Tag: Bengali news

Bengali news

  • Farooq Abdullah: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না”, সাফ জানিয়ে দিলেন ফারুক আবদুল্লা

    Farooq Abdullah: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না”, সাফ জানিয়ে দিলেন ফারুক আবদুল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না।” কথাগুলো যিনি বললেন, তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার পাকিস্তান-প্রীতির ইঙ্গিত মিলেছিল। গান্ডেরবালকাণ্ডের (Ganderbal Terror Attack) পর সেই তিনিই নিশানা করলেন পাকিস্তানকে (Farooq Abdullah)। সাফ জানিয়ে দিলেন, কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না।

    পাকিস্তানকে নিশানা ফারুকের (Farooq Abdullah)

    কথা হচ্ছিল জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লার। রবিবার কাশ্মীরের গান্ডেরবালে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ৭ জন। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন ফারুক। কাশ্মীরের কুর্সিতে রয়েছে ফারুকের দল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁরই ছেলে ওমর আবদুল্লা। সরাসরি পাকিস্তানকে চাঁদমারি করে জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি পাকিস্তানের নেতৃত্বকে বলতে চাই, তারা যদি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়, তাহলে এসব বন্ধ করতে হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না। আসুন, আমরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচি এবং সফল হই।”

    ‘সন্ত্রাসবাদ বন্ধের সময় এটা’

    ফারুক বলেন, “তারা যদি ৭৫ বছরে একটি পাকিস্তান বানাতে না পারে, তাহলে এখন কীভাবে সম্ভব? সন্ত্রাসবাদ বন্ধের সময় এটা। তা যদি না হয়, তাহলে পরিণতি হবে ভয়ঙ্কর।” তাঁর প্রশ্ন, “তারা (পাকিস্তান) যদি আমাদের দেশের নিরীহ মানুষকে হত্যা করে, তাহলে কীভাবে আলাপ-আলোচনা সম্ভব?” ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো বলেন, “এই হামলা দুর্ভাগ্যজনক। পরিযায়ী গরিব শ্রমিক এবং চিকিৎসক প্রাণ হারিয়েছেন এই হামলায়। সন্ত্রাসবাদীরা এ থেকে কী পাবে? তারা কি ভাবছে, যে তারা এখানে পাকিস্তান বানাবে? আমরা এটা (সন্ত্রাসবাদ) বন্ধের চেষ্টা করছি, যাতে আমরা এই দুর্দশা থেকে বেরিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।”

    আরও পড়ুন: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    জঙ্গি হামলায় গান্ডেরবালে এক চিকিৎসক-সহ মোট (Farooq Abdullah) সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ছয় নির্মাণ শ্রমিকই ভিন রাজ্যের। একটি বেসরকারি সংস্থার হয়ে গান্ডেরবালে একটি টানেল তৈরির কাজ করছিলেন তাঁরা। জঙ্গিদের ওই হামলায় জখম হয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে কানগান সাবডিস্ট্রিক্ট হাসপাতালে। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সেনা। তবে সোমবার (Ganderbal Terror Attack) সন্ধে পর্যন্ত কোনও জঙ্গিই ধরা পড়েনি। এমতাবস্থায় ফারুকের (Farooq Abdullah) মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বই কি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: বুধবার বঙ্গ সফরে আসছেন না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, একগুচ্ছ কর্মসূচি স্থগিত

    Amit Shah: বুধবার বঙ্গ সফরে আসছেন না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, একগুচ্ছ কর্মসূচি স্থগিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত হয়ে গেল। বুধবার রাতেই তাঁর কলকাতা পৌঁছানোর কথা ছিল। দু’দিনে তিনি সরকারি বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন। একই সঙ্গে দলীয় নেতাদের সঙ্গেও বৈঠকে বসবেন, এমনটাই পরিকল্পনা ছিল। ঠিক কী কারণে ওই কর্মসূচি আপাতত স্থগিত হল, সে ব্যাপারে রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। তবে অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকালের মধ্যে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। তার জেরে বুধবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আসতে চলেছে। ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়ে রেখেছে আবহাওয়া দফতর। সেই কারণেই তাঁর এই প্রোগ্রাম আপাতত স্থগিত রাখা হল বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী কী কর্মসূচি ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর? (Amit Shah)

    উল্লেখ্য, আগামী ২৩ অক্টোবর অর্থাৎ বুধবার রাত ১০টায় কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা ছিল অমিত শাহ’র। নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে রাত্রিবাস করার পর বঙ্গ বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন তিনি, এমন কথাই ছিল। এরপর ২৪ অক্টোবর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার প্রথমে কল্যাণী এবং তারপর আরামবাগে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সল্টলেকে ইজেডসিসিতে রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের নিয়েও একটি বৈঠক করার পরিকল্পনা ছিল অমিত শাহের। বৈঠক শেষে তিনি সোজা কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির পথে রওনা হবেন, কর্মসূচি ছিল এমনটাই। অন্যদিকে, আগামী মাসেই রাজ্যের ছয়টি আসনে বিধানসভা উপনির্বাচন। উপনির্বাচন হবে সিতাই, নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর, মাদারিহাট এবং তালড্যাংরায়। ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়ে গিয়েছে বিজেপির প্রার্থী তালিকাও। তৃণমূলের পক্ষ থেকেও প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়েছে। তাই উপনির্বাচনের প্রচার থেকে শুরু করে কী রণকৌশল হতে পারে, সেই নিয়েও দলকে ভোকাল টনিক দিতে পারেন অমিত শাহ, এমনটাও মনে করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘুর্ণিঝড় ‘দানা’, কোন দেশ দিয়েছে এই নাম? কীভাবে হয় নামকরণ?

    ছিল পেট্রাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে যাওয়ার সম্ভাবনা

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত শাহের (Amit Shah) অন্যান্য কর্মসূচিগুলি সময়ের মধ্যে শেষ হলে তিনি বৃহস্পতিবার বনগাঁয় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পেট্রাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে যেতে পারেন, এমনটাও ভেবে রাখা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য আগামী কাল থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সীমান্ত দিয়ে পণ্য পরিবহণ বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আপাতত এ সবই স্থগিত রাখতে হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: চিন সীমান্ত নিয়ে বড় আপডেট দিলেন জয়শঙ্কর, কী বললেন জানেন?

    S Jaishankar: চিন সীমান্ত নিয়ে বড় আপডেট দিলেন জয়শঙ্কর, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইন্দো-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়া সংক্রান্ত সমস্যার ৭৫ শতাংশ সমধান হয়ে গিয়েছে।” মাসখানেক আগেই এ কথা জানিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায় একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে তিনি এও বলেছিলেন, “২০২০ সালে গলওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে পুরো ইন্দো-চিন সম্পর্ক গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সব চেয়ে বড় সমস্যা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় বিশাল সংখ্যক সেনা মোতায়েন।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    মাসখানেক পরে সোমবার সেই জয়শঙ্করই জানিয়ে দিলেন, “২০২০ সালের সংঘর্ষের আগে যেসব এলাকায় প্রবেশ সম্ভব ছিল, সেখানে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ফের টহল দিতে পারবে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিদেশ সচিব ঘোষণা করেছিলেন, ভারতীয় ও চিনা নেগোসিয়েটররা পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর টহল দেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন। এদিন তা নিশ্চিত করেন বিদেশমন্ত্রী।

    ‘পেট্রোলিংয়ে ফিরে যেতে পারব’

    এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিটে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। বলেন, “আমরা ২০২০ সালের পেট্রোলিংয়ে ফিরে যেতে পারব।” এদিনই সকালে বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি বলেছিলেন, “ভারতীয় ও চিনা আলোচকরা শেষ কয়েক সপ্তাহ ধরে অবশিষ্ট বিষয়গুলি সমাধানের জন্য আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বোঝা যাচ্ছিল, ডেপসাং ও ডেমচক অঞ্চলে পেট্রলিং সংক্রান্ত চুক্তির দিকে এগোচ্ছে আলোচনা। এই ব্রেকথ্রুর ঘোষণা এসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাশিয়ার কাজান শহরে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের একদিন আগেই এসেছে।”

    আরও পড়ুন: এবার মলদ্বীপেও চালু হতে চলেছে ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা, ঘোষণা মুইজ্জুর

    প্রসঙ্গত, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও (S Jaishankar) কোনও ঘোষণা হয়নি, তবুও ব্রিকস সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পার্শ্ববৈঠক হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বিনয় বলেন, “আমরা চিনা পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। সামরিকস্তরেও বিভিন্ন স্তরের কমান্ডারদের বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনা করেছি। অতীতে এই আলোচনা বিভিন্ন জায়গায় সংঘাতের অবসানে ফলপ্রসূ হয়েছে। আপনারা জানেন, কিছু জায়গায় এখনও অবসান হয়নি দ্বন্দ্বের (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: জয়পুরে স্বয়ংসেবকদের ওপর ছুরিকাঘাত! অভিযুক্তের ভবনে বুলডোজার চালাল ভজনলালের প্রশাসন

    RSS: জয়পুরে স্বয়ংসেবকদের ওপর ছুরিকাঘাত! অভিযুক্তের ভবনে বুলডোজার চালাল ভজনলালের প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানে শারদ পূর্ণিমায় আরএসএস স্বয়ংসেবকদের (RSS) ওপর হামলার অভিযোগে শোরগোল পড়েছে। মোট ১০ জনকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। অভিযুক্ত হলেন নসিব চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে। ঘটনায় তদন্তে নেমেছে মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল সরকারের পুলিশ-প্রশাসন। একই ভাবে মন্দিরের জমি অবৈধভাবে দখল করার জন্য অভিযুক্তদের বেআইনি একটি ভবনকে বুলডোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    হিংসাত্মক আক্রমণ পূর্ব পরিকল্পিত (RSS)

    জয়পুরে গত ১৭ অক্টোবর লক্ষ্মীপূর্ণিমার দিনেই শারদ পূর্ণিমা পালিত হয়েছে। এই সময় আরএসএসের পক্ষ থেকে কর্নি বিহারের একটি শিব মন্দিরে ফসল কাটার শুভ মুহূর্তে বিশেষ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে মহাপ্রসাদ বিতরণের সঙ্গে হনুমান চাল্লিশা পাঠও চলছিল। ঠিক এমনই আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে মন্দির চত্বরে নসিব চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে ভীষম চৌধুরী আচমকা সব কর্মকাণ্ড বন্ধ করার হুমকি দেন। এরপর তর্কবিতর্ক হতেই প্রায় দশজন স্বয়ংসেবকের উপর আচমকা এলোপাথাড়ি ছুরি নিয়ে আক্রমণ চালান। ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলে অনেকের পায়ে, বুকে, পিঠে, হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। এই হিংসাত্মক আক্রমণ পূর্ব পরিকল্পিত বলে দাবি আরএসএস-এর। এরপর আহতদের দ্রুত জয়পুর সওয়াই মান সিং হাসপাতলে ভর্তি করা হয়।

    বৈধ নথি নেই, তাই বুলডোজার

    একই ভাবে আরএসএস স্বয়ংসেবকরা (RSS) অভিযোগ করে, এলাকায় এবং মন্দিরের বেশ কিছু জমি ওই অভিযুক্তরা জোর করে দখল করে রেখেছে। এরপর জয়পুর উন্নয়ন পর্ষদের পক্ষ থেকে মন্দিরের অবৈধ জমি জরিপ করা হয় এবং অভিযুক্ত নসিব চৌধুরী বেআইনি ভাবে জমি দখল করেছে বলে নোটিশ জারি করা হয়। সেই সঙ্গে এই নির্মাণ নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়। কিন্তু বৈধ নথি না দেখাতে পারায় অবৈধ একটি ভবনকে ভেঙে ফেলা হয় বুলডোজার দিয়ে। জয়পুর উন্নয়ন পর্ষদের বক্তব্য, “নির্ধারিত সময় দেওয়ার পরও অবৈধ নির্মাণ নিয়ে কোনও তথ্য দিতে না পারায় প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।” উল্লেখ্য সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশে প্রতিমা বিসর্জনের সময় এক হিন্দু যুবককে দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যা করলে, মূল অভিযুক্তদের অবৈধ নির্মাণের উপর বুলডোজার চালায় যোগী প্রশাসন। ফলে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যোগীর দেখানো পথে এবার রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মাও কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলার পথে অগ্রসর হয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diamond Harbour Medical: কোটি কোটি টাকা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ! দিনভর বিক্ষোভে জুনিয়র ডাক্তাররা

    Diamond Harbour Medical: কোটি কোটি টাকা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ! দিনভর বিক্ষোভে জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আবহের মধ্যে এবার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল (Diamond Harbour Medical) কলেজে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার অবস্থান-বিক্ষোভ চলে। এদিন সকাল থেকে চলা অবস্থান বিক্ষোভে ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের স্থায়ী এবং অস্থায়ী কর্মচারীরা সামিল হন।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Diamond Harbour Medical)

    মূলত, জুনিয়র ডাক্তারদের (Diamond Harbour Medical) দাবি, ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। পাশাপাশি থ্রেট কালচার সহ ১২ দফা দাবিকে সামনে রেখে তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ চালাতে থাকেন। অধ্যক্ষ যতক্ষণ না পর্যন্ত এর সঠিক উত্তর দিচ্ছেন, ততক্ষণ এই অবস্থান বিক্ষোভ চলতে থাকবে। এমনকী, মেডিক্যাল কলেজের অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ে তালা মেরে দেওয়া হয় জুনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে। তবে, এই বিষয় নিয়ে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, ‘‘ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের বেশ কিছু জুনিয়র চিকিৎসক ও পড়ুয়ারা কোশ্চেন বিক্রি থেকে শুরু করে, টাকা নেওয়া ও জুনিয়রদের থ্রেট কালচারের সঙ্গে যুক্ত। এরজন্য ৯ জন জুনিয়র চিকিৎসক ও পড়ুয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এদিন তাঁদের হস্টেল ছেড়ে দেওয়ার শেষ দিন, যে কারণেই তাঁরা পরিকল্পিতভাবে আমার দুর্নাম করার জন্যই এই পরিকল্পনা করেছে।’’

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘুর্ণিঝড় ‘দানা’, কোন দেশ দিয়েছে এই নাম? কীভাবে হয় নামকরণ?

    আরজি করকাণ্ডে প্রতীকী অনশন

    সকাল থেকে দফায় দফায় অবস্থান বিক্ষোভের ফলেই ব্যাহত হয়ে পড়ে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের রোগী পরিষেবা। আর সেই অবস্থান বিক্ষোভের মধ্যে আসেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জোনাল মিতুন কুমার দে, মহকুমা শাসক অঞ্জন ঘোষ, এসডিপিও শাকিব আহমেদ। একদিকে তাঁরা যেমন আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন, ঠিক তেমনি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এবং এমএসভিপি-র সঙ্গে কথা হয়। জুনিয়র চিকিৎসকদের আশ্বস্ত করার পর অ্যাকাডেমিক বিল্ডিং এর তালা খোলেন। জুনিয়র চিকিৎসকরা অবস্থান তুলে নেন। পাশাপাশি, জুনিয়র ডাক্তারদের অন্য একটি পক্ষ, আরজি করকাণ্ডের কলকাতায় অবস্থানরত চিকিৎসকদের সমবেদনা জানাতে ১২ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফাই দেননি শেখ হাসিনা! এ কী কথা শোনালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

    Sheikh Hasina: প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফাই দেননি শেখ হাসিনা! এ কী কথা শোনালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর ছেলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। সম্প্রতি বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহবুদ্দিনেরও দাবি, হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, এমন কোনও প্রামাণ্য নথি তাঁর কাছে নেই। সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। তার পর কেটে গিয়েছে প্রায় সাড়ে তিন মাস। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকারউজ জামান জানিয়েছেন, হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন। যদিও হাসিনার ছেলে কিংবা রাষ্ট্রপতির দাবি ভিন্ন।

    কী বলছেন রাষ্ট্রপতি? (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭(ক) ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হলে ইস্তফাপত্র পাঠাতে হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের দৈনিক ‘মানবজমিন’কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শাহবুদ্দিন জানান, হাসিনা দেশ ছাড়ার আগে তাঁকে কিছুই জানাননি। সেনাপ্রধান ওয়াকারকেও তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। তিনিও সুস্পষ্টভাবে তাঁকে কিছু জানাতে পারেননি বলেই দাবি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির। শাহবুদ্দিন বলেন, “ওয়াকারও জানিয়েছিলেন, তিনি শুনেছেন হাসিনা পদত্যাগ করেছেন।” তবে সেটা হাসিনা রাষ্ট্রপতিকে জানানোর সময় পাননি বলেই অনুমান ওয়াকারের।

    শাহবুদ্দিনের দাবি

    শাহবুদ্দিন জানান, ৫ অগাস্ট (এদিনই দেশ ছেড়েছিলেন হাসিনা) সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনে ফোন এসেছিল। বলা হয়েছিল, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বঙ্গভবনে আসবেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে। সেই মতো প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল। ঘণ্টাখানেক পরেই আবারও ফোন এসেছিল। এবার তাঁকে জানানো হয় হাসিনা আর যাচ্ছেন না রাষ্ট্রপতি ভবনে (বঙ্গভবন)।

    হাসিনার (Sheikh Hasina) ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছিলেন, “আমার মা কোথাও লিখিতভাবে পদত্যাগ করেননি।” হাসিনা নিজেও এ ব্যাপারে কিছু জানাননি। এবার রাষ্ট্রপতিও জানিয়ে দিলেন, হাসিনার পদত্যাগের প্রামাণ্য কোনও নথি বঙ্গভবনে নেই। প্রসঙ্গত, ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছিলেন হাসিনার প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার খবর।

    আরও পড়ুন: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    ওই সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, “এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী চলে গিয়েছেন, এটাই সত্য। এই বিষয়ে যাতে কখনও কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেজন্য (Bangladesh Crisis) সুপ্রিম কোর্টের মতামতও নেওয়া হয়েছে (Sheikh Hasina)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Organ Donor: শরীর থেকে বের করা হচ্ছিল হৃদযন্ত্র, আচমকা জেগে উঠলেন ‘মৃত’ অঙ্গদাতা!

    Organ Donor: শরীর থেকে বের করা হচ্ছিল হৃদযন্ত্র, আচমকা জেগে উঠলেন ‘মৃত’ অঙ্গদাতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীর থেকে হৃদযন্ত্র (Organ Donor) বের করার সময় হঠাৎই জেগে উঠলেন ‘মৃত’। অঙ্গদান করতে গিয়ে এখন খবরের শিরোনামে আমেরিকা (America)। অপারেশন টেবিলেই ‘মৃত’ ব্যক্তি আচমকা নড়েচড়ে বসেন। কিন্তু তারপরেও অস্ত্রোপচার চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন পরিবার। এই ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দিয়েছে চিকিৎসক মহলে।

    টেবিলেই ছটফট করতে থাকেন (Organ Donor)

    ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে। আমেরিকার (America) কেন্টাকিতে এই ঘটনা ঘটেছিল। টিজে হুভার নামের এক ব্যক্তি বেশি পরিমাণে মাদক সেবন করেছিলেন। এরপর নিজে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর হুভারকে ব্যাপটিস্ট হেলথ রিচমন্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে ব্রেন ডেড ঘোষণা করা হয়। এরপর অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলি (Organ Donor) প্রতিস্থাপন যোগ্য কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। এরপর অপারেশন টেবিলে তোলা হলে আচমকা নড়েচড়ে বসেন তিনি। আমেরিকার নিউ ইয়র্ক (America) পোস্ট এই বিষয় নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, অস্ত্রোপচার করতে গেলে হুভারের শরীরে প্রাণের অস্তিত্ব মেলে বলে জানান হাসপাতালের কর্মীরা। রীতিমতো টেবিলেই ছটফট করতে থাকেন তিনি। এমন কী তাঁর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ার কথাও বলেন হাসপাতালের কর্মীরা। এক কর্মী আরও বলেন, “অঙ্গদানকারী ওই রোগীর অবস্থা দেখে দুই চিকিৎসক পিছু হটেন। কিন্তু তখনও রোগীর শরীর থেকে অঙ্গ বের করতে রাজি হননি দুই চিকিৎসক। তবুও কেন্টাকি অর্গ্যান ডোনার অ্যাফিলিয়েটস-এর পক্ষ থেকে চিকিৎসকদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এমন কী রোগীর দেহে ওষুধ প্রয়োগ করে নিস্তেজ করে শরীর থেকে অঙ্গ বের করে নেওয়া হয়।” উল্লেখ্য এই ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক বলে মন্তব্য করেন ওই কর্মী।

    আরও পড়ুনঃ এবার মলদ্বীপেও চালু হতে চলেছে ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা, ঘোষণা মুইজ্জুর

    চোখ খোলার অর্থ বেঁচে থাকা নয়

    এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক নাতাশা মিলার বলেন, “ওই সময় অত্যন্ত ছটফট করছিলেন হুভার। আমি স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি ওর চোখ দিয়ে জল পড়ছিল। হৃদযন্ত্র (Organ Donor) অঙ্গদানের উপযুক্ত কিনা যখন পরীক্ষা করা হচ্ছিল, সেই সময় জেগে উঠেছিলেন হুভার।” আবার হুভারের দিদি ডনা বোরার বলেন, “আইসিইউ থেকে যখন বের করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেই সময় ভাই চোখ খুলেছিলেন। হাসপাতালে জানালে ওরা আমায় বলে, চোখ খোলা রিফ্লেক্স মাত্র। চোখ খোলার অর্থ বেঁচে থাকা নয়। হয় তো বেঁচে ছিলেন দাদা, বোঝাতে চেয়েছিলেন।” কিন্তু শেষ পর্যন্ত শরীরের সব অঙ্গ কেটে বের করা হয়নি। কোডা-র কর্মীদের মধ্যে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন। কেউ কেউ আবার হাসপাতাল থেকে পদত্যাগও করেন।

    তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করছেন। কেন্টাকির অ্যাটার্নি জেনারেল বলেন, গোয়েন্দারা তদন্ত করছেন। তবে হুভার এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তবে সবকিছু স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: আয়লার মতো দাপট হবে সাইক্লোন ‘দানা’র! ল্যান্ডফল বৃহস্পতিবার? প্রস্তুত এনডিআরএফ

    Cyclone Dana: আয়লার মতো দাপট হবে সাইক্লোন ‘দানা’র! ল্যান্ডফল বৃহস্পতিবার? প্রস্তুত এনডিআরএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর আগেই আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের আশঙ্কা। চোখ রাঙাতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। আর এই ঘুর্ণিঝড় মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই ওড়িশা ও বাংলার উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Dana) সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা-বাংলার কাছে পৌঁছবে ‘দানা’। তবে বুধবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করবে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে উপকূলে। ঝড় কোথায় আছড়ে পড়বে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবুও, সমস্ত প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে তৎপর নবান্ন। আসন্ন ঘূর্ণিঝড় ডানা নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক বসেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের ক্যাবিনেট সেক্রেটারি রাজ্যের মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন সোমবার। ঘূর্ণিঝড় ও তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রের জাতীয় বিপর্যয় ম্যানেজমেন্ট কমিটির এই বৈঠক হয়।

    প্রস্তুতির তথ্য তলব কেন্দ্রের (Cyclone Dana)

    এই ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Dana) নিয়ে রাজ্যের তরফে কী কী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে তার বিস্তারিত রিপোর্ট নেয় কেন্দ্র। রবিবার মৌসম ভবনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বুলেটিন প্রকাশ করা হয়। সেখানেই জানানো হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরের ওপর থাকা ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হতে পারে। এই নিম্নচাপ অঞ্চল সাগরের ওপর দিয়ে ক্রমেই পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোতে পারে। ফলে, ২২ অক্টোবর, মঙ্গলবার সকালে সেই নিম্নচাপ অঞ্চল শক্তিবৃদ্ধি করে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। ঠিক এর পরের দিন, অর্থাৎ ২৩ অক্টোবর, বুধবার পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

    আয়লার আতঙ্ক!

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে বইতে পারে ঝড়। ফলে, সমুদ্র উত্তাল হবে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ২০০৯ সালে আয়লা ঘূর্ণিঝড়েরও গতিবেগ ছিল ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। তাই আবারও ঝড়ের (Cyclone Dana) প্রভাবে সব তছনছ হয়ে যেতে পারে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাত কাটাচ্ছেন উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। ‘দানা’ ঘূর্ণিঝড়ের আতঙ্কে ত্রস্ত সুন্দরবনের উপকূল এলাকা।  সোমবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মৎস্য দফতরের পক্ষ থেকে সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে সব মৎস্যজীবী ট্রলারকে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। একটানা তিন দিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে, সঙ্গে ঝড়। পূর্বাভাসে এমনটাই বলা হয়েছে। বাড়তে পারে সমুদ্র ও নদীর জলস্তর।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘুর্ণিঝড় ‘দানা’, কোন দেশ দিয়েছে এই নাম? কীভাবে হয় নামকরণ?

    মাইকিং করে সতর্ক!

    জেলার সুন্দরবন উপকূলে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসনও প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে উপকূলবর্তী সাগর, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, বকখালি, পাথরপ্রতিমা ও রায়দিঘি এলাকায় মাইক নিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কাকদ্বীপ মহকুমার সাগর, কাকদ্বীপ, পাথরপ্রতিমা ও নামখানা ব্লকে সাইক্লোন (Cyclone Dana) সেন্টার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গঙ্গাসাগরের কচুবেড়িয়া ঘাটে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা মাইকিং করে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করেন। আর যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের ফিরে আসার কথা বলা হচ্ছে। এছাড়াও উপকূল তীরবর্তী এলাকার মানুষদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে মাইকিং এর মাধ্যমে। বাঁধের কাছে বসবাসকারী বাসিন্দাদের ধীরে ধীরে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিভিল ডিফেন্স, এসডিআরএফ এবং এনডিআরএফকে (NDRF) সতর্ক করে সমস্ত রকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে সুন্দরবনের উপকূল এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে মোতায়েন করা হতে পারে ওই বিশেষ বাহিনী।

    খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম

    ব্লক প্রশাসন এবং পঞ্চায়েতগুলিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দফতরে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেচ দফতরের আধিকারিক এবং কর্মীরা বাঁধের ওপর নজরদারি চালাবে। কোথাও কোনও বাঁধে (Cyclone Dana) সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত মেরামত করা হবে বলে সেচ দফতরের নির্দেশ। পঞ্চায়েত এবং ব্লক অফিসগুলিতে শুকনো খাবার, পানীয় জলের পাউচ এবং ত্রিপল মজুদ করা হচ্ছে। উপকূল এলাকায় নজরদারি চালাতে বিডিও অফিসগুলোতেও একটি করে কন্ট্রোল রুম খোলা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সব থেকে ক্ষতি কোথায় হবে?

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘুর্ণিঝড়ের (Cyclone Dana) ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত, বাংলাদেশ ও মায়ানমার। ‘দানা’ সম্পর্কে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে দক্ষিণ ভারতে মুষলধারে বৃষ্টি হতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়টি ২৪ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের হিসেব বলছে, আন্দামান সাগরের ঘূর্ণাবর্ত ঘনীভূত হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে আসছে। আগামিকাল মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরির প্রবল সম্ভবনা। এই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে ধেয়ে আসবে ওড়িশা উপকূলের দিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: আতঙ্ক কাটাতে হাসপাতালের লাশকাটা ঘরেই শুরু হয়েছিল মা কালীর আরাধনা!

    Kali Puja 2024: আতঙ্ক কাটাতে হাসপাতালের লাশকাটা ঘরেই শুরু হয়েছিল মা কালীর আরাধনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় শবদেহ রাখা হত। হাসপাতাল অন্যত্র সরে গেলেও ঘরটি রয়ে যায় পুরনো জায়গাতেই। তাই শবঘর বা লাশকাটা ঘর নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের বেশ ভালোরকম আতঙ্ক ছিল। সেই ভয়ের জন্য বালুরঘাটের প্রাইভেট বাসস্ট্যান্ড এলাকা এড়িয়ে চলতেন বাসিন্দারা। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাটাতেই শুরু হয় কালীপুজো। সেই থেকে কালিকাই ভয়-ভীতি কাটিয়েছেন সাধারণের। বালুরঘাট শহরের এই দেবী জাগ্রত (Kali Puja 2024) হিসেবে পরিচিত। চৈত্র সংক্রান্তিতে বাৎসরিক পুজো হলেও, কার্তিক মাসের প্রথম অমাবস্যায় মায়ের পুজো ঘিরে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি হয়।

    বছর ৫০ আগে এই পুজোর সূচনা (Kali Puja 2024)

    বালুরঘাট শহরের প্রাইভেট বাসস্ট্যান্ড এলাকার এই পুজো মোটরকালী পুজো নামে পরিচিত। এটি তেমন প্রাচীন না হলেও এর অতীত বেশ সমৃদ্ধ। প্রায় বছর ৫০ আগে এই পুজোর সূচনা করেছিলেন গাড়ি অর্থাৎ মোটর মালিকরা। স্থানীয়ভাবে আগে গাড়ির প্রচলিত শব্দ ছিল মোটর। বর্তমানে যেখানে মোটরকালী পুজো হয়, সেখানে আগে ছিল ফুটানিগঞ্জের হাট। এর কিছুটা দূরে ছিল পশ্চিম দিনাজপুরের জেলা হাসপাতালটি। আর হাসপাতালের লাশকাটা ঘরটি ছিল ফুটানিগঞ্জের হাটের মধ্যে। পরবর্তীতে জেলা হাসপাতালটি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় রঘুনাথপুর এলাকায়। কিন্তু ফুটানিগঞ্জের হাটের মধ্যে থাকা লাশকাটা ঘর এবং লাশ বহনকারী গাড়ি থেকে যায় পরিত্যক্ত অবস্থায়। এই লাশকাটা ঘরের অদূরে ছিল একটি প্রাইভেট গাড়ির স্ট্যান্ড। দিনের বেলা কিছু গাড়ি চলাচল করত। সপ্তাহে হাটের দিন বাদ দিয়ে সাধারণ মানুষ ওই চত্বরে যাওয়ার সাহস পেত না। ভূতের ভয় সাংঘাতিকভাবে কাজ করত সাধারণ মানুষের মধ্যে।

    লাশকাটা ঘরে মা কালীর মুর্তি

    আতঙ্ক কাটাতে এগিয়ে আসেন এলাকার প্রবীণরা। জুজু সরাতে স্ট্যান্ডের বাস মালিকরা পরিত্যক্ত লাশকাটা ঘরে মা কালীর মুর্তি (Kali Puja 2024) স্থাপন করেন। নাম দেওয়া হয় মোটরকালী। এরপর থেকে পাঁঠাবলি ও অনান্য নিয়ম মেনে নিষ্ঠা সহকারে পূজিতা হয়ে আসছেন মোটরকালী। তবে মন্দিরে মায়ের পুজোর আগে ঘাটপু্জো দিতে হয় পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রেয়ী খাঁড়িতে। সেখানেই নাকি ঈশ্বরীয় কিছু ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন বহু মানুষ। কথিত আছে যেখানে ঘাটকালীর পুজো দেওয়া হয়, সেখানকার জল নাকি শুকোয় না কখনও। পরীক্ষামূলক ভাবে সেচ লাগিয়েও তা সম্ভব হয়নি বলে প্রমাণ হয়েছে। খরার সময় আশেপাশে জল শুকিয়ে গেলেও জল থেকে যায় আত্রেয়ী খাঁড়িতে।

    বছরে দু’বার মায়ের পুজো (Kali Puja 2024)

    এই বিষয়ে মন্দিরের পুরোহিত বলেন, এই মন্দির বহু পুরনো। মানুষের মধ্যে ভুতের ভয় কাটাতে এইখানে (Balurghat) এই মায়ের পুজো শুরু হয়েছিল। মায়ের পুজো দেবার পর মানুষের মধ্যে ভুতের ভয় কাটে। তারপর থেকে বছরে দুবার মায়ের পুজো হয়। চৈত্র সংক্রান্তিতে মায়ের বাৎসরিক পুজো হয় ও কার্তিক মাসের প্রথম অমাবস্যায় মায়ের পুজো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jana Sangh: ১৯৫১ সালের ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা, ফিরে দেখা জনসঙ্ঘের প্রথম দিকের ইতিহাস

    Jana Sangh: ১৯৫১ সালের ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা, ফিরে দেখা জনসঙ্ঘের প্রথম দিকের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৫১ সালের আজকের দিনেই (২১ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ভারতীয় জনসঙ্ঘ (Jana Sangh)। জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস জানতে সমসাময়িক ভারতের ইতিহাস জানাটাও জরুরি। জানতে হবে, কেন প্রয়োজন হল কংগ্রেসের বিকল্প রাজনৈতিক দলের? ১৯৪৮ সালে গান্ধী হত্যার পরবর্তীকালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে (RSS) নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ১৯৪৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয় আরএসএস-এর সরসঙ্ঘচালক গুরুজি গোলওয়ালকরকে। দেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে তখন কংগ্রেসের একচ্ছত্র আধিপত্য। কংগ্রেসের যে কোনও ভ্রান্ত নীতির বিরোধিতা করার জন্য সংসদের ভিতের এবং রাজপথে জাতীয়তাবাদী আওয়াজের প্রয়োজন হয়। দেশের আইনসভাগুলিতে কংগ্রেসের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভাবধারা সম্পন্ন কোনও রাজনৈতিক দল ছিল না। এটা পরিষ্কার হয় যে শাসকের যে কোনও ভুল অথবা জাতীয়তাবাদ বিরোধী সিদ্ধান্তের মোকাবিলা শুধুমাত্র সামাজিক সংগঠনের পক্ষে সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি সঙ্ঘকে (RSS) নিষিদ্ধ করার পরে রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে শাসকের রাজনৈতিক আক্রমণ মোকাবিলা করার জন্য।

    ‘অর্গানাইজার’ পত্রিকায় লেখা হয় রাজনৈতিক দল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা 

    তৎকালীন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ভিতরেও রাজনৈতিক দল গঠনের কথা বলতে থাকেন অনেকেই। ১৯৪৯ সালেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ‘অর্গানাইজার’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কেআর মালকানি, তাঁর নিজের লেখায় তুলে ধরেন রাজনৈতিক দল গঠন করা কেন প্রয়োজন। সঙ্ঘের তৎকালীন সরসঙ্ঘচালক গুরুজি গোলওয়ালকরকে তখন অনেকেই অনুরোধ করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে (RSS) রাজনৈতিক দলে পরিবর্তিত করার জন্য। কিন্তু গুরুজি গোলওয়ালকর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সামাজিক কার্যপদ্ধতি বদল করতে চাননি।

    গোলওয়ালকার-শ্যামাপ্রসাদ বৈঠক ও জনসঙ্ঘের (Jana Sangh) প্রতিষ্ঠা 

    ১৯৪৮ সালের ২ নভেম্বর এক বিবৃতি দিয়ে সর সঙ্ঘচালক পরিষ্কার করে দেন যে আরএসএস-এর (RSS) কোনও রাজনৈতিক লক্ষ্য নেই। এমন সময়েই গুরুজি গোলওয়ালকারের সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Syama Prasad Mukherjee) বৈঠক হয়, জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে। রাজনীতির ক্ষেত্রে গুরুজি কয়েকজন স্বয়ং সেবককে পাঠান। তাঁরা হলেন — দীনদয়াল উপাধ্যায়, অটল বিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আদবানি, জগদীশ মাথুর, সুন্দরসিং ভাণ্ডারি প্রমুখ। শুরু হয় ভারতীয় জনতা পার্টির পূর্বতন ভারতীয় জনসঙ্ঘের যাত্রা। ১৯৫১ সালের ২১ অক্টোবর দিল্লির ‘রাঘোমাল আর্যকন্যা হাইস্কুলে’ প্রতিষ্ঠিত হয় ভারতীয় জনসঙ্ঘ (Jana Sangh)। প্রথম সভাপতি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

    প্রতীক ছিল প্রদীপ, প্রথম অধিবেশনে প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী হাজির ছিলেন, পেশ করা হয় ৮ দফা দাবি

    জনসঙ্ঘের (Jana Sangh) প্রতীক ছিল প্রদীপ। ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রথম অধিবেশনে প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী হাজির ছিলেন। ওইদিনই দল  ৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। এগুলি হল-  অখণ্ড ভারত, পাকিস্তানের প্রতি তোষণনীতি বর্জন, দেশের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীন বৈদেশিক নীতি, বিতাড়িত উদ্বাস্তুদের জন্য পাকিস্তান থেকেই ক্ষতিপূরণ নেওয়া, দেশীয় পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি (বিশেষত খাদ্য ও বস্ত্রের) এবং শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ, ভারতীয় সংস্কৃতির বিকাশ, প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান অধিকার (পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, জাতি বা বর্ণ অনুযায়ী বিভেদ না করা), বিহারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সীমানা পুনর্বিন্যাস। ‘অর্গানাইজার’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কেআর মালকানি এবং আর্য সমাজের নেতা লালা হংসরাজ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠায়। পরবর্তীকালে ১৯৭৭ সালে লালা হংসরাজ দিল্লি পুরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। অন্যদিকে, কেআর মালকানি পরবর্তীকালে রাজ্যসভার সাংসদ হন।

    জনসঙ্ঘের (Jana Sangh) বিভিন্ন সাংগঠনিক ধাপ কেমন ছিল 

    প্রতিষ্ঠার পরেই জনসঙ্ঘের নেতা-কর্মীরা সংগঠন বিস্তারের কাজ শুরু করেন। স্থানীয় শাখাগুলির নাম ছিল সমিতি। সমিতির কাজ দেখাশোনা করত মণ্ডল কমিটি। মণ্ডল কমিটির ওপরে ছিল জেলা কমিটি। তারপর রাজ্য কমিটি। জনসঙ্ঘ ছিল ক্যাডার ভিত্তিক দল। সেই রীতি বর্তমান দিনে বিজেপিতেও চলছে। প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মধ্যেই জনসঙ্ঘ (Jana Sangh) ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকে। উত্তর ও মধ্য ভারতের প্রায় সব রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গে গঠিত হয় দলের কমিটি। প্রতিষ্ঠার পর পরেই সমগ্র দেশের চারটি অঞ্চলকে দেখভাল করতেন চারজন নেতা। উত্তর ভারতের কাজ দেখতেন বলরাজ মাধোক, পূর্ব ভারতের সংগঠন দেখতেন নানাজি দেশমুখ,পশ্চিম ভারতের সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন সুন্দর সিং ভাণ্ডারি এবং দক্ষিণ ভারতে দলের কাজ দেখতেন জগন্নাথ রাও।

    ১৯৫১ সালের নির্বাচনে জনসঙ্ঘের ইস্তেহারে দেশকে ‘ভারত মাতা’ সম্বোধন করা হয়

    ২১ অক্টোবর ১৯৫১ সালে পথ চলা শুরু হয় ভারতীয় জনসঙ্ঘের (Jana Sangh)। প্রতিষ্ঠার দু’মাসের মধ্যেই পার্টিকে লড়তে হয় স্বাধীন ভারতের প্রথম লোকসভা নির্বাচন। প্রসঙ্গত, দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫১ সালের ডিসেম্বর মাসে। জনসঙ্ঘের নির্বাচনী ইস্তেহারে দেশকে ‘ভারত মাতা’ সম্বোধন করা হয় এবং ‘দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধে’ (Nation First) একথা বলা হয়। ওই নির্বাচনী ইস্তেহারে আরও বলা হয়, দল ক্ষমতায় এলে গ্রামীণ অর্থনীতি মজবুত করা হবে, কৃষি ও শিল্পভিত্তিক অর্থনীতিতে জোর দেওয়া হবে। নির্বাচনী ইস্তেহারে ‘স্বদেশিয়ানা’র উল্লেখও করা হয়।

    প্রথম সাধারণ নির্বাচনে বাংলা থেকে জোড়া আসন জয়

    দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে মোট আসনের সংখ্যা ছিল ৪৮৯। এরমধ্যে ৯৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করে ভারতীয় জনসঙ্ঘ (Jana Sangh)। ৩টি আসনে জয় পায় দল।  দক্ষিণ কলকাতা (পশ্চিমবঙ্গ) থেকে জেতেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Syama Prasad Mukherjee), মেদিনীপুর (পশ্চিমবঙ্গ) থেকে জেতেন দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, চিতোর (রাজস্থান) থেকে জেতেন উমাশঙ্কর ত্রিবেদী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share