Tag: Bengali news

Bengali news

  • Maharashtra Election Results 2024: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    Maharashtra Election Results 2024: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে (Maharashtra Election Results 2024) বিজয়ের পথে ‘মহাযুতি’। রাজ্যের ভোটারদের ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। ইতিমধ্যেই বিজেপি, শিবসেনা ও এনসিপির মহাযুতি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিচারে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। মহাযুতি নেতা থেকে শুরু করে সকল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ৫৮,৮৭৯ ভোটে এগিয়ে একনাথ (Maharashtra Election Results 2024)

    বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনার শেষ পাওয়া তথ্য সূত্রে জানা গিয়েছে, শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) কোপরি-পাচপাখাদি থেকে ৫৮৮৭৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি নির্বাচনী ফলকে ঘিরে বলেন, “আমি রাজ্যের সমস্ত ভোটার নাগরিকদের ধন্যবাদ জানাই। আমাদেরকে বিপুল জয়ের দিকে অগ্রসর করার জন্য সকলকে অভিনন্দন জানাই। আমি আগেই বলেছিলাম আমরা নির্বাচনী ফলাফলে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবো। ‘লাডলি বেহেন’ (Ladli Bahin) প্রকল্প ব্যাপক ভাবে জনমনকে জয় করেছে। আমাদের প্রত্যাশা এবং অনুমানকে ব্যাপক ভাবে সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছে। এই ফলাফল (Maharashtra Election Results 2024) আমাদের গত আড়াই বছর কাজের উন্নয়নের প্রতিফল। আমরা আমাদের কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে যেতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রকল্প এবং জনমুখী পরিকল্পনাগুলি মানুষের আস্থা, বিশ্বাস এবং ভরসা জয় করতে সক্ষম হয়েছি। সঠিক ভাবে নীতিগুলিভাবে যাতে বাস্তবায়িত হয় সেই উদ্দেশে কাজ করেছি আমরা।”

    জয় মানুষের জয়

    মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের (Maharashtra Election Results 2024) ফলাফলকে সামনে রেখে একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) আরও বলেছেন, “আমরা এখন চূড়ান্ত ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছি মাত্র। ফলপ্রকাশের পর আমরা মহাযুতি জোটের পক্ষ থেকে বিজেপি, শিবসেনা, এনসিপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেব।” অপর দিকে জয় (Maharashtra Election Results 2024) সুনিশ্চিত বুঝতে পেরে একনাথ শিন্ডের ছেলে শ্রীকান্ত শিন্ডে দলের কর্মী-সমর্থকদের মিলে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী আসন পাওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই জয় মানুষের জয়।”

    আরও পড়ুনঃ রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    বিজেপি ১০০ আসন অতিক্রম করবে

    আবার বিজেপি নেতা বিকাশ পাঠক ফলাফল (Maharashtra Election Results 2024) সম্পর্কে বলেছেন, “আমরা মহাযুতির জন্য ১৬০ টিরও বেশি আসন আশা করেছিলাম এবং ঠিক এভাবেই এটি প্রকাশ পাচ্ছে। এটি বিজেপির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বছর হবে। শক্তি বৃদ্ধি করে বিজেপি ১০০ আসনের সংখ্যা অতিক্রম করছে। শীঘ্রই একজন মহাযুতি মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর (Manipur Clash)। উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যে শান্তি ফেরাতে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে জওয়ান রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৮০০ জন। সব মিলিয়ে মণিপুরে মোতায়েন করা হচ্ছে ২৮৮ কোম্পানি জওয়ান। মণিপুর সরকারের প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং বলেন, “অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, সংবেদনশীল, সীমান্তবর্তী এবং মিশ্র জনসংখ্যার এলাকাগুলিতে।”

    অশান্ত জিরিবাম (Manipur Clash)

    ৭ নভেম্বর থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সব চেয়ে বেশি অশান্তি হচ্ছে জিরিবাম জেলায়। এই দফার গোষ্ঠী সংঘর্ষে এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪ নভেম্বর ফের লাগু হয়েছে আফস্পা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৮ নভেম্বর সেখানে ৫০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এবার পাঠানো হচ্ছে আরও ৯০ কোম্পানি সেনা (Manipur Clash)।

    কী বলছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা?

    মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং জানান, এই জওয়ানরা এলাকার বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করবেন। প্রত্যেক জেলায় আলাদা করে কন্ট্রোল রুম ও কো-অর্ডিনেশন সেল খোলা হচ্ছে। আধাসেনার তালিকায় রয়েছে সিআরপিএফের পাশাপাশি থাকবে বিএসএফ, সেনা, অসম রাইফেলস, আইটিবিপি এবং সশস্ত্র সীমাবল। জানা গিয়েছে, যেসব অস্ত্রশস্ত্র লুট করা হয়েছিল, তার মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ানমার সীমান্তের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাবে নিরাপত্তাবাহিনী। কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    এর আগে প্রবীণ এক পুলিশ কর্তা বলেছিলেন, গত বছরের ৩ মে থেকে মণিপুর অশান্ত হওয়ার পর থেকে সব মিলিয়ে লুঠ হয়েছিল ৫ হাজার ৬৬৯টি উন্নতমানের অস্ত্র এবং লক্ষাধিক রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের (Central Forces) গুলি। প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানান, জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ তাদের কাছে হস্তান্তরিত সমস্ত মামলার তদন্ত শুরু করেছে (Manipur Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের তিন নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকে দেওয়ার (Cash For Vote) হুমকি দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনেটকে মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা তাওড়ের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগ তুলেছেন।

    ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি (Cash For Vote)

    আইনি নোটিশে তাঁদের নিঃশর্তে তাওড়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে দেওয়ানি মানহানির মামলা এবং ফৌজদারি মানহানির মামলা করবেন। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “কংগ্রেস নেতারা আমাকে ও আমার দলের মানহানির জন্য নির্বাচনের আগে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।”

    কী বলেছিলেন খাড়্গেরা?

    তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে, ১৯ নভেম্বর, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং দলের মুখপাত্র সুপ্রিয়া বলেছিলেন যে বিনোদ তাওড়েকে ভোটারদের মধ্যে ৫ কোটি টাকা বিলি করার সময় হাতে-নাতে ধরা হয়েছে। তাঁরা কেবল (Cash For Vote) আমাকে ও আমার দলের মানহানি করতে চেয়েছিল।”

    বিজেপির এই নেতা বলেন, “আমি অত্যন্ত আঘাত পেয়েছি। আমি একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। গত ৪০ বছর ধরে রাজনীতিতে আছি। আমি কখনওই এমন কিছু করিনি। কংগ্রেস নেতারা আমাকে, আমার দল ও আমার নেতাদের মানহানি করতে চেয়েছিলেন। তাই তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে সংবাদমাধ্যম ও জনগণের কাছে এই মিথ্যা কথা বলেছিলেন। তাই আমি তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিশ পাঠিয়েছি যে তারা যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চান, অন্যথায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    তাওড়ের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পদ্ম-সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাদের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে স্পষ্টভাবে রাহুলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন যে তিনি এসে (BJP) সিসিটিভির ফুটেজ দেখুন, নিজেই দেখুন এবং বলুন কোথায় অর্থ রয়েছে (Cash For Vote), কে বিতরণ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rabi Ghosh: চাকরি ছেড়ে দিয়ে অভিনয়, পড়ুন বডিবিল্ডার রবি ঘোষের কমেডিয়ান হয়ে ওঠার কাহিনি

    Rabi Ghosh: চাকরি ছেড়ে দিয়ে অভিনয়, পড়ুন বডিবিল্ডার রবি ঘোষের কমেডিয়ান হয়ে ওঠার কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ছবির কিংবদন্তী অভিনেতা (Actor) রবি ঘোষ। শুধু কমেডিয়ান বললে তাঁকে সঠিক সম্মান জানানো হয় না। বুদ্ধিদীপ্ত কমেডি অভিনয়ের শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ছিলেন রবি ঘোষ, যাঁর চোখ কথা বলত। সেই চোখের প্রশংসা করেছিলেন সত্যজিৎ রায় থেকে তপন সিন‍্‍হা। ১৯৩১ সালের ২৪ নভেম্বর কোচবিহারে জন্ম হয় রবি ঘোষের (Rabi Ghosh)। তাঁর আসল নাম ছিল রবীন্দ্রনাথ ঘোষ দস্তিদার। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন তিনি। 

    স্কুল-কলেজ জীবন (Rabi Ghosh)

    রবি ঘোষের (Rabi Ghosh) পূর্বপুরুষরা ছিলেন বাংলাদেশের বরিশালের লোক। তাঁর বাবা জিতেন্দ্রনাথ ঘোষ দস্তিদার চাকরির সুবাদে পরিবার নিয়ে থাকতেন কলকাতার মহিম হালদার স্ট্রিটে। কোচবিহার জেনকিন্স স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা রবির। তারপর দেশভাগ। ভারতবর্ষ স্বাধীনতা পেল। ১৯৪৭ সালে কলকাতার ‘সাউথ সাবার্বান মেন স্কুল’ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। স্কুলে রবির সহপাঠী ছিলেন উত্তম কুমারের ছোটভাই তরুণ চট্টোপাধ্যায়, অর্থাৎ অভিনেতা তরুণ কুমার। তখন কে জানত পরবর্তীকালে দুই বন্ধু একইসঙ্গে বাংলা ছবির উজ্জ্বল নক্ষত্র হবেন। রবি ঘোষ এবং তরুণ কুমার একসঙ্গে শুধু ফিল্ম নয়, প্রচুর নাটকও করেছেন পেশাদার রঙ্গমঞ্চে। রবি ঘোষ আশুতোষ কলেজ থেকে আইএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১৯৪৯ সালে এবং সেই কলেজেরই নৈশ বিভাগ শ্যামাপ্রসাদ কলেজে বি.কম-এ ভর্তি হন। নিয়মিত শরীরচর্চা শুরু কলেজের ব্যায়ামাগারেই। কারণ রবির দু’চোখে তখন শুধু বডিবিল্ডার হওয়ার স্বপ্ন। অভাব-অনটন-দুর্যোগ কাটিয়ে রবি ঘোষ বডিবিল্ডার হতে পেরেছিলেন। যে কারও চোখ ঝলসে যেত রবির পেশি ফোলানো চেহারা দেখে। কোন বাঙালি ছেলের অমন চেহারা দেখা দুর্লভ তখন। রবি হতে চেয়েছিলেন বডি বিল্ডার, হয়ে গেলেন কমেডিয়ান।

    পুলিশের চাকরি ছেড়ে অভিনয়ে

    ১৯৫৩ সালে কলকাতা পুলিশ-কোর্টে (Rabi Ghosh) চাকরি শুরু করলেও ১৯৬১ সালে সেসব পাট চুকিয়ে পাকাপাকি অভিনয়কেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। অভিনয় জীবন শুরু পঞ্চাশের দশকে ‘সাংবাদিক’ নাটক দিয়ে। পরিচালক ছিলেন উৎপল দত্ত। রবি ঘোষের ছবি করা শুরু হয় অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের ‘কিছুক্ষণ’ ছবি দিয়ে। সে ছবি আজ লুপ্ত। সে সময়ে হিরোদের বাহুবলী হওয়ার দরকার পড়ত না। দরকার পড়ত অভিনয়ের, আর খানিকটা সুন্দর মুখেরও। রবি ঘোষের ‘সুন্দর মুখ’ ছিল না, তাই নায়ক হওয়া হয়নি। উত্তম-সৌমিত্র-বসন্ত যুগে পেলেন না রবি নায়কের রোল।  কিন্তু রবি তাঁর প্যাশন বিসর্জন দিলেন না। তবে, ‘গল্প হলেও সত্যি’র ধনঞ্জয় তো নায়কই। হিন্দিতে যখন ‘গল্প হলেও সত্যি’র রিমেকে ‘বাবুর্চি’ হলেন রাজেশ খান্না, সে তো কাকের গায়ে ময়ূরপুচ্ছ লাগানো হল। রাজেশ খান্না সুপারস্টার হিরো। কিন্তু সেই স্টারডমে যেন ধনঞ্জয়ই এগিয়ে রইলেন। এখানেই রবি ঘোষের জয়। যদি হিন্দি রিমেকেও রবি ঘোষ থাকতেন তাহলে হয়তো ছবিটা অন্য ইতিহাস করত। কিন্তু বলিউড প্রযোজকরা একজন আঞ্চলিক অভিনেতার ওপর ভরসা করতে পারেননি।

    সব ধরনের অভিনয়ে বাজিমাত!

    সত্যজিৎ রায়, তপন সিন‍্‍হা, দীনেন গুপ্ত থেকে অঞ্জন চৌধুরী। সব ধারার ছবিতে দশকের পর দশক রবি ঘোষ (Rabi Ghosh) অনন্য, কি কমেডি কি অন্যধারার অভিনয়। সত্যজিৎ রায়ের বাঘার অভিনয় সকলের নজর কেড়েছিলেন। ‘আগন্তুক’ বা ‘নির্জন সৈকতে’র রবি ঘোষ দুটো একদম ভিন্ন চরিত্র। একটি চরিত্র বন্ধুবৎসল, বিচক্ষণ লোক এবং অন্যটি পুরীর পান্ডা, যে উড়ে-ভাষী। কী রেঞ্জ অভিনয়ের! ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’য় পানু প্রাণকেষ্টর চরিত্রেও অসামান্য রবি ঘোষ। মৃণাল সেনের কোরাস সিনেমাটির শুরুতেও তাঁকে দেখা যায়। তরুণ মজুমদার অনেক ছবিতেই রবি ঘোষকে নিয়ে কাজ করেন, যেমন ‘ঠগিনী’, ‘রূপসী’, ‘শহর থেকে দূরে’। বিজয় বসুর ‘বাঘিনী’র ভিলেন রোলেও রবি দুরন্ত। সত্যজিৎ বাবুর ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ ছবিতে রবি ঘোষ মাতাল বন্ধুদের সঙ্গে থেকেও মদ্যপান করেননি। তাঁর শেষ কাজ কলকাতা দূরদর্শনে ‘গোপাল ভাঁড়’, তা দেখতে প্রতি রবিবার দুপুরে রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যেত।

    মেলেনি সরকারি স্বীকৃতি

    কলকাতা শহরে রবি ঘোষকে (Rabi Ghosh) নিয়ে কোনও অনুষ্ঠান নেই, চর্চা নেই। এমনই আক্ষেপ তাঁর অনুগামীদের। লেজেন্ডরা সরকারি স্বীকৃতি কবেই বা পেয়েছেন! তবু দর্শক মনে তাঁদের চির-উজ্জ্বল উপস্থিতিই যেন আসল পুরস্কার। ভয়ঙ্কর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন মানুষ ছিলেন রবি ঘোষ। প্রয়োজনের বাইরে একটি কথাও তিনি বলতেন না। রাশভারী গোছের মানুষ ছিলেন। তবে অভিনয় জগতে ‘সিন স্টিলার’ ছিলেন তিনি। দৃশ্য চুরি করে নিতে পারতেন অনায়াসেই। রবি ঘোষ এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি খেতে খেতে খুব ভালো কথা বলতে পারেন। প্রিয় খাবার ছিল লুচি আর পাঁঠার মাংস। ১৯৯৭ সালের 8 ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়। তবে, তাঁর অভিনয়ের মধ্যে দিতে তিনি আজও বেঁচে রয়েছেন বাঙালির মনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • The Sabarmati Report: মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশে কর মুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’, একই পথে গোয়াও

    The Sabarmati Report: মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশে কর মুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’, একই পথে গোয়াও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসার পরই উত্তরপ্রদেশ করমুক্ত হল ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’। এর আগে ছবিটি মধ্যপ্রদেশ ও হরিয়ানার সরকার করমুক্ত করেছে। ছবি দেখার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবির (The Sabarmati Report) প্রশংসা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘এই ছবির মাধ্যমেই সত্যি উন্মোচিত হয়েছে। খুব ভালো।’’

    উত্তরপ্রদেশে করমুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ (The Sabarmati Report)

    বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতে এই ছবিটির স্পেশাল স্ক্রিনিং হয়। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন ছবির (The Sabarmati Report) অন্যতম অভিনেতা বিক্রান্ত মাসে- সহ অন্যান্য কলাকুশলী। সেই অনুষ্ঠানেই সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলীদের সঙ্গে দেখা করে ছবিটি করমুক্ত করার কথা ঘোষণা করেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০০২ সালের গোধরা কাণ্ডের ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমা। ছবির প্রশংসা করে রবিবার মোদি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছিলেন, ‘‘ভুয়ো তথ্য কিংবা অপপ্রচারের আয়ু বেশি দিন হয় না। সত্যিটা সবসময় সামনে বেরিয়ে আসে।’’ এই প্রথম নয় যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোনও ছবির প্রশংসা করলেন। এর আগে ২০২২ সালে তিনি বিবেক অগ্নিহোত্রীর ‘দ্য কাশ্মীর ফাইল্স’-এর প্রশংসা করেছিলেন এবং ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-এর কথাও উল্লেখ করেছিলেন।

    বিক্রান্ত মাসে কী বললেন?

    প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ছবির প্রযোজক একতা কাপুর। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আপনি আমাদের সাহস জুগিয়েছেন। আমরা যে-সঠিক পথেই যাচ্ছি, আপনার প্রশংসাই তার প্রমাণ।’ ছবিটি (The Sabarmati Report) নিয়ে যে বিতর্ক হবে, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। তবে তার জন্য মুখ্য অভিনেতাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হবে, সেটা কেউ ভাবতে পারেননি। অভিনেতা বিক্রান্ত মাসে এএনআইকে উদ্ধৃত করে বলেছেন, ‘‘আদিত্যনাথজিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিল্ম এবং আমি সবাইকে এই ছবিটি দেখার জন্য অনুরোধ করছি।’’

    সিনেমা দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী

    অন্যদিকে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী অরুণ সাও-এর সঙ্গে ২১ নভেম্বর রায়পুরে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমাটি দেখেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। মন্ত্রী পরিষদের সহকর্মী, বিজেপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবারের সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আর ছবির প্রযোজক ও শিল্পী নিয়ে ছবিটি (The Sabarmati Report) দেখেছেন তাঁরা। এই ছবিতে খোলামেলা সত্য দেখানোর সাহসী প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং চিত্তাকর্ষক। এএনআই-এর সঙ্গে কথা বলার সময় মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই ছবিটির প্রশংসা করে বলেছেন, “এটি একটি ভালো সিনেমা। আমরা সকলেই দেখলাম। গোধরা ঘটনার সত্যতা দেশ ও গোটা বিশ্ববাসী জানবে।”

    কর মুক্ত করার ভাবনা গোয়া সরকারের

    এমনিতেই দেশের একাধিক রাজ্য এই সিনেমাটি কর মুক্ত ঘোষণা করে দিয়েছে। অনেকে আবার সেই পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে, দেশজুড়ে এই সিনেমাটিকে (The Sabarmati Report)  নিয়ে বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তও ছবিটির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এটিকে গোয়ায় করমুক্ত করার কথা চিন্তাভাবনা করেছেন। তিনি বলেন, “এই সিনেমাটি দেখার পর, আমি এটিকে গোয়ায় করমুক্ত করার কথা ভাবছি। আমরা কয়েক দিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করব।” ফলে, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়ের পর এবার গোয়া সরকারও সেই পথে হাঁটছে। সিনেমাটির সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রমোদ সাওয়ান্ত আরও বলেন, “আজ, আমি আমার দলের রাজ্য সভাপতি এবং মন্ত্রীদের সঙ্গে সবরমতি রিপোর্ট দেখেছি। সেই সময় এই ঘটনায় গোটা গুজরাট উত্তাল হয়ে উঠেছিল। দেশবাসীর কাছে সমস্ত বিযয়টি জানার খুব প্রয়োজন ছিল। খুব কম ফিল্মমেকারই বাস্তব ঘটনার ওপর ফোকাস করেন। এই ছবিটি একটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আমি প্রযোজক এবং অভিনেতাদের তাদের প্রশংসনীয় কাজের জন্য অভিনন্দন জানাই।”

    সিনেমা দেখলেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব

    দেশের একাধিক রাজ্যে প্রশংসিত হয়েছে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমা। বৃহস্পতিবার বাংলার বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব এই সিনেমাটি (The Sabarmati Report) দেখেন। প্রত্যেকে সিনেমাটি প্রশংসা করেছেন। সেদিনের প্রকৃত ঘটনা দেশবাসী জানতে পারবেন বলে বঙ্গ বিজেপির নেতারা মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: মরসুমের প্রথম তুষারপাত দার্জিলিঙে, বরফে মুখ ঢাকল সান্দাকফু, বেজায় খুশি পর্যটকরা

    Darjeeling: মরসুমের প্রথম তুষারপাত দার্জিলিঙে, বরফে মুখ ঢাকল সান্দাকফু, বেজায় খুশি পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুপুর থেকে বরফে সাদা হয়ে গিয়েছে সান্দাকফু। শীতের সাজে সেজে উঠেছে পাহাড়ের প্রকৃতি। মরসুমের প্রথম তুষারপাত দার্জিলিঙে (Darjeeling)। সাধারণত ডিসেম্বরের আগে দার্জিলিঙের কোথাও বরফের দেখা মেলে না। এই সময়ে যাঁরা পাহাড়ে ঘুরতে যান, তাঁরা বরফের (Snow Fall) আশা খুব একটা করেনও না। ফলে, বৃহস্পতিবারের সান্দাকফু পর্যটকদের কাছে অপ্রত্যাশিত আনন্দ বয়ে এনেছে।

    আশায় বুক বেঁধেছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা! (Darjeeling)

    গত বছর দার্জিলিঙে (Darjeeling) মরসুমের প্রথম তুষারপাত হয়েছিল ৭ ডিসেম্বর। এবার ২১ নভেম্বরেই তুষারে মুখ ঢাকল সান্দাকফু। বৃহস্পতিবার রাস্তায় বেরিয়ে বরফের ওপরেই হাঁটাচলা করতে দেখা গিয়েছে পর্যটকদের। এই দিনগুলির জন্য আশায় বুক বেঁধেছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। শীত আরও জাঁকিয়ে বসলে আরও বেশি তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হবে সান্দাকফুতে, মনে করছেন অনেকে। ফলে তাঁরা ডিসেম্বরের শীতের দিকে তাকিয়ে আছেন। নভেম্বর থেকেই সান্দাকফুতে পর্যটকদের ভিড় বাড়তে পারে। দার্জিলিঙে তুষারপাতের কথা শুনে আরও বেশি করে পর্যটকেরা সেখানে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    কী বললেন পর্যটকরা?

    দার্জিলিঙে (Darjeeling) গত সপ্তাহ থেকেই তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে নেমে গিয়েছিল। এবার সান্দাকফুতে তুষারপাত হল। তবে, দার্জিলিঙে তুষারপাত হলেও সমতলে এখনও সেভাবে শীতের দেখা মেলেনি। হালকা ঠান্ডার আমেজ অনুভূত হচ্ছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়। তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নেমে গিয়েছে। তবে আগামী কয়েক দিন নতুন করে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পর্যটকরা বলেন, “সান্দাকফুতে এই সময় ঘুরতে এসে এভাবে বরফ দেখতে পাব তা আশা করিনি। মন ভরে গেল”।

    সান্দাকফুতে মৃত্যু হল কলকাতার এক পর্যটকের

    অন্যদিকে, এই আনন্দের মাঝে বিষাদের খবরও পাওয়া গিয়েছে। সান্দাকফু (Darjeeling) ঘুরতে গিয়ে এবার মারা গেলেন কলকাতার এক পর্যটক। মৃতের নাম আশিস ভট্টাচার্য (৫৮)। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি কলকাতার ভবানীপুরের বাসিন্দা। মঙ্গলবার রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সপরিবার গত ১৯ নভেম্বর সান্দাকফুর উদ্দেশে দার্জিলিং থেকে রওনা দিয়েছিলেন আশিস। পথে তাঁরা ধোতরেতে রাত কাটান। সেই রাতেই আশিসের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। সেখান থেকে তাঁকে দ্রুত সুখিয়াপোখরি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি! প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক আশিসকে মৃত ঘোষণা করেন। চলতি বছরে এই নিয়ে দু’জন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে বিজেপি বিধায়ক আন্দোলনে নামতেই রণংদেহী পুলিশ, কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্র কল্যাণী

    Kalyani: ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে বিজেপি বিধায়ক আন্দোলনে নামতেই রণংদেহী পুলিশ, কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্র কল্যাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি হলে সমস্যায় পড়বেন গ্রামবাসীরা। তাই, বিজেপি বিধায়কের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ গিয়ে সেই আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি জনতার, পাল্টা লাঠিচার্জ এবং টিয়ার গ্যাসের সেল ছোড়ার অভিযোগ ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কল্যাণীর (Kalyani) কাছারিপাড়া এলাকায়। ঘটনার পর বিজেপি বিধায়ক সহ ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাছারিপাড়া (Kalyani) এলাকায় পুরসভার তত্ত্বাবধানে একটি ডাম্পিং গ্রাউন্ড চিহ্নিত জায়গায় পাঁচিল দেওয়ার কাজ চলছিল। কাজ চলাকালীন আচমকা বাধা দেয় এলাকাবাসী। বাধার জেরে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। গ্রামবাসীদের এই আন্দোলন ছিলেন বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়। ঘটনার পর পরই বিশাল পুলিশ বাহিনী সেখানে আসে। আচমকা কথা কাটাকাটির মধ্যেই পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। এরপরে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে পাল্টা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি চলতে থাকে। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে পুলিশের তরফে টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। এরপরেই বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেই সঙ্গে আন্দোলনকারী ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কল্যাণী এলাকায়।

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক অম্বিকা রায় বলেন, “আদালতের তরফে ওই জায়গাটি কাজের জন্য স্টে অর্ডার দেওয়ার পরেও পুরসভা জোরপূর্বক কাজ করছে। ওই এলাকায় প্রচুর চাষি রয়েছেন। এখানে ডাম্পিং গ্রাউন্ড (Kalyani) হলে দুর্গন্ধে আর চাষ করতে পারবেন না তাঁরা। তাই, চাষিরা পুরসভার কাছে এই এলাকায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড না করার জন্য দরবার করেছিলেন। কিন্তু, পুরসভা তা শোনেনি। গ্রামবাসীদের আন্দোলন বন্ধ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করল। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” পুরসভার চেয়ারম্যান নীলিমেশ রায়চৌধুরী বলেন,” সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেটা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনে কোনও স্থানীয় মানুষ নেই। বিধায়কের আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলে মুষল পর্ব, পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন অভিষেক’’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলে মুষল পর্ব, পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন অভিষেক’’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্লাইং কিস নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে এবং সিবিআই অভিযানে বামেদের ‘ঝান্ডু বাম’ বলে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের গুমা রেলগেট লাগোয়া একটি জায়গায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচিতে যোগদান করেন তিনি। নতুন সদস্য হতে আসা কয়েকজনের নাম নিজের হাতে রেজিস্ট্রেশন করে দেন। এরপর তিনি অশোকনগরের সেনডাঙা এলাকায় একই ধরনের আরও একটি কর্মসূচিতে যোগদান করেন। তার আগে গুমায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেন।  

    অভিষেক-মমতাকে তোপ (Sukanta Majumdar)

    রাজ্যে শাসক দলে অভিষেক ও মমতাপন্থী তৃণমূল নেতাদের মধ্যে যখন কাদা ছোড়াছুড়ি হচ্ছে, সে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘একটা পার্টি মরে যাওয়ার আগে এমনটা হয়। যদু বংশ ধ্বংস হওয়ার আগে মুষল পর্ব শুরু হয়েছিল। তৃণমূলেও এমনটাই চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাবছেন দেহত্যাগ করার আগে পদত্যাগ করবেন না। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন। আমরা মোরগ লড়াই দেখছি, আর নারদ নারদ বলছি।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    নির্মল ঘোষ নিয়ে সরব

    এক মহিলাকে নির্মল ঘোষের ফ্লাইং কিস প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘এটাই তৃণমূলের কালচার। যে মহিলাকে নির্মলবাবু এমনটা করছেন, তিনি সম্ভবত বার ড্যান্সার। আরজি করকাণ্ডে নির্ভয়ার দেহ হাইজ্যাক করে তাড়াতাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল এই নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে আমি এত মহিলাকে টিকিট দিয়েছি। তাঁরা মহিলাকে কী নজরে দেখছেন বা কী উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে নিয়ে আসছেন, এই সমস্ত নেতাদের দেখে তো বোঝাই যাচ্ছে।’’

    বামেদের অভিযানকে কটাক্ষ

    বামেদের আরজি করকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সিবিআই অফিস অভিযানের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘ বামেরা এখন ‘ঝান্ডু বাম’ হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে যখন কোনও আন্দোলন সংগঠিত হয়, তখন বাম, অতি বাম এবং ঝান্ডু বামেরা ঢুকে গিয়ে আন্দোলনকে স্তিমিত করে দেয়। যখন অরাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্যে রাজনীতি ঢুকে গেল, তখনই আরজি করের আন্দোলন আস্তে আস্তে কমে গেল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vaishno Devi: ৬ ঘণ্টার পথ মাত্র ৬ মিনিটে! বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে রোপওয়ে

    Vaishno Devi: ৬ ঘণ্টার পথ মাত্র ৬ মিনিটে! বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে রোপওয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈষ্ণো দেবী (Vaishno Devi) মন্দিরে যাওয়ার জন্য বড় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অনেক সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে দেবীর দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা। আর তার জন্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হচ্ছে রোপওয়ে (Ropeway)। মূলত কাটরা শহর থেকে সাঞ্জিছটকে সংযোগ করা হবে এই রোপওয়ের মাধ্যমে।  

    কবে চালু হবে রোপওয়ে? (Vaishno Devi)

    বৈষ্ণো দেবী (Vaishno Devi) বোর্ডের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রোপওয়ে চালু হয়ে যাবে। বোর্ডের সিইও আনশুল গর্গ বলেন, রোপওয়ে একটি নিরাপদ, দ্রুত এবং আরও সুবিধাজনক পরিবহণ। ৬-৭ ঘণ্টা সময় বাঁচিয়ে দেবে। এটি তীর্থযাত্রীদের মাত্র ছয় মিনিটে কঠিন যাত্রাপথ সম্পূর্ণ করতে সক্ষম করবে। একবার চালু হলে এই সুবিধাটি প্রতিদিন হাজার হাজার তীর্থযাত্রী পাবেন। ফলে, এতদিনের ঐতিহ্যবাহী ট্রেকিং রুটে যানজট কমিয়ে সবার জন্য একটি ভালো অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। কাটরা থেকে সাঞ্জিছট পর্যন্ত রোপওয়ে করে ভক্তরা যেতে পারবেন। তারপরে মন্দিরে যেতে হাঁটা পথে ৩০-৪৫ মিনিট লাগবে। এটি প্রতি ঘন্টায় ১ হাজার যাত্রী পরিবহণে সক্ষম। রোপওয়ে প্রকল্পটি গুরগাঁও-ভিত্তিক জিআর ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড দ্বারা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে কাজ করবে। জানা গিয়েছে, এই বছরের শুরুর দিকে বোর্ডের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার পর কোম্পানিটি গত মাসে প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    তীর্থযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

    এই বছর ৮৬ লক্ষেরও বেশি ভক্ত ইতিমধ্যে পবিত্র মন্দির (Vaishno Devi) পরিদর্শন করেছেন। সেই সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই তুলনায় গত বছর ৯৫ লক্ষের বেশি পুণ্যার্থী এসেছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে, বোর্ড তীর্থযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা চালু করেছে। যেমন মাতা বৈষ্ণো দেবী ভবনে একটি স্কাইওয়াক, উন্নত রান্নাঘর এবং রেলওয়ে নিবন্ধন কেন্দ্র। উপরন্তু, কাটরাতে একটি আধুনিক কল সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তা দিয়ে সারা ভারত এবং বিদেশে তীর্থযাত্রীদের থেকে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার কল নেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ukraine Russia War: এবার ব্রিটেনের থেকে পাওয়া ‘স্টর্ম শ্যাডো’ ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ায় প্রয়োগ করল ইউক্রেন

    Ukraine Russia War: এবার ব্রিটেনের থেকে পাওয়া ‘স্টর্ম শ্যাডো’ ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ায় প্রয়োগ করল ইউক্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মিসাইলের পর এবার রাশিয়ায় ব্রিটিশের তৈরি ‘স্টর্ম শ্যাডো’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করল ইউক্রেন (Ukraine Russia War)। জানা গিয়েছে, ব্রিটেনে তৈরি ওই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে রাশিয়ার গভীরে, সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে। ইউক্রেনের এহেন আঘাতের পরেই বিশ্বের আকাশে ঘন হয়েছে যুদ্ধের নিকষ কালো মেঘ।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine Russia War)

    সম্প্রতি হাজার দিন পার করেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। রাশিয়া মোতায়েন করেছে কোরিয়ান সৈন্য। ইউক্রেনের এই প্রতিক্রিয়াকে তারই পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে পশ্চিমি বিশ্ব। ইউক্রেন এই প্রথম ব্রিটেনের সরবরাহ করা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল দেশের সীমান্তের বাইরে। এর আগে ব্রিটেন এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির ব্যবহার ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ অভিযানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছিল। তবে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে মস্কোর আনকনভেনশনাল অ্যালাইজ এবং ট্যাকটিসের ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে।

    ‘স্টর্ম শ্যাডো’র হানা

    জানা গিয়েছে (Ukraine Russia War), ব্রিটেনে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আঘাত হানে রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে এবং কৃষ্ণসাগরের বন্দর শহর ইয়েস্কের ওপরে। এই দুটি বাদে অন্য স্টর্ম শ্যাডোগুলিকে আটকানো হয় বলে দাবি রাশিয়ার। প্রসঙ্গত, এই হামলার কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনকে আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (ATACMS) রুশ অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যবহারের অনুমোদন দেন। এই সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন এই অস্ত্রগুলো ব্রিয়ানস্কে রাশিয়ার একটি অস্ত্রাগারে আক্রমণে ব্যবহৃত হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ট্রাম্প প্রশাসনে ঠাঁই একাধিক ভারতপন্থীর, কাঁপন ধরছে পাকিস্তানের বুকে!

    ওয়াশিংটন যদিও মস্কোর পারমাণবিক উত্তেজনা বাড়ানোর সতর্কতাকে শুধুমাত্র কথার কথা বলে উড়িয়ে দিয়েছে, তবু রাশিয়ার পারমাণবিক নীতি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে তামাম বিশ্বে। সংশোধিত এই নীতি অনুযায়ী, যে কোনও বৃহৎ এয়ার স্ট্রাইক বা রাশিয়ার সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে এমন আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পশ্চিমি সমর্থন সক্রিয়ভাবে চেয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, রাশিয়ার সরবরাহ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Ukraine Russia War)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share