Tag: Bengali news

Bengali news

  • Weather Update: বঙ্গে প্রাক-শীতের আমেজ! নভেম্বরেই বাতাসে বড় রদবদল, ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

    Weather Update: বঙ্গে প্রাক-শীতের আমেজ! নভেম্বরেই বাতাসে বড় রদবদল, ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মাস জুড়ে ভিজেছে বঙ্গ। ক্যালেন্ডার অনুসারে, এখন হেমন্তকাল। বর্ষা বিদায় নিয়েছে পাকাপাকিভাবে। নতুন করে এই মুহূর্তে নিম্নচাপের সম্ভাবনাও দেখছে না আবহাওয়া দফতর। একদিন পরই  কালীপুজো (Kali Pujo 2024)। তার আগেই হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়ে দিচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই আবহাওয়ায় বদল আসবে।

    কালীপুজোয় কি বৃষ্টি হবে? (Weather Update)

    দক্ষিণবঙ্গে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে খুব সামান্য। তবে, শুক্রবার থেকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের শুষ্ক আমেজ শুরু। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই শনিবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া (Weather Update) ও শীতের মরসুমের টের পাওয়া যাবে। কমবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। জেলায় জেলায় মূলত পরিষ্কার আকাশই থাকবে। বাতাস থেকে জলীয় বাষ্পের পরিমাণও ধীরে ধীরে কমবে। ফলে শীতের আমেজ আসবে ধীরে ধীরে। তাই মোটের ওপর কালীপুজো ও ভাইফোঁটার সময়ে মোটামুটি শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে রাজ্যজুড়ে। আগামী এক সপ্তাহে দুর্যোগ বা ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। 

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    কলকাতায় শীতের শুরু কবে?

    কলকাতায় আগামী ৪৮ ঘন্টায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর ধীরে ধীরে শুষ্ক আবহাওয়ার (Weather Update) শুরু। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৩ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩১.৫ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৬ থেকে ৯৬ শতাংশ। শুক্রবার থেকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া শুরু হবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই শনিবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া লক্ষ্য করা যাবে। জেলায় জেলায় মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে শীত আগেই?

    উত্তরবঙ্গের (Weather Update) দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি এই পাঁচ জেলাতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। নভেম্বরের শুরু থেকে শুষ্ক মনোরম আবহাওয়া অনুভব করা যাবে উত্তরেও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha CM: ‘বিজেডি আমলে দুর্নীতিতে ডুবে ছিল ওড়িশা’, অভিযুক্তদের রেয়াত নয়, হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

    Odisha CM: ‘বিজেডি আমলে দুর্নীতিতে ডুবে ছিল ওড়িশা’, অভিযুক্তদের রেয়াত নয়, হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ বছর ধরে দুর্নীতিতে ডুবে ছিল পূর্বতন বিজেডি সরকার। ভিজিল্যান্স অ্যাওয়ারনেস উইকের একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী (Odisha CM) মোহন চরণ মাঝি। ভুবনেশ্বরের লোকসভা ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মাঝি বলেন, ‘‘বিজেডি সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুর্নীতিতে ডুবে ছিল এবং বহু অফিসার এর মধ্যে যুক্ত ছিলেন।’’ সেই সমস্ত দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের কোনওভাবে ছাড়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মোহন মাঝি (CM Mohan Majhi)। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপির যে জিরো টলারেন্স নীতি, তাও এদিন নিজের বক্তব্যে বলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী।

    বিজেপি সরকার ক্ষমতা আসার পরেই ভিজিল্যান্স দফতর অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে

    ওড়িশায় (Odisha CM) বিজেপি সরকার ক্ষমতা আসার পরেই ভিজিল্যান্স দফতর অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এখনও পর্যন্ত দুর্নীতির অভিযোগে ছয় জন প্রধান ইঞ্জিনিয়ার, একজন জয়েন্ট কমিশনারকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ওই জয়েন্ট কমিশনার আবগারি দফতরের বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি, ‘সিটি এবং জিএসটি’র একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, মৎস্য দফতরের একজন ডেপুটি ডিরেক্টর ছাড়াও, দুজন তহসিলদার, দুজন বিডিও, একজন ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার, একজন জেল সুপারিনডেন্ট, একজন ডাক্তার ও সাতজন পুলিশ কর্মীকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী (Odisha CM)। নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘‘এটা শুরু, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও লড়াই আমাদের বাকি রয়েছে।’’ যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে দুর্নীতির আওতায় আসতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    ঢেলে সাজানো হচ্ছে ভিজিল্যান্স টিমকে

    এর পাশাপাশি, এদিন মোহন চরণ মাঝি (Odisha CM) ভিজিল্যান্স ফরেন্সিক সায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করার কথাও ঘোষণাও করেন। এই সংস্থার স্থাপন ওড়িশাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও তীব্র করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভিজিল্যান্স টিমকে আরও শক্তিশালী করতে ৮ জন নতুন এসপি পদমর্যাদার অফিসার, ২৪ জন ডিএসপি এবং ১৬ জন সাব ইন্সপেক্টরকে নিযুক্ত করা হয়েছে বলে খবর। এঁরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করবেন। একইসঙ্গে, ব্যাঙ্কিং ও সাইবার সিকিউরিটির ক্ষেত্রে ২৪ জন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট নিয়োগ করেছে ওড়িশা সরকার। এছাড়া, ভিজিল্যান্স দফতরে গতি আনতে ১৩৫টি নতুন মোটরসাইকেল ও দেড়শোটি মতো ল্যাপটপ ও কম্পিউটার দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মোহন মাঝি (CM Mohan Majhi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: “কেউ নূপুর পরে দরজা পর্যন্ত এসে চলে যাচ্ছে”, কালীবাড়ি ঘিরে গা ছমছম করা কাহিনি!

    Kali Puja 2024: “কেউ নূপুর পরে দরজা পর্যন্ত এসে চলে যাচ্ছে”, কালীবাড়ি ঘিরে গা ছমছম করা কাহিনি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭৬৬ খ্রিস্টাব্দে কৃষ্ণেন্দু হোতা মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাচীন সয়দাবাদে শিবমন্দির সহ একটি কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই সময় থেকে এখনও পর্যন্ত এই মন্দিরের গর্ভগৃহে কোনও রকম বৈদ্যুতিক আলো জ্বালানো হয় না। এখানে প্রদীপের আলো এবং মোমবাতি জ্বালিয়েই সারা বছর মায়ের পুজো (Kali Puja 2024) হয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় চারচালা বৃহত্তম মন্দির বলে এই দয়াময়ী কালীবাড়িকেই মানুষ জানে। কিন্তু এই কৃষ্ণেন্দু হোতা কে? জানা যায়, তিনি কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির নায়েক ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন সাধকও। এই মন্দির এবং মায়ের মূর্তি তিনিই প্রতিষ্ঠা করেন। দয়াময়ী মন্দিরের (Dayamayee kalibari) সামনের দালানমন্দিরে গ্রহরাজের পুজো হয়। দয়াময়ী মা জাগ্রতা বলে সবাই বিশ্বাস করেন। কৃষ্ণেন্দু হোতার বাড়ি ছিল মায়ের মন্দিরের পিছনে। তিনি সাধনায় সিদ্ধিলাভ করে মায়ের দর্শন পান। শোনা যায়, সে সময় সেখানে মায়ের ছাল রেখে গিয়েছিলেন। তিনি তার পর মাকে এখানে প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে কোনও রকম ঘটে পুজো হয় না। কারণ মা এখানে তাঁর দেহের অংশ ছেড়ে রেখে গিয়েছেন। সে কারণে এখানে মায়ের পুজো হয় দেহে। অমাবস্যার দিন ১২ মাসেই তাঁর পুজো এখানে হয়। বিশেষ আমাবস্যার পুজো হয় কার্তিক মাসে। এই সময় বহু মানুষের সমাগম হয় এই দয়াময়ী কালীবাড়িতে এবং হাজার চার-পাঁচেক লোকের ভোগ রান্না করা হয়।

    জহুরা মায়ের ইচ্ছা (Kali Puja 2024) 

    এ বিষয়ে দয়াময়ী কালীবাড়ির পুরোহিত বলেন, যতক্ষণ মা শিবের উপর দণ্ডায়মান আছেন, ততক্ষণ শক্তি। যেই মা নেমে যাবেন, আর আমাদের শক্তি থাকবে না। এই দয়াময়ী কালীবাড়ির মূর্তি নিয়ে নানান ধরনের ঘটনা উল্লেখিত আছে। কথিত আছে, একবার জহুরা মা এসে সাধনার জন্য জবরদস্তি করেছিলেন। তাঁর ইচ্ছে ছিল, মায়ের আসনে বসে সাধনা করবেন। কিন্তু আমার দাদু বলেছিলেন, “আপনি অবশ্যই সাধনা করতে পারবেন। কিন্তু তার আগে আপনার যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।” কী সেই পরীক্ষা? “আমি একটা মালা ওখানে রেখে দিয়ে আসব। সেই মালাটি কোনও রকম স্পর্শ না করে কারও সহযোগিতা না নিয়ে মায়ের গলায় পরাতে হবে।” এই কথা শোনার পর জহুরা মা বলেন, এটা কখনও সম্ভব? তার উত্তরে তিনি বলেন, সম্ভব এবং তিনি তা করেও দেখিয়েছেন। তাঁর দাবি, দাদু বেশ কয়েকবার মায়ের দর্শন পেয়েছেন।

    নূপুরের শব্দ (Dayamayee kalibari)

    তাঁর মুখ থেকে শোনা যাক তেমনই কিছু ঘটনা। তিনি বলে চলেন, “দুপুরবেলায় বাচ্চারা এখানে খেলতে আসত। সে সময় বন্যা হওয়ার কারণে মন্দিরের নীচের চত্বর থেকে জলে পরিপূর্ণ ছিল।। তারা খেলতে এসে দেখে, মন্দিরের সামনে একজন মাথা নিচু করে পড়ে আছে। তার চুলগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। বাচ্চারা ওই দেখে ভয় পেয়ে ছুটে গিয়ে দাদুকে সমস্ত কথা জানায়। তখন দাদু ছুটে এসে দেখে মায়ের সেই রূপ।” এই দয়াময়ী কালীবাড়ির (Kali Puja 2024) মাকে নিয়ে নানান ধরনের ঘটনা আছে। শোনা যাক আরও একটি ঘটনা। তিনি বুলেন, “দাদুর বন্ধু ঠাকুর-দেবতায় বিশ্বাসী ছিলেন না। দাদু ওই বন্ধুকে বলেছিলেন, মন্দিরের এই ঘরে তুই যদি থাকতে পারিস এক রাত, তোকে ৫ টাকা দেওয়া হবে এবং পেট ভর্তি রসগোল্লা খাওয়ানো হবে। এই কথা শুনে সেই বন্ধু ওই ঘরে রাতে থাকার জন্য ঢোকেন। দু-দিন পর সেই বন্ধু বাড়িতে আসেন এবং দাদুকে বলেন, আমি আর জীবনে কোনও দিন মন্দিরে রাতের বেলায় প্রবেশ করব না। কী হয়েছে জানতে চাইলে ওই বন্ধু বলেন, আমি যখনই শুতে যাচ্ছি, তখনই দেখা যাচ্ছে কেউ নূপুর পরে আমার দরজা পর্যন্ত এসে চলে যাচ্ছে। কিন্তু দরজা খুলে দেখা যাচ্ছে, কেউ নাই। এই রকম ঘটনা তিন-চার বার হওয়ার পর ওই বন্ধু নিজেকে সামলাতে না পেরে পাশে কাঠের দরজা টপকে পালিয়ে যান। জানিয়ে দিয়ে যান, তিনি আর জীবনে কোনও দিন এই মন্দিরে থাকবেন না। এই কারণে রাত নটা-দশটার পর এই মন্দিরে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না।

    আমিষ ভোগ (Kali Puja 2024) 

    তিনি জানান, এখানে আগাগোড়া আমিষ ভোগ দেওয়া হয়। এখানে মায়ের ভোগে মাছ প্রত্যেক দিন লাগবে। মাছবিহীন কখনও ভোগ হবে না। এখানে আমাবস্যার দিন মায়ের বিশেষ দুটি পছন্দের মাছ বোয়াল এবং শোল ভোগে দেওয়া হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sardar Vallabhbhai Patel: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ পালনের নির্দেশ ইউজিসি-র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Sardar Vallabhbhai Patel: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ পালনের নির্দেশ ইউজিসি-র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ অক্টোবর। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের (Sardar Vallabhbhai Patel) জন্মবার্ষিকী। দিনটিকে ভারত সরকার ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ (Rashtriya Ekta Diwas) হিসেবে ঘোষণা করেছে। যুবসমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনও উদ্যোগী হয়েছে। তারা দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ পালনের আহ্বান জানিয়েছে। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী যাতে যথাযথভাবে পালিত হয়, তাই এই উদ্যোগ। এ বছর সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। দু’বছর ধরে দেশজুড়ে অনুষ্ঠান পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে’র গুরুত্ব (Sardar Vallabhbhai Patel)

    ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ একটি বিশেষ দিন, যা আমাদের বল্লভভাই প্যাটেলের ভারতের একীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দেয়। তাঁর দূরদর্শিতা ও নেতৃত্ব ভারতের একতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল। এই দিনটি আমাদের জাতির একতা ও অখণ্ডতা রক্ষায় আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার সুযোগ দেয়। ইউজিসির বক্তব্য, রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো একতা ও অখণ্ডতা প্রচারের প্রতি তাদের অঙ্গীকার প্রদর্শন করতে পারে, যা দেশের যে কোনও চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে কাজে লাগবে।

    কী কী অনুষ্ঠান করতে হবে

    এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অংশগ্রহণ কেবল বল্লভভাই প্যাটেলের ঐতিহ্যকে সম্মান জানায় না, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগুলিকে ধারণ করতে অনুপ্রাণিত করে (Sardar Vallabhbhai Patel)। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথ নেওয়ার সময় কী পাঠ করতে হবে, বিজ্ঞপ্তিতে তাও বলে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ধনতেরাসে বিধি মেনে পুজোয় অকাল মৃত্যুর হাত থেকে মুক্তি, লাভ হয় অপার ঐশ্বর্য

    ঐক্যের জন্য দৌড়ের আয়োজনও করতে বলা হয়েছে। জাতীয় ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিতেই আয়োজন করা প্রয়োজন ঐক্যের জন্য দৌড়ের। এই দৌড়ে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে শামিল করানোর কথাও বলা হয়েছে। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে’ (Rashtriya Ekta Diwas) কী কী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হল, তার ছবি এবং ভিডিও ইউএএমপি পোর্টালে আপলোড করতেও বলা হয়েছে (Sardar Vallabhbhai Patel)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • By Election 2024: সিতাইয়ের তৃণমূল প্রার্থীর তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট কি ভুয়ো? কমিশনে নালিশ

    By Election 2024: সিতাইয়ের তৃণমূল প্রার্থীর তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট কি ভুয়ো? কমিশনে নালিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে যে ছ’টি জায়গায় উপনির্বাচন (By Election 2024) হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম কোচবিহারের (Cooch Behar) সিতাই বিধানসভা। এবার সেখানকার তৃণমূল (Trinamool Congress) প্রার্থী তথা জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী সঙ্গীতা রায়ের তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট নিয়ে উঠল প্রশ্ন। তাঁর জাতিগত শংসাপত্র কি জাল? প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। হলফনামায় স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম দিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন বলেও অভিযোগ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (By Election 2024)

    সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে (By Election 2024) তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী সঙ্গীতা রায়। তিনি বর্তমানে সিতাই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। পঞ্চায়েতের দেওয়া হলফনামায় তিনি তাঁর স্বামী হিসেবে জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার নাম হলফনামায় জানিয়েছিলেন। অথচ সিতাই বিধানসভার উপনির্বাচনে তিনি স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম দিয়েছেন। আর এই নিয়েই জলঘোলা হচ্ছে। বিরোধীরাও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা তাঁর হয়ে প্রচারে এসে সঙ্গীতা রায়কে তৃণমূলের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী হিসেবেই সম্বোধন করে গিয়েছেন। এরপর হঠাৎ করে স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম কেন লিখলেন সঙ্গীতা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন বিরোধীরা। এর পাশাপাশি তাঁর তফশিলি জাতির সার্টিফিকেটটিও জাল বলে বিরোধীদের অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    কমিশনে নালিশ 

    সোমবার স্ক্রুটিনির সময় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রিটার্নিং অফিসারের কাছে সঙ্গীতার তফশিলি জাতির সার্টিফিকেটটি দেখানোর দাবি করা হয়। কিন্তু, আধিকারিকরা তা দেখাতে রাজি হননি বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে বিজেপি। কংগ্রেসের তরফে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের (By Election 2024) কাছে অভিযোগ জমা দেন কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর এজেন্ট। সোমবার দুপুরে মনোনয়নপত্র পরীক্ষার সময় মহকুমা শাসকের দফতরে এসে কংগ্রেস প্রার্থী হরিহর রায় সিনহা ও তাঁর এজেন্ট অভিযোগ জমা দেন বলে জানা গিয়েছে। সঙ্গীতা রায়ের এসসি সার্টিফিকেট নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। অবজার্ভারের উপস্থিতিতে সেই কাগজ দেখতে চাইলেও, অবজার্ভার চলে যাওয়ার পর তা তাঁদের দেখানো হয়নি বলে অভিযোগ। এই সমস্যার সমাধান না হলে হাইকোর্ট যাওয়ার হুমকিও দেন তাঁরা। বিজেপি প্রার্থী দীপক রায় বলেন, উপযুক্ত প্রমাণ সহ বিষয়টি সঠিক জায়গায় জানানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তাড়াতে ‘লঙ্কাকাণ্ডে’র হুঁশিয়ারি হিমন্তের

    Himanta Biswa Sarma: ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তাড়াতে ‘লঙ্কাকাণ্ডে’র হুঁশিয়ারি হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডে (Jharkahnd) প্রচারে গিয়ে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে দিলেন লঙ্কাকাণ্ডের হুঁশিয়ারি। বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নিজের বক্তব্যে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘‘হনুমানজির লঙ্কায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। তাই আমাদেরও সোনার ঝাড়খণ্ড তৈরি করতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আগুন জ্বালাতে হবে।’’

    অনুপ্রবেশকারীদের আধার কার্ড বানিয়ে দিচ্ছে মাদ্রাসাগুলি 

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের (Jharkahnd) নির্বাচনে সহ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব রয়েছে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর। সে রাজ্যের ক্ষমতাসীন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও কংগ্রেস জোটের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের তোষণ করার বড় অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, সেখানকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলাদের বিয়ে করে স্থায়ীভাবে সেখানে বসতি করার অভিযোগও রয়েছে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আধার কার্ড তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে ঝাড়খণ্ডের মাদ্রাসাগুলি থেকে এবং এভাবেই তারা রাজ্যে থাকতে পারছে, এমন অভিযোগও করেন হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma)। তাঁর আরও অভিযোগ, ‘‘ক্রমশই ঝাড়খণ্ডে কমে চলেছে আদিবাসীদের জনসংখ্যা।’’

    আরও পড়ুন: ব্রাজিলে জি২০ সম্মেলনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সুকান্ত মজুমদার

    ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এনআরসি চালু করবে, বললেন হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma) 

    এর পাশাপাশি, হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) এদিন আরও বলেন, ‘‘প্রত্যেক মুসলমানই অনুপ্রবেশকারী নয়, কিন্তু প্রশ্ন উঠছে মুসলিম জনসংখ্যার বৃদ্ধি দেখে। কীভাবে বিগত পাঁচ বছরে এত বিপুল সংখ্যক বেড়ে গেল মুসলিম জনসংখ্যা! তাদের পরিবার কি ১০ থেকে ১২টি ছেলের জন্ম দিচ্ছে? সেটা নিশ্চই নয়। তাই এটা বুঝতেই হবে যে ভারতের বাইরে থেকে এসেই অনুপ্রবেশকারীরা মুসলিম জনসংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে।’’ এদিন সরাসরি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেনকে আক্রমণ শানিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও বলেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এনআরসি চালু করবে, বিশেষত সাঁওতাল পরগনাগুলিতে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ৮ বছর পর টনক নড়ল খাদ্য দফতরের! দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বালু ঘনিষ্ঠ রেশন ডিলার সাসপেন্ড

    Malda: ৮ বছর পর টনক নড়ল খাদ্য দফতরের! দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বালু ঘনিষ্ঠ রেশন ডিলার সাসপেন্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) আপাতত জেলে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর সময়কালে ঘটে যাওয়া আরেক রেশন দুর্নীতির প্রমাণ মিলল মালদায় (Malda)। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের সঙ্গেও লেনদেন হয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে রেশন ডিলারকে সাসপেন্ড করল খাদ্য সরবরাহ দফতর।  একই সঙ্গে প্রায় আট কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই ডিলার আবার তৃণমূলের গ্রামীণ নেতা। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মালদার কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকে রেশন ডিলার ছিলেন আশরাফুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের সাহাবানচক গ্রাম পঞ্চায়েতের ইন্দো-বাংলা সীমান্ত লাগোয়া বোরাবাদ্ধা গ্রামে। তিনি সাহাবানচক অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি। মাস দুয়েক আগে সাহাবানচক এলাকার বাসিন্দা দুখু শেখ তাঁদের রেশন ডিলার আশরাফুলের বিরুদ্ধে খাদ্য দফতর ও অপরাধ দমন বিভাগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগে তিনি বলেন, “আশরাফুল আমাদের সরকারি নিয়ম মেনে রেশন সামগ্রী দিচ্ছেন না। তাঁর গুদামে প্রচুর পরিমাণে রেশন সামগ্রী আসলেও তা রাতারাতি উধাও হয়ে যেত। রেশন আনতে গিয়ে অধিকাংশ সময় গ্রাহকদের ঘুরে আসতে হয়। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি, আশরাফুল আমাদের জন্য বরাদ্দ সামগ্রী কালোবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছি।’’ তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নেমে রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে জেলা খাদ্য দফতর। খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এক হাজারের বেশি ভুয়ো বা জাল রেশন কার্ড ছাপিয়ে দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে রেশন তোলা হচ্ছিল। তারপর সে সব জিনিস কালোবাজারে বিক্রি করা হত। ২০১৫ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এই কারবার চলেছে বলে অভিযোগ। তদন্ত চালিয়ে এই দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে বলে জেলা খাদ্য সরবরাহ দফতর সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    খাদ্য দফতরের কী বক্তব্য?

    মালদা (Malda) জেলা খাদ্য নিয়ামক শাশ্বত সুন্দর দাস বলেন, “সাহবানচকের একজনকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ভুয়ো কার্ডে পণ্য তোলার অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে। ৭ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি ডিলারশিপও সাসপেন্ড করা হয়েছে।’’

    তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি

    তৃণমূল নেতা তথা অভিযুক্ত রেশন ডিলার আশরাফুল ইসলামকে এলাকায় (Malda) দেখা যাচ্ছে না। তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় নি। শুধু খাদ্য দফতর নয় এই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি। তাঁদের অভিযোগ, বাংলাদেশিদের নামেও জাল রেশন কার্ড করা হচ্ছে। রেশন সামগ্রী পাচার হচ্ছে বাংলাদেশে। বর্ডার এলাকা থেকে এইসব লেনদেন চলছে বলেও দাবি বিরোধীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swarup Biswas: যৌন হেনস্থা মন্তব্য! স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির মামলা ২৩৩ জন পরিচালকের

    Swarup Biswas: যৌন হেনস্থা মন্তব্য! স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির মামলা ২৩৩ জন পরিচালকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আবহে উত্তপ্ত টলিউড। ৬০ শতাংশ পরিচালক-প্রযোজক নাকি যৌন হেনস্থার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত, গত সেপ্টেম্বরে পুজোর আগে এমনই অভিযোগ এনেছিলেন ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিসিয়ান্স অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas)। তাঁর আরও একটা পরিচয় রয়েছে, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই। এমন মন্তব্যের কারণে টলিউডের ২৩৩ জন পরিচালক এবার স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির (Defamation Case) মামলা করলেন।

    আরও পড়ুন: ব্রাজিলে জি২০ সম্মেলনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সুকান্ত মজুমদার

    দুর্গাপুজো মিটতেই মানহানির মামলা (Defamation Case) করা হল

    প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনার পরেই, গত অগাস্ট মাস থেকে উত্তাল হয় সারা রাজ্য। যৌন নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, মহিলাদের ওপর যে কোনও অত্যাচারের প্রতিবাদে সরব হয়ে রাস্তায় নামতে দেখা যায় মানুষকে। এরই মধ্যে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেন স্বরূপ বিশ্বাস। বিতর্কিত মন্তব্যে তিনি (Swarup Biswas) বলেন, ‘‘টলিউডের ৬০ শতাংশ পরিচালক যৌন হেনস্থা করেন।’’ এমন মন্তব্যের কারণেই নড়েচড়ে বসেন টলিউডের পরিচালকরা। এই তালিকায় ছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, অপর্ণা সেন, অঞ্জন দত্ত, সুদেষ্ণা রায়-সহ ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এরপরে দুর্গাপুজো মিটতেই মানহানির মামলা করা হল স্বরূপের বিরুদ্ধে।

    এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি স্বরূপ (Swarup Biswas)

    এনিয়ে ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সুব্রত সেন জানিয়েছেন, পরিচালকরা একজোট হয়ে এমন পদক্ষেপ করেছেন। সুব্রতর নিজের ভাষায়, “কোনও সংগঠন এই রকম পদক্ষেপ করতে পারে না। পরিচালকরা এক জোট হয়ে ব্যক্তিগত স্তর থেকে এই পদক্ষেপ করেছেন।”  তবে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ পরিচালকরা স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন কি না সে বিষয়ে কিছু স্পষ্ট জানা যাচ্ছে না। পরিচালক রাজ চক্রবর্তী তৃণমূলের বিধায়কও বটে। তাই তাঁর কী মন্তব্য স্বরূপ বিশ্বাসের কথার প্রসঙ্গে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। আবার স্বরূপ বিশ্বাসও এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ব্রাজিলে জি২০ সম্মেলনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: ব্রাজিলে জি২০ সম্মেলনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল, বুধবার ৩০ অক্টোবর, ব্রাজিলে জি২০ (G20 Summit) গোষ্ঠীভুক্ত দেশেগুলির শিক্ষামন্ত্রীর সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেবেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রসঙ্গত, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পরে তিনিই কোনও বাঙালি, যিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

    তুলে ধরবেন জাতীয় শিক্ষানীতির নানা বিষয়

    জি২০ (G20 Summit) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির শিক্ষামন্ত্রীরা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা করবেন বলে জানা গিয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে শিক্ষাপ্রদান, শিক্ষাদানের বিভিন্ন পদ্ধতি, দক্ষতা বৃদ্ধি ইত্যাদি নিয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা চলবে। মোদি সরকার ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০। এই নীতি ভারতবর্ষের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমূল পরিবর্তন করেছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জাতীয় শিক্ষানীতির নানা বিষয় তুলে ধরবেন নিজের বক্তব্যে।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘জি২০-তে যে সদস্য দেশগুলি আছে, তাদের সমস্ত শিক্ষামন্ত্রীর একটি বৈঠক হবে। একাধিক সেশন আছে তাতে। এটা বিরাট বড় একটা সুযোগ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সেজন্য ধন্যবাদ জানাই। তাঁর আমলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে যেভাবে সমাজে বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য।’’

    আগামীদিনে ভারত গোটা পৃথিবীর ‘এডুকেশন হাব’ হয়ে উঠতে পারে

    সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘চারটি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে। ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড এবং সৌদি আরব। সেখানে ভারত কী কী কাজ করছে, তারা কী কী কাজ করছে এগুলো উঠে আসবে। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি চাইলে ভারতে ক্যাম্পাস খুলতে পারে। ইউজিসির নিয়ম মেনে। এই বিষয়গুলি তাদের কাছে বলব। যাতে আগামীদিনে ভারত গোটা পৃথিবীর ‘এডুকেশন হাব’ হয়ে উঠতে পারে।’’

    শিক্ষা যৌথ তালিকায় পড়ে

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘শিক্ষা যৌথ তালিকায় পড়ে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে যে উদ্যোগগুলি নেওয়া হয়েছে, সেগুলি বলব। পশ্চিমবঙ্গের মতো দু’-একটি রাজ্য ছাড়া বাদ বাকি সব রাজ্য কেন্দ্রের সঙ্গে শিক্ষা বা এই ধরনের যেগুলো যৌথ তালিকায় যে বিষয়গুলি আছে তাতে তাল মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাই চলছে। যেমন-আউটরিচ প্রোগ্রামে আইআইটি মাদ্রাজ অন্যতম উদ্যোগ নিয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার ভালো কাজ করছে। আবার তামিলনাড়ুতে আমাদের সরকার নেই, অন্য পার্টির সরকার আছে। সেখানে তারা ভালো কাজ করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 29 october 2024: কুচক্রে পড়ে কোনও ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 29 october 2024: কুচক্রে পড়ে কোনও ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) সুবক্তা হিসাবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ।

    ৩) মোটামুটি কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) পড়াশোনার খুব ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) ধর্মালোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) উপার্জন নিয়ে মনে প্রচুর ক্ষোভ থাকবে।

    ২) ভ্রাতৃস্থানীয় কারও সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়তি ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির প্রতি অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় নাক গলাতে যাবেন না।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share