Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh: মারাই গেলেন হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাস, জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইউনূসের বাংলাদেশে

    Bangladesh: মারাই গেলেন হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাস, জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইউনূসের বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মারাই গেলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাস। বর্ষবরণের রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী প্রথমে ছুরিকাঘাত করে তাঁকে, পরে গায়ে লাগিয়ে দেয় আগুন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর (Hindu Businessman)। ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৭টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রায় তিন দিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন খোকন। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, “শরিয়তপুর জেলার দামুদ্যা উপজেলার অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আহত খোকন দাস আজ সকাল ৭টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা গিয়েছেন।”

    হিন্দু ব্যবসায়ীর ওপর হামলা (Bangladesh) 

    নববর্ষের রাতে শরিয়তপুরের দামুদ্যা উপজেলায় একদল দুর্বৃত্ত খোকনের ওপর হামলা চালিয়েছিল। হামলাকারীরা প্রথমে তাঁকে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায়, পরে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।এই ঘটনার জেরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে নতুন করে (Bangladesh)। চিকিৎসকদের মতে, খোকনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ দগ্ধ হয়েছে। আগুনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাঁর মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই আঘাতগুলি অত্যন্ত গুরুতর ছিল। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন হলেই দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন (Hindu Businessman)।

    শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন

    শরিয়তপুর জেলার দামুদ্যা উপজেলার কোনেশ্বর ইউনিয়নের কেয়ুরভাঙা বাজার এলাকায় ছিল খোকনের ওষুধের দোকান। বর্ষবরণের রাতেও প্রতিদিনের মতোই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। এই সময় একদল দুর্বৃত্ত পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে থাকে তাঁকে। পরে তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা। প্রাণ বাঁচাতে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন খোকন। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে হামলাকারীরা চম্পট দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয় (Bangladesh)। শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত এক ব্যবসায়ী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহতের নাম দাস। তিনি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    চিকিৎসকের বক্তব্য

    স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দাসকে উদ্ধার করে প্রথমে শরিয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা সেদিন রাতেই তাকে ঢাকায় রেফার করেন। শরিয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নজরুল ইসলাম জানান, খোকন দাসের শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর পেটে গুরুতর ক্ষত ছিল। তাঁর মুখমণ্ডল, মাথার পেছনের অংশ ও হাতের একটা অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। ডামুড্যা থানার পুলিশ সূত্রে খবর, খোকন কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।   ঘটনার সময় তিনি একটি অটোরিকশায় চড়ে ডামুড্যা–শরিয়তপুর সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায় (Hindu Businessman)।

    কী বলছেন ওসি

    ডামুড্যা থানার ওসি মহম্মদ রবিউল হক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দু’জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “কেওড়ভাঙা বাজারে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই (Bangladesh)। হামলাকারীদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দা রাব্বি ও সোহাগ। তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    গ্রেফতারির দাবি

    নিহতের এক আত্মীয় বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া যাবে না। যাদের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।” নিহতের স্ত্রী সীমা দাস জানান, বাড়িতে ঢোকার মুহূর্তেই তাঁর স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “আমার স্বামী পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি বাড়িতে ঢোকার সময় একদল লোক তাঁর ওপর হামলা চালায়। তারা গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমার স্বামী অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। কারও সঙ্গে তাঁর কোনও শত্রুতা ছিল না। কেন হামলা করা হল, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না (Hindu Businessman)।”

    প্রসঙ্গত, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হিংসার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে (Bangladesh)। গত মাসেই ময়মনসিংহে পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে মিথ্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে খুন করা হয়। একই সময়ে রাজবাড়িতে তোলাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে আর এক হিন্দু যুবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করা হয়। পরপর এই ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহল, ধর্মীয় সংগঠন এবং সংখ্যালঘু অধিকার সংগঠনগুলির মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে এই হিংসার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে (Hindu Businessman)। দাবি উঠেছে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার (Bangladesh)।

  • Chhattisgarh: নতুন বছরের শুরুতেই নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য, ছত্তিশগড়ে খতম ১৪ মাওবাদী

    Chhattisgarh: নতুন বছরের শুরুতেই নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য, ছত্তিশগড়ে খতম ১৪ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের নতুন বছরে মাওবাদী দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য। ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ২টি পৃথক মাওবাদী-বাহিনী সংঘর্ষে ১৪ জন মাওবাদী (Maoist Security) নিহত হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে রাজ্যের সুকমা ও বিজাপুর জেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    লোকাল কমিটির সম্পাদক মাংডুও নিহত (Chhattisgarh)

    স্থানীয় জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ সুকমা (Chhattisgarh) জেলায় এক সংঘর্ষে ১২ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। একই ভাবে পার্শ্ববর্তী বিজাপুরে পৃথক সংঘর্ষে আরও দুইজন মাওবাদী (Maoist Security) নেতা নিহত হয়েছে। জেলা রিজার্ভ গার্ড পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে ভোর ৫টায় বিজাপুরে এই সংঘর্ষ হয়। এদিনের অভিযানে মৃত মাওবাদীদের মধ্যে সুকমার কোন্টা লোকাল কমিটির সম্পাদক মাংডুও ছিল। অন্যদিকে, পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি ব্যাটেলিয়ন ১-দলের শীর্ষ নেতা কমান্ডার বরসা সুক্কু সহ বেশ কয়েকজন মাওবাদীরা আজ তেলঙ্গানা পুলিশের ডিজি শিবধর রেড্ডির কাছে আত্মসমর্পণ করার কথা।

    এখনও পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি মাওবাদী নিহত

    সুকুমার পুলিশ সুপার কিরণ চৌহান বলেন, “কোন্টা এরিয়া (Chhattisgarh) কমিটির অধীনে কর্মরত সমস্ত মাওবাদীকে (Maoist Security) নির্মূল করা হয়েছে। নকশাল, মাওবাদীদের মতো চরমপন্থী সংগঠনকে নির্মূল করতে কেন্দ্রের মাওবাদী অভিযানকে বাস্তবায়ন করার কাজ চলছে।” উল্লেখ্য ছত্তিশগড়ে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্য এবং কেন্দ্রের যৌথ অভিযানে মাওবাদী ও সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গঠনের ডাক দিয়েছেন। যদিও ইতিমধ্যে ধাপে ধাপে অনেক মাওবাদী পুলিশ প্রশাসনের কাছে নিজেরা আত্মসমর্পণ করেছেন। ২০২৪ সাল থেকে একাধিক অভিযানে এখনও পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি মাওবাদী নিহত হয়েছেন। মাওবাদী প্রভাবিত এলাকায় সেনা এবং পুলিশ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে।

  • TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা অঙ্গন বিতর্কে বেকায়দায় তৃণমূল (TMC)। এই ইস্যুতে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফের একবার তোপ দাগল বিজেপি। পদ্মশিবিরের দাবি, এই প্রকল্প ঘিরেই সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য রাজনীতিতে (Muslim Vote Bank) নতুন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তৃণমূল সরকার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা সরণির ধারে সরকারি জমিতে বৃহৎ দুর্গা অঙ্গন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একে মা দুর্গার প্রতি ‘সভ্যতাগত শ্রদ্ধার্ঘ্য’ বলে উল্লেখ করা হয়। দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন কড়া নাড়ায় প্রকল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জমি নির্বাচনও করা হয়। দ্রুত টেন্ডার ডেকে তড়িঘড়ি করে চুক্তি স্বাক্ষর এবং মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়ে যায়।

    ৪ কোটি টাকা জলে (TMC)

    সরকারি নথি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি (Muslim Vote Bank)। হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়, যখন স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ দাবি তোলে যে ওই জমি মুসলিম ওরিজিন এবং সেখানে একটি হিন্দু ধর্মীয় কাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থ ব্যয় করা অনুচিত। এই আপত্তির পরেই অভিযোগ, রাজ্য সরকার আচমকাই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে (TMC) বিতর্কের বিষয় হল, এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে কোনও ব্যাখ্যা, কোনও দায়বদ্ধতা নির্ধারণ, এবং ইতিমধ্যেই ব্যয় হওয়া অর্থ ফেরতের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি (Muslim Vote Bank)। শেষ মুহূর্তে প্রকল্পের শিলান্যাস অন্য একটি জমিতে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা আদতে শিল্প প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ছিল।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    তৃণমূলের তুষ্টিকরণের এই রাজনীতিকেই নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম-নেতা অমিত মালব্য এই ঘটনাকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি শাসনের নামে আতঙ্কজনিত তোষণ। তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক রক্ষার জন্য করদাতাদের কোটি কোটি টাকা জলে ফেলা হয়েছে।” বিজেপির আরও অভিযোগ, দুর্গা সংক্রান্ত প্রকল্পে বারবার পিছু হটা এক ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে, যেন হিন্দু ধর্ম ও ঐতিহ্য রাজনৈতিক চাপের কাছে  আপসযোগ্য। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে আগে সমাজমাধ্যমে লেখেন, “এবার ছুঁচো গেলার অবস্থা হয় মাননীয়ার ! নিজেকে হিন্দু প্রমাণ করতে গিয়ে দুর্গাঙ্গন, মহাকাল মন্দির ইত্যাদি বানানোর ঘোষণা করা হয়ে গেছে, আবার মুসলিম ভোট ব্যাংক কে চটালে সাড়ে সর্বনাশ!” নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও লেখেন, “অজ্ঞতা ভোট ব্যাংকের ওজনের ভারের তুলনায় হিন্দুদের ভাবাবেগ হালকা, তাই তাড়াতাড়ি স্থান পরিবর্তন করে বর্তমানে দুর্গাঙ্গনের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে নিউটাউনের বাস স্ট্যান্ডের পাশে। এবারের চিহ্নিত জমি শিল্পের জন্যে নির্ধারিত ছিল!”

    বিজেপির অভিযোগ (TMC)

    বিজেপির দাবি, এই ঘটনা শুধুই আর্থিক অপচয় নয় (TMC), বরং রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিও অবমাননাকর। এদিকে, দুর্গাপুজো ও হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে ফের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) আক্রমণ শানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তে একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে সাংবিধানিক সমতা ও সাংস্কৃতিক মর্যাদার বদলে ভোটের অঙ্কই প্রধান হয়ে উঠেছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত হিন্দু সমাজের ধর্মীয় অধিকারকে খর্ব করছে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও রাজনৈতিক তোষণের জন্য দুর্গাপুজোর সঙ্গে আপোস করেছেন। পোস্টে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর আপত্তি উঠলেই হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করাকে রাজ্য সরকার কার্যত স্বাভাবিক করে তুলেছে।

    হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির আরও অভিযোগ, এই ধরনের অবস্থান নির্বাচিত কিছু গোষ্ঠীকে বিক্ষোভে উৎসাহিত করছে এবং রাজ্যের হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয় ও অনাস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এর ফলে রাজ্যে ধর্মীয় সহাবস্থানের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি (TMC)। তবে দুর্গাপুজো ঘিরে রাজনৈতিক তরজা যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা স্পষ্ট। একটি রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ২০১৬ সালে বীরভূম জেলার একটি গ্রামে টানা চার বছর ধরে দুর্গাপুজো করার অনুমতি পায়নি গ্রামের শতাধিক হিন্দু পরিবার। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই গ্রামের বাসিন্দারা জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ একাধিক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে বারবার আবেদন করলেও, পুজোর অনুমতি মেলেনি।

    উদ্যোক্তাদের দাবি

    উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রায় ২৫টি মুসলিম পরিবারের আপত্তির পরেই প্রশাসন দুর্গাপুজোর অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় পুজোর সংখ্যা আগেই চূড়ান্ত করা হয়ে গিয়েছিল (Muslim Vote Bank)। তাই নতুন করে আর কোনও পুজোর অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই (TMC)। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। কাংলাপাহাড়ি দুর্গা মন্দির কমিটির সদস্য চন্দন সাউয়ের অভিযোগ, পুজো আয়োজনের অনুমতি না মেলায় ওই এলাকার মহিলা ও শিশুদের দুর্গাপুজোয় আনন্দ করতে তিন থেকে আট কিলোমিটার পর্যন্ত পথ যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি জানা সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ করেনি। কারণ তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশকে বিরূপ করতে চায়নি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় বিজেপির প্রতিক্রিয়া, এটি রাজনৈতিক চাপে পরিচালিত প্রশাসনিক পক্ষপাতের স্পষ্ট উদাহরণ (TMC)। বিজেপি এও মনে করিয়ে দিয়েছে, ২০১৭ সালে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের কথাও (Muslim Vote Bank)। সেই সময় মহরমের মিছিলের কথা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও হয়েছিল এবং কলকাতা হাইকোর্ট সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছিল।

    কী বলেছিল আদালত

    হাইকোর্ট তখন ওই সিদ্ধান্তকে খামখেয়ালি বলে আখ্যা দিয়েছিল। পর্যবেক্ষণে আদালত জানিয়েছিল, রাজ্য সরকার একটি সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে গিয়ে অন্য সম্প্রদায়ের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। কড়া ভাষায় দেওয়া সেই নির্দেশে আদালত স্পষ্ট জানায়, সরকার এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে। আদালত আরও উল্লেখ করেছিল, পূর্ববর্তী (Muslim Vote Bank) বছরগুলিতে (TMC) এই ধরনের কোনও বিধিনিষেধ ছিল না।

  • PM Narendra Modi: ১৭, ১৮ জানুয়ারি ফের রাজ্যে আসছেন মোদি, মালদা-হাওড়ায় করবেন জোড়া জনসভা

    PM Narendra Modi: ১৭, ১৮ জানুয়ারি ফের রাজ্যে আসছেন মোদি, মালদা-হাওড়ায় করবেন জোড়া জনসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর আবহে শুনানি পর্ব চলছে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন তাই রাজনৈতিক প্রচারে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতেই ২ দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এই সময়ে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গে (Malda-Howrah) জোড়া সফর করবেন মোদি। আগামী ১৭ জানুয়ারি উত্তর মালদায় সভা করবেন।  পরের দিন, ১৮ জানুয়ারি দক্ষিণবঙ্গের হাওড়ায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিধানসভার আগে মোদির সভাকে ঘিরে বিজেপির নেতা কর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ এবং উন্মাদনা।

    ভোট ব্যাঙ্ক হারাতে বসেছে তৃণমূল (PM Narendra Modi)

    গত ১০ ডিসেম্বর নদিয়ার তাহেরপুরে সভার জন্য বাংলায় এসেছিলেন মোদি। দৃশ্যমানতা কম থাকায় তাঁর হেলিকাপ্টার তাহেরপুরে নামতে পারেনি। হেলিকাপ্টার ফিরে আসে কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকেই ভারচুয়ালি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূলের বিভিন্ন দুর্নীতি নিয়ে সরব হন। এই রাজ্যেও পরিবর্তনের ডাক দেন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও বাংলায় ভোটের পারদ ব্যাপক ভাবে চড়ছে। যদিও শাসক দল এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকার বারবার নিশানা করেছে। অপর দিকে বিজপির দাবি, রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া হচ্ছে। তৃণমূল তাদের ভোট ব্যাঙ্ক হারাতে বসেছে তাই এতো ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    লক্ষ্য মাত্রা ২০০-২২০ আসন

    গত ২৯ ডিসেম্বর রাজ্যে এসেছিলেন মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং নেতাদের স্পষ্ট আশ্বাস দেন যে, এবার ক্ষমতায় বিজেপি আসছে। মোট আসনের দুই তৃতীয়াংশ আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের ভিত্তিতে বিজেপি সরকার গড়তে চলেছে। বাংলায় পরিবর্তন সুনিশ্চিত। বিজেপির নেতাদের লক্ষ্য মাত্রা দিয়েছেন ২০০ আসনের। একই ভাবে শুক্রবার মালদার চাঁচলে সভা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “রাজ্যের সনাতনীরা এক জোট হলে ২২০টি আসন পাবে বিজেপি। হিন্দু সমাজকে বাঁচতে এবং বাঁচাতে বিজেপিই একমাত্র সম্বল।”

    ইতিমধ্যে অপারেশন সিঁদুরের পর বঙ্গ সফরে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) আলিপুরদুয়ার, দুর্গাপুর, দমদম এবং কৃষ্ণনগরে (ভার্চুয়াল) সভা করেছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে জমে থাকা জনরোষকে বিজেপি কতটা ভোট বাক্সে প্রতিফলিত করতে পারে তাই এখন দেখার।

  • Rajnath Singh: “হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স”! ‘হোয়াইট-কলার টেরর’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাজনাথের

    Rajnath Singh: “হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স”! ‘হোয়াইট-কলার টেরর’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’-এর (White Collar Terror) প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি সতর্ক করে বলেন, মূল্যবোধহীন উচ্চশিক্ষা সমাজের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। শুক্রবার রাজস্থানের ভোপাল নোবেলস্ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ এই মন্তব্য করেন। গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    রাজনাথের বক্তব্য (Rajnath Singh)

    রাজনাথ জানান, ওই হামলায় অভিযুক্তরা সকলেই শিক্ষিত ও যোগ্য চিকিৎসক ছিল। এই ঘটনাকে তিনি এমন এক জ্বলন্ত উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা প্রমাণ করে যে কেবলমাত্র শিক্ষা থাকলেই নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হয় না। রাজনাথের বক্তব্য অনুযায়ী, শিক্ষার সঙ্গে নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার সংযোগ না থাকলে তা সমাজের পক্ষে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। শিক্ষাব্যবস্থায় মূল্যবোধের গুরুত্বের ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি (Rajnath Singh)।

    ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’

    দেশে বর্তমানে উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’। উচ্চশিক্ষিত হয়েও সমাজ ও দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছেন এক শ্রেণির মানুষ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “দিল্লির বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, তাদের মধ্যে চিকিৎসকও ছিল, এক হাতে ডিগ্রি, আর পকেটে আরডিএক্স। এই ঘটনাই স্পষ্ট করে দেয় যে, কেবল শিক্ষালাভই যথেষ্ট নয়, শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা ও চরিত্রগঠনও (White Collar Terror) জরুরি।” ১০ নভেম্বর দিল্লির রেড ফোর্ট এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে একটি বিস্ফোরকবোঝাই গাড়িতে। ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৫ জনের। গাড়িটি চালাচ্ছিল উমর-উন-নবি নামে এক চিকিৎসক। ঘটনার তদন্তে নেমে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি পরে একটি তথাকথিত ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’-এর সন্ধান পায় (Rajnath Singh)।

    গ্রেফতার ৩ চিকিৎসক

    এই মডিউলের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তিন চিকিৎসক মুজাম্মিল গনাই, আদিল রাদার এবং শাহিনা সইদ-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, শিক্ষিত ও পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাই এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এদিকে, ঘটনার প্রেক্ষাপটে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পেশাগত সাফল্য অর্জন নয়, নৈতিকতা, মূল্যবোধ (White Collar Terror) এবং মানবিক চরিত্র গঠনের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। যে শিক্ষা ব্যবস্থা জ্ঞান দেওয়ার পাশাপাশি বিনয়, চরিত্রবোধ ও ধর্ম, অর্থাৎ ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষা দিতে ব্যর্থ, তা কখনও সম্পূর্ণ হতে পারে না।”

    এমন শিক্ষা মারাত্মক পরিণতির কারণ হতে পারে

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Rajnath Singh)। রাজনাথ বলেন, “জঙ্গিরা সব সময় অশিক্ষিত হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী হলেও নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও প্রজ্ঞার অভাব থাকে। এই মূল্যবোধের ঘাটতিই শেষ পর্যন্ত তাদের অপরাধের পথে ঠেলে দেয়।” ধর্ম প্রসঙ্গে রাজনাথ জানান, ধর্ম মানেই শুধু মন্দির, মসজিদ বা গির্জায় প্রার্থনা করা নয়। তাঁর কথায়, “ধর্ম আসলে কর্তব্যবোধ। শিক্ষা যদি ধর্ম ও নৈতিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে তা সমাজের কোনও কাজে আসে না। অনেক সময় এমন শিক্ষা মারাত্মক পরিণতির কারণও হতে পারে।”

    উচ্চশিক্ষিতরাও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে

    তিনি আরও বলেন, “এই কারণেই অনেক সময় দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরাও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে।” ভারতের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি, এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে দেশ (Rajnath Singh)। এই অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজনাথের মতে, ভবিষ্যতের দক্ষ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে (White Collar Terror)।

  • RSS: “উইকিপিডিয়ায় নয়, আরএসএসকে বুঝতে হলে শাখায় আসুন”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “উইকিপিডিয়ায় নয়, আরএসএসকে বুঝতে হলে শাখায় আসুন”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ অর্থাৎ আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) শুক্রবার ভূপালে জোর দিয়ে বলেছেন, ভারতীয় জনতা পার্টি অর্থাৎ বিজেপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) এবং বিদ্যা ভারতীর মতো সংগঠনগুলি স্বাধীনভাবে কাজ করে, তবে সংঘ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বিজেপি বা ভিএইচপির মাধ্যমে আরএসএসকে বোঝার চেষ্টা করবেন না; তারা স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং সংঘের নির্দেশে চলে না। যারা আরএসএস-এর সহযোগী সংগঠনগুলির মাধ্যমে আরএসএসকে বোঝার চেষ্টা করছেন তাঁরা একটি মৌলিক ভুল করছেন। সংঘকে বুঝতে গেলে সংঘের প্রত্যক্ষ কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।

    কাউকে সংঘ নিয়ন্ত্রণ করে না (RSS)

    সংঘের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “যদিও সংঘ স্বয়ংসেবকদের নির্মাণ করে, তবুও তাদের কখনই রিমোট কন্ট্রোল করে রাখে না। আরএসএস (RSS) স্বয়ংসেবকদের বিকাশ করে এবং ভারতের পরম বৈভব বা কল্যাণের জন্য কাজ করে থাকে। মানুষের মূল্যবোধ, চিন্তাভাবনা এবং লক্ষ্যগুলিকেও যথা সম্ভব এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংঘের স্বয়ংসেবকরা সংঘ দ্বারা দূরবর্তী ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রিত হন না। আমাদের স্বয়ংসেবকদের দ্বারা পরিচালিত বিজেপি, ভিএইচপি এবং বিদ্যা ভারতী একটি স্বাধীন পরিচয় নিয়ে এবং তাদের সংবিধান অনুসারে কাজ করে। তবে ভারত মাতার কল্যাণ এবং ভারতের গৌরব বৃদ্ধির জন্য সকলের দৃষ্টিভঙ্গি সমান।”

    ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে চলেছে

    ভোপালে বিশিষ্ট নাগরিকদের এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “এই সংগঠনগুলি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেয় এবং বিভিন্ন পটভূমির সামাজের মানুষের সঙ্গে মিলে মিশে কাজ করে। ৪০ বছর আগে যখন আমরা লোকেদের এই কথাগুলি বলেছিলাম, তখন তারা আমাদের উপহাস করেছিল, বলেছিল যে আমরা কথার খেলায় লিপ্ত, কিন্তু এখন মানুষ বুঝতে শুরু করেছে যে আমরা আসলে কী বলতে চাইছিলাম। আমরা আমাদের ভাবনার জায়গায় একেবারে স্থির। আমাদের সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে ভুল তথ্য এবং ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে চলেছে। শুরু থেকে এবং এখন পর্যন্ত, আরএসএস (RSS) সম্পর্কে মিথ্যা বর্ণনার মুখোমুখি হতে হয়েছে, কেবল যারা এর বিরোধী তাদের কাছ থেকে নয়, যারা সমালোচনা করেন না তাদের কাছ থেকেও। সমগ্র বিশ্ব আরএসএস সম্পর্কে শুনেছে কিন্তু খুব কম লোকই এটি সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে জানে। তাই সংঘকে আরও ভালো করে জানা বোঝা দরকার।

    আধাসামরিক সংগঠন নয়

    বিশ্বব্যাপী আরএসএসের (RSS) কোনও তুলনা নেই উল্লেখ করে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বিশ্বের অন্য কোনও সংগঠনের সাথে আরএসএসের কোনও তুলনা করা যায় না। এর কার্যকারিতা অনন্য, তবে স্বীকার করতে হবে যে সংঘ তথাগত গৌতম বুদ্ধ থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করে। আরএসএসকে অনেকে একটি আধাসামরিক সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার পক্ষপাতী। কিন্তু এই ভাবনা সম্পূর্ণ ভাবে ভুল। যেহেতু আমরা পথ পরিচালনা করি এবং লাঠি দিয়ে কাজ করি, তাই আরএসএসকে কখনই আধাসামরিক বাহিনী হিসেবে ভুল করা উচিত নয়। কেবল সামাজিক কাজই সংঘকে সংজ্ঞায়িত করে না। সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে এর ফলে কেউ বিশ্বাস করবে না যে সংঘ কেবল একটি সমাজসেবামূলক সংগঠন।”

    ইউকিপিডিয়ায় নয়, শাখায় গিয়ে জনাতে হবে সংঘকে

    ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “আরএসএসকে (RSS) বোঝার জন্য আপনাকে উইকিপিডিয়ায় আরএসএস সম্পর্কে অনুসন্ধান করার পরিবর্তে শাখায় আসতে হবে। কাজকে মাঠে মায়দানে নেমে দেখতে হবে। আরএসএস সচেতনভাবে কোনও রকম চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠন হিসেবে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বরং এর লক্ষ্য ছিল হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করা। আরএসএস পূর্বেও বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ১০০ বছরের যাত্রায়, আরএসএসকে এমন বিরোধিতা এবং অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা বিশ্বের অন্য কোনও সংগঠনের মুখোমুখি হয়নি। আমরা কেবল আমাদের হিন্দু রাষ্ট্রের পরম গৌরবের একমাত্র উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করি। আরএসএসের বিরোধিতা ব্রিটিশ শাসনামলে শুরু হয়েছিল এবং স্বাধীনতার পরেও অব্যাহত ছিল। প্রথমে ব্রিটিশ সরকারই আরএসএসের বিরুদ্ধে কাজ করেছিল, কিন্তু স্বাধীনতার পরেও, সংঘকে চরম বিরোধিতা, চাপ, আক্রমণ এবং এমনকি হত্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তবে আমাদের ওপর নানা ভাবে এখনও হয়রানি করার ঘটনা ঘটে থাকে। যদিও পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গিয়েছে।

    ভারতের সমস্ত ভাষাই জাতীয় ভাষা

    ভাষা এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় সম্পর্কে মন্তব্য করে, ভাগবত (Mohan Bhagwat) নাগরিকদের ভারতীয় ভাষাগুলিতে গর্ব করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ঘরে থাকাকালীন, আপনার মাতৃভাষায় কথা বলুন। তবে একটি নির্দিষ্ট রাজ্যে বসবাসকারী প্রত্যেকেরই তাদের নিজস্ব মাতৃভাষা জানার পাশাপাশি সেই রাজ্যের বিশেষ ভাষা জানা এবং বোঝা উচিত।  ভারতের সমস্ত ভাষাই জাতীয় ভাষা। আমি যদি বাংলায় থাকি, আমার মাতৃভাষা যাই হোক না কেন, আমার বাংলাও জানা উচিত।” একই ভাবে তিনি সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের উপরও জোর দিয়ে বলেন, “আপনার বাড়িতে বাচ্চাদের সঙ্গে যখন আপনি নিজের ভজন পরিবেশন করবেন তখনই কেউ আপনার সন্তানের ঘাড়ে ক্রুশ চাপানোর চেষ্টা করবে না। তাই নিজের ধর্ম (RSS) সম্পর্কে সকলকে সচেতন হতে হবে।”

    আত্মনির্ভর হতে হবে

    স্বদেশী এবং আত্মনির্ভরতার আহ্বান জানিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “আত্মনির্ভর হওয়ার জন্য আপনার আত্মগৌরব থাকা প্রয়োজন। আপনার জমিতে উৎপাদিত জিনিসপত্রই কেবল কিনুন এবং ব্যবহার করুন। আপনার দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয় এমন স্বদেশী দ্রব্য ব্যবহার করুন। তবে স্বদেশী হওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনি বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করে দেবেন। কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন- ওষুধ আমদানি করবেন যা ভারতে উৎপাদিত হয় না। আবার এটাও ঠিক যে বাণিজ্য কখনই কোনও চাপ বা শুল্কের ভয়ে করা উচিত নয়। এটি কেবল আমাদের নিজস্ব শর্তে হওয়া উচিত।”

    দেশজুড়ে আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ-সম্পর্কিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভাগবত দুই দিনের ভোপাল সফরে আছেন। শনিবার দুটি পৃথক অধিবেশনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে ভাষণ দেবেন এবং তাদের সাথে মতবিনিময় করবেন।

  • Nyaya Setu: নিখরচায় যে কোনও আইনি পরামর্শ মিলবে হোয়াটসঅ্যাপে! কেন্দ্র চালু করল ‘ন্যায় সেতু’

    Nyaya Setu: নিখরচায় যে কোনও আইনি পরামর্শ মিলবে হোয়াটসঅ্যাপে! কেন্দ্র চালু করল ‘ন্যায় সেতু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপে (Whatsapp) ‘ন্যায় সেতু’ (Nyaya Setu) চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এখন থেকে যে কোনও রকম আইনি সলা-পরামর্শের জন্য এই নতুন ব্যবস্থা বিশেষ ভাবে কার্যকারী হবে। ব্যবহারকারীরা নিজের মোবাইল থাকে মেসেজ করে প্রয়োজনীয় সবরকম আইনি সাহায্য, পরামর্শ, উপদেশ পেতে পারবেন, তাও একেবারে নিখরচায়। অর্থাৎ, এর জন্য কোনও রকম অর্থ খরচ করতে হবে না উপভোক্তাদের। প্রযুক্তিবিদদের মতে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যে কোনও ব্যক্তি অনেক সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে পারবেন।

    ভারত সরকার হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মে ‘ন্যায় সেতু’ পরিষেবাটি চালু করেছে। এর ফলে আইনি সহায়তা এখন থেকে নাগরিকদের জন্য মাত্র একটি মেসেজ করতে যত সময় লাগে এই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এই সুবিধা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ‘ন্যায় সেতু’ কী এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তার বিস্তারিত সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হল-

    ‘ন্যায় সেতু’ কী (Nyaya Setu)?

    ‘ন্যায় সেতু’ হল ভারত সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রকের একটি ডিজিটাল উদ্যোগ। উল্লেখ্য এই ডিজিটাল প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের অগাস্টে। আসুন জেনে নিই কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সুবিধার তথ্য।

    উদ্দেশ্য: নাগরিকদের জন্য আইনি সহায়তা লাভের সুযোগকে উন্নত করা এবং সহজলভ্য করা।

    সুবিধা: কোনও জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছাড়াই জনসাধারণ দ্রুত আইনি পরামর্শ পেতে সক্ষম হবেন।

    হোয়াটসঅ্যাপে পরিষেবা লাভের সুবিধা

    ‘ন্যায় সেতু’ এখন সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) মাধ্যমে উপলব্ধ। এই সংযোজনের ফলে উপভক্তারা যে যে সুবিধাগুলি পাবেন তা হল–

    পেশাদার আইনি সাহায্য নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত সহজলভ্য। আপনি একটি মেসেজ করেই দ্রুত প্রতিক্রিয়া পেতে পারেন।

    আইন ও বিচার মন্ত্রকের মতে, এই আপডেটের মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য পেশাদার আইনি সহায়তা সর্বদা দ্রুত এবং পরিষেবার যোগ্য হবে।

    প্ল্যাটফর্মটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে আইনি সংস্থান এবং নাগরিকদের মধ্যেকার ব্যবধান কমানো সম্ভব হবে।

    হোয়াটসঅ্যাপে ‘ন্যায় সেতু’ কীভাবে ব্যবহার করবেন?

    হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আইনি তথ্য বা পরামর্শ পেতে নিচের ধাপটি অনুসরণ করুন:

    ১>আপনার হোয়াটসঅ্যাপে নিচের নম্বরটিতে একটি বার্তা পাঠান

    যোগাযোগের নম্বর: ৭২১৭৭১১৮১৪

    ২> এই নম্বরটি আপনার হোয়াটসঅ্যাপে “Tele-Law” নামে প্রদর্শিত হবে।

    পরিষেবা এবং কার্যকারিতা

    সেবা: ‘ন্যায় সেতু’ (Nyaya Setu) চ্যাটবটটি আপনাকে আইনি পরামর্শ, আইনি তথ্য এবং আইনি সহায়তার জন্য বিভিন্ন বিকল্প প্রদান করবে।

    ব্যবহার প্রক্রিয়া: এটি ব্যবহারের জন্য প্রাথমিকভাবে আপনার মোবাইল নম্বর যাচাই করতে চাওয়া হবে। (তবে আপাতত যাচাইকরণ ছাড়াই কিছু প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যেতে পারে)।

    প্ল্যাটফর্ম: এই চ্যাটবটটি ভারতের সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য উপলব্ধ—তা সেটি অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, বা ওয়েব যেকোনো প্ল্যাটফর্মেই হোক।

  • Ramakrishna 547: “মহামায়ার মায়া যে কি… ঘরের ভিতর ছোট জ্যোতিঃ ক্রমে ক্রমে বাড়তে লাগল! আর জগৎকে ঢেকে ফেলতে লাগল”

    Ramakrishna 547: “মহামায়ার মায়া যে কি… ঘরের ভিতর ছোট জ্যোতিঃ ক্রমে ক্রমে বাড়তে লাগল! আর জগৎকে ঢেকে ফেলতে লাগল”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট

    পূর্বকথা—ঠাকুর মুক্তকণ্ঠ—ঠাকুর সিদ্ধপুরুষ না অবতার?

    ঈশ্বরের সঙ্গে কথা—মায়াদর্শন—ভক্ত আসিবার অগ্রে তাদের দর্শন—কেশব সেনকে ভাবাবেশে দর্শন—অখণ্ড সচ্চিদানন্দদর্শন ও নরেন্দ্র—ও কেদার—প্রথম উন্মাদে জ্যোতির্ময় দেহ—বাবার স্বপ্ন —ন্যাংটা ও তিনদিনে সমাধি—মথুরের ১৪ বৎসর সেবা ১৮৫৮-৭১—কুঠির উপর ভক্তদের জন্য ব্যাকুলতা—অবিরত সমাধি। সবরকম সাধন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) এই কথা বলিতে বলিতে নামিয়া আসিয়া মেঝেতে মহিমাচরণের নিকট বসিলেন। কাছে মাস্টার ও আরও দু-একটি ভক্ত। ঘরে রাখালও আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মহিমার প্রতি)—আপনাকে অনেকদিন বলবার ইচ্ছা ছিল পারি নাই—আজ বলতে ইচ্ছা হচ্ছে।

    “আমার যা অবস্থা—আপনি বলেন, সাধন করলেই ওরকম হয়, তা নয়। এতে (আমাতে) কিছু বিশেষ আছে।”

    মাস্টার, রাখাল প্রভৃতি ভক্তেরা অবাক্‌ হইয়া ঠাকুর কি বলিবেন উৎসুক হইয়া শুনিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কথা কয়েছে!—শুধু দর্শন নয়—কথা কয়েছে। বটতলায় দেখলাম, গঙ্গার ভিতর থেকে উঠে এসে—তারপর কত হাসি! খেলার ছলে আঙ্গুল মটকান হল। তারপর কথা (Kathamrita)।—কথা কয়েছে!

    “তিনদিন করে কেঁদেছি, আর বেদ পুরাণ তন্ত্র—এ-সব শাস্ত্রে কি আছে—(তিনি) সব দেখিয়ে দিয়েছেন।

    “মহামায়ার মায়া যে কি, তা একদিন দেখালে। ঘরের ভিতর ছোট জ্যোতিঃ ক্রমে ক্রমে বাড়তে লাগল! আর জগৎকে ঢেকে ফেলতে লাগল!

    “আবার দেখালে,—যেন মস্ত দীঘি, পানায় ঢাকা! হাওয়াতে পানা একটু সরে গেল,—অমনি জল দেখা গেল। কিন্তু দেখতে দেখতে চার দিককার পানা নাচতে নাচতে এসে, আবার ঢেকে ফেললে! দেখালে, ওই জল, যেন সচ্চিদানন্দ, আর পানা যেন মায়া। মায়ার দরুন সচ্চিদানন্দকে দেখা যায় না,—যদিও এক-একবার চকিতের ন্যায় দেখা যায়, তো আবার মায়াতে ঢেকে ফেলে (Kathamrita)।

    “কিরূপ লোক (ভক্ত) এখানে আসবে, আসবার আগে দেখিয়ে দেয়। বটতলা থেকে বকুলতলা পর্যন্ত চৈতন্যদেবের সংকীর্তনের দল দেখালে। তাতে বলরামকে দেখলাম—না হলে মিছরি এ-সব দেবে কে! আর এঁকে (Ramakrishna) দেখেছিলাম।”

  • Suvendu Adhikari: ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি, চাঁচলের সভা থেকে সরকার গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি, চাঁচলের সভা থেকে সরকার গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তিন দিনের সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বঙ্গ বিজেপির নেতাদের টার্গেট আসন সংখ্যা দিয়ে গিয়েছেন ২০০। তবে শুক্রবার মালদার (Malda) চাঁচলে বিজেপির এক জনসভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেন ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনে নারী ধর্ষণ, চাকরি চুরি, কয়লা-বালি-মাটি-পাথর পাচার চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। ২৬০০০ স্কুল শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে মমতার শাসনে। ফলে সবটা মিলিয়ে আপামর জনসাধারণের তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদী বলে মনে করছেন বঙ্গবিজেপির নেতারা।

    মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার চাঁচলের (Malda) জনসভা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তার ইস্যুতে স্বমহিমায় মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি আগত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বলেন, “ঠিক সময়ে দলটা ছেড়েছিলাম। দেশের হাল নরেন্দ্র মোদি ছাড়া গতি নেই। আগামী বিধানসভায় বিজেপি ২২০টি আসন পাবে। সরকার বিজেপিই গড়বে। রাজ্যের সমস্ত সনাতনীরা এগিয়ে আসলে ২২০ আসন হবেই।”

    ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মে ভোট

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে সমালচনা করে বলেন, “চোরের দলে গেলে সবাই বদলে যাবে। আগে বুঝেছিলাম বলে ৬ বছর আগেই পালিয়ে এসেছি। একে একে সবাই এসেছে গেরুয়ার নিচে, কারণ মোদিজি ছাড়া দুর্বৃত্তদের আর কেউ আটকাতে পারবে না। পশ্চিমবঙ্গের দুটি লোকসভায় হিন্দুদের জোট চোখে পড়ার মতো ছিল। উত্তর মালদায় (Malda) হিন্দুরা অনেক বেশি সংঘবদ্ধ। ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মে ভোট দিয়েছেন। সকল সনাতনীদের এগিয়ে আসতে হবে।”

    প্রশাসন চরম অসহযোগিতা করে

    রাজ্যে বাকি সমস্ত রাজনৈতিক দলের দলীয় কর্মসূচিতে অনুমতি দিলেও বিজেপির ক্ষেত্রে মমতা প্রশাসন চরম অসহযোগিতা করে বলে তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মালদার (Malda) চাঁচলের সভা থেকে শুভেন্দু তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলেন, “এই নিয়ে ১০৪ বার সরকারের বিরোধিতার জন্য আদালত থেকে সভা করার অনুমতি করতে হয়েছে। তবে প্রশাসনের এই অসহযোগীতাও বেশিদিন থাকবে না। আগামী এপ্রিল মাসের পর রাজ্যের বিরোধী দল হয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ে হিসেব হবে। রাজ্যের চটিচাটা পুলিশের নাম লিস্ট করে রেখেছি। সবাইকার নাম লেখা রয়েছে, সবার হিসেব তোলা থাকবে।”

    ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে

    হিন্দু ভোটের ঐক্যের কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “২০২১ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দুভোট একত্রিত হয়েছিল। সেই সময় ৬৫ শতাংশ ভোট একত্রিত হয়েছিল। মমতাকে প্রায় ২০০০ ভোটে হারিয়েছিলাম। ২০২৪ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দুভোট হয়েছিল ৭২ শতাংশ। আবার লোকসভার ভোটে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ১২০০০ ভোটে লিড পেয়েছিলেন। হাতে মাত্র ৩ মাস। এখানেও উত্তর মালদার মতো ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে। বিজেপি প্রার্থী ২০ হাজার ভোটে জয়ী হবেন। ২৪ সালে জয় জগন্নাথ বলে ওড়িশায় বিজেপি সরকার গড়েছে। এবার বাংলার পরিবর্তন হবে। নাগরাকাটায় খগেন মুর্মুর আক্রান্ত হওয়া নিয়েও সরব হন শুভেন্দু। তিনি ত্রাণ দিতে গিয়েছিলেন, ভোট চাইতে যাননি, খগেন মুর্মুর রক্ত হবে না ব্যর্থ। পাশের জেলা হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসকে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। হিন্দু অস্তিত্ব অত্যন্ত সঙ্কটের। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের জয় হবেই।”

    ১০ শতাংশের তফাত

    উল্লেখ্য বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ ভোটের পার্থক্য রিয়েছে। এদিকে ২০২১ সালে বিজেপি আসন পেয়েছিল ৭৭টি, তৃণমূল পেয়েছিল ২১৩টি। তৃণমূলের ভোট শতাংশ ছিল ৪৭.৯৪ এবং বিজেপির ছিল ৩৮.১৩ শতাংশ। সংযুক্ত মোর্চার দিকে ছিল ৮.৬ শতাংশ। যদিও এসআইআর-এর কাজে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। ফলে শতাংশের বিচারে বিজেপির সম্ভাবনাও ব্যাপক রয়েছে। ২০০ বা ২২০ আসন বিজেপি পাওয়ার সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • SIR: ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে, সাফ নির্দেশ কমিশনের

    SIR: ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে, সাফ নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর (SIR) আবহে চলছে শুনানি পর্ব। আর এই শুনানিতে কেবলমাত্র ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই গ্রহণযোগ্য হবে বলে নির্দেশিকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ থেকে জারি হওয়া ওবিসি সার্টিফিকেট এসআইআরের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এই মর্মে ইতিমধ্যে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ডিইও-দের নির্দেশিকাও (Election Commission) পাঠানো হয়েছে।

    গ্রাহ্য হবে না ২০১০-২০২৪ সার্টিফিকেট (SIR)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বক্তব্য, ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তারই জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে এই খবর। চলতি বছর ১২ জুন রাজ্য ওবিসির যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেই তালিকাও এই নির্দেশিকার আওতায় পড়বে। ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রোত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পরে দেওয়া সমস্ত ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছিল। ২০১০ সালের আগে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৬টি জনগোষ্ঠী ওবিসি বলে ধরা হত। ২০১০ সালে তৎকালীন বাম সরকারের আমলে আরও ৪২টি এবং ২০১২ সালে তৃণমূল সরকারের আমলে ৩৫টি জনগোষ্ঠীকে নতুন করে ওবিসি বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সব শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছে হাইকোর্ট। এসআইআর (SIR) শুনানিতে গ্রাহ্য হবে না এই সার্টিফিকেট।

    তবে ওই রায়ে হাইকোর্টের স্পষ্ট কথা ছিল, সামাজিক, আর্থিক এবং পেশাগত ভাবে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমীক্ষা করতে হবে। তারপর নতুন করে ওবিসি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। চাকরি এবং কলেজের পরীক্ষায় ২০১০ সালের আগে পর্যন্ত যে ৬৬টি জনগোষ্ঠী অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির অংশ ছিল, তাঁদের শংসাপত্রই গ্রাহ্য হবে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকার অংশ হিসেবে।

    ১১টি নথির মধ্যে বাদ ওবিসি সার্টিফিকেট

    ২০১০ সাল থেকে যাঁদের ওবিসিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ে ওই শংসাপত্র বাতিল হবে। রাজ্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর শুরু হয়েছে। প্রাথমিক খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পর শুনানি পর্ব চলছে রাজ্যে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে ১১টি নথিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ওবিসি সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে কমিশন (Election Commission) স্পষ্ট করে বলেছে, ২০১০ সালের আগে যারা সার্টিফিকেট পেয়ে তালিকাভুক্ত হয়েছে তাঁদের এই শংসাপত্র এসআইআর-এ (SIR) গ্রাহ্য হবে।

LinkedIn
Share