Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 167: “মৌমাছি, কেবল ফুলের উপর বসে মধুপান করে, বিষয়রসের দিকে যায় না”

    Ramakrishna 167: “মৌমাছি, কেবল ফুলের উপর বসে মধুপান করে, বিষয়রসের দিকে যায় না”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২৯শে মার্চ

    কর্মেন্দ্রিয়াণি সংযম্য য আস্তে মনসা স্মরন্‌ ৷
    ইন্দ্রিয়ার্থান বিমূঢ়াত্মা মিথ্যাচারঃ স উচ্যতে ॥
                                               (গীতা, ৩।৬)

    নরেন্দ্র প্রভৃতি নিত্যসিদ্ধ—তাদের ভক্তি আজন্ম 

    (অমৃত ও ত্রৈলোক্যের প্রতি)—নরেন্দ্র, রাখাল-টাখাল এই সব ছোকরা, এরা নিত্যসিদ্ধ, এরা জন্মে ঈশ্বরের (Ramakrishna) ভক্ত। অনেকের সাধ্যসাধনা করে একটু ভক্তি হয়, এদের কিন্তু আজন্ম ঈশ্বরে ভালবাসা। যেন পাতাল ফোঁড়া শিব—বসানো শিব নয়।

    নিত্যসিদ্ধ একটি থাক আলাদা। সব পাখির ঠোঁট বাঁকা নয়। এরা কখনও সংসারে আসক্ত (Kathamrita) হয় না। যেমন প্রহ্লাদ।

    সাধারণ লোক সাধন করে, ঈশ্বরে ভক্তিও করে। আবার সংসারেও আসক্ত হয়, কামিনী-কাঞ্চনে মুগ্ধ হয়। মাছি যেমন ফুলে বসে, সন্দেশে বসে, আবার বিষ্ঠাতেও বসে। (সকলে স্তব্ধ)

    নিত্যসিদ্ধ যেমন মৌমাছি, কেবল ফুলের উপর বসে মধুপান করে। নিত্যসিদ্ধ হরিরস পান করে, বিষয়রসের দিকে যায় না।

    সাধ্য-সাধনা করে যে ভক্তি, এদের সে ভক্তি নয়। এত জপ, এত ধ্যান করতে হবে, এইরূপ পূজা করতে হবে—এ-সব ‘বিধিবাদীয়’ ভক্তি। যেমন ধান হলে মাঠ পার হতে গেলে আল দিয়ে ঘুরে ঘুরে যেতে হবে। আবার যেমন সম্মুখের গাঁয়ে যাবে, কিন্তু বাঁকা নদী দিয়ে ঘুরে ঘুরে যেতে হবে।

    রাগভক্তি প্রেমাভক্তি ঈশ্বরে আত্মীয়ের ন্যায় ভালবাসা(Kathamrita), এলে আর কোন বিধিনিয়ম থাকে না। তখন ধানকাটা মাঠ যেমন পার হওয়া। আল দিয়ে যেতে হয় না। সোজা একদিক দিয়ে গেলেই হল।

    বন্যে এলে আর বাঁকা নদী দিয়ে ঘুরে ঘুরে যেতে হয় না। তখন মাঠের উপর এক বাঁশ জল! সোজা নৌকা চালিয়ে দিলেই হল।

    “এই রাগভক্তি, অনুরাগ, ভালবাসা না এলে ঈশ্বরলাভ হয় না।”

    সমাধিতত্ত্ব—সবিকল্প ও নির্বিকল্প 

    অমৃত—মহাশয়! আপনার এই সমাধি অবস্থায় কি বোধ হয়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—শুনেছ, কুমুরে পোকা চিন্তা করে আরশুলা কুমুরে পোকা হয়ে যায়, কিরকম জানো? যেমন হাঁড়ির মাছ গঙ্গায় ছেড়ে দিলে হয়।

    অমৃত—একটুও কি অহং থাকে না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, আমার প্রায় একটু অহং থাকে। সোনার একটু কণা, সোনার চাপে যত ঘষ না কেন, তবু একটু কণা থেকে যায়। আর যেমন বড় আগুন আর তার একটি ফিনকি। বাহ্যজ্ঞান চলে যায়, কিন্তু প্রায় তিনি একটু  ‘অহং’ রেখে দেন—বিলাসের জন্য! আমি তুমি থাকলে তবে আস্বাদন হয়। কখন কখন সে আমিটুকুও তিনি পুঁছে ফেলেন। এর নাম ‘জড়সমাধি—নির্বিকল্পসমাধি। তখন কি অবস্থা হয় মুখে বলা যায় না। নুনের পুতুল সমুদ্র মাপতে গিছিল, একটু নেমেই গলে গেল। ‘তদাকারকারিত’। তখন কে আর উপরে এসে সংবাদ দেবে, সমুদ্র কত গভীর!

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পঞ্চবার আঠার ষোল, যুগে যুগে এলাম ভাল…শেষে কচে বারো পড়ে মাগো, পঞ্জা-ছক্কায় বন্দী হলাম”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Government: ফোর লেন হচ্ছে ধূপগুড়ি-ফালাকাটা জাতীয় সড়ক, ১৬০৬ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের

    Modi Government: ফোর লেন হচ্ছে ধূপগুড়ি-ফালাকাটা জাতীয় সড়ক, ১৬০৬ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধূপগুড়ি থেকে ফালাকাটাগামী (Dhupguri Falakata) জাতীয় সড়ক এবার ফোর লেন হতে চলেছে। বেশ কিছুটা কাজ এগিয়েও গিয়েছে। কেন্দ্রীয় (Modi Government) সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক (Ministry of Highways) এর জন্য ১৬০৬.১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। মোদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তে খুশি এলাকার লোকজন। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঘোষপুকুর থেকে ধূপগুড়ি পর্যন্ত ফোর লেনের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। ফালাকাটা থেকে সলসলাবাড়ি পর্যন্ত রাস্তার চার লেনের কাজ এখন জোরকদমে চলছে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ আরও ভালো হবে।

    কেন্দ্রীয় (Modi Government) সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির পোস্ট

    কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে ফোর লেনের অর্থ বরাদ্দের কথা ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার এনএইচ-৩১ডি জাতীয় সড়ককে আপগ্রেড ও পুনর্বাসনের করার জন্য বিরাট অঙ্কের টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। ধূপগুড়ি থেকে ফালাকাটা পর্যন্ত ফোর লেনের হাইওয়েতে প্রসারিত করা হচ্ছে। ধূপগুড়ি থেকে ফালাকাটা (Dhupguri Falakata) পর্যন্ত এই রাস্তাটির দৈর্ঘ্য ২৯.৮৬ কিলোমিটার বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    সংযোগ করবে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে (Modi Government)

    জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে পোরবন্দর থেকে রাজকোট, সমখিয়ালি, রাধনপুর, কোটা, ঝাঁসি, কানপুর, লখনউ, অযোধ্যা, গোরখপুর, এবং মুজাফফরপুর থেকে শিলিগুড়ি, অসম এবং গুয়াহাটিকে সংযোগ করবে এই রাস্তা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বাড়াবে। পাশাপাশি এই রাস্তাটি হয়ে গেলে দূরত্ব যেমন কমবে ও সময়ও বাঁচবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 18 october 2024: মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 18 october 2024: মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) বিদেশযাত্রার জন্য আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) অপরকে সুখী করতে গিয়ে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। 

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মীন

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctors: ডাক্তার আন্দোলনকে খাটো করে কোনও পোস্ট নয়, কর্মীদের একাংশকে সতর্ক বিজেপির

    Junior Doctors: ডাক্তার আন্দোলনকে খাটো করে কোনও পোস্ট নয়, কর্মীদের একাংশকে সতর্ক বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে (Junior Doctors) খোঁচা দিয়ে করা যাবেনা সমাজমাধ্যমে কোনও পোস্ট, দলের কর্মী-সমর্থকদের কাছে কড়া বার্তা দিল বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। সংখ্যায় কম হলেও বিজেপির একাংশ এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় জুনিয়র চিকিৎসকদের নানা ভাবে খোঁচা দিচ্ছেন, এই ঘটনাকে কোনওভাবেই ভালো চোখে দেখছেন না বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। কারণ জুনিয়র ডাক্তারদের দুর্বার আন্দোলনে প্রবল চাপে মমতা সরকার। ডাক্তারদের (Junior Doctors) পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, ১০ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা চেয়েছেন বিধানসভায়। এই আবহে বিজেপির যাঁরা সমাজমাধ্যমে ডাক্তার আন্দোলনকে খোঁচা দিচ্ছেন তাঁদের কড়া বার্তা দিল রাজ্য নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: আরজি কর আন্দোলনের সামাজিক প্রভাব কতটা? সমীক্ষা করবে আরএসএস

    সরকার বিরোধী শক্তিকে খাটো করা হচ্ছে (Junior Doctors) 

    প্রসঙ্গত, আগামী ২৪ অক্টোবর বাংলায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বঙ্গ বিজেপির (BJP) নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন। সেখানেই জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) এই আন্দোলনের প্রসঙ্গও উঠতে পারে। এই আবহে বিজেপি নেতৃত্বের এমন সিদ্ধান্ত যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এভাবে আক্রমণ করলে কার্যত সরকার বিরোধী শক্তিকেই খাটো করা হবে।

    প্রয়োজনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে

    সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী জুনিয়র ডাক্তারদের এই আন্দোলনকে কার্যত কুর্নিশ জানিয়েছেন। তারপরেও দলের যে অংশ এখনও খোঁচা দিচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) সেটা কোনওভাবেই মানতে চাইছেন না নেতৃত্ব। রাজ্য বিজেপির এক পদাধিকারীর কথায়, ‘‘দলের কিছু নেতা-কর্মী ডাক্তার আন্দোলনকে আক্রমণকরে চলেছেন। আশা করছি, অমিত শাহ কলকাতায় এসে এ বিষয়ে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের বার্তা দেবেন। তার পর যদি তাঁদের টনক নড়ে। আমরাও নজর রেখেছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী পোস্ট করছেন। প্রয়োজনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nayab Singh Saini: হরিয়ানায় হ্যাটট্রিক বিজেপির, মোদির উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ সাইনির

    Nayab Singh Saini: হরিয়ানায় হ্যাটট্রিক বিজেপির, মোদির উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ সাইনির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের জন্য হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নয়াব সিং সাইনি (Nayab Singh Saini)। তৃতীয়বার সরকার তৈরি হল বিজেপির। এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও হাজির ছিলেন এনডিএ-র শরিক দলের নেতারা। কেন্দ্রের মন্ত্রী তথা জেডিইউ-এর সদস্য রাজীবরঞ্জন সিং ওরফে লালন সিং, কেন্দ্রের মন্ত্রী, লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস)-এর সদস্য চিরাগ পাসোয়ান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে দেখা যায় এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে হাজির ছিলেন অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মা, গুজরাতের ভূপেন্দ্র প্যাটেল, উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ।

    হরিয়ানার পঞ্চকুলার শালিমার মাঠে হয় শপথ গ্রহণ (Nayab Singh Saini)

    হরিয়ানার পঞ্চকুলার শালিমার মাঠে এদিন রাজ্যপাল বন্দারু দত্তাত্রেয় শপথ বাক্য পাঠ করান মুখ্যমন্ত্রী (Nayab Singh Saini) সমেত ১২ জন বিজেপির মন্ত্রীকে। মাঠে হাজির ছিলেন প্রায় ৫০ হাজার দর্শক। সামনের সারিতে বসে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রসঙ্গত, হরিয়ানা বিধানসভার আসনসংখ্যা রয়েছে ৯০টি। নিয়ম অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রিসভায় সর্বোচ্চ ১৩ জন সদস্য থাকতে পারেন।

    বিপুল জয় বিজেপির (Haryana)

    ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৯০ আসনের হরিয়ানা বিধানসভায় ৪৮টি আসন জেতে গেরুয়া শিবির, যাদুসংখ্যা যেখানে ছিল ৪৬। টানা এক দশক ক্ষমতায় থাকার পরে ফের উন্নয়নের প্রশ্নে বিজেপিকেই বেছে নেন হরিয়ানার জনগণ। বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেসকে থামতে হয় ৩৭টি আসনেই। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌটালার ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোকদল (আইএনএলডি) দু’টি এবং নির্দল প্রার্থীরা তিনটি আসনে জিতেছেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসেই মনোহরলাল খট্টরকে সরিয়ে দলের ওবিসি ‘মুখ’ সাইনিকে (Nayab Singh Saini) মুখ্যমন্ত্রী করেছিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং বিজেপি-দু’দলই হরিয়ানায় পাঁচটি করে আসনে জিতেছিল। বিধানসভায় কংগ্রেসকে এগিয়ে রাখে বেশিরভাগ জনমত সমীক্ষাই। তবে সেসবকে উড়িয়ে দিয়ে বাজিমাত করে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: ভ্রমণপ্রিয়দের জন্য খুশির খবর, ৬০ দিন আগেই মিলবে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট

    Indian Railways: ভ্রমণপ্রিয়দের জন্য খুশির খবর, ৬০ দিন আগেই মিলবে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে বড়সড় পরিবর্তন আনল রেল। ট্রেনে আসন সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট সময় কমিয়ে দেওয়া হল। আর চারমাস নয়। এবার দূরপাল্লার ট্রেনে টিকিট বুকিং করা যাবে দু-মাস আগে। বুধবারই এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল (Indian Railways) বোর্ড ও রেল মন্ত্রক। নতুন নিয়মে ১২০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন আগে টিকিট কাটার ব্যবস্থা হলে অনেকেরই সুবিধা হবে বলেই মনে করছে রেল।

    নতুন নিয়মে কী রয়েছে? (Indian Railways)

    এখনও পর্যন্ত যে নিয়ম রয়েছে তাতে ট্রেন ছাড়ার দিনটি বাদ দিয়ে ১২০ দিন আগে কোনও ট্রেনের টিকিট (Ticket) সংরক্ষণ শুরু হয়। এর ফলে অনেক আগে থেকে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে ফেলতে হয়। এ বার সেই অগ্রিম পরিকল্পনার মেয়াদ কমানোর সুবিধা করে দিচ্ছে রেল। এখন যদি কেউ ফেব্রুয়ারি মাসের টিকিট বিক্রি শুরুর দিনেই কাটতে চান, তবে যে দিন ট্রেন ছাড়বে সে দিন থেকে ১২০ দিন আগে কেটে নিতে হবে। কিন্তু সেই নিয়ম বদলে যাবে ১ নভেম্বর। বৃহস্পতিবার রেলের (Indian Railways) তরফে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১২০ দিন আগে টিকিট বুকিংয়ের যে নিয়ম লাগু ছিল পয়লা নভেম্বর থেকে তাতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ১ নভেম্বর থেকে বেড়াতে যাওয়ার দু-মাস আগে দূরযাত্রার জন্য টিকিট কাটা যাবে। তবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আগের নিয়মে অর্থাৎ ১২০ দিন আগেই সংরক্ষিত আসনের জন্য টিকিট কাটা যাবে। রেলের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, টিকিট ক্যানসেল করার ক্ষেত্রেও এই ৬০ দিনের সময়সীমাই মানতে হবে। তবে তাজ এক্সপ্রেস, গোমতী এক্সপ্রেস-এই দুটি ট্রেনে আসন সংরক্ষণের জন্য মানতে হবে ১২০ দিনের সময়সীমাই। একই ভাবে বিদেশি নাগরিকেরা এখনকার মতো ৩৬৫ দিন আগেই কোনও ট্রেনের টিকিট কেটে রাখতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: কৃষ্ণনগরে তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন! সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে নির্যাতিতার মা

    খুশি ভ্রমণপ্রিয় মানুষ

    রেলের (Indian Railways) এমন সিদ্ধান্তে খুশি ভ্রমণপ্রিয় মানুষজন। তাঁদের বক্তব্য, অনেক সময়ই চারমাস আগে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা যায় না। কিন্তু শুধুমাত্র টিকিট কাটার জন্য তা করতে বাধ্য হতেন। কারণ, চারমাস সময়ের মধ্যে ভালো-মন্দ অনেক কিছু হতে পারে। অনেক সুবিধা-অসুবিধা হতে পারে। এখন টিকিট কাটার সময় কমে দু-মাস হওয়ায় এই সমস্যা অনেকটাই মিটবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: সাদা কাগজে অনশন মঞ্চে জুনিয়র ডাক্তারদের সই সংগ্রহ শুরু, নিমেষে পাতা ভর্তি

    Junior Doctor: সাদা কাগজে অনশন মঞ্চে জুনিয়র ডাক্তারদের সই সংগ্রহ শুরু, নিমেষে পাতা ভর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে নামলেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। লক্ষ্মীবারে, লক্ষ্মীপুজোর দিন এই কর্মসূচি শুরু হল। অনশন মঞ্চেই এই কর্মসূচিতে এগিয়ে এলেন বহু মানুষ। নতুন এই কর্মসূচি থেকে আরও বেশি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা? এদিন মঞ্চের সামনে থেকেই শুরু হয় গণস্বাক্ষর অভিযান। সকাল থেকেই বহু সাধারণ মানুষ, সিনিয়র চিকিৎসকরা অনশন মঞ্চে এসে উপস্থিত হন। সাদা কাগজে সেই সই সংগ্রহ শুরু হয়। নিমেষে পাতা ভর্তি হতে থাকে। এই সই সংগ্রহ অভিযান এখন চলবে।

    গণস্বাক্ষর অভিযানের ডাক (Junior Doctor)

    জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ‘গণস্বাক্ষর সংগ্রহ’ কর্মসূচি ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার তা শুরু হতে চলেছে কলকাতা থেকেও। ধর্মতলার অনশনমঞ্চ (Hunger Strike) থেকে তো বটেই বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ থেকেও জুনিয়র ডাক্তারেরা গণস্বাক্ষর সংগ্রহে বেরোবেন বলে জানা গিয়েছে। স্থির হয়েছে ধর্মতলার অনশনমঞ্চ থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের নিয়ে চারটে গাড়ি চার প্রান্তে যাবে। উল্টোডাঙা, সোদপুর, গড়িয়াহাট এবং শ্যামবাজারে গিয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করবেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। জানা গিয়েছে, একাধিক জায়গায় মিছিল করে জুনিয়র চিকিৎসকরা যাবেন। ধর্মতলা থেকে চারদিকে যাবে এই মিছিল। ধর্মতলা থেকে শ্যামবাজার হয়ে সোদপুর যাবে। ধর্মতলা থেকে বিধাননগর যাবে। ধর্মতলা থেকে গড়িয়াহাট যাবে। সাধারণ মানুষের সই সংগ্রহ করা হবে।

    আরও পড়ুন: হাসিনার পরিবারের সঙ্গে যুক্ত আটটি জাতীয় দিবস বাতিল হচ্ছে বাংলাদেশে

    কী বললেন উদ্যোক্তারা?

    বুধবারই ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজে বৈঠকে বসেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মধ্যরাতের সেই বৈঠকে ‘গণস্বাক্ষর সংগ্রহ’ কর্মসূচির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। নিজেদের দাবির বিষয়ে সাধারণ মানুষকে (Junior Doctor) অবহিত করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, ধর্মতলার চার প্রান্তের চারটি জায়গায় ১০ দফা দাবির বিষয়ে নিজেদের মতামত জানিয়ে স্বাক্ষর করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। প্রাথমিক ভাবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরি করতে চাইছেন আন্দোলনকারীরা। আরিফ আহমেদ লস্কর নামে এক আন্দোলনকারীর কথায়, “অনেক সাধারণ মানুষ ধর্মতলায় এলেও সরাসরি প্রতিবাদী বা অনশনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না। কিন্তু আমরা তাঁদের কথা শুনতে চাই। তাই সাধারণ মানুষ যাঁরা আসছেন, তাঁরা তাঁদের মতামত আমাদের জানিয়ে স্বাক্ষর করতে পারবেন।”

    কতদিন চলবে এই কর্মসূচি?

    শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারের এই ‘গণস্বাক্ষর সংগ্রহ’ কর্মসূচিই (Junior Doctor) নয়, প্রতি দিনই বৈঠক করে নতুন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এই পোস্টারে কোথাও উদ্যোক্তাদের নাম উল্লেখ করা নেই। ১০ দফা দাবি নিয়ে ধর্মতলায় ‘আমরণ অনশন’ চালাচ্ছেন সাত জন জুনিয়র ডাক্তার। বৃহস্পতিবার তাঁদের অনশনের ত্রয়োদশতম দিন। এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজেও ‘আমরণ অনশন’ চালাচ্ছেন এক জুনিয়র ডাক্তার। শিলিগুড়ির অনশনমঞ্চের একাদশতম দিন। অনশনে থাকতে থাকতে সকলেই কমবেশি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। রুমেলিকা কুমার এবং স্পন্দন চৌধুরী মঙ্গলবারই ধর্মতলার অনশনমঞ্চে যোগ দিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 6A Of The Citizenship Act: নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারার সাংবিধানিক বৈধতা মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

    6A Of The Citizenship Act: নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারার সাংবিধানিক বৈধতা মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারার (6A Of The Citizenship Act) সাংবিধানিক বৈধতা মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বৃহস্পতিবার এই রায় দিল শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও এই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশ, বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা।

    সাংবিধানিক বেঞ্চে দ্বিমত (6A Of The Citizenship Act)

    প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়-সহ চার বিচারপতি এই ধারার সাংবিধানিক বৈধতা মেনে নিলেও, দ্বিমত পোষণ করেন সাংবিধানিক বেঞ্চের সদস্য বিচারপতি পারদিওয়ালা। ৬-এ ধারাকে তিনি ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দেন। এদিন রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, অসম চুক্তি মেনে অবৈধ অভিবাসনের সমস্যার এটি একটি রাজনৈতিক সমাধান। বেআইনি অনুপ্রবেশ সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানসূত্র অসম চুক্তি। সেই চুক্তি সূত্রে নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারার যৌক্তিকতা রয়েছে বলে রায় আদালতের। স্থানীয় জনগণের স্বার্থ রক্ষার্থে ও ভারসাম্য বজায় রাখতে এমন ধারা তৈরি করার আইনি ক্ষমতা সংসদীয় ব্যবস্থার রয়েছে।

    ৬-এ ধারা

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয় ৬-এ ধারাটির। ওই দিনই শেষ হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। তাই ওই ধারাটিকে বাংলাদেশ যুদ্ধের প্রেক্ষিতেই দেখতে হবে। সেই কারণে ওই তারিখটিকে ভিত্তি করে ধারাটির প্রয়োগ যথাযথ বলে অভিমত শীর্ষ আদালতের। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারির আগে যারা অসমে এসেছে, তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ধরতে হবে। ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের মধ্যে যারা এসেছে, তারা অন্যান্য যোগ্যতা পূরণ করতে পারলে ভারতীয় নাগরিকত্ব চাইতে পারেন। কিন্তু ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পরে আসা সবাইকেই বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে আটক করে ফেরত পাঠাতে হবে বাংলাদেশে।

    আরও পড়ুন: যত নষ্টের গোড়া ট্রুডো! নিজ্জর খুনে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা ভারতের

    অসমের জন্যই ৬-এ ধারা

    কেবলমাত্র অসম রাজ্যের জন্যই নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারাটি তৈরি করা হয়েছিল। অসমে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পরে ১৯৮৫ সালে ভারত সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে হওয়া অসম চুক্তির অঙ্গ হিসেবে নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারা তৈরি করা হয়েছিল। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর যেসব বাংলাদেশি অসমে অনুপ্রবেশ করেছে, তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশে রূপান্তরিত হওয়ার পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে ঘোষণা করেছিলেন, ১৯৭১ এর পর দেশ ছেড়ে যাওয়া সবাইকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। সেই জন্যই ৬-এ ধারায় ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে বেছে নেওয়া হয়েছে (Supreme Court)। কারণ (6A Of The Citizenship Act) বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ।

    সুপ্রিম কোর্টে আবেদন

    অসমে অবৈধ অভিবাসন সংক্রান্ত ওই ধারা অসাংবিধানিক বলে দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে মোট ১৭টি আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। সেগুলিই একত্রিত করে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়েছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসের শুরুতে। আবেদনকারীদের বক্তব্য, অসম চুক্তিকে ২৫৩ ধারার অধীনে বৈধতা দিতে কোনও পদক্ষেপ করেনি সংসদ। তাই অসম চুক্তিরই বৈধতা নেই। কিন্তু এদিন কেন্দ্রের আবেদন মেনে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ সায় দিয়েছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে সময়সীমা ধার্য করার ব্যবস্থাকেই।

    অসম চুক্তি

    অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী আন্দোলন শুরু হয় অসমে। আন্দোলনে ইতি টানতে ১৯৮৫ সালে হয় অসম চুক্তি। চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় আন্দোলনকারী ও ভারত সরকারের মধ্যে। এই অসম চুক্তিরই অঙ্গ হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারা। এই ধারা অনুযায়ীই ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত অসমে অনুপ্রবেশ করা বাংলাদেশিদের ভারতীয় নাগরিকত্বের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলাদেশের সঙ্গে অসমের সীমান্তের দৈর্ঘ্য অনেক বেশি। অন্যান্য সীমান্তবর্তী রাজ্যের তুলনায় অসমে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা স্থানীয় জনগণের চেয়ে বেশি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অসমে মোট জমির পরিমাণ পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে কম। তাই পশ্চিমবঙ্গে ৫৭ লাখ অনুপ্রবেশকারী থাকলেও, অসমে ৪০ লাখ অনুপ্রবেশকারীর জন্য ওই ধারার প্রয়োগ যথাযথ, অভিমত আদালতের।

    আবেদনকারীদের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, আবেদনকারীদের অভিযোগ, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারা ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারাকে লঙ্ঘন করছে। ওই ধারা অনুযায়ী, অসমে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিকেই প্রমাণ করতে হয় তিনি ভারতীয় নাগরিক। ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারায় সাম্যের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এই ধারা অনুয়ায়ী, দেশি, বিদেশি কিংবা অ-নাগরিক হয়েও যদি কেউ ভারতে বাস করেন, তিনিও সংবিধানে বর্ণিত সাম্যের অধিকার ভোগ করবেন। সুপ্রিম কোর্টের সাফ কথা, শরণার্থীদের আশ্রয়ের প্রসঙ্গ নয়, এ ক্ষেত্রে বিচার করা হয়েছে (Supreme Court) নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টির সাংবিধানিক বৈধতা (6A Of The Citizenship Act)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Meta Layoff: কর্মী ছাঁটাই ‘মেটা’য়, হোয়াটস্অ্যাপ-ইনস্টাগ্রামে কাজ হারালেন বহু মানুষ

    Meta Layoff: কর্মী ছাঁটাই ‘মেটা’য়, হোয়াটস্অ্যাপ-ইনস্টাগ্রামে কাজ হারালেন বহু মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গুগল’-এর পর এবার কর্মী ছাঁটাই (Meta Layoff) করল ‘মেটা’ (Meta), এমনই খবর সামনে এসেছে। এর ফলে ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্‌অ্যাপ ও রিয়্যালটি ল্যাব্‌সের মতো সমাজমাধ্যম থেকে কাজ হারিয়েছেন বহু কর্মী। গত বুধবার ১৬ অক্টোবর সংবাদ সংস্থা ‘রয়টার্স’-এ এই খবর প্রথম প্রকাশিত হয়। এরপরেই হইচই পড়ে যায়। তবে মোট কত জন কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ছাঁটাই হওয়া এক কর্মীর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও সামনে এসেছে এই আবহে।

    কী বললেন মেটার মুখপাত্র (Meta Layoff)?

    রয়টার্সকে ছাঁটাই নিয়ে বিবৃতি দেন মেটার (Meta Layoff)  মুখপাত্র। সেখানেই তিনি জানিয়েছেন, সংস্থার তরফে কর্মীদের দলগুলিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা কিছু টিমকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করেছি। কিছু কর্মীকে এ বার থেকে অন্য ভূমিকায় দেখা যাবে। যখন একটা কাজ বা ইউনিটকেই বাদ দিতে হয়, তখন অন্যদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়াটা আমাদের কর্তব্য। আর এর জন্য আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি।’’ প্রসঙ্গত, মোট কতজনকে ছাঁটাই করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন মেটার মুখপাত্র। তবে কাজ হারানো কর্মীর সংখ্যা খুব কম বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন মেটার মুখপাত্র। 

    ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে প্রায় ২১ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করেছে মেটা

    তথ্য বলছে,  ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে প্রায় ২১ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করেছে মেটা (Meta Layoff)। ওই সময়ে কোম্পানির সিইও মার্ক জুকেরবার্গকে বিবৃতি দিতে শোনা যায় যে, ২০২৩ সাল হল ‘দক্ষতার বছর’। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে এখনও পর্যন্ত মেটার শেয়ারের দর ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি, দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের ফলাফল প্রকাশ করেছে এই মেটা। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, বাজার থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব পেতে বেশ ব্যর্থ হতে হয়েছে মেটাকে। ঠিক এই কারণেই তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আগে ব্যবসার ধরনে কিছু বদল এনেছে মেটা (Meta)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কালীপুজোতে হিমেল আমেজ! পূর্বাভাস, শনিবার থেকেই আবহাওয়ায় বদল

    Weather Update: কালীপুজোতে হিমেল আমেজ! পূর্বাভাস, শনিবার থেকেই আবহাওয়ায় বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৪ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। যদিও, কোনও জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে না। জানা গিয়েছে, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার কিছু অংশে বৃষ্টি হবে এই সময়। উত্তরবঙ্গে ওপরের দিকের পাঁচ জেলাতে হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। তবে পূর্বাভাস, শনিবার থেকেই ধীরে ধীরে উন্নতি হবে আবহাওয়ার। মাঝ অক্টোবরে আবহাওয়ার (Weather Update) কিছুটা বদলও হবে। ক্রমশঃ শুষ্ক হবে বাতাস। মূল শীত আসতে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ। 

    কালীপুজোয় আবহাওয়া কেমন থাকবে? (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা কমে যাবে। রবিবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়ার সম্ভাবনা গোটা দক্ষিণবঙ্গে। কালীপুজো (Kali Puja) এবং দীপাবলির সময় শুষ্ক এবং হিমেল হওয়া। অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে কালীপুজো এবং দীপাবলি উদযাপনের পূর্বাভাস।

    নিম্নচাপের জেরে শুক্র পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

    এই মুহূর্তে, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতে স্থানীয়ভাবে দু-এক পশলা হালকা মাঝারি বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানত আংশিক মেঘলা আকাশ। মাঝে মাঝে সম্পূর্ণ মেঘলা আকাশ এবং বজ্র বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। মৌসম ভবনের (Weather Update) তরফে পূর্বাভাস সুস্পষ্ট নিম্নচাপ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ পরিণত হয়েছে। আরো শক্তি বাড়িয়ে এর অভিমুখ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে তামিলনাড়ু এবং পন্ডিচেরি উপকূল। চেন্নাইয়ের কাছাকাছি শুক্রবার সুস্পষ্ট নিম্নচাপ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ পরিণত হয়েছে (Weather Update)। আরো শক্তি বাড়িয়ে এর অভিমুখ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি উপকূল। চেন্নাইয়ের কাছাকাছি শুক্রবার সকালে এটি স্থলভাগে প্রবেশ করবে। উত্তর বাংলাদেশে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ আসামে রয়েছে আরও ঘূর্ণাবর্ত।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মী প্রতিমা ভাঙচুরে অভিযুক্ত জেহাদিরা! ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’কে খোঁচা শুভেন্দুর

    উত্তরবঙ্গের কী অবস্থা?

    উত্তরবঙ্গের (Weather Update) দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি-এই পাঁচ জেলাতেই এদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস। কালও দার্জিলিং, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ার এর পার্বত্য জেলায় হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ক্রমশ কমবে। উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতে আবহাওয়ার পরিবর্তন। শুষ্ক আবহাওয়ার শুরু। ধীরে ধীরে কোচবিহার আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলাতেও শুষ্ক আবহাওয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share