এর সঙ্গে অংশীদারিত্বে, ভারত আফগানিস্তানে মাদক নিরাময় কর্মসূচির জন্য, বিশেষ করে নারীদের জন্য ৮৪ মেট্রিক টন সহায়তা ও ওষুধ এবং ৩২ মেট্রিক টন সামাজিক সহায়তা সামগ্রী পাঠিয়েছে। ভারত এখনও আফগান ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৃত্তি ও ফেলোশিপ দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৩ সাল (Taliban) থেকে ভারত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে প্রায় ২,০০০ জন আফগান শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৬০০ জন নারী (India)।

  • CDS Gen Chauhan: ভারতের উত্থান ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ!

    CDS Gen Chauhan: ভারতের উত্থান ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে বিশ্বরাজনীতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতের উত্থানকে ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন,পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ (Pakistan China Bangladesh)। ত্রিশক্তির এই আঁতাত উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল (CDS Gen Chauhan) অনিল চৌহান। তিনি বলেন, “এই তিনটি দেশের মধ্যে আঁতাত হলে তা গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে ভারতের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে।”

    পাকিস্তানকে হাতিয়ার করছে চিন! (CDS Gen Chauhan)

    ভারতকে ‘টাইট’ দিতে পাকিস্তানকে হাতিয়ার করছে চিন। এদিনের অনুষ্ঠানে চিন ও পাকিস্তানের সম্পর্ক প্রসঙ্গে জেনারেল চৌহান বলেন, “দেশের সামরিক ভান্ডার সুসজ্জিত করতে গত পাঁচ বছরে চিনের কাছ থেকে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ যুদ্ধাস্ত্র কিনেছে পাকিস্তান। চিনের সামরিক সংস্থাগুলির সঙ্গে পাকিস্তানের বাণিজ্যিক নির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলির অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বহিরাগত শক্তিগুলি তাদের প্রভাব কাজে লাগানোর সুযোগ পেয়েছে।” ভারতের সুরক্ষায় এই প্রভাব দুর্বলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে দাবি করেছেন সেনা সর্বাধিনায়ক।

    হিন্দু পর্যটককে হত্যা

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার পক্ষকাল পরেই পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করতে অপারেশন সিঁদুর চালায় নরেন্দ্র মোদির ভারত। নয়াদিল্লির এই অভিযানে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি। পাল্টা আক্রমণ করে পাক সেনা। এর পর ৭-১০ মে পর্যন্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। শেষে নরেন্দ্র মোদির ভারতের বিক্রমের কাছে হার মানে শাহবাজ শরিফের দেশ। তার পরেই পাকিস্তানের তরফে আসে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে ভারত।

    অপারেশন সিঁদুর

    এদিনের অনুষ্ঠানে অপারেশন সিঁদুরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন সেনা সর্বাধিনায়ক (CDS Gen Chauhan)। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, এটি কয়েকদিনের একটি সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছিল। তবে এটা ঠিক যে, এই সময়ে দেশের উত্তর সীমান্তে কোনও সমস্যা করেনি শি জিনপিংয়ের দেশ চিনের সেনাবাহিনী (Pakistan China Bangladesh)।” তিনি বলেন, “পারমাণবিক কোনও শক্তির দ্বারা তাদের দমানো যাবে না বলে আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছে ভারত। তবে এই প্রথম পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশ সরাসরি জড়িয়ে পড়ে সামরিক সংঘাতে।” চৌহান বলেন, “পারমাণবিক অস্ত্র আবিষ্কারের পর থেকে বিশ্বজুড়ে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটেছে।” তিনি বলেন, “সেই সব ঘটনার বিচারে অপারেশন সিঁদুর খানিক আলাদা। এর থেকে দেশ তথা বিশ্ব আগামী দিনে শিক্ষা নিতে পারবে।”

    কী বললেন চৌহান?

    তাঁর যুক্তির সমর্থনে এদিন তিনটি মৌলিক মতামত তুলে ধরেন চৌহান। তিনি বলেন, “প্রথমত, ভারতের পারমাণবিক মতবাদে এই শক্তিকে সর্বপ্রথম ব্যবহারের কোনও জায়গা নেই। আমার মনে হয়, এই বিষয়টি আমাদের অনেক বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের দূরত্ব বজায় রাখতেও সাহায্য করেছে। দ্বিতীয়ত, জবাবি হামলায় ভারত শুধু জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করেছে।” তিনি বলেন, “বিষয়টি বাকিদের কাছে প্রতিশোধ নেওয়ার মতো শোনালেও, আগামী দিনে এই হামলা রুখতে ভারতের প্রয়োজন ছিল এই পদক্ষেপের (CDS Gen Chauhan)।”

    সেনা সর্বাধিনায়কের বক্তব্য

    সেনা সর্বাধিনায়ক জানান, বর্তমানে যুদ্ধের ধরন অনেক বদলে গিয়েছে (Pakistan China Bangladesh)। ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল, হাইপারসোনিক অস্ত্রের মাধ্যমে হামলা সম্পূর্ণ রক্ষা পাওয়ার পদ্ধতি বিশ্বের কোনও দেশের কাছেই নেই। ফলে ভারতকে পুরানো এবং নতুন উভয় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে বলেও জানান সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহান।

    সিডিএস জেনারেলের বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ

    গত বছরের জুলাই মাসে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। আশ্রয় নেন ভারতে। বাংলাদেশের রাশ ধরেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন ইউনূস। আর শুনতে খারাপ লাগলেও, তাঁর আমলেই বাংলাদেশে চরমে ওঠে হিন্দু নির্যাতন। মন্দির-বিগ্রহ ভাঙচুরের পাশাপাশি নির্বিচারে খুন করা হয় হিন্দুদের। সীতা-সাবিত্রীর ধর্মের মহিলাদের ধর্ষণও করা হয় বলে অভিযোগ। বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় চাকরিরত হিন্দু পদাধিকারীদের রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া হয় কোনও কারণ ছাড়াই। বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের সর্বত্র (CDS Gen Chauhan)। তার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক ঠেকেছে তলানিতে। এহেন আবহে সিডিএস জেনারেলের বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    চৌহান বলেন, “চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটি সম্ভাব্য স্বার্থের মিল রয়েছে (Pakistan China Bangladesh), যা নিয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি এবং যার প্রভাব ভারতের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর পড়তে পারে (CDS Gen Chauhan)।”

LinkedIn
Share