Tag: Bengali news

Bengali news

  • NITI Aayog: আর্থিক পারফর্ম্যান্সে দেশের ‘লাস্ট বয়’ তৃণমূলের বাংলা, বলছে নীতি আয়োগ রিপোর্ট

    NITI Aayog: আর্থিক পারফর্ম্যান্সে দেশের ‘লাস্ট বয়’ তৃণমূলের বাংলা, বলছে নীতি আয়োগ রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি-শাসিত ওড়িশা এগিয়ে। এগিয়ে রয়েছে ছত্তিশগড়ও। তাদের পিছনে রয়েছে গোয়া এবং ঝাড়খণ্ডও। সব শেষে রয়েছে তৃণমূল-শাসিত পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সাম্প্রতিক ফিসক্যাল হেলথ ইনডেক্স প্রতিবেদন থেকেই এই তথ্য মিলেছে।

    পিছিয়ে বাংলা 

    ন’টি মানদণ্ডের নিরিখে করা হয়েছে বিচার। তাতেই দেখা গিয়েছে, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, গোয়া এবং ঝাড়খণ্ডের ঢের পিছনে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরালা এবং পাঞ্জাব। এই চার রাজ্যকে পিছিয়ে পড়া এবং সব চেয়ে খারাপ পারফর্মিং রাজ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রাজ্যগুলি গত কয়েক বছরে কোনও উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) মতে, পশ্চিমবঙ্গকে অবিলম্বে পরিকাঠামো তৈরি-সহ মূলধনী খাতে খরচে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নিজের রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। কর বাবদ আয় ও কর ছাড়া অন্যান্য আয়– দুই ক্ষেত্রেই। এই রাজ্যগুলিকে কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে বলেও বলা হয়েছে নীতি আয়োগের রিপোর্টে।

    দেনার বোঝা ক্রমশ বাড়ছে (NITI Aayog)

    দেশের বড় রাজ্যগুলির মধ্যে কার রাজকোষের অবস্থা ২০২২-’২৩ সালে কেমন ছিল, তা নিয়ে রাজকোষের স্বাস্থ্য সূচক প্রকাশ করেছে নীতি আয়োগ। রাজকোষের স্বাস্থ্যের মাপকাঠিতে মোট ১৮টি রাজ্যকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম সারিতে রয়েছে ওড়িশা, ছত্তিশগড়, গোয়া, ঝাড়খণ্ড এবং গুজরাট। আর চতুর্থ শ্রেণিতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পাঞ্জাব। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) রিপোর্ট অনুযায়ী, এই শেষ সারির রাজ্যগুলির রাজকোষ ঘাটতি ও রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে হিমশিম খাচ্ছে। রাজ্যের নিজস্ব আয় খুবই কম। দেনার বোঝা ক্রমশ বাড়ছে। সেই ঋণ শোখ করার ক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তুলনায় সামনের সারিতে থাকা রাজ্যগুলির পরিকাঠামো তৈরিতে রাজ্যের জিডিপির প্রায় ৪ শতাংশ খরচ করছে। রাজস্ব আয়ের সামান্য অংশ ঋণের সুদ মেটাতে খরচ হচ্ছে তাদের।

    আরও পড়ুন: অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশ সফরে পাক আইএসআই প্রধান! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    নীতি আয়োগের (NITI Aayog) রিপোর্টে বেআব্রু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের হাঁড়ির হাল। রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের মোট খরচের মধ্যে পরিকাঠামো তৈরিতে খরচের হার ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তিন শতাংশে নেমে এসেছে। যা জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষেও পাঁচ শতাংশের বেশি ব্যয় হত। মূলধনী খাতেও খরচের ভাগ কমেছে। সেটাও জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। সেই তুলনায় সামাজিক খাতে খরচের হার বেশি হলেও, তা-ও জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। বিরোধীদের একাংশের মতে, খয়রাতির রাজনীতি করতে (West Bengal) গিয়ে রাজ্যের হাঁড়ির হাল করে দিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার।

    জানা গিয়েছে, ওড়িশা, ছত্তিশগড় এবং গোয়া আর্থিক সতর্কতা, সঠিক ব্যয় ব্যবস্থাপনা, অধিক রাজস্ব সংগ্রহ এবং নিম্ন দেনার ভার প্রভৃতি কারণে ঠাঁই করে নিয়েছে তালিকার ওপরের দিকে। ঝাড়খণ্ডের অনেক সূচকে উন্নতি, বিশেষত মূলধনী ব্যয় ও রাজস্ব সংগ্রহের গুণগত মানে অগ্রগতি, তার আর্থিক দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি এবং সম্পদের আরও ভালো বরাদ্দের চেষ্টাকেও প্রতিফলিত করে। পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলি ক্রমবর্ধমান ঋণ, অযৌক্তিক ব্যয় এবং অদক্ষ রাজস্ব সংগ্রহের সমস্যায় জর্জরিত রয়েছে। পাঞ্জাবের ভর্তুকি নির্ভরতা এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতি তাদের আর্থিক চাপে আরও ইন্ধন জুগিয়েছে।

    একইভাবে, কেরালার কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং ভর্তুকির ওপর উচ্চ ব্যয় এবং অন্ধ্রপ্রদেশের আর্থিক অব্যবস্থাপনা তাদের ঠেলে দিয়েছে তালিকার চতুর্থ সারিতে। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশের আর্থিক অবস্থার তীব্র অবনতি ঘটেছে, যা বাড়তি রাজস্ব ঘাটতি এবং হ্রাসপ্রাপ্ত রাজস্ব সংগ্রহের জন্য দায়ী। তবে, ছত্তিশগড় ও ঝাড়খণ্ড তাদের আর্থিক স্থায়িত্ব উন্নত করতে যেসব সংস্কার করেছে, তা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে তহবিলের উপযুক্ত ব্যবহার এবং উন্নয়ন ব্যয়ের বৃদ্ধিও।

    নীতি আয়োগ (NITI Aayog) কর্তৃক প্রকাশিত ফিসক্যাল হেলথ ইনডেক্স রিপোর্টটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার যা মূলত নীতিগত সংস্কারকে পথ দেখানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে। এটি রাজ্যগুলোকে টেকসই আর্থিক অনুশীলন গ্রহণে উৎসাহিত করে এবং পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যম বলেন, এটি একটি বিশ্লেষণমূলক রিপোর্ট যা দেখায় যে কোন রাজ্য কোন দিকে এগোচ্ছে। আমি মনে করি, এটি একটি সূচক হিসেবে কাজ করে, যা সমস্ত মানদণ্ডে তথ্য প্রদান করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: টাকা মেটাবেন পরে, ট্রেনের টিকিট কাটুন নিখরচায়! ভারতীয় রেল আনছে বিশেষ ব্যবস্থা

    Indian Railway: টাকা মেটাবেন পরে, ট্রেনের টিকিট কাটুন নিখরচায়! ভারতীয় রেল আনছে বিশেষ ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিখরচায় কাটুন ট্রেনের টিকিট, টাকা মেটাবেন পরে! ভারতীয় রেল (Indian Railway) আনল এক দারুণ পরিষেবা। রেল যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই দারুণ একটা প্রকল্প চালু করল ভারতীয় রেল। এই ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বুক নাও, পে লেটার’ অর্থাৎ বুক করুন (Book Train Ticket) এবং পরে টাকা দিন। অনলাইনে থেকে নিখরচায় টিকিট কাটার সুবিধা পাওয়া যাবে।

    উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত আইআরসিটিসির অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে উপলব্ধ টিকিটি দেখে বুক করে টাকা জমা করলেই তবেই সংরক্ষিত টিকিট বুকিং করা যেত। টাকা জমা ছাড়া কোনও ভাবেই টিকিট সংরক্ষণ করা যেত না। কিন্তু এবার থেকে ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা সংযোজন করা হয়েছে।

    কীভাবে কাটবেন টিকিট (Indian Railway)?

    রেলের তরফে বলা হয়েছে, ‘বুক নাও পে লেটার’ (Book Train Ticket) থেকে রেলের টিকিট কাটা যাবে। প্রথমে www.epaylater.in নামক ওয়েবসাইটে রেজিস্টার করতে হবে। এরপর নিম্নলিখিত ধাপগুলিকে লক্ষ্য করে পরপর কাজ করতে হবে। যথা-

    ১> এরপরে আইআরসিটিসির (Indian Railway) অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে হবে।

    ২> এবার নিজের পার্সোনাল ডিটেল অর্থাৎ নাম, ফোন নম্বর সহ তথ্যগুলি আপডেট করতে হবে।

    ৩> এরপর ক্লিক করলে আসবে। সেই কোড দিয়ে সাবমিট ক্লিক করুন।

    ৪> এবার পেমেন্টের অপশন আসবে। এখানে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, ভিম অ্যাপ, নেট ব্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি বুক নাও, পে লেটার-র অপশনও পাবেন।

    আরও জানানো হয়েছে, টিকিট কাটার ১৪ দিনের মধ্যে যদি টাকা জমা (Book Train Ticket) না করা হয় তাহলে সেই জন্য অতরিক্ত টাকা জমা দিতে হবে না। কেবল মাত্র টিকিটের দাম দিলেই চলবে। কিন্তু যদি ১৪ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর টিকিটের দাম মেটান তবে ৩.৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ লাগবে।

    আরও পড়ুনঃ ১৭৯টি সম্প্রদায়কে এসসি, এসটি এবং ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ নীতি আয়োগের

    রেলের ভারত সরকারের বিশেষ নজর

    উল্লেখ্য, ভারতীয় রেলে (Indian Railway) ২০১৪ সালে কেন্দ্রে মোদি সরকার গঠন হওয়ার অভূতপূর্ব পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বন্দে ভারত, বন্দে ভারত স্লিপার, হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন, বুলেট ট্রেন-সহ একাধিক নিরাপদ এবং সুরক্ষিত ট্রেন (Book Train Ticket) একের পর এক উদ্বোধন করতে শুরু করেছে ভারতীয় রেল। একই ভাবে স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে মাথায় রেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মডেল স্টেশন হিসেবে অমৃত ভারত স্টেশনের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। একই ভাবে রেল দুর্ঘটনা কমাতে আধুনিক প্রযুক্তি, ইন্টার লকিং সিস্টেম সহ একাধিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। রেল হল ভারতের লাইফ লাইন, তাই তাকে আরও সরল, উন্নত এবং সুরক্ষিত করতে সরকার যে প্রতিনিয়ত অভিনব যোজনা সামনে আনছে তা ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2025: প্রতি বছর বাজেটের আগে হয় ‘হালুয়া উৎসব’, এরপরেই নিভৃতবাসে যান কর্মীরা, কেন জানেন?

    Budget 2025: প্রতি বছর বাজেটের আগে হয় ‘হালুয়া উৎসব’, এরপরেই নিভৃতবাসে যান কর্মীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট (Budget 2025) পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। প্রতি বছরের নিয়ম মেনে ওইদিন সকাল ১১টা থেকে শুরু হবে বাজেট পেশ। যদিও বাজেট অধিবেশন শুরু হবে আগামী ৩১ জানুয়ারি। এর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। বাজেট (Budget 2025) পেশ হওয়ার আগে শুক্রবারই মিষ্টিমুখ পর্ব সম্পন্ন হল অর্থমন্ত্রকে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট পেশের আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নর্থ ব্লকে পালিত হল হালুয়া উৎসব।

    হালুয়া উৎসব আসলে কী?

    বাজেট (Budget 2025) পেশের আগে এমন উৎসবের রীতি দীর্ঘদিন ধরেই প্রচলিত। শুক্রবার এই হালুয়া উৎসবের আয়োজন করা হয় নর্থ ব্লকে। সেখানে হাজির ছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি সমেত কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। বাজেট পেশের আগে হালুয়া উৎসব এক ধরনের প্রতীকী পদক্ষেপ। যে সমস্ত উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বাজেটের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরাই এভাবে মিষ্টি হালুয়া প্রস্তুত করেন এবং সকলকে পরিবেশন করেন। বাজেটের তথ্য চূড়ান্তভাবে গোপন রাখতে এই সময়ে বাইরের সমস্ত যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

    বাজেট (Budget 2025) পেশের ৯ থেকে ১০ দিন আগে পালিত হয় হালুয়া উৎসব

    রীতি অনুযায়ী, বাজেট পেশের ৯ থেকে ১০ দিন আগে পালিত হয় হালুয়া উৎসব। হালুয়া উৎসবের সম্পূর্ণে দায়িত্বে থাকেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। প্রতি বছরের মতোই চলতি বছরও পালন হল হালুয়া উৎসব। নয়াদিল্লির নর্থ ব্লক এলাকায় অর্থমন্ত্রীর বাসভবনের রান্নাঘরেই তৈরি হল হালুয়া। রান্নার কাজে সহযোগিতার হাত বাড়ালেন খোদ অর্থমন্ত্রী নিজেও। তারপরেই এই হালুয়া পরিবেশন করা হল বাজেট কমিটির বাকি সদস্যদের মধ্যে।

    কেন পালন হয় এই উৎসব?

    বছর বছর ধরে বাজেট পেশের একদম শেষ পর্বের ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে এই উৎসব। হালুয়া উৎসবের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে যাওয়া মানেই বুঝে নিতে হয় তৈরি হয়ে গিয়েছে বাজেট। এবার শুধু অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন এবং বাজেট নথির মুদ্রণ। তবে মনে রাখতে হবে শুধুই বাজেটের অন্তিম পর্বকে ইঙ্গিত দেয় না হালুয়া উৎসব। এর পাশাপাশি, বাজেট পেশের আগে ‘লক-ইন’ পর্বের সূচনাও হয় এই হালুয়া উৎসবের সঙ্গেই। হালুয়া উৎসবের পরেই একেবারে নিভৃতবাসে থাকতে হয় বাজেট কমিটির সদস্যদের। বাজেটের মধ্যে থাকা তথ্য যাতে কোনওভাবেই ফাঁস না হয়, তাই এই গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়।

    হালুয়া উৎসব কবে থেকে চালু হল

    স্বাধীনতার কয়েক দশক পর থেকে বাজেটের অন্যতম অঙ্গ হয়ে ওঠে হালুয়া উৎসব। ১৯৫০ সালেই বাজেটে থাকা তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। বাজেট লিক-কাণ্ডের পর থেকেই বাজেটের মধ্যে থাকা তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এই উৎসবের সূচনা করা হয় বলে মনে করেন অনেকে। ১৯৫০ সালের  বাজেট লিক-কাণ্ডের পর বাজেটের নিরাপত্তার দিকে নজর দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। তখন অবশ্য হালুয়া উৎসবের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এর ঠিক তিন দশক পর ১৯৮০ সালে হালুয়া উৎসবের মাধ্যমে লক-ইন পর্বের সূচনা করে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই তখন থেকেই বছর বছর ধরে পালন হচ্ছে এই রীতি।

    লক-ইন সময়কাল

    হালুয়া অনুষ্ঠান আসলে বাজেট প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানো পর্যন্ত যে ধরনের কঠিন পরিশ্রম করেন কর্মীরা সেটিকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ওই বাজেট প্রস্তুতিতে যুক্ত সকলের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, সম্মান জানানো হয়। একই সঙ্গে সেই বাজেটের নথি যাতে কোনওভাবে ফাঁস না হয়ে যায় সেজন্য তাঁরা চূড়ান্ত গোপনীয়তাও বজায় রাখেন। এই সময়কালকে লক-ইন সময়কাল বলা হয়। অর্থ মন্ত্রকের কর্মীরা এ সময় নর্থ ব্লকের মধ্যেই থাকেন এবং বহির্জগতের থেকে তাঁরা সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন থাকেন। বাজেটের তথ্য ফাঁস রোধ করার জন্য বেশ কয়েকটি ব্যবস্থাও নেওয়া হয় এবং কোনও রকমের ইলেকট্রনিক ডিভাইস অথবা মোবাইল ফোনও তাঁরা ব্যবহার করতে পারেন না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে লক-ইন সময়কাল কতক্ষণ পর্যন্ত স্থায়ী হবে? বাজেটের নথিগুলি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে যতক্ষণ না পর্যন্ত চূড়ান্ত অনুমোদন পাচ্ছে এবং সেগুলি প্রিন্টিং বা মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই লক-ইন সময়কালকে স্থায়ী ধরা হবে।

    বাজেট নথিগুলি কোথায় মুদ্রণ করা হয়?

    বাজেট নথিগুলি কোথায় মুদ্রণ করা হয়? জানা যায়, নর্থ ব্লকেরই বেসমেন্টে একটি স্থান রয়েছে সেখানেই ব্যাপক নিরাপত্তার বন্দোবস্ত থাকে। ওই জায়গাতেই এই নথিগুলিকে মুদ্রণ করা হয়। প্রক্রিয়াটি এতটাই গোপনীয় রাখতে হয় যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পরিচালনা করেন। যদিও, বর্তমানে মুদ্রণের বিষয়টি প্রতীকী পর্যায়ে রয়েছে। ২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসে মোদি সরকার। ওই বছরেই ভারতের বাজেট পদ্ধতিতে বেশ কিছু পরিবর্তন করা হয়। যেমন রেল বাজেটকে মূল বাজেটের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয় এবং বাজেট উপস্থাপনার তারিখ প্রতিবছর ১ ফেব্রুয়ারি এগিয়ে আনা হয়। একইসঙ্গে, মোদি জমানাতেই কাগজের পরিবর্তে ই-বাজেট অনুমোদিত হয়। ফলে, এখন আর কাগজে মুদ্রিত নয়, ট্যাবের মাধ্যমে সকলের কাছে পৌঁছে যায় এই বাজেটের বৈদ্যুতিন সংস্করণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভের দৌলতে দেশে আধ্যাত্মিক পর্যটনের চাহিদা তুঙ্গে, ভিসার আবেদন বৃদ্ধি ২১ শতাংশ

    Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভের দৌলতে দেশে আধ্যাত্মিক পর্যটনের চাহিদা তুঙ্গে, ভিসার আবেদন বৃদ্ধি ২১ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় তথা মানব-সম্মেলনের ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। ভারতের সনাতন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, পরম্পরা, কৃষ্টি, সভ্যতা এসবকিছুরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে প্রয়াগরাজের সঙ্গমস্থলে। মহাকুম্ভকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। প্রয়াগরাজগামী সব ট্রেনের টিকিটই নিঃশেষ। স্পেশাল ট্রেনেও জায়গা মিলছে না। এই আবহে দেশের কোণায় কোণায়, সত্যি কথা বলতে পাড়ায়-পাড়ায় নিজেদের উদ্যোগেই ভক্তদের বাস বা গাড়ি ভাড়া করে মহাকুম্ভের উদ্দেশে যেতে দেখা যাচ্ছে। ভারতীয়দের মধ্যেই যে শুধু আকর্ষণ, উন্মাদনা মহাকুম্ভকে কেন্দ্র করে দেখা যাচ্ছে, এমনটা নয়। বিদেশি পর্যটকরাও সামিল মহাকুম্ভে। সম্প্রতি একটি রিপোর্ট বলছে, মহাকুম্ভের দৌলতে দেশে আধ্যাত্মিক পর্যটনের চাহিদা তুঙ্গে উঠেছে, এই আবহে ভিসার আবেদন বৃদ্ধি পেয়েছে ২১ শতাংশ।

    অসংখ্য বিদেশি ভক্ত আসছেন মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025)

    ১৪৪ বছর পরে হওয়া এই মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) পর্যটকদের জন্য একটি প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে। পর্যটক বলতে আধ্যাত্মিক পর্যটক, যাদের আমরা তীর্থযাত্রীও বলতে পারি। এখনও পর্যন্ত, ১০ কোটির বেশি পুণ্যার্থী সঙ্গমে স্নান করেছেন। মনে করা হচ্ছে যে কুম্ভমেলায় সর্বমোট ৪০ থেকে ৪৫ কোটি পুণ্যার্থী ভিড় করতে পারেন। পবিত্র স্নানের উদ্দেশেই ভক্তরা এখানে সমবেত হচ্ছেন। বিশ্বাস, কুম্ভের ডুব জীবনে আনে অপার শান্তি ও সুখ। মহাকুম্ভে এই ব্যাপক পরিমাণে ভক্তদের আগমন শুধুমাত্র ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে না, অর্থাৎ ভারতীয়রা শুধুমাত্র যে প্রয়াগরাজে হাজির হচ্ছেন এমনটা নয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণে তীর্থযাত্রী ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দিতে প্রয়াগরাজের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। পরিসংখ্যান বলছে যে, আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করার ৪৮ শতাংশ ভিসা মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) দিকেই যাচ্ছে।

    আমেরিকা ও ব্রিটেন থেকে পর্যটক সংখ্যায় ব্যাপক বৃদ্ধি (Mahakumbh 2025)

    সবথেকে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল যে ভারতে আগত আধ্যাত্মিক পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলি থেকে। সেখানকার যাঁরা আধ্যাত্মিক পর্যটক আছেন, তাঁরাও দলে দলে হাজির হচ্ছেন মহাকুম্ভে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতেই প্রমাণিত হচ্ছে যে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) এবং এই উৎসবের মাহাত্ম্য বর্তমানে এক আন্তর্জাতিক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তার চেয়েও বড় কথা, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আধ্যাত্মিক ভ্রমণের চাহিদাও ব্যাপক বেড়েছে। এই সমীক্ষায় আরও উঠে এসেছে যে, বর্তমানে মহিলারা আধ্যাত্মিকতার দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকছেন। তীর্থযাত্রীদের মধ্যে ৬৬ শতাংশই হলেন মহিলা ভক্ত।

    দলগত আধ্যাত্মিক ভ্রমণ

    অন্য একটি সমীক্ষা বলছে যে, আধ্যাত্মিক এমন ভ্রমণগুলি, মূলত বেশিরভাগই দলগত ভ্রমণ হচ্ছে। অর্থাৎ টিম তৈরি করে প্রয়াগরাজের উদ্দেশে যাচ্ছেন অনেকে। এমন ভাবে টিম তৈরি করে আধ্যাত্মিক ভ্রমণের উদ্দেশে ভিসার আবেদনের সংখ্যা ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ভ্রমণকারী পর্যটকরা পবিত্র আচার-অনুষ্ঠান এবং ধর্মীয় কাজগুলি একসঙ্গেই করছেন। সম্প্রতি এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে ইতালির মহিলা ভক্তরা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে বৈদিক স্তোত্রম পাঠ করে শোনাচ্ছেন এবং মন্ত্রমুগ্ধের মতো উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তা শুনছেন।

    প্রয়াগরাজ ছাড়াও কোন কোন স্থানে যাচ্ছেন বিদেশি ভক্তরা

    ওই সমীক্ষাগুলিতে দেখা যাচ্ছে প্রয়াগরাজ ছাড়াও এদেশের বারাণসী, ঋষিকেশ, হরিদ্বার- এই স্থানগুলিও বিদেশি পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তীর্থযাত্রীরা জন্য প্রথম দিকের পছন্দগুলির বেশিরভাগই উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত। এই স্থানগুলির আধ্যাত্মিকতার ঐতিহ্য, ইতিহাসের টানে দলে দলে বিদেশি পর্যটকরা ভিড় করছেন। এখানেই তাঁরা বিভিন্ন আধ্যাত্মিকতার অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন।

    উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তুলেছে যোগী-মোদি সরকার 

    বর্তমানে আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের জন্য সরকারও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। যেমন যে সমস্ত তীর্থযাত্রী এবং পর্যটকরা আসছেন, তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা, তাঁদের ভ্রমণের জন্য উন্নত ব্যবস্থা, এই সবটাই দেখভাল করছে সরকার। উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, এর ফলে আধ্যাত্মিক পর্যটকদের সংখ্যা ভারতবর্ষে আরও বাড়ছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আধ্যাত্মিক পর্যটকরা ভারতের এমন সুব্যবস্থা, উন্নত পরিকাঠামোর অভিজ্ঞতা অর্জন করে, দেশে ফিরছেন। নিজেদের দেশে গিয়ে তাঁরা আরও কয়েকজনকে ভারতের উন্নত পরিকাঠামো ব্যবস্থা সম্পর্কে বলছেন। যার ফলে আরও বেশি সংখ্যক বিদেশি পর্যটক ভারতবর্ষের প্রতি আকর্ষিত হচ্ছেন। প্রসঙ্গত, মহাকুম্ভকে (Mahakumbh 2025) কেন্দ্র করে ভারতবর্ষে যে আধ্যাত্মিক পর্যটন বৃদ্ধি পেয়েছে তাই নয়, বিশ্বব্যাপী এক আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে ভারতের ভূমিকা আগের চেয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। এককথায় বিশ্বের আধ্যাত্মিক রাজধানীতে পরিণত হয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 25 January 2025: অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 January 2025: অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে। 

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বিদেশযাত্রার জন্য আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত। 

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Waqf Bill: ওয়াকফ বিল আলোচনায় জেপিসি বৈঠকে তুমুল বিশৃঙ্খলা, সাসপেন্ড কল্যাণ সহ ১০ সাংসদ

    Waqf Bill: ওয়াকফ বিল আলোচনায় জেপিসি বৈঠকে তুমুল বিশৃঙ্খলা, সাসপেন্ড কল্যাণ সহ ১০ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ বিল (Waqf Bill) সংক্রান্ত আলোচনায় যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তুমুল বিশৃঙ্খলা। এখানেই সাসপেন্ড করা হল তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জানা গিয়েছে, একইসঙ্গে আরও ৯ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জেপিসির বৈঠক ও জেপিসির (Waqf Bill) কাজ নিয়ে অযৌক্তিক বিরোধিতা শুরু করেন ওই দশজন বিরোধী সাংসদ। এরপরেই শুরু হয় বাদানুবাদ, তারপরেই কল্যাণ সহ ১০ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছিল যে, মার্শাল পর্যন্ত ডাকতে হয়। প্রসঙ্গত, ওয়াকফ বিল নিয়ে গত অক্টোবরেও যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তুমুল অশান্তি হয়। নিজের হাতে কাচের বোতল ভেঙে জখম হন কল্যাণ। বৈঠকে ‘অসংসদীয় ভাষা’ প্রয়োগের জন্য সেসময় কল্যাণকে এক দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।

    কী বললেন নিশিকান্ত দুবে?

    এনিয়ে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ, ‘‘ইচ্ছাকৃত ভাবে গন্ডগোল করার চেষ্টা করছেন বিরোধীরা (Waqf Bill)। এই বিরোধীরা বেশির ভাগ সদস্যের উপর হাঙ্গামা করতে চান। যখনই আমি বলার জন্য মাইক হাতে নিয়েছি, তখনই বিরোধীরা আমায় বাধা দিয়েছেন। এর পর চেয়ারম্যান ওই সাংসদদের সাসপেন্ড করেছেন।’’ জানা গিয়েছে, এর পরের বৈঠক ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তারপরেই চূড়ান্তভাবে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, গত ৮ অগাস্ট লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিল পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু।

    কল্যাণকে তোপ বিজেপি নেতার 

    এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কোন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি গতবার সংসদীয় বৈঠকে (JPC Meeting) কাচের বোতল ভেঙেছিলেন? যার বোতল ভাঙার অভ্যাস রয়েছে, তিনি কী ভাষা চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রয়োগ করতে পারেন বুঝুন। চেয়ারম্যান সংসদীয় নিয়ম মেনেই কাজ করছেন। বিরোধীদের যা কিছু বলার, শিষ্ঠাচার মেনে বলতে পারতেন। স্টেকহোল্ডারদের কথা শোনার জন্য কমিটির মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। উনি দুধেল গাইদের দেখছেন। আমরা সনাতনী হিন্দুদের দেখছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  •  NHM: ‘‘জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন আরও পাঁচ বছর চলবে’’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের

     NHM: ‘‘জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন আরও পাঁচ বছর চলবে’’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (NHM) আরও পাঁচ বছর চলবে। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেছেন, ‘‘জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন আরও পাঁচ বছর চলবে।’’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, গত দশ বছরে এই মিশন স্বাস্থ্যখাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২১ এবং ২০২২ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষ কর্মী জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনে যোগ দিয়েছেন। ভারত এই মিশনের মাধ্যমে কোভিড-১৯ অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।

    পর্যালোচনা বৈঠক (NHM)

    বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (NHM) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিগত তিন বছরে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অগ্রগতি সম্পর্কে এক পর্যালোচনা করা হয়। প্রসঙ্গত, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের বিষয়ে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ করোনা পরিস্থিতির পরে সারা দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর কতটা অগ্রগতি হয়েছে এবং কতটা টেকসই হয়েছে, সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়। একইভাবে এই বৈঠকেই জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনকে আরও পাঁচ বছর কাজ চালানোর জন্য অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Modi Cabinet)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, আগামী ২০৩০ সালের সময়সীমার অনেক আগেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ভারত তার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চলেছে।

    কী জানালেন পীযূষ গোয়েল

    মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ কোয়েল সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (NHM) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে ও মানবসম্পদ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে। যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে জরুরি অবস্থার মোকাবিলা, এই সমস্ত কিছুতেই নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারতের জনস্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে এক উন্নত জায়গায় নিয়ে যেতে পেরেছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সামনে যে রিপোর্ট পেশ করা হয় সেখানে দেখা যায় যে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে, জনগণের রোগ নির্মূলের ক্ষেত্র, স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকাঠামোসহ একাধিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের এমন সাফল্যকে সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

    রিপোর্ট পেশ করা হয় মোদির সামনে 

    ২০২০, ২০২১, ২০২২ বছরগুলিতে ভারতবর্ষে করোনা অতিমারী ব্যাপক আঘাত হানে। এই সময়তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন। পরবর্তীকালে, করোনা টিকা আবিষ্কার হওয়ার পরে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে বিনামূল্যে টিকাকরণের কাজও করে তারা। এর ফলে সারা দেশে সহজলভ্য হয়েছে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা। এর ফলেই স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের গুণগত মান বেড়েছে। উন্নত হয়েছে দেশের স্বাস্থ্যপরিসেবা এবং এর প্রতিটা ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (NHM)। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সভাপতিত্বে এবং সেখানেই জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির বিভিন্ন বছরের যে অগ্রগতির রিপোর্ট সেটি পেশ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সামনে। এগুলি ছিল ২০২১-২২, ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের রিপোর্ট এবং প্রতিটিতেই উল্লেখযোগ্যভাবে অগ্রগতি দেখা যায় জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের।

    ২০২১-২২ সালে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ২ লাখ ৬৯ হাজার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করে

    ওই রিপোর্টগুলিতে দেখা যাচ্ছে যে বিগত বছরগুলিতে মাতৃ মৃত্যুর হার, শিশু মৃত্যুর হার, পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের মৃত্যুহার ভালোই কমেছে। এর পাশাপাশি যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, ডেঙ্গি, কুষ্ঠ, হেপাটাইটিসের মতো বিভিন্ন রোগগুলিও নির্মূলও করা গিয়েছে। এই সবক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (NHM)। এক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পেরেছে তারা। একইসঙ্গে অ্যানিমিয়া নির্মূল মিশনের মতো নতুন উদ্যোগ সম্পর্কেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়। প্রসঙ্গত, ২০২১-২২ সালে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ২ লাখ ৬৯ হাজার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করে, যার মধ্যে ছিল মেডিক্যাল অফিসার, বিশেষজ্ঞ, নার্স, আয়ুষ ডাক্তার।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪ লাখ ২১ হাজার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়

    ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে দেখা যাচ্ছে ৪ লাখ ২১ হাজার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৫.২৩ লক্ষে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ২২০ কোটিরও বেশি কোভিড ১৯ টিকা ডোজ পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রতি এক লক্ষ জীবিত শিশু জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল ১৩০। ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সেই হার দাঁড়িয়েছে ৯৭ শতাংশে। 

    রোগ নির্মূল করার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য

    রোগ নির্মূল করার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন। ২০১৫ সালে প্রতি এক লাখ জনসংখ্যায় যক্ষ্মা রোগী ছিল ২৩৭। ২০২৩ সালে তা কমে এসেছে ১৯৫ তে। একই সময়ে প্রতি ১ লাখে যক্ষা রোগের মৃত্যু হত আঠাশ জনের তা বর্তমান সময়ে কমে দাঁড়িয়েছে বাইশে। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রেও পরিসংখ্যান বেশ ভালোই দেখা যাচ্ছে এবং আগের থেকে মৃত্যুহার অনেক কমেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asim Malik: অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশ সফরে পাক আইএসআই প্রধান! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    Asim Malik: অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশ সফরে পাক আইএসআই প্রধান! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৌলবাদী ইউসূস প্রশাসনের ফের একটা ভারত-বিরোধী পদক্ষেপ। সম্প্রতি বাংলাদেশের ৬ সেনাকর্তার একটি প্রতিনিধি দল ৬ দিনের পাকিস্তান সফর সেরে ঢাকায় ফিরেছেন (Asim Malik) শনিবার। তার পরেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিন দিনের ঢাকা সফরে এসেছে পাকিস্তানের চার সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের সামরিক প্রতিনিধি দল। এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেনাকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিক। তিনি পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের প্রধান। পাকিস্তানের এই প্রতিনিধি দলে আইএসআইয়ের আরও এক পদস্থ কর্তা রয়েছেন বলেও সূত্রের খবর। চুপিসারে কি পাকিস্তানের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে বাংলাদেশের ইউনূস সরকার? আপাতত এই প্রশ্নটাই ঘোরাফেরা করছে আন্তর্জাতিক মহলে (ISI)। যদিও এই সফরের ব্যাপারে পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশ টুঁ শব্দটি করেনি। দুই প্রতিনিধি দলের সফরই হয়েছে চূড়ান্ত গোপনীয়তায়। আইএসআই কর্তাদের বাংলাদেশ সফরের খবরে চিন্তার ভাঁজ ভারতের কপালে।

    ইউনূস জমানায় অশান্তির আগুন

    হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশের হাল ধরেন নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেও, তাঁরই আমলে বাংলাদেশে হয়েছে চূড়ান্ত অশান্তি। হিন্দুদের ওপর হয়েছে ভয়ঙ্কর অত্যাচার। মৌলবাদীদের দাবির কাছে কার্যত নতি স্বীকার করে ইউনূস প্রশাসন। তার জেরেই প্রতিনিয়ত বেড়েছে অত্যাচারের বহর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গদি বাঁচাতে ইউনূসও বাংলাদেশকে ইসলামি রাষ্ট্র বা খিলাফতে পরিণত করতে চান। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশও করে মাধ্যম। এহেন ইউনূসের পাক ঘনিষ্ঠতা যে বাড়বে, তা আগাম আঁচ করেছিলেন বাংলাদেশেরই বহু বিশিষ্ট জন (ISI)। 

    ঢাকায় গোপন সফরে আইএসআই প্রধান! 

    জানা গিয়েছে, পাক সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধি দলটি আরব আমিশাহির একটি উড়ান সংস্থার বিমানে করে দুবাই থেকে মঙ্গলবার সন্ধেয় আসেন ঢাকায়। আইএসআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেলের নেতৃত্বে দলটিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের পদস্থ কর্তা ব্রিগেডিয়ার মেহদি। জানা গিয়েছে, পাক প্রতিনিধি দলে মালিক (Asim Malik) ছাড়াও রয়েছেন আইএসআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল অ্যানালিসিস (ডিজিএ) মেজর জেনারেল শহিদ আমির আফসার। রয়েছেন মেজর জেনারেল আলম আমির আওয়ান এবং এসএসজি কর্তা মুহাম্মদ উসমান লতিফ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি পাঁচতারা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা হয়েছে ওই পাক প্রতিনিধি দলের। বাংলাদেশের সেনাকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করার পাশাপাশি গাজিপুরে সমরাস্ত্র কারখানা পরিদর্শন করার কথাও রয়েছে এই প্রতিনিধি দলের।

    হাতের পুতুলে পরিণত ইউনূস!

    ভারতকে জবাব দিতে পাকিস্তানি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের কথা বলছেন বাংলাদেশের কয়েকজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। ভারতের এক প্রাক্তন কূটনীতিকের মতে, ইউনূস প্রশাসন আদতে পরিণত হয়েছে জামাতে ইসলামি ও কয়েককটি ইসলামি সংগঠনের হাতের পুতুলে। ওই ইসলামি সংগঠনগুলি ইউনূস প্রশাসনকে যেমন নাচাচ্ছে, তেমনই নাচছে তারা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে পাকিস্তান। সেই কারণেই আইএসআই কর্তার ঢাকা সফর।

    বাংলাদেশে ঘাঁটি গড়তে চাইছে আইএসআই!

    ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশের কুর্সিতে বসে প্রথমেই যে কাজটি করেছে, সেটি হল কয়েকশো জঙ্গির জেলমুক্তি ঘটানো। সূত্রের খবর, এই জঙ্গিদের সংগঠিত করা হচ্ছে আনসারুল্লা বাংলা টিমের চাঁই মৌলানা জসিমউদ্দিন রহমানির নেতৃত্বে। এদের নিয়েই বাংলাদেশে একটি ঘাঁটি তৈরি করতে চাইছে আইএসআই। তাদের হাতে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি চলছে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও। ভারতের নানা জায়গায় যেসব স্লিপার সেল রয়েছে, সেগুলিকেও সক্রিয় করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে আইএসআই কর্তার বাংলাদেশ সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই (ISI) ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (Asim Malik)।

    বাংলাদেশে পাক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রস্তাব!

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশের গাজিপুরের অস্ত্র কারখানায় তাদের ‘শাহিন’ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতেও কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে ইসলামাবাদ। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রথাগত অস্ত্রের পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। গাজিপুরের সমরাস্ত্র কারখানাটি তৈরি হয় ১৯৭০ সালে। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীকালে ধাপে ধাপে আধুনিকীকরণ করা হয়েছে সেই কারখানাটির। সেই কারখানা পরিদর্শন করার কথা পাক প্রতিনিধি দলের।

    বাংলাদেশকে খিলাফতে রূপান্তরিত করাই লক্ষ্য

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র বা খিলাফতে রূপান্তরিত করতে চাইছে ইসলামপন্থী, জেহাদি এবং খিলাফতকামী গোষ্ঠীগুলি। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক ইউনূসের মতো ব্যক্তিত্বও। ইউনূস সরকারের এহেন আচরণে যারপরনাই উল্লসিত পাকিস্তানের সামরিক প্রতিষ্ঠান, পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মূলত তাদেরই খুশি করতে কট্টর ভারত বিরোধিতার পন্থা নিয়েছে ইউনূস প্রশাসন। এই পরিস্থিতি ইসলামাবাদের নতুন “বাংলাদেশ ২.০”-এর আকাঙ্ক্ষাকে আরও উস্কে দিয়েছে (ISI)। পাকিস্তানি বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি কনফেডারেশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Asim Malik)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: আমেরিকার ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ওয়াশিংটনে ক্ষোভ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: আমেরিকার ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ওয়াশিংটনে ক্ষোভ জয়শঙ্করের

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাঁরা বৈধ উপায়ে আমেরিকায় যান, তাঁদের ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা (US Visa Delay) করতে হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এই সমস্যার কথা তুলে ধরলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। পরে ভারতীয় দূতাবাস থেকে তিনি বলেন, “যদি সাধারণ নাগরিকদের ভিসা পেতে এতদিন সময় লেগে যায়, তাহলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ঠিকভাবে পালিত হয় না। ভিসায় এই দেরির কারণে ব্যবসায়, পর্যটনে প্রভাব পড়ে। আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি হল মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ। ভিসায় দেরি হলে এই প্রক্রিয়া সীমিত হয়।”

    বিদেশমন্ত্রী কী বললেন? (S Jaishankar)

    অভিবাসন প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “অভিবাসনের ক্ষেত্রে আমাদের একটি নীতিগত অবস্থান রয়েছে, যা প্রতিটি দেশের জন্যই প্রযোজ্য। আমরা বৈধ অভিবাসনে সব সময় সমর্থন করি। আমরা বিশ্বাস করি বৈশ্বিক কর্মস্থলে। আমরা চাই, ভারতীয়দের প্রতিভা ও দক্ষতা বিশ্বে সর্বোৎকৃষ্ট সুযোগ পাক।” ভারত যে অবৈধ অভিবাসন সমর্থন করে না, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। বলেন, “আমরা অবৈধ যাতায়াত এবং অভিবাসনের তীব্র বিরোধিতা করি। কারণ যখনই কোনও একটি অবৈধ ঘটনা ঘটে, তার সঙ্গে আরও অনেক অবৈধ কার্যকলাপ জুড়ে যায়। এটি দেশের সুনামের দিক থেকে কখনওই ভালো নয়।”

    ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকায় বসবাসকারী প্রায় ১৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীকে চিহ্নিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাঁদের ভারতে ফেরত পাঠাতে চায় আমেরিকা (S Jaishankar)। (যদিও, ট্রাম্প প্রশাসনের সেই নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ জারি করেছে সেদেশের আদালত।) বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও জানান, অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করতে নয়াদিল্লির সহযোগিতা নিচ্ছে ওয়াশিংটন। জয়শঙ্কর বলেন, “যদি কোনও দেশে অবৈধ ভারতীয় অভিবাসী থাকেন এবং যদি দিল্লি নিশ্চিত হয় যে তিনি ভারতীয় নাগরিক, তাহলে তাঁকে ভারতে ফেরাতে কেন্দ্র সব সময় প্রস্তুত।” তিনি বলেন, “এটি কেবল আমেরিকার জন্য নয়, সব দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এর ফলে বৈধ উপায়ে সংশ্লিষ্ট দেশে ভারতীয়দের (US Visa Delay) যাতায়াত আরও সহজ হবে।” তিনি বলেন, “তবে ওঁরা ভারতীয় নাগরিক কিনা, তা যাচাই করে দেখতে হবে (S Jaishankar)।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: প্রজাতন্ত্র দিবসে সংঘাতের আশঙ্কা! ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যালার্ট জারি বিএসএফের

    BSF: প্রজাতন্ত্র দিবসে সংঘাতের আশঙ্কা! ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যালার্ট জারি বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে বাংলাদেশিরা। যদিও বিএসএফের পক্ষ থেকে ফাঁকা এলাকায় কাঁটাতার দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে বিএসএফ (BSF)। এই আবহের মধ্যে এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) বাংলাদেশ সীমান্তে অপ্রীতিকর ঘটনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। তাই, সেই আশঙ্কা থেকেই সেখানে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হল। বাংলাদেশ সীমান্তে অরাপেশন অ্যালার্ট জারি করেছে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ। উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি সীমান্তে দফায় দফায় মহড়া চালানোর নির্দেশ দিয়েছে বিএসএফের স্পেশাল ডিজির।

    ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সতর্কতা জারি (BSF)

    দেশের উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ৪০৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। সূত্রের খবর, অরক্ষিত এলাকায় বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তা নিয়েই চলছে চাপানউতোর। এমনিতেই কয়েকদিন আগেই সীমান্তে কাঁটাতার দিতে গিয়ে রাজ্যের একাধিক জেলায় সীমান্ত এলাকায় বিজিবি-র বাধার মুখে পড়েছে বিএসএফ। এমনকী, বাংলাদেশিরা এসে সীমান্তে গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করেছে। তবে, বিএসএফের (BSF) কড়া অবস্থানের ফলে বিজিবি পিছু হটতে বাধ্য হয়। তবে, ফের তারা সীমান্তে গন্ডগোল পাকাতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছে বিএসএফ। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই অবস্থায় ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে সীমান্তে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করার নির্দেশ বিএসএফের। বাহিনীর পূর্বাঞ্চলে কমান্ডের এডিজি তথা স্পেশ্যাল ডিজি রবি গান্ধি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সবক’টি সীমান্তের দায়িত্বে থাকা বর্ডার আউট পোস্টগুলিকে সতর্ক করেছেন। বিএসএফের পক্ষ থেকে জারি করা নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিএসএফকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। এই নির্দেশ নামাকে বিএসএফের পরিভাষায় নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপস অ্যালার্ট’ (OPS ALERT)।

    নির্দেশনামায় কী কী বলা হয়েছে?

    বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ও ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত বিএসএফের। এতে নিরাপত্তার আরও কড়াকড়ি ও বর্ডার (BSF) আউটপোস্টগুলিকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এই অপস অ্যালার্ট চলাকালীন প্যাট্রলিং সহ আরও অন্যান্য সক্রিয়তা বাড়াতে বলা হয়েছে। নির্দেশনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, সীমান্তে বারবার মহড়া চালাতে হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে হবে। প্রয়োজনে রাতে বাড়তি জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। বিএসএফ সূত্রে খবর, প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সীমান্তে পরিস্থিতি খারাপ করার জন্য ওপার থেকে উস্কানি আসতে পারে। পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের তরফে বলা হয়েছে এ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির বাসিন্দাদের ভালো করে বোঝাতে হবে। আর সেই দায়িত্ব নিতে হবে বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকদেরই। ইতিমধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের স্পেশাল ডিজি একাধিক বর্ডার আউট পোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এদিনের নির্দেশনামায় আরও বলা হয়েছে, একাধিক অংশ রয়েছে যেখানে কাঁটাতার নেই। সবথেকে বেশি নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে অরক্ষিত এলাকায়। আগামী সাতদিন এই এলাকাগুলিকে পাখির চোখ করে সবথেকে বেশি সতর্ক থাকতে হবে। কোনওভাবেই কোনও ফাঁদে যাতে কেউ পা না দেয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখতেও বলা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই বা নদী রয়েছে সেখানে নজরদারি বাড়াতে হবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অ্যালার্ট জারি রাখতে বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অস্থিরতা বেড়েছে। বাড়ছে অনুপ্রবেশে। শুধু তাই নয়, ইদানিং দেখা যাচ্ছে দেশজুড়ে পাসপোর্ট জালিয়াতি থেকে শুরু করে সইফ আলি খানকে ছুরি মারার ঘটনাতেই বেআইনিভাবে প্রবেশ করা বাংলাদেশের বাসিন্দাদের হাত রয়েছে। আনসারুল্লা বাংলার মতো জঙ্গি যোগ থাকা আল কায়দা গোষ্ঠীরও সক্রিয়তা বেড়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকারের আমলে পাকিস্তানের সক্রিয়তা বেড়েছে। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই প্রভাব বাড়াচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এই মুহূর্তে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে খুব সংবদেনশীল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share