Tag: Bengali news

Bengali news

  • Karnataka Lokayukta: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    Karnataka Lokayukta: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত (Karnataka Lokayukta)। রবিবার, ১৮ নভেম্বর রাজ্যের ঠিকাদারদের অ্যাসোসিয়েশনের প্রয়াত সভাপতি ডি. কেম্পান্না এবং সহ-সভাপতি আর অম্বিকাপথীর দায়ের করা ৪০ শতাংশ কমিশন (BJP) মামলায় আগের বাসবরাজ বোম্মাই সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিল লোকায়ুক্ত। গত বছরই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ডি. কেম্পান্না এবং আর অম্বিকাপথী।

    কী বলছে বিজেপি? (Karnataka Lokayukta)

    সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি নেতা আর অশোক বলেন, “অভিযোগকারীরা কখনওই ৪০ শতাংশ কমিশনের কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। অথচ  ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এই অস্ত্রই প্রয়োগ করা হয়েছিল।” তিনি বলেন, “লোকায়ুক্ত কখনওই ঠিকাদারদের দেওয়া ৪০ শতাংশ কমিশনের কোনও প্রমাণ পায়নি। কেম্পান্না এবং অম্বিকাপথী কংগ্রেস পার্টির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং মামলা দায়ের করেছিলেন। কিন্তু লোকায়ুক্ত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে। কারণ অভিযোগ প্রমাণ করার জন্য কোনও প্রমাণ দেওয়া হয়নি।” অশোক আরও বলেন (Karnataka Lokayukta), “বর্তমান কংগ্রেস সরকার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা দাবি এবং ভোটারদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কর্নাটকে ক্ষমতায় এসেছে।” তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, “শাসক কংগ্রেস ভবিষ্যতে পরাজিত হবে এবং তাদের নেতারা বাড়িতে থাকতে বাধ্য হবেন।”

    লোকায়ুক্তের বক্তব্য

    লোকায়ুক্তও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও মুখ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলেন, “ক্লিন চিট দেওয়া মানে কোনও অন্যায় হয়নি, এমন নয়।” তিনি বলেন, “বিজেপি দাবি করেছে যে তারা ক্লিন চিট পেয়েছে, তবে এর অর্থ এই নয় যে কোনও ভুল হয়নি। আদালতে একটি মামলা খারিজ হওয়ার দুটি উপায় রয়েছে। একটি উপায় হল পেশ হওয়া প্রমাণ অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম নয়। আমি নিজে নির্দেশটি পড়িনি, তবে আমি এটি খতিয়ে দেখব।”

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    প্রসঙ্গত, গত বছরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এই বলে যে, যদি তাদের কাছে ওই মামলায় বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ থাকে, তবে তারা আদালতে যেতে পারে। শাহের এই মন্তব্যের আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, বিজেপি হল ভারতের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দল। দুর্নীতির ওই টাকা অন্যান্য দলের বিধায়কদের কিনে নিতে ব্যবহার করা (BJP) হয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন শাহ (Karnataka Lokayukta)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Howrah Bridge: চার দশক পর হচ্ছে হাওড়া ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কতদিন চলবে?

    Howrah Bridge: চার দশক পর হচ্ছে হাওড়া ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কতদিন চলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হাওড়া ব্রিজের (Howrah Bridge) স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু করা হল। শেষবার আশির দশকে হয়েছিল। চার দশকের পর এবার সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হল। ইতিমধ্যেই সেই কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। শনিবার ব্রিজে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার জন্য ট্রাফিক ব্লক নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Health Examination) সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই কাজ আরও তিন-চারমাস চলবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে, আর ট্রাফিক ব্লক নেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

    কেন স্বাস্থ্য পরীক্ষা? (Howrah Bridge)

    জানা গিয়েছে, ১৯৮৩-৮৮ সালের মধ্যে রেলওয়ে কনসালটেন্সি বা রাইটস (RITES) সর্বশেষ এই ধরনের সমীক্ষা (Howrah Bridge) পরিচালনা করেছিল, এবারও কাজটি এই সংস্থায় দায়িত্ব নিয়ে করছে। ব্রিজটির মূল ডিজাইনার ব্রিটিশ ফার্ম রেন্ডেল পামার এবং ট্রাইটন (আরপিটি) তাদের সঙ্গে যোগ দেবে বলে জানা গিয়েছে। শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের (পূর্ববর্তী কলকাতা বন্দর বা KOPT) একজন কর্মকর্তা বলেন, ব্রিজের অবস্থা খতিয়ে দেখার পর তা বিশ্লেষণ করা হবে। ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে এই বিষয়ে একটি বিস্তৃত রিপোর্ট পাব বলে আমরা আশা করি।”  আর ট্রাফিক ব্লক প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা ব্যাখ্যা করেছেন, ব্রিজে গাড়ি চলাচল করলে সেতুর অবস্থার একটি পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যেত না। ব্রিজের বেশ কিছু বিষয় পরীক্ষা করা হয়েছে। মূলত, শনিবার রাত ১১.৩০ থেকে ভোর ৪.৩০ টার মধ্যে ব্রিজটিকে যানবাহন মুক্ত করা হয়েছিল। মূলত ব্রিজটি মহানগরে পরিষেবা দেওয়ার জায়গা রয়েছে কি না তা গণনা করার দরকার। ব্রিজের শত শত জয়েন্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে। সেগুলি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম ক্যান্টিলিভার ব্রিজ

    হাওড়া সেতু (Howrah Bridge) বা রবীন্দ্র সেতুটি ১৯৪৩ সালে চালু হয়েছিল। ৪০ বছর ধরে একটানা সেবা করার পর ১৯৮৩ সালে শেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল। শেষ সমীক্ষায়, RITES RPT- সঙ্গে  সহযোগিতা করেছিল।  সেতুটির ক্যারেজওয়ে ৭১-ফুট চওড়া, দুপাশে দুটি ১৮.৫ ফুট চওড়া ফুটপাথ রয়েছে। গত মে মাসে বিটুমিনাস রাস্তার ওপরিভাগ স্ক্র্যাপ করে কলকাতার সবচেয়ে স্বীকৃত ল্যান্ডমার্কের লোড কমানোর জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। হুগলি জুড়ে ক্যান্টিলিভার ব্রিজটি বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম কাঠামো। এটি প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ যানবাহন এবং দেড় লক্ষের এরও বেশি পথচারী চলাচল করেন। ব্রিজটি তৈরি হওয়ার পর প্রথম যানবাহন ছিল একটি ট্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    Nirmala Sitharaman: মধ্যবিত্তের স্বার্থে সীতারামনকে আন্তরিক অনুরোধ নেটাগরিকের, কী জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে (Nirmala Sitharaman)। ১৭ নভেম্বর এক নেটিজেন তাঁকে ওই অনুরোধ করেন।

    অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে পোস্ট (Nirmala Sitharaman)

    জনৈক তুষার শর্মা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “সীতারামন আমরা আপনার প্রচেষ্টা ও দেশের প্রতি অবদানের গভীর প্রশংসা করি এবং আপনার প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান রয়েছে। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে আপনি মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য কিছু স্বস্তি প্রদানের (Inflation) বিষয় বিবেচনা করুন। আমি জানি এর সঙ্গে জড়িত বিশাল চ্যালেঞ্জগুলি, কিন্তু এটি কেবল একটি আন্তরিক অনুরোধ।”

    অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    পোস্টটি দেখে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। চ্যালেঞ্জগুলি স্বীকার করার জন্য শর্মাকে ধন্যবাদও জানান মন্ত্রী। জানিয়ে দেন, কেন্দ্রীয় সরকার একটি প্রতিক্রিয়াশীল সরকার। সীতারামন তাঁর উত্তর দিতে গিয়ে লিখেছেন, “আপনার দয়ালু শব্দ এবং আপনার বোঝার জন্য ধন্যবাদ। আমি আপনার উদ্বেগ স্বীকার করি এবং তার মূল্যায়ন করি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার একটি রেসপন্সিভ সরকার। জনগণের কণ্ঠ শোনে এবং তাঁদের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দেয়। আবার একবার আপনার বোঝার (চ্যালেঞ্জগুলো) জন্য ধন্যবাদ। আপনার মতামত মূল্যবান।”

    জানা গিয়েছে, ভারতের পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি অক্টোবর মাসে খাদ্যমূল্যের দর বৃদ্ধির কারণে ২.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে, যা চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদরা প্রত্যাশা করেছিলেন যে, অক্টোবর মাসে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি হবে ২.২ শতাংশের কাছাকাছি। সেপ্টেম্বর মাসে এটাই ছিল ১.৮৪ শতাংশ। পাইকারি মূল্য সূচক, যা উৎপাদকের মূল্য সূচক হিসেবে কাজ করে, নভেম্বর ২০২৩ থেকে ইতিবাচকই ছিল। এক বছর আগে এটি ছিল -০.২৬ শতাংশ (Nirmala Sitharaman)।

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি, যা সূচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বার্ষিক ভিত্তিতে ১১.৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৪৭ শতাংশ, আগস্টে ছিল ৩.২১ শতাংশ। উচ্চ খাদ্যমূল্যের কারণে ভারতের খুচরা মুদ্রাস্ফীতি, যা উপভোক্তা মূল্য সূচক ভিত্তিক, অক্টোবরে ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.২১ শতাংশে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল শাকসবজি ও ফলমূলের দাম (Inflation), যেগুলোর দাম যথাক্রমে ৬৩.০৪ ও ১৩.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Birbhum: বীরভূমে কাজল শেখের অনুগামীদের হাতে মার খেলেন কেষ্ট-অনুগামীরা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Birbhum: বীরভূমে কাজল শেখের অনুগামীদের হাতে মার খেলেন কেষ্ট-অনুগামীরা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত বীরভূমের (Birbhum) নানুর। কাজল শেখ গোষ্ঠীর অনুগামীদের হামলায় আক্রান্ত হলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের (Trinamool Congress) দলীয় কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে। অনুব্রত জেলায় থাকা অবস্থায় তাঁর অনুগামীদের এভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে জেলা জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তিহার জেলে থাকার সময় কাজল শেখের অনুগামীদের দাপাদাপির সাক্ষী ছিলেন বীরভূমবাসী (Birbhum)। বার বার আক্রান্ত হয়েছেন অনুব্রত অনুগামীরা। অনুব্রত জেলায় ফিরতে বুকে বল পেয়েছিলেন তাঁর অনুগামীরা। সম্প্রতি তৃণমূল কার্যালয়ে কোর কমিটির বৈঠক হয়েছে। কোর কমিটির বৈঠকের নির্যাস অনুযায়ী, অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষমতা কিছুটা হলেও খর্ব হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি অক্সিজেন পেয়েছে অনুব্রতর বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, রবিবার নানুরের বাহিরিতে চায়ের দোকানে এক ব্যক্তি বসেছিলেন। তখনই কাজল শেখের অনুগামীরা সেখানে যান। দোকানের মধ্যে কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র তাঁর সঙ্গে ঝামেলা বাঁধে। তখনই ওই ব্যক্তির ওপর কাজল শেখের অনুগামীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন অনুব্রতর মণ্ডলের বেশ কয়েকজন অনুগামীও। আক্রান্তদের উদ্ধার করে ইতিমধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে তরজা

    কাজল শেখের অনুগামী তথা বাহিরির (Birbhum) পঞ্চায়েত প্রধান জানাচ্ছেন, সম্পূর্ণই পারিবারিক বিবাদ। তা থেকেই হাতাহাতি। অন্যদিকে, আক্রান্তদের অভিযোগ, কাজল শেখের অনুগামীরা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবেই হামলা চালিয়েছে। এই প্রসঙ্গে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা জামশেদ আলি খানের বক্তব্য, হামলার জেরে বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। প্রশাসন অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israeli Strikes: লেবাননে ইজরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হিজবুল্লার মুখপাত্র মহম্মদ আফিফ

    Israeli Strikes: লেবাননে ইজরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হিজবুল্লার মুখপাত্র মহম্মদ আফিফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের হামলায় (Israeli Strikes) নিহত হিজবুল্লার (Hezbollah) মুখপাত্র মহম্মদ আফিফ। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লা জানিয়েছে, তাদের মিডিয়া চিফ মহম্মদ আফিফ রবিবার মধ্য বেইরুটের একটি ভবনে নিহত হয়েছেন ইজরায়েলি হামলায়।

    লেবাননে হিজবুল্লার ডেরায় হামলা (Israeli Strikes)

    ইজরায়েল সাধারণত হিজবুল্লার এমন ব্যক্তিদের ওপর হামলা চালায় না, যারা সরাসরি যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত নয়। তাদের বিমান হামলা প্রধানত বেইরুটের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকণ্ঠেই কেন্দ্রীভূত। সেখানেই আস্তানা গেড়েছে হিজবুল্লা। রবিবার সন্ধ্যায় ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী বিবৃতি জারি করে জানিয়েছিল, তারা আফিফকে ‘খতম’ করেছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, এই হামলায় একজন নিহত ও তিনজন জখম হয়েছেন।

    হামলা বেইরুটেও

    এদিনই বেইরুটের আর একটি কেন্দ্রীয় এলাকায় মার এলিয়াস স্ট্রিটে আর একটি হামলা হয়। হিজবুল্লার আল-মানার টেলিভিশন জানিয়েছে, এই হামলায় অন্তত দু’জন নিহত হয়েছে। জখম হয়েছেন ২২ জন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে লড়াই চলছে ইজরায়েলের সঙ্গে হিজবুল্লার। ইজরায়েলের ওপর প্রথম আঘাত হানে হিজবুল্লা, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর। তেলআভিভের (ইজরায়েলের রাজধানী) সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে রকেট নিক্ষেপ শুরু করে হিজবুল্লা। এর একদিন আগেই তাদের মিত্র হামাস দক্ষিণ ইজরায়েলে হামলা চালায়। ওই হামলায় নিহত হয় ১ হাজার ২০০ এর কাছাকাছি মানুষ।

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ইজরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান চালায়। দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল এবং বেইরুটের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ভারী বোমা বর্ষণ করা হয়। সীমান্তে স্থল অভিযানও শুরু করে ইজরায়েল।লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রক রবিবার জানিয়েছে, গত এক বছরে ইজরায়েলের (Israeli Strikes) লেবানন অভিযানে ৩ হাজার ৮৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। এর মধ্যে সামরিক ও অসামরিক দুই ধরনের ব্যক্তিই রয়েছেন। হিজবুল্লার রকেট হামলায় ইজরায়েলে কয়েক ডজন সৈনিক ও অসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েল (Israeli Strikes)।

    প্যালেস্তাইনের গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের যুদ্ধেও ৪৩ হাজার জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এঁদের বেশিরভাগই নিরীহ নাগরিক বলে দাবি প্যালেস্তাইনের স্বাস্থ্য কর্তাদের। এদিন ইজরায়েলের এয়ার স্ট্রাইকে হতাহত হয়েছেন লেবাননের সেনাবাহিনীর কয়েকজন জওয়ানও। রবিবার আল-মারি শহরের একটি (Hezbollah) সেনা পোস্টে হামলা চালায় ইজরায়েল। মৃত্যু হয় দুই জওয়ানের। জখম হন দু’জন (Israeli Strikes)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Akshay Kumar: আগেই ছেড়েছেন কানাডার নাগরিকত্ব, “আমার মন, হৃদয় এবং আত্মা ভারতীয়”, বার্তা অক্ষয়ের

    Akshay Kumar: আগেই ছেড়েছেন কানাডার নাগরিকত্ব, “আমার মন, হৃদয় এবং আত্মা ভারতীয়”, বার্তা অক্ষয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা সুপারস্টার অক্ষয় কুমারের (Akshay Kumar) কানাডার নাগরিকত্ব দীর্ঘ দিন ধরে ছিল। এবার তিনি কেন কানাডিয়ান নাগরিকত্ব ছাড়লেন, তা সামাজিক এবং সংবাদ মাধ্যমে অকপটে জানালেন। উল্লেখ্য গতবছরই সামাজিক মাধ্যমে ওই দেশের নাগরিকত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। এবার তিনি বলেন, “আমার মন, হৃদয় এবং আত্মা ভারতীয় (Indian)। এটি সর্বদা অক্ষত থাকবে।” ঘটনায় ভারতীয় সংস্কৃতি-ঐতিহ্য এবং পরম্পরার প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা প্রকাশও করেন। উল্লেখ্য কানাডার সঙ্গে ভারতের বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত তিক্ততার জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। এই অবস্থায় অক্ষয়ের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    কেন কানাডার নাগরিকত্ব ছাড়লেন (Akshay Kumar)

    তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে অভিনেতা অক্ষয় কুমারকে (Akshay Kumar) প্রায় সময়ে প্রশ্ন করা হয়, প্রায় এটা নিয়ে সামজিক মাধ্যমেও বিভিন্ন সময়ে ব্যাপক ভাবে ট্রোলড করা হয় তাঁকে। কিন্তু এবার কানাডার নাগরিকত্ব ছাড়ার পর ভারতের প্রতি আস্থা প্রকাশ করলেন তিনি। হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিট ২০২৪-এ একটি সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেন, “কানাডিয়ান নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি বর্তমান ভূ-রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কহীন। কোন বাবা নয়, আমার বাবা-মায়ের আশীর্বাদ সব সময় ছিল। ম্যায় চুপচাপ নিকাল গেয়া (আমি চুপচাপ বেরিয়ে এসেছি)।” একই ভাবে গত বছর সামজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে বলেন, “আমার মন আর নাগরিকত্ব দুটোই হিন্দুস্থানি অর্থাৎ হৃদয় এবং নাগরিকত্ব ভারতীয় (Indian)। স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা। জয় হিন্দ।”

    ভারতের প্রতি আস্থা

    নতুন সিনেমা ‘সিঙ্ঘম্‌ এগেইন’-এর প্রমোশন প্রসঙ্গে অভিনেতা অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar) এদিন আরও বলেন, “ওই সময়ে আমার ছবিগুলোর কাজ হচ্ছিল না। বাকিদের সবাইকার কাজ চলছিল। তখন আমি কানাডায় আমার এক বন্ধুর সঙ্গে কার্গোতে কাজ করছিলাম। কিন্তু দুটি সিনেমা মুক্তিও পায় এবং তারপর সেগুলো হিট করে যায়। ওটা আমার সঙ্কটের সময় ছিল, আমি পরবর্তীতে আরও অনেক হিট সিনেমা করতে পেরেছি। সবটাই দরকারে ছিল কানাডার নাগরিকত্ব। প্রায় ৩-৪ বছর আগে আমি এই মঞ্চে বলেছিলাম যে আমি কানাডার নাগরিকত্ব ছেড়ে দেব এতে কিছু সময় লেগেছে। গত বছর ঠিক ১৪ বা ১৫ অগাস্ট আমি আমার ভারতীয় (Indian) পাসপোর্ট পেয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Task Force: লাগামছাড়া দাম আলু-পেঁয়াজের, রাজ্যের তৈরি টাস্ক ফোর্সের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Task Force: লাগামছাড়া দাম আলু-পেঁয়াজের, রাজ্যের তৈরি টাস্ক ফোর্সের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলু আর পেঁয়াজের (Potato And Onion) দাপটে বাজারে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা ক্রেতাদের। দিনের পর দিন দাম বেড়েই চলেছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লোক দেখানো একটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু, দাম নিয়ন্ত্রণে টাস্ক ফোর্সের কোনও ভূমিকা চোখে পড়ে না। কখনও অভিযান হলে, টাস্ক ফোর্সের অভিযানের সেই খবর আগাম বাজারে পৌঁছে যায়। ফলে, প্রশ্নের মুখে টাস্ক ফোর্সের (Task Force) ভূমিকা।

    কত দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ? (Task Force)

    জানা গিয়েছে, প্রতি কেজির দর ৫০ টাকা থেকে বেড়ে এখন পৌঁছে গিয়েছে ৭০-৮০ টাকায়। জুলাইয়ে আলুর দাম খানিক নিয়ন্ত্রণে এলেও, এখন আবার তা প্রতি কেজি ৩৫ টাকায় বিকোচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, প্রশ্ন উঠছে টাস্ক ফোর্সের (Task Force) ভূমিকা নিয়ে। কৃষি বিপণন দফতর সূত্রের খবর, সেপ্টেম্বরে অতিরিক্ত বৃষ্টির জন্য মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশে অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তার ফলে খুচরো বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, প্রতি বছরই পুজোর মরশুম থেকে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়ে। তবে অন্য বছরে মহারাষ্ট্রের নাসিকের পেঁয়াজ বাজারে চলে আসে। এ বার সেই আমদানি কম হওয়ায়, দাম চড়েছে বেশি। রাজ্য টাস্ক ফোর্সের সদস্য তথা কলকাতার কোলে মার্কেটের ব্যবসায়ী কমল দে বলেন, ‘‘এই রাজ্যে প্রতি মাসে দেড় লক্ষ টন পেঁয়াজ লাগে। তার অর্ধেকেরও কম পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরাও আমদানি করতে ভয় পাচ্ছেন।” মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার এক ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে এখন যা পেঁয়াজ আসছে, তা চাষিদের ঘর থেকে। সেই পেঁয়াজও প্রায় শেষ।”

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরো বাজারে দাম ৫ টাকা বেশি

    রাজ্যে গত মরশুমে প্রায় ১২৫ লক্ষ টন আলু ফলেছিল। তার মধ্যে হিমঘরে ঢুকেছিল ৬৩ লক্ষ টন। বাকি খুচরো বাজারে ও ভিন্ রাজ্যে রফতানি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এখন হিমঘর থেকে জ্যোতি আলু প্রতি কেজি গড়ে ২৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু, খুচরো বাজারে সেই দাম দাঁড়াচ্ছে ৩৫ টাকা। প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক লালু মুখোপাধ্যায়ের বলেন, ‘‘পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরো বাজারের দাম ৫ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু কেন এমনটা হচ্ছে, আমাদের কাছেও প্রশ্ন।” টাস্ক ফোর্স (Task Force) কেন দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, প্রশ্ন তুলছেন ক্রেতাদের অনেকে। টাস্ক ফোর্সের এক সদস্যের কথায়, ‘‘আমরা অভিযান চালানোর সময়ে ঠিক দাম নেওয়া হচ্ছে। ফিরে এলেই আবার দাম বাড়ছে!”

    সরকারের কী সাফাই?

    রাজ্যের কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদারের বক্তব্য, ‘‘কলকাতার যে সব খুচরো বাজারে দাম বাড়ানোর প্রবণতা রয়েছে, সেই সব বাজারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সামনের মরসুমে সেখানে সুফল বাংলার স্টল খুলে সরকারি দামে আলু বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” কৃষি বিপণন দফতরের দাবি, সুফল বাংলা স্টল থেকে জেলায় জেলায় ২৫ টাকা ও কলকাতায় ২৬ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Al Qaeda: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    Al Qaeda: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার পরিকল্পনা করেছিল আল কায়দা (Al Qaeda) প্রভাবিত জঙ্গি মডিউল। জিহাদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী কিষান যোজনা (PM Kisan Yojana) ব্যবহার করে! আদালতে এমনই জানাল দিল্লি পুলিশ।

    ১১ জনকে গ্রেফতার (Al Qaeda)

    সেপ্টেম্বরে আল-কায়দা প্রভাবিত জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে জড়িত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। এর মধ্যে ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাঁচির চিকিৎসক ইশতিয়াকও। এই জঙ্গি মডিউলটি ভারতে ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছিল। তদন্ত চলাকালীন দিল্লি পুলিশ জানিয়ে দেয়, আল কায়দা-অনুপ্রাণিত এই মডিউলটি প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার মাধ্যমে জিহাদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করছিল।

    পিএম-কিষান যোজনার সুবিধাভোগী

    দিল্লি পুলিশের তরফে আদালতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গ্রেফতার হওয়া দুই ব্যক্তি পিএম-কিষান যোজনার সুবিধাভোগী ছিল। তারা জঙ্গি কার্যকলাপে সাহায্যের জন্য অস্ত্র কেনার উদ্দেশে অর্থ দিয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের পিএম-কিষান যোজনার টাকা পাইয়ে দিতে যারা তাদের হয়ে ফর্ম পূরণ করে দিয়েছিল, তাদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, এই যে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের সম্পর্কে তথ্য মিলেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির কাছ থেকে। তাতে বলা হয়েছিল, ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত একটি চরমপন্থী ইসলামিক গোষ্ঠী, যারা দিল্লিতে সমমনস্কদের কাছ থেকে সমর্থন পাচ্ছিল, তারা জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল (PM Kisan Yojana)।

    কী বলছে পুলিশ?

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এক পুলিশ কর্তা বলেন, গ্রেফতারের পর (Al Qaeda) দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তাদের তিহার জেলে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। তবে নতুন প্রমাণ পাওয়ার পর এই সপ্তাহের শুরুতে আট অভিযুক্তকে ছ’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। পাতিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত সেশন জজ হরদীপ কৌর ১২ নভেম্বর এক নির্দেশিকায় বলেন, তদন্তকারী অফিসার একটি আবেদন করেছেন, যেখানে আটজন অভিযুক্তের জন্য ছ’দিনের পুলিশ হেফাজত চাওয়া হয়েছে। একজন সাক্ষী বলেছেন যে ষড়যন্ত্রে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে, এবং তাদের শনাক্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সাক্ষীর মতে, অভিযুক্তরা পিএম-কিষাণ যোজনা ব্যবহার করে জিহাদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করার পরিকল্পনা করেছিল, এবং অভিযুক্তদের পক্ষে যারা ফর্ম পূরণ করেছিল, তাদের শনাক্ত করতে হবে।

    আরও পড়ুন: “সত্য প্রকাশিত হচ্ছে”, ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ ফিল্মের প্রতিক্রিয়ায় বললেন মোদি

    প্রথম অভিযান

    এই মামলায় প্রথম অভিযান চালানো হয় ২২ অগাস্ট। এই সময় গ্রেফতার করা হয়েছিল ছ’জনকে (Al Qaeda)। এরা হল আনামুল আনসারি, শাহবাজ আনসারি, আলতাফ আনসারি, হাসান আনসারি, আরশাদ খান এবং বছর কুড়ির উমর ফারুক। জানা গিয়েছে, তারা রাজস্থানের ভিওয়াড়ির আজমেরি নাকা এলাকার সারে কালান কি পাহগাদিতে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। প্রবীণ এক পুলিশ কর্তা জানান, দুই প্রশিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যেতে পেরেছিল। পুলিশ একটি অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি পিস্তল, একটি রিভলভার, বিভিন্ন ক্যালিবারের ৬৬টি তাজা কার্তুজ, একটি হাতবোমা, একটি রিমোট কন্ট্রোল মেকানিজম, একটি হাতে তৈরি কার্বাইন এবং একটি ডামি ইনসাস রাইফেল উদ্ধার করেছে (PM Kisan Yojana)।

    দ্বিতীয় অভিযান

    সেপ্টেম্বর মাসে রাঁচিতে চালানো হয় দ্বিতীয় অভিযান। সেখানে গ্রেফতার করা হয় পাঁচজনকে। এরা হল, ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে ক্যাপ্টেন, মহম্মদ রিজওয়ান, মতি-উর-রহমান, মহম্মদ রহমানতুল্লাহ এবং ফয়জান আহমেদ। অভিযানের সময় একটি হাতে তৈরি এসএলআর, একটি হাতে তৈরি কার্বাইন এবং ৫.১ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, ইশতিয়াকই এই জঙ্গি মডিউলের প্রধান। পুলিশ জানিয়েছে, ১১ অভিযুক্তই রাঁচির বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত নজরদারির সাহায্যে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে দু’জন- হাসান ও আনামুল, জেলবন্দি আবদুল রহমান কাটকির সঙ্গে দেখা করতে জামশেদপুর সেন্ট্রাল জেলে একাধিকবার গিয়েছিল। আত্মীয় পরিচয় দিয়ে তারা সেখানে গিয়েছিল।

    অতিরিক্ত সেশন জজের বক্তব্য

    অতিরিক্ত সেশন জজ হরদীপ কৌর বলেন, “আনামুল সিম কার্ড সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু পারেনি। তাই সে (Al Qaeda) হয়তো অন্য কাউকে তার জন্য সিম কার্ড জোগাড় করতে বলেছিল। সেই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা প্রয়োজন।” একজন সাক্ষী জানিয়েছেন, আনামুলের নির্দেশে উমর বোমা তৈরির জন্য আতশবাজি কিনেছিল। ওই সাক্ষী আরও জানিয়েছেন, জিহাদের জন্য যুবকদের নিয়োগ করার লক্ষ্যে অভিযুক্ত আনামুল বুদ কোকরা, চত্রা, বাঁশ জাদি এবং অন্যান্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছিল। সে কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, তাদেরও শনাক্ত করা প্রয়োজন।

    ইশতিয়াক

    জানা গিয়েছে, ভারতের আল-কায়দা ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট মডিউল পরিচালনা করতেন ইশতিয়াক। এই সুপরিকল্পিত নেটওয়ার্কের হদিশ মেলায় জানা গিয়েছে, এই মডিউল ভারতে জঙ্গি হামলার জন্য ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে কাজ করছিল। ইশতিয়াক রাঁচির একজন রেডিওলজিস্ট। ঝাড়খণ্ডের নাকাটা জঙ্গলের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করেছিলেন তিনি। সেখানে নতুন সদস্যদের অস্ত্র পরিচালনা ও আত্মঘাতী বোমা হামলার জন্য প্রস্তুত হওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। এই গোষ্ঠীর লক্ষ্য ছিল ভারতে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। ইশতিয়াক রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত মডিউলের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করেছিলেন। তিনি একটা আত্মঘাতী দল গঠনের পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও (PM Kisan Yojana) তদন্তে জানা গিয়েছে (Al Qaeda)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Pollution: ধোঁয়াশায় ঢাকল দেশের রাজধানী, মরশুমের দূষিততম দিন দিল্লিতে, জারি আট দফা নির্দেশিকা

    Delhi Pollution: ধোঁয়াশায় ঢাকল দেশের রাজধানী, মরশুমের দূষিততম দিন দিল্লিতে, জারি আট দফা নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরশুমের দূষিততম দিন দিল্লিতে। কার্যত ধোঁয়াশায় ঢাকল দেশের রাজধানী শহর। দূষণ (Delhi Pollution) রোধে প্রশাসন জারি করল আট দফা নির্দেশিকা। পরিসংখ্যান বলছে, এ বছরের দূষিততম দিনের সাক্ষী থাকলেন দিল্লির বাসিন্দারা। দূষণে এখনও পর্যন্ত লাগাম টানা যায়নি। জনজীবন অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস অনলাইনে করার নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Delhi Government)।

    নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অফলাইন ক্লাস স্থগিত (Delhi Pollution)

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Delhi Government) অতীশি রবিবার এক্স হ্যান্ডলে ঘোষণা করেছেন, “সোমবার থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অফলাইন ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার থেকে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান-৪ (গ্র্যাপ-৪) আরোপ করার সঙ্গে সঙ্গে, দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণি ব্যতীত সমস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য অফলাইন ক্লাস বন্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত স্কুল অনলাইন ক্লাস করবে।”

    তাপমাত্রা যত নিচের দিকে নামছে দূষণের মাত্রা তত বাড়ছে। সোমবার সকাল ৯টায় বাতাসের গুণগত মান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা একিউআই (Delhi Pollution) দাঁড়িয়েছে ৪৮৫। রবিবার এই দূষণের মান ছিল ৪৫৫। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স-এর মাত্রা পরিসংখ্যান সূত্রে জানা গিয়েছে, শূন্য থেকে ৫০ হলে ভালো, ৫১ থেকে ১০০ হলে সন্তোষজনক। ১০১ থেকে ২০০ হলে নিয়ন্ত্রণ যুক্ত,  ২০১ থেকে ৩০০ হলে খারাপ, ৩০১ থেকে ৪০০ হলে অতি খারাপ আর ৪০০ থেকে ৫০০ হলে তীব্র খারাপ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তৎপরতার সঙ্গে বেশ কয়েকটি নির্দেশ জারি করা হয়েছে। 

    দুপুরেই ধোঁয়াশায় ঢাকছে শহর!

    গত এক সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ বায়ু দূষণের (Delhi Pollution) শিকার হয়েছে দিল্লি। কার্যত দিনে দুপুরেই ধোঁয়াশায় ঢাকছে শহর। ফলে দৃশ্যমানতা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। প্রভাব পড়ছে পরিবহণ ব্যবস্থার উপর। রেল, বিমান ইতিমধ্যেই বিলম্বিত হয়ে চলছে। হাতে সময় নিয়ে বিমান সংস্থাগুলি বিমান বন্দরে পৌঁছানোর নির্দেশ দিয়েছে। এই পরিস্থিতি সমাল দিতে গ্র্যাপ-৩ চালু করেছিল দিল্লি সরকার (Delhi Government)। সেই সঙ্গে জারি করা হয়েছে ৮ দফা বিধিনিষেধ। সোমবার থেকে এই ক্যাটেগরি আরও এক ধাপ বাড়িয়ে গ্র্যাপ-৪ জারি করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ বড় সিদ্ধান্ত? মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে আজ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকলেন শাহ

    নির্মাণ কাজ বন্ধরাখার নির্দেশ

    নিত্যপ্রয়োজনীয় গাড়ি ছাড়া ভারী ট্রাক যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আধুনিক ইঞ্জিন পরিচালিত গাড়ি ছাড়া অন্য গাড়ি প্রবেশের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। যেকোনও নির্মাণ কাজ এখন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুলের দশম, একাদশ, দ্বাদশ ছাড়া বাকি অন্যন্য শ্রেণির পঠনপাঠন বাড়ি থেকে অনলাইনে করার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: প্রতীক্ষার অবসান! এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ফের চলাচল শুরু টয় ট্রেনের

    Toy Train: প্রতীক্ষার অবসান! এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ফের চলাচল শুরু টয় ট্রেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর্যটকদের জন্য সুখবর। আবার এনজেপি স্টেশনে নেমে টয় ট্রেনে চেপে সোজা দার্জিলিং (Darjeeling) যাওয়া যাবে। চার মাস বন্ধ থাকার পর আবার রবিবার এনজেপি থেকে দার্জিলিং রুটে হেরিটেজ টয় ট্রেন (Toy Train) চালু হল।  রবিবার এনজেপি স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ এই ট্রেনের যাত্রা শুভারম্ভ করান উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাঠিয়ারের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার।

    কেন বন্ধ ছিল টয় ট্রেন? (Toy Train)

    জানা গিয়েছে, গত ৫ জুলাই থেকেই এই রুটে টয় ট্রেন (Toy Train) পরিষেবা বাতিল করা হয়। পাহাড়ে জায়গায় জায়গায় ধস নামায় টয় ট্রেনের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেকারণে এনজেপি-দার্জিলিং রুটে টয় ট্রেন বাতিল করতে বাধ্য হয় দার্জিলিং হিমালয়ান রেল কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত করে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করতে চার মাস সময় লাগে। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের ডিরেক্টর প্রিয়াংশু বলেন, ‘‘ধসে জায়গায় জায়গায় মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় নতুন করে লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। একারণে লাইন মেরামত করতে এতদিন সময় লাগল। তবে, এখন বর্ষা নেই। শীতের মরশুম। টয় ট্রেন এনজেপি থেকে দার্জিলিংয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে আর কোনও প্রাকৃতিক সমস্যা হবে না বলে আশা করছি।’’

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    পর্যটকরা কী বললেন?

    দার্জিলিংয়ের পথে ফের টয় ট্রেন (Toy Train) চালু হওয়ার মুহূর্তকে ঘিরে এনজেপি স্টেশনে ছিল উৎসবের জোয়ার। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের ট্রয় ট্রেনে চাপার আগ্রহ ছিল দেখার মতো। অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছেন এনা এবং বেনা। গোয়া থেকে এদিন টয় ট্রেন দার্জিলিং গেলেন, সময় শেট্টি ও তাঁর বন্ধুরা। অস্ট্রেলিয়ার বেনা বলেন, ‘‘এর আগে পাঁচবার আমি ভারত ভ্রমণে এসেছি। কিন্তু এবারই প্রথম টয় ট্রেনে চড়ছি। দারুন একটা উত্তেজনা অনুভব করছি। দার্জিলিংয়ের  টাইগার হিল সম্পর্কে জানি। কিন্তু টয় ট্রেন চড়ার একটা স্বপ্ন ছিল। তা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে ভেবে আমি রোমাঞ্চিত।’’ গোয়ার সময় শেট্টি বলেন, ‘‘গতবার দার্জিলিং এসেছিলাম। ট্রয় ট্রেন চড়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু, এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ট্রেন বন্ধ থাকায় তা হয়ে ওঠেনি। এবার তা হচ্ছে জেনে ভালো লাগছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share